10-14-2026, 08:56 AM
দেখতে দেখতে দেব এর ভর্তি পরীক্ষা চলে এল। পরীক্ষা রেজাল্ট ভাল হল। দেব রাজশাহী এর একটা সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। ঢাকা হলে ভাল হতো মায়ের সাথে থাকতে পারত, কিন্তু কোন কোচিং ছাড়া যেটা পেয়েছে এটা নিয়ে মা ছেলে দুই জনেই খুব খুশি।
রেজাল্ট এর দিন দেব মাকে বলল, "আজকে আমরা বাইরে খেতে যাব।"
শশী বলল, "কোথায় যাবি আমরা? আমাদের তো অনেক কষ্ট হয়। খরচ করা ঠিক হবে না।"
দেব বলল, "কি যে বলো মা! আমি এতদিন ধরে টিউশনি করে কিছু টাকা জমিয়েছি। আজকে আমি তোমাকে খুব ভাল একটা জায়গায় নিয়ে যাব। তুমি তৈরি হও।"
শশী মনে মনে খুব খুশি হলেন।
শশী দেব এর সামনে তৈরি হওয়া শুরু করল। শশী বাসায় পরা কামিজ খুলছে, আর দেব হা করে দেখছে। দেব ভাবছে তার মা কত সুন্দরী। তার শরীরের বাঁকানো ভাঁজ আর বগল দেখে দেবকে উত্তেজিত করতে শুরু করল। শশী একটা পুরন ব্রা পরে আছে, যাতে তার স্তনযুগল ফুলে উঠেছে। দেব বুঝতে পারল যে ব্রাটা আর ফিট করছে না। তার মায়ের স্তনের অর্ধেকটাই উঁকি দিচ্ছে। দেবের বাড়া ফুলে গেল।
শশী দেবের দিকে তাকিয়ে বলল, "কি দেখছিস?"
দেব লজ্জা পেয়ে বলল, "তোমাকে। তুমি অনেক সুন্দরী মা। তোমার শরীরটা অনেক সুন্দর।"
শশী হেসে বলল, "এসব কি বলছিস তুই? আমি তো তোর মা।"
দেব বলল, "মা তুমি অনেক সুন্দর।"
শশী লজ্জা পেয়ে হাসে।
দেব বলে " মা তোমার ব্রা অনেক পুরনো হয়ে গেছে, তোমাকে নতুন কিনে দিতে হবে"
শশী বলল "কিনে দেবি?"
দেব বলল "হ্যাঁ, টিউশনি করে যে টাকা দিয়ে।"
শশী মনে মনে খুশি হল। শশী হেঁসে বলে "এবার ওই দিকে ফিরে তাকা আমি সালওয়ার খুলব।"
দেব অন্য দিকে ফিরে তাকাল। শশী সালওয়ার খুলে একটা কালো সালওয়ার পরল। শশী শুধু সালওয়ার আর পুরনো ব্রা টা পরে আছে।
শশী দেব কে বলল "এখন ঘুরতে পারিস" দেব ঘুরে তাকাল। দেব দেখল মা এবার একটা নতুন সালোয়ার পরছে কিন্তু সেই পুরন ব্রা এখনো আছে। দেবের সামনে এজটা কামিজ পরল। তারপর তারা বের হল রেস্তোরা এর জন্য।গুগলে Hookah restaurant নামে একটা রেস্তোরা দেখে শশী বলল "চল এটায় যাই। গুগলে অনেক ভাল রিভিউ দেখেছি" দেব কিছু বলল রিকসা তে করে গেল। তারপর তারা দুই জনে ভেতরে ঢুকল। ভেতরে ঢুকে দেব আর শশী দুজনেই চমকে গেলেন। রেস্তোরাটা তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি আলোকিত ছিল। দেব ভাবল, 'এখানে খেতে হলে নিশ্চয়ই অনেক খরচ হবে।' শশীও ভাবল, 'আমার ছেলে কি করে এত খরচ করছে? ওর তো পড়ালেখা চলছে।' দুজনের মনেই একটা দ্বিধা জন্ম লাভ করল। কিন্তু যেহেতু বেরিয়ে পড়েছে, তাই ফিরে যাওয়া যাবে না।
একজন ওয়েটার তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন। সে তাদের দিকে তাকিয়ে অবাক হলো। "স্যার, ম্যাম, আমাদের রেস্তোরাঁয় শুধুমাত্র দম্পতিদের জন্য ব্যবস্থা আছে। আমাদের সিস্টেম অনুয়ায়ী, আমাদের প্রতিটি টেবিল একটি বন্ধ চেম্বারে থাকে, যাতে কোন দম্পতি ব্যক্তিগত সময় কাটাতে পারে। স্যার আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আমার সাথে আসুন" ওয়েটারের কথা শুনে দেব আর শশী দুজনেই হকচকিয়ে গেলেন।
তারা কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না। শশী মনে মনে ভাবলেন, 'আমি আর আমার ছেলে? স্ত্রী-স্বামী? এ কী কাণ্ড! কী বলব এখন? কীভাবে সামলাব এই পরিস্থিতি? ফিরে যাই? নাকি এখানেই থেকে যাই?' দেবও বিব্রত হলো। 'এই অবস্থায় মাকে নিয়ে ফিরে যাওয়া মানে মুখ শুকিয়ে যাওয়া। আবার এখানে থাকলেও লজ্জা করছে। মাকে নিয়ে স্ত্রী সাজিয়ে কী করে বসব?' তার মনের মধ্যে একটা যুদ্ধ শুরু হলো। একদিকে লজ্জা, অন্যদিকে মাকে হতাশ করতে চাইছিল না। দেব মায়ের দিকে তাকাল। শশীও ছেলের দিকে তাকালেন। চোখাচোখি হতেই দুজনের মধ্যে একটা অলিখিত বোঝাপড়া হয়ে গেল। দেব ওয়েটারের দিকে তাকিয়ে একটু দ্বিধা করে বলল, "ঠিক আছে, আমরা যাচ্ছি।"
ওয়েটার তাদের একটি করিডোর দিয়ে নিয়ে গেল। করিডোরের দুপাশে ছোট ছোট কক্ষ, যার প্রতিটির দরজায় একটি করে ভেলভেট পর্দা ঝুলছিল। ওয়েটার একটি দরজার কাছে এসে থামল। সে পর্দা সরিয়ে দিল এবং ভেতরে যেতে বলল। ভেতরে ঢুকে তারা আরও অবাক হলেন। মাত্র একটি সোফা, একটি ছোট টেবিল আর একটি হুক্কা। সোফা এতই ছোট যে দুজন বসলে তাদের শরীরের গায়ে গায়ে লাগবে। মায়ের মনে হল, এই জায়গাটা বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে বসার জন্যই বানানো।ওয়েটার বলল, "স্যার, ম্যাম, আপনাদের জন্য আমাদের বিশেষ মেনু।" সে একটি মেনু কার্ড টেবিলে রেখে বিদায় নিল।
দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। বাইরের আলো আর শব্দ একেবারে কমে গেল। দেব আর শশী দুজনে কয়েক মুহূর্ত নীরব দাড়িয়ে রইলেন। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছিল না। শশী আর দেব বসল। এত ছোট জায়গা যে তাদের অনেক ঘনিষ্ঠ হয়ে পাশাপাশি বসতে হলো। দেব এর দান বাহু মায়ের বাম দুধে লাগল। সাথে সাথে তাঁর বাড়া দাড়িয়ে গেল প্যান্টের ভিতরে।
শশী বলল "আমি বুঝিনি এই জায়গাটা এমন। গুগলে ভাল রিভিউ দেখে এসেছি। এখন আর কি করার।" শশী দেবের দিকে আরো চেপে বসল। তাঁর বুকের স্তনদ্বয় দেবের বাহুতে চাপা পড়ল।
দেব মাকে আদর করে বলল, "চিন্তা করো না মা, আমি আছি তো।" বলতে বলতে দেব আরও কাছাকাছি হলেন। দেবের শ্বাসের উত্তাপ শশীর গালে লাগল। শশীর শরীরে কেমন যেন একটা শিহরণ খেলে গেল।
শশী বলল "খাবার অর্ডার করে ফেলি চল।"
দেব বলল "হ্যাঁ, মা" দেব মেনু কার্ডটা নিয়ে দেখতে শুরু করল।
দেব বলল "মা, তোমার কি খাওয়া ইচ্ছে?"
শশী মেনু কার্ডের দিকে তাকালেন। তিনি দেবের ওই হাতটা নিয়ে নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে নিলেন।
শশী বলল, "তুই যা খাবে বল, আমিও সেটাই খাব। তুই তো আমার সবকিছু জানিস।" দেবের মনে হল, মায়ের কথায় কেমন যেন একটা আলাদা অর্থ রয়েছে। দেবের বাড়া আরও শক্ত হতে লাগল।
দেব আড়ষ্টভাবে বলল, "তাহলে চিকেন বিরিয়ানি আর কাবাব দেওয়া যাক?" শশী মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলেন।
দেব কলিং বেল টিপে ডাকল ওয়েটারকে। ওয়েটার এসে অর্ডার নিয়ে চলে গেল। আবার চুপচাপ পরিবেশ। পাশের কেবিন থেকে একটি মেয়ের কথা ভেসে আসছে " সোনা আস্তে টিপো! আহ!"। শশীর মুখ লাল হয়ে গেল। দেবের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেল। দেবের বাড়া এখন তাঁর প্যান্টের উপর দিয়ে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। শশী তা দেখে ফিক করে হেসে ফেললেন। "কিরে, লজ্জা করছে নাকি? ওইদিকে একটু তাকা তোর ওইটা আবার ফুলে গেছে," বললেন শশী।
দেব প্যান্টের দিকে তাকাল আর বলল, "মা, তুমি সুন্দর তাই..." বলতে বলতে থামল।
শশী কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, "তাই কি? নাকি পাশের কেবিনের কথা শুনে ?"
দেব লজ্জায় কিছু বলল না। শশী ছেলের অবস্থা দেখে হেঁসে দিলেন। একই সাথে এক ধরনের অদ্ভুত সুখ অনুভব করলেন।
শশী বলল, "আমার ছেলে আর ছোট নেই। বড় হয়েছে।"
তখনই পাশের কেবিন থেকে চুম্মাচাটির শব্দ আসল। এটা শুনে শশী দেবকে বলল "এখানে তো লোকজন আসে... এসব করতে।"
দেব হেঁসে জিজ্ঞেস করল "কি করতে?"
শশী বলল "আমি কি জানি। তবে তারা যা করছে তাতে মনে হচ্ছে তারা বেশ উপভোগ করছে। আমি বিয়ে করেও কখনও ভালোবাসা পাইনি।"
দেব বলল " কেন মা? বাবা কখনো তোমাকে..." বলে থেমে গেল লজ্জায়।
শশী বলল "তোর বাবা? ও আমাকে ভালোবাসত না। ও আমাকে জোর করে দেহ ভগ করত করত। কখনো আমার ইচ্ছার কথা ভাবত না। সবার কপালে এমন সুখ থাকেনা রে"
দেব এই কথা শুনে মায়ের দিকে তাকাল। শশীর চোখ ভিজে গিয়েছিল। দেব মায়ের চোখের জল মুছে দিল। "মা, কাঁদো না। আমি তো আছি," দেব বলল।
দেব মায়ের হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আস্তে করে চাপল। শশী বলল "তুই আছিস বটে, কিন্তু তোর তো নিজের জীবন আছে। তুই তো একদিন বিয়ে করবি, সংসার করবি। তখন আমি কি করব?"
দেব বলল "আমি বিয়ে করব না মা। আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।"
শশী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তারপর বলল "পাগল ছেলে, এসব কি বলিস।"
দেব বলল "আমি সত্যি বলছি মা। তুমি আমার জীবনের সব।"
দেব এবং শশী দুজনেই একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাদের মধ্যে দূরত্ব আর বলতে গেলে নেই বললেই চলে। দেবের ডান বাহু শশী আরো শক্ত করে চাপ দিলো যার ফলে বাম স্তনে লেপ্টে গেল। দেবের শ্বাসের গরম বাতাস শশীর নাকে লাগছে।
শশী বলল "তুই বুঝতে পারছিস না রে দেব। একদিন তোর একটা মেয়ে পছন্দ হবে। তুই তাকে ভালোবাসবি। তখন..."
দেব শশীর কথা কেটে দিয়ে বলল, "না মা। আমি কাউকে ভালোবাসব না। আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসব।"
দেবের এই কথা শুনে শশী তাঁর নাক দেবের নাকে লাগালো। শশী ফিস ফিস করে বলল "আমি জানি রে। তুই আমাকে ভালবাসিস। কিন্তু এ ভালবাসা... আর সেই ভালবাসা... দুটো এক নয়।"
শশী বলার সময় তাঁর নিচের ঠোঁট দেব এর নিচের ঠোঁটে হালকা করে স্পর্শ করল। ঠিক সেই সময় ওয়েটার এসে দরজায় টোকা দিল। দেব আর শশী দুজনেই চমকে আলাদা হলেন।
ওয়েটার ভেতরে এসে খাবার টেবিলে সাজিয়ে দিয়ে চলে গেল। দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে আবার সেই নীরবতা। দুজনেই খাবার খেতে শুরু করলেন, কিন্তু মন দিতে পারছিলেন না। দুজনের মধ্যেই এক ধরনের অজানা টান অনুভব করছিলেন, যা তারা আগে কখনও অনুভব করেননি। দেব একটা কাবাবের টুকরো তুলে শশীর মুখে তুলে দিল। শশী তাঁর ঠোঁট দিয়ে কাবাবটা নিয়ের সময় দেবের আঙুল একটু চুষে দিল। দেব কেঁপে উঠল।
শশী মুচকি হেসে বললেন, "তোর হাতের টা খুব মজা হয়েছে।"
দেব বলল, "তুমি খাও, আমি তোমাকে খাইয়ে দিব।" দেব আরও একটা টুকরো তুলে দিল।
দেব ফিসফিস করে বলল, "তোমার ঠোঁটে... কাবাবের রস লেগে আছে।"
দেব বলল, "আমি মুছে দিই?" দেব এর কথাটা শুনে শশী চোখ বড় করে তাকালেন। দেব এগিয়ে গিয়ে নিজের আঙুল দিয়ে শশীর ঠোঁটের কোণে থাকা রস মুছে দিল। তারপর সেই আঙুল নিজের মুখে নিয়ে চেটে নিল।
এটা দেখে শশী বললেন, "দুষ্টু ছেলে।"
শশী নিজেও একটা বিরিয়ানির মাংস তুলে দেবের মুখে দিলেন। খাওয়ার সময় দেবের ঠোঁট স্পর্শ করলেন তাঁর আঙুল।
খাওয়া শেষ হলে দুজনেই নিশ্চুপ বসে রইলেন। পাশের কেবিন থেকে এখনো আওয়াজ আসছিল, তবে সেটা আগের চেয়ে কিছুটা বেশি জোরে। শশী এবং দেব দুজনেই কেমন যেন গরম অনুভব করছিলেন। দেবের বাড়া এখনো খাড়া ছিল। শশী তা দেখে ফিসফিস করে বললেন, "এতক্ষণ ধরে এমন থাকলে ব্যথা করবে।"
দেব লজ্জায় মাথা ঝাঁকাল।
শশী বললেন, "বাথরুম আছে চেম্বারের বাইরে। যা তো ঠাণ্ডা করে আয়।"
দেব বলল "আমি এখন যেতে চাই না মা।"
শশী বলল "তাহলে কি করবি?"
দেব ফিসফিস করে বলল "এভাবেই থাক, বাসা গিয়ে ঠান্ডা করব। তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না"
দেব জানতো না যে তার এই কথা শুনে শশীর মনে কেমন লাগবে। দেবের কথাটা শুনে শশীর শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো। দেবের ডান হাতের বাহুটা নিজের বাম স্তনে লেপটে নিয়ে একটা গ্লাসে দুইটা পাইপ দিয়ে বলল " চল একিই গ্লাসে কোক খাই"
দেব বলল "এইভাবে?"
শশী বললেন, "হুম, এভাবেই।"
দেব অন্য পাইপটা মুখে নিল। দুজনে একই গ্লাস থেকে কোক খেতে লাগলেন। পাশাপাশি বসার জন্য দেবের ডান গাল মায়ের বাম গালে লেগে আছে।একই গ্লাস থেকে কোক খাওয়ার সময় দেবের শ্বাস শশীর গালে লাগছিল। শশী কিছু কোক পাইপ দিয়ে মখে নিয়ে আবার লালা সহ কোক পাইপ দিয়ে কোকে দিলো। দেব সেই লালা যুক্ত কোকও খেল।
শশী এটা দেখে হেঁসে বলল " ছি! দুষ্টু ছেলে"
দেব হেঁসে বলল " তোমার মখেরটা মজা বেশী"।
শশী হাঁসতে হাঁসতে বলল "তাহলে আরো কিছু মজা চাস?"
দেব বলল "চাই"।
শশী বলল "তাহলে হা কর"
তারপর এক চুমুক কোক নিলেন শশী এবং মুখ ভর্তি করে দেবের মুখে ঢেলে দিলেন। দেব বিস্মিত হলেও সব খেয়ে নিল। দেবের মনে হল, মায়ের লালা মিশ্রিত কোকটা অন্য রকম একটা স্বাদ দিচ্ছিল, একই সাথে তার শরীরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। দেব নিজেও এক চুমুক কোক নিয়ে শশীর মুখে দিল। দেবের লালা মিশ্রিত কোক খেয়ে শশীও একই রকম অনুভব করলেন।
তারপর শশী বলল "কি রে? ভালো লাগল? মায়ের মুখের কোকের স্বাদ?"
দেব বলল "হুম। তোমার মুখের সবকিছুরই স্বাদ ভালো লাগে।"
দেব এই কথাটা বলতেই শশী কেঁপে উঠলেন। শশী বলল, "সবকিছুর? সবকিছুর স্বাদ কি জানিস তুই?"
দেব ফিসফিস করে বলল, "জানতে ইচ্ছে করছে।"
শশী বলে "তুই সত্যিই দুষ্টু হয়ে যাচ্ছিস।"
দেব হেঁসে বলল "তোমার জন্যই তো দুষ্টু হয়ে গেছি।"
এমন সময় ওই মেয়েটা বলে উঠল " আহ! আস্তে ঢোকাও ওইটা"। এটা শুনে শশী হেঁসে দিল আর বলল "মেয়েটা কত সুখী", বলে শশী এর মন খারাপ হয়ে গেল। তারপর শশী বলল চল এবার বাড়ি যাই। তারা বিল দিয়ে রিকসা নিয়ে বাসাতে চলে গেল।
রেজাল্ট এর দিন দেব মাকে বলল, "আজকে আমরা বাইরে খেতে যাব।"
শশী বলল, "কোথায় যাবি আমরা? আমাদের তো অনেক কষ্ট হয়। খরচ করা ঠিক হবে না।"
দেব বলল, "কি যে বলো মা! আমি এতদিন ধরে টিউশনি করে কিছু টাকা জমিয়েছি। আজকে আমি তোমাকে খুব ভাল একটা জায়গায় নিয়ে যাব। তুমি তৈরি হও।"
শশী মনে মনে খুব খুশি হলেন।
শশী দেব এর সামনে তৈরি হওয়া শুরু করল। শশী বাসায় পরা কামিজ খুলছে, আর দেব হা করে দেখছে। দেব ভাবছে তার মা কত সুন্দরী। তার শরীরের বাঁকানো ভাঁজ আর বগল দেখে দেবকে উত্তেজিত করতে শুরু করল। শশী একটা পুরন ব্রা পরে আছে, যাতে তার স্তনযুগল ফুলে উঠেছে। দেব বুঝতে পারল যে ব্রাটা আর ফিট করছে না। তার মায়ের স্তনের অর্ধেকটাই উঁকি দিচ্ছে। দেবের বাড়া ফুলে গেল।
শশী দেবের দিকে তাকিয়ে বলল, "কি দেখছিস?"
দেব লজ্জা পেয়ে বলল, "তোমাকে। তুমি অনেক সুন্দরী মা। তোমার শরীরটা অনেক সুন্দর।"
শশী হেসে বলল, "এসব কি বলছিস তুই? আমি তো তোর মা।"
দেব বলল, "মা তুমি অনেক সুন্দর।"
শশী লজ্জা পেয়ে হাসে।
দেব বলে " মা তোমার ব্রা অনেক পুরনো হয়ে গেছে, তোমাকে নতুন কিনে দিতে হবে"
শশী বলল "কিনে দেবি?"
দেব বলল "হ্যাঁ, টিউশনি করে যে টাকা দিয়ে।"
শশী মনে মনে খুশি হল। শশী হেঁসে বলে "এবার ওই দিকে ফিরে তাকা আমি সালওয়ার খুলব।"
দেব অন্য দিকে ফিরে তাকাল। শশী সালওয়ার খুলে একটা কালো সালওয়ার পরল। শশী শুধু সালওয়ার আর পুরনো ব্রা টা পরে আছে।
শশী দেব কে বলল "এখন ঘুরতে পারিস" দেব ঘুরে তাকাল। দেব দেখল মা এবার একটা নতুন সালোয়ার পরছে কিন্তু সেই পুরন ব্রা এখনো আছে। দেবের সামনে এজটা কামিজ পরল। তারপর তারা বের হল রেস্তোরা এর জন্য।গুগলে Hookah restaurant নামে একটা রেস্তোরা দেখে শশী বলল "চল এটায় যাই। গুগলে অনেক ভাল রিভিউ দেখেছি" দেব কিছু বলল রিকসা তে করে গেল। তারপর তারা দুই জনে ভেতরে ঢুকল। ভেতরে ঢুকে দেব আর শশী দুজনেই চমকে গেলেন। রেস্তোরাটা তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি আলোকিত ছিল। দেব ভাবল, 'এখানে খেতে হলে নিশ্চয়ই অনেক খরচ হবে।' শশীও ভাবল, 'আমার ছেলে কি করে এত খরচ করছে? ওর তো পড়ালেখা চলছে।' দুজনের মনেই একটা দ্বিধা জন্ম লাভ করল। কিন্তু যেহেতু বেরিয়ে পড়েছে, তাই ফিরে যাওয়া যাবে না।
একজন ওয়েটার তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন। সে তাদের দিকে তাকিয়ে অবাক হলো। "স্যার, ম্যাম, আমাদের রেস্তোরাঁয় শুধুমাত্র দম্পতিদের জন্য ব্যবস্থা আছে। আমাদের সিস্টেম অনুয়ায়ী, আমাদের প্রতিটি টেবিল একটি বন্ধ চেম্বারে থাকে, যাতে কোন দম্পতি ব্যক্তিগত সময় কাটাতে পারে। স্যার আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আমার সাথে আসুন" ওয়েটারের কথা শুনে দেব আর শশী দুজনেই হকচকিয়ে গেলেন।
তারা কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না। শশী মনে মনে ভাবলেন, 'আমি আর আমার ছেলে? স্ত্রী-স্বামী? এ কী কাণ্ড! কী বলব এখন? কীভাবে সামলাব এই পরিস্থিতি? ফিরে যাই? নাকি এখানেই থেকে যাই?' দেবও বিব্রত হলো। 'এই অবস্থায় মাকে নিয়ে ফিরে যাওয়া মানে মুখ শুকিয়ে যাওয়া। আবার এখানে থাকলেও লজ্জা করছে। মাকে নিয়ে স্ত্রী সাজিয়ে কী করে বসব?' তার মনের মধ্যে একটা যুদ্ধ শুরু হলো। একদিকে লজ্জা, অন্যদিকে মাকে হতাশ করতে চাইছিল না। দেব মায়ের দিকে তাকাল। শশীও ছেলের দিকে তাকালেন। চোখাচোখি হতেই দুজনের মধ্যে একটা অলিখিত বোঝাপড়া হয়ে গেল। দেব ওয়েটারের দিকে তাকিয়ে একটু দ্বিধা করে বলল, "ঠিক আছে, আমরা যাচ্ছি।"
ওয়েটার তাদের একটি করিডোর দিয়ে নিয়ে গেল। করিডোরের দুপাশে ছোট ছোট কক্ষ, যার প্রতিটির দরজায় একটি করে ভেলভেট পর্দা ঝুলছিল। ওয়েটার একটি দরজার কাছে এসে থামল। সে পর্দা সরিয়ে দিল এবং ভেতরে যেতে বলল। ভেতরে ঢুকে তারা আরও অবাক হলেন। মাত্র একটি সোফা, একটি ছোট টেবিল আর একটি হুক্কা। সোফা এতই ছোট যে দুজন বসলে তাদের শরীরের গায়ে গায়ে লাগবে। মায়ের মনে হল, এই জায়গাটা বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে বসার জন্যই বানানো।ওয়েটার বলল, "স্যার, ম্যাম, আপনাদের জন্য আমাদের বিশেষ মেনু।" সে একটি মেনু কার্ড টেবিলে রেখে বিদায় নিল।
দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। বাইরের আলো আর শব্দ একেবারে কমে গেল। দেব আর শশী দুজনে কয়েক মুহূর্ত নীরব দাড়িয়ে রইলেন। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছিল না। শশী আর দেব বসল। এত ছোট জায়গা যে তাদের অনেক ঘনিষ্ঠ হয়ে পাশাপাশি বসতে হলো। দেব এর দান বাহু মায়ের বাম দুধে লাগল। সাথে সাথে তাঁর বাড়া দাড়িয়ে গেল প্যান্টের ভিতরে।
শশী বলল "আমি বুঝিনি এই জায়গাটা এমন। গুগলে ভাল রিভিউ দেখে এসেছি। এখন আর কি করার।" শশী দেবের দিকে আরো চেপে বসল। তাঁর বুকের স্তনদ্বয় দেবের বাহুতে চাপা পড়ল।
দেব মাকে আদর করে বলল, "চিন্তা করো না মা, আমি আছি তো।" বলতে বলতে দেব আরও কাছাকাছি হলেন। দেবের শ্বাসের উত্তাপ শশীর গালে লাগল। শশীর শরীরে কেমন যেন একটা শিহরণ খেলে গেল।
শশী বলল "খাবার অর্ডার করে ফেলি চল।"
দেব বলল "হ্যাঁ, মা" দেব মেনু কার্ডটা নিয়ে দেখতে শুরু করল।
দেব বলল "মা, তোমার কি খাওয়া ইচ্ছে?"
শশী মেনু কার্ডের দিকে তাকালেন। তিনি দেবের ওই হাতটা নিয়ে নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে নিলেন।
শশী বলল, "তুই যা খাবে বল, আমিও সেটাই খাব। তুই তো আমার সবকিছু জানিস।" দেবের মনে হল, মায়ের কথায় কেমন যেন একটা আলাদা অর্থ রয়েছে। দেবের বাড়া আরও শক্ত হতে লাগল।
দেব আড়ষ্টভাবে বলল, "তাহলে চিকেন বিরিয়ানি আর কাবাব দেওয়া যাক?" শশী মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলেন।
দেব কলিং বেল টিপে ডাকল ওয়েটারকে। ওয়েটার এসে অর্ডার নিয়ে চলে গেল। আবার চুপচাপ পরিবেশ। পাশের কেবিন থেকে একটি মেয়ের কথা ভেসে আসছে " সোনা আস্তে টিপো! আহ!"। শশীর মুখ লাল হয়ে গেল। দেবের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেল। দেবের বাড়া এখন তাঁর প্যান্টের উপর দিয়ে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। শশী তা দেখে ফিক করে হেসে ফেললেন। "কিরে, লজ্জা করছে নাকি? ওইদিকে একটু তাকা তোর ওইটা আবার ফুলে গেছে," বললেন শশী।
দেব প্যান্টের দিকে তাকাল আর বলল, "মা, তুমি সুন্দর তাই..." বলতে বলতে থামল।
শশী কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, "তাই কি? নাকি পাশের কেবিনের কথা শুনে ?"
দেব লজ্জায় কিছু বলল না। শশী ছেলের অবস্থা দেখে হেঁসে দিলেন। একই সাথে এক ধরনের অদ্ভুত সুখ অনুভব করলেন।
শশী বলল, "আমার ছেলে আর ছোট নেই। বড় হয়েছে।"
তখনই পাশের কেবিন থেকে চুম্মাচাটির শব্দ আসল। এটা শুনে শশী দেবকে বলল "এখানে তো লোকজন আসে... এসব করতে।"
দেব হেঁসে জিজ্ঞেস করল "কি করতে?"
শশী বলল "আমি কি জানি। তবে তারা যা করছে তাতে মনে হচ্ছে তারা বেশ উপভোগ করছে। আমি বিয়ে করেও কখনও ভালোবাসা পাইনি।"
দেব বলল " কেন মা? বাবা কখনো তোমাকে..." বলে থেমে গেল লজ্জায়।
শশী বলল "তোর বাবা? ও আমাকে ভালোবাসত না। ও আমাকে জোর করে দেহ ভগ করত করত। কখনো আমার ইচ্ছার কথা ভাবত না। সবার কপালে এমন সুখ থাকেনা রে"
দেব এই কথা শুনে মায়ের দিকে তাকাল। শশীর চোখ ভিজে গিয়েছিল। দেব মায়ের চোখের জল মুছে দিল। "মা, কাঁদো না। আমি তো আছি," দেব বলল।
দেব মায়ের হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আস্তে করে চাপল। শশী বলল "তুই আছিস বটে, কিন্তু তোর তো নিজের জীবন আছে। তুই তো একদিন বিয়ে করবি, সংসার করবি। তখন আমি কি করব?"
দেব বলল "আমি বিয়ে করব না মা। আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।"
শশী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তারপর বলল "পাগল ছেলে, এসব কি বলিস।"
দেব বলল "আমি সত্যি বলছি মা। তুমি আমার জীবনের সব।"
দেব এবং শশী দুজনেই একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাদের মধ্যে দূরত্ব আর বলতে গেলে নেই বললেই চলে। দেবের ডান বাহু শশী আরো শক্ত করে চাপ দিলো যার ফলে বাম স্তনে লেপ্টে গেল। দেবের শ্বাসের গরম বাতাস শশীর নাকে লাগছে।
শশী বলল "তুই বুঝতে পারছিস না রে দেব। একদিন তোর একটা মেয়ে পছন্দ হবে। তুই তাকে ভালোবাসবি। তখন..."
দেব শশীর কথা কেটে দিয়ে বলল, "না মা। আমি কাউকে ভালোবাসব না। আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসব।"
দেবের এই কথা শুনে শশী তাঁর নাক দেবের নাকে লাগালো। শশী ফিস ফিস করে বলল "আমি জানি রে। তুই আমাকে ভালবাসিস। কিন্তু এ ভালবাসা... আর সেই ভালবাসা... দুটো এক নয়।"
শশী বলার সময় তাঁর নিচের ঠোঁট দেব এর নিচের ঠোঁটে হালকা করে স্পর্শ করল। ঠিক সেই সময় ওয়েটার এসে দরজায় টোকা দিল। দেব আর শশী দুজনেই চমকে আলাদা হলেন।
ওয়েটার ভেতরে এসে খাবার টেবিলে সাজিয়ে দিয়ে চলে গেল। দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে আবার সেই নীরবতা। দুজনেই খাবার খেতে শুরু করলেন, কিন্তু মন দিতে পারছিলেন না। দুজনের মধ্যেই এক ধরনের অজানা টান অনুভব করছিলেন, যা তারা আগে কখনও অনুভব করেননি। দেব একটা কাবাবের টুকরো তুলে শশীর মুখে তুলে দিল। শশী তাঁর ঠোঁট দিয়ে কাবাবটা নিয়ের সময় দেবের আঙুল একটু চুষে দিল। দেব কেঁপে উঠল।
শশী মুচকি হেসে বললেন, "তোর হাতের টা খুব মজা হয়েছে।"
দেব বলল, "তুমি খাও, আমি তোমাকে খাইয়ে দিব।" দেব আরও একটা টুকরো তুলে দিল।
দেব ফিসফিস করে বলল, "তোমার ঠোঁটে... কাবাবের রস লেগে আছে।"
দেব বলল, "আমি মুছে দিই?" দেব এর কথাটা শুনে শশী চোখ বড় করে তাকালেন। দেব এগিয়ে গিয়ে নিজের আঙুল দিয়ে শশীর ঠোঁটের কোণে থাকা রস মুছে দিল। তারপর সেই আঙুল নিজের মুখে নিয়ে চেটে নিল।
এটা দেখে শশী বললেন, "দুষ্টু ছেলে।"
শশী নিজেও একটা বিরিয়ানির মাংস তুলে দেবের মুখে দিলেন। খাওয়ার সময় দেবের ঠোঁট স্পর্শ করলেন তাঁর আঙুল।
খাওয়া শেষ হলে দুজনেই নিশ্চুপ বসে রইলেন। পাশের কেবিন থেকে এখনো আওয়াজ আসছিল, তবে সেটা আগের চেয়ে কিছুটা বেশি জোরে। শশী এবং দেব দুজনেই কেমন যেন গরম অনুভব করছিলেন। দেবের বাড়া এখনো খাড়া ছিল। শশী তা দেখে ফিসফিস করে বললেন, "এতক্ষণ ধরে এমন থাকলে ব্যথা করবে।"
দেব লজ্জায় মাথা ঝাঁকাল।
শশী বললেন, "বাথরুম আছে চেম্বারের বাইরে। যা তো ঠাণ্ডা করে আয়।"
দেব বলল "আমি এখন যেতে চাই না মা।"
শশী বলল "তাহলে কি করবি?"
দেব ফিসফিস করে বলল "এভাবেই থাক, বাসা গিয়ে ঠান্ডা করব। তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না"
দেব জানতো না যে তার এই কথা শুনে শশীর মনে কেমন লাগবে। দেবের কথাটা শুনে শশীর শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো। দেবের ডান হাতের বাহুটা নিজের বাম স্তনে লেপটে নিয়ে একটা গ্লাসে দুইটা পাইপ দিয়ে বলল " চল একিই গ্লাসে কোক খাই"
দেব বলল "এইভাবে?"
শশী বললেন, "হুম, এভাবেই।"
দেব অন্য পাইপটা মুখে নিল। দুজনে একই গ্লাস থেকে কোক খেতে লাগলেন। পাশাপাশি বসার জন্য দেবের ডান গাল মায়ের বাম গালে লেগে আছে।একই গ্লাস থেকে কোক খাওয়ার সময় দেবের শ্বাস শশীর গালে লাগছিল। শশী কিছু কোক পাইপ দিয়ে মখে নিয়ে আবার লালা সহ কোক পাইপ দিয়ে কোকে দিলো। দেব সেই লালা যুক্ত কোকও খেল।
শশী এটা দেখে হেঁসে বলল " ছি! দুষ্টু ছেলে"
দেব হেঁসে বলল " তোমার মখেরটা মজা বেশী"।
শশী হাঁসতে হাঁসতে বলল "তাহলে আরো কিছু মজা চাস?"
দেব বলল "চাই"।
শশী বলল "তাহলে হা কর"
তারপর এক চুমুক কোক নিলেন শশী এবং মুখ ভর্তি করে দেবের মুখে ঢেলে দিলেন। দেব বিস্মিত হলেও সব খেয়ে নিল। দেবের মনে হল, মায়ের লালা মিশ্রিত কোকটা অন্য রকম একটা স্বাদ দিচ্ছিল, একই সাথে তার শরীরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। দেব নিজেও এক চুমুক কোক নিয়ে শশীর মুখে দিল। দেবের লালা মিশ্রিত কোক খেয়ে শশীও একই রকম অনুভব করলেন।
তারপর শশী বলল "কি রে? ভালো লাগল? মায়ের মুখের কোকের স্বাদ?"
দেব বলল "হুম। তোমার মুখের সবকিছুরই স্বাদ ভালো লাগে।"
দেব এই কথাটা বলতেই শশী কেঁপে উঠলেন। শশী বলল, "সবকিছুর? সবকিছুর স্বাদ কি জানিস তুই?"
দেব ফিসফিস করে বলল, "জানতে ইচ্ছে করছে।"
শশী বলে "তুই সত্যিই দুষ্টু হয়ে যাচ্ছিস।"
দেব হেঁসে বলল "তোমার জন্যই তো দুষ্টু হয়ে গেছি।"
এমন সময় ওই মেয়েটা বলে উঠল " আহ! আস্তে ঢোকাও ওইটা"। এটা শুনে শশী হেঁসে দিল আর বলল "মেয়েটা কত সুখী", বলে শশী এর মন খারাপ হয়ে গেল। তারপর শশী বলল চল এবার বাড়ি যাই। তারা বিল দিয়ে রিকসা নিয়ে বাসাতে চলে গেল।

