Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (By: Panu Daa)
#2

(পর্ব - ২)

      শমিতা বলে,“আরে না! আমার দাদা কখনই আমার দিকে খারাপ নজর দেয়নি। আমিই তো প্রথমে ক্রাশ খাই। তারপর যখন ইনসেস্ট পর্ণএ দেখলাম যে বোন দাদার সাথে সেক্স করছে, বীর্য খাচ্ছে। সেদিন থেকে আমারও ইচ্ছে হয়। তারপর থেকেই আমি দাদার পিছনে লেগে যাই। সবসময় দাদার উপর নজর রাখি। দাদার নিজের রুমের সাথে অ্যাটাচ বাথরুম আছে। তাই দাদা যখন বাথরুমে ঢুকে তখন বেশিরভাগ সময়ই ছিটকিনি লাগায়না। আমি মাঝে মধ্যেই পড়া বোঝার জন্য ওর রুমে যেতাম। তখনও দেখতাম ও ছিটকিনি না লাগিয়েই বাথরুমে ঢুকে যায়। আসলে আমার ওপর বিশ্বাস ছিল যে আমি উঁকি দেবোনা। তাছাড়া আমি কোনোদিন ওর বাথরুম ইউজ করিনি। তাই এবার থেকে আমার ওর নজর রাখতে আরও বেশি সুবিধা হল। আমি ওর রুমে আরও বেশি করে যাওয়া শুরু করলাম পড়া বোঝবার অছিলায়। ও কিছুই বুঝতে পারেনি। ও যখনই বাথরুমে ঢুকত আমি বাথরুমের দরজা হাট করে খুলে ওর হিসু করা দেখতাম আর ভাবতাম কবে যে আমি ওর ওটাকে নিয়ে চুষব। এইভাবে আমার দাদাকে অনেকবার দাদাকে পেচ্ছাব, পায়খানা করতে দেখেছি, আমি তো লুকিয়ে ওকে না জানিয়ে আমার ফোনে ভিডিও করেও রেখেছি। কিন্তু একদিন ওর রুমে গিয়ে দেখি ও নেই। বাথরুমে গিয়ে দেখি ও মাস্টারবেট করছে। কিছুক্ষণপরে ওর পেনিস থেকে বীর্য ছিটকে গিয়ে বাথরুমের দেওয়ালে গিয়ে পড়ে। আমার ভীষণ রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এতটা বীর্য নষ্ট করার কি দরকার ছিল। আমার মুখে দিলেই তো পারত। আমার দাদার তখন ভীষণ রাগ হচ্ছিল। দেখলাম দাদা প্রথমে জল দিয়ে প্রথমে তার পেনিস ধুয়ে নিল, তারপরে দেখি মগে করে জল নিয়ে বাথরুমের দেওয়াল ধুতে যাচ্ছে। আমার তখনই মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। আমি চালাকি করে বাথরুমের দরজা থেকে একটু দূরে গিয়ে ওকে ডাক দিলাম,-দাদাভাই, তুই কোথায়? সঙ্গে সঙ্গে ও বাথরুম থেকে মুখ বের করে উত্তর দিল-আমি বাথরুমে। তুই এখানে কি করছিস? ফের আমি বলি-একটা অঙ্ক পারছিনা। সেই কখন থেকে এসে বসে আছি। তোর এতক্ষণ লাগে? বেরিয়ে আয় আমিও বাথরুমে যাবো। বলে একপ্রকার ওকে জোর করেই বাথরুম থেকে বের করে দিই যাতে ও দেওয়ালের ওর লেগে থাকা বীর্য ধুতে না পারে। দাদাও দেখি অসহায় হয়ে আমাকে কিছু বলতে পারেনা।“

       ঋত্বিকা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে,”এ তো বিশাল সাসপেন্স? বল বল আমার ভীষণ শুনতে করছে।“

      শমিতা বলে,”তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তাই তোকে বলছি। তাছাড়া তুই ভীষণ চাপা স্বভাবের। আমি জানি তুই কাউকে কিছু বলবিনা। আমি কিন্তু এই কথাগুলো কাউকে বলিনি। আর বলতে চাইও না। মান সম্মানের ব্যাপার।“

       ”তুই নিশ্চিন্তে থাক, আমি কাউকে বলবোনা।“ঋত্বিকা বলে।

        শমিতা বলতে শুরু করে,”তারপরে আমি বাথরুমে গিয়ে দেওয়াল থেকে দাদার বীর্য চেটে খাই। তুই বিশ্বাস করবিনা সে এক অপূর্ব স্বাদ-নোনতা, মিষ্টির মিশেল, সঙ্গে যেন দাদা নামক এক পুরুষ মানুষের বিশেষ ঘ্রান। আমার যেন একটা নেশা হয়ে গেল। আমার রোখ চেপে গেল, যে আমাকে দাদার বীর্য খেতেই হবে। ওর নষ্ট করতে দেওয়া যাবেনা। কিন্তু দাদাকে কনভিন্স করব কিভাবে সেটাই বুঝতে পারছিনা। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। আমার ঠাম্মা ঘুমের ওষুধ খায়, আর আমার দাদা রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ খায়, আমিও খাই। এটা আমাদের ছোট বেলার অভ্যাস। আর বেশিরভাগ দিনই আমি দাদাকে দুধটা দিয়ে আসি। আমি একদিন দাদার দুধে থাম্মার ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিই। আমার রুম আর দাদার রুম পাশাপাশি। আমরা ফার্স্ট ফ্লোরে থাকি আর বাবা-মা-ঠাম্মা  নিচের রুমে। তাই আমার সুবিধাই হয়েছিল। সেদিন দাদাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো দুধ খাইয়ে এসেছিলাম। রাত্রি একটার সময় আমি দাদার রুমে যাই। দাদা কোনোদিনই ভেতর থেকে দরজা লক করে ঘুমায়না। আমি দাদাকে প্রথমে ঠেলা দিয়ে ওকে জাগানর চেষ্টা করি। ও সাড়া দেয়না। বুঝলাম ও অঘোরে ঘুমোচ্ছে। আমি ধীরে ধীরে প্যান্টটা নামিয়ে দিই। তাতে আমার একটু কষ্টই হয়। দাদা যদি লুঙ্গি পড়ত আমার বেশ সুবিধাই হত। কিন্তু আমার দাদার রুচি একটু অন্যরকম। ও ঠিক করেছে সাড়াজীবন লুঙ্গি ইউজ করবেনা। এমনকি হাফপ্যান্ট, বারমুডা টাও পছন্দ করেনা। শুধু ফুটবল খেলার সময় ও হাফপ্যান্ট পড়ে। আমি আস্তে আস্তে দাদার বাঁড়া মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করি।“

       ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”বাঁড়া মানে?”

চলবে  ....
Reply



Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)