10-14-2026, 09:08 AM
(পর্ব - ৩)
-
-
ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”বাঁড়া মানে?”
শমিতা রেগে গিয়ে উত্তর দেয়,”তুই সত্যিই একটা গাধী। বাঁড়া মানে পেনিস।"
ঋত্বিকা বলে,” তো তুই পেনিস বললেই তো পারিস?”
“আরে গাধী, সেক্সের সময় স্ল্যাং লাঙ্গুএজ ইউজ করতে হয়। এসব ডাক্তারি টার্ম চলেনা। তাতে মজা আসেনা।“শমিতা বলে।
“কিন্তু কেন?” ঋত্বিকা জানতে চায়।
“মনে কর তোর বিয়ে হয়ে গেল। তুই কি ফার্স্ট নাইটে বরের সাথে ডাক্তারের মতো ব্যবহার করবি, না বউয়ের মতো। ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে বাসায় যাবার পরে আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত আমরা পেশায় আসলে কি। তখন ভাবতে হবে আমরা সংসারের কে। তাই সেক্স করার সময় আমাদের ভাবলে চলবেনা যে আমি কার মেয়ে, কার বউ, তখন শুধু ভাবতে হবে আমি একজন এইমুহূর্তে একজন চোদনখোর মাগী। শমিতা বলে।
ঋত্বিকা জানতে চায়,”এই চোদনখোর মানে কি?”
“তুই সত্যিই অজ্ঞ ! তুই কিছুই জানিস না দেখছি। সেক্স করাকে বলে চোদা। দাদা যদি আমার সাথে সেক্স করে তাহলে বুঝতে হবে দাদা আমাকে চুদছে, আর আমি চোদা খাচ্ছি। আর আমার যদি চোদা খেতে ভালোলাগে তখন আমি হলাম চোদনখোর মাগী। এগুলি সবই স্ল্যাং ল্যাঙ্গুয়েজ । এগুলো বাইরের মানুষের কাছে খবরদার বলবিনা। তাহলে তারা তোকে খারাপ ভাববে।“ শমিতা বলে।
“তুই কত কি জানিস! এত কিছু জানলি কোথা থেকে?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
“তুই আমাকে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করবি না আমার কাহিনী শুনবি? শমিতা সামান্য রেগে গিয়ে ঋত্বিকাকে বলে।
ঋত্বিকা বলে,” আচ্ছা বেশ বেশ, তুই বল।
“আমি কোথায় যেন ছিলাম?”শমিতা জানতে চায়।
“তুই তোর দাদার বাঁড়া মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলি।“এই কথা বলেই ঋত্বিকা লজ্জায় নিজের জিভ কামড়ায়।
ব্যাপারটা শমিতার নজর এড়ায়না। ঋত্বিকা ভাবতেই সেও এই নোংরা শব্দটা আবেগের বশে বলে ফেলবে। ওর নিজেকে এখন খারাপ মেয়ে মনে হতে লাগল। কিন্তু শমিতা ব্যাপারটা হালকা করবার চেষ্টা করে।
শমিতা বলে,”থাক আর লজ্জা পেতে হবেনা। এর মধ্যে খারাপ কিছু নেই। বরং তোর জন্য এতাই মঙ্গল যে তুই তাড়াতাড়ি শিখে নিয়েছিস। তুই কি দেখেছিস যে মেয়েরা বেশি ধার্মিক তাদের বরেরাই বেশি পরকীয়া করে। কেন জানিস? কারণ ধার্মিক মেয়েরা ভীষণ শুচিবাই হয়। তারা নিজেদের বরের সামনে ঠিকঠাক মেলে ধরতে পারেনা। তারা অনেকেই বরের বাঁড়া চুষেনা। তারা সেক্সের সময় নোংরা শব্দ ব্যবহার করেনা। ফলে বরের শারীরিক ও মানসিক কোনরূপ সন্তুস্তিই হয়না। কিন্তু তোর ক্ষেত্রে সেরকম কিছু হবেনা আমি জানি। তুই সবকিছু তাড়াতাড়ি শিখতে পারিস।"
ঋত্বিকা শমিতার মুখে নিজের প্রশংসা শুনে আহ্লাদে আটখানা হয়ে যায়। সে তার মাথা আবার লজ্জায় নিচু করে ফেলে।
শমিতা বলে,”লজ্জা ফেলে মাথা তুলে আমার কথা শুনবি না আমি চলে যাবো?”
“না না তুই বল।“ ঋত্বিকা বলে।
এবার শমিতা ইচ্ছে করেই আবার জিজ্ঞেস করে,”কি যেন বলছিলাম আমি?”
এবার ঋত্বিকা কিছু বলেনা । সে চুপ করে থাকে।
তখন শমিতা জানতে চায়,”চুপ করে আছিস কেন? কিছু বলছিস না কেন?”
“ধ্যাত, আমার লজ্জা করে। তখন তো বললাম।“ ঋত্বিকা বলে।
“আমি যতবার জিজ্ঞেস করব ততবার তোকে বলতে হবে। আর না বললে কিন্তু আমি আর কিছু বলব না। এখন তুই ঠিক কর বলবি কিনা?”শমিতা বলে।
“শমিতা কেন এমণ করছিস?“ ঋত্বিকা বলে।
“বা রে। আমি আমার জীবনের এমন রোমাঞ্চ কাহিনী তোকে বিশ্বাস করে শোনাব, আর বিনিময়ে একটু আবদার করতে পারবনা। আসলে তোর মতো একটা ইনোসেন্ট মেয়ের মুখ থেকে নোংরা কথা শুনতে আমার হেভি লাগে। শুধু আমি কেন সকলেরই ভালো লাগবে, সব ছেলেদেরও, আমি হলফ করে বলতে পারি।“ শমিতা বলে।
“ধ্যাত, কি সব ফালতু বলিস তুই? “ঋত্বিকা বলে।
“আমি কিন্তু প্রমাণ করে দিতে পারি।“ শমিতা বলে।
“তোকে আর প্রমাণ করতে হবে না। তুই ছাড় এসব।“ ঋত্বিকা বলে।
“একদিন তুই ঠিকই বুঝতে পাড়বি যে আমি মিথ্যে বলছিনা। নে এবার বল আমরা কোথায় ছিলাম।“ শমিতা বলে।
“তুই তোর দাদার প্যান্ট খুলে তার বাঁড়া চুষতে শুরু করলি। ঠিক আছে?” ঋত্বিকা বলে।
চলবে ......

