10-14-2026, 09:09 AM
(পর্ব - ৪)
-
-
“হ্যাঁ, ঠিক আছে। এইরকম সোজাসুজি বলবি। কোন রাখঢাক করে বলবিনা। ওকে ? সমস্যা হচ্ছিল অন্ধকার। রুমে শুধু নাইট বাল্ব জ্বলছিল। তাতে আমার দাদার বাঁড়াটা ঠিকঠাক দেখতে পাচ্ছিলাম না। কোনও খাবার না দেখে খেলে কি মজা পাওয়া যায় ? কথায় বলে ঘ্রাণে আর দর্শনে অর্ধেক ভোজন। এদিকে ভয় হচ্ছিল লাইট জ্বাললে যদি দাদার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তারপরে ভাবলাম দাদাতো ওষুধ খেয়ে ঘুমোচ্ছে । কিন্তু আবার মনে হল লাইট জ্বাললে বাইরের লোক বুঝতে পারবে যে রাত্রি একটার সময় রুমের মধ্যে লাইট জ্বলছে। হয়তো বাবা মা ও বুঝে যেতে পারে। আর কাল সকালে যদি দাদাকে জিজ্ঞেস করে যে এট রাত্রে তার রুমে লাইট জ্বলছিল কেন, তাহলে সব কেঁচেগণ্ডূষ হয়ে যাবে। টাই একটা বুদ্ধি করলাম । সব দরজা জানলা বন্ধ করে পর্দা গুলো টেনে দিলাম যাতে ভেতরের লাইট বাইরে যেতে না পারে। এবার রুমের দুটো বড় লাইটই জ্বেলে দিলাম। দাদাকে আরও নাড়িয়ে দেখেনিলাম তার ঘুম কতটা গভীর।“
এতটা শোনার পর ঋত্বিকার শরীর একটু মোচড় দিয়ে ওঠে। ঋত্বিকার বুকের নিপল দুটো টাটিয়ে ওঠে, আর যোনী রসসিক্ত হয়ে ওঠে। ও বুঝতে পারে ওর প্যাণ্টী ভিজে গেছে। ও যে বেঞ্চে বসে রয়েছে সেটাও ভিজে যাচ্ছে। ঋত্বিকা বাম হাত যোনী চেপে ধরে। ব্যাপারটা শমিতার বুঝতে একটুও দেরি হয়নি । শমিতা চায়নি ঋত্বিকা অস্বস্তিতে পড়ুক। শমিতা তার ব্যাগ থেকে কিছু টিস্যু বের করে ঋত্বিকার হাতে দেয়।
তারপর শমিতা বলে,”যা বাথরুমে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আয়।“
ঋত্বিকা লজ্জা পায় এটা ভেবে যে ওর বন্ধু সব বুঝে গেছে।
আবার শমিতা বলে,”এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই । এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাড়াতাড়ি যা।“
ঋত্বিকা লেডীস টয়লেটে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আসে । ঋত্বিকা আজ একটা লঙ্গ কুর্তি আর লেগীণশ পড়ে এসেছে। দুটোই ভিজে গেছে। এমনিতে ও বাগে একটা স্যানিটারি প্যাড সঙ্গে রাখে। কিন্তু আজ কোণও কারণে আনতে ভূলে গেছে। ভাগ্যিস আজ ও ণেভী ব্ল কালারের লঙ্গ কুর্তি পড়ে এসেছিল । ঋত্বিকা শুধু টিস্যু দিয়ে পাণ্টীর ভিতর ভেজা ভাবটা মূছে ণেয়। কিন্তু লেগীণশ আর পাণ্টী ভেজাই থেকে যায়।
ঋত্বিকা ফীরে এলে শমিতা বলে,” চল আজ বাড়ী যাই। আমার কাহিনী অন্যদিন বলব।“
ঋত্বিকা বলে,”না আজই শুনব। নাহলে আজ রাতে আমার ঘুম হবেনা।“
“শোনার পড়েও তোর আজ রাতে তোর ঘুম হবেনা। এইটুকু শূনেই তুই তোর প্যাণ্টী ভিজিয়ে ফেলেছিস। এমনিতেই তোর বাসায় একটা হ্যান্ডসাম দাদা রয়েছে। তোর কিন্তু আজ রাতে তোর দাদার ভীষণ চোদা খেতে ইচ্ছে করবে। তখন কি করবি।“ শমিতা বলেষ
“সে তখন যা হয় কিছু একটা করব। তুই না ভীষণ অসভ্য ।“ ঋত্বিকা বলে।
“এরপর কিন্তু তোর প্যান্ট আরও ভিজে যাবে। বাড়ি ফিরবি কিভাবে?” শমিতা মজা করে বলল।
“তুই উল্টাপাল্টা কথা বলা ছাড়বি?” ঋত্বিকা বলে।
“আচ্ছা ঠিক আছে, আমি তোকে আমার গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেবো।“ শমিতা বলে।
এইবলে তারা দুজনে লেডিজ কমন রুমে গিয়ে পিছনের দিকে পাশাপাশি দুইটা সিটে বসে। ঋত্বিকা যখন টয়লেটে গিয়েছিল তখন শমিতা বাইরে এক ঠেলা থেকে কিছু ভাজা বাদাম কিনে এনেছিল দুজনে কথা বলতে বলতে খাবে বলে। শমিতা বাদামের ঠোঙাটা খুলে সামনের হাই বেঞ্চে রাখে।
তারপর শমিতা ঋত্বিকাকে জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা আমরা কোথায় ছিলাম বলতো ।“
ঋত্বিকা বলে,” তুই পর্দা টেনে, লাইট জ্বেলে দাদাকে ঠেলা দিয়ে দেখলি তার ঘুম কতটা গভীর। “
*
চলবে .......
“হ্যাঁ, ঠিক আছে। এইরকম সোজাসুজি বলবি। কোন রাখঢাক করে বলবিনা। ওকে ? সমস্যা হচ্ছিল অন্ধকার। রুমে শুধু নাইট বাল্ব জ্বলছিল। তাতে আমার দাদার বাঁড়াটা ঠিকঠাক দেখতে পাচ্ছিলাম না। কোনও খাবার না দেখে খেলে কি মজা পাওয়া যায় ? কথায় বলে ঘ্রাণে আর দর্শনে অর্ধেক ভোজন। এদিকে ভয় হচ্ছিল লাইট জ্বাললে যদি দাদার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তারপরে ভাবলাম দাদাতো ওষুধ খেয়ে ঘুমোচ্ছে । কিন্তু আবার মনে হল লাইট জ্বাললে বাইরের লোক বুঝতে পারবে যে রাত্রি একটার সময় রুমের মধ্যে লাইট জ্বলছে। হয়তো বাবা মা ও বুঝে যেতে পারে। আর কাল সকালে যদি দাদাকে জিজ্ঞেস করে যে এট রাত্রে তার রুমে লাইট জ্বলছিল কেন, তাহলে সব কেঁচেগণ্ডূষ হয়ে যাবে। টাই একটা বুদ্ধি করলাম । সব দরজা জানলা বন্ধ করে পর্দা গুলো টেনে দিলাম যাতে ভেতরের লাইট বাইরে যেতে না পারে। এবার রুমের দুটো বড় লাইটই জ্বেলে দিলাম। দাদাকে আরও নাড়িয়ে দেখেনিলাম তার ঘুম কতটা গভীর।“
এতটা শোনার পর ঋত্বিকার শরীর একটু মোচড় দিয়ে ওঠে। ঋত্বিকার বুকের নিপল দুটো টাটিয়ে ওঠে, আর যোনী রসসিক্ত হয়ে ওঠে। ও বুঝতে পারে ওর প্যাণ্টী ভিজে গেছে। ও যে বেঞ্চে বসে রয়েছে সেটাও ভিজে যাচ্ছে। ঋত্বিকা বাম হাত যোনী চেপে ধরে। ব্যাপারটা শমিতার বুঝতে একটুও দেরি হয়নি । শমিতা চায়নি ঋত্বিকা অস্বস্তিতে পড়ুক। শমিতা তার ব্যাগ থেকে কিছু টিস্যু বের করে ঋত্বিকার হাতে দেয়।
তারপর শমিতা বলে,”যা বাথরুমে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আয়।“
ঋত্বিকা লজ্জা পায় এটা ভেবে যে ওর বন্ধু সব বুঝে গেছে।
আবার শমিতা বলে,”এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই । এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাড়াতাড়ি যা।“
ঋত্বিকা লেডীস টয়লেটে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আসে । ঋত্বিকা আজ একটা লঙ্গ কুর্তি আর লেগীণশ পড়ে এসেছে। দুটোই ভিজে গেছে। এমনিতে ও বাগে একটা স্যানিটারি প্যাড সঙ্গে রাখে। কিন্তু আজ কোণও কারণে আনতে ভূলে গেছে। ভাগ্যিস আজ ও ণেভী ব্ল কালারের লঙ্গ কুর্তি পড়ে এসেছিল । ঋত্বিকা শুধু টিস্যু দিয়ে পাণ্টীর ভিতর ভেজা ভাবটা মূছে ণেয়। কিন্তু লেগীণশ আর পাণ্টী ভেজাই থেকে যায়।
ঋত্বিকা ফীরে এলে শমিতা বলে,” চল আজ বাড়ী যাই। আমার কাহিনী অন্যদিন বলব।“
ঋত্বিকা বলে,”না আজই শুনব। নাহলে আজ রাতে আমার ঘুম হবেনা।“
“শোনার পড়েও তোর আজ রাতে তোর ঘুম হবেনা। এইটুকু শূনেই তুই তোর প্যাণ্টী ভিজিয়ে ফেলেছিস। এমনিতেই তোর বাসায় একটা হ্যান্ডসাম দাদা রয়েছে। তোর কিন্তু আজ রাতে তোর দাদার ভীষণ চোদা খেতে ইচ্ছে করবে। তখন কি করবি।“ শমিতা বলেষ
“সে তখন যা হয় কিছু একটা করব। তুই না ভীষণ অসভ্য ।“ ঋত্বিকা বলে।
“এরপর কিন্তু তোর প্যান্ট আরও ভিজে যাবে। বাড়ি ফিরবি কিভাবে?” শমিতা মজা করে বলল।
“তুই উল্টাপাল্টা কথা বলা ছাড়বি?” ঋত্বিকা বলে।
“আচ্ছা ঠিক আছে, আমি তোকে আমার গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেবো।“ শমিতা বলে।
এইবলে তারা দুজনে লেডিজ কমন রুমে গিয়ে পিছনের দিকে পাশাপাশি দুইটা সিটে বসে। ঋত্বিকা যখন টয়লেটে গিয়েছিল তখন শমিতা বাইরে এক ঠেলা থেকে কিছু ভাজা বাদাম কিনে এনেছিল দুজনে কথা বলতে বলতে খাবে বলে। শমিতা বাদামের ঠোঙাটা খুলে সামনের হাই বেঞ্চে রাখে।
তারপর শমিতা ঋত্বিকাকে জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা আমরা কোথায় ছিলাম বলতো ।“
ঋত্বিকা বলে,” তুই পর্দা টেনে, লাইট জ্বেলে দাদাকে ঠেলা দিয়ে দেখলি তার ঘুম কতটা গভীর। “
*
চলবে .......

