Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও মেয়ের যৌনগাথা (By: Milf Fantasy)
#9

- তবে মেয়েটার খিদে যেমন আজ অবধি ওর ভাগ্য ওকে খেতেই দিলোনা সেভাবে জানো? আমাদের কলেজের ছেলেপুলে থেকে শুরু করে স্যাররা অবধি ওর ফ্যান ছিল।
বিদিশা তো আমাদের কলেজের এক প্রফেসরের সাথে ফার্স্ট ইয়ার থেকে লিভ ইনও করেছে। নেহাত বিয়েটাই হলোনা যা।
- তাহলে তোমার বান্ধবীও তোমার মতোই খানকী বলছ?

- আমার থেকেও বড়ো খানকী। ওকে পটাতে পারলে তোমার আর অভাব হবেনা ।

- তাহলে তো try নিতেই হচ্ছে।

- নিশ্চয়ই নেবে।

সেই সময়ই বাইরে কার যেন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। দুজনেই চমকে ওঠে।

- এই সরো সরো, আমাকে এখন যেতে হবে। রাতে আসবো তোমার লাল পরে।

এই বলে পার্থর বাঁড়াতে একটা চুমু খেয়ে নীলা নিজের পোশাক পরতে শুরু করে।

- এ্যাই, ব্রাটা একটু আটকে দাও না!

পার্থ উঠে নীলার ব্রাটা কুড়িয়ে একবার শুঁকে নিয়ে নীলাকে খুব যত্ন সহকারে ব্রাটা আটকে দেয়।

- এই একঘর পরের হুকে লাগাও। এইমাত্র এতো টিপেছো! ব্যথা করছে!

পার্থ হাহাহাহাহা করে হেসে ওঠে। ব্রার হুকটা পরের হুকে লাগিয়ে দেয়। প্যান্টিটা নীলা নিজেই পরে নেয়। নাইটিটা কম ক্রমে গলিয়ে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।

বিদিশা সারাদিন জার্নি করে আসায় একটু ঘুমিয়ে পরেছিল। যখন উঠল নীলার ডাকে, তাদের নাকি খেতে দিয়ে দিয়েছে নীচের ঘরে। ঘরে সবাই রয়েছে।
নীলা নীচের ডাইনিংয়ে এসে দেখে সবাই বসে গেছে খেতে। সেই একটু দেরি করে ফেলেছে।
নীলা আর প্রতিম একদিকে। প্রতিমের ডানদিকে মাঝের চেয়ারে পার্থ। আর পার্থর ডানদিকে প্রতিমের মুখোমুখি বিদিশার জায়গা 

বিদিশা বলে ওঠে -

- সবাইকে খুব সরি, আসলে ঘুমিয়ে পরেছিলাম।

- আরে ঠিক আছে, আজ ঘুমালে ঘুমাও কিন্তু কাল যেন ঘুমিয়ে পড়ো না বিদিশা দি। কাল তো পুজো। কালকে কিন্তু রাত জাগতে হবে। প্রতিম বলে ওঠে।

- নিশ্চয়ই প্রতিম।

প্রতিম পার্থকে উদ্দেশ্য করে বলে, দাদা এ হলো বিদিশা দি। নীলার প্রাণ প্রিয় বন্ধু।

পার্থ আর নীলা দুজনে দুজনের দিকে আড়চোখে তাকায়। দুজন ছাড়া কেউ বুঝতেই পারেনা যে বিদিশার ইন্ট্রো পার্থ অলরেডি পেয়ে গেছে নীলার কাছে।

- বিদিশা দি, এই হলো আমার দাদা পার্থ সান্যাল। গ্রামের মধ্যে একমাত্র সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার।

বিদিশা মৃদু হেসে পার্থর দিকে নমস্কারের ভঙ্গি করে।

- আপনার কথা নীলা আর প্রতীমের কাছে শুনেছি যে আপনি আসছেন। আপনিই বিদিশা প্রথমে বুঝতে পারিনি।

- পরে বুঝি খুব ভালো বুঝে গিয়েছেন।

পার্থর দিকে তাকিয়ে বিদিশা যেন ফ্রন্টফুটে খেলে। পার্থ বলে, না মানে ওই আরকি! আর সেরকম খাওতার সময় কথাবার্তা হয়ে ওঠে না। পার্থ শুধু এটুকুই বোঝে, এই মেয়ে দেখতে যতটা তার থেকেও রহস্যময়ী।

খাবার পর একটা সিগারেট ধরানোর অভ্যেস বিদিশার অনেকদিনের। কিন্তু বিদিশা ঠিক করে যে সে ঘরের মধ্যে না সিগারেট না ধরিয়ে একটু ছাদে গিয়ে খোলা খাওয়ায় মধ্যে গিয়ে সিগারেটটা খাবে।
যথারীতি সে সিগারেটের প্যাকেটটা নিয়ে ছাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
তার পরনে তখন একটা সাটিন নাইটি। যেটা সাটিনের হাউজকোট দিয়ে ঢাকা। যদিও তার নীচে সে একটা পুশ আপ ব্রা আর একটা স্টাইলিশ হিপস্টার প্যান্টি পরেই আছে।
ছাদে এসে বিদিশা খেয়াল করে সে লাইটার টাই আনেনি। নিচে লাইটার আনতে যাবে এমন সময় হঠাৎ পেছনে একটা ছায়া লক্ষ্য করে। সে ছায়া আর কারোর না , স্বয়ং পার্থর।

পার্থ বাবুও একটা জয়েন্ট ধরিয়ে মনের সুখে টান দিচ্ছেন। জয়েন্টের গন্ধ নাকে যেতেই বিদিশার মনের মধ্যেও জয়েন্ট খাবার একটা সুপ্ত বাসনা জেগে ওঠে। সে ধীরে ধীরে ছাদের অন্যপাশে কার্নিশের ধারে এগিয়ে যায়।

কিন্তু লাইটার না আমায় সিগারেটটা ধরাতে পারেনা। সেটাকে নিয়ে শুধু কার্নিশে ঠুকতে থাকে আকাশের দিকে তাকিয়ে।

পার্থ লক্ষ করে বিদিশা হাতে কিছু একটা নিয়ে যেন ঠুকছে।
সে এগিয়ে আসে নিজের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে।

বিদিশাকে দেখে বলে, - সিগারেটটা খাবেন না? নাকি দ্বিধায় ভুগছেন যে কেউ দেখে নেবে।

- কেউ দেখার পরোয়া করিনা পার্থ বাবু। আসলে সিগারেটটা ধরাতে গেলে যে আগুন লাগবে। আর আমি আমার লাইটারটা নীচে ফেলে এসেছি। তাই ভাবছি আবার নিচে যাব! নাকি সিগারেট খাওয়ায় ইচ্ছেটা দমন করবো!

- বাব্বা! আপনি এইটুকু সময়ে এতকিছু ভেবে নিলেন।

নিজের বারমুডার পকেট থেকে লাইটার বের করে বিদিশার দিকে এগিয়ে দেয় পার্থ।

- এই নিন আমার লাইটার। এটার ফ্লেমটা একটু বেশিই বড়। সাবধানে জ্বালাবেন।

- ফ্লেম বড়ো! বাঃ বেশ তো! ধন্যবাদ সাবধান করার জন্যে?

পার্থ একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে বিদিশার দিকে। বিদিশা লাইটার দিয়ে নিজের সিগারেটটা ধরায় আর দেখে পার্থ তার দিকে তাকিয়ে আছে।

- কখনো মেয়েদের সিগারেট খেতে দেখেন নি বুঝি?

- দেখেছি অবশ্যই। কিন্তু এতো সুন্দরী মেয়েকে দেখিনি। কেন নিজের সুন্দর ঠোঁটটা কালো করছেন সিগারেট খেয়ে?

- তাহলে কি বলছেন সিগারেটের বদলে গাঁজা খাওয়া উচিত ছিল?

পার্থ হেসে ফেলে। বলে ওঠে,

- তাহলে এটার সাথে আলাপ আছে বলছেন? নাহলে তো বোঝার কথা না।

- অবশ্যই আছে।
- নেবেন নাকি কাউন্টার?
- নিতেই পারি তবে সিগারেটটা শেষ করার পর।
- বেশ, তাই হোক। ততক্ষণে আমি যতটা পারি শেষ করি। বলছি এটা টেনে নিজের ঘর অবধি পৌঁছাতে পারবেন তো?

খাঁটি মণিপুরি কিন্তু।

- আমি পৌঁছাতে না পারলে আপনিই না হয় পৌঁছে দেবেন।
Reply



Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)