10-16-2026, 08:48 AM
পার্থ ঘুরে তাকায় বিদিশার দিকে। বিদিশা যেন এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে পার্থর দিকে।
- বেশ, আগে খান তারপর দেখা যাবে। সিগারেটটা ফেলুন। জয়েন্টের পুড়িয়াটা এগিয়ে দেয় বিদিশার দিকে। বিদিশা জয়েন্টে একটা বড়ো টান দেয়। মাথার মধ্যে যেন সমস্ত নার্ভ গুলো একবার চকিত হয়ে ওঠে।
- বাহ্ বেশ কড়া তো!
- বলেই তো ছিলাম, খাঁটি মণিপুরি।
- এইগুলো আপনারা ইঞ্জিনিয়ার রাই খোঁজ রাখেন। আমি তো মামুলি একজন নার্স।
- মামুলি? সেতো যে দেখছে তার দেখার ওপর
- তাই বুঝি? ফ্লার্ট করছেন?
- যদি এতো রাতে একজন সুন্দরী জয়েন্টে টান দেওয়া রমণী পাশে থাকে তাহলে তার সাথে একটু ফ্লার্ট না করলে সে আবার পুরুষ কীসের?
- তাই বুঝি? পুরুষত্ব শুধু তার মানে ফ্লার্ট করার ওপরই নির্ভরশীল।
- আমি সেটা বলতে চাইনি। যাকগে সেসব ছাড়ুন। আপনিও তো উপভোগই করছেন আমার ফ্লারটিং।
- মেয়েদের প্রশংসা করলে তারা খুশিই হয়।
- তাই বুঝি? তা আর কীসে কীসে খুশি হয় মেয়েরা?
- একদিনেরই বুঝি সব জেনে নেবেন?
বিদিশা ছাদের কার্নিশে ডান হাতে ভর দিয়ে হেলে দাঁড়ায়। বা হাত দিয়ে জয়েন্টে টান দেয়।
বিদিশার মাথার মধ্যে বিকেলে দেখা ফ্রেন্চি পরা পার্থ উঁকি দিতে শুরু করে। গাঁজার প্রভাব আস্তে আস্তে বিদিশাকে অবশ করছে যেন।
- আপনি কী রোজই এক্সারসাইজ করেন? নাকি মাঝে মাঝে।
পার্থ চমকে তাকায় বিদিশার দিকে। বিদিশার নাইটির ডান হাতের হাতা ঝুলে পরেছে কাঁধের নিচে। সেখানে লাল ব্রা এর স্ট্র্যাপের উপস্থিতি। পার্থ ভাবে বিদিশা কী করে জানলো, তার লাল প্রিয়।
বিদিশা খেয়াল করেনা পার্থ কেমন কামুকি নজরে তার অন্তর্বাস দেখছে লুকিয়ে লুকিয়ে। সে জয়েন্টে আবার একটা টান দেয়।
পার্থ নীরবতা ভেঙে বলে - না রোজ করি। আজ সকালে করা হয়নি। কাল অনেক রাতে ফিরেছি কলকাতা থেকে। ট্রেনের জার্নিতে ক্লান্ত ছিলাম। তাই সকালে ঘুমিয়ে গেছিলাম। তাই আজ বিকেলে করছিলাম।
বিদিশা দুই ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসে। বিদিশার মনে পরে যায় পার্থ কীভাবে তার নিজের গদার মতন মোটা বাঁড়াটা নিয়ে এক্সারসাইজ করছিল। হাসি পেয়ে যায় তার। জোরে হেসে ওঠে।
- কী হলো? হাসছেন যে বড়ো!
- না না! কিছু না! একটা কথা মনে পরে গেল। ওকিছু না!
জিম করেন নাকি শুধুই এক্সারসাইজ?
- জিম। আপনিও কি জিম করেন নাকি? যদিও আপনাকে জিম না করলেও সে...
- জিম না করলেও কী? থেকে গেলেন যে!
- না কিছু না।
- বলুন না। বিদিশা পার্থর হাতটা ধরে নেয় নিজের হাতে। পার্থ যেন কারেন্ট খেল ৪৪০ ভোল্টের।
এতো নরম কারোর হাত হয়! উফফফ এই হাতে করে যদি বিদিশা তার বাঁড়া টাকে নিয়ে একটু খিঁচে দেয় উফফফফ!
একে তো গাঁজার নেশা, তারপর কামুকি ছোঁয়া আর নোংরা চিন্তাভাবনা। পার্থর বাঁড়া বিদ্রোহ করে ওঠে যেন তার জাঙ্গিয়ার ভেতর।
বিদিশা লক্ষ্য করে পার্থ যেন একটু চমকে উঠল। বিদিশা আবার জিজ্ঞেস করলো, জিম না করলেও কি পার্থ?? বলো।
- সে সে সেক্সি লাগে।
বিদিশা হাহাহাহাহা করে হেসে ওঠে।
- এটা বলতে এত লজ্জা? অন্যসময় তো লজ্জা পাওনা?
পার্থ চকিত হয়ে ওঠে! অন্যসময় বলতে বিদিশা কী বোঝাতে চাইছে!
- কী হলো? এমন করে কি ভাবছো এত?
- কিছু না। চলুন একটু হাঁটা যাক। যাতে গাঁজার নেশাটা কমে
- চলুন। আমিও ভাবছিলাম তোমাকে বলব।
আর শোনো, আমার দ্বারা আর আপনি আপনি হচ্ছেনা। আমি তোমাকে তুমি বলে ডাকব কিন্তু। আপত্তি থাকলেও আমার ভারী বয়েই গেল।
- যেটা ইচ্ছে তোমার বিদিশা।
- বন্ধুত্বের একটা শর্ত আছে।
- কী বলো! আমি তোমার সব শর্তে রাজী।
- তাই নাকি? বেশ। তাহলে আমার শর্ত হলো, আমাকে কাল থেকে তোমাকেই জিম করিয়ে দিতে হবে।
- বেশ। তাই হবে। কিন্তু তোমার জিমের ড্রেস কোথায় পাবো?
- সেসব নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবেনা। আমার ট্রলিতে একটা স্পোর্টস ব্রা আর লেগিংস পরে আছে। ওগুলো দিয়েই আপাতত চালিয়ে নেবো।
- বেশ, আগে খান তারপর দেখা যাবে। সিগারেটটা ফেলুন। জয়েন্টের পুড়িয়াটা এগিয়ে দেয় বিদিশার দিকে। বিদিশা জয়েন্টে একটা বড়ো টান দেয়। মাথার মধ্যে যেন সমস্ত নার্ভ গুলো একবার চকিত হয়ে ওঠে।
- বাহ্ বেশ কড়া তো!
- বলেই তো ছিলাম, খাঁটি মণিপুরি।
- এইগুলো আপনারা ইঞ্জিনিয়ার রাই খোঁজ রাখেন। আমি তো মামুলি একজন নার্স।
- মামুলি? সেতো যে দেখছে তার দেখার ওপর
- তাই বুঝি? ফ্লার্ট করছেন?
- যদি এতো রাতে একজন সুন্দরী জয়েন্টে টান দেওয়া রমণী পাশে থাকে তাহলে তার সাথে একটু ফ্লার্ট না করলে সে আবার পুরুষ কীসের?
- তাই বুঝি? পুরুষত্ব শুধু তার মানে ফ্লার্ট করার ওপরই নির্ভরশীল।
- আমি সেটা বলতে চাইনি। যাকগে সেসব ছাড়ুন। আপনিও তো উপভোগই করছেন আমার ফ্লারটিং।
- মেয়েদের প্রশংসা করলে তারা খুশিই হয়।
- তাই বুঝি? তা আর কীসে কীসে খুশি হয় মেয়েরা?
- একদিনেরই বুঝি সব জেনে নেবেন?
বিদিশা ছাদের কার্নিশে ডান হাতে ভর দিয়ে হেলে দাঁড়ায়। বা হাত দিয়ে জয়েন্টে টান দেয়।
বিদিশার মাথার মধ্যে বিকেলে দেখা ফ্রেন্চি পরা পার্থ উঁকি দিতে শুরু করে। গাঁজার প্রভাব আস্তে আস্তে বিদিশাকে অবশ করছে যেন।
- আপনি কী রোজই এক্সারসাইজ করেন? নাকি মাঝে মাঝে।
পার্থ চমকে তাকায় বিদিশার দিকে। বিদিশার নাইটির ডান হাতের হাতা ঝুলে পরেছে কাঁধের নিচে। সেখানে লাল ব্রা এর স্ট্র্যাপের উপস্থিতি। পার্থ ভাবে বিদিশা কী করে জানলো, তার লাল প্রিয়।
বিদিশা খেয়াল করেনা পার্থ কেমন কামুকি নজরে তার অন্তর্বাস দেখছে লুকিয়ে লুকিয়ে। সে জয়েন্টে আবার একটা টান দেয়।
পার্থ নীরবতা ভেঙে বলে - না রোজ করি। আজ সকালে করা হয়নি। কাল অনেক রাতে ফিরেছি কলকাতা থেকে। ট্রেনের জার্নিতে ক্লান্ত ছিলাম। তাই সকালে ঘুমিয়ে গেছিলাম। তাই আজ বিকেলে করছিলাম।
বিদিশা দুই ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসে। বিদিশার মনে পরে যায় পার্থ কীভাবে তার নিজের গদার মতন মোটা বাঁড়াটা নিয়ে এক্সারসাইজ করছিল। হাসি পেয়ে যায় তার। জোরে হেসে ওঠে।
- কী হলো? হাসছেন যে বড়ো!
- না না! কিছু না! একটা কথা মনে পরে গেল। ওকিছু না!
জিম করেন নাকি শুধুই এক্সারসাইজ?
- জিম। আপনিও কি জিম করেন নাকি? যদিও আপনাকে জিম না করলেও সে...
- জিম না করলেও কী? থেকে গেলেন যে!
- না কিছু না।
- বলুন না। বিদিশা পার্থর হাতটা ধরে নেয় নিজের হাতে। পার্থ যেন কারেন্ট খেল ৪৪০ ভোল্টের।
এতো নরম কারোর হাত হয়! উফফফ এই হাতে করে যদি বিদিশা তার বাঁড়া টাকে নিয়ে একটু খিঁচে দেয় উফফফফ!
একে তো গাঁজার নেশা, তারপর কামুকি ছোঁয়া আর নোংরা চিন্তাভাবনা। পার্থর বাঁড়া বিদ্রোহ করে ওঠে যেন তার জাঙ্গিয়ার ভেতর।
বিদিশা লক্ষ্য করে পার্থ যেন একটু চমকে উঠল। বিদিশা আবার জিজ্ঞেস করলো, জিম না করলেও কি পার্থ?? বলো।
- সে সে সেক্সি লাগে।
বিদিশা হাহাহাহাহা করে হেসে ওঠে।
- এটা বলতে এত লজ্জা? অন্যসময় তো লজ্জা পাওনা?
পার্থ চকিত হয়ে ওঠে! অন্যসময় বলতে বিদিশা কী বোঝাতে চাইছে!
- কী হলো? এমন করে কি ভাবছো এত?
- কিছু না। চলুন একটু হাঁটা যাক। যাতে গাঁজার নেশাটা কমে
- চলুন। আমিও ভাবছিলাম তোমাকে বলব।
আর শোনো, আমার দ্বারা আর আপনি আপনি হচ্ছেনা। আমি তোমাকে তুমি বলে ডাকব কিন্তু। আপত্তি থাকলেও আমার ভারী বয়েই গেল।
- যেটা ইচ্ছে তোমার বিদিশা।
- বন্ধুত্বের একটা শর্ত আছে।
- কী বলো! আমি তোমার সব শর্তে রাজী।
- তাই নাকি? বেশ। তাহলে আমার শর্ত হলো, আমাকে কাল থেকে তোমাকেই জিম করিয়ে দিতে হবে।
- বেশ। তাই হবে। কিন্তু তোমার জিমের ড্রেস কোথায় পাবো?
- সেসব নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবেনা। আমার ট্রলিতে একটা স্পোর্টস ব্রা আর লেগিংস পরে আছে। ওগুলো দিয়েই আপাতত চালিয়ে নেবো।

