Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#8

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: নিশীথ-চুক্তি ও একটি আদিম নদীর উৎস

৬.১. বাহুমূলের অরণ্য ও লঘু কৌতুক

রাহুল ইন্দিরার বুকের সেই অনাবৃত, উত্তপ্ত খাঁজে চিবুকটা ঠেকিয়ে এক পরম শান্তিতে চোখ বুজে ছিল। হঠাৎ ওর খেয়াল হলো, ইন্দিরার ফর্সা, মসৃণ ত্বকের ওপর বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। ওঁর কলারবোন আর বুকের খাঁজে চিকচিক করছে ঘামের সূক্ষ্ম রেখা।

"মা," রাহুল মুখটা সামান্য তুলে বলল, "তোমার কি খুব গরম লাগছে? তুমি তো ঘেমে যাচ্ছ।"

ইন্দিরা একটা হালকা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শাড়ির আঁচল দিয়ে কপালটা একটু মুছে নিলেন। "গরম তো একটু লাগছেই রে সোনা। এমনিতেও বাইরে আজ বেশ গুমোট ওয়েদার।"

হঠাৎ রাহুলের মাথায় বিদ্যুৎ খেলে গেল। ও ধড়ফড় করে সামান্য উঠে বসল। "ওহ শিট! মা, আমি তো এসির সুইচটাই অন করিনি! গঙ্গামাসি তো বিকেলবেলায় মশা ঢুকবে বলে সব জানলা-দরজা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিয়ে যায়। আর আমি এতক্ষণ এই সব কিছুর মধ্যে এসি অন করার কথাই বেমালুম ভুলে গেছি! বন্ধ ঘরে শুধু ফ্যান চালিয়ে শুয়ে আছি... থ্যাঙ্ক গড তোমার এখনও ক্লস্ট্রোফোবিক ফিল হয়নি!"

ছেলের এই আকস্মিক অপরাধবোধ দেখে ইন্দিরা খিলখিল করে হেসে উঠলেন। "তোর যা কাণ্ড না! আমারও খেয়াল ছিল না জানিস। তা এখন যখন মনে পড়েছে, যা বাবা, একটু অন করে দে। বড্ড ঘাম হচ্ছে সত্যিই।"

রাহুল এক লাফে বিছানা থেকে নেমে পড়ল। এসির মেইন সুইচটা ঘরের একদম উল্টো দিকের দেওয়ালে। সে খালি গায়েই হেঁটে গিয়ে সুইচটা অন করল। এসির মৃদু গুঞ্জন শুরু হতেই সে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, "আমি কিন্তু এসি চালালে সবসময় হাতের কাছে একটা ব্ল্যাঙ্কেট রাখি মা। কারণ এসি অনেকক্ষণ চললে আবার বড্ড ঠান্ডা হয়ে যায় ঘরটা, তখন আবার কাঁপাকাঁপি শুরু হবে।"

ইন্দিরা বিছানায় আধশোয়া হয়ে মুগ্ধ দৃষ্টিতে নিজের ছেলেটাকে দেখছিলেন। ওর চওড়া কাঁধ, পেশিবহুল পিঠ—ছেলেটা সত্যিই দেখতে দেখতে কত বড় হয়ে গেছে!

রাহুল ঘরের কোণের ওয়ারড্রোবটা খুলে একটা ভাঁজ করা নরম ব্ল্যাঙ্কেট বের করে আনল এবং সেটা বিছানার পায়ের দিকের অংশে সযত্নে রেখে দিল। তারপর সে যখন আবার বিছানায় ওঠার জন্য মায়ের দিকে ফিরল, ওর নজর পড়ল ইন্দিরার বাঁ কাঁধের ওপর। তিনি ডান হাত দিয়ে ঠিক ওই তিলটার ওপরের অংশটা আলতো করে চুলকোচ্ছেন।

"কী হলো মা?" রাহুল চিন্তিত মুখে কাছে এগিয়ে এল। "চুলকোচ্ছে নাকি ওখানে?"

ইন্দিরা ওর দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসলেন। ঠোঁটের কোণে এক চপল, কৌতুকী হাসি। "একটু একটু... আসলে, ওই জায়গাটায় তো সচরাচর অত আদর বা চুমু জোটে না কিনা... তাই হঠাৎ করে এত স্পেশাল ট্রিটমেন্ট পেয়ে স্কিন বোধহয় একটু ঘাবড়ে গেছে!"

রাহুল মায়ের এই দুষ্টুমি ভরা কথায় হো হো করে হেসে উঠল। "তুমি না মা! আচ্ছা দাঁড়াও, আমি দেখছি।" সে নিজের পড়ার টেবিলের ড্রয়ারটা টেনে একটা বোরোলিনের টিউব বের করল। "আমার কাছে বোরোলিন আছে। লাগিয়ে দিচ্ছি, এক্ষুনি আরাম পাবে।"

বোরোলিন হাতে নিয়ে সিরিয়াস মুখে এগিয়ে আসা ছেলেটাকে দেখে ইন্দিরার বুকের ভেতরটা এক অনাবিল মমতায় ভরে উঠল। এই তো ওর ছেলে—মায়ের সামান্যতম অস্বস্তিতেও যে এতটা ব্যাকুল হয়ে ওঠে। রাহুল বিছানার একেবারে কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে, ওর চোখ মায়ের কাঁধের দিকে নিবদ্ধ।

ও বিছানায় ওঠার আগেই ইন্দিরা হঠাৎ এক অদ্ভুত স্নেহের বশবর্তী হয়ে ওর ডান হাতটা ধরে আলতো করে নিজের দিকে টান দিলেন।

অপ্রস্তুত রাহুল টাল সামলাতে না পেরে সরাসরি ইন্দিরার অনাবৃত শরীরের ওপর এসে পড়ল। ওর চওড়া বুকের ভার ওঁর নরম স্তন আর পেটের ওপর পড়তেই ইন্দিরার মুখ থেকে একটা অস্ফুট শব্দ বেরিয়ে এল, "আহ্!" কিন্তু পরক্ষণেই তিনি দু-হাত দিয়ে ছেলেকে পরম স্নেহে জড়িয়ে ধরলেন।

"মা! কী করছ? ব্যথা পেলে তো!" রাহুল ব্যস্ত হয়ে নিজের ভরটা দু-হাতের ওপর ছেড়ে একটু ওঠার চেষ্টা করল।

"একদম উঠবি না," ইন্দিরা ওকে আরও শক্ত করে নিজের সাথে লেপ্টে ধরলেন। "কোথাও ব্যথা পাইনি আমি। তুই এভাবেই থাক। বড্ড ভালো লাগছে তোকে এভাবে জড়িয়ে ধরতে।"

রাহুল হাসল, ওর চোখদুটো মায়ের চোখের একদম কাছে। "এবার তো তুমিই বাচ্চাদের মতন করছ দেখছি।"

"কারণ তুই পেকে বুড়ো হয়ে যাচ্ছিস," ইন্দিরা ওর চুলে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন। "এবার দে, কী লাগানোর লাগিয়ে দে।"

রাহুল এক হাতে ভর দিয়ে অন্য হাতে বোরোলিনের টিউব থেকে সামান্য একটু ক্রিম নিজের আঙুলে নিল। তারপর খুব সাবধানে, পরম মমতায় ইন্দিরার বাঁ কাঁধের নিচের সেই কালো তিলটার চারপাশে আলতো করে বুলিয়ে দিতে লাগল। ওর আঙুলের সেই শীতল, স্নেহমাখা স্পর্শে ইন্দিরার চোখদুটো আপনাআপনিই বুজে এল।

"আরাম লাগছে, মা?" রাহুল ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।

"উমম... খুব," ইন্দিরা একটা তৃপ্তির শ্বাস ফেললেন। "তোর আঙুলের ছোঁয়াগুলো বড্ড নরম রে সোনা।"

রাহুল মলমটা লাগিয়ে দিয়ে বোরোলিনের টিউবটা সাইড টেবিলে রেখে দিল এবং আবার নিজের চিবুকটা ওঁর বুকের সেই অনাবৃত খাঁজে ঠেকিয়ে চোখ বুজে শুল। ওঁর নিটোল স্তনযুগলের মৃদু ওঠানামা ওর গাল ও কপালে এক অবাধ্য ছন্দ তৈরি করছিল।

ইন্দিরা ওঁর ডান হাতের আঙুলগুলো ওর চুলে বিলি কাটতে কাটতে একটা মৃদু তৃপ্তির শ্বাস ফেললেন। চোখের কোণে তখন এক অদ্ভুত মায়াবী আলো।

"আমি না, যত ভাবছি, তত অবাক হয়ে যাচ্ছি... আমাদের দুজনের সেম জায়গায় তিল..." ইন্দিরা তাঁর সেই চিরচেনা গম্ভীর অথচ মখমলি গলায় বললেন, "প্রকৃতির এই নকশাগুলো কত নিখুঁত হয়। তুই যে আমারই একটা অংশ, আমারই শরীর থেকে নেওয়া এক টুকরো প্রাণ—এই তিলটা যেন তারই এক সিলমোহর।"

রাহুল একটু চোখ খুলে ওঁর থুতনির দিকে তাকাল। "হুম... শুধু এই তিলটাই? আর কিছু তোমার মতো পাইনি, মা?"

"পাসনি আবার?" ইন্দিরা এবার একটু মুচকি হাসলেন, চোখে এক অদ্ভুত প্রশ্রয় আর মাতৃত্বের মিশ্রিত অহংকার। "তুই বুদ্ধিতে একদম আমার মতো তীক্ষ্ণ, পড়াশোনায় আমারই মতো সিনসিয়ার, জেদ-এ আমারই মতো একগুঁয়ে... আর..." তিনি অন্ধকারের মধ্যেই ওর দিকে তাকিয়ে আলতো করে একটা চোখ টিপলেন, "আর দেখতেও ঠিক আমারই মতো সুন্দর। এবার খুশি তো, মিস্টার সেন?"

রাহুল ওঁর এই বিরল চপলতা দেখে একগাল হাসল। বুকের ওপর হাতটা আরেকটু ছড়িয়ে দিয়ে শরীরের আরও উপরে সরে এল ও।

ইন্দিরা এবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দু-হাত মাথার ওপরে তুলে শরীরটাকে একটু স্ট্রেচ করলেন। ওঁর রোজকার ঘুমোনোর সময় অনেকক্ষণ পার হয়ে গেছে। শরীর ক্লান্ত হলেও মনের ভেতর এক অদ্ভুত সতেজতা। কিন্তু তিনি যখন অনাবৃত হাতদুটো মাথার ওপরে তুললেন, টেবিল ল্যাম্পের সেই আবছা হলুদ আলোটা ওঁর বাঁ দিকের বগলের ওপর এসে পড়ল। ব্লাউজ আর ব্রা না থাকায় ওঁর সেই ফর্সা, মসৃণ বগলের নিচের অংশটি রাহুলের চোখের সামনে একদম স্পষ্ট হয়ে উঠল। সেখানে হালকা, পরিচ্ছন্ন কিছু কালো চুলের রেখা।

রাহুল ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে সেই দিকে তাকিয়ে রইল। ওর চোখে তখন কোনো কুটিলতা ছিল না, ছিল এক চরম নিষ্পাপ ও চপল কৌতূহল। সে হুট করেই একটু ফিসফিস করে বলে উঠল, "মা! আরও একটা জিনিস দেখো... আমাদের আরও একটা মিল আছে!"

"আবার কী মিল খুঁজে পেলি, সোনা?" ইন্দিরা হাতদুটো ওভাবেই ওপরে রেখে ওর দিকে তাকালেন।

"আমাদের আন্ডারআর্মস-টাও একদম সেম টু সেম! এই দেখো, তোমার ওখানেও কেমন সুন্দর হালকা চুল রয়েছে, আর আমারও আছে!" রাহুল অত্যন্ত সরল গলায় বলল, যেন সে কোনো নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করে ফেলেছে।

ইন্দিরা ওর এই অদ্ভুত, অভাবনীয় কথাটি শুনে কয়েক মুহূর্তের জন্য সম্পূর্ণ বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর মতো একজন রাশভারী, মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর নিজের ছেলের মুখে বগলের চুলের এই ধরনের তুলনা শুনবেন—এটা ওঁর কল্পনারও বাইরে ছিল। বুঝতে পারলেন না এখন রাগ করা উচিত, নাকি হাসা উচিত। ফর্সা গালদুটো অন্ধকারের মধ্যেই লজ্জায় আর এক অদ্ভুত আমোদে লাল হয়ে উঠল। তিনি একটা হালকা হাসির তোড় সামলাতে সামলাতে ওর কপালে হাত দিয়ে মৃদু ধাক্কা দিলেন।

"তুই সত্যিই একটা বদ্ধ উন্মাদ, রাহুল! ইউ আর জাস্ট ইমপসিবল!" ইন্দিরা হাসতে হাসতেই ভুরু দুটো কুঁচকে এক কৃত্রিম শাসনের সুর আনলেন। "তুই এই মাঝরাতে শুয়ে নিজের মায়ের বগলের দিকে নজর দিচ্ছিস? লজ্জা করে না তোর, বাঁদর ছেলে?"

"আহা মা, এতে লজ্জার কী আছে?" রাহুল একদম দমে না গিয়ে বিছানায় সোজা হয়ে বসল। সে নিজেই ওঁর সামনে দু-হাত মাথার ওপরে তুলে ধরল। "আমি তো জাস্ট ন্যাচারাল মিলটা দেখাচ্ছিলাম। এই দেখো আমারটা..." সে চোখের সামনে নিজের বগল এগিয়ে নিয়ে এল। "ওহ্ আচ্ছা... দাঁড়াও, না না, আমার চুলগুলো অনেক বেশি ঘন। তোমারটা বড্ড নরম আর হালকা। তার মানে পুরোপুরি এক নয়।"

ইন্দিরা এবার দুই চোখ কপালে তুললেন। ঠোঁটের কোণে মুক্তোর মতো হাসি ছিটকে বেরোলো। তিনি ওর গালটা ধরে বেশ শক্ত করেই একটা চিমটি কেটে দিলেন।

"সেটা তো হবেই, ওরে আমার মহাজ্ঞানী বিজ্ঞানী! কারণ আমি একজন নারী, আর তুই একজন পুরুষ। পুরুষদের শরীরে হরমোনের কারণে এই ধরনের চুল অনেক বেশি ঘন আর রুক্ষ হয়। মেয়েদের শরীর তেমন হয় না। তোকে কি এখন এই মাঝরাতে আমাকে অ্যানাটমি আর বায়োলজি শেখাতে হবে?"

"আমি তো জাস্ট কম্পেয়ার করছিলাম মা," রাহুল আবার বুকের ওপর মাথাটা নামিয়ে এনে শুয়ে পড়ল। কিন্তু এবার ওর পজিশনটা এমন হলো যে ওর নাক আর মুখটা একদম সেই অনাবৃত, সুবাসিত বগলের খুব কাছাকাছি চলে এল।

ওখান থেকে এক অদ্ভুত, মাদকতাময় মৃদু গন্ধ ওর নাকে আসছিল। শরীরের নিজস্ব উত্তাপ আর এক দামি ফ্রেঞ্চ পারফিউমের হালকা রেশ মিলেমিশে এক অদ্ভুত মায়াবী পরিবেশ তৈরি করেছিল ওখানটায়।

রাহুল একটা গভীর শ্বাস নিয়ে চোখ বুজে খুব আলতো করে বলল, "মা... একটা কথা বলব? রাগ করবে না তো?"

"আবার কী বলবি? তোর একেকটা কথা শুনলে আমার বুকটা দুরুদুরু করে রে সোনা," তিনি হাতটা আবার ওর চুলে বোলাতে লাগলেন।

"মা, এখান থেকে বড্ড সুন্দর একটা গন্ধ বেরোচ্ছে। খুব চেনা, অথচ কেমন অন্যরকম একটা স্মেল।"

ইন্দিরা এবার আর নিজের হাসি চেপে রাখতে পারলেন না। অন্য হাতটা দিয়ে নিজের মুখটা ঢাকলেন তিনি, পুরো শরীরটা হাসির চোটে কাঁপতে লাগল। "রাহুল! তুই... তুই কী রে? তুই এখন আমার...বগলের গন্ধ শুঁকছিস? আই কান্ট বিলিভ দিস!" তিনি নিজেকে একটু সামলে নিয়ে সেই গম্ভীর, শিক্ষিকার রূপটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেন। "শোন সোনা, এটা কিন্তু...দিস ইস টু মাচ। ওটা একটা অত্যন্ত পার্সোনাল জায়গা। ওভাবে কেউ মায়ের..."

"কিন্তু মা, আমি তো সত্যি কথাই বলছি," রাহুল সেই অনাবৃত ত্বকে নিজের নাকটা আরেকটু ছুঁইয়ে দিয়ে বলল। "মিথ্যে তো বলিনি। সত্যিই বড্ড ভালো গন্ধ।"

ইন্দিরা এবার একটু গর্বের সাথে চিবুকটা ওপরে তুললেন। ভেতরের সেই অভিজাত নারীর অহংকারটুকু জেগে উঠল। "ভালো গন্ধ হবে না কেন, শুনি? ইন্দিরা সেন নিজেকে সবসময় কতটা মেনটেইন করে চলে, তুই জানিস না? আমি প্রতিদিন কত নিয়ম মেনে স্কিন কেয়ার করি, কত দামি সাবান আর পারফিউম ইউজ করি... সুগন্ধ তো বেরোবেই।"

রাহুল ওঁর এই আত্মাভিমানিনী, সুন্দর মুখের দিকে কয়েক মুহূর্ত অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। টেবিল ল্যাম্পের আলোয় অনাবৃত বাহুমূলের ত্বকটা যেন এক রূপোলি নদীর মতো চকচক করছিল। ওর ভেতরের সেই অবাধ্য, নিষ্পাপ মনটা আবার জেগে উঠল। সে চোখের দিকে তাকিয়ে খুব নিচু, কাঁপানো স্বরে বলল:

"মা... আমার না... ওখানটায় একটা ছোট চুমু খেতে ইচ্ছে করছে। প্লিজ, মা?"

৬.২. নিষিদ্ধ আদর ও সুড়সুড়ির হিল্লোল

ইন্দিরা এবার সত্যিই আকাশ থেকে পড়লেন। চোখের মণি দুটো বিস্ময়ে স্থির হয়ে গেল। তিনি কয়েক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাসই করতে পারলেন না যে নিজের সন্তান সামনে শুয়ে বগলে চুমু খাওয়ার আবদার করছে। এটা যেমন অদ্ভুত, তেমনই এক চরম সোশ্যাল ট্যাবু। ভেতরের সেই যুক্তিবাদী মনটা চিৎকার করে উঠল, কিন্তু চোখের সামনে থাকা রাহুলের ওই নিষ্পাপ, আকুল চোখের চাউনি ওঁর সমস্ত যুক্তিকে ভেদ করে ওঁর চেতনাকে যেন এক অদ্ভুত মায়ায় আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলল।

"রাহুল! হোয়াট অন আর্থ আর ইউ সেয়িং?!" ইন্দিরা গলার স্বর যতটা সম্ভব শক্ত করে বললেন, যদিও বুকের ভেতরের কম্পন গলার কাঁপনেই ধরা পড়ে যাচ্ছিল। "তুই... তুই আমার বগলে চুমু খাবি? এটা একদম অ্যাবসার্ড! রিডিকিউলাস! তুই কি নিজের সব সেন্স হারিয়ে ফেলেছিস, সোনা? আমি তোর মা হই!"

"আমি তো জানি তুমি আমার মা," রাহুল অনাবৃত কাঁধে হাতটা দিয়ে আলতো করে চাপ দিল। "আমি তো অন্য কারও মাকে বলছি না। আমার নিজের মায়ের শরীর, আমার নিজের মায়ের এত সুন্দর একটা সুগন্ধ... আমি একটু আদর করলে তাতে কার কী ক্ষতি হবে, মা? প্লিজ... জাস্ট একটা ছোট্ট চুমু।"

"না, রাহুল। একদম না," ইন্দিরা মুখটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু শরীরের সমস্ত বর্ম যেন এই মাঝরাতের অন্ধকারে একে একে খসে পড়ছিল। "আমি তোকে অনেক লাই দিয়েছি আজ। তুই পরীক্ষায় ভালো করেছিস বলে আমি তোকে জড়িয়ে ধরে শুয়েছি, নিজের ব্লাউজ খুলে তোকে...যাই হোক, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুই যা চাইবি, আমি সব মেনে নেব। দেয়ার হ্যাজ টু বি আ লাইন, সোনা।"

রাহুল এবার সেই চিরচেনা ও অমোঘ অস্ত্রটি ব্যবহার করল। সে চিবুকটা নিজের হাত দিয়ে খুব আলতো করে নিজের দিকে ঘুরিয়ে আনল এবং চোখের দিকে তাকিয়ে নিজের ঠোঁটদুটোকে একদম ছোট বাচ্চাদের মতো ফুলিয়ে এক করুণ, অনুনয় ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।

ইন্দিরা ওই মুখের দিকে তাকিয়ে অনুভব করলেন, নিজের ভেতরের সমস্ত কঠোরতা যেন মুহূর্তের মধ্যে গলে জল হয়ে যাচ্ছে। ওঁর মনে হলো, এই ছেলেটার এই একগুঁয়ে অথচ নিষ্পাপ জেদের কাছে তিনি আজীবন হেরে যেতে রাজি। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তিনি। মুখভঙ্গিতে এক চরম অসহায়তা আর প্রশ্রয়ের মিশ্রণ।

"তুই... তুই একটা আস্ত ব্ল্যাকমেইলার, রাহুল," তিনি অত্যন্ত নিচু, হেরে যাওয়া স্বরে বললেন। "ঠিক আছে... যা খুশি কর। তোর এই পাগলামি আমি আর সামলাতে পারছি না।"

অনুমতি পেতেই রাহুলের চোখে এক স্বর্গীয় আনন্দ খেলে গেল। সে খুব ধীরে, অত্যন্ত সাবধানে নিজের মুখটা সেই বাঁ দিকের বগলের নরম, সুবাসিত ত্বকের ওপর নামিয়ে নিয়ে এল। তারপর হালকা চুলের রেখাগুলোর ওপর ঠোঁট দিয়ে এক গভীর, নরম ও উষ্ণ চুমু খেল।

রাহুলের ঠোঁটের সেই আর্দ্র ও উষ্ণ ছোঁয়া ওই চরম সংবেদনশীল জায়গায় লাগতেই ইন্দিরা আর নিজের শরীরকে স্থির রাখতে পারলেন না। তিনি খিলখিল করে হেসে উঠলেন এবং পুরো শরীরটা এক তীব্র সুড়সুড়ির চোটে কাঁপতে লাগল।

"আহ্... উফ্ সোনা! ছাড়... বড্ড সুড়সুড়ি লাগছে রে! ওহ্ গড, আই অ্যাম সো টিকলিশ দেয়ার!" তিনি হাসতে হাসতে ছটফট করতে লাগলেন, অনাবৃত স্তনযুগল রাহুলের বুকের সাথে ঘষা খেয়ে এক তীব্র আলোড়ন তৈরি করল।

রাহুল কিন্তু ছাড়ল না। সে ওঁর সেই ছটফটানিকে নিজের হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে আরও একটা চুমু খেল ওখানটায়, এবার আরেকটু সময় নিয়ে।

"উফ্ রাহুল... প্লিজ স্টপ ইট, সোনা! আমি আর পারছি না... ওহ্ তুই কী অবাধ্য ছেলে রে!" ইন্দিরা এবার ছাদের জ্বলন্ত সিলিং ফ্যানটার দিকে তাকিয়ে এক চরম কৃত্রিম বিরক্তি আর বিস্ময়ের সাথে নিজের কপালে হাত দিলেন। মুখভঙ্গিতে তখন এক অদ্ভুত অহংকার আর আত্মসমর্পণ।

"হে ভগবান! আজ আমার কী দিন দেখতে হচ্ছে!" তিনি ছাদের দিকে তাকিয়েই বলতে লাগলেন, যেন সরাসরি উপরে থাকা ঈশ্বরের কাছে নালিশ করছেন। "এই নাকি রাহুল সেন... ওর কলেজের সমস্ত প্রফেসররা বলেন ও নাকি বড্ড ভদ্র, বড্ড শান্ত, ক্লাসের সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট আর সিনসিয়ার স্টুডেন্ট! আর সেই ছেলে এখন মাঝরাতে দরজা বন্ধ করে নিজের মায়ের বগলে চুমু খাচ্ছে! আমি নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছি না... আহ্... আস্তে সোনা... বড্ড কাতুকুতু লাগছে তোকে বললাম না! একটু আস্তে..."

রাহুল ওই কৃত্রিম শাসনের বাণীগুলো শুনতে শুনতে পরম তৃপ্তিতে আরও কয়েকবার সেই সুগন্ধী ত্বকে নিজের ঠোঁট ঘষল। গায়ের সেই সুবাস যেন ওর পুরো সত্তাকে এক মায়াবী ঘুমে আচ্ছন্ন করে দিচ্ছিল।

কিছুক্ষণ পর রাহুল যখন মুখ তুলল, ঠোঁটের কোণে এক বিজয়ী শিশুর নিষ্পাপ হাসি। ও চোখের দিকে তাকিয়ে রইল।

ইন্দিরা কাঁপতে থাকা শরীরটাকে একটু শান্ত করে একটা গভীর শ্বাস নিলেন। চুলগুলো বিছানায় এলোমেলো হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। তিনি ওর দিকে তাকিয়ে সুন্দর হাত দিয়ে ওর গালটা আলতো করে টিপে দিলেন।

"এবার খুশি তো, অবাধ্য দুষ্টু ছেলে কোথাকার!" ইন্দিরা চেনা আভিজাত্য মেশানো সুরে বললেন।

রাহুল মাথা নেড়ে সায় দিল, "হ্যাঁ মা। বড্ড খুশি।"

কিন্তু ইন্দিরা লক্ষ্য করলেন, রাহুল ওঁর দিকে তাকিয়ে কথা বলার সময় ওর মুখের ভেতর কেমন একটা অস্বস্তি হচ্ছে। ও নিজের জিভ দিয়ে ঠোঁটের কোণটা কেমন যেন পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে।

"কী হলো রে, সোনা? অমন করছিস কেন?" ইন্দিরা ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন।

"কী জানি মা... কেমন যেন একটা কুটকুট করছে মুখের ভেতর," রাহুল একটু আমতা আমতা করল।

ইন্দিরা মুহূর্তের মধ্যে পুরো বিষয়টা বুঝতে পারলেন। ঠোঁটের কোণে এক পরম মায়াবী ও কৌতুকী হাসি দেখা দিল। "হাঁ কর তো দেখি, সোনা। হাঁ কর।"

রাহুল বাধ্য ছেলের মতো ওঁর সামনে মুখটা বড় করে হাঁ করল। ইন্দিরা নিজের ডান হাতের দুটো সুন্দর, নরম আঙুল ওর মুখের ভেতরে ঢোকালেন। তারপর দাঁতের মাড়ি আর ঠোঁটের মধ্যেকার ফাঁক থেকে আর জিভের ওপর থেকে বগলের দুটো ছোট কালো চুল, যা চুমু খাওয়ার সময় মুখের ভেতর আটকে গিয়েছিল, খুব সাবধানে টেনে বের করে আনলেন।

"দেখেছিস তো? তোকে বললাম বড্ড সুড়সুড়ি লাগছে, আমি জানতাম চুলগুলো মুখে ঢুকে যাবে... তুই তো কথা শুনবি না," ইন্দিরা ওই আঙুলদুটো নিজের শাড়ির আঁচলে মুছতে মুছতে এক চরম কৃত্রিম বিরক্তির সাথে বললেন, "তুই একটা আস্ত বোকা, বুঝলি তো?"

রাহুল লজ্জায় একটু হেসে বুকের ভেতর নিজের মুখটা লুকিয়ে ফেলল।

কিছুক্ষণ পর, সেই উষ্ণ ওমের ভেতর থেকে মুখটা সামান্য তুলে সে একটু লাজুক, অথচ প্রচ্ছন্ন দুষ্টুমির হাসিতে চোখ কুঁচকে বলল, "মা... তোমার কি এখন একটু বোরোলিন লাগবে?"

ইন্দিরা ভুরু কুঁচকে ওর দিকে অবাক হয়ে তাকালেন। "বোরোলিন? আবার বোরোলিন কেন সোনা?"

রাহুল ওর সেই স্বভাবসুলভ, চরম নিষ্পাপ মুখটা করে বলল, "না মানে... ওই যে, একটু আগে আমি তোমার তিলে চুমু খাওয়ার পর তোমার ওখানটা কেমন মিশমিশ করছিল বলে আমি বোরোলিন লাগিয়ে দিলাম... তাই ভাবছিলাম, এখন তো আমি তোমার বগলেও চুমু খেলাম, যদি আবার তোমার ওখানেও চুলকোতে শুরু করে! বলা তো যায় না, আগেভাগেই লাগিয়ে দেবো নাকি একটু?"

এই চরম ফাজলামো মেশানো লজিকটা শুনে ইন্দিরার চোখদুটো বিস্ময়ে আর চরম আমোদে বড় বড় হয়ে গেল। পরক্ষণেই তিনি একরাশ মুক্তো ঝরা হাসিতে ফেটে পড়লেন। হাসির চোটে ওঁর শরীরটা রাহুলের বুকের সাথে আবার ঘষা খেতে লাগল। তিনি হাত বাড়িয়ে ওর নাকটা বেশ জোরেই টেনে দিলেন।

"অসভ্য! ফাজিল ছেলে কোথাকার!" ইন্দিরা হাসতে হাসতে কপট রাগে শাসন করলেন। "বড্ড মুখে মুখে তর্ক করা আর পাকা পাকা কথা বলা শিখেছিস, তাই না? তোর ওই 'বোরোলিন থিওরি' তুই নিজের কাছেই রাখ! আমার আর কোথাও মিশমিশ করছে না। আর যদি করেও, তোর ওই উটকো ট্রিটমেন্ট আমার আর চাই না!"

রাহুল খিলখিল করে হাসতে হাসতে মায়ের গলায় মুখ ঘষল। "আহা মা, আমি তো শুধু তোমার কেয়ার করছিলাম! নিজের মায়ের জন্য একদম ফ্রি অফ কস্ট স্কিনকেয়ার সার্ভিস দিচ্ছি, আর তুমি উল্টে রাগ করছ!"

"সার্ভিস! ওরে আমার সমাজসেবক রে!" ইন্দিরা ওর চুলগুলো আঙুল দিয়ে এলোমেলো করে দিয়ে এক চরম প্রশ্রয়ের সুরে বললেন। "বেশি পাকা পাকা কথা বললে না, আমি কিন্তু তোকে খাট থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেব। তখন বুঝবি ঠেলা!"

"পারবে না," রাহুল চরম আত্মবিশ্বাসের সাথে ওঁর শরীরের সাথে নিজেকে একেবারে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নিল। "কারণ তুমি আমাকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারবে না।"

"বড্ড অহংকার তোর, না?" ইন্দিরা অত্যন্ত আদুরে গলায় বলে ওকে আরও শক্ত করে নিজের বুকের সাথে লেপ্টে ধরলেন।

দুজনেই আবার একে অপরকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরল। অন্ধকার ঘরে তখন কেবলই শোনা যেতে লাগল দুটি হৃদয়ের এক হয়ে যাওয়া স্পন্দন, আদরে মাখামাখি হওয়া অস্ফুট কিছু শব্দ—"উমম...", "পাগল ছেলে..."—আর তার সাথে মিশে থাকা চাপা, মখমলি হাসির রেশ।



৬.৩. প্রাচীন স্মৃতি ও একটি অবাধ্য আবদার

ঘরের ভেতরের নীরবতা আবার ফিরে এল, কিন্তু এবার সেই নীরবতার মধ্যে এক গভীর স্মৃতিকাতরতা মিশে ছিল। ইন্দিরার হাতটা তখন রাহুলের পিঠের ওপর এক শান্ত ছন্দ তৈরি করছিল। মনটা হঠাৎ করেই বর্তমানের এই গোপন দেওয়ালগুলো ভেঙে অনেক অনেক বছর পিছিয়ে গেল—যখন রাহুল এই বিশাল রাজপুত্রের মতো পেশিবহুল যুবক ছিল না, যখন সে ছিল ওঁর কোলের এক মুঠো নরম মাংসের টুকরো।

"জানিস রাহুল," ইন্দিরা খুব নিচু, এক অদ্ভুত মাতৃত্বের ওমে ভরা গলায় বলতে লাগলেন, চোখদুটো তখন অতীতের কোনো এক রূপোলি ক্যানভাসে আটকে গেছে। "আজ তোকে এভাবে জড়িয়ে ধরে থাকতে থাকতে আমার খালি তোর ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।"

"কোন সময়ের কথা, মা?" রাহুল বুকের সেই অনাবৃত ওমে মুখ রেখেই জিজ্ঞেস করল।

"ওই যে তোকে সন্ধ্যের দিকে বলছিলাম, তোর একদম বাচ্চাবেলার কথা..." ইন্দিরা একটু হাসলেন, গলার স্বর বড্ড নরম শোনাল। "যখন তোর এই অবাধ্য হাত-পাগুলো অত বড় হয়নি। তুই যখন আমার কোলে বসে দুধ খেতিস... তুই তখন ওভাবে শান্ত হয়ে শুয়ে থাকতে পারতিস না। তোর ওইটুকুনি ছোট্ট ফর্সা মুখটা তুই আমার এই বুকের ওপর শক্ত করে চেপে ধরতিস। আর তোর ওই ছোট্ট ছোট্ট কচি আঙুলগুলো দিয়ে তুই আমার এই হাতদুটোকে এমনভাবে খাবলে ধরে রাখতিস, যেন আমি তোকে ছেড়ে কোথাও চলে যাব। দুধ খেতে খেতে তুই তোর ওই তুলতুলে নরম গালদুটো আমার এই স্কিনের ওপর এমনভাবে ঘষতিস... যেন ওটাই এই পৃথিবীর সবচেয়ে নরম আর সেফ জায়গা।"

রাহুল কথাগুলো শুনতে শুনতে গভীর কোনো এক চিন্তায় ডুবে গেল। অনাবৃত বুকের যে অংশটিতে ও নিজের মুখ ঠেকিয়ে আছে, সেখান থেকে ওঁর হৃদপিণ্ডের ধুকপুক শব্দটা ও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিল। ওর মনের ভেতরের সেই আদিম মনস্তাত্ত্বিক নদীটা হঠাৎ করেই এক তীব্র জোয়ারে মেতে উঠল।

সে মুখটা সামান্য তুলে মায়ের চিবুকের দিকে তাকাল। "আচ্ছা মা, তখন তোমার কেমন লাগত? মানে... ওই ফিলিংসটা তোমার কাছে ঠিক কেমন ছিল?"

ইন্দিরা ওর চুলে আলতো করে বিলি কেটে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। "কেমন আবার! বড্ড শান্তির, বড্ড তৃপ্তির। একজন মায়ের কাছে তার সন্তানকে নিজের শরীর থেকে পুষ্টি দেওয়ার চেয়ে সুন্দর অনুভূতি আর কিছু হতে পারে না, সোনা। তুই যখন ছোট্ট একটা তুলোর বলের মতো আমার বুকের সাথে লেপ্টে থাকতিস, আমার সারাদিনের ইউনিভার্সিটির ক্লান্তি, তোর বাবার ব্যবসার টেনশন—সব যেন ম্যাজিকের মতো উধাও হয়ে যেত।"

রাহুল ওঁর গলার কাছে নিজের আঙুল দিয়ে খুব আলতো করে তুলির মতো বুলিয়ে দিতে দিতে জিজ্ঞেস করল, "আমি কি তোমায় খুব জ্বালাতাম তখন? মানে... দুধ খাওয়ার সময় ব্যথা দিতাম খুব?"

ইন্দিরা এবার একটু শব্দ করেই হাসলেন। "জ্বালাতিস না মানে? দাঁত ওঠার সময় মাঝে মাঝেই তো কামড়ে দিতিস! আমি তো ব্যথায় ককিয়ে উঠতাম। কিন্তু জানিস, তুই যখন পেট ভরে খাওয়ার পর তৃপ্ত হয়ে চোখদুটো বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়তিস, আর তোর ঠোঁটের কোণে একটুখানি দুধ লেগে থাকত... তখন সেই মুখটা দেখে আমি নিজের সব কষ্ট ভুলে যেতাম। মনে হতো, তোর জন্য আমি পৃথিবীর সব ব্যথা সহ্য করতে পারি।"

রাহুল কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইল। ওর চোখদুটো মায়ের অনাবৃত বক্ষের দিকে স্থির। "আমার কিছুই মনে নেই, মা। ভাবলেই কেমন অদ্ভুত লাগে না? যে আমি তোমার শরীর থেকে বেড়ে ওঠার খাবার পেয়েছি, অথচ আমার ব্রেনে তার কোনো মেমোরি নেই। কিচ্ছু মনে পড়ে না আমার।"

"তাতে কী হয়েছে?" ইন্দিরা ওকে সান্ত্বনা দেওয়ার সুরে ওর পিঠটা আরেকটু কাছে টেনে নিলেন, বুঝতে পারলেন না ছেলের মনের ভেতর কী চলছে। "স্মৃতি না থাকলেও টান তো আছে। তাই তো এত বড় হওয়ার পরও তুই মায়ের কাছে এসে এভাবে শান্তি পাস।"

"হতে পারে," রাহুল খুব ধীর গলায় বলল। ওর গলার স্বরে এখন এক অদ্ভুত, সম্মোহনী আর্তি। "কিন্তু মা... আমার না ওই ফিলিংসটা এক্সপেরিয়েন্স করতে বড্ড ইচ্ছে করে। এই যে তুমি এত সুন্দর করে বললে, আমি তোমার স্কিনের ওপর মুখ ঘষতাম, তোমার বুকে মুখ দিয়ে থাকতাম... এটা শুনতেই আমার এতটা শান্তি লাগছে। আমার খুব আফসোস হয় জানো, যে আমার জীবনের সবচেয়ে পিসফুল মেমোরিটাই আমার ব্রেন থেকে ইরেজ হয়ে গেছে।"

ইন্দিরা এবার প্রশ্রয়ের সুরে হেসে উঠলেন। "ধুর পাগল! এতে আফসোসের কী আছে? পৃথিবীর সব বাচ্চারাই তো ওই বয়সের কথা ভুলে যায়। তুই কি এখন ওইসব কথা ভেবে কষ্ট পাচ্ছিস নাকি? চাস তো কাল সকালে তোকে তোর ছোটবেলার অ্যালবামের ছবিগুলো বের করে দেখাব। দেখবি তুই কেমন বাঁদরের মতো আমার কোলে ঝুলে থাকতিস।"

"ছবি দেখে তো আর ফিলিংসটা বোঝা যাবে না, মা," রাহুল এবার মুখটা আরেকটু তুলে সরাসরি ইন্দিরার চোখের দিকে তাকাল। ওর কণ্ঠস্বর এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিচু, অনেক বেশি সিরিয়াস। "ফিলিংসটা তো শুধু রিয়েল এক্সপেরিয়েন্স থেকেই আসে। তাই ভাবছিলাম..."

"কী ভাবছিলিস?" ইন্দিরা ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন।

রাহুল ওঁর অনাবৃত বুকের ঠিক ওপরে নিজের চিবুকটা ঠেকিয়ে খুব শান্ত, অথচ একটা নিষিদ্ধ প্রস্তাব দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তের উত্তেজনা নিয়ে বলল, "ভাবছিলাম... যদি আমি একটা নতুন মেমোরি তৈরি করি?"

"নতুন মেমোরি?" ইন্দিরা কিছুই বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে বললেন। "মানে?"

রাহুল এবার একটা ঢোক গিলল। ওর চোখের মণি দুটো কাঁপছে, কিন্তু সংকল্পে স্থির। "মা... আচ্ছা... আমি যদি ওটা... আর একবার করতে চাই... সেটা কি... বড্ড খারাপ কিছু হবে?"

ইন্দিরা প্রথমে কথার অর্থটা ঠিক ধরতে পারলেন না। ভুরু দুটো সামান্য কুঁচকে গেল। "কী করতে চাস, সোনা? কোনটা খারাপ হবে?"

রাহুল অনাবৃত স্তনযুগলের দিকে একবার তাকাল, তারপর চোখের দিকে সোজা তাকিয়ে এক অদ্ভুত মায়াবী জড়তা নিয়ে মড়মড় করে বলল, "ওই যে... তুমি যেটা বললে... তোমার ওই বুক থেকে... আর একবার... দুধ খাওয়া?"

রাহুল বাক্যটি শেষ করতেই ঘরের ভেতরের সমস্ত বাতাস যেন এক সেকেন্ডের জন্য জমে বরফ হয়ে গেল। ইন্দিরার পুরো শরীরটা এক তীব্র বৈদ্যুতিক শকের মতো কেঁপে উঠল। চোখের মণি দুটো বিস্ময়ে আর এক চরম অপার্থিব আঘাতে এতটা বড় হয়ে গেল যে মুখ দিয়ে কোনো শব্দই বেরোল না। ওঁর প্রাজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী মনটা এই চরম নিষিদ্ধ ও অবিশ্বাস্য আবদারটি গ্রহণ করতেই পারল না।

"তুই... তুই এটা কী বলছিস, রাহুল?!!" ইন্দিরা শরীরটা সামান্য পিছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন, কণ্ঠে তখন এক তীব্র অবিশ্বাস আর কম্পন। "তুই... তুই আমার বুক থেকে...  ইউ মিন... ইউ ওয়ান্ট মি টু... হোয়াট???"

রাহুল এক পরম অপরাধবোধ অথচ চরম জেদ নিয়ে চোখের দিকে তাকিয়ে নিজের মাথাটা নাড়ল। হ্যাঁ, সে এটাই চায়।

"দিস ইজ... দিস ইজ সো রিডিকিউলাস, রাহুল!!" ইন্দিরা এবার বিছানায় উঠে বসার উপক্রম করলেন, মুখে রাগ আর শাসনের কঠোরতা ফুটে উঠল। "তোর বয়স কত মনে আছে তোর? ইউ আর নাইনটিন ইয়ার্স ওল্ড! তুই উনিশ বছরের একটা জোয়ান ছেলে! এই বয়সে একটা ছেলে ওর মায়ের বুকে বাচ্চার মতো মুখ দিয়ে দুধ খাওয়ার আবদার করছে—হোয়াট ইস দিস ননসেন্স? তুই কি নিজের সব মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিস? আর তা ছাড়া... লুক... আমি অলরেডি তোকে বড্ড বেশি প্রশ্রয় দিয়ে ফেলেছি আজ। আমি তোর জন্য এমন অনেক কিছু করেছি যা কোনো মা ওঁর ছেলের সাথে কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবে না!"

"কী করেছ, মা?" রাহুল একটু অবাক হওয়ার ভান করে বলল।

ইন্দিরা এবার সত্যিই বড্ড রেগে গেলেন, ফর্সা মুখটা রাগে আর লজ্জায় একদম লাল হয়ে উঠল। গলার স্বর এক তীব্র আভিজাত্যপূর্ণ শাসনে ফেটে পড়ল। "কী করেছি মানে? তোর এই কথা বলার সাহস হয় কী করে? আফটার অল দিস... লজ্জা করে না তোর আমাকে এই কথা বলতে?" তিনি নিজের অনাবৃত শরীরের দিকে ইশারা করে বলতে লাগলেন, "তোর জন্য আমি নিজের ব্লাউজ আর ব্রা খুলে ফেলেছি... আমি এখন তোর সামনে একদম জামাকাপড় ছাড়া শুয়ে আছি, ঠিক যেমন তুই শুয়ে আছিস! এই পৃথিবীর কোন মা তার এই উনিশ বছরের সাবালক ছেলের সামনে এভাবে নিজের বুক খুলে শুয়ে থাকে, বলবি আমাকে?"

রাহুল চুপ করে রইল।

"আমি তোকে এত... কাছে আসতে দিয়েছি," ইন্দিরা শ্বাস দ্রুত হতে হতে বলতে লাগলেন, "তোকে খালি গায়ে আমার নিজের স্কিনের সাথে লেপ্টে রেখে শুতে দিয়েছি। তোকে একটা ছোট বাচ্চার মতো আমার বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছি। তোকে আমার...ওহ গড.... তোকে আমার তিলে চুমু খেতে দিয়েছি, এমনকি আমার এই...এই.... বগলেও তুই চুমু খেয়েছিস এতক্ষণ! তাও আবার এমন পাগলের মতো যে বগলের চুলগুলো পর্যন্ত তোর মুখে গিয়ে আটকাল! আর এখন... তোর লোভ এত বেড়ে গেছে যে তুই আমার বুকে.... মুখ দিতে চাস? তুই এবার সব লিমিট ক্রস করে যাচ্ছিস। ছিঃ, ছিঃ রাহুল! দিস ইস ডিসগাস্টিং!"

ওঁর শেষ কথাগুলো বড্ড শুষ্ক আর চূড়ান্ত শোনাল।

(rest of the Chapter continued in the next post...)
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)