Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#10

সপ্তম পরিচ্ছেদ: অমৃতের উৎস ও একটি অলৌকিক জাগরণ



৭.১. শর্তপূরণ এবং ফেরা

রান্নাঘরের স্টিলের সিঙ্কে কাঁচ আর চিনামাটির বাসনগুলোর ওপর যখন তরল সাবানের ফেনা উঠছিল, রাহুলের তখন মনে হচ্ছিল সে কোনো যজ্ঞের প্রস্তুতি সারছে। জলের ধারা ধুয়ে নিয়ে যাচ্ছিল ডিনারের শেষ অবশিষ্টাংশ। রাত তখন একটা বেজে দশ মিনিট। চারপাশ এতটাই নিস্তব্ধ যে, জলের প্রতিটি ফোঁটার পতনে মনে হচ্ছিল একেকটা প্রহর খসে পড়ছে। কাজটা সে করল অত্যন্ত দ্রুত, কিন্তু নিখুঁতভাবে। মায়ের সেই তীব্র, তীক্ষ্ণ চোখের অবয়বটা ওর মগজে ভাসছিল—যে চোখ কোনো ফাঁকি বরদাস্ত করে না।

কাজ শেষ করে পকেট থেকে ফোনটা বের করল সে। সিঙ্কের পাশে রাখা চকচকে ইস্পাত আর পরিচ্ছন্ন বাসনের স্তূপের দু-তিনটে ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিল মায়ের নম্বরে।

সেকেন্ড কয়েকের অপেক্ষা। স্ক্রিনের নীল টিকমার্ক দুটো জ্বলে উঠতেই ওপাশ থেকে উত্তর এল। ছোট, সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তাতে এক অধিকারবোধের ওম মাখানো:

"খুব ভালো হয়েছে। এবার চলে আয়। রান্নাঘরের আলোটা নেভাতে ভুলিস না কিন্তু।"

রাহুল ফোনটা পকেটে পুরে আলোটা নিভিয়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে নিচের তলাটা নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে ডুবে গেল। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার সময় ওর বুকের ভেতর একটা অচেনা মাদল বাজছিল। করিডোরের আবছা আলো পেরিয়ে সে যখন নিজের ঘরের দরজার সামনে এসে দাঁড়াল, দেখল দরজাটা হালকা খোলাই আছে, নিচে যাওয়ার সময় তাড়াহুড়োতে ভালো করে ভেজানো হয়নি। 

ঘরের ভেতরের পরিবেশটা যেন কোনো থিয়েটারের অন্তিম দৃশ্য। টেবিল ল্যাম্পের সেই মায়াবী হলুদ আলোটা বিছানার একপাশে এসে পড়েছে। ইন্দিরা সেখানে আধশোয়া হয়ে আছেন, তাঁর শরীরটা বালিশের ওপর এলিয়ে দেওয়া, যা কোনো ব্লাউজ বা ব্রা-এর বাঁধনে নেই। ওঁর ফর্সা ত্বকে আলোর আলপনা। রাহুল খুব ধীর পায়ে ওঁর দিকে এগিয়ে গেল। ওর গলার স্বর বড্ড নিচু আর কিছুটা কাঁপানো:

"ঠিকঠাক হয়েছে তো, মা?"

ইন্দিরা গভীর, অন্ধকার চোখদুটো তুলে ওর দিকে তাকালেন। ওঁর মুখে এক অদ্ভুত প্রশ্রয় আর ক্লান্তির মিশ্রণ। তিনি সামান্য মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন।

"খুব ভালো করেছিস সোনা। এবার মায়ের কাছে আয়।"

রাহুল আর দ্বিধা করল না। সে বিছানায় উঠে ওঁর সেই খোলা বুকের ওমের মধ্যে নিজেকে সঁপে দিল। ইন্দিরা মুহূর্তের মধ্যে একটা হাত ওর কোমরের চারপাশে জড়িয়ে ধরলেন, যেন এক পরম আশ্লেষে নিজের তৈরি করা প্রাণটাকে আবার নিজের শরীরের সাথে লেপ্টে নিলেন। রাহুলের মাথাটা এসে পড়ল স্তনযুগলের ঠিক মাঝখানের সেই নরম, উষ্ণ উপত্যকায়। ওঁর ডান হাতের আঙুলগুলো খুব আলতো করে ওর চুলে বিলি কাটতে শুরু করল।

ইন্দিরা একটা গভীর, তৃপ্ত দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। ওঁর বুকের খাঁচায় সেই শ্বাসের ওঠানামা রাহুল নিজের গালে অনুভব করতে পারছিল।

"এই তো..." ইন্দিরা ওঁর চেনা মখমলি গলায় ফিসফিস করে উঠলেন, "আমার বাবুটার ঠিক যেখানে থাকার কথা, সেখানে আবার চলে এসেছে। মাত্র দশ বারো মিনিটের জন্য তুই নিচে গেছিলি, তাতেই তোকে বড্ড মিস করছিলাম রে, আমার এই অবাধ্য বাঁদর ছেলেটা..."

রাহুল ওঁর বুকের সেই সুগন্ধী ওমের মধ্যে মুখ গুঁজে চুপ করে রইল। কিন্তু ওর ভেতরের ছটফটানিটা কমছিল না। সে চোখের দিকে তাকানোর জন্য মাথাটা একটু ওপরে তুলল। ওর চোখে এক তীব্র প্রতীক্ষা, এক অবাধ্য সিগন্যালের অপেক্ষা।

ইন্দিরা ওর সেই আকুল চোখের চাউনি দেখে নিজের চোখদুটো একটু ঘোরালেন। ঠোঁটের কোণে সেই চেনা, কৃত্রিম বিরক্তির মৃদু হাসি।

"কী অধৈর্য ছেলে রে বাবা... ঠিক আছে, সোনা। যা চাওয়ার... চেয়ে নে।"

রাহুল ওঁর সেই মায়াবী মুখের দিকে তাকিয়ে বড্ড সরল, নিষ্পাপ গলায় বলল, "মা...ওইতো... তুমি যেটা চুক্তিতে লিখেছিলে...ওইটা..."

ইন্দিরা কিছু বলে ওঠার আগে রাহুল আবার নরম সুরে বলে উঠল, "ওটা তুমি আর একবার বলবে, প্লিজ?"

ইন্দিরার ফর্সা গালে এক ঝটকায় একটা লাজুক আভা ছড়িয়ে পড়ল। তিনি সামান্য মুখটা ঘুরিয়ে নিয়ে কপট বিরক্তির ভান করে বললেন, "উফ্, কী ফালতু আবদার! কাগজে তো স্পষ্ট লেখাই আছে, ওটা আবার নতুন করে মুখে উচ্চারণ করে বলার কী আছে? বোকা ছেলে!"

"না মা, তুমি নিজের মুখে না বললে কন্ট্রাক্ট অ্যাক্টিভেট হবে না," রাহুল ওঁর গলায় চিবুক ঘষে একটা আদুরে হাসি হাসল। "প্লিজ বলো না..."

ইন্দিরা এক প্রকার রাহুলকে একটু ভেঙিয়েই বললেন, "না বললে কন্ট্রাক্ট অ্যাক্টিভেট হবে না... যা খুশি তাই বললেই হলো না? বড্ড ঘ্যানঘ্যান করিস তুই।" এই বলে তিনি ওর চুলে একটা হালকা টান দিলেন। "আমি ওসব বলতে-টলতে পারব না। তোর যা পাওনা তুই নিজে বুঝে নে, আমাকে দিয়ে আবার বলাবি কেন? ফাজিল কোথাকার!"

"তুমি লজ্জা পাচ্ছ, তাই না মা? ডক্টর সেন নিজের ছেলের কাছে লজ্জা পাচ্ছেন!" রাহুল চোখ কুঁচকে দুষ্টুমি করে বলল।

"লজ্জা! আমি আবার লজ্জা পাব কেন!" ইন্দিরা তড়িঘড়ি প্রতিবাদ করলেন, যদিও তাঁর গলার স্বরের হালকা কাঁপন আর লালচে গালদুটো অন্য কথাই বলছিল। "ফাজলামো হচ্ছে? এইটুকু একটা কথার আবার লজ্জা কীসের?"

"তাহলে বলো। একবার জাস্ট নিজের মুখে বলো তুমি কী লিখেছিলে।"

ইন্দিরার বুকের ভেতরের শ্বাসটা ক্ষণিকের জন্য থমকে গেল। ফর্সা গালদুটোতে আবার সেই লজ্জার রক্তিমাভা ফুটে উঠল। তিনি একটা হালকা, কৃত্রিম ক্ষোভের শ্বাস ফেলে ওর দিকে তাকালেন, কিন্তু গলায় কোনো রাগ ছিল না, ছিল এক আদিম মাতৃত্বের কোমলতা। আঙুলগুলো ওর চোয়ালের রেখা বেয়ে নেমে এসে বুড়ো আঙুলটা দিয়ে ওর নিচের ঠোঁটটা আলতো করে ছুঁয়ে দিল।

"তুই... তুই পারিসও বটে, রাহুল। ঠিক আছে, তুই চাইলে... বুকে... মুখ দিতে পারিস।"

এক মুহূর্তের স্তব্ধতা। তারপর তিনি মুখটা সামান্য ঝুঁকিয়ে রাহুলের কানের পাশে খুব আলতো করে একটা আদুরে চুমু খেলেন।

"এবার খুশি তো, সোনা?"

রাহুল কৌতুকী চোখের দিকে তাকিয়ে আরও একটু দুষ্টুমি মেশানো সরলতায় বলল, "কার বুকে মুখ দেব, মা? কার কথা বলছ?"

ইন্দিরা এবার একটা আদুরে হুঙ্কার ছাড়লেন। ঠোঁটের কোণের সেই প্রচ্ছন্ন স্মাগ হাসিটা আর লুকোতে পারলেন না। আঙুলগুলো ওর চুলে আরেকটু শক্ত করে বিলি কাটতে লাগল।

"ন্যাকামো করিস না তো," গলার স্বর এবার এক অদ্ভুত গোপন ফিসফিসানিতে নেমে এল, চোখদুটো আলোর নিচে চকচক করছিল। "তুই খুব ভালো করেই জানিস কার বুকের কথা বলা হচ্ছে এখানে। নাকি সেটাও আমাকে বানান করে বুঝিয়ে দিতে হবে, শুনি?"

"প্লিজ মা, আর একবার একটু ক্লিয়ার করে বলো না..." রাহুল বুকের ওপর নিজের চিবুকটা ঘষতে ঘষতে আবদার করল।

ইন্দিরা এই অবাধ্য আহ্লাদ দেখে মনে মনে সম্পূর্ণ হেরে গেলেন। চোখের মণি দুটো স্নেহে আর্দ্র হয়ে উঠল। তিনি ওর কানের খুব কাছে নিজের ঠোঁটদুটো নিয়ে গেলেন, উষ্ণ শ্বাস ওর কানে লাগছিল। এক অদ্ভুত, নিবিড় তীব্রতায় ওঁর গলার স্বর সামান্য কাঁপল:

"মা... তোর এই মায়ের বুকটার কথা বলছি, সোনা..." ওঁর গলার স্বর এক অবাধ্য আবেগে ভারী হয়ে এল, "খা... আমার বুক থেকে খা।"

কথাটা শেষ করেই তিনি হাত দিয়ে ওর মাথাটা আলতো করে চেপে একটু নিচের দিকে নামিয়ে দিলেন, যেখানে ওঁর বাঁ স্তনের নিটোল, শ্বেত কান্তি আলোর নিচে কোনো এক অলৌকিক ফলের মতো উদ্ভাসিত হয়ে ছিল। আঙুলগুলো আবার ওর চুলে বোলাতে লাগলেন তিনি।

রাহুল সেই সুডৌল স্তনের একদম কাছাকাছি নিজের মুখটা নিয়ে এল। ওর ঠোঁটদুটো ওখানকার উত্তাপ অনুভব করতে পারছিল। সে খুব নিচু স্বরে জিজ্ঞেস করল, "এইখানটায়, মা?"

"হ্যাঁ, সোনা... ঠিক এইখানটায়..." ইন্দিরা নিজের অন্য হাতটা তুলে স্তনের নিচের অংশটি আলতো করে ধরলেন, যেন তিনি নিজের শরীরের সেই পরম সম্পদটি সন্তানের তৃপ্তির জন্য উৎসর্গ করছেন। গলার স্বর বড্ড বেশি ভারী আর বুঁদ হয়ে আসছিল ওঁর।

এক সেকেন্ডের নীরবতা। তারপর আরও নিচু, এক পরম প্রশ্রয় ও স্নেহের চাদরে মোড়ানো ফিসফিসানি ভেসে এল ওঁর ঠোঁট থেকে:

"শুরু কর, সোনা... ঠিক এই বোঁটাটাতে মুখ দে..."

কথাটি উচ্চারণ করার সাথে সাথেই, এক অজানা, আদিম ও গোপন শিহরণে তাঁর নিটোল শ্বেতপদ্মসম স্তনের সেই গাঢ় বাদামি বৃন্তটি ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে উঠল, যেন এক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তৃষ্ণার নিবারণ করতে সে নিজেই এক অলৌকিক আকাঙ্ক্ষায় সগর্বে জেগে উঠেছে।


৭.২. অমৃতের স্বাদ ও তীব্রতার জোয়ার

টেবিল ল্যাম্পের স্নিগ্ধ আলোয় ইন্দিরার সেই উন্মুক্ত স্তন যেন শ্বেতপাথরে খোদাই করা কোনো প্রাচীন ভাস্কর্যের মতো অপূর্ব দেখাচ্ছিল। তার ঠিক কেন্দ্রে, গাঢ় বাদামি রঙের বৃন্তটি এক নিটোল, নিখুঁত শিল্পিত কুঁড়ির মতো রূপ নিয়েছে। মাতৃত্বের আদিম পবিত্রতা আর এক নারীসত্তার সলজ্জ সৌন্দর্যের এমন অপূর্ব মেলবন্ধন যেন রাহুলের চোখদুটোকে মোহাবিষ্ট করে ফেলল। সেই সুডৌল, সুবাসিত ত্বকের প্রতিটি রোমকূপ যেন এক অমোঘ আকর্ষণে তাকে ডাকছিল।

রাহুল আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা করল না। সে ফর্সা, মসৃণ স্তনের অগ্রভাগটি নিজের ঠোঁটের উষ্ণ আবেষ্টনীতে টেনে নিল।

সেই সুগন্ধী, নরম ত্বকটি যখন রাহুলের মুখের ভেতরে প্রবেশ করল, ইন্দিরার ঠোঁট থেকে এক দীর্ঘ, শান্ত স্বস্তির শ্বাস ছিটকে বেরোলো। হাতের আঙুলগুলো খুব স্বাভাবিকভাবেই ওর চুলের মধ্যে ঢুকে গেল। ওঁর ছোঁয়াটা তখন সম্পূর্ণ মাতৃত্বের গভীর স্নেহে মাখানো। তিনি ওপর থেকে নিজের অর্ধনিমীলিত চোখে, এক আবেশিত দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে রইলেন। চোখের চাউনিটা এক অদ্ভুত তন্দ্রাচ্ছন্নতায় আচ্ছন্ন, ঠোঁটের কোণে এক পরম তৃপ্তির হাসি।

"উমম... হ্যাঁ, আমার সোনা ছেলে... আহ্... আমার লক্ষ্মী সোনা..." গলা দিয়ে এক অদ্ভুত অস্ফুট শব্দ বেরোলো।

রাহুল সেই স্তনবৃত্তের পুরোটা মুখের ভেতরে পুরে নিয়ে পরম তৃপ্তিতে চুষতে শুরু করল। ওর জিভ আর ঠোঁটের সেই আর্দ্র, উষ্ণ ছোঁয়ায় স্তনের সংবেদনশীল ত্বকটা সাড়া দিচ্ছিল।

ওর মুখের ভেতর থেকে একটা অস্ফুট শব্দ বেরোলো, "উমমম... মা..."

ইন্দিরার আঙুলগুলো ওর চুলের মধ্যে আরেকটু শক্ত করে চেপে বসল, কিন্তু সেই চাপের মধ্যেও কোনো রুক্ষতা ছিল না, ছিল এক চরম ভালোবাসা। গলার স্বর তখন এক অদ্ভুত উষ্ণতায় ভারী।

"ঠিক এইভাবে, উফ্... আমার মিষ্টি সোনা..." তিনি ফিসফিস করে বলতে লাগলেন, শ্বাস ক্রমশ দ্রুত হচ্ছিল। "আমার আদরের ছেলে... উমম... আমার সোনা... আহ্... আমার লক্ষ্মী সোনা... আমার বড্ড মিষ্টি বাবুটা..." ওঁর গলা দিয়ে এক অদ্ভুত অস্ফুট শব্দ বেরোলো, যেন তিনি কোনো এক ঘোর থেকে কথা বলছেন। "আমার পুঁচকে সোনা... আহ্... মা-র একদম নিজের টুকরোটা... উমম... আহ্, আমার রাজপুত্তুর... সোনা রে... ওহ্... কী মিষ্টি তুই... উমমম... আমার আদরের মাণিক, আহ্... আমার ছোট্ট প্রাণপাখি... উফ্... আহ্হ্হ..." ওঁর মুখ থেকে একে একে বেরোতে লাগল ওঁর ভেতরের সমস্ত অবদমিত স্নেহের বাণী, যা এতদিন কোনো এক নিভৃত কোণে জমে ছিল।

বেশ কিছুক্ষণ ধরে রাহুল ওভাবে বুক থেকে সেই অদৃশ্য সুধা পান করতে লাগল। ঘরের ভেতরের পরিবেশটা তখন এক চরম মনস্তাত্ত্বিক আদিমতায় আচ্ছন্ন। কিছুক্ষণ পর রাহুল ক্ষণিকের জন্য স্তনটি নিজের মুখ থেকে আলতো করে ছেড়ে দিল। ওঁর ভিজে, চকচকে বৃন্তটি আলোর নিচে আরও বেশি মোহময় লাগছিল। রাহুল চোখের দিকে তাকিয়ে খুব সরল, নিষ্পাপ মুখে বলল:

"সো, মা... এইরকম ফিলিং হয়? যখন কোনো মা তার সন্তানকে খাওয়ায়?"

রাহুলের মুখটি সরে যেতেই ইন্দিরার হৃদপিণ্ডটা যেন এক সেকেন্ডের জন্য থমকে গেল। ঠোঁটের কোণে এক পরম মায়াবী হাসি খেলে গেল। সুন্দর হাত দিয়ে তিনি ওর চোয়ালের রেখাগুলো আলতো করে ছুঁয়ে দিলেন।

"হ্যাঁ রে সোনা, ঠিক এইরকমই ফিলিং হয়," গলার স্বর বড্ড নরম আর কাঁপা শোনাল। "এভাবেই একটা মা... তার নিজের সন্তানকে আগলে রাখে, খিদে মেটায়। তোর ভাল লাগছে তো?"

রাহুল মুগ্ধ হয়ে ওঁর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল।

তিনি স্তনটার দিকে একবার তাকালেন, তারপর আবার এক পরম স্নেহের হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকালেন, "যদিও আমার বুকে এখন আর সেই আসল দুধ নেই... কিন্তু শরীরটা তো ওটাই আছে রে সোনা, তোর মায়ের এই বুকদুটো তো বদলায়নি। এটাই এখনও তোর পুষ্টি, তোর আসল আশ্রয়।"

হাত দিয়ে তিনি স্তনটিকে আরেকটু ওপরে তুলে ওর মুখের আরও কাছে এগিয়ে নিয়ে এলেন, এক আদিম মাতৃত্বের তাড়নায় শরীর যেন নিজে থেকেই ওকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছিল।

রাহুল এবার আরেকটু বেশি তীব্রতা নিয়ে, আরেকটু শক্ত করে স্তনটি মুখের ভেতর টেনে নিল। সে এবার অনেক বেশি জোরে আর গভীরভাবে চুষতে শুরু করল।

রাহুলের ঠোঁট ও জিভের সেই আচমকা, ছন্দবদ্ধ এবং তীব্র চাপ লাগতেই ইন্দিরার ভেতরের এক অচেনা, সুপ্ত মহাসমুদ্র যেন মুহূর্তের মধ্যে উথলে উঠল। আঙুলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ওর চুলগুলোকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। ঘরের নীরবতা ভেঙে ওঁর ঠোঁট থেকে চুইয়ে পড়তে লাগল কেবলই কিছু অসংলগ্ন, আদুরে আর্তি।

"আহ্... সোনা... উমম... আমার রাজপুত্র..." স্তনের সেই সংবেদনশীল স্নায়ুগুলোতে রাহুলের উষ্ণ লেহন ওঁর শিরদাঁড়া বেয়ে এক অদ্ভুত বিদ্যুৎপ্রবাহ ছড়িয়ে দিচ্ছিল। ওঁর পুরো শরীরটা যেন একটা আবেশের হাওয়ায় ভাসতে শুরু করেছে। "উফ্... আমার লক্ষ্মী ছেলে... বড্ড ভালো লাগছে রে... উমম..."

রাহুলের মুখের সেই অবিরাম, আদিম টান ওঁর ভেতরের সমস্ত মাতৃত্ব আর নারীত্বকে যেন এক করে গুলিয়ে দিচ্ছিল। একটা অদ্ভুত আনন্দ, এক চরম তৃপ্তি ওঁর প্রতিটি কোষে ছড়িয়ে পড়ছিল। তিনি নিজেকে আর কিছুতেই ধরে রাখতে পারছিলেন না।

"আহ... ঠিক এইভাবে..." ঠোঁট থেকে এক হালকা হিসহিস শব্দ বেরোলো, "চোষ, সোনা... আহ্... তুই বড্ড ভালো করছিস... উমম... একদম নিজের সবটুকু তৃপ্তি নিয়ে চোষ... উফ্... আমার সবটা তো তোরই রে, নিয়ে নে.... আহ্... মায়ের কাছ থেকে... বাধ্য ছেলের মতো.... উমমম... নিয়ে নে.... ঊমমম..."

রাহুল এই প্রশ্রয় পেয়ে স্তনটিকে আরও জোরে, আরও তীব্রভাবে চুষতে লাগল। ওর জিভ আর ঠোঁটের অবাধ্য নড়াচড়া ওঁর বোঁটার গভীরে এক তীব্র আলোড়ন তৈরি করছিল। সেই আদিম ঘোরের মাঝেই রাহুলের একটা হাত নিজের থেকেই ওপরে উঠে এল এবং ইন্দিরার উন্মুক্ত, অপেক্ষারত ডান স্তনটিকে নিজের হাতের মুঠোয় পুরে নিয়ে পরম আদরে আর একটু শক্ত করে দলন করতে শুরু করল।

ইন্দিরা এবার আর নিজের শ্বাস ধরে রাখতে পারলেন না। মুখ দিয়ে এক তীক্ষ্ণ ‘উফ্ফ্ফ’ শব্দ বেরোলো। হাতের আঙুলগুলো ওর চুলের মূলে প্রায় বসে যাচ্ছিল। অন্য হাতটা নিজে থেকেই উঠে এসে রাহুলের মাথার পেছনটা শক্ত করে ধরে ফেলল। তিনি ওকে শরীর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না, বরং ওই খোলা বুকের সাথে আরও শক্ত করে চেপে ধরছেন, যেন ওর এই তীব্রতা নিজের শরীরের গভীরে এক অদ্ভুত ঝড় তুলছিল।

"সোনা..." গলার স্বর এবার কিছুটা রুক্ষ, কিছুটা ভারী শোনাল—যেন তিনি একাধারে শাসন আর আত্মসমর্পণের এক দোলাচলে দুলছেন। "আস্তে... একটু আস্তে কর, বাবা... প্লিজ..."

কিন্তু হাতের আঙুলগুলো যেভাবে ওর মাথাটাকে নিজের স্তনের ওপর আরও বেশি করে চেপে ধরছিল, তা মুখের কথার সম্পূর্ণ বিরোধিতা করছিল। অবচেতন মন যেন এই তীব্রতা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চাইছিল না।

"একটু... একটু আস্তে কর সোনা..." তিনি ফিসফিস করে উঠলেন।

রাহুল তখন এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে ডুবে গেছে। শৈশবের সেই আদিম নদীর স্রোত ওর মগজকে সম্পূর্ণ অবশ করে দিয়েছিল। সে এই মৃদু বাধা শোনার মতো অবস্থায় ছিল না। সে স্তন চোষণ আর সাথে সাথে লেহনের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিল।

ইন্দিরার শ্বাস এবার পুরোপুরি আটকে গেল। মাথাটা বালিশের ওপর সামান্য পেছনের দিকে হেলে পড়ল, সুন্দর চোখদুটো ক্ষণিকের জন্য বুজে এল। ওর মাথার পেছনে থাকা হাতটা এক পরম আকুলতায় আরেকটু শক্ত হলো, যেন তিনি কোনো এক অতল গভীরে তলিয়ে যাচ্ছেন—কিন্তু পরক্ষণেই তিনি নিজেকে সামলে নিয়ে আঙুলগুলোর গ্রিপ সামান্য আলতো করলেন।

চোখদুটো মেলে তিনি ওর দিকে তাকালেন। চিরকাল শান্ত, গম্ভীর চোখদুটো এখন এক অদ্ভুত তীব্র কামনায় বা এক পরম অসহায়তায় অন্যরকম রূপ নিয়েছে।

"আহ্... সোনা..." মুখ থেকে এক কাঁপা দীর্ঘশ্বাস ছিটকে বেরোলো, "উফ্... তুই বড্ড বেশি জোরে করছিস... আহ্... উমম... একটু আস্তে সোনা... উফ্... প্লিজ... আমি—" ওঁর শেষ শব্দটা এক অদ্ভুত কাঁপানো শ্বাসের সাথে মিলিয়ে গেল।

রাহুল ওর পুরো শক্তি দিয়ে বোঁটার শেষ কণাটুকু যেন চুষে নিতে চাইল। ইন্দিরার হাতের মুঠো ওর চুলে এবার বড্ড শক্ত হয়ে বসল। বুকটা রাহুলের মুখের নিচে এক তীব্র ঝড়ের গতিতে ওঠানামা করছিল, ফর্সা ত্বকটা তখন এক অদ্ভুত জ্বরে লাল হয়ে উঠেছে।

"আহ্... উফ্... থাম..." গলা দিয়ে এক ভাঙা, কাঁপা ফিসফিসানি বেরোলো, "আহ্হ্... রাহুল... উমম... উফ্... তুই... তুই আমাকে বড্ড বেশি... আহ্... উফ্ফ্..."

কিন্তু আঙুলগুলো ওর চুল ছাড়ল না। এক পরম ঘোরের মধ্যে রাহুল স্তন চুষতেই থাকল... ঠিক তখনই... ঘরের ভেতরের বাতাস এক অলৌকিক কাঁপনে স্তব্ধ হয়ে গেল... রাহুল মায়ের মুখ থেকে এক অদ্ভুত চিৎকার শুনতে পেল... এটা কোনো ব্যথার চিৎকার ছিল না... এটা ছিল সম্পূর্ণ অন্য কিছুর...

(rest of the chapter continued in the next post...)
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)