Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#13

(rest of the Chapter...)

৮.৩. চুক্তির অন্তিমকাল


ঠিক সেই মুহূর্তেই ইন্দিরার চোখ চলে গেল দেওয়াল ঘড়িটার দিকে। দশটা বেজে গেছে। ইন্দিরার গলার স্বর এবার আর প্রশ্রয়ের রইল না, এক দৃঢ় অথচ স্নেহময়ী শিক্ষিকার রূপ নিল।

"সোনা, সময় শেষ। দশটা বেজে গেছে। এবার আমাকে যেতে হবে। আর কনট্র্যাক্ট অনুযায়ী আমাদের মা-ছেলের আদর-সেশন কিন্তু অনেক আগেই অফিশিয়ালি শেষ হয়ে গেছে।"

রাহুল সাথে সাথে নিজের মুখটা ইন্দিরার গলার খাঁজে গুঁজে দিয়ে এক চরম নাটকীয় ভঙ্গিতে ডুকরে কাঁদার ভান করল, "ওহ গড না, কেন... কেন শেষ হতে হবে? আমি তো কিছুই পেলাম না!"

ইন্দিরা ওর এই ওভার-অ্যাক্টিং দেখে হো হো করে হেসে উঠলেন। "সোনা... কী ড্রামা কুইন রে তুই! কিন্তু সিরিয়াসলি রাহুল, আমাকে এবার উঠতেই হবে। গঙ্গা মাসি চলে আসবে একটু পরেই। তুই তো আর চাস না গঙ্গা মাসি আমাদের এই অবস্থায় দেখুক, তাই না?"

রাহুল কাঁধ ঝাঁকিয়ে বড্ড উদাসীনভাবে বলল, "আমার বয়েই গেল।"

ইন্দিরা এবার ওর কাঁধে একটা হালকা চাপড় মারলেন। "বজ্জাত ছেলে! মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোর? প্রমিস, কন্ট্রাক্ট, সবকিছুর কী হবে? আমাকে এবার রেডি হতে হবে সোনা। আমার চুল পুরো ঘেঁটে আছে, শাড়ি ঘেঁটে আছে... আর সবকিছুর জন্য দায়ী হলো..." তিনি আঙুল দিয়ে ওর কাঁধে ছোট ছোট চিমটি কাটতে লাগলেন—কখনও একটু জোরে, কখনও একদম আলতো আদুরে চিমটি, "...আমার এই পাজি আহ্লাদি ছেলেটা... যে কাল সন্ধে থেকে মাকে নিয়ে যা খুশি তাই করে চলেছে।"

রাহুল হাসতে হাসতে "আউচ! মা! লাগছে তো!" বলে ছটফট করতে লাগল।

চিমটি কাটা শেষ হলে রাহুল একটু শান্ত হয়ে একগাল দুষ্টুমি মেশানো হাসি হেসে বলল, "আচ্ছা মা, ধরো গঙ্গা মাসি যদি এই মুহূর্তে হঠাৎ করে এই ঘরে চলে আসে, তাহলে ও কী বলবে?"

এই কথাটা শোনা মাত্রই ইন্দিরার ফর্সা মুখটা এক চরম লজ্জায় আর অস্বস্তিতে লাল হয়ে উঠল। ওঁর চোখদুটো কল্পিত আতঙ্কে বড় বড় হয়ে গেল। তিনি তড়িঘড়ি নিজের হাতদুটো দিয়ে উন্মুক্ত বুকটা ঢাকার একটা বৃথা চেষ্টা করে অত্যন্ত লাজুক আর ভীত গলায় বললেন, "ওহ গড, রাহুল! এসব কী অলুক্ষুণে কথা বলছিস তুই! ভাবলেই আমার হাত-পা সেঁধিয়ে যাচ্ছে লজ্জায়। জাস্ট ইমাজিন কর, কী বিভৎস একটা স্ক্যান্ডাল হবে! না না, তুই এসব আজেবাজে কথা একদম ভাববি না।"

কিন্তু রাহুল থামার পাত্র নয়। মায়ের এই লজ্জামাখা, ভীত মুখটা দেখে ওর ভেতরে দুষ্টুমির পোকা আরও নড়ে উঠল। সে বিছানায় সামান্য সোজা হয়ে বসে, চোখদুটো বড় বড় করে, হাতদুটো কপালে ঠেকিয়ে একদম নিখুঁত হিন্দি অ্যাকসেন্টে গঙ্গা মাসির গলার স্বর নকল করতে শুরু করল।

"আরে মা, জাস্ট ভাবো," রাহুল অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে বলতে লাগল, "গঙ্গা মাসি ঘরে ঢুকেই আমাদের এই অবস্থায় দেখে হাত থেকে ঝাঁটা-টাটা ফেলে দিয়ে কপালে হাত দিয়ে ঠিক এইভাবেই চ্যাঁচাতে শুরু করবে— 'হে ভগবান! ইয়ে কেয়া দেখ রহি হুঁ মে? সেন ম্যাডাম জি, ইতনা বড়ি প্রফেসার... অউর আপনে জওয়ান লড়কে কে সাথ এসে বিনা কাপড়ে কে সো রহি হ্যায়? আরে রাম-রাম! ম্যায় তো সোচ ভী নহী সকতি! মা অউর বেটা দোনো এক দুসরে কা নঙ্গী তন সে চিপক কে পিয়্যার কর রহে হ্যায়! অগর কোই বাহার কা দেখ লেগা তো সমাজ মে থু-থু হো যায়েগা, মুঁহ দিখানে লায়েক নহী রহেঙ্গে সেন সাহাব কে লোগ! রাম-রাম-রাম! কলযুগ আ গয়া হ্যায়!'"

ইন্দিরা প্রথমে মুখ টিপে নিজের গাম্ভীর্য ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন। "চুপ কর রাহুল, কী অসভ্য তুই..." বলে তিনি ওকে থামানোর চেষ্টা করলেন, কিন্তু রাহুলের ওই নিখুঁত গলা আর মুখের ভঙ্গি দেখে ওঁর সেই লজ্জার দেওয়াল ক্রমশ ফাটতে শুরু করল। ঠোঁটের কোণ দিয়ে একটা চাপা হাসির শব্দ ছিটকে বেরোল।

রাহুল মায়ের হাসি দেখে আরও উৎসাহ পেয়ে গেল। ও হাসির ফাঁকেই আবার সেই অ্যাকসেন্টে শুরু করল: "আর তারপর আমাকে দেখে চোখ কপালে তুলে বলবে— 'অউর ইয়ে রাহুল বাবা! কলেজ জানে কা উমর হো গয়া, লেকিন অভী তক অপনী মা কা নঙ্গী ছাতী সে ছাতী মিলা কে লেটা হুয়া হ্যায়! এক ঠো জওয়ান বেটা অপনী মা কো এসে পকড় কে উসকে উপর লেটা হুয়া হ্যায়? ইয়ে কোন্ সা রিস্তা হ্যায় ভগবান? অ্যায়সা পাপ দেখনে সে পহলে মেরা আঁখ কেউ নহী ফুট গয়া? লাজ-শরম সব বেচ খায়ী হ্যায়!'"

ছেলের মুখে গঙ্গা মাসির এই সংলাপ শুনে ইন্দিরা আর কিছুতেই নিজের আভিজাত্য বা লজ্জা ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি খিলখিল করে হাসতে হাসতে বিছানায় লুটিয়ে পড়লেন। এক হাতে পেট চেপে ধরে হাসির চোটে ওঁর চোখে জল আসার উপক্রম হলো। দুজনেই হাসতে হাসতে একে অপরের গায়ের ওপর গড়িয়ে পড়ল। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাদের এই শ্বাসরুদ্ধকর হাসি আর খুনসুটি চলল।

কিন্তু হাসির রেশ কাটতেই ইন্দিরার মুখটা একটু গম্ভীর হয়ে এল। তিনি রাহুলের চুলে হাত বুলিয়ে অত্যন্ত নিবিড় আর সাবধানী গলায় বললেন, "কিন্তু জোকস অ্যাপার্ট, রাহুল... এই বিষয়টা কিন্তু একদম আমাদের দুজনের মধ্যেকার সিক্রেট। আমি তোকে কালকে এটা নিয়ে বলেছি, আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। বাইরের সমাজ, এমনকি তোর বাবা বা গঙ্গা মাসিও এই পবিত্র বন্ডিংটা বুঝবে না। তুই আমার নিজের নাড়ি-ছেঁড়া ধন, আমি তোকে আমার বুকে জড়িয়ে শুয়ে আছি, তুই কাল আমার...আমার বুক থেকে খেয়েছিস... এতে তো খারাপ কিছু নেই। কিন্তু সমাজ তো আর সেই ফিলিংটা বুঝবে না। তাই তোকে খুব সতর্ক থাকতে হবে সোনা। আমাদের এই স্পেশাল আদর যেন এই ঘরের চার দেওয়ালের বাইরে এক ইঞ্চিও না যায়।"

রাহুল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে খুব শান্তভাবে মাথা নাড়ল। "আমি জানি মা, তুমি একদম চিন্তা কোরো না। আমি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে দেব না।"

ইন্দিরা এবার মানসিকভাবে নিজের সেই প্রফেশনাল, ব্যস্ত মায়ের রুটিনে ফিরে গেলেন। তিনি মনে মনে হিসেব কষতে কষতে বললেন, "এনিওয়ে, আজ আমার পাহাড়প্রমাণ কাজ বাকি। কাল সন্ধের পেন্ডিং কাজগুলো, আর আজকের নতুন কাজ।"

তিনি আঙুল গুনে গুনে বলতে লাগলেন, "আমাকে দুটো বড় লেকচার প্রিপেয়ার করতে হবে, পিএইচডি স্কলারদের তিনটে পেপার চেক করতে হবে... তার ওপর গঙ্গা মাসিকে মেনু বলে দেওয়া, বাড়ির বাজার—সব আমাকে একা হাতে সামলাতে হবে।"

তিনি হঠাৎ রাহুলের দিকে কড়া চোখে তাকালেন। "আর তোর তো আজ টিউশন যাওয়া আছে! সারাদিন কি এভাবেই শুয়ে থাকবি? নাকি আমি লাঠি নিয়ে তাড়া করব?"

রাহুল মুখটা বাঁকিয়ে বলল, "উফ মা, তুমি না একটা রিংমাস্টার। একটু আগে অত আদর করলে, আর এখন লাঠি নিয়ে তাড়া করার কথা বলছ!"

ইন্দিরার গলার স্বর ওর কথাকে পাত্তা না দিয়ে এবার একদম সেই চিরচেনা মাতৃসুলভ প্রোটেকটিভ সুরে নেমে এল। "কিন্তু রাহুল, কাল রাতে আমাদের ঘুমোতে অনেক দেরি হয়েছে। তোর আট ঘণ্টার ঘুম খুব জরুরি। তাই টিউশন থেকে ফিরে কিন্তু অবশ্যই একটা ন্যাপ নিবি।"

রাহুল সাথে সাথে বার্গেনিং শুরু করল, "তাহলে তুমিও একটা ন্যাপ নিও, মা। তুমিও তো ঘুমাওনি।"

ইন্দিরা মাথা নাড়লেন, "হ্যাঁ, হয়তো নেব।"

রাহুল চোখদুটো ছোট ছোট করে দুষ্টুমিভরা হাসিতে বলল, "ওহ... তাহলে আমার ঘরে আবার এসো, আমরা একসাথে ন্যাপ নেব। ঠিক এভাবেই।"

ইন্দিরা চোখ পাকিয়ে ওর দিকে তাকালেন, গলার স্বরে কড়া শাসন। "না, তুই আমাকে অনেক পেয়েছিস। আজ আর কোনো আদর নয়, আর একসাথে শুয়ে থাকাও নয়। আমি কাজ টাজ সেরে আমার ঘরে একটু গড়িয়ে নেব খন। আর কোনো কথা নয়।" তিনি ঘড়ির দিকে তাকালেন। "ওকে, দশটা বেজে পাঁচ। গঙ্গা মাসি জাস্ট চলে এল বলে।"

ইন্দিরা বিছানা থেকে ওঠার জন্য কনুইয়ের ওপর ভর দিলেন। কিন্তু রাহুল ওর কোমরটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে এক টানে ওঁকে আবার বিছানায় শুইয়ে দিল।

"মা, প্লিজ, আর জাস্ট পাঁচটা মিনিট।"

ইন্দিরা ওর এই ছটফটানি আর লেপ্টে থাকার কাছে সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়লেন। তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওর শরীরটাকে টেনে একদম নিজের শরীরের ওপর তুলে নিলেন। ওকে নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলেন।

"তুই জাস্ট... বড্ড... বড্ড দুষ্টুমি করিস মায়ের সাথে, সোনা... আমি তোকে নিয়ে কী করব বল দেখি?" তিনি ওর পিঠে হাত বুলিয়ে বলতে লাগলেন, "তুই মায়ের আদর এত এত ভালোবাসিস? তুই একটা পাগল, আস্ত একটা পাগল... ঠিক আছে, জাস্ট পাঁচ মিনিটের আদর, সোনা... তারপর প্লিজ... আমাকে উঠতে হবে... আমার ব্রা পরতে একটু সময় লাগে।"

রাহুল ওঁর গলার খাঁজে মুখ গুঁজে পরম আদুরে গলায় ফিসফিস করল, "আমি হুক লাগিয়ে দেব মা, তুমি চিন্তা কোরো না।"

ইন্দিরা একটা নরম, মায়াবী হাসি হাসলেন, বুকের ভেতরটা এক পরম শান্তিতে ভরে উঠল। "আমার ছোট্ট বাচ্চাটা কত্ত বড় হয়ে গেছে..."

আরও পাঁচ-সাত মিনিট ওই তীব্র, নিস্তব্ধ আলিঙ্গনের পর ইন্দিরা অবশেষে বিছানার ধারে উঠে বসলেন। তিনি নিজের ব্রা-টা হাতে নিয়ে কাঁধের ওপর দিয়ে ফিতে দুটো গলালেন, তারপর পেছনের হুকগুলো আটকানোর জন্য হাতদুটো পিঠের দিকে নিয়ে গেলেন। রাহুল, একদম বাধ্য ছাত্রের মতো ওঁর পেছনে উঠে বসল। সে খুব সাবধানে মায়ের হাত থেকে ব্রায়ের কাপড়ের অংশটা নিয়ে নিখুঁতভাবে হুকগুলো মেলাতে শুরু করল।

রাহুলের আঙুলের সেই নরম, উষ্ণ ছোঁয়া যখন ইন্দিরার অনাবৃত পিঠে লাগছিল, ইন্দিরার চোখদুটো তখন জানলার দিক থেকে ঘুরে ঘরের দেওয়ালে থাকা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাঁধানো ছবিটার ওপর গিয়ে স্থির হলো।

ওঁর মনের ভেতর এক গভীর, সাহিত্যিক আর কাব্যিক দোলাচল তৈরি হলো। তিনি বুঝতে পারলেন, এই সবকিছু কোনো স্বপ্ন নয়; এটা ওঁর অত্যন্ত বাস্তব, ভারী এক সত্য। তিনি ডক্টর ইন্দিরা সেন, সমাজের চোখে একজন উচ্চশিক্ষিতা, সম্মাননীয় ও প্রাজ্ঞ নারী... অথচ, তিনিই নিজের সাবালক ছেলের সাথে এই চরম বাধাহীন, গভীর শারীরিক ও মানসিক নৈকট্য উদযাপন করেছেন। আর ঠিক এই মুহূর্তে, এই উজ্জ্বল সকালের আলোয়, ওঁর সেই বড় হয়ে যাওয়া ছেলেটি অত্যন্ত সাবধানে, পরম শ্রদ্ধায় তার মায়ের ব্রায়ের হুক লাগিয়ে দিচ্ছে। রাহুলের আঙুলের ওই উষ্ণতা, ওই পরম নির্ভরতা—ইন্দিরা নিজের ভেতরে এক গভীর নীরবতার সাথে এই সত্যটাকে বরণ করে নিলেন।

ঠিক যেই মুহূর্তে শেষ হুকটা খট করে আটকে গেল, রাহুল ওঁর পিঠ থেকে মুখ তুলে একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে জিজ্ঞেস করল, "মা, আবার কখন তোমাকে আদর করতে পারব?"

ইন্দিরা ঘাড় ঘুরিয়ে ওর এই অফুরন্ত লোভ দেখে চোখ উলটোলেন। "এতকিছুর পর... কাল সন্ধে, সারারাত, আর আজকের সকাল... তুই আরও চাস? তুই এত এত... আহ্লাদি... বজ্জাত ছেলে কোথাকার।"

তিনি নিজের ব্লাউজটা হাতে নিয়ে অনায়াসে সেটা গায়ে গলালেন, শাড়িটা কাঁধের ওপর ঠিক করতে করতে বললেন, "আজ আর নয় সোনা, তোকে বললাম তো, আজ প্রচুর কাজের চাপ... হয়তো... অন্য কোনোদিন..."

তিনি পুরোপুরি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। এবার ওঁর গলার স্বর সম্পূর্ণ পালটে এক কঠোর, রুটিন-মেনে-চলা মায়ের মতো হয়ে গেল।

"এবার একদম সোজা বিছানা থেকে ওঠ। গিয়ে দাঁত মাজ, ভালো করে চান কর। একদম কোনো ঝামেলা না করে ব্রেকফাস্ট খাবি, সিম্পল ব্রেড, জ্যাম, আর ডিমসেদ্ধ... একদম ঘ্যানঘ্যান করবি না... আর বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে আমার ঘরে একবার দেখা করে যাবি, কল্লোল স্যারের মাইনেটা দিয়ে দেব, ওনাকে দিয়ে দিবি আজকে মনে করে।"

রাহুল হাসতে হাসতে বলল, "হ্যাঁ মা, আমি সব করে নেব। তুমি চিন্তা কোরো না।"

"ও আরেকটা জিনিস, বাজার!" ইন্দিরার হঠাৎ মনে পড়ল। "তুই কি ব্লিনকিট না ফ্লিনকিট কিসব বলছিলি না? ওটায় করে দিতে পারবি? আমি নিচে রান্নাঘরে গিয়ে দেখে নিই একবার কী কী লাগবে, সেইমতো লিস্ট বানিয়ে তোকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেব, ওকে? তুই একটু ওগুলো তাড়াতাড়ি অর্ডার করে দিস।"

বাধ্য সুবোধ বালকের মতো রাহুল বলল "ঠিক আছে মা, তাই হবে। করে দেব।" 

ইন্দিরা হালকা হেসে মাথা নেড়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন—এই নিবিড় পরিবেশ ছেড়ে প্রতিদিনের চেনা, একঘেয়ে রুটিনে নিজেকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। কিন্তু ঠিক যেই মুহূর্তে ওঁর হাত দরজার হ্যান্ডেলটা স্পর্শ করল, এক তীব্র, ভারী শারীরিক সত্য ওঁর মগজে আঘাত করল। কাল রাতের সেই গভীর, বাধাহীন স্তন্যপানের সময় ওঁর শরীরে যে বিক্রিয়া হয়েছিল, তার স্পষ্ট স্মৃতিটা ওঁর মনে ভেসে উঠল। তিনি থমকে দাঁড়ালেন। মুখটা এক গভীর চিন্তায় আচ্ছন্ন হলো। তিনি ঘুরে আবার রাহুলের দিকে তাকালেন।

"ওহ রাহুল," তিনি খুব স্বাভাবিক শোনানোর চেষ্টা করে বললেন, "তোর কাছে তো রুম ফ্রেশনার আছে, তাই না?"

রাহুল একটু অবাক হয়ে মাথা নাড়ল।

"ঠিক আছে। ঘরে ভালো করে একটু স্প্রে করে দিস তো," ইন্দিরা খুব শান্ত কিন্তু জোরালো গলায় বললেন, "গঙ্গা মাসি ঘর পরিষ্কার করতে ঢোকার আগে অবশ্যই করবি।" কাল রাতে বাথরুমে যাওয়ার কথা মনে পড়তেই তিনি দ্রুত যোগ করলেন, "ওহ, আর বাথরুমেও একটু স্প্রে করে দিস।"

রাহুল ঘাড় কাত করে, নিষ্পাপভাবে জিজ্ঞেস করল, "ঠিক আছে মা, কিন্তু কেন?"

ইন্দিরা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন। নিজের চোখদুটো সামান্য এদিক-ওদিক করে তিনি সত্যটাকে নিজের ভেতরেই লুকিয়ে রাখলেন। "উমম... আমি তোকে পরে বলব। তুই জাস্ট স্প্রে করে দিস, কেমন সোনা?"

তিনি ওকে শেষ এক দীর্ঘ, মায়াবী দৃষ্টি দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন এবং খুব নিঃশব্দে দরজাটা ভেজিয়ে দিলেন।
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)