Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#15

(rest of the Chapter....)

ইন্দিরার গলার স্বরটা এবার আর কোনো কড়া মায়ের নয়, বরং এক চরম অপরাধবোধে ভোগা, নরম এবং অসহায় এক নারীর। তিনি দ্রুত টেবিলের পাশ থেকে বেরিয়ে এসে রাহুলের দিকে এগিয়ে গেলেন।

"হুম... মনে হচ্ছে আজ কেউ একজন মায়ের ওপর খুব রেগে আছে..." তিনি খুব মোলায়েম, আদুরে গলায় বললেন।

রাহুল দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল, কিন্তু কিছু বলল না। ওর মুখটা এক চরম অভিমানে ফুলে আছে, ঠিক যেমন ছোটবেলায় খেলনা না পেলে করত।

ইন্দিরা এগিয়ে এসে ওর একদম সামনে দাঁড়ালেন। তিনি নিজের হাতটা বাড়িয়ে ওর অবাধ্য, রুক্ষ চুলগুলোর মধ্যে আঙুল চালিয়ে দিলেন। "ওকে বাবা... আই অ্যাম সরি। আমার একটু আগে ওভাবে তোর ওপর রাগ করাটা ঠিক হয়নি। আমি তো জানতাম না তোর ফোন সাইলেন্ট ছিল, আর তুই এতটা স্ট্রেসড ছিলি... মায়ের ওপর রাগ করে না, সোনা..."

রাহুল মাথা নিচু করে রইল। ওর ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠল।

"রাগ করব না তো কী করব?" ও মুখ নিচু করেই গজগজ করে বলল, "আমি যদি বাড়ি ফিরে তোমার ঘরে এসে বলতাম যে আমি ফিরেছি, তাহলেও তো তুমি একই কাজ করতে। তুমি বলতে... ‘ওকে, এবার নিজের ঘরে যা... আমি বড্ড বিজি...’ বা ওই জাতীয় কিছু। তুমি তো আজ আমার সাথে ভালো করে কোনো কথাই বলতে চাওনি। দুপুরের মেসেজে সেটা খুব ক্লিয়ারলি বুঝিয়ে দিয়েছ।"

ইন্দিরা ওর এই কথাগুলো শুনে এক তীব্র অপরাধবোধে কুঁকড়ে গেলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, দুপুরবেলার ওই কড়া মেসেজটা ছেলেটার মনে কতটা গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। তিনি ওর গালদুটো নিজের হাতের তালুতে তুলে ধরলেন।

"রাহুল... কাম অন... ওভাবে বলিস না সোনা..." ইন্দিরার গলায় এখন এক অদ্ভুত কাতরতা।

"আমি তো সত্যি কথাই বলছি," রাহুল চোখ তুলে তাকাল, ওর চোখে এক অদ্ভুত আর্দ্রতা। "আমি জাস্ট বুঝতে পারি না, একটুখানি আদর চাওয়াতে প্রবলেমটা কোথায় ছিল? আমি সারাটা দিন টিউশনে প্রচুর খেটেছি....আর আমার মনটা কেমন যেন করছিল, ভালো লাগছিল না পড়তে, তোমার কথা মনে পড়ছিল... আর সেই জন্যই তো আমি তোমাকে দুপুরে মেসেজটা করেছিলাম। আমি তো জাস্ট একটু মায়ের আদর চেয়েছিলাম..."

ইন্দিরার বুকের ভেতরটা যেন দুমড়ে মুচড়ে গেল। তিনি ডেসপারেট হয়ে ওকে বোঝানোর চেষ্টা করতে লাগলেন। "সোনা... প্লিজ ওভাবে বলিস না... তুই তো জানিস মা আজ কতটা ব্যস্ত রে... আমাকে আজ রাতের মধ্যে এই পেপারটা রিভিউ করে পাঠাতেই হবে সোনা... প্লিজ বোঝার চেষ্টা কর... ডোন্ট বিহেভ লাইক আ বেবি, রাহুল... প্লিজ মায়ের ওপর আর রাগ করে থাকিস না..."

রাহুল ওর সেই আর্দ্র, অভিমানী চোখদুটো মায়ের চোখের ওপর স্থির রেখে অত্যন্ত নিচু গলায় বলল, "আজকে আমি একা বসে ডিনার করেছি, মা... সম্পূর্ণ একা।"

"তুমি জানো এটা আমার কাছে কতটা কষ্টের? আজ পর্যন্ত এমন কোনোদিন হয়নি যে তুমি বাড়িতে আছো অথচ আমি একা খাচ্ছি। বাবার সামনে তুমি যখন একদম প্রফেসরের মতো গম্ভীর হয়ে থাকো, আমাকে শাসন করো, আমি তো কিছু মনে করি না। কারণ আমি জানি ওই ডিনার টেবিলটাই আমার একমাত্র শান্তি। আমি শুধু তোমার মুখোমুখি বসে অন্তত এটুকু ফিল করতে পারি যে তুমি আছো। কিন্তু আজ... আজ তুমি সেটাও কেড়ে নিলে? দুপুরে আমি শুধু একটুখানি আদর চেয়েছিলাম বলে তুমি আমাকে এভাবে শাস্তি দিলে? তুমি তো জানো আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে চিনি না... তুমি এতটা হার্শ কী করে হতে পারলে মা?"

ছেলেটার এই লম্বা, হাহাকার মাখানো কথাগুলো ইন্দিরার কানে এক তীব্র চাবুকের মতো আছড়ে পড়ল। তিনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর ভেতরের সমস্ত যুক্তি, সমস্ত কাজের প্রেশার, গঙ্গা মাসির উপস্থিতি, আর ওই লেসন শেখানোর অহংকার—সবকিছু যেন এক লহমায় অর্থহীন হয়ে গেল। এই ছেলেটা, তাঁর নিজের নাড়ি-ছেঁড়া ধন, আজ সারা দিন তাঁর একটু ছোঁয়ার জন্য, একটু আদরের জন্য চাতকের মতো বসে আছে। আর তিনি নিজের ইগো আর নিয়মের বেড়াজালে আটকে ওকে এই অসীম কষ্ট দিয়েছেন।

তিনি খুব ধীরে ধীরে রাহুলের চিবুকটা নিজের আঙুল দিয়ে আলতো করে ওপরে তুললেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি এখন এক চরম মাতৃত্বের ওমে আর এক নিষিদ্ধ প্রশ্রয়ে গলে গেছে।

"ওকে..." তিনি ফিসফিস করে বললেন, গলার স্বরটা বড্ড ভারী, "...পাঁচ মিনিট... ওকে, সোনা?"

রাহুলের সেই আর্দ্র, অভিমানী চোখদুটো মুহূর্তের মধ্যে এক অলৌকিক আলোয় ঝলমল করে উঠল। ওর ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক অবিশ্বাসের হাসি।

"হ্যাঁ সোনা..." ইন্দিরা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "কিন্তু জাস্ট পাঁচ মিনিট। গঙ্গা মাসি এই বাড়িতেই আছে... আর আমাকে সত্যি সত্যি কাজে ফিরতে হবে।"

রাহুলের বুকের ভেতরটা তখন তীব্র উত্তেজনায় কাঁপছে। ও তোতলামির সুরে বলে উঠল, "ও... ও... ওকে মা... তা... তাহলে... আমার ঘরে?"

ইন্দিরা একটু অবাক হয়ে মাথা নাড়লেন। "না না, শুধু শুধু তোর ঘরে কেন যাব? আমরা তো দুজনেই এই ঘরে আছি, তাই না?" তিনি ঘুরে দাঁড়িয়ে ধীর পায়ে নিজের ঘরের বিশালাকায় নরম বিছানাটার দিকে পা বাড়ালেন।

রাহুল দরজার কাছে এক মুহূর্তের জন্য যেন জমে গেল।

ইন্দিরা বিছানায় গিয়ে আরাম করে বসলেন। তারপর রাহুলের দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত, অথচ এক অদ্ভুত উত্তেজনায় মাখানো গলায় বললেন, "সোনা... দরজাটা একটু ভেজিয়ে দিবি প্লিজ?"

রাহুল যন্ত্রচালিতের মতো ঘুরে দরজাটা ভেজিয়ে দিল।

"ইউ নো হোয়াট?" ইন্দিরার গলার স্বর এবার ফিসফিসানিতে নেমে এল, "ওটা লক করে দে। ছিটকিনিটা তুলে দে।"


৯.৪. ইন্দিরার স্নেহপ্রপাত

রাহুলের হৃৎপিণ্ডটা এক লাফে গলার কাছে উঠে এল। ও কাঁপা হাতে দরজার ছিটকিনিটা তুলে দিল। 'খট' করে একটা ছোট্ট ধাতব শব্দ হলো। আর সেই শব্দের সাথেই যেন বাইরের পৃথিবীর সমস্ত নিয়মকানুন এই ঘরের বাইরে চিরকালের জন্য তালাবন্ধ হয়ে গেল।

স্টাডি রুমের ওই নিভৃত পরিবেশটা এখন এক অদ্ভুত, দমবন্ধ করা রোমাঞ্চে ভারী হয়ে উঠেছে। বইয়ের তাকগুলোর ছায়া, টেবিল ল্যাম্পের হলুদ আলো, আর জানলার ফাঁক দিয়ে আসা রাতের কলকাতার নিস্তব্ধতা—সব মিলিয়ে এক মায়াবী আবহ তৈরি করেছে।

ইন্দিরা বিছানার ওপর একটু হেলান দিয়ে শুয়ে পড়লেন। তাঁর চোখদুটো এখন এক চরম আহ্বান আর ভালোবাসায় চকচক করছে।

"আয় এবার এদিকে, সোনা," তিনি দুই হাত প্রসারিত করে ডাকলেন, "অনেকক্ষণ ধরে আমার ছেলেটা একটা স্যাড বাচ্চার মতো মুখ করে আছে। তুই তো জানিস, আমার বাবুটার মুখ ভার থাকলে মায়ের বুকের ভেতরটা কেমন ফেটে যায়, তাই না? আয় এবার... জাস্ট পাঁচ মিনিট কিন্তু... আয় মায়ের কাছে।"

রাহুল আর এক মুহূর্তও দাঁড়াল না। ও এগিয়ে গিয়ে বিছানায় উঠল এবং সোজা ইন্দিরার গায়ের ওপর গিয়ে পড়ল। ইন্দিরা দুই হাত দিয়ে ওকে পরম আশ্লেষে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরলেন।

"উমম... আমার সোনা... আমার মিষ্টি বাচ্চাটা..." ইন্দিরা একনাগাড়ে ওকে আদর করতে লাগলেন, ওঁর ঠোঁটদুটো রাহুলের কপালে, চুলে, গালে পরপর অজস্র চুমু খেতে লাগল। "মা তোকে বড্ড ভালোবাসে রে... বড্ড ভালোবাসে... মায়ের ওপর আর রাগ নেই তো? আমার লক্ষ্মী সোনা... আমার অভিমানী বাবু..."

রাহুল ওঁর কাঁধের কাছে মুখ গুঁজে এক বুক গভীর শ্বাস নিল, তারপর মুখটা সামান্য তুলে মায়ের গালে, থুতনিতে পাগলের মতো চুমু খেতে লাগল। ওরা দুজন একে অপরকে এতটাই শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিল যে মনে হচ্ছিল ওদের দুজনের শরীরের মাঝে এক চুলও ফাঁকা জায়গা নেই।

কয়েক মিনিটের এই তীব্র, রুদ্ধশ্বাস আলিঙ্গনের পর রাহুল একটু মুখ তুলল। ওর চোখে তখন এক অবাধ্য তৃষ্ণা।

"মা..." ও ফিসফিস করে বলল, "আমি তোমাকে সারাটা দিন বড্ড মিস করেছি।"

ইন্দিরা ওর এই ঘোর লাগা চোখের দিকে তাকিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠলেন। "তুই জাস্ট হোপলেস, রাহুল..."

"মা..." রাহুলের গলার স্বর এবার একটু কেঁপে উঠল, ও আঙুল দিয়ে ইন্দিরার ব্লাউজের ওপরের দিকে একটু টান দিল। "চলো না... কালকের মতো... একটু স্কিন-টু-স্কিন করি?"

ইন্দিরা ভুরু কুঁচকে একটু অবাক হলেন। "কী? স্কিন-টু-স্কিন? মানে?"

রাহুল একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেল। ও আঙুল দিয়ে ব্লাউজের কাপড়টা সামান্য ছুঁয়ে, তোতলামির সুরে আর বড্ড নিষ্পাপ গলায় বোঝানোর চেষ্টা করল, "মানে... ওই যে... কাল রাতের মতো... তোমার স্কিনের সাথে... আমার স্কিন... মানে তুমি ব্লাউজটা একটু... ইয়ে করবে?"

ইন্দিরার চোখদুটো মুহূর্তের মধ্যে বড় বড় হয়ে গেল। তিনি দ্রুত রাহুলের হাতটা সরিয়ে দিলেন। "না না সোনা... একদম না... প্লিজ... আমি তোকে বললাম না, আমাকে কাজে ফিরতে হবে... আর গঙ্গা মাসির আমাকে দরকার পড়তে পারে, কখন যে দুম করে চলে এসে দরজায় নক করবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।"

"মা, প্লিজ... খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে..." রাহুল অনুনয় করতে লাগল।

"না সোনা... আমি তোকে বললাম তো... এখন না... প্লিজ মায়ের কথা শোন, সোনা।" ইন্দিরার গলায় এখন এক তীব্র স্নায়বিক চাপ।

রাহুল বুঝল যে মা এখন কিছুতেই রাজি হবে না। ওর চোখদুটো হঠাৎ একটু নরম হয়ে এল। রাহুলের মনে পড়ে গেল মায়ের শরীরের সেই বিশেষ জায়গাটার কথা, যা কাল রাতের পর থেকে ওর কাছে বড্ড প্রিয় আর আপন হয়ে উঠেছে।

"মা... তাহলে... তাহলে অন্তত আমাকে ওই তিলটা একবার দেখতে দেবে?" ও একদম বাচ্চাদের মতো করে আবদার করল।

ইন্দিরা চরম বিস্ময়ে আর লজ্জায় হতবাক হয়ে গেলেন। "সোনা... তুই এসব কী বলছিস..."

"প্লিজ মা... আমার ওই তিলটা বড্ড ভালো লাগে..." রাহুল এক ঘোরের মধ্যে বলতে লাগল।

"কিন্তু রাহুল, আমি তোকে বললাম না আমি এখন ব্লাউজ খুলতে পারব না!"

"মা... কাল তো বাবা ফিরে আসবে..." রাহুলের গলার স্বরে এক তীব্র হাহাকার, "ভগবান জানেন এরপর কবে আমি আবার এই চান্স পাব... আমি শুধু তোমার ওই সুন্দর তিলটা একবার দেখতে চাই মা... প্লিজ... জাস্ট একটা চুমু খাব ওখানটায়... প্লিজ মা।"

ছেলের এই ডেসপারেট, করুণ আর্তি শুনে ইন্দিরার ভেতরের শেষ প্রতিরক্ষার দেওয়ালটাও ভেঙে পড়ল। তিনি একটা দীর্ঘ, পরাস্ত শ্বাস ফেললেন।

"সোনা... আমি... আমি তো..." তিনি বিড়বিড় করে বললেন, হাতদুটো তাঁর ব্লাউজের ওপরের বোতামের দিকে চলে গেল। "দেখ, আমি কিন্তু শুধু ওপরের একটুখানি খুলে দিতে পারি... পুরোপুরি খোলা যাবে না কিন্তু। আমি জাস্ট এইটুকু করতে পারি তোর জন্য, নাহলে বড্ড রিস্কি হয়ে যাবে। গঙ্গা মাসি যদি হঠাৎ নক করে, আমি অত তাড়াতাড়ি আবার সব পরে পুরো রেডি হতে পারব না সোনা... বুঝলি?"

রাহুল মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে রইল, ওর নিশ্বাস ভারী হয়ে এসেছে। ইন্দিরা ওর চোখের এই আকুলতা দেখে আর নিজেকে আটকাতে পারলেন না। তিনি খুব দ্রুত, কাঁপা হাতে ব্লাউজের ওপরের কয়েকটা বোতাম খুলে ফেললেন। তারপর ব্লাউজের কাপড়টা কাঁধ থেকে সামান্য একটু নিচের দিকে নামিয়ে দিলেন। তাঁর ফর্সা, মসৃণ ত্বকটা টেবিল ল্যাম্পের আলোয় ঝলমল করে উঠল। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত তিলটা তখনও তাঁর ব্রায়ের ফিতের ঠিক নিচে ঢাকা পড়ে আছে।

তিনি নিজেই খুব সাবধানে, পরম মমতায় নিজের ব্রায়ের সেই ফিতেটা ধরে একটু বাঁ দিকে সরিয়ে দিলেন।

আর অমনি, ফর্সা ত্বকের ওপর সেই গোল, চকচকে তিলটা রাহুলের চোখের সামনে উন্মুক্ত হয়ে গেল।

"ওই যে... সোনা..." ইন্দিরা চোখ বন্ধ করে ফিসফিস করে উঠলেন, ওঁর গলাটা এক অদ্ভুত মাতৃত্বের গভীরতায় আর প্রশ্রয়ে ভারী হয়ে এসেছে, "এই তো... দেখতে পেয়েছিস? এবার খুশি তো তুই?"

রাহুলের শ্বাস তখন প্রায় আটকে আসার জোগাড়। ও মন্ত্রমুগ্ধের মতো ফিসফিস করে বলল, "ওহ মা... হ্যাঁ... আমি বড্ড খুশি... থ্যাঙ্ক ইউ মা... থ্যাঙ্ক ইউ..."

কথাটা শেষ করেই রাহুল ওর মুখটা সোজা নামিয়ে নিয়ে গেল ওই তিলটার ওপর। ওর উষ্ণ, আর্দ্র ঠোঁটদুটো ওই ফর্সা ত্বকের ওপর, ঠিক তিলটার মাঝখানে এক গভীর, দীর্ঘস্থায়ী চুমু এঁকে দিল।

রাহুলের ঠোঁটের সেই তীব্র, উষ্ণ স্পর্শ লাগতেই ইন্দিরার মুখ থেকে এক অস্ফুট শব্দ ছিটকে বেরোলো।

"আহ্... হ্যাঁ সোনা... ঠিক ওখানটায়..." তিনি নিজের হাতদুটো রাহুলের মাথার পেছনে শক্ত করে চেপে ধরলেন, তাঁর আঙুলগুলো রাহুলের চুলের গভীরে ঢুকে গেল। "এই তো... মা এখানেই আছে... আমার বেচারা সোনাটা... সারাটা দিন এত খেটেছে শুধু মায়ের কাছ থেকে একটু আদর পাওয়ার জন্য... কর সোনা, আদর কর মাকে..."

রাহুল পরম আবেশে মায়ের ত্বকে ঠোঁট ঘষতে ঘষতে অস্ফুট স্বরে বলল, "উমম... মা... তোমার গায়ের গন্ধটা এত সুন্দর... আমার সারা জীবনের জন্য এখানেই থেকে যেতে ইচ্ছে করছে..."

ইন্দিরা ওর মাথাটা নিজের বুকের ওপর আরও শক্ত করে চেপে ধরলেন। তাঁর চোখদুটো টেবিল ল্যাম্পের আলো পেরিয়ে ঘরের সামনের দেওয়ালটার ওপর গিয়ে স্থির হলো। সেখানে একটা পুরোনো, বাঁধানো ফ্যামিলি ফটো টাঙানো আছে। ছবিতে সুব্রত দাঁড়িয়ে আছেন, আর ইন্দিরার কোলে বছর পাঁচেকের ছোট্ট একটা রাহুল, যে মায়ের শাড়ির আঁচলটা মুঠো করে ধরে খিলখিল করে হাসছে। ছবিটার দিকে তাকিয়ে ইন্দিরার বুকের ভেতরটা এক অবর্ণনীয় মাতৃত্বের জোয়ারে উথলে উঠল। এই যে এত বড়, চওড়া কাঁধের একটা যুবক আজ তাঁর বুকের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে এত আকুল হয়ে আদর চাইছে—এ তো সেই একই ছোট্ট ছেলেটা! সমাজ একে যাই বলুক, ইন্দিরার কাছে এ কেবলই তাঁর নিজের নাড়ি-ছেঁড়া ধন, যে একটুখানি আশ্রয়ের জন্য মায়ের গায়ের ওম খুঁজছে।

"আমার পাগল ছেলেটা," ইন্দিরা ফিসফিস করে বললেন, তাঁর চোখদুটো জলে চিকচিক করে উঠল, "তুই এত বড় হয়ে গেছিস... কিন্তু মায়ের কাছে তুই সেই ছোট্টটিই আছিস, রাহুল। তোর যখনই মাকে দরকার হবে... তুই ঠিক এভাবেই মায়ের কাছে ছুটে আসবি, কেমন?"

"আমি তোমাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, মা," রাহুল ওঁর গলার কাছে ফিসফিস করে বলল।

তারপর, এক চরম ঘোরের মাথায়, রাহুল হঠাৎ ওর জিভের ডগাটা বের করে ওই তিলটার ওপর খুব আলতো করে ছুঁইয়ে দিল।

এই সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত, ভিজে স্পর্শটা লাগতেই ইন্দিরার সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে উঠল। এক তীব্র শিহরণ ওঁর মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে গেল। তিনি এক ঝটকায় রাহুলের মাথাটা সামান্য দূরে সরিয়ে দিলেন।

"আআআহহহ!! উফ্ রাহুল! কী করছিস কী তুই!" তিনি চোখ পাকিয়ে শাসনের সুরে বলে উঠলেন, যদিও তাঁর গালদুটো লজ্জায় টকটকে লাল। "কী করলি এক্ষুনি ওটা? বল?"

রাহুল একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেল। ও মুখটা নিচু করে অত্যন্ত করুণ গলায় বলল, "সরি মা... আমি বুঝতে পারিনি... আসলে...মানে... কালকের পর থেকে.... এই তিলটা আমার এত ভালো লেগেছে যে... আমি জাস্ট আটকাতে পারলাম না নিজেকে মা। সরি, ভেরি সরি মা... আর করব না।"

ছেলের এই করুণ, লজ্জিত মুখটা দেখে ইন্দিরা একটু চুপ করে রইলেন। তিনি ওর কপালে হাত বুলিয়ে অত্যন্ত শান্ত, মাতৃসুলভ গলায় বললেন, "সোনা, মা তোকে বকছে না... কিন্তু তুই তো জানিস এটা ঠিক স্বাভাবিক নয়। কাল রাতের ব্যাপারটা.... ওটা একটা অন্য ব্যাপার ছিল... কিন্তু তুই বারবার এরকম করলে মায়েরও তো অস্বস্তি হয় রে... তুই এত বড় ছেলে, তুই তো বুঝবি বিষয়গুলো, তাই না?"

রাহুল চোখ নিচু করেই বলল, "আমি জানি মা... কিন্তু আমি সত্যিই আটকাতে পারিনি। তোমার ওই জায়গাটা... বড্ড ভালো লাগে আমার..."

ছেলের এই সহজ কথা শুনে ইন্দিরার ভেতরের প্রতিরক্ষার শেষ দেওয়ালটুকুও ধসে পড়ল। তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওর চিবুকটা ধরে আবার ওপরে তুললেন। তাঁর চোখে এখন এক অদ্ভুত নরম, প্রশ্রয়ে ভরা আলো।

"পাগল ছেলে," তিনি অত্যন্ত নিচু, মায়াবী গলায় ফিসফিস করে বললেন, "আসলে ওখানটায় বড্ড সুড়সুড়ি লাগে রে... তুই যদি ওভাবে করতে চাস... সেটা তাহলে মাকে একটু আগে থেকে বলে দিতে পারতিস তো..."

রাহুল অবিশ্বাসে চোখ বড় বড় করে তাকাল। তারপর ওর মুখে ফুটে উঠল এক চরম তৃপ্তির হাসি।

ও একটু আমতা আমতা করে, বেশ তোতলামির সুরে জিজ্ঞেস করল, "মা... তা... তাহলে... আমি কি... মানে, আমি কি একটু..."

ইন্দিরা ওর এই ঘাবড়ে যাওয়া চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলেন ছেলে ঠিক কী চাইছে। তাঁর বুকের ভেতরটা এক অদ্ভুত লজ্জায় আর আদরে কেঁপে উঠল। "কী রে? কী বলবি স্পষ্ট করে বল না।"

"আমি কি তোমার ওই তিলটায় একটু... একটু চাটতে পারি, মা?" রাহুলের গলার স্বরে এক চরম আকুতি, যেন সে পৃথিবীর সবচেয়ে মহামূল্যবান কোনো জিনিসের অনুমতি চাইছে।

ছেলের এই চরম অবাধ্য অথচ নিষ্পাপ আবদারে ইন্দিরার ফর্সা গালদুটো মুহূর্তের মধ্যে লজ্জায় টকটকে লাল হয়ে উঠল। তিনি আর মুখে কোনো কথা বলতে পারলেন না, কেবল একটা মিষ্টি, লাজুক হাসি ঠোঁটের কোণে ফুটিয়ে খুব আলতো করে মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন।

ও আবার মুখটা নামিয়ে নিয়ে গেল ওই তিলটার ওপর। আর এবার অত্যন্ত ধীর, নরম আর সাবলীলভাবে ওর জিভটা ওই ফর্সা ত্বকের ওপর খেলা করতে লাগল।

রাহুলের ভিজে, উষ্ণ জিভের সেই ধীর এবং ছন্দোবদ্ধ স্পর্শে ইন্দিরার চোখদুটো আপনা থেকেই বুজে এল। ঘরের স্তব্ধতাকে ছাপিয়ে তাঁর গলা দিয়ে বেরিয়ে এল এক অস্ফুট, দীর্ঘ তৃপ্তির শব্দ— "উমমম... আহ্... হ্যাঁ সোনা...আহ্হ... হিহি... কাতুকুতু লাগছে রে... একটু আস্তে... না না... থামতে হবে না... তুই করতে থাক... আহঃ... উমম..." তাঁর ফর্সা আঙুলগুলো রাহুলের মাথার চুলে আরও একটু নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেল, যেন তাকে নিজের বুকের ওমের আরও গভীরে টেনে নিতে চাইছেন।

"কী আদর খেতে ভালোবাসে আমার ছেলেটা..." ইন্দিরা ঘোরের ঘোরে ফিসফিস করে বলতে লাগলেন, তাঁর উষ্ণ শ্বাস রাহুলের চুলে আছড়ে পড়ছিল। "একটা আঠারো বছরের ধেড়ে ছেলে মায়ের তিল নিয়ে এমন পাগলামি করছে, কেউ দেখলে হাসতে হাসতে মরে যাবে রে বাঁদর..." তিনি একাধারে হাসছিলেন আবার জিভের ওই নরম, সুড়সুড়ি মাখানো স্পর্শে তাঁর শরীর মাঝে মাঝেই সামান্য কেঁপে উঠছিল। "উফ্, তুই তো একদম বিড়ালছানার মতো চাটতে শুরু করলি রে....আহ্হ্হ....উহুহু..." তিনি খিলখিল করে হেসে উঠেও ওকে সরিয়ে দিলেন না। বরং এক অদ্ভুত, আদিম মাতৃত্বের প্রশ্রয়ে ফিসফিস করলেন, "তোর এই নেকামো আর আবদারের কাছে আমি সত্যিই হেরে যাই সোনা। কোথায় একটু বড় হবি, তা নয়, দিন দিন আরও কচি খোকা হয়ে যাচ্ছিস! নে, আদর খা... বড্ড তো অভিমান হয়েছিল মায়ের ওপর... " এক চরম প্রশ্রয়ে তিনি ওই পাঁচটা মিনিট নিজেকে সম্পূর্ণ সমর্পণ করে দিলেন।

পাঁচ মিনিট পর।

রাহুল অবশেষে মুখটা তুলল। ওর চোখেমুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি, এক চরম তৃপ্তির হাসি।

ইন্দিরা ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে একটু হেসে জিজ্ঞেস করলেন, "কী রে? মা তোকে ভালো করে আদর দিল তো, সোনা? নাকি এখনও মায়ের ওপর অভিমান করে আছিস?"

রাহুল একগাল হেসে মাথা নাড়ল। "না মা, আর কোনো অভিমান নেই। আমার জন্য এটা করলে, তার জন্য থ্যাঙ্ক ইউ।"

তারা দুজনে বিছানায় একে অপরের মুখোমুখি শুয়ে রইল। মুখদুটো বড্ড কাছাকাছি, এতটাই কাছে যে রাহুলের নিঃশ্বাস ইন্দিরার ফর্সা ত্বকে এসে পড়ছিল। রাহুল এর আগে কোনোদিন মায়ের মুখ এত কাছ থেকে দেখেনি, কাল রাতেও না। টেবিল ল্যাম্পের নরম হলুদ আলোয় ইন্দিরার মুখের প্রতিটি ইঞ্চি যেন এক নিখুঁত শিল্পের মতো ফুটে উঠেছে। তাঁর টানা টানা চোখ, ঘন চোখের পাতা, তীক্ষ্ণ নাক, আর ফর্সা গালে বয়সের এক অদ্ভুত, প্রাজ্ঞ লাবণ্য—সবকিছু মিলিয়ে তাঁকে এক অপার্থিব সৌন্দর্যের অধিকারিণী মনে হচ্ছিল।

রাহুল মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, "মা... তোমাকে এত কাছ থেকে দেখতে যে কতটা সুন্দর লাগে... তুমি জাস্ট ভাবতেও পারবে না।"

ইন্দিরা ওর কথায় একটু হেসে, ভ্রু তুলে বললেন, "উফ্, আবার? তুই তো আজ সকালেই এই একই কথা বলছিলি! তোর কি কোনো নতুন ডায়লগ নেই?"

রাহুল একটুও না দমে হাসল। "সকালে বলেছি বলে কি এখন আর বলতে পারব না? আমি তো আর বানিয়ে কিছু বলছি না। যা চোখের সামনে দেখছি, যেটা ফ্যাক্ট, সেটাই বলছি। তুমি সত্যিই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মা।"

"হয়েছে, হয়েছে," ইন্দিরা হাসতে হাসতে ওর গালে আলতো করে একটা চিমটি কাটলেন। "বড্ড পাকা কথা শিখেছিস!"

রাহুল একটু এগিয়ে গিয়ে মায়ের মুখের আরও কাছে এল। ওর চোখদুটো ভালোবাসায় চকচক করছে। "ওহ মা... আই জাস্ট... লাভ ইউ... লাভ ইউ... লাভ ইউ..."

কথাটা বলতে বলতেই রাহুল ওঁর মুখের ওপর আদরের বন্যা বইয়ে দিল। সে পরম মমতায় ওঁর কপালে, গালে, থুতনিতে, কানের লতিতে, নাকে, এমনকি ওঁর বন্ধ করা চোখের পাতার ওপর দ্রুত, উষ্ণ চুমু খেতে শুরু করল।

"উফ্... রাহুল! কী করছিস... আহ্... সুড়সুড়ি লাগছে... হিহি..." ইন্দিরা ওর এই পাগলাটে, এলোমেলো আদরে খিলখিল করে হাসতে লাগলেন। ওঁর গালদুটো লজ্জায় আর আনন্দে লাল হয়ে উঠল। "ছাড় সোনা... বড্ড কাতুকুতু লাগছে... উফ্ তোর যে কী হয় না মাঝে মাঝে...পাগল কোথাকার!"

রাহুল থামল না। ওর চুমুর তীব্রতা আর গভীরতা যেন আরও বাড়তে লাগল। পুরো মুখটায় অজস্র চুমু খাওয়ার পর, শুধু একটা জায়গাই বাকি রইল।

ওঁর নরম, গোলাপি ঠোঁটজোড়া।

রাহুল হঠাৎ থেমে গেল। সে একটু ঝুঁকে এল, তারপর আবার একটু ইতস্তত করে থামল। সে কিছু বলল না, কিন্তু ওর গভীর, ঘোর-লাগা চোখদুটো ইন্দিরার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে নীরব অনুমতি চাইছিল।

ইন্দিরার চোখের দৃষ্টি ওর চোখের সাথে মিলল। তিনি বুঝতে পারলেন ছেলে কী চাইছে। মুহূর্তের মধ্যে তাঁর ফর্সা মুখটা লজ্জায় টকটকে লাল হয়ে গেল। তিনি বড্ড লাজুক আর কাঁপা গলায় ফিসফিস করে উঠলেন, "না... ওখানে নয়..."

রাহুল চোখদুটো দিয়ে মিনতি করতে করতে অত্যন্ত নিচু, ফিসফিস করা গলায় জিজ্ঞেস করল, "কেন নয়, মা?"

ইন্দিরা নিজের চোখদুটো সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন, গলার স্বরটা বড্ড মিইয়ে আসা, অস্ফুট শোনাল, "না... ছেলেরা... মাকে ওখানে চুমু খায় না..."

রাহুল একদৃষ্টে ওঁর দিকে তাকিয়ে রইল, ওর চোখের সেই আর্তি যেন সমস্ত নিয়ম ভাঙতে চাইছে। ওর ঠোঁটদুটো শুধু ফিসফিস করে উচ্চারণ করল, "মা... প্লিজ?"

ইন্দিরার বুকের ভেতরটা এক অদ্ভুত, নিষিদ্ধ রোমাঞ্চে আর অসীম স্নেহে তোলপাড় হয়ে গেল। লজ্জায় তাঁর পুরো মুখটা আর গলা লাল হয়ে উঠেছে। তিনি অত্যন্ত নরম, কাঁপা স্বরে বললেন, "মায়ের লজ্জা করছে, সোনা..."

রাহুল এবার ওর সেই মোক্ষম অস্ত্রটা প্রয়োগ করল—ঠোঁট ফুলিয়ে একদম ছোট বাচ্চার মতো একটা অভিমানী, 'পাউট' ফেস করল।

ছেলের এই নিষ্পাপ, আদুরে মুখটা দেখে ইন্দিরা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি ওর দিকে তাকালেন, তারপর খুব ধীরে ধীরে, লাজুকভাবে সামান্য একটু উঠে এসে নিজের নরম ঠোঁটদুটো রাহুলের ঠোঁটের ওপর আলতো করে ছুঁইয়ে দিলেন।

জাস্ট একটা নরম, স্নেহের পরশ।

চুমুটা খাওয়ার পরমুহূর্তেই ইন্দিরা লজ্জায় নিজের দুই হাত দিয়ে মুখটা ঢেকে ফেললেন। তাঁর ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে একটা লাজুক হাসি ছিটকে বেরোল, আর তিনি মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিলেন।

রাহুল এক তীব্র, রুদ্ধশ্বাস আনন্দে মাকে দুই হাত দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ও ওঁর ঘাড়ে মুখ গুঁজে বারবার বলতে লাগল, "আই লাভ ইউ মা... আই লাভ ইউ সো মাচ..."

ইন্দিরাও হাসতে হাসতে ওকে জড়িয়ে ধরলেন।

তারপর, কয়েক মুহূর্তের এই স্বর্গীয় আদরের পর, ইন্দিরা আস্তে আস্তে নিজেকে একটু ছাড়িয়ে নিলেন। "এবার ওঠ সোনা... আমাকে সত্যিই কাজগুলো শেষ করতে হবে।"

তিনি দ্রুত উঠে বসলেন। তাঁর ফর্সা গালদুটো তখন লজ্জায় আর উত্তেজনায় টকটকে লাল। তিনি খুব তাড়াহুড়ো করে নিজের ব্রায়ের ফিতেটা ঠিক জায়গায় বসালেন, তারপর ব্লাউজটা কাঁধের ওপর তুলে বোতামগুলো আটকে নিলেন। তাঁর আঙুলগুলো তখনও সামান্য কাঁপছে। শাড়িটা ঠিক করে নিয়ে তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

রাহুল ওর দিকে তাকিয়ে একটা শেষ, তৃপ্তিকর আলিঙ্গন করল।

ইন্দিরা ওর গালে একটা আলতো চিমটি কেটে হাসলেন, "আমার পাগল, বোকা ছেলে একটা... যা এবার... মাকে কাজ শেষ করতে দে।"

রাহুল খাট থেকে নেমে দরজার দিকে পা বাড়াল। কিন্তু হঠাৎ কী মনে করে ও দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে মায়ের দিকে তাকাল। ওর মুখে এক অদ্ভুত, নাটকীয় গাম্ভীর্য।

"মা... কাল তো বাবা ফিরে আসবে," রাহুল একটু থমকে বলল, "তার মানে... আবার সেই আগের মতো?"

ইন্দিরা চোখ উলটে এক চরম বিরক্তির ভান করলেন। "উফ্ সোনা, তুই এত ড্রামা করতে পারিস না! যা হবে দেখা যাবে, ওসব মাথা থেকে বাদ দে। এখন যা... গুডনাইট।"

রাহুল হাসতে হাসতে বলল, "গুডনাইট মা।" তারপর ও দরজাটা খুলে বেরিয়ে গেল।

দরজাটা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই স্টাডি রুমটা আবার সেই আদিম নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল। ইন্দিরা সেন একা বসে রইলেন সেই বিছানায়, তাঁর বুকটা তখনও সামান্য দ্রুত ওঠানামা করছে। টেবিল ল্যাম্পের আলোয় তাঁর ছায়াটা দেওয়ালে দীর্ঘ হয়ে পড়েছে। তিনি মনে মনে ভাবলেন, হয়তো এই পাঁচটা মিনিট ছিল তাঁদের এই রূপকথার শেষ অধ্যায়। কাল দুপুর গড়াতে না গড়াতেই সুব্রত ফিরে আসবে এই বাড়িতে। আর সুব্রতর সেই ভারী জুতোর শব্দ, তার স্যুটকেসের চাকার আওয়াজ এই বাড়ির প্রতিটি কোণা থেকে এই দুদিনের গোপন, নিষিদ্ধ আর অলৌকিক স্মৃতিগুলোকে মুছে ফেলবে। ডক্টর ইন্দিরা সেনকে আবার পরতে হবে তাঁর সেই নিখুঁত, প্রাজ্ঞ আর গাম্ভীর্যপূর্ণ স্ত্রীর মুখোশ। কিন্তু তিনি এও জানেন, তাঁর ব্লাউজের নিচে ঢাকা পড়া ওই ছোট্ট কালো তিলটার ওপর রাহুলের ঠোঁটের আর জিভের সেই আর্দ্র, উষ্ণ স্মৃতিটা কোনোদিনও মুছবে না। আর ঠিক একটু আগের ওই নিষিদ্ধ, লাজুক চুম্বন... ওটা একটা অলিখিত চুক্তির মতো তাঁর শরীরের গভীরে আজীবন স্পন্দিত হতে থাকবে।
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)