Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#19

(...continuation of Chapter 11)

১১.৩. নগ্নতার মুখোমুখি এবং এক স্বর্গীয় অভয়


রাহুল ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।

আর ঠিক সেই মুহূর্তে, বাথরুমের ভিতরের পরিবেশটা এক গভীর ও নিবিড় নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল। রাহুল ওর উনিশ বছরের জীবনে এই প্রথমবার, সম্পূর্ণ, তীব্র এবং তীক্ষ্ণ সজ্ঞানে ওর মাকে পুরোপুরি উলঙ্গ অবস্থায় দেখল। ওর চোখদুটো স্থির, পলক পড়ছে না। ইন্দিরার সেই ফর্সা, নিটোল, এবং মাতৃসুলভ শরীরটা ওর সামনে এক আদিম, অপার্থিব মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে।

ধ্রুপদী রোম্যান্টিক সাহিত্যের কোনো নিখুঁত ভাস্কর্যের মতোই অপরূপ সেই পরিপুষ্ট অবয়ব। তাঁর মসৃণ, ফর্সা কাঁধের রেখাটা এক অপরূপ লালিত্যে নেমে এসেছে দুপাশের বাহুমূলে। সেই উন্মুক্ত পূর্ণ বক্ষপট যেন একই সঙ্গে মাতৃত্বের পবিত্রতা এবং নারীত্বের পূর্ণতাকে ধারণ করে আছে; তাঁর সুডৌল, ভারী ও নিটোল স্তনযুগল, যার চূড়ায় ফুটে থাকা গাঢ় বাদামি বৃন্ত দুটি যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা নিপুণ নিখুঁত বিন্দুর মতো। তার ঠিক নিচেই এক মসৃণ, পেলব প্রান্তর নেমে গেছে মাংসল কোমরের দিকে, যেখানে নাভির গভীরতা এক স্নিগ্ধ রহস্যের সৃষ্টি করেছে। কোমর থেকে দুপাশের নিতম্বের গভীর ও সুডৌল বিস্তার এক মোহময় বক্ররেখায় নেমে এসেছে নিচে, আর তার ঠিক মধ্যবর্তী এক গোপন, ছায়াঘেরা উপত্যকা—যেখানে ঊরুমূলের কাছে হালকা রোমের এক কোমল ও নিবিড় আস্তরণ এই আদিমতম, পবিত্রতম নারীত্বকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। তাঁর ভারী উরুর মসৃণতা থেকে শুরু করে পায়ের পাতা পর্যন্ত সম্পূর্ণ শরীরটি এক অনবদ্য, স্বর্গীয় সুষমায় ভাস্বর হয়ে উঠেছে।

ইন্দিরা রাহুলের এই একদৃষ্টে, ঘোরের মতো তাকিয়ে থাকা দেখে সম্পূর্ণ থমকে গেলেন। তাঁর গালদুটো এক গাঢ় ক্রিমসন রঙে রেঙে উঠল। শ্বাসটা বুকের ভেতর আটকে গেল। তাঁর হাত দুটো অবচেতনভাবেই এক আড়াল খোঁজার চেষ্টায় সচল হয়ে উঠল; একটি হাত চেপে বসল তাঁর অনাবৃত বুকের ওপর, আর অন্য হাতটি নেমে গেল নিম্নাঙ্গের সম্পূর্ণ অনাবৃত, গোপন সেই অবয়বটুকুকে ঢাকতে। কিন্তু পরক্ষণেই এক অমোঘ আত্মসমর্পণে তিনি নিজেকে সামলে নিলেন, হাত দুটো আলগা করে নামিয়ে নিলেন পাশে। তিনি একটু গলা খাঁকারি দিয়ে, কোনোমতে নিজের গলার স্বরটাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে বললেন:

"ওভাবে কাঠের পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে থাকিস না। তোর শর্টসটা খোল, খুলে ওই বাস্কেটটার মধ্যে ফেলে দে। এবার স্নান করতে হবে তো..."

রাহুল যেন কোনো এক ঘোর থেকে জেগে উঠল। ও মন্ত্রমুগ্ধের মতো মাথা নেড়ে, খুব ধীরে ধীরে নিজের কালো শর্টসটা কোমর থেকে নামিয়ে পাশে থাকা লন্ড্রি বাস্কেটটায় রেখে দিল।

এখন ওরা দুজনেই সম্পূর্ণ নগ্ন।

ইন্দিরার শরীরের ভেতর দিয়ে এক অজানা ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। তিনি চোখ তুলে রাহুলের ওই সম্পূর্ণ নগ্ন, পুরুষালি শরীরের দিকে তাকালেন। ওর ওই মেদহীন, পেশিবহুল শরীরের দিকে তাকিয়ে তাঁর নিজের ভেতরে এক চরম, গভীর মাতৃত্বের আর নারীত্বের স্ফুরণ ঘটল। তিনি আবার একটু গলা খাঁকারি দিয়ে, নিজের একটা কাঁপতে থাকা হাত রাহুলের দিকে বাড়িয়ে দিলেন।

"আয়... আমার কাছে আয়।"

রাহুল এক পা এগিয়েও থমকে গেল। ওর গলার স্বর একদম তোতলাতে তোতলাতে, অসহায়ভাবে বেরোলো: "মা... আমি... এবার যে আমার বড্ড নার্ভাস লাগছে..."

ইন্দিরার ভেতরের লজ্জা, আড়ষ্টতা অনেকাংশে মুছে গেল; বরং তাঁর মনের গভীরে এক স্নেহের ও ভালোবাসার জোয়ার বয়ে গেল—তাঁর বাবুসোনাটার বড্ড অস্বস্তি হচ্ছে, লজ্জা পাচ্ছে ছেলেটা; মা হয়ে তাঁকেই তো সামলাতে হবে। ইন্দিরার মুখে ফুটে উঠল এক বাঁধভাঙা মাতৃত্বের ওম। তিনি নিজের বাড়ানো হাতটা ওভাবেই রাখলেন, আর তাঁর নরম মধুমাখা কণ্ঠে বলে উঠলেন:

"ইটস ওকে... সোনা, ভয় পাস না। এটা তো আমি। আর তো কেউ নেই এখানে, জাস্ট আমরা দুজন... আয় আমার কাছে। প্লিজ।"

রাহুল খুব লাজুক পায়ে আরও দু-পা এগিয়ে এল। ওর একটা হাত খুব সন্তর্পণে গিয়ে ইন্দিরার বাড়ানো হাতের তালুতে বসল।

"মা..." রাহুল ফিসফিস করল, "আমি তো তোমাকে আগে কোনোদিন... এভাবে দেখিনি... বোধহয় সেই জন্যই আমার এতটা নার্ভাস লাগছে..."

ইন্দিরা ওকে হালকা টানে নিজের আরও কাছে নিয়ে এলেন। ওদের দুজনের সম্পূর্ণ নগ্ন শরীর এখন একে অপরের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে। দুজনের গায়ের তাপ একে অপরকে ছুঁয়ে যাচ্ছে।

ইন্দিরা ফিসফিস করে বললেন: "ইটস ওকে। তুই সেই শুক্রবারেও এরম লজ্জা পাচ্ছিলিস, মনে আছে? সোনা, আমি জানি... এটা...এটা অন্যরকম একটা সিচুয়েশন। কিন্তু এটা তো আমিই, রে সোনা... এটা তো তোর মা-ই। আমার দিকে তাকা একবার? এই তো.....এই তো আমার লক্ষ্মী সোনাটা... আর লজ্জা পাস না বাবু... মায়ের কাছে কিসের লজ্জা বল তো?"

রাহুল একটা গভীর শ্বাস নিয়ে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করল। ইন্দিরার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, "হ্যাঁ... আমার তো লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই, তাই না মা? এটা তো তুমি। কোনো বাইরের র‍্যান্ডম স্ট্রেঞ্জার তো নয়। এটা আমার নিজের মা।"

ইন্দিরার ঠোঁটে এক পরম, মায়াবী হাসি ফুটে উঠল। তিনি নিজের বাঁ হাতটা তুলে রাহুলের কপালের ওপর লেপ্টে থাকা চুলের গোছাটা সরিয়ে দিলেন। "একদম ঠিক, সোনা। এটা জাস্ট আমি—তোর মা। এখানে লজ্জা পাওয়ার বা নার্ভাস হওয়ার কিচ্ছু নেই। এই মুহূর্তটা... হ্যাঁ, একটু অন্যরকম ঠিকই। কিন্তু এতে দোষের তো কিছু নেই রে, সোনা। আমি তো তোর মা-ই। আমার বাবুটা তার মায়ের সাথে চান করবে, এতে দোষের কি আছে?"

রাহুল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বড্ড সরল গলায় জিজ্ঞেস করল: "আর... আর এটা তো... যেমন আমি ছোটবেলায় তোমার সাথে করতাম... ঠিক তেমনই, তাই না মা?"

ইন্দিরা একটা নরম, কাঁপানো হাসি হাসলেন। তাঁর ফর্সা হাতটা রাহুলের গাল বেয়ে নেমে এসে ওর চোয়ালের রেখা ছুঁয়ে দিল।

"হ্যাঁ... ঠিক তেমনই, যেমন তুই ছোটবেলায় করতিস... শুধু তফাত হলো... তুই যে এখন অনেক বড় হয়ে গেছিস। আমার বিগ স্ট্রং বয়....আমার.... হ্যান্ডসাম বয়... আয়... এবার শাওয়ারের নিচে আয়।"

তাঁরা দুজনে একসাথে এসে দাঁড়ালেন কাঁচ-ঘেরা সেই শাওয়ার কিউবিকলটার ভেতর। ইন্দিরা শাওয়ারের নবটা ঘুরিয়ে দিতেই ওপর থেকে নেমে এল জলের ধারা। এপ্রিলের এই তপ্ত দুপুরে সেই ঠান্ডা জলের ধারা তাঁদের তপ্ত শরীরে এক পরম আরামের পরশ বুলিয়ে দিল। বাথরুমের এই বিশেষ অংশটি বেশ ছোট; ঘেরা জায়গায় দুজনের একসাথে দাঁড়ানো বেশ কঠিন। রাহুল প্রথম থেকেই নিজেকে গুটিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছিল, যাতে কোনোভাবেই মায়ের খুব কাছাকাছি এসে না পড়ে। কিন্তু সেই সংকীর্ণ জায়গায় জলের একটানা পতনের মাঝে তার সেই চেষ্টা বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল; প্রতি মুহূর্তে তাঁদের দুজনের ভেজা, অনাবৃত ত্বক একে অপরের সাথে আলতো করে ছুঁয়ে যাচ্ছিল। সেই ঠান্ডা জলের স্পর্শের চেয়েও ত্বকের এই আকস্মিক ও অনবরত নৈকট্য তাঁদের ভেতরের নিষিদ্ধ দহনকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছিল।

রাহুল চারপাশটা দেখে বলল, "এত বড় বাথরুম, কিন্তু এই শাওয়ারের জায়গাটা একটু ছোট, মা..."

ইন্দিরা শাওয়ার হেডের অ্যাঙ্গেলটা একটু ঠিক করতে করতে, ঠোঁটে এক সূক্ষ্ম হাসি নিয়ে বললেন, "হ্যাঁ... একটু টাইট স্পেস।"

রাহুল: "হ্যাঁ... তবে একজনের জন্য একদম পারফেক্ট।"

ইন্দিরা এবার হালকা হেসে এক আদুরে ভঙ্গিতে নিজের দুহাত রাহুলের দুই কাঁধের ওপর রাখলেন। "একজনের জন্যই পারফেক্ট... কিন্তু তুই যখন জেদ ধরেছিস যে এটাকে দুজনের স্পেস বানাবি, তখন আমাদের এভাবেই অ্যাডজাস্ট করতে হবে। এবার একদম চুপ করে দাঁড়া দেখি। আমি আগে তোর চুলটা ধুয়ে দিই। সকালে স্নান করিস নি, চুলটা কাকের বাসা হয়ে গেছে একদম।"

ইন্দিরা দেয়ালের সাথে সেঁটে থাকা শাওয়ার র‍্যাক থেকে একটা শ্যাম্পুর বোতল তুলে নিলেন। বেশ খানিকটা শ্যাম্পু নিজের তালুতে নিয়ে তারপর সেটা দুহাতে ঘষে রাহুলের মাথার চুলে মাখাতে শুরু করলেন। তাঁর ফর্সা, নরম আঙুলগুলো রাহুলের মাথার স্ক্যাল্পে এক অদ্ভুত, আরামদায়ক ম্যাসাজ দিচ্ছিল। ওদিকে শীতল জলের ধারা ওদের দুজনের শরীরের ওপর দিয়ে অবিরাম বয়ে যাচ্ছিল; আর সেই সংকীর্ণ জায়গায় ইন্দিরার নরম, ভেজা শরীরটা বারবার রাহুলের শরীরের সাথে ঘষা খাচ্ছিল।

ইন্দিরা শ্যাম্পুর ফেনা রাহুলের চুলে ঘষতে ঘষতে হঠাৎ সেই গুরুগম্ভীর, অথচ মিষ্টি গলায় বলে উঠলেন, "চুলগুলোর কী হাল করেছিস তুই! কবে যে নিজের যত্ন নিতে শিখবি কে জানে!"

রাহুল চোখ বুজেই মায়ের হাতের সেই জাদুকরী স্পর্শ উপভোগ করছিল। ও হেসে বলল, "জানোই তো মা, এত পড়াশোনার প্রেশার, কেরিয়ারের টেনশন... এসব করার এত সময় কোথায় মা?"

ইন্দিরা ওর মাথার পেছনে আলতো করে আঙুল চালাতে চালাতে বললেন, "কেরিয়ার তো গড়তেই হবে। কিন্তু তাই বলে নিজের শরীরটাকে তো আর অবহেলা করলে চলবে না। শরীর ঠিক না থাকলে পড়াশুনাটা ঠিক করে করবি কী করে?"

"করব মা, তুমি বলছ যখন এবার থেকে সপ্তাহে দুদিন শ্যাম্পু করব," রাহুল মায়ের ভেজা কোমরের কাছে নিজের হাতটা একটু গুটিয়ে রেখে বলল, "কিন্তু তোমার মত এত সুন্দর করে শ্যাম্পু করতে তো পারব না।"

ইন্দিরা হালকা হেসে ওর কপালে একটু ফেনা মাখিয়ে দিয়ে বললেন, "পাকা ছেলে! সব সময় মাকে তেল দেওয়া চাই, না?"

ঠিক সেই সময় রাহুলের চোখ গেল ওদের ঠিক পাশের কাঁচের পার্টিশন পেরিয়ে বেসিনের ওপরের বড় আয়নাটার দিকে। ও লক্ষ্য করল আয়নার এক কোণে কয়েকটা টিপ আটকে আছে।

"মা, আয়নার ওই কোণে ওগুলো কী?" রাহুল একটু কৌতূহলী গলায় জিজ্ঞেস করল।

ইন্দিরা ঘাড় ঘুরিয়ে সেদিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন। "কী আবার? আমার টিপ।"

রাহুল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে খুব মোলায়েম গলায় বলল, "জানো মা, টিপ পরলে তোমাকে দারুণ দেখতে লাগে। একদম অন্যরকম একটা বিউটি ফুটে ওঠে তোমার মুখে, আমি ঠিক বলে বোঝাতে পারব না। মনে হয় সারাক্ষণ তোমাকেই দেখতে থাকি।"

ইন্দিরা রাহুলের কথায় খিলখিল করে হেসে উঠলেন। তাঁর সেই হাসিতে ভেজা শরীরটা দুলে উঠল, রাহুলের শরীরের সাথে আরেকবার ঘষা খেয়ে এক চরম শিহরণ তৈরি করল। "উফ্! তুই তো আবার মায়ের সবকিছুতেই রূপ উথলে পড়তে দেখিস। বড্ড মা-ন্যাওটা হয়েছিস তুই! মাকে নিয়ে তোর প্যাম্পারিং-এর আর শেষ নেই সত্যি।"

"সত্যি বলছি মা," রাহুল একটু জোর দিয়ে বলল, "কিন্তু জানো, একটা জিনিস আমি কোনোদিন দেখিনি।"

ইন্দিরা ওর চুলের সামনের দিকটায় আঙুল চালাতে চালাতে ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন, "কী দেখিসনি?"

"স্নান সেরে বেরোনোর পর, তোমার ওই ভিজে চুলে, যখন টপটপ করে জল ঝরতে থাকে... ঠিক ওই অবস্থায় তোমাকে কখনো টিপ পরা দেখিনি আমি। তুমি মনে হয় সবসময়েই ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোনোর পর টিপ পর।"

ইন্দিরা এবার শব্দ করে হেসে উঠলেন, এক নিখাদ মাতৃসুলভ খুনসুটিতে ওর গালটা হালকা করে টিপে দিয়ে বললেন, "উফ্! তোর হয়েছে টা কী, রাহুল? এসব মাথায় আসে কী করে তোর? ঘরে বসে এইসব ভাবিস নাকি? এত কিছু থাকতে আমার ভিজে চুলে টিপ পড়া নিয়ে... হায় ভগবান! আমি কি কোনো বাংলা সিনেমার নায়িকা নাকি?"

রাহুল জেদ ধরার মতো আদুরে গলায় বলল, "তুমি নায়িকাদের চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর মা। আজ পরবে মা? প্লিজ? স্নানের পর যখন আমরা বাইরে যাব, চুলটা ভিজে ভিজে থাকা অবস্থায় একটা লাল টিপ পরবে? শুধু আমার জন্য?"

ইন্দিরা একটা প্রশ্রয়ের দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তাঁর চোখদুটো অপরিসীম স্নেহে ছলছল করে উঠল। "আচ্ছা বাবা, আচ্ছা। বড্ড জ্বালাস তুই। ঠিক আছে, পরব খন। সত্যি সোনা, কিছু আবদার করতে পারিস তুই বটে!"

এই সাধারণ, ঘরোয়া খুনসুটি আর কথাবার্তার মাঝেই পরিস্থিতি ক্রমশ এক আদিম মাদকতায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠছিল। জলের ঝমঝম শব্দ, শ্যাম্পুর তীব্র সুবাস, মায়ের হাতের জাদুকরী বিলি কাটা, আর তার সাথে সেই সংকীর্ণ পরিসরে ভেজা, অনাবৃত ত্বকের অনবরত ঘর্ষণ। ইন্দিরার নরম স্তনযুগল বারবার রাহুলের শক্ত বুকের ওপর ঘষে যাচ্ছিল, তাঁর উরুর মসৃণ স্পর্শ রাহুলের পায়ের সাথে এক অদ্ভুত উত্তাপ তৈরি করছিল। এই চরম, তীব্র অনুভূতির জোয়ার ধীরে ধীরে রাহুলের ভেতরের সমস্ত সংযমের বাঁধ এক লহমায় ভেঙে চুরমার করে দিল। ও আর একটা মুহূর্তও অপেক্ষা করতে পারল না। নিজের দুটো হাত বাড়িয়ে ইন্দিরাকে এক তীব্র, মরিয়া, উন্মত্ত আলিঙ্গনে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ওর মুখটা গিয়ে সোজা গুঁজে গেল ইন্দিরার ভেজা ঘাড়ের সুকোমল ভাঁজে।

"ওহ মা... ওহ্ মা... এটা এত আরামের... আমার যে কী ভাল লাগছে... আমি জাস্ট পাগল হয়ে যাচ্ছি..."

ইন্দিরার মুখ থেকে এক তীব্র, শ্রুতিগোচর দীর্ঘশ্বাস ছিটকে বেরোলো। এই নগ্ন, ভেজা, উত্তপ্ত শরীরদুটো যখন একদম এক ছাঁচে মিশে গেল, তখন সেই অনুভূতির তীব্রতা ইন্দিরার কল্পনারও বাইরে ছিল। ত্বকের সাথে ত্বকের ঘর্ষণ, আর জলের পিচ্ছিল আবেশ—তাঁদের ভেতরের এই আদিম নৈকট্যকে এক ধাক্কায় যেন হাজার গুণ বাড়িয়ে দিল। তাঁর নিজের দুটো হাত স্বতঃস্ফূর্তভাবেই রাহুলের পিঠের ওপর গিয়ে ওকে আরও শক্ত করে নিজের সাথে পেঁচিয়ে ধরল। তাঁর গলার স্বর একটা কাঁপানো ফিসফিসানিতে ভেঙে গেল: "সোনা..."

রাহুল ওঁকে আরও শক্ত করে নিজের বুকের সাথে পিষতে পিষতে, নিজের হাতদুটো ইন্দিরার ভেজা, মসৃণ পিঠের ওপর বোলাতে লাগল। আর ইন্দিরাও নিজের ফর্সা হাতদুটো দিয়ে রাহুলের ভেজা কাঁধ আর মেরুদণ্ডের চওড়া পেশিগুলোকে পরম মমতায় হাত বুলিয়ে আদর করতে লাগলেন।

"হ্যাঁ মা?" রাহুল এক কাঁপানো, ঘোরের ঘোরে সাড়া দিল।

ইন্দিরা একটা তীব্র শিহরণে কেঁপে উঠলেন, তাঁর শ্বাসটা একটা অস্ফুট শব্দে আটকে গেল: "...কিচ্ছু না... কিচ্ছু না। জাস্ট... জাস্ট এভাবেই থাক।"

রাহুল নিজের বুকটাকে ইন্দিরার স্তনের ওপর আরও জোরে ঘষে দিয়ে বলল: "ওহ মা... জীবনে এত আরাম আমি কোনোদিন পাইনি..."

ইন্দিরা নিজের মুখটা রাহুলের গলার কাছে, ঠিক কলারবোনের খাঁজে গুঁজে দিলেন। শ্যাম্পুর ধুয়ে আসা ফেনার গন্ধে মেশানো ওর গায়ের ওই তীব্র, নিজস্ব সুবাসটা তিনি গভীর শ্বাসে নিজের ভেতরে টেনে নিতে লাগলেন। তাঁর পুরো শরীরটা এক অমেয় তীব্রতায় কাঁপছিল। "আমাকে ছাড়িস না..."

রাহুল: "ওহ... আমার মা... আমার সোনা মা... যে মাকে আমি পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসি... আমার সবকিছু তুমি..."

ইন্দিরা নিজের চোখদুটো বুজে ফেললেন। তাঁর বুকের ভেতরের ভয় আর অনিশ্চয়তাকে ছাপিয়ে জেগে উঠল এক আদিম, উন্মত্ত মাতৃত্বের তীব্র ব্যাকুলতা। তিনি ওর বুক থেকে নিজেকে সামান্য একটু দূরে সরিয়ে, মায়াভরা চোখে ওর চোখের দিকে তাকালেন। "সোনা... আমার ছেলে... আমার বাবুসোনা..."

রাহুল ওর ঘোরের চোখে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল: "আমি জাস্ট বিশ্বাস করতে পারছি না... এটা কি কোনো স্বপ্ন, মা?"

ইন্দিরার কাঁপতে থাকা হাতদুটো রাহুলের মুখটা ছুঁয়ে দিল। তাঁর বুড়ো আঙুল দিয়ে রাহুলের গাল বেয়ে নামা জলের ফোঁটাগুলো আলতো করে ডলতে ডলতে তিনি বললেন: "না... না সোনা। এটা কোনো স্বপ্ন নয়।" তিনি নিজের কপালটা রাহুলের কপালের সাথে ঠেকিয়ে দিলেন। তাঁর উষ্ণ, ভেজা নিশ্বাস রাহুলের ঠোঁটের ওপর আছড়ে পড়ছিল। "মা এখানেই আছে, সোনা। তোর একদম সামনে। তোকে জড়িয়ে ধরে আছে।"

"ওহ মা..." রাহুল পাগলের মতো ইন্দিরার ভেজা গালে, পর পর অজস্র নরম, পালকের মতো হালকা চুমু খেতে শুরু করল।

ইন্দিরার মুখ থেকে ছোট ছোট, প্রশান্তির শব্দ বেরোতে লাগল। তাঁর আঙুলগুলো রাহুলের ভেজা চুলের গভীরে ঢুকে ওকে আরও কাছে টেনে নিল। তিনি ঘাড়টা সামান্য বেঁকিয়ে, রাহুলের কপালে, গালে, চিবুকে কয়েকটা গভীর, দীর্ঘ, পরম আদুরে চুমু এঁকে দিলেন। "আমার মিষ্টি ছেলে।"

রাহুল মিনমিন করে বলল, "মা....একটা....একটা....ঠোঁটে খাও না..."

এক লহমায় ইন্দিরার মুখটি নুয়ে পড়ল, সংকোচের লাল আভা চুইয়ে পড়ল ওঁর গালে। তবে সেই দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে তিনি আবার মুখ তুললেন এবং রাহুলের অবাধ্য দৃষ্টির মুখোমুখি হলেন। তাঁর চোখের কোণে তখন এক লাজুক আবেশ। তিনি রাহুলের ভেজা চিবুকটা আলতো করে ছুঁয়ে ফিসফিস করে বললেন, "এখনই না বাবু... আগে তোর গা-টা ধুইয়ে দিই... লক্ষ্মী সোনা আমার..."


১১.৪. ধৌত করার আরাধনা

রাহুল একটু মুখটা পিছিয়ে, ইন্দিরার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল: "তুমি কি... আমাকে এবার সাবান মাখিয়ে দেবে, মা?"

ইন্দিরা খুব ধীর লয়ে মাথা নাড়লেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি তখন এক অতল, গভীর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। তাঁর হাতদুটো রাহুলের বুক থেকে পিছলে নেমে ওর কোমরের কাছে এসে স্থির হলো। "হ্যাঁ... হ্যাঁ, আমি দেব। ঘুরে দাঁড়া। আমি আগে তোর পিঠটা পরিষ্কার করে দিই।"

রাহুল ঘুরে দাঁড়াল। ওর সেই মেদহীন, চওড়া পেশিবহুল পিঠটা এখন ইন্দিরার চোখের সামনে অনাবৃত। জলের ধারা বেয়ে নামছিল ওর সুগঠিত কাঁধ আর মেরুদণ্ডের খাঁজ ধরে। ছেলের এই তরতাজা, পুরুষালি অবয়বের দিকে তাকিয়ে ইন্দিরা মুহূর্তের জন্য মন্ত্রমুগ্ধের মতো স্তব্ধ হয়ে রইলেন। তাঁর চোখের সামনে ছোটবেলার সেই ছোট্ট বাবুসোনাটা যেন এক লহমায় এক পূর্ণাঙ্গ যুবকের রূপ নিয়েছে। এক অদ্ভুত অজানা আবেশে ইন্দিরা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না; তিনি একটু ঝুঁকে রাহুলের মেরুদণ্ডের ঠিক মাঝখানটায় ঠোঁট ডুবিয়ে এক গভীর চুমু এঁকে দিলেন।

জলের শীতলতার মাঝে মায়ের ঠোঁটের সেই আকস্মিক উষ্ণ ছোঁয়ায় রাহুল থরথর করে কেঁপে উঠল। ও এক অদ্ভুত আদুরে হাসিতে কুঁকড়ে গিয়ে মৃদু অভিযোগের সুরে বলল, "উফফ মা! এটা কী হল? অন্তত একটা ওয়ার্নিং তো দিতে পারতে!"

ইন্দিরা মুখে এক কৃত্রিম বিরক্তি ফুটিয়ে চোখের কোণ দিয়ে হেসে উঠলেন। ওর কাঁধে আলতো করে একটা চাপড় মেরে বললেন, "ওহ আচ্ছা! বাবু যখন নিজে হুট করে যা খুশি তাই করে, তখন কোনো দোষ নেই! আর মা একটু করলেই যত সমস্যা, তাই না?"

মায়ের এই মিষ্টি ধমক শুনে রাহুল আর নিজের হাসি চেপে রাখতে পারল না। বন্ধ বাথরুমের সেই আর্দ্র, জলসিক্ত বাতাসে দুজনেরই হালকা, মনখোলা হাসির শব্দ প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। হাসতে হাসতেই ইন্দিরা এক স্নেহমাখা খামখেয়ালে পেছন থেকে রাহুলকে দু-হাতে জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর সম্পূর্ণ অনাবৃত, ভেজা শরীরটা নিবিড়ভাবে মিশে গেল রাহুলের চওড়া পিঠের সাথে। জলের তীব্র পতনের মাঝেই ইন্দিরার উদ্বেলিত স্তন যুগল আর তাঁর বক্ষের সংবেদনশীল অগ্রভাগ রাহুলের ভেজা পিঠের সুগঠিত পেশির ওপর এক অবাধ্য মাদকতায় একাধিকবার ঘষা খেল। এই আকস্মিক, নগ্ন ঘর্ষণের তীব্রতায় ইন্দিরার স্তনবৃন্ত নিমেষের মধ্যে শক্ত হয়ে উঠল।

"সাবান মাখাবে না মা?" রাহুলের কথায় হঠাৎ ইন্দিরার হুঁশ ফিরে এল।

ইন্দিরা সাবানদানির ওপর থেকে একটা সুন্দর, হালকা গন্ধওয়ালা বার সাবান তুলে নিলেন। সেটা শাওয়ারের জলে ভিজিয়ে দু হাত দিয়ে হালকা করে ঘষতে লাগলেন।

রাহুল ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল। "এটা কি সেই সাবানটা, যেটা তুমি রোজ মাখো?"

ইন্দিরা: "হ্যাঁ, এটাই সেই সাবান। এবার একদম চুপ করে দাঁড়া... আমাকে তোর পিঠটা পরিষ্কার করতে দে।" তাঁর ফর্সা, নরম আঙুলের মুঠোয় থাকা সেই ভেজা সাবানটি তিনি আলতো করে চেপে ধরলেন রাহুলের পিঠের ওপর। তারপর অত্যন্ত ধীর ও ছান্দিক লয়ে, সাবানের বারটি সরাসরি ওর পিঠের সুগঠিত পেশি আর মেরুদণ্ডের হাড়ের খাঁজগুলো বরাবর বৃত্তাকারে ঘষতে শুরু করলেন। জলের শীতলতার মাঝে সুগন্ধি সাবানের সেই মসৃণ, পিছল ছোঁয়া রাহুলের পিঠের প্রতিটা কোনায় এক শীতল আরামের আবেশ ছড়িয়ে দিতে লাগল।

রাহুল একটু বিজ্ঞের মতো গলা করে বলল: "কিন্তু মা, ডাক্তাররা তো বলে যে প্রত্যেকের নিজস্ব আলাদা সাবান ব্যবহার করা উচিত। আর তুমি এখন তোমার নিজের সাবানটাই আমার পিঠে ঘষে দিলে।"

ইন্দিরা খিলখিল হাসিতে ভেঙে পড়লেন। এই পারস্পরিক নগ্নতার মধ্যেও ছেলের এই স্বভাবসিদ্ধ লজিক তাঁকে বেশ আনন্দ দিচ্ছিল। "কথাটা ঠিকই বলেছিস, সোনা... কিন্তু... আমরা তো এখন একই শাওয়ারে, একসাথে স্নান করছি, তাই না? সো, এই ক্ষেত্রে আমার মনে হয় সাবানটা শেয়ার করা যেতেই পারে।"

রাহুল: "উঁহু... ব্যাপারটা ক্লিয়ার হলো না.... তুমি বলতে চাইছো..."

ইন্দিরা বুঝলেন তাঁর যুক্তিটা বেশ বোকা বোকা হয়ে গেছে। কিন্তু ফালতু তর্ক করে এই নিবিড় মুহূর্তকে মাটি করতে তিনি মোটেই চান না। রাহুলের ঘাড়ের পেছনে নিজের ঠোঁটদুটো নিয়ে গিয়ে বলে উঠলেন: "থাম তো, বড় মেডিক্যাল এক্সপার্ট এলেন আমার! তুই সত্যিই একটা পাগল ছেলে... আরে, সাবান তো সাবানই, ওতে আবার আলাদা কী! গায়ে মাখলেই ফেনা হবে আর ময়লা যাবে। আর তুই নিজেই তো সেদিন ন্যাকামো করে হোয়াটসঅ্যাপে লিখেছিলি, যে আমরা কি একই সাবান ইউজ করবো... আর এখন লজিক কপচাচ্ছিস? এবার বকবক বন্ধ করে চুপচাপ দাঁড়া।"

ইন্দিরা বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রাহুলের পিঠটা সাবান দিয়ে ম্যাসাজ করলেন। ওর কাঁধের শক্ত পেশি আর পিঠের খাঁজগুলো তাঁর হাতের ছোঁয়ার অনন্য আরামে শিথিল হয়ে আসছিল। এরপর তাঁর হাত ধীরে ধীরে নেমে এল ওর কোমরের কাছে। সেখানে সাবান মাখানোর পর্ব শেষ হলে তাঁর চোখ চলে গেল আরও নিচে—রাহুলের নিতম্বের ওপর।

রাহুলের সুগঠিত, টানটান নিতম্বের দিকে চোখ পড়তেই ইন্দিরা মুহূর্তের জন্য মনে মনে বেশ চমৎকৃত হলেন; ছেলের শরীরের এই যুবকোচিত ও দৃঢ় অবয়ব তাঁকে এক অদ্ভুত মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন করল। তিনি আর দেরি না করে নিজের নরম হাত দুটি দিয়ে সাবানের পিছল বারটি ওর সেই টানটান নিতম্বের পেশিতে স্পর্শ করলেন। জলের শীতলতার মাঝে ত্বকে ত্বকে লাগা সেই নিবিড় স্পর্শের তীব্রতা বজায় রেখেই তিনি হালকা মজাচ্ছলে বলে উঠিলেন, "বা রে! তুই তো বেশ ফিটফাট চেহারা বানিয়েছিস রে সোনা। তুই কি ইদানীং লুকিয়ে লুকিয়ে ঘরে এক্সারসাইজ করিস নাকি রে?"

রাহুল চট করে ঘাড় ঘুরিয়ে মায়ের দিকে তাকাল, মুখে এক চিলতে অবাক হাসি, "কই, না তো! কেন বলো তো?"

ইন্দিরা ওর নিতম্বের ওপর হাত রেখেই হালকা হেসে বললেন, "না মানে, আমি তো অবাক! বাড়ি এসেই তো নিজের ঘরে বসে থাকিস—হয় পড়াশোনা করিস, না হয় বন্ধুদের সাথে চ্যাট আর ল্যাপটপে গেম খেলিস। কোনোদিন তো তোকে মাঠে গিয়ে আউটডোর স্পোর্টস খেলতেও দেখলাম না। তাহলে এমন টানটান চেহারা হলো কী করে, শুনি?"

রাহুল একটু লাজুক হেসে ওর নিতম্বে মায়ের হাতের সেই জাদুকরী ছোঁয়া উপভোগ করতে করতে বলল, "আহা, কলেজে ক্লাসের ফাঁকে বন্ধুদের সাথে মাঝেমাঝে মাঠে একটু দৌড়াদৌড়ি করি তো! আর তার ওপর বাড়িতে তোমার হাতের এত ভালো হেলথি খাবার পাচ্ছি, শরীর তো একটু ভালো হবেই, মা!"

ছেলের মুখে নিজের রান্নার এই প্রশংসা শুনে ইন্দিরা ফিক করে হেসে ফেললেন। ওর নিতম্বের মাংসল অংশে আলতো করে একটা আদুরে চাপড় মেরে খুনসুটির সুরে বললেন, "ওহ আচ্ছা! মায়ের হাতের রান্নার এতই কদর তাহলে? তা বাবু যখন ঘরে থাকেন, তখন তো পাতে এটা নেই, ওটা খাব না বলে বায়নার শেষ থাকে না! এখন তার বোধোদয় হয়েছে, যে মায়ের হাতের রান্নার জন্যই নিজে একটা ফিট, হ্যান্ডসাম বয় হয়ে উঠেছে।"

মায়ের এই আদুরে খোঁটা শুনে রাহুল নিজের হাসি চেপে রাখতে পারল না। নিঝুম দুপুরে ঠান্ডা জলের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মা ও ছেলে অনাবৃত শরীরে তাদের চেনা খুনসুটিতে মেতে উঠল।

এর পর ইন্দিরা ভাল করে রাহুলের নিতম্বে সাবান ঘষতে শুরু করলেন। রাহুল চোখ বন্ধ করে মায়ের হাতের পিচ্ছিল আদর উপভোগ করতে লাগল। খানিক পর, অত্যন্ত ধীর লয়ে, এক অনিবার্য নিয়তিতে ইন্দিরার আঙুলগুলো পিছলে গেল দুটি নিতম্বের গভীর খাঁজের অন্তরালে। এই জায়গাটা স্পর্শ করতেই ইন্দিরার পেটের ভেতর হাজারটা প্রজাপতি একসাথে ডানা ঝাপটে উঠল। তিনি একটা গভীর শ্বাস নিলেন। তারপর ধীরছন্দে ওর নিতম্বের খাঁজের ভিতর সাবান দিয়ে ঘষতে শুরু করলেন।

তিনি লক্ষ্য করলেন, তাঁর হাতের এই স্পর্শে রাহুল কাঁপছে, ওর শ্বাস দ্রুত হয়ে যাচ্ছে। রাহুলের এই ব্যাকুল প্রতিক্রিয়া ইন্দিরার অন্তরে এক অনির্বচনীয় স্পন্দন জাগাচ্ছিল, যেখানে তাঁর চিরন্তন মাতৃত্বের অন্ধ স্নেহটুকুই যেন কোনো অবাধ্য আবেশে একাকার হয়ে এক প্রগাঢ়, তীব্র কামনার রূপ ধারণ করছিল। তিনি ফিসফিস করে বললেন: "রিল্যাক্স, সোনা... জাস্ট আমাকে... তোকে ভালো করে সাবানটা মাখাতে দে। এই তো... হয়ে গেছে। তোর পেছনটা একদম ক্লিন। এবার ঘুরে দাঁড়া। আমি সামনের দিকটা পরিষ্কার করব।"

রাহুল ঘুরে দাঁড়াল। ওর সামনের পুরো নগ্ন শরীরটা এখন ইন্দিরার সামনে।

ইন্দিরা ওর কলারবোন আর বুকের চওড়া ছাতিতে সাবান মাখাতে শুরু করলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর দৃষ্টি স্থির হলো রাহুলের সামনের উন্মুক্ত অবয়বের ওপর। চওড়া, মেদহীন ছাতি, যার পেশিগুলো বয়সের সাথে সাথে এক সুনির্দিষ্ট কাঠিন্য পেয়েছে। পেটের কাছে হালকা খাঁজ কাটা অ্যাবস, আর তার নিচ দিয়ে নেমে যাওয়া সেই পুরুষালি 'ভি' লাইন, যা ওর নাভির নিচ থেকে শুরু হয়ে নিম্নাঙ্গের দিকে হারিয়ে গেছে। জলের ফোঁটাগুলো ওর বুকের ওই মসৃণ ত্বকের ওপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ছিল।

ইন্দিরার হাতদুটো ওর বুকের ওপর সাবান ঘষতে ঘষতে সাময়িকভাবে একটু ধীর হয়ে এল। রাহুলের শরীরী মাধুর্যে তিনি যেন সম্পূর্ণ আচ্ছন্ন। তাঁর অবচেতন মন এই প্রথমবার রাহুলকে শুধুমাত্র নিজের নম্র, ভদ্র, পড়ুয়া সন্তান হিসেবে নয়, বরং একজন সম্পূর্ণ, সুগঠিত এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় সন্তান হিসেবে দেখল। তাঁর সর্বাঙ্গীন চেতনা কোনো এক গোপন ভালোলাগায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল। ছেলের এই ভরাট হয়ে ওঠা পেশি, এই যৌবনের উদ্দীপ্ত লাবণ্য তাঁর বুকের ভেতরকার হৃৎস্পন্দনকে অদ্ভুতভাবে বাড়িয়ে দিল। তিনি চোখ তুলে রাহুলের মুখের দিকে তাকালেন, তারপর জোর করে নিজের মনকে আবার সেই সাধারণ রোজকার মাতৃসুলভ আবরণে ঢেকে নেওয়ার চেষ্টা করলেন।

নিজের গলার স্বরটাকে 'আর পাঁচটা মায়ের মতো' রাখার চেষ্টা করে তিনি বললেন: "তা... আজ কলেজে কী কী করলি? ওই যে অ্যাসাইনমেন্টটা নিয়ে টেনশন করছিলি, ওটা শেষ করেছিস?"

তাঁর আঙুলগুলো রাহুলের বুকের নিচ দিয়ে, ওর পাঁজরের হাড়গুলো ছুঁয়ে পেটের ওই পেশিবহুল অংশের ওপর নেমে এল। সাবানের ফেনা আর ঠান্ডা জলের স্রোতে ইন্দিরার স্পর্শ রাহুলের শরীরে এক অমোঘ মাদকতা ছড়াচ্ছিল।

রাহুল একটু বিরক্তিতে চোখ বুজে মায়ের হাতের সুখ নিতে নিতে বলল: "ওহ কাম অন মা... এই কদিন এতো খাটলাম... ওটা আমি পরের সপ্তাহে নামাব..."

ইন্দিরা এবার এক কৃত্রিম বিরক্তি নিয়ে তাঁর সাবান মাখা হাতদুটোকে রাহুলের হিপবোন বা কোমরের হাড়ের ওপর নামিয়ে আনলেন। "এটাই তোর রোগ, তুই বড্ড বেশি কাজ ফেলে রাখিস, জানিস তো? তুই ব্রিলিয়ান্ট হতে পারিস, কিন্তু তুই বড্ড লেজি একটা ছেলে।"

রাহুল: "তুমি এটা কী করে বলতে পারো, মা? গত তিন দিন ধরে আমি যা করেছি, তারপরও?"

ইন্দিরা ওর হিপবোনের ওপর হাত রেখেই একগাল হাসলেন, তাঁর চোখদুটো রাহুলের ভিজে, উত্তপ্ত শরীরের ওপর ঘুরে বেড়াচ্ছিল: "ফেয়ার এনাফ। তবে আমি ওটা নিয়ে তো কিছু বলিনি। আমি ইন জেনারাল বলছি আর কী। তুই খুব হার্ডওয়ার্কিং হতে পারিস... যখন তোর সেটা হওয়ার ইচ্ছা থাকে, বা কেউ তোকে বাধ্য করে, তখন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই... তুই একটা লেজি লেজি বাঁদর।"

তিনি এবার তাঁর সাবান মাখা হাতদুটো রাহুলের উরুর ওপর নামিয়ে নিয়ে গেলেন। অত্যন্ত ধীর ছন্দে তিনি ওর উরুর শক্ত পেশিগুলোতে সাবান মাখাতে লাগলেন। "তোর কি কোনো আইডিয়া আছে, আমি কতবার তোর টিচারদের মুখে শুনেছি যে, 'রাহুল যদি একটু মন দিয়ে পড়ত, তাহলে ফাটিয়ে দিত'?" তিনি কথা বলতে বলতেই নিজের ফর্সা আঙুলগুলো রাহুলের দুই উরুর ভেতরের দিকের চরম সংবেদনশীল ত্বকটার ওপর দিয়ে আলতো করে বুলিয়ে দিলেন।

এই অভাবনীয়, নরম আর পিছল স্পর্শে রাহুলের শরীর যেন একটা ইলেকট্রিক শকে কেঁপে উঠল। কিন্তু সেই অনুভূতিকে খানিকটা দমিয়ে ও সাথে সাথে একটু কাঁপানো গলায় প্রতিবাদ করে উঠল: "ওহ কাম অন! টিচাররা ওসব কিচ্ছু বলে না। তুমি নিজে থেকে গল্প বানিও না, মা..."

কিন্তু ওর কথাগুলো যেন মাঝপথেই আটকে গেল। মায়ের ফর্সা হাতের ওই অবিরত, মসৃণ ঘর্ষণ ওর ভেতরের এক ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিকে জাগিয়ে তুলেছিল। রাহুলের শরীর ওর মগজের নির্দেশ অমান্য করে বসল। দেখতে দেখতেই ওর নিম্নাঙ্গের সেই ঘুমন্ত অঙ্গটি এক প্রবল রক্তস্রোতে জেগে উঠতে শুরু করল। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেটি সম্পূর্ণ ঋজু, কঠিন এবং স্ফীত হয়ে উঠল।

রাহুল এক চরম অস্বস্তিতে এবং লজ্জায় কুঁকড়ে গেল। ও প্রবৃত্তিগতভাবেই একটু পাশ ফিরে নিজের ওই আকস্মিক পরিবর্তনটাকে লুকোনোর চেষ্টা করল। একজন আদ্যোপান্ত 'নার্ড' বা বইপাগল ছেলে হিসেবে, যার সারা দিন কাটে কেমিস্ট্রির জটিল কনসেপ্ট আর সমীকরণের সাথে, এমন শারীরিক উত্তেজনা ওর জীবনে বড্ড বিরল। সমবয়সী অন্য ছেলেদের মতো ওর দিন অথবা রাত এই ধরনের চিন্তায় কাটে না; ওর শরীর এই চরম উত্তেজনার সাথে একেবারেই অভ্যস্ত নয়। গত শুক্রবার রাতে মায়ের বুকে মুখ রাখার সেই চরম মুহূর্তেও ওর শরীরের ঠিক এই একই প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। কিন্তু সেদিন ও আপ্রাণ চেষ্টায় নিজের নিম্নাঙ্গকে মায়ের শরীর থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল, পাছে মা টের পেয়ে রেগে যায় বা অস্বস্তিতে পড়ে। আর আজ, একেবারে নিজের মায়ের সামনে, এমন সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় নিজের শরীরের এই নিয়ন্ত্রণহীন, প্রকট রূপান্তর ওকে এক চরম লজ্জায় আর অপরাধবোধে ডুবিয়ে দিল।

ইন্দিরা ওর হিপবোনের ওপর হাত রেখেই একগাল হাসতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ ওঁর চোখ নিচে নেমে গেল। তাঁর সাবান মাখা হাতদুটো মাঝপথেই স্থির হয়ে গেল। শ্বাসটা যেন গলায় আটকে গেল। তিনি একদৃষ্টে, চোখের পলক না ফেলে তাকিয়ে রইলেন রাহুলের ওই সম্পূর্ণ জাগ্রত, স্ফীত এবং দৃঢ় পুরুষাঙ্গটির দিকে। একজন মায়ের চোখে নিজের সদ্য যুবক ছেলের এই পূর্ণাঙ্গ, আদিম পৌরুষের রূপ এক অদ্ভুত ধাক্কা দিল। তিনি যেন মন্ত্রমুগ্ধ, সম্মোহিত হয়ে পড়েছেন। ওই মেদহীন, ভিজে শরীরের মাঝখানে ওর ওই ঋজু অঙ্গটি যেন এক আদিম শক্তির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ইন্দিরার ফর্সা গালদুটো দাউদাউ করে জ্বলে উঠল, কিন্তু তিনি চোখ সরাতে পারলেন না। তিনি মুখে কিছুই বললেন না, শুধু একটা বড় করে ঢোক গিললেন। তাঁর নারীসত্তার গভীরতম তলে একটা নিষিদ্ধ, উষ্ণ স্রোত বয়ে গেল।

তারপর, নিজের গলার স্বরটাকে কোনোমতে স্বাভাবিক করার আপ্রাণ চেষ্টা করে, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের সাবান মাখা হাতদুটো রাহুলের হাঁটুর ওপর ঘষতে ঘষতে বললেন: "ফাইন, ফাইন। আমি তোকে আর খ্যাপাব না বাবা।"

(...rest of the chapter continued in the next post)
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)