Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

The Barter System (By:andygarfield)
#20

(...last part of Chapter 11)

১১.৫. তপ্ত লাভার বিস্ফোরণ


দেখতে দেখতে আরও পাঁচ মিনিট কেটে গেল। রাহুলের দুই পা, পিঠ, বুক, পেট—সব সাবান দিয়ে পরিষ্কার। শুধু ওর কুঁচকির জায়গাটা এবং সেই উদ্দীপ্ত অঙ্গটি এখনও ছোঁয়া হয়নি।

রাহুল তখন লজ্জায় আর চরম অস্বস্তিতে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ওর ওই তীব্র পুরুষালি উত্তেজনার দৃশ্যমান রূপটির দিকে তাকাতে ওর নিজেরই সংকোচ বোধ হচ্ছে। ইন্দিরা এক চরম অনিশ্চয়তায় আর ভয়ে রাহুলের নত মুখের দিকে তাকালেন। তাঁর নিজের বুকেও তখন হাতুড়ির ঘা পড়ছে। একটা গভীর, অন্ধকার দৃষ্টিতে ফিসফিস করে তিনি বললেন:
"সোনা... আমি... আমাকে কি ওটাও..." তিনি থমকালেন। শব্দগুলো যেন গলায় আটকে যাচ্ছে। "মানে, তুই কি ওই জায়গাটা নিজে পরিষ্কার করে নিতে পারবি? নাকি... নাকি তুই চাস আমিই..."

রাহুল মাথা তুলে মায়ের চোখের দিকে তাকাতেই পারল না। ওর কান দুটো লজ্জায় টকটকে লাল হয়ে গেছে। ও চরম অস্বস্তিতে মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে, অত্যন্ত নিচু, জড়ানো ও মিনমিনে গলায় বিড়বিড় করে বলল, "আমি... আমি জানি না মা... তোমার... তোমার যা ইচ্ছে... তুমি যা ভালো বোঝো..."

ছেলের এই অসহায়, সমর্পণ করা উত্তরের পর বাথরুমের ভেতর কয়েক মুহূর্তের জন্য শুধু জলের শব্দ ছাড়া আর কিছুই শোনা গেল না। ইন্দিরা নিজের নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরলেন। তাঁর বুকের ভেতর প্রবল দহন। তাঁর যুক্তিবাদী মন বলছে এখন সাবানটা রাহুলের হাতে ধরিয়ে দেওয়া উচিত, কিন্তু তাঁর ভেতরের এক আদিম নারীসত্তা যেন সেই সাবানটাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছে। তিনি ধীর পায়ে একটু নড়লেন। মনে মনে নিজেকে বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেন, নিজের এই প্রবল ইচ্ছাকে একটা সাধারণ মাতৃসুলভ রূপ দেওয়ার জন্য একটা দুর্বল যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করলেন।

"হ্যাঁ... মানে..." ইন্দিরা খুব অস্পষ্ট, কাঁপানো গলায় ফিসফিস করে উঠলেন, যেন ছেলেকে নয়, নিজেকেই নিজে বোঝাচ্ছেন। "আমি তো তোর পিঠ পরিষ্কার করলাম... বুক করলাম, পাগুলোও করে দিলাম... তাহলে ওটা কেন বাদ থাকবে... তাই না? ওটাও... ওটাও করে দেওয়াই ভালো..."

রাহুল কোনো উত্তর দিল না, শুধু ওর ভেজা শরীরটা উত্তেজনার পারদে সামান্য কেঁপে উঠল।

ইন্দিরার গলাটা আরেকটু গাঢ় হলো, কিন্তু কাঁপুনিটা গেল না। তিনি নিজের দৃষ্টিটাকে রাহুলের ওই উদ্দীপ্ত অঙ্গটির ওপর স্থির রেখেই বিড়বিড় করতে লাগলেন, "তাছাড়া তুই যা অলস... নিজে তো ঠিকঠাক পরিষ্কারও করিস না। নাহলে তো ওখানেই নোংরা থেকে যাবে... আমি যখন আজ স্নান করাচ্ছিই, তখন... তখন তো পুরোটা পরিষ্কার করে দেওয়াই উচিত, তাই না?"

এই দুর্বল যুক্তিগুলো আওড়াতে আওড়াতেই তাঁর কাঁপতে থাকা ফর্সা আঙুলগুলো ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামল, এবং রাহুলের কুঁচকির কাছে গিয়ে অত্যন্ত সন্তর্পণে প্রথম স্পর্শটা করল। তাঁর হাতদুটো এবার পুরোপুরি রাহুলের কুঁচকিতে ঢুকে গেল। তিনি সাবানের ফেনা দিয়ে জায়গাটা ঘষতে লাগলেন। "এই তো... ঠিক আছে তো সোনা?"

রাহুল খুব নিচু, ঘোরের ঘোরে একটা অস্ফুট শব্দ করল: "হ্যাঁ মা..."

ইন্দিরার হাতের স্পর্শগুলো থেকে প্রাথমিক আড়ষ্টতাটুকু ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছিল। একই সাথে, এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে তাঁর আঙুলগুলো যেন নিজের অজান্তেই একটু বেশি নিবিড় হয়ে উঠছিল। সাবানের ফেনা আর ঠান্ডা জলের স্রোতের মাঝে তাঁর ফর্সা আঙুলগুলো যখন অত্যন্ত সন্তর্পণে রাহুলের অণ্ডকোষের পেলব ত্বকের কাছে পৌঁছল, তখন তিনি একবারের জন্য একটু থমকালেন। একটা তীক্ষ্ণ শ্বাস ভেতরে টানলেন।

এই চরম সংবেদনশীল জায়গায় মায়ের হাতের ওই পিচ্ছিল, অচেনা ছোঁয়া লাগতেই রাহুলের শরীরটা যেন ধনুকের মতো সামান্য বেঁকে গেল। ওর গলা চিরে একটা অস্ফুট, চাপা গোঙানি—"উহ্..."—বেরিয়ে এল। ও নিজের চোখ দুটো শক্ত করে বুজে ফেলল, হাতের মুঠো দুটো অজান্তেই শক্ত হয়ে গেল। লজ্জায়, অস্বস্তিতে আর এক অচেনা, তীব্র সুখে ওর মাথাটা বুকের কাছে আরও বেশি ঝুঁকে পড়ল।

ছেলের এই আকস্মিক প্রতিক্রিয়ায় ইন্দিরা কিছুটা ঘাবড়ে গেলেন। তাঁর সাবান মাখানো হাতটা ওই জায়গাতেই স্থির হয়ে গেল। তিনি ভয়ে ভয়ে, অত্যন্ত নিচু, মাতৃত্বের আদরে মাখানো গলায় ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলেন, "কী হলো রে সোনা? লাগছে...? আমি কি ব্যথা দিয়ে ফেললাম?"

রাহুল চোখ না খুলেই মাথাটা দুপাশে নাড়ল। ওর শ্বাস তখন আরও দ্রুত হয়ে এসেছে। জলের ঝমঝম শব্দের মাঝে ও প্রায় শোনা যায় না এমন গলায়, তোতলাতে তোতলাতে বলল, "না... না মা... ব্যথা লাগছে না... জাস্ট... কিরম... অন্যরকম লাগছে..."

ছেলের ওই দুর্বল, খাবি খাওয়া গলাটা শুনে ইন্দিরার ভেতরের সংশয় ধীরে ধীরে গলে গেল, এবং এক মায়ের অধিকারবোধ আর স্নেহের আতিশয্য তাঁকে গ্রাস করল। তিনি আবার অত্যন্ত আলতো, কিন্তু এক সুনির্দিষ্ট, ধীর ছন্দে সেখানে সাবান ঘষতে লাগলেন। তাঁর গলা দিয়ে একটা ফ্যাঁসফ্যাঁসে, আদুরে ফিসফিসানি বেরোলো, "ইটস ওকে... ভয় পাস না বাবু... আমি খুব আস্তে আস্তে করছি... তুই জাস্ট রিল্যাক্স কর... কিচ্ছু হবে না..."

সাবানের ফেনার পিচ্ছিল আবেশে তাঁর নরম আঙুলগুলোর এই ধীর, সন্তর্পিত ঘর্ষণ রাহুলের অনভিজ্ঞ শরীরকে ক্রমশ এক চরম উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। ইন্দিরার আঙুলগুলো যখন অত্যন্ত আদরে ওর অণ্ডকোষের সংবেদনশীল ভাঁজগুলো পরিষ্কার করছিল, ঠিক তখনই সেই শিহরণ জাগানো ছোঁয়ার প্রভাবে ওর ঠিক ওপরেই থাকা সম্পূর্ণ জাগ্রত অঙ্গটি আপনাআপনি কয়েকবার থিরথির করে কেঁপে উঠল। উত্তেজনার চরম সীমায় পৌঁছে সেটি যেন চোখের পলকে আরও কঠিন, আরও স্ফীত হয়ে উঠল, এবং অবচেতনভাবেই মায়ের ওই ফর্সা হাতের উষ্ণতাটুকু পাওয়ার আকুলতায় সামান্য ঝুঁকে এল।

রাহুল নিজের অবাধ্য শরীরের এই প্রকট প্রতিক্রিয়াটা কিছুতেই লুকাতে পারল না, লজ্জায় ওর কান দুটো টকটকে লাল হয়ে গেল। ওর মুখ থেকে বারবার ছোট ছোট, চাপা শ্বাস বেরিয়ে আসছিল।

ছেলের শরীরের এই অনিয়ন্ত্রিত স্পন্দন ইন্দিরার আঙুলের ঠিক নিচেই এক তীব্র উত্তাপ ছড়াচ্ছিল। অণ্ডকোষের চারপাশ পরিষ্কার করতে করতেই, এক অনিবার্য নিয়তির মতো ইন্দিরার ডান হাতের ফর্সা আঙুলগুলো এবার সন্তর্পণে আরেকটু ওপরের দিকে উঠতে লাগল। আর তারপর, এক চরম, রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তে... তিনি তাঁর ডান হাতের সবকটি আঙুল দিয়ে রাহুলের সেই উত্তপ্ত, আরও কঠিন হয়ে ওঠা স্পন্দনশীল পুরুষাঙ্গটিকে সম্পূর্ণভাবে জড়িয়ে ধরলেন।

প্রথম স্পর্শটা ছিল আড়ষ্ট, প্রায় কাঁপতে থাকা। রাহুলের অঙ্গের সেই তীব্র, দবদব করা উত্তাপ ইন্দিরার হাতের তালুতে ছ্যাঁকা লাগার মতো এসে পৌঁছল। তিনি প্রায় আঁতকে উঠে হাতটা একটু আলগা করে নিলেন। তাঁর ফর্সা গালদুটো তখন লজ্জায় আর উত্তেজনায় পুড়ছে।

"সোনা... আমি..." তিনি ঢোক গিললেন, চোখদুটো রাহুলের নত মুখের দিকে স্থির রেখে অত্যন্ত নিচু, জড়ানো গলায় ফিসফিস করে উঠলেন, "আমি জাস্ট... সাবান লাগিয়ে দিচ্ছি... জায়গাটা... পরিষ্কার করতে হবে তো... তুই একদম... একদম নরমাল থাক..."

রাহুল তখন লজ্জায় মাটিতে মিশে যাচ্ছে। চোখ দুটো শক্ত করে বোজা। জলের শব্দের মাঝে ওর গলাটা বড্ড মিনমিনে আর কাঁপানো শোনাল, "হ্যাঁ... মা... তুমি... তুমি জাস্ট... ধুয়ে দাও..."

সাবানের ফেনা আর ঠান্ডা জলের স্রোতে ইন্দিরার হাতের একটা ধীর, আড়ষ্ট ওঠানামা শুরু হলো। প্রথম কয়েকবার হাতটা ওপরে-নিচে হতেই রাহুলের মুখ থেকে একটা চাপা, আকস্মিক গোঙানি বেরিয়ে এল—"উহ্... মা..."। ওর শিরদাঁড়া বেয়ে যেন একটা প্রবল বিদ্যুৎ খেলে গেল।

ছেলের ওই চাপা আর্তনাদ শুনে ইন্দিরা প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেলেও, পরক্ষণেই তাঁর ভেতরের সুরক্ষাদায়ী মাতৃসত্তা প্রবল হয়ে উঠল। তিনি ভাবলেন ছেলেটা বুঝি ভয় পাচ্ছে বা অস্বস্তি বোধ করছে।

"কী হলো সোনা? লাগছে রে খুব?" তিনি খাবি-খাওয়া গলায় জিজ্ঞেস করলেন। "আমি কি... আরও আস্তে করব...?"

"না... মানে... হ্যাঁ... একটু..." রাহুল ঘোরের মধ্যে তোতলাতে তোতলাতে বলল। ওর শ্বাস এখন ছোট আর খাবি খাওয়ার মতো হয়ে আসছে। "মা... আমার কেমন যেন... গুলিয়ে যাচ্ছে সব..."

ইন্দিরার হাতের তালুর ভেতরে রাহুলের সেই অঙ্গের দ্রুত, পাগলাটে স্পন্দনটা এখন আরও স্পষ্ট। তাঁর নিজের শ্বাসও তখন দ্রুত হয়ে এসেছে। ছেলেকে শান্ত করার জন্য তিনি নিজের হাতের গতিটাকে আরেকটু মসৃণ, আরেকটু সাবলীল করলেন। সাবানের পিছল আবেশে ওই ঘর্ষণটা একটা একটানা ছন্দ পেল।

"ইটস ওকে... অত ভাবিস না সোনা... মা তো আস্তে আস্তেই করছে..." ইন্দিরার গলার স্বর এখন একদম ছোট বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর মতো মোলায়েম আর আদুরে হয়ে উঠেছে। "উশশশ... রিল্যাক্স কর সোনা... কিচ্ছু হয়নি... মা তো শুধু পরিষ্কার করে দিচ্ছে আমার ময়লা বাবুটাকে..."

"আহ্... মা... উমমম..." রাহুলের গোঙানিগুলো এখন আর চাপা থাকছে না। ওর গলার ভেতর থেকে ওঠা শব্দগুলো শাওয়ারের জলের শব্দের চেয়েও জোরে শোনা যাচ্ছে। ওর কোমরটা অবচেতনভাবেই ইন্দিরার হাতের দিকে সামান্য এগোতে শুরু করেছে।

ইন্দিরা ওর মাথার চুলে অন্য হাতটা দিয়ে বিলি কাটতে কাটতে আরও গভীর, মাতৃসুলভ আদরে ফিসফিস করতে লাগলেন। "এই তো আমার লক্ষ্মী ছেলে... আহারে, বড্ড কষ্ট হচ্ছে আমার বাবুটার? মা জানে, সোনা... মা সব জানে। জাস্ট মায়ের হাতের ছোঁয়াটা ফিল কর... তুই বড্ড ভালো ছেলে আমার... বড্ড মিষ্টি আমার সোনাটা..."

ইন্দিরার হাতের ছন্দের গতি ক্রমেই বাড়তে লাগল। সাবান আর জলের পিচ্ছিল আবেশে তাঁর নরম আঙুলগুলোর সেই অবিরত ঘর্ষণ রাহুলের অনভিজ্ঞ শরীরটাকে এক চরম প্রান্তিকের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। রাহুলের মুখ থেকে এবার টানা, আর্দ্র গোঙানি বেরোতে শুরু করল—"উফ্... আআহ্... মা... মাগো..."

ছেলের এই অবাধ্য, পাগলপারা শব্দগুলো শুনে ইন্দিরা ওকে আরও একটু কাছে টেনে নিলেন। ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে একদম শিশুর মতো ভুলিয়ে রাখার সুরে বিড়বিড় করতে লাগলেন, "ওহ সোনা রে... আমার ছোট্ট বাবুটা... আমার চাঁদের কণা... একটু ধৈর্য ধর সোনা... মা তো করে দিচ্ছে... এই তো প্রায় হয়ে এসেছে... মা আছে না? মা সব ঠিক করে দেবে সোনা..."

রাহুল আর নিজের ভেতরের অনুভূতিটাকে আটকে রাখতে পারল না। ঘোরের ঘোরে, একটা দীর্ঘ, কাঁপানো শ্বাস নিয়ে ও তোতলাতে তোতলাতে বলে উঠল, "মা... এটা... এটা বড্ড ভালো লাগছে... উমমম... খুব আরাম লাগছে মা..."

রাহুলের মগজের সমস্ত ভাবনা, সমস্ত অঙ্ক আর কেমিস্ট্রির ফর্মুলাগুলো যেন এক লহমায় মুছে গেল। ওর মনে হচ্ছিল ওর শিরদাঁড়া বেয়ে এক প্রবল বিদ্যুতের স্রোত সোজা মাথার তালুতে গিয়ে আছড়ে পড়ছে।

"মা... ওহ মা... আআহ্..." রাহুল এবার প্রায় কেঁদে ওঠার মতো স্বরে গোঙাতে লাগল, শরীরটা কাঁপছে থরথর করে। ওর শ্বাসপ্রশ্বাস এখন চরম দ্রুত আর অনিয়ন্ত্রিত। "মা... আমি... আমি আর দাঁড়াতে পারছি না... আমার পা কাঁপছে মা..."

ইন্দিরা ওর এই চরম অসহায়তা আর সমর্পণ দেখে এক অদ্ভুত, নেশাগ্রস্ত তৃপ্তি পেলেন। তাঁর হাতের ওঠানামা এখন এক নিপুণ, একটানা ছন্দে বাঁধা। "আমি ধরে আছি তোকে... আমি ধরে আছি... কিচ্ছু হবে না সোনা... আমার আদরের রাজপুত্তুর... তোর এই সবটা তো আমারই তৈরি... একটুও ভয় পাবি না... মা আছে তো..."

ওর নিম্নাঙ্গে এক অচেনা, প্রবল চাপ তৈরি হচ্ছিল, এমন একটা অনুভূতি যা ও আগে কখনো এত তীব্রভাবে অনুভব করেনি।

"মা..." রাহুল হাঁপাতে হাঁপাতে, একটা তীব্র ঘোরের মধ্যে অস্ফুট স্বরে ডাকল।

ইন্দিরা নিজের হাতের ছন্দে বিন্দুমাত্র বিরতি না দিয়ে, পরম মমতায় ওর গালে নিজের গালটা ঘষে ফিসফিস করলেন, "হ্যাঁ বাবু... বল আমার মানিক..."

রাহুল চোখ দুটো শক্ত করে বুজে, এক চরম অসহায় আর নিষ্পাপ গলায় খাবি খেতে খেতে বলে উঠল: "মা... আমার মনে হয়... আমার হিসি পাচ্ছে..."

ছেলের এই অভাবনীয়, শিশুসুলভ কথাটা শুনে ইন্দিরা মুহূর্তের জন্য সত্যিই বেশ চমকে গেলেন। এই চরম আদিম উত্তেজনার মুহূর্তে এমন একটা কথা শুনে তিনি সাময়িকভাবে একটু বিভ্রান্ত হয়ে পড়লেন। কিন্তু এই মানসিক বিস্ময়ের মাঝেই, তাঁর হাতের গতি কমার বদলে এক অদ্ভুত, অবচেতন তাগিদে আরও একটু দ্রুত আর নিবিড় হয়ে উঠল।

তিনি অবাক হয়ে, অত্যন্ত নরম এবং ফিসফিস করা গলায় বলে উঠলেন, "অ্যাঁ...? এখন...? সোনা, তুই এখন হিসি করবি...?"

কিন্তু কথাটা বলতে বলতেই নিজের দ্রুত চলতে থাকা হাতের মুঠোয় রাহুলের শরীরের সেই চরম টান আর স্পন্দন অনুভব করে একজন অভিজ্ঞ নারী হিসেবে তিনি ঠিক বুঝতে পারলেন আসলে কী হতে চলেছে।

"ওহ্... এটা তো... "

কিন্তু ইন্দিরার মুখের কথা আর শেষ হলো না। তাঁর হাতের ওই দ্রুত, মসৃণ ঘর্ষণের মাঝখানেই রাহুলের শরীরের ভেতরের সেই অবদমিত আগ্নেয়গিরি সজোরে ফেটে পড়ল।

"আহ্হ্হঃ মাআআআআআ!!!!"

রাহুলের শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। ও এক তীব্র শ্বাস নিয়ে চোখ দুটো শক্ত করে বুজে ফেলল। ওর গলা চিরে একটা অস্ফুট, ভাঙা গোঙানি ছিটকে বেরোলো। আর পরক্ষণেই, ওর পুরুষাঙ্গ থেকে এক উষ্ণ, ঘন, তপ্ত স্রোত প্রবল বেগে ছিটকে বেরিয়ে এল। সেই তপ্ত তরলের প্রথম ঝলকটা সোজা গিয়ে আছড়ে পড়ল ইন্দিরার সাবান মাখা হাতের তালুর ওপর, কিন্তু বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পরবর্তী ঘন ধারাগুলো ছিটকে গিয়ে সজোরে লেপ্টে গেল ইন্দিরার ফর্সা, অনাবৃত, ভেজা পেটের ওপর। বাথরুমের ঠান্ডা জল আর সাবানের ফেনার মাঝখানে রাহুলের শরীরের সেই উষ্ণ, আঠালো তরল ইন্দিরার নাভির চারপাশে এক অদ্ভুত, বন্য বৈপরীত্য তৈরি করল।

ইন্দিরা প্রথম কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেন পাথর হয়ে গেলেন। তাঁর হাতের তালুতে আর নিজের অনাবৃত পেটের ওপর ওই উষ্ণ, ঘন তরলের প্রলেপটা তাঁকে স্তব্ধ করে দিল। তিনি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলেন নিজের পেটের দিকে। কিন্তু পরক্ষণেই এক অবর্ণনীয়, ঘোর লাগা রোমাঞ্চ আর এক অপরিসীম মাতৃসুলভ মমতা তাঁকে গ্রাস করল। তিনি কোনো রকম বিরক্তি বা ঘৃণা না দেখিয়ে, অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে নিজের হাতটা শাওয়ারের জলের ধারার নিচে নিয়ে গিয়ে ধুয়ে ফেললেন এবং হাতের জল দিয়ে নিজের পেটের ওপরটাও আলতো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিলেন।

এদিকে রাহুলের অবস্থা তখন শোচনীয়। ওর সারা জীবনের রুটিন ছিল কেবলই বইয়ের পাতা আর পড়াশোনার সিলেবাস। ওর এই উনিশ বছরের জীবনে ও কখনও সচেতনভাবে, জেগে থাকা অবস্থায় এই চরম শারীরিক স্খলনের স্বাদ পায়নি। হয়তো ঘুমের ঘোরে এক-আধবার স্বপ্নদোষ হয়েছিল, কিন্তু বাস্তব জীবনে একজন নারীর হাতের স্পর্শে এই প্রবল, সর্বগ্রাসী তৃপ্তির বিস্ফোরণ ওর কাছে সম্পূর্ণ অজানা ছিল। কিন্তু রাহুল অত্যন্ত মেধাবী ছেলে; হিউম্যান বায়োলজি সম্বন্ধে ওর জ্ঞান কম কিছু নয়। ও খুব ভালো করেই বুঝতে পারছিল যে এইমাত্র বায়োলজিক্যালি ঠিক কী ঘটনা ঘটে গেল।

এই চরম তৃপ্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এক গভীর, অসহনীয় ক্লান্তি আর তার সাথে এক তীব্র, বুক-কাঁপানো লজ্জা ওকে গ্রাস করল। ও এইমাত্র নিজের মায়ের হাতের ওপর নিজের স্খলন ঘটিয়েছে! লজ্জায় ওর মাথাটা আপনাআপনি বুকের কাছে ঝুঁকে পড়ল। ওর হাঁটু দুটো কাঁপছিল, মনে হচ্ছিল এখনই হয়তো মেঝেতে পড়ে যাবে।

ইন্দিরা বুঝতে পারলেন রাহুলের অবস্থা। তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে এগিয়ে গিয়ে রাহুলকে নিজের বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর ভেজা, নগ্ন শরীরটা ওর ক্লান্ত শরীরের জন্য এক পরম আশ্রয় হয়ে উঠল। তাঁর নিজের ভেতরের নারীসত্তাও তখন এক তীব্র, অবদমিত উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপছে, বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছে। তিনি রাহুলের ভিজে চুলে ঘন ঘন, গভীর চুমু খেতে খেতে অত্যন্ত ভারী, নেশাগ্রস্ত আর আদুরে গলায় তোতলাতে তোতলাতে ফিসফিস করলেন:

"উশশশ... ইটস ওকে... ইটস ওকে, সোনা আমার... একটুও ঘাবড়াস না বাবু... একদম... একদম ঠিক আছে..." তাঁর গলাটা উত্তেজনায় বুজে আসছিল, কথার মাঝে ছোট ছোট শ্বাস নিচ্ছিলেন তিনি। "এটা... এটা একদমই ন্যাচারাল রে মানিক... এতে ভয় পাওয়ার... বা মায়ের কাছে লজ্জা পাওয়ার... কিচ্ছু নেই... উমম... একটুও লজ্জা পাবি না..."

তিনি নিজের গালটা রাহুলের কপালের সাথে ঘষে, ওকে আরও একটু ওমের ভেতর টেনে নিয়ে কাঁপানো গলায় বিড়বিড় করলেন, "মা... মা তো তোর কাছেই আছে... তাই না? আমি... আমি সব... সব সামলে নেব... তুই জাস্ট রিল্যাক্স কর... আমার মিষ্টি বাবুটা..."

রাহুল মায়ের কাঁধে মুখ গুঁজে শুধু হ্যাঁ-সূচক একটা ছোট শ্বাস ফেলল। ওর শরীর তখন চরম ক্লান্তিতে নেতিয়ে পড়েছে।

ইন্দিরা ওর মুখের দিকে তাকালেন। রাহুলের চোখের পাতাগুলো ভারী হয়ে এসেছে, মুখের রেখায় এক তীব্র অবসাদ। ইন্দিরার খুব ইচ্ছে করছিল ছেলেটাকে আরও কিছুক্ষণ নিজের কাছে আটকে রাখতে, এই নিষিদ্ধ নৈকট্যের ঘোরটাকে আরও একটু প্রলম্বিত করতে। কিন্তু ছেলের এই ক্লান্ত, বিধ্বস্ত রূপ দেখে তাঁর মাতৃসত্তা বাধা দিল।

"তোর বড্ড ক্লান্তি লাগছে, তাই না সোনা?" ইন্দিরা রাহুলের কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেয়ে বললেন। "ঠিক আছে... তুই... তুই বরং এখন যা। ভালো করে গা মুছে জামাকাপড় পরে নিজের ঘরে যা। একটু রেস্ট নে। মাথাটা ভালো করে মুছিস কিন্তু। আমি স্নানটা সেরে আসছি। ঠিক আছে সোনা?"

ইন্দিরা এক সেকেন্ড থেমে আবার বলে উঠলেন, "ওহ হ্যাঁ, রান্নাঘরে দেখবি কয়েকটা কলা রাখা আছে, পারলে দুটো খেয়ে নে। খালি পেটে থাকিস না সোনা, ওকে? আর, একটু বেশি করে জল খাস..."

রাহুল কোনোমতে মাথা নেড়ে সায় দিল। ও আস্তে আস্তে মায়ের আলিঙ্গন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে শাওয়ার কিউবিকল থেকে বাইরে পা রাখল। রডের ওপর মেলে রাখা নিজের তোয়ালেটা টেনে নিয়ে এলোমেলোভাবে গা মুছে নিল। তারপর কোনোমতে নিজের সাদা টি-শার্ট আর শর্টসটা গলিয়ে নিয়ে ও বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল। ও চৌকাঠ পেরিয়ে করিডোরে পা রাখতেই পেছন থেকে দরজার লকে একটা মৃদু 'ক্লিক' শব্দ শোনা গেল। ইন্দিরা ভেতর থেকে বাথরুমের দরজাটা লক করে দিলেন।

করিডোরের হাওয়াটা ওর গায়ে লাগতেই ওর কিছুটা ঘোর কাটল। ও ধীর পায়ে নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকল। শরীরের ভেতরের সেই প্রবল বিস্ফোরণের পর এক অদ্ভুত শূন্যতা আর ক্লান্তি ওকে গ্রাস করেছিল। ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ও ভেজা চুলগুলো চিরুনি দিয়ে কয়েকবার আঁচড়ে নিল। টেবিলের ওপর রাখা ওয়াটার ফ্লাস্ক থেকে এক গ্লাস জল ঢেলে এক চুমুকে খেয়ে নিল ও। বুকের ধুকপুকানিটা এখন কিছুটা শান্ত হয়েছে। মায়ের কথা মনে পড়ল ওর—মা খেয়ে নিতে বলেছে। সত্যিই ওর পেটের ভেতরটা কেমন যেন খালি খালি লাগছিল, এক তীব্র ক্ষুধা চাগাড় দিয়ে উঠেছে।

রাহুল ঘর থেকে বেরিয়ে রান্নাঘরের দিকে যাওয়ার জন্য আবার করিডোরে পা রাখল। দুপুরবেলার পুরো বাড়িটা এক গভীর নিস্তব্ধতায় ডুবে আছে।

কিন্তু কয়েক পা এগোতেই ওর পা দুটো হঠাৎ থমকে গেল। করিডোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে একটা অদ্ভুত, চাপা শব্দ ভেসে আসছিল। শব্দটা আসছে মায়ের বাথরুমের দিক থেকে। শাওয়ারের জলের একটানা ঝমঝম শব্দের আড়ালে অন্য একটা শব্দ—এক অদ্ভুত, দ্রুত ও ছান্দিক জলের ঝাপটানি, আর তার সাথে একটা খাবি খাওয়া, অস্ফুট গোঙানি। "উমমম... উফ্..."

রাহুল ভুরু কুঁচকাল। ওর ক্লান্ত, অনভিজ্ঞ মগজ প্রথমে শব্দটার অর্থ বুঝতে পারল না। মা কি কাঁদছে? বাথরুমের ভেজা মেঝেতে পা পিছলে পড়ে গিয়ে কোথাও ব্যথা পেল? এক বুক উদ্বেগ নিয়ে ও নিঃশব্দ পায়ে বাথরুমের বন্ধ দরজার দিকে এগিয়ে গেল।

দরজার খুব কাছাকাছি আসতেই শব্দগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওর কানে আছড়ে পড়ল। না, এটা কোনো কান্নার বা ব্যথার শব্দ নয়। এটা এক রুদ্ধশ্বাস, বেপরোয়া আর তীব্র সুখের গোঙানি।

"আহ্... আআহ্... উমমম..."

ইন্দিরার গলা কাঁপছিল এক তীব্র, বন্য যন্ত্রণায় আর চরম তৃপ্তিতে। রাহুলের উনিশ বছরের মগজ হয়তো মেয়েদের এই চরম শারীরিক তৃপ্তি লাভের যান্ত্রিক খুঁটিনাটিগুলো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারছিল না, কিন্তু ওই বাথরুমের ভেতর থেকে ভেসে আসা একজন নারীর ওই আদিম, উদ্দাম সুখের শব্দগুলো বোঝার জন্য খুব বেশি অভিজ্ঞতার প্রয়োজন ছিল না। ওর মা... ওর সেই প্রাজ্ঞ, রাশভারী, গম্ভীর মা ওই বন্ধ দরজার ওপারে একা দাঁড়িয়ে নিজের সাথে ঠিক কী করছেন, তার একটা সুনির্দিষ্ট ও জ্বলজ্বলে ছবি রাহুলের চোখের সামনে ভেসে উঠল।

লজ্জায় আর এক অদ্ভুত, নিষিদ্ধ উত্তেজনায় রাহুলের কান দুটো গরম হয়ে উঠল। ওর মনে হলো এই মুহূর্তে এখান থেকে চলে যাওয়া উচিত, মায়ের এই একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে এভাবে আড়ি পাতা ঠিক নয়। ও পা বাড়িয়ে চলে যেতে চাইল, কিন্তু ওর পা দুটো যেন মেঝের সাথে সেঁটে গেছে। একটা অজানা সম্মোহন ওকে দরজার বাইরে আটকে রাখল।

আর ঠিক তখনই... জলের ঝমঝম শব্দের আড়াল থেকে একটা স্পষ্ট ধ্বনি ওর কানে এল।

"উফ্... রাহুল..."

রাহুলের বুকের ভেতর হৃৎপিণ্ডটা যেন এক লহমায় থমকে গেল। ওর শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল। ও কি ভুল শুনল? ও নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। শ্বাস আটকে, কান খাড়া করে ও আরও গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করল।

ভেতর থেকে ইন্দিরার সেই তৃষ্ণার্ত, পাগলপারা গলা এবার আরও স্পষ্ট, আরও নির্লজ্জ হয়ে ভেসে এল।

"আহ্ সোনা... হ্যাঁ... আমার বাবুটা... উফ্ রাহুল... তোর ওই... আমাকে... আআহ্... হ্যাঁ... কর সোনা... আমার সোনা ছেলে... ওহ্..."

রাহুলের পায়ের তলার মাটি যেন দু-ভাগ হয়ে গেল। মগজের ভেতরটা একটা প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল, আর কানের কাছে যেন হাজারটা ঘণ্টা একসাথে বাজতে শুরু করল। বন্ধ দরজার ওপারে, শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে ওর মা নিজের নারীশরীরের চরম তৃপ্তি খুঁজছেন—আর সেই চরম, আদিম মুহূর্তে তাঁর ঠোঁটে, তাঁর ভাবনায়, তাঁর প্রতিটি রুদ্ধশ্বাস গোঙানিতে মিশে আছে শুধু ওর নাম! শুধু রাহুল!
Reply


Messages In This Thread
The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-01-2026, 01:31 PM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:46 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:47 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:48 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 05:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:43 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:49 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:51 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:54 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:56 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:58 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:00 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:01 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:05 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-02-2026, 09:06 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:02 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 06:04 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:55 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:57 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM
RE: The Barter System (By:andygarfield) - by Bad Boy - 09-05-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)