Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ
#1

যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ 

লেখক : ক্লান্ত পথিক 

প্রথম পর্ব 

"এইটা কি বাবার ডায়েরি? সত্যি বল তো, তুই এটা কোথায় খুঁজে পেয়েছিস?"

আমি আমার ছোট বোন চন্দ্রাকে জিজ্ঞেস করলাম। আমরা তখন ড্রয়িংরুমের পুরনো একটা কাঠের আলমারির পাশে বসে ধুলোবালি মাখা কিছু পুরনো খাতা আর চিঠিপত্রের স্তূপ ঘাঁটছি। বাইরের আকাশটা একটু মেঘলা হয়ে এসেছে, জানলা দিয়ে আসা হালকা বাতাসে ঘরের ভেতরে একটা পুরনো কাগজের গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে। এই ঘরটা আমাদের বাড়ির সবচেয়ে শান্ত জায়গা, যেখানে সময় যেন একটু ধীরে চলে।

আমি ওর হাতের ডায়েরিটা নিয়ে একটু উল্টে দেখলাম। খাতার পাতাগুলো হলদে হয়ে গেছে, কিছু জায়গায় কালির লেখা ঝাপসা। আমার বাবা, হিল্লোল সেন, তাঁর ডায়েরিতে অনেক কিছু লিখে রেখেছিলো । তাঁর লেখাগুলোর মাঝে যেমন ছিল গভীর আবেগ, তেমনি ছিল এক ধরনের অনিশ্চয়তা। বাবা যখন এই ডায়েরিটা লিখেছিলো, তখন বাবা জানতো না যে জীবন তাঁকে কোন মোড়ে দাঁড় করাবে, তার জীবনটা কতটা কঠিন হতে চলেছে।

আমার নাম অয়ন সেন। আমাদের বাড়ি পদ্মা নদীর চরবর্তী এলাকার এক ছোট শহরে।  আমার মা, অহনা সেন । ছোটবেলা থেকেই আমি দেখেছি, আমাদের বাড়িতে ধর্মীয় সংস্কৃতি খুব ভালোভাবে পালিত হয়। আমাদের বাড়ি পুজোর সময় শাঁখের আঁওয়াজ, ফুলের মিষ্টি গন্ধ আর খাবারের সুঘ্রাণে ভরে ওঠে । কিন্তু এই যে শান্ত ও সুন্দর জীবন আমরা আজ কাটাচ্ছি, এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক ঝড়ের ইতিহাস।

ডায়েরির পাতায় চোখ বোলাতে বোলাতে আমি সেই কথাগুলোর মুখোমুখি হলাম, যা আমার বাবা কখনও মুখে বলেনি। বাবা তার যৌবনকালে যখন প্রথম আমার মা অহনাকে দেখে তখন তার রূপে মুগ্ধ হয়ে তার প্রেমে পড়ে যায় । তাকে কাছে পাওয়ার জন্য নানা উপায় অবলম্বন করে শেষমেষ তাকে বাড়ি থেকে পালিয়ে নিয়ে যায় । বাবা ছিলো এক সাধারণ পরিবারের ছোট ছেলে, আর মা ছিলো এক ধনী পরিবারের মেয়ে। সেই সময়ে দুইজন মানুষের প্রেম করা মানেই ছিল এক সামাজিক যুদ্ধ। তারা জানতো যে দুই পরিবারের কেউই এই সম্পর্ক মেনে নিবেনা,বিশেষ করে আমার মায়ের পরিবার। তাই গ্রামের বাড়ি ছেড়ে তারা এইখানে পালিয়ে আসে । তাদের খুঁজতে পুলিশ নিয়ে আসলেও দুইজনই প্রাপ্তবয়ষ্ক হওয়ায় বাধ্য হয়ে সবাইকে ফিরে যেতে হয় । দাদু ঠাকুরমা বাবাকে খুব ভালোবাসলেও এই ঘটনার জন্য তাকে ত্যাজ্যপুত্র করে দেয় । দাদু দীদার ছেলে না থাকায় তারা সব সম্পত্তি আমার মাসিকে দিয়ে মায়ের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলে। 

তাঁরা যখন পালিয়ে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন, তখন মায়ের বয়স ১৯ বছর । মা তার সাথে বেশকিছু গয়না নিয়ে এসেছিলো যা দিয়ে বাবা ব্যবসা শুরু করে। তাদের একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ছিলো । সেই বিশ্বাসের জোরেই তারা আমাদের এই পরিবার গড়ে তোলে । 

চন্দ্রা আমার কাঁধে মাথা রেখে ডায়েরির লেখাগুলো পড়ার চেষ্টা করছিল। আমরা দুজনেই স্তব্ধ হয়ে ভাবছিলাম, যে মা-বাবাকে আমরা আজ এতোটা যত্ন করে পেয়েছি, তাঁদের জীবনটা শুরুর দিকে কতটা অনিশ্চিত ছিল।


মায়ের বয়স এখন পঁয়তাল্লিশের কাছাকাছি, সময়ের সাথে সাথে তাঁর ব্যক্তিত্ব যেন আরও ফুটে উঠেছে । দুধসাদা ফর্সা গায়ের রং আর কোমরের নিচ পর্যন্ত নেমে আসা ঘন কালো চুলের সেই আভিজাত্য এখনও অম্লান। পরিবার ছেড়ে আসার পরও মা পড়াশোনা চালিয়ে গেছে বলে মা এখন একজন নামকরা প্রাইভেট কলেজের শিক্ষিকা, তাই তাঁর হাঁটা-চলা আর কথা বলার মধ্যে একটা অদ্ভুত গাম্ভীর্য থাকে। মা যখন শাড়ির আঁচল সামলাায়, তখন তাঁর ভারী ও নরম দুধগুলো স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠে ।৩৬ ডিডি সাইজের দুধগুলো টাইট ব্রা পরে থাকার কারণে ফোলা ফোলা হয়ে থাকে।  তাঁর শরীরটা বেশ ভরাট; চল্লিশ ইঞ্চির কাছাকাছি চওড়া গোলগাল পাছাটা হাঁটার সময় তরঙ্গের মতো দুলে উঠে যা দেখলে বুড়ো যুবক সবার বাড়া দাড়িয়ে যাবে । 

বাবা বর্তমানে এখন একজন বড় ব্যবসায়ী, কিন্তু কাজের চাপে বছরের বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। কিছুদিন আগেই ব্যবসার কাজে বাবা দুইমাসের জন্য অন্য শহরে গেছে। ফলে এই বিশাল বাড়িতে আমরা তিনজনই থাকি—মা, ছোট বোন মাঈশা আর আমি। আমি এখন বাবার ব্যবসাতেই যোগ দিয়েছি। এই শহরে ব্যবসার কাজের দেখাশোনা করি। চন্দ্রা ও কলেজে উঠেছে,  ওর রূপও কম নয়। মায়ের মতো ফর্সা না হলে মুখের গড়ন খুব সুন্দর । আর এই বয়সেই দুধ আর পাছার যে সাইজ, হাঁটার সময় ওর পাছার মাংসল দাবনাগুলো লাফাতে থাকে । পাড়ার ছেলেগুলো ঢ্যামনার মতো পিছে পিছে ঘুরে বেড়ায় । বাবার অনুপস্থিতিতে মা-ই আমাদের সব। মা আমার সাথে খুবই খোলামেলা, আমার সব বিষয়েই তার সাথে কথা বলি ।মা খুব শান্ত মহিলা হলেও বাবার দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতি মা-র মনে এক ধরনের নিঃসঙ্গতা তৈরি করেছে, তাকে চঞ্চল করে তুলেছে । চন্দ্রার জন্মের পর থেকেই আমার বাবা মায়ের মধ্যে ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। বাবা মনে করতো অন্য কোনো লোকের সাথে মায়ের সম্পর্ক আছে কিন্তু মা তাকে এই ব্যাপারে কোনো কিছুই বুঝাতে পারেনি । ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। একসময় যারা একে অন্যের জন্য বাড়ি ছেড়েছিলো এখন তাদের একজনের সাথে অন্যজনের ঠিকমতো কথাই হয়না । মাঝেমাঝে রাতে আমরা যখন ডাইনিং টেবিলে বসে গল্প করি, আমি খেয়াল করি মা-র দৃষ্টি জানলার বাইরে  শূন্যতায় মিশে যাচ্ছে। হয়তো মা তখন তাঁর সেই পুরনো দিনগুলোর কথা ভাবে, আর একরাশ শূণ্যতাকে খুব তীব্রভাবে অনুভব করে । 

সব ঠিকঠাকই ছিলো কিন্তু একদিন হঠাৎ করে আমার শরীরটা কেমন যেন ভারী হতে শুরু করল, আর মাঝেমধ্যে মনে হতো চারপাশের সবকিছু বনবন করে ঘুরছে। প্রথমে ভাবলাম হয়তো কাজের চাপের জন্য বা রাতে ঠিকমতো না ঘুমানোর ফল, কিন্তু সমস্যাটা দ্রুত বাড়ল। হঠাৎ করেই শরীর প্রচন্ড গরম হয়ে যেতো আর মাথা ঘুরতো, দম বন্ধ হয়ে আসতো । কখনো ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে থাকার সময়, কখনো  খাবার টেবিলে বা বাড়ির বাহিরে । মা খুব চিন্তিত হয়ে পড়লো । তাঁর সেই শান্ত গাম্ভীর্য ভাব হারিয়ে গেলো । সবসময় আমাকে দেখে দেখে রাখতে লাগলো । 

শহরের বড় বড় ডাক্তার দেখালাম, রক্ত পরীক্ষা করলাম, ইসিজি করালাম, বুকের এক্সরে করালাম,  সব রিপোর্টই স্বাভাবিক। ডাক্তাররা বললেন, সম্ভবত এইটা শরীরের দূর্বলতা জনিত কোনো সমস্যা ।  কিন্তু ওষুধের ভিড়েও কোনো লাভ হলো না; মাথা ঘোরানোর তীব্রতা বরং বাড়ছিল। একদিন বিকেলে যখন আমি প্রায় অচেতন হয়ে পড়তে লাগলাম, মা আমাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো । আমি মাকে বললাম - 
আমি - মা তুমি এত চিন্তা করছো কেন। ডাক্তার তো বলেছে এইটা বড় কোনো সমস্যা নয়, আমি ঠিক হয়ে যাবো । 
কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। অবশেষে মা কোথা থেকে জানি এক কবিরাজের খোঁজ পেলো । কবিরাজ থাকে শহরের বাইরে এক নির্জন গ্রামের প্রান্তে। 
মা আমাকে বললো - 
মা - এক কবিরাজের খোঁজ পেয়েছি। সে তোকে ঠিক করতে পারবে । আগামীকাল আমরা যাবো ওই কবিরাজের বাড়িতে । 
আমি - এইসব কি বলছো মা, এই যুগে কেউ কবিরাজের থেকে চিকিৎসা নেয় । ওইসব লতা পাতা খেতে পারবো না আমি , কি দিবে না দিবে কে জানে । 
মা( রাগী গলায়)  - চুপ কর তো, আগে থেকে এইসব বলিস না। বিশ্বাস করতে শেখ । আমি শুনেছি ওই কবিরাজ অনেক ভালো, বহুদিন থেকে অনেক রোগের চিকিৎসা করে আসতেছে । 
আমি বুঝলাম মাকে এখন কিছুতেই কিছু বুঝানো যাবে না । আমাকে ঠিক করার জন্য মা সব করতে পারে । মায়ের দিকে তাকিয়ে আমি বললাম
-আচ্ছা ঠিক আছে । আগামীকাল যাবো । 
  
পরেরদিন মা আর আমি রওনা দিলাম সেই গ্রামের উদ্দেশ্য , ধীরে ধীরে সেই নির্জন গ্রামে ঢুকলাম । গ্রামে বসতি খুব কম, অল্প কয়েকটা বাড়ি আর ঝোঁপঝাড় । পুরোনো ভাঙা মন্দির, কচুরিপানা ভর্তি পুকুর আর রাস্তায় দুএকটা মানুষ দেখতে পেলাম যারা অদ্ভুতভাবে আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিলো । কবিরাজের বাড়ি চিনি না বিধায় গ্রামের এক লোকের থেকে খোঁজ নিয়ে সেই কবিরাজের বাড়িতে ঢুকলাম । এটাকে ঠিক বাড়ি বলা যায় না, ভাঙাচোরা ছোট্ট দুইটা ঘর । তার একটা কবিরাজ বসে ছিলো । 
 মা তখন এক এক করে আমার সমস্যার কথা বলতে লাগলো আর সেই কবিরাজ কোনো প্রশ্ন না করে শুধু আমার শারীরিক লক্ষণ শুনে কিছুক্ষণ ভাবতে লাগলেন । তারপর আমাকে ডাকলেন... 

কবিরাজ - এদিকে আয় তো বাবা । আমার সামনে এসে বস। 

আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম । কবিরাজ আমার নাড়ির স্পন্দন পরীক্ষা করলেন এবং আমার চোখের মণির দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালেন। তারপর পাশের ঘর থেকে কিছু শুকনো পাতা আর গাছের ছাল নিয়ে এসে সেইগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে বেটে তৈরি করলেন এক গাঢ় রঙের তরল ঔষধ । তারপর সেই ঔষধ আমার হাতে দিয়ে বললেন
-এই ঔষধটা তোর শরীরের ভেতরে জমে থাকা শক্তি যা বের হতে চাচ্ছে কিন্তু বের হতে পারতেছে না তাকে পুরো শরীরে মিলিয়ে দিবে । তবে এর প্রতিক্রিয়া খুব তীব্র হতে পারে। অল্প পরিমানে আগামী সাতদিন ঔষধ খাবি, তারপর বাকিসব ওপরওয়ালার ইচ্ছা ।  

আমরা তাকে কিছু টাকা দিয়ে চলে এলাম বাড়িতে । সেই ঔষধটা খেয়ে আমি আশ্চর্যজনকভাবে কয়েকদিনেই সুস্থ হয়ে গেলাম। মাথা ঘোরানো একদম বন্ধ হয়ে গেল, আর শরীরের সেই অদ্ভুত ভারি ভাবটা কেটে গিয়ে এক ধরনের নতুন শক্তির সঞ্চার হলো। কিন্তু সুস্থতার সাথে সাথে শুরু হলো এক অদ্ভুত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। আমি অনুভব করলাম, আমার ভেতরে এক আদিম এবং অদম্য যৌন উত্তেজনা দানা বাঁধছে। আগে যা ছিল কেবল যৌবনের সাধারণ কৌতূহল, তা এখন হয়ে উঠল এক তীব্র তৃষ্ণা। দিনের বেশির ভাগ সময় আমার বাড়া শক্ত হয়ে থাকত, প্যান্টের ভেতরে একটা অস্বস্তিকর চাপ অনুভব করতে শুরু করলাম । এ থেকে মুক্তি পেতে আমি বারবার হ্যান্ডেল মারতে শুরু করলাম, কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, যতবারই হস্তমৈথুন করতাম, তৃপ্তি পাওয়ার বদলে উত্তেজনা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যেত। মনে হচ্ছিল, আমার শরীরের ভেতর এক আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত হচ্ছে , যা কোনোভাবেই শান্ত করা যাচ্ছে না।

এই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল আমার মা। মাকে যখন বাড়ির মধ্যে ঘুরতে দেখলাম তখন আমার চোখ পড়ল মার বুকের দিকে মায়ের বড় বড় দুধের উপর । সঙ্গে সঙ্গে অদ্ভুত সেই শিহরনটা ছড়িয়ে পড়ল আমার সমস্ত শরীরে। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত চেয়ে রইলাম মার উঁচু উঁচু খাড়া খাড়া দুধ দুটোর দিকে। মনে মনে আমি কল্পনা করতে লাগলাম, মায়ের ওই ব্লাউজের নিচে থাকা দুধগুলো কতই না নরম হবে ।  মায়ের  দুধসাদা গায়ের রং আর কোমরের নিচ পর্যন্ত নেমে আসা চুলের ভিড়ে তাঁর শরীরটাই কতটা নরম হবে। মায়ের সেই চওড়া গোলগাল পাছাটা শাড়ির ভেতর দিয়ে দুলছে আর এইদিকে আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে । কামবাসনা আমাকে এমনভাবে গ্রাস করে নিয়েছে যে আমি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি । নিজের মায়ের ব্যাপারে এমনটা ভাবা ঠিক না তাও বারবার মাকে দেখে আমি এইসবই ভাবছি । মনে মনে ভাবছি যদি একবার সুযোগ পাই, মায়ের ওই ভারী পাছায় দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে তাঁকে বিছানায় ফেলে দিই। জানোয়ারের মতো করে তার শরীরটা ভোগ করি । 

আমার কল্পনাগুলো দিনদিন আরও নোংরা হয়ে উঠতে লাগলো । আমি মনে মনে পরিকল্পনা করতে লাগলাম কীভাবে মাকে রুমে নিয়ে গিয়ে দরজাটা ভেতর থেকে লক করে দেব। তারপর মায়ের ওই দামি শাড়িটা এক ঝটকায় খুলে সরিয়ে দিয়ে তাঁর সামনেই তাঁর শরীরটা একদম ল্যাংটো করে ফেলবো।  তাঁর ওই বড় বড় দুধ দুটোর মাঝে মাথা গুঁজে চিৎকার করে বলব যে আমি তাঁকে কতটা কামনা করি। মায়ের ওই রসে ভিজে থাকা গুদের ভেতরে আমার শক্ত হয়ে যাওয়া ধোনটা একঠাপে পক করে ঢুকিয়ে দেব। তাঁর প্রতিটি গোঙানির সাথে সাথে আমি আরও জোরে ধাক্কা মারব, যতক্ষণ না মায়ের শরীরটা সুখের চোটে কাঁপতে শুরু করে। এই নোংরা চিন্তাগুলো যখন তখন আমার মাথায় ঘুরতে লাগলো । 

একদিন দুপুরে যখন মা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন আর চন্দ্রা কলেজে তখন আমি চুপিচুপি মায়ের ঘরে গেলাম। আমি তখন লুঙ্গি পরা ছিলাম। দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে যা দেখলাম, তাতে আমার মাথা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেল। মা অঘোরে ঘুমাচ্ছে, কিন্তু ঘুমের অগোচরেই তাঁর শাড়িটা বুক থেকে সরে গেছে আর পেটিকোট বেশ কিছুটা উপরে উঠে গেছে । মা পেটিকোটের ভিতরে আর কিছু পড়েনি তাই আমি জীবনের প্রথমবার মায়ের শরীরের সেই গোপন স্থান যেইখান দিয়ে আমি এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছি তা খুব কাছ থেকে দেখতে পেলাম । এত সুন্দর ফোলা একটা গুদ যা দেখতে ফুলের পাপড়ির মতো লাগছিলো আর তার উপরের দিকে ছোট ছোট কালো চুল সুন্দর করে ছাঁটাই করা । এই দৃশ্য দেখে আমার শরীর আগুনের মতো জ্বলতে লাগলো। আমি বিছানার কিনারায় মাথা নিচু করে বসলাম আর নিশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করতে লাগলাম মা কখন পাশ ফিরবে। 

কিছুক্ষণ পর মা যখন অন্য দিকে কাত হলো, আমি সুযোগ বুঝে খুব সাবধানে তাঁর পেটিকোটটা আরও একটু উপরে তুললাম। উত্তেজনার চরম সীমায় পৌঁছে আমি আমার লুঙ্গিটা খুলে একপাশে ফেলে দিলাম। আমার শক্ত হয়ে যাওয়া ধোনটা তাঁর দুই পায়ের ফাঁকে, সেই উষ্ণ মাংসল অংশের স্পর্শে লাগালাম। উফ্, কী এক অদ্ভুত অনুভূতি! মনে হচ্ছিল আগুনের সাথে আগুনের মিলন হচ্ছে। মা যেন এক জীবন্ত গরম আগ্নেয়গিরি, যার শরীর থেকে এক অদ্ভুত উষ্ণতা বেরোচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে মা আবার চিত হয়ে পড়লো আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না,  বিছানায় উঠে তাঁর বুকের নরম দুধের উপর হাত দিলাম। আমার শরীর তখন ল্যাংটা । মাকে দুধ ছুতেই মায়ের গা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠলো,  মনে হলো মা জেগে যেত পারে তাই দ্রুত সেখান থেকে নেমে নিজের রুমে চলে এলাম। সারা রাত আমি ঘুমাতে পারিনি, কেবল মায়ের সেই শরীরের ছবিটা চোখের সামনে ভাসছিল।
Reply


Messages In This Thread
যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:40 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:41 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:42 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:44 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)