Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ
#2

দ্বিতীয় পর্ব 

রাতে বিছানায় শুয়ে আছি কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছে না আর তার উপর বারবার মায়ের কথা মাথায় আসছে । মায়ের শরীরে আমার জন্ম দ্বার আছে মায়ের সেই ফোলা ফোলা ❀ ফুলের পাপড়ির মতো গুদ। একদম চোখের কাছে নিয়ে এসে মন ভরে না দেখলেও যতটুকু দেখেছি তাতেই আমার বাড়া ঠাটিয়ে কলাগাছ হয়ে গেছে । শরীরের উত্তেজনায় বাড়ার মাথায় ব্যাথা শুরু হলো । আর কোনো উপায় না দেখে মায়ের কথা ভাবতে ভাবতে হাত মারা শুরু করলাম । প্রথমে রুমেই একবার হাত মেরে শুয়ে পড়ার চেষ্টা করলাম । কিন্তু তাতেও লাভ হলো না । ভাবলাম বাথরুম গিয়ে স্নান করে আসি । ঘর থেকে চলে আসলাম বাথরুমে । স্নান শুরু করলাম কিন্তু শাওয়ারের ঠান্ডা জলেও আমার শরীররে উত্তাপ কমছিলো না । তাই আবারও একবার শুরু করলাম হাত মারা ।  প্রতিবার যখন আমার হাতের আঙুলগুলো বাড়ার গোড়ার দিকে আসছিলো আমার মনে হচ্ছিলো আমি মায়ের গুদের গভীরে বাড়া ভরে প্রচন্ড এক ঠাপ দিয়েছি । আবার যখন আঙুলগুলো বাড়ার মাথার দিকে যাচ্ছিলো তখন মনে হচ্ছিলো মায়ের গুদ থেকে বাড়া টেনে বের করছি । সবশেষে মায়ের গুদে মাল ঢালছি ভেবে বাথরুমের ফ্লোরে মাল ঢেলে দিলাম । এরকম করার পর শরীরের উত্তাপ আর মনের কামবাসনা পুরোপুরি না কমলেও কিছুক্ষণের জন্য শান্ত হলো । তখনই বাইরে পায়ের শব্দ হলো, আমি তাড়াতাড়ি একটা টাওয়েল পড়ে বাথরুম থেকে বের হতেই দেখি দরজার বাহিরে মা দাড়িয়ে আছে । আমি তো তাড়াহুড়ায় দরজাও লাগিয়ে দিইনি, মা কি কিছু দেখে ফেলেছে নাকি । আমাকে স্নান করে বের হতে দেখে মা আমার পুরো শরীরে একবার চোখ বুলিয়ে নিলো । আমার শরীরের পেশিগুলো তার চোখের সামনে ফুটে উঠলো । কয়েক মুহূর্ত আমার ভেজা শরীরটার দিকে তাকিয়ে থেকে মা বললো, 


মা (সন্দেহের সুরে)  - এত রাতে স্নান করলি যে? ঠান্ডা লেগে যাবে তো । 
আমি - আসলে মা অনেক গরম পড়েছে তো । ঘুম আসছিলো না গরমের জন্য, তাই স্নান করলাম । তুমি এখানে কি করছো? কখন এসেছো? ঘুমাওনি কেন এখনো? 
মা বললো - আমি তো এইমাত্র ঘুম থেকে উঠে আসলাম । খুব বাথরুম পেয়েছে। আমার ঘরের বাথরুমে জল আসছে না । তাই এখানে আসলাম কিন্তু এসে দেখি এই বাথরুমের দরজা বন্ধ । এখন সর তো, আমি বাথরুমে যাবো । 
এই বলে মা বাথরুমে চলে গেলো । আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম যে যাক, মা অন্তত আমাকে ওই অবস্থায় দেখেনি । অবশ্য দেখলেও তো বুঝতে পারতো না যে তার কথা ভেবে ভেবে হাত মারছিলাম । নিজের রুমে চলে যাবো এমন সময় বাথরুমের দরজার দিকে চোখ পড়লো, মা দরজার ছিটকিনি লাগাতে ভুলে গেছে, শুধু দরজাটা কোনোরকমে লাগিয়ে দিয়েছে । আমার মনে এক দুষ্টু বুদ্ধি জন্ম নিলো । মা কিভাবে বাথরুম করে একবার দেখি । হালকা করে দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজাটা একটু ফাঁকা করলাম যাতে কোনো শব্দ না হয় । ভিতরে যা দেখলাম তাতে আমার বাড়া আবারও ফুলে লাফিয়ে উঠলো । মা তার পেটিকোট সহ শাড়ি একদম কোমর ওবধি তুলে মেঝের উপর বঙ্গাসনে বসে কলকল করতে মুতছে আর সেই মুতের জল মেঝেতে ছিটকে ছিটকে পড়ছে । যেন মনে হচ্ছে পাহাড়ের উপর থেকে ঝর্ণার মিষ্টি জল পড়ছে । মায়ের মুতের জল সজোরে সেইখানেই পড়ছে যেখানে আমি বাড়ার মাল ফেলেছিলাম । আমি তো মালগুলো জল দিয়ে ধুয়ে ফেলেছি কিন্তু যদি দু এক ফোটা মেঝেতে লেগেও থাকে তাহলে মায়ের মুতে তা একদম ধুয়ে যাবে । আমার দিকে পিছন ফিরে থাকায় মায়ের পাছার বড় বড় মাংসল দাবনাগুলো আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম। মায়ের পুরো শরীর ফর্সা হলেও পাছার রং কিছুটা কালচে আর তাতে আলো পড়াতে পাছাটা চকচক করছে৷ মনে হচ্ছে খুব বড় সাইজের দুইটা ফুটবল ⚽ । আমার ইচ্ছে করছিলো এখনই ভিতরে ঢুকে মাকে পিছন থেকে জাপটে ধরি । তারপর তাকে দেওয়ালের দিকে মুখ করে দেওয়ালে চেপে ধরে পাছায় ঠাস ঠাস করে চড় মেরে পাছাটা লাল করে দিই । মা পয়তাল্লিশ বছর বয়সের একজন নারী অথচ তার পাছাটা কি সুন্দর আর ভরাট । কবে যে আমি এই পাছাটা নিজের হাতের মুঠোয় পাবো এইসব ভাবতে ভাবতেই মায়ের মোতা শেষ হয়ে গেলো । আমি কোনোরকমে একহাতে টাওয়েলটা ধরে দৌড়ে রুমে চলে আসলাম । মায়ের প্রতি আমি দিনদিন খুব বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছি। জানিনা এভাবে কতদিন নিজেকে ধরে রাখতে পারবো । আমার মনকে খুব কষ্টে আটকালেও শরীরকে আটকানো আর সম্ভব হচ্ছে না একদমই । কিছু একটা করতে হবে এই ভাবতে ভাবতে আমি ঘুমিয়ে গেলাম । 

পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম রান্নাঘরে মা রান্না করছে আর তার শরীরে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে যা কপাল থেকে গলার পাশ দিয়ে নিচে নামতে লাগলো একদম মায়ের বুকের খাঁজের দিকে । মার দুধ দুটোকে একটু কাছ থেকে নেড়েচেড়ে দেখার জন্য আমার মনটা আকুলি-বিকুলি করতে লাগল। ঠিক তখনই মা আমাকে দেখতে পেয়ে ডাক দিয়ে বললো 
মা - কিরে তুই ওইখানে দাড়িয়ে হাঁ করে কি দেখছিস? শরীর খারাপ করলো নাকি আবার । কয়েকদিন থেকে তোকে কেমন জানি অন্যরকম লাগছে । 
আমি - না মা আমি এখন একদম ঠিক আছি । তোমাকে দেখছিলাম এখানে দাড়িয়ে, তুমি কিভাবে রান্না করতেছো তাই দেখছিলাম । 
মা হেসে বললো - আমাকে আবার নতুন করে দেখার কি আছে তুই তো প্রতিদিনই আমাকে দেখিস । আয় এখানে আয়, দেখ তোর জন্য পায়েস রান্না করছি । 
আমি রান্নাঘরে ঢুকে মায়ের দিকে এগিয়ে গেলাম । মা একটা সবুজ রঙের সুতি শাড়ি পড়ে ছিলো৷ মাকে অপূর্ব সুন্দরী লাগছিলো যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা কামদেবী। মায়ের কাছে গিয়ে মাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলাম। 
আমি - আজ তোমাকে কেন জানি অদ্ভুত সুন্দর লাগছে । 
হঠাৎ জরিয়ে ধরায় মা কিছুটা চমকে গেলেও একটুও সরে গেলো না আর আমাকেও ঠেলে সরিয়ে দিলো না । আমার শরীরের উত্তাপ মা ঠিকই অনুভব করতে পারছিলো৷ 
মা - তুই কি এখনো ছোট আছিস যে আমাকে এইভাবে জরিয়ে  ধরছিস আর তোর শরীর এত গরম কেন রে? । ঔষধ কি কাজ করছে না নাকি? 
আমি - না না মা, সব ঠিক আছে, শুধু একটু গরম লাগছে । 
এই বলে মায়ের পেটে হাত বুলাতে লাগলাম । মায়ের ঘামে ভেজা গরম শরীরের স্পর্শ আমার উত্তেজনা আর বাড়িয়ে দিতে লাগলো ।  মা আমার হাত সরিয়ে দিয়ে বললো - তুই ঘরে যা, রেস্ট নে । আমি রান্না শেষ করে তোর জন্য পায়েস নিয়ে তোর ঘরে যাচ্ছি । 
মাকে ছাড়তে ইচ্ছে করছিলো না । মায়ের শরীর থেকে আসা মিষ্টি গন্ধ আর ঘামের হালকা সুবাস আমাকে পাগল করে তুলছিলো। মন চাচ্ছিলো মায়ের পুরো শরীরে হাত বুলাতে বুলাতে টিপে দিই । কিন্তু এরকম করাটা ঠিক হবে না, এতে মা প্রচন্ড রেগে যেতে পারে এই ভেবে ঘরে চলে আসলাম । একটু পরে মা বাটিতে করে পায়েস নিয়ে আমার ঘরে ঢুকলো । ঢুকেই ঘরের অবস্থা দেখে বললো  

মা- একি অবস্থা করে রেখেছিস নিজের ঘরের । ঘরের মধ্যে টিস্যুর ছড়াছড়ি, বিছানাপত্র অগোছালো জামা কাপড় চারিদিকে ছড়ানো ছিটানো । ঘরের মধ্যে কি করছিলি তুই?

আমি খুব নরম গলায় বললাম, 
- আরে ধুর মা, ওসব কিছু না। তুমি পায়েসটা নিয়ে এসো তো, খিদে পেয়েছে খুব।
মা একটু ভ্রু কুঁচকালো, বুঝতে পারলাম মা কিছু একটা সন্দেহ করছে। মা সম্ভবত আঁচ করতে পারছিলো যে আমার এই শান্ত স্বভাবের আড়ালে আমার ভেতর কিছু একটা চলছে , যা আমি খুব কৌশলে চেপে রেখেছি। মা আমার দিকে এক পলক তাকিয়ে যেন পড়ার চেষ্টা করলো আমার মনের গভীরে কী চলছে। মায়ের ফোকাসটা অন্য দিকে ঘোরানোর জন্য আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে একটু আদুরে গলায় বললাম, 

আমি -মা, আজ খুব ইচ্ছে করছে ছোটবেলার মতো করে তুমি আমাকে পায়েস খাইয়ে দাও। একদম সেই দিনগুলোর মতো, যখন তুমি আমাকে কোলে নিয়ে খাইয়ে দিতে।
আমার এই আকস্মিক আবদারে মা এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলো।  তারপর তাঁর মুখে ফুটে উঠল এক অদ্ভুত প্রশ্রত হাসি। মা প্রায় হাসতে হাসতে বললো, 
মা - বাবুর আবদার দেখো, এখন আবার উনাকে খাইয়ে দিতে হবে! আমার অনেক কাজ পড়ে আছে তুই খেয়ে নে । 

আমি - না আজ তোমাকে খাইয়ে দিতে হবে, নাহলে আমি খাবো না কিন্তু বলে দিলাম। 

 মা -পাগল ছেলে আমার, তুই বড় হয়েছিস ঠিকই, কিন্তু স্বভাবটা একদম ছোটবেলার মতোই রয়ে গেল।

মায়ের মুখে এই কথাগুলো বলার সময়ও এক ধরণের উষ্ণতা ছিল। মা পায়েসের বাটিটা হাতে নিয়ে আমার পাশে বিছানায় বসলো। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম, আমার দৃষ্টি তখন তাঁর শাড়ির আঁচলে ঢাকা বুকের ভাঁজে। মা সেইসব খেয়াল না করে চামচ দিয়ে পায়েস তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললো 
আমি - নে এইবার হাঁ কর তো বাবু। তোকে খাইয়ে দিই । 
আমি বড় করে হাঁ করলাম আর মা আমাকে একচামচ পায়েস খাইয়ে দিলো । মায়ের হাতে খেলে খাবাবের স্বাদ যেন দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আমি অনুভব করলাম তাঁর শরীর থেকে খুব সুন্দর মিষ্টি গন্ধ ভেসে আসছে। মা আমাকে পায়েস খাইয়ে দিতে থাকলো । একসময় আমি তাঁর চোখের দিকে তাকালাম, মা আমার চোখের দিকে তাকালো, তাকিয়ে বললো  
মা - মাথাটা নিচু করে আমার কোলে রাখ, তোর মাথায় হাত বুলিয়ে দিই। চুলগুলো কি অবস্থা করেছিস একেবারে পাখির বাসা বানিয়েছিস তো ।  মাথায় তেলও দিস না । 

এত কাছে থেকে মায়ের শরীরের গন্ধ নেওয়ার সুযোগ তাকে ছু্ঁয়ে থাকার সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবে না। তাই মায়ের কথা শোনামাত্রই আমি মায়ের কোলে মাথা রাখলাম । মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে দিতে লাগলো । মাতৃত্বের মমতা তার চোখেমুখে ফুটে উঠছিলো, কিন্তু আমার মধ্যে তো শুধুই কামবাসনা জেগে উঠতে লাগলো । মায়ের শরীরের গরমে প্যান্টের ভিতরে আমার বাড়া আবারও খাড়া হয়ে গেলো আর প্যান্টের ভিতরে একেবারে তাবু বানিয়ে ফেললো। আমি হাত দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করলেও তা মায়ের নজরে পড়ে গেলো । তখন মা আমার দিকে চেয়ে বললো,

মা - অয়ন, তোকে কয়েকদিন থেকে খুব অন্যরকম দেখাচ্ছে। তোর মনে মনে কী চলছে বল তো , আর তোর পুরো শরীর হুট করে এমন গরম হয়ে যাচ্ছে কেন? তুই কি কিছু লুকাচ্ছিস আমার থেকে? 

আমি - কই কিছু হয়নি তো মা । আর ঘরে অনেক গরম তো তাই এরকম লাগছে । আর তোমার থেকে কি লুকাবো আমি, তুমি তো.... 
মা আমার কথা শেষ হতে না দিয়েই বললো, 
মা - তাহলে গতকাল রাতে যা দেখলাম, আজ তোর ঘরে যা দেখছি এইসব কি? তুই তো এমন ছিলি না । 
মায়ের কথা শুনে আমি ভয় পেয়ে গেলাম । কি বলছে মা এইসব । তাহলে কি গতকাল রাতের সবকিছু মা দেখে ফেলেছে । আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, 
আমি - তুমি কিসের কথা বলছো? কি দেখেছো তুমি?  
মা - দেখ তুই যথেষ্ট বড় হয়েছিস তাই তোর সামনে একদম খুলেই বলছি । তুই গতকাল রাতে বাথরুমে আমাকে ওইভাবে দেখছিলি কেন? আর তুই বাথরুমে দাড়িয়ে দাড়িয়ে যা করছিলি মনে হচ্ছে তুই এই ঘরের ভিতরেও ওইসব করেছিস । তোর বিয়ের বয়স হয়েছে, তোকে কিছুদিন পর সুন্দর একটা মেয়ে দেখে বিয়ে দেবো । তবুও তুই এইসব করিস না । আর আমাকে বারবার এইভাবে দেখিস না । আমি তোর মা হই। তোর চোখ দিয়ে তুই আমার শরীরটা আর খুবলে খাস না। এখনও আমাকে দেখেই তোর ওইটা...... 

মা থেমে গেলো৷ এই কথাগুলো বলতে বলতে মায়ের চোখের কোণে জল চলে আসলো। মায়ের কোল থেকে মাথা তুলে, 

আমি - মা...... 
এই শব্দটা বলে তারপর আমি আর কিছু বলতে পারলাম না। মায়ের কথা শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিলো । মা যে আমাকে এইভাবে ধরে ফেলবে আমি তা সপ্নেও ভাবিনি । আমি কি করবো না করবো, কি বলবো না বলবো বুঝতে পারছিলাম না । মাকে কি সব বলে দিবো নাকি নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখবো ভেবে পাচ্ছিলাম না । চুপ করে নিচের মেঝের টাইলসগুলোর দিকে চেয়ে থাকলাম আমি। মাও চুপ করে রইলো । পুরো ঘরে অদ্ভুত এক নীরবতা বিরাজ করছিলো। কেউ কাউকে কিছু বলছে না কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। কিচ্ছুক্ষণ চুপ থেকে আমি মাকে বললাম, 

আমি - মা, আসলে আমার তোমাকে কিছু বলার ছিলো । 
মা (রাগী সুরে) - হ্যাঁ, বল । 
আমি - আসলে তুমি আমাকে যেমনটা ভাবছো আমি তেমনটা নই । ওই কবিরাজ আমাকে যে ঔষধ দিয়েছিলো তার প্রতিক্রিয়াতেই আমার ভেতরে এক অদ্ভুত উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমি চাইলেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না মা। ওই ঔষধটা আমার রক্তে এমন কিছু মিশিয়ে দিয়েছে যে আমি সবসময় এক প্রবল কামনার তাড়নায় থাকি। আমার শরীর গরম হয়ে থাকে আমার বাড়া শক্ত হয়ে যায়, খুব বেশি সময় থাকলে ব্যাথা শুরু করে । 

মায়ের চোখের কোণে তখনো জল, কিন্তু আমার কথা শুনে মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,
মা -ঔষধের কথা বলে তুই কি নিজের আদিম লালসাকে ঢাকতে চাইছিস, অয়ন? তুই কি মনে করিস আমি তোর চোখে সেই আগুন দেখতে পাই না? 
তাঁর কথাগুলোয় এখন আর আগের মতো রাগ বা অভিমান নেই, বরং এক ধরণের করুণা আর রহস্যময় আকর্ষণ মিশে ছিল। মা আমার গাল ছুঁয়ে দেখলো, আমার শরীর তখনও আগুনের মতো তপ্ত।

আমি চুপ করে নিচের মেঝের টাইলসগুলোর দিকে চেয়ে থাকলাম। মনে হচ্ছিল পৃথিবীটা যেন এই মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই নীরবতার মাঝেও নিজের তীব্র হৃদস্পন্দন অনুভব করলাম । আমি সাহস করে মায়ের চোখের দিকে তাকালাম এবং ফিসফিস করে বললাম, 
আমি -মা, ওই ঔষধটা শুধু আমার শরীর গরম করেনি, ওটা আমার ভেতরে তোমার প্রতি এক প্রবল তৃষ্ণা জাগিয়ে দিয়েছে। আমি জানি এটা পাপ, কিন্তু তোমার শরীর যখন আমার সামনে থাকে, আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারি না। আমার ইচ্ছা করে তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে তোমার শরীরে হাত দিতে, তোমাকে নিজের করে নিতে৷ 

মায়ের চোখের সেই রহস্যময় চাহনি এবার এক ধরণের স্থিরতায় পরিণত হলো। মা আমার কথাগুলো খুব মন দিয়ে শুনে দীর্ঘক্ষণ নীরব থাকার পর আমার কপালে হাত রাখলো; তাঁর আঙুলের স্পর্শে এক ধরণের শীতলতা ছিল যা আমার তপ্ত শরীরকে মুহূর্তের জন্য শান্ত করল। মা মৃদু স্বরে বললো, -তার মানে এই পুরো বিষয়টার মূলে সেই ঔষধটা! 

আমি মাথা নিচু করে বসে রইলাম, মা এইবার আমার দিকে তাকিয়ে খুব শান্তভাবে বললো,
 মা - ঠিক আছে বাবা , আমি তোর কষ্টটা বুঝতে পারছি । তোর ওপর ওইভাবে রাগ করাতে তুই আমাকে ভুল বুঝিস না । তোর এই শরীরের উত্তাপ আর মনের এই অস্থিরতা কেন তৈরি হলো, সেটা আগে জানতে হবে। তাহলে আমরা বুঝতে পারব এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোনো পথ আছে কি না, এক কাজ করি, আজ তো আমরা বাড়িতেই আছি, আমরা আজ বিকেলেই ওই কবিরাজের কাছে যাই । উনিই এখন এই ব্যাপারে আমাদের কি করা উচিত তা বলতে পারবে৷
আমি - হ্যাঁ মা , তাই চলো, আজ বিকেলেই যাবো । এইভাবে... 

আমার কথা শেষ হতে না হতেই দরজায় হুট করে শব্দ হলো। আমি আর মা দুজনেই চমকে তাকালাম। তাকিয়ে দেখি আমার ছোট বোন চন্দ্রা দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে, তাঁর দুই হাত কোমরে, আর মুখে রাগের ছাপ। 
চন্দ্রা - বাহ্! দারুণ ব্যাপার! মা তুমি পায়েস বানিয়ে শুধু দাদাকেই দিয়েছো । আমার কথা কি একবারও মনে পড়ল না? আমাকে একবার ডাকলেও না ।
চন্দ্রা জানেও না এই ঘরে কি নিয়ে কথা চলছিলো আমাদের । ওর গলার স্বরে ছিল এক ধরণের অধিকারবোধ এবং চাপা অভিমান। ও এসে আমাকে যেন কিছুটা বাঁচিয়ে দিলো। মা কিছু বুঝতে না দিয়ে ওকে বললো 
মা - আচ্ছা চল মা, তোকেও বাটিতে করে পায়েস বেড়ে দিচ্ছি । খেয়ে সোজা স্নান করতে যাবি । 
এই বলে মা আর বোন চলে গেলো রান্নাঘরে । 
দুপুরের খাবার খেয়ে আমরা রওনা দিলাম সেই গ্রামের উদ্দেশ্য। আমরা যখন কবিরাজের সেই ছোট বাড়িটাতে পৌঁছালাম তখন বিকেল হয়ে গেছে। চারপাশের পরিবেশটা ছিল খুবই শান্ত ; গাছের ছায়ায় ঢাকা সেই ছোট বাড়িটা থেকে আগরবাতির কড়া গন্ধ বেরিয়ে আসছিলো। কবিরাজ তার ঘরে একটা পুরনো কাঠের চেয়ারে বসে ছিলো। আমি তাকে আমার সব সমস্যার কথা আবারও বিস্তারিতভাবে বললাম । 

মা কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলো, 
মা- আসলে কী হয়েছে ওর? ঔষধ দেওয়ার পরেও কেন ওর শরীর এমন অস্থির?
কবিরাজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর গলার স্বরে ছিল এক ধরণের সতর্কতা। তারপর মায়ের দিকে তাকিয়ে সব খুলে বললেন আমাদের। 

কবিরাজ - তোর ছেলের শরীরে নিজে থেকেই প্রচুর তেজশক্তি তৈরী হচ্ছে। সেই শক্তি ওর শরীর থেকে বের হতে পারছিলো না বলে আগে ওর ওই লক্ষণগুলো দেখা দিয়েছিলো । আমি আগেরবার যে ঔষধটা দিয়েছিলাম, তার এই প্রবল শক্তিকে শরীরে মিশিয়ে দিয়ে এর উৎপত্তি রোধ করার কথা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে ঔষধটা ঠিকমতো কাজ করেনি। শক্তিকে শরীরের মিশিয়ে না দিয়ে ঔষধটা ওর কুন্ডলিনী চক্রের মাধ্যমে শক্তিকে নিম্নগামী করার দিকে ঠেলে দিয়েছে । এখন ওর শরীরে এক প্রলয়ঙ্কারী তেজ জমা হয়ে আছে। যদি এই শক্তি কোনোভাবে বাইরে বের হতে না পারে, তবে ওর শরীর ফেটে রক্ত দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে।  এই তেজকে নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে এই তেজই ওর মৃত্যুর কারণ হতে পারে । 

এই কথা শুনে মা এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে এল এবং মা ভয়ে আমার হাতটা আরও জোরে চেপে ধরলো । "শরীর ফেটে রক্ত বের হবে? এটা কি সম্ভব?" মায়ের আর্তনাদ যেন ঘরের নিস্তব্ধতাকে চিরে দিল। কবিরাজ শান্তভাবে মাথা নাড়লো।  তিনি বুঝলেন মায়ের ভয়টা কোথায়, আর সেই সুযোগে তিনি মুক্তির পথটা বাতলালেন। তিনি বললেন, 

কবিরাজ - মুক্তির পথ আছে, তবে তা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট। ওকে একজন অভিজ্ঞ নারীর সংস্পর্শে থাকতে হবে। সেই নারীর সাথে শারীরিক ও আত্মিক মিলনের মাধ্যমেই এই তেজ বাইরে বেরিয়ে যাবে। কেবল সেই নারীর স্পর্শই পারে ওকে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে। কমবয়সী ও অনভিজ্ঞ নারীসঙ্গে হিতে বিপরীত হতে পারে । 

কবিরাজ তাঁর কুঞ্চিত ভ্রু মিলিয়ে গভীর স্বরে কথাগুলো চালিয়ে গেলেন। তিনি বুঝিয়ে বললেন যে, এই শক্তির উৎসটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং জটিল; একে কেবল সাময়িক উপশম দিয়ে থামানো যাবে না, বরং এর সম্পূর্ণ বিনাশ ঘটাতে হবে। তিনি এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, 
কবিরাজ -এই তেজ পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে এমন এক ঔষধ প্রয়োজন যার উপাদানগুলো খুবই দূর্লভ। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে সেই সঠিক ভেষজগুলো সংগ্রহ করে একটি চূড়ান্ত পানীয় তৈরি করতে হবে।
মা- কতদিন সময় লাগবে আপনার?
কবিরাজ শূন্য দৃষ্টিতে জানালার বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বললো, "কমপক্ষে তিন মাস। হয়তো তার চেয়েও বেশি। এই প্রক্রিয়ায় ভুল হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।"

মা যেন স্তব্ধ হয়ে গেলো। তিন মাস! এই তিন মাস আমার শরীরের ভেতর আগুনের মতো জ্বলতে থাকা এই কামনার তেজ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে? কবিরাজই যেন আমাদের মনের কথা পড়তে পারলেন। তিনি মায়ের দিকে তাকিয়ে গম্ভীরভাবে বললেন, 

কবিরাজ - এই তিন মাস তোর ছেলেকে দেখে দেখে রাখতে হবে । ওর শরীরের এই উত্তপ্ত তেজ বাইরে বের করার জন্য একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দক্ষ নারীর সংস্পর্শ প্রয়োজন। এমন একজন সঙ্গী হতে হবে, যে এই শক্তির তীব্রতা সহ্য করতে পারবে এবং ওকে শারীরিক ও আত্মিকভাবে প্রশান্তি দিতে পারবে। এখন তোরাই ভেবে দেখ তোরা কি করবি। 
আমরা যখন কবিরাজের ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম, তখন বিকেলের আলো প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। বাইরের বাতাসটা ছিল ঠান্ডা, কিন্তু আমার শরীরের ভেতর তখনো সেই আগুনের লেলিহান শিখা নাচছিল। আমি মনে মনে ভাবতে লাগলাম মাকে কিভাবে নিজের সঙ্গী হিসেবে পাওয়া যায় সেই কথা । 

বাড়ি ফেরার পথে আমরা দুজনেই খুব চুপচাপ ছিলাম। রাস্তার ধুলোবালি আর ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আমাদের নীরবতাকে আরও রহস্যময় করে তুলছিলো। আমি অনুভব করতে পারছিলাম, মা আমার হাতটা ধরে রেখেছে, কিন্তু সেই হাতের বাঁধন এখন আর কেবল স্নেহের নয়, তাতে মিশে আছে অধিকারবোধ আর আগলে রাখার চেষ্টা।
Reply


Messages In This Thread
যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:40 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:41 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:42 AM
RE: যুবতী মায়ের যৌবন ভোগ - by Bad Boy - 09-03-2026, 05:44 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)