09-03-2026, 05:42 AM
তৃতীয় পর্ব
আমরা যখন বাড়ি ফিরে এলাম ততক্ষণে রাত হয়ে গেছে । বাড়ির আশেপাশে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। এসেই আমরা যে যার মতো নিজের ঘরে চলে গেলাম, কিন্তু ঘরের দেয়ালগুলো যেন আমাদের ভেতরের চাপা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। আমি বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে লাগলাম, আমার শরীরের প্রতিটি শিরায় সেই আগুনের মতো তেজ বয়ে চলেছে যা ধীরে আমার বিচির মধ্যে জমা হচ্ছে আর শরীর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে। বের হতে না পারায় আমি ব্যাথা অনুভব করছি আর সেই শক্তির একটা অংশ আবার পুরোদেহে ঘুরে শরীর গরম করে দিচ্ছে , এমনটাই সেই কবিরাজ বর্ণনা করেছিলো। মনে হচ্ছিল, আমার বাড়াটা দানব আকৃতি ধারণ করেছে এই প্রলয়ঙ্কারী কামনার জন্য, যেন ভেতর থেকে কেউ আমাকে ছিঁড়ে বাইরে বের করে আনতে চাইছে। রাতের খাবার খাওয়া হয়ে যাওয়ার পর আমি যখন জানলা দিয়ে বাইরের অন্ধকার দেখছিলাম, ঠিক তখনই দরজায় মৃদু শব্দ হলো। মা তাঁর ঘরে থেকে বেরিয়ে আমার ঘরে ঢুকল। তাঁর পরনে ছিল একটি পাতলা সুতি শাড়ি, যা তাঁর শরীরের খাঁজগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছিল। তার হাঁটার ভঙ্গিমায় শরীরটা আরও আকর্ষণীয় লাগছিলো ।
মা আমার পাশে এসে বসলো এবং খুব নরম গলায় জিজ্ঞেস করলো,
মা- "কেমন লাগছে এখন তোর? অস্থিরতাটা কি কমেছে কিছু না আরও বেড়েছে?"
মায়ের গলার স্বর ছিল অদ্ভুত রকমের মায়াবী । আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে তাঁর দিকে তাকালাম। আমার চোখের সামনে তখন কেবল তাঁর শরীরটা ভাসছিল। আমি খুব অসহায়ভাবে বললাম,
আমি - আগের মতোই মা, এখনো সেই বাঁধভাঙা উত্তেজনা অনুভব করছি। মনে হচ্ছে বুকের ভেতর কেউ আগুনের গোলা জ্বালিয়ে দিয়েছে। কবিরাজ মশাই যা বললেন, সেই অনুযায়ী চলতে গেলে তো কোনো মেয়ের সংস্পর্শ ছাড়া আমার অবস্থা আরও খারাপ হবে। আমি জানি না এই সময়ে এমন কোনো মেয়ে পাওয়া যাবে কোথায়, যে এই তীব্রতা সহ্য করতে পারবে এবং আমাকে সুস্থ করতে সাহায্য করবে।
মুখে এইসব বললেও আমি আসলে মনে মনে মা কে কামনা করে চলেছি । তার সুন্দর শরীরটা ভোগ করার ক্ষুধা বেড়েই চলেছে ।
মা - আমিও সেই কথা ভাবছি বাবা। (আমার কপালে হাত রেখে) তিনি তো বললেন কুমারী মেয়ের সাথে তোর বিয়ে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমি চাইনা তোর কোনো ক্ষতি হোক । তোর ভেতরে যে আদিম তেজ এখন বইছে, তা কোনো সাধারণ মেয়ে সহ্য করতে পারবে না ।
আমি (মনে মনে) - হ্যাঁ মা, সেইজন্যই তো আমি তোমাকে চাই । তুমিই আমার জন্য উপযুক্ত নারী, আমার কাঙ্ক্ষিত নারী । আমি জানি কেবল তুমিই পারবে এই তেজ সহ্য করতে ।
মা তার কথা চালিয়ে যাচ্ছিলো আর আমি মনে মনে এইসব ভাবছিলাম ।
মা - এমন একজন অভিজ্ঞ নারী দরকার যে তোর এই শরীরের উত্তেজনাকে সামলাতে পারবে। আজকের রাতটা আমি ভেবে দেখি কী করা যায়। তবে একটা কথা মনে রাখিস, তোর বাবাকে এই বিষয়ে কিছু জানাস না। ওকে ওর মতো থাকতে দে, সবটা আমরা নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখব।
এই বলে মা যখন চলে যেতে লাগলো, ততক্ষণে আমার ভেতরকার সেই দহন আর অস্থিরতা চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে; এক ঝটকায় সাহস করে মায়ের হাতটা টেনে ধরলাম। সেই আচমকা টানে মায়ের ডবকা শরীরটা ভারসাম্য হারিয়ে সরাসরি আমার বুকের সাথে এসে ঠেকলো। মুহূর্তের জন্য সময় যেন থমকে গেল। আমি অনুভব করলাম আমার শক্ত বুকে মায়ের ভারী এবং কোমল বড় বড় দুধ দুটির প্রবল চাপ। তাঁর শরীরের সেই উষ্ণতা আর সুতোর মতো পাতলা শাড়ির ভিতরে থাকা শরীরের উষ্ণ স্পর্শে আমার শরীরের তেজ যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে গেল। মা চমকে উঠে আর্তনাদ করে উঠলো,
মা - কী করছিস এইসব অয়ন? আমাকে এভাবে টানছিস কেন?
আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত দৃঢ়তায় বললাম,
আমি - মা, তুমি যে অভিজ্ঞ মেয়ের কথা বলছো, যে আমার এই তেজ সহ্য করতে পারবে এবং আমাকে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে—সেইরকম একজন তো আমাদের খোঁজের মধ্যেই আছে।
আমার কথা শুনে মা স্তব্ধ হয়ে গেলো, তাঁর চোখের মণিগুলো বড় বড় হয়ে গেল, যেন সে আমার কথার অর্থ কিছুই বুঝতে পারছে না। শেষে মা আমতা আমতা করে বললো,
মা - মানে? তুই কী বলতে চাইছিস?কোন মেয়ে?
আমি তাঁর কোমরে হাত রাখলাম এবং খুব নিচু স্বরে ফিসফিস করে বললাম,
আমি - আমার শরীরকে তোমার চেয়ে ভালো আর কে চেনে?তোমার চেয়ে অভিজ্ঞ নারী এই মুহূর্তে আমাদের সামনে আর কে আছে মা?
মা – প্লিজ অয়ন, ধৃষ্টতার মাত্রা ছাড়িয়ে যাস না। উল্টোপাল্টা কথা বলিস না । আমি তোর মা হই, তুই আমাকে এইভাবে চেপে ধরতে পারিস না ।
আমি – দেখো মা, আমি তোমার কথা শুনতে চাইলেও শুনতে পারবো না । আমার শরীরের উপর আমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাচ্ছে । আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই ।
মা – আমার কাছ থেকে সরে যা,আমাকে ছেড়ে দে । তারপর বল কি বলবি?
আমি – তোমাকে আমি কাছে পেতে চাই মা। তোমাকে শারীরিকভাবে কাছে পেতে চাই আমি। তোমাকে নিজের করে পেতে চাই।
মা – কী বলছিস তুই! তোর এতবড় স্পর্ধা হয় কি করে! এত বড় বেয়াদবি! আমার পেটে জন্ম নেয়া ছেলে হয়ে আমাকে এসব বলার সাহস হল কি করে? খবরদার বলছি, আমি আজই তোর বাবাকে সব বলে দেবো।
আমি – ঠিক আছে মা, বলে দাও। কিন্তু আমিও জানি বাবা তোমাকে একটুও বিশ্বাস করে না । তোমাকে শুধু সন্দেহ করে। তোমাদের মধ্যে আর কোনো ভালোবাসা অবশিষ্ট নেই। বাবার এতদিনে অন্য মহিলার সাথে সম্পর্ক করা হয়ে গেছে। ওইজন্যই তো বাবা বাড়িতে থাকে না...
এই কথা শোনা মাত্রই মা আমার গালে ঠাটিয়ে এক চড় বসিয়ে দিলো । ছোটবেলা থেকে এতদিন পর্যন্ত মা আমাকে শাসন করলেও চড় কোনোদিন মারেনি । চড়টা এত জোরে ছিলো যে আমার গালে মায়ের পাঁচ আঙুলের দাগ বসে গেলো ।
মা - কুলাঙ্গার ছেলে, তোর লজ্জা করে না নিজের মাকে এইসব কথা বলতে, তোকে কি এইসব শিখিয়েছি? নিজের মায়ের ব্যাপারে খারাপ চিন্তা করছিস আবার বাবাকে নিয়েও উল্টাপাল্টা কথা বলছিস। ছিহ্হহ্ তুই যে এতটা নীচ তা আমি ভাবতেও পারিনি ।
এই বলে মা আমাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে সেইখান থেকে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে গেলো আর ধুম করে সজোরে দরজা লাগিয়ে দিয়ে ঘরের ভিতরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো । আমি গালে হাত দিয়ে স্তব্ধ হয়ে খাটের উপর বসে পড়লাম । তবে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই চড় বা তাঁর এই রাগ আমার ভেতরে কোনো অপরাধবোধ তৈরি করল না, বরং এক ধরণের চ্যালেঞ্জের জন্ম দিল। আমার ভেতরের হিংস্র পশু যেন এই অপমানকে জ্বালানি হিসেবে গ্রহণ করে আরও হিংস্র হয়ে উঠল। কিভাবে সুযোগ বুঝে মায়ের খানদানী শরীরটা ভোগ করা যায় এই ভাবতে থাকলাম এবং মনে মনে ফন্দি আঁটলাম যে কয়েকদিন মায়ের থেকে দূরে থেকে তার ভিতরে অপরাধবোধ জাগ্রত করবো, তাকে ধীরে ধীরে আমার প্রতি দূর্বল করবো তারপর সুযোগ মতো একদিন ঝোপ বুঝে কোপ মারবো ।
পরিকল্পনা মতো এরপর দুইদিন মায়ের সাথে কোনো কথা বললাম না । মা ও কিছু বলছিলো না, কথা বলা তো দূরের কথা, আমার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছিলো না। আমার সামনে দিয়ে হেঁটে চলে যেতো, কিন্তু কিছু বলতো না; যেন আমি তাঁর কাছে অস্তিত্বহীন। বাড়িটা যেন এক হিমশীতল মরুভূমিতে পরিণত হয়ে গেল। আমিও নিজে থেকে কথা বলার চেষ্টা করলাম না। বলতে গেলে আমি বাড়িতেই ছিলাম না, সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়াতাম। ব্যবসার টুকটাক কাজ ছিল, যখন ইচ্ছে হতো তখন সেগুলোতে মন দিতাম, আর যখন বিরক্ত লাগলো, একঘেয়েমি আসত, তখন সব ফেলে দিয়ে শহরের রাস্তায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াতাম। দ্বিতীয় দিন তো মনে হয়েছিলো একটা মেয়ে ভাড়া করে এনে তাকে দিয়ে শরীরের খিদে টা দূর করি । মেয়েটাকে ইচ্ছেমতো চুদে ওর গুদ পোঁদ সব ছিড়ে ফেলি, তারপর ওর গুদে একগাদা মাল ঢেলে নিজের বিচিগুলো খালি করে দিই। কিন্তু এখন আমার একমাত্র টার্গেট হচ্ছে মা তাই কামের তাড়নায় পাগলের মতো হয়ে গেলেও আমি কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়েছিলাম। রাত গভীর হলে যখন বাড়ি ফিরতাম, দেখতাম সবাই ঘুমিয়ে গেছে এবং বাড়িটা নিস্তব্ধ হয়ে গেছে।
তৃতীয় দিন রাতে যখন আমি বাড়ি ফিরলাম, তখন চারপাশটা অদ্ভুত রকমের শান্ত। ড্রয়িংরুমের আলোটা খুব মৃদুভাবে জ্বলছে দেখলাম। আমি ড্রয়িংরুমে ঢুকে দেখলাম আমার বোন চন্দ্রা আমার জন্য অপেক্ষা করে বসে আছে। ওর সাথে কয়েকদিন দেখা হয়নি । ওকে বসে থাকতে দেখে আমি বললাম,
আমি - কিরে তুই এত রাতে এইখানে কি করছিস?
আমায় দেখে বোন ভ্রু কুঁচকে বলল,
বোন - দাদা, তুই কি সত্যি এই বাড়িতেই থাকিস, নাকি অন্য কোথাও থাকিস? আমি তোকে একদমই দেখতে পাই না ইদানীং। সারাদিন বাইরে কোথায় থাকিস তুই? মাকে জিজ্ঞেস করলে বলে জানি না, বাইরে গেছে। তোর এই আচরণ আমার খুব অদ্ভুত লাগছে ।
আমি - কিছু না রে বোন, আসলে শহরের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। কিছু কিছু সময় এমন আসে যখন নিজের ঘরের চার দেয়ালগুলো যেন খুব ছোট মনে হয়, মনে হয় দম আটকে যাচ্ছে।
এই বলে আমি মুচকি হাসলাম । চন্দ্রা আমার দিকে খুব সন্দেহজনক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। ওর তীক্ষ্ণ চোখ দুটো যেন আমার মনের ভেতরটা পড়তে চাইছিল। সে একটু সামনে ঝুঁকে এসে বলল,
বোন -তোর এই অদ্ভুত কথাবার্তা আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। মা-ও ইদানীং খুব অদ্ভুত আচরণ করছে। তাঁর চোখে একটা চাপা কষ্ট আর অদ্ভুত একটা অস্থিরতা দেখি আমি। মায়ের সাথে কি কোনো বিষয় নিয়ে তোর ঝামেলা হয়েছে?
আমি ওর প্রশ্নের কোনো সরাসরি উত্তর দিলাম না। কেবল মৃদু হেসে ওকে বললাম,
আমি - তুই খুব বেশি চিন্তা করছিস। এত চিন্তা করতে হবে না। আমি ঠিক আছি । যা ঘুমিয়ে পড়।
আমি কথাগুলো বলে ওর পাশ কাটিয়ে নিজের ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম। ঘরের দরজায় পৌঁছাতেই দেখলাম, করিডোরের অন্ধকার কোণে মা দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর মুখটা ছায়ায় ঢাকা, কিন্তু তাঁর চোখের চাহনি দেখে বুঝতে পারলাম তার ভিতরে কষ্ট চাপা। আমার দিকে তাকিয়েই নিঃশব্দে নিজের ঘরে চলে গেলো মা । তারমানে আমার পরিকল্পনা ঠিকভাবেই কাজ করছে, মায়ের ভিতরে অনুশোচনা জাগ্রত হয়েছে ।
রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির নিস্তব্ধতা যেন আরও ঘনীভূত হলো। আমি বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিলাম। আমার মনে পড়ছিল কবিরাজের সেই কথাগুলো—এই দহন যদি সঠিক উপায়ে প্রশমিত না করা যায়, তবে এই শরীর নিজেই নিজের শত্রু হয়ে দাঁড়াবে। আমার মনে পড়ল মায়ের সেই চড়ের কথা, যা এখন আর যন্ত্রণার নয়, বরং একফালি উত্তেজনা হয়ে আমার রক্তে মিশে আছে। আমি বুঝতে পারলাম, মায়ের সেই কঠোরতা ছিল কেবল এক পাতলা পর্দা, যার পেছনে লুকিয়ে ছিল এক অতৃপ্ত নারী। মা তো অনেকদিন যাবত শারিরীক সুখ থেকে বঞ্চিত৷ তারও কি নিজের শরীরের কামনার জ্বালা মেটানোর ইচ্ছে হয় না..... এইসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম ।
মাঝরাতে হুট করে আসলো প্রচন্ড জ্বর । পরেরদিন সকাল গড়িয়ে প্রায় দুপুর হয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু আমি বিছানা থেকে উঠলাম না, আসলে জ্বরের জন্য উঠতে ইচ্ছে করছে না । মা ভেবেছে আমি বাহিরে বেরিয়ে গেছি কিন্তু দুপুরের কিছু আগে যখন দেখলো আমার ঘরের দরজা ভিতরে থেকে লাগানো তখন মা দরজা ধাক্কিয়ে ডাক দিলো - অয়ন, এই অয়ন, শুনছিস তুই? ভেতরে আছিস? দরজা খোল।
আমি কিছুক্ষণ পর বিছানা থেকে উঠে দরজা খুলে দিলাম । আমার ফ্যাকাসে মুখ আর লাল হয়ে যাওয়া দুটো চোখ দেখেই মা বুঝে গেলো আমার কিছু একটা হয়েছে । মুহূর্তেই মায়ের মুখটা মলিন হয়ে গেল৷ সেখানে এখন কেবলই মায়া আর উদ্বেগ৷ আমার কপালে হাত দিয়ে দেখলো জ্বর এসেছে । আমার প্রতি রাগ তার আগেই কমে গিয়েছিলো কিন্তু আমার জ্বর এসেছে দেখে মায়ের চোখ ভিজে উঠলো । আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
মা - তোর তো প্রচন্ড জ্বর! জ্বর এসেছে আর তুই একবারও আমায় ডাকিস নি? ঘর থেকেও বেরোস নি? তুই কি পাগল হয়ে গেছিস?
আমি সুযোগটা ছাড়লাম না। কিছুটা রাগ দেখিয়ে রুক্ষ সুরে বললাম,
আমি - আমার জন্য তোমার এত চিন্তার কি আছে! আমি বাঁচলাম কি মরলাম তাতে তোমার কি ?
মা আমাকে জরিয়ে ধরে বললো,
মা - এমন কথা বলিস না বাবু। তোর কিছু হলে আমি বাঁচবো কি করে ।
আমি তাকে কিছুটা দূরে সরিয়ে দিয়ে বললাম,
আমি - তুমি যাও তোমার কাজ করো । এখন এসে ঢং করতে হবে না ।
এইসব কথা বলে মায়ের ভিতরের জ্বালাটা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলাম । মায়ের গলার স্বর কাঁপতে লাগলো ।
মা - ঢং না বাবু, বিশ্বাস কর এই কয়েকটা দিন আমি অনেক ভেবেছি তোর কথা ।
আমি বুঝলাম এইবার মা লাইনে এসেছে । তাকে আর একটু তাতিয়ে দিতে হবে ।
আমি - কি ভেবেছো? আবার কিভাবে আমাকে চড় মারবে? নাকি এইবার বাড়ি থেকে বের করে দিবে?
মা - না না৷ আমার ভুল হয়েছে সোনা । আমি রাগের চোটে তোকে চড় মেরেছি৷ তুই আমাকে ক্ষমা করে দে...
এই বলে মা অঝোরে কাঁদতে লাগলো। আমি বুঝতে পারলাম এইসব তার জন্য একটু বেশি হয়ে গেছে, এতদুর না গেলেও চলতো। মা আসলেই আমাকে চড় মেরে নিজেও ভিতর থেকে অনেক কষ্ট পেয়েছে । তাকে কাঁদতে দেখে আমারও মন খারাপ হয়ে গেলো । আমি তাকে জরিয়ে ধরে বললাম,
আমি - ঠিক আছে মা, বাদ দাও ওইসব । আমি তোমার কান্না সহ্য করতে পারি না । তুমি আর কেঁদো না ।
মা এইবার আমাকে দূরে ঠেলে না দিয়ে আরও জাপটে জরিয়ে ধরলো । আমার মনে হলো এই জ্বরের প্রকৃত ঔষধ কোনো ওষুধের দোকানে নেই, তা আছে এই শরীরের স্পর্শে। আমি তাঁকে আর দূরে ঠেলতে দিলাম না, বরং আরও শক্ত করে ধরে ফেললাম। মায়ের শরীরের উষ্ণ স্পর্শে আমার জ্বর ছাড়তে শুরু করলো ।
মা - তুই শুয়ে থাক । আমি তোর জন্য ঔষধ আর খাবার নিয়ে আসছি ।
এই বলে মা খাবার আনতে চলে গেলো । নিজের পরিকল্পনায় সফল হওয়ার আমার মনে খুশি আর ধরছিলো না । আনন্দে আমি প্রায় লাফাতে লাগলাম । জ্বরটা এসে ভালোই হয়েছে এইদিক দিয়ে। অবশেষে আমি সেই জিনিসটা পাবো যা আমি এতদিন কল্পনা করে এসেছি ।
কিছুক্ষণ পর মা আবার ঘরে ঢুকলো । হাতে এক বাটি গরম স্যুপ আর কিছু ঔষধ। মা অত্যন্ত যত্ন করে আমাকে বিছানায় বসিয়ে দিয়ে আমার কপালে জলপট্টি দিতে শুরু করলো। তাঁর হাতের নরম ও কোমল স্পর্শ আমার কপালে লাগছিল, আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম। তাঁর চোখে তখন কেবলই মাতৃত্বের মমতা, কিন্তু সেই মমতার গভীরে এক অতৃপ্ত নারীসত্বার উপস্থিতি অনুভব করলাম ।
চতুর্থ পর্ব
মা আমার মাথায় জলপট্টি দিয়ে মাথা টিপে দিচ্ছিলো আর আমি একদৃষ্টিতে মায়ের শরীরের দিকে তাকাতে লাগলাম। আমার তাকানো খেয়াল করে মাথা টিপতে টিপতেই মা আমাকে বললো,
মা - কিরে আমার দিকে ওইভাবে তাকিয়ে কি দেখছিস?
মায়ের কথায় আমার হুঁস ফিরলো । আমি তার কথার উত্তরে বললাম,
আমি - তোমার সুন্দর মুখটাকে দেখছিলাম মা । এইবয়সেও তুমি কতো সুন্দর । এখনকার মেয়েরা তো তোমার কাছে পাত্তাই পাবে না ।
আমার কথা শুনে মা মুচকি হাসলো৷ তার সেই হাসিমাখা মুখটা এতো সুন্দর ছিলো যা কোনো ভাষায় বর্ণনা করা যাবে না । চাঁদের মতো সুন্দর বললেও অনেক কম বলা হবে । মা হেসে বললো,
মা - আমি কি আর সুন্দর আছি রে! দিন দিন বুড়ি হয়ে যাচ্ছি ।
শরীরে চর্বি জমেছে কত! আগের মতো আর ফিটনেস নেই ।
আমি - তুমি মোটেও বুড়ি হয়ে যাচ্ছো না । তোমাকে দেখে আমার আরও মনে হচ্ছে তোমার বয়স মনেহয় দিনদিন কমছে আর তোমার রূপ দিনদিন আরও ফুটে উঠছে । একটু চর্বি জমেছে ঠিকই কিন্তু যেখানে যতটুকু থাকলে সেক্সি দেখাবে ততটুকুই আছে ।
আমার মুখে সেক্সি শব্দটা শুনে মা লজ্জা পেয়ে গেল । লজ্জায় তার মুখটা লাল হয়ে গেলো । হাসলে তাকে যতটা সুন্দর দেখাচ্ছিলো, লজ্জায় তার চেয়েও বেশি সুন্দর দেখাচ্ছে । মা কিছু না বলে জলপট্টি জলে ডুবিয়ে আবার আমার মাথায় দিয়ে মাথা টিপতে লাগলো । মাথা টিপে দিতে দিতে একসময় মা আমার তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
মা - এখন কেমন লাগছে বাবু? জ্বরটা কি একটু কমেছে মনে হচ্ছে?
আমি তাঁর হাতটা চেপে ধরে নিজের বুকের সাথে লাগালাম এবং তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম,
আমি - তোমার এই হাতের ভালোবাসার স্পর্শে অনেক আগেই আমার জ্বর কমে গেছে । কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বর ছেড়ে যাবে মনে হচ্ছে, তুমি একদমই চিন্তা করো না।
মা আমার কথা শুনে এক চিলতে মিষ্টি হাসি দিয়ে বললো,
মা - তাহলে তুই এইবার স্যুপটা খেয়ে নে । তারপর এই টেবিলের উপরে রাখা ঔষধগুলো খেয়ে নিবি । তারপর একটু রেস্ট নিয়ে স্নান করে নিস। আমি দুপুরের খাবার নিয়ে আসবো কিছুক্ষণ পর ।
এই বলে মা চলে যেতে লাগলো । আমার মন চাইছিল তাঁকে আরও কিছুক্ষণ ধরে রাখতে। আমি পিছন থেকে তার হাত টেনে ধরে বললাম,
আমি - আর একটু সময় আমার পাশে বসে থাকো না মা, তুমি কাছাকাছি থাকলে ভালো লাগছে ।
মা - আমার এখনো দুপুরের রান্না শেষ হয়নি বাবু । ৩ টায় আবার কলেজে যেতে হবে, ক্লাস আছে একটা । আমি এইখানে বসে থাকলে কাজগুলো হবে কিভাবে বল দেখি । তুই স্যুপ আর ঔষধগুলো খেয়ে নে আমি রান্নাঘরে যাচ্ছি ।
মা আমার হাত ছাড়িয়ে ঘর থেকে চলে গেলো । যাওয়ার সময় আমি মায়ের পাছার দিকে তাকিয়ে ওই বড় বড় পাছায় হাত দিতে কেমন লাগবে তা ভাবতে লাগলাম । কেমন হতো যদি আমি এখনই আমার বাড়াটা মায়ের কলসির মতো পাছার দাবনায় ঘসতে পারতাম । এইসব ভেবে আমার বাড়া দাড়িয়ে গেলো । শরীরটা আবার গরম হয়ে গেলো, তবে তা জ্বরের জন্য না, মায়ের শরীরের কথা ভেবে আর এক অতৃপ্ত কামনার তাড়নায় না আমার শরীরকে জ্বালাচ্ছে । নাহ্.... এইভাবে আর চলতে দেওয়া যাবে না । মাকে খুব তাড়াতাড়ি কাছে টানতে হবে , তার সব লজ্জা ভেঙে দিতে হবে আর সব ভয় দূর করতে হবে । তবেই মাকে নিজের করে পাওয়া যাবে, নাহলে মা এত সহজে ধরা দেওয়ার মতো মহিলা না। আমি স্যুপটা খেয়ে ঔষধগুলো খেয়ে নিলাম । একটু শুয়ে ছিলাম আর তখনই কারেন্ট চলে গেলো । তাই আমি প্যান্ট খুলে একটা লুঙ্গি পড়ে নিজের ঘর থেকে বের হয়ে রান্নাঘরের দিকে যেতে লাগলাম মা কি করছে সেইটা দেখার জন্য । রান্নাঘরের কাছে এসে দেখি আমার মা অহনা সেন রান্নাচড়ানোর জন্য বটি নিয়ে বসে সবজি কাটতেছে । চুলায় কি যেন চাপানো । কারেন্ট না থাকয় চুলার তাপে মায়ের গা ঘেমে কাপড় গায়ে লেপ্টে গেছে ।
ফোটা ফোটা ঘাম মায়ের গলাবেয়ে মাইয়ের খাজে নামতেছে । এ যেন হিমালয়ের মাঝখান দিয়ে ঝর্ণাধারা বয়ে যাচ্ছে।পা ভাজ করে বসায় মায়ের কাপড় হাটু সমান উঠে গেছে। আমি রান্নাঘরের দরজায় দাড়িয়ে মায়ের কামুক রূপ দেখে হা করে চোখ দিয়ে গিলতে লাগলাম । ঘামে ভেজা পর্বতের মত দুই মাইয়ের খাজ যেন আমাকে আহবান করতেছে ,চোখ জুড়ানোর জন্য । হাটুর নিচ পর্যন্ত খোলা পা উরুর সাথে চেপে দুই পায়ের পেশি পটলের মত টান টান দেখাচ্ছে । কলা গাছের মত চক চক করা দুই পা ভাজ হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে ।
হলুদাভ সাদা বর্ণের অধিকারি আমার মায়ের পা সব সময় কাপড়ের নিচে ঢাকা থাকায় উজ্জল রং ধারন করেছে। মায়ের মুখে জমা বিন্দু বিন্দু জল তার কাম রূপকে হাজার গুন যেন বাড়িয়ে দিয়েছে। মা এক মনে সবজি কাটায় ব্যস্ত । মা যদি এখন দেখে ফেলে আমি আবার তার দেহের তাকিয়ে আছি তাহলে যে কি বলবে তা ভগবানই জানে। তার মনের ভাষা বুঝা বড় দায় । আমি রান্নাঘরে ঢুকে ঘরের দেয়ালে রাখা হাত পাখা নিয়ে মাকে বাতাস করতে লাগলাম । আমাকে দেখে মা বললো,
মা - কিরে তুই বিছানা থেকে উঠে এলি কেন? তোকে না বললাম শুয়ে থাকতে । যা ঘরে যা আমি রান্না শেষ করে খাবার নিয়ে যাচ্ছি ।
আমি - না মা, দেখ গরমে তুমি চুলার পাশে কি কষ্টই না করতেছ। তুমি কষ্ট করবে আর আমি কিকরে শুয়ে থাকবো বলো তো । তাই তোমাকে বাতাস করতে এলাম ।
মা - হয়েছে, তোকে আর বাতাস করতে হবে না । তুই নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখ । এখন তাড়াতাড়ি স্নান করে নে তো তাহলে দেখবি শরীরটা ভালো লাগবে, গরমও কম লাগবে ।
এই বলে মা উঠে দাড়িয়ে আমার হাত থেকে হাতপাখা নিতে লাগলো আর অমনি আলগা হয়ে থাকা আমার লুঙ্গির গিট খুলে লুঙ্গিটা মেঝেতে পড়ে গেলো আর আমার বিশাল বাড়া দিনের আলোতে মায়ের সামনে দৃশ্যমান হল । সেদিন রাতে বাথরুমে পিছন থেকে আমাকে হাত মারতে দেখলেও মা আমার বাড়াটা পুরোপুরি দেখতে পায়নি। আজ আমার আখাম্বা বাড়া দেখে মায়ের মুখ হা হয়ে গেল। এ জীবনে সে এত বড় বাড়া কোনো দিন দেখেনি । মা মনে মনে ভাবতে লাগলো যে নেতানো অবস্থায় বাড়ার সাইজ যদি এত বড় হয় , তাহলে খাড়া হলে কি রূপ বড় হবে সেটা ভাবতেই মায়ের গুদ যেন চিনচিন করে কেপে উঠল ।
মা আমার হাত থেকে হাতপাখাটা নিতেও পারলো না, থমকে দাড়িয়ে গেল। আমি বুঝতে পারলাম মা দুইচোখ দিয়ে অবাক হয়ে আমার দুই পায়ের মাঝখানের দিকে তাকিয়ে আমার বাড়া দেখছে । এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য আমি পুরোপুরি মায়ের দিকে ঘুরে আমার আখাম্বা বাড়া মাকে ভালোভাবে দেখার সুযোগ করে দিলাম ।
আমি এমন ভাব করলাম যেন আমার লুঙ্গি খুলে নিচে পড়ে গেছে অথচ আমি কিছুই জানি না । আমি বুঝতে পারলাম লেবুর সাইজের মত বাড়ার মুন্ডি দেখে মায়ের দেহে কাম জাগতে শুরু করেছে । আমি মায়ের মুখের দিকে তাকাতেই মা আমার পায়ের ফাক থেকে চোখ সরিয়ে একটানে আমার হাত থেকে পাখাটা নিয়ে নিলো আর অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললো,
মা - তোর লুঙ্গিটা.....
মা তার কথা পুরোপুরি শেষ করতে পারলো না, মাঝপথেই আটকে গেল । মা ভীষণ লজ্জা পেয়েছে । কিন্তু আমার মাথায় তখন শুধুই কামবাসনা খেলা করছিলো তাই আমি লুঙ্গি না তুলেই বললাম,
আমি - লুঙ্গিটা কি হয়েছে মা?
মা কাঁপাকাঁপা গলায় বললো,
মা -নিচে তাকিয়ে দেখ হাঁদারাম, তোর লুঙ্গিটা খুলে গেছে!
তাঁর গলার স্বরে এক অদ্ভুত মিশ্রণ ছিল—একদিকে চরম লজ্জা, অন্যদিকে এক অজানা উত্তেজনা যা সে নিজেকেও বোঝাতে পারছিলো না। মা যখন আমাকে লুঙ্গি তোলার কথা বলছিলো তখনও তাঁর মন আমার ওই বিশালাকার বাড়ার ওপরই আটকে ছিল। মা দ্রুত মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছিলো ঠিকই, কিন্তু তাঁর শরীরের ভঙ্গি বলে দিচ্ছিল যে সে ভিতরে ভিতরে কতটা আলোড়িত। রান্নাঘরের সেই গুমোট গরমের মধ্যে আমাদের দুজনের নিঃশ্বাসের শব্দগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছিলো ।
আমি লুঙ্গিটা তোলার জন্য কোনো তাড়াহুড়ো করলাম না। বরং আমি এক পা এগিয়ে মায়ের আরও কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়ালাম । আমি লক্ষ্য করলাম, মায়ের ঘামে ভেজা গলার চামড়াটা লাল হয়ে উঠেছে। তাঁর বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছে, যেন সে কোনো গভীর সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে লড়াই করছে । আমি আলতো করে মায়ের কোমরে একটা হাত রাখলাম, সেই উষ্ণ স্পর্শে মা যেন কারেন্টের শক খাওয়ার মতো কেঁপে উঠল । অন্য হাত দিয়ে আমি তাকে আমার দিকে ঘুরিয়ে নিলাম । মা আমার চোখে চোখ রাখতে পারলো না, তার চোখ সরাসরি নিচে চলে গেলো আমার বাঁড়ার দিকে, সেইটাকে আবার দেখবার জন্য । বাড়ার হেল দুল দেখে মা আরও বেশি ঘামতে লাগল । নিজের ছেলের তাগড়া বাড়ার হেল দুল দেখে মায়ের গুদে রস কাটতে লাগলো । বাড়া খাড়া হতেই তার নিচে রাজ হাসের ডিমের মত বড় বড় বিচি ঝুলতে দেখতে পেলো ।
আমি হা করে ঘামে ভেজা মায়ের বিশাল মাইয়ের খাজ ঘুর ঘুর করে দেখতে লাগলাম । মা তার ছেলের নজর বুঝতে পেরে আচল টান দিয়ে বুক ঢেকে নিলো । আমি ফিসফিস করে তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললাম,
আমি - "মা, তুমি খুব অবাক হয়ে গেছো মনে হচ্ছে?
আমার গলার স্বর এখন অনেক বেশি গম্ভীর এবং কামুক। মা কোনো উত্তর দিল না, তবে আমার হাত থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করলো না। বরং মা যেন এক অদ্ভুত সম্মোহনের বশ হয়ে আমার দিকেই তাকিয়ে রইলো । তাঁর চোখের মণি এখন বড় বড় হয়ে গেছে, আর ঠোঁট দুটো হালকা করে কাঁপছে । মা খুব নিচু স্বরে বলল,
মা - অয়ন... এটা... তুই... তুই কি করছিস? তাড়াতাড়ি লুঙ্গিটা পরে নে।
তাঁর কথাগুলো ছিল অনুরোধের মতো, কিন্তু তাতে কোনো দৃঢ়তা ছিল না।
আমি হাসলাম, সেই হাসিতে ছিল এক ধরণের অধিকারবোধ। আমি আমার হাতের আঙুলগুলো মায়ের কোমরের ভাঁজে আলতো করে নামিয়ে আনলাম। মা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, যা প্রায় আর্তনাদের মতো শোনাচ্ছিল। সে বুঝতে পারছিলো যে আজকের এই মুহূর্তটা আর পাঁচটা সাধারণ মুহূর্ত নয়। তাঁর দীর্ঘদিনের চেপে রাখা কোনো এক সুপ্ত বাসনা যেন এই নিষিদ্ধ উত্তেজনার সামনে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। মা ধীরে ধীরে মুখ তুলে আমার চোখের দিকে তাকালো ,
এইবার আর তার দৃষ্টি সরিয়ে নিল না ।
আমি আর এক মুহূর্তও দেরি করলাম না । মায়ের কমলার কোঁয়ার মতো ঠোঁটগুলোর দিকে তাকিয়ে আমি এক হাত তাঁর গলার পিছনে আর আরেক হাত তাঁর কোমরে রাখলাম। তারপর কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই তাঁর ঠোঁট দুটোকে নিজের ঠোঁটে চেপে ধরে আমি তাঁর ঠোঁটগুলো চুসতে শুরু করলাম, যেন কোনো মিষ্টি ফল থেকে রস চুষে নিচ্ছি।
আমি যখন মাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম, আমার খাড়া হয়ে থাকা বাড়া সরাসরি মায়ের শাড়ির পাতলা কাপড়ের ওপর ঠেকে গেল। শাড়ির সেই পাতলা আবরণটুকু কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াল না; বরং আমার বাড়ার উষ্ণতা আর কঠোরতা মায়ের তলপেটের নরম চামড়ায় গিয়ে ধাক্কা দিল। মা এইবার কেঁপে উঠলো আর তাঁর নিঃশ্বাস দ্রুত হতে শুরু করল। আমাকে থামাতে মা আমাকে সামান্য একটু ঠেলে সরিয়ে দিয়ে, হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, "অয়ন... এইটা তুই কি করছিস? থাম! এটা ঠিক হচ্ছে না... ছেড়ে দে বাবু" । তাঁর গলার স্বরটা কাঁপছিল । মা আমাকে আটকাতে চাইলেও তাঁর শরীর যেন আমার শরীরের প্রতি চুম্বকের মতো আকর্ষিত হচ্ছিল।
থামার কোনো লক্ষণ আমার মধ্যে ছিল না। আমি বুঝতে পারছিলাম, এই অস্থিরতা কেবল আমার একার নয়। দীর্ঘ বছরের নিঃসঙ্গতা মাকে ভেতর থেকে নিঃশেষ করে দিয়েছে। বাবার অনুপস্থিতি তাঁর ভেতরে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করেছিল, যা মা বছরের পর বছর চাপা করে রেখেছিল । সেই শূন্যতা, সেই অতৃপ্তি যেন আজ আগ্নেয়গিরির লাভার মতো তাঁর শরীরের প্রতিটি কোষে ফুটে উঠছিল। তাঁর এই দীর্ঘদিনের চেপে রাখা অতৃপ্তিই এখন তাঁর চোখেমুখে এক কামুক তৃষ্ণার জন্ম দিয়েছে, যা আমার এই অদম্য যৌবনকে দেখে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
আমি মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "তুমি আর কতদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখবে মা? আমি জানি তোমার ভেতরে কী চলছে। তোমার শরীর বলছে তুমি আমায় চাইছ।" এই কথা বলেই আমি আবারও মায়ের ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে চুমু খেতে শুরু করলাম । মা আর কোনো বাধা দিল না, বরং তাঁর হাত দিয়ে আমার ঘাড়ের চারপাশে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো এবং আমাকে আরও জোরে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরলো । তাঁর উষ্ণ নিঃশ্বাস আমার গলার চামড়ায় এসে পড়ল, আর আমি অনুভব করলাম তাঁর শরীরটা আমার স্পর্শে মোমের মতো গলে যাচ্ছে।
মায়ের ঠোঁটের স্বাদ ছিল অদ্ভুত রকমের মাদকতাপূর্ণ। তাঁর নিঃশ্বাসের উষ্ণতা আমার মুখে মিশে যাওয়ায় শির শির করে উঠল আমার সারা শরীর। আমি অনুভব করলাম, মা তাঁর হাত দুটো আমার পিঠের ওপর শক্ত করে চেপে ধরে আমার পিঠে তার নখ বসিয়ে দিয়েছে । আমরা একে অপরের ঠোঁটগুলো এমনভাবে চুসছিলাম যেন আমরা একে অপরের অস্তিত্বের গভীরে প্রবেশ করতে চাইছি।
