Thread Rating:
  • 1 Vote(s) - 5 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

লাল রঙের প্যান্টি
#1

 
লাল রঙের প্যান্টি
( by zakiaaziz)
 

০১ পর্ব



বাবলু, আমি ও আমার নিরীহ টাইপের স্বামী- আমরা তিনজন এক মেট্রোপলিটন শহরে বাস করি। আমার বয়স আটত্রিশ ছুঁই ছুঁই, নাম সতী যার বিপরীত অর্থ অসতী। আমিও নিজেকে এমনটাই মনে করি। কন্তিু এটা নিয়ে আমার কোনই মাথাব্যাথা নাই। কারণ যৌনতা আর সেক্স আমার প্যাশন। আমার স্বামী এসবের কিছুই জানে না। কারণ শরীর আর ছলাকলা দিয়ে তাকে কিভাবে বশে রাখতে হয় সেটা আমি খুবই ভালো জানি।

নিজের বোন আর দুলাভায়ের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় শৈশবেই যৌনতার বিষয়ে আমার হাতেখড়ি হয়েছিলো। ওরা দুজন আমার সামনেই চুমাচুমি করতো। সেই সময় দুলাভাই রসিকতার ছলে আমাকেও চুমা খেতো। আমার অপরিপক্ক শরীর, বুক আর নিতম্বে হাতাহাতি করতো। বড়বোন এসব দেখে খুবই মাজা পেতো, সেই সাথে আমিও। কখনও কখনও আপাও আমার সাথে এসব করতো। এভাবেই আমার দুই স্তন আর যৌন কামনার বিকাশ বোন-দুলাভাইএর হাতেই হয়েছিলো।

যৌবনে পা রাখার পর থেকেই আমি আকর্ষনীয় মেয়ে বা ছেলেদের সাথে যৌনসুখ ভাগাভাগী করে নিতে পছন্দ করি। যৌন কামনা-বাসনা আমি কখনোই নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করিনা। আমার কাছে এসব হলো আনন্দের ভান্ডার এবং আমি লেসবিয়ান ও স্ট্রেইট সেক্স দুটোই সমানভাবে উপভোগ করি। এমন জীবনযাপন আমাকে সবসময় উজ্জীবিত ও উৎফুল্ল রাখে। তবে স্বামীর প্রতি সম্মানের নিদর্শনস্বরূপ আমি যৌন সম্পর্কে জড়িত কাউকে কখনো বাড়িতে নিয়ে আসি না। কিন্তু বাড়িতেই একদিন এক অভাবনীয় যৌন উত্তেজক ঘটনার সূত্রপাত হলো।

অফিস থেকে ছুটি নিয়ে দুপুরের আগেই বাসায় ফিরেছিলাম। হিসুও পেয়েছিলো খুব। তাই তাড়াহুড়ো করে বেডরুমে ঢুকতেই বাথরুমের খোলা দরজা দিয়ে একটা বিচিত্র দৃশ্য দেখতে পেলাম। আমার এ-লেভেলে পড়ুয়া ছেলে বাবলু কমোডের সামনে প্যান্ট খুলে দাঁড়িয়ে আছে। সে একহাতে আমার একটা লাল রঙের প্যান্টি নাকে চেপে ধরে আছে আর আরেক হাতে তার লিঙ্গটা উন্মত্তের মতো ঘষাঘষি করছে। হাতে ফেনা দেখে বুঝলাম যে, সে সাবান ব্যবহার করেছে।

নিজের কাজে বাবলু এতোটাই ব্যস্ত যে আমার উপস্থিতি সে টের পেলোনা। সে সমানে হাত চালিয়ে যাচ্ছে আর বিড়বিড় করে কি যেনো বলছে। পেনিসে হাত ঘষতে ঘষতে একসময় তার শরীরটা সামনে বাঁকিয়ে গেলো। দেখলাম যে, ধোনের মাথা দিয়ে মাল ছিটকে বেড়িয়ে মেঝেতে পড়ছে। বাবলুর বিড়বিড়িয়ে বলা শব্দগুলো এখন আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি। হস্তমৈথুন করতে করতে সে আম্মু..আম্মু বলে আমাকেই স্মরণ করছে।

আমি আস্তে করে দরজাটা ভিড়িয়ে দিয়ে কিচেনে চলে গেলাম। আমার মাথা চক্কর দিচ্ছে। ভাবলাম এটা কি আজকের ঘটনা নাকি রোজকার ব্যাপার? কিছুক্ষণ পরে টের পেলাম যে, বাবলু আমার রুম থেকে বেরিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো। সুতরাং আমিও আমার রুমে ফিরে এলাম। আরও পরে গোসল সেরে রুম থেকে বাবলু বেরিয়ে এলো। আমাকে দেখেতে পেয়েই সে প্রাণ খোলা হাসি দিলো। আমিও হাসলাম। নিজের হাবভাবে তাকে কিছুই বুঝতে দিলাম না।

বাবলুর তরফে ব্যাপারটা যে, মোটামুটি দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়েছে সেটা দুদিন পরেই টের পেলাম। প্যান্টিটা পরীক্ষা করার সময় খেয়াল করলাম যে, আজ সে ওটার ভেতরেই বীর্যপাত করেছে। জিনিসটা তখনও শুকায়নি। আমি কৌতুহলের বশে আঠালো তরলের উপর আঙুল রাখলাম আর সাথে সাথেই আমার সারা শরীরে একটা শিহরণ বয়ে গেল। এরপর আঙ্গুলটা একটু চেখে দেখলাম। হ্যাঁ, তারুণ্যের চমৎকার স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে। বীর্য্যের স্বাদ, গন্ধ আমাকে সবসময় উত্তেজিত করে।

মূহুর্তের মধ্যে জামাকাপড় খুলে আমি একেবারে উলঙ্গ হয়ে গেলাম। তারপর প্যান্টির উপর থেকে আঙ্গুলের মাথায় বীর্য্যের আরেকটু নমুনা নিয়ে ক্লাইটোরিসের উপর লাগালাম। সাথে সাথেই সেখানে ভয়ানক উত্তেজনার প্রবাহ তৈরী হলো! আমি প্যান্টি থেকে ছেলের বীর্য্য চেঁছে তুলে বারবার ক্লাইটোরিসে ঘষলাম। তারপরও প্যান্টিতে অনেকটাই বীর্য্য ছিলো। আমি এরপর পুরো প্যান্টিটাই ক্লিটোরিসের উপর ঘষতে লাগলাম। আর কিছুক্ষণ পরেই আমার অর্গাজম হলো। নিষিদ্ধ যৌনাচারের মধ্যে এটাই হলো বহুদিনের মধ্যে সেরা অর্গাজম।

যখন বাড়িতে থাকি, অধিকাংশ সময় আমি টেপ বা টি-শার্ট আর প্যান্টি পরে থাকি। বাবলু বক্সার পরে। বাবলু এখনো জানে না যে, আমি তাকে হস্তমৈথুন করতে দেখেছি। কিন্তু সে বিশেষ নজরে আমাকে দেখে কিনা এটা বুঝার জন্য একদিন মিনি প্যান্টি আর টি-শার্ট পরে ওর রুমে হাজির হলাম। তারপর উপুড় হয়ে ওর বিছানা গোছানোর ছলে আমার নিতম্বটা দেখার সুযোগ করে দিলাম। চোরা চোখে তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, সে আমার পাছার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছে আর বক্সারের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে ধোন নাড়ছে।
কিছুই টের পাইনি এমন ভান করে আমি একটা হাঁটু বিছানার উপরে তুলে দিলাম, যাতে সে আমার নিতম্বের সাথে সাথে আরও কিছু দেখতে পায়। এরপর আমি যতক্ষণ সিনেমা দেখালাম সে সারাক্ষণই বক্সারের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে নিজের ধোন নাড়ানাড়ি করলো। একটু পরে আমাকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে দেখেই বাবলু বক্সারের ভিতর থেকে হাত বাহির করে নিলো আর চেয়ার ছেড়ে দ্রুতই বাথরুমে চলে গেলো। বুঝলাম যে, এই মূহুর্তে একটা মাইন্ডব্লোইং হস্তমৈথুন তার খুবই দরকার। মনে মনে ভাবলাম ইশ, দৃশ্যটা যদি একবার দেখতে পেতাম!

তারপর থেকে আমি নিজের ছেলেকে নানান ভাবে উত্যক্ত করতে লাগলাম। দুষ্টুমি করার জন্য একদিন ওর রুমে ঢুকে পড়লাম। ব্রা পরিনি, শুধু টেপ গায়ে দিয়েই চলে এসেছি। এরপর কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে পড়ার টেবিলে ঝুঁকে পড়লাম যাতে সে আমার দুধ দুইটা পুরোপুরি দেখতে পায়। আর যেইমাত্র সে আমার বুকের দিকে তাকালো, আমি সাথে সাথে ঝাঁকুনী দিয়ে দুধ দুইটা নাড়িয়ে দিলাম। এরপরের সিচুয়েশনটা হলো দেখার মতো। বাবলু হা করে আমার দুই স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকলো। আর আমি তাকে ওই অবস্থায় রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম।

স্বচেতন ভাবেই নিজের ছেলেকে আমি ইনসিস্ট করতে শুরু করলাম। গোসলের পরে ইচ্ছে করেই হরেক ডিজাইনের ব্রা, প্যান্টি বাথরুমে ছড়িয়েছিটিয়ে ফেলে রেখে বাসার বাহিরে চলে গেলাম। পড়াশোনা কেমন হচ্ছে এটা জানার জন্য পাতলা নাইটির নিচে কিছু না পরেই ওর রুমে চলে গেলাম। আর ফেরার সময় মাথায় স্তনের ছোঁয়া লাগিয়ে দিলাম। একজন সেক্স পার্টনার আমাকে হটপ্যান্ট উপহার দিয়েছিলো। একদিন সেটা পরেই বাবলুর সামনে হাজির হয়ে তাকে তাক লাগিয়ে দিলাম।

বেশ কিছুদিন এভাবে চলার পরে মনে হলো যে, ছেলের সাথে এটা নিয়ে আলাপ করলে কেমন হয়? আমাকে নিয়ে তার সেক্স ফ্যান্টাসী কোন পর্য্যায়ে আছে সেটা ভালোভাবে বুঝতে পারবো। এছাড়াও তাকে কিছুটা সতর্ক করা দরকার। আমি সন্ধ্যার সময় তাকে বেডরুমে ডেকে পাঠালাম। বাবলু এসে পাশে বসলো। আর আমি জিজ্ঞেস করতেই সে নতমুখে সবই স্বীকার করলো। সে এটাও বললো বললো যে, ছয় মাস ধরে প্রায় প্রতিদিন এভাবে হস্তমৈথুন করে আসছে। তবে এখন থেকে সে আর এসব করবে না। এসব বলার সময় তার দুচোখ বেয়ে লজ্জার অশ্রু গড়িয়ে পড়লো।

ছেলের চোখে জল দেখে নিজের কথা মনে পড়লো। বোন-দুলাভাই আমার শরীরে যৌন উন্মাদনা জাগালেও তেরো বছর বয়সে আমি স্বেচ্ছায় দুই বছরের বড় চাচাতো ভাইএর সাথে প্রথমবার সেক্স করেছিলাম। তাই জানি যে, বাবলুর বয়সী ছেলে যাদের সেক্স বেশি তাদের প্রায়ই হস্তমৈথুনের প্রয়োজন হয়। ফলে বাবলুর এই কাজ, মানে আমার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে হস্তমৈথুন করা একেবারেই সঙ্গত মনে হলো। আমার প্যান্টিগুলো ছেলে কোন কাজে ব্যবহার করছে এটা ভেবে খুবই রোমাঞ্চিত হলাম আর উত্তেজনা বোধ করলাম।

ছেলেকে জড়িয়ে ধরে বললাম,‘ঠিক আছে, তুমি আমার প্যান্টি ব্যবহার করলে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে শর্ত হলো এগুলো শুধু তুমিই ব্যবহার করবে। তোমার বন্ধুদের সাথে কখনোই এসব শেয়ার করবে না।’ তাকে আমি আরও কিছু বললাম। আমার কথাগুলো শোনার পরে বাবলুর চোখেমুখে প্রথমে বিষ্ময় তারপর হাসি ফুটে উঠলো। তিরষ্কারের পরিবর্তে পুরষ্কৃত হয়ে সে আমার গালে একটা চুমা খেয়েই দ্রুত ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেলো।

তারপর থেকে গোসলের সময় ব্যবহৃত ব্রা-প্যান্টি বাথরুমের মেঝেতে ফেলে অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যাই। বাবলু হস্তমৈথুনের পর সেগুলি আবার ঝুড়িতে বা মেঝেতেই রেখে দেয়। আমার রুটিন হলো বাড়ি ফিরে সেগুলি ধুয়েমুছে পরিষ্কার করা। ধোয়ার আগে ছেলের বীর্য্যমাখা প্যান্টির গন্ধ শুকতে, গুদে ঘষাঘষি করতে আমারও খুব ভালো লাগে। ভীষণ উত্তেজনা লাগে। এমন উত্তেজনা আমি আগে কখনও অনুভব করিনি।

আমি একটা জিনিস খেয়াল করলাম যে, ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাওয়ার কারণে বাবলু পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হয়ে উঠেছে। অনেকদিন আগে নেটে একটা অদ্ভুৎ আর্টিকেল পড়েছিলাম। এডেলোসেন্ট পিড়িয়ডে ছেলেরা যেনো হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে না পড়ে তাই জাপানীজ মায়েরা নাকি হস্তমৈথুনে সাহায্য করে। কখনও কখনও ধোন চুষে মাল বাহির করে দেয়। আমিও কি বাবলুর সাথে এমনটা করতে যাচ্ছি এসব ভাবনা মাথায় আসতেই উদ্দীপনা বোধ করলাম।

তবে কিছুদিন পর আমাদের মা-ছেলের মধ্যে বিচিত্র ধরনের মেসেজ চালাচালি শুরু হলো।
বাবলু ওর রুমে পড়ছে। আমি মেসেজ পাঠালাম,‘আজ অনলাইনে একটা নতুন প্যান্টি কিনেছি। থং প্যান্টি।’
বাবলু পাল্টা মেসেজ করলো,‘ছবি পাঠাও।’
ছবি সেন্ট করে মেসেজ দিলাম,‘তোমার পছন্দ হয়েছে?’
ফিরতি মেসেজ এলো,‘রেড প্যান্টি! সো নাইস এন্ড সেক্সি! রাতে পরে ঘুমিও।’
সকালে স্বামীর সাথে বাহিরে বেরুবার সময় মেসেজ করলাম,‘আমার প্যান্টিটা তোমার জন্য বেসিনের উপরে রেখে গেলাম।’

রাত জেগে পড়াশোন করে বাবলু এখনও ঘুমাচ্ছে। ঘুম ভাংলেই মেসেজ চোখে পড়বে। কল্পনায় দেখতে পেলাম যে, আমার বাথরুমে ঢুকেই সে প্যান্টিটা হাতে নিয়ে নাকে চেপে ধরলো। জোরে জোরে শ্বাস টেনে যোনির গন্ধ শুঁকলো। তারপর সারা পেনিসে স্যাম্পুর ফ্যানা তুলে হস্তমৈথুন করতে শুরু করলো।

দুই মাস পেরিয়ে গেছে। মা ছেলের মাঝে মেসেজ চালাচালি ভালোই চলছে। এতোটাই ভালো আর গোপনীয়তার আড়ালে যে, মুখোমুখী দেখা হলেও আমাদের আচরণ একদম স্বচ্ছন্দ ও স্বাভাবিক থাকে। একদিন মনে হলো এবার আরো একটু নতুনত্ব দরকার। প্যান্টির যে অংশ ভ্যাজাইনা ঢেকে রাখে, আমার নতুন প্যান্টিটার সেই অংশে লাভ সাইন আঁকা আছে। আমি প্যান্টির লাভ সাইনের উপরে বাবলুর জন্য একটা চিরকুট রেখে দিলাম।
‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’
উত্তরে সেও একই চিরকুটের পিছনে লিখলো,‘আমি তোমাকে যতোটা ভালোবাসি তুমি ততোটা নয়।’
আমি লিখলাম,‘আমার সব প্যান্টিতেই কি তোমার উত্তেজনা আসে?’
বাবলু জবাবে লিখলো,‘হ্যাঁ। কারণ এর সুগন্ধ পুরোটাই তোমার।’

চিরকুটের চাইতে টেক্স মেসেজ অনেক নিরাপদ। আর সেটা যদি পাশে থাকা স্বামীর চোখের আড়ালে হয় তাহলেতো কথাই নেই, ভীষণ উত্তেজক। এই মূহুর্তে আমার স্বামী পাশে শুয়ে মোবাইল টিপাটিপি করছে। আর তখনই আমার মোবাইলে এসএমএস এলো-‘হাই সেক্সি ডার্লিং’!
‘দুষ্টু ছেলে, আম্মুর সাথে দুষ্টুমি?’ মোবাইলের বাটনে আমার আঙ্গুলগুলি দ্রুতই নড়ে উঠলো।
‘ইউ আর মাই সুইট ডার্লিং।’ ছেলের তরফ থেকে সাথেসাথে একটা লাভ ইমোজি এলো।
জবাবে আমিও একটা ইমোজি পাঠালাম।
‘তোমার একটা মার্ভেলাস ছবি চাই।’
‘এখনই পাঠাচ্ছি।’
‘যেমন তেমন ছবি না..লাল ব্রা-প্যান্টি পরা ছবি।’
আমি নিরব থাকায় আবার মেসেজ এলো ‘তুমি কি রাগ করলে?’
আমি মেসেজ দিলাম ‘সামনের পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলে তোমার জন্য এর চাইতেও হট উপহার থাকবে।’
‘কি উপহার?’
‘এখনই বলবো না। তবে সেটা হবে তোমার জীবনের সেরা উপহার।’
ছেলের তরফ থেকে দাঁত বাহির করা হাসির ইমোজি এলো, আর সাথে মেসেজ ‘সুইট ডার্লিং, হ্যাভ এ নাইস স্লিপ’।

কিন্তু ঘুম আমার মাথায় উঠলো। গুদ রসে থৈ থৈ করছে। এসি চললেও প্রচন্ড গরম লাগছে। অন্য রকমের গরম, তাই শরীর ঠান্ডা করার জন্য স্বামীর ধোনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। ওটা মুখের ভিতরে নিয়ে খাড়া করতে তিরিশ সেকেন্ডও লাগলো না। পরবর্তী তিরিশ সেকেন্ডের মধ্যে ধোনটা আমার গুদের ভিতরে আশ্রয় নিলো। ওটার দফারফা করে তবেই আমি শান্ত হবো। স্বামী আমার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসছে। কারণ সে আমার নেচার সম্পর্কে ভালোই জানে।
##################
বাবলুর স্কুলে গিয়েছিলাম। ছেলেটা খুবই ভালো রেজাল্ট করেছে। তাকে সাথে নিয়ে ফেরার পথে গাড়ীটা ডিস্টার্ব করায় গ্যারাজে সারাতে দিয়ে শেরাটনে ঢুকলাম। লাঞ্চ সেরে বাহির হওয়ার সাথে সাথেই বৃষ্টি নামলো। তাই হাতের কাছে একটা অটোরিক্সা পেয়ে মা-ছেলে তাতেই চড়ে বসলাম। পথে ছেলের সাথে কোথাও আউটিংএ যাবার পরিকল্পনা করতে করতে যখন বাসায় ফিরলাম তখন দুজনেই ভিজে চুপসে গেছি।

কয়েকটা দিন টানা গরমের পর এমন বৃষ্টি স্বস্তি এনে দিলেও পূর্ব প্রতিশ্রুতির কথা ভেবে আমি খুবই উত্তেজিত হয়ে উঠছি। সম্ভবত বাবলুও সেটা আন্দাজ করতে পেরেছে। বৃষ্টিতে ভেজা জামাকাপড় শরীরের সাথে লেপ্টে থাকায় কালো রঙের ব্রেসিয়ার স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বিশেষ পুরষ্কারের জন্য আর অপেক্ষা করতে হবেনা জেনে ছেলেও বিশেষ দৃষ্টিতে আমাকে দেখছে।

আমি বাবলুর চোখের সামনেই জামা, ব্রেসিয়ার, পায়জামা খুলে ফেললাম। ভিজা চুপচুপে ভাগ্যবতী কালো প্যান্টিটা গুদের সাথে লেপ্টে আছে। এরপর কোমরবন্ধনীতে আঙুল ঢুকিয়ে যখন প্যান্টিটা খুলতে লাগলাম তখন বাবলুর চোখ দুটো লোভে ঝকমক করে উঠলো। আমি প্যান্টিটা ওর নাকের কাছে ধরে বললাম,‘তুমি কি এটা চাও?’

কিছু না বলে সে মাথা ঝুঁকালো। ছেলেটা আমার দুধ আর গুদের উপর থেকে নজর সরিয়ে প্যান্টির দিকে হাত বাড়িয়ে দিলো। বুঝতে পারলাম যে, এই মূহুর্তে পৃথিবীর যেকোনো কিছুর চেয়ে বাবলু প্যান্টিটাই প্রথমে চায়। জিনিসটা পেনিসে চেপে ধরে বীর্য্যপাত না করা পর্য্যন্ত ওর শরীর মন কোনোটাই শান্ত হবে না।

আমি প্যান্টিটা তার হাতে তুলে দিলাম। সে যখন চলে যাওয়ার জন্য ঘুরলো তখন বললাম,‘আমি দেখতে চাই।’ বাবলু অবাক হলেও খুশিতে তার চোখ দুটো জ্বল জ্বল করে উঠলো। আমরা তার শোবার ঘরে গেলাম। এরপর নিজহাতে প্যান্ট শার্ট খুলে তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তারপর একটা চেয়ার বিছানার কাছে টেনে এনে বসলাম, যাতে ওর হাতের কাজ ভালোভাবে দেখতে পারি।

আমার ভেজা প্যান্টি তার খাড়া ধোনের শরীর বেয়ে ওঠানামা করছে। দৃশ্যটা থেকে আমি চোখ সরাতে পারছি না। আমার ডান হাত স্বতস্ফূর্তভাবেই যোনির উপর চলে এসেছে। বাবলু হস্তমৈথুন করছে। আমি নিজের গুদ নিয়ে খেলছি। মাঝে মাঝে দুজনের দৃষ্টি মিলে যাচ্ছে। বাবলু প্যান্টি দিয়ে ধোন ম্যাসাজ করতে করতে চরম মূহুর্তে আমার দিকে ঘুরে গেলো। তারপর যোনি নিয়ে আমার খেলা দেতে দেখে বীর্যপাত করলো। ওর বীর্য ছিটকে এসে গায়ে পড়তেই আমার অর্গাজম শুরু হয়ে গেলো।

ওহ মাই গড! ছেলের সাথে এটা আমি কী করলাম? না, এমন ভাবনা একবারও আমার মাইন্ডে এলোনা। কারণ সীমা তো অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আমি হাসিমুখে ছেলেকে সাথে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলাম।
 

পরদিন ছেলের প্রিয় লাল রঙের ব্রা, প্যান্টিটা পরে বাহির হলাম। আমার দুশ্চরিত্র মনের মধ্যে একটা পরিকল্পনা কাজ করছে। বাবলু ওর বন্ধুদের সাথে বাহিরে আড্ডা দিচ্ছে। আমি নিশ্চিত ছিলামনা যে, সে দুপুরে বাসায় ফিরবে। তাই বাসায় ফেরার সময় তাকে একটা এসএমএস পাঠালাম,‘আই এ্যম মিসিং ইউ ডার্লিং। তাড়াতাড়ি বাসায় এসো। তোমার জন্য আজও একটা সারপ্রাইজ আছে।’

বাবলু প্রতিউত্তরে জানালো যে, সেও আমাকে খুব ভালোবাসে। আমি নিশ্চিত যে, সে গতকালের চাইতেও উত্তেজক কিছু আশা করছে। হয়তো ভাবছে যে, আমি নিজ হাতে ধোন মালিশ করে তার বীর্য্যপাত করিয়ে দিবো। অথবা সেক্স করার সুযোগ দিবো।

বাসায় ফিরে দেখলাম বাবলু আমার আগেই চলে এসেছে। আমার উপস্থিতি টের পেয়েই সে একটা কুকুরছানার মতো এগিয়ে এসে আমাকে স্বাগত জানাল। আমি আদর করে ওর দুইগাল চেঁটে দিলাম। তারপর তাকে রুমে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলে নিজের রুমে চলে এলাম। এরপর একে একে সব কাপড় খুলে শুধু ব্রা আর ঘামে চুপসে যাওয়া প্যান্টি পরে ছেলের ঘরে ঢুকলাম।

বাবলু মুখে চওড়া হাসি নিয়ে উলঙ্গ হয়ে বিছানায় বসে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। ওর খাড়া ধোনটা উর্দ্ধমুখী হয়ে এদিক-ওদিক দুলছে। আমি তার পড়ার ডেস্কে হেলান দিয়ে দাঁড়ালাম। বাবলু প্রথমে দুই স্তন তারপর প্যান্টিটা কৌতুহলী দৃষ্টিতে দেখলো। এরপর চোখ নাচিয়ে জানতে চাইলো এটাই কি সেই সারপ্রাইজ যার জন্য আমি তাকে ডেকে পাঠিয়েছি?

ছেলেকে হস্তমৈথুন করে বীর্য্যপাত করতে দেখে আমি খুবই মজা পেয়েছি। এবার আমি নিজের সন্তানের সাথে সেক্স করতে চাই। যদিও জানি যে, বাবলু আমাকে এখনই চুড়ান্ত প্রর্যায়ের যৌন তৃপ্তি দিতে পারবে না। ওর অপরিপক্ক ধোনের মাথা আমার গুদের তলদেশ পর্য্যন্ত পৌছাতে পারবে না। কিন্তু ওর বয়সী একটা ছেলে কেমন চুদতে পারে আমি শুধু সেটাই এখন পরীক্ষা করে দেখতে চাই।

‘তুমি কি এই ব্রা-প্যান্টিগুলি নিতে চাও?’ বাবলু মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মতি জানাতেই বললাম,‘তাহলে দেরি করছো কেনো? নিজেই খুলে নাও।’ বাবলু এক মুহূর্তও দ্বিধা না করে আমার সামনে হাঁটু গেঁড়ে বসলো। ওর নাক আমার যোনির খুব কাছে চলে এসেছে। ছেলে আমার পাছায় হাত রেখে ঘামে ভেজা প্যান্টিসহ যোনিটা তার নাকের আরো কাছে নিয়ে এলো। আমি জানি এবার সে প্যান্টির ভেতর থেকে উঠেআসা কামগন্ধ টের পাচ্ছে। সেইসাথে যোনি থেকে বেরিয়ে আসা রস যা আমার প্যান্টি ভিজিয়ে দিচ্ছে সেটাও দেখতে পাচ্ছে।

বাবলু যাতে আরও ভালো সুযোগ পায় সেজন্য আমি ওর পড়ার ডেস্কে হেলান দিয়ে প্যান্টিতে ঢাকা যোনিটা সামনে বাড়িয়ে দিলাম। তারপর আমার স্পন্দিত রসময়ী যোনিটা উপরের দিকে চেঁড়ে ধরলাম। বাবলু মাথা উঁচিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ব্রেসিয়ারটা খুলে ফেলতে বললো। আমি ব্রেসিয়ার খুলে ফেললাম তারপর তাকে আরও প্লেজার দেয়ার জন্য আমার ছত্রিশ সাইজের স্তন দুটো দুই হাতে ম্যাসাজ করতে লাগলাম।

বাবলু এবার আমার প্যান্টির কোমরবন্ধনীর দু’পাশে আঙ্গুল ঢুকিয়ে গুদের আরও কাছে চলে এলো। তারপর কোমরবন্ধনীটা উপরে টেনে ধরে গুদে নাক ঠেকিয়ে গন্ধ শুঁকতে লাগলো। ক্লাইটোরিসে বাবলুর নাক ও প্যান্টির চাপ পড়তেই আমি গুঙিয়ে উঠলাম। এরপরেই সে প্যান্টিটা আমার পা বেয়ে নিচে নামিয়ে দিতেই আমি লাথি মেরে সেটা দূরে সরিয়ে দিলাম। তারপর দুই পা কিছুটা ছড়িয়ে দিয়ে গুদের ঠোঁটদুটো দুই আঙ্গুলে এমন ভাবে ফাঁক করে ধরলাম যেনো ছেলেটা আরো ভালোকরে দেখতে পারে।

সকালে গোসলের সময় বাবলু জন্যই গুদে রেজার চালিয়েছি। সে স্তম্ভিত হয়ে মায়ের পরিচ্ছন্ন গুদের দিকে চেয়ে আছে। সম্ভবত তার কল্পনার সাথে মিলিয়ে দেখছে। আমি যোনিটা আরেকটু সামনে বাড়িয়ে দিলাম। স্পন্দিত ভগাঙ্কুরে তার নাকের ডগা স্পর্শ করতেই চরম পুলকে আমার শরীর-মন চনমনিয়ে উঠলো। আমি ধীরে ধীরে বাবলুর নাকের সাথে আমার ভগাঙ্কুর ঘষতে লাগলাম। নাকের সাথে ভগাঙ্কুরের ঘষাঘষি আমার শরীরের কাঁপুনি বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি এবার বাবলুর মাথার পিছনে হাত রেখে তার পুরা মুখটাকেই গুদের উপর চেপে ধরলাম।

বাবলু বড় বড় শ্বাস নিয়ে যোনির গন্ধ নাকের ভিতরে টেনে নিচ্ছে। যোনির ভিতর থেকে স্রোতের মতো রস বেরিয়ে আসছে। মনে হলো আমি স্রোতের শব্দটাও শুনতে পাচ্ছি। যোনিতে এবার একটা জবরদস্ত চোষণ দরকার তাই গুদটাকে বাবলুর মুখের উপর ঠেঁসে ধরলাম। এরপর ছেলেকে আরকিছু বলার প্রয়োজন হলো না। সে তার জিভটা ক্লাইটোরিসের উপর থেকে যোনিঠোঁটের ভাঁজে নামিয়ে আনলো। তারপরেই বেদম জোরে চুষতে শুরু করলো।

কিছুক্ষণের মধ্যেই টের পেলাম যে, আমার অর্গাজম হতে চলেছে। ছেলের চোষণে এতোটা উত্তেজিত হয়ে পড়বো সেটা ভাবতে পারিনি। আমি তলপেট সামনে ঠেলে দিয়ে গুদের উপর বাবলুর ঠোঁট আর জিভ যতক্ষণ সম্ভব চেপে ধরে রাখালাম। মূহুর্তের মধ্যেই আমার অর্গাজম চরম পুলকে পৌঁছে গেলো। গুদের ভিতরে তীব্র খিঁচুনি শুরু হলো। আমার সারা শরীর কাঁপতে লাগলো। মনে হলো এভাবে চলতে থাকলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলবো। কারণ আদরের বাবলু তখনও আমার গুদ আর ক্লাইটোরিস চুষেই যাচ্ছিলো।

আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। তাই তার মুখটা গুদ থেকে ঠেলে সরিয়ে দিলাম।
গুদের রসে ভিজা চুপচুপে মুখ তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বাবলু হাসলো। তারপরেই লাজুক মুখটা মেঝের দিকে নামিয়ে আনলো। আমি সাথে সাথেই কারণটা বুঝতে পারলাম। গুদ চুষতে চুষতে বাবলু মেঝেতেই বীর্য্যপাত করে দিয়েছে। ওর ধোনটা তখনও অল্প অল্প লাফাচ্ছে, ধোনের মাথা দিয়ে মাল চুঁইয়ে পড়ছে।

আমি ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মেঝেতেই শুয়ে পড়লাম। এরপর মা-ছেলে ম্যারাথন চুমাচুমির মাঝে হারিয়ে গেলাম। প্রচন্ড গরমের পর এখন মুষল ধারায় বৃষ্টি নেমেছে। বৃষ্টির ঝমঝম আওয়াজ শরীর আর মনেও প্রভাব ফেলছে। মা ছেলে দুজনের শরীরে আবারও কাম উন্মাদনা জাগতে শুরু করেছে। বাবলুর ধোনটা ছাদমুখী হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। ছেলে আমার গুদ নাড়তে নাড়তে বললো,‘মা, এবার কিন্তু আমার পালা।’

আমি উঠে বসলাম। তারপর মুখ বাড়িয়ে ওর কচিকাচা টাইপের ধোনের দিকে এগোতে লাগলাম। তার ধোনটা ইতিপূর্বে আমার ব্যবহার করা ধোনগুলির মতো বড়ো না হলেও আমি নিশ্চিত যে, দু’চার বছরের মধ্যে সেরকম আকার ধারন করবে। কচিকাচা টাইপের ধোনটা মুখের ভিতরে নিয়ে চুষার সময় ভালোই লাগলো। বেশ উত্তেজনা বোধ করলাম। ভাবলাম ছেলেকে আরেকটা স্পেশাল উপহার দেয়া এটাই উপযুক্ত সময়।

ধোন চুষা ছেড়ে এবার আমি চিৎ হয়ে শুয়ে আছি। মেনিকিউর করা নখ দিয়ে গুদের ঠোঁটগুলি ধীরে ধীরে নাড়াচাড়া করছি। বাবলুও আগ্রহ নিয়ে দেখছে। ছেলের চোখেমুখে লোভ আর লালসা। সেও বুঝতে পেরেছে যে, এখন কি করতে হবে। আমিও চাই এই কাজটুকু সে নিজে নিজেই করুক। অভিজ্ঞতা বিহীন একটা ছেলে কি ভাবে চুদে, তাও আবার নিজের মাকে, সেটা দেখতে চাই।

ছেলে আমার উপর চড়ে বসলো। প্রথমে সে ওভাবেই গুদে ধোন ঢুকানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু সুবিধা করতে না পেরে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লো। ধোন গুদের উপর লেগে আছে। আমি পা দুইটা ফাঁক করে দিলাম। গুদের উপর বারবার ঘষাঘষি করে বাবলু আবারও ধোনটা ঢুকানোর চেষ্টা করলো। এভাবে ঘষাঘষি করতে করতেই ধোনের মাথা ভাগ্যগুনে গুদের মুখ পেরিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো। এবার আমিও পাছা উঁচিয়ে ধোনটাকে রসালো গুদের ভিতরে পুরাপুরি টেনে নিলাম।

মাত্র তেরো বছর বয়সে দুই বছরের বড় চাচাতো ভাইকে প্রথমবার গুদে ধোন ঢুকাতে দিয়েছিলাম। তখন কেমন লেগেছিলো সেই অনুভূতি অনেকটাই ঝাপসা হয়ে গেছে। কিন্ত এখনকার অনুভূতিটা অসাধারণ! আমার পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী কামার্ত গুদ মাত্র পনেরোটি বসন্ত পেরুনো ছেলের ধোনটাকে সম্পূর্ণ গিলে নিয়েছে। হয়তো নিজের সন্তানের সাথে অজাচার করছি বলেই আমার এতোটা ভালো লাগছে।

বাবলু এবার ধীরে ধীরে সামনে-পেছনে দুলতে লাগলো। এরপর পাছা তুলে ধোনটাকে গুদের ভিতর থেকে পুরোপুরি বাহির করে আবারও ঢুকিয়ে দিলো। আমাকে চুদতে চুদতে বাবলু তার গতি বাড়িয়ে দিলো। কখনও কখনও থেমে থেমে, বিরতি দিয়ে দিয়ে দুধ চুষলো। বুঝলাম মা’কে চুদে সে খুবই মজা পাচ্ছে। আমি তার চোখের দিকে তাকালাম আর সেখানে কাম-লোভ- ভালোবাসা এবং দুষ্টুমির ঝলক সবই দেখতে পেলাম।

বাবলু চুদার গতি বাড়ালে আমারও ভালো লাগছিলো। চরমপুলক ঘনিয়ে আসছিলো। তাই নিজেও গুদ নাড়াতে লাগলাম। হঠাৎ সে তার দুই হাত আমার কোমরে রেখে নড়তে বাধা দিল।
‘কি হলো?’
ছেলেটা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,‘মাল বেরিয়ে যাবে।’
অশ্লীল কন্ঠে বললাম,‘নো টেনশন! তোর মাল দিয়ে আম্মুর গুদটাকে ভরিয়ে দে।’ বাবলু যখন গুদের ভিতরে মাল ঢালবে তখন আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবের খেলা দেখতে চাই। আমি গুদের ভিতরে ছেলের বীর্য্যপাতের স্পন্দন অনুভব করতে চাই।

একটু পরেই গুদের ভিতরে নিয়মিত ছন্দে বীর্য্যপাত শুরু হতেই আমিও গুদ সংকুচিত করে বাবলুর ধোনটা শক্ত করে চেপে ধরলাম। গুদের ভিতরে তার বীর্য ছিটকে পড়ার ধাক্কা অনুভব করতে করতে আমি অন্য জগতে হারিয়ে গেলাম। আমি মা থেকে মাগীতে রূপন্তরিত হয়ে গেলাম।

কিছুক্ষণ পরে টের পেলাম যে, গুদের ভিতরে বাবলুর ধোনটা নরম হয়ে এসেছে। গুদের রসের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া মাল গুদের ফুটো দিয়ে চুইয়ে মেঝেতে পড়তে শুরু করেছে। পরিমাণটাও অনেক। তবুও আমি উঠলাম না। ছেলেকে বুকের উপর জড়িয়ে ধরে চুমা খেতে খেতে মুহূর্তটা উপভোগ করতে লাগলাম।

আরও কিছুক্ষণ পরে বাবলু জানতে চাইলো,‘আমি কি এখন থেকে প্রতিদিন তোমাকে চুদতে পারবো?’
আমি বললাম,‘অবশ্যই। কিন্তু শুধুই দিনের বেলা।’
‘রাতে তোমাকে না চুদলে আমার ঘুম আসবে না।’
‘আব্বু টুরে বাহিরে থাকলে রাতেও পাবে।’
‘ওহ মাম্মি, সোওও নাইস অব ইউ।’ বাবলু খুশিতে আমাকে জড়িয়ে ধরে কানের কাছে মুখ নিয়ে আব্দার করলো,‘আম্মু, তুমি কি এখন আমার পেনিসটা তোমার মুখ দিয়ে পরিষ্কার করে দিবে?’
বললাম,‘অবশ্যই দিবো।’
‘প্রতি দিন দিবে?’
‘হাঁ রে বাবা হাঁ, তাও দিবো।’ আমি ছেলের আব্দার পূরণে লেগে পড়লাম।

তারপর থেকে বাবলুর সাথে আমি প্রতিদিন শরীর নিয়ে নানান খেলায় মেতে উঠলাম। আজকেও তেমন খেলাই খেলছি। বাবলুকে দেখিয়ে দেখিয়ে আমার আঙুলগুলো যোনি ঠোঁটের উপর দিয়ে উপর-নিচ ঘষাঘষি করে গুদের ফুটা দিয়ে রসালো গর্তের ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম। সেও আমার গুদের দিকে চোখ রেখে ধোনটা ঘষাঘষি করছে। কিছুক্ষণ এসব করার পর আমি চিৎ হয়ে শুয়ে পা দুটো চওড়া করে ছড়িয়ে দিলাম।

গুদ চুষাতে আমার খুবই ভালো লাগে। কিন্তু বাবলুর বাপের এই ব্যাপারে কোনোই ইন্টারেস্ট নেই। তাই অন্যান্য সেক্স পার্টনারদেরকে দিয়ে আমি সখটা মিটিয়ে নিতাম। এখন বাবলু আমার এই সখটা পূরণ করছে। গুদ চুষতে সেও খুব পছন্দ করে। প্রথম দিন থেকেই সে আম্মুর গুদের রসের নেশায় পড়ে গেছে। আর আমার খানকী গুদে কচি মুখের মিষ্টি-মধুর চোষণ আর কামড় খুবই অসাধারণ লাগে।

বাবলু ছপছপ শব্দ করে আমার গুদ চাঁটছে। ওর জিভ রসালো গুদের উপর নেচে বেড়াচ্ছে। আমি ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করছি। বাবলু একটু পরেই নতুন কিসিমের আবদার করলো। সে তার ধোনটা আমার পাছায় ঢুকাতে চায়। আবদার শুনে মনে মনে বললাম ছেলেতো দেখছি বাপের এক্কেবারেই বিপরীত স্বভাব পেয়েছে। আমি জানতে চাইলাম,‘এখনই?’ সে মাথা ঝুঁকিয়ে বললো,‘এখনই।’ বাবলু আরও বললো যে, আমার পাছায় ধোন ঢুকানোর কথা ভেবে চুদতে চুদতে প্রায়ই নাকি সে হস্তমৈথুন করতো।

আমার অন্যান্য সেক্স পার্টনাররা চাইলেও এমন কাজে কখনোই রাজি হইনি। কিন্ত এখন ছেলের প্রস্তাব শুনে খুবই আগ্রহ জাগলো। আমি হাঁটুতে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম। তারপর পা দুটো ফাঁক করে দিলাম যেনো ছেলেটা আমার পাছার বিশেষ জায়গাটা দেখতে পায়। বাবলু একটুও সময় নষ্ট করলো না। মুখ থেকে একগাদা লালা নিয়ে ধোনে মাখিয়ে নিলো। তারপর ধোনের মাথা গোলাপী ফুটার উপর ঘষাঘষি করেই সামনে চাপ দিলো। ছেলের সাথে সাথে আমিও পিছন দিকে চাপ দিলাম। আর দ্বিমুখী চাপের কারণে বাবলুর ধোনটা আমার পাছার ভিতরে ঢুকে গেলো। সামান্য ব্যাথা লাগলেও পাত্তা দিলাম না।

বাবলু এরপর আমাকে থাপাতে শুরু করলো। প্রথম দিন থেকেই খেয়াল করেছি যে, বাবলু অনেকক্ষণ মাল ধরে রাখতে পারে। আজকেও মনে হলো বীর্য্যপাতের আগে সে যেনো ঘণ্টা ধরে আমার পাছা থাপিয়ে গেলো। ওহ মাই গড…এমন আনন্দ আমি এতোদিন কেনো মিস করেছি এটা ভেবে নিজের উপরেই রাগ হলো। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বাবলু যখন পাছার ভিতরে বীর্যপাত করলো, আমার অর্গাজম হলো অসাধারণ রকমের ভালো। জীবনে প্রথমবার এনাল সেক্স করলাম তাও আবার ছেলের পাল্লায় পড়ে।

এখন আমরা দুজন যখন বাসায় একাকি থাকি তখন আমি কাপড় পরার চেষ্টাও করি না। কারণ ছেলে আমাকে এভাবেই দেখতে চায়। তাই নগ্ন হয়ে ছেলের জন্য অপেক্ষা করছি। দুপুর দুইটা বাজে। বাবলুর আসার সময় হয়েছে। সে এলেই প্রথমে আমরা সেক্স করবো। তারপর খাওয়া দাওয়া সেরে ঘুম দিবো। স্বামী এখনও কিছুই জানেনা আর তাকে জানানোর কারণও নেই। কারণ স্বামীর পিঠের আড়ালে এমন অজাচারের মজাই আলাদা। আর সেটা যদি হয় নিজের ছেলের সাথে তাহলে তো কথাই নেই! 

.....সমাপ্ত ....
Reply


Messages In This Thread
লাল রঙের প্যান্টি - by Bad Boy - 09-03-2026, 06:00 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)