09-05-2026, 09:08 AM
অধ্যায় ১
কলকাতা, নিউ আলিপুর:
"উফ... কী ধুলো জমে যায় বাবা!"
ধুলোমাখা কাপড়টা দিয়ে হালকা হাতে মুছতে মুছতে রেখা ব্যানার্জি একটু কেসে উঠলেন। ধুলো আর অপরিচ্ছন্নতা তাঁর চরম শত্রু। নিজের শোবার ঘরটা সবসময় পরিপাটি করে রাখা তাঁর চাই-ই চাই। বালিশগুলো সুন্দর করে সাজাতে সাজাতে নিজের বালিশের পাশে বরের বালিশটার দিকে তাকাতেই থমকে গেলেন তিনি। ফাঁকা জায়গাটার দিকে তাকিয়ে তাঁর চোখ চলে গেল দেওয়ালে টাঙানো বরের ছবিটার দিকে।
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে, দেওয়ালে প্রয়াত স্বামীর ছবির দিকে তাকিয়ে রেখা ফিসফিস করে বললেন, "আমাকে এভাবে একা ফেলে চলে যাওয়াটা খুব দরকার ছিল, হুমমম? স্বর্গের পরীরা বুঝি খুব ডাকছিল তোমাকে?"
মাত্র ৫৪ বছর বয়সেই বিধবা হওয়াটা রেখা ঠিক মেনে নিতে পারছিলেন না। স্বামী বিমলের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল ঠিক দু-বছর আগে। আর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো, বিমল মারা গেলেন দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীর মতো একটা জমজমাট উৎসবের দিনে। এই হালকা গোলাপি পাড়ের সাদা শাড়ি আর কনুই পর্যন্ত হাতাওয়ালা ক্রিম-হলুদ ব্লাউজ পরাটা তিনি একদমই মন থেকে মেনে নিতে পারেননি। আলমারির ভেতর ওই রঙিন, ঝলমলে শাড়িগুলোকে বন্দি করে রাখতে বুকটা ফেটে যায় তাঁর।
ঠিক তখনই পাশের ঘর থেকে একটা খিলখিল হাসির আওয়াজ ভেসে এল, আর রেখার মনে ঈর্ষার একটা হালকা ছ্যাঁকা লাগল। এই হাসি আর কারও নয়, তাঁর নিজের বউমা অপর্ণার। নিশ্চয়ই ফোনে শপিং, বিউটি প্রোডাক্ট আর... জমকালো, রঙিন শিফন শাড়ি নিয়ে গল্প মারছে। রেখার চোখ থেকে এক ফোঁটা গরম জল গড়িয়ে পড়ল। রোজই তিনি মনে মনে অপর্ণাকে দারুণ হিংসে করেন, কিন্তু মুখে সেটা প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ মাঝেমধ্যে তাঁদের সম্পর্কটা ঠিক শাশুড়ি-বউমার মতো নয়, বরং ‘সহেলী’ বা বান্ধবীদের মতো হয়ে ওঠে। কিন্তু সত্যিটা তো বদলাবে না! এখানে রেখা একলা বিধবা, সাদা শাড়ি পরে দিন কাটান, হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র বন্ধু, আর ছেলে বিকাশের তো মায়ের জন্য একদম সময়ই নেই। অন্যদিকে তাঁর আদরের বউমা সারাদিন গল্প করছে, নিজের বেডরুমে বসে ল্যাপটপে অফিস করছে, আর রাতের বেলা... ছেলের সাথে বন্ধ ঘরের ভেতর দেদার সোহাগ ছড়াচ্ছে।
হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন... এর পরের শরীরী মোচড়টা হলো—শরীরী সুখ!
স্বামীর সাথে কাটানো সেই নিবিড় মুহূর্তগুলো রেখা বড্ড মিস করেন। হাত ধরা, চা-বিস্কুট খেতে খেতে পরনিন্দা-পরচর্চা করা, এমনকি ছেলে যখন ছোট ছিল তখনকার সেই হালকা আদর-সোহাগ। পুরো বিছানাটা ঝেড়েঝুড়ে রেখা এবার আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। একঘেয়ে, ম্যাড়মেড়ে সাদা শাড়ির আবরণে নিজের শরীরটাকে একটু খুঁটিয়ে দেখতে লাগলেন। এই বয়সেও তাঁর শরীরে একটা দারুণ হিলহিলে খাঁজ আছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কোমর আর নিতম্বের খাঁজে ঠিক যতটুকু মেদ থাকা দরকার, ততটুকুই আছে। বুক দুটো খুব বড় না হলেও, বয়সের ভারে সামান্য ঝুলে আলগা একটা আবেদন তৈরি করেছে। আর পেটটা গোলগাল, যা এখনও যে কোনো পুরুষের শক্ত হাতের বেপরোয়া মোচড় আর আদর পাওয়ার জন্য ব্যাকুল। তবে নিজের একখানা জিনিস তিনি একটু কমই পছন্দ করেন—তাঁদের বংশগত ভারী নিতম্ব! তাঁর সেই ভরাট, ভারী নিতম্বের কারণ কিন্তু এই নয় যে তাঁর প্রয়াত স্বামী পিছনের দিকের সুখ বেশি ভালোবাসতেন; এটা পুরোপুরি তাঁর জিনগত বৈশিষ্ট্য।
রেখার চোখ দুটো এবার আরও ওপরে উঠল। সিঁথিটা একদম ফাঁকা! আর সামনের দিকে চুলে হালকা রুপোলি ছোঁয়া, যা তাঁর বাকি পাকা চুলের সাথে মিশে গেছে। ঠিক তখনই আয়নায় আরও একটা প্রতিবিম্ব ভেসে উঠল...
তাঁর বউমা অপর্ণা!
"মা, এখনও অত গভীরে কী ভাবছ, হুমমম?"
রেখা মনে মনে ফুঁসে উঠে ভাবলেন, “ভাবছি তোকে খুন করে লোকজনকে খাইয়ে দেব, নয়তো কুত্তাদের দিয়ে খাওয়াব!” কিন্তু মুখে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সামলে নিয়ে বললেন, "কিছু না বউমা, নিজের এই একলা জীবনটার কথাই ভাবছিলাম!"অপর্ণা আরও একটু কাছে এগিয়ে এসে ফিসফিস করে বলল, "তাহলে তো আপনাকে এখনই রূপাদির পার্লারে নিয়ে যেতে হবে গো!" ওর গলার সুরে উপচে পড়ছিল চরম দুষ্টুমি।"পার্লার?" রেখা বেশ অবাক আর অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন।"হ্যাঁ গো মা! রূপাদি আপনাকে একদম এমন চকচকে-ঝকঝকে করে দেবে না, যাতে আপনার জন্য ঝড়ের বেগে একখানা জবরদস্ত বর খুঁজে আনা যায়... আর বর মানে তো বোঝেনই, একদম তাগড়াই ষাঁড়ের মতো মরদ!"
ঠিক তখনই রেখা একটা অদ্ভুত মুখভঙ্গি করে তার গোলগাল, ভরাট পেটটা দু-হাতে এমনভাবে চেপে ধরলেন যেন ভেতরের কোনো এক প্রবল ঝড়কে তিনি আপ্রাণ চেপে রাখার চেষ্টা করছেন। তাঁর মুখের পেশিগুলো কুঁচকে গেল।
অপর্ণা বেশ বিভ্রান্ত হয়ে কপালে ভাঁজ ফেলে জিজ্ঞেস করল, "কী হয়েছে মা? ওভাবে পেট চেপে ধরলে কেন?"
উত্তরে রেখা লজ্জায় একেবারে লাল হয়ে গেলেন। আয়না থেকে চোখ সরিয়ে, মাথা নিচু করে প্রায় ফিসফিসিয়ে বললেন, "ওহ, জিজ্ঞেস কোরো না বৌমা! ইদানীং নিজের এই শরীরটা নিয়ে আমি নিজেই অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। একদিকে এই একাকী জীবন, আর তার ওপর এই বয়সে একটু এদিক-ওদিক হলেই পেটে অতিরিক্ত তেল-ঝাল জমে যায়। ভেতরে এমন গুরগুর করতে থাকে যে মনে হয় এক টিন গ্যাস বের হয়ে যাবে শরীর থেকে! আর তার সাথে কেমন একটা ভ্যাপসা দুর্গন্ধ..."
রেখা এতটাই বিস্তারিত আর খোলামেলা বর্ণনা দিয়ে ফেললেন যে লজ্জায় তাঁর নিজেরই কানঝাঁ ঝাঁ করতে লাগল।
অপর্ণা এক মুহূর্তের জন্য নিজের শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখটা ঢাকল, ঠোঁটের কোণের মুচকি হাসিটা আড়াল করার জন্য। এতসব কাঁচা, ব্যক্তিগত শারীরিক বিবরণ শুনেও সে কিন্তু একটুও বিরক্ত হলো না। উলটে তার চোখে দুষ্টুমির চকচকে আভাস আরও গাঢ় হলো। সে এক পা এগিয়ে এসে রেখার ওই ভরাট, নরম কাঁধ দুটো আলতো করে চেপে ধরল। আঙুল দিয়ে হালকা মালিশের মতো করে চাপ দিতে দিতে সে অত্যন্ত আদুরে আর চনমনে গলায় বলল... "তাতে কী হয়েছে মা? এই বয়সে একটু আধটু গ্যাস-অম্বল তো হতেই পারে।
আর একাকী জীবন বলেই তো এসব জমে থাকে, শরীর একটু পুরুষালি ওমে খোলতাই হতে চায়! তা... আমি কি এই ব্যাপারে তোমার একটা সত্যিকারের ‘সহেলী’ হতে পারি? সব শেয়ার করবে আমার সাথে?"
রেখা আড়চোখে আয়নার দিকে তাকালেন। অপর্ণার হাত দুটো তখন তাঁর কাঁধ বেয়ে হালকা একটু নিচের দিকে নামছে। শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের চেনা গণ্ডিটা পেরিয়ে ঘরের ভেতরের পরিবেশটা যেন আরও একটু ভারী, একটু বেশিই রসালো হয়ে উঠল।
অপর্ণা রেখার কাঁধ থেকে হাত দুটো হালকা নামিয়ে এনে তাঁর কোমরের একটু ওপরে রাখল। শাশুড়ির ছটফটানি দেখে সে হালকা হেসে চোখ টিপে বলল, "মা, এভাবে শরীর কুঁকড়ে বসে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানে হয় না গো। ভেতরের হাওয়া ভেতরে চেপে রাখলে তো শরীর আরও ফুলবে। যা আটকে আছে, একদম বিন্দাস ছেড়ে দাও! আমি তোমার নিজের বৌমা, একটুও কিছু মনে করব না।"
রেখা লজ্জায় যেন মাটির সাথে মিশে যাচ্ছিলেন। ৫৪ বছরের জীবনে এমন অদ্ভুত আর চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে তিনি কখনো পড়েননি। তাঁর ফর্সা গাল দুটো লাল হয়ে উঠল। কিন্তু সত্যি বলতে, পেটের ভেতর জমে থাকা সেই বড়সড় গ্যাসের ডোজটা এতক্ষণে রেখার সহ্যশক্তির একেবারে শেষ সীমানায় পৌঁছে গিয়েছিল। পেটটা ব্যথায় গুরগুর করছিল, আর চেপে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।
বউমার এমন আশ্বস্ত আর দুষ্টুমি ভরা প্রশ্রয় পেয়ে রেখা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। তিনি শরীরটা একটু আলগা করলেন, আর ঠিক তখনই ঘর কাঁপিয়ে একটা সশব্দ, দীর্ঘ গ্যাসের রিলিজ ঘটে গেল।
রেখা যখন লজ্জায় লাল হয়ে মাথা নিচু করে আছেন, অপর্ণা তখন তাঁর পিঠে আলতো করে হাত বোলাতে বোলাতে খিলখিল করে হেসে উঠল।সে আরও একটু ঝুঁকে এসে ফিসফিস করে বলল, "আরে মা, এত লজ্জা পাওয়ার কী আছে? একদম শাই ফিল কোরো না, বিন্দাস রিলিজ করে দাও! আমি এই গন্ধ একদম মাইন্ড করব না। সত্যি বলতে কী, আমি নিজেই তো তোমার ছেলের থেকে নিজের গ্যাসের কথা লুকিয়ে রাখি... ও এসব একদম সহ্য করতে পারে না, ভীষণ মাইন্ড করে!"বউমার এই অকপট আর চরম রসালো স্বীকারোক্তি শুনে রেখার চোখ তো কপালে! লজ্জার মাঝেই তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা হালকা হাসির রেখা ফুটে উঠল। ঘরের পরিবেশটা শাশুড়ি-বউমার চেনা গাম্ভীর্য ঝেড়ে ফেলে পুরোপুরি দুই ‘সহেলী’ বা বান্ধবীর গোপন আড্ডায় বদলে গেল।
অপর্ণার ওমন চনমনে আর ভরসা দেওয়া কথা শুনে রেখা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। মনের ভেতর থেকে সব লজ্জা-ভয় ঝেড়ে ফেলে হালকা হাসার চেষ্টা করতেই তাঁর সেই ভারী নিতম্বের মাঝখান থেকে "পুত পুত" করে একটা ছোট হাওয়া সশব্দে বেরিয়ে গেল।
"ইইইশশশ..." করে রেখা নিজের দু-হাতে মুখটা ঢেকে ফেললেন। লজ্জায় তাঁর ফরসা গাল দুটো একেবারে টমেটোর মতো টকটকে লাল হয়ে উঠল। ৫৪ বছর বয়সে এসে নিজের যুবতী বউমার সামনে এমন কাণ্ড ঘটে যাবে, সেটা তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি।
অপর্ণা কিন্তু একটুও নাক সিঁটকাল না, বরং শাশুড়ির এই মিষ্টি অস্বস্তি দেখে সে মুখে আঁচল চাপা দিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল। রেখার লাল হয়ে যাওয়া গাল দুটো আলতো করে টিপে দিয়ে বলল, "বাঃ মা! এই তো লক্ষ্মী মেয়ের মতো কাজ করেছ। এবার পেটটা হালকা লাগছে তো?"
রেখার আরও একটা বড় দুর্বল দিক ছিল—যখনই সে নিজের চেয়ে ছোট কারও মুখে ওই 'লক্ষ্মী' ডাকটা শুনত, মনের ভেতর তার বয়সটা যেন এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যেত। সে নিজের নীচের ঠোঁটটা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে হালকা হেসে বউমাকে অনুরোধ করল, "আমায় ওভাবে ডাকিস না রে বউমা, বড্ড লজ্জা লাগে। নইলে নিজের এই ৫৪ বছর বয়সটা ভুলে গিয়ে কেন জানি নিজেকে ফ্রক পরা, চুলে পনিটেল বাঁধা এক আদুরে ছোট মেয়ের মতো মনে হতে থাকে!"অপর্ণার চোখে তখন দুষ্টুমির এক চরম রসালো খেলে যাচ্ছে। সে শাশুড়ির আরও কাছে ঘেঁষে এসে আবার ফিসফিস করে বলল, "ইশ! তাহলে এতে তোমার নিজেকে ছোট কলেজছাত্রীর মতো মনে হয়, আহা! লক্ষ্মী সোনা আমার! কুচি বুচি ছোট নটখট বাচ্চা আমার!"বউমার মুখে এমন গদগদ আর আদুরে কথা শুনে রেখা নিজের হাসি আর চেপে রাখতে পারলেন না। সে খিলখিল করে হেসে উঠল। আর ওই হাসির চোটে তাঁর সেই ভরাট কোমর আর পেটের পেশিগুলো আলগা হয়ে গেল, যার ফলে অনভিপ্রেতভাবেই তাঁর নিতম্বের মাঝখান থেকে আরও কয়েকবার ছোট ছোট "পুত পুত" করে গ্যাসের হাঁপ সশব্দে ছাড়া পেয়ে গেল!লজ্জায় আর অস্বস্তিতে রেখার শরীরটা কাঁপতে কাঁপতে সে মিনতি করার সুরে অনুরোধ করল,
"ইশ বউমা, কী যে করিস না! আমি বয়সে তোর চেয়ে কত বড়! তুই যদি আমার সাথে এমন অবুঝ বাচ্চার মতো আচরণ করিস, আমি হয়তো... উফ্, শেষে সত্যিই ছোট বাচ্চার মতো কোনো কাণ্ডকারখানা করে ফেলব!"
"দেখো কাণ্ড, কেমন লাল হয়ে যাচ্ছ, হুমমম? সত্যি মা, মাঝে মাঝে আমার নিজেরও সব বাঁধ ভেঙে দিতে ইচ্ছে করে। তোমার ছেলে বিছানায় আমায় এতটাই ডমিনেট করে যে আমার ইচ্ছে করে বিন্দাস নিজের পেটের গ্যাস ছেড়ে ওর রাতের ঘুম উড়িয়ে দিতে! যাতে ও সকালে একটুও শান্তিতে উঠতে না পারে আর সারাদিন অফিসে ছটফট করে মরে। ওহ মা... সরি, ও তো তোমার ছেলে... কিন্তু কী করব বলো, এই জান্তব ইচ্ছেগুলো না, উফফফ!"
অপর্ণার মুখ থেকে নিজের ছেলের রাতের বেডরুমের স্বভাব আর এই চরম অদ্ভুত প্রতিশোধের কথা শুনে রেখা তো পুরো হাঁ করে তাকিয়ে রইলেন! লজ্জায় তাঁর কান ঝাঁ ঝাঁ করতে লাগল, অথচ মনের ভেতরে কোথাও একটা তীব্র কৌতূহল আর এক অদ্ভুত রকমের ভালোলাগা তৈরি হলো। নিজের ছেলের এমন একটা পুরুষালি রূপের কথা শুনে এবং বউমার এই পাগলামি ভরা দুষ্টুমি দেখে তিনি নিজের ঠোঁটটা আবার কামড়ে ধরলেন।
শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের সব দেওয়াল ভেঙে এখন ঘরের বাতাস যেন এক অদ্ভুত এবং চরম রসালো উত্তেজনায় ভারী হয়ে উঠেছে।
অধ্যায় ২
রেখা নিজের মাতৃত্বের গভীর উদ্বেগ আর শাশুড়ির দায়িত্ববোধ থেকে হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। বউমার এমন বিস্ফোরক আর খোলামেলা কথা শুনে তাঁর মনের ভেতরটা তোলপাড় হয়ে উঠছিল। একই সাথে, নিজের সেই ভরাট মাতৃত্বসুলভ পেটের ভেতর আটকে থাকা চরম ঝাঁঝালো আর বড়সড় গ্যাসের ডোজটা তিনি কোনোমতে আপ্রাণ চেপে রাখলেন।
তিনি অপর্ণার দিকে অত্যন্ত করুণ এবং আন্তরিক চোখে তাকিয়ে একদম খাঁটি মায়ের মতন চিন্তিত গলায় জিজ্ঞেস করলেন...
"আমার শন্টু তোকে খুশি রাখে তো বউমা? সত্যি করে বলিস। মা হয়ে নিজের ছেলের খামতির কথা শুনতে কারই বা ভালো লাগে বল? কিন্তু আজ যখন দুই সহেলীর মতো সব কথাই হচ্ছে... তুই আমায় লুকিয়ে না রেখে সত্যিটা বল তো রে, ও তোকে সত্যি সুখী করতে পেরেছে তো?"
রেখার গলার এই নরম, মাতৃত্বের ছোঁয়া ভরা প্রশ্নটা ঘরের সেই রসালো আর চনমনে পরিবেশকে এক মুহূর্তের জন্য বেশ গম্ভীর আর আবেগপ্রবণ করে তুলল। কিন্তু তাঁর পেটের ভেতরের সেই গ্যাস যেকোনো মুহূর্তে আবার নতুন কোনো কাণ্ড ঘটানোর জন্য ছটফট করছিল।
অপর্ণা এবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের মনের ভেতরের জমে থাকা ক্ষোভ আর অবদমিত কামনার আগ্নেয়গিরিটা পুরোপুরি উগরে দিল। লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে সে আরও খোলামেলাভাবে অভিযোগের সুরে বলল:
"কীসের আবার ডমিনেশন গো মা? ওটা আসলে বিছানায় আমায় পুরোপুরি তৃপ্তি দিতে না পারার একটা অক্ষমতা আর রাগ থেকেই আসে! ওহ মা... আমার কি এই বয়সে একটুও কোনো পুরুষের ভরপুর ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার নেই? তোমার ছেলে তো খুব সহজেই ঠাণ্ডা হয়ে যায়, আর আমায় ওই মাঝরাস্তায় একলা ফেলে রাখে। আমি তখন মনে মনে গাঁয়ের সেই কাদা মাখা তাগড়াই পালোয়ানদের (pehelwans) কথা কল্পনা করি। আর ওই চরম উত্তেজনায় আর টেনশনে আমার পেট থেকে আরও বেশি করে গ্যাস বেরিয়ে আসে... আর ওহ্, কী বলব সেই গন্ধের কথা!"
বউমার মুখ থেকে নিজের ছেলের বেডরুমের এই চরম অক্ষমতা, আদিম ফ্যান্টাসি আর সেই সাথে গ্যাস রিলিজের এই কাঁচা, নিষিদ্ধ বিবরণ শুনে রেখা ব্যানার্জি পুরো পাথর হয়ে গেলেন! তাঁর চোখ দুটো চড়কগাছে উঠল, মুখটা হা হয়ে গেল।
একদিকে নিজের জন্ম দেওয়া ছেলের এমন একটা লজ্জাজনক পুরুষালি খামতির কথা শুনে তিনি চরম ধাক্কা (shock) খেলেন। কিন্তু অন্য দিকে, অপর্ণা যেভাবে সোজা ব্যাঁকা না করে গাঁয়ের কাদা-মাখা তাগড়াই পালোয়ানদের শরীরের বর্ণনা দিচ্ছিল, তা শুনে ৫৪ বছরের বিধবা রেখার শরীরের আনাচে-কানাচে এক অদ্ভুত, অবদমিত শিহরণ (thrill) বয়ে গেল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রেখার নিজের সেই ভরাট নিতম্ব আর গোলগাল পেটটা যেন এক অজানা উত্তেজনায় আবার একটু কেঁপে উঠল। শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের সব দেওয়াল ভেঙে এই দুই নারীর অবদমিত কামনার রসায়ন ঘরের বাতাসকে পুরো ভারী করে তুলল।
রেখা তাঁর নিজের পেটের মোচড় আর ভেতরের তীব্র গ্যাসটাকে কোনোমতে সামলে নিয়ে নিজের একমাত্র ছেলের ওপর মনে মনে বেশ চটেই গেলেন। একজন যুবতী বউমাকে এভাবে মাঝরাস্তায় অতৃপ্ত ফেলে রাখাটা তাঁর মতো পাকা শরীরী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নারীর একদমই পছন্দ হলো না।
তিনি অপর্ণার পালোয়ান ফ্যান্টাসিটাকে পুরোপুরি সমর্থন করে, একটু রেগে গিয়েই বললেন, "ধুর মুখপোড়া ছেলে একটা! কী যে ছাইপাশ পারফর্ম করে কে জানে! তুই ঠিকই বলেছিস বউমা, এই কচি বয়সে তোর কি একটুও সুখ পাওয়ার অধিকার নেই? ওই মরা-ঠাণ্ডা শরীরের চেয়ে গাঁয়ের কাদা-মাখা তাগড়াই পালোয়ানদের কল্পনা করা অনেক ভালো!"
কথাটা বলতে বলতেই রেখার চোখের সামনে আবার ভেসে উঠল রূপাদির পার্লারের সেই প্রসঙ্গটা। তিনি নিজের সেই ভারী নিতম্ব আর গোল পেটটা হালকা একটু দুলিয়ে, মুখে এক অদ্ভুত দুষ্টুমি মাখা হাসির রেখা টেনে বললেন...
"তা... তুই যে একটু আগে রূপাদির পার্লারের ওই তাগড়াই মরদের কথা বলছিলি, সে কি সত্যিই পার্লারে আসে নাকি রে বউমা? ওই রকম একখানা জবরদস্ত মরদ বা পালোয়ান কি আমার এই একলা জীবনটার সাথে সাথে তোর ওই অপূর্ণতাটাও একটু দূর করতে পারবে না, হুমমম?"
শাশুড়ির মুখ থেকে এমন আচমকা সবুজ সংকেত আর মরদের খোঁজ নেওয়ার কথা শুনে অপর্ণার চোখ দুটো তো খুশিতে চকচক করে উঠল! ঘরের নিষিদ্ধ উত্তেজনা তখন একেবারে চরমে।
তিনি মুখে আঁচল চাপা দিয়ে লজ্জায় শিউরে উঠে বললেন, "ইইইশশশ বউমা! তুই আমারই পেটের ছেলের নামে এত বড় একটা কমপ্লেন করছিস, আর সেই সাথে গাঁয়ের ওই কাদা-মাখা তাগড়াই পালোয়ানদের (pehelwans) কথা ভাবছিস? ছিঃ ছিঃ, আমার শন্টু কি তবে এতটাই অপদার্থ আর ঠাণ্ডা যে তোকে বাইরের জোয়ান মরদের শরীর কল্পনা করতে হচ্ছে?"
কথাটা বলতে বলতেই রেখা নিজের অজান্তেই ছেলের পুরুষত্বকে এক চরম লজ্জাজনক কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিলেন। শাশুড়ির মুখ থেকে নিজের বরের পুরুষালি খামতি নিয়ে এমন সরাসরি আর অবমাননাকর মন্তব্য শুনে অপর্ণা পুরো তাজ্জব হয়ে গেল! সে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে হাঁ করে তাকিয়ে রইল। তারপর নিজের ভেতরের উত্তেজনা আর বিস্ময়কে সামলাতে একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস (deep breath) নিল। সে বুঝতে পারল, রেখা মুখে লজ্জা পেলেও অবদমিত কামনার সেই সুপ্ত আঁচ শাশুড়ির মনেও লেগে গেছে।
অপর্ণা নিজেকে সামলে নিয়ে একটু ঝুঁকে রেখার দিকে তাকাল। তার চোখে তখন খেলা করছে এক চরম চনমনে আর নিষিদ্ধ মায়াজাল।
ঠিক তখনই রেখার পেটের ভেতর থেকে একটা জোরালো "গুর গুর" আওয়াজ ভেসে এল। ঘরের নিস্তব্ধতায় সেই শব্দ যেন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। শন্টু অফিসে যতই সৎ এবং পরিশ্রমী একজন প্রফেশনাল হোক না কেন, বিছানায় তার এই চূড়ান্ত ব্যর্থতা আর খামতির কথা শুনে রেখার মায়ের মন একই সাথে চরম অপমানিত এবং রাগে ফুঁসে উঠছিল।
নিজের পেটের ভেতরের অবদমিত রাগ আর সেই শক্তিশালী গ্যাসের মোচড় দুটোই যেন এবার এক হয়ে রেখাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিল। তিনি নিজের ভরাট পেটটা চেপে ধরে অপর্ণার দিকে রাগী অথচ উত্তেজিত চোখে তাকালেন।
অপর্ণা আর কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলতে লাগল, "কী আর বলব তোমাকে মা, তোমার ছেলের শরীর থেকে ওই যে কয়েক ফোঁটা নোনতা জল বের হয়, ওতে বড়জোর একটা চামচও ভরবে না! আমি আর এসব সহ্য করতে পারছি না। আমার ভেতরে পুরো এক মগ উপচে পড়া পুরুষালি ওম দরকার!"
কথাগুলোর মধ্যে এক চরম বাস্তবতার ওজন ছিল। অপর্ণা এমনিতে ছিপছিপে আর বেশ আকর্ষণীয় খাঁজকাটা শরীরের অধিকারিণী হলেও, তার মলিন গায়ের চামড়া আর অতিরিক্ত রোগাটে ভাবটা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে সে কোনো পুষ্টিকর বা ভরপুর তৃপ্তিদায়ক দাম্পত্য জীবন পাচ্ছে না। নিজের আদরের ছেলের এই শারীরিক অক্ষমতার কাঁচা বিবরণ শুনে রাগে রেখার চোখ দুটো একদম লাল হয়ে উঠল। একদিকে ছেলের এই চরম পুরুষালি খামতির লজ্জা, আর অন্যদিকে বউমার এই বেপরোয়া ক্ষুধা—সব মিলিয়ে তাঁর ফরসা মুখটা অপমানে থমথম করতে লাগল।
শাশুড়িকে চরম ক্ষুব্ধ এবং একই সাথে দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় দেখে অপর্ণার শিরদাঁড়া দিয়ে এক অদ্ভুত, তীব্র শিহরণ বয়ে গেল। সে খুব ভালো করেই বুঝতে পারছিল, রেখার মাতৃত্বসুলভ ভরাট পেটের ভেতর এখন এক ভয়ংকর ঝড় চলছে। রেখা হয়তো ভাবছিলেন আটকে রাখা ওই বিপুল পরিমাণ গ্যাসটা এই মুহূর্তেই সশব্দে বের করে দেবেন কি না—যে গ্যাসের তীব্র, ঝাঁঝালো দুর্গন্ধ পুরো ঘরের বাতাসকে ভারী করে তোলার ক্ষমতা রাখত। কিন্তু তাঁর ভেতরের মার্জিত শাশুড়ি সত্তাটি তাঁকে আপ্রাণ বাধা দিচ্ছিল। অপর্ণা এবার সুযোগ বুঝে পুরো পরিস্থিতি নিজের হাতের মুঠোয় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।
সে নিজের শরীরের উষ্ণ, আলতো ছোঁয়া দিয়ে রেখার আরও কাছে ঘেঁষে এল। তার সুডৌল বাহুটা রেখার নরম, ভরাট পিঠের ওপর আলগা করে রেখে কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে বলল... "আপনার ছেলের কারণে আমি এমনিতেই মন খারাপ করে আছি মা, এখন নিজের মনের কথা লুকিয়ে আমাকে আর কষ্ট দেবেন না... আপনি তো ওই গ্যাসটা এই মুহূর্তেই সশব্দে বের করে দিতে চাইছেন, কিন্তু মনে মনে ভয় পাচ্ছেন যে খুব দুর্গন্ধ হবে আর লজ্জায় পড়তে হবে, তাই না গো?"
একজন মার্জিত, সমাজ-সচেতন বিধবা হওয়া সত্ত্বেও, পুত্রবধূর ওই ভেজা গোলাপি ঠোঁট থেকে কানে আসা উষ্ণ বাতাসের ছোঁয়ায় রেখার ভেতরটা যেন এক নিষিদ্ধ ও বুনো শিহরণে কেঁপে উঠল। ৫৪ বছরের জং-ধরা শরীরের আনাচে-কানাচে এক অদ্ভুত রক্তের টান অনুভূত হলো। এই মুহূর্তে অপর্ণাকে আর তাঁর ছেলের বউ বলে মনে হচ্ছিল না, মনে হচ্ছিল যেন কোনো এক প্রাচীন, রহস্যময়ী বান্ধবী, যে তাঁর সব অবদমিত ইচ্ছার তালাগুলো একটা একটা করে খুলে দিচ্ছে। রেখার মনে হলো, সমাজ আর লোকলজ্জার সব বাঁধন ছিঁড়ে খোলা প্রান্তরে কোনো বন্য প্রাণীর মতো মুক্ত হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠছে তাঁর মনে। যখনই তিনি জীবনে এমন অসহায় বা অবদমিত বোধ করতেন, তিনি মনে মনে মা কালীর আরাধনা করতেন—যিনি ছিলেন বন্যতা, অকুতোভয় ক্রোধ, নগ্ন সত্য আর স্বাধীনতার এক অনন্য আদিম প্রতীক।
রেখা আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের অবিন্যস্ত চুল আর ফাঁকা সিঁথির দিকে চেয়ে ভারী গলায় বললেন, "বৌমা, তুমি তো এই বিধবার মাকড়সার জালে ঢাকা মনের অন্ধকার কোণটা এক ঝটকায় খুলে দিচ্ছ..."
অপর্ণার ঠোঁটের কোণে তখন এক চরম চতুর আর মায়াবী হাসি। সে রেখার ওই ভরাট, কাপড়ের আবরণে ঢাকা কোমরে নিজের আঙুলগুলো সামান্য চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, "তাহলে পুরোপুরি খুলেই ফেলুন না মা! নিজের ভেতরের সব নোংরা, সব আটকে থাকা হাওয়া বের করে দিন আমার জন্য! আপনার এই নতুন বান্ধবীর জন্য!"
"সত্যিই শন্টু তো... আসলে..." রেখা অস্ফুট স্বরে কথাগুলো বলছিলেন। তাঁর পেটের ভেতরের গুরগুর শব্দটা তখন আরও তীব্র হচ্ছিল, কিন্তু তাঁর মনে তখন কেবল বিছানায় বসে গ্যাস ছাড়ার চেয়েও আরও অনেক বেশি কিছু করার, কোনো এক চরম আদিম বন্যতায় মেতে ওঠার তীব্র ইচ্ছে কাজ করছিল।
অপর্ণা তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে নিজের ক্ষোভ আর কুৎসিত ফ্যান্টাসির পারদ আরও বাড়িয়ে দিল, "মা... ওর ওই সামান্য একটুতেই ফুরিয়ে যাওয়া আর মাঝরাস্তায় ফেলে দেওয়াটা বড় বিরক্তিকর... ও সবসময় নিজের কাজ, দোকান আর মক্কেলদের নিয়েই বকবক করে, অথচ আমার মনে হয়..."
"কী মনে হয়?" রেখা প্রায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে জিজ্ঞেস করলেন।
"ওহ মা... ও যেভাবে সারারাত আমার শরীরটাকে উপেক্ষা করে বাইরের চিন্তা করে, একদিন আমি ওকে উচিত শিক্ষা দেব—আপনার অনুমতি পেলে, এই বন্ধ ঘরের ভেতর এমন এক কঠোর আর লজ্জাজনক শিক্ষা দেব যে ও সারা জীবন মনে রাখবে! ও বাইরে যেমনই সৎ প্রফেশনাল হোক, এই বিছানায় ওকে আমি নিজের পায়ের নিচে ঝুঁকতে বাধ্য করব মা..." অপর্ণার গলার সুর এবার আরও গভীর, আরও কিছুটা ভয়ংকর এবং চরম ইঙ্গিতপূর্ণ হয়ে উঠল।
ঠিক যখন রেখা আর অপর্ণার মধ্যকার গোপন পরিবেশটা চরম রসালো আর নিষিদ্ধ এক উত্তেজনায় জমে উঠছিল, তখনই নিস্তব্ধ ঘরটাকে চমকে দিয়ে রেখার ফোনটা সশব্দে বেজে উঠল। আচমকা এই শব্দে ৫৪ বছরের বিধবা রেখা এতটাই আঁতকে উঠলেন যে তাঁর শরীরের সমস্ত পেশি এক ঝটকায় আলগা হয়ে গেল, আর সেই সাথে তাঁর ভরাট নিতম্বের মাঝখান থেকে একটার পর একটা "পুত পুত... পুসসস" করে আরও কয়েক ঢোক তীব্র ও ঝাঁঝালো গ্যাস ছাড়া পেয়ে গেল!
লজ্জায় রেখার মাটির সাথে মিশে যাওয়ার দশা হলো। অপর্ণা কিন্তু একদমই বিচলিত হলো না, বরং মুখে এক চরম পৈশাচিক আর মিষ্টি হাসি টেনে শাশুড়িকে আশ্বস্ত করে বলল, "আরে মা, একদম চিন্তা কোরো না, আমি ফোনটা ধরছি।"
কিন্তু ল্যাপটপের মতো স্ক্রিনটার দিকে তাকাতেই অপর্ণার চোখের মণি দুটো নেচে উঠল। ফোনের স্ক্রিনে তখন তার ননদ, অর্থাৎ রেখার নিজের মেয়ে জয়োতির নাম জ্বলজ্বল করছে। মুখটা একটু কুঁচকে, চোখের কোণে চরম শয়তানি বুদ্ধি খেলে যেতেই অপর্ণা ফিসফিস করে রেখাকে খ্যাপাতে লাগল, "ওমা! ফোনে তোমার সেই মিষ্টি, আদুরে মেয়ে! ইশশশ মা... ও যদি এখন কোনোভাবে শুনে ফেলে যে ওর এত মার্জিত, রুচিশীল বিধবা মা এইমাত্র বন্ধ ঘরের ভেতর কেমন গরম আর দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাসের পর গ্যাস ছেড়ে তছনছ করে দিচ্ছে, তাহলে কী হবে বলো তো!"
"ও জয়োতি?? ও এখন ফোন করল কেন? তুই তাড়াতাড়ি ফোনটা ধরো বাপু, আমায় আর খ্যাপাস না!" রেখা ছটফট করে উঠলেন।
বলার সাথে সাথেই রেখা নিজেও নিজের নাকটা কুঁচকে ফেললেন, কারণ পেটের ভেতরের সেই আদিম ঝড়টা থামার নামই নিচ্ছিল না। পালোয়ানদের চিন্তা আর বউমার এই বেপরোয়া যৌন-ক্ষোভের গল্পে তাঁর জঠরাগ্নি যেন আরও চিনে উঠল, পেটে আরও নতুন গ্যাসের ডোজ জমতে শুরু করেছে। রেখা মনে মনে দোষ দিতে লাগলেন সকালে নাস্তায় খাওয়া সেই ডালপুরি-আলুর দম আর তার সাথে বউমার ক্রমাগত জোরাজুরিকে—"আরও একটা খাও না মা! তুমি তো ইদানীং নিজের শরীরের যত্নই নিতে চাও না!" বউমার ওই অতিরিক্ত আদরের ঠেলাতেই যে এখন তাঁর শরীরের নীচের অংশ দিয়ে বারবার হাওয়া সশব্দে মুক্তি চাইছে, সেটা ভেবে রেখা নিজেই মনে মনে কুঁকড়ে গেলেন।
অপর্ণা আর দেরি না করে ফোনের সবুজ বোতামটা সোয়াইপ করে কানে নিল। মুখে একগাল চতুর হাসি ফুটিয়ে অত্যন্ত চনমনে গলায় বলল, "হ্যালো আমার প্রিয় ননদিনী বালিকা!"
অন্য প্রান্তে, কুড়ির দশকের শেষের দিকে পা দেওয়া এক চনমনে, অন্তঃসত্ত্বা তরুণী তখন নিজের ফ্ল্যাটের বারান্দায় পায়চারি করছিল। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক দিনগুলোর কারণে তার শরীরটা এখন বেশ ভরাট আর রসালো হয়ে উঠেছে। লেগিংসের সাথে একটি সাধারণ সুতির সালোয়ার স্যুট তার সেই সুডৌল, মাতৃত্বের ছোঁয়া লাগা শরীরকে সুন্দরভাবে জড়িয়ে রেখেছিল। খোলা চুলগুলো পিঠের ওপর ছড়ানো, আর ফোলা ফোলা গাল ও গোলগাল মিষ্টি মুখে ছিল এক উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত হাসি। নিজের নরম, বড় বড় চোখ দুটো পিটপিট করে জয়োতি ওপার থেকে আদুরে গলায় বলল, "কী ব্যাপার বৌদি! তুমি কবে থেকে আমার মায়ের পিএ হয়ে গেলে আর মায়ের হয়ে উত্তর দিতে শুরু করলে, হুম? মা কোথায়?"
ফোনটা কানের পাশে ধরে রেখে অপর্ণা আড়চোখে রেখার সেই ছটফটে, লাল হয়ে যাওয়া মুখের দিকে তাকাল। রেখা তখন দু-হাতে নিজের ভরাট পেটটা চেপে ধরে ইশারায় অপর্ণাকে বারণ করছেন যেন গ্যাসের কোনো কথা জয়োতির কানে না যায়। অপর্ণা এই সুযোগে শাশুড়ির ছটফটানি আর অসহায় অবস্থাটাকে আরও একটু উপভোগ করার জন্য নিজের আঙুল দিয়ে রেখার কোমরের একটু নিচে একটা হালকা খোঁচা মারল।
অপর্ণা আর নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ রাখল না। সে রেখার বিছানা থেকে একটু দূরত্ব বজায় রেখে ফোনের ওপারে থাকা ননদের সাথে প্রতিদিনের মতোই অত্যন্ত বেপরোয়া আর সাহসী ভঙ্গিতে কথা বলে উঠল—"সত্যি বলতে কী রে আমার প্রিয় ননদিনী, যদি আমি সুযোগ পাই না, তাহলে তোমার এই লক্ষ্মী মাকে আমি গাঁয়ের কোনো এক আদিম বস্তিতে পাঠিয়ে দেব! যাতে সেখানকার জোয়ান আর তাগড়াই পালোয়ানরা (pehelwans) মিলে ওঁর এই পুরো ভরাট শরীরটাকে ইচ্ছেমতো ডলে-মুচড়ে মালিশ করে দেয় আর মনের সুখে ব্যবহার করে, হা হা হা!"
অপর্ণার মুখ থেকে নিজের জন্মদাত্রী মায়ের শরীর নিয়ে এমন চরম কাঁচা, আদিম আর নোংরা রসিকতা শুনে ওপারে থাকা জয়োতির পুরো শরীর যেন এক অদ্ভুত বিদ্যুদ্বেগে শিউরে উঠল! একদিকে মায়ের সম্মানহানির কারণে সে মনে মনে বেশ ক্ষুব্ধ আর অবাক হলো, কিন্তু অন্য দিকে, তার নিজের অবদমিত মনের অন্ধকার কোনো এক গোপন কোণে (darker corners) এই নিষিদ্ধ আলোচনা এক চরম ও তীব্র শিহরণ (thrill) জাগিয়ে তুলল। নিজের মার্জিত, সুশীল মা-কে নিয়ে বউমার মুখে এমন বুনো ও কামোত্তেজক ফ্যান্টাসি শুনতে তার কিন্তু মনে মনে বেশ মজাই লাগছিল।
সে নিজের ফোলা গাল দুটো আর মাতৃত্বের ছোঁয়ায় ভরাট হওয়া শরীরটাকে বারান্দার গ্রিলে একটু চেপে ধরে, লোকদেখানো নকল রাগ দেখিয়ে ওপার থেকে প্রতিবাদ করে বলল... "উফফফ বৌদি! নিজের মুখের ভাষাটা একটু সামলাও তো! তুমি কি জানো না যে এই গর্ভাবস্থায় একজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলার কান দিয়ে এমন নোংরা আর গরম কথা একদম ঢুকতে নেই? আমার পেটের বাচ্চার ওপর এর কী প্রভাব পড়বে বলো তো, ইশ!"
জয়োতি মুখে যতই প্রতিবাদ করুক না কেন, তার গলার কাঁপন আর ঘন ঘন নিঃশ্বাস স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে অপর্ণার এই বুনো আইডিয়াটা তার মনের ভেতরেও এক অদ্ভুত আগ্নেয়গিরি জ্বালিয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে, ঘরের ভেতর নিজের মেয়ের সামনে নিজের চরিত্রের এমন জঘন্য ব্যবচ্ছেদ শুনে রেখা ব্যানার্জির অবস্থা তখন শোচনীয়! তিনি লজ্জায়, অপমানে আর রাগে নিজের দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরলেন। কিন্তু পেটের ভেতরের সেই ডালপুরি আর আলুর দমের গ্যাসটা এবার আর কোনো প্রতিবাদের তোয়াক্কা করল না। মেয়ের সামনে নিজের ইজ্জত বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টার মাঝেই তাঁর সেই ভরাট মাতৃত্বসুলভ নিতম্বের মাঝখান থেকে এবার আরও জোরে "পুত... পুত... ফুসসস" করে একঝাঁক ঝাঁঝালো হাওয়া বেরিয়ে গেল, যার গন্ধ অপর্ণার নাক পর্যন্ত পৌঁছে তাকে আরও হাসিয়ে তুলল।
"উফফ... উফফ!"—সঙ্গে সঙ্গে রেখা গোঙিয়ে উঠল। ওপাশ থেকে জয়োতী তা স্পষ্ট শুনে তার মাকে জিজ্ঞেস করল, "কী হয়েছে?"
অপর্ণা মুচকি হেসে উত্তর দিল, "ওহ, কিছু না। মা পুরুষের অভাবে গোঙিয়ে উঠছে!"
আবারও জয়োতীর ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল। সে ভান করে তার বৌদিকে বকা দিল, "তোমার কি মনে হয় আমার মা এই বয়সে পাত্র খুঁজে দিতে পারবে না? শঙ্খ আমাকে সারাক্ষণ বলে বেড়ায়, তার শাশুড়ি কত সুন্দরী... আর সে কীভাবে... উফফ... তার মাথাটা কেমন যেন!"
ফোনের ওপাশে অপর্ণা খিলখিল করে হেসে উঠল। "শঙ্খকে শেষবার যখন দেখেছিলাম, ওর শরীরটা বেশ মাসলওয়ালা ছিল, হুম? তোমার সঙ্গে ওর বৈসাদৃশ্য তোমাদের দুজনকে সত্যিই একটা সুন্দর কাপল বানিয়ে দেয়!"
"হুমম... ঠিক বলেছ, বৌদি। দেখলেই তো বোঝা যায় ও আমাকে কীভাবে গর্ভবতী করেছে। এখন তো নড়াচড়াই করতে পারছি না। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে দাদাভাইও ওর সামনে এত ভয় পায়... যাইহোক, ও কেমন আছে?"
"আমাকে না খাইয়েই রাখে!"—অপর্ণা এবার ইচ্ছে করে বিছানায় নড়াচড়া করতে লাগল। রেখা শুধু বায়ুত্যাগের চেয়েও বেশি কিছু করার ইচ্ছা দমন করে বুঝতে পারল, তার বৌমা ইচ্ছাকৃতভাবেই নিজের মেয়ের সামনে তার ছেলেকে অপমান করছে। লজ্জা, অপমান আর অস্বস্তিতে তার বিশাল সুডৌল বক্ষযুগল দ্রুত ওঠানামা করতে লাগল।
"কী বলব, জয়োতি," অপর্ণা আবার বলল, "ও উপরে উঠে কী করতে হবে, সেটাই যেন ভুলে যায়! উফফ... অথবা হয়তো আমি ওকে প্রায় অনুভবই করতে পারছিলাম না!"
এই বলে সে নিজের সরু, সুগঠিত কোমরটা দুলিয়ে পরোক্ষভাবে রেখাকে উত্যক্ত করল। তারপর আবার রেখার কোমরে আলতো করে চিমটি কেটে ফিসফিসিয়ে বলল, "আর ভাগ্যিস তোর মা আমার অনুভূতিটা বুঝতে পারছে!"
জয়োতি অবাক এবং হতবাক হয়ে গেল। তার নিজের দাদাভাইকে প্রকাশ্যে অপমান করা হচ্ছে, আর তার মা যেন নীরবে সেটা সমর্থন করছে! চিন্তাটা তার ভেতরে এক অদ্ভুত শয়তানি শিহরণ জাগিয়ে তুলল। নিজেকে সামলে নিয়ে সে উত্তর দিল,
"ইশ, বৌদি! কী রাক্ষসী তুই! আমার নিজের ভাইয়ের অযোগ্যতার কথা বলছিস, আবার ওর নিজের মা-কেই ওর বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছিস... আর এই পর্যায়ে এসে আমার মনটাও বিষিয়ে দিচ্ছিস! ঠিক আছে, আমার এখন পায়খানা করতে যেতে হবে। সাগরি মাসিও তাড়াতাড়ি এসে পড়বে।"
"ওহ, ওই গোলমালকারী কাজের মেয়েটা! হুম... ঠিক আছে, ননদরানি। নিজের খেয়াল রেখো!"—হেসে ফোনটা রেখে দিল অপর্ণা।
ফোন কেটে যাওয়ার পর রেখা লজ্জায় মাথা নিচু করে তার বৌমার দিকে তাকিয়ে রইল। অপর্ণা হঠাৎ বুঝতে পারল, হালকা একটা দুর্গন্ধ ভেসে আসছে। রেখার গাল দুটো তখন লজ্জায় টকটকে লাল হয়ে উঠেছে।
