আমার মায়ের একটাই দোষ গায়ের রং কালো। তাছাড়া আমি আর কোন কমতি দেখিনি মায়ের মধ্যে। এদিকে আমার দাদু দুধে আলতা গায়ের রং আর বাবার আর মায়ের বিয়ের ফটো দেখছি তাতে যা বোঝা যায় বাবা অনেক সুন্দর আর সুপুরুষ ছিলেন। কিন্তু সরা সরি আমি দেখিনি।
বাবা মাকে বিয়ে করেছিল টাকার জন্য। অনেক টাকা জৌতুক নেয় আমার মাতুল দাদুর থেকে তারপর সেই টাকা নিয়ে বিদেশে চলে যায়। একবার যে গেছে আর ফিরে আসেনি। যদিও আমি বাবা বাঃ দাদুর মতন রং পাইনাই তবে মায়ের মতন কালো না। তবে বংশের মতন ফিগার হয়েছে। দাদু যেমন লম্বা চওড়া দেখতে সুন্দর আমার রং অত ফর্সা না হলেও আমি স্টহাম হয়েছি। এখন আমি কলেজে ফাইনাল ইয়ার। মায়ের একটাই কথা তোকে মানুস হতে হবে। আমার এই দুঃখ তুই ঘোচাবি। মায়ের কথার অমান্য করিনি, ভালো মতন পড়াশুনা করেছি। দাদু একটা চাকরি করতেন এখন অবসরে আছেন। যা পেনশন পায় তাই দিয়ে আমাদের চলে। বাবা আজ অব্দি যোগাযোগ করেনি। আমার মামা নেই ছিল দাদু সে মারা গেছেন তাই মামা বাড়ির লেটা চুকে গেছে। আমাদের তিনজনের সংসার। মা আমি আর দাদু।
আমার কলেজের নতুন ভর্তি হওয়ার পরে একটা মেয়েকে খুব ভালো লাগতে লাগল। ওর নাম মিতালী দত্ত। আমি যখন সেকেন্ড ইয়ারে পরি তখন প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়। দেখতে খুব সুন্দরী। কথা বললাম একদিন তারপর প্রায়ই কথা হত আমার কাছে নোট চাইত, আমি ওকে সাহায্য করতাম। ওর সাথে কথা বলতে সঙ্গে থাকতে আমার খুব ভালো লাগত। দেখতে দেখতে ওর সাথে একদিন প্রেমের প্রস্তাব দিয়েও ফেললাম।মিতালী মুখে না বললেও মৌন সম্মতি দিয়েছিল। নামটাই জানি বাড়ি কোথায় তখনো জিজ্ঞেস করা হয় নাই। আস্তে আস্তে আমার প্রেমের সম্পর্ক হলেও কোনদিন বাড়ি আনিনি বাঃ আমিও ওদের বাড়ি যাই নাই। যা কলেজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। দেখতে দেখতে এক বছরের প্রেম। চুটিয়ে কথাও হত ওর সাথে। মিতু আমার জীবনের প্রেমের স্বাদ যেমন দিয়েছে তেমন যৌনতা উৎসাহ পেয়েছি। যদিও ওর সাথে কয়েকটা চুমু ছাড়া কিছুই হয় নাই, কিন্তু ও আমার মন প্রান জুরে রয়েছে। খুব লাজুক মেয়ে তেমন সারা পাইনা, তবুও ওকে আমার খুব ভালো লাগে। সামনে আমার জন্মদিন কিন্তু ওকে নিমন্ত্রন করতে পারলাম না। কারন মা দাদু কি ভাবে। তাই অন্য বন্ধুদের বললেও ওকে আর বলিনি। মিতুকে যদি বলতে পারতাম আসত কিনা জানিনা তবে আসলে ভালো লাগত।
আমার ২০ তম জন্মদিন আগামী সপ্তাহে। দাদুকে দেখলে এখনও বোঝা যাবেনা ওনার বয়স ৬৮ দেখলে বলবে সবাই ৫৫/৫৬ এত সুন্দর শরীর দাদুর। এখনো বাজার ঘাট শাক সব্জির চাষ, দুজনে মিলে সব করে বউমা আর শ্বশুর। আসলে দাদু আমাদের এত যত্ন নেয় কি বলব, বাবার সব দ্বায়ীত্ব দাদু পালন করছে। দাদু আমাদের গার্জিয়ান। আমার কলেজ এবং কলেজে দাদুই যেত আমার সাথে যখন ভর্তি ফি টাকা পয়াসা সব দাদু দিত। আমি ও মা দাদুর প্রতি চির কৃতজ্ঞ। বাব্র অভাব দাদু আমাকে বুঝতে দেয়নি। ছেলে খারাপ বলে দাদু সেই দ্বায়ীত্ব পালন করেছে। ২০ বছরের জন্মদিনে দাদু আর মা আমাকে অনেক কিছু বুঝিয়েছে এবার তোমার দ্বায়ীত্ব নেওয়ার পালা। এখন থেকে চাকরি বাক্রির দিকে ধ্যান দাও, নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সত্যি বলতে কি আমার কুড়ি বছর বয়স হয়ে গেছে বাড়ির প্রতি আমার তেমন ধ্যান ছিল না। মা আর দাদু সব সামলাচ্ছে তাই এই বিষয়ে নিয়ে কোনদিন চিন্তা করিনি। পড়াশুনা করেছি আর বন্ধু বান্ধব যা ছিল তাদের সাথে পড়াশুনা আর সময় কাটানো। এরপরে প্রেমে পরে বাকি সব ভুলে গেছি, মিতু ভালো মেয়ে কোনদিন আমার টাকা খাওয়ার কথা ভাবত না, খরচা করলে আমাকে বকা দিত এত ভালো মেয়ে। ঘরের দিকে আমি কোনদিন ধ্যান দেই নাই। মা এবং দাদুর কথা শোনার পর মাথায় চিন্তা এল সত্যি তো দাদু এই বয়সে আর কত করবে আমার জন্য। এতদিন তো সংসার সামলে রেখেছে।
আমার কয়েকটা বন্ধু আর কয়েকজন প্রতিবেশীদের ডেকে খাওয়ানো আমার জন্মদিনে। একে একে সবই খেয়ে চলে গেল। দেখতে দেখতে রাত প্রায় ১২টা বেজে গেল। তারপর মা আর দাদু এইসব কথা বলেছিল। এরপর সব মা আর দাদু গুছিয়ে রেখে বলল যাও এবার গিয়ে ঘুমিয়ে পরো আমরা বাকি গুছিয়ে ঘুমায়ে যাবো।। রাত ১ টা বাজে, বউমা তুমি যাও গিয়ে ঘুমাও আমিও ঘুমাতে যাচ্ছি। আমাদের বাড়িতে তিনটে রুম যেটা দাদুর করা। একটায় মা ঘুমায়। অন্যটায় দাদু ঘুমায়, আর আমার জন্য দোতলায় একটা রুম যেখানে আমি পড়াশুনা করি এবং ঘুমাই। শুধু খাওয়ার সময় নিচে আসি তাছাড়া বাইরে গেলে নিচে নামি। মা সব ব্যবস্থা আমাকে উপরে দিয়ে দেয় তাই রাতে নিচে নামতেও লাগেনা। পায়খানা বাথরুম উপরে করে দিয়েছে। এক বাড়িতে থাকলেও আমি সম্পূর্ণ আলাদাই থাকি। যদিও ছোট বেলা মায়ের সাথে ঘুমাতাম কিন্তু ১০ বছর ধরেই আমি উপরে থাকি।
উপরে চলে এসে রুমে ঢুকে বার বার মা আর দাদুর কথা মনে পড়তে লাগল, আমাকে এখন দ্বায়ীত্ব নিতে হবে। কি করে কি করব এইসব ভাবছি, সারাদিন আনন্দে কাটলেও সত্যি বলছি এখন এই কথা বার বার মনে বাজছে। ঘুম মোটে আসছেনা। আমার মনে পরে গত ১০ বছরেও একবারের জন্য আমি রাতে নিচে যাইনি। কিন্তু আজকে যে ঘুম আসছে না কি করব আমি কি করে টাকা উপার্জন করব। চাকরি কি হাতের মোয়া যে চাইলেই পাওয়া যাবে। তাছাড়া পড়াশুনাও শেষ করতে পারিনি। তবুও আমাকে কিছু একটা ব্যাবস্থা করতে হবে দাদুর পেনশনে চলেনা। তাইত আমাকে বলল। মনে বাবা নামোক পশুটাকে গালাগাল দিলাম। কি করে আমাদের ছেরে চলে গেছে। সেও আমার জন্মের আগেই। আর কোন যোগাযোগ করেনি। পাহাড় সমান চিন্তা আমার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। ঘুম কি আর আসে। চুপ্টি করে শুয়ে আছি। নিচে তখনো মা আর দাদু কিছু এটা করছে খুট খাট বাসনের শন্দ হচ্ছে। কিছু ভালো লাগছে না। এরপর একটা সময় দরজা বন্ধের শব্দ পেলাম। আমি চিন্তায় দরজা বন্ধ করতেও ভুলে গেছি। তাই উঠে একবার বাথরুমে গেলাম। মাথা ঝিম ঝিম করছে। আবার এসে শুয়ে পড়লাম ঘুম নেই আমার চোখে। দরজা খুলে বের হলাম আবার। মনে কি হল দেখি নিচে গিয়ে মা দাদু ঘুমিয়েছে কিনা। আস্তে আস্তে চুপি চুপি পায়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলাম। কোন আলো জলেনা। অন্ধকার। কিন্তু দেখি মায়ের ঘরের দরজার নিচ দিয়ে আলো দেখা যাচ্ছে, তারমানে মা এখনও ঘুমায়নি। কি করছে মা এখনও। দাদুর রুমেরর দিকে তাকালাম সেটা অন্ধকার। তারমানে দাদু শুয়ে পড়েছে মা এখনও ঘুমায়নি।
আস্তে আস্তে মায়ের দরজার কাছে গেলাম। ভেতরে কথা হচ্ছে তারমানে দাদু মায়ের কাছে এখনও। কি কথা হচ্ছে। কন পেতে শোনার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমার বিশ্বাস আমাকে নিয়েই কথা হচ্ছে। ভালো মতন শুনতে পাচ্ছিনা। তাই আস্তে আস্তে ঘুরে এদিকের জানলার কাছে গেলাম গরম তো তাই জানলা বন্ধ করেনি পর্দা পাখার হাওয়ায় উড়ছে। দেখি মা খাটের উপর বসা আর দাদু চেয়ারে বসা।
দাদু- দেখতে দেখতে ওর বয়স ২০ হয়ে গেল কিভাবে আমাদের দিন গুলো পার হয়ে গেল তাইনা বউমা। আমার ছেলেটা এত বড় বেইমান সেই যে গেল আর কোনদিন যোগাযোগ করল না।
মা- একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেরে বলল চলে গেছে ভালোই হয়েছে, যে কয়দিন কাছে ছিল আমার জীবনটা নরক করে ফেলেছিল ভালোই হয়েছে। ছেলেটা যদি একটা চাকরি বাকরি পায় তবে আর আমাদের চিন্তা নেই। দেখতে দেখতে ২০ বছর তো পার হয়ে গেল আর কি। আপনি তো কম করেননি আর কত করবেন। আপনার ছেলের জায়গাটা আপনি নিয়েছেন, আপনার কাছ থেকে যা পেয়েছি সে কোনদিন ভোলার নয় বাবা।
দাদু- বউমা সব
হয়েছে তোমার জন্য তুমি এগিয়ে না এলে আমি পারতাম না। আজকে আমাদের একটা সুখের দিন তাইনা। আজ থেকে কুড়ি বছর আগে এই দিনে ছেলেটা হয়েছে। কত দুশ্চিন্তা ছিল আমার কি হবে কেমন হবে কোন সমস্যা হবেনা তো। তুমি তো বেডে ভর্তি ছিলে আমি বাইরে কেমন ছট ফট করছিলাম। তখন আমার কম বয়স তোমার শাশুড়ি আমকে ছেরে দুই বছর আগে চলে গেছে তোমাকে বউমা করে এনে ভেবেছিলাম শান্তিতে থাকবো কিন্তু সে আর হল কই তাইত চিন্তা নিয়ে ছিলাম আমি। তবে হ্যা ফুটফুটে ছেলের মুখ দেখে আমার সব ভয় চলে গেছিল সেদিন। আজকে সে ছেলের বয়স ২০ হলো ভাবতেই কেমন লাগে তাইনা।
মা- আমার তো আর কেউ ছিলনা আপনি ছাড়া যাবো কোথায়, যার সাথে এসেছিলাম সে তো ছেরে চলে গেল তাইত আপনাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছি, কোথায় যেতাম আমি বাপের বাড়ি যাওয়ার ছিল না তাইত জেভাবেই হোক আপনাকে নিয়েই আছি। সত্যি বলতে কি প্রথম প্রথম খারাপ লাগত, কিন্তু আপনার সঙ্গ পাওয়ার পরে সে কষ্ট আর আমার ছিল না। আমি কালো বলে আপনার ছেলে আমার সাথে সংসার করল না। আমার তো একটাই অপরাধ তাইনা গায়ের রং কালো।
আমি মা আর দাদুর কথা শুনে থ হয়ে গেলাম আমার থেকে ওদের কষ্ট অনেক বেশী, মা এত বছর কি করে কাটিয়ে দিল শ্বশুর কে নিয়ে কোন বদনাম কেউ আজ পর্যন্ত বলতে পারেনি। আশে প্সহের সবাই বলে তোর মায়ের মতন মা হয় না। কত কষ্ট করে তোর দাদুকে নিয়ে থাকে ভাবা যায়না। সবাই বাবার ব্যাপারে বাজে বললে দাদুর মন্দ কেউ বলেনা।
দাদু- বলতে লাগল এই কালোর মধ্যে যে কি আছে সে আমি ছাড়া কেউ জানেনা। এখনও আমি ভাবলে অবাক হয়ে যাই, এমন বউ ছেরে কেউ চলে যায়। তোমার শাশুড়ির থেকেও তুমি অনেক ভালো, শুধু রং ফর্সা হলেই হয়না বুঝলে, ভালবাসতে জানতে হয় তোমার মতন ভালোবাসা তোমার শাশুড়ি কোনদিন আমাকে দেয় নাই। তুমি তোমার শাশুড়ি জায়গা নিয়েছ বলেই এতদিন আমি সব সামাল দিতে পেরেছি। তুমি যা আমাকে দিয়েছ যেভাবে দিয়েছ, আমি সাহস করে তোমাকে কোনদিন বলতেই পারতাম না। তুমি কি করে বুঝেছিলে যে আমার এই দরকার।
মা- প্রতিদিন আপনি একই কথা বলেন সে প্রায় একুশ বছর ধরে কেন আপনি এতদিনে কিছুই বোঝেন নি কেন। আমার তো আপনি একমাত্র অবলম্বন, তখন আমি কি করব কোথায় যাবো আমার যে অন্য সব পথ বন্ধ ছিল, আমার স্বামী ছেরে চলে গেছে আর আপনার স্ত্রী ও মারা গেছে তাইত ভেবেছিলাম যদি দুজ্জনে মিলে মিশে থাকি তো বাকি জীবনটা ভালই কাটবে তারজন্য আমার এই সিন্ধান্ত। নারীর তো একটা অবলম্বন দরকার আমার অবলম্বন ছিলেন আপনি। কালো মেয়ের এর থেকে আর কি বেশী পাওয়ার আছে আমি যা পেয়েছি কয়জনে পায়। মোটা কাপড় তো দেন্নি ভালো কাপড়, খাবার সব দিয়েছেন তারপরে একটা সন্তানের জননী হয়েছি আর কি চাই আমার। আর শুধু কি আমি দিয়েছি আপনি দেননি। আপনি যা এই কালো বউকে দিয়েছেন কে দেবে কে দেখবে।
আমি দুজনার কথা বাইরে দাড়িয়ে মন দিয়ে শুনে যাচ্ছি কিছু কথার মানে এখনো বুঝতে পারছিনা কিন্তু কি এমন দুজনার মধ্যে সেটাই দুজনার কেউ বলছে না। দেখি এরপরে আর কি কথা হয়ে বলে দাড়িয়ে রইলাম। মাঝে মধ্যে মশায় দিচ্ছে কিন্তু তবুও আমি কোন শব্দ করছিনা। এতদিন পর্যন্ত মা আর দাদুর কথা আমি আড়াল থেকে কোনদিন শুনিনি। আসলে এতদিনে বোঝার চেষ্টা করিনি। আমি আমার জীবন নিয়ে ছিলাম আর এদিকে মা দাদু কি করছে সে দেখার সময় আমার ছিল না।
দাদু- দ্যাখ কালো মধ্যে আমী যা পেয়েছি, সে আমি ছাড়া কেউ বুঝবে না। রং কি সব।
মা- আপনা ছেলে তো রং দেখেই আমাকে ছেরে চলে গেছে তাইনা।
দাদু- ভালো হয়েছে ছেরে চলে গেছে, না হলে কি আমার এমন সৌভাগ্য হত তুমি বল। এখনো ওইদিনের কথা আমি ভুলতে পারিনি, কিভাবে আমাকে তুমি সন্তুষ্ট করেছিলে। আমার জীবঙ্কে তুমি নতুন জীবন দিয়েছিলে।
মা- একটু হাঁসি দিয়ে এখনও আপনি ওইদিনের মতন লাজুক রয়ে গেলেন মনে ইচ্ছে করে কিন্তু বলতে পারেন না তাইনা। সব দিনই আমাকে এগিয়ে যেতে হয়। কি ঘুমাতে যাবেন এখন, নাকি ইচ্ছে আছে। ছেলে এতখনে ঘুমিয়ে গেছে। রাত অনেক হল ছেলের আবার কালকে কলেজ আছে নাকি সেও জানিনা সকালে উঠতে হবে।
আমি মায়ের এই কথা শুনে ভাবলাম তারমানে গোপন কিছু হয় এই ঘরে কি হয় কি এমন কথা বলছে দুজনে আমাকে দেখতেই হবে জল পিপাসা পেয়েছে কি করব উপরে গিয়ে জল খেয়ে আসবো নাকি। ভাবছি আর ভেতরের কথা শুনছি।
দাদু- বলল এতদিন তো যা হয়েছে ভালই হয়েছে দাড়াও আমি একটু বাইরে থেকে আসছি দেখি তোমার ছেলে ঘুমিয়েছে কিনা।
এই কথা শুনেই আমি চুপি চুপি পায়ে উপরে চলে গেলাম আর গিয়ে বিছানায় পরে ঘুমের ভান করলাম দরজা টেনে দিয়ে।
একটু পরে দাদু এল দরজা খুলে ভেতরে তাকাল, নাইট ল্যাম্প জ্বলছে দেখা যায়। এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে নিয়ে আবার আস্তে করে দরজা টেনে দিয়ে চলে গেল। আমি পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করলাম তারপর যখন দরজা বন্ধের শব্দ পেলাম তখন বের হলাম। কারন মায়ের ঘরের দরজা বন্ধ করলে শব্দ হয়। আস্তে আস্তে সোজা গিয়ে সে জানলার কাছে দাঁড়ালাম। হাটু মুরে বসে পরাদার নিচ দিয়ে তাকালাম ভেতরে। মা খাটের উপরে বসা, দাদু দাঁড়ানো।
মা- কি ঘুমিয়েছে ছেলে দেখেছেন ভালো করে।
দাদু- হ্যা দরজা বন্ধ করেনি আমি টেনে দিয়ে এসেছি। কি যে পাগলামো করে ছেলে কে জানে।
মা- হ্যা আপনার মতন হয়েছে ছেলেটা। ভুলে যায়। দরজা ঠিক মতন আটকেছেন তো।
দাদু- হ্যা আটাকালাম না তোমার সামনেই তো আটকালাম।
মা- তা এখন কি করবেনে খাবেন নাকি, আপনার প্রিয় খাদ্য আমার কাছে আছে।
দাদু- মাথা কাচুমাচু করে নারতে নারতে বলল খাবো তো মা খাবো আমি যে খেতে চাই দাও না খেতে। তোমার কাছে তো আমার অমৃত আছে সোনা মা।
মা- দুহাত বাড়িয়ে এস আমার প্রানের নাগর, তোমার জন্যই আমি বেঁচে আছি। লাইট বন্ধ করে আসো তুমি।
আমি- ভাবলাম মা কি বলে দাদুকে প্রানের নাগর বলল তারমানে এদের মধ্যে নিশ্চয়ই কোন গোপন সম্পর্ক আছে। ভালো করে দেখতে হবে। চুপ্টি করে পা গুটিয়ে বসে রইলাম। ঘরে টিউব লাইট জ্বলছে।
দাদু_ না সোনা আজকে লাইট জ্বলুক তোমাকে সেভাবে দেখতেই পারিনা আমি। বলে মায়ের কাছে গেল।
মা- দাদুকে বলল প্রায় একুশ বছরে ধরে দেখছ তবুও মন ভরেনা। তাও আবার কালো বউমা। ফর্সা সুন্দরী হলে না হয় ঠিক ছিল।
দাদু- মায়ের পাশে বসেই হে আমার জগত জননী, তুমি আর নিজেকে কালো বল্বেনা, কত দিন দরে বলে আসছি তোমার মতন সুন্দরী বউ আমি আর দ্বিত্বীয় কাউকে দেখনি, তুমি যে আমার বাচার একমাত্র আশা বলেই জরিয়ে ধরে এত সুন্দরী আমার সোনা বার বার নিজেকে কালো বলে। এই বলেই মুখটা কাছে টেনে নিয়ে সোজা ঠোঁটে চুমু দিল।
মা- দাদুকে জদিয়ে ধরে পাল্টা একটা চুমু দিয়ে বলল তুমি আমার আশার আলো সোনা, এই জীবনটা তুমি সব কিছু দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছ, তোমার ভালোবাসা না পেলে আমি নিজেকে শেষ করে দিতাম চিরতরে শুধু মাত্র তোমার জন্য আমি বেঁচে আছি।
দাদু- মাকে জরিয়ে ধরে ভালো করে ঠোঁট ঠোঁট লাগিয়ে দিয়ে চকাম চকাম করে চুষে দিচ্ছে। নিজের জিভটা মায়ের মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে উফ সোনা তোমার মধু আমি চুষে খাবো বলেই সব জিভ মায়ের ঠোঁটের মধ্যে দিয়ে দিল।
মা- দাদুর জিভটা মুখের মধ্যে নেওয়ার আগে বলল সোনা আমার এইজন্যি তোমাকে আমি এত ভালোবাসি বলেই জিভ চুষে দিতে লাগল।
দাদু- মায়ের মুখের মধ্যে জিভ দিয়ে চুষতে চুষতে আস্তে আস্তে মায়ের আঁচল টেনে নামিয়ে দিল আর ব্লাউজ সহ দুধ দুটো উন্মুক্ত হল।
আমি- দেখে ভির্মি খাওয়ার মতন অবস্থা, কারন এইভাবে মাকে কোনদিন দেখিনি, এত ভদ্রভাবে ঘরে থাকে কোনদিন একটু পাশো দেখতে পাইনি। কিন্তু এ কি জিনিস। উরি বাবা এ কত বড় সাইজ রে বাবা, মনে হয় যেন দুটো তাল মায়ের বুকের উপর বসানো। ব্লাউজ ঠেলে বেড়িয়ে আসতে চাইছে, এই প্রথম মায়ের দুই দুধের খাঁজ দেখতে পেলাম। ভেতরে ব্রা পড়া সেটাও বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু সৎ বলছি আমার মায়ের এত বড় দুধ আমি কল্পনাও করিনি। সব সময় ঘরে আটো সাটো হয়েই থাকতো। আর আমার কি দোষ এই চোখে মাকে কোনদিন দেখিনি। এই টুকু দেখেই বুঝলাম দাদু কেন মায়ের এত প্রশংসা এতখন করেছে। বারমুন্ডার মধ্যে আমার বাঁড়া তিড়িং বিরিং করে লাফাতে শুরু করল। ভাবতে ভাবতে মাথা নিচু করে ফেলেছিলাম। নিজের বাঁড়া হাত দিয়ে আবার ভেতরে তাকালাম। দেখি দাদু একটা হাত দিয়ে মায়ের একটা স্তন চেপে ধরেছে।
মা- দাদুর ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে চুক চুক করে চুষে যাচ্ছে। দুজনার কি মধুর মিলন, কত ভালোবাসা, শ্বশুর বউমা প্রেম লীলায় ব্যাস্ত।
দাদু- মাকে ভালো করে কাছে টেনে ঠোটে ঠোঁট লাগানো অবস্থায় মায়ের সামনের ব্লাউজের হুক গুলো পট পট করে খুলে দিল, কত এক্সপার্ট ব্লাউজের হুক খুলতে। ব্লুয়াজের হুক গুলো খুলে দিয়েই মা দুধ খাবো ওমা দুধ খাবো।
মা- দাদুকে আরেকবার চুমু দিয়ে এই সোনা আমার এই দেহ মন প্রান সব তোমার তোমাকে সে ২১ বছর আগেই উৎসর্গ করে দিয়েছি।
দাদু- নেক্টু নিচু হয়ে মায়ের দুধের খাঁজে চুমু দিতে দিতে ব্লাউজ বের করে দিল এবার শুধু ব্রা আছে তাও লাল রঙের, দুধ দুটো কেমন উচু করে বেঁধে রেখেছে।
আমি- দেখলাম মায়ের বগ্লে কত চুল উফ যেমন কালো তেমন ঘন, সম্পূর্ণ বগল জুরে কালো লোমে ভর্তি। উফ কি সেক্সি লাগছে আমার মাকে, আপন শশুরের সাথে এইভাবে মাঝ রাতে প্রেম লীলা করছে, ভাবছি আর নিজের বাঁড়া ধরে খিঁচে যাচ্ছি। আর মায়ের এবং দাদুর কীর্তি দেখছি। মনে মনে ভাবছি মা যেমন দুখী তেমন দাদুও তার বউ নেই তাইত বউমাকে নিয়েই আছে, প্রথমে দেখে রাগ হলেই এই সতিট ভেবে ভালোই লাগল, রাগ নেই ওদের প্রেম লীলা উপভোগ করছি, কিন্তু আমার বাঁড়া যে টন দিয়ে দাড়িয়ে আছে। মিতুকে চুমু দিলে এমন হয়েছিল। আবার ভেতরে চোখ রাখলাম। একই করছে দাদু।
দাদু- মায়ের ডান হাতটা তুলে ঠিক বগলে জিভ দিয়ে চেটে দিচ্ছে লোমশ বগলে জিভ লম্বা করে বের করে লম্বা লম্বা চাটা দিচ্ছে।
মা- উফ বাবা আপনি সে প্রথম দিনের মতন আমাকে উত্তেজিত করে দিয়েছেন উফ আর না সোনা এবার দুধ খাও, দাড়াও আমি ব্রা খুলে দিচ্ছি। বলেই নিজে ব্রার হুক খুলে দিতে যাবে।
দাদু- মাকে জরিয়ে ধরে ঠোটে আবার চুমু দিয়ে না সোনা আমি খুল্ব আমার মায়ের ব্রা।
মা- আমার কচি ছেলে একটা মাকে এত ভালো বাসো তুমি।
দাদু- মায়ের ঠোটে আরেকটা চুমু দিয়ে হ্যা মা তোমার ভালোবাসা না পেলে এই বুড়ো এতদিন বাচত না বলেই আস্তে আস্তে পেছনে হাত নিয়ে ব্রার হুক খুলে দিল। এরপর আস্তে আস্তে বের করে খাটের উপর রেখে দিল। এক লাফে মায়ের দুধ দুটো একটু নিচে নেমে গেল ঠিকি কিন্তু বেশ খাঁড়া ৪০ বছর বয়সে এত সুন্দর মায়ের দুধ দুটো।
আমি- মায়ের দুধের থেকে চোখ ফেরাতে পারছিনা, দাদু মায়ের একটা দুধের বোটা ধরে দুই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিতেই মা উঃ করে উঠল, এই সোনা কি করছ তুমি খাও না চুষে খাও বলতেই দাদু মায়ের দুধের মুখ লাগিয়ে দিল আরেকটা দুধ হাত দিয়ে আস্তে আস্তে দলাই মলাই করতে লাগল। আমি দেখালাম কি সুন্দর সুঢোল মায়ের দুধ দুটো, মায়ের রং কালো হলেই খুব ফর্সা দুধ দুটো, মনে হয় যেন দুটো ডাব মায়ের বুকের উপর বসানো। দাদু চুক চুক করে চুষে দিচ্ছে, আর মা দাদুর মাথা ধরে উফ আঃ আঃ সোনা তুমি এত ভালোবাসো আমাকে ও সোনা আর এভাবে করেনা সোনা উরি আঃ আঃ আঃ সোনা আমার। সত্যি মায়ের দুধ দেখার মতন, এই দুধ তো আমি ছোট বেলা খেয়েছি কিন্তু এমন সে কথা আমার মনে নেই।
দাদু- মায়ের দুধের বোটায় চুক চুক করে চুষতে চুষতে মুখ তুলে উফ মা আজকে বেশী ভালো লাগছে তোমার দুধ চুষতে।
মা- হঠাত বলে উঠল, কেন হবে না আজ থেকে ২০ বছর আগে তোমার ছেলে এই দুধ প্রথম মুখে নিয়েছিল।
আমি- শুনে সত্যি একদম স্থির হয়ে বসে রইলাম, তারমানে আমি কার ছেলে, আমার সত্যিকারের বাবা কে। আমি তবে কি মা আর দাদুর জারস সন্তান। হ্যা তা নয় তো কি, আমার কাগজে কলমে বাবার নাম এক আর জন্মদাতা পিতা আরেক। এই কথা শুনে আমার মাথা সত্যি ঘুরতে লাগল, এত বছর এই ঘটনার কথা আজকে আমি জানতে পারলাম। তবু আরেকটু বুঝে নেই তোমার ছেলে বলতে কে আমি না আমার বাবা, জিনি কাগজে কলমে জিনি তিনি আগে আরো শুনে নেই, ভালো করে শুনে নেই। আবার ভেতরে চোখ রাখলাম। দুজনে কি করে যাচ্ছে ভাবতেই পারছিনা, আমার মা সত্যি কলঙ্কিনী, এমন কলঙ্ক নিয়ে সতী সেজে বসে আছেন ভাবতেই ঘেন্না করছে। সত্যি ভাবতেই পারছিনা বলে আবার ভেতরে চোখ রাখলাম।
দাদু- এই সোনা আমার কোন ছেলে সেটা তো বল। মার ছেলে মানে তোমার বিবাহিত স্বামী সে নয় তো।
মা- আমার ন্যাকা নাগর কিছুই জানেনা মনে হয়, তোমার ওই ছেলে তো আমাকে ছুয়েও দেখেনি, যে কয়রাত ঘরে ছিল সে তো আলাদা ঘুমাতো, আমার কাছেও আসেনি। এটাই আমার জীবনে বড় দুঃখ তার জন্যই আমি তোমাকে কাছে পাওয়ার পন করেছিলাম, যদি ছেলে কাছে না আসে তো কি হয়েছে তার বাবা আমাকে দেখবে ভেবেই আমার এই সিন্ধান্ত।
দাদু- মায়ের দুধ দুটো ধরে চকাম চকাম করে একটায় বার বার চুমু দিতে দিতে বলল ঐ ছাগল্টা যে জীবনে কি ভুল করেছে এমন সেক্সি আর সুন্দরী বউকে ছুয়েই দেখেনি। ভালো হয়েছে আমি আমার আনকোরা বউমাকে পেয়েছিলাম।
মা- এবার বুঝেছ তোমার কোন ছেলে প্রথম দুধ খেয়েছে। আমাদের ছেলে তোমার আমার ছেলে।
আমি- না এবার সত্যি তা জানতে পারলাম, আমার দাদু আমার বাবা, এবারে মাকে কলঙ্কিনী বলতে আর বাঁধা নেই। সত্যি আমার মা কলঙ্কিনী, এ বিষয়ে আর আমার দ্বিমত নেই। আপন শশুরের সাথে যৌন লীলা করে আমার জন্ম দিয়েছে ভাবা যায়, আর দিনের বেলা এতদিন ধরে ভদ্রতার মুখোশ পরে আমার সামনে সতী সাবত্রি হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছে আমাকে কত ভালোমন্দ জ্ঞান দিয়েছে। আজকে আমার কুরিতম জন্মদিনে, আবার সে শশুরের সাথে যৌন লীলায় মত্ত হয়েছে। মাথা নিচু করে এইসব ভাবছিলাম, ভাবতে ভাবতে আমার বাঁড়া আবার নেতিয়ে গেছে না কিছুই ভালো লাগছে আমার বাবার পরিচয় কোনদিন কেউ জানতে পারবেনা এটাই ভাবতে ভাবতে কান্না এসে গেল চোখে। খুব রাগ আর ঘেন্না হল আমার মায়ের প্রতি, এতদিন যাকে শ্রদ্ধা করে এসেছি সেই মায়ের প্রতি। যাকে আমি দেবী ভাবতাম, আমাকে কত কষ্ট করে দুজনে মিলে মানুষ করেছে, কত ত্যাগ করেছে এইসব আমি ভাবতাম। কিন্তু তবে আমি তো জারজ সন্তান। পিতৃ পরিচয় আমার চিরকাল অজানা থেকে যেত যদি না আমি আজকে এইভাবে ওদের না দেখতাম আর কথা না শুনতাম। প্রায় ১০ মিনিট মাথা নিচু করে বসে ছিলাম কি বলেছে কিছুই শুনতে পাইনাই কারন মাথা যে আমার ছিরে যাচ্ছে। এরপর একবার মাথা তুলে ভেতরে চোখ দিতেই যা দেখলাম।
মা দুই পা ছরিয়ে খাটের উপর চিত হয়ে শুএ আছে এবার আর কোন কাপড় ব্লাউজ ব্রা ছায়া কিছুই পরনে নেই সম্পূর্ণ উলঙ্গ। ডানদিকের পা দেখা যাচ্ছে আর খাঁড়া দুধ দেখা যাচ্ছে। এদিকে দাদুর মাথা দেখা যাচ্ছে। লক্ষ্য করলাম দাদু দুই পায়ের মাঝে মুখ গুজে বসে আছে।
মা- বার বার বলছে উঃ না পারিনা তোমার এই আদর আমি সইতে পারিনা একদম, প্রতিদিন তুমি জিভ দিয়ে আমাকে এইভাবে আর কত কষ্ট দেবে এই সোনা এবার মুখ তোলও আমাকে আর কষ্ট দিও না।
দাদু- মা আমার যে কি আরাম তোমার এই রসালো যোনী চুষতে সে আমি ছাড়া কেউ জানবেনা, এত মধু তোমার ভেতরে আরেক্টূ চুষে দেই মা।
মা- দাদুর টাক মাথা ধরে ভালো করে চেপে ধরে বলল খাও তোমার বউমার রস খাও বলে পা তুলে দিল ঘারের উপরে।
দাদু- দুই দাবনা ধরে চুক চুক চুষে যাচ্ছে শব্দ হচ্ছে।
আমি- দেখলাম মায়ের কলাগাছের মতন মোটা থাই, গায়ের রং কালো হলেও থাই দুটো মানে দাবনা দুটো বেশ ফর্সা, চর্বি যুক্ত। মায়ের গুদ দেখতে পাই নাই ভাবনার জন্য।
মা- বলছে এই সোনা কামড় দিচ্ছ কেন চুষে দাও উরি আঃ আঃ সোনা জিভ ঢুকিয়ে দাও উফ সোনা আমার এইভাবে চুশ্লে আমার রস সব বেড়িয়ে যাবে গো।
দাদু- একবার মুখ তুলে জিভ বের করে আঃ সোনা আরেকটু চুষবো উফ কি মিষ্টি গন্ধ তোমার গুদে বলেই আবার মুখ গুজে দিল। মাথা নারিয়ে নারিয়ে চুষে দিচ্ছে আর মা মাথা চেপে ধরে ছট ফট করছে।
মা- আঃ আঃ আঃ সোনা আঃ আঃ উরি আঃ আঃ সোনা এই সোনা আঃ আঃ আঃ সোনা উরি আর না এই সোনা এবার মুখ তোলো।
দাদু- এবার মাথা তুলে একটু উঠে মায়ের পা দুটো ভালো করে ফাঁকা করে জিভ বের করে লম্বা লম্বা চাটা দিতে লাগল, এই ফাকে আমি মায়ের গুদ দেখলাম। কালসিটে পড়া দুইপাশ তবে গুদের ঠোঁট দুটো ফলা ফোলা, একদম বাল নেই কামানো গুদ। দাদু চাটা দিতেই চর চর করে শব্দ হচ্ছে শক বালের শব্দ হচ্ছে, মনে হয় এক দুইদিন আগে কামানো।
মা- ও সোনা আর না এবার আসো আমি তোমার সোনা চুষে খাঁড়া করে দেই।