Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মায়ের নিষিদ্ধ টান (By: Tonmoy1212)
#11

মায়ের রুমে যাওয়ার কথাটা মাথায় নিয়ে আমি বিছানায় বসেছিলাম। ঘরের ভিতরটা শান্ত। রান্নাঘর থেকে মায়ের পায়ের শব্দ আসছিল। তিনি থালাবাসন সরানোর শব্দ করছিলেন। কিন্তু সেই শব্দগুলো অস্থির লাগছিল। যেন তিনিও নিজের মনের সাথে লড়াই করছেন। আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে আসছে। বাবা সাতটার আগে ফিরবেন না। সময় আছে। কিন্তু সেই সময়টার ওজন আমার বুকের উপর চেপে বসেছিল।
আমি উঠে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাইরে রোদ ঢলে পড়ছে। গাছের পাতায় হালকা হাওয়া লাগছে। মনটা বলছিল এখনই মায়ের রুমে চলে যাই। কিন্তু পা এগোচ্ছিল না। মা নিজেই বলেছেন “ধীরে”। খুব ধীরে চলবে আজ। আমি সেই কথাটা মনে করে নিজেকে থামিয়ে রাখলাম। হাতের তালুতে এখনো মায়ের হাতের উষ্ণতা বাজছিল। তার বুকের ছোঁয়া, তার চুলের গন্ধ সব মিলেমিশে একটা অস্থিরতা তৈরি করে রেখেছিল।
একসময় রান্নাঘরের শব্দ থেমে গেল। মায়ের পায়ের শব্দ আমার রুমের দিকে এগোচ্ছিল। দরজায় টোকা পড়ল। আমি দরজা খুলে দিলাম। মা দাঁড়িয়ে আছেন। হলুদ নাইটি এখনো গায়ে। তার চোখ লাল। গালে হালকা জলের দাগ। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বললেন, “ downstream যা। আমার রুমে।”
আমি মাথা নাড়লাম। মা আগে এগোলেন। আমি পেছন পেছন হাঁটলাম। তার রুমের দরজা খোলা ছিল। ভিতরে ঢুকে মা দরজা বন্ধ করলেন কিন্তু তালা দিলেন না। ঘরটা আধো অন্ধকার। জানালার পর্দা টানা। বিছানার উপর চাদর গোছানো। মা বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন। আমি দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে রইলাম। দুজনের মাঝে কয়েক পায়ের দূরত্ব।
মা গলা নিচু করে বললেন, “এখানে এসো। কিন্তু ধীরে। আমি ভয় পাচ্ছি আয়ান। নিজের ভিতর থেকে।”
আমি এগোলাম। এক পা… দুই পা… তার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মায়ের গায়ের গন্ধটা ঘরের ভিতর জড়ো হয়েছিল। আমি তার চোখের দিকে তাকালাম। তিনিও তাকিয়ে রইলেন। কেউ কিছু বলল না অনেকক্ষণ। শুধু শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ। মায়ের বুকের উঠানামা দেখা যাচ্ছিল। আমি হাত বাড়িয়ে তার হাত ধরলাম আলতো করে। মায়ের আঙুলগুলো আমার আঙুলের সাথে জড়িয়ে গেল নিজে থেকেই। তিনি আর প্রতিরোধ করলেন না।
মা আস্তে করে বললেন, “গতকাল রাতে তোর হাত যখন আমার কোমরে লাগল… আমি জমে গিয়েছিলাম। ভিতর থেকে কিছু একটা ভেঙে গিয়েছে মনে হয়। আমি তোর মা। এটা মনে রাখার চেষ্টা করছি বারবার। কিন্তু তোর ছোঁয়া পেলে সব ভুলে যাই।”
আমি তার হাত চেপে ধরলাম একটু। “আমিও ভুলে যাই মা। তোমার কাছে এলে আর কিছু মনে থাকে না।”
মা আমার হাত ধরে বিছানার দিকে একটু টানলেন। দুজনে বিছানার পাশে বসলাম। পাশাপাশি। আমাদের হাঁটু লাগলাগ। মা আমার হাত দুটো নিজের হাতের ভিতর নিয়ে আলতো করে বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। তার আঙুল আমার কবজির উপর দিয়ে ঘুরছিল। উষ্ণ। নরম। আমি চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শটা অনুভব করছিলাম। মায়ের শ্বাস আমার কাঁধে এসে পড়ছিল।
অনেকক্ষণ এভাবেই কেটে গেল। কেউ কথা বলল না। শুধু হাতের স্পর্শ আর শ্বাস। মা একসময় আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। তার চুল আমার গালে লাগল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে স্পর্শ করলাম। মা কেঁপে উঠলেন। কিন্তু সরে গেলেন না। উল্টো আরও কাছে ঝুঁকে এলেন। তার এক হাত আমার কোমরে গিয়ে লাগল। নাইটির উপর দিয়ে। আমি তার কোমরের উষ্ণতা অনুভব করলাম আবার।
মা ফিসফিস করে বললেন, “আয়ান… আজ শুধু এতটুকু। আর কাছে যেয়ো না। আমি নিজেকে সামলাচ্ছি কষ্ট করে। যদি আজ সব কিছু হয়ে যায়… তাহলে আমি আর ফিরে আসতে পারব না পুরোনো জায়গায়।”
আমি মাথা নাড়লাম। তার চুলে হাত বুলিয়ে দিলাম আস্তে। “ঠিক আছে মা। আজ শুধু এতটুকুই। আমি তোমার কাছে আছি। কিছু হবে না।”
মা আমার বুকের দিকে মুখ গুঁজে দিলেন। তার হাত আমার পিঠে এসে লাগল। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন আবার। এবার আরও শক্ত করে। আমিও তাকে জড়িয়ে ধরলাম। দুজনের শরীর মিশে গেল বিছানার পাশে বসে। মায়ের বুকের উষ্ণতা আমার বুকের সাথে লাগল। তার শ্বাস আমার গলায়। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম আস্তে আস্তে। মায়ের শরীর কাঁপছিল। তিনি চুপচাপ কাঁদছিলেন আমার বুকে।
অনেকক্ষণ ধরে আমরা এভাবেই জড়িয়ে ছিলাম। সময় যেন থেমে গিয়েছিল। বাইরে হাওয়ার শব্দ, দূর থেকে কোনো গাড়ির হর্ন, আর আমাদের হৃদপিণ্ডের শব্দ ছাড়া আর কিছুই শোনা যাচ্ছিল না। মা একসময় মুখ তুলে আমার দিকে তাকালেন। তার চোখ লাল। গালে জল। তিনি আস্তে করে বললেন, “তোর গন্ধ… তোর ছোঁয়া… এগুলো আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। আমি জানি না আর কতদিন সামলাতে পারব।”
আমি তার গাল আলতো করে মুছে দিলাম আঙুল দিয়ে। মায়ের গালের চামড়া নরম। উষ্ণ। তিনি চোখ বন্ধ করে আমার হাতের স্পর্শ নিতে লাগলেন। আমি তার গালে হাত রেখে বললাম, “আমরা ধীরে এগোব মা। তুমি যতটা পারো সামলাও। আমি তোমার সাথেই আছি।”
মা আমার হাত ধরে নিজের গালে চেপে ধরলেন। তার ঠোঁট আমার হাতের তালুতে লেগে গেল হালকাভাবে। এক মুহূর্তের জন্য। তারপর তিনি সরে গেলেন। উঠে দাঁড়ালেন। আমিও উঠলাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “এখন যা ঘরে। বাবা ফিরতে এখনো সময় আছে কিন্তু আমি আর নিজেকে সামলাতে পারব না যদি তুই এখানে থাকিস। কাল… কাল আবার কথা হবে।”
আমি মাথা নাড়লাম। তার হাত একবার আলতো করে চেপে ধরে রুম থেকে বেরিয়ে এলাম। নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করলাম। বিছানায় শুয়ে পড়লাম। শরীরে এখনো মায়ের উষ্ণতা বাজছিল। তার চুলের গন্ধ, তার বুকের ছোঁয়া, তার গালের নরম চামড়া, আর তার ঠোঁটের হালকা স্পর্শ সব মিলেমিশে একটা গভীর অস্থিরতা তৈরি করে রেখেছিল। আজ আর কিছু হয়নি। শুধু জড়িয়ে ধরা, হাত বুলানো, গালে হাত রাখা। কিন্তু সেই স্পর্শগুলোই যথেষ্ট ছিল আমাকে উত্তাল করে তোলার জন্য।
আমি জানালার দিকে তাকিয়ে রইলাম। বাইরে আলো ঢলে যাচ্ছে। মায়ের কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল। তিনি ভয় পাচ্ছেন। নিজেকে সামলাচ্ছেন কষ্ট করে। কিন্তু তিনি জানেন আর বেশিদিন সামলানো যাবে না। আর আমিও জানি। এই ধীরলয়ের ভিতর দিয়ে আমরা দুজনেই এগিয়ে যাচ্ছি এমন এক জায়গার দিকে যেখান থেকে আর ফিরে আসা যায় না। আজ শুধু এতটুকুই হলো। কাল হয়তো আরও একটু কাছে। তারপর আরও একটু। এভাবেই চলবে। ধীরে ধীরে। নিষিদ্ধ টানটা আমাদের দুজনকেই ধরে রেখেছে। আর ছাড়ার কোনো উপায় নেই আর।
সেই বিকেলটা কেটে গেল অপেক্ষায়। সন্ধ্যায় বাবা ফিরলেন। মা সাধারণ মায়ের মতোই আচরণ করলেন। চা দিলেন। খাবার দিলেন। কিন্তু তার চোখের দিকে তাকালেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি অন্য জায়গায় আছেন। আমিও ছিলাম। দুজনের মাঝে একটা গোপন সংযোগ তৈরি হয়ে গেছে। যেটা কেউ দেখতে পাচ্ছে না। শুধু আমরা দুজন জানি। আর সেই গোপনটাই আমাদের আরও কাছে টেনে নিচ্ছিলাম প্রতিদিন।
Reply
#12

সন্ধ্যার পর বাবা ফিরে এসেছিলেন। সাধারণ দিনের মতোই সবকিছু চলছিল। চা, রাতের খাবার, একটু টিভি। কিন্তু আমার মন আর মায়ের মন দুটোই অন্য জায়গায় ছিল। টেবিলে বসে খাবার সময় মা আমার দিকে একবারও সোজা তাকাননি। অথচ তার হাত কাঁপছিল থালায় ভাত দিতে গিয়ে। আমি দেখেছিলাম। বাবা কিছু টের পাননি। তিনি ক্লান্ত ছিলেন। খেয়েই ঘুমাতে চলে গেলেন তাড়াতাড়ি।
বাবা ঘুমিয়ে পড়ার পর বাসাটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। মা রান্নাঘর পরিষ্কার করছিলেন। আমি নিজের রুমে বসে শুনছিলাম তার পায়ের শব্দ। প্রতিটা শব্দ যেন আমার বুকের ভিতর বাজছিল। আজ বিকেলের কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল। মায়ের জড়িয়ে ধরা, তার চুলের গন্ধ, তার গালে আমার হাত, আর তার ঠোঁটের হালকা স্পর্শ। সব মিলেমিশে একটা অস্থিরতা তৈরি করে রেখেছিল যা সহজে যাচ্ছিল না।
একসময় রান্নাঘরের শব্দ থেমে গেল। মায়ের পায়ের শব্দ তার নিজের রুমের দিকে চলে গেল। দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ শোনা গেল। আমি বিছানায় শুয়ে রইলাম। ঘুম আসছিল না। জানালার বাইরে অন্ধকার। একটা কুকুর দূর থেকে ডাকছিল। আমি চোখ বুজে মায়ের মুখ মনে করার চেষ্টা করছিলাম। তার লাল চোখ, তার কাঁপা ঠোঁট, তার হাতের উষ্ণতা। মন বলছিল উঠে তার রুমে চলে যাই। কিন্তু পা এগোচ্ছিল না। মা বলেছেন ধীরে। আজ আর নয়। কাল কথা হবে।
অনেকক্ষণ পর আমার রুমের দরজায় খুব আস্তে টোকা পড়ল। এত আস্তে যে প্রথমে বুঝতেই পারিনি। আবার টোকা পড়ল। আমি উঠে দরজা খুলে দিলাম। মা দাঁড়িয়ে আছেন। হলুদ নাইটির উপর একটা পাতলা চাদর জড়িয়ে। তার চোখ আরও লাল। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন, “ঘুমাতে পারছি না। তোর কথা মনে পড়ছে। একটু কথা বলব?”
আমি দরজা আরও খুলে দিলাম। মা ভিতরে ঢুকলেন। দরজা বন্ধ করলেন আস্তে করে। তালা দিলেন না। ঘরটা অন্ধকার। শুধু জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে রাস্তার আলো একটু ঢুকছিল। মা বিছানার পাশে এসে দাঁড়ালেন। আমিও পাশে দাঁড়ালাম। দুজনের মাঝে আবার সেই নীরবতা।
মা আস্তে করে বললেন, “আজ বিকেলের পর থেকে মনটা স্থির নেই। তোর হাতের ছোঁয়া, তোর গন্ধ… সব মনে পড়ছে। আমি নিজের রুমে শুয়ে তোর কথাই ভাবছিলাম। ভয়ও পাচ্ছি। আবার… আবার তোর কাছেও আসতে ইচ্ছে করছে।”
আমি তার হাত ধরলাম আলতো করে। মায়ের হাত ঠান্ডা। তিনি আমার হাত চেপে ধরলেন। আমি বললাম, “আমারও একই অবস্থা মা। ঘুম আসছে না। তোমার কথা মনে পড়ছে বারবার।”
মা আমার হাত ধরে বিছানার দিকে বসলেন। আমিও বসলাম তার পাশে। এবার আমাদের কাঁধ লাগলাগ। মা আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। তার চুল আমার গালে এসে লাগল আবার। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে সরিয়ে দিলাম। মা কেঁপে উঠলেন। তিনি আমার বুকের দিকে মুখ ঘুরিয়ে ফিসফিস করে বললেন, “এভাবে পাশাপাশি বসা… এটাও কি ঠিক? আমি জানি না আর। সব গুলিয়ে যাচ্ছে।”
আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিলাম। “জানি না মা। কিন্তু এখন এটাই ভালো লাগছে।”
মা চুপ করে রইলেন। তার হাত আমার হাতের উপর রাখা। আঙুল দিয়ে আমার আঙুলের রেখা আলতো করে ছুঁয়ে দেখছিলেন। ঘরের ভিতরটা এতই নিস্তব্ধ যে আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দও পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল। মা একসময় আমার হাত তুলে নিজের গালে রাখলেন। তার গালের উষ্ণতা আমার তালুতে লাগল। তিনি চোখ বন্ধ করে আমার হাতের স্পর্শ নিতে লাগলেন। আমি আঙুল দিয়ে তার গাল আলতো করে বুলিয়ে দিলাম। মায়ের চামড়া নরম। একটু ভেজা। হয়তো কেঁদেছেন আবার।
মা আমার হাত ধরে নিজের গালে চেপে ধরে বললেন, “তোর হাত এত উষ্ণ… এত নরম লাগে। আমি জানি এটা পাপ। কিন্তু ছাড়তে পারছি না।”
আমি তার গালে হাত রেখেই বললাম, “আমিও ছাড়তে পারছি না মা।”
মা আমার দিকে মুখ তুললেন। অন্ধকারে তার চোখদুটো ঝলমল করছিল। তিনি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন অনেকক্ষণ। তার শ্বাস আমার মুখের কাছে এসে পড়ছিল। আমিও তাকিয়ে রইলাম। দুজনের মুখের দূরত্ব খুব কম। মা একটু এগোলেন। তার কপাল আমার কপালের সাথে ঠেকে গেল। উষ্ণ। আমরা এভাবেই কপাল ঠেকিয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষণ। কেউ সরল না। মায়ের শ্বাস আমার নাকে এসে লাগছিল। আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম আস্তে আস্তে।
মা ফিসফিস করে বললেন, “আয়ান… যদি আমি এখন তোকে চুমু দিই… তাহলে কি সব শেষ হয়ে যাবে?”
কথাটা শুনে আমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল। আমি উত্তর দিতে পারলাম না। শুধু তার কপালে নিজের কপাল আরও চেপে ধরলাম। মায়ের হাত আমার গলায় এসে লাগল আলতো করে। তার আঙুল আমার গলার চামড়া ছুঁয়ে দেখছিল। আমি কেঁপে উঠলাম। মা বুঝতে পেরে হাত সরাতে গেলেন। আমি তার হাত ধরে রাখলাম।
“সরো না মা,” আমি ফিসফিস করে বললাম।
মা চুপ করে রইলেন। তার আঙুল আবার আমার গলায় ফিরে এল। আলতো করে বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। আমি চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শটা অনুভব করছিলাম। মায়ের হাত ধীরে ধীরে আমার গলা থেকে কাঁধে, কাঁধ থেকে বুকে এসে লাগল। নাইটির উপর দিয়ে নয়। আমার শার্টের উপর দিয়ে। তিনি আমার বুকের উপর হাত রেখে হৃদপিণ্ডের শব্দ শুনছিলেন যেন। আমিও তার কোমরে হাত দিলাম আবার। নাইটির উপর দিয়ে। মায়ের শরীর কাঁপছিল।
অনেকক্ষণ এভাবেই কেটে গেল। দুজনে পাশাপাশি বসে, কপাল ঠেকিয়ে, হাত বুলিয়ে। মা একসময় সরে গেলেন আস্তে করে। তার চোখ লাল। তিনি আমার হাত দুটো নিজের হাতের ভিতর নিয়ে বললেন, “আজ আর নয় আয়ান। এখানেই থামি। যদি আর এগোই… তাহলে আর থামাতে পারব না। তুই ঘুমা। আমিও যাই।”
আমি মাথা নাড়লাম। মা উঠে দাঁড়ালেন। আমিও উঠলাম। তিনি দরজার দিকে এগোলেন। আমি তার হাত ধরে রাখলাম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। মা পেছন ফিরে আমার দিকে তাকালেন। অন্ধকারে তার মুখটা আবছা দেখা যাচ্ছিল। তিনি আস্তে করে বললেন, “কাল সকালে… বাবা বেরিয়ে গেলে কথা হবে। আজ রাতটা এভাবেই কাটাই।”
আমি তার হাত একবার আলতো করে চেপে ধরে ছাড়লাম। মা দরজা খুলে বেরিয়ে গেলেন। দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ শোনা গেল। আমি বিছানায় বসে রইলাম অন্ধকারে। শরীরে এখনো মায়ের স্পর্শ বাজছিল। তার কপালের উষ্ণতা, তার হাতের ছোঁয়া, তার শ্বাস, আর তার প্রশ্নটা “যদি আমি এখন তোকে চুমু দিই…” সব মিলেমিশে একটা তীব্র অস্থিরতা তৈরি করে রেখেছিল। আজও আর কিছু হয়নি। শুধু পাশাপাশি বসা, কপাল ঠেকানো, হাত বুলানো। কিন্তু সেই মুহূর্তগুলোই যথেষ্ট ছিল আমাকে পাগল করে তোলার জন্য।
আমি শুয়ে পড়লাম। চোখ বুজে মায়ের মুখ মনে করার চেষ্টা করলাম। তার লাল চোখ, তার কাঁপা ঠোঁট, তার হাতের নরম স্পর্শ। মন বলছিল কাল সকালে বাবা বেরিয়ে গেলে হয়তো আরও একটু কাছে যাব। হয়তো মা নিজে থেকেই এগোবেন। অথবা আমি। কিন্তু আজকের মতো ধীরে। খুব ধীরে। নিষিদ্ধ টানটা আমাদের দুজনকেই জড়িয়ে ধরেছে। আর ছাড়ার কোনো উপায় নেই। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর সেই সময়টা এগিয়ে আসছিল ধীরলয়ে। প্রতিটা রাত, প্রতিটা সকাল আমাদের আরও একটু কাছে নিয়ে যাচ্ছে। আমি সেই কাছাকাছির অপেক্ষায় চোখ বুজে রইলাম। ঘুম আসছিল না। শুধু মায়ের গন্ধ আর স্পর্শ নিয়ে অন্ধকারের ভিতর ডুবে গেলাম।
Reply
#13

সকালটা এল আবার সেই একই অস্থিরতা নিয়ে। ঘুম ভাঙল তাড়াতাড়ি। চোখ খুলতেই মায়ের কথাগুলো মনে পড়ল। রাতের সেই কপাল ঠেকানো, তার হাতের ছোঁয়া, আর সেই প্রশ্ন “যদি আমি এখন তোকে চুমু দিই…”। শরীরটা গরম হয়ে উঠেছিল শুধু মনে পড়তেই। আমি বিছানায় শুয়ে শুনছিলাম বাসার শব্দ। বাবার উঠে হাঁটার আওয়াজ আসছিল। তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন অফিসের জন্য। মায়ের পায়ের শব্দও শোনা যাচ্ছিল রান্নাঘরের দিকে। চা বানানোর শব্দ।
বাবা বেরিয়ে যাওয়ার পর বাসাটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল। আমি উঠে মুখ ধুয়ে রান্নাঘরের দিকে গেলাম। মা চুলার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আজ তিনি একটা সাদা রঙের আলগা গাউন পরেছেন। গলাটা ঢাকা। হয়তো ইচ্ছে করেই। আমাকে দেখে তিনি থেমে গেলেন। চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আমার দিকে তাকালেন। তার চোখদুটো এখনো লালচে। রাতভর ভালো ঘুম হয়নি তারও।
“চা খাবে?” মা আস্তে করে জিজ্ঞেস করলেন।
আমি মাথা নাড়লাম। মা কাপটা টেবিলে রেখে দিলেন। আমি গিয়ে বসলাম। মা আমার মুখোমুখি না বসে পাশেই একটা চেয়ারে বসলেন। দূরত্ব কম। আমি চায়ে চুমুক দিয়ে তার দিকে তাকালাম। মাও তাকিয়ে রইলেন। কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর মা গলা নিচু করে বললেন, “রাত্রে ঘুমাতে পেরেছিস?”
“না মা। তোমার কথা মনে পড়ছিল।”
মা চোখ নামিয়ে নিলেন। তার আঙুল দিয়ে কাপের হাতল ঘষছিলেন। “আমারও হয়নি। সারা রাত তোর মুখ মনে হচ্ছিল। সেই কপাল ঠেকানোর অনুভূতি… যেন এখনো লাগছে।”
আমি কাপ রেখে তার হাতের দিকে হাত বাড়ালাম। মায়ের হাত আমার হাতের ভিতর এসে গেল সহজেই। তিনি আর বাধা দিলেন না। আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল। আমি আস্তে করে বললাম, “মা, তুমি কি ভয় পাচ্ছ এখনো?”
মা মাথা নাড়লেন। “ভয় পাচ্ছি। খুব। কিন্তু ভয়ের চেয়ে… অন্য অনুভূতিটা বেশি জোরালো হয়ে যাচ্ছে। তোর হাত ধরে রাখলে মনটা শান্ত হয়। আবার অস্থিরও হয়।”
আমি তার হাত চেপে ধরলাম। “আমারও একই অবস্থা।”
মা উঠে দাঁড়ালেন। আমার হাত ছাড়লেন না। তিনি আমাকে টানতে টানতে তার রুমের দিকে নিয়ে গেলেন। দরজা বন্ধ করলেন আস্তে করে। এবার তালাও দিলেন না। শুধু বন্ধ করলেন। ঘরটা আধো অন্ধকার। পর্দা টানা। মা বিছানার পাশে গিয়ে বসলেন। আমাকেও বসালেন পাশে। আমাদের হাঁটু লাগলাগ। মা আমার হাত দুটো নিজের হাতের ভিতর নিয়ে আলতো করে বুলিয়ে দিতে লাগলেন। তার আঙুল আমার কবজি, আমার তালু, আমার আঙুলের ফাঁক সব জায়গায় ঘুরছিল। উষ্ণ। নরম।
আমি চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শটা অনুভব করছিলাম। মা ফিসফিস করে বললেন, “এভাবে হাত বুলোলে… মনটা অন্য জায়গায় চলে যায়। আমি জানি এটা থামানো দরকার। কিন্তু থামতে পারছি না।”
আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে স্পর্শ করলাম। মা কেঁপে উঠলেন। তিনি আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। তার চুল আমার গালে লাগল। আমি তার চুলে আঙুল বুলিয়ে দিতে লাগলাম। মায়ের শরীর একটু একটু করে আমার দিকে ঢলে আসছিল। তার এক হাত আমার কোমরে গিয়ে লাগল। নাইটির বদলে আজ গাউনের উপর দিয়ে। আমিও তার কোমরে হাত দিলাম। গাউনের কাপড় পাতলা। তার শরীরের উষ্ণতা স্পষ্ট অনুভব করা যাচ্ছিল।
মা আমার বুকের দিকে মুখ গুঁজে দিলেন। তার শ্বাস আমার গলায় এসে পড়ছিল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম আস্তে আস্তে। মায়ের শরীর কাঁপছিল। তিনি চুপচাপ আমার বুকে মুখ রেখে শুধু শ্বাস নিচ্ছিলেন। অনেকক্ষণ এভাবেই কেটে গেল। কেউ কথা বলল না। শুধু হাতের স্পর্শ আর শরীরের উষ্ণতা। মা একসময় মুখ তুলে আমার দিকে তাকালেন। তার চোখ লাল। তিনি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন অনেকক্ষণ। তার শ্বাস আমার মুখের কাছে।
মা আস্তে করে বললেন, “যদি আমি এখন… তোর কপালে চুমু দিই… তাহলে কি তুই কিছু মনে করবি?”
আমি মাথা নাড়লাম। “না মা। কিছু মনে করব না।”
মা একটু ইতস্তত করে আমার দিকে এগোলেন। তার ঠোঁট আমার কপালে লেগে গেল হালকাভাবে। উষ্ণ। নরম। এক মুহূর্তের জন্য। তারপর তিনি সরে গেলেন। কিন্তু আমি তাকে যেতে দিলাম না। তার মাথা ধরে আলতো করে আবার আমার কপালে ঠেকিয়ে দিলাম। মা কেঁপে উঠলেন। তিনি নিজে থেকেই আবার চুমু দিলেন আমার কপালে। এবার একটু বেশি সময় ধরে। তার ঠোঁটের উষ্ণতা আমার ত্বকে লাগছিল। আমি চোখ বন্ধ করে সেই অনুভূতিটা আগলে রাখলাম।
মা সরে গিয়ে আমার চোখের দিকে তাকালেন। তার গালে হালকা লালচে ভাব। তিনি ফিসফিস করে বললেন, “এটাও কি পাপ আয়ান? শুধু কপালে চুমু… এটাও?”
আমি তার গালে হাত রাখলাম। “জানি না মা। কিন্তু ভালো লাগছে।”
মা আমার হাত ধরে নিজের গালে চেপে ধরলেন। তিনি আমার তালুতে নিজের গাল ঘষলেন আলতো করে। তারপর আমার হাত তুলে নিজের ঠোঁটের কাছে নিয়ে গেলেন। তার ঠোঁট আমার তালুতে লেগে গেল হালকাভাবে। এক মুহূর্ত। দুই মুহূর্ত। তিনি চোখ বন্ধ করে আমার হাতের স্পর্শ নিচ্ছিলেন। আমি কেঁপে উঠলাম। মা বুঝতে পেরে হাত ছাড়তে গেলেন। আমি ধরে রাখলাম।
“সরো না মা,” আমি ফিসফিস করে বললাম।
মা চুপ করে রইলেন। তার ঠোঁট আবার আমার তালুতে ফিরে এল। এবার তিনি আলতো করে চুমু দিলেন আমার হাতের তালুতে। একবার। দুবার। তার শ্বাস আমার ত্বকে লাগছিল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে স্পর্শ করলাম। মায়ের শরীর কাঁপছিল। তিনি আমার হাত ছেড়ে আমার গলায় হাত দিলেন। আঙুল দিয়ে আমার গলার চামড়া বুলিয়ে দিতে লাগলেন। আমিও তার গালে হাত বুলিয়ে দিলাম। দুজনের শ্বাস দ্রুত হয়ে গিয়েছিল।
অনেকক্ষণ এভাবেই কেটে গেল। হাতের স্পর্শ, কপালের চুমু, হাতের তালুতে ঠোঁটের ছোঁয়া। মা একসময় সরে গেলেন আস্তে করে। তার চোখ লাল। শ্বাস দ্রুত। তিনি আমার হাত দুটো ধরে বললেন, “আজ এখানেই থামি আয়ান। আর এগোলে… আর এগোলে আমি থামাতে পারব না। তুই ঘরে যা। আমি একটু একা থাকি।”
আমি মাথা নাড়লাম। মা উঠে দাঁড়ালেন। আমিও উঠলাম। তিনি দরজা খুলে দিলেন। আমি তার হাত একবার আলতো করে চেপে ধরে রুম থেকে বেরিয়ে এলাম। নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করলাম। বিছানায় শুয়ে পড়লাম। শরীরে এখনো মায়ের ঠোঁটের উষ্ণতা বাজছিল। কপালে, হাতের তালুতে। তার চুলের গন্ধ, তার শ্বাস, তার হাতের ছোঁয়া সব মিলেমিশে একটা গভীর অস্থিরতা তৈরি করে রেখেছিল। আজও আর কিছু হয়নি। শুধু কপালে চুমু, হাতের তালুতে ঠোঁটের স্পর্শ, গাঢ় জড়িয়ে ধরা। কিন্তু সেই স্পর্শগুলোই যথেষ্ট ছিল আমাকে আরও গভীরে টেনে নেওয়ার জন্য।
আমি জানালার দিকে তাকিয়ে রইলাম। বাইরে রোদ উঠেছে। মায়ের কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল। তিনি ভয় পাচ্ছেন। নিজেকে সামলাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিদিন একটু একটু করে হেরে যাচ্ছেন। আর আমিও। এই ধীরলয়ের ভিতর দিয়ে আমরা দুজনেই এগিয়ে যাচ্ছি এমন এক জায়গার দিকে যেখান থেকে আর ফিরে আসা যায় না। আজ শুধু এতটুকুই হলো। কাল হয়তো আরও একটু কাছে। তারপর আরও একটু। এভাবেই চলবে। ধীরে ধীরে। নিষিদ্ধ টানটা আমাদের দুজনকেই জড়িয়ে ধরেছে। আর ছাড়ার কোনো উপায় নেই। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর সেই সময়টা এগিয়ে আসছিল ধীরলয়ে। প্রতিটা স্পর্শ আমাদের আরও একটু কাছে নিয়ে যাচ্ছে। আমি সেই কাছাকাছির অপেক্ষায় চোখ বুজে রইলাম।
Reply
#14

দুপুরের খাবার শেষে মা রান্নাঘর পরিষ্কার করছিলেন। আমি নিজের রুমে বসে বই খুলে রেখেছিলাম, কিন্তু এক লাইনও পড়া হচ্ছিল না। জানালার বাইরে দুপুরের রোদ ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ছিল। ঘরের ভিতরটা একটু গরম। পাখার হাওয়া শরীরে লাগছিল, কিন্তু মন শান্ত ছিল না।
মায়ের পায়ের শব্দ হঠাৎ থেমে গেল। কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর শব্দটা আমার রুমের দিকে এগোতে লাগল। দরজায় কোনো টোকা পড়ল না। শুধু দরজাটা আস্তে করে খুলে গেল। মা দাঁড়িয়ে আছেন। সাদা গাউন। চুলটা একটু এলোমেলো। হাতে কোনো গ্লাস বা কিছু নেই। শুধু দাঁড়িয়ে আছেন।
আমি বই বন্ধ করে উঠে বসলাম। মা ভিতরে ঢুকলেন। দরজাটা পুরোপুরি বন্ধ না করে হালকা ফাঁকা রেখে দিলেন। তিনি বিছানার পাশে এসে বসলেন। আমাকে কিছু বললেন না। শুধু আমার হাতের দিকে তাকিয়ে রইলেন। আমি হাত বাড়িয়ে দিলাম। মায়ের আঙুলগুলো আমার আঙুলের সাথে জড়িয়ে গেল। কোনো চাপ নেই। শুধু স্পর্শ।
অনেকক্ষণ ধরে আমরা এভাবেই বসে রইলাম। কথা নেই। শুধু দুজনের শ্বাস আর পাখার শব্দ। মায়ের বুড়ো আঙুল আমার তালুর উপর আলতো করে ঘুরছিল। কখনো থামছে, কখনো আবার নড়ছে। আমি তার দিকে তাকালাম। তিনি চোখ তোলেননি। শুধু হাতের দিকেই তাকিয়ে আছেন। তার চোখের পাতা একটু ভারী লাগছিল।
একসময় মা আমার হাত ছেড়ে আমার কবজিতে আঙুল রাখলেন। হালকা চাপ দিয়ে নাড়ি অনুভব করছিলেন যেন। তার আঙুলের ডগা আমার ত্বকের উপর গরম লাগছিল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুলের একটা কাঁকড়া সরিয়ে দিলাম। মায়ের কাঁধ একটু কেঁপে উঠল, কিন্তু তিনি সরলেন না। চুলের গন্ধটা আমার নাকে এসে লাগল। সাবানের সাথে মিশে একটা পরিচিত উষ্ণ গন্ধ।
মা ধীরে করে আমার দিকে হেলান দিলেন। তার মাথা আমার কাঁধে এসে রাখল। চুলগুলো আমার গালে লাগছিল। আমি নড়লাম না। শুধু তার মাথার উপর আলতো করে হাত রাখলাম। মায়ের শ্বাস আমার গলার কাছে এসে পড়ছিল। গরম। নিয়মিত। কখনো দ্রুত হয়ে যাচ্ছে, কখনো আবার স্বাভাবিক।
জানালার বাইরে একটা কাক ডেকে উঠল। শব্দটা ভেঙে গেল নিস্তব্ধতা। মা একটু সরে গেলেন, কিন্তু দূরে যাননি। তার হাত আমার হাতের উপর ফিরে এল। এবার তিনি আমার আঙুলগুলো একটা একটা করে আলতো করে চেপে দেখছিলেন। কোনো কথা নেই। শুধু স্পর্শের ভাষা।
আমি তার কানের কাছে মুখ নিয়ে গেলাম। কিছু বললাম না। শুধু শ্বাস ছাড়লাম। মায়ের কানের লতিটা একটু কেঁপে উঠল। তিনি চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার হাত আমার হাত চেপে ধরল একটু বেশি করে। তারপর আবার আলগা করে দিল।
এভাবেই বিকেলটা কেটে গেল। কখনো মায়ের মাথা আমার কাঁধে, কখনো আমার হাত তার কোলে, কখনো দুজনের কপাল হালকা ঠেকে যাচ্ছে। কথা প্রায় হয়নি। যে কয়টা শব্দ বেরিয়েছে, সেগুলোও ফিসফিস। বেশিরভাগ সময় শুধু শরীরের ভাষা। মায়ের আঙুল আমার ত্বকে, আমার হাত তার চুলে, দুজনের শ্বাস মিশে যাওয়া।
সন্ধ্যার আলো ঢলে এলে মা ধীরে করে উঠে দাঁড়ালেন। আমার হাতটা একবার আলতো করে চেপে ধরলেন। তারপর দরজার দিকে এগোলেন। পেছন ফিরে তাকালেন একবার। চোখে কিছু বলার মতো একটা ছায়া। কিন্তু তিনি কিছু বললেন না। দরজা খুলে বেরিয়ে গেলেন।
আমি বিছানায় শুয়ে রইলাম। শরীরে এখনো তার চুলের গন্ধ। হাতের তালুতে তার আঙুলের চাপ। কপালে তার কপালের উষ্ণতা। কথা কম হয়েছে আজ। কিন্তু নীরবতাটাই ভারী লাগছিল। যেন অনেক কিছু না বলেই বলে দেওয়া হয়েছে। বাইরে সন্ধ্যার আজান ভেসে এল। আমি চোখ বুজে সেই নীরবতার ভিতর ডুবে রইলাম।
সন্ধ্যার আজান শেষ হতেই বাবার চাবির শব্দ শোনা গেল নিচের দরজায়। আমি জানালার পাশ থেকে সরে এসে বিছানায় বসলাম। মা রান্নাঘরে ছিলেন। বাবা উঠে এসে জুতো খুললেন, হাতমুখ ধুয়ে টিভির সামনে গিয়ে বসলেন। মা চা নিয়ে এলেন। তিনটা কাপ। একটা বাবার সামনে, একটা আমার টেবিলে, একটা নিজের হাতে।
বাবা চা খেতে খেতে অফিসের একটা ফাইল খুলে বসলেন। মা আমার রুমের দরজার কাছে এসে কাপটা রেখে দিলেন। তার আঙুল কাপের হাতলে ছিল। আমি কাপ নিতে গিয়ে দেখলাম তার নখের কাছে একটা ছোট কাটা দাগ। রান্নাঘরের কাজের। আমি সেদিকে তাকিয়েছিলাম। মাও দেখলেন আমার দৃষ্টি। তিনি হাতটা আস্তে করে সরিয়ে নিলেন। কোনো কথা হলো না।
রাতের খাবারের সময় টেবিলে নীরবতা ছিল বেশি। বাবা মাঝে মাঝে খবরের কাগজের পাতা উল্টাচ্ছিলেন। মা ভাত পরিবেশন করছিলেন। আমার থালায় তরকারি দিতে গিয়ে তার চামচটা আমার থালার কাছে একটু বেশিক্ষণ ধরে রইল। আমি মাথা তুলে তাকালাম। মা তখন অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। বাবা কিছু লক্ষ করেননি।
খাবার শেষে বাবা ঘুমাতে চলে গেলেন। মা রান্নাঘর পরিষ্কার করতে লাগলেন। আমি নিজের রুমে গিয়ে লাইটটা নিভিয়ে দিলাম। অন্ধকারে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরের রাস্তা দেখছিলাম। একটা রিকশা চলে গেল। তারপর সব শান্ত। রান্নাঘর থেকে পানির শব্দ আসছিল। থালা ধোয়ার। শব্দটা কিছুক্ষণ পর থেমে গেল।
মায়ের পায়ের শব্দ করিডোর দিয়ে গেল। তার রুমের দরজা খোলার শব্দ। তারপর বন্ধ হওয়ার শব্দ। আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম। চোখ বুজেও ঘুম আসছিল না। অন্ধকারের ভিতর মায়ের হাতের সেই কাটা দাগটা মনে পড়ছিল। চায়ের কাপের হাতল। থালার কাছে থেমে যাওয়া চামচ। কোনো কথা হয়নি আজ সন্ধ্যায়। তবু সবকিছু যেন আরও ভারী লাগছিল।
একসময় আমার রুমের দরজা আস্তে করে খুলল। কোনো টোকা নেই। মা ঢুকলেন। অন্ধকারে তার গাউনের রং বোঝা যাচ্ছিল না। তিনি দরজা বন্ধ করে বিছানার পাশে এসে দাঁড়ালেন। আমি উঠে বসলাম। মা আমার হাত খুঁজে নিলেন অন্ধকারে। তার আঙুলগুলো একটু ঠান্ডা। তিনি আমার হাতটা নিজের দুই হাতের মাঝে নিয়ে শুধু ধরে রইলেন।
আমরা কথা বললাম না। মা আমার হাত নিয়ে নিজের গালে ছুঁইয়ে দিলেন একবার। তারপর আবার নামিয়ে নিলেন। তার শ্বাস একটু ভারী শোনা যাচ্ছিল। আমি তার হাত উল্টো করে তালুর দিকটা আলতো করে চেপে দেখলাম। মায়ের তালুতে একটা সূক্ষ্ম কাঁপুনি ছিল। তিনি আমার আঙুলগুলো আলতো করে মুষ্ঠিতে নিয়ে চাপ দিলেন। বেশি জোরে নয়। শুধু জানিয়ে দেওয়ার মতো।
কিছুক্ষণ পর মা আমার হাত ছেড়ে দিলেন। বিছানার পাশে বসলেন। তার কাঁধ আমার কাঁধের সাথে হালকা লাগল। অন্ধকারে দুজনের শরীরের উষ্ণতা মিলছিল। মা আমার দিকে একটু হেলান দিলেন। তার চুলের একটা অংশ আমার গালে এসে পড়ল। আমি সরাইনি। মাও সরাননি। পাখার হাওয়া দুজনের উপর দিয়ে যাচ্ছিল।
এভাবেই রাতের একটা বড় অংশ কেটে গেল। কখনো মায়ের হাত আমার হাত খুঁজে নিচ্ছে, কখনো আমার কাঁধে তার মাথার হালকা চাপ, কখনো শুধু পাশাপাশি বসে থাকা। কথা প্রায় হয়নি। যেটুকু শব্দ বেরিয়েছে সেটা শুধু শ্বাসের। মা একবার আমার কবজিতে আঙুল রেখে নাড়ির ছন্দ অনুভব করছিলেন। আমিও তার কবজিতে হাত রেখেছিলাম। দুজনের নাড়ি যেন একই রকম দ্রুত।
জানালার বাইরে আকাশ একটু ফর্সা হতে শুরু করলে মা ধীরে করে উঠে দাঁড়ালেন। আমার হাতটা একবার শেষবারের মতো ছুঁয়ে দিলেন। তারপর দরজার দিকে এগোলেন। অন্ধকারে তার পিঠটা আবছা দেখা যাচ্ছিল। তিনি পেছন ফিরে তাকাননি। দরজা খুলে বেরিয়ে গেলেন। বন্ধ করার শব্দটা খুব আস্তে শোনা গেল।
আমি বিছানায় শুয়ে রইলাম। হাতের তালুতে এখনো তার আঙুলের চাপ। কাঁধে তার চুলের হালকা অনুভূতি। রাতটা কথাহীন কাটল। তবু নীরবতাটাই যেন সবচেয়ে বেশি কিছু বলে গেল। বাইরে ভোরের আলো আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ছিল। আমি চোখ বুজে সেই আলোর অপেক্ষায় রইলাম।
ভোরের আলো ঘরে ঢুকছিল যখন বাবার জুতোর শব্দ শোনা গেল। তিনি বেরিয়ে গেলেন। দরজা বন্ধ হওয়ার পর বাসাটা আবার নিজের নিস্তব্ধতায় ফিরে গেল। আমি উঠে মুখ ধুলাম। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলাম চোখদুটো একটু ফোলা। রাতভর ঘুম কম হয়েছে।
রান্নাঘর থেকে কোনো শব্দ আসছিল না। আমি করিডোর দিয়ে এগোলাম। মায়ের রুমের দরজা আধখোলা। ভিতরে তিনি জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পর্দা একটু সরিয়ে বাইরে তাকিয়ে। সাদা গাউন। চুল খোলা। আমাকে দেখে তিনি পর্দা ছেড়ে দিলেন। মুখটা আমার দিকে ঘুরল। চোখে কোনো কথা নেই। শুধু একটা স্থির দৃষ্টি।
আমি ভিতরে ঢুকলাম। দরজাটা পেছন থেকে হালকা করে লাগিয়ে দিলাম। মা জানালার কাছ থেকে এক পা এগোলেন। আমিও এগোলাম। মাঝখানের দূরত্ব কমে এল। তার গায়ের গন্ধটা সকালের হাওয়ার সাথে মিশে ঘরে ছড়িয়ে ছিল। আমি হাত বাড়ালাম। মায়ের হাত উঠে এল আমার হাতের দিকে। আঙুল জড়িয়ে গেল।
এবার আর শুধু হাত ধরা রইল না। মা আমার দিকে একটু ঝুঁকলেন। তার কপাল আমার কপালে ঠেকল। দুজনের নাকের ডগা প্রায় লাগলাগ। তার শ্বাস আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে যাচ্ছিল। আমি চোখ বন্ধ করলাম। মায়ের অন্য হাতটা আমার কোমরে এসে রাখল। গাউনের কাপড়ের উপর দিয়ে। আমিও তার কোমর ছুঁলাম। আঙুলগুলো কাপড়ের ভাঁজ অনুভব করছিল।
কিছুক্ষণ এভাবে থাকার পর মায়ের মুখ একটু সরে গেল। তার ঠোঁট আমার গালে লাগল। হালকা। শুকনো। তারপর আবার সরে গেল। আমি নড়লাম না। মা আবার এগোলেন। এবার তার ঠোঁট আমার ঠোঁটের কোণে এসে ছুঁল। এক মুহূর্তের জন্য। উষ্ণ। তারপর তিনি থেমে গেলেন। শ্বাস নিলেন গভীর করে। আমিও।
মায়ের হাত আমার পিঠে উঠে এল। আঙুল দিয়ে শার্টের উপর দিয়ে আলতো করে ঘষছিল। আমি তার চুলের ভিতর আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। মায়ের মাথা একটু পেছনে হেলাল। তার গলার রেখাটা সকালের আলোয় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। আমি মাথা নিচু করলাম। আমার ঠোঁট তার গলার কাছে গিয়ে লাগল। মায়ের শরীর একবার কেঁপে উঠল। তার হাত আমার চুলে এসে আটকে গেল।
আমরা বিছানার দিকে সরে গেলাম ধীরে। কেউ কাউকে টানেনি। দুজনেই পায়ের শব্দ না তুলে এগোচ্ছিলাম। মা বিছানার কিনারায় বসলেন। আমি তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলাম। তার দুই হাঁটুর মাঝখানে। মায়ের হাত আমার কাঁধে রাখল। আমি তার কোমরের দুই পাশ ধরলাম। গাউনের কাপড় মুঠোয় এল। মা আমার দিকে ঝুঁকলেন। তার চুল দুই পাশ দিয়ে নেমে আমার মুখের উপর এসে পড়ল।
এবার তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে লাগল পুরোপুরি। শুকনো। কাঁপছে। আমি সাড়া দিলাম। দুজনের ঠোঁট আলতো করে চাপ খেলল। কোনো তাড়া নেই। শুধু স্পর্শ। মায়ের হাত আমার গলায় এসে রাখল। আঙুল দিয়ে আমার চোয়ালের রেখা বুলিয়ে দিচ্ছিল। আমি তার কোমর আরও একটু চেপে ধরলাম। কাপড়ের নিচে তার শরীরের উষ্ণতা স্পষ্ট।
চুমুটা ভাঙল ধীরে। মায়ের কপাল আমার কপালে রয়ে গেল। দুজনের শ্বাস মিশে যাচ্ছিল। তার আঙুল আমার গলার নাড়ি ছুঁয়ে রইল। আমি তার গাউনের কোমরের কাছের বাঁধনটা আলতো করে টানলাম। ফিতাটা খুলে গেল না। শুধু আলগা হলো। মায়ের হাত আমার হাত চেপে ধরল। থামিয়ে দিল না। শুধু ধরে রাখল।
জানালার বাইরে একটা পাখি ডাকল। শব্দটা ভেঙে গেল মুহূর্তটা। মা আস্তে করে সরে বসলেন। তার চুল এলোমেলো। ঠোঁট একটু ফোলা। তিনি আমার হাত থেকে নিজের হাত খুলে নিলেন। গাউনের ফিতাটা আবার বেঁধে দিলেন। কোনো কথা বললেন না। শুধু আমার চোখের দিকে একবার তাকালেন। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে এগোলেন।
আমি হাঁটু গেড়েই বসে রইলাম। মা দরজার কাছে গিয়ে থামলেন। পেছন ফিরে তাকালেন না। শুধু হাতটা একবার পেছন দিকে বাড়িয়ে দিলেন। আমি উঠে গিয়ে তার হাত ছুঁলাম। মায়ের আঙুল আমার আঙুল চেপে ধরল এক মুহূর্তের জন্য। তারপর তিনি বেরিয়ে গেলেন।
ঘরটা খালি হয়ে গেল। জানালার আলো বিছানার চাদরের উপর পড়ছিল। আমি বিছানায় বসলাম। ঠোঁটে এখনো তার ঠোঁটের অনুভূতি। গলায় তার আঙুলের ছোঁয়া। কোমরে তার হাতের চাপ। কথা হয়নি প্রায় কিছুই। তবু সবকিছু বদলে গিয়েছিল। সকালের আলো ধীরে ধীরে ঘর ভরে তুলছিল। আমি সেই আলোর ভিতর বসে রইলাম।
Reply
#15

মা রান্নাঘরে চলে গেছেন। আমি একা বিছানায় বসেছিলাম। ঠোঁটে তার ছোঁয়া এখনো গরম। গলার কাছে তার আঙুলের চাপ মনে পড়ছিল। ঘরের বাতাস ভারী লাগছিল। আমি উঠে জানালার পর্দাটা একটু সরিয়ে দিলাম। সকালের আলো মুখে এসে পড়ল।
কিছুক্ষণ পর রান্নাঘর থেকে শব্দ এল। চায়ের কেটলি। আমি করিডোরে এসে দাঁড়ালাম। মা চুলার সামনে। গাউনের ফিতা আলগা। চুল এখনো খোলা। তিনি আমার দিকে তাকালেন। চোখে কোনো দ্বিধা নেই এবার। শুধু একটা স্থিরতা। তিনি কেটলি নামিয়ে রাখলেন। চুলা বন্ধ করলেন। তারপর আমার দিকে এগোলেন।
আমিও এগোলাম। রান্নাঘরের মেঝেতে দুজনে থামলাম। মায়ের হাত উঠে এল আমার শার্টের বোতামের দিকে। আঙুল দিয়ে একটা বোতাম খুুললেন। তারপর আরেকটা। শার্টটা আলগা হয়ে গেল। তার হাত আমার বুকের উপর রাখল। ত্বকের স্পর্শ। গরম। আমি শ্বাস নিলাম গভীর করে। মায়ের আঙুল আমার বুকের চামড়ায় আলতো করে ঘষছিল।
আমি তার গাউনের কাঁধের অংশটা আলতো করে সরিয়ে দিলাম। কাপড়টা একটু নিচে নেমে এল। মায়ের কাঁধের চামড়া সকালের আলোয় উজ্জ্বল। আমি মাথা নিচু করে সেখানে ঠোঁট রাখলাম। মায়ের হাত আমার চুলে এসে আটকে গেল। তার নখ হালকা বেঁধে ধরল। আমি আরও একটু নিচে নামলাম। গলার কাছে। কণ্ঠা হাড়ের উপর। মায়ের শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছিল।
তিনি পেছন হটলেন এক পা। আমার হাত ধরে নিজের রুমের দিকে টানলেন। দরজা বন্ধ হলো। এবার তালাও পড়ল। খুব আস্তে। মা বিছানার দিকে এগোলেন। গাউনটা কাঁধ থেকে আরও খানিকটা নেমে গিয়েছিল। আমি পেছন থেকে তার কোমর ধরলাম। দুই হাত দিয়ে। মা থেমে গেলেন। তার পিঠ আমার বুকের সাথে লাগল। আমি তার কাঁধে চুমু রাখলাম। একবার। দুবার। তার চুল আমার নাকে লাগছিল।
মা ঘুরে দাঁড়ালেন। তার দুই হাত আমার শার্টের দুই পাশ ধরে নিচে নামিয়ে দিল। শার্টটা মেঝেতে পড়ল। মায়ের চোখ আমার বুকের উপর দিয়ে ঘুরল। তারপর তিনি নিজে থেকেই আমার দিকে ঝুঁকলেন। ঠোঁট আবার মিলল। এবার আর শুকনো নয়। একটু ভেজা। চাপ বেশি। মায়ের জিহ্বা আমার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ভিতরে এল হালকাভাবে। আমি সাড়া দিলাম। দুজনের শ্বাস গরম হয়ে মিশে গেল।
বিছানার কিনারায় আমরা বসলাম। মা আমার কোলে এসে বসলেন। গাউনটা উঠে তার উরু পর্যন্ত গিয়েছে। আমার হাত তার উরুর বাইরের দিকে রাখলাম। চামড়া মসৃণ। গরম। মা আমার গলায় মুখ রেখে চুমু খেতে লাগলেন। কানে। গলায়। কাঁধে। তার হাত আমার পিঠে ঘষছিল। নখ হালকা কামড়াচ্ছিল।
আমি গাউনের ফিতাটা টানলাম। এবার খুলে গেল। কাপড়টা সামনে থেকে আলগা হয়ে খুলে গেল। মায়ের বুকের উপরের অংশটা খোলা। ফরসা চামড়া। আমি মাথা নিচু করলাম। ঠোঁট রাখলাম তার বুকের উপরের হাড়ের কাছে। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তার দুই হাত আমার মাথা চেপে ধরল। আমাকে আরও নিচে চাপ দিল না। শুধু ধরে রাখল।
আমার হাত তার গাউনের ভিতর দিয়ে পিঠে গেল। সরাসরি চামড়ায়। মায়ের পিঠে আঙুল বুলিয়ে দিলাম। নিচের দিকে। কোমরের কাছে। মা আমার কানে শ্বাস ছাড়লেন গরম করে। তার উরু আমার কোমরের দুই পাশে চাপ খেয়ে ধরল। আমি তার বুকের উপর আরও একটা চুমু রাখলাম। এবার একটু নিচে। মায়ের শরীর আরও বেঁকে গেল আমার দিকে।
একসময় মা আমার মাথা তুলে ধরলেন। দুজনের চোখ মিলল। তার ঠোঁট ফোলা। চুল এলোমেলো। তিনি কিছু বললেন না। শুধু আমার ঠোঁটে আবার চুমু রাখলেন। লম্বা। গভীর। তার হাত আমার বেল্টের কাছে এসে থামল। আঙুল দিয়ে বেল্টের বকল ছুঁল। টানল না। শুধু ছুঁয়ে রইল।
আমি তার গাউনটা কাঁধ থেকে পুরোপুরি নামিয়ে দিলাম। কাপড়টা কোমর পর্যন্ত জড়িয়ে রইল। মায়ের উপরের শরীর খোলা। আমি দুই হাত দিয়ে তার কোমর ধরলাম। তাকে আরও কাছে টানলাম। দুজনের বুক লাগল। চামড়ায় চামড়া। গরম। মায়ের বুকের নরম চাপ আমার বুকের উপর। তার হৃদপিণ্ডের শব্দ আমার ত্বকে বাজছিল।
এভাবেই আমরা বিছানার উপর এগোলাম। মা শুয়ে পড়লেন। আমি তার উপর ঝুঁকলাম। দুজনের পা জড়িয়ে গেল। গাউনটা আরও উঠে গেল। আমার হাত তার উরুর ভিতরের দিকে গেল। মায়ের শরীর টান টান হয়ে উঠল এক মুহূর্তের জন্য। তারপর নরম হয়ে গেল। তার হাত আমার পিঠে নখ গাড়ল। আমি তার গলায় মুখ রেখে শ্বাস নিলাম। তার গন্ধে ভরে গেল বুক।
সময় কাটছিল। বাইরের আলো বদলে যাচ্ছিল। মায়ের হাত একসময় আমার বেল্ট খুলল। আস্তে করে। আমি তার গাউনটা আরও সরিয়ে দিলাম। দুজনের শরীর এখন প্রায় উন্মুক্ত। শুধু নিচের কাপড়। মা আমার দিকে তাকালেন। চোখে কোনো প্রশ্ন নেই। শুধু একটা গভীর নীরবতা। আমি তার কপালে ঠোঁট রাখলাম। তিনি চোখ বন্ধ করলেন। তার হাত আমার কোমরে এসে রাখল। আঙুল দিয়ে টানল একটু।
আমরা সেখানেই থামলাম। আর এগোলাম না। শুধু জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। চামড়ায় চামড়া। শ্বাসে শ্বাস। মায়ের আঙুল আমার পিঠে আলতো করে ঘষছিল। আমি তার চুলে মুখ রেখেছিলাম। বাইরে দুপুরের আলো জানালা দিয়ে ঢুকছিল। কেউ কথা বলল না। শরীরের ভাষাই যথেষ্ট ছিল।
একসময় মা আমার বুক থেকে মুখ তুললেন। তার চোখ শান্ত। তিনি আমার গালে হাত রাখলেন। আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁট বুলিয়ে দিলেন। তারপর আস্তে করে উঠে বসলেন। গাউনটা গায়ে জড়িয়ে নিলেন। আমিও উঠে শার্ট খুঁজে নিলাম। মা দরজার তালা খুুললেন। পেছন ফিরে একবার তাকালেন। তার ঠোঁটে একটা হালকা ভাঁজ। তারপর বেরিয়ে গেলেন।
আমি বিছানায় বসে রইলাম। শরীরে তার ছোঁয়ার দাগ। বুকে তার বুকের চাপ। গলায় তার চুমু। কোমরে তার হাত। আরও কাছে গিয়েছিলাম আজ। তবু শেষ ধাপটা ছুঁইনি। নীরবতাই সব বলে দিয়েছিল। বাইরের আলো ধীরে ধীরে বিকেলের দিকে মোড় নিচ্ছিল। আমি সেই আলোর ভিতর শুয়ে রইলাম।
বিকেলের আলো ঘরে ঢোকার আগেই মা ফিরে এলেন। দরজা বন্ধ করে তালা দিলেন। গাউনটা এখনো গায়ে। কিন্তু ফিতা বাঁধা নেই। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর বিছানার কাছে এসে দাঁড়ালেন। আমি উঠে বসলাম। মা আমার শার্টের বোতামগুলো একটা একটা করে খুুললেন। শার্টটা সরিয়ে দিলেন। তার হাত আমার বুকের উপর দিয়ে নামল নিচের দিকে। নাভির কাছে এসে থামল।
আমি তার গাউনের দুই পাশ ধরে দুদিকে সরিয়ে দিলাম। কাপড়টা মেঝেতে পড়ে গেল। মায়ের উপরের শরীর সম্পূর্ণ খোলা। আমি তার কোমর ধরে নিজের দিকে টানলাম। দুজনের বুক আবার মিলল। চামড়া গরম। মায়ের বুকের নরমতা আমার ত্বকে চাপ খেয়ে বসল। আমি মাথা নিচু করে তার বুকের মাঝখানে ঠোঁট রাখলাম। তারপর একপাশে সরে একটা স্তনের নিচের দিকটা চুমু খেলাম। মায়ের হাত আমার মাথায় চাপ দিল। আঙুল চুলে জড়িয়ে গেল।
আমি আরও নিচে নামলাম। জিহ্বা দিয়ে তার পেটের চামড়া আলতো করে স্পর্শ করলাম। নাভির চারপাশ। মায়ের পেট কেঁপে উঠল। তার শ্বাস ভারী হয়ে গেল। আমি দুই হাত দিয়ে তার উরুর বাইরের দিকটা ধরলাম। আঙুল ভিতরের দিকে সরিয়ে নিলাম। মায়ের উরু দুটো একটু ফাঁক হয়ে গেল নিজে থেকেই। আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম। তার সামনে। মা বিছানার কিনারায় বসে আমার মাথা দুই হাত দিয়ে ধরে রইলেন।
আমার ঠোঁট তার উরুর ভিতরের নরম চামড়ায় লাগল। একপাশে। তারপর অন্যপাশে। মায়ের শরীর টানটান হয়ে উঠছিল। আমি আরও উপরে উঠলাম। তার ভেতরের কাপড়ের কিনারা ছুঁলাম ঠোঁট দিয়ে। মায়ের হাত আমার মাথায় আরও জোরালো চাপ দিল। আমি কাপড়টা আঙুল দিয়ে সরিয়ে দিলাম একপাশে। তারপর ঠোঁট রাখলাম সরাসরি তার গরম ত্বকে। মায়ের থেকে একটা ভাঙা শ্বাস বেরিয়ে এল। তার উরু আমার দুই কাঁধে চাপ খেয়ে ধরল।
আমি জিহ্বা বের করে আলতো করে স্পর্শ করলাম। মায়ের শরীর লাফ দিয়ে উঠল। তার নখ আমার কাঁধে গেড়ে গেল। আমি থামলাম না। ধীরে ধীরে চাপ বাড়ালাম। জিহ্বার ডগা দিয়ে তার সংবেদনশীল জায়গাটা খুঁজে নিলাম। মায়ের শ্বাস এলোমেলো হয়ে গেল। তার এক হাত আমার চুল মুঠো করে ধরল। অন্য হাত বিছানার চাদর চেপে ধরে রইল। আমি ছন্দ ধরলাম। আস্তে। নিয়মিত। মায়ের উরু কাঁপছিল আমার দুই পাশে।
কিছুক্ষণ পর মা আমার মাথা তুলে ধরলেন। তার চোখ বন্ধ। ঠোঁট খোলা। তিনি আমাকে উপরের দিকে টানলেন। আমি উঠে তার উপর ঝুঁকলাম। দুজনের ঠোঁট মিলল। গভীর। ভেজা। মায়ের হাত আমার প্যান্টের বোতাম খুুলল। জিপার নামিয়ে দিল। তার আঙুল ভিতরে ঢুকে আমাকে ছুঁল সরাসরি। গরম। শক্ত। মায়ের হাত আলতো করে মুষ্ঠি করল। আমি শ্বাস নিলাম ভারী করে। তার কানে মুখ রেখে শুধু শ্বাস ছাড়লাম।
মা আমাকে বিছানার উপর শুইয়ে দিলেন। নিজে আমার উপর এসে বসলেন। তার খোলা শরীর আমার বুকের উপর। তিনি নিজের হিপ আলতো করে নড়ালেন। আমার শক্ত অংশটা তার গরম ত্বকের সাথে ঘষা খেলল। মায়ের চোখ খুলা। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তার হাত আমার বুকের উপর চাপ দিয়ে রইল। আমি তার কোমর ধরলাম। আঙুল দিয়ে তার পিঠের নিচের দিকটা ঘষলাম। মা আরেকটু নিচে বসলেন। এবার আরও কাছাকাছি। আমার অংশটা তার ভেজার কিনারায় ঠেকে গেল। গরম। ভেজা।
তিনি থেমে গেলেন। শ্বাস নিলেন। তারপর আলতো করে হিপ নড়ালেন। আমার অংশটা তার ভাঁজের মধ্যে দিয়ে সামনে পেছনে ঘষা খেলল। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। তিনি আমার বুকে দুই হাত রেখে ধীরে ধীরে নড়তে লাগলেন। আমি তার কোমর আরও শক্ত করে ধরলাম। উপরে তুললাম না। শুধু তাল মিলিয়ে নড়লাম তার সাথে। দুজনের শরীর ঘামতে শুরু করেছিল। বিছানার চাদর মুঠো হয়ে আসছিল।
এভাবেই অনেকক্ষণ গেল। মা কখনো দ্রুত নড়ছিলেন, কখনো থেমে গিয়ে শুধু ঘষছিলেন। তার ভেজা উষ্ণতা আমার ত্বকে ছড়িয়ে পড়ছিল। আমি তার বুকের দিকে মাথা তুলে একটা স্তন মুখে নিলাম। জিহ্বা দিয়ে বোটা ঘষলাম। মায়ের শরীর আরও বেঁকে গেল। তার নড়াচড়া দ্রুত হলো। শ্বাস ভেঙে যাচ্ছিল। আমি তার কোমর চেপে ধরলাম। মা আমার কাঁধে মুখ গুঁজে একটা লম্বা শ্বাস ছাড়লেন। তার শরীর কেঁপে উঠল বেশ কয়েকবার। তারপর তিনি আমার বুকের উপর ঢলে পড়লেন। ঘামে ভেজা। শ্বাসকষ্টে।
আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। মায়ের শরীর এখনো কাঁপছিল হালকা। তিনি আমার গলায় মুখ রেখে শুধু শুয়ে রইলেন। বাইরের আলো বিকেলের দিকে মোড় নিয়েছে। ঘরটা আধো অন্ধকার হয়ে আসছিল। আমরা কথা বললাম না। শরীরের ঘাম আর শ্বাসই যথেষ্ট ছিল। মা একসময় আমার বুক থেকে সরে পাশে শুয়ে পড়লেন। তার এক হাত আমার বুকের উপর রইল। আঙুল আলতো করে ঘষছিল।
আমি তার দিকে পাশ ফিরলাম। তার কপালে ঠোঁট রাখলাম। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার ঠোঁটের কোণে একটা হালকা হাসি। ঘরের ভিতরটা নীরব। শুধু দুজনের শ্বাস আর পাখার শব্দ। বাইরে সন্ধ্যার আজান ভেসে আসার আগে পর্যন্ত আমরা এভাবেই শুয়ে রইলাম। আর কাছে। আরও গভীরে। তবু শেষ ধাপটা এখনো বাকি। নীরবতায় সেটাও বলে দেওয়া হয়েছিল যে অপেক্ষা আর বেশিদিন নেই।
Reply
#16

সন্ধ্যার আজান শেষ হওয়ার পর বাসাটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে এল। বাবা এখনো ফেরেননি। মা আমার পাশে শুয়ে ছিলেন। তার এক হাত আমার বুকের উপর। আঙুল আলতো করে ঘষছিল। ঘরটা আধো অন্ধকার। জানালার পর্দা দিয়ে বাইরের আলো হালকা ঢুকছিল।
মা পাশ ফিরে আমার দিকে তাকালেন। চোখে কোনো দ্বিধা নেই। তিনি আমার গালে হাত রাখলেন। আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁট বুলিয়ে দিলেন। তারপর ধীরে করে আমার উপর উঠে এসে বসলেন। তার খোলা শরীর আমার বুকের উপর। গাউনটা একেবারে সরে গিয়েছে। আমি তার কোমর ধরলাম দুই হাত দিয়ে। মায়ের চামড়া ঘামে সামান্য ভেজা। গরম।
তিনি নিজের হিপ আলতো করে নড়ালেন। আমার শক্ত অংশটা তার ভেজার ভাঁজে ঠেকে গেল। গরম আর ভেজা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল। মা একটু উপরে উঠলেন। হাত দিয়ে আমাকে ধরলেন। আঙুলের মুষ্ঠি আলতো। তিনি আমার অংশটার মাথা তার ভেজার মুখে রাখলেন। থেমে গেলেন এক মুহূর্ত। শ্বাস নিলেন। তারপর ধীরে করে নিজের শরীর নিচু করতে শুরু করলেন।
প্রথমে শুধু মাথাটা ঢুকল। গরম। টানটান। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। তার নখ আমার বুকে হালকা গেড়ে গেল। তিনি আরও একটু নিচু হলেন। আস্তে আস্তে। আমার অংশটা তার ভিতরে কেটে ঢুকতে লাগল। প্রতিটা ইঞ্চি ধীর। মায়ের শ্বাস ভেঙে যাচ্ছিল। তার উরু কাঁপছিল আমার দুই পাশে। আমি তার কোমর শক্ত করে ধরে রইলাম। উপরে তুললাম না। শুধু তাকে সময় দিলাম।
অর্ধেক ঢোকার পর মা থেমে গেলেন। কপালে ঘাম। তিনি আমার বুকে দুই হাত রেখে গভীর শ্বাস নিলেন। তার ভিতরের দেয়ালগুলো আমার অংশটাকে চেপে ধরেছিল। গরম আর সরু। আমিও শ্বাস নিলাম ভারী করে। মা আবার নিচু হতে শুরু করলেন। এবার আরও ধীরে। পুরোটা ঢুকে গেল। আমাদের দুজনের শরীর মিলিত হলো সম্পূর্ণ। মা আমার বুকের উপর ঢলে পড়লেন। তার বুক আমার বুকের সাথে লাগল। শ্বাস গরম হয়ে আমার গলায় পড়ছিল।
কিছুক্ষণ আমরা নড়লাম না। শুধু জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। মায়ের ভিতরের স্পন্দন অনুভব করছিলাম। তার হৃদপিণ্ডের শব্দ আমার ত্বকে বাজছিল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। মা আস্তে করে মুখ তুললেন। আমাদের ঠোঁট মিলল। গভীর। ভেজা। চুমু ভাঙার পর তিনি নিজের হিপ আলতো করে নড়ালেন। সামনে। পেছনে। খুব ছোট ছন্দ। আমি তার কোমর ধরে তাল মিলিয়ে সাড়া দিলাম।
মা ধীরে ধীরে গতি বাড়ালেন। তার উরু আমার কোমরের দুই পাশে চাপ খেয়ে উঠছিল। প্রতিবার নিচে নামার সময় আমার অংশটা তার ভিতরের গভীরে ঠেকছিল। গরম। ভেজা। শব্দ হচ্ছিল হালকা। চামড়ায় চামড়ার ঘষা। মায়ের বুক আমার বুকের উপর ঘষা খেয়ে উঠছিল। তার স্তনের বোটা আমার ত্বকে লাগছিল। আমি মাথা তুলে একটা স্তন মুখে নিলাম। জিহ্বা দিয়ে ঘষলাম। মায়ের শরীর আরও বেঁকে গেল। তার নড়াচড়া দ্রুত হলো।
আমি তার কোমর শক্ত করে ধরে উপর থেকে নিজেও নড়তে শুরু করলাম। নিচে থেকে ধাক্কা। মায়ের শ্বাস এলোমেলো হয়ে গেল। তিনি আমার কাঁধে মুখ গুঁজে একটা ভাঙা আওয়াজ ছাড়লেন। তার নখ আমার পিঠে আঁচড় কাটল। আমি তার গলায় চুমু রাখলাম। কানে শ্বাস ছাড়লাম। মায়ের ভিতরের দেয়ালগুলো আরও শক্ত করে চেপে ধরছিল আমাকে। গতি বাড়ছিল দুজনের।
বিছানার চাদর মুঠো হয়ে যাচ্ছিল। পাখার হাওয়া ঘামে ভেজা শরীরে লাগছিল। মা হঠাৎ থেমে গেলেন। তার শরীর টানটান হয়ে উঠল। উরু কাঁপছিল। তিনি আমার বুকে দুই হাত চাপ দিয়ে একটা লম্বা শ্বাস ছাড়লেন। তার ভিতরটা স্পন্দিত হয়ে উঠল বেশ কয়েকবার। গরম রস আমার অংশের চারপাশে ছড়িয়ে পড়ল। মা আমার বুকের উপর ঢলে পড়লেন। শরীর এখনো কাঁপছে।
আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। মায়ের শ্বাস আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল। তিনি আমার গলায় মুখ রেখে চুপ করে রইলেন। আমিও নড়লাম না। তার ভিতরে থেকে গেলাম। উষ্ণতা এখনো ঘিরে ছিল। কিছুক্ষণ পর মা আস্তে করে উঠে বসলেন। আমার অংশটা তার ভিতর থেকে বেরিয়ে এল। গরম আর ভেজা। তিনি পাশে শুয়ে পড়লেন। আমাকে তার দিকে টানলেন। দুজনের শরীর আবার জড়িয়ে গেল।
আমি তার কপালে ঠোঁট রাখলাম। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার এক হাত আমার বুকের উপর। আঙুল আলতো করে ঘষছিল। ঘরটা নীরব। শুধু দুজনের শ্বাস আর পাখার শব্দ। বাইরে সন্ধ্যার আলো নিভে আসছিল। আমরা কথা বললাম না। শরীরের ঘাম, মিলনের উষ্ণতা আর নীরবতাই সব বলে দিয়েছিল। প্রথমবার সম্পূর্ণ মিলিত হয়েছিলাম। ধীরে। গভীরে। কোনো তাড়া ছাড়া। শুধু দুজনের শরীর আর নিষিদ্ধ টান।
মা একসময় আমার বুক থেকে মুখ তুললেন। তার চোখ শান্ত। তিনি আমার ঠোঁটে একটা হালকা চুমু রাখলেন। তারপর আবার আমার বুকে মাথা রাখলেন। আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিলাম। বাইরের অন্ধকার ঘন হয়ে আসছিল। আমরা এভাবেই জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। শুধু দুজনের শরীর আর নীরব একটা রাত।
মায়ের শরীর এখনো আমার বুকের উপর ছিল। ঘামে ভেজা। তার স্তন দুটো আমার বুকের সাথে চেপে গিয়েছে। প্রতিটা শ্বাসে সেগুলো একটু একটু করে নড়ছিল। আমি তার পিঠে দুই হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম। কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত। তার মেরুদণ্ডের রেখা আঙুলের নিচে অনুভব করছিলাম। মা আমার গলায় মুখ রেখে আস্তে করে জিহ্বা বুলিয়ে দিলেন। গরম। ভেজা। আমার গলার চামড়া কেঁপে উঠল।
তিনি ধীরে করে উঠে বসলেন। আমার কোমরের দুই পাশে হাঁটু গেড়ে। তার খোলা শরীর সকালের বদলে এখন সন্ধ্যার আধো অন্ধকারে আরও রহস্যময় লাগছিল। আমি তার কোমর ধরলাম। আঙুল দিয়ে তার পেটের নরম চামড়া ঘষলাম। নাভির চারপাশ। মায়ের পেট একবার কেঁপে উঠল। তিনি আমার হাত ধরে আরও নিচে নিয়ে গেলেন। তার ভেজার উপর রাখলেন। গরম। ভিজে। আঙুলের ডগা দিয়ে আমি তার ভাঁজের বাইরের দিকটা আলতো করে ছুঁলাম। মায়ের শ্বাস ভারী হয়ে গেল। তার উরু দুটো আমার কোমর চেপে ধরল।
আমি দুই আঙুল দিয়ে তার ভেজার ঠোঁট আলতো করে আলাদা করলাম। ভিতরের গরম আর ভেজা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল। মায়ের শরীর একটু উপরে উঠে গেল। আমি আঙুলের ডগা দিয়ে তার সংবেদনশীল বোটাটা খুঁজে পেয়ে আলতো করে ঘষলাম। বৃত্তাকার। খুব হালকা চাপ। মায়ের মাথা পেছনে হেলে গেল। তার চুল পিঠ দিয়ে নেমে গেল। গলায় একটা ভাঙা শব্দ বেরিয়ে এল। আমি গতি না বাড়িয়ে শুধু সেই জায়গাটা ঘষতে থাকলাম। কখনো উপরে, কখনো নিচে, কখনো দুই আঙুল দিয়ে হালকা চেপে।
মা আমার বুকের উপর দুই হাত রেখে নিজের হিপ নড়াতে শুরু করলেন। আমার আঙুলের সাথে তাল মিলিয়ে। তার ভেজা আরও বেড়ে গেল। আঙুল দুটো সহজেই ভিতরে ঢুকে গেল একটু। গরম দেয়ালগুলো চেপে ধরল। আমি আঙুল দুটো আস্তে করে বাঁকিয়ে ভিতরের উপরের দিকটা ঘষলাম। মায়ের শরীর লাফ দিয়ে উঠল। তার নখ আমার বুকে গেড়ে গেল। আমি থামলাম না। আঙুল দিয়ে ধীর ছন্দে ভিতরে বাইরে করতে থাকলাম। প্রতিবার বের করে আনার সময় তার বোটাটাও আঙুলের তেলতেলে অংশ দিয়ে ঘষে দিচ্ছিলাম।
মা হঠাৎ আমার হাত সরিয়ে দিলেন। নিজে নিচু হয়ে আমার মুখের কাছে এলেন। ঠোঁট মিলল। জিহ্বা ঢুকে গেল গভীরে। চুমুটা ভেজা আর লম্বা। তার হাত নিচে নেমে আমাকে ধরল। শক্ত অংশটা মুষ্ঠিতে নিয়ে আলতো করে উপরে নিচে টানতে লাগলেন। কখনো শুধু মাথাটা ঘষছেন আঙুলের তালু দিয়ে, কখনো পুরোটা মুষ্ঠি করে ধীর গতিতে নড়াচ্ছেন। আমার শ্বাস ভেঙে যাচ্ছিল। আমি তার কোমর শক্ত করে ধরলাম।
মা আমার ঠোঁট ছেড়ে নিচু হয়ে গেলেন। তার চুল আমার পেটে ছড়িয়ে পড়ল। ঠোঁট রাখলেন আমার নাভির নিচে। জিহ্বা দিয়ে একটা লম্বা আঁচড় দিলেন নিচের দিকে। তারপর আমার শক্ত অংশটার মাথায় ঠোঁট রাখলেন। গরম। ভেজা। তিনি আলতো করে চুষলেন। শুধু মাথাটা। জিহ্বা দিয়ে চারপাশ ঘষলেন। আমি বিছানার চাদর মুঠো করে ধরলাম। মা আরও নিচু হলেন। তার ঠোঁট আস্তে আস্তে নিচে নামতে লাগল। গরম মুখের ভিতর আমি ঢুকে যাচ্ছিলাম। তিনি থেমে গেলেন মাঝখানে। জিহ্বা দিয়ে নিচের দিকটা ঘষতে থাকলেন। তারপর আবার নামলেন। পুরোটা প্রায় মুখে নিয়ে ধীর গতিতে উপরে নিচে করতে লাগলেন। লারে ভিজে যাচ্ছিল সব। শব্দ হচ্ছিল ভেজা।
কিছুক্ষণ পর মা উঠে এলেন। মুখ উজ্জ্বল। ঠোঁট ফোলা। তিনি আবার আমার উপর বসলেন। হাত দিয়ে আমাকে ধরে তার ভেজার মুখে রাখলেন। এবার আর থামলেন না। ধীরে করে নিজের শরীর নিচু করতে শুরু করলেন। মাথাটা ঢুকল। টানটান গরম। তিনি শ্বাস নিলেন গভীর করে। তারপর আরও নিচু। আস্তে আস্তে। প্রতিটা ইঞ্চি তার ভিতরের দেয়ালগুলোকে আলাদা করে ঢুকছিল। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। চোখ বন্ধ। কপালে ঘাম। আমি তার কোমর ধরে তাকে সাহায্য করলাম। না টানতে। শুধু স্থির রাখতে।
পুরোটা ঢুকে গেল। আমাদের দুজনের শরীর মিলিত। মা আমার বুকের উপর ঢলে পড়লেন। তার ভিতরের স্পন্দন আমি অনুভব করতে পারছিলাম। গরম রস আমার অংশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে। তিনি কিছুক্ষণ নড়লেন না। শুধু শ্বাস নিচ্ছিলেন। তার বুক আমার বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল। তারপর আস্তে করে হিপ নড়ালেন। সামনে। পেছনে। খুব ছোট। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। মা গতি বাড়ালেন। এবার উঠানামা শুরু হলো। নিচে নামার সময় আমার অংশটা তার গভীরে ঠেকছিল। উপরে উঠার সময় ভেজা শব্দ হচ্ছিল।
আমি তার কোমর শক্ত করে ধরে নিজেও নিচ থেকে ধাক্কা দিতে শুরু করলাম। তাল মিলিয়ে। মায়ের স্তন দুটো আমার মুখের সামনে নড়ছিল। আমি মাথা তুলে একটা মুখে নিলাম। জিহ্বা দিয়ে বোটা ঘষলাম। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিলাম। মায়ের শরীর আরও বেঁকে গেল। তার নড়াচড়া দ্রুত হলো। উরু কাঁপছিল। তিনি আমার কাঁধে নখ গাড়লেন। গলা দিয়ে ভাঙা শব্দ বেরোচ্ছিল। আমি অন্য স্তনটাও মুখে নিলাম। একইভাবে। মায়ের হাত আমার চুল মুঠো করে ধরল। আমাকে আরও জোরে চাপ দিল।
গতি বাড়ছিল। বিছানা হালকা শব্দ করছিল। মায়ের ভিতরের দেয়ালগুলো কখনো শক্ত হয়ে চাপ দিচ্ছে, কখনো আলগা হয়ে যাচ্ছে। ঘামে দুজনের শরীর পিছলে যাচ্ছিল। আমি তার কোমর আরও শক্ত করে ধরে উপর থেকে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। মা আমার কানে মুখ রেখে শ্বাস ছাড়ছিলেন গরম করে। তার বুকের নরমতা আমার বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল প্রতিটা ধাক্কায়। আমি তার গলায় চুমু রাখলাম। কাঁধে কামড় দিলাম হালকা। মায়ের শরীর টানটান হয়ে উঠল। উরু আমার কোমর চেপে ধরল জোরে। তিনি একটা লম্বা ভাঙা শ্বাস ছাড়লেন। তার ভিতরটা স্পন্দিত হয়ে উঠল বারবার। গরম রস আরও বেড়ে গেল। আমাকে চেপে ধরল শক্ত করে।
আমি থামলাম না। তার স্পন্দনের ভিতর দিয়েই গতি বজায় রাখলাম। মায়ের শরীর এখনো কাঁপছিল। তিনি আমার বুকের উপর ঢলে পড়েছিলেন। আমি তার কোমর ধরে কয়েকটা গভীর ধাক্কা দিলাম। তারপর আমারও শরীর টানটান হয়ে উঠল। গরম রস তার ভিতরে ছড়িয়ে পড়ল। বারবার। মায়ের ভিতরের দেয়ালগুলো সেই রস ধরে রাখল। আমি তার উপর ঢলে পড়লাম। শ্বাসকষ্টে। ঘামে ভেজা।
অনেকক্ষণ আমরা নড়লাম না। মায়ের ভিতরে থেকে গেলাম। তার স্পন্দন আস্তে আস্তে কমছিল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম। মা আমার গলায় মুখ রেখে চুপ করে রইলেন। তার এক হাত আমার চুলে আলতো করে ঘষছিল। ঘরটা পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে এসেছে। শুধু দুজনের শ্বাস আর পাখার শব্দ। শরীরের ঘাম ঠান্ডা হয়ে আসছিল। তবু উষ্ণতাটা ভিতরে রয়ে গিয়েছিল।
মা একসময় আস্তে করে সরে গেলেন। আমার অংশটা তার ভিতর থেকে বেরিয়ে এল। ভেজা। তিনি পাশে শুয়ে আমার দিকে মুখ করলেন। তার এক পা আমার পায়ের উপর রাখলেন। হাত আমার বুকের উপর। আমি তার কপালে ঠোঁট রাখলাম। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার ঠোঁটের কোণে একটা শান্ত ভাঁজ। আমরা কথা বললাম না। শরীরের ভাষাই সব বলে দিয়েছিল। প্রথমবার সম্পূর্ণভাবে মিলিত হয়েছিলাম। ধীরে। বিস্তারিত। প্রতিটা স্পর্শ আর শ্বাস আলাদা করে অনুভব করে। নিষিদ্ধ টানটা এখন আর টান নয়। এখন শরীরে মিশে গেছে।
রাত গভীর হয়ে এসেছিল। মা আমার পাশে শুয়ে ছিলেন। তার এক পা আমার পায়ের উপর জড়িয়ে। ঘাম ঠান্ডা হয়ে গেছে, কিন্তু শরীরের উষ্ণতা এখনো মিশে আছে। আমি তার চুল আলতো করে সরিয়ে কানের পেছনে গুঁজে দিলাম। মা চোখ না খুলেই আমার হাত চেপে ধরলেন।
বাইরে একটা কুকুর ডাকল। শব্দটা ভেঙে গেল নিস্তব্ধতা। মা পাশ ফিরে আমার বুকের দিকে মুখ রাখলেন। তার নাক আমার চামড়ায় লাগল। তিনি গভীর শ্বাস নিলেন। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত। তার মেরুদণ্ডের রেখা আঙুলের নিচে পরিষ্কার অনুভব হচ্ছিল।
কিছুক্ষণ পর মা উঠে বসলেন। অন্ধকারে তার খোলা শরীর আবছা দেখা যাচ্ছিল। তিনি বিছানা থেকে নেমে গাউনটা তুলে নিলেন। কিন্তু পরলেন না। হাতে নিয়েই আমার দিকে তাকালেন। আমিও উঠে বসলাম। মা আমার কাছে এসে হাঁটু গেড়ে বসলেন। তার দুই হাত আমার দুই পাশে রাখলেন। চুল সামনে এসে ঝুলছিল।
তিনি আমার বুকের দিকে মাথা নিচু করলেন। জিহ্বা দিয়ে আমার একটা স্তনের বোটা আলতো করে ছুঁলেন। তারপর দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিলেন। আমার শরীর কেঁপে উঠল। মা অন্য স্তনটাও একইভাবে নিতে লাগলেন। তার চুল আমার পেটে ছড়িয়ে পড়ছিল। আমি তার মাথায় হাত রাখলাম। চুলের ভিতর আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম।
মা ধীরে করে নিচু হতে থাকলেন। আমার পেটের উপর জিহ্বা বুলিয়ে নিচে নামলেন। নাভির চারপাশ ঘুরলেন। তারপর আরও নিচে। আমার শক্ত অংশটা তখনো পুরোপুরি নরম হয়নি। মা সেটাকে হাত দিয়ে ধরলেন। আঙুলের মুষ্ঠি আলতো। তিনি মাথা নিচু করে ঠোঁট রাখলেন ডগায়। গরম শ্বাস লাগল। তারপর জিহ্বা দিয়ে একটা লম্বা আঁচড় দিলেন নিচ থেকে উপরে।
আমি বিছানার চাদর মুঠো করলাম। মা আমার অংশটার মাথা মুখে নিলেন। আস্তে করে চুষলেন। জিহ্বা দিয়ে চারপাশ ঘষতে থাকলেন। তার হাত নিচের দিকটা মুষ্ঠি করে ধীর গতিতে উপরে নিচে নড়াচ্ছিল। লারের শব্দ হচ্ছিল হালকা। মা কখনো গভীরে নিচ্ছিলেন, কখনো শুধু ডগাটা চুষে জিহ্বা ঘোরাচ্ছিলেন। আমার শ্বাস ভারী হয়ে উঠল। উরু টানটান হয়ে গেল।
তিনি হঠাৎ থেমে গিয়ে আমার দিকে তাকালেন। অন্ধকারে তার চোখ ঝলমল করছিল। তিনি আমার দুই পা ফাঁক করে মাঝখানে এসে বসলেন। নিজের ভেজা অংশটা আমার শক্ত অংশের উপর রাখলেন। ঘষলেন আলতো করে। সামনে পেছনে। তার ভেজার গরম আর ভেজা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল। মা দুই হাত আমার বুকে রেখে নিজের হিপ নড়াতে লাগলেন। ধীর ছন্দে। প্রতিবার ঘষার সময় তার বোটা আমার অংশের সাথে লাগছিল।
আমি তার কোমর ধরলাম। আঙুল দিয়ে তার পেটের নরম অংশ ঘষলাম। মা গতি বাড়ালেন। তার স্তন দুটো সামনে পেছনে নড়ছিল। আমি মাথা তুলে একটা মুখে নিতে চাইলাম। মা নিচু হয়ে আমার মুখের কাছে এনে দিলেন। আমি জিহ্বা দিয়ে বোটা ঘষলাম। দাঁত দিয়ে হালকা টানলাম। মায়ের শরীর বেঁকে গেল। তার ঘষা আরও জোরে হলো।
একসময় মা উঠে হাঁটু গেড়ে দাঁড়ালেন। আমার অংশটা হাত দিয়ে ধরে নিজের ভেজার মুখে রাখলেন। ধীরে করে নিচু হতে শুরু করলেন। মাথাটা ঢুকল। টানটান গরম। তিনি শ্বাস নিলেন। তারপর আরও নিচু। আস্তে আস্তে পুরোটা ঢুকিয়ে নিলেন। আমাদের শরীর আবার মিলিত হলো। মা আমার বুকের উপর ঢলে পড়লেন। তার ভিতরের দেয়ালগুলো আমাকে চেপে ধরল।
এবার তিনি নড়তে শুরু করলেন। উঠানামা। ধীর থেকে একটু দ্রুত। প্রতিবার নিচে নামার সময় আমি তার গভীরে ঠেকতাম। ভেজা শব্দ হচ্ছিল। মায়ের চুল আমার মুখের উপর এসে পড়ছিল। আমি তার পিঠে দুই হাত দিয়ে চাপ দিলাম। নিচ থেকে ধাক্কা মিলিয়ে দিলাম। মায়ের স্তন আমার বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল। ঘাম আবার জমে উঠছিল।
গতি বাড়ল। বিছানা শব্দ করছিল। মা আমার কাঁধে নখ গাড়লেন। তার শ্বাস এলোমেলো। আমি তার গলায় মুখ রেখে চুমু খেলাম। কানে শ্বাস ছাড়লাম। মা হঠাৎ থেমে গিয়ে আমার বুক চেপে ধরলেন। তার ভিতরটা স্পন্দিত হয়ে উঠল। গরম রস ছড়িয়ে পড়ল। তিনি আমার উপর ঢলে পড়ে কাঁপতে থাকলেন। আমিও আর সামলাতে পারলাম না। তার স্পন্দনের ভিতর দিয়েই গভীরে রস ঢেলে দিলাম। বারবার।
অনেকক্ষণ ধরে আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। মায়ের শরীর এখনো কাঁপছিল হালকা। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম। বাইরে রাতের আওয়াজ ছাড়া আর কিছু নেই। মা আমার বুক থেকে মুখ তুলে আমার ঠোঁটে একটা আলতো চুমু রাখলেন। তারপর পাশে শুয়ে আমার হাতটা নিজের বুকের উপর রাখলেন। আমার আঙুল তার স্তনের উপর এসে পড়ল। তিনি সেখানেই রেখে দিলেন।
আমরা আর কথা বললাম না। শুধু শরীরের উষ্ণতা আর শ্বাসের ছন্দে রাত কেটে যেতে থাকল। প্রথমবারের পর এবার আরও গভীর হয়েছিল। আরও খোলা। কোনো বাধা নেই। শুধু দুজনের শরীর আর নিষিদ্ধ রাত।
রাত আরও গভীর। মা আমার পাশে শুয়ে আছেন। তার গায়ে এখনো ঘামের চকচকে ভাব। আমি পাশ ফিরে তার দিকে তাকালাম। অন্ধকারেও তার বড় দুধ দুটো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। বোটা দুটো এখনো শক্ত। আমি হাত বাড়িয়ে একটা দুধ চেপে ধরলাম। আঙুল দিয়ে বোটাটা মুচড়ে দিলাম। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তিনি চোখ না খুলেই আমার হাত চেপে ধরলেন।
“আরও কর,” মা ফিসফিস করে বললেন। গলাটা ভেজা ভেজা।
আমি উঠে বসলাম। মাকে চিত করে শুইয়ে দিলাম। তার দুই পা ফাঁক করে মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসলাম। মায়ের ভোদাটা সামনে খোলা। চুল ক্লিন। গুদের চির বড়। ভেজা আর ফোলা। আমি দুই হাত দিয়ে তার উরু ধরে আরও ফাঁক করলাম। তারপর মাথা নিচু করে জিহ্বা দিয়ে তার ভোদার উপরের বোটাটা চাটলাম। মায়ের কোমর উঠে গেল। আমি জিহ্বাটা শক্ত করে তার ক্লিটের উপর ঘষতে লাগলাম। বৃত্তাকার। চাপ দিয়ে। মায়ের হাত আমার চুল মুঠো করে ধরল।
“আহ্… আয়ান… জিহ্বাটা আরও ভিতরে দে…” মায়ের গলা ভাঙছিল।
আমি জিহ্বাটা তার ভোদার ফাঁকে ঢুকিয়ে দিলাম। গরম আর টকটকে রস। আমি চুষতে লাগলাম। জিহ্বা দিয়ে ভিতরের দেয়াল ঘষছিলাম। মায়ের উরু আমার মাথার দুই পাশে কাঁপছিল। আমি দুই আঙুল ঢুকালাম তার ভোদায়। আঙুল বাঁকিয়ে উপরের দিকটা ঘষতে লাগলাম। সাথে জিহ্বা দিয়ে ক্লিট চুষছিলাম। মায়ের শরীর টানটান হয়ে উঠল। তিনি চাদর মুঠো করে ধরে একটা লম্বা আর্তনাদ করলেন। তার ভোদা আমার আঙুল চেপে ধরল। গরম রস গড়িয়ে আমার হাত ভিজিয়ে দিল।
আমি উঠে তার উপর উঠে বসলাম। আমার ধোন তখন পাথরের মতো শক্ত। মা হাত বাড়িয়ে আমার ধোন ধরলেন। আঙুল দিয়ে মাথাটা ঘষলেন। তারপর নিজে থেকেই আমার ধোন তার ভোদার মুখে রাখলেন।
“ঢুকা… পুরোটা ঢুকা,” মা বললেন। চোখ খোলা। তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
আমি ধীরে করে ঠেললাম। মাথাটা ঢুকল। গরম ভোদা চেপে ধরল। আমি আরও ঠেললাম। আস্তে আস্তে পুরো ধোন তার ভোদার ভিতর ঢুকে গেল। মায়ের নখ আমার পিঠে বিঁধল। আমি থামলাম না। পুরোটা ঢুকিয়ে একটু স্থির হলাম। তার ভোদার গরম দেয়াল আমার ধোনকে জড়িয়ে ধরেছিল।
তারপর আমি দুলতে শুরু করলাম। ধীর গতিতে। লম্বা লম্বা স্ট্রোক। প্রতিবার পুরো বের করে আবার গভীরে ঢোকাচ্ছিলাম। মায়ের দুধ দুটো সামনে পেছনে দুলছিল। আমি এক হাত দিয়ে একটা দুধ চেপে ধরলাম। বোটা মুচড়ে দিলাম। অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিট ঘষতে লাগলাম। মায়ের ভোদা আরও ভেজে গেল। শব্দ হচ্ছিল চটচট।
“জোরে কর… আরও জোরে চুদ,” মা বললেন। গলা কাঁপছে।
আমি গতি বাড়ালাম। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। বিছানা শব্দ করছিল। মায়ের পা আমার কোমরে জড়িয়ে গেল। আমি তার দুই পা কাঁধে তুলে আরও গভীরে ঢোকাতে লাগলাম। প্রতিটা ধাক্কায় আমার ঝোলা তার গুদে লাগছিল। মায়ের আর্তনাদ বেড়ে যাচ্ছিল। আমি তার গলায় কামড় দিলাম। কাঁধে। দুধের বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম।
মা হঠাৎ আমার পিঠ জোরে চেপে ধরলেন। তার ভোদা আমার ধোনকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে নামলেন। গরম রস গড়িয়ে আমার ঝোলা আর উরু ভিজিয়ে দিল। আমি থামলাম না। তার নামার ভিতর দিয়েই জোরে চুদতে থাকলাম। কয়েকটা গভীর ধাক্কার পর আমারও শরীর টানটান হয়ে গেল। আমি তার ভোদার গভীরে গরম রস ঢেলে দিলাম। বারবার। প্রচুর। মায়ের ভোদা সেই রস ধরে রাখল।
আমি তার উপর ঢলে পড়লাম। ধোন এখনো তার ভোদার ভিতরে। মায়ের বুকের সাথে আমার বুক লাগানো। দুজনের ঘাম মিশে আছে। আমি তার কানে ফিসফিস করে বললাম, “তোমার ভোদা এত গরম… এত টানটান… আমি আর ছাড়তে পারব না।”
মা আমার চুল মুছতে মুছতে বললেন, “ছাড়বি না। প্রতিদিন চুদবি। বাবা যখন থাকবে না… তখনই।”
আমি ধোন বের করলাম। তার ভোদা থেকে সাদা রস গড়িয়ে পায়ের ফাঁকে জমা হচ্ছিল। আমি আঙুল দিয়ে সেই রস তুলে তার ক্লিটের উপর বুলিয়ে দিলাম। মা কেঁপে উঠলেন। আমি আবার দুই আঙুল তার ভোদায় ঢুকিয়ে রস মিশিয়ে ঘষতে লাগলাম। মায়ের পা ফাঁক হয়ে রইল। তিনি আমার হাত চেপে ধরে বললেন, “আবার চুদ… এখনই।”
আমি উঠে তার পা দুটো আরও ফাঁক করলাম। ধোন আবার শক্ত হয়ে উঠেছিল। আমি এক পলে তার ভোদায় পুরো ঢুকিয়ে দিলাম। এবার কোনো ধীরগতি নেই। জোরে জোরে চুদতে লাগলাম। মায়ের দুধ দুটো হাত দিয়ে চেপে ধরে দুলিয়ে দিচ্ছিলাম। প্রতিটা ধাক্কায় তার ভোদা চটচট শব্দ করছিল। মায়ের আর্তনাদ ঘরের ভিতর ভরাট হয়ে যাচ্ছিল। আমি তার মুখ চেপে ধরলাম এক হাত দিয়ে। অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিট জোরে ঘষতে লাগলাম।
মা আবার কাঁপতে শুরু করলেন। তার ভোদা আমার ধোনকে আরও শক্ত করে চেপে ধরল। আমিও তার সাথে সাথে গভীরে রস ঢেলে দিলাম। দ্বিতীয়বার। মায়ের শরীর একেবারে নরম হয়ে গেল আমার নিচে। আমি তার উপর শুয়ে রইলাম। ধোন তার ভোদার ভিতরেই রেখে। দুজনের শ্বাসকষ্টে বুক উঠানামা করছিল।
এভাবেই রাত কেটে যেতে থাকল। কখনো আমি চুদছি, কখনো মা আমার উপর বসে দুলছে, কখনো আমি তার ভোদা চুষে রস খাচ্ছি। সরাসরি। কোনো লুকানো নেই। শুধু দুধ, ভোদা, ধোন আর গরম রস। নিষিদ্ধ রাত আরও গভীর হয়ে উঠছিল।
Reply
#17

রাতের বাকিটা আর ঘুমোয়নি আমরা। মায়ের ভোদা থেকে আমার রস গড়িয়ে বিছানা ভিজিয়ে দিয়েছিল। আমি পাশ ফিরে তার দুধের দিকে মুখ রাখলাম। একটা বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। জিহ্বা দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিলাম। মায়ের হাত আমার মাথায় চাপ দিল। তিনি আমার ধোন আবার হাত দিয়ে ধরলেন। আঙুল দিয়ে মাথাটা ঘষতে লাগলেন। ধোন আবার ফুলে উঠল।
মা উঠে আমার উপর বসলেন। তার ভোদা আমার মুখের সামনে এনে দিলেন। আমি দুই হাত দিয়ে তার পাছা ধরে জিহ্বাটা তার ভোদার ফাঁকে ঢুকিয়ে দিলাম। গরম রস আর আমার আগের বীর্য মিশে টকটকে স্বাদ। আমি চুষতে লাগলাম। জিহ্বা দিয়ে ক্লিটটা টানতে লাগলাম। মা আমার ধোনের উপর বসে আস্তে আস্তে দুলছিলেন। তার ভোদার রস আমার মুখ ভরিয়ে দিচ্ছিল।
“জিহ্বাটা আরও ভিতরে দে… আহ্… চুষে খা,” মা বললেন। গলা ভাঙছে।
আমি জিহ্বা শক্ত করে তার ভোদার গভীরে ঢোকাতে লাগলাম। সাথে দুই আঙুল ঢুকিয়ে উপরের দিকটা ঘষছিলাম। মায়ের পাছা আমার মুখের উপর চেপে ধরল। তিনি আমার ধোন মুষ্ঠি করে জোরে টানতে লাগলেন। আমি আরও জোরে চুষতে লাগলাম। মা হঠাৎ কেঁপে উঠে আমার মুখের উপর নামলেন। গরম রস আমার মুখ আর নাকে গড়িয়ে পড়ল। আমি সব চুষে খেলাম।
মা সরে গিয়ে আমার ধোনের উপর বসলেন। হাত দিয়ে ধোনটা ধরে তার ভোদার মুখে রাখলেন। এক পলে পুরো ঢুকিয়ে নিলেন। গরম ভোদা আমাকে চেপে ধরল। তিনি দুই হাত আমার বুকে রেখে জোরে দুলতে শুরু করলেন। উপরে উঠে নিচে বসছেন। প্রতিবার বসার সময় আমার ঝোলা তার গুদে লাগছে। দুধ দুটো আমার মুখের সামনে দুলছে। আমি দুই হাত দিয়ে দুধ চেপে ধরলাম। বোটা মুচড়ে দিলাম। মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম।
“জোরে চুদ আয়ান… আমার ভোদা ফাটিয়ে দে,” মা বললেন। চোখ বন্ধ। মুখ বেঁকে আছে।
আমি নিচ থেকে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। মায়ের ভোদা চটচট শব্দ করছিল। রস গড়িয়ে আমার উরু ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আমি এক হাত দিয়ে তার ক্লিট জোরে ঘষতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে তার পাছা চাপড়াচ্ছিলাম। মায়ের আর্তনাদ বেড়ে গেল। তিনি আমার বুকে নখ গাড়লেন। তার ভোদা আমাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। আবার নামলেন। গরম রস ছড়িয়ে পড়ল।
আমি তাকে চিত করে শুইয়ে দিলাম। দুই পা কাঁধে তুলে জোরে চুদতে লাগলাম। পুরো ধোন বের করে আবার গভীরে ঢোকাচ্ছিলাম। প্রতিটা ধাক্কায় তার দুধ দুলছিল। আমি তার গলা চেপে ধরলাম হালকা করে। মায়ের চোখ বড় হয়ে গেল। তিনি আমার হাত চেপে ধরলেন কিন্তু সরালেন না। আমি আরও জোরে চুদতে লাগলাম। তার ভোদার শব্দ ঘর ভরিয়ে দিচ্ছিল।
মা আবার কাঁপতে শুরু করলেন। তার ভোদা আমার ধোনকে চেপে ধরল। আমিও তার গভীরে গরম রস ঢেলে দিলাম। তৃতীয়বার। প্রচুর পরিমাণে। মায়ের ভোদা থেকে রস গড়িয়ে বিছানায় জমা হচ্ছিল। আমি ধোন বের করে তার ভোদার উপর রস মাখতে লাগলাম। আঙুল দিয়ে ক্লিট ঘষে দিলাম। মা কেঁপে উঠে পা আরও ফাঁক করে দিলেন।
আমি উঠে তার মুখের সামনে ধোন নিয়ে গেলাম। মা নিজে থেকে মুখ খুলে ধোনটা মুখে নিলেন। আমার রস আর তার ভোদার রস মিশে আছে। তিনি চুষতে লাগলেন। জিহ্বা দিয়ে মাথাটা ঘষছেন। আমি তার চুল মুঠো করে ধরে আস্তে আস্তে মুখে দুলতে লাগলাম। মা গলা পর্যন্ত নিচ্ছিলেন। লার গড়িয়ে তার দুধের উপর পড়ছিল।
কিছুক্ষণ পর আমি ধোন বের করে তার দুধের ফাঁকে রাখলাম। দুই হাত দিয়ে দুধ চেপে ধরে ধোনটা দুলতে লাগলাম। মা নিজে থেকে মুখ খুলে ডগাটা চুষে নিচ্ছিলেন প্রতিবার উপরে উঠলে। আমি জোরে দুলতে লাগলাম। দুধের নরম চাপ আর তার গরম মুখ। শীঘ্রই আবার রস বেরিয়ে তার মুখ আর দুধে ছড়িয়ে পড়ল। মা সব চুষে খেলেন। জিহ্বা দিয়ে পরিষ্কার করে দিলেন।
আমরা পাশাপাশি শুয়ে পড়লাম। মায়ের ভোদা থেকে এখনো রস গড়াচ্ছে। আমি আঙুল দিয়ে সেই রস তুলে তার মুখে দিলাম। মা চুষে খেলেন। তারপর আমার মুখে চুমু দিলেন। রসের স্বাদ মিশে গেল দুজনের মুখে। আমি তার ভোদায় আবার দুই আঙুল ঢুকিয়ে ঘষতে লাগলাম। মায়ের পা ফাঁক হয়ে রইল। তিনি আমার হাত চেপে ধরে বললেন, “সারারাত চুদ… থামবি না।”
আমি উঠে তার পাছা উঁচু করে পেছন থেকে ধোন ঢুকিয়ে দিলাম। এবার আরও গভীর। জোরে জোরে চুদতে লাগলাম। মায়ের দুধ বিছানার সাথে ঘষা খাচ্ছিল। আমি তার চুল মুঠো করে টানতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিট ঘষছিলাম। মায়ের আর্তনাদ চেপে রাখার জন্য তিনি মুখ বিছানায় গুঁজে দিলেন। আমি থামলাম না। রাতভর এভাবেই চলতে থাকল। কখনো পেছন থেকে, কখনো উপর থেকে, কখনো মা আমার উপর বসে। সরাসরি। কোনো বাধা নেই। শুধু ভোদা, ধোন, দুধ আর গরম রস। নিষিদ্ধ রাত আরও নোংরা আর গভীর হয়ে উঠছিল।
সকালের আলো জানালা দিয়ে ঢোকার আগেই আমরা থামলাম। মায়ের শরীর ঘামে চকচকে। ভোদা থেকে আমার রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় জমা হয়েছিল। আমি তার পাশে শুয়ে তার দুধ চেপে ধরে আঙুল দিয়ে বোটা ঘষছিলাম। মা আমার ধোন হাতে নিয়ে আলতো করে মুষ্ঠি করছিলেন। ধোন এখনো পুরো নরম হয়নি।
বাবার ফোনটা হঠাৎ বাজল অন্য রুমে। দুজনেই থমকে গেলাম। মা তাড়াতাড়ি উঠে গাউনটা গায়ে জড়ালেন। আমি লুঙ্গি পরে নিজের রুমে চলে গেলাম। দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়লাম। বুকের ভিতরটা এখনো ধড়ফড় করছিল। মায়ের ভোদার গরম অনুভূতি এখনো ধোনে বাজছিল।
বাবা ফোন কেটে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। আমি শুনতে পেলাম মা বাথরুমে গেলেন। পানির শব্দ আসছিল। কিছুক্ষণ পর মা আমার রুমের দরজা আস্তে করে খুলে ঢুকলেন। গাউনটা আলগা। তিনি বিছানায় এসে বসলেন। আমার লুঙ্গি সরিয়ে ধোন হাতে নিলেন। 
“এখনো শক্ত,” মা ফিসফিস করে বললেন। 
তিনি মাথা নিচু করে ধোন মুখে নিলেন। গরম মুখ। জিহ্বা দিয়ে মাথাটা ঘষতে লাগলেন। আমি চোখ বন্ধ করে তার চুল মুঠো করলাম। মা গলা পর্যন্ত নিচ্ছিলেন। লার গড়িয়ে আমার ঝোলায় পড়ছিল। তিনি চুষতে চুষতে আঙুল দিয়ে আমার গুদের ফাঁক ঘষছিলেন। আমি শরীর টানটান করে রস ফেলার কাছাকাছি পৌঁছে গেলাম। মা তখন ধোন বের করে আমার উরুর উপর রস গড়িয়ে দিতে দিলেন। তারপর জিহ্বা দিয়ে সব চেটে খেলেন।
মা উঠে গাউন খুলে ফেললেন। চিত হয়ে শুয়ে পা ফাঁক করে দিলেন। আমি মাঝখানে গিয়ে জিহ্বা দিয়ে তার ভোদা চাটতে লাগলাম। ক্লিট চুষছিলাম। দুই আঙুল ঢুকিয়ে ভিতরের গরম মাংস ঘষছিলাম। মায়ের হাত আমার মাথায় চাপ দিচ্ছিল। তিনি আমার মুখের উপর হিপ দুলিয়ে রস বের করে দিলেন। আমি সব চুষে খেলাম।
আমি উঠে তার উপর উঠে বসলাম। ধোন তার ভোদার মুখে রাখলাম। এক ঠেলায় পুরো ঢুকিয়ে দিলাম। মায়ের নখ আমার পিঠে বিঁধল। আমি জোরে দুলতে শুরু করলাম। লম্বা স্ট্রোক। প্রতিবার গভীরে ঠেকিয়ে দিচ্ছিলাম। মায়ের দুধ দুটো হাত দিয়ে চেপে দুলিয়ে দিচ্ছিলাম। বোটা মুখে নিয়ে চুষছিলাম। মায়ের ভোদা চটচট শব্দ করছিল। রস গড়িয়ে আমার ঝোলা ভিজিয়ে দিচ্ছিল।
“আরও জোরে… আমার গুদে রস ভর্তি করে দে,” মা বললেন। গলা কাঁপছে।
আমি তার দুই পা কাঁধে তুলে আরও গভীরে চুদতে লাগলাম। প্রতিটা ধাক্কায় তার গুদ আমার ঝোলার সাথে লাগছিল। মা আবার কেঁপে উঠে নামলেন। তার ভোদা আমাকে শক্ত করে চেপে ধরল। আমিও তার গভীরে গরম রস ঢেলে দিলাম। প্রচুর। মায়ের ভোদা থেকে রস গড়িয়ে বিছানায় পড়ছিল।
আমি ধোন বের করে তার মুখের সামনে নিয়ে গেলাম। মা মুখ খুলে ধোন চুষতে লাগলেন। আমার রস আর তার ভোদার রস মিশে আছে। তিনি গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষলেন। আমি তার চুল ধরে মুখে দুলতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর আবার রস বেরিয়ে তার মুখে গড়িয়ে পড়ল। মা সব গিলে খেলেন। জিহ্বা দিয়ে পরিষ্কার করে দিলেন।
আমরা পাশাপাশি শুয়ে রইলাম। মায়ের হাত আমার ধোনে। আমার হাত তার ভোদায়। আঙুল দিয়ে রস মাখছিলাম। বাবার ঘুমের শব্দ অন্য রুম থেকে আসছিল। আমরা চুপচাপ শুয়ে রইলাম। কিন্তু হাত থামেনি। মা আমার ধোন আবার শক্ত করে তুললেন। আমি তার ভোদায় আঙুল ঢুকিয়ে ঘষতে থাকলাম। সকালের আলো পুরো ঘর ভরে তোলার আগেই আবার চুদা শুরু হলো। এবার আরও নোংরা। আরও খোলা। ধোন, ভোদা, দুধ আর রস ছাড়া আর কিছু ছিল না আমাদের মাঝে।
সকালের আলো পুরো ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। বাবা এখনো ঘুমাচ্ছিলেন। মা আমার বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে আছেন। তার দুই পা ফাঁক। ভোদা থেকে আমার সাদা রস গড়িয়ে উরুর ভাঁজে জমা হয়ে আছে। আমি তার পাশে শুয়ে আঙুল দিয়ে সেই রস মাখছিলাম। ক্লিটের উপর বৃত্তাকার ঘষছিলাম। মায়ের শরীর হালকা কেঁপে উঠছিল।
মা হাত বাড়িয়ে আমার ধোন ধরলেন। আঙুল দিয়ে মাথাটা মুচড়ে দিলেন। ধোন আবার ফুলে উঠল। তিনি পাশ ফিরে আমার দিকে মুখ করলেন। গলা নিচু করে ধোন মুখে নিলেন। গরম জিহ্বা দিয়ে চারপাশ ঘষতে লাগলেন। আমি তার চুল মুঠো করে ধরে আস্তে আস্তে মুখে দুলতে লাগলাম। মা গলা পর্যন্ত নিচ্ছিলেন। লার গড়িয়ে তার দুধের উপর পড়ছিল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার দুধ চেপে বোটা মুচড়ে দিচ্ছিলাম।
মা ধোন বের করে আমার উপর উঠে বসলেন। হাত দিয়ে ধোনটা ধরে তার ভোদার ফাঁকে রাখলেন। এক পলে পুরো ঢুকিয়ে নিলেন। গরম ভোদা আমাকে চেপে ধরল। তিনি দুই হাত আমার বুকে রেখে জোরে দুলতে শুরু করলেন। উপরে উঠে নিচে বসছেন। প্রতিবার বসার সময় আমার ঝোলা তার গুদে জোরে লাগছে। চটচট শব্দ হচ্ছে। রস গড়িয়ে আমার উরু ভিজিয়ে দিচ্ছে।
আমি দুই হাত দিয়ে তার দুধ চেপে ধরলাম। বোটা দুটো মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিচ্ছিলাম। মায়ের গতি আরও বেড়ে গেল। তিনি আমার বুকে নখ গাড়লেন। তার ভোদা থেকে আরও রস বেরিয়ে আসছিল। আমি নিচ থেকে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। মায়ের আর্তনাদ চেপে রাখার জন্য তিনি নিজের হাত মুখে চাপ দিলেন।
“আরও গভীরে… আমার ভোদা ফাটিয়ে দে আয়ান,” মা ফিসফিস করে বললেন। গলা কাঁপছে।
আমি তাকে চিত করে শুইয়ে দিলাম। দুই পা কাঁধে তুলে জোরে চুদতে লাগলাম। পুরো ধোন বের করে আবার শেষ পর্যন্ত ঢোকাচ্ছিলাম। প্রতিটা ধাক্কায় তার দুধ দুলছিল। আমি এক হাত দিয়ে তার গলা হালকা চেপে ধরলাম। অন্য হাত দিয়ে ক্লিট জোরে ঘষতে লাগলাম। মায়ের চোখ বড় হয়ে গেল। তিনি আমার হাত সরালেন না। তার ভোদা আরও শক্ত করে আমাকে চেপে ধরল।
মা হঠাৎ কেঁপে উঠে নামলেন। গরম রস আমার ধোনের চারপাশে ছড়িয়ে পড়ল। আমি থামলাম না। তার নামার ভিতর দিয়েই জোরে চুদতে থাকলাম। কয়েকটা গভীর ধাক্কার পর আমারও শরীর টানটান হয়ে গেল। আমি তার ভোদার গভীরে গরম রস ঢেলে দিলাম। বারবার। প্রচুর। মায়ের ভোদা থেকে রস গড়িয়ে বিছানায় পড়ছিল।
আমি ধোন বের করে তার মুখের সামনে নিয়ে গেলাম। মা মুখ খুলে ধোন চুষতে লাগলেন। আমার রস আর তার ভোদার রস মিশে আছে। তিনি জিহ্বা দিয়ে মাথাটা পরিষ্কার করতে লাগলেন। আমি তার চুল ধরে মুখে আরও একটু দুললাম। মা গিলে খেলেন সব।
আমরা পাশাপাশি শুয়ে পড়লাম। মায়ের হাত আমার ধোনে। আমার দুই আঙুল তার ভোদায়। রস মাখছিলাম। বাবার নাক ডাকার শব্দ অন্য রুম থেকে আসছিল। আমরা চুপচাপ শুয়ে রইলাম। কিন্তু হাত থামেনি। মা আমার ধোন আবার শক্ত করে তুললেন। আমি তার ভোদায় আঙুল বাঁকিয়ে উপরের দিকটা ঘষতে থাকলাম। মায়ের পা আরও ফাঁক হয়ে গেল। তিনি আমার কানে ফিসফিস করে বললেন, “আজ সারাদিন বাবা বাসায় থাকবে না। অফিসে মিটিং আছে। তুই আজ আমাকে থামাবি না।”
আমি উঠে তার পাছা উঁচু করে পেছন থেকে ধোন ঢুকিয়ে দিলাম। এবার আরও জোরে। আরও গভীরে। মায়ের দুধ বিছানার সাথে ঘষা খাচ্ছিল। আমি তার চুল মুঠো করে টানতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিট ঘষছিলাম। মায়ের আর্তনাদ চেপে রাখার জন্য তিনি মুখ বালিশে গুঁজে দিলেন। আমি থামলাম না। সকালের আলোতেই আবার চুদা শুরু হয়ে গেল। এবার আরও নোংরা। আরও খোলা। ধোন, ভোদা, দুধ আর গরম রস ছাড়া আর কিছু ছিল না। বাবা ঘুমোচ্ছেন পাশের রুমে। আর আমরা তারই বিছানায় মেতে আছি।
গল্পটি ভালো লাগলে, অনুগ্রহ করে  একটি রিপু দিন।  
Reply
#18

সকাল হয়ে গেছে। বাবা উঠে চা খেয়ে অফিসের জন্য তৈরি হচ্ছিলেন। আমি নিজের রুমে শুয়ে শুনছিলাম তার পায়ের শব্দ। মা রান্নাঘরে গিয়ে চা বানিয়ে দিয়েছেন। গত রাতের ঘাম আর রসের গন্ধ এখনো আমার শরীরে লেগে আছে। মায়ের ভোদার গরম অনুভূতি মনে পড়লেই ধোন আবার শক্ত হয়ে উঠছিল। কিন্তু আজ আর সেই একঘেয়ে বিছানার খেলা নয়। কিছু একটা বদলাতে হবে।
বাবা হঠাৎ আমার রুমের দরজায় এসে দাঁড়ালেন।
“আয়ান, আজ তোর কলেজ আছে?”
“হ্যাঁ।”
“তাহলে শোন। আজ বিকেলে তোর মামার বাড়ি যেতে হবে। তোর মামী অসুস্থ। আমি অফিস থেকে সরাসরি যাব। তুই কলেজ থেকে এসে মাকে নিয়ে চলে যাস। আমি সেখানে গিয়ে তোদের সাথে মিলিত হব।”
আমি উঠে বসলাম। মামার বাড়ি মানে শহরের অন্য পাশে। প্রায় এক ঘণ্টার রাস্তা। মায়ের সাথে একা রাস্তায়… বাসে বা রিকশায়। বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল।
বাবা চলে যাওয়ার পর মা আমার রুমে এলেন। দরজা বন্ধ করে বললেন, “শুনেছিস? আজ মামার বাড়ি যেতে হবে।”
আমি তার দিকে তাকালাম। মায়ের চোখে একটা অন্যরকম আলো। তিনি জানেন একা রাস্তা মানে নতুন সুযোগ।
“কীভাবে যাব?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।
“রিকশায় যাব। বাসে ভিড় হবে। আর… রাস্তা লম্বা।” মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন। তার গলায় একটা চাপা উত্তেজনা।
দুপুরে কলেজ থেকে ফিরে এসে দেখি মা তৈরি। হালকা বেগুনি শাড়ি। ব্লাউজটা একটু টাইট। চুল বাঁধা। কিন্তু গলার নিচে একটু ঘামের চকচকে ভাব। আমি লুঙ্গি পাল্টে প্যান্ট পরলাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে শুধু বললেন, “চল।”
রিকশায় উঠলাম। মা আমার পাশে বসলেন। চালক সামনে। রাস্তায় গাড়ির শব্দ, ধুলো, রোদ। মায়ের হাঁটু আমার হাঁটুর সাথে লেগে আছে। শাড়ির আঁচল সরে তার উরুর একটু অংশ দেখা যাচ্ছিল। আমি হাত বাড়িয়ে শাড়ি ঠিক করে দিতে গেলাম। হাত তার উরুর উপর দিয়ে গেল। মা আমার হাত চেপে ধরলেন। সরালেন না।
রিকশা একটু জোরে নড়ছিল। মা আমার কাঁধে হেলান দিলেন। তার মুখ আমার কানের কাছে এসে ফিসফিস করল, “আজ রাত্রে মামার বাড়িতেই থাকতে হতে পারে। তোর মামা আমাকে বলবেন হয়তো। বাবা যদি দেরি করেন…”
আমি তার হাত চেপে ধরলাম। তার আঙুল আমার আঙুলের ফাঁকে ঢুকে গেল। রিকশা চালক সামনে তাকিয়ে আছে। কেউ দেখছে না। মায়ের হাত ধীরে করে আমার প্যান্টের উপর এসে রাখল। আঙুল দিয়ে ধোনের আকার ছুঁয়ে দেখল। আমি শরীর শক্ত করে রাখলাম। মা আলতো করে চাপ দিলেন। তারপর হাত সরিয়ে নিলেন। যেন কিছু হয়নি।
রাস্তা লম্বা। মাঝে একটা জায়গায় রিকশা দাঁড়াল। চালক পান খেতে গেলেন। মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আয়ান… আজ যদি রাত কাটাতে হয় সেখানে, তাহলে সাবধানে থাকতে হবে। তোর মামা চোখ কান খোলা রাখেন।”
আমি মাথা নাড়লাম। কিন্তু মন বলছিল নতুন জায়গা মানে নতুন ঝুঁকি। আর নতুন ঝুঁকি মানে আরও তীব্র অনুভূতি।
মামার বাড়িতে পৌঁছালাম প্রায় সন্ধ্যায়। মামী বিছানায় শুয়ে। জ্বর। মামীকে দেখে মা ব্যস্ত হয়ে গেলেন। আমি বাইরের বারান্দায় বসলাম। একটু পরে মা এসে আমার পাশে বসলেন। চা নিয়ে। 
“বাবা এখনো ফোন করেননি,” মা বললেন। “হয়তো দেরি করবেন।”
সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলো। বাবা ফোন করে বললেন অফিসের কাজ শেষ হচ্ছে না, রাতে যেতে পারছেন না। আগামীকাল সকালে আসবেন। মামার বাড়িতেই থাকতে হবে আজ রাত।
রাতের খাবারের পর সবাই ঘুমোতে গেল। মামীকে নিচের রুমে রাখা হয়েছে। মামা সেখানেই থাকবেন। আমাদের জন্য উপরের একটা ছোট রুম দেওয়া হলো। একটাই বিছানা। জানালা দিয়ে গলির আলো আসছে।
মা দরজা বন্ধ করে তালা দিলেন। ঘুরে আমার দিকে তাকালেন। শাড়ি এখনো গায়ে। মামার বাড়ির উপরের রুমটা ছোট। একটা বিছানা, একটা আলমারি, আর জানালা দিয়ে গলির দুর্বল আলো। দরজায় তালা দিলেও দেয়াল পাতলা। নিচ থেকে মামার পায়ের শব্দ আর মামীর কাশির আওয়াজ পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল।
মা শাড়ি খুলে একটা পাতলা নাইটি পরে নিলেন। আমি লুঙ্গি পরে বিছানার একপাশে বসলাম। মা আমার পাশে এসে বসলেন। আমাদের হাঁটু লাগল। তিনি আমার হাত ধরলেন। আঙুল বুলিয়ে দিলেন। কিন্তু আর এগোলেন না।
“নিচে মামা এখনো জেগে আছেন,” মা ফিসফিস করে বললেন। কোনো শব্দ হলেই ওপরে উঠে আসবেন।”
আমি মাথা নাড়লাম। মায়ের হাত আমার হাতের ভিতর গরম লাগছিল। তার নাইটির গলা দিয়ে কণ্ঠা হাড়টা দেখা যাচ্ছিল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুলের একটা কাঁকড়া সরিয়ে দিলাম। মায়ের কাঁধ একটু কেঁপে উঠল। তিনি আমার দিকে তাকালেন। চোখে আগুন আর ভয় দুটোই।
“আজ নয়,” মা আস্তে বললেন। “চাইলেও পারব না। শুধু… এভাবে কাছে থাক।”
আমরা পাশাপাশি শুয়ে পড়লাম। মা আমার বুকের দিকে মুখ রাখলেন। তার হাত আমার পেটের উপর। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিলাম। নাইটির কাপড় পাতলা। তার শরীরের উষ্ণতা আঙুলের নিচে পাচ্ছিলাম। মা আমার বুকে একটা আলতো চুমু রাখলেন। তারপর আর কিছু করলেন না। শুধু শুয়ে রইলেন।
রাতে কয়েকবার মামীর কাশির শব্দ উঠে এল। একবার মামা সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে এসে দরজায় টোকা দিলেন।
“নাজিয়া, মামী পানি চাইছেন।”
মা তাড়াতাড়ি উঠে গাউন জড়িয়ে নিচে গেলেন। আমি অন্ধকারে শুয়ে শুনছিলাম তার পায়ের শব্দ। বুকের ভিতরটা অস্থির। মায়ের গায়ের গন্ধ এখনো বালিশে লেগে আছে। ধোন শক্ত হয়ে উঠেছিল, কিন্তু করার কিছু নেই। শুধু অপেক্ষা।
মা ফিরে এসে আবার পাশে শুলেন। এবার তিনি আমার হাতটা নিজের দুধের উপর রাখলেন। নাইটির উপর দিয়ে। আমি আঙুল নাড়ালাম না। শুধু রেখে দিলাম। মায়ের বুকের উঠানামা অনুভব করছিলাম। তিনি আমার কানে ফিসফিস করলেন, “ছুঁয়ো। কিন্তু আর এগোয়ো না।”
আমি আলতো করে তার দুধ চেপে ধরলাম। বোটাটা আঙুলের নিচে শক্ত। মায়ের শ্বাস একটু ভারী হলো। তিনি আমার হাত চেপে ধরলেন। তারপর সরিয়ে দিলেন।
“যথেষ্ট,” মা বললেন। “আজ এখানেই রাখতে হবে।”
রাতভর আমরা এভাবেই কাটিয়েছি। কখনো মা আমার বুকে মুখ রাখছেন, কখনো আমার হাত তার কোমরে, কখনো শুধু আঙুলের স্পর্শ। কিন্তু প্রতিবারই যখন বাতাস ভারী হয়ে উঠছিল, নিচ থেকে কোনো না কোনো শব্দ এসে ভেঙে দিচ্ছিল। মামীর কাশি, মামার পায়ের শব্দ, বাইরের কুকুরের ডাক। প্রতিটা শব্দ আমাদের থামিয়ে দিচ্ছিল।
সকালে উঠে দেখি মা ইতিমধ্যে নিচে চলে গেছেন। মামীকে সকালের ওষুধ খাওয়াচ্ছেন। আমি ধুয়ে মুছে নিচে গেলাম। মামা আমাকে দেখে বললেন, “আয়ান, তুই বাজার থেকে একটু দুধ আর পাউরুটি নিয়ে আয় তো।”
আমি বেরিয়ে গেলাম। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মনে পড়ছিল রাতের কথা। মায়ের দুধের উষ্ণতা, তার শ্বাস, আর সেই থেমে যাওয়া মুহূর্তগুলো। চাওয়া ছিল। কিন্তু পারা যায়নি। সেই অপূর্ণতাটাই আজকের সকালকে ভারী করে তুলছিল।
বাজার থেকে ফিরে এসে দেখি বাবা ফোন করেছেন। তিনি দুপুরের দিকে আসবেন। মামী একটু ভালো আছেন। মা আমাকে দেখে শুধু একবার তাকালেন। চোখে সেই একই কথা আজও পারা যাবে না। বাবা আসছেন।
দুপুরে বাবা এসে পৌঁছালেন। ঘরের পরিবেশ বদলে গেল। মা সাধারণ মায়ের মতোই আচরণ করছেন। আমিও সাধারণ ছেলের মতো। কিন্তু দুজনের চোখাচোখি হলেই বোঝা যাচ্ছিল রাতের অপূর্ণতা এখনো গায়ে লেগে আছে। বাবা মামীর খোঁজখবর নিচ্ছেন। মা চা বানাচ্ছেন। আমি বারান্দায় বসে আছি। হাতের তালুতে এখনো মায়ের দুধের অনুভূতি। আর মনটা বলছে এবার বাড়ি ফিরলে হয়তো আবার সুযোগ হবে। কিন্তু কবে? আর কতদিন এভাবে চাপা অনুভূতি নিয়ে চলতে হবে?
সন্ধ্যায় আমরা বাড়ি ফিরলাম। রিকশায় মা আমার পাশে বসলেন। এবার আর হাত রাখেননি। শুধু কাঁধে হালকা হেলান দিয়েছিলেন। চালকের সামনে কোনো ঝুঁকি নেননি। কিন্তু তার শ্বাস আমার গলায় এসে লাগছিল। আমি জানতাম তিনিও অস্থির। নতুন জায়গায় গিয়েও কিছু করতে পারেননি। সেই অপূর্ণতা দুজনকেই কামড়ে ধরেছিল।
বাড়িতে পৌঁছে বাবা টিভি খুলে বসলেন। মা রান্নাঘরে গেলেন। আমি নিজের রুমে ঢুকে দরজা লাগালাম। বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। গত রাতের মতো জোরে কিছু হয়নি। শুধু ছোঁয়া, শ্বাস, আর থেমে যাওয়া ইচ্ছা। সেই থেমে যাওয়াটাই আজ সবচেয়ে বেশি অস্থির করে তুলেছে। কাল কী হবে জানি না। শুধু এটুকু জানি যে শরীরে এখন একটা অপূর্ণ আগুন জ্বলছে। আর সেই আগুন সহজে নিভবে না।
বাড়ি ফিরে আসার পরের সকালটা সাধারণের মতোই শুরু হলো। বাবা অফিস যাওয়ার আগে চা খেলেন। মা রান্নাঘরে পরোটার জন্য আটা মাখছিলেন। আমি দাঁত মাজতে মাজতে শুনছিলাম তাদের কথাবার্তা। বাবা মামীর অসুখ নিয়ে দুশ্চিন্তা করছিলেন। মামাকে ফোন করে খোঁজ নিয়েছিলেন সকাল সকাল।
“মামী একটু ভালো আছেন বলেছে তোমার মামা,” বাবা বলছিলেন। “কিন্তু জ্বর পুরোপুরি ছাড়েনি। কাল আবার খোঁজ নিতে হবে।”
মা শুধু মাথা নাড়লেন। আটা মাখার ফাঁকে আমার দিকে একবার তাকালেন। চোখে কোনো বিশেষ ইঙ্গিত নেই। শুধু একটা ক্লান্তি। গত রাতের অপূর্ণতা হয়তো তার শরীরেও লেগে আছে। আমি দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলাম।
সকালের নাস্তার পর বাবা বেরিয়ে গেলেন। বাসাটা নিস্তব্ধ হয়ে এল। মা রান্নাঘরে থেকেই বললেন, “আয়ান, তোর কলেজের ক্লাস আছে আজ?”
“আছে। দুপুরে ফিরব।”
মা উত্তর দিলেন না। আমি তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মনে পড়ছিল মামার বাড়ির উপরের সেই ছোট রুমটার কথা। পাতলা দেয়াল। মামীর কাশির শব্দ। মামার পায়ের আওয়াজ। আর মায়ের হাত যখন আমার হাত ধরেছিল, তখনও শেষ পর্যন্ত কিছু করা যায়নি। সেই অপূর্ণ মুহূর্তগুলো এখনো শরীরে লেগে আছে। ধোন শক্ত হয়ে উঠছিল মনে পড়লেই, কিন্তু আমি জোর করে মন অন্যদিকে সরালাম।
কলেজে গিয়েও মন বসল না ভালো করে। ক্লাসের মাঝে খাতায় আঁকিবুকি করছিলাম। শিক্ষক কিছু জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল। এক বন্ধু পাশ থেকে বলল, “কী হয়েছে রে? এত অন্যমনস্ক কেন?”
আমি শুধু মাথা নাড়লাম। বলার মতো কিছু নেই। যা ঘটছে তা কাউকে বলা যায় না।
দুপুরে বাসায় ফিরে দেখি মা বারান্দায় বসে সবজি কাটছেন। আজ সাদা শাড়ি। চুল আলগা। আমাকে দেখে তিনি শুধু বললেন, “হাত ধুয়ে খাইয়া নে। ভাত রেডি আছে।”
আমি হাত ধুয়ে টেবিলে বসলাম। মা আমার পাশে এসে ভাত দিলেন। তার হাতের গন্ধ রসুন আর হলুদের সাথে মিশে তার নিজস্ব গন্ধ। আমি মাথা নিচু করে খেতে লাগলাম। মা আমার পাশেই বসলেন। তার হাঁটু আমার হাঁটুর খুব কাছে। কিন্তু ছুঁল না। আমরা দুজনেই চুপচাপ। শুধু থালায় চামচের শব্দ।
খাবার শেষে মা থালা নিয়ে রান্নাঘরে গেলেন। আমি পেছন থেকে তাকিয়ে দেখলাম তার শাড়ির আঁচল কোমরে গুঁজে রাখা। পেটের ভাঁজটা হালকা দেখা যাচ্ছিল। মন চাইল এগিয়ে গিয়ে কোমর জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু আমি উঠে নিজের রুমে চলে গেলাম। দরজা লাগিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম অনেকক্ষণ।
বিকেলের দিকে মা আমার রুমে এলেন। হাতে এক গ্লাস পানি। তিনি গ্লাসটা টেবিলে রেখে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে রইলেন। আমি উঠে বসলাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বললেন, “গত রাতের কথা মনে আছে?”
আমি মাথা নাড়লাম।
মা দরজাটা পুরোপুরি না বন্ধ করে হালকা ফাঁকা রেখে এগিয়ে এলেন। বিছানার পাশে বসলেন। আমার হাত ধরলেন। আঙুল বুলিয়ে দিলেন। তার হাতের তালু গরম।
“মামার বাড়িতে কিছু করতে পারিনি, কিন্তু শরীরটা… শরীরটা মানতে চায়নি। আমি তার হাত চেপে ধরলাম। মা আমার চোখের দিকে তাকালেন। চোখে ক্লান্তি আর একটা চাপা অস্থিরতা। তিনি আমার হাত তুলে নিজের গালে রাখলেন। আলতো করে ঘষলেন। তারপর সরিয়ে দিলেন।
“আজ বাবা সন্ধ্যায় ফিরবেন,” মা বললেন। “কাল তার ছুটি। দুদিন বাসায় থাকবেন। তাই… এখন কিছু করা যাবে না। শুধু এভাবে বসে থাকা।”
আমরা পাশাপাশি বসে রইলাম অনেকক্ষণ। মা আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। আমি তার চুলে আঙুল বুলিয়ে দিলাম। কোনো চুমু নেই। কোনো জোরে স্পর্শ নেই। শুধু পাশাপাশি বসে থাকা। পাখার হাওয়া দুজনের উপর দিয়ে যাচ্ছিল। বাইরে বাচ্চাদের খেলার শব্দ ভেসে আসছিল। ঘরের ভিতরটা শান্ত। কিন্তু দুজনের শরীরে একটা অপূর্ণ আগুন জ্বলছিল। সেই আগুনকে চেপে রাখার চেষ্টা চলছিল দুজনেরই।
একসময় মা উঠে দাঁড়ালেন। আমার হাত একবার আলতো করে চেপে ধরলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। দরজাটা আগের মতোই হালকা ফাঁকা রেখে। আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম। হাতের তালুতে এখনো তার গালের উষ্ণতা। মনটা বলছিল এগিয়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু পারছিলাম না। বাবা সন্ধ্যায় ফিরবেন। কাল পুরোদিন বাসায় থাকবেন। দুদিন ধরে এই অপূর্ণতা নিয়েই কাটাতে হবে।
সন্ধ্যায় বাবা ফিরলেন। টিভি চালু হলো। মা রাতের রান্নায় ব্যস্ত। আমি বারান্দায় বসে পড়ার ভান করছিলাম। মা একবার চা নিয়ে এলেন। কাপ দিতে গিয়ে আমাদের আঙুল লাগল। তিনি দ্রুত হাত সরিয়ে নিলেন। বাবা কিছু দেখেননি। তিনি খবর দেখছিলেন।
রাতের খাবারের পর বাবা ঘুমাতে চলে গেলেন। মা রান্নাঘর পরিষ্কার করছিলেন। আমি দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা পেছন ফিরে তাকালেন। চোখে সেই একই ক্লান্তি। তিনি মাথা নাড়লেন আস্তে করে। বললেন না কিছু। শুধু ইঙ্গিত দিলেন আজ নয়। আমি মাথা নাড়লাম। রুমে ফিরে এলাম।
বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। গত কয়েকদিনের কথা মনে পড়ছিল। মামার বাড়ির অপূর্ণ স্পর্শ। আজকের হাত ধরা। আর সেই বারবার থেমে যাওয়া ইচ্ছা। শরীর চাইছে। মনও চাইছে। কিন্তু পরিস্থিতি দিচ্ছে না। সেই না-পাওয়াটাই এখন সবচেয়ে বড় টান হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাল বাবা পুরোদিন বাসায় থাকবেন। পরশুও হয়তো। কবে আবার সুযোগ হবে জানি না। শুধু এটুকু জানি যে দুজনের শরীরে জমে থাকা আগুনটা প্রতিদিন একটু করে বাড়ছে। আর সেই আগুনকে চেপে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
ঘরের ভিতরটা নিস্তব্ধ। আমি বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে আছি। পাখা ঘুরছে। হাওয়া শরীরে লাগছে, কিন্তু গরম কমছে না। শরীরের ভিতরটা অস্থির। গত কয়েকদিনের কথাগুলো মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
মামার বাড়ি মায়ের হাত যখন আমার হাত ধরেছিল, তখন শরীরটা কেমন করে কেঁপে উঠেছিল। কিছু করতে পারিনি। শুধু ছুঁয়েছিলাম। দুধের উষ্ণতা হাতের তালুতে এখনো যেন লেগে আছে। নাইটির পাতলা কাপড়ের নিচে তার শরীরের নরম অনুভূতি… মনে পড়লেই ধোন শক্ত হয়ে উঠছে। আমি লুঙ্গির উপর দিয়ে হাত দিয়ে চাপ দিলাম। একটু স্বস্তি পেলাম, কিন্তু মন শান্ত হলো না।
আজ সারাদিন কেমন কেটেছে ভাবছি। কলেজে বসেছিলাম, কিন্তু শিক্ষকের কথা কানেই যায়নি। খাতায় লিখছিলাম আর মায়ের কথা ভাবছিলাম। তার সাদা শাড়ি। বারান্দায় সবজি কাটার সময় পেটের যে ভাঁজটা দেখা গিয়েছিল। হাত ধুয়ে টেবিলে বসার সময় তার হাতের গন্ধ। রসুন-হলুদের সাথে মিশে থাকা সেই পরিচিত গন্ধ। খেতে খেতে মন যাচ্ছিল তার হাঁটুর দিকে। খুব কাছে ছিল। ছুঁলেই হতো। কিন্তু ছুঁইনি। নিজেকে আটকে রেখেছিলাম।
বিকেলবেলা যখন সে রুমে এসে হাত ধরেছিল, তখন শরীরটা আরও অস্থির হয়ে উঠেছিল। গালে হাত রাখার অনুভূতি এখনো স্পষ্ট। তার চামড়া কেমন গরম লাগছিল। চুলে আঙুল বুলোবার সময় মন চাচ্ছিল আরও কাছে টুকে ধরতে। কিন্তু পারিনি। বাবা সন্ধ্যায় ফিরবেন জানতাম। কাল পুরোদিন বাসায় থাকবেন। পরশুও হয়তো। এই দুই-তিন দিন যেন পাহাড়ের মতো মনে হচ্ছে।
এখন রাত। বাবা ঘুমাচ্ছেন। মা হয়তো তার রুমে। আমি উঠে জানালার পাশে দাঁড়ালাম। বাইরে অন্ধকার। রাস্তায় একটা কুকুর হেঁটে যাচ্ছে। মনটা বলছে মায়ের রুমের দরজায় গিয়ে দাঁড়াতে। কিন্তু যাচ্ছি না। নিজেকে ধরে রেখেছি। যদি যাই, আর যদি সেবারের মতো করে হাত ধরে… তাহলে আর থামাতে পারব কি না জানি না। আর শব্দ হলে বাবা জেগে যেতে পারেন। সেই ভয়টাও আছে।
লুঙ্গি খুলে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। অন্ধকারে চোখ বন্ধ করলাম। মায়ের শরীর মনে করার চেষ্টা করছি। তার দুধের নরম চাপ। ভোদার গরম। গতবার যখন পুরোপুরি মিলেছিলাম, তখনকার অনুভূতি। শরীরটা এমনিই গরম হয়ে উঠল। হাত দিয়ে ধোন চেপে ধরলাম। আস্তে আস্তে নড়াতে শুরু করলাম। চোখ বন্ধ করে মায়ের মুখ মনে আনলাম। তার ঠোঁট। তার শ্বাস। তার গলায় যে ভাঙা আওয়াজ বেরোত… সব মনে পড়ছে। শরীর টানটান হয়ে উঠল। একটু পর রস বেরিয়ে হাত ভিজিয়ে দিল। বুকের ভিতরটা একটু হালকা হলো। কিন্তু মন শান্ত হলো না। বরং আরও খালি খালি লাগল।
হাত মুছে লুঙ্গি পরে আবার শুয়ে পড়লাম। ছাদের দিকে তাকিয়ে আছি। মনে হচ্ছে এই অপূর্ণতা আর সহ্য হচ্ছে না। কাল বাবা বাসায় থাকবেন। সারাদিন তার চোখের সামনে থাকতে হবে। মায়ের সাথে স্বাভাবিক আচরণ করতে হবে। চা খেতে হবে একসাথে। খাবার খেতে হবে এক টেবিলে। অথচ মনটা জানে যে মায়ের শরীরের প্রতিটা অংশ এখন আমার চেনা। তার গন্ধ আমার নাকে লেগে আছে। তার স্পর্শ আমার ত্বকে।
কতদিন এভাবে চলবে জানি না। কবে আবার সুযোগ হবে জানি না। শুধু এটুকু বুঝতে পারছি যে প্রতিদিন এই চাপা অনুভূতি নিয়ে থাকা কঠিন হয়ে উঠছে। শরীর চাইছে। মনও চাইছে। কিন্তু পরিস্থিতি দিচ্ছে না। আর সেই না-পাওয়াটাই এখন সবচেয়ে বেশি কামড়ে ধরছে। রাত কাটছে ধীরলয়ে। ঘুম আসছে না। শুধু মায়ের কথা আর শরীরের অস্থিরতা নিয়ে অন্ধকারের ভিতর পড়ে আছি।
কাল সারাদিন বাবা বাসায় ছিলেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। আমি ঘরে বসে পড়ার ভান করেছি। মা রান্নাঘরে আর বারান্দায় ব্যস্ত ছিলেন। আমরা কথা বলেছি খুব কম। চোখাচোখি হয়েছে কয়েকবার। প্রতিবারই মনে হয়েছে যেন কিছু একটা অসমাপ্ত থেকে গেছে।
আজ সকালে বাবা আবার অফিস চলে গেছেন। দুদিন পর। বাসাটা হালকা হয়ে গেছে। আমি বিছানায় শুয়ে সেই হালকা অনুভূতিটা টের পাচ্ছিলাম। দরজার বাইরে মায়ের পায়ের শব্দ আসছিল। তিনি চা বানাচ্ছেন। কেটলির শব্দ। আমি উঠে মুখ ধুয়ে রান্নাঘরের দিকে গেলাম।
মা আমাকে দেখে শুধু একবার তাকালেন। চায়ের কাপ এগিয়ে দিলেন। আমাদের আঙুল লাগল না। আমি কাপ নিয়ে টেবিলে বসলাম। মা আমার মুখোমুখি না বসে পাশেই দাঁড়িয়ে রইলেন। তার শাড়ির আঁচল থেকে হালকা গন্ধ ভাসছিল। আমি চায়ে চুমুক দিয়ে তার হাতের দিকে তাকালাম। সেই হাত দিয়েই সে আমাকে ছুঁয়েছিল। সেই হাত দিয়েই সে নিজের শরীর খুলে দিয়েছিল। এখন সেই হাত দিয়েই সে চায়ের কেটলি নাড়ছে। সাধারণ মায়ের মতো।
আমি মনে মনে বললাম, কতদিন এভাবে চলবে? কতদিন শুধু দেখব, ছুঁব না? কতদিন শরীরের ভিতরের এই অস্থিরতা চেপে রাখতে হবে?
মা হঠাৎ বললেন, “আজ দুপুরে আমি পাশের বাড়িতে যাব। তোমার খালার সাথে কথা আছে। তুই বাসায় থাকবি?”
আমি মাথা নাড়লাম। মা আমার দিকে আর তাকালেন না। তিনি জানেন আমি বাসায় থাকলে কী হতে পারে। তিনি হয়তো ইচ্ছে করেই বলছেন। অথবা সত্যিই খালার সাথে কাজ আছে। বোঝার উপায় নেই।
সকালটা কেটে গেল ধীরে। আমি ঘরে বসে বই খুলে রাখলাম। পড়া হচ্ছে না। মনটা বারবার মায়ের দিকে যাচ্ছে। তার হাঁটার শব্দ। থালাবাসন সরানোর শব্দ। কখনো কখনো তিনি আমার রুমের সামনে দিয়ে যাচ্ছেন। দরজা আধখোলা। আমি দেখছি তার শাড়ির ভাঁজ। কোমরের নড়াচড়া। মনটা অস্থির হয়ে উঠছে।
দুপুরের দিকে মা তৈরি হলেন। হালকা রঙের শাড়ি। চুল বাঁধা। তিনি আমার রুমের দরজায় এসে দাঁড়ালেন।
“আমি যাচ্ছি। দু-তিন ঘণ্টা লাগতে পারে। তুই খাইয়া নিস। রেখে দিয়েছি।”
আমি উঠে দাঁড়ালাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন এক মুহূর্ত। চোখে কিছু বলার মতো একটা ছায়া। আমি এগিয়ে গেলাম এক পা। মা সরলেন না। আমাদের মাঝে সামান্য দূরত্ব। আমি হাত বাড়িয়ে তার হাত ছুঁলাম। আঙুলের ডগায়। মায়ের হাত একটু কেঁপে উঠল। তিনি হাত সরালেন না। শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
কিছুক্ষণ পর তিনি হাত সরিয়ে নিলেন। 
“যাচ্ছি,” বলে তিনি বেরিয়ে গেলেন।
দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনে আমি জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। শাড়ির আঁচল হাওয়ায় নড়ছে। আমি ততক্ষণ দেখলাম যতক্ষণ না তিনি মোড়ের আড়ালে হারিয়ে গেলেন। তারপর ঘরের ভিতর ফিরে এলাম। বাসাটা একেবারে খালি। শুধু আমি। আর মায়ের রেখে যাওয়া গন্ধ।
আমি মায়ের রুমের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। দরজা আধখোলা। ভিতরে তার বিছানা। বালিশে তার চুলের গন্ধ। আমি ঢুকলাম না। শুধু দাঁড়িয়ে রইলাম। মনটা বলছে ঢুকে পড়তে। তার কাপড় ছুঁতে। তার গন্ধ নিতে। কিন্তু আমি থেমে গেলাম। নিজেকে ধরে রাখলাম। আজ নয়। আজ শুধু অপেক্ষা। তিনি ফিরে এলে… হয়তো তখন।
আমি নিজের রুমে ফিরে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। শরীরের ভিতরটা অস্থির। ধোন শক্ত হয়ে আছে। কিন্তু হাত দিয়েও কিছু করলাম না। শুধু শুয়ে রইলাম। মায়ের ফিরে আসার অপেক্ষায়। দু-তিন ঘণ্টা। সেই সময়টা এখন পাহাড়ের মতো মনে হচ্ছে। আর সেই অপেক্ষার ভিতর দিয়েই আমার মনটা আবার তাকে কাছে টানছে ধীরে ধীরে নিষিদ্ধভাবে।
Reply
#19

[quote pid="6308469" dateline="1788817464"]
মায়ের হাত আমার হাতের ভিতর গরম। তার উরুর উষ্ণতা তালুর নিচে লাগছে। আমরা পাশাপাশি বসে আছি। কথা নেই। শুধু শ্বাস আর পাখার শব্দ। বাসাটা খালি। বাবা নেই। এই নীরবতাটাই এখন সবচেয়ে ভারী মনে হচ্ছে।
আমি তার দিকে একটু হেলান দিলাম। মায়ের কাঁধ আমার কাঁধের সাথে মিশে গেল। তার চুলের গন্ধ নাকে এসে লাগল। বাইরের রোদের গন্ধ মিশে আছে। আমি চোখ বন্ধ করে সেই গন্ধটা নিলাম। মনটা বলছে আরও কাছে যেতে। হাত সরিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু আমি থেমে আছি। শুধু তার হাত ধরে আছি। আঙুল আলতো করে ঘষছি।
মা আমার হাতটা একটু চেপে ধরলেন। তারপর আস্তে করে আমার কবজিতে আঙুল রাখলেন। নাড়ির ছন্দ অনুভব করছেন যেন। তার আঙুলের ডগা আমার ত্বকে গরম লাগছে। আমি শ্বাস নিলাম গভীর করে। শরীরের ভিতরটা অস্থির। ধোন লুঙ্গির ভিতর শক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমি নড়ছি না। শুধু অনুভব করছি।
কিছুক্ষণ পর মা আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। তার চুল আমার গালে লাগল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে সরিয়ে দিলাম। মায়ের কানের পেছনের নরম চামড়া আঙুলের নিচে এল। তিনি একটু কেঁপে উঠলেন। কিন্তু সরলেন না। তার শ্বাস আমার গলার কাছে এসে পড়ছে। গরম। নিয়মিত। কখনো একটু দ্রুত হয়ে যাচ্ছে।
আমি মনে মনে ভাবছিলাম। গত কয়েকদিনের কথা। মামার বাড়িতে যে অপূর্ণতা নিয়ে ফিরেছিলাম। বাবার সামনে নিজেকে চেপে রাখা। রাতে একা শুয়ে শরীরের অস্থিরতা। আর আজ এই খালি বাসা। মা আমার পাশে। তার শরীরের উষ্ণতা আমার শরীরের সাথে মিশছে। তবুও পুরোপুরি এগোচ্ছি না। নিজেই নিজেকে আটকে রাখছি। যেন এই ধীরলয়ের ভিতর দিয়েই সবকিছু আরও গভীর হয়ে উঠছে।
মা আস্তে করে আমার হাতটা তুলে নিজের গালে রাখলেন। তার গালের চামড়া নরম। একটু গরম। আমি আঙুল দিয়ে আলতো করে বুলিয়ে দিলাম। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার ঠোঁটের কোণ একটু কেঁপে উঠল। আমি আর কিছু করলাম না। শুধু হাত রেখে দিলাম। তার গালের উষ্ণতা তালুতে ছড়িয়ে পড়ছে।
সময় কাটছে। বাইরে রাস্তার কোনো শব্দ ভেসে আসছে। দূর থেকে কোনো গাড়ির হর্ন। ঘরের ভিতরটা যেন আলাদা একটা জায়গা হয়ে গেছে। শুধু আমরা দুজন। আর এই নীরব স্পর্শ। মা আমার হাতটা ধরে নিজের গাল থেকে নামিয়ে নিলেন। তারপর আমার কবজিতে রেখে দিলেন। আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষতে লাগলেন। কোনো কথা নেই। শুধু এই ছোট ছোট স্পর্শ।
আমি তার দিকে তাকালাম। মায়ের চোখ বন্ধ। মুখ শান্ত। কিন্তু তার বুকের উঠানামা দেখে বোঝা যাচ্ছে তিনিও অস্থির। শাড়ির আঁচল সামান্য সরে তার গলার নিচের অংশ দেখা যাচ্ছে। ঘামের একটা সূক্ষ্ম রেখা। আমি হাত বাড়িয়ে সেই জায়গাটা ছুঁতে চাইলাম। কিন্তু থেমে গেলাম। নিজেকে বললাম, আস্তে। আরও আস্তে।
মা হঠাৎ আমার দিকে মুখ ঘোরালেন। চোখ খুলে আমার চোখের সাথে মিলল। কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তারপর আস্তে করে আমার কাঁধে মাথা রাখলেন আবার। তার এক হাত আমার পেটের উপর এসে পড়ল। লুঙ্গির উপর দিয়ে। আঙুল আলতো করে নড়ছে। আমি শ্বাস নিলাম। শরীরের ভিতরটা আরও গরম হয়ে উঠল। কিন্তু আমি তার হাত সরালাম না। শুধু বসে রইলাম। তার স্পর্শ অনুভব করতে থাকলাম।
এভাবেই বিকেলটা কেটে যাচ্ছে। কোনো জোরে কিছু নেই। কোনো তাড়া নেই। শুধু পাশাপাশি বসে থাকা। হাতের স্পর্শ। শ্বাসের উষ্ণতা। আর আমার মনের ভিতর যে অস্থিরতা জমে আছে, সেটা তার কাছাকাছি থাকার কারণে একটু একটু করে গলছে। তবুও পুরোপুরি মিলছে না। যেন এই না-মিলিয়ে রাখাটাই এখন সবচেয়ে বেশি টান তৈরি করছে। আমি জানি না আর কতক্ষণ এভাবে বসে থাকব। শুধু এটুকু জানি যে এখনো থামছি না। আর সেও সরছে না। দুজনেই এই নীরব কাছাকাছির ভিতর ডুবে আছি। ধীরে ধীরে। নিষিদ্ধভাবে। কিন্তু থেমে নেই।
মায়ের হাত আমার পেটের উপর থেকে সরল না। আঙুল আলতো করে নড়ছিল। লুঙ্গির কাপড়ের উপর দিয়ে। আমি শ্বাস নিলাম গভীর করে। শরীরের ভিতরটা টানটান। ধোন পুরো শক্ত হয়ে উঠেছে। তবু আমি নড়ছি না। শুধু তার স্পর্শ অনুভব করছি।
মা আমার কাঁধ থেকে মাথা তুললেন। আমার দিকে তাকালেন। চোখে একটা স্থির আগুন। তিনি আমার হাতটা ধরে নিজের কোমরের দিকে নিয়ে গেলেন। শাড়ির উপর দিয়ে। আমার আঙুল তার কোমরের ভাঁজে লাগল। গরম। নরম। মা আমার হাত চেপে ধরলেন সেখানে। সরালেন না।
আমি তার দিকে হেলান দিলাম। এবার আর দূরত্ব রাখলাম না। আমার বুক তার কাঁধের সাথে লাগল। মায়ের চুল আমার ঠোঁটের কাছে এসে পড়ল। আমি মাথা নিচু করে তার কানের কাছে মুখ রাখলাম। শুধু শ্বাস ছাড়লাম। গরম শ্বাস তার কানে লাগল। মায়ের শরীর একবার কেঁপে উঠল। তার হাত আমার হাত আরও শক্ত করে চেপে ধরল।
আমি হাত সরিয়ে তার পিঠের দিকে নিয়ে গেলাম। শাড়ির আঁচলের নিচে। কোমরের উপর দিয়ে আঙুল বুলিয়ে দিলাম। মা আমার দিকে আরও একটু ঢলে এলেন। তার বুক আমার হাতের সাথে লাগল। শাড়ি আর ব্লাউজের কাপড়ের ফাঁক দিয়ে তার উষ্ণতা পাচ্ছিলাম। আমি আঙুল দিয়ে সেই জায়গাটা আলতো করে ঘষলাম। মায়ের শ্বাস ভারী হয়ে গেল। তিনি আমার গলায় মুখ রেখে একটা ভাঙা শ্বাস ছাড়লেন।
এবার আমি তার মুখের দিকে তাকালাম। মাও তাকালেন। দুজনের চোখ মিলল। আমি মাথা নিচু করলাম। আমার ঠোঁট তার কপালে লাগল। হালকা। উষ্ণ। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। আমি আরেকটু নিচে নামলাম। তার চোখের পাতায় চুমু রাখলাম। তারপর গালে। মায়ের হাত আমার চুলে এসে আটকে গেল। তিনি আমাকে আরও কাছে টানলেন।
আমাদের ঠোঁট লাগল। শুকনো। কাঁপছে। আমি চাপ দিলাম একটু। মা সাড়া দিলেন। তার ঠোঁট আলতো করে খুলল। জিহ্বার ডগা ছুঁল আমার ঠোঁট। গরম। আমি আরও গভীরে গেলাম। চুমুটা ভেজা হয়ে উঠল। মায়ের হাত আমার পিঠে চাপ দিল। আমি তার কোমর শক্ত করে ধরলাম। দুজনের শরীর একেবারে মিশে গেল বিছানার উপর।
চুমু ভাঙল ধীরে। মায়ের কপাল আমার কপালে ঠেকল। দুজনের শ্বাস গরম হয়ে মিশছে। আমি তার গলার দিকে মুখ নিয়ে গেলাম। ঠোঁট রাখলাম কণ্ঠা হাড়ের উপর। জিহ্বা দিয়ে আলতো করে চাটলাম। মায়ের শরীর বেঁকে গেল। তার হাত আমার লুঙ্গির কোমরবন্দ পর্যন্ত নেমে এল। আঙুল দিয়ে টানল একটু। আমি থামলাম না। তার গলা থেকে আরও নিচে নামলাম। শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের কিনারায় ঠোঁট রাখলাম। মায়ের বুকের উপরের সাদা চামড়া। ঘামের স্বাদ। আমি জিহ্বা দিয়ে সেখানে রেখা টানলাম।
মা আমার মাথা তুলে ধরলেন। চোখে কোনো দ্বিধা নেই। তিনি আমার হাত ধরে নিজের ব্লাউজের বোতামের দিকে নিয়ে গেলেন। আমি একটা বোতাম খুললাম। তারপর আরেকটা। ব্লাউজ আলগা হয়ে গেল। মায়ের ব্রা-এর উপরের অংশ দেখা গেল। আমি হাত ঢুকিয়ে দিলাম ভিতরে। তার দুধের নরম উষ্ণতা তালুতে এসে লাগল। বোটা শক্ত। আমি আঙুল দিয়ে মুচড়ে দিলাম। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। তিনি আমার গলায় দাঁত বসিয়ে হালকা কামড় দিলেন।
আমি তাকে বিছানার উপর শুইয়ে দিলাম। শাড়ি উঠিয়ে তার উরু পর্যন্ত নিয়ে গেলাম। পেটিকোটের কিনারা। আমি হাত ঢুকিয়ে দিলাম ভিতরে। তার উরুর ভিতরের নরম চামড়া। আরও উপরে। ভোদার কাছে গরম অনুভূতি। মায়ের পা একটু ফাঁক হয়ে গেল। আমি আঙুল দিয়ে তার ভেজা ভাঁজ ছুঁলাম। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তিনি আমার হাত চেপে ধরলেন। সরালেন না। শুধু চাপ দিলেন।
বাইরে হঠাৎ একটা গাড়ির শব্দ শোনা গেল। দুজনেই থমকে গেলাম। শব্দটা দূরে চলে গেল। কিন্তু মুহূর্তটা ভেঙে গেল। মা আমার হাত সরিয়ে দিলেন। উঠে বসলেন। ব্লাউজের বোতাম আবার লাগাতে লাগলেন। তার হাত কাঁপছিল। আমিও উঠে বসলাম। লুঙ্গি ঠিক করলাম। দুজনের শ্বাস এখনো ভারী। ঘরের ভিতরটা গরম।
মা আমার দিকে তাকালেন। চোখে আগুন আর একটা সতর্কতা। তিনি আস্তে করে বললেন, “এখন নয়। বাবা যেকোনো সময় ফোন করতে পারে। বা কেউ এসে যেতে পারে।”
আমি মাথা নাড়লাম। শরীরের অস্থিরতা এখনো গায়ে লেগে আছে। ধোন শক্ত। মায়ের স্পর্শের অনুভূতি ত্বকে জ্বলছে। তিনি উঠে দাঁড়ালেন। দরজার দিকে এগোলেন। পেছন ফিরে একবার তাকালেন। তার ঠোঁট ফোলা। চুল এলোমেলো। তারপর বেরিয়ে গেলেন।
আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। হাতের তালুতে এখনো তার দুধের নরমতা। আঙুলে তার ভেজার গরম। চুমুর স্বাদ মুখে। আজ আরও কাছে গিয়েছিলাম। আরও খোলা। তবু শেষ পর্যন্ত থেমে গেছি। সেই থেমে যাওয়াটাই এখন বুকের ভিতর কামড়ে ধরেছে। বাসা খালি ছিল। সুযোগ ছিল। তবু থামতে হয়েছে। আর সেই অপূর্ণতা নিয়েই আমি অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইলাম। শরীর চাইছে আরও। মনও চাইছে। কিন্তু এখন শুধু অপেক্ষা। আবার। ধীরে ধীরে জমে ওঠা আগুন নিয়ে।
**Part 35**
মা বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘরটা আবার খালি হয়ে গেল। আমি বিছানায় শুয়ে রইলাম। শরীরের উত্তাপ এখনো নামেনি। হাতের তালুতে তার দুধের নরমতা, আঙুলে তার ভেজার গরম অনুভূতি এখনো জ্বলছে। চুমুর স্বাদ মুখে লেগে আছে। ধোন লুঙ্গির ভিতর পাথরের মতো শক্ত। আমি চাপ দিলাম একবার। তারপর হাত সরিয়ে নিলাম। আজ আর নিজে নিজে শেষ করতে চাইছি না। সেই অপূর্ণতা নিয়েই থাকতে চাই।
বাইরে মায়ের পায়ের শব্দ আসছিল। তিনি রান্নাঘরে গেছেন। থালাবাসন সরানোর শব্দ। স্বাভাবিক জীবন যেন আবার শুরু হয়ে গেছে। অথচ কিছুক্ষণ আগেই তার শরীর আমার হাতের নিচে ছিল। ব্লাউজ খোলা। শাড়ি উঠানো। আমার আঙুল তার ভোদার কাছে। সেই ছবিটা চোখ বন্ধ করলেই ভেসে ওঠে। মনটা অস্থির। শরীর আরও বেশি।
আমি উঠে জানালার পাশে দাঁড়ালাম। বাইরে সন্ধ্যা নামছে। রাস্তায় লোকজন হেঁটে যাচ্ছে। সাধারণ জীবন। আর এই বাসার ভিতর নিষিদ্ধ একটা আগুন জ্বলছে। আমি ভাবছিলাম কতবার এভাবে থেমে যেতে হবে। কতবার কাছাকাছি গিয়ে ফিরে আসতে হবে। প্রতিবারই শরীর আরও বেশি করে দাবি করছে। মনও। তবু পরিস্থিতি বারবার আটকে দিচ্ছে।
কিছুক্ষণ পর মা আমার রুমের দরজায় এসে দাঁড়ালেন। হাতে এক গ্লাস পানি। তিনি গ্লাসটা টেবিলে রেখে আমার দিকে তাকালেন। চোখে এখনো সেই আগুনের ছাপ। ঠোঁট সামান্য ফোলা। তিনি দরজাটা হালকা করে লাগিয়ে দিলেন। এগোলেন আমার দিকে।
আমি জানালা ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ালাম। মা আমার সামনে এসে থামলেন। দূরত্ব খুব কম। তার শাড়ির গন্ধ আবার নাকে এল। আমি হাত বাড়িয়ে তার কোমর ধরলাম। এবার আর দ্বিধা করলাম না। মা আমার বুকে মুখ রেখে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার হাত আমার পিঠে এসে লাগল। দুজনে জড়িয়ে ধরলাম একে অপরকে। শক্ত করে। শরীরের উষ্ণতা মিশে গেল।
মা আমার গলায় মুখ রেখে ফিসফিস করলেন, “বাবা আজ দেরিতে ফিরবে। ফোন করেছে। রাত নয়টার আগে নয়।”
কথাটা শুনে আমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল। সময় আছে। কয়েক ঘণ্টা। আমি তার মুখ তুলে ধরলাম। চোখের দিকে তাকালাম। মাও তাকালেন। আমি চুমু রাখলাম তার ঠোঁটে। এবার আর হালকা নয়। গভীর। ভেজা। মা সাড়া দিলেন পুরোপুরি। তার জিহ্বা আমার মুখে ঢুকে এল। হাত আমার চুলে জড়িয়ে গেল। আমি তার কোমর আরও শক্ত করে ধরলাম। শাড়ির আঁচল মুঠোয় এল।
আমরা বিছানার দিকে সরে গেলাম। মা বসলেন। আমি তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলাম। শাড়ি উঠিয়ে তার উরু পর্যন্ত নিয়ে গেলাম। পেটিকোটের কিনারা ধরে টানলাম। মা উঠে সাহায্য করলেন। কাপড়টা সরে গেল। তার উরুর সাদা চামড়া সন্ধ্যার আলোয় উজ্জ্বল। আমি দুই হাত দিয়ে তার উরু ধরলাম। মাথা নিচু করে ভিতরের দিকটায় চুমু রাখলাম। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তার হাত আমার মাথায় চাপ দিল।
আমি আরও উপরে উঠলাম। তার ভোদার কাছে গরম অনুভূতি। আঙুল দিয়ে প্যান্টির কিনারা সরিয়ে দিলাম। ভেজা। গরম। আমি জিহ্বা দিয়ে আলতো করে ছুঁলাম। মায়ের কোমর উঠে গেল। আমি জিহ্বা শক্ত করে তার ক্লিটের উপর রাখলাম। ঘষতে লাগলাম। বৃত্তাকার। চাপ দিয়ে। মায়ের শ্বাস ভেঙে যাচ্ছিল। তিনি আমার চুল মুঠো করে ধরলেন। আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম তার ভোদায়। গরম দেয়ালগুলো চেপে ধরল। আঙুল বাঁকিয়ে উপরের দিকটা ঘষতে লাগলাম। সাথে জিহ্বা দিয়ে ক্লিট চুষছিলাম।
মা হঠাৎ আমার মাথা তুলে ধরলেন। চোখ লাল। শ্বাস দ্রুত। তিনি আমাকে উপরের দিকে টানলেন। আমি উঠে তার উপর ঝুঁকলাম। দুজনের ঠোঁট মিলল আবার। গভীর। আমি তার ব্লাউজের বাকি বোতামগুলো খুলে দিলাম। ব্রা-এর হুক খুললাম। তার দুধ দুটো বেরিয়ে এল। আমি একটা মুখে নিলাম। জিহ্বা দিয়ে বোটা ঘষলাম। দাঁত দিয়ে হালকা টানলাম। মায়ের হাত আমার লুঙ্গি খুলে দিল। ধোন বেরিয়ে এল। তার হাত মুষ্ঠি করল। আলতো করে টানতে লাগল।
আমি তার পা ফাঁক করে মাঝখানে গেলাম। ধোন তার ভোদার মুখে রাখলাম। গরম। ভেজা। মা আমার পিঠে নখ গাড়লেন। আমি ধীরে করে ঠেললাম। মাথাটা ঢুকল। টানটান। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। আমি আরও ঠেললাম। আস্তে আস্তে পুরোটা ঢুকে গেল। দুজনের শরীর মিলিত হলো। আমি একটু স্থির হলাম। তার ভিতরের স্পন্দন অনুভব করছিলাম। তারপর দুলতে শুরু করলাম। ধীর গতিতে। লম্বা স্ট্রোক।
মা আমার গলায় মুখ রেখে শ্বাস ছাড়ছিলেন। তার দুধ আমার বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল। আমি গতি বাড়ালাম। জোরে। গভীরে। প্রতিটা ধাক্কায় তার ভোদা চটচট শব্দ করছিল। রস গড়িয়ে আমার উরু ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আমি তার একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে ক্লিট ঘষছিলাম। মায়ের শরীর টানটান হয়ে উঠল। তিনি আমার পিঠ জোরে চেপে ধরলেন। ভোদা আমাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে নামলেন। গরম রস ছড়িয়ে পড়ল। আমিও আর সামলাতে পারলাম না। তার গভীরে রস ঢেলে দিলাম। বারবার।
আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। শ্বাসকষ্টে। ঘামে ভেজা। মায়ের ভিতরে এখনো আছি। তার হাত আমার পিঠে আলতো করে ঘষছে। বাইরে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। সময় আছে এখনো। আমি তার কানে মুখ রেখে শুধু শ্বাস নিলাম। মা আমার চুলে আঙুল বুলিয়ে দিলেন। কোনো কথা নেই। শুধু শরীরের উষ্ণতা আর মিলনের পরের শান্তি। তবু মনের ভিতরটা জানে এটা শেষ নয়। আবার হবে। যখনই সুযোগ পাব। ধীরে হোক বা দ্রুত। এই নিষিদ্ধ আগুন আর নিভবে না।
[Image: JENDe.jpg]

[/quote]
Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)