Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900)
#1

 
প্রথম ভাগ - 



আকাশের ক্যানভাসে কমলা রঙের ছোঁয়া, দিনের শেষ রশ্মি ঘরের কোণে আলস্যে ঢলে পড়েছে। বইয়ের পাতায় চোখ রেখেও প্রতিমার মন সেদিকে নেই। তার সামনে বসে সুবীর, অঙ্কের জটিল সমীকরণ বোঝাতে ব্যস্ত। সুবীরের কণ্ঠস্বর শান্ত, গভীর, প্রতিটি শব্দ যেন মেপে মেপে উচ্চারিত। প্রতিমা তার শিক্ষকের দিকে তাকায়, সুবীরের কপালে চিন্তার ভাঁজ, ঘন ভ্রু যুগল, আর চোখে এক অদ্ভুত মায়া। তার বয়স মাত্র ষোলো, সুবীরের বত্রিশ। বয়সের এই ব্যবধানটা প্রথমদিকে একটা অদৃশ্য দেয়ালের মতো ছিল, কিন্তু মাসখানেকের সান্নিধ্যে সেই দেয়াল কবে যে ফিকে হয়ে গেছে, তা প্রতিমা নিজেও জানে না।
"বুঝতে পারছো তো প্রতিমা?" সুবীরের প্রশ্ন, তার দৃষ্টি প্রতিমার চোখে।
প্রতিমা চমকে ওঠে, বইয়ের দিকে চোখ নামায়। "হ্যাঁ, পারছি।" তার গলার স্বর কাঁপে।
সুবীর মৃদু হাসে, সেই হাসি প্রতিমার বুকে এক অজানা শিহরণ জাগায়। "তাহলে এই অঙ্কটা নিজে চেষ্টা করো।" সে খাতা এগিয়ে দেয়।
প্রতিমা পেন হাতে নেয়, কিন্তু তার ভাবনাগুলো অঙ্ক ছাড়িয়ে সুবীরের দিকেই ঘুরে যায়। সুবীরের স্পর্শ, তার চোখের গভীরতা, তার মৃদু হাসি—সবকিছুই তাকে এক নতুন অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়। সে প্রায়শই নিজেকে সুবীরের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে, তার স্বপ্নগুলো সুবীরময় হয়ে ওঠে।
একদিন পড়ানোর ফাঁকে, সুবীর প্রতিমার হাত ধরেছিল। শুধু একটি মুহূর্তের জন্য, কিন্তু সেই স্পর্শে প্রতিমার সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গিয়েছিল।
"তোমার হাতটা খুব নরম, প্রতিমা," সুবীর বলেছিল, তার চোখে এক নতুন আলো।
প্রতিমা দ্রুত হাত সরিয়ে নেয়। "স্যার, কি করছেন?" তার গাল লাল হয়ে ওঠে।
সুবীর তার দিকে ঝুঁকে আসে, তার নিঃশ্বাস প্রতিমার মুখে লাগে। "আমি জানি প্রতিমা, তুমিও আমার জন্য একই রকম অনুভব করো।"
প্রতিমা মাথা নিচু করে, তার হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়। "আমি... আমি কিচ্ছু জানি না।"
"তোমার চোখ কথা বলছে প্রতিমা," সুবীর তার চিবুক তুলে ধরে। "তোমার এই নীরবতা, এই লাজুকতা, সবই বলছে।"
সেই দিন থেকে তাদের সম্পর্ক এক নতুন মোড় নেয়। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে তাদের চোখে চোখ পড়ে, তাদের স্পর্শ আরও দীর্ঘ হয়। সুবীর প্রতিমার কপালে, গালে আলতো করে চুমু খায়। প্রতিমা প্রথমে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও, সুবীরের ভালোবাসার উষ্ণতায় সে নিজেকে ভাসিয়ে দেয়।
"আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্রতিমা," সুবীর বলেছিল এক সন্ধ্যায়, যখন সন্ধ্যাতারা সবেমাত্র আকাশে উঁকি দিচ্ছিল।
প্রতিমা তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। "আমিও আপনাকে ভালোবাসি, সুবীর।"
এই ভালোবাসা ছিল গোপন, লুকানো। কিন্তু গোপন কিছু কি আর চিরকাল গোপন থাকে? একদিন প্রতিমার মা তাদের দুজনকে একসাথে দেখে ফেলে। সুবীর তখন প্রতিমার হাত ধরেছিল, তাদের চোখে ছিল গভীর প্রেম।
"এসব কি হচ্ছে প্রতিমা?" মায়ের তীক্ষ্ণ স্বর ঘরে প্রতিধ্বনিত হয়। "আর আপনি, সুবীরবাবু, আপনি কি করছেন?"
সুবীর প্রতিমার হাত ছাড়িয়ে নেয়, তার মুখে উদ্বেগ। "মাসিমা, আমি..."
"আপনার আর কিছু বলার দরকার নেই!" মায়ের চোখ থেকে আগুন ঝরে। "আমার মেয়ের শিক্ষক আপনি, আর এই বয়সে আপনি এসব করছেন? আপনার লজ্জা করে না?"
সেই রাতে বাড়িতে ঝড় ওঠে। বাবা-মা দুজনেই সুবীরের উপর ক্ষিপ্ত।
"সুবীর তোর থেকে ষোলো বছরের বড়!" বাবা গর্জে ওঠেন। "আর তার উপর তোর শিক্ষক! আমরা এই বিয়েতে রাজি নই, প্রতিমা।"
মায়ের কণ্ঠস্বরও কঠিন। "আমরা তোমার ভালো চাই প্রতিমা। এই সম্পর্ক কোনোদিন ভালো হবে না।"
প্রতিমা কেঁদে ওঠে। "কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসি, মা! বাবা!"
"ভালোবাসা!" বাবা ব্যঙ্গ করে। "এইটুকু বয়সে ভালোবাসার মানে কি বোঝিস তুই? এটা মোহ, আর কিছু নয়।"
"আমাদের সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছো তুমি," মা মাথা চাপড়ান। "সমাজ কি বলবে?"
প্রতিমার চোখে তখন শুধু সুবীরের মুখ। এই পৃথিবীতে সুবীরই তার একমাত্র আশ্রয়, একমাত্র ভরসা। বাবা-মায়ের এই প্রত্যাখ্যান তার বুকে তীক্ষ্ণ ছুরি চালায়।
ঠিক সেই সময়েই যেন বিধাতা তাদের দিকে মুখ তুলে তাকালেন। সুবীর পুরুলিয়ার একটি কলেজে প্রধান শিক্ষকের চাকরি পেল। সঙ্গে সরকারি কোয়ার্টার। এই খবরটা যেন তাদের মরচে ধরা ভালোবাসায় নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করে।
সুবীর প্রতিমার কাছে আসে, তার চোখে এক নতুন স্বপ্ন। "আমরা পালিয়ে যাব, প্রতিমা।"
প্রতিমা চমকে ওঠে। "পালিয়ে যাব? কোথায়?"
"পুরুলিয়া। আমার নতুন কর্মস্থল। সেখানে আমাদের নতুন জীবন শুরু হবে।" সুবীরের চোখে দৃঢ়তা। "তুমি কি আমার সাথে যাবে?"
প্রতিমা এক মুহূর্ত ভাবে। বাবা-মায়ের মুখ, তাদের রাগ, সমাজের চোখ—সবকিছুই তার সামনে ভেসে ওঠে। কিন্তু সুবীরের ভালোবাসা, তার উষ্ণ স্পর্শ, তার প্রতিজ্ঞা, সবকিছুকে ছাপিয়ে যায়।
"আমি যাব, সুবীর," প্রতিমা উত্তর দেয়, তার চোখে জল, কিন্তু মুখে দৃঢ়তা। "আমি শুধু তোমার।"
সেই রাতেই তারা তাদের এলাকার থেকে একটু দূরের এক মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করে। চারপাশে কোনো আত্মীয়-স্বজন নেই, শুধু মন্দিরের পুরোহিত আর দুজন সাক্ষী। সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিতেই প্রতিমার মনে হয়, সে যেন এক নতুন জীবনে পা রাখছে। এরপর তারা সোজা পুরুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
পুরুলিয়ার সরকারি কোয়ার্টারটি ছোট, কিন্তু পরিচ্ছন্ন। নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন। সুবীর পরদিন সকালেই কলেজে যোগদান করে। সেই রাত, তাদের বিয়ের প্রথম রাত। প্রতিমার মনে উত্তেজনা আর ভয় মেশানো এক অদ্ভুত অনুভূতি। সে খাটের এক কোণে বসে আছে, শাড়ির আঁচলটা শক্ত করে ধরে।
সুবীর ঘরে ঢোকে, তার চোখে গভীর ভালোবাসা। সে প্রতিমার পাশে এসে বসে, তার হাত ধরে।
"ভয় পাচ্ছো, প্রতিমা?" সুবীরের কণ্ঠস্বর শান্ত।
প্রতিমা মাথা নাড়ে। "একটু।"
সুবীর তাকে নিজের কোলে তুলে নেয়, প্রতিমার নরম শরীরটা তার বুকে মিশে যায়। সুবীরের স্পর্শে প্রতিমার সারা শরীরে এক উষ্ণ স্রোত বয়ে যায়। সুবীর তার কপালে আলতো করে চুমু খায়, তারপর গাল বেয়ে ঠোঁটে নেমে আসে। তাদের ঠোঁট একে অপরের সাথে মিশে যায়। সুবীরের ঠোঁট উষ্ণ, নরম। সে প্রতিমার নিচের ঠোঁটটা হালকা করে চুষে নেয়, তারপর নিজের জিভটা প্রতিমার মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। প্রতিমাও সাড়া দেয়, তার জিভ সুবীরের জিভের সাথে খেলা করে। তাদের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে ওঠে, ভালোবাসার এই প্রথম স্পর্শে প্রতিমার শরীর কাঁপতে থাকে। সুবীর তার জিভ দিয়ে প্রতিমার মুখের ভেতরের প্রতিটি অংশ যেন আবিষ্কার করতে চায়, প্রতিমার জিভ টেনে নিজের মুখে নিয়ে আসে, চুষতে থাকে। প্রতিমার মুখ থেকে এক মৃদু গোঙানির শব্দ বেরিয়ে আসে।
সুবীর ধীরে ধীরে প্রতিমার ব্লাউজের বোতামগুলো খুলতে শুরু করে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে থাকে, তার বুকের ধুকপুকানি যেন কানে বাজছে। ব্লাউজটা খুলে যেতেই তার নরম বুক সুবীরের চোখে পড়ে। সুবীর আলতো করে ব্লাউজটা সরিয়ে দেয়, তারপর তার ব্রা'র ফিতা খোলে। ব্রা'টা সরে যেতেই প্রতিমার দু'টি পূর্ণ মাই সুবীরের সামনে উন্মুক্ত হয়। মাইগুলো ছোট, কিন্তু সুডৌল, তার বোঁটাগুলো উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠেছে।
সুবীর এক মুহূর্ত সেদিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর তার ঠোঁট নেমে আসে প্রতিমার মাইয়ের উপর। প্রথমে সে একটি মাইয়ের বোঁটা মুখে পুরে নেয়, আলতো করে চুষতে শুরু করে। প্রতিমা চমকে ওঠে, তার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। সুবীরের জিভের উষ্ণ স্পর্শে বোঁটাটা আরও শক্ত হয়ে ওঠে। সুবীর এক হাতে মাইটা টিপে ধরে, অন্য হাতে আরেকটি মাইয়ের বোঁটা আলতো করে মলে দেয়। প্রতিমা তার চুলের মধ্যে আঙুল চালিয়ে দেয়, তার মুখ থেকে এক চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে আসে। সুবীর মাইগুলো চুষতে থাকে, টিপতে থাকে, যেন সে তার সমস্ত ভালোবাসা উজাড় করে দিচ্ছে। তার চোষায় প্রতিমার মাইগুলো লাল হয়ে ওঠে, বোঁটাগুলো ফুলে ওঠে, স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। প্রতিমা সুখের আবেশে চোখ বন্ধ করে, তার শরীর থরথর করে কাঁপতে থাকে। সুবীর এক মাই থেকে অন্য মাইয়ে যায়, জিভ দিয়ে বোঁটাগুলো ঘিরে ধরে, তারপর আলতো করে কামড়ে দেয়। প্রতিমার বুক থেকে এক গভীর শ্বাস বেরিয়ে আসে।
সুবীর এবার প্রতিমার পেটিকোটের ফিতা খোলে। পেটিকোটটা শরীর থেকে খসে পড়তেই প্রতিমা সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে যায়। তার মসৃণ ত্বক, পাতলা কোমর, আর নিচে তার যৌনাঙ্গ—সবকিছুই সুবীরের সামনে উন্মুক্ত। প্রতিমা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে নেয়, তার গাল দুটো সিঁদুরে রাঙা। সুবীর তাকে সাবধানে বিছানায় শুইয়ে দেয়।
সুবীর প্রতিমার কোমরের কাছ থেকে শুরু করে, তার মসৃণ পেটে চুমু খেতে থাকে। তারপর ধীরে ধীরে নিচে নামে, তার জিভ প্রতিমার নাভি ছুঁয়ে যায়। প্রতিমার শরীর মৃদু কেঁপে ওঠে। সুবীর তার জিভ দিয়ে প্রতিমার নাভিটাকে চুষতে থাকে, তারপর আরও নিচে নামে। প্রতিমার যোনিদেশ তখন লোমে ঢাকা, কিন্তু তার ভেতরের গোলাপী পাপড়িগুলো উঁকি দিচ্ছে। সুবীর তার মুখটা প্রতিমার যোনিদেশের উপর রাখে, তার উষ্ণ নিঃশ্বাস প্রতিমার যোনিতে লাগে। প্রতিমা চমকে ওঠে, তার হাত দিয়ে সুবীরের মাথাটা চেপে ধরে।
সুবীর আলতো করে তার জিভটা প্রতিমার যোনিপথের মুখে রাখে, তারপর ধীরে ধীরে ভেতরের দিকে ঠেলে দেয়। প্রতিমা তার পা দুটো ছড়িয়ে দেয়, তার শরীর এক অজানা উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে। সুবীর তার জিভ দিয়ে প্রতিমার যোনিমুখের প্রতিটি অংশ চুষতে থাকে, তার ভেতরের রসাল অংশগুলো জিভ দিয়ে স্পর্শ করে। প্রতিমার যোনিপথ তখন ভিজে উঠেছে, তার ভেতরের উত্তাপ সুবীরের জিভে লাগছে। সুবীর তার জিভটা আরও গভীরে ঢুকিয়ে দেয়, তার জিভের ডগা দিয়ে প্রতিমার ক্লিটরিসটাকে আলতো করে ঘষতে থাকে। প্রতিমা তার কোমর বাঁকিয়ে তোলে, তার মুখ থেকে এক চাপা গোঙানির শব্দ বেরিয়ে আসে। সুবীরের জিভ যোনিপথের গভীরে প্রবেশ করে, তার ভেতরের প্রতিটি ভাঁজ সে যেন আবিষ্কার করতে চায়। প্রতিমা সুখের আবেশে চোখ বন্ধ করে, তার শরীর থরথর করে কাঁপতে থাকে। সুবীর তার জিভ দিয়ে ক্লিটরিসটাকে চুষতে থাকে, তার চারপাশের নরম মাংসল অংশগুলো টিপে ধরে। প্রতিমা তার পা দুটো সুবীরের পিঠের উপর রাখে, তার শরীর যেন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না। সুবীরের জিভের প্রতিটি টানে প্রতিমার শরীর কেঁপে ওঠে, তার ভেতরের উষ্ণতা যেন ফেটে পড়তে চায়।
প্রায় পনেরো মিনিট ধরে সুবীর প্রতিমার কুমারী যোনি চুষতে থাকে। প্রতিমার শরীর তখন সুখের চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। তার যোনিপথ থেকে এক উষ্ণ স্রোত বেরিয়ে আসে, তার শরীর শিথিল হয়ে পড়ে। সে সুখের আবেশে কেলিয়ে পড়ে, তার মুখ থেকে এক তৃপ্তির গোঙানি বেরিয়ে আসে।
"আহ্... সুবীর..." প্রতিমা ফিসফিস করে, তার নিঃশ্বাস দ্রুত।
সুবীর তার মুখ তুলে নেয়, প্রতিমার ভেতরের রসাল অংশগুলো তার মুখে লেগে আছে। সে প্রতিমার বগল, পেট, উরু—সর্বত্র চুষতে থাকে, কামড়াতে থাকে। তার জিভের স্পর্শে প্রতিমার শরীর নতুন করে জেগে ওঠে। সুবীর প্রতিমার যোনিমুখের চারপাশে আবারও চুষতে থাকে, তার জিভ দিয়ে ভেতরের রসাল অংশগুলো পরিষ্কার করে নেয়। প্রতিমা তার পা দুটো আরও ছড়িয়ে দেয়, সুবীরের মুখের স্পর্শে তার শরীর নতুন করে উত্তেজিত হয়। সুবীর তার জিভটা প্রতিমার যোনিপথের গভীরে ঢুকিয়ে দেয়, তারপর আলতো করে টেনে নেয়। প্রতিমা তার কোমর বাঁকিয়ে তোলে, তার শরীর সুখের আবেশে কাঁপতে থাকে। এইভাবে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সুবীর প্রতিমার উলঙ্গ শরীরটাকে দলাই-মালাই করে, চোষে, চাটে, আর কামড়াতে থাকে। এই এক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিমা আরও দু-তিনবার জল খসিয়ে দেয়, তার শরীর তখন সম্পূর্ণ শিথিল, কিন্তু তার মনে এক অদ্ভুত তৃপ্তি।
সুবীর এবার উঠে বসে, তার শরীর থেকে কাপড় খুলে ফেলে। প্রতিমা সুবীরের দিকে তাকায়, তার চোখ বিস্ফারিত হয়। সুবীরের আট ইঞ্চি লম্বা আর তিন ইঞ্চি মোটা লিঙ্গটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তার মাথায় রক্ত জমে লাল হয়ে আছে। প্রতিমা এমন কিছু আগে দেখেনি, তাই সে আঁতকে ওঠে।
"ভয় পেও না, প্রতিমা," সুবীর তার হাত ধরে। "এটা ভালোবাসার চিহ্ন।"
সুবীর প্রতিমার পা দুটো নিজের কাঁধের উপর তুলে নেয়। প্রতিমার যোনিপথ তখন সম্পূর্ণ ভিজে, তার ভেতরের পাপড়িগুলো উন্মুক্ত। সুবীর তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথের মুখে রাখে, আলতো করে ঘষতে থাকে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে নেয়, তার শরীর কাঁপতে থাকে। সুবীর এবার তার লিঙ্গটা আলতো করে ঠেলে দেয়। প্রথমবার প্রতিমার কুমারী যোনিতে কিছু প্রবেশ করছে, তাই এক মৃদু ব্যথা অনুভব করে সে। কিন্তু সুবীরের ভালোবাসা আর তার স্পর্শে সেই ব্যথা যেন এক নতুন অনুভূতির জন্ম দেয়।
সুবীর আরও কিছুটা চাপ দেয়। প্রতিমার কুমারী সতীচ্ছদ ছিন্ন হয়, এক তীক্ষ্ণ ব্যথা প্রতিমার শরীর ভেদ করে যায়। প্রতিমা এক চাপা আর্তনাদ করে ওঠে, তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে।
"ব্যথা লাগছে?" সুবীর তার কপালে চুমু খায়।
প্রতিমা মাথা নাড়ে। "একটু।"
সুবীর লিঙ্গটা আরও গভীরে ঠেলে দেয়। প্রতিমার যোনিপথ তখন সম্পূর্ণভাবে সুবীরের লিঙ্গ দিয়ে পূর্ণ। সুবীর কিছুক্ষণ স্থির থাকে, প্রতিমার শরীরকে মানিয়ে নিতে সময় দেয়। প্রতিমার যোনিপথের উষ্ণতা আর তার ভেতরের আঁটসাঁট অনুভূতি সুবীরকে আরও উত্তেজিত করে তোলে।
সুবীর এবার ধীরে ধীরে ঠাপ দিতে শুরু করে। প্রথম ঠাপটা ছিল আলতো, তারপর ধীরে ধীরে তার গতি বাড়ে। প্রতিমা প্রথমে ব্যথা অনুভব করলেও, সুবীরের ঠাপের সাথে সাথে সেই ব্যথা এক নতুন সুখে রূপান্তরিত হয়। প্রতিমার যোনিপথ থেকে এক অদ্ভুত শ্লিকের শব্দ বেরিয়ে আসে, তাদের শরীর একে অপরের সাথে মিশে যায়। সুবীরের লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথের গভীরে প্রবেশ করে, তার ভেতরের প্রতিটি ভাঁজ যেন অনুভব করে। প্রতিমা তার কোমর বাঁকিয়ে তোলে, সুবীরের প্রতিটি ঠাপের সাথে সাথে তার শরীর ঢেউয়ের মতো দুলে ওঠে।
সুবীর তার গতি বাড়ায়, তার ঠাপগুলো আরও গভীর হয়। প্রতিমার যোনিপথ থেকে ফেনা বেরিয়ে আসে, তাদের শরীর ঘামে ভিজে যায়। সুবীর বিভিন্ন পজিশনে প্রতিমাকে ঠাপাতে থাকে, কখনো সে প্রতিমার উপর ঝুঁকে পড়ে, কখনো প্রতিমার পা দুটো নিজের কাঁধের উপর তুলে নেয়। প্রতিমার মুখ থেকে সুখের গোঙানি আর আর্তনাদ বেরিয়ে আসে, তার শরীর তখন সম্পূর্ণ সুবীরের নিয়ন্ত্রণে। সুবীর তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথের গভীরে ঠেলে দেয়, তার ভেতরের উষ্ণতা আর আঁটসাঁট অনুভূতি তাকে আরও উত্তেজিত করে তোলে। প্রতিমা তার নখ দিয়ে সুবীরের পিঠ আঁচড়ে দেয়, তার শরীর সুখের আবেশে কাঁপতে থাকে।
প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সুবীর প্রতিমাকে ঠাপাতে থাকে। তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথের গভীরে প্রবেশ করে, তার ভেতরের প্রতিটি ভাঁজ যেন অনুভব করে। প্রতিমার যোনিপথ থেকে ফেনা বেরিয়ে আসে, তাদের শরীর ঘামে ভিজে যায়। সুবীর তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথ থেকে বের করে আনে, তারপর আবার গভীরে ঠেলে দেয়। প্রতিমা তার কোমর বাঁকিয়ে তোলে, সুবীরের প্রতিটি ঠাপের সাথে সাথে তার শরীর ঢেউয়ের মতো দুলে ওঠে। সুবীর তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনিপথের গভীরে প্রবেশ করিয়ে তার সমস্ত বীর্যপাত করে দেয়। প্রতিমার যোনিপথ তখন সুবীরের উষ্ণ বীর্য দিয়ে পূর্ণ। প্রতিমা সুখের আবেশে চোখ বন্ধ করে, তার শরীর শিথিল হয়ে পড়ে।
কিন্তু সুবীরের তৃষ্ণা তখনও মেটেনি। সে প্রতিমাকে জড়িয়ে ধরে, তার ঠোঁটে চুমু খায়। তারপর আবার ঠাপাতে শুরু করে। সারারাত ধরে সুবীর প্রতিমাকে নির্মমভাবে চোদে, চোষে। প্রতিমার শরীর তখন ক্লান্ত, কিন্তু তার মনে এক অদ্ভুত তৃপ্তি। তাদের শরীর ঘামে ভিজে একাকার, কিন্তু তাদের ভালোবাসা আরও তীব্র হয়। সুবীর বারবার বীর্যপাত করে, প্রতিমার শরীর তখন তার উষ্ণ বীর্য দিয়ে পূর্ণ।
এভাবেই তাদের নতুন জীবন শুরু হয়। প্রথম কয়েক মাস যেন ভালোবাসার জোয়ারে ভেসে যায়। সুবীরের অবিরাম চোদনের ফলে প্রতিমার শরীর আরও রসালো হয়ে ওঠে। তার মাইগুলো তরমুজের মতো দেখতে হয়, তার যোনিপথ আরও উষ্ণ আর রসালো হয়ে ওঠে। তাদের ভালোবাসা দিনে দিনে আরও তীব্র হয়, তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
কিন্তু সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয় না। একদিন সুবীর কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পর হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রতিমা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু ডাক্তাররা তাকে বাঁচাতে পারে না। সুবীর মারা যাওয়ার আগে প্রতিমার হাত ধরেছিল, তার চোখে ছিল এক গভীর বিষাদ।
"প্রতিমা... তুমি আবার বিয়ে করো," সুবীর ফিসফিস করে। "আমি মরে... আমার আত্মা শান্তি পাবে।"
তার কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হয়ে আসে, তারপর সে চিরতরে চোখ বোজে।
প্রতিমা পাথরের মতো দাঁড়িয়ে থাকে, তার পৃথিবী যেন এক মুহূর্তেই ভেঙে যায়। সুবীর চলে গেছে, তাকে একা করে দিয়ে। বাবা-মায়ের অমতে তারা বিয়ে করেছিল, তাই তাদের খোঁজ কেউ রাখত না। সুবীরের মৃত্যুর পর কলেজ ও সরকারের থেকে এককালীন মোটা টাকা পায় প্রতিমা, মাসে পেনশনও পায়। কিন্তু কোনো টাকাই সুবীরের অভাব পূরণ করতে পারে না। তার শূন্যতা প্রতিমার বুকে এক গভীর ক্ষত তৈরি করে।
সুবীরের মৃত্যুর কিছুদিন পর প্রতিমা অসুস্থ হয়ে পড়ে। হাসপাতালে গিয়ে সে এক সুখবর পায়, কিন্তু তার মনে এক অদ্ভুত কষ্টও বাসা বাঁধে। সে গর্ভবতী। সুবীরের স্মৃতি, তার ভালোবাসা, তার সন্তান—সবকিছুই প্রতিমার মনে এক মিশ্র অনুভূতি তৈরি করে।
সময় তার নিজের গতিতে চলে। নির্ধারিত সময়ে প্রতিমা এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। তার জীবনে আসে এক নতুন আলো, এক নতুন উদ্দেশ্য। সন্তানকে নিয়েই তার দিন কাটে। তাকে সাহায্য করার জন্য ছিল একমাত্র এক প্রতিবেশী মহিলা, যার নাম রীতা। রীতা প্রতিমার খুব ভালো বান্ধবী হয়ে ওঠে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে, বাচ্চা হলে বাড়িতে নিয়ে আসে।
"তুমি একা কি করে সামলাবে সব?" রীতা প্রতিমার পাশে বসে। "আমি তো আছি।"
প্রতিমা রীতার হাত ধরে। "তুমি না থাকলে আমি কি করতাম, কে জানে।"
বাড়িতে ফিরে প্রতিমা তার ছেলেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ছোট্ট শিশুটি তার সমস্ত মন জুড়ে থাকে। তাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য সে সারাদিন ছেলের কাছেই বসে থাকে। তার ছোট্ট হাত, তার নিষ্পাপ মুখ—সবকিছুই প্রতিমার মনে এক অদ্ভুত শান্তি এনে দেয়।
এভাবেই দশ বছর কেটে যায়। প্রতিমা আর বিয়ে করেনি। ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সে তার সমস্ত কামনা-বাসনা, পুরুষের ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা গলা টিপে মেরে ফেলে। তার একমাত্র লক্ষ্য তার ছেলের ভবিষ্যৎ। সুবীরের স্মৃতি, তার ভালোবাসা, তার সন্তান—সবকিছুই প্রতিমাকে এক নতুন পথে চালিত করে। তার জীবন এখন শুধু তার ছেলের জন্য।
Reply
#2

দ্বিতীয় ভাগ:-



এই ২০ বছর কেটে গেল, সৌম্যর গ্র্যাজুয়েশনের রেজাল্ট বেরোনোর দিনটা ছিল মেঘলা। প্রতিমা হাতে মার্কশিটটা নিয়ে দুবার চোখ মুছল। ছেলের অভাবনীয় সাফল্য তাকে গর্বে ভরিয়ে দিলেও বুকের ভেতর একটা অজানা আশঙ্কার মেঘ জমছিল।
"মা, এবার কাগজটা রাখো। অনেক হয়েছে।" সৌম্য আলনা থেকে একটা শার্ট টেনে নিল। তার চওড়া কাঁধ আর সুঠাম দেহ এখন পুরোপুরি একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের।
প্রতিমা চশমাটা টেবিলের ওপর রেখে বলল, "এত ভালো রেজাল্ট করেছিস সৌম্য, তুই কি সত্যি আর পড়বি না? আমি তো পেনশন আর বাবার জমানো টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নিতে পারব।"
সৌম্য ঘুরে দাঁড়াল। তার চোখে এক অদ্ভুত কাঠিন্য। "না মা। কুড়ি বছর তুমি একলা লড়াই করেছ। আমার পড়াশোনার জন্য নিজের শখ-আহ্লাদ সব বিসর্জন দিয়েছ। এবার আমি হাল ধরব।"
"কিন্তু ব্যবসা?" প্রতিমা দ্বিধাভরে তাকাল।
"হ্যাঁ, স্টেশনারি দোকান। এই পাড়াতেই একটা বড় ঘর ঠিক করেছি। কলেজের সামনের এলাকা, খাতা-কলম-বইয়ের বিক্রি খুব ভালো হবে।" সৌম্যর গলায় আত্মবিশ্বাস।
সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই দোকানটা চালু হয়ে গেল। নাম রাখা হলো 'প্রতিমা জেনারেল স্টোর'। প্রতিদিন ভোরে উঠে সৌম্য দোকানে যায়, আর দুপুরের দিকে প্রতিমা গরম ভাত আর তরকারি নিয়ে দোকানে পৌঁছায়।
একদিন দুপুরবেলা। রোদের তেজ খুব বেশি। প্রতিমা আঁচলে মুখ মুছতে মুছতে দোকানে ঢুকল। পরনে একটা পাতলা সুতির শাড়ি, যা তার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠা শরীরের প্রতিটি ভাঁজকে স্পষ্ট করে তুলছিল। ৩৮ বছর বয়সেও তার অটুট যৌবন আর ভরাট স্তনযুগল যে কোনো পুরুষের নজর কাড়তে বাধ্য।
দোকানে তখন তিনজন খদ্দের দাঁড়িয়ে ছিল। তারা খাতা কেনার অজুহাতে ড্যাবড্যাব করে প্রতিমার বুক আর কোমরের দিকে তাকিয়ে আছে। সৌম্য ক্যাশবাক্সে বসে সব লক্ষ্য করছিল। তার চোয়াল শক্ত হয়ে এল।
"বউদি, আপনার হাতের রান্না নিশ্চয়ই খুব ভালো?" একজন মাঝবয়সী লোক নির্লজ্জভাবে হেসে বলল।
প্রতিমা অপ্রস্তুত হয়ে হাসার চেষ্টা করল, "হ্যাঁ... মানে ছেলে তো তাই বলে।"
"মা, তুমি ভেতরে এসো।" সৌম্যর গলাটা বরফের মতো ঠান্ডা শোনাল।
প্রতিমা ভেতরে ঢুকে টিফিন বক্সটা টেবিলের ওপর রাখল। সৌম্য খদ্দেরদের বিদায় করে দিয়ে ভেতরে ঢুকল। তার বুকটা রাগে ধকধক করছে।
"মা, কাল থেকে তুমি আর দোকানে আসবে না।" সৌম্য সোজা ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলল।
প্রতিমা অবাক। "কেন রে? কী হয়েছে? আমার আসতে তো কষ্ট হয় না।"
"কষ্টর কথা না মা। এই রাস্তার লোকগুলোর নজর ভালো না। ওরা যখন তোমার দিকে নোংরাভাবে তাকায়, আমার ইচ্ছে করে ওদের চোখগুলো উপড়ে ফেলি।" সৌম্যর হাতের মুঠি শক্ত হয়ে এল।
প্রতিমা কিছুক্ষণ থমকে রইল। ছেলের এই অভিভাবকসুলভ আচরণ তাকে একই সাথে অবাক আর আশ্বস্ত করল। সে ধীর গলায় বলল, "ঠিক আছে বাবা, তুই যখন বলছিস, আমি আর আসব না।"
দিন কয়েক পরের ঘটনা। রাত তখন এগারোটা। সৌম্য দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফিরেছে। কিন্তু এক রাতে সবকিছু বদলে যায়। সৌম্য দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরেই মায়ের খোঁজ করে, 'মা, কোথায়?' প্রতিমার ঘরের দরজা পুরো বন্ধ নয়, একটু ফাঁক। সে আলতো করে ঠেলে দেখে— ভেতরে প্রতিমা সবে বাথরুম থেকে স্নান করে বেরিয়েছে। গায়ে শুধু একটা সাদা তোয়ালে জড়ানো। ভেজা চুল থেকে জল চুইয়ে পড়ছে তার ফর্সা পিঠে। তোয়ালের ওপর দিয়ে তার ভরাট স্তনের উদ্ধত অংশ উঁকি দিচ্ছে। প্রতিমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরটা দেখছিল। টাওয়ালটা তার বুকের উপর দিয়ে শক্ত করে বাঁধা, কিন্তু তার ভরাট স্তনের উপরের অংশ উঁকি দিচ্ছে—সেই নরম, গোলাকার উত্তলতা, যা টাওয়ালের ফাঁকে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করছে কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছে। তার কোমরের সেই সূক্ষ্ম ঘার, টাওয়ালের নিচে লুকানো কিন্তু তার হাত যখন চুল মুছতে উঠল, তখন তার শরীরের সেই মসৃণ বক্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। প্রতিমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল, তার হাত টাওয়ালটা একটু টেনে সামলে নিচ্ছিল, তার ত্বকে সেই স্নানের পরের নরমতা যেন আলোতে জ্বলজ্বল করছিল। সৌম্যর চোখ আটকে গেল সেই দৃশ্যে—তার মায়ের শরীর, যা সে কখনো এভাবে দেখেনি, একটা নিষিদ্ধ সৌন্দর্য যা তার হৃদয়কে কাঁপিয়ে দিল।
সৌম্য দরজার ফাঁক দিয়ে সেই দৃশ্য দেখল। তার রক্তে যেন কেউ আগুন ধরিয়ে দিল। প্যান্টের ভেতর তার পুরুষাঙ্গটা এক ঝটকায় লাফিয়ে উঠল। সে নিজের চোখ সরাতে পারছিল না। মায়ের এই নগ্নপ্রায় রূপ তার মাথা ঝিমঝিম করে দিল। লজ্জায় আর অপরাধবোধে সে সেখান থেকে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে গেল, কিন্তু সেই ছবি তার মগজে গেঁথে রইল। কিন্তু সৌম্যর মনে যে কামনার আগুন জ্বলতে শুরু করেছিল, তা প্রতিমা জানত না।
পরের কয়েকটা দিন সৌম্যর কাছে নরকবাসের মতো কাটল। সে বারবার নিজেকে বোঝাল, "ওটা আমার মা!" কিন্তু অবদমিত কামনা কোনো বাধা মানছিল না। প্রতিমার সেক্সি ফিগার, সেই পরিপক্ক সৌন্দর্য যা বয়সের সাথে আরও গভীর হয়েছে, তাকে তাড়া করত। তার চোখ এখন তার মায়ের শরীরের দিকে চলে যেত, অজান্তেই। সকালে রান্নাঘরে প্রতিমা যখন ঝুঁকে বসে সবজি কাটত, তার শাড়ির আঁচল সরে যেত, এবং তার ব্লাউজ থেকে তার ভরাট স্তনের উপরের অংশ উঁকি দিত—সেই নরম, গোলাকার উত্তলতা যা তার শ্বাসের সাথে ওঠানামা করত। সৌম্য দূর থেকে দেখত, তার চোখ আটকে যেত সেই দৃশ্যে, তার শরীরে আবার সেই উষ্ণতা জাগত। সে দ্রুত চোখ সরিয়ে নিত, কিন্তু তার মন সেই ছবিতে আটকে থাকত।
           একদিন দুপুরে, প্রতিমা চা নিয়ে এল তার জন্য। সে বাড়িতে ফিরে এসেছে দোকান থেকে একটু বিশ্রাম নিতে। প্রতিমা তার সামনে বসল, কাপটা এগিয়ে দিল, তার হাত তার হাতে স্পর্শ করল—সেই নরম স্পর্শ যা আগে শুধু মাতৃত্বের ছিল, এখন তার মধ্যে একটা নতুন বিদ্যুৎ বয়ে যেত। শাড়ির আঁচলটা সামান্য সরে গেল, এবং তার বুকের উত্তলতা স্পষ্ট হয়ে উঠল—সেই গভীর খাঁজ, যা তার শ্বাসের সাথে কাঁপছিল। সৌম্যর চোখ সেখানে চলে গেল, তার ঠোঁট শুকিয়ে গেল। 'মা, তোমাকে. সুন্দর লাগছ,' ফিসফিস করে বলল সে, তার কণ্ঠে একটা অদৃশ্য কম্পন। প্রতিমা হাসল, তার চোখে একটা নরমতা, কিন্তু সে লক্ষ করল না তার ছেলের দৃষ্টির গভীরতা। 'তুই ক্লান্ত, চা খা' বলল সে, তার আঙুল তার গালে হালকা স্পর্শ করল। সেই স্পর্শে সৌম্যর শরীর কেঁপে উঠল, তার মনে সেই রাতের ছবি ফিরে এল—টাওয়ালের নিচে লুকানো তার মায়ের শরীর। সে চোখ নামিয়ে নিল, কিন্তু তার হৃদয়ে একটা নতুন আকর্ষণ জন্ম নিচ্ছিল, যা তাদের বন্ধনকে ধীরে ধীরে জটিল করে তুলছিল। প্রতিমা তার ছেলের এই পরিবর্তন লক্ষ করছিল না, কিন্তু তার নিজের শরীরে সেই দমিত কামনা কখনো কখনো জেগে উঠত, যেন সুবীরের স্মৃতি তার ছেলের স্পর্শে মিশে যাচ্ছিল। সৌম্যর অনুভূতি গভীর হচ্ছিল, এবং সেই অনুভূতির মধ্যে মিশে ছিল ভালোবাসা এবং ক্ষুধা—একটা নিষিদ্ধ মিশ্রণ যা তাদের জীবনকে নতুন পথে নিয়ে যাচ্ছিল।
তার এক বন্ধু রঞ্জিত একদিন তার অবস্থা দেখে বলল, "তোর কী হয়েছে রে সৌম্য? দোকানপাটে মন নেই, শরীরটাও ভেঙে যাচ্ছে।"
সৌম্য শুকনো হাসল। "কিছু না রে, চাপের মধ্যে আছি।"
রঞ্জিত গলা নামিয়ে বলল, "বুঝতে পারছি। তোর বয়স হয়েছে, শরীরে টান লেগেছে। একটা কাজ কর, সোনাগাছির দিকে যা। ওখানের মেয়েছেলেগুলোর কাছে গেলে দেখবি সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। মনের ময়লা ধুয়ে যাবে।"
সৌম্য প্রথমে মানা করলেও, নিজের নিষিদ্ধ চিন্তা থেকে বাঁচতে সে একদিন রাজি হয়ে গেল।
সন্ধ্যাবেলা সোনাগাছির গলিগুলোতে তখন রঙের মেলা। আতর আর ঘামের মিশেল গন্ধে বাতাস ভারি। সৌম্যর বুক দুরুদুরু করছে। হঠাতই তার চোখে পড়ল রিয়াকে। লাল শাড়িতে মোড়া রিয়া দাঁড়িয়ে ছিল একটা থামের পাশে। তার স্তন দুটো যেন ব্লাউজ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
"আসবে বাবু?" রিয়া চটুল হাসল।
সৌম্য কথা না বলে তার পিছু পিছু ছোট একটা ঘরে ঢুকল। ঘরের ভেতর ম্লান আলো। রিয়া দরজা বন্ধ করে সৌম্যর দিকে এগিয়ে এল। "খুব নার্ভাস লাগছে? এসো, জামাটা খোলো।"
সৌম্য নিজের শার্ট আর প্যান্ট খুলে ফেলল। রিয়া যখন তার জাঙ্গিয়াটা নিচে নামাল, তার চোখ কপালে উঠল। সৌম্যর সামনে দাঁড়িয়ে আছে ১০ ইঞ্চি লম্বা আর ৩ ইঞ্চি মোটা এক বিশালকায় পুরুষাঙ্গ। শিরাগুলো ফুলে আছে, অগ্রভাগটা লাল হয়ে চকচক করছে।
"ওরে বাবা! এটা কি মানুষের নাকি অসুরের?" রিয়া আঁতকে উঠল।
সৌম্য হাসল। তার ভেতরের জানোয়ারটা আজ মুক্তি পেতে চায়। সে রিয়ার মাথাটা ধরে নিচু করে দিল। "চোষ এটাকে।"
রিয়া হাঁটু গেড়ে বসল। দুহাতে সেই বিশাল দণ্ডটা ধরে মুখে নিল। কিন্তু তার মুখের গর্তে অর্ধেকটাও ঢুকল না। সৌম্যর শক্তিতে রিয়া হাঁসফাঁস করতে লাগল। সৌম্য তার চুল ধরে বারবার গলার গভীরে ঠেলে দিতে লাগল। রিয়ার চোখে জল চলে এল, কিন্তু সৌম্যর করুণা নেই। পনেরো মিনিট ধরে 'ব্লো-জব' নেওয়ার পর সে রিয়াকে বিছানায় ছুড়ে ফেলল।
রিয়ার শাড়িটা এক ঝটকায় ছিঁড়ে ফেলে সে তার দুই পা ফাঁক করল। রিয়ার যোনিটা ভিজে গেছে কামনায় আর ভয়ে। সৌম্য তার বিশাল ১০ ইঞ্চির ডগাটা রিয়ার যোনিদ্বারে ঠেকাল।
"আহ! ওটা ঢুকিও না, মরে যাব আমি!" রিয়া চিৎকার করে উঠল।
সৌম্য কোনো কথা শুনল না। এক হেঁচকা ঠাপে পুরো দণ্ডটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। রিয়ার আর্তনাদে ঘরটা কেঁপে উঠল। সৌম্য শুরু করল তার নির্মম ঠাপানো। প্রতি সেকেন্ডে দুবার করে সে তার শরীরের পুরো শক্তি দিয়ে রিয়ার ভেতরে যাতায়াত করছিল। রিয়ার স্তন দুটো বাতাসের ঝাপটায় লাফাচ্ছে।
"বাবু! ওহ্... একটু আস্তে করো... ফেটে যাবে আমার ভেতরটা!" রিয়া গোঙাতে লাগল।
সৌম্যর কানে তখন কোনো কথা যাচ্ছে না। সে অমানুষিক শক্তিতে ঠাপিয়ে চলল। কুড়ি মিনিট পর রিয়ার শরীর থরথর করে কাঁপতে লাগল, সে দুবার বীর্যপাত করল। কিন্তু সৌম্য থামার নামও নেই। সে রিয়াকে উপুড় করে দিল। পোঁদটা ওপরে তুলে ধরে সে তার যোনিতে আবার পিছন থেকে আঘাত করতে শুরু করল।
পচ্‌পচ্ শব্দে ঘরটা মুখরিত। সৌম্যর হাতের মুঠোয় রিয়ার চুল। সে জানোয়ারের মতো গর্জন করতে করতে ঠাপাচ্ছিল। আধঘণ্টা পর রিয়া প্রায় নিস্তেজ হয়ে এল। সৌম্য এবার রিয়াকে নিজের গায়ের ওপর বসাল।
"এবার তুমি করো।" সৌম্য নির্দেশ দিল।
রিয়া ক্লান্ত শরীরেও সৌম্যর ওপর উঠতে-নামতে লাগল। সৌম্য নিচ থেকে সজোরে নিতম্ব ঠেলে দিচ্ছিল। রিয়ার স্তনগুলো তার মুখে আছড়ে পড়ছিল, আর সে পাগলের মতো সেগুলো চুষতে আর কামড়াতে লাগল। এই পজিশনে রিয়া আরও তিনবার অর্গাজম পেল।
পুরো দুই ঘণ্টা ধরে এই তাণ্ডব চলল। শেষে সৌম্য রিয়াকে পাঁজাকোলা করে তুলে দেওয়ালে ঠেকিয়ে ধরল। শূন্যে ঝুলিয়ে সে তার বিশাল দণ্ডটা রিয়ার জরায়ুর শেষ সীমা পর্যন্ত ঠেলে দিল। রিয়ার জ্ঞান হারানোর উপক্রম। সৌম্য শেষ কয়েকটা জোরালো ঠাপ দিয়ে গর্জন করে উঠল। গরম বীর্যের ধারা রিয়ার যোনিপথ ছাপিয়ে বাইরে গড়িয়ে পড়ল।
সৌম্য প্যান্ট পরে টাকাটা টেবিলের ওপর রেখে বেরিয়ে গেল। রিয়া বিছানায় পড়ে রইল আধমরা হয়ে। সে ভাবছিল, "দেবতা না রাক্ষস? এমন চোদন এ জন্মে আর দেখিনি।"
       তখনও তার মনের জ্বালা কমল না। এটা শুধু শারীরিক ছিল, তার হৃদয়ের ক্ষুধা অপূর্ণ রয়ে গেল। সে টাকা দিয়ে বেরিয়ে এল, তার পা ভারী, কিন্তু মন আরও অশান্ত।
        কয়েকদিন পর, সেই ঘটনার পর, প্রতিমার প্রতিবেশী বন্ধু লীলা এসে তার ঘরে বসল। লীলা ছিল প্রতিমার বিশ্বস্ত সঙ্গিনী, যে সুবীরের মৃত্যুর পর থেকে তার পাশে ছিল। তার চোখে উদ্বেগ, কণ্ঠে একটা দ্বিধা। 'প্রতিমা, তোমার ছেলের কথা শুনেছি। সে... বেশ্যাদের বাড়িতে যায়। আমার ছেলে দেখেছে। এটা ঠিক না, তোমার মতো একা মায়ের জন্য।'
          প্রতিমা রাগে ফেটে পড়ল। সৌম্য বাড়ি ফিরতেই সে তার ঘরের দিকে পা বাড়াল। কিন্তু দরজার কাছে গিয়ে সে থমকে গেল। দরজাটা সামান্য খোলা।
ভেতরে সৌম্য তখন বিছানায় উলঙ্গ হয়ে শুয়ে। সে চোখ বন্ধ করে হস্তমৈথুন করছিল আর অস্ফুট স্বরে বলছিল, "মা... ওহ মা... তোমার ওই নরম ও কোমল শরীরটা..."
প্রতিমা দরজার ফাঁক দিয়ে যা দেখল, তাতে তার হার্টবিট বন্ধ হওয়ার জোগাড়। সৌম্যর হাতের মুঠোয় সেই বিশাল ১০ ইঞ্চির পুরুষাঙ্গ। সে সবেমাত্র বীর্যপাত করে হাঁপাচ্ছে। প্রতিমা ভয়ে আর বিস্ময়ে ওখান থেকে পালিয়ে নিজের ঘরে ঢুকল। তার মাথায় শুধু একটাই ছবি ঘুরছে—ছেলের ওই অমানুষিক যৌনাঙ্গ।
পরদিন সকালে প্রতিমা সৌম্যকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠাল। তার মুখ গম্ভীর।
"সৌম্য, তুই নাকি কাল ওই নিষিদ্ধ পাড়ায় গিয়েছিলি?" প্রতিমা সরাসরি প্রশ্ন করল।
সৌম্য মাথা নিচু করে রইল। তার গলায় অপরাধবোধ। "মা... আসলে... আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি।"
"নিজেকে সামলানোর জন্য তো বিয়ে করতে পারিস। আমি ঠিক করেছি তোর বিয়ে দেব।" প্রতিমা শক্ত গলায় বলল।
সৌম্যর চোখ দুটো লাল হয়ে উঠল। সে রুখে দাঁড়াল। "বিয়ে আমি করব না মা। কক্ষনো না।"
"কেন? কী অসুবিধা তোর?"
"কারণ আমি একজনকে ভালোবাসি। তাকে ছাড়া আর কাউকে নিজের জীবনে জায়গা দিতে পারব না।" সৌম্যর গলায় দৃঢ়তা।
প্রতিমা একটু নরম হয়ে জিজ্ঞেস করল, "কে সে? আমাকে নামটা বল। আমি তাকেই তোর বউ করে ঘরে নিয়ে আসব।"
সৌম্য কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, "তার নাম আমি বলতে পারব না। বললে তুমি আমাকে আজীবনের জন্য ঘৃণা করবে।"
"আমি তোর মা, আমি তোকে ঘৃণা করব না।" প্রতিমা এগিয়ে এল।
"না মা।" সৌম্য কয়েক পা পিছিয়ে গেল। "যদি তুমি আমাকে বিয়ের জন্য আরও জোর করো, আমি ঘর ছেড়ে চলে যাব। আমি চাই না আমাদের এই শান্ত সংসারে তৃতীয় কেউ এসে অশান্তি করুক।"
সৌম্য ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। প্রতিমা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে রইল। সে জানত না, তার নিজের ছেলেই তার জন্য কামনায় দগ্ধ হচ্ছে।
মাস চারেক কেটে গেল। সৌম্যর মুখের দাড়ি আরও ঘন হয়েছে। সে এখন অনেকটা গম্ভীর। রাতে একা ঘরে সে শুধু মায়ের কথা ভেবেই নিজের কামজ্বালা মেটাত। প্রতিমা যখন সামনে আসত, সে শুধু তার চোখের দিকে তাকিয়ে উত্তর খুঁজত। সে এক ব্যর্থ প্রেমিক, যার প্রেমিকার নাম তার নিজের মা।
প্রতিমাও আর বিয়ের কথা তোলেনি। সে বুঝেছিল, সৌম্যর জেদ পাথর থেকেও শক্ত। দোকানের কাজে সৌম্য নিজেকে ডুবিয়ে দিলেও, রাতের অন্ধকার তাকে বারবার মনে করিয়ে দিত তার সেই নিষিদ্ধ তৃষ্ণার কথা।
গল্পটা এখানেই শেষ হয় না, বরং এক নতুন জটিলতার মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে মা আর ছেলের সম্পর্কটা দাঁড়িয়ে আছে এক অদৃশ্য আগ্নেয়গিরির ওপর।
Reply
#3

তৃতীয় ভাগ:-




বিকেলের পড়ন্ত রোদ রান্নাঘরের জানলা দিয়ে এসে প্রতিমার মুখে পড়ছিল। তিনি রুটি বেলছিলেন, কিন্তু তাঁর মন পড়ে ছিল পাশের ঘরে, যেখানে সৌম্য গত কয়েকদিন ধরে নিজেকে বন্দি করে রেখেছে। বাজারের থলিটা টেবিলে নামিয়ে রেখে প্রতিমা সোজা সৌম্যের ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালেন।
 "সৌম্য, দরজা খোল। কথা আছে," প্রতিমার গলায় আজ কাঠিন্য।
 ভেতর থেকে কোনো শব্দ এল না। প্রতিমা দরজায় ধাক্কা দিলেন।
 "তোর কোনো জেদ আমি শুনব না। আজ তোকে বলতেই হবে, কোন মেয়ে তোর মাথাটা এভাবে চিবিয়ে খাচ্ছে? কে সে?"
 অনেকক্ষণ পর কপাটের খিল খোলার শব্দ হলো। সৌম্য সামনে এসে দাঁড়াল। উস্কোখুস্কো চুল, চোখের নিচে কালি, গালে কয়েক দিনের না কাটা দাড়ি। ওকে দেখে প্রতিমার বুকটা ফেটে গেল, কিন্তু তিনি নিজেকে শক্ত করলেন।
 "বল নামটা। কার জন্য নিজের জীবনটা এভাবে শেষ করছিস?" প্রতিমা তীক্ষ্ণ স্বরে জানতে চাইলেন।
 সৌম্য জানলার দিকে তাকিয়ে রইল, "ছেড়ে দাও না মা। তুমি বুঝবে না।"
 "আমি বুঝব না? তোর জন্য সারাটা জীবন একা কাটিয়ে দিলাম, আর আজ তুই আমাকে পর করে দিচ্ছিস? তোর মায়ের দিব্যি, যদি আজ না বলিস, আমি এই বাড়ি ছেড়ে চিরকালের মতো চলে যাব।" প্রতিমার চোখে জল টলটল করছে।
 সৌম্য চমকে ওর মায়ের দিকে তাকাল। প্রতিমার দুঁদে দৃষ্টির সামনে সে কুঁকড়ে গেল। ওর বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠল।
 "বলবি না?" প্রতিমা এক পা এগিয়ে এলেন।
 "তুমি সহ্য করতে পারবে না মা," সৌম্যর কণ্ঠস্বর কাঁপছে।
 "কেন? সে কি কোনো মন্দ মেয়ে? নাকি অন্য জাতের? যা-ই হোক, আমি মেনে নেব। শুধু বল নামটা।"
 সৌম্য একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ওর সারা শরীরে যেন এক লহমায় আগুনের স্রোত বয়ে গেল। সে আর পারল না।
 "সে তুমি মা! আমি তোমাকে ভালোবাসি। কোনো মা হিসেবে নয়, একজন নারী হিসেবে। আমার প্রতিটি নিশ্বাসে শুধু তুমি আছো!" সৌম্য চিৎকার করে বলে উঠল।
 ঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে জমে বরফ হয়ে গেল। প্রতিমা পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর কান ভোঁ ভোঁ করছিল। নিজের ছেলের মুখে একি কথা শুনলেন তিনি?
 "কি... কি বললি তুই?" প্রতিমার গলা দিয়ে স্বর বেরোচ্ছিল না।
 "হ্যাঁ! আমি তোমাকে ভালোবাসি। ওই দোকানের লোকগুলো যখন তোমার দিকে নোংরাভাবে তাকায়, আমার বুকটা ফেটে যায়। আমি চাই শুধু আমি তোমাকে দেখি, আমি তোমাকে ছুঁই। এটাই সত্যি।" সৌম্যর চোখে আজ কোনো লজ্জা নেই, শুধু এক আদিম তৃষ্ণা।
 'চটাশ' করে একটা শব্দ হলো। প্রতিমার হাতটা সৌম্যর বাঁ গালে সজোরে আছড়ে পড়ল।
 "ছিঃ! তুই জানোয়ার! নিজের জন্মদাত্রী মাকে নিয়ে তোর মনে এই পাপ? আমি তোকে এই শিক্ষা দিয়েছি?" প্রতিমা ঘৃণায় কাঁপছিলেন।
 "মা, আমি—"
 "চুপ কর! একদম চুপ! আর একটা কথাও বলবি না। আজ থেকে তুই আমার কাছে মরে গেছিস।" প্রতিমা ঝড়ের বেগে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।
 সৌম্য নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। সেই রাতে সে আর ডিনার করতে বেরোল না। 
 রাত তখন দুটো। প্রতিমার ঘুম আসছিল না। তৃষ্ণায় গলা শুকিয়ে কাঠ। তিনি যখন বাথরুমের দিকে যাচ্ছিলেন, সৌম্যর ঘর থেকে একটা অদ্ভুত গোঙানির শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি কপাটে কান পাতলেন।
 "মা...আমি থাকতে পারব না তোমাকে ছাড়া..... কিন্তু আমি তোমার ঘৃণা সহ্য করতে পারবো না। তাই আমি দূরে চলে যাব... অনেক দূরে।" সৌম্যর কান্নায় ভেজা কণ্ঠস্বর প্রতিমার কানে এল।
 প্রতিমা দেখলেন দরজার ফাঁক দিয়ে—সৌম্য তাঁর একটা পুরনো ছবির ওপর মুখ রেখে ডুকরে কাঁদছে। প্রতিমার মনে হলো তাঁর মাতৃত্ব আর নারীত্বের মধ্যে এক বিশাল যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তিনি নিঃশব্দে নিজের ঘরে ফিরে এলেন।
 পরের কয়েকটা দিন ছিল বিভীষিকার মতো। সৌম্য কথা বলে না, খায় না। প্রতিমা খাবার দিয়ে আসলেও সে ছোঁয় না। ওর চেহারাটা কেমন যেন প্রেতাত্মার মতো হয়ে যাচ্ছে। প্রতিমা ভাবলেন, এভাবে চললে ছেলেটা পাগল হয়ে যাবে। ওর মন ঘোরানো দরকার।
 "সৌম্য, কাল আমরা পুরী যাচ্ছি। আমি ট্রেনের টিকিট কেটেছি," একদিন সকালে প্রতিমা নিরুত্তাপ গলায় বললেন।
 সৌম্য মুখ না তুলেই বলল, "আমি যাব না।"
 "যাবি। আমি তোর মা হিসেবে বলছি। সমুদ্রের হাওয়ায় তোর এই নোংরা চিন্তাগুলো ধুয়ে যাবে। আমাদের বেরোনো দরকার।"
 সৌম্য আর প্রতিবাদ করল না। হয়তো মায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার শেষ সুযোগ হিসেবেই সে এটাকে মেনে নিল। 
 দুদিন পর তারা সমুদ্রের পাড়ে এক হোটেলের সামনে দাঁড়াল। কিন্তু রিসেপশনে গিয়ে দেখা গেল এক বিপত্তি।
 "ম্যাডাম, খুব দুঃখিত। একটা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে আপনাদের একটা রুমই বুক হয়েছে। আর এখন কোনো রুম খালি নেই," ম্যানেজার হাতজোড় করে বললেন।
 প্রতিমা ইতস্তত করে সৌম্যর দিকে তাকালেন। সৌম্য নির্বিকার।
 "ঠিক আছে, আমরা অ্যাডজাস্ট করে নেব। ও আমার ছেলে," প্রতিমা আমতা আমতা করে বললেন।
 রুমটা বেশ সুন্দর। জানলা খুললেই সমুদ্র দেখা যায়। নীল জলরাশি আর ঢেউয়ের গর্জন। দুদিন ধরে তারা বিচে ঘুরল। প্রতিমা চেষ্টা করছিলেন স্বাভাবিক থাকার। কিন্তু মাঝে মাঝে যখন সৌম্যর হাত তাঁর গায়ে লাগত, প্রতিমার শরীরের ভেতর দিয়ে এক অজানা শিহরণ বয়ে যেত। তিনি দ্রুত হাত সরিয়ে নিতেন।
 তৃতীয় দিন বিকেলে আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামল। সমুদ্রের পাড়ে তারা তখন অনেকটা দূরে।
 "মা, দৌড়ে চলো! নয়তো ভিজে যাবে!" সৌম্য প্রতিমার হাত ধরে টান দিল।
 হোটেলে যখন তারা পৌঁছাল, দুজনেই তখন কাকভেজা। প্রতিমার পাতলা শাড়ি তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজের সঙ্গে লেপ্টে আছে। সৌম্যর শার্টটাও ভিজে গায়ের সাথে সেঁটে গেছে, যার নিচে ওর পেশিবহুল শরীর স্পষ্ট।
 রুমে ঢুকে প্রতিমা হাঁপাচ্ছিলেন। তাঁর বুকের আঁচলটা ভিজে ভারী হয়ে নিচে নেমে এসেছে। সৌম্যর চোখ দুটো যেন জ্বলছে। সে আড়চোখে মায়ের ভেজা শরীরের দিকে তাকিয়ে রইল। প্রতিমা দ্রুত তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়লেন।
 পনেরো মিনিট পর প্রতিমা বেরিয়ে এলেন। তিনি শুধু একটা পেটিকোট বুকের ওপর জড়িয়ে শক্ত করে বেঁধেছেন, হাত দুটো খোলা। তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে মুছতে তিনি সৌম্যর দিকে পিঠ করে দাঁড়ালেন।
 "সৌম্য, তুই যা। ফ্রেশ হয়ে নে। জ্বর আসবে নাহলে," প্রতিমার গলায় কাঁপুনি।
 সৌম্য নড়ল না। সে বিছানার ধারে বসে ছিল। তার দৃষ্টি তখন মায়ের উন্মুক্ত পিঠের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। সে উঠে দাঁড়াল।
Reply
#4

চতুর্থ ভাগ :-




বাইরে বৃষ্টির শব্দ এখন ঝিমঝিম শব্দে পরিণত হয়েছে। হোটেলের ছোট ঘরটায় আর্দ্রতা আর গুমোট ভাব। জানলার কাঁচের গায়ে জলের ধারাগুলো অদ্ভুত নকশা তৈরি করছে। ঘরের ভেতরে এক অদ্ভুত নীরবতা, যা কেবল মাঝেমধ্যে ভারী নিঃশ্বাসের শব্দে ভেঙে যাচ্ছে।
বাথরুমের দরজাটা হালকা শব্দে খুলে গেল। প্রতিমা বেরিয়ে এল। শরীরটা তখনও কিছুটা ভেজা। পরনে শুধু একটা সাদা পেটিকোট, যা সে বুকের ওপর শক্ত করে জড়িয়ে বেঁধেছে। ভেজা ত্বকের সাথে পেটিকোটের পাতলা কাপড়টা লেপ্টে আছে, যার ফলে তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। সে সৌম্যের দিকে পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়াল, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ভেজা চুলগুলো হাত দিয়ে ঠিক করতে লাগল।
"সৌম্য, তুই যা। অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছিস। এবার তুই গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে, ,জ্বর আসবে নাহলে।" প্রতিমার গলার স্বরে একটা চাপা অনুরোধ ছিল, কিন্তু তার পিঠের খোলা অংশটা সৌম্যের চোখে তখন আগুনের মতো জ্বলছে।
সৌম্য নড়ল না। তার চোখ দুটো স্থির হয়ে আছে প্রতিমার পিঠের সেই মসৃণ ত্বকের ওপর। বৃষ্টির জল আর সাবানের হালকা গন্ধটা তার নাকে এসে ধাক্কা মারছে। তার বুকের ভেতরটা দুরুদুরু করছে, প্যান্টের ভেতর তার বিশাল পুরুষাঙ্গটা ততক্ষণে লোহার মতো শক্ত হয়ে উঠেছে। সে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না।
ধীরে ধীরে, প্রায় নিঃশব্দে সে প্রতিমার পেছনে এগিয়ে গেল। প্রতিমা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সৌম্য তার দুহাত দিয়ে প্রতিমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
"সৌম্য! এটা কী করছিস—"
প্রতিমার কথা শেষ হওয়ার আগেই সৌম্যর ঠোঁট তার ঘাড়ের নরম চামড়ায় চেপে বসল। সে গভীর ভাবে চুমু খেতে শুরু করল। তারপর ধীরে ধীরে তার ঠোঁট নেমে এল প্রতিমার খোলা পিঠের ওপর। চুমুগুলোর তীব্রতা বাড়ছে। সৌম্যর গরম নিঃশ্বাস প্রতিমার ত্বকে লাগছে, যা তাকে শিহরিত করে তুলল।
সৌম্যর জিভ এবার প্রতিমার কানের লতির কাছে পৌঁছে গেল। সে আলতো করে সেটি চুষতে শুরু করল।
"ছাড় আমায়! সৌম্য, ছাড়!"
প্রতিমা চমকে উঠে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করল। সে ভয়ে ছিটকে সরে গেল এবং ঘরের মাঝখানে গিয়ে দাঁড়াল। তার বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছে। চোখে আতঙ্ক আর বিস্ময়।
"পাগল হয়ে গেছিস তুই? আমি তোর মা, সৌম্য! তোর সাথে আমার সম্পর্কটা কী সেটা ভুলে গেলি? এটা করা একদম অনুচিত, খুব অন্যায়!"
প্রতিমার গলার স্বর কাঁপছিল। কিন্তু সৌম্য যেন কিছুই শুনতে পেল না। তার চোখে এখন শুধু আদিম এক লালসা। সে প্রতিমার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রইল। তার দৃষ্টিতে এক অদ্ভুত জেদ। সে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল প্রতিমার দিকে। প্রতিমা দেখল সৌম্যর চোখ দুটো কেমন যেন বদলে গেছে, সেখানে এখন আর ছেলের মায়া নেই, আছে একজন ক্ষুধার্ত পুরুষের তৃষ্ণা।
ভয়ে প্রতিমার ঠোঁট দুটো কাঁপতে শুরু করল। সে পিছিয়ে যেতে চাইল, কিন্তু পেছনে ছিল হোটেলের শক্ত দেওয়াল।
"মা, আমি আর পারছি না। এই বৃষ্টি, এই নির্জনতা... আমাকে পাগল করে দিচ্ছে," সৌম্যর কণ্ঠস্বর রুদ্ধ।
"সৌম্য, প্লিজ... কথা শোন আমার..."
সৌম্য আর কোনো কথা বলল না। সে এক ঝটকায় প্রতিমাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরল। তার শক্ত পেশীবহুল শরীর প্রতিমার নরম শরীরটাকে প্রায় পিষে ফেলল। তারপর সে তার ঠোঁট দুটো প্রতিমার ঠোঁটের ওপর চেপে বসাল।
একটি গভীর ফ্রেঞ্চ কিস।
প্রতিমা প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল। সে তার হাত দিয়ে সৌম্যর বুক ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করল, তার ঠোঁট বন্ধ রাখার চেষ্টা করল। কিন্তু সৌম্যর শক্তির কাছে সে ছিল অসহায়। সৌম্য তার জিভ দিয়ে প্রতিমার ঠোঁটের বাধা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ল। এক ধরণের আদিম লড়াই শুরু হলো তাদের ঠোঁটের মাঝে। সৌম্যর জিভ প্রতিমার মুখের ভেতরে ঘুরপাক খেতে লাগল, তার লালা আর উষ্ণতা মিশে একাকার হয়ে গেল।
১৫-২০ মিনিট ধরে এই চুম্বনের খেলা চলল। প্রতিমার বাধা দেওয়ার শক্তি ধীরে ধীরে ফুরিয়ে এল। তার শরীরটা কেমন যেন এলিয়ে পড়ল সৌম্যর বাহুবন্দি হয়ে।
সৌম্যর হাত এবার নেমে এল প্রতিমার বুকের বাঁধনে। সে খুব সাবধানে কিন্তু দ্রুত গতিতে পেটিকোটের গিঁটটা খুলে ফেলল। সাদা পেটিকোট পিছলে নিচে পড়ে গেল। প্রতিমা এখন সম্পূর্ণ উলঙ্গ।
সৌম্যর চোখ ভিজে এল তার মায়ের রূপ দেখে। সে প্রতিমার দুহাত ধরে উপরে তুলে ধরল। এবার তার নজর গেল প্রতিমার বগলের দিকে। সে দেখল সেখানে কোনো চুল নেই, একদম পরিষ্কার আর মসৃণ। সৌম্যর জিভ এবার সেখানে স্পর্শ করল। সে অনবরত চাটতে লাগল সেই নরম বগল।
"আহ্... সৌম্য... এরকম করিস না..."
প্রতিমার আর্তনাদ এবার আর প্রতিবাদের ছিল না, তাতে মিশে ছিল এক অদ্ভুত শিহরণ। সৌম্যর জিভ আর ঠোঁটের স্পর্শ তাকে পাগল করে দিচ্ছিল। বগল চাটতে চাটতে সৌম্যর হাত নেমে এল প্রতিমার স্তন দুটির ওপর।
সে প্রতিমার বড় স্তন দুটির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকাল। তার মনে হলো যেন সামনে দুটি পাকা তরমুজ রাখা আছে। সে এক হাতে একটি স্তন মুঠো করে ধরল এবং অন্য হাতে বোঁটাটা টিপতে শুরু করল।
"সৌম্য... তুই... তুই এটা করছিস কেন?"
সৌম্যর উত্তর ছিল তার কাজ। সে স্তনের বোঁটাটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করল। প্রতিমার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে বুঝতে পারল তার ভেতরে এক ধরণের আগ্নেয়গিরি জেগে উঠছে, যা সে এতদিন চেপে রেখেছিল। সৌম্যর চোষার তীব্রতা বাড়ল, সে মাঝে মাঝে বোঁটাগুলো কামড়াতে লাগল।
"আহ্! খুব জোরে... একটু আস্তে..."
প্রতিমা এখন আর তাকে সরাতে চাইছে না। তার হাত দুটো সৌম্যর চুলে জড়িয়ে গেল। সৌম্যর মুখ এখন প্রতিমার স্তনে ডুবে আছে। সে একবার বাম স্তন, একবার ডান স্তন—এভাবে পালা করে চুষতে আর কামড়াতে লাগল।
"তুমি কি এখন আমায় থামতে বলবে?" সৌম্য প্রতিমার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল।
 "আমি জানি না... আমি কিছু বুঝতে পারছি না," প্রতিমা হাঁপাচ্ছেন।
এরই মাঝে সৌম্যর একটি হাত নিচের দিকে নেমে গেল। প্রতিমার উরুর মাঝখানে, যেখানে সবথেকে গোপন অংশটি থাকে। সে তার আঙুল দিয়ে যোনির প্রবেশপথে স্পর্শ করল।
"না! ওখানে... উহ্..."
সৌম্যর আঙুলটি ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকে গেল। প্রতিমা শরীর কাঁপিয়ে উঠল। সে অনুভব করল তার যোনিটি সম্পূর্ণ ভিজে গেছে। কামরসে ভিজে তার গোপন অঙ্গটি এখন সৌম্যর আঙুলকে স্বাগত জানাচ্ছে।
সৌম্য এবার প্রতিমাকে পাঁজাকোলা করে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। নরম বিছানায় প্রতিমার ফর্সা শরীরটা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। সৌম্য আবার তার স্তন দুটিতে হাত রাখল। সে তার জিভ দিয়ে অ্যারিয়োলার চারপাশে বৃত্তাকারে ঘুরাতে লাগল। তারপর দুই স্তনের মাঝখানের গভীর উপত্যকায় তার মুখ লুকিয়ে চুমু খেল। সৌম্যর দুই গালে প্রতিমার স্তনের নরম স্পর্শ তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলল।
"তোমার শরীরটা... এত সুন্দর মা... এত নরম ও কোমল মা .....আমি আর সহ্য করতে পারছি না," সৌম্যর গলার স্বর এখন একদম ভারী আর খসখসে।
সে ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামল। পেটের মসৃণ ত্বকে চুমু খেতে খেতে সে প্রতিমার নাভির কাছে পৌঁছে গেল। নাভিতে যেই মুহূর্তে তার উষ্ণ জিভ স্পর্শ করল, প্রতিমার সারা শরীরে যেন একটা তীব্র বৈদ্যুতিক কারেন্ট বয়ে গেল। তখন প্রতিমা বিছানার চাদর খামচে ধরলেন ও সে জোরে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
সৌম্য এবার আরও নিচে নামল। সৌম্য এবার প্রতিমার পা দুটো দুদিকে সরিয়ে দিল। তাঁর সামনে এখন মায়ের সেই নিষিদ্ধ অরণ্য। সে মুখ নামিয়ে প্রতিমার যোনিতে নিজের জিভ ডুবিয়ে দিল। যোনির ফাটলের উপরের অংশে সে তার জিভ লাগাতেই, প্রতিমা তার উরু দুটি আরো একটু ফাঁক করে দিল, যেন সে অবচেতনেই সৌম্যর জন্য আরো জায়গা করে দিচ্ছে। সৌম্য তার জিভ দিয়ে প্রতিমার গুদ চুষতে শুরু করল।
"সৌম্য... উমম... "ওহ্ ভগবান! সৌম্য! মরে যাব আমি!" প্রতিমা চিৎকার করে উঠলেন।
প্রতিমার উরু দুটি শিথিল হয়ে এল। সে অনুভব করল তার সারা শরীর যেন গলে যাচ্ছে। সৌম্যর জিভের নিখুঁত কারুকাজ তাকে এক অন্য জগতে নিয়ে যাচ্ছে।
সৌম্য এবার এক হাতে প্রতিমার একটি স্তন চেপে ধরে অন্য হাতের বড় আঙুলটি যোনির গভীরে ঢুকিয়ে দিল।
"আহ্হহ!"
প্রতিমা চিৎকার করে উঠলেন। তার শরীর কেঁপে উঠল। সৌম্য থামল না। সে পাগলের মতো প্রতিমার কামরস পান করতে লাগল। তাঁর জিভ আর ঠোঁটের কারসাজিতে প্রতিমার শরীর কাঁপছে। তিনি বারবার নিজের নিতম্ব ওপরে তুলছেন, সৌম্যর মুখে নিজের যোনিকে আরও গভীরভাবে চেপে ধরছেন।
এবার সৌম্য তাঁর আঙুল প্রতিমার ভেতরে প্রবেশ করাল। যোনিটি এতটাই ভেজা ছিল যে আঙুলটি খুব সহজেই ভেতরে ঢুকে গেল। এটি প্রমাণ করছিল যে প্রতিমা মনে মনে এই নিষিদ্ধ আনন্দের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছিলেন। ভেতরে-বাইরে আঙুলের দ্রুত ওঠানামা আর জিভের চাটুনিতে প্রতিমার চরম মুহূর্ত ঘনিয়ে এল। তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাস ভারী হয়ে এল, চোখ উল্টে গেল। 
 সৌম্য অনুভব করল প্রতিমার যোনির দেয়ালগুলো সংকুচিত হচ্ছে। আবার প্রতিমা থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে কামরস ঝরিয়ে নিস্তেজ হয়ে সৌম্যর মাথায় হাত রাখলেন। তাঁর কামরসে সৌম্যর মুখ ভিজে গেছে। 
"সৌম্য...আমরা এটা পাপ করছি..."
প্রতিমা মুখে কথাগুলো বলছিলেন, কিন্তু তার শরীর অন্য কথা বলছিল। সৌম্য তার কোনো কথা শুনল না। আবার সে আঙুলটি দ্রুত ভেতরে-বাইরে করতে লাগল এবং অন্য একটি আঙুল দিয়ে ক্লিটোরিস ঘষতে শুরু করল।
প্রতিমা এক অদ্ভুত স্বস্তি অনুভব করলেন। তার শ্বাস ভারী হয়ে এল। সৌম্য এবার প্রতিমার উরু দুটি আরও ছড়িয়ে দিল। সে তার জিভ দিয়ে ক্লিটোরিসকে নাড়াচাড়া করতে শুরু করল।
"ওহ্ ঈশ্বর! সৌম্য... আর পারছি না... উমম..."
সৌম্য তার ঠোঁটে যোনির বড় ঠোঁট দুটি নিল এবং সেগুলোকে আলতো করে চুষে দাঁত দিয়ে একটু টানল। তারপর সে তার জিভ যোনির ভেতরে ঢুকিয়ে কামরস পান করতে শুরু করল।
প্রতিমার মুখ থেকে একটি হালকা চিৎকার বেরিয়ে এল। সে তার মাথা পিছনের দিকে হেলিয়ে দিল। সৌম্য তার ক্লিটোরিস ঠোঁটে ধরে টানল এবং স্ফীত ঠোঁট দুটিকে বাইরের দিকে টেনে নিল।
"সৌম্য... তুই আমাকে পাগল করে দিবি..." প্রতিমা ফিসফিস করে বললেন।
হঠাৎ প্রতিমা তার হাত সৌম্যর মাথায় রাখলেন। সৌম্যর মনে হয়েছিল এবার হয়তো প্রতিমা তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেবেন, তাকে এই নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত করবেন। কিন্তু প্রতিমা তাকে সরালেন না। বরং তিনি বারবার সৌম্যর মাথাটাকে আরও কাছে টেনে নিচ্ছেন।
সৌম্য বুঝতে পারল, তার মাও এখন এই কামনার জালে আটকা পড়েছেন। তিনি এই অনুভূতিটি উপভোগ করছেন।
সৌম্য এবার মাঝের দুটি আঙুল একসাথে যোনির ভেতরে দ্রুত গতিতে ঢুকিয়ে বের করতে লাগল। একই সাথে তার জিভ দিয়ে ক্লিটোরিসকে উত্তেজিত করতে থাকল।
"আহ্... আহ্... আরও জোরে... সৌম্য... আরও জোরে..."
প্রতিমার শ্বাস এখন একদম ভারী। তার পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। সৌম্য অনুভব করল প্রতিমা ধীরে ধীরে তার নিতম্ব উপরের দিকে তুলছেন। তিনি যেন অবচেতনভাবেই সৌম্যর সেই বিশাল পুরুষাঙ্গটিকে আহ্বান জানাচ্ছেন, যা তাকে পূর্ণতা দেবে।
সৌম্যর চোখের সামনে এখন কেবল সেই উষ্ণ গহ্বর, যা তাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। সে বুঝতে পারল, আজ আর কোনো বাধা নেই, কোনো সামাজিক নিয়ম নেই—আছে কেবল দুটি শরীরের আদিম তৃষ্ণা।
 প্রতিমার শরীরের প্রতিটি শিরা যেন এক মুহূর্তের জন্য স্থবির হয়ে গিয়েছিল। যোনিপথ থেকে উষ্ণ রসের এক প্রবল স্রোত নির্গত হয়ে বিছানার চাদর ভিজিয়ে দিল। সৌম্যর মুখ ছিল ঠিক সেখানেই; সে তৃষ্ণার্ত পশুর মতো সেই প্রতিটি বিন্দু চুষে নিল।
 হঠাৎ প্রতিমার গলা দিয়ে এক তীক্ষ্ণ চিৎকার বেরিয়ে এল।
 “হে ঈশ্বর! এ কি হয়ে গেল! এটা কী করছি আমি!”
 সৌম্য মুখ তুলে তাকালো। প্রতিমা তার দুই হাতের তালু দিয়ে বালিশটি মুখের ওপর চেপে ধরেছিল, যেন নিজের চিৎকার আর লজ্জা দুটোকেই দমিয়ে রাখতে চায়। তার সারা শরীর অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাঁপছিল। যোনি থেকে আবারও এক হালকা ঢেউয়ে রস নির্গত হলো, আর প্রতিমা আরও একবার চরম সুখের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেল।
 কয়েক মুহূর্ত নিস্তব্ধতা। শুধু দুজনের ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ আর বাইরের সমুদ্রের গর্জন।
 প্রতিমা ধীরে ধীরে কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে উঠে বসল। তার চুলগুলো অগোছালো হয়ে মুখে পড়েছিল। সৌম্যর মুখ তখনও তার উরুর মাঝখানে, কিন্তু প্রতিমার বসার কারণে সে আর যোনি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছিল না।
 সৌম্যর চোখে ছিল এক আদিম ক্ষুধা। সে প্রতিমার উরুর ভেতরের নরম চামড়ায় আলতো করে চুমু খেল।
 প্রতিমা একবার তার ছেলের চোখের দিকে তাকালো। সেখানে কেবল কামনা, কোনো অনুশোচনা নেই। হঠাৎ প্রতিমা এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিল। সে কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে শরীরটাকে পেছন দিকে ঝুঁকিয়ে দিল। তার দুই উরু প্রশস্ত করে সে নিতম্ব সামান্য উপরে তুলল, যেন তার যোনিটি সরাসরি সৌম্যর ঠোঁটের সামনে চলে আসে।
 প্রতিমা তার অন্য হাত দিয়ে সৌম্যর মাথাটি চেপে ধরল, তাকে আরও গভীরে ঠেলে দিল।
 সৌম্যর নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে এল। সে দুই হাত দিয়ে প্রতিমার ভারী নিতম্ব শক্ত করে ধরল। তার জিভ দিয়ে সে সেই উষ্ণ রসগুলো চেটে নিতে লাগল। প্রতিমা চোখ বুজে ফেলল, তার আঙুলগুলো বিছানার চাদরে গেঁথে গেল।
 “আহ্... সৌম্য... আর পারছি না...”
 সে সামান্য কাঁপল, শরীরটা একবার ধনুকের মতো বেঁকে গেল এবং তারপর ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে এল। অর্গাজমের সেই তীব্র ঢেউটা যখন মিলিয়ে গেল, প্রতিমা ধপ করে বিছানায় শুয়ে পড়ল। তার বুক দ্রুত ওঠানামা করছিল।
 কয়েক সেকেন্ড পর, বাস্তবতার ধাক্কা তাকে সজোরে আঘাত করল। সে পাশে তাকিয়ে দেখল তার ২০ বছরের ছেলে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
 “সৌম্য... কেন করলি এটা?”
 প্রতিমার কণ্ঠে এবার কান্নার সুর। তার চোখের কোণ দিয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল।
 “আমি তোর মা, সৌম্য। আমরা এটা করতে পারি না। এটা পাপ... অনেক বড় পাপ।”
 সৌম্য কোনো কথা বলল না। সে ধীরে ধীরে প্রতিমার পায়ের পাতার দিকে এগিয়ে গেল। তার ঠোঁট প্রতিমার পায়ের আঙুলে স্পর্শ করল। সে চুমু খেতে খেতে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে লাগল।
 “মা, তুমি জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি,” সৌম্যর গলা ছিল খসখসে, কামনায় ভারী।
 “ভালোবাসা আর কামনার মধ্যে তফাৎ আছে বাবা। তুমি আমাকে ভালোবাসো, তাই বলে এই সীমানা অতিক্রম করা যায় না।”
 সৌম্য যখন প্রতিমার হাঁটুর কাছে পৌঁছালো, প্রতিমা অবচেতনেই তার পা দুটো সামান্য ছড়িয়ে দিল। সৌম্যর হাতের তালু প্রতিমার উরুর মসৃণ ত্বকে ঘষতে লাগল। স্পর্শটা ছিল আগুনের মতো।
 সৌম্য আরও উপরে উঠে এল। তার মুখ আবারও সেই নিষিদ্ধ ফাটলের সামনে। প্রতিমা শরীরটা সামান্য নড়িয়ে নিল।
 “না... আর না...”
 কথাগুলো মুখে থাকলেও তার শরীর অন্য কথা বলছিল। সে আবারও তার উরু দুটি প্রশস্ত করে দিল। সৌম্যর জিভ যখন আবারও সেই সংবেদনশীল জায়গায় স্পর্শ করল, প্রতিমার শ্বাস ভারী হয়ে এল। তার ঠোঁট থেকে অস্ফুট গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল।
 সে আবারও আলতো করে তার নিতম্ব উপরের দিকে তুলল, যেন সে নিজেই নিজেকে সৌম্যর কাছে সঁপে দিচ্ছে।
 সৌম্য এবার উপরের দিকে উঠে এল। সে প্রতিমার স্তনের ওপর ঝুঁকে পড়ল। তার ঠোঁট প্রতিমার নিপলগুলোয় চেপে ধরল এবং জোরে চুষতে শুরু করল। প্রতিমার নিপলগুলো সৌম্যর মুখে শক্ত হয়ে উঠল।
 “উম্ম্... সৌম্য...”
 প্রতিমা এবার আর তাকে বাধা দিল না। তার হাত দুটো সৌম্যর পিঠে গিয়ে ঠেকল। সে অনুভব করতে পারল সৌম্যর পেশীবহুল শরীরের উত্তাপ।
 সৌম্য একটু সরে এল। সে প্রতিমার ডান হাতটি ধরল, যা প্রতিমার পেটের ওপর রাখা ছিল। সে হাতটি টেনে নিয়ে নিজের প্যান্টের ভেতর থাকা সেই বিশাল লিঙ্গের ওপর রাখল।
 প্রতিমা প্রথমে চমকে উঠল। সে লিঙ্গটি স্পর্শ করল, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে হাত সরিয়ে নিল। সে মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিল, চোখে জল আর মুখে অপরাধবোধ।
 “এটা ভুল, সৌম্য। এটা খুব ভুল।”
 “ভুল কি, তা আমি জানি না মা। আমি শুধু জানি আমি তোমাকে চাই। সারারাত ধরে আমি শুধু তোমার কথা ভেবেছি।”
 সৌম্য এবার আর অপেক্ষা করতে চাইল না। সে প্রতিমার শরীরের ওপর উঠে এল। প্রতিমা বুঝতে পারল সে কী করতে চাইছে। সে তাড়াহুড়ো করে ওঠার চেষ্টা করল।
 “সরে যা সৌম্য! আমরা এটা করতে পারি না!”
 সৌম্য তাকে শক্ত করে ধরে বিছানায় চেপে ধরল। তার দুই হাত প্রতিমার কবজি ধরে মাথার ওপর আটকে দিল। প্রতিমা ছটফট করতে লাগল, কিন্তু সৌম্যর শক্তি ছিল অফুরন্ত।
 সৌম্য তার ঠোঁট প্রতিমার ঠোঁটের সাথে মিলিয়ে দিল। এক গভীর, দীর্ঘ ফ্রেঞ্চ কিস। প্রতিমা প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল, তার ঠোঁট শক্ত করে রাখল। কিন্তু ধীরে ধীরে সৌম্যর জিভের ছন্দ তাকে মোহগ্রস্ত করে ফেলল। কয়েক মুহূর্ত পর প্রতিমা শান্ত হয়ে গেল, তার ঠোঁট খুলে গেল এবং সেও সৌম্যর চুমুর জবাবে সাড়া দিল।
 সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার স্তনে। সে নিপলগুলো চুষছে, অ্যারোলাতে জিভ ঘোরাচ্ছে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে সেই সুখ অনুভব করল। সে ভুলে গেল সে কার সাথে আছে, ভুলে গেল সম্পর্কের সংজ্ঞা।
 সৌম্যর হাত ধীরে ধীরে নিচে নেমে এল। তার ১০ ইঞ্চি লম্বা, শক্ত লিঙ্গটি প্রতিমার ভেজা যোনির ফাটলে ঘষতে শুরু করল। ঘর্ষণের সেই উত্তাপ প্রতিমাকে শিহরিত করে তুলল।
 প্রতিমা আতঙ্কিত হয়ে তার দুই হাত পেছনে নিয়ে বিছানার হেডবোর্ড শক্ত করে ধরে ফেলল।
 “সৌম্য! এটা করিস না বাবা! প্লিজ, এটা করিস না!”
 সৌম্যর নিঃশ্বাস তখন প্রতিমার গলায়। সে থামল না।
 “কেন করব না? তুমিও তো চাইছ, আমি অনুভব করতে পারছি।”
 “না! আমি... আমি হাত দিয়ে তোরটা করে দেব। কিন্তু বাবা, এখন এই সীমা অতিক্রম করিস না। ভেতরে ঢুকাস না। আমি পারব না এটা সহ্য করতে।”
 প্রতিমা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “না, আমি হাত দিয়ে করে দিচ্ছি। তুই শান্ত হ।”
 প্রতিমা হাত নিচে নামিয়ে সৌম্যর লিঙ্গটি শক্ত করে ধরল। সে মর্দন শুরু করল। সৌম্যর শরীর এক মুহূর্তের জন্য শক্ত হয়ে গেল। সে অনুভব করল প্রতিমা কেবল দায়সারাভাবে এটি করছে না। তার হাতের স্পর্শে এক অদ্ভুত মায়া আর কামনার মিশ্রণ ছিল। প্রতিমা যখন লিঙ্গটি মুঠি দিয়ে ঘষছিল, তখন তার মুখ থেকে হালকা গোঙানির শব্দ বের হচ্ছিল।
 সৌম্যর উত্তেজনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। সে প্রতিমার স্তন মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করল এবং একই সময়ে তার আঙুল প্রতিমার যোনিতে ঢুকিয়ে দ্রুত ভেতরে-বাইরে করতে লাগল।
 “আহ্... সৌম্য... উম্ম্...”
 প্রতিমার সেই গোঙানি সৌম্যর মস্তিষ্কে যেন বিদ্যুৎ ছুটিয়ে দিল। সে পাগল হয়ে উঠল। সে আর সহ্য করতে পারল না।
 সৌম্য এক ঝটকায় প্রতিমার কবজি ধরল এবং লিঙ্গ থেকে তার হাত সরিয়ে দিল। সে আবারও প্রতিমার শরীরের ওপর পুরোভাবে চেপে বসল। তার চোখ এখন রক্তবর্ণ, কেবল এক লক্ষ্য—সেই কুমারী নয়, কিন্তু তৃষ্ণার্ত যোনিতে নিজেকে বিলীন করে দেওয়া।
 প্রতিমা বুঝতে পারল, এবার আর পালানোর পথ নেই। সে তার চোখ বন্ধ করল এবং সৌম্যর প্রবল কামনার সামনে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দিল।
Reply
#5

পঞ্চম ভাগ:-






বৃষ্টির শব্দ হোটেলের জানালার কাঁচের ওপর অবিরাম তাল পিটছিল। ঘরের ভেতর স্তিমিত আলো। বাতাসের আর্দ্রতা আর শরীরের ঘামে মিশে এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি হয়েছে। প্রতিমা বিছানায় শুয়ে আছেন, তার বুক দ্রুত ওঠানামা করছে। সৌম্য তার ওপর ঝুঁকে আছে, তার চোখের দৃষ্টিতে এখন আর কোনো দ্বিধা নেই, কেবল আছে এক আদিম, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণা।
প্রতিমা কাঁপা গলায় বললেন, “তুই আমার কথা শুনবি না? থাম এবার, সৌম্য!”
সৌম্য কোনো উত্তর দিল না। তার চোখ দুটোতে এখন এক আদিম তৃষ্ণা, যা বছরের পর বছর জমা হয়ে পাহাড় সমান হয়েছে। সে শুধু তার শক্ত হাঁটু দিয়ে মায়ের দু’পা আরও প্রশস্ত করে দিল। প্রতিমার উরুর নিচে সৌম্যর হাঁটু চেপে বসল, ফলে প্রতিমার নরম উরু দুটো সৌম্যর পেশীবহুল উরুর ওপর লেপটে গেল।
প্রতিমা আর্তনাদ করে উঠলেন, “সৌম্য, পরে খুব আফসোস করবি বাবা। এটা ভুল... সব ভুল!”
সৌম্যর ঠোঁটে একটা ক্ষীণ হাসি ফুটে উঠল। সে তার লিঙ্গটা প্রতিমার যোনির ফাটলের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর উপর থেকে নিচে ঘষতে শুরু করল। চামড়ার সাথে চামড়ার সেই ঘর্ষণ প্রতিমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা বিদ্যুৎ তরঙ্গ পাঠিয়ে দিল। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে নিলেন, কিন্তু তার শ্বাস এতই ভারী হয়ে এল যে তার সুডৌল স্তন দুটি তীব্রভাবে কাঁপতে লাগল।
সৌম্যর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। সে তার মায়ের যোনির স্ফীত ঠোঁট দুটি আঙুল দিয়ে আলাদা করে দিল এবং তার বিশাল লিঙ্গটির মুণ্ডুটা ঠিক প্রবেশপথে চেপে ধরল। যোনির ভেতরকার উষ্ণতা তাকে চমকে দিল; মনে হলো যেন কোনো জ্বলন্ত স্টোভে সে তার অঙ্গটি রেখেছে।
সৌম্য এক ধাক্কায় ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করল, কিন্তু লিঙ্গের অস্বাভাবিক মোটা গড়ন বাধা হয়ে দাঁড়াল। প্রতিমার যোনি যেন এই লিঙ্গকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করছিল। সৌম্য আবার চাপ দিল। এক রাম ঠাপে প্রায় এক ইঞ্চি লিঙ্গ ভেতরে ঢুকে গেল।
“আআআহহ!”
প্রতিমা অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠলেন। তার দুই হাত মাথার উপরের বালিশটাকে জোরে চেপে ধরল। সৌম্যর প্রতিটি ঠাপে বিছানাটা কেঁপে উঠছিল, আর প্রতিমার শরীরটা প্রবলভাবে নড়ে উঠছিল। প্রতিবার যখন লিঙ্গটি ভেতরে প্রবেশ করছিল, প্রতিমার মুখ থেকে আর্তচিৎকার বেরিয়ে আসছিল।
তিনি শরীর ঝাঁকিয়ে উপরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। এটি ছিল নিয়তি এড়ানোর শেষ চেষ্টা, এক শেষ লড়াই। কিন্তু সৌম্যর বাহু ছিল লোহার মতো শক্ত। সে প্রতিমাকে আর সুযোগ দিল না। এক প্রচণ্ড ধাক্কায় সে সমাজের সবচেয়ে পবিত্র বলে বিবেচিত সেই অদৃশ্য দেয়ালটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল।
লিঙ্গটি অর্ধেক পর্যন্ত ভেতরে ঢুকে গেল।
সৌম্য হঠাৎ থামল। সে লিঙ্গটি ধীরে ধীরে বাইরে টেনে আনল, তারপর এক ঝটকায় আরও কিছুটা গভীরে প্রবেশ করাল।
“হায় হায়! ওরে বাবা!”
প্রতিমা ছটফট করতে লাগলেন। তার উরু দুটো আরও ছড়িয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল যেন তার যোনিকে মাঝখান থেকে চিরে কেউ একটি গরম লোহার মোটা খুঁটি গেঁথে দিয়েছে। এত তীব্র ব্যথা তিনি কল্পনাও করেননি।
তিনি ফিসফিস করে উঠলেন, “উউউহহ মা... মরে গেলাম রে!”
সৌম্য কিছুক্ষণের জন্য স্থির হয়ে রইল। সে চোখ বন্ধ করল। এক অদ্ভুত স্বর্গীয় আনন্দের অনুভূতি তাকে আচ্ছন্ন করল। মায়ের গভীর এবং উষ্ণ যোনির দেয়ালগুলো তার লিঙ্গকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরেছে। ভেতরটা মখমলের মতো নরম, অথচ আগুনের মতো গরম।
সৌম্য চোখ খুলে প্রতিমার দিকে তাকালো। প্রতিমার উরু প্রসারিত, পা ভাঁজ করা। ছোট ছোট দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসে তার বুক আর পেট কাঁপছে। সে তার বাহু দুটি উপরে তুলে বিছানার হেডবোর্ড ধরে রেখেছিল, যার ফলে তার স্তন দুটি উপরের দিকে টানটান হয়ে উঠেছে। বড় বড় নিপলগুলো যেন এক অদ্ভুত আমন্ত্রণ জানাচ্ছিল। বাতির হালকা আলোয় প্রতিমার ফর্সা নগ্ন শরীরটা ঘাম আর কামনায় চকচক করছিল।
সৌম্য একটু সামনের দিকে ঝুঁকল। তার উরু দুটোকে আরও উপরে তুলে মায়ের দুই পাশে হাত রাখল। সে বুঝল, এখন আর ফেরার পথ নেই। সে লিঙ্গটি আলতোভাবে ছাড়ল এবং পরক্ষণেই পরপর দুটি জোরালো ধাক্কা মারল।
এবার সৌম্যর সেই ভয়ংকর লিঙ্গটি যোনির বহু বছর ধরে নিস্তব্ধ থাকা মখমলি দেয়াল ভেদ করে সরাসরি জরায়ুর মুখে গিয়ে ধাক্কা দিল।
প্রতিমার সারা শরীর ধনুকের মতো কুঁকড়ে গেল। তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ল।
“উইইই মা! মরে গেলাম! কত লম্বা আর মোটা তোর লিঙ্গ... হায়ইইই মা!”
সৌম্যর মনে হচ্ছিল সে তার লিঙ্গটি কোনো গরম মাখনের পাত্রে ডুবিয়ে দিয়েছে। প্রতিমার যোনি এত নরম, এত সংবেদনশীল যে প্রতিটি স্পন্দন সে অনুভব করতে পারছিল। সে আলতো করে প্রতিমার চোখের জল মুছে দিল। তার মনে হলো, এই মুহূর্তে ক্রোধ বা কামনার চেয়েও বেশি প্রয়োজন সোহাগ।
সে প্রতিমাকে আবার আদর করতে শুরু করল। তার মুখটা দুহাতে ধরে গভীর চুম্বনে মগ্ন হলো। ঠোঁট চুষতে লাগল, যেন প্রতিমার সবটুকু সত্তাকে সে শুষে নিতে চায়। তারপর তার মুখ নেমে এল সেই সুডৌল স্তনযুগলের দিকে। সে স্তন দুটোতে মুখ ডুবিয়ে দিল, নিপল নিয়ে খেলতে লাগল।
বেশ কিছুক্ষণ ধরে সে প্রতিমার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ আলতোভাবে স্পর্শ করল। কখনো নাভিতে চুমু খেল, আর প্রতিমা হালকাভাবে চমকে উঠতেন। ধীরে ধীরে প্রতিমার সেই ভয়ংকর যন্ত্রণা কমতে শুরু করল। যন্ত্রণার জায়গাটা দখল করল এক অদ্ভুত শিহরণ। সেই তীব্র ব্যথা ধীরে ধীরে চরম আনন্দে রূপান্তরিত হতে লাগল।
প্রতিমার মুখ থেকে এবার গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল, “আআআআহ... সোনা... হাআআআআয় আমার যোনি! কত লম্বা তোর লিঙ্গ বাবা... কত মোটা তোর লিঙ্গ!”
সৌম্য আর প্রতিমা একে অপরকে বাহু দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তারা একে অপরের চোখের দিকে তাকালো। এক মুহূর্তের স্তব্ধতা, তারপর দুজনের ঠোঁটে ফুটে উঠল এক নিষিদ্ধ হাসি। প্রতিমা হঠাৎ লজ্জা পেলেন এবং অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন।
যন্ত্রণার রেশ চলে গেছে, এখন সেখানে রাজত্ব করছে তৃপ্তি। প্রতিমার যোনির ছোট্ট ছিদ্রটি এবার তিনগুণ বড় হয়ে ফেটে ছড়িয়ে গেছে, আর লিঙ্গের কিনারা বরাবর চামড়াটা রাবারের রিংয়ের মতো একদম আঁটসাঁট হয়ে লেগেছে।
প্রতিমা ধীরে ধীরে সৌম্যর কানে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, “বাবা, তুই আজ আমাকে শেষ করে দিলি। জানিস কত বড় আর মোটা তোর লিঙ্গ? কত ভেতরে ঢুকে আছে আমার... আমার যোনি ফাটিয়ে দিয়েছিস তুই। নিজের মায়ের যোনিতে কেউ এভাবে লিঙ্গ ঢোকায়?”
সৌম্যর কণ্ঠে এক অদ্ভুত আত্মতৃপ্তি। সে ফিসফিস করে বলল, “তোমার কি জানা আছে, মা? এখনও পুরো লিঙ্গ তোমার যোনিতে ঢোকেনি। এখনও কিছুটা বাকি আছে।”
প্রতিমা চমকে উঠলেন, “কী? মানে?”
সৌম্য মৃদু হেসে বলল, “হুম, নিজেই দেখে নাও। ছুঁয়ে দেখো...”
প্রতিমা তার হাত নিচে নিয়ে গেলেন। তার আঙুল যখন যোনির মুখে স্পর্শ করল, তিনি অবাক হয়ে দেখলেন সত্যিই এক চতুর্থাংশ লিঙ্গ তখনও বাইরে রয়ে গেছে। বাকি অংশটা ভেতরে এমনভাবে গেঁথে আছে যে মনে হচ্ছে তারা এখন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। লিঙ্গ আর যোনি উভয়েই প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
প্রতিমা হাত সরিয়ে নিয়ে সৌম্যর কানে গোঙাতে গোঙাতে বললেন, “বাবা, তোর পুরো লিঙ্গ আমার যোনিতে ঢোকাস না। পুরোটা ঢোকালে আমি সত্যিই মরে যাবো।”
সৌম্যর চোখদুটো আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। সে প্রতিমার ঠোঁটে আবারও তার ঠোঁট রাখল এবং গভীর আবেগে বলল, “মা, আমি তোমার সাথে সম্পূর্ণ এক হতে চাই। কোনো বাধা ছাড়া, কোনো দূরত্ব ছাড়া।”
প্রতিমা আর বাধা দিলেন না। তিনি চোখ বন্ধ করে সৌম্যর শরীরের ভার অনুভব করলেন। বাইরের বৃষ্টি এখন আরও জোরে পড়ছে, আর ঘরের ভেতরে চলছে এক নিষিদ্ধ প্রেমের চরম বহিঃপ্রকাশ।
“তোর এই পাগলামি... এই নেশা... আমাকে কোথায় নিয়ে গেল রে সৌম্য!” প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন।
সৌম্যর ঠোঁটে তখনো সেই তৃপ্তির হাসি। সে ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে শুরু করল। প্রতিটি ধাক্কায় প্রতিমার শরীর বিছানায় আরও গভীরে তলিয়ে যাচ্ছিল।
“আহহ... আরও... আরও ভেতরে... সৌম্য!” প্রতিমার কণ্ঠস্বর এখন আর আর্তনাদ নয়, বরং এক গভীর আকাঙ্ক্ষার আহ্বান।
সৌম্যর পেশীবহুল শরীর ঘামে ভিজে একাকার। সে প্রতিমার নিতম্ব শক্ত করে ধরে আরও গভীরে প্রবেশ করাল। প্রতিবার যখন সে ধাক্কা দিচ্ছিল, প্রতিমার মুখ থেকে অস্ফুট শব্দ বেরিয়ে আসছিল।
“তুমি কি জানো মা, আমি কতদিন ধরে এই মুহূর্তটার কথা ভেবেছি?” সৌম্যর শ্বাস দ্রুত।
প্রতিমা চোখ খুলে তার ছেলের দিকে তাকালেন। সেই চোখে এখন আর ঘৃণা নেই, আছে এক অদ্ভুত আত্মসমর্পণ। তিনি ফিসফিস করে বললেন, “আমি জানতাম না তুই আমাকে এভাবে ভালোবাসিস... এই ভালোবাসা তো পাপ, সৌম্য। মহাপাপ!”
সৌম্যর ঠোঁটে এক তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠল। “পাপ যদি এই উষ্ণতা হয়, তবে আমি এই পাপের সাগরে ডুবে যেতে রাজি। তোমার এই শরীর, তোমার এই গন্ধ... আমার সারা জীবন শুধু এটাই চেয়েছি।”
প্রতিমা তার হাত দিয়ে সৌম্যর পিঠের পেশীগুলো চেপে ধরলেন। “তুই আমাকে পাগল করে দিলি রে। আমার ভেতরে তোর এই বিশালতা... আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না।”
সৌম্যর গতি এখন আরও তীব্র। সে প্রতিমার উরু দুটো নিজের কাঁধের ওপর তুলে নিল। এই পজিশনে সে আরও গভীরে পৌঁছাতে পারছিল। প্রতিবার ধাক্কায় মনে হচ্ছিল জরায়ুর দেয়ালগুলো কাঁপছে।
“আআআহহ! সৌম্য! খুব জোরে হচ্ছে... উউউহহ!” প্রতিমা চিৎকার করে উঠলেন, কিন্তু এবার সেই চিৎকারে আনন্দের সুর ছিল।
সৌম্যর মনে হচ্ছিল সে এক মহাসমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে লড়ছে। প্রতিমার যোনির ভেতরের চাপ আর উষ্ণতা তাকে উন্মাদ করে দিচ্ছিল। সে তার মুখ প্রতিমার গলায় চেপে ধরে চুষতে লাগল, আর নিচে তার লিঙ্গটি অবিরামভাবে ঠাপাতে থাকল।
“মা... তুমি শুধু আমার... শুধু আমার!” সৌম্যর কণ্ঠস্বর এখন কর্কশ, কামনায় ভরা।
প্রতিমা তার মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে দিলেন। তার চোখ দুটো উল্টে যাচ্ছিল। তিনি অনুভব করতে পারছিলেন, তার ভেতরে এক আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হতে চলেছে।
“হচ্ছে... হচ্ছে... সৌম্য... আমি আর পারছি না... আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি!”
সৌম্যর ধাক্কায় এবার এক চূড়ান্ত ছন্দ তৈরি হলো। পচ্‌পচ্ শব্দে ঘরটা ভরে উঠল। প্রতিমার যোনি থেকে নিঃসৃত রস আর ঘামের সংমিশ্রণে শরীর দুটো পিছলে যাচ্ছিল, কিন্তু তাদের বাঁধন আরও শক্ত হচ্ছিল।
সৌম্যর লিঙ্গটি এখন প্রতিমার যোনির সবচেয়ে গভীরে পৌঁছে গেছে। সে আর কোনো জায়গা পেল না ঢোকার। সে প্রতিমার স্তন দুটোকে দুহাতে মুঠো করে টিপল এবং এক শেষ প্রচণ্ড ধাক্কায় নিজেকে প্রতিমার ভেতরে সম্পূর্ণভাবে বিলীন করে দিল।
“আআআআআহহহ!”
প্রতিমা এক তীব্র অর্গাজমে শরীর কাঁপিয়ে উঠলেন। তার সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল এবং এক মুহূর্তের জন্য তিনি নিস্পন্দ হয়ে পড়লেন। কিন্তু তাদের জীবনের ঝড় সবেমাত্র শুরু হয়েছে।
Reply
#6

ষষ্ঠ ভাগ:-





সৌম্যের আঙুলগুলো কাঁপছিল। প্রতিমার শরীরের উষ্ণতা যখন তার ত্বকের সংস্পর্শে এল, তখন তার ভেতরে জমে থাকা দীর্ঘ বছরের তৃষ্ণা এক প্রবল জোয়ারে পরিণত হলো। প্রতিমার চোখের দিকে তাকাল সে। সেখানে কোনো ঘৃণা নেই, বরং এক অদ্ভুত আস্থা আর নিঃশর্ত ভালোবাসা জ্বলজ্বল করছিল। সেই দৃষ্টি সৌম্যকে আরও গভীরে টেনে নিল।
 সে প্রতিমার ওপর নিজেকে স্থির করল। প্রথম পজিশনটা ছিল মিশনারি—সরল, আদিম, অথচ তীব্র। সৌম্য তার দুই হাতের তালু প্রতিমার হাতের সাথে বুনে দিল, আঙুলে আঙুল জড়িয়ে এক নিবিড় বন্ধন তৈরি করল।
 "মা, আমি কি সত্যিই ভেতরে ঢুকব?"
 সৌম্যের কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে এসেছিল। প্রতিমা তার আঙুলগুলো আরও শক্ত করে চেপে ধরল।
 "তুই তো আমার কথা শুনবি না সৌম্য। তুই যা চাস, তাই কর।"
 সৌম্য ধীরে ধীরে ভেতরে প্রবেশ করল। মনে হলো সময় থমকে গেছে। প্রতিমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল, শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সৌম্য মাথা নিচু করে মায়ের কপালে এক দীর্ঘ, উষ্ণ চুমু দিল।
 "উফফ... কত গরম তোর শরীরটা," প্রতিমা গোঙাল।
 "তোমার ভেতরে আমি যেন মিশে যাচ্ছি, মা। এই অনুভূতিটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।"
 সৌম্যর ঠোকাঠুকি শুরু হলো। ছন্দটা ছিল ধীর, কিন্তু প্রতিটি ধাক্কায় প্রতিমার শরীরের ভেতরে এক অদ্ভুত কম্পন তৈরি হচ্ছিল। তারা একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল, যেখানে কামনার সাথে মিশে ছিল এক নিষিদ্ধ অধিকারবোধ।
 কিছুক্ষণ পর সৌম্য তাকে আলতো করে ঘুরিয়ে দিল। এবার প্রতিমা উল্টো করে শুয়ে রইল—ডগি স্টাইল। প্রতিমার কোমরের সেই সুন্দর ভাঁজ সৌম্যর সামনে উন্মুক্ত হয়ে পড়ল। সে তার হাত মায়ের কোমরে জড়িয়ে ধরল। প্রতিটি ঠেলার সাথে সাথে সে অনুভব করছিল প্রতিমার পিঠের মাংসপেশীর টান।
 "মা, কষ্ট হচ্ছে?"
 সৌম্যর গলার স্বরে ছিল এক অদ্ভুত যত্ন। প্রতিমা মাথা নাড়িয়ে জানাল, ব্যথা থাকলেও তা এক চরম সুখের সাথে মিশে আছে।
 "কষ্ট হচ্ছে... তোর এই বিশাল লিঙ্গটা যেন আমাকে ভেতর থেকে ছিঁড়ে ফেলছে।"
 সৌম্যের গতি বাড়ল। সে এবার আর ধীর রইল না। প্রতিটি ধাক্কায় প্রতিমার শরীর সামনে এগিয়ে যাচ্ছিল। সৌম্য তার পিঠের ওপর চুমু এঁকে দিতে লাগল, যেন প্রতিটি ইঞ্চিতে সে তার ভালোবাসার সিলমোহর বসাতে চায়।
 "আহ্! সোনা... তুই আমাকে শেষ করে দিবি। তোর লিঙ্গটা এত গভীরে যাচ্ছে যে আমি আর সহ্য করতে পারছি না!"
 "সহ্য করো মা। তোমাকে আমি আমার করে নিতে চাই। পুরোটা তোমার ভেতরে চাই।"
 "সৌম্য... আমাকে এবার ছাড়। খুব কষ্ট হচ্ছে, ভেতরে খুব চাপ লাগছে।"
 সৌম্য তার কানে ফিসফিস করে উত্তর দিল, "একটু সহ্য করো, মা। এই চাপটাই তো আমাদের এক করে দিচ্ছে।"
 "তুই খুব নিষ্ঠুর হয়ে গেছিস সৌম্য... এই নিষ্ঠুরতা আমাকে শেষ করে দিচ্ছে।"
 প্রতিমার শরীরটা শিথিল হয়ে এল, কিন্তু তার যোনি সৌম্যের লিঙ্গকে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। সৌম্যর মনে হলো সে কোনো এক উষ্ণ গুহায় বন্দি হয়ে গেছে, যেখান থেকে সে আর বের হতে চায় না।
 তৃতীয় পজিশনটা ছিল উল্টো—প্রতিমা ওপরে। সৌম্য তার পিঠে শুয়ে রইল, আর প্রতিমা ধীরে ধীরে নিজেকে নামাল। তার ছেলের বুকের ওপর হাত রেখে সে নিয়ন্ত্রণের ভার নিল। সৌম্য শুধু দেখছিল তার মায়ের মুখের ভাব—যেখানে বেদনা আর আনন্দের কোনো সীমারেখা নেই।
 প্রতিমার চোখ ভিজে এল। সে সৌম্যের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
 "তোর এই রূপটা আমি আগে দেখিনি সৌম্য। তুই আজ থেকে মা ছেলের সম্পর্কটা রাখলি না, তুই শুধু পুরুষের মতো আচরন করছিস।"
 সৌম্য মুখ তুলে নিয়ে মায়ের ঠোঁটে মিশে গেল। জিভ দিয়ে সে প্রতিমার মুখের দরজা খুলে দিল। এক দীর্ঘ ফ্রেঞ্চ কিস। তাদের লালা মিশে একাকার হয়ে গেল। প্রতিমা ওপর-নিচ হতে শুরু করল। তার স্তন দুটো সৌম্যের বুকের ওপর লাফাচ্ছিল।
 "আহ্... মা তোমার শরীরটা কত সুন্দর!"
 সবশেষে এল কোলচোদা। সৌম্য বিছানায় হেলান দিয়ে বসল, পা দুটো সামান্য খোলা। প্রতিমা তার কাছে এলো, হাঁটু গেড়ে বসে তার কোলের ওপর। সৌম্যের উত্থিত লিঙ্গ তার পেটের কাছে। সৌম্য নিজেই নির্দেশ করল তাকে ভেতরে নামতে।
 প্রতিমা ধীরে ধীরে নিজেকে নামাল, যতক্ষণ না পুরোটা ভেতরে ঢুকে গেল। এখন তারা মুখোমুখি বসা, শরীরে শরীর লেপ্টে। সৌম্য তার দুই হাত মায়ের পিঠে রাখল, আর প্রতিমা তার গলা জড়িয়ে ধরল। নড়াচড়া শুরু হলো—উঠা-নামা। প্রতিমার স্তন সৌম্যের বুকের ওপর থেকেথেকে ঘষা খাচ্ছিল।
 "এভাবে আমাকে নির্দয়ভাবে কেউ চুদেনি," প্রতিমা কাঁপা গলায় বলল।
 সৌম্য তার পিঠের ফাঁপরে গভীর এক চুমু এঁকে দিল।
 "তুমি আমার, মা। শুধু আমার। এই পৃথিবীতে তোমার ওপর আমার অধিকার সবচেয়ে বেশি।"
 কথাগুলোর সাথে সাথে তার হাত প্রতিমার নিতম্বে চেপে ধরে আরও গভীরে ঠেলে দিল। প্রতিমার শরীর থেকে এক দীর্ঘ আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
 "আআআহ্! সোনা... আর পারছি না! তুই খুব গভীরে ঢুকে গেছিস!"
 "এখন শুরু হবে আসল খেলা, মা।"
 ঘাম জড়ানো শরীরে তারা নড়াচড়া চালিয়ে গেল। যেন এক গভীর সমুদ্রের ঢেউ—একের পর এক, শেষ না হওয়া পর্যন্ত। শেষে যখন ক্লান্তি এসে ভর করল, সৌম্য মায়ের কপালে আরেকটা চুমু রাখল। প্রতিমা তার বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে ফেলল। সৌম্য তার মায়ের চুলে আঙুল বুলিয়ে দিল। সে কোনো কথা বলল না—শুধু চোখ বন্ধ করে এই নিষিদ্ধ অনুভূতিটা উপভোগ করল।
 হঠাৎ সৌম্যর চোখে এক উন্মত্ততা দেখা দিল। সে প্রতিমার চোখের দিকে তাকিয়ে একটি খুব জোরালো, কর্কশ ধাক্কা মারল।
 "আআআহ্!!!"
 প্রতিমার মনে হল যেন তার যোনি ছিঁড়ে গেল এবং ফেটে গেল। পুরো লিঙ্গ প্রতিমার যোনিতে গোড়া পর্যন্ত ঢুকে গেল। যোনির গভীরতায় লিঙ্গ জরায়ু পর্যন্ত আগেই পৌঁছে গিয়েছিল, এবার সব কিছু ঠেলে আরও দুই ইঞ্চি ভেতরে ঢুকে গেল। সৌম্যের লিঙ্গ আর প্রতিমার যোনির উপরের কালো কালো চুল একে অপরের সাথে মিশে গেছে।
 প্রতিমা জোরে আর্তনাদ করে উঠল এবং তার ছেলেকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। সৌম্যের কাঁধ আর পিঠ প্রতিমা এমনভাবে চেপে ধরল যে তার নখ সৌম্যের পিঠে হালকা হালকা বিঁধে গেল। কিন্তু তবুও প্রতিমার এবার একটু কমই ব্যথা হল, কারণ যোনি ভেতর থেকেও কিছুটা খুলে গিয়েছিল।
 প্রতিমা সৌম্যকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরল, আর সৌম্য আরও একটি জোরালো ধাক্কা মারল। সেই ধাক্কা সরাসরি প্রতিমার জরায়ুতে লাগল। বহু বছর ধরে বন্ধ থাকা জরায়ুর মুখ খুলে গেল তার তরুণ ছেলের লিঙ্গের প্রবল ধাক্কায়।
 "মা, আমি তোমাকে গর্ভবতী করব।"
 সৌম্যের মুখ থেকে কথাগুলো উন্মত্ততায় বেরিয়ে এল।
 প্রতিমা হাঁপাচ্ছিল। তার চোখগুলো কামনায় ঝাপসা হয়ে এসেছে।
 "সোনা... তুই কি সত্যিই...?"
 "হ্যাঁ মা। আমি চাই আমার সন্তান তোমার গর্ভে থাকুক। আমি চাই তুমি আমার ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হও।"
 সৌম্যের মোটা লিঙ্গ তার মায়ের দহনরত যোনিতে গোড়া পর্যন্ত প্রবেশ করেছিল। যোনির ভেতরের নরম ও মোলায়েম দেওয়ালগুলো লিঙ্গকে এমনভাবে জড়িয়ে ধরেছিল যেন তাকে চুমু খেয়ে স্বাগত জানাচ্ছে। সৌম্য প্রতিমাকে আবার অবিরাম চুমু খেতে লাগল। প্রতিমা আবার গোঙাতে শুরু করল, তার হাতগুলো তার ছেলের পিঠে লাগাতার চলতে লাগল।
 এবার সে তার পা দুটো তার ছেলের কোমরে কাঁচির মতো জড়িয়ে দিল। যার ফলে প্রতিমার যোনি আরও খুলে উপরে উঠে গেল, লিঙ্গ আরও ভালোভাবে যোনিতে প্রবেশ করল। অনেকক্ষণ ধরে এভাবেই মা-ছেলে একে অপরের মধ্যে ডুবে গোঙাতে লাগল।
 সৌম্য অনেকক্ষণ ধরে যোনিতে চুপচাপ পড়ে থাকা লিঙ্গকে হালকা করে টেনে বের করল এবং তারপর গোড়া পর্যন্ত সশব্দে ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
 "উউউহ্... সোনা!"
 প্রতিমা গুঙিয়ে উঠল। এখন লজ্জা-সংকোচ সব বাতাসে ভেসে গিয়েছিল। এখন ছেলে তার মাকে নির্মমভাবে চুদছিল এবং প্রতিমা প্রতি ধাক্কায় 'হায় হায়' করছিল।
 "তোর লিঙ্গটা যেন আগুনের মতো, সোনা। আমার ভেতরে সব পুড়ে যাচ্ছে।"
 "পুড়ুক মা। এই আগুন আমাদের পুড়িয়ে ছাই করে দিক।"
 সৌম্য এখন বেশ দ্রুত ও লম্বা লম্বা ধাক্কা মেরে তার মায়ের যোনিতে ঠাপ মারতে লাগল। যখন লিঙ্গ সশব্দে ভেতরে যেত, তখন সৌম্যের লোমশ যৌনাঙ্গের লোমগুলো ছড়িয়ে থাকা যোনির ভাঁজগুলোর মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে থাকা ভগাঙ্কুরে ধাক্কা খেত। প্রতিমার শরীর বারবার উত্তেজনায় কাঁপতে থাকত। চরম উত্তেজনায় যোনির ভগাঙ্কুর ফুলে ফেঁপে উঠেছিল এবং একেবারে বাইরে বেরিয়ে এসেছিল।
 প্রতিমা জোরে জোরে গোঙাতে লাগল এবং সৌম্য তার মায়ের যোনি পুরো শক্তি দিয়ে ঘচাচ ঘচাচ করে ঠাপ মারতে লাগল। লিঙ্গ ও যোনি কামরস দ্বারা এত সিক্ত হয়ে গিয়েছিল যে ঠাপের ফচ ফচ, ঘচ ঘচ শব্দে ঘরের পরিবেশ মাতিয়ে তুলেছিল।
 "আহ্... সোনা... আস্তে! আরও আস্তে ঠেল!"
 প্রতিমার পুরো শরীর নাড়াতে নাড়াতে পায়ের মলের শব্দ চারপাশের পরিবেশে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। সৌম্য কখনও সোজা লিঙ্গ তার মায়ের যোনিতে ঠেলত, তো কখনও হালকা বাঁকা করে লিঙ্গের মাথা যোনির মোলায়েম দেওয়ালগুলোতে ঘষতে ঘষতে গভীরে গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে দিত।
 কখনও কখনও জোরে জোরে ঠাপ মারতে লাগল সে। প্রতিমা এতে ছটফট করে আর্তনাদ করে উঠত। সৌম্য তার মায়ের মুখ থেকে প্রথমবার এমন কামুক গোঙানি শুনছিল এবং শুনে পুরোপুরি মোহে আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছিল।
 সে তার ধাক্কার গতি এত বাড়িয়ে দিয়েছিল যে এখন জোরে জোরে ঠাপের ফচা ফচ, ফচ ফচ, ঘচা ঘচ শব্দ হতে লাগল। প্রতিমার যোনি রস ছাড়তে ছাড়তে এত পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল যে লিঙ্গটা দ্রুত পুরোটা ভেতরে বাইরে হচ্ছিল। নিজের মায়ের যোনির কামরসে সিক্ত সৌম্যের লিঙ্গ চকচক করছিল।
 "তোর লিঙ্গটা কত চকচক করছে সোনা... তুই আমাকে পুরো ভিজিয়ে দিলি।"
 "তোমার রস ছাড়া এই লিঙ্গ অসম্পূর্ণ, মা। তুমিই আমাকে পূর্ণতা দিচ্ছ।"
 দুই মা-ছেলে অন্ধকারে একে অপরকে বাহুতে জড়িয়ে ধরে হুমচ হুমচ করে জোরালো অবিরাম ধাক্কা দিতে লাগল। প্রতিমার শরীরটা ঢেউয়ের মতো দুলছিল।
 "সোনা... আমি আর পারছি না... আমি জল খসিয়ে দেব... আহ্!"
 "খসিয়ে দাও মা। আমার ওপর সব ঢেলে দাও।"
 সৌম্য তার গতি আরও বাড়িয়ে দিল। প্রতি ঠাপে প্রতিমার শরীরটা বিছানায় পিঠ ঠেকে ধাক্কা খাচ্ছিল। তাদের দুজনের নিশ্বাসের শব্দ আর শরীরের ঘর্ষণের শব্দে রুমটা ভরে উঠল।
 "তুমি আমার বৌ ও প্রমিকা মা... তুমি আমার সব।"
 সৌম্য আর অন্য কথা বলল না। সে তার সমস্ত শক্তি দিয়ে কয়েকটি প্রবল ধাক্কা মারল। প্রতিমার শরীরটা ধনুকের মতো টানটান হয়ে গেল, আর সে এক দীর্ঘ চিৎকার করে সৌম্যকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল ও আবার কামরস ত্যাগ করলো প্রতিমা।
Reply
#7

সপ্তম ভাগ:-





বাইরে বৃষ্টির তাণ্ডব। হোটেলের জানলার কাঁচের ওপর জলের ধারাগুলো যেন পাগলের মতো দৌড়াচ্ছে। ঘরের ভেতরে অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে আসা সামান্য আলোর রেখা আর বৃষ্টির একটানা শব্দ। সেই শব্দের সাথে মিশে গেছে শরীরের ঘর্ষণের শব্দ।
 সৌম্যর পেশীবহুল শরীর প্রতিমার নরম শরীরের ওপর চেপে বসে আছে। প্রতিবার যখন সে ধাক্কা দিচ্ছে, প্রতিমার পায়ের মলের শব্দ ঘরের দেওয়ালে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সৌম্যর লিঙ্গ কখনও সোজা হয়ে যোনির গভীরে প্রবেশ করছে, আবার কখনও সে মাথাটা সামান্য বাঁকিয়ে যোনির মোলায়েম দেওয়ালগুলোতে ঘষছে।
 "আহ্... সৌম্য... উফ্!"
 প্রতিমার আর্তনাদ বৃষ্টির শব্দকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে। সে ছটফট করছে, তার নখ সৌম্যর পিঠে বসে যাচ্ছে।
 "কেমন লাগছে মা? আমার এই লিঙ্গটা তোমার ভেতরে কেমন লাগছে?"
 সৌম্যর গলার স্বর এখন আর ছেলের মতো নেই, সেখানে মিশে আছে এক আদিম কামনার গর্জন। সে ধাক্কার গতি বাড়িয়ে দিল। ফচ ফচ, ঘচ ঘচ শব্দে ঘরটা ভরে উঠল। প্রতিমার যোনি থেকে নিঃসৃত রস এখন এত বেশি যে লিঙ্গটি ভেতরে ঢোকার সময় কোনো বাধা পাচ্ছে না, বরং পিচ্ছিল হয়ে দ্রুত ভেতরে-বাইরে হচ্ছে।
 "আমি... আমি আর পারছি না... খুব জোরে লাগছে... ওহ্ ভগবান!"
 প্রতিমা তার মাথাটা বালিশে চেপে ধরল। তার চোখ দুটো কামনায় বুঁদ হয়ে আছে।
 সৌম্য হঠাৎ একটু নিচু হলো। তার উষ্ণ নিঃশ্বাস প্রতিমার পেটে লাগছে। সে খুব আলতো করে মায়ের নাভিতে ঠোঁট রাখল। একটি গভীর চুম্বন। তারপর সে শরীরটা সামান্য সরিয়ে নিয়ে ধীর কিন্তু লম্বা টানে যোনি মর্দন করতে শুরু করল।
 সৌম্য নিচের দিকে তাকাল। দেখল তাদের দুই শরীর যেখানে মিশেছে, সেখানে কামরসে ভিজে চকচক করছে তার লিঙ্গ। সে একবার পুরোটা বের করে নিল, আর পরক্ষণেই এক প্রচণ্ড ঝাঁকি দিয়ে গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে দিল।
 "উউউহ্!"
 প্রতিমার পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে হাঁপাচ্ছে।
 "হে মা... উফ্ সৌম্য... তুই একটা জন্তু! আমাকে এভাবে মারিস না..."
 প্রতিমার কথাগুলো এখন আর নিষেধের নয়, বরং মুক্তি পাওয়ার জন্য আকুতি। তার যোনিতে তীব্র শিহরণ জাগল। সে হঠাৎ চিৎকার করে সৌম্যর গলা জড়িয়ে ধরল।
 "আহ বাবা! আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি... হায় হায়! মা... ওহ দয়া করে আমাকে ছাড়... আমি আর পারছি না! আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি... হায় আমার যোনি... ওহ বাবা!"
 প্রতিমা তার নিতম্ব দুটো জোরে উপরের দিকে ঠেলে দিল, যেন সে নিজেই লিঙ্গটিকে আরও গভীরে টেনে নিতে চাইছে। তার সারা শরীর কাঁপতে শুরু করল। বহু বছরের তৃষ্ণার্ত যোনি থেকে যেন গরম লাভা বেরিয়ে এল। সে চূড়ান্ত সুখের চূড়ায় পৌঁছে গেল।
 সৌম্য থামল না। সে অবিরাম ধাক্কা দিতে থাকল। প্রতিমার গালে, ঘাড়ে, ঠোঁটে আর কানের লতিতে একের পর এক চুমু খেতে লাগল সে। তার হাতগুলো প্রতিমার স্তনবৃন্তগুলোকে মর্দন করছে।
 "তুমি শুধু আমার, মা। শুধু আমার।"
 সৌম্যর ফিসফিসানি প্রতিমার কানে বিষের মতো মিশে যাচ্ছে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে কাঁপছে। তার যোনি সংকুচিত আর প্রসারিত হচ্ছে, যেন সে সৌম্যর লিঙ্গটিকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছে।
 বাইরে বৃষ্টি আরও প্রবল হলো। সৌম্যর গতি এখন কিছুটা মন্থর। সে প্রতিমার সাথে লতার মতো জড়িয়ে রইল। লিঙ্গের প্রবেশ আর নির্গমন এখন খুব আলতো।
 প্রতিমা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। সে তার ছেলেকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তার মনে হচ্ছে, এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের সুখ পৃথিবীর সব নিয়মের চেয়ে বড়। সে সম্পূর্ণ তৃপ্ত।
 "সৌম্য... তুই আমাকে এমন জায়গায় নিয়ে গেলি যে আমি আর ফিরতে পারব না।"
 সৌম্যর চোখে এখন উন্মাদনা। সে আর স্থির থাকতে পারল না। প্রায় বেশ কিছুক্ষণ প্রচণ্ড জোরালো ধাক্কার পর সে এক শেষ, অত্যন্ত শক্তিশালী ধাক্কা মারল।
 "আআআহ্!"
 প্রতিমার মুখ থেকে তীব্র চিৎকার বেরিয়ে এল। তার সারা শরীর কেঁপে উঠল। সৌম্যর শরীরও কাঁপছে। সে গর্জন করে উঠল।
 "এখন থেকে তুমি শুধু আমার! শুধু আমার! তোমার যোনি ছাড়া আমি আর বাঁচতে পারব না! আআআহ্!"
 সৌম্যর অণ্ডকোষে জমা ঘন, গরম বীর্য দানা দানা হয়ে পিচকিরির মতো প্রতিমার যোনির গভীরে পড়তে লাগল। বীর্যের উষ্ণ ধারা যখন যোনিমুখে তীব্রভাবে আছড়ে পড়ল, প্রতিমা আবার কাঁপতে শুরু করল।
 "হায় হায়... ওহ্ বাবা... ভেতরে... সব ভেতরে দিয়ে দিলি!"
 প্রতিমার যোনি থেকেও রসের পিচকিরি ছুটে পড়ল। লিঙ্গটি গোড়া পর্যন্ত প্রবেশ করে আছে। প্রতিমার যোনি শক্ত হয়ে সংকুচিত আর প্রসারিত হচ্ছে। সে যেন এক অদ্ভুত আবেশে বেহুঁশ হয়ে তার ছেলেকে চুমু খেতে খেতে জড়িয়ে ধরল।
 সৌম্যর শরীর তখনও কাঁপছে। পুরো লিঙ্গ যোনির ভেতরে ডুবে আছে। সে অনুভব করতে পারছে কীভাবে বীর্যের মোটা ধারা প্রতিমার গভীরে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিমার যোনি এখন বীর্যে কানায় কানায় পূর্ণ।
 "আহ্... খুব গরম... সৌম্য, তোর বীর্য এত গরম কেন?"
 প্রতিমা অস্ফুট স্বরে বলল। বীর্য বাইরে বেরিয়ে তার নিতম্বের খাঁজে প্রবাহিত হতে লাগল। সেই ঘন আর উষ্ণ অনুভূতিতে প্রতিমা আবার শিউরে উঠল। যোনি রস আর বীর্যের মিশ্রিত একটি ধারা প্রবাহিত হয়ে বিছানা পেরিয়ে নিচের মেঝেতে গিয়ে পড়ল।
 সৌম্য চোখ বন্ধ করে হাঁপাতে লাগল। সে লিঙ্গটি গোড়া পর্যন্ত ঢুকিয়ে শেষবারের মতো কয়েকবার ঝাঁকি দিল। তারপর সে হাঁপাতে হাঁপাতে প্রতিমার শরীরের ওপর ঢলে পড়ল।
 প্রতিমা অচেতন প্রায়, কিন্তু তার বাহুগুলো ছেলের শরীরকে জাপটে ধরে আছে। সে বেহুঁশ অবস্থায় সৌম্যর চুলে আঙুল বোলাচ্ছে, তাকে আদর করছে।
 লিঙ্গটি এখন কিছুটা শিথিল হয়ে এসেছে, কিন্তু তখনও অর্ধেকটা ভেতরে। প্রতিমা তার দুই পা ছেলের কোমরে আড়াআড়ি করে জড়িয়ে রেখেছে।
 "সৌম্য..."
 প্রতিমা খুব হালকা করে ডাকল।
 "বলো মা।"
 সৌম্যর গলার স্বর এখন শান্ত, কিন্তু তৃপ্তির।
 "আমরা কি খুব বড় পাপ করলাম? আর তুই আমার যোনির ভিতরে বীর্যপাত করলি কেন? এটা অনেক বড় পাপ"
 সৌম্যর মুখটা প্রতিমার ঘাড়ের কাছে। সে সেখানে একটি নরম চুমু খেল।
 "পাপ কি হয় যখন দুজন মানুষ একে অপরকে এত গভীরভাবে ভালোবাসে? তুমি কি এখন অপরাধবোধ অনুভব করছো? আর আমি চাই আমাদের এই মিলনের কোনো চিহ্ন থাকুক।"
 প্রতিমা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর সে সৌম্যর পিঠে হাত বুলিয়ে বলল, "না। এটা ঠিক হল না, কিছু দূর্ঘটনা ঘটলে তখন কাউকে মুখ দেখাতে পারবো না। এই সুখ... এই তৃপ্তি... আমি জীবনে কখনও পাইনি। সুবীরের সাথেও এমনটা হয়নি। কিন্তু তবুও এটা ভালোবাসা নয়, কামনা ও আকর্ষণ মাত্র।"
 সৌম্য একটু হেসে তার মাথা তুলল। প্রতিমার মুখে এখন এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
 "যা হয় হোক, আমি আছি তোমার সঙ্গে, কোনো ভয় নেই তোমার, এখন থেকে তুমি শুধু আমার।"
 প্রতিমা চোখ বন্ধ করে মাথা নাড়ল। "হ্যাঁ, আমি শুধু তোর। তোর এই বিশাল কামনার কাছে আমি আত্মসমর্পণ করেছি।"
 সৌম্যর ঠোঁটে এক তৃপ্তির হাসি। সে আবার প্রতিমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। বাইরে বৃষ্টি থামেনি, বরং আরও প্রবল হয়ে উঠেছে। সেই বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে আছে দুই নিষিদ্ধ প্রেমিকের দীর্ঘশ্বাস।
 "আমি তোমাকে কখনও ছেড়ে যাব না, মা। তোমার এই শরীর, তোমার এই যোনি... এখন আমার সাম্রাজ্য।"
 সৌম্যর হাত প্রতিমার স্তনে। সে আলতো করে নিপলগুলো টিপছে। বীর্য তখনও তাদের শরীরের মাঝখানে ভিজে হয়ে আছে।
 "এখন ঘুমিয়ে পড়ো। আমি তোমাকে জড়িয়েই রাখব।"
 প্রতিমা চোখ বুজল। তার মনে হচ্ছে, পৃথিবীর সব বাধা, সব নিয়ম এখন এই হোটেলের ঘরের বাইরে। এখানে শুধু সে আর তার ছেলে—দুটি শরীর, একটি তৃষ্ণা।
 সৌম্যর শ্বাস এখন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সে অনুভব করল প্রতিমার হৃদস্পন্দন তার বুকের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে। সে মনে মনে ভাবল, এই মুহূর্তটি যেন অনন্তকাল ধরে চলে।
 "সৌম্য, তুই কি সত্যিই আমাকে এত ভালোবাসিস?"
 প্রতিমা ঘুমের ঘোরেই ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।
 সৌম্যর কণ্ঠস্বর গম্ভীর হয়ে এল, "ভালোবাসা শব্দটা খুব ছোট মা। আমি তোমাকে পূজা করি। তোমার শরীর আমার কাছে মন্দির।"
 প্রতিমা আর কিছু বলল না। সে শুধু সৌম্যর আলিঙ্গনকে আরও শক্ত করল। বীর্যের উষ্ণতা আর বৃষ্টির শীতলতা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল সেই অন্ধকারে।
 কিছুক্ষণ পর প্রতিমা আবার নড়ে উঠল। সে অনুভব করল লিঙ্গটি আরও শিথিল হয়ে এসেছে।
 "বের করে নে সোনা... খুব ভিজে হয়ে আছে সব।"
 সৌম্য আলতো করে লিঙ্গটি বের করে নিল। যোনি থেকে বীর্য আর রসের মিশ্রিত সাদাটে তরল স্রোতের মতো বেরিয়ে এল। সৌম্যর লিঙ্গটি এখন ভিজে এবং চকচকে।
 সে হাত দিয়ে সেই তরলটুকু মুছে নিল আর প্রতিমার কপালে একটি গভীর চুমু দিল।
 "আজ রাতে আমরা শুধু একে অপরের। কোনো চিন্তা নেই, কোনো ভয় নেই।"
 প্রতিমা হাসল। সেই হাসিতে ছিল এক নিষিদ্ধ সম্পর্কের প্রতি বিশাদ ও চিন্তা, এই পথ খুব কঠিন, কিন্তু এই সুখের কাছে সবকিছুই কেতুচ্ছ।
 সৌম্য তাকে আরও কাছে টেনে নিল। তাদের শরীরগুলো ঘাম আর কামরসে লেপটে ছিল। বৃষ্টির শব্দ এখন একটা লোরির মতো শোনাচ্ছে, যা তাদের গভীর ঘুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
 "শুভ রাত্রি, আমার রানি।"
 অন্ধকার ঘরে শুধু শোনা যাচ্ছিল তাদের দুজনের ছন্দময় নিঃশ্বাস। নিষিদ্ধ ভালোবাসার এক চরম তৃপ্তির পর তারা ডুবে গেল গভীর ঘুমে, যেখানে কোনো সমাজ নেই, কোনো নিয়ম নেই—আছে শুধু শরীর আর আত্মার এক আদিম মিলন।
Reply
#8

অষ্টম ভাগ:-





ভোরের আলো হোটেলের জানালার ফাঁক গলে এসে পড়ল ঘরের মেঝেতে। বাইরের বৃষ্টি থেমে গেছে। বাতাসের সাথে ভেসে আসছে ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ আর সমুদ্রের ঢেউয়ের একটানা গর্জন। প্রতিমা একটু নড়ে উঠল। তার শরীরে একটা পাতলা চাদর জড়ানো, কিন্তু ঘুমের ঘোরে শরীরটা অনেকটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে।
 সৌম্য চোখ মেলল। তার দৃষ্টি সরাসরি গিয়ে পড়ল মায়ের শরীরের ওপর। গত রাতের সেই স্মৃতিগুলো তার মস্তিষ্কে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। প্রতিমা পাশ ফিরে ঘুমিয়ে আছে। চাদরটা নিতম্বের নিচে নেমে গেছে, পিঠের মসৃণ বাঁক আর কোমরের সরু অংশটি সকালের আলোয় এক অদ্ভুত আভা ছড়াচ্ছে। তার ত্বক সোনালি, স্বচ্ছ। বালিশে চাপা পড়ে থাকা স্তন দুটোর নিপলগুলো গত রাতের উত্তেজনার চিহ্ন বহন করে এখনও কিছুটা ফুলে আছে।
 সৌম্যর পেটের ওপর তার লিঙ্গ শক্ত হয়ে চেপে বসল। রক্তস্রোত দ্রুত বইতে শুরু করল তার যৌনাঙ্গে। সে ধীরে ধীরে চাদরটা আরও সরিয়ে দিল। প্রতিমার যোনি—ফোলা, লালচে, আর গত রাতের কামরসে ভেজা—সৌম্যর চোখে এক নিষিদ্ধ আমন্ত্রণ। তার শ্বাস ভারী হয়ে এল। সে মায়ের কাঁধে আলতো করে হাত রাখল।
 "মা, জাগো।"
 প্রতিমা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। ঝাপসা দৃষ্টি পরিষ্কার হতেই সে দেখল ছেলের চোখ তার নগ্ন শরীরের ওপর স্থির। তার বুকের ভেতরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। গত রাতের সেই চরম মুহূর্তগুলো তার মনে অপরাধবোধের পাহাড় তৈরি করেছে। সে সৌম্যর হাতটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল।
 সৌম্য হাত সরাল না, বরং আরও শক্ত করে ধরল। তার কণ্ঠে এখন লালসা আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
 "মা, সকালের আলোয় তুমি এত সুন্দর লাগছে।"
 প্রতিমা মাথা নেড়ে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল। তার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল।
 "সৌম্য, না... দয়া করে। আমি পারছি না। গত রাতে যা হয়েছে, তারপর আমার মনে খুব অশান্তি হচ্ছে। এটা ঠিক নয়, সৌম্য। আমরা যা করছি, তা পাপ।"
 সৌম্যর হাত পিঠ বেয়ে নিচে নেমে এল। কোমরের খাঁজে আঙুলগুলো চেপে ধরল সে।
 "পাপ কি ভালোবাসা হতে পারে না মা? তোমাকে এভাবে দেখছি, আমার ভেতরটা যেন পুড়ে যাচ্ছে। তুমি কি বুঝতে পারছ না আমি তোমাকে কতটা চাই?"
 সে প্রতিমার গালে একটি গভীর চুমু খেল, তারপর ঠোঁটে। প্রতিমা প্রথমে চমকে উঠল, শরীরটা শক্ত হয়ে গেল। কিন্তু সৌম্যর জিভ যখন তার ঠোঁটের সীমানা পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল, প্রতিমার প্রতিরোধ ভেঙে পড়ল। সে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ঠোঁট খুলে দিল। এক দীর্ঘ, মিষ্টি চুম্বন, যেখানে সময়ের গতি থমকে গেল।
 সৌম্য এক ঝটকায় চাদরটা পুরোপুরি সরিয়ে ফেলল। প্রতিমা এখন সম্পূর্ণ উলঙ্গ। সকালের উজ্জ্বল আলো তার শরীরের প্রতিটি ভাঁড়কে স্পষ্ট করে তুলল। সৌম্য তার মুখ নামিয়ে স্তনের বোঁটায় জিভ বুলিয়ে দিল।
 "আহ্! সৌম্য... এখনই আবার? সারারাত করেও শান্তি হয়নি?"
 প্রতিমার হাত সৌম্যর মাথায় গিয়ে ঠেকল, কিন্তু সেই স্পর্শে বাধা ছিল না। বরং সে যেন অবচেতন মনেই তাকে আরও কাছে টেনে নিচ্ছিল। সৌম্যর মনে এখন কেবল তৃষ্ণা। সে প্রতিমার শরীরের ওপরে উঠে এল। তার দুই পা জোর করে আলাদা করে দিল।
 প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে চোখ বন্ধ করে নিল। চোখের কোণে জমে থাকা জল গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল।
 সৌম্য তার লম্বা, মোটা লিঙ্গের মাথাটি যোনির মুখে ঠেকিয়ে এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
 প্রতিমা নিঃশব্দে কেঁপে উঠল। যোনি এখনও গত রাতের রসে ভেজা, তাই লিঙ্গটি খুব সহজেই গভীরে প্রবেশ করল। সৌম্য প্রথমে ধীরে শুরু করল, কিন্তু উত্তেজনার তীব্রতা তাকে পাগল করে দিচ্ছিল। সে দ্রুত গতিতে ধাক্কা মারতে শুরু করল। যোনির ভেতরের নরম দেওয়ালগুলোতে লিঙ্গের মাথা ঘষা খাচ্ছিল।
 প্রতিমার শরীর কাঁপছিল। তার মনে হচ্ছিল সে এই শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সে কেবল একটি পুতুলের মতো পড়ে আছে, যাকে তার ছেলে এখন নির্মমভাবে ভোগ করছে। সৌম্যর নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। সে প্রতিমার মুখের দিকে তাকালো। চোখ বন্ধ, গাল বেয়ে জল গড়াচ্ছে।
 "মা, তুমি কাঁদছো কেন?"
 সৌম্য প্রশ্ন করল, কিন্তু তার ধাক্কা থামল না। বরং সে আরও জোরে, আরও গভীরে আঘাত করতে লাগল। প্রতিমা নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরল, যাতে আর্তনাদ বাইরে বেরিয়ে না আসে।
 এক ঘণ্টা ধরে এই খেলা চলল। সৌম্য তার মাকে চুদছে, আর প্রতিমা নিষ্ক্রিয়। শরীর সাড়া দিচ্ছে, যোনি থেকে রস বেরোচ্ছে, কিন্তু মনে কোনো আনন্দ নেই। সেখানে কেবল অপরাধবোধ আর এক গভীর বেদনা।
 সৌম্য যখন চরম সীমায় পৌঁছালো, সে এক চিৎকার দিয়ে তার সমস্ত বীর্য যোনির গভীরে ছাড়ল। হাঁপাতে হাঁপাতে সে প্রতিমার শরীরের ওপর ঢলে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে অনুভব করল, প্রতিমার শরীর কাঁপছে। সে মাথা তুলে দেখল প্রতিমা ফুঁপিয়ে কাঁদছে, মুখ লুকানোর চেষ্টা করছে।
 সৌম্যর বুকটা যেন ফেটে গেল। সে দ্রুত লিঙ্গ বের করে তার মায়ের পাশে শুয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল। প্রতিমা তার বাহুতে মুখ গুঁজে আরও জোরে কেঁদে উঠল। সৌম্য তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল, আঙুল দিয়ে চোখ মুছে দিল।
 "মা, আমি দুঃখিত। আমি জানি তুমি চাওনি। কিন্তু আমি পাগলের মতো ভালোবাসি তোমাকে। তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।"
 প্রতিমা চোখ মুছে সৌম্যর দিকে তাকালো। তার চোখে জল আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত সংঘাত।
 "আমার ভালো লাগছে না, সৌম্য। আমরা খুব বড় ভুল করছি। কিন্তু কেন আমি তোমাকে থামাতে পারছি না? কেন আমার শরীর তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করে?"
 সৌম্য তার ঠোঁটে একটি আলতো চুমু খেয়ে বলল,
 "কারণ তুমি আমাকে ভালোবাসো মা। আর আমিও তোমাকে। আমরা একে অপরের পরিপূরক। এই ভালোবাসা সমাজের চোখে নিষিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু আমাদের কাছে এটা সত্যি। আমি প্রতিজ্ঞা করছি—আমি আর কখনো তোমাকে জোর করব না। তুমি রাজি না হলে, আমি অনন্তকাল অপেক্ষা করব।"
     কিন্তু ভবিষ্যতে সৌম্য তার মাকে দেওয়া কথা রাখবে না।
 প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসল।
 "ঠিক আছে বাবা। কিন্তু এখন আমাকে একটু সময় দাও। এই সম্পর্কের অর্থ, এই পাপের ভার... সব বুঝতে আমার সময় লাগবে।"
 সৌম্য তার হাত ধরে নিজের বুকের ওপর রাখল।
 "আমি অপেক্ষা করব মা। যতদিন লাগে, আমি তোমার পাশে থাকব।"
 তারা অনেকক্ষণ চুপ করে শুয়ে রইল। সৌম্য তার মায়ের পিঠে আলতো মালিশ করে দিচ্ছিল। প্রতিমা ধীরে ধীরে শান্ত হলো। জানালার বাইরে সূর্য এখন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। এক নতুন দিনের শুরু, যা তাদের জীবনের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিল।
 সৌম্যর হাত যখন প্রতিমার পিঠে চলছিল, সে হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
 "মা, তুমি কি সত্যিই মনে করো এটা পাপ?"
 প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালার বাইরের আকাশের দিকে তাকালো।
 "সৌম্য, সমাজ যাকে পাপ বলে, তা হয়তো পাপ। কিন্তু আমার ভেতর যে যুদ্ধ চলছে, তার বিচার কে করবে? আমি তোমার মা, আর তুমি আমার সন্তান। এই সম্পর্কের বাইরে আমরা কোনোদিন চিন্তা করিনি। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে যা হচ্ছে, তা আমার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে।"
 সৌম্য তার আলিঙ্গন আরও শক্ত করল।
 "সমাজ কেবল নিয়ম জানে মা, ভালোবাসা জানে না। সুবীর বাবার কথা মনে আছে? তিনি তোমাকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু তোমার পরিবার তা মেনে নেয়নি। তুমি সেই কষ্টটা জানো। আমি চাই না তুমি আর কোনোদিন একা থাকো।"
 প্রতিমা তার ছেলের বুকে মাথা রাখল।
 "সুবীরের কথা মনে পড়লে আজও কষ্ট হয়। কিন্তু তুমি তার রক্ত, সৌম্য। তুমি তার প্রতিচ্ছবি। আমি যখন তোমার চোখের দিকে তাকাই, আমি সুবীরকেও দেখতে পাই। হয়তো সেই কারণেই আমি তোমাকে আটকাতে পারছি না।"
 সৌম্য তার চুলে নাক গুঁজে নিঃশ্বাস নিল।
 "তাহলে এই সম্পর্কটাকে মেনে নাও মা। আমরা দূরে কোথাও চলে যাব। যেখানে কেউ আমাদের চিনবে না, যেখানে আমরা শুধু নিজেদের মতো করে বাঁচব।"
 প্রতিমা একটু হাসল, তবে সেই হাসিতে বিষণ্ণতা ছিল।
 "এত সহজ নয় সবকিছু। আমাদের একটা জীবন আছে, একটা পরিচয় আছে। কিন্তু আমি স্বীকার করছি, তোমার স্পর্শ আমাকে এমন এক অনুভূতি দেয় যা আমি আগে কখনও পাইনি। তা কেবল শরীরী সুখ নয়, এক অদ্ভুত নির্ভরতা।"
 সৌম্য তার মুখ তুলে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো।
 "আমি তোমাকে পৃথিবীর সব সুখ দেব মা। আমি শুধু চাই তুমি আমার হও। পুরোপুরি আমার।"
 প্রতিমা তার গাল ছুঁয়ে বলল,
 "এটা সম্ভব নয়, আমরা মা - ছেলে। আমাদের এই সম্পর্ক সমাজ মেনে নেবেন‌ না। এই নিষিদ্ধ পথে হাঁটতে গেলে আমাদের অনেক মূল্য চোকাতে হবে।"
 সৌম্য আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল,
 "আমি সব মূল্য দিতে প্রস্তুত। শুধু তুমি আমার পাশে থেকো।"
 প্রতিমা তার বুকে মুখ গুঁজে ফিসফিস করে বলল,
 "আমি আছি বাবা। তবে মা হিসেবে।"
 সৌম্য তার কপালে চুমু খেল।
 "ঠিক আছে মা। আমাদের এই ভালোবাসা হবে আমাদের একান্ত গোপন স্বর্গ। আমি এই ভালোবাসা আমার মনের এক লুকিয়ে রাখবো, যতদিন না তুমি এই ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দাও।"
 বাইরে সমুদ্রের ঢেউগুলো এখন আরও জোরে আছড়ে পড়ছে সৈকতে। ঘরের ভেতরে নীরবতা বিরাজ করছে, তবে সেই নীরবতার মাঝে এক গভীর প্রতিশ্রুতি জন্ম নিয়েছে। তারা জানত, সামনের পথটা মসৃণ নয়, তবে একে অপরের উষ্ণতায় তারা এখন সমস্ত ভয় জয় করতে প্রস্তুত।
 সৌম্য আলতো করে প্রতিমার হাত ধরে বলল,
 "এখন একটু বিশ্রাম নাও। আমি তোমার জন্য কফি নিয়ে আসছি।"
 প্রতিমা করুন মুখে বলল,
 "না, দরকার নেই।"
 সৌম্য হাসল। সে তার মায়ের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ যেন এখন নতুন করে চিনতে শুরু করেছে। এই নিষিদ্ধ প্রেমের নেশা তাকে অন্ধ করে দিয়েছে, আর প্রতিমা সেই অন্ধকারের মাঝে এক আলোকবর্তিকা হয়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
 তারা জানালার বাইরে তাকালো। আকাশটা এখন পরিষ্কার নীল। সমুদ্রের নীল জলরাশি দিগন্তের সাথে মিশে গেছে। ঠিক যেমন তারা দুজন এখন একে অপরের সাথে মিশে গেছে—অবিচ্ছেদ্য, নিষিদ্ধ এবং চিরন্তন।
 প্রতিমা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,
 "সৌম্য, তুমি কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো, নাকি এটা কেবল তোমার যৌবনের উত্তেজনা?"
 সৌম্যর মুখ গম্ভীর হলো। সে প্রতিমার হাতটি নিজের হৃদপিণ্ডের ওপর রাখল।
 "অনুভব করো মা। এই স্পন্দন কি কেবল উত্তেজনার? আমি যখন তোমাকে দেখি, আমার মনে হয় আমার পুরো অস্তিত্ব তোমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই টান কেবল শরীরের নয়, আত্মার।"
 প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। সে অনুভব করতে পারল সৌম্যর হৃদপিণ্ডের দ্রুত গতি। সে বুঝতে পারল, এই ছেলেটি তার জন্য সত্যিই পাগল।
 "আমি হয়তো তোমার ভালোবাসার যোগ্য নই, সৌম্য। আমি একজন মা, আমার উচিত ছিল তোমাকে সঠিক পথ দেখানো।"
 সৌম্য তার কথা মাঝপথে থামিয়ে দিল।
 "সঠিক পথ কোনটা মা? যেখানে আমরা একে অপরকে দূরে ঠেলে দেব? যেখানে তুমি সারা জীবন একাকীত্বে পুড়বে? আমার কাছে সঠিক পথ সেটাই, যেখানে আমি তোমাকে সুখী দেখতে পাই।"
 প্রতিমা তার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
 "তুমি খুব জেদি হয়েছ, সৌম্য। ঠিক তোমার বাবার মতো।"
 সৌম্য হাসল।
 "জেদটাই তো আমাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে এনেছে।"
 তারা আবার চুপ হয়ে গেল। তবে এই নীরবতা আর ভারাক্রান্ত ছিল না। সেখানে ছিল এক অদ্ভুত শান্তি। জানালার বাইরে সূর্য এখন মধ্যগগনে। নতুন দিনটি তাদের জন্য এক নতুন পরীক্ষার সূচনা করল, তবে তারা প্রস্তুত ছিল সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে।
 প্রতিমা ধীরে ধীরে উঠে বসল। তার শরীর এখনও কিছুটা অবসন্ন, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত হালকা ভাব। সে সৌম্যর দিকে তাকিয়ে বলল,
 "চলো, এবার তৈরি হই। আমাদের এখান থেকে ফিরতে হবে।"
 সৌম্য তার হাত ধরে টেনে আবার বিছানায় শুইয়ে দিল। তার চোখে আবার সেই চেনা লালসা।
 "এখনই কেন ফিরতে হবে মা? আমাদের হাতে এখনও সময় আছে।"
 প্রতিমা এবার আর বাধা দিল না। 
 "তুমি সত্যিই এক রাক্ষস, সৌম্য।"
 সৌম্য তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল,
 "শুধুমাত্র তোমার জন্য।"
 সকালবেলার সেই আলো এখন ঘরের প্রতিটি কোণকে আলোকিত করেছে। তাদের নিষিদ্ধ প্রেম এখন সেই আলোর সাথে মিশে এক নতুন রূপ নিল। তারা জানত, পৃথিবীর চোখে তারা অপরাধী, কিন্তু নিজেদের চোখে তারা ছিল একে অপরের একমাত্র আশ্রয়।
 সৌম্যর ঠোঁট যখন প্রতিমার গলায় নেমে এল, প্রতিমা চোখ বন্ধ করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে বুঝতে পারল, সে এখন আর কেবল মা নয়, সে এখন সৌম্যর প্রেমিকা, তার আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। আর এই পরিবর্তনটিই তাকে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিল।
 বাইরে সমুদ্রের গর্জন আর ভেজা মাটির গন্ধ তাদের এই মুহূর্তটিকে আরও গাঢ় করে তুলল। তারা একে অপরের মাঝে হারিয়ে গেল, ভুলে গেল সমাজ, ভুলে গেল নিয়ম, আর ভুলে গেল সমস্ত পাপের সংজ্ঞা। সেখানে কেবল ছিল দুটি শরীর আর এক নিষিদ্ধ তৃষ্ণা।
বিকালে সমুদ্রের নোনা বাতাস প্রতিমার মুখে আছড়ে পড়ছিল। যখন প্রতিমা হোটেলের বারান্দার রেলিংয়ে শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, আঙুলের ছাপ সাদা হয়ে গেছে চাপের চোটে। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি, কিন্তু তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল কালচে মেঘের ঘনঘটা। গত রাতের ও আজ ভোরের স্মৃতিগুলো সেই মেঘের মতো তাকে গ্রাস করে নিচ্ছে। সৌম্যর হাতের সেই উষ্ণ স্পর্শ, তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে ছড়িয়ে পড়া সেই তীব্র লালসা—সবই যেন এক দুঃস্বপ্নের মতো।
সে ফিসফিস করে নিজেকেই বলল, "আমি যদি ওকে জোর করে এখানে ঘুরতে না নিয়ে আসতাম... হয়তো এসব হতো না।"
একটু থেমে সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সমুদ্রের ঢেউগুলো তীরের বালিতে আছড়ে পড়ছে, ঠিক যেমন তার ভেতরে অপরাধবোধের ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে।
"এই পাপ, এই অনাচার—সব আমারই দোষ। আমিই ওকে এই সুযোগ করে দিলাম।"
চোখের কোণে জল জমেছিল। সে দ্রুত হাত দিয়ে তা মুছে ফেলল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে ভেসে এল পরিচিত পায়ের শব্দ। ভারী পদক্ষেপ, আত্মবিশ্বাসী চাল। প্রতিমা জানত কে আসছে।
সৌম্য বারান্দায় এসে দাঁড়াল। তার শরীর থেকে ভেসে আসছিল হালকা পারফিউম আর পুরুষালি ঘামের মিশ্র এক গন্ধ। সে আলতো করে প্রতিমার কাঁধে হাত রাখল।
"মা, এখানে একা কেন? ভিতরে এসো, বাতাসে ঠাণ্ডা লাগবে।"
সৌম্যর কণ্ঠস্বরটি ছিল মধুর, যেন ভালোবাসায় মোড়ানো। কিন্তু প্রতিমা সেই মধুরতার নিচে লুকিয়ে থাকা ক্ষুধার্ত নেকড়েটিকে চিনতে পারে। সে দ্রুত কাঁধ ঝাকিয়ে সৌম্যর হাত সরিয়ে দিল।
"আমি ঠিক আছি। তুমি ভিতরে যাও। আমি একটু একা থাকতে চাই।"
সৌম্য সরলো না। সে প্রতিমার পাশে এসে দাঁড়াল, দুজনের কাঁধ প্রায় স্পর্শ করে আছে। সে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে একটা রহস্যময় হাসি হাসল।
"মা, তুমি কি এখনও গত রাতের কথা ভাবছো?"
প্রতিমা চমকে তাকালো তার দিকে। সৌম্যর চোখে এখন আর সেই ছোট ছেলের সরলতা নেই, সেখানে এখন এক অধিকারবোধ।
"আমি বলেছিলাম না, আর জোর করবো না? কিন্তু তুমি কি জানো, তোমাকে ছাড়া আমার শান্তি নেই? এই শরীর, এই মন—সবই তো তোমার জন্য পাগল।"
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার কোমরে গিয়ে জড়ালো। সে আলতো করে তাকে নিজের দিকে টেনে নিল। প্রতিমার শরীরটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। সে চাইছিল নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে, কিন্তু অদ্ভুত এক বিশ্বাসঘাতকতা করল তার শরীর। সৌম্যর দেহের উত্তাপ তাকে যেন চুম্বকের মতো আকর্ষণ করছে।
"সৌম্য, না! দয়া করে এসব আর করিস না। আমি আর পারছি না," প্রতিমা ফিসফিস করে বলল। তার কণ্ঠে অনুনয় ছিল, কিন্তু সেই অনুনয়ের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক গভীর দুর্বলতা। "এই পাপের বোঝা আমি আর ঘাড়ে নিতে পারছি না। আমরা কী করছি এটা?"
সৌম্য তার মুখ ঘুরিয়ে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো। তার দৃষ্টি ছিল তীব্র, যেন প্রতিমার আত্মার ভেতরে ঢুকে পড়ছে।
"মা, পাপ বলে কিছু নেই যদি আমরা একে অপরের সুখ চাই। সমাজ কী বলে, ধর্ম কী বলে, তা আমরা কি গুরুত্ব দেব? তুমি কি চাও না আমি সুখী থাকি বা তুমি সুখে থাকো?"
প্রতিমা কথা খুঁজে পেল না। সৌম্যর ঠোঁট ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। প্রথমে খুব নরমভাবে ছুঁয়ে দিল সে প্রতিমার নরম ঠোঁটকে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। তারপর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠল সেই চুম্বন। সৌম্যর জিভ ঠেলে ভেতরে ঢুকে পড়ল, প্রতিমার মুখের ভেতরের প্রতিটি কোণ দখল করে নিল।
প্রতিমা একবার চেষ্টা করল তাকে ঠেলে দিতে, কিন্তু তার হাতগুলো যেন শক্তি হারিয়ে ফেলল। সৌম্যর চুম্বনের তীব্রতায় তার সমস্ত সংকল্প মোমের মতো গলে গেল। অনিচ্ছাসত্ত্বেও তার হাত দুটো সৌম্যর ঘাড় জড়িয়ে ধরল। জিভের এই লড়াইয়ে প্রতিমা হার মানল। সে বুঝতে পারল, তার মন যতটা ঘৃণা করছে, তার শরীর ততটাই আত্মসমর্পণ করছে।
সৌম্য তাকে এক ঝটকায় কোলে তুলে নিল। তাদের দুজনের দেহের তাপমাত্রা যেন এক হয়ে গেল। সে তাকে নিয়ে গেল বিছানার দিকে। বারান্দার দরজাটা খোলা রয়ে গেল; সমুদ্রের গর্জন আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ ভেতরে ঢুকে পড়ছিল। কিন্তু প্রতিমার কানে এখন শুধু শোনা যাচ্ছিল তার নিজের হৃদপিণ্ডের দ্রুত স্পন্দন আর সৌম্যর ভারী নিঃশ্বাস।
সৌম্য তাকে ধীরে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার আঙুলগুলো প্রতিমার পোশাকের বোতামে খেলতে লাগল। তারপর সৌম্য প্রতিমার শাড়ি, ব্লাউজ ও বাকি অস্ত্রগুলো খুলে ঘরের কোণে ছুঁড়ে ফেলে দিলো। প্রতিমা আর বাধা দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিজেকে সমর্পণ করল। তার মন চিৎকার করে বলছিল 'থামো', কিন্তু তার শরীর অনেক আগেই সাড়া দিয়ে ফেলেছে।
সৌম্য যখন তার স্তনের বোঁটায় মুখ দিল, প্রতিমার পিঠ ধনুকের মতো শক্ত হয়ে উঠল। তার মুখ থেকে একটি মৃদু আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
"মা, তুমি এত সুন্দর... জানো তুমি কতটা সুন্দর?"
সৌম্যর জিভ বৃত্তাকারে ঘুরছে বোঁটার চারপাশে। প্রতিমার স্তনদুগুলা উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠেছে। সে অনুভব করতে পারল তার পায়ের মাঝখানে আর্দ্রতা বাড়ছে। নিজের লজ্জা লুকাতে সে চাদরটা টেনে ধরতে চাইল, কিন্তু সৌম্য তার হাত দুটো ধরে মাথার ওপরে চেপে ধরল।
সৌম্য তার পোশাক পুরোপুরি খুলে ফেলল। যখন সে নিজের লিঙ্গ বের করল—সেই বিশাল দণ্ড —প্রতিমার চোখ ছলছল করে উঠল। সে সেই দানবীয় আকারের সামনে নিজেকে খুব ছোট আর অসহায় মনে করল।
"সৌম্য, তুমি কথা দিয়েছিলে... তুমি বলেছিলে আর করবে না..."
সৌম্য তার মুখে একটি গভীর চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল, "আমি কথা রাখিনি, মা। কারণ তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারি না। তুমি কি আমাকে ক্ষমা করবে?"
প্রতিমা কোনো উত্তর দিল না। সে শুধু চোখ বন্ধ করে নিল। সে জানত ক্ষমা শব্দটা এখানে অর্থহীন।
সৌম্য তার পা দুটো আলাদা করল। লিঙ্গের মাথাটা যোনির মুখে ঘষতে লাগল সে। ভেজা, গরম, প্রস্তুত। তারপর এক প্রচণ্ড ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
"আআআহ্!"
প্রতিমার কণ্ঠ থেকে একটি চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এল। শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। কিন্তু সৌম্য থামল না। সে ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করল। প্রতিমার নিতম্ব নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে সে, যেন আরও গভীরে প্রবেশ করতে চায়।
প্রথম কয়েক মিনিট প্রতিমা নিষ্ক্রিয় পড়ে রইল। সে শুধু অনুভব করছিল তার ভেতরে একটি বিশাল স্তম্ভের ওঠানামা। তার শরীর সৌম্যর ধাক্কায় দুলছিল। কিন্তু যখন সৌম্য তার আঙুল দিয়ে ক্লিটোরিসে আলতো করে বুলাতে শুরু করল, প্রতিমার নিতম্ব অনিচ্ছায় নড়ে উঠল।
সে নিজেকে থামানোর চেষ্টা করল, কিন্তু শরীর বিদ্রোহ করল। সে অনুভব করল তার যোনি সংকুচিত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরছে।
"মা, তোমার কেমন লাগছে? বলো আমাকে, কেমন লাগছে?"
সৌম্যর কণ্ঠে মায়া আর লালসার এক অদ্ভুত মিশ্রণ। প্রতিমা চোখ খুলে সৌম্যর দিকে তাকালো। এখন আর তার চোখে সেই ভয়ার্ত পুতুলের ছাপ নেই, সেখানে ফুটে উঠেছে লালসার এক ঝিলিক।
"আমি... আমি জানি না," সে ফিসফিস করে বলল।
এই কথাটিই ছিল সৌম্যর জন্য সবুজ সংকেত। সে আরও জোরে ঠাপ মারা শুরু করল। প্রতিমার যোনি থেকে চিকচিক করে রস বেরোচ্ছে, বিছানার চাদর ভিজে যাচ্ছে। তাদের দেহের ঘর্ষণ থেকে এক ধরনের শব্দ তৈরি হচ্ছিল—ফচ ফচ, ঘচ ঘচ।
সৌম্য তাকে বিভিন্ন পজিশনে নিল। প্রথমে মিশনারি পজিশনে গভীরভাবে ঠাপাতে থাকল সে। প্রতিমার মুখ থেকে গোঙানির শব্দ বের হতে লাগল। তারপর সে প্রতিমাকে উল্টে দিল—ডগি স্টাইলে। পেছন থেকে যখন সে জোরে ধাক্কা মারছিল, প্রতিমার স্তনদুটো লাফাচ্ছিল।
"সৌম্য... উফফ... আর পারছি না... খুব গভীরে লাগছে!"
প্রতিমা এবার নিজেই নড়াচড়া করতে শুরু করল। তার হাত সৌম্যর কাঁধে শক্ত হয়ে চেপে বসেছে, মাথা পেছনে ফেলে সে আর্তনাদ করছে। কিন্তু সেই আর্তনাদে এখন আর অপরাধবোধ নেই, আছে শুধু এক আদিম মুক্তি।
কিছুক্ষণ পর, সৌম্য যখন চরমে পৌঁছালো, সে প্রতিমার ভেতরে প্রচণ্ড পরিমাণে বীর্য ছাড়ল। যেন তার সমস্ত ভালোবাসা, সমস্ত লালসা একবারে উজাড় করে দিচ্ছে।
প্রতিমা কেঁপে কেঁপে উঠল। তার নিজের চূড়ান্ত মুহূর্ত এসে গেল। শরীরে বিদ্যুতের মতো এক শিহরণ খেলে গেল। সে জোরে চিৎকার করে উঠল, তার যোনির পেশীগুলো শক্ত হয়ে সৌম্যর লিঙ্গকে চেপে ধরল।
তারা দুজনে ঘর্মাক্ত দেহে একে অপরকে জড়িয়ে শুয়ে রইল। ঘরের ভেতর তখন সমুদ্রের নোনা গন্ধ আর তাদের দেহের ঘামের গন্ধ মিশে একাকার হয়ে গেছে। সমুদ্রের ঢেউগুলো তখনও আছড়ে পড়ছে, কিন্তু প্রতিমার মনে আবার সেই অপরাধবোধ ফিরে এসেছে।
সে সৌম্যর বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে বলল, "তোকে আমি কী দিয়ে থামাবো, সৌম্য? আমি তো নিজেকেও থামাতে পারছি না।"
সৌম্য তার চুলে হাত বুলিয়ে দিল। তার নিঃশ্বাস তখনো ভারী।
"তুই কথা দিয়েছিলি... কিন্তু তোর চোখে যখন সেই লালসা দেখি, আমি নিজেকে ভুলে যাই। আমি জানি এটা ভুল, কিন্তু এই সুখ... এই সুখ আমাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।"
সৌম্য একটু হেসে তার কপালে চুমু খেল।
"মা, আমি জানি আমি ভুল করছি। কিন্তু তুমি কি সত্যিই চাও আমি থামি? তুমি যদি এখন বলো যে তোমার আমাকে কোনো প্রয়োজন নেই, আমি আজই কথা রাখবো। আমি আর কখনো তোমাকে ছোঁবো না।"
প্রতিমা চুপ করে রইল। অনেকক্ষণ নীরবতা। তার মন বলছিল, 'বলো তাই, এই পাপ থেকে মুক্তি চাও'। কিন্তু তার হৃদয় আর শরীর চিৎকার করে বলছিল উল্টোটা। সে অনুভব করতে পারছিল তার শরীর এখনও সৌম্যর স্পর্শ চাইছে।
শেষ পর্যন্ত সে মাথা নিচু করে খুব মৃদু স্বরে বলল, "আমি পারছি না সৌম্য। আমি বলতে পারছি না যে আমার প্রয়োজন নেই।"
সৌম্য তাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরল। তার কণ্ঠে এক অদ্ভুত তৃপ্তি।
"তাহলে তুমিও থামতে চাও না। তাহলে আমিও থামবো না। আমরা এই সম্পর্কের অর্থ খুঁজে বের করবো, একসঙ্গে। সমাজ আমাদের ঘৃণা করুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।"
প্রতিমা আর কিছু বলল না। সে শুধু সৌম্যর বাহুতে মুখ গুঁজে চোখ বন্ধ করল। সে শুনতে পাচ্ছিল সৌম্যর নিয়মিত নিঃশ্বাসের শব্দ। সৌম্যর মন তখনও অস্থির ছিল। সে জানত এই নিষিদ্ধ পথের শেষ কোথায়, কিন্তু সেই পরিণতির কথা ভাবার সাহস তার এখন নেই।
বারান্দা দিয়ে আসা সমুদ্রের হাওয়া তাদের ঘর্মাক্ত শরীরকে শীতল করছিল। প্রতিমার অপরাধবোধ কমেনি, কিন্তু সে এক অদ্ভুত শান্তি খুঁজে পাচ্ছিল তার ছেলের বাহুতে—অন্তত এই মুহূর্তের জন্য।
পরবর্তী দুই দিন তাদের জীবন যেন এক স্বপ্নের মতো কাটল। সেই হোটেলের রুমটি হয়ে উঠল তাদের গোপন স্বর্গ। সেখানে কোনো নিয়ম ছিল না, কোনো সামাজিক বাধা ছিল না। শুধু ছিল দুই শরীরের আদিম টান আর একে অপরকে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। প্রতিমা আর নিজেকে বাধা দিল না; সে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দিল সৌম্যর লালসার কাছে।
দুই দিন পর, যখন তাদের চলে যাওয়ার সময় এল, প্রতিমা একবার শেষবার সমুদ্রের দিকে তাকালো। ঢেউগুলো আগের মতোই আছড়ে পড়ছিল, কিন্তু প্রতিমার ভেতরের মেঘগুলো এখন আর কালো নয়, বরং এক রহস্যময় ধূসর রঙ ধারণ করেছে।
তারা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল, গাড়ির জানলা দিয়ে আসা বাতাস প্রতিমার মনে করিয়ে দিচ্ছিল যে তারা এখন আর আগের মতো নেই। তারা এমন এক সীমারেখা অতিক্রম করেছে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ নেই। প্রতিমা সৌম্যর দিকে তাকালো; সৌম্যর চোখে সেই একই লালসা, কিন্তু তার সাথে মিশে ছিল এক গভীর অধিকারবোধ।
প্রতিমা জানত, বাড়ি ফিরে সব কিছু আগের মতো মনে হবে, কিন্তু তাদের দুজনের ভেতরে এক গোপন আগ্নেয়গিরি জ্বলতে থাকবে, যা যেকোনো মুহূর্তে আবার বিস্ফোরিত হতে পারে। সে শুধু চোখ বন্ধ করল এবং সৌম্যর হাতের উষ্ণতা অনুভব করল, যা তার আঙুলগুলোকে শক্ত করে ধরে রেখেছিল।
Reply
#9

নবম ভাগ:-





গাড়ির ভেতরে বাতাস ভারী। এসি চলছে, কিন্তু সেই হিমেল হাওয়ায়ও সমুদ্রের নোনা গন্ধটা মিশে আছে। ড্রাইভারের হাত স্টিয়ারিংয়ে, কিন্তু তার নজর বারবার রিয়ার-ভিউ মিররের দিকে যাচ্ছে। পিছনের সিটে সৌম্য আর প্রতিমা। মাঝখানে এক হাত দূরত্ব, কিন্তু সেই শূন্যস্থানটি যেন এক গভীর খাদ।
 প্রতিমা জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে। বাইরের গাছপালাগুলো দ্রুত পিছিয়ে যাচ্ছে, ঠিক যেমন গত দুদিনের স্মৃতিগুলো তার মস্তিষ্ক থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে সে। দুপুরের তপ্ত রোদ কাঁচ ভেদ করে তার গালে এসে পড়ছে। চামড়ার ওপর সেই সোনালি আভা সৌম্যর চোখে ধরা পড়ছে। সে দেখছে তার মায়ের ঘাড়ের সেই ছোট তিলটি, যা গত রাতে তার ঠোঁটের স্পর্শ পেয়েছিল।
 সৌম্যর গলা শুকিয়ে আসছে। সে খুব সাবধানে কথাটি শুরু করল।
 "মা, তুমি কি কিছু খাবে? কোথাও গাড়ি থামাবো?"
 প্রতিমা জানালার বাইরে থেকে দৃষ্টি সরাল না। তার কণ্ঠস্বর এখন শীতল, যেন এক বরফখণ্ডের টুকরো।
 "না, বাড়ি পৌঁছে খাবো।"
 সৌম্যর বুকের ভেতরটাটা যেন একটু সংকুচিত হলো। সে আবার চেষ্টা করল।
 "কিন্তু তুমি তো সকাল থেকে খুব অল্প খেয়েছ। শরীর খারাপ করবে।"
 প্রতিমা এবার তার দিকে তাকালো। চোখে ক্লান্তি, কিন্তু তার চেয়ে বেশি সেখানে এক অদ্ভুত আতঙ্ক।
 "আমি বলেছি না, বাড়ি পৌঁছে খাবো? এখন চুপ থাকো, সৌম্য।"
 গাড়িতে আবার নীরবতা নেমে এল। শুধু ইঞ্জিনের একটানা শব্দ আর রাস্তার ঘর্ষণে চাকার শব্দ শোনা যাচ্ছে। প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। অন্ধকারের ভেতর ভেসে উঠছে সেই হোটেলের রুম। বিছানার চাদরে ছড়িয়ে থাকা তাদের নগ্ন শরীর। ছেলের সেই বিশাল দণ্ড যখন তার শরীরের গভীরে প্রবেশ করছিল, সে চিৎকার করেছিল। সেই চিৎকার এখন তার মনে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সে জানে, তারা এক নিষিদ্ধ সীমারেখা পেরিয়ে এসেছে। এই পথ থেকে ফেরার কোনো রাস্তা নেই।
 বাড়ি পৌঁছাতে বিকেল হয়ে গেল। গাড়ি থামার সাথে সাথে প্রতিমা যেন মুক্তি পেল। সে দ্রুত গাড়ি থেকে নামল। একবারও সৌম্যের দিকে তাকালো না। তার হাঁটার গতি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। সে সোজা ভেতরে ঢুকে নিজের ঘরের দরজাটা সশব্দে বন্ধ করে দিল।
 সৌম্য দীর্ঘশ্বাস ফেলে ব্যাগগুলো নিল। সে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ। তার মনে হচ্ছিল, ওই বন্ধ দরজার ওপারে প্রতিমা হয়তো কাঁদছে, অথবা সেও তার কথা ভাবছে।
 সৌম্য নিজের রুমে ঢুকে বিছানায় গা এলিয়ে দিল। সমুদ্রের ওই দুই দিন ছিল এক রঙিন স্বপ্ন। সেখানে কোনো সমাজ ছিল না, কোনো রক্ত সম্পর্কের বাধা ছিল না। ছিল শুধু দুটি তৃষ্ণার্ত শরীর আর এক আদিম লালসা। কিন্তু এই চার দেয়ালের ভেতরে সেই স্বপ্নগুলো এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
 সন্ধ্যা নামল। বাড়িটা এখন নিস্তব্ধ। প্রতিমা রান্নাঘরে ঢুকেছে। সৌম্য বসার ঘরে টিভি দেখছিল, যদিও তার মনোযোগ স্ক্রিনে ছিল না। সে লক্ষ্য করল, প্রতিমা যখন রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে বসার ঘরের পাশ দিয়ে যাচ্ছে, সে যেন এক অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি করে নিয়েছে। সে সৌম্যর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শরীরটা একটু সংকুচিত করে নিচ্ছে, যেন স্পর্শ লাগলে সে পুড়ে যাবে।
 সৌম্য আর থাকতে পারল না। সে উঠে দাঁড়াল এবং প্রতিমার পিছু নিল।
 "মা..."
 প্রতিমা চমকে উঠে দাঁড়ালো। তার হাতের খুন্তিটা বেসিনের ওপর শব্দ করে পড়ল। সে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালো, চোখে এখন কঠোরতা।
 "কী চাই তোর?"
 সৌম্যর কণ্ঠে আকুতি।
 "তুমি আমার সাথে এভাবে কথা বলছো কেন? আমরা তো..."
 "আমরা কি?" প্রতিমা কথাটি মাঝপথে থামিয়ে দিল। তার চোখগুলো চারপাশে ঘুরে দেখল, যেন দেয়ালগুলোরও কান আছে। সে নিচু স্বরে কিন্তু ধারালো কণ্ঠে বলল, "সৌম্য, তুমি তোমার কাজ করো। আমার খেয়াল রাখার দরকার নেই।"
 সৌম্যর মুখটা ম্লান হয়ে গেল।
 "আমি শুধু জানতে চাইছি তুমি কেমন আছো।"
 "আমি ভালো আছি। আর এই ভালো থাকাটা বজায় রাখতে চাইলে তুই তোর রুমে যা। এখন এই মুহূর্তে আমার সামনে থেকে দূর হ।"
 সৌম্য থমকে দাঁড়ালো। সে দেখল তার মা এখন কেবল তার মা নন, বরং একজন কঠোর অভিভাবক, যিনি তার পাপের কথা গোপন করতে বদ্ধপরিকর। সে নিঃশব্দে নিজের রুমে ফিরে গেল।
 রাতের খাবারের টেবিলে পরিবেশটা আরও বিষণ্ণ। চামচের ঠোকাঠুকির শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। প্রতিমা অল্প কিছু ভাত মুখে দিয়ে দ্রুত উঠে পড়ল।
 "তুমি এত অল্প খেলে কেন?" সৌম্য জিজ্ঞেস করল।
 প্রতিমা কোনো উত্তর দিল না। সে শুধু প্লেটটা নিয়ে রান্নাঘরে চলে গেল। সৌম্য শেষ করে প্লেট ধুতে গিয়ে দেখল, প্রতিমা তার ঘরের দরজা ভেতর থেকে লক করে দিয়েছে। এই বাড়িতে প্রতিমা রাতে কখনও দরজা বন্ধ করত না। এই একটি কাজই বলে দিচ্ছে, সে এখন সৌম্যর থেকে নিজেকে কতটা দূরে রাখতে চায়।
 সৌম্য নিজের বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল। ঘুম তার চোখের সামনে থেকে পালিয়ে গেছে। সে ভাবছিল—মা কি সত্যিই এই সম্পর্ক শেষ করতে চান? নাকি এই ভয় তাকে কুঁকড়ে দিচ্ছে?
 সে অস্থির হয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো। পাশের বাড়ির জানালার আলো জ্বলছে। প্রতিবেশীদের হাসির শব্দ, বাসন মাজার শব্দ ভেসে আসছে। সৌম্যর বুকটা ধক করে উঠল। এই মানুষগুলোই যদি একবার সন্দেহ করে? যদি কেউ জানতে পারে যে এই বাড়ির ভেতরে কী ঘটেছে? তাহলে শুধু প্রতিমা নয়, তার নিজের অস্তিত্বও মুছে যাবে।
 রাত ১১টা। হঠাৎ প্রতিমার রুমের আলো নিভে গেল। সৌম্যর হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল। সে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার পা যেন তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে সেই বন্ধ দরজার কাছে। সে দরজায় কান পাতল।
 ভেতর থেকে খুব হালকা শব্দ আসছে। ডুকরে কেঁদে ওঠার শব্দ। প্রতিমা বালিশে মুখ চাপা দিয়ে কাঁদছে। সেই চাপা কান্নার শব্দ সৌম্যর বুকটা মুচড়ে দিল। সে অনুভব করল, প্রতিমা কেবল ভয়ে কাঁদছে না, সে হয়তো এক তীব্র অপরাধবোধে দগ্ধ হচ্ছে।
 সৌম্য খুব আস্তে দরজায় টোকা দিল। ফিসফিস করে ডাকল।
 "মা..."
 ভেতরের কান্নাটা হঠাৎ থেমে গেল। কিছুক্ষণ গভীর নীরবতা। তারপর প্রতিমার কণ্ঠস্বর ভেসে এল। স্নিগ্ধ, কিন্তু তাতে এক অদ্ভুত দৃঢ়তা।
 "ঘুমোতে যা, সৌম্য।"
 সৌম্যর কণ্ঠ কাঁপছে।
 "মা, তুমি কাঁদছো কেন? আমি জানি তুমি কষ্ট পাচ্ছো। প্লিজ দরজাটা খোলো।"
 "আমি বলেছি ঘুমোতে যা। আগামীকাল তোর দোকান খুলতে হবে। তুই রুমে গিয়ে শুয়ে পড়। আর কখনও আমার কাছে আসতে চাইবো না।"
 সৌম্যর মনে হলো তার বুকের ভেতর কেউ হাত দিয়ে চেপে ধরেছে। সে আর কিছু বলল না। মাথা নিচু করে নিজের রুমে ফিরে এল। সে জানত, প্রতিমা এই কথাটি কেবল বলছে না, সে এটি পালন করবে। কিন্তু সৌম্যর ভেতরের সেই আদিম বাসনা তাকে বলছে—এই দূরত্ব বেশিদিন টিকবে না। তাদের শরীরের টান, সেই নিষিদ্ধ মিলন তাদের এমন এক বন্ধনে বেঁধেছে, যা সামাজিক কোনো বাধা দিয়ে ভাঙা সম্ভব নয়।
 পরদিন সকাল। প্রতিমা খুব ভোরে উঠে রান্না শেষ করেছে। সৌম্যর জন্য খাবার তৈরি করে রেখে সে দ্রুত নিজের রুমে চলে গেছে। সৌম্য যখন দোকান খোলার জন্য বের হচ্ছিল, প্রতিমার সাথে তার কোনো কথা হয়নি।
 দুপুরে দোকানের সামনে দিয়ে প্রতিমার প্রতিবেশী মেয়েটি হেঁটে যাচ্ছিল। সে প্রতিমাকে ডাকল।
 "দিদি! একটু শুনুন না, আমার ওই মশলাটা কি আপনার কাছে হবে?"
 প্রতিমা হাসিমুখে বাইরে বেরোল। তার মুখে এখন সেই পরিচিত শান্ত ভাব।
 "হ্যাঁ রে, একটু দাঁড়াও, আমি ভেতরে থেকে নিয়ে আসি।"
 সৌম্য ঠিক সেই সময় দোকান থেকে ফিরছিল। সে দেখল তার মা ওই মেয়েটির সাথে খুব স্বাভাবিকভাবে কথা বলছেন। কিন্তু যখনই প্রতিমার নজর সৌম্যর দিকে পড়ল, তিনি দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলেন। যেন সৌম্যর চোখের দিকে তাকালে তার সব গোপন পাপগুলো ফাঁস হয়ে যাবে।
 এভাবে দিনগুলো কাটতে লাগল। একই ছাদের নিচে দুজন মানুষ, কিন্তু তাদের মাঝে এক বিশাল হিমশৈল। দিনের বেলা তারা একে অপরের কাছে অপরিচিত। প্রতিমা খুব সংযত, কঠোর। সে সৌম্যর সাথে কথা বলে কেবল প্রয়োজনে।
 কিন্তু রাত নামলেই দৃশ্যপট বদলে যায়। যখন পুরো বাড়ি চুপচাপ হয়ে যায়, সৌম্য তার মায়ের ঘরের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সে দরজায় হাত বুলিয়ে দেয়, কখনও কপাল ঠেকিয়ে রাখে কাঠের প্যানে। সে অনুভব করতে পারে, দরজার ওপারে প্রতিমাও হয়তো একইভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
 ঘরের ভেতরে প্রতিমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীর দেখছিল। তার চোখগুলো ভিজে আছে। সে নিজের স্তন দুটির দিকে তাকালো, যেখানে সৌম্যর ঠোঁটের দাগ এখনও যেন স্পষ্ট। তার যোনিতে সেই দহন অনুভব করতে পারে সে। শরীরটা প্রতি মুহূর্তে সৌম্যর কাছে ছুটে যেতে চায়।
 সে নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরল। মনে মনে বলল, "আমি পারব। আমি ওকে থামাবো। এই পাপের শেষ হবে ধ্বংস।"
 কিন্তু রাতের নিস্তব্ধতা যখন তাকে ঘিরে ধরে, প্রতিমার কল্পনাগুলো তাকে আক্রমণ করে। সে কল্পনা করে—হঠাৎ সৌম্য দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ল। তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল এবং তার সেই বিশাল লিঙ্গ দিয়ে তাকে আবার তৃপ্ত করল। এই কল্পনা প্রতিমার রক্তে এক অদ্ভুত উত্তেজা জাগিয়ে তোলে। তার নিপলগুলো শক্ত হয়ে ওঠে, যোনি থেকে রস ঝরতে শুরু করে। সে বুঝতে পারে, সে হেরে যাচ্ছে।
 সে প্রতিদিন সকালে নিজেকে শক্ত করে বলে, "আমি থামাবো সৌম্যকে।" কিন্তু রাতের অন্ধকারে সে শুধু অপেক্ষা করে—কবে সেই বাঁধ ভেঙে যাবে।
 প্রতিবেশীদের কথা, তাদের হাসাহাসি, সংসারের ছোটখাটো শব্দ—সবই প্রতিমার কানে বাজছে। সে জানে, এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে জানে, সমাজ তাকে ক্ষমা করবে না। কিন্তু তার শরীর আর মন এখন আর তার নিয়ন্ত্রণে নেই।
 একদিন বিকেলে সৌম্য বসার ঘরে বসে ছিল। প্রতিমা চা নিয়ে এল। টেবিলের ওপর কাপটা রাখার সময় তার হাতের আঙুলটা খুব সামান্য সৌম্যর হাতে স্পর্শ করল। প্রতিমা দ্রুত হাত সরিয়ে নিলেন, কিন্তু সৌম্য সেই স্পর্শটা অনুভব করল।
 "মা, আর কতদিন এভাবে থাকবে?" সৌম্যর কণ্ঠে এবার বিরক্তি।
 প্রতিমা তীক্ষ্ণ স্বরে বললেন, "কীভাবে থাকবো? আমি তো স্বাভাবিকভাবেই থাকছি।"
 "স্বাভাবিক? তুমি কি মনে করো এই নীরবতা স্বাভাবিক? আমরা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি, তা কি এত সহজে ভুলে যাওয়া সম্ভব?"
 প্রতিমা তার দিকে তাকালেন। তার চোখে এখন জল।
 "ভুলে যাওয়া সহজ নয়, সৌম্য। কিন্তু মনে রেখো, আমরা কী করেছি। তুই আমার ছেলে। আমি তোর মা। এই সম্পর্কটা কোনোদিন স্বীকৃত হবে না।"
 সৌম্য উঠে দাঁড়াল। তার উচ্চতা প্রতিমার চেয়ে অনেক বেশি, সে প্রতিমার খুব কাছে চলে এল।
 "আমি জানি এটা স্বীকৃত হবে না। কিন্তু আমার শরীর কি সেটা জানে? আমার মন কি সেটা মেনে নিয়েছে? আমি তোমাকে ভালোবাসি, মা। শুধু মা হিসেবে নয়।"
 প্রতিমা দ্রুত পিছিয়ে গেলেন। তার কণ্ঠে আতঙ্ক।
 "চুপ কর! এই কথা আর কখনও বলবি না। তুই যদি সত্যিই আমাকে ভালোবাসিস, তবে এই দূরত্বটা মেনে নে। অন্যথা আমরা দুজনেই শেষ হয়ে যাবো।"
 সৌম্যর মুখে একটা করুণ হাসি ফুটে উঠল।
 "আমরা তো শেষ হয়েই গেছি, মা। সমুদ্রের ওই হোটেলে আমরা নিজেদের শেষ করে দিয়েছি। এখন শুধু এই ধ্বংসাবশেষ নিয়ে বেঁচে থাকা।"
 প্রতিমা আর কোনো কথা বললেন না। দ্রুত সেখান থেকে চলে গেলেন। কিন্তু চলে যাওয়ার সময় তার শরীরের কাঁপন সৌম্যর চোখে ধরা পড়ল।
 রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির নিস্তব্ধতা আরও গভীর হয়। প্রতিমা তার বিছানায় শুয়ে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে জানে, সৌম্য দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। সে শুনতে পায় সৌম্যর ভারী নিঃশ্বাস।
 সে নিজেকে বোঝায়—"আমি পারব।"
 কিন্তু তার মন ফিসফিস করে বলে—"একবার শুধু তাকে ভেতরে আসতে দাও।"
 এই দ্বন্দ্বই এখন প্রতিমার জীবন। ভয় আর আকাঙ্ক্ষার এক অন্তহীন যুদ্ধ। সে জানে, একদিন এই বাঁধ ভেঙে পড়বে। কারণ লোভ এবং লালসা যখন রক্তের সাথে মিশে যায়, তখন কোনো সামাজিক আইনই তাকে আটকাতে পারে না। সে কেবল সময় বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যাতে তার সন্তান সৌম্যর ভবিষ্যৎ পুরোপুরি ধ্বংস না হয়। কিন্তু সে নিজেও জানে, এই লড়াইয়ে সে ইতিমধ্যেই হেরে গেছে।
Reply
#10

দশম ভাগ:-




স্নানের জল শরীর থেকে টপটপ করে ঝরছিল। বাথরুমের স্যাঁতসেঁতে দেয়ালে জমে থাকা জলকণাগুলোর মতোই প্রতিমার মনে জমে ছিল এক অদ্ভুত অস্থিরতা। সে আয়নার সামনে দাঁড়াল। ভেজা চুলের গোছা কাঁধের ওপর লেপ্টে আছে। আলমারি থেকে বের করল সেই সাদা শাড়িটা। কোনো নকশা নেই, কোনো রঙের ছোঁয়া নেই—ঠিক যেন তার জীবনের গত কয়েক বছরের প্রতিচ্ছবি।
সাদা স্লিভলেস ব্লাউজটা যখন পরল, প্রতিমা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। পিঠের দিকে একটা মাত্র গিঁট। গলার কাটটা বেশ গভীর। ব্লাউজটা শরীরে বসাতেই সে এক তীব্র টান অনুভব করল। বুকের ওপর ফ্যাব্রিকটা যেন যুদ্ধ করছে। কাঁধের চারপাশে কাপড়টা সংকুচিত হয়ে এসেছে।
প্রতিমা আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাল। তার চোখ বড় হয়ে এল।
"এটা কি ছোট হয়ে গেছে?"
সে ফিসফিস করে নিজেকেই প্রশ্ন করল। কয়েক মাস আগেও এই ব্লাউজটা আরামে হতো। কিন্তু এখন? স্তনের বক্রতা যেন ফুলে উঠেছে, কাপড়টাকে টেনে ধরেছে। ব্লাউজের সীমারেখাগুলো চামড়ায় বসে যাচ্ছে। স্তনের বোঁটাগুলো পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে। প্রতিমা হাত দিয়ে ব্লাউজের প্রান্তটা নিচের দিকে টেনে ঠিক করার চেষ্টা করল, কিন্তু কাপড়টা যেন আরও বেশি অবাধ্য হয়ে উঠল। তার যৌবন যেন এই ছোট ব্লাউজের খাঁচায় বন্দি হয়ে চিৎকার করছে।
ঠিক তখনই বাইরে থেকে সৌম্যের কণ্ঠ ভেসে এল।
"মা, আমি বেরোচ্ছি।"
প্রতিমা চমকে উঠল। সে দ্রুত শাড়ির আঁচল দিয়ে বুকটা ঢাকার চেষ্টা করল, কিন্তু ব্লাউজের সেই টানটান ভাবটা কোনোভাবেই ঢাকা যাচ্ছিল না। সে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে এল। দরজার কাছে সৌম্য দাঁড়িয়ে। তার কাঁধে ব্যাগ, কিন্তু দৃষ্টি স্থির।
সৌম্যর চোখ প্রতিমার ওপর এসে পড়ল। সে যেন পাথর হয়ে গেল। তার দৃষ্টি প্রথমে প্রতিমার সাদা শাড়িতে স্থির হলো, তারপর ধীরে ধীরে নেমে এল ব্লাউজের সেই গভীর গলার কাটে। প্রতিমা অনুভব করল, সৌম্যের চোখ এখন তার স্তনের সেই টানটান বক্রতায় আটকে আছে। এরপর দৃষ্টিটা ঘুরে গেল পিঠের সেই নগ্ন অংশে, যেখানে একটা মাত্র গিঁট পুরো পোশাকটাকে ধরে রেখেছে।
প্রতিমা তার ছেলের চোখের গভীরে এক আদিম লালসা দেখতে পেল। সেটা কোনো সাধারণ দৃষ্টি ছিল না; ছিল এক অপ্রকাশিত চিৎকার, এক তৃষ্ণার্ত আকাঙ্ক্ষা।
প্রতিমার বুক ধড়ফড় করে উঠল। সে দ্রুত মুখ ফিরিয়ে নিল।
"তোর দেরি হয়ে যাচ্ছে, যা এবার।"
সৌম্যর গলা শুকিয়ে এসেছে। সে এক মুহূর্তের জন্য কথা বলতে চাইল, কিন্তু শব্দগুলো যেন গলায় আটকে গেল। সে শুধু ফিসফিস করে বলল,
"খুব সুন্দর লাগছে তোমাকে।"
প্রতিমা কোনো উত্তর দিল না। সে দ্রুত রান্নাঘরের পর্দার আড়ালে চলে গেল। কিন্তু সে অনুভব করতে পারছিল, সৌম্যের দৃষ্টি এখনও তার পিঠের ওপর লেগে আছে। সেই দৃষ্টি যেন আগুনের মতো তার চামড়াকে পুড়িয়ে দিচ্ছে। সৌম্য কিছু না বলে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল।
বাইরে বেরোনোর পর সৌম্যর মনে আর দোকান ছিল না। রাস্তার ধুলো, মানুষের ভিড়—সবই যেন ফিকে হয়ে এল। তার চোখের সামনে ভাসছিল সেই সাদা শাড়ি আর অবাধ্য ব্লাউজের দৃশ্য। স্তনের সেই টান, পিঠের সেই শুভ্রতা। সে মনে মনে আওড়াতে লাগল, তার মা কি সত্যিই বদলে যাচ্ছেন? নাকি এই শরীর তাকেই ডাকছে?
সারাদিন প্রতিমা নিজেকে সামলালো। প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলল, বাজার করল, রান্না করল। কিন্তু তার মন ছিল না কোথাও। ব্লাউজের সেই অপ্রতুল টান তাকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিল যে সে এখনও একজন নারী। প্রতিবার যখন সে নড়াচড়া করছিল, ব্লাউজের কাপড়টা তার স্তনের ওপর ঘষা খাচ্ছিল, যা তার ভেতরে এক অজানা আগুনের জন্ম দিচ্ছিল। সে বারবার চেয়েছিল ব্লাউজটা খুলে ফেলতে, কিন্তু এক অদ্ভুত জেদ তাকে আটকে রাখল। সে বুঝতে চাইল, এই পরিবর্তিত শরীর তাকে কী বলতে চায়।
সন্ধ্যা নামল। সৌম্য দোকান থেকে ফিরল। তার হাতে একটা ছোট প্যাকেট। প্রতিমা রান্নাঘরের কাজ শেষ করে হাত-মুখ ধুয়ে বসার ঘরে এল। সৌম্যকে দেখেই সে চোখ সরিয়ে নিল, যেন দৃষ্টির মিলনে কোনো বিস্ফোরণ ঘটবে।
সৌম্য ধীরে ধীরে তার পাশে এসে দাঁড়াল। তার শরীরের উষ্ণতা প্রতিমা অনুভব করতে পারল। সৌম্য খুব সাবধানে প্যাকেটটা প্রতিমার কোলে রেখে দিল।
"কী এটা?"
প্রতিমার কণ্ঠে উদাসীনতা ছিল, কিন্তু আঙুলগুলো কাঁপছিল।
"খুলে দেখো," সৌম্যর কণ্ঠে এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস।
সে প্রতিমার উল্টো দিকের সোফায় বসে পড়ল। তার চোখ এখন আর লুকোচুরি খেলছে না; সে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্রতিমার দিকে। প্রতিমা ধীরে ধীরে প্যাকেটের কাগজটা খুলল। ভেতরে রুপোর এক জোড়া পায়ের মল। ছোট ছোট ঘুঙুর লাগানো। তার সাথে ছিল একটি নকশা করা কোমরের চেন—একেবারে পাতলা, যা সরু কোমরে বেঁধে দিলে নড়াচড়ার সাথে সাথে ঝলমল করবে। আর সবশেষে একটি গলার হার, যার লকেটে দুটি হৃদয় একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আছে।
প্রতিমা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার হাতের আঙুলগুলো কাঁপছে। এই উপহারগুলোর মানে সে খুব ভালো করেই জানে। পায়ের মল, কোমরের চেন, গলার হার—এগুলো কোনো সাধারণ অলঙ্কার নয়। এগুলো নারীত্বের প্রতীক। এগুলো স্ত্রী-সুলভ অলংকরণ।
সে সৌম্যের দিকে তাকাল। সৌম্য চুপ করে বসে আছে, কিন্তু তার চোখ বলছে, "আমি জানি তুমি কে। তুমি শুধু আমার মা নও, তুমি একজন নারী।"
প্রতিমা মাথা নিচু করল। সে আঙুল দিয়ে হারটা স্পর্শ করল। তারপর খুব ধীরে, যেন কাউকে বোঝাতে চায়, সে পায়ের মল দুটি হাতে নিয়ে নিজের পায়ে পরার ভান করল। মলগুলোর ঘুঙুর থেকে একটা মৃদু শব্দ এল—ঝিনঝিন। মনে হলো কেউ তার কানে ফিসফিস করে কিছু বলছে।
"মা পরবে না এগুলো?"
সৌম্যর কণ্ঠে আবেগের ঢেউ।
প্রতিমা সেদিকে তাকাল না। সে হালকা করে মাথা নাড়ল।
"কাল পরবো। এখন রাতে পরে থাকলে ঘুমাতে কষ্ট হবে।"
এটুকু বলে সে উঠে দাঁড়াল। উপহারগুলো সযত্নে বুকের কাছে চেপে ধরে নিজের রুমের দিকে এগিয়ে গেল। সে জানত, সৌম্যর দৃষ্টি এখনও তার কোমরের ভাঁজে, তার পায়ের নগ্নতায় আটকে আছে। দরজার কাছে পৌঁছে সে একবারও পিছন ফিরে তাকাল না। কিন্তু দরজা বন্ধ করার ঠিক আগে, সে খুব নিচু স্বরে, প্রায় ফিসফিস করে বলল,
"ধন্যবাদ, সৌম্য।"
দরজা বন্ধ হয়ে গেল। ঘরের নিস্তব্ধতা প্রতিমাকে গ্রাস করল। সারাদিনের ক্লান্তি শরীরজুড়ে, কিন্তু মনটা অশান্ত। সে ভেবেছিল সৌম্য আজ সন্ধ্যায় হয়তো কিছু বলবে, কিন্তু সে চুপচাপ ছিল। রাতের খাবার খেয়ে সৌম্য নিজের ঘরে চলে গেছে।
প্রতিমা যখন তার বিছানায় গিয়ে বসল, দেখল সেখানে সাদা কাগজে মোড়ানো একটি ছোট প্যাকেট রাখা। তার ওপর একটি ভাঁজ করা চিঠি।
প্রতিমার হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেল। সে জানে এটা সৌম্যের কাজ। সে ধীরে ধীরে চিঠিটা হাতে নিল। সৌম্যের হাতের লেখা স্পষ্ট এবং সুন্দর। প্রতিটি অক্ষর যেন ভালোবাসায় সিক্ত। সে চিঠিটা খুলল।
"মা, এই জিনিসগুলো তোমার জন্য। তুমি সকালে যে সাদা শাড়ি পরেছিলে, তাতে তুমি অসাধারণ লাগছিল। কিন্তু আমি জানি—সেই ব্লাউজটা এখন তোমার জন্য ছোট। তোমার শরীর বদলাচ্ছে, আর তুমি তা লুকাতে চাও। কিন্তু আমি দেখতে পাই। এই শাড়িটা তোমার গায়ে মানাবে। তোমার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে নিয়েছি। ব্লাউজটা মর্ডান, স্লিভলেস আর ব্রা-টা স্ট্র্যাপলেস, তাই তুমি চাইলে ব্লাউজের নিচে কিছুই দেখা যাবে না। আমি জানি তুমি ভাবছ এগুলো ঠিক নয়। কিন্তু তুমি কি নিজেকে অস্বীকার করবে? আমি চাই তুমি নিজেকে সুন্দরভাবে দেখো, নিজেকে গ্রহণ করো। তুমি শুধু আমার মা নও, তুমি একজন নারী। আর সেই নারীকে আমি ভালোবাসি। দয়া করে একবার পরো। শুধু আমার জন্য। আমি জানি তুমি এতে অসাধারণ লাগবে। তোমার, সৌম্য।"
চিঠিটা পড়ার পর প্রতিমা দীর্ঘক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইল। তার চোখে জল চলে এল। এই কথাগুলো এত মধুর, এত তীব্র যে তার দীর্ঘদিনের চাপা কামনাগুলো যেন জেগে উঠল। সে চিঠিটা বুকের কাছে চেপে ধরল। সে অনুভব করল, এই উপহারগুলো তার পতনের সিঁড়ি হতে পারে, কিন্তু এই পতনটাই যেন তাকে মুক্তি দিচ্ছে।
সে কাঁপাকাঁপা হাতে প্যাকেটটা খুলল। ভেতরে ছিল একটি হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি। সোনালি জরির কাজ করা কাপড়টা এত নরম যে স্পর্শ করলেই মনে হচ্ছে গলে যাচ্ছে। সাথে ছিল একটি স্লিভলেস ব্লাউজ—গলার কাট গভীর, আর পিঠ সম্পূর্ণ খোলা, শুধু একটি সরু চেইন দিয়ে বাঁধা।
আর সবশেষে ছিল একটি সাদা লেসের স্ট্র্যাপলেস ব্রা। প্রতিমা সেটা হাতে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেল। সে জীবনে কখনো এমন অন্তর্বাস পরেনি। বিধবা হওয়ার পর তার সব পোশাক ছিল রক্ষণশীল, ঢিলেঢালা। কিন্তু এই লেসের টুকরোটি যেন তাকে নারীত্বের এক নতুন সংজ্ঞা দিচ্ছিল। সে ব্রা-টি নিজের বুকের ওপর ধরল। কল্পনা করল, যদি এটি পরে, তবে তার স্তনের বক্রতায় এটি কীভাবে ফিট হবে। লেসের কারুকাজ কীভাবে তার চামড়ার ওপর ছাপ ফেলবে।
প্রতিমা বিছানায় বসে চোখ বন্ধ করল। সে কল্পনা করল সে ওই গোলাপি শাড়িটা পরেছে, সাথে সেই সাহসী ব্লাউজ আর স্ট্র্যাপলেস ব্রা। সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তার পিঠের নগ্নতা, বাহুর মসৃণ ত্বক, স্তনের সেই উঁচু বক্রতা—সব মিলিয়ে এক অচেনা প্রতিমা তার সামনে দাঁড়িয়ে।
হঠাৎ তার মনে পড়ল সে একজন মা। তার ছেলে এই পোশাকগুলো কিনে দিয়েছে। এই পোশাক পরা মানে কি সে তার ছেলের সামনে নিজেকে একজন কামুক নারী হিসেবে প্রকাশ করছে? সমাজ কী বলবে? প্রতিবেশীরা জানলে কী হবে?
সে আবার চিঠিটা পড়ল। "তুমি কি নিজেকে অস্বীকার করবে?"
এই লাইনটা তাকে বিদ্ধ করল। সে সারা জীবন নিজেকে অস্বীকার করেছে। স্বামীর মৃত্যুর পর নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছে, নিজের কামনাকে কবর দিয়েছে। কিন্তু আজ তার ছেলে তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে সে এখনও ভালোবাসার যোগ্য।
প্রতিমা ধীরে ধীরে শাড়ি আর ব্লাউজটা বিছানায় ছড়িয়ে দিল। তারপর ব্রা-টি হাতে নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল। সে নিজের বর্তমান শরীরটা দেখল—সাদা শাড়ি, সাধারণ ব্লাউজ। কিন্তু তার চোখে এখন অন্য ছবি। সে কল্পনা করল, যদি এই লেসের ব্রা-টি পরে, তবে স্তনের ওপর সেই নকশাগুলো ফুটে উঠবে, আর স্লিভলেস ব্লাউজটা সেই সৌন্দর্যকে আরও উন্মোচিত করবে। তার কোমরে যখন রুপোর চেনটি ঝলমল করবে, তখন সে আর কেবল একজন মা থাকবে না।
ঠিক তখনই দরজায় টোকা পড়ল।
প্রতিমা চমকে উঠল। তার হৃৎপিণ্ড যেন গলা পর্যন্ত উঠে এসেছে। সে দ্রুত শাড়ি আর ব্লাউজটা ভাঁজ করে বিছানার নিচে লুকিয়ে ফেলল। ব্রা-টি দ্রুত বালিশের নিচে ঠেলে দিল। চিঠিটা হাতে নিয়েই সে দরজার দিকে তাকাল।
"মা? ঘুমোওনি?"
সৌম্যের কণ্ঠ। মৃদু, কিন্তু আবেগে ভারী।
প্রতিমার গলা শুকিয়ে এল। সে উত্তর দিতে পারল না। তার হাত কাঁপছে, চিঠিটা যেন তার আঙুল পুড়িয়ে দিচ্ছে। সে জানে, এখন দরজা খুললে সে আবার সৌম্যের সেই তৃষ্ণার্ত দৃষ্টির সামনে পড়বে। সে সেই আকর্ষণের বৃত্তে তলিয়ে যাবে। কিন্তু দরজা না খুললে সৌম্য বুঝবে সে উপহারগুলো পেয়েছে, তখন তার লজ্জা আরও বাড়বে।
"মা? তুমি কি জেগে আছ?"
কণ্ঠস্বর এবার আরও কাছে এল। মনে হচ্ছে সৌম্য দরজার ঠিক ওপাশেই দাঁড়িয়ে আছে।
প্রতিমা দরজার হাতলের দিকে তাকাল। তার হাত অজান্তেই সামনে এগিয়ে গেল। কিন্তু সে নিজেকে থামিয়ে দিল।
সে মনে মনে বলল। তাকে ভাবতে হবে। এই উপহারগুলো পরার মানে কী? এর পরিণতি কী হবে? সে দরজার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
"হ্যাঁ, জেগে আছি। কিন্তু ঘুমোতে যাচ্ছি। কাল কথা বলবো।"
ওপাশ থেকে কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর সৌম্যর কণ্ঠে একরাশ হতাশা, কিন্তু একই সাথে এক ধরণের বোঝাপড়া।
"ঠিক আছে মা। গুড নাইট।"
পায়ের শব্দ ধীরে ধীরে দূরে সরে গেল। সৌম্য নিজের ঘরে চলে গেল। প্রতিমা দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে রইল। চারপাশ এখন নিঝুম। সে ফিরে এসে বিছানায় বসল। চিঠিটা আবার হাতে নিল। তার এক ফোঁটা চোখের জল কাগজের ওপর পড়ল।
সে বুঝতে পারছিল না সে কী করবে। এই উপহারগুলো গ্রহণ করা মানে কি সে সৌম্যর নিষিদ্ধ ভালোবাসায় আবার সাড়া দিচ্ছে? আর যদি সে প্রত্যাখ্যান করে, তবে কি সৌম্যর মন ভেঙে যাবে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—সে নিজে কী চায়?
প্রতিমা বিছানায় শুয়ে পড়ল। চোখ বন্ধ করল, কিন্তু ঘুমের লেশমাত্র নেই। তার মনের পর্দায় শুধু সৌম্যর মুখ, সেই গোলাপি শাড়ি আর সাদা লেসের স্ট্র্যাপলেস ব্রা-র ছবি ভেসে বেড়াচ্ছে। সারা রাত সে শুধু ছটফট করল। তার শরীর যেন এক অদ্ভুত তৃষ্ণায় দগ্ধ হচ্ছিল।
ভোরের প্রথম আলো যখন জানালার পর্দা ভেদ করে তার চোখে পড়ল, প্রতিমা ধীরে ধীরে উঠে বসল। সে চিঠিটা বুকের কাছে শক্ত করে চেপে ধরল। এটি এখন তার কাছে একটি অমূল্য ধন।
সে দরজার দিকে তাকাল। ওপাশে সৌম্য অপেক্ষা করছে। তার ছেলে, তার প্রেমিক, তার ভবিষ্যৎ। সে সিদ্ধান্ত নিল, আজ সে সৌম্যর মুখোমুখি হবে। সে জানতে চায়—এই উপহারগুলোর পেছনে কতটুকু ভালোবাসা আর কতটুকু কামনা। আর সে শুনতে চায় নিজের হৃদয়ের সেই গোপন কথা, যা সে এতদিন চেপে রেখেছিল।
সূর্যের প্রথম কিরণ যখন ঘরে প্রবেশ করল, প্রতিমা দরজার দিকে এগিয়ে গেল। যেখানে ওপাশে অপেক্ষা করছে সৌম্য—তার ছেলে, তার প্রেমিক, এবং তার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।
Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)