Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

আলোকিত শহরের অন্ধকারে (By:Sarkar Dibyendu)
#1

(পর্ব-১)





সকালের ঠাকুর পূজা সেরে সুমিত্রা নিজের ঘরে এসে চেয়ারে গা এলিয়ে দিলেন।  একটু হাঁফ ধরে গেছে আজ।  রোজই পূজাটা উনি নিজেই করেন। আজকেও নিজেই করেছেন।  বৌমা চন্দ্রিমাকে বাকি সব দায়িত্ব দিলেও এটা দেন নি।  আসলে কিছুই না, সকালে এই ছুতোয় তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা যায় আর কিছুটা সময় কাটানো যায়।  কালকে পড়ে গিয়ে পায়ে আর পিঠে চোট লেগেছে।  সেই কারণে আজ একটু কষ্ট হচ্ছে।  তবে এমনি কোন শারিরীক সমস্যা ওনার নেই।  বয়স প্রায় ৪৮/৪৯ হলো।  স্বামী মারা যাওয়ার পর রঙিন কাপড় পড়া ছেড়ে দিয়েছেন।  সাদা থান আর সাদা ব্লাউজ। গায়ের রঙ একেবারে কাঁচা সোনার মত।  সম্প্রতি মাথার চুলে পাক ধরছে।  না হলে থান পরেও ওনার দিকে তাকালে চোখ ফেরানো দায়। বরাবর ছিপছিপে সুমিত্রা আজকাল বসে থেকে থেকে একটু ভারী হয়েছেন।  কোমরে আর পেটে চর্বি জমেছে।  মুখ গোল হয়েছে।  তবুও এককথায় উনি সুন্দরী।
" কিরে মালতী..... এক কাপ চা আন বাপধন,  তোদের তো আজকাল না চাইলে কিছুই দিস না। " সুমিত্রা ক্ষোভের গলায় চেঁচিয়ে বলেন।
মালতী এই বাড়ির কাজের মেয়ে। বেশ কয়েক বছর ধরে আছে এখানে। কে কেমন সব জানে।  ও তাড়াতাড়ি একটা কাপে চা আর দুটো বিস্কুট নিয়ে ঢোকে,  পাশের টেবলে সেগুলো নামিয়ে রেখে বলে,  " চা তো কখন হয়ে গেছে মাসী,  তোমার পূজা দেওয়া হবে তবে তো দেবো। "
সুমিত্রা চোখ উঁচু করে ওর দিকে ভস্ম করার দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলেন,  " বাবা,  খুব চোপা শিখেছিস যে?  তোদের তো কিছুই বলা যাবে না দেখছি?  কে শেখাচ্ছে এসব?  "
মালতী মুখ বেঁকিয়ে বলে,  " এই তোমার দোষ,  সত্যি কথা বললে,  কে শেখাচ্ছে?  বলি আমার কি মুখ নেই?  "
" আহহ....থাম, মহারানী কি উঠেছেন?  নাকি এখনো বিছানায় গোড় পাড়ছেন? " চায়ের মধ্যে বিস্কুট ডুবিয়ে সেটা মুখে নিয়ে চেবাতে চেবাতে বলেন সুমিত্রা।
মহারানী মানে ছেলের বৌ চন্দ্রিমা।  চন্দ্রিমা বাপের বাড়ি থাকতেই সকালে দেরী করে ওঠা অভ্যাস।  এখানে আসার পরেও অভ্যাস পালটায় নি।  সুমিত্রা প্রথম কদিন বলেছিলেন,  কিন্তু এখনকার মেয়ে,  ওসব শাশুড়ি টাশুড়ি মানে না।  পাত্তাই দিলো না।  তারপর শুধু নিজের মনেই গজরাণ।  সামনে আর কিছু বলেন না।
" হ্যাঁ উঠেছে,  বাতরুমে গেছে... " মালতী চলে যেতে গিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়,  " ও বলছি,  একটা ছেলে এসেচে,  তুমি নাকি  ব্যাম করবা?  "
সুমিত্রার মনে পড়ে আজ ফিজিওথেরাপিষ্ট আসার কথা,  মনে হয় এসে গেছে... উনি চায়ে চুমুক মেরে বলেন,  " কই সে?  "
" বাইরে বসে আচে,  কুড়ি মিনিট হয়ে গেলো। "
" তা আমায় বলবি তো?  চা দিয়েছিস? "
মালতী মাথা নাড়ে,  " না..... অচেনা লোককে হুট করে চা দিলে তুমি আবার কি বলিবে... "
" উহহ....তুই আর ভদ্রতা সব্যতা শিখলি না.... যা আগে এক কাপ চা দে,  আর ভিতরে ডেকে আন আমার ঘরে। "
মালতী বেরিয়ে যায়। সুমিত্রা চা টা শেষ করে কাপ প্লেট সরিয়ে রাখেন।  কাল ডাক্তার বলেছিলো, শুধু ওষুধে কাজ হবে না  ম্যাডাম,  ফিজিওথেরাপি করতে হবে.... টানা এক সপ্তাহ করুন,  ঠিক হয়ে যাবে। "
একটু পরেই দরজার কাছে একটা বছর ত্রিশের ছেলে এসে দাঁড়ায়।  পরনে সাদা শার্ট আর ছাইরংঙা জিন্সের প্যান্ট।  মাথার চুল পিছনে উলটে আঁচড়ানো।  চেহারা বেশ সপ্রতিভ,  ফিগারটাও একেবারে স্পোর্টস্ম্যানদের মত,  হাইট মাঝারী.... এই ৫ ফুট ৫" মত।
" আসবো ম্যাডাম?"  ছেলেটা অনুমতি চায়।
" এসো বাবা এসো..... কতক্ষোন দাঁড়িয়ে আছো না জানি,  মালতীর যা আক্কেল আমায় বলেই নি... "
ছেলেটা ঘরে ঢুকে হাতের ব্যাগটা পাশে রেখে চেয়ারে বসে,  " নমষ্কার ম্যাডাম.... আমার নাম পলাশ সেন,  কাল আমার সাথেই ফোনে আপনার কথা হয়। "
" ও আচ্ছা...তা,  এইঘরে হবে তো,  নাকি অন্য কোথাও যাবে?  "
" না না এখানেই হয়ে যাবে... " পলাশ সুমিত্রাকে আস্বস্ত করে।
এর মধ্যেই মালতী চা নিয়ে আসে।  পলাশের পাশে চায়ের কাপ প্লেট রেখে বলে,  " নিন দাদা,  একটু চা খেয়ে তারপর কাজ শুরু করুন। "
পলাশ ঠোঁটের কোনে হেসে কাপ তুলে নেয়। মালতী ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
পলাশ চা শেষ করে সুমিত্রার উদ্দেশ্যে বলে,  " আপনি বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন,  আর শাড়ীটা কোমর থেকে একটু আলগা করতে হবে।
সুমিত্রার লজ্জা লাগে।  যদিও ছেলেটা ওর ছেলের বয়সী,  তবুও অচেনা ছেলে তো,  তার উপরে বাড়িতে সবাই আছে..
সুমিত্রা একটু ইতস্তত  করে দরজার কাছে গিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দেন।  তারপর খাটের কাছে এসে শাড়ীটা কোমরের কাছ থেকে আলগা করে  উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ে।  যদিও অসুস্থতার কাছে লজ্জা কিছু নেই তবুও লজ্জায় সুমিত্রার গাল লাল হয়ে আসছে।  বরাবরই সুমিত্রার পাছার আকার বিরাট,  যৌবনে আয়নায় নিজের পাছা দেখে সুমিত্রা নিজেই মুগ্ধ হয়ে যেতেন, এখনও কম কিছু নেই,  চর্বি জমে আকার আরো বেড়েছে।  উপুড় হয়ে শুলে তার আকার আরো ভালো বোঝা যায়। 
পলাশ নিজের জিনিস্পত্র বের করতে করতে একটু থমকে যায়।  সুমিত্রার সাদা ব্লাউজের অনাবৃত অংশে এতো সুন্দর চামড়া যে এতো বয়সে কারো থাকে সেটাই অবাক।  একেবারে কাঁচা সোনা..... আর পাছাটা তো গম্বুজের মত উঁচু হয়ে আছে।  যদিও পলাশের এসব দেখে দেখে অভ্যাস।  প্রায় প্রতিদিনই কারো না কারো ম্যাসাজ করতে হয়, তবুও পঞ্চাশের কাছে খুব কম মহিলার চেহারাই এমন হয়।
পলাশ  বিনয়ের সাথে বলে,  " ম্যাডাম, আপনার প্রেস্ক্রিপশনটা যদি একবার দেখান তাহলে ভালো হয়। "
সুমিত্রা মাথা তুলে বলে,  " ওই দেখো টেবিলের উপরে ভাঁজ করে রাখা। "


পলাশ হাত বাড়িয়ে সেটা তুলে নিয়ে ভালো করে দেখে।  তারপর আবার সেটাকে যথাস্থানে রেখে বলে, " আপনার পুরো পিঠে ম্যাসাজ করতে হবে,  ব্লাউজটা রাখা চলবে না। "
সুমিত্রার গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে।  বলে কি?  একটা ছেলের সামনে ও আলগা গায়ে শুবে?  এমনিতেই সুমিত্রার স্তনজোড়া এখনও বেশ পুষ্ট আর ভারী.... ব্লাউজ খুললে সেগুলোকে আড়াল করে রাখাটা খুব চাপের কাজ।  কিন্তু কিছু করার নেই।  সুমিত্রা উঠে বসে ব্লাউজটা গা থেকে খোলে,  তারপর বুকে শাড়ির আঁচল চাপা দিয়ে আবার উপুড় হয়ে শোয়।  কিন্তু ভারী বুক চাপে দুপাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে..... আর কি করা যাবে?  লজ্জার মাথা খেয়ে ও শুয়ে থাকে।
পলাশ সুমিত্রার পিঠে হাত রাখতেই অবাক হয়।  একেবারে নরম মোলায়েম....যেনো মাখনের দলা।  এতো লোকের ম্যাসাজ করে,  কিন্তু সুমিত্রার গায়ে হাত দিয়ে যেনো এক আলাদাই অনুভূতি হচ্ছে পলাশের,  পিঠের উপর থেকে নীচে নামছে ও ধীরে ধীরে..... সুমিত্রার শিঁড়িদাঁড়ার খাদ এসে মিশেছে পাছার বিভাজিকায়..... আলগা শাড়ীর জন্য পাছার খাঁজ সামান্য দেখা যাচ্ছে।  পলাশের একটু উত্তেজনা জাগে,  যার পিঠ এতো নরম তার পাছা কেমন হতে পারে?  পলাশের মন চাইছে আলগা শাড়ী সরিয়ে একবার নরম তুলতুলে পাছাটা ডলে দিতে।
" কোথায় বাড়ি,  বাবা তোমার?  " সুমিত্রা শুয়ে শুয়েই প্রশ্ন করে।
" এই তো এখান থেকে পাঁচ কিলোমটার দূরে সুভাষপল্লী। " পিঠে মালিশ করতে করতে বলে ও।
"ও.... বাড়িতে কে কে আছে? ..... বিয়ে করেছো?  "
" হাঁ.....মা বাবা মারা গেছে.... আমি,  আমার স্ত্রী আর মেয়ে থাকি.... "
" আহারে..... কত কম বয়সে বাবা মা হারা হয়েছ.... কি করে মারা গেলেন " সুমিত্রা বিষন্ন সুরে বলেন।
" বাবার ক্যান্সার ছিল,  আর মা ব্রেন এটাকে মারা গেছেন "
পলাশের পুরুষালি হাত সুমিত্রার পিঠের উপর থেকে পাছার খাঁজ পর্যন্ত নেমে যাচ্ছে।  প্রায় দশ বছর হয়ে গেলো সুমিত্রার স্বামী মারা গেছে।  তখন ও নিজে পূর্ণযৌবনা,  নিয়মত মাসিক হয়।  কিন্তু স্বামী মারা যাওয়ার পর আর কারো সাথে শুতে ইচ্ছা হয় নি।  যতদিন ওর স্বামী দেবাষিশ বেঁচে ছিলো ততদিন উদ্দাম সেক্স আর ঘাটতি হয় নি।  দেবাশিষ ছিলো সেক্স পাগল..... তিবে বৌ ছাড়া কারো প্রতি নজর দিতো না।  প্রতি একদিন অন্তর ওর লাগতো।  সুমিত্রারও শরীরে ভরপুর সেক্স।  দেবাশিষের সাথে নিজেও মহানন্দে যৌন খেলায় মেতে উঠতো।  এমন ছিল যে দেবাশিষ কাছে আসলেই ওর যোনী সাড়া দিতে শুরু করতো,  স্তন ভারী হয়ে উঠতো,  বোঁটা শক্ত হয়ে যেতো.... ও মারা যাওয়ার পর ফিলিংসগুলো উধাউ হয়ে গেলো যেনো। আজ আবার এতোদিন পর কোন পুরুষ হাতের স্পর্শে সুমিত্রার বুক দুটো ভার হয়ে আসছে... কিছুদিন যাবৎ আর মাসিক হচ্ছে না সুমিত্রার।  ও ভেবেছিল ওর যৌন উত্তাপও  শেষ হয়ে গেছে.... কিন্তু আজকে পলাশের হাত শরীরের সংবেদনশীল জায়গায় পড়তেই বুঝতে পারছে যে শেষ হয় নি কিছুই.... এখনো কামরসে ওর যোনী উপচে পড়ে।

পলাশকে টানছে সুমিত্রার পাছা।  ও বুঝতে পারছে যে প্যান্টের ভিতরে ওর লিঙ্গ বাবাজী বড়ো হচ্ছে,  শুধুমাত্র সুমিত্রার পাছাটা দেখে..... পলাশ কাজ করছে আর একমনে পাছার দিকে তাকিয়ে আছে।
" ম্যাডাম,  বলছি যে.....আপনার পিছনের কাপড়টা নামাতে হবে,  না হলে পুরোটা করা যাবে না.... " যদিও দরকার ছিলো না তেমন তবুও বলে ফেলে।
সুমিত্রা কিছুক্ষণ চুপ থাকে তারপর লজ্জা মেশানো গলায় বলেন,  " ইসস.....একবারে উদম হতে হবে?.... নাও নামিয়ে নাও..... কাজ তো আর অর্ধেক করা যায় না। "
পলাশ বিন্দুমাত্র দেরী করে না।  শায়া আর কাপড় সমেত সুমিত্রার কাপড় নীচের দিকে টেনে আনে।  বিশাল বড়ো দুটো নরম মাংসের তাল যেনো..... একেবারে ধপ ধপে ফর্সা.... ইচ্ছা করে চটকে চুমু খেয়ে লাল করে ফেলে।  পলাশ খুব ধীরে ধীরে পাছার উপর দিয়ে মালিশ করতে থাকে।  থাই দুটো হালকা দুই দিকে সরিয়ে দেয়,  সুমিত্রার যোনীটা আর কয়েকটা যোনীকেশ দেখা যাচ্ছে। পলাশ মনের সুখে পিঠ থেকে একেবারে পাছার দাবনা পর্যন্ত মালিশ করছে।
পলাশের হাত পাছায় পড়তেই শরীর শক্ত হয়ে আসে সুমিত্রার।  ও বুঝতে অয়ারে যে যোনী দিয়ে রস কাটা শুরু হয়ে গেছে।  ছি ছি..... পলাশ দেখলে কি ভাববে?  এতো বয়ষ্ক মহিলা ফিজিওথেরাপি করাতে গিয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েছে? লজ্জায় লাল হয়ে আসে সুমিত্রা,  কিন্তু সেই সাথে উত্তেজনাটাও আটকাতে পারছেন না,  কি দারুণ ভাবে পলাশ ওর পাছাটা ডলে দিচ্ছে..... দেবাশিষ কত খেলা করতো ওর পোঁদ নিয়ে।  চটকাতো, কামড়াতো..... চাটি মেরে লাল করে দিতো,  আবার চুমুতে ভরিয়ে দিতো.....
প্রথম প্রথম লজ্জা লাগলেও আস্তে আস্তে ভালোলাগাটা তৈরী হচ্ছে সুমিত্রার। এখন ইচ্ছা করছে পলাশ আরো অনেক্ষণ ওর পাছা নিয়ে খেলা করুক,  চটকে চটকে লাল করে দিক...... চোখ বুজে দাঁতে ঠোঁট চেপে যেনো স্বমেহনের আনন্দ উপভোগ করছেন সুমিত্রা।  পলাশের হাত যত খেলা করছে ওর শরীরে তত যোনী থেকে রস কাটাও বাড়ছে...... কতদিন পর আবার একটা সামান্য হলেও যৌনসুখ আসছে। 
ডলতে ডলতে মুগ্ধ হয়ে যাছে পলাশ,  কি অপুর্ব পাছা..... কি গভীর খাঁজ.... ইচ্ছা করছে নিজের ধোন ওই খাঁজে গুঁজে দিতে..... পলাশ দাঁতে দাঁত চেপে আছে।  ওদিকে ওর প্যান্টের আড়ালে লিঙ্গ শক্ত ঈটের মত হয়ে গেছে।  একবার বাইরে আসার জন্য ছটফট করছে। 
এই ঘরে যেনো ফিজিওথেরাপি না,  একটা নিষিদ্ধ মৈথুন চলছে...... বিছানায় উপুড় হয়ে সুমিত্রায় প্রায় উলঙ্গ শরীর,  আর সেটাকে হাতের যাদুতে বশ করছে পলাশ।
দড়াম করে দরজা খুলে যায়।  দরজায় মালতী দাঁড়িয়ে।  ওর চোখ কপালে ওঠার যোগাড়।  মালতী তাড়াতাড়ি পর্দাটা টেনে দেয়..... পলাশ কাজ শেষ করে। অনেক হয়েছে,  একদিনে বেশী কিছু করা যাবে না। 
"ম্যাডাম,  এবার উঠে পড়ুন। "
পলাশের কথায় সুমিত্রা কোমমতে উঠে আগে কোমরে শায়া বাঁধে শাড়ি ঠিক করতে গিয়ে আঁচল খসে বুক উদলা হয়ে যায়,  কোনমতে শাড়ী আর ব্লাউজ পরে নিজেকে ভদ্রস্থ করে.......।
পলাশ বলে,  " আবার কাল আসবো ম্যাডাম... চলি।" ব্যাগ হাতে পলাশ বেরিয়ে যেতেই মালতী ঘরে ঢোকে,  ওর চোখে মুখে শয়তানী,  " ও মা মাসী..... ন্যাংটা হয়ে মেসেজ করছো, তোমার না ব্যাম করার কথা....। "
সুমিত্রা ধমক দেয়,  " কিছু বুঝিস তুই?  এটা ম্যাসাজ.... পিঠের আর পায়ের ব্যাথা কমবে,  আর ডাক্তারের কাঁে আবার লজ্জা কি?  তোর গুদে কিছু হলে ন্যাংটা হয়ে গুদ দেখাবি না ডাক্তারকে?  "
মালতী লজ্জা পেয়ে যায়,  " এমা ছি..... লজ্জা করবে না?  "
" লজ্জা করলেও দেখাতে তো হবেই,  ডাক্তারের কাছে লজ্জা ঘেণনা বলে কিছু নেই..... বুঝলি? "
মালতী চিন্তির ভাবে মাথা নাড়ে।  যেনো এখনি ওকে ডাক্তারের কাছে গিয়ে জামা কাপড় খুলতে হবে। 
" যা যা.... আমার জন্য জলখাবারটা নিয়ে আয়,  অনেক বেলা হয়ে গেছে। " মালতী গম্ভীর মুখে বাইরে বেরিয়ে যায়। রান্না ঘরে গিয়ে রুটি আর সুজি প্লেটে করে নিয়ে আসে।  সুমিত্রার হাতে প্লেট তুলে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে....
" কি রে কিছু বলবি?  " সুমিত্রা প্রশ্ন করেন।  মালতী মাথা নেড়ে চলে যেতে গিয়েও আবার ঘুরে দাঁড়ায়..... " সত্যি মাসী,  ডাক্তারের কাছে লজ্জা করে না,  বলো?  "
সুমিত্রা মুচকি হাসেন,  " ধুর..... লজ্জার কি আছে?  ডাক্তাররা তোর আমার মত দিনে একশ লোকের শরীর দেখে,  ওদের কোন কিছু মনে হয় না। "
" তা ঠিক...... " মালতী আস্বস্ত হয় যেনো। তারপর বেরিয়ে যায়।  সুমিত্রা খাওয়ায় মন দেন।
খেয়েদেয়ে প্লেট ধুয়ে বাথরুমে ঢোকেন।  শাড়ী শায়া ব্লাউজ খুলে পাশে রেখে দেন।  যোনীতে হাত দিতেই চ্যাটচ্যাটে রস হাতে লাগে।  ইশ.....কি অবস্থা, এতো বছর পর এভাবে ওর যোনীতে বাণ ডাকলো.... তাও একটা বাচ্চা ছেলের কারনে?  হালকা বাদামী বোঁটাগুলো এখনো তীরের মত খাড়া হয়ে আছে।  সুমিত্রা গায়ে জল ঢেলে ভালো করে ধুয়ে মুছে একটা পরিষ্কার কাপড় পরে বাইরে আসেন।
চন্দ্রিমা টেবিলে বসে ব্রেকফাস্ট সারছে।  ওর আবার কলেজ আছে।  একটা প্রাইভেট কলেজে পড়ায় চন্দ্রিমা। মায়না মোটামুটি পায়।  সুমিত্রা বাধা দেয় না,  করুক..... বেকার বাড়িতে বিসে থাকলেই বৌগুলো বদমাইস হয়ে যায়। 
" খোকা বেরিয়ে গেছে বৌমা?  " একটা চেয়ার টেনে বসতে বসতে বলেন।
" হ্যাঁ..... অনেক সকালে.... " চন্দ্রিমা স্যান্ডুইচ চেবাতে চেবাতে বলে।
"কিছু খেয়েছে তো?  "
চন্দ্রিমা উত্তর দেওয়ার আগেই মালতী বলে,  " হ্যাঁ....লুচি আর সুজি দিয়ে দিয়েছি আমি। "
সুমিত্রা একটু চুপ করে চন্দ্রানির খাওয়া দেখেন,  তারপর বলেন " একটা কথা বলি শোন বৌমা,  রাগ করো না..... দুই বছর তো ঘুরে ফিরে কাটালে,  এবার একটা বাচ্চা আনো....একা একা বাড়িতে থাকি,  খেলাধুলা করে সময় কাটাবো। "
চন্দ্রিমা চেবানো বন্ধ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে তাহকে শাশুড়ির দিকে,  তারপর আবার চেবাতে চেবাতে বলে,  " সেটা কি একা আমার হাতে মা?  "
সুমিত্রা ধাক্কা খান।  এইকালের মেয়েদের সাথে কথায় পারা দায়,  " না সেটা বলি নি.... তুমি বলো খোকাকে। "
" বলে আর কি হবে মা.... রোজই তো ঢালছে,  কাজ হচ্ছে না। " চন্দ্রানী ক্যাসুয়ালি বলে দেয়।
সুমিত্রার কান গরম হয়ে যায়।  ও চিবিয়ে চিবিয়ে বলে,   "তাহলে ডাক্তার দেখাও না একবার?  টাকা পয়সার তো আর অভাব নেই। "
খাওয়া শেষ করে রুমালে মুখ মুছতে মুছতে চন্দ্রিমা বলে,  " দেখাচ্ছি তো..... ওর স্পার্ম কাউন্ট কম। "
" কি কম?  " সুমিত্রা মুখ বিকৃত করেন।
চন্দ্রানী সুমিত্রার মুখের কাছে মুখ এনে ধীরে ধীরে বলে, " আপনার ছেলের মালে জোর নেই বাচ্চা হওয়ার.... বুঝলেন?  "
বলেই ঘুরে ব্যাগ কাঁধে বেরিয়ে যায় চন্দ্রিমা। সুমিত্রা হাঁ করে তাকিয়ে থাকেন।  কি মেয়ে রে বাবা..... মুখে কি কিছুই আটকায় না?  খোকার ওটায় জোর নেই.... কি করে হয়?  যার বাবা খাট কাঁপিয়ে দিত, তার ছেলের জোর নেই?  নাহ..... এটা জানাজানি হলে তো মান সন্মান থাকবে না।  সুমিত্রার চিন্তা বেড়ে যায়। উনি নিজের ঘরের দিকে এগোন। 
Reply
#2

(পর্ব -২) 



খুব সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা অভ্যাস পলাশের।  আজকেও এলার্ম বাজতেই উঠে পড়ে।  ঘড়িতে তখন ভোর পাঁচটা।  পাশে বিদিশা নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছে।  একবার ওর ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে পলাশ..... কি নিস্পাপ লাগছে।  অথচ জেগে গেলেই কি যে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে সেটা জানে না কেউ। খুব সন্তর্পনে বিছানা থেকে নেমে আসে ও।  বিদিশার ঘুম এখন ভাঙবে না।  ওর বিছানা ছাড়তে ছাড়তে বেলা নটা,  সেই হিসাবে এখন ওর মাঝরাত হওয়ার কথা।

বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বাইরে ব্যালকনীতে আসে পলাশ।  চারিদিকে একটা ধোঁয়া ধোঁয়া ভাব।  ভোররাতে বৃষ্টি হয়েছে বেশ অনেকটাই,  এখনো ইলশেগুড়ী ঝরছে।  ওদের সুভাষ্পল্লীর এই সোসাইটির বেশীরভাগ বাসিন্দা এখনো ঘুমাচ্ছে। দুই একজন বুড়ো মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই। আসলে এরা মর্নিং ওয়াকের থেকে বেশী পার্কে গিয়ে জটলাটাই করে।  রিটায়ার্ড লাইফে টাকা পয়সার চিন্তা নেই। দিনের এই সময়টাই ওদের কাছে একমাত্র এন্টারটেইন্মেন্টের সময়। পলাশ রোজ যখন কাজে বেরোয় তখন এরা বাড়ি ফেরে। 


ভিতরে এসে ডাইনিং টেবিল থেকে রাতের এঁটো বাসন পত্র তুলে সিঙ্ক এ রেখে আসে।  তারপর টেবিল মুছে,  ঘরটা পরিষ্কার করে একটা ধুপকাঠি ধরিয়ে দেয়।  এটা ওর অভ্যাস.... সকালে ঘরে একটা বেশ পবিত্র ভাব আসে। কাজের মেয়েটা আসবে অনেক বেলায়।  ততক্ষণে পলাশের সকালের খাবার করে নিজের খাওয়াও হয়ে যায়। সকালের চা আর জলখাবার ও নিজেই করে,  বাকিটা কাজের মেয়েটা করে এসে।  বিদিশার এসব কাজ পোষায় না..... ও ব্যাস্ত থাকে নিজের ফ্রেন্ড সার্কেল, বুটিক আর সাজ গোজ নিয়ে। পলাশের কোন আপত্তি নেই।  ও বিদিশাকে কোনদিন এসব নিয়ে কথাও শোনায় নি।  বস্তুত বাড়িতে পলাশের কথার কোন দামও নেই।  বিদিশা আজ পর্যন্ত পলাশের কোন কথা,  ওর ভালো মন্দের কোন পরোয়া করে নি।  এই ফ্লাটটাও বিদিশার বাবার টাকায়..... প্রায় ৮০ লাখ টাকা খরচ করে ফ্লাট কেনার মত সামর্থ্য পলাশের কোনদিন ছিলো না। 


ওর বাবা নিশিথ সেন একজন কলেজের হেডমাস্টার ছিলেন।  মায়না ছাড়া আর কোন ইনকাম তার ছিলো না।  উত্তর ২৪ পরগনার এক গ্রামের বুকে একটা দশ কাঠার বাড়িতে দুই কামরার একটা সুন্দর ছোট বাড়ি ছিলো ওদের।  বাবা যত্ন করে বাড়ীটা বানিয়েছিলেন।  নিজ হাতে আম,  জাম,  কাঁঠাল,  বেদানা,  জামরুল আরো কত গাছ দিয়ে একেবারে ভরে দিয়েছিলেন।  চারিদিকে গাছ পালায় ঘেরা ওদের বাড়িটা একটা সুন্দর আশ্রমের মত লাগতো।  বাবার সাথে পলাশও গাছ পালার যত্ন করতো।  বাড়িটা ওর ভালোবাসা..... তার মাটির গন্ধ,  ফাগুনে বাতাবি ফুলে ঘ্রাণ,  আমার মূকুলের ঘ্রান..... আজও টানে।

একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে পলাশের।  বাবার একটা সিদ্ধান্তে ওর সুন্দর জীবনটা ছাড়খার হয়ে গেলো। পলাশ  শহরে নিজের চেম্বার চালু করতেই বাবা উঠে পড়ে লাগলেন ওর বিয়ে দিতে।  নিজের বাল্যবন্ধু মিহির রায় এর একমাত্র কন্যা বিদিশা।  মিহির কাকু বিশাল ব্যাবসায়ী।  প্রমোটারী করে টাকার গদী বানিয়েছেন।  তার একমাত্র মেয়ে..... প্রথম দেখাতেই বিদিশাকে মোটামুটি লাগে পলাশের।  ফর্সা আর পেটানো চেহারা বিদিশার।  তবে মুখে আর কথাবার্তায় কোন মিষ্টতা নেই।  কেমন একটা রুক্ষতা। কিন্তু বাবার পছন্দ.... একদিন রাতে বাবা ওর ঘরে আসেন, পলাশ তখন আগামী দিনের শিডিউল রেডি করছে।

ওর বিছানায় ওর পাশেই বসে বাবা,  ওর মাথায় হাত রেখে বলেন, " শোন বাবা.... আমার শরীর একেবারেই ভালো না,  তোর মাও তো নেই..... এরপর কে দেখবে?  বিদিশা মিহিরের একমাত্র মেয়ে.... ছেলের মত থাকবি তুই,  বিপদে আপদে কোন সমস্যা হবে না.... "

বিপদ আপদ বলতে যে বাবা টাকার কথা বলছে সেটা বোঝার মত বুদ্ধি পলাশের ছিলো। বিদিশার বাবার অঢেল টাকা,  অন্তত টাকার জন্য ফ্যা ফ্যা করে ঘুরতে হবে না,  এটাই বলতে চায় বাবা...

পছন্দ না হলেও বাবাকে কষ্ট দিতে না পেরে রাজী হয়ে যায় বিয়েতে।  কিন্তু বিদিশার মত শহুরে বড়োলোকের মেয়ে যে ওদের গ্রামের বাড়িতে থাকবে না সেটা পলাশ জানতো।  আসলে ওর বাবা পলাশকে নিজের ব্যাবসায় হেল্প করার জন্য জামাই করেছিলেন..... কিন্তু পলাশের ওইসব কাজ একেবারেই ভালো লাগতো না।  এর মধ্যেই বাবার ক্যান্সার ধরা পড়লো,  তার কয়েকমাসের মাথায় বাবা মারা গেলেন...... বিদিশাও পলাশকে নিয়ে গ্রামের পাঠ চুকিয়ে এই খানে এসে উপস্থিত হলো।  পলাশের কোন আপত্তি ধোপেও টিকলো না,  আসলে বিয়ের পর যে আপত্তি নামক একটা জিনিস আছে সেটাই ভুলে গেছিলো ও।  প্রথম প্রথম কয়েকবার নিজের আপত্তি জানাতে গিয়ে এমন নাকের জলে চোখের জলে হতে হয়েছে যে আর আপত্তি জানানোর কোন কথাই মনে আসে না।

নিজের বাড়িতে তাও স্বাধীনতা বলে একটা বস্তু কিছুটা ছিলো।  এখানে আসার পর পর বুঝতে পারে গোলামী কাকে বলে...... এমনিতেও পলাশের যা আয় তাতে বিদিশার মত মেয়ের খরচ মেটানো সম্ভব না,  বিদিশাও পলাশের কাছে কিছু চায় না......বাবার অগাধ টাকা তো মেয়েরই।  ওর বাবার টাকাতেই এই ফ্লাট,  একটা চারচাকা গাড়ী,  বিদিশার শখের বুটিক না ফুটিক, মেয়ের নামী ইংলিশ মিডিয়াম কলেজ....... পলাশ নিজেও জানে না মাসে ঠিক কত টাকা বিদিসা খরচ করে,  জানারর ইচ্ছাও হয় না..... যে প্রতিটা কথায় ওকে অপমান করে তার খরচ জানাটা দরকারী না।

পলাশের মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে এই ফ্লাট ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরে যায়।  একাই থাকবে সেখানে।  কিন্তু মেয়ের কথা ভেবে নিজেকে মানিয়ে নেয়।  


গত প্রায় দেড় বছরে মাত্র ২ বার বিদিশার সাথে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছে।  বিদিশা যেনো সব দিক থেকেই পলাশকে নিজের থেকে সরিয়ে দিয়েছে। পলাশ পুরুষ মানুষ.... চাহিদা তো থাকবেই।  গতকাল সুমিত্রা ম্যাডামের শরীর আগে থেকেই ওকে উত্তেজিত করে রেখেছিলো..... ভেবেছিলো সব ভুলে আজ বিদিশাকে আদর করবে।  সেই মত রাতে মেয়ে ঘুমিয়ে পড়ার পর বিদিশার কাছে সরে আসে ও।  পিছন থেক্র জড়িয়ে ধরে ওর কানের নীচে চুমু খেতেই বিদিশা এক ঝটকা মারে..


" আহহহ....অসহ্য.... সরো তো... " ওর চিৎকারে ঘত কেঁপে ওঠে। পলাশ হতভম্ব হয়ে সরে আসে।  কিন্তু আগুনে ঘি ততক্ষণে পড়ে গেছে.... বিদিশা উঠে বসে ওর দিকে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে তাকায়...

" কি ব্যাপার কি?  ফ্রীর মাল ভেবেছো?  নাকি বাজারের বেশ্যা?  নিজের খাড়া হলো আর চলে এলে আমাকে গুঁতাতে?  "

পলাশ মিনমিন করর বলে,  " আহা এমন ভাবে বলছো কেনো?  কতদিন হয়্র গেলো আমরা কিছু.... "

" আহারে.... কতদিন হয়ে গেলো.... তা যাও না, অতোই শখ তো বাড়ি ফেরার আগে বেশ্যা পট্টি থেকে খালি হয়ে আসো..... নাকি সেই টাকাটাও নেই?  শ্বশুরের ফ্লাটে ফোকটিয়া থাকবে আবার গরম হলে তার মেয়ের গায়েই আসবে.... খুব মজা না?  " বিদিশা মুখ বিকৃত করে বলে।

" ছি : বিদিশা...... আমরা কিন্তু স্বামী স্ত্রী। " পলাশ গলা তোলে।

" ওরে আমার স্বামী রে.....শ্বশুরের টাকায় খাবে আর শ্বশুরকে সাহায্য করতে গেলে পারবে না..... ওমন স্বামী দরকার নেই। "

" আমার কাজের কি হবে তাহলে?  "

" শোন..... তোমার কাজের গল্প শুনিও না আর..... কাজ বলতে তো লোকের গতর টিপে বেড়াও..... কত সুন্দরী গতরবালী মেয়ে আসে না টেপাতে,  সেইসব ছেড়ে কি এই রুক্ষশুক্ষ প্রোমোটারীর কাজ করা যায়?..... "

পলাশ চুপ করে থাকে।  সত্যি ওর ভালো লাগে না এইসব জমিজমা আর ফ্লাটের বেচাকেনার কাজ।  ও নিজের কাজ নিয়েই সন্তুষ্ট আছে।  


" শোনো আজ পরিষ্কার বলে দিলাম,  কাল থেকে আমি এইঘরে একা শুবো,  তুমি পাশের ঘরে শুবে.... আর আমার গায়ে এভাবে না বলে হাত দেবে না। " বিদিশা ঘুরে শুয়ে পড়ে।  


অপমানিত পলাশ উঠে আসে,  ব্যালকনীতে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরায়।  শুনশান রাতে একটা লাইটপোষ্ট এর দিকে তাকিয়ে মনে হয় ওর জীবন এর থেকেও একা...... কত সুন্দর জীবনটা আজ নর্দমার পাঁকের মত হয়ে গেছে।  হাসি নেই,  খুশী নেই, চাহিদা নেই, যৌনতা নেই...... এভাবে কে বেঁচে থাকে ভাই?  কিন্তু পলাশকে যে বাঁচতেই হবে...... নর্দমার পাঁকে থেকেই আলাদা পথ খুঁজে নিতে হবে বাঁচার,  নিজেকে বিদিশার নাগপাশে শেষ হতে দেওয়া যাবে না।

বিদিশা এমন কিছুই সুন্দরী না।  তবে চেহারা  আর ওর স্মার্টনেস মিলে মানুষের কাছে একটা আকর্ষণ তৈরী হয়।   মেয়ে হওয়ার পর বিদিশার স্তন ঝুলে গেছে।  পেটে থলথলে চর্বি......তবুও কিসের দেমাকে বিদিশা পলাশকে দূর করে নিজের থেকে?  টাকার এতো অহঙ্কার?  


সব গুছিয়ে স্নান করতে আসে পলাশ।  এই ফ্লাটের বাথরুমটাও একেবারে বিদেশী স্টাইলে বানানো।  এক বাথরুমের পিছনেই প্রায় ৫ লাখ খরচ করেছে বিদিশা।  পলাশ জামাকাপড় খুলে নগ্ন হয়ে শাওয়ারের নীচে দাঁড়ায়।  

যৌনতাহীন পুরুষ খুব অভাগা হয়।  কাল সুমিত্রা ম্যাডামের শরীর দেখে হঠাৎই বিহ্বল হয়ে গেছিলো ও।  না হলে কাস্টমারের প্রাইভেসি রেখেই কাজ করে।  কাল যে কি হয়ে গেলো। পলাশের মনে হচ্ছিলো যে বিধবা পৌঢ়া সুমিত্রা নিজের আবরণ সরাতে অতোটা দ্বিধা করবে না.....,তাই সাহস করে বলেই ফেলে।  ওর নরম মাখনের মত শরীর,  ময়দার তালের মত পাছা...... ভারী বুক..... উফফফফ....এই বয়সে এসেও এমন রাখা যায়?  আজ আবার ওর বাড়ি যাওয়া আছে।  পলাশের এখনি উত্তেজনা হচ্ছে.... একটা শিহরণ খেলে যাচ্ছে শরীরে।  আচ্ছা একে কি বিকৃত কাম বলে?  সুমিত্রা ওর থেকে কম করেও কুড়ি বছরের বড়ো..... তাকে নিয়ে এমন চিন্তা?  পলাশ দেখে এর মধ্যেই ওর পুরুষাঙ্গ খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে।  

কল্পনায় পলাশ নিজের পুরুষাঙ্গকে সুমিত্রার পাছার গভীর খাঁজের উপরে রাখে..... নরম মাংসের মধ্যে দিয়ে ওর লৌহকঠিন লিঙ্গ যাতায়াত করছে.... সুমিত্রা সব বুঝেও চুপ করে আছেন.....

পলাশ ডান হাতের মুঠোয় নিজের উত্থিত লিঙ্গটা নিয়ে শক্ত করে ধরে নাড়ানো শুরু করে,  কল্পনায় ওর কানে ভাসছে সুমিত্রার শীৎকার..... পলাশের লিঙ্গ সুমিত্রার নরম মাংসল যোনীপথে ঢুকছে.... খরস্রোতা নদীর মত পিছল সেই গহ্বর।  পলাশের মূহুর্মূহ সঞ্চালোনে সারা ঘরে অপূর্ব যৌন সরগম সৃষ্টি হচ্ছে।  পলাশ পাগলের মত ঢুকছে আর বেরোচ্ছে সুমিত্রার যোনীতে...

সারা শরীরকে কাঁপিয়ে পলাশের গরম লাভা বিস্ফোরণ ঘটে।  চলকে চলকে সারা বাথরুমের মেঝে ভাসিয়ে দেয় ঘন সাদা তরল.... এক অনাবিল শান্তি নেমে আসে।  দুই চোখ বুজে ঠান্ডা জলের ধারাকে শরীর বেয়ে নামতে দেয় ও। বিক্রম হারিয়ে ধীরে ধীরে নিজের স্বাভাবিক আকৃতিতে ফিরে যাচ্ছে ওর লিঙ্গ।


স্নান সেরে এক কাপ চা নিয়ে টেবিলে বসে পলাশ।  ল্যাপটপে আজকের খবরের কাগজের ইন্টারনেট ভার্সন দেখতে দেখতে চায়ে চুমুক দিচ্ছে এমন সময় ফোন আসে সুমিত্রা ম্যাডামের।

" হ্যালো ম্যাডাম,  গুড মর্নিং..... "

ওপাশে সুমিত্রার ঈষৎ হাসি শোনা যায়,  " হ্যাঁ গুড মর্রনিং...... একটা অনুরোধ ছিল তোমার কাছে। "

" বলুন না " পলাশ বিনয়ের সাথে বলে,  

সুমিত্রা একটু ইতস্তত করে বলেন,  " না মানে,  বলছিলাম আজ বেলা দশটার পর আসলে অসুবিধা হবে?  "

পলাশ হাসে,  " আরে এই কথা?  না না কোন অসুবিধা নেই,  আমি সাড়ে দশটাতে যাবো। "

" অনেক ধনবাদ তোমায়..... " সুমিত্রা ফোন রেখে দেন।  দশটায় চন্দ্রানী কলেজে বেরিয়ে যাবে।  তারপর বাড়িতে শুধু মালতী আর সুমিত্রা। মালতীকে বাজারে পাঠাতে হবে।  মেয়েটার কোন কাণ্ডজ্ঞান নেই। কাল ঝট করে দরজাটা খুলে দিলো কেমন।


সুমিত্রা উঠে আয়নার সামনে আসেন। বিশাল কাঠের ড্রেসিং টেবিলের মানুষ সমান আয়নায় নিজেকে খুঁটিয়ে দেখেন।  নাহ....চেহারাতে এখনো সেভাবে বয়সের ছাপ পড়ে নি,  মাথার কয়েকটা চুল সাদা হয়ে এসেছে,  কিন্তু ওনার এই সাদা শাড়ির কারণে একটু বয়ষ্ক লাগে।  


ওর বোন সুনেত্রা কতবার বলেছে,  " দিদি তুই এই সাদা শাড়ি ছাড়,  রঙিন না পরিস সাদার মধ্যে প্রিন্টেড শাড়ি আর হালকা কালারের ব্লাউজ পর। "


সুমিত্রা হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন, " দূর.... এখন আর ওসবে কি হবে?  এই ভালো। "

কিন্তু আজ কেনো জানেন না নিজেরই সাদা শাড়ি পছন্দ হচ্ছ্র না।  সুমিত্রা আলমারী খুলে একটা হালকা বেগুনী ব্লাউজ আর অফ হোয়াইট চওড়া পাড়ের প্রিন্টেড সাদা শাড়ি বের করে আনেন।  সেগুলো বিছানার উপর রেখে নিজের সাদা শাড়ি আর ব্লাউজ খুলে ফেলেন।


সামনের আয়নায় নিজের নিরাবরন রূপ।  কে বলে সুমিত্রা বুড়ি হয়ে গেছেন?  মাথা ভরা চুল,  গায়ের রঙ সোনালি সূর্য্যের আলোর মত,, গায়েত চামড়ায় মাছি বসলেও যেনো পিছলে যাবে....... নিজের দিকে তাকিয়ে সুমিত্রার নিজেরই লজ্জা লাগলো...

দুটো ভারী বুক,  ঈষৎ বাদামী বোঁটা...... তলপেটে কিছুটা চর্বি আছে,  তাতে সামান্ত ভাঁজ..... নাভির কিছুটা নীচ থেকে হালকা সোনালি পাতলা যোনীকেশে ঢাকা ওর  স্ত্রীঅঙ্গ..... দুটি ভারী মসৃণ থাই এর মাঝে বাদামী গালিচায় ঢাকা ত্রিকোণ স্বর্গ..... এখনো ওর পেটের থে কোমর অনেক চওড়া....


নিজের শাড়ি আর ব্লাউজ পরে চোখে চশমাটা দিতেই যেনো মনে হলো বয়স এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গেছে।  এরপর যদি লিপ্সটিক বা কানের দুল পরেন তাহলে তো আর কথাই নেই।  নিজের মনেই হাসেন সুমিত্রা।  আজ থেকে এভাবেই সাজিয়ে রাখবেন নিজেকে।


পরিপাটি হয়ে যখন বাইরে এলেন তখন মালতী চন্দ্রিমাকে খাবার দিচ্ছে।  ওকে দেখে দুজনারই ভিমড়ি খাওয়ার যোগাড়।

" অ মা গো..... একি মাসী,  তুমি তো পুরো ভোল পালটে দিয়েচ গো। " মালতী গালে হাত দিয়ে বলে।

চন্দ্রানী শুধু বলে,  " এবার বেশ লাগছে মা আপনাকে,  কেনো যে নিপাট সাদা পরে থাকেন। "

সুমিত্রা ভেবেছিল বৌমা ওকে ব্যাঙ্গ করবে,  কিন্তু চন্দ্রিমার মুখে এই কথা শুনে এই প্রথম ওত প্রতি একটা ভালোবাসা জন্মালো। না আজকাল মেয়েরা সব কিছুতে খারাপ হয় না,  একটু ঠোঁটকাটা হলেও মনটা ভালো এদের।  


সুমিত্রা চন্দ্রানীর পাশে চেয়ার টেনে বসেন,  " কতদিন তো বাপের বাড়ি যাও না......পর পর দুইদিন তো ছুটি,, যাও বাপের বাড়ি ঘুরে এসো। "

চন্দ্রানী রুমালে মুখ মুছে হাসে,  " আমিও সেটাই ভাবছিলাম,  তবে আপনার ব্যাথা কমে নি তাই.... "

" ও কমে যাবে..... আগের থেকে তো অনেক কম,  তুমি ঘুরে আসো..... মালতী তো আছেই। "

চন্দ্রানী হেসে কাঁধে ব্যাগটা তুলে বেরিয়ে যায়।  সুমিত্রা সেদিকে তাকিয়ে থাকেন,  " মেয়েটা দেখতেও ভারী সুন্দর,  শুধু গায়ের রংটা চাপা এই যা..... ইস...কেনো যে খোকার এই রোগ দেখা দিলো। "

ট্রিংংংং..... কলিং বেল বাজতেই মালতী দৌড়ে যায়।  দরজা খুলতেই দেখে পলাশ দাঁড়িয়ে,  

সুমিত্রা মালতীকে বলেন,  " মালতী রে..... এই ফর্দটা নিয়ে একবার বাজারে যানা মা..... "

" কই দাও দেখি.... " মালতী ফর্দ আর ব্যাগ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়।  বাজারে যেতে বললে এক পায়ে রাজী ও।  আগামী এক ঘন্টার আগে আর ওর পাত্তা পাওয়া যাবে না।  সুমিত্রা মনে মনে হেসে পলাশকে বলেন..

" এসো বাবা..... ভিতরে
Reply
#3

(পর্ব-৩) 


কলকাতার কাছে শহরতলিতে আজকাল বর্ষাকালের ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে ইংলিশ মিডিয়াম কলেজ। তাতে পড়াশোনা যাই হোক না কেনো বাবা মায়েরা হুড় হুড় করে তাদের ছেলেমেয়েদের সেইসব কলেজে ঠেলে দিচ্ছেন।  ভাবখানা এমন যে একবার সেখানে পড়াতে পারলে ছেলে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হয়েই ফিরবে। তেমনি একটা কলেজে পড়ায় চন্দ্রিমা।  বাড়ি থেকে প্রায় আধ ঘন্টা বাস জার্নি করে যখন কলেজে পৌছালো তখন ফার্স্ট পিরিওড শুরু হয়ে গেছে।

আজকে চন্দ্রিমার ফার্স্ট পিরিওডে কোন ক্লাস নেই।  বায়োমেট্রিক এটেন্ডেন্স মেশিনে নিজের এটেন্ডেন্স রেজিস্টার করে ও স্টাফরুমে আসে। সেখানে প্রায় ফাঁকা।  সবাই যে যার ক্লাসে চলে গেছে।  একা সুমনা বসে আছে।  টেবিলে কনুই রেখে গালে হাত দিয়ে একমনে মোবাইলে মগ্ন।  এখানে সুমনা চন্দ্রিমার সব থেকে কাছের বান্ধবী।  ওদের দুজনার মধ্যে একেবারে র মেটারিয়ালস চালাচালি হয়।  সুমনা যেদিন আসে না সেদিন চন্দ্রিমার একেবারে সময় কাটে না।

টেবিলের উপর ধড়াস করে ব্যাগটা ফেলে দিয়ে চেয়ারে গা এলিয়ে দেয়। সুমনা ওকে দেখে আবার মোবাইলে মন দেয়। 

" কিরে,  এতো ভাও খাচ্ছিস আজ?  আমাকে দেখেও দেখছিস না। " চন্দ্রিমা ফুট কাটে।

সুমনা মোবাইল বন্ধ করে দুই হাত ছড়িয়ে হাই তোলে,  " ভালো লাগছে না রে। "

" কেনো..... কাল বর লাগায় নি? " চাপা স্বরে বলে চন্দ্রিমা।

" ধুস.... ওর লাগানো আর না লাগানো সমান।" সুমনা মুখটা ব্যাজার করে বলে।

" কেনো রে?"

সুমনা এদিক ওদিক তাকিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে বলে, " এই জন্যেই না এরেঞ্জ ম্যারেজ না করাই ভালো। "

" ধুস..... প্রবলেমটা কি খুলে বল। " চন্দ্রিমা জলের বোতল খুলে এক ঢোক জল খায়।

" আচ্ছা তুই কোন জিনিস কিনলে তো সেটাকে পরীক্ষা করে নিবি তাই না?  মানে তার পার্টস পত্র ঠিক ঠাক আছে কিনা?  "

চন্দ্রিমা উত্তর না দিয়ে কৌতুহলী দৃষ্টিতে তাকায়। সুমনা কি বলতে চাইছে বোঝা যাচ্ছে না। 

সুমনা এবার ঝোঁকে ওর দিকে,  তারপর ফিসফিস করে বলে,  " সাত্যকির নুনুর সাইজ মেরেকেটে সাড়ে তিন.... ওতে কোন কাজ হয় তুই বল?  বিয়ের আগে কেনো যে চেক করে নিই নি। "

চন্দ্রিমার হাসি পায়।  সুমনার দেড় বছর হলো বিয়ে হয়েছে।  ওর বর সাত্যকি বেশ লম্বা চওড়া স্বাস্থ্যবান পুরুষ।  একটা প্রাইভেট ব্যাঙ্কে চাকরী করে।  গুরুগম্ভীর আর গোবেচারা টাইপের ছেলে।  এদিকে সুমনা মারাত্বক খলবলে। সুমনার হাইট ফিগারও ভালো।  চন্দ্রিমার থেকে বেশী।  আর প্রচন্ড সেক্স পাগল।  কেউ কেউ আছে যাদের ধ্যান জ্ঞান চিন্তা সবই কামাবৃত.... সুমনা তেমনি এক মেয়ে।  কিন্তু সাত্যকির ওমন চেহারায় নুনুর সাইজ মাত্র সাড়ে তিন!!!  এটা অবাক বিষয়। চন্দ্রিমা হাসি লুকিয়ে বলে, 

" ধ্যাৎ... হতেই পারে না,  সাত্যকিদা কত লম্বা চওড়া? "

" এই যে,  তোরা বাইরে টাই দেখলি..... যানা একবার প্যান্ট খুলে দেখে আয়,  ফিতে দিয়ে হাজার বার মেপেও সাড়ে তিনের এক চুল বেশী হলে আমাকে বলিস। " সুমনা কিড়মিড় করে ওঠে।

চন্দ্রিমা এবার সান্তনা দেয়, " তাতে কি.... ঠিকঠাক করলে মেয়েদের স্যাটিসিফেকসানের জন্য তিন ইঞ্চিই যথেষ্ট।"

" বাল.... " সুমনা খিঁচিয়ে ওঠে,  "রাখ তুই তোর উপদেশ,  আমার সেই ছোটবেলা থেকে শখ আমার বরের হবে BBC. "

" বি বি সি মানে?  " চন্দ্রিমা ভ্রু কোঁচকায়।

সুমনা ফিক করে হাসে,  " বিগ ব্ল্যাক কক.... বি বি সি "

" ও তো নিগ্রোদের হয়,  সাত্যকি দা তো আর নিগ্রো না,  পিওর মাছে ভাতে বাঙালী। " চন্দ্রিমা বলে।

সুমনা দমার পাত্রী না,  " তুই কিছুই জানিস না,  বাঙালী ছেলেদের এভারেজ সাইজ ৫".... আমি নেটে সার্চ করেছি,  সাত্যকির টা টিনি ডিক..... মানে ক্ষুদ্র লিঙ্গ। "

চন্দ্রিমা অতোশত জানে না।  ওর বর শোভনের টা পাঁচ ইঞ্চি মতো হবে।  শিথিল অবস্থায়  ২" র বেশী না।  তাহলে শোভনেরটা এভারেজ সাইজ।  মানে নরমাল। 

" কি আর করবি বল?  এখন তো আর পাল্টাতে পারবি না?  " চন্দ্রিমা ওকে সান্তনা দেয়।

সুমনা আবার ফিক করে হাসে,  " বর পাল্টাতে না পারলেও যন্ত্র তো পাল্টানোই যায়.... "

চন্দ্রিমা চোখ বড়ো করে,  " মানে পরকিয়া!  extra marital Affairs!!!! "

" থাক থাক.... অতো গাল ভরা নাম দিস না তো.... আজকাল এসব জলভাত, ছেলে বা মেয়ে স্যাটিস্ফায়েড না হলে অন্য জায়গায় যেতেই পারে...... তোর যে খাবারে পোষবে না তুই কি সেটাই খাবি নাকি খাবার চেঞ্জ করবি?  " সুমনার যুক্তি খণ্ডনের উপায় নেই।  অকাট্য যুক্তি।  চন্দ্রিমা আমতা করে বলে,

" তা তুই কি বি বি সি পেয়েছিস?  "

সুমনা মুখে হাসি এনে এদিক ওদিক দেখে।  কোথাও কেউ নেই।  ও চন্দ্রিমার আরো কাছে ঘেঁষে আসে,  " জানিস,  আমাদের বিল্ডিং এর লিফট ম্যান যে লোকটা তারটা কত বড়ো?  প্রায় ৬".... ভাবতে পারিস? সাত্যকির দ্বিগুনেরও বেশী.... আর তেমন মোটা"

" তুই কিভাবে জানলি?  " চন্দ্রিমা অবিশ্বাসের চোখে তাকায়।

" আরে ও রোজ দুপুরে সোসাইটির পিছনের বাগানে পাঁচিলের ধারে পেচ্ছাপ করতো,  আর ওই জায়গাটা আমার  কিচেন থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। লোকটা চেন খুলে পুরো বাঁড়াটা বের করে মুতে আবার সেটাকে ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে তারপর ভিতরে ঢোকাতো। "


" তারপর?  " চন্দ্রিমা কৌতুহলী " তুই গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লি ওর নুনুর উপর?  "

সুমনা হাসে,  " ধ্যাত.... "

" তাহলে?  "

" বেশ কয়েকদিন ওর ওই জাম্বো সাইজের নুনু দেখে তো আমার লোভ লেগে গেছে।  কিন্তু হঠাৎ করে তো আর কিছু হয় না,  আমি লিফট এ আসা যাওয়ার পথে ওর সাথে ভাব জমাতে শুরু করলাম।  ওর নাম মধুসূদন ঘোষ.... হাইট আর চেহারা সাত্যকির থেকে কম।  গায়ের রঙ কালোর দিকে।  কথা বার্তা খুব বিনয়ী। .......... লিফট এ যাওয়ার সময় আমি ওর গায়ের কাছে ঘেঁষে আসতাম। ওর গায়ের ঘামের গন্ধ,  মুখে বিড়ির কটু গন্ধে আমার উত্তেজনা বেড়ে যেতো..... আমার ইশারা ও বুঝতে পারছিলো।  আস্তে আস্তে ও নিজেও আমার সাথে হালকা ঠাট্টা ইয়ার্কি মারা শুরু করেছিলো।  এর মধ্যে একদিন কলেজ থেকে ফ্লাটে ফিরছি,  দুপুর বেলা,  চারিদিকে কেউ নেই...... আমি আর মধূদা লিফট এর ভিতরে,  ঠিক তিনতলায় উঠে কারেন্ট চলে গেলো,  লিফট বন্ধ....... জেনারেটরের তেল না থাকায় চালাতে দেরী হচ্ছিলো।  গরমের মধ্যে আমি আর মধূদা বন্ধ লিফট এ আটকে।

ততদিনে মধূদার সাথে বেশ ভাব হয়ে গেছে।  আমি যেকোন মূল্যে ওর যন্ত্রটাতে হাত দিতে চাইছিলাম।  দেখলাম এই সুযোগ, এবার চলে গেলে আর পাবো না..... আমি ঝট করে মধূদার দিকে ঘুরে ওকে জড়িয়ে ধরলাম।  ওর বিড়ি খাওয়া ঠোঁট্র নিজের ঠোঁট চেপে দিলাম।  মধূদা হঠাৎ ভয় পেয়ে গেছিলো,  কিন্তু দ্রুতো সামলে নিয়ে আমাকেও জড়িয়ে ধরে।


আমি আমার বাঁ হাত দিয়ে ওর প্যান্টের চেন খুলে ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিই।  মধুদা জাঙিয়া পড়ে না,  আন্ডারপ্যান্ট পরে,  আমি ওর বড়ো লিঙ্গটাকে ধরতে পারিছিলাম কিন্তু প্যান্টের উপর দিয়ে, তাতে মজা আসছিলো না।

ও সেটা বুঝতে পেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে নিজের বেল্ট খুলে,  প্যান্টের হুক খোলে,  তারপর প্যান্টটা নামিয়ে আন্ডারপ্যাণ্ট নামাতেই..... বিশ্বাস করবি না,  মুগুরের মত মোটা ওর শক্ত কাঠ লিঙ্গটা লাফিয়ে বের হয়,  মাথাটাই একটা মুরগির ডিমের মত সাইজ......একটা বোঁটকা গন্ধ ওর পেনিসে,  কিন্তু ওই গন্ধটাই আমাকে আরো আকৃষ্ট করে.... আমি সম্মোহিতের মত ওর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে যাই,  মধুদা আমার মাথা চেপে ধরে... "

চন্দ্রিমা হাঁ করে সুমনার কথা গিলছে। যেনো এক আশ্চর্য্য রুপকথার গল্প শোনাচ্ছে ও। 

সুমনা একটু দম নিয়ে আবার শুরু করে,  " তুই বিশ্বাস কর চন্দু...... ওর ওই এনাকোন্ডার মত মাথা দোলানো বাঁড়ার সামনে আমার মুখ আপনা থেকেই হাঁ হয়ে গেলো,  আর সেই সুযোগে মধুদা আমার মুখ ওর ডিমের সাইজের  মাথাটা ঢুকিয়ে দেয়,  আমার মনে হলো গরম লোহার রড ঢোকালো..... আমি হতভম্বের মত ওটাকে মুখে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকি,  এদিকে মধূদা আমার মুখে ঠাপানোর চেষ্টা করছে,  আস্তে আস্তে ঠাপ দিচ্ছে...... আমি ওর কোমড় আঁকড়ে ধরে আছি,  আমার নিজের প্যান্টি ভিজে যাচ্ছে.... বুঝতে পারছি। এতো বড়ো লিঙ্গ পুরোটা মুখে ঢোকে না,  শুধু মাথাটাই আমার মুখ ভরে দিয়েছে....।

মধুদা উত্তেজনায় উহ আহ আওয়াজ করছে।  আর আমার মুখে ঠাপিয়ে চলেছে।  ওর লিঙ্গের ঘষায় আমার গালের ছাল উঠে যাওয়ার উপক্রম..... তবুও আমার স্বপ্ন পুরোনের সাধ মেটায় আমি উত্তেজিত।  কতক্ষণ চুষেছিলাম মনে নেই..... মুখের ভিতরে গরম তরলে ভরে ওঠায় বুঝতে পারি যে মধুদা মাল ঢেলে দিয়েছে আমার মুখে...... ও আমার মুখ থেকে লিঙ্গটা বের করে নেয় বাইরে,  তখনো সেটা থেকে সাদা বীর্য্য ঝরছে,  লিফট এর ভিতর নোংরা করা যাবে না,  আমি পুরো ফ্যাদাটা গিলে নিই....

মধুদার তো কাজ হয়ে গেলো,  এদিকে আমার অবস্থা খারাপ।  আমি শাড়ী কোমরে তুলে লিফট এর দেওয়ালে হেলান দিয়ে মধুদাকে ইশারা করি।  ও পাকা লোক,  বুখে যায় যে আমি কি চাইছি।  ঠিক আমার মত করেই হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে আমার সামনে। । আমার প্যান্টি নামিয়ে দিয়ে আমার বালে ভরা ভেজা গুদে কামড় বসায়। 


আমার গুদ দেখে মধুদা প্রশংসা করে,  " কি সোন্দর ভোদা তোমার গো বৌদি..... আমার বৌ এর টা কালো আর গন্ধ, মুখ দিতেই ইচ্ছা করে না...... "

সত্যি বলতে সাত্যকি কোনদিন এভাবে আমার গুদকে আদর করে নি  যেভাবে মধুদা ভালোবেসে করে।  আমার ক্লিট চেটে দেয়,  রস চেটে চেটে খায়....... তারপর ফুটোতে জীভ পুরে নাড়াতে থাকে.... আমি পাগলের মত ছটফট করছি,  উফফফফ.....এতো আরাম যে কোথায় লুকানো ছিলো এতোদিন কে জানে?  আমার শরীরে সুনামি ডেকেছে যেনো।  নাকের পাটা ফুলিয়ে আমি তালুতে জীভ চেপে শীৎকার দিচ্ছি....

এমন সময় কারেন্ট চলে আসে।  লিফট চলতে থাকে। আমি তাড়াতাড়ি মধুদাকে সরিয়ে দিয়ে প্যান্টিটা তুলে কাপড় নামিয়ে দিই।

চরম সুখ আসার আগেই ভেঙে যায় সব। "

সুমনা বেজার মুখে বলে।  চন্দ্রিমা এতোক্ষন হাঁ করে শুনছিলো। এবার বলে,  " ও তাই তোর এতো মন খারাপ?  "

সুমনা বলে,  " না রে...... মন খারাপ,  মধুদাকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছে.... কেনো জানি না,  ভেবেছিলাম ওর ওই গদার মত বাঁড়াটার স্বাদ নেবো..... তার আগেই বেচারা চলে গেলো। "

হঠাৎ বেল বেজে ওঠে। এবার সুমনা আর চন্দ্রিমা দুজনারই ক্লাস আছে।  ওরা তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়ায়।  চন্দ্রিমা সুমনার দিকে তাকিয়ে বলে,  " চিন্তা করিস না,  আমি এমন বি বি সি র খোঁজ পেলে তোকে জানাবো "

সুমনা হেসে বলে,  " দেখ ভাই,  আমাকে খারাপ ভাবিস না.....এটাই আমার ফ্যান্টাসি। "


ক্লাস নিতে নিতে বার বার  সুমনার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিলো চন্দ্রিমার।  সুমনাটা খুবই সেক্স পাগল,  কিন্তু তাই বলে একেবারে লিফট ম্যান এর সাথে?  চন্দ্রিমা অবশ্য এতো দূর ভাবতে পারে না.....

চন্দ্রিমারও সেক্স নিয়ে ফ্যান্টাসি অনেক কাল থেকেই।  তিবে সেটা সুমনার পর্যায়ের না। শুধু বড়ো লিঙ্গ এই কারণে যে কাউকে দিয়ে করাতে ও পারবে না..... ওর চিন্তা ভাবনা আলাদা।

মাস্টার্স করার পর যখন বিভিন্ন জায়গায় চাকরীর এপ্লাই করে বেড়াচ্ছে তখনই শোভনের সাথে ওর  বিয়ের প্রস্তাব আসে।  গ্রামের মেয়ে চন্দ্রিমা।  শোভনরা টাউনে থাকে, তার উপর বড়লোক..... শোভন দেখতেও তেমন খারাপ না,  চলে যায়..... বাবা মা তো এক কথাতেই রাজী।  চন্দ্রিমার বিয়ে হয়ে গেলো শোভনের সাথে।  চন্দ্রিমা নিজেও খুব বেশী আপত্তি জানায় নি।


চন্দ্রিমা শুধু চেয়েছিলো যে ওর বর হবে ওরই মত রোমান্টিক, সেক্স নিয়ে ফ্যান্টাসি থাকবে,  একটু এডভেঞ্চারাস টাইপের..... কিন্তু শোভন একেবারে উলটো প্রকৃতির। ওর মধ্যে রোমান্টিকতার কোন নাম ও নিশান নেই।  কর্পোরেট এ কাজ করা একবারে প্রাকটিক্যাল মানুষ।

ফুলশয্যার রাতে চন্দ্রিমা একটু এক্সাইটেড ছিলো,  ভয়ও করছিলো..... এর আগে তো কোন অভিজ্ঞতা নেই,  উত্তেজনা,  ভয় আর লজ্জা একত্রে মিলেমিশে গেছিলো।  কিন্তু শোভনের আচরনে ও একেবারেই হতাশ হয়ে যায়।  চন্দ্রিমার গায়ের রঙ সামান্য চাপা,  কিন্তু শরীর একেবারে রম্ভা উর্বশীদের মত.... এককালে নাচ করতো ও,  ওর শরীরের নিঁখুত বক্রতা বড় বড় মানুষকেও বিস্মিতবকরে তুলবে..... চন্দ্রিমা।ভেবেছিলো ওর নগ্ন শরীর দেখে শোভন প্রশংশায় ভরিয়ে দেবে,  কারণ...... শরীর তো না যেনো শিল্পীর হাতে বানানো কোন মূর্তি.... প্রতিটা কোনায় কোনায় নিখুঁত ভাঁজ। 

কিন্তু শোভন তাড়াহুড়ো করে ওকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে দেয়।  হালকা আলোয় চন্দ্রিমার রূপ যেনো আরো খুলে ধরে।  কিন্তু শোভন সেই নিয়ে কোন কথা বলে না।  নিজে উলঙ্গ হয়ে চন্দ্রিমার দুই পায়ের মাঝে নিজেকে স্থাপিত করে।  চন্দ্রিমার ভার্জিন যোনীতে লিঙ্গ রেখে চাপ দিয়ে ঢোকাতে যায়। 

অভিজ্ঞতাহীন আনাড়ির মত একেবারে। চন্দ্রিমাকে কোনরকম উত্তেজিত না করেই ওর শুকনো যোনীতে নিজের লিঙ্গ প্রবেশ করাতে যাওয়ার ফলে চন্দ্রিমার অসহ্য যন্ত্রনা হয়। ও শোভনকে দুই হাতে ঠেলে ধরে মুখ বিকৃত করে।  শোভনোও বুঝতে পারে যে এভাবে হবে না। 
"দাঁড়াও..... একটু লুব্রিকেন্ট নিয়ে আসি। " নগ্ন হয়েই উঠে যায় শোভন।  ঘর খুঁজে একটা ভেসলিনের কৌটো পায়। তার থেকে একগাদা ভেসলিন চন্দ্রানীর যোনিতে লাগিয়ে নিজের লিঙ্গেও লাগায়।  এরপর আবার শুরু করে।  প্রথম সেক্স নিয়ে যাবতীয় ফ্যান্টাসির এইনকাল মৃত্যু দেখে চন্দ্রানীর আর কোন উৎসাহ অবশিষ্ট থাকে না।  ও চোখ বুজে পড়ে থাকে। শরীর একেবারে শুকনো কাঠ কাঠ লাগছিলো ওর।  শোভন বেশ কিছুক্ষণ ডলাডলি করে..... একসময় বীর্য্যপাত করে ফেলে।  চন্দ্রানী যেনো একটা উৎপাত থেকে বেঁচেছে, এই ভাবে নিজের যোনী কাপড়ে মুছে চাদরটা টেনে নিয়ে শুয়ে পড়ে।  এক অতীব আনরোমান্টিক সোহাগরাত কাটিয়ে নিজের বিবাহিত জীবন শুরু করে ও।


এতোটাই খারাপ অভিজ্ঞতা ছিলো যে জীবনে প্রথম পুরুষ শরীর দেখার কোন উত্তেজনাই ফীল করেনি ও।  বরং একটা চরম বিরক্তির ভাব তৈরী হয় ওর মধ্যে। এখনো শোভনের শরীরের প্রতি কোন টান অনুভব করে না ও।  প্রায় দুই তিন দিনে একবার শোভন ওর সাথে মিলিত হয়।  চন্দ্রিমা ময়দার তালের মত পড়ে থাকে।  শোভনের তাতে আপত্তি নেই।  ও জাস্ট নিজের কাজটুকু করতেই আসে।  সেটা হয়ে গেলেই পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ে। 

পর পর তিনটে ক্লাস করে হাঁফিয়ে যায় ও।  বোর লাগে।  টিফিন হতেই স্টাফরুমে এসে হাঁফ ছাড়ে। এখন আর সুমনা একা নেই।  সবাই আছে সেখানে। তার মধ্যেই সুমনার পাশে বসে ও।  টিফিন বক্স খুলে স্যালাড তুলে খেতে খেতে সুমনাকে বলে,  " কিরে ডিপ্রেসান কাটলো? মধুদা চলে যাওয়ার?  থুড়ি বি বি সি হাত ছাড়া হওয়ার?  "

" উফফ.... তুই মজা করছিস?  আই জাস্ট লাভ হিজ কক...... উম্মা। " সুমনা চোখ টেপে।


কলেজ ছুটি হয় ঠিক চারটেতে।  সুমনা আর চন্দ্রিমা কলেজ থেকে বেরিয়ে ধীরপায়ে রাস্তায় আসে।  সুমনার বাড়ি চন্দ্রিমার ঠিক উলটো দিকে।  কলেজ থেকে বাস রাস্তা পর্যন্ত দুজনে একসাথেই আসে। 

" আইসক্রীম খাবি?  " সুমনা চন্দ্রিমার দিকে তাকায়। বর্ষকাল হলেও আজ কড়া রদ্দুর উঠেছে।  ভ্যাপসা গরমে গলা শুকিয়ে কাঠ।  চন্দ্রিমা নীরবে মাথা নাড়া।  বাস রাস্তার উল্টোদিকেই একটা আইস্ক্রীমের পার্লার।  ওরা রাস্তা পার করে সেখানে যায়। দুটো স্ট্রবেরী ফ্লেভারের আইসক্রীম নিয়ে তাতে আলতো করে জীভ ঠেকায়,  ঠিক তখনি চন্দ্রিমার হাতে চিমটি কাটে সুমনা।  চন্দ্রিমা ওত দিকে তাকাতেই সুমনা চোখের দৃষ্টিতে ইশারা করে।  চন্দ্রিমা সেই ইশারা অনুযায়ী তাকাতেই দেখে ওদের থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটা পুরানো পাঁচিলের গায়ে পেচ্ছাপ করছে একটা বছর ত্রিশের ছেলে।  জায়গাটায় যে অনেকেই পেচ্ছাপ করে সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।  ওরা যেখানে দাঁড়িয়ে সেখান থেকে ছেলেটার নুনুটা বেশ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।  চন্দ্রিমা একবার তাকিয়েই চোখ ঘুরিয়ে নেয়।  সুমনা এক দৃষ্টিতে দেখেই যাচ্ছে।  চন্দ্রিমা ওকে মুখ ঝাড়া দেয়, 

" উফ.....কি অসভ্য রে তুই?  হাঁ করে তাকিয়ে আছিস। "

সুমনা চোখ টিপে হাসে,  " বাহ রে,  ওরা রাস্তায় নুনু বের করে হিসি করতে পারে তাতে লজ্জা লাগে না..... আর আমি দেখলেই দোষ?  "

" উফফ....তোর সাথে আর আসা যাবে না। " চন্দ্রিমা হাল ছাড়ে।

" যাই বলিস না কেনো..... বিবিসি না হলেও সাইজ খারাপ না কিন্তু। "

" যা..... তাহলে চুষে দিয়ে আয়.... তোর তো লালা ঝরছে ওর মোতা দেখে। " চন্দ্রিমা বিরক্তির গলায় বলে।

এর মধ্যেই ছেলেটি কানে ফোনে কথা বলতে বলতে চেন আটকে এগিয়ে যায়। 

চন্দ্রিমা চাইসক্রীম চাটতে চাটতে বলে,  " যাহহ....তোর আইস্ক্রীম তো চলে গেলো। "

দুজনে হেসে গড়িয়ে পড়ে। 



চন্দ্রিমা বাসে উঠেই টের পায় আজ বেশ ভীড়।  লেডিস সীটেও জায়গা নেই।  কোনমতে একে ওকে ঠেলে ঠুলে মাঝ বরাবর একটা সিটের সামনে এসে দাঁড়ায়।  জানালা দিয়ে একটু হাওয়া আসছে। চন্দ্রিমা সীটের হাতল ধরে দাঁড়ায়। পিছনে ক্রমাগত মানুষের ঠেলা খাচ্ছে।  ওর পিছনটা পুরুষদের কাছে একটা আকর্ষন। এভাবে ভীড় বাসে তাতে স্পর্শ করার সুযোগ পেয়ে কেউ মিস করতে চায় না.....

একটু পরে চন্দ্রিমা টের পায় একজন এসে ওর ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়েছে।  তার গায়ের সাথে ওর নরম উত্তল নিতম্ব ঘষা খাচ্ছে।  একটু বিরক্ত হয়ে নিজেকে সরাতে গিয়েও পারে না এতো ভীড়।  ওর পাছার খাঁজের ঠিক মাঝখানে লোকটার হাত লাগলো মনে হচ্ছে।  লোকটা কি ভীড় বাসে সুযোগ নিতে চাইছে? 

কিছুক্ষণ মনে হল লোকটা একটু আলগা হয়ে গেছে। যাক বাবা বাঁচা গেলো।  কিন্তু আবার চাপ..... এরপর আবার লোকটার হাত ওর পাছার ঠিক মাঝখানে। এবার রাগ হয়ে গেলো চন্দ্রানীর.... ভীড় বাসেও ঘুরে গিয়ে ঠাস করে একটা চড় মেরে দিলো লোকটাকে, 

" অসভ্য লোক..... " তার পরেই ভাল করে দেখে এ তো সেই লোকটা যে একটু আগে পাঁচিলে পেচ্ছাপ করছিলো।  লোকটার মুখ সাদাসিধা..... চোর গুণ্ডাদের মত না।  চড় খেয়ে লোকটা মিইয়ে গেলো....

" ভীড় বাসে আমি ব্যাগ সামলাতে গিয়ে হাত লেগে গেছে ম্যাডাম..... খারাপ উদ্দেশ্য আমার নেই।"

চন্দ্রানীরও মনে হলো লোকটা ঠিকই বলছে, কিন্তু মারা হয়ে গেছে।  বাসের বাকি যাত্রীরা হাঁ করে মজা নিচ্ছে।  এখন ওর নিজেরও ফেরানোর উপায় নেই।  তাই রাগত গলাতেই বলে,  " ভীড় বাসে হাত সামলাতে শিখুন আগে। "

পাশ থেকে ভীড়ের মধ্যে কোন এক ছোকরা টোনের গলায় বলে,  " আমরা তো হাত সামলাবো,  আপনি আপনার অতো বড়ো পিছন সামলান আগে। "

লজ্জায় চন্দ্রিমার চোখমুখ লাল হয়ে আসে।  চারিদিকে চাপা হাসির রোল ওঠে।  দুই এক জন বয়ষ্ক মহিলা চেঁচিয়ে ওঠেন,  " আজকাল আর ভদ্র মেয়েমানুষের বাসে যাওয়ার উপায় নেই...... যতসব লম্পটের দল উঠে বসে থাকে। "

এর মধ্যে চন্দ্রানী আর না দাঁড়িয়ে সোজা গেটের কাছে চলে আসে,  কন্ডাক্টরকে বলে,  " ভাই দাঁড়াও আমি নামবো। "

কন্ডাক্টার ওকে চেনে।  রোজ যাওয়া আসা করে,  সে বলে,  " ছাড়ুন না দিদি..... ওসব চ্যাংড়া ছেলেপিলে থেকেই যায়, আপনি এই সীটে বসে যাবেন,  উনি নামবেন। "

কিন্তু চন্দ্রিমা শোনে না।  ও বাস দাঁড় করিয়ে নেমে যায় মাঝ রাস্তায়।

উফফ.....লজ্জায় কান এখনো ঝাঁ ঝাঁ করছে।  এই জায়গাটা বেশ ফাঁকা ফাঁকা। পাশেই একটা পুরানো বন্ধ ফ্যাক্টিরী।  চন্দ্রিমা ঘুরতেই দেখে সেই লোকটাও নেমে এসেছে। চন্দ্রিমার এবার ভয় হয়।  লোকটাকে চড় মারাটা ঠিক হয় নি।  এখন যদি প্রতিশোধ নেয়?  এমন জায়গায় নেমেছে যে আশে পাশে শুধু পুরানো ফ্যাক্টরী আর হলা জায়গা..... চন্দ্রিমা ব্যাগটা আঁকড়ে সাহস আনতে চেষ্টা করে নিজের মধ্যে।  লোকটা ওর দিকেই আসছে..... কিন্তু ওর চোখে মুখে কোনো প্রতিশোধের চিহ্ন নেই।  তবুও সাবধান হয় ও।  মানুষকে আগে থেকে দেখে কি বোঝা যায়?  

" সরি ম্যাডাম.....  আমার জন্য আপনাকে বাস থেকে নামতে হলো,  আমার মেয়ের দিব্যি,  বিশ্বাস করুন,  আমি ইচ্ছা করে করিনি। "

হাঁফ ছেড়ে বাঁচে চন্দ্রিমা।  লোকটাকে দেখে এখন একটু খারাপই লাগছে।  তাই ও গলা নামিয়ে বলে,  " ঠিক আছে,  আমারই ভুল ছিলো.... কিন্তু আপনি নামলেন কেনো?  "

" আরে,  জায়গাটা ভালো না,  এভাবে একা এখানে আপনি নেমে গেলেন আমার জন্য.... তাই আমার খারাপ লাগলো। "

চন্দ্রিমা স্বাভাবিক হয়।  এতোক্ষনে ভালো করে দেখে ওকে।  বেশ হ্যান্ডসাম চেহারা।  মাঝারী হাইট।  স্বাস্থ্যবান চেহারা।  মুখের মধ্যে একটা সারল্য আছে।  পরনে একটা হোয়াইট শার্ট আর কালো ট্রাউজার।  কাঁধে চামড়ার ব্যাগ।

" কোথায় যাবেন আপনি?  "

" সুভাসপল্লী হাউজিং এ...... ওখানেই ফ্ল্যাটে থাকি। " ছেলেটা উত্তর দেয়।

" ও আমি একটু দূরে...... ক্ষুদিরাম নগর। " চন্দ্রিমা সামান্য হাসে।
Reply
#4

(পর্ব-৪) 


রাতের খাওয়াদাওয়া সেরে সুমিত্রা ঘরে গিয়ে দোর দিলেন। আজ মনটা বেশ ভালো।  খুশী খুশী আছে ওর।  দেবাশিষ মারা যাওয়ার পর সুমিত্রার জীবনে যেনো অন্ধকার নেমে এসেছিলো।  ওর আর দেবাশিষের উদ্দাম যৌন জীবনের যে হঠাৎ এভাবে সমাপ্তি ঘটে যাবে সেটা কল্পনাও করতে পারেন নি উনি।  দেবাশিষের জায়গায় যে কাউকে ভালো লাগতে পারে সেটাই মনে হয় নি।  মনে মনে এটাই মেনে নিয়েছিলেন যে ওনার যৌন জীবনের শেষ ঘটেছে।  তাই সংসারের সব উত্তেজনা জাগানো কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আগেকার দিনের বিধবাদের  মত থাকা শুরু করেন।  ওর যৌনতার এই অকাল মৃত্যতে উনি একটু খিটখিটেও হয়ে যান। কথায় কথায় অসহিষ্ণু হওয়াটা যেনো স্বভাবে পরিণত হয়।  কিন্তু গত দুই দিনে হঠাৎ যেনো পুরনো দিনগুলো ফিরে আসতে চাইছে।  পলাশ ছোঁড়টার সাথে দেবাশিষের চেহারার একটা মিল আছে।  শুধু ছেলেটা একটু লাজুক। প্রথম দিন সুমিত্রার ওর সামনে গোপন অঙ্গগুলো খুকে ধরতে সঙ্কোচ হচ্ছিলো।  কিন্তু তার পর এক অদ্ভুত উত্তেজনা ওকে গ্রাস করে। বেশ শিহরণ জাগানো একটা অনুভূতি তৈরী হচ্ছিলো। সেক্সের ব্যাপারে সুমিত্রার অভিজ্ঞতা অনেক।  সবই দেবাশিষের জন্য।  দেবাশিষ আর ও নানা ভাবে,  নানা কায়দায় সেক্স কে এনজয় করেছে।  কখনো পুরানো হয় নি ওদের কাছে।  কিন্তু এই ছেলেটা একটু আনকোরা।  বিহাহিত হলেও অভিজ্ঞতা তেমন কিছু নেই। তবে ভালো খেলোয়াড় হওয়ার সব গুণ আছে ওর মধ্যে।

আজ পলাশ আসার সাথে সাথেই মালতিকে বাজারে পাঠিয়ে দেন। বাড়িতে কেউ ছিলো না। আসলে সেদিন মালতী যেভাবে মাঝপথে ব্যাগড়া দিয়েছিলো তার কারণেই এটা করেন।

নিজের ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে দেন।  পলাশ আজকে ওর পোষাক দেখে একটু অবাক হয়ে যায়।  সুমত্রা ভাবছিলো পলাশ কিছু বলে নাকি এই নিয়ে।

নিজের ব্যাগটা রেখে পলাশ চেয়ারে বসে,  " আজ আপনাকে একটু আলাদা লাগছে ম্যাডাম..... আমার মনে হয় কাল আপনি অন্য পোষাকে ছিলেন।"

সুমিত্রা হাসেন,  " খেয়াল করেছো তাহলে,  হুম আজ একটু সামান্য রঙিন কিছু পড়লাম,  সবাই রাগ করে একেবারে সাদা পড়ি বলে। "

" না না বেশ ভালো মানিয়েছে,  আপনার বয়স এমন কিছু বেশী না.... এই বয়সে সব কিছুই পড়তে পারেন.... আফটার অল উ আর বিউটিফুল লেডি। "

খুশীতে সুমিত্রার গালে লাল আভা দেখা দেয়।  শাড়ীর নীচ দিয়ে ওনার ফর্সা তলপেট নাভি সমেত দেখা যাচ্ছে। সুমিত্রা পেটের কাছে শাড়িটা ধরে একটু টানে যাতে পলাশের নজরে পড়ে।  পলাশের চোখ আটকায় সুমিত্রার গর্সা তলপেট  আর তার মাঝে গভীর নাভিতে। একবার তাকিয়েই ও চোখ সরিয়ে নেয়।  আগের দিন সুমিত্রাকে বলতে গেলে পুরোই উদম করেছিলো,  আজ কি করবে সেটা ভাবতে লাগে।

" আমি কি এগুলো খুলবো?  " সুমিত্রা শাড়ীর আঁচল নামায়।

পলাশের বুকটা কেঁপে ওঠে।  ও আমতা আমতা করে বলে,  " হ্যাঁ...... ব্লাউজটা তো সরাতে হবে। "

সুমিত্রার ঠোঁটের কোনায় হাসি খেলে যায়।  উনি শাড়ির আঁচল নামিয়ে ব্লাউজের হুকে হাত রাখেন।  আগের দিন ব্লাউজ খোলার সময় একটু আড়াল করেছিলেন,  কিন্তু আজ আর ওর সেভাবে লজ্জা করছে না,  বরং সেই জায়গায় একটা এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে। উনি আঁচল নামিয়েই ব্লাউজ খুলতে যান। দুই হাত ছড়িয়ে ব্লাউজ খোলার চেষ্টা করতেই ওর ভারী ফর্সা বুক দুটো একেবারে পুর্ণিমার চাঁদের মত উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।  কোন রাখঢাক নেই সেখানে।  সোনার মত ফর্সা নিরাবরন শরীরে দুটি বাতাবী লেবুর সাইজের স্তন..... তাতে এখনো বার্ধক্যের কোন চিহ্ন নেই।  বরং যুবতী মেয়েদের মত তার চাকচিক্য। 

সুমিত্রা ব্লাউজ খুলতে খুলতে আড়চোখে পলাশের দিকে তাকান। পলাশ নিজের কাজ করার অজুহাতে ওর শরীরের দিকে খেয়াল করছে। সুমিত্রার মনে হলো পলাশ যেনো কোন সমস্যায় আছে।  সবই করছে কিন্তু কোথাও ওর মধ্যে সেই স্বতস্ফুর্ততাটা নেই। যেনো কোন গভীর মনোকষ্টে আছে ও। সুমিত্রা জানেন, যে ছেলেরা নিয়মিত যৌন সম্পর্ক করে তারা বেশ চনমনে থাকে।  দুই ধরনের সমস্যা ছেলেদের মানসিক কষ্টে রাখে.... ১) যারা ঠিকঠাক যৌনতায় অক্ষম, মানে শারিরীক সমস্যা আছে,  আর দুই, যারা চাইতেও সেক্স করতে পারে না।  পলাশে সমস্যা ঠিক কোনটা কে জানে? 

সুমিত্রা শাড়ীর গিঠ আলগা করে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ে। পলাশ ওর কাজ শুরু করে দেয়।  সুমিত্রার মনে হয় পলাশ আজ একটু বেশীই চুপচাপ।  কিন্তু পলাশের হাত পড়তেই সুমিত্রার শরীরের অদ্ভুত শিহরণ জাগতে শুরু করে।  স্নায়ুগুলো যেনো সজাগ হয়ে উঠছে।  তলপেট আর দুই বুকে শিরশিরে অনুভূতি জাগছে।  এইসব অনুভূতি গুলো সুমিত্রার অনেক চেনা।  উত্তেজনা জাগার লক্ষণ। এরপর যোনীরস ক্ষরণ শুরু হবে।  সুমিত্রা পেশীশক্ত করে ফেলে।


" তোমায় একটা কথা জিজ্ঞেস করবো?  " সুমিত্রা শুয়ে শুয়েই বলেন।

" হ্যাঁ করুন না " পলাশ পিঠে মাসাজ করতে করতে বলে।

"তোমায় দেখে মনে হচ্ছে কোন সমস্যায় আছো?  কি প্রবলেম জানতে পারি। "

" না না তেমন কিছু না.... " পলাশ জোর করে হাসে।

" আমার চোখ ফাঁকি দেএয়া সহজ না...... তোমার কোথাও কোন সমস্যা আছে। " সুমিত্রা জোরের সাথে বলে।

" না ম্যাডাম.... আমি ঠিক আছি। "

" সে না বলতেই পারো,  আমারই ঠিক হয়নি তোমার ব্যাক্তিগত কথা জিজ্ঞেস করা।" সুমিত্রা একটু হতাশার সুরে বলেন।

" ছি ছি.... এসব কি বলছেন আপনি... আসলে তেমন কিছু না.... তাই বলতে চাইছিলাম না। "

" এই তোমাদের দোষ জানো তো.... আমাদের কে খুব বুড়ো ভাবো বলে কিছু শেয়ার করতে চাও না.... কিন্তু আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক কাজ দিতে পারে। " সুমিত্রা মুখ টিপে হাসেন।  ঠিক দিকে এগোচ্ছেন উনি।

" না সেটা না..... আর আপনি তেমন বুড়িও নন... বারবার নিজেকে বুড়ী বলবেন না। "

" কি করে বুঝলে আমি এখনো বুড়ি হই নি? .... " সুমিত্রা ঘাড় ঘুরিয়ে তাকান।

পলাশ চুপ করে যায়।  ইশ কি বলবে এবার..... আগের দিন সুমিত্রার শরীরের গোপন অঙ্গ.... উত্তেজনায় ওর যোনীরসের ক্ষরন... এগুলোকি বলা যায় নাকি?  

" কি হলো বলো?  " সুমিত্রা অধৈর্য্য হন।

" কিছু না..... আপনাকে দেখে যে কেউ বলবে। " পলাশ কথা ঢাকার চেষ্টা করে।

" আহহ.... বলোই না,  আমি কিছু মনে করবো না..... সত্যি করে বলো। আমি যেমন বলছি তোমার এমন থাকার কারণ সেক্স এর ঘাটতি..... হয় তোমার জীবনে সেক্স নেই,  থাকলেও তোমার মন মতন পাচ্ছো না.... "

পলাশ চমকে ওঠে,  কি ডেঞ্জারাস মহিলা রে বাবা।  সত্যি সত্যিই তাই......বিদিশার সাথে মিলিত হয় না বহুদিন,  তা ছাড়াও ও নিজের পছন্দ অনুযায়ী সেক্স কোনদিন করতে পারে নি......।

" কি আমার কথা সত্যি তো?  " সুমিত্রা বলে ওঠেন।  পলাশ ওর কোমরের কাছে মালিশ করতে করতে থেমে যায়..... চুপ করে থাকে।

সুমিত্রা এবার উঠে বসেন। পলাশের দিকে ঘুরে যান।  ওর বুক পুরো আলগা।  দুটো স্তন একবারে অনাবৃত।  পলাশের ঠিক সামনে, হাত না বাড়িয়েও ধরা যায় .... পলাশের হার্টবীট বেড়ে যায়।  সুমিত্রা কি চায় ও বুঝতে পারছে না।

সুমিত্রার নিজেত নগ্নতা নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। উনি পলাশের মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলেন,  " আমি যে বুড়ি হই নি তার প্রমান কি জানো?  "

পলাশ ওর দিকে স্থির ভাবে তাকিয়ে। মুখে কোন আওয়াজ নেই।  সুমিত্রা কি বলতে চাইছে?  ও সরে যাবে কিনা ভাবছে।  সুমিত্রার বিশাল দুটো স্তন ওর চোখের সামনে।  তার বোঁটাগুলো একেবারে খাড়া হয়ে আছে।  পলাশের নিজের লিঙ্গও শক্ত কাঠ হয়ে আছে।  পলাশের জীভ লক লক করছে ওর স্তনের বোঁটা মুখে পোরার জন্য.....

সুমিত্রা ঠোঁট বেঁকিয়ে হেসে হঠাৎ করেই প্যান্টের উপর দিয়ে পলাশের পুরুষাঙ্গটা চেপে ধরেন..... পলাশ কিছু বোঝার আগেই ঘটে যায়। প্যান্টের উপর দিয়ে ওর পুরুষাঙ্গটা সুমিত্রা ঠিক ধরতে পেরেছে।  পলাশের শরীরে বিদুতের ঝকল খেলে যায়।  সুমিত্রা সজোরে সেটাকে চেপে ধরেন।

" এটাই বলে দিচ্ছে আমি বুড়ি হয়ে যাই নি..... " সুমিত্রা ফিসফিস করে বলেন,  " তোমার মত যুবকের টা কোন বুড়িকে দেখে এই অবস্থা হয়?  আগের দিন আমার পেছনটা দেখবে বলেই কাপড় নামাতে বলেছিলে না? সেদিনও তোমার এটা এমন হয়েছিলো..... তুমি ভেবেচো আমি টের পাই নি?  ঠিক টের পেয়েছিলাম  "

পলাশ ধরা পরে যাওয়া চোরের মত মাথা নীচু করে। সুমিত্রা ওর প্যান্ট ছেড়ে দিয়ে হেসে ওঠেন,  " শোন বাছা.... এসব ব্যাপারে আমার উপরে তোমার অভিজ্ঞতা নেই বুঝলে। "

পলাশ মুখ নীচু করে বলে,  " সরি ম্যাডাম...... আসলে..."

" আহা আমি কি সরি চেয়েছি? জানো দশ বছর পর আগের দিন তোমার ছোঁয়ায় আমার শরীরে কিছু হয়েছে.... পুরানো ভালোলাগাগুলো আবার ফিরে এসেছে....আমার শরীর এখনো সাড়া দেয় এর থেকে বড়ো আর কি হতে পারে? ....... সব তোমার জন্য.... "

পলাশ একেবারে বাকরুদ্ধ,  সুমিত্রার কথার উত্তরে ও কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না.... সুমিত্রা হেসে আবার শুয়ে পড়েন,  " নাও..... কাজ শেষ কর " কোমর থেকে শাড়ির আবরণ সরিয়ে দেন উনি। পলাশের সামনে উপুড় হয়ে থাকা সুমিত্রার সম্পূর্ণ আনাবৃত শরীর..... পলাশ কেমন যেনো সম্মোহিতের মত সব কিছু ভুলে ওর  দুই পাছায় হাত রাখে। সুমিত্রা কেঁপে ওঠেন থরথর করে।  কি করতে এসেছে সেই সব ভুলে যায় ও।

ওর মুখ নেমে আসে সুমিত্রার মাখনের মতো নরম পাছায়।  নিজের ঠোঁট রেখে চুমু খায়।  তারপর কামড় বসায় নরম মাংসের তালে......

" আহহ.... আসতে,  " সুমিত্রা ফিসফিস করে ওঠেন।  ওর গলাতেও কামের ছোঁয়া।  পলাশ পাগলের মত ওর নরম পাছা নিয়ে মেতে ওঠে।  এক অদ্ভুত স্বর্গীয় সুখ সুমিত্রাকে গ্রাস করে।  কি করছেন,  সব ভুলে গেছেন।  শুধু মন চাইছে পলাশ ওর পাছা নিয়ে খেলা করুক.... উনি দুই পা ঈষৎ ফাঁকা করে কোমর হালকা তুলে ধরেন।  পলাশ ওর থাই থেকে পাছার দাবনা..... ডলতে থাকে,  

দুই পাছার মাংস খামচে ধরে মাঝের ফুটোটা খুলে ধরে.... সুমিত্রার দুই থাই এর মাঝে যোনীর অংশ দেখা যাচ্ছে..... পলাশ মুখ ঢুকিয়ে দেয়।  জীভ বাড়িয়ে ডগা স্পর্শ করে সুমিত্রার যোনী।  হাতের থাবার মধ্যে ওর নরম পাছা খাবলে ধরে আছে..... সুমিত্রা উত্তেজনায় আরো তুলে ধরছে নিজের পশ্চাৎদেশ.....


পলাশের আর সহ্য হচ্ছে না।  ও নিজের দুই আঙুল দিয়ে সুমিত্রার যোনী ফাঁকা করে ধরে.... ফর্সা সুমিত্রার যোনী একেবারে গোলাপি।  একেই বোধহয় বলে পিঙ্ক পুসি..... বিদিশার যোনী হালকা কালো,  কিন্তু সুমিত্রার যোনীতে কোথাও দাগ নেই,  জায়গায় জায়গায় লাল হয়ে আছে।

সুমিত্রা বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। বিছানায় মুখ রেখে দুই কনুইতে ভর দিয়ে নিজের পাছাটা তুলে ধরেছে।  পলাশের আঙুল ওর দুই থাই এর মাঝখান দিয়ে রসে ভেজা যোনীতে বিলি কাটছে......


সুমিত্রা বুঝতে পারছে যতটা আনাড়ী ও পলাশকে ভেবেছিল ততটা আনাড়ী না।  পলাশের আঙুল কি সুন্দর ভাবে ওর পাছার থেকে যোনী খেলা করে বেড়াচ্ছে।  ছেলেটার হাতে যাদু আছে।  মাঝে এমন ডলা দিয়েছে যে ওর পাছার মাংস ব্যাথা হয়ে গেছে। কিন্তু দারুণ আরাম লেগেছে.....


ট্রিং.... ট্রিং....ট্রিং.....

কলিং বেল এর আওয়াজে চমলে ওঠে দুজনেই।  পলাশ তাড়াতাড়ি সরে আসে। সুমিত্রা কাপড় টেনে সগরীর ঢাকে।  

" মনে হচ্ছে মালতী এসে গেছে। " সুমিত্রার গলায় বিরক্তির সুর। পলাশ যেনো হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে...... ওর হাতের আনগুলে এখনো সুমিত্রার যোনীর রস লেগে আছে।  ইশ...... কিভাবে যে ও পা হড়কে গেলো,  সুমিত্রার এই আবেদন আর ওর সুপ্ত ইচ্ছা ওকে বাধ্য করেছে এটা করতে।  এখন লজ্জা লাগছে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো সুমিত্রার চোখে মুখে লজ্জার কোন চিহ্ন নেই।  নিজের শাড়ী ঠিক করে নিয়ে সুমিত্রা বলে.....

" তুমি বাথরুমে যাও..... চাইলে হালকা হয়ে নিতে পারো,  আমি তো তোমাকে কোন সাহায্য করতে পারলাম না। "
একটু বাঁকা হাসি হেসে সুমিত্রা উঠে দরজার দিকে এগিয়ে যান।  পলাশের কান মাথা ঝাঁ ঝাঁ করছে,  কি করলো ও?  এসব?  আজ সকালেই ও বীর্য্যপাত করেছে।  তাও এতো উত্তেজনা কিভাবে আসলো শরীরে?  সুমিত্রা কি যাদু জানে?  

পলাশ বেসিন থেকে হাত ভালো করে ধুয়ে আসে।  নিজের ব্যাগটা নিয়ে বাইরে আসে।  মালতী ফিরে এসেছে,  সুমিত্রা বলেন,  " একটু বোসো..... এক কাপ চা খেয়ে যাও। "

এখন সুমিত্রার মুখের দিকে চাইতেও লজ্জা লাগছে পলাশের।  ও কোন মতে বলে,  " আজ থাক.....আমাকে আর এক জায়গায় যেতে হবে,  কাল খাবো। "

সুমিত্রা একটু বিষণ্ণ হয়ে বলেন " চলে যাবে?  আচ্ছা যাও..... কাল এই সময়েই এসো..... আমি অপেক্ষায় থাকবো। "

পলাশ কোন উত্তর না দিয়ে বেরিয়ে আসে।

রাস্তায় বেরিয়ে একবার পিছনে তাকায়।  উফ.... কি জ্বালায় যে ও পড়লো,  সুমিত্রা এখন উপসী বাঘিনীর মত।  দীর্ঘ সময় পরে মাংসের স্বাদ পেয়েছেন।  ওকে থামানো মুশকিল..... কিন্তু পলাশ কি করবে?  অমন গতরবালা মহিলা যদি নিজে থেকে খুলে দেন তাহলে কি নিজেকে সামলানো যায়?  ওর শরীরের খাঁজ দেখেই তো মাল বেরিয়ে যাবে..... সেখানে উনি যদি এতো এগ্রেসিভ হন তাহলে তো পলাশের দফারফা.... না না,  কিছু একটা করতেই হবে....




বিছানায় আধশোয়া হয়ে নিজের ফোন খোলেন সুমিত্রা।  সোজা হোয়াটস এপ এ আসেন। আগে থেকেই টুকটাক মেসেজ করতে পারেন উনি।  পলাশের চ্যাট বক্স খোলেন.... পলাশ তিন মিনিট আগে এক্টিভ ছিলো। তার মানে এখনক ঘুমায় নি..

" কি করছো পলাশ?  "

কিছুক্ষণের অপেক্ষা। প্রায় ১ মিনিট বাদে পলাশের রিপ্লাই আসে,  " কিছু না..... কোন সমস্যা?  "

" না এমনি..... কাল আসছো তো?  "

" হ্যাঁ হ্যাঁ যাবো..... আর দুই দিন করলেই হবে। "

" আচ্ছা একটা কথা বলবে?  "

" বলুন "

" তোমার কি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক হয় না?  "

পলাশ চুপ থাকে কিছুক্ষন।  তারপর লেখে,  " না.... এই বিষয়ে আমি বেশী কথা বলতে চাই না। "

" আচ্ছা আচ্ছা.......আমাকে বন্ধু ভেবো,  তোমার থেকে বড়ো বলে লজ্জার কিছু নেই..... বুঝলে? "

" হুম "

" আর শোন...... আমি তোমার ওটা আজ অনুভব করেছি.......ইম্প্রেসিভ..... গুড সাইজ....হা হা হা। "

পলাশে আবার লজ্জা লাগে,  সুমিত্রা কি পুরো ক্ষেপে গেছেন?  ওর সাথে কি সেক্স চ্যাট করতে চাইছেন?  নাকি সত্যি সত্যি ওকে হেল্প করতে চাইছেন...

" কি হলো থেমে গেলে যে?  আচ্ছা থাক..... বাড়িতে আছ... ঘুমাও। "

পলাশ যেনো হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচে।  ও জানে সুমিত্রার মোহমায়ায় পড়ে গেলে আর উঠতে পারবে না.... শুধু লেখে,  " হুম..... গুড নাইট। "

" গুড নাইট। " সুমিত্রা রেখে দেন।  নিজেকে কেমন চনমনে লাগছে ওনার।  মনেই হচ্ছে না বয়স ৪৯.... মনে হচ্ছে আজও উনি ২৫ এর যুবতী মেয়ে....।


ঘুম আসছিলো না সুমিত্রার। শরীরটা গরম হয়ে আছে। উনি উঠে দরজা খুলে বাথরুমের দিকে আসেন।  ডায়নিং এর মধ্যে দিয়ে বাথরুম যেতে হয়।  বাথরুমের দিকে যেতে গিয়ে হঠাৎ একটা চাপা স্বরের গোঙানি ওনার কানে আসে।  একটা মেয়ের গলা।  এই গলা সুমিত্রার বেশ ভালোই চেনা।  মেয়েরা কখন এমন আওয়াজ করে সেটা উনি ভালোই জানেন।  কিন্তু আওয়াজটা কোথা থেকে আসছে বুঝতে চেষ্টা করেন।  ওনার মনে পড়ে যায় চন্দ্রিমা আজ সন্ধ্যার পরেই বাপের বাড়ি চলে গেছে।  বাড়িতে মেয়ে বলতে একমাত্র মালতী.... তাহলে কি মালতী কাউকে নিয়ে এসেছে ঘরে?  


সুমিত্রা কান খাড়া করেন।  বুঝতে পারেন যে আওয়াজটা ছাদের দিক থেকে আসছে।  উনি পা টিপে টিপে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকেন।  যত উপরে উঠছেন আওয়াজটা তত জোরালো হচ্ছে.... " আঁহ.... আঁহ.... আঁহ....." সেই সাথে এক পুরুষের জোরালো শ্বাসের আওয়াজ।

সুমিত্রা দেখেন সিঁড়ির ঘরের দরজা হাট করে খোলা।  সন্তর্পনে দরজার আড়াল থেকে উনি মুখ বাড়ান।  আবছা আলোয় ছাদের পুরোটাই দেখে যাচ্ছে।  সন্ধ্যায় বসার জন্য সেখানে চারটে চেয়ার আর টেবিল রাখা আছে।  তারই একটা চেয়ারে একটা মেয়ে,  সম্পূর্ণ উলঙ্গ বসে আছে.... ওর দুই পা উঁচুতে তুলে দুই দিকে ছড়ানো,  আর দুই পায়ের মাঝে একটা নগ্ন পুরুষ শরীর,  পুরুষটা প্রবল ভাবে নিজের কোমর দোলাচ্ছে,  তার দুই হাত মেয়েটার কাঁধ ধরে রেখেছে।

সুমিত্রার পায়ের তলায় মাটি সরে যাওয়ার উপক্রম হয়।  এরা দুজন আর কেউ না..... ওর ছেলে শোভন আর মালতী। মালতী নিজের দুই হাতে সগোভনের কোমর জড়িয়ে রেখেছে।

বোঝাই যাচ্ছে যে মালতীর যোনীপথ প্রবল আর্দ্র।  সেখান থেকে জোরালো পচ পচ আওয়াজ উঠছে।  মালতী আরামে আকাশের দিকে মুখ রেখে শীৎকার দিচ্ছে।  

শোভন এবার মুখ নীচে করে মালতীর ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়।  ওর কোমর কয়েকটা জোরালো ধাক্কা মেরে মালতীর দুই পায়ের মাঝে ঠেসে ধরে..... শোভন বীর্য্যপাত করলো।

সুমিত্রা স্থানুর মত দাঁড়িয়ে থাকেন।  মালতী ওইভাবেই শোভনকে জড়িয়ে ধরে আদুরে গলায় বলে,  " ভালো লেগেছে তোমার?  "

শোভন ওর গাল টিপে দেয়,  " দারুণ সোনা। "

" তোমার বৌটা বাপের বাড়ি যায়ই না..... কতদিন পরে হলো বলো,  আমার আর আঙুল দিয়ে করতে ভালো লাগে না। " মালতী ন্যাকা ন্যাকা গলায় বলে।

" দাঁড়াও....এরপর আমি পার্মানেন্ট কলকাতায় থাকবো,  তখন তুমি মাঝে মাঝে চলে যাবে। "

" আর কতদিন এভাবে করবো আমরা?  একসাথে থাকবো না নাকি?  " মালতীর গলায় ঝাঝ।

শোভন ওকে ছেড়ে সরে আসে। শোভনের ঝুলন্ত লিঙ্গটা অন্ধকারেও বোঝা যাচ্ছে।  ও সেটাকে ঝাঁকিয়ে তারপর মালতীর কাপড়ে মুছে বলে, " আর কদিন অপেক্ষা করো...... ও এমনিই পালাবে। "

" হ্যাঁ.... পেট বেধে গেলে?  "

" বাধবে না..... প্রতিবার করার পর আমি ওকে জুসের সাথে এমার্জেন্সি পিল খাইয়ে দিই.... ও এখনো বুঝতে পারে নি....ও ভাবছে আমার সমস্যা আছে.... হা হা হা। "

" ধুস.... তোমার কথা আমি বিশ্বাস করি না,  সত্যি সত্যি তোমার সমস্যা নেই তো?  " মালতী সন্দেহ প্রকাশ করে, " আমাকেও তো চার বছর ধরে করছো,  এখনো পেট বাধলো না একবারো। "


শোভন রেগে যায়,  " চুপ কর..... আমি ঠিক আছি, যা শুয়ে পড়.... কাল আবার চলে আসবি,  চন্দ্রিমা কালকেও আসবে না। "

মালতী শায়া আর ব্লাউজ পড়তে থাকে।  সুমিত্রা আর না দাঁড়িয়ে তাড়াতাড়ি নেমে চলে আসেন নিজের ঘরে।  ধপ করে বিছানায় বসে পড়েন,  কি সর্বনাশ..... শেষে খোকা কিনা এতো সুন্দর বৌ ছেড়ে কাজের মেয়ের সাথে?  তাকে আবার বিয়ে করার প্লান করছে চন্দ্রিমাকে তাড়িয়ে?  ছি ছি ছি..... এলাকায় মুখ দেখাবে ন কি করে উনি?
Reply
#5

( পর্ব-৫) 



সকালে ঘুম থেকে উঠেই সুমিত্রা তার একমাত্র বোন সুনেত্রাকে ফোন লাগান।  কাল রাতের ঘটনা ওনার চোখের উপর ভাসছে।  উফফফ....কি সাংঘাতিক কাণ্ড,  খোকা শেষে কিনা কাজের মেয়েকে তার অজান্তে... ছি ছি।

দুবার রিং হওয়ার পর ওপাশে সুনেত্রা ফোন ধরেন। ঘুম ভাঙা জড়ানো গলা, " কিরে এতো সকালে... খারাপ না ভালো খবর?  "

সুমিত্রা এদিক ওদিক তাকিয়ে চাপা স্বরে বলেন, " খুব খারাপ খবর রে মনি। "

হাই তুলে বলেন,  " শুনি.... কতটা খারাপ খবর। " সুনেত্রা ক্যাসুয়ালি বলে।

" আহহ....তুই না একটুও সিরিয়াস হোস না.... এদিকে আমার জীবন শেষ হয়ে গেলো। " সুমিত্রা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

" সেতো জামাইবাবুর মরার পরেই হয়ে গেছে,  তুই সতী সতী সাবিত্রী হয়ে একেবারে সাদা থান নিলি.... লাগানো টাগানো ছেড়ে দিলে জীবনের আর কি থাকে দিদি?  আমি এই পঁয়তাল্লিশেও ফুল এঞ্জয় করছি। " সুনেত্রা হেসে ফেলে।

" উফফ....শোনই না আমার কথাটা,  ওসব পরে হচ্ছে। "

" আচ্ছা... বল। " সুনেত্রা চুপ করেন।

সুনেত্রা একটু দম নিয়ে নেন,  তারপর গলাতে যতটা পারা যায় অসহায়তা এনে কাল রাতের ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খ বলে যান।  সবটা শুনে ওপাশে সুনেত্রা চুপ করে থাকেন।

" কিরে চুপ করে আছিস যে?  কিছু বল। " সুমিত্রা তাড়া দেন। 

সুনেত্রার ঘুম কেটে গেছে এই রসালো খবর শুনে।  ও গলা খাকরী দিয়ে বলে, " দেখ.... দেখতে গেলে এর জন্য তুইই দায়ী,  বাড়িতে অবিবাহিত ছেলে থাকতে তখন তুই ওমন যুবতী মাগীকে কাজে নিলি..... আমার কাছে একবার শুনলিও না। "

" সেতো ভুল হয়েছে বুজতেই পারচি...এখন ওসব দোষারোপ ছাড় মনি,  কি করবো সেটা বল। "

" দাঁড়া.... দাঁড়া.... এসব ব্যাপারে তাড়াতাড়ি কিছু ভাবা জায় না, আগে ভালো করে সব বুঝে নিতে হবে"

সুমিত্রা অসহায়ের মত বলেন,  " কিন্তু আমার তো ঘুম হবে না রে...... "

" দূর.....এসব এখন জলভাত,  তুই ছাড়.... আমার উপর ছেড়ে দে, আমি ঠিক ম্যানেজ করে নেবো..... খোকার সাথে কথা বলতে হবে। " সুনেত্রার স্বরে কোন উদ্বেগ নেই।

সুমিত্রা সুনেত্রাকে ভালো করেই চেনেন।  সুনেত্রা যখন একবার কথা দিয়েছে তখন এর হাল ও ঠিক বের করবেই।  পুলিশের বৌ বলে কথা।  সুমিত্রা নাক দিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস পড়ে,  " বাবা.... বাঁচালী তুই....তাহলে কি মালতিকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেবো?  "


" না৷ না.... এখন না,  আপাতত ওকে দুই তিন দিনের ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দে... "

" সেতো এখনি দিচ্ছি.... বলবো যে আমি তোর বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছি। "

" হ্যাঁ হ্যাঁ.... তাই বল। " সুনেত্রা আবার হাই তোলেন।

সুনেত্রা একটু দোনামোনা করে বলেন,  " শোন না.... আর একটা কথা ছিলো...। "

" বলে ফেল... "

সুমিত্রা একটু লজ্জা লজ্জা করে গত দুই দিনে পলাশের সাথে ঘটা সবটা বলে ফেলেন।

সুনেত্রা লাফিয়ে ওঠেন,  " বলিস কি দিদি? শেষে উপস ভাঙলি তাহলে?  আমি তো কবেই বলেছি তোকে.... তোর যা চেহারা ছেলেরা লাইন দেবে এই বয়সেও... তুই জামাইবাবুর বাঁড়ার দু:খ বুকে আগলে সন্ন্যাসিনী হয়ে বসে ছিলি... হা হা হা। "

সুমিত্রা লজ্জায় লাল হয়ে যান,  " যাহহ.... কি যে বলিস... "

সুনেত্রা একটু গম্ভীর হয়ে বলেন,  " দেখ তোর একটু ভুল হচ্ছে..... তুই খুব তাড়াতাড়ি নিজেকে খুলে দিয়েছিস.... এতে ও তোকে খেলো ভাববে,  এই সব ছেলেদের ভালো করে ছিপে খেলাতে হয়.... একেবারে গোলাম বানিয়ে রাখবি..... আগেই লাগাতে দিয়ে দিলে এরপর আর ধরে রাখতে পারবি না বুঝলি?  "

সুমিত্রা একটু হতাশ হন,  " আসলে ও টাচ করলেই তো আমার আর নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রন থাকে না..... ইচ্ছা করে.... "

" তাও সামলা নিজেকে..... আস্তে আস্তে অজগরের মত ওকে গ্রাস করবি..... খেলাবি কিন্তু চাবুকও তোর হাতে থাকবে। "


সুমিত্রা কিছুই বুঝলেন না,  শুধু এটুকু বুঝলেন যে এখনি পলাশের সাথে কিছু করার সময় আসে নি....ব্যাটাকে আগে ভালো করে পরখ করতে হবে। তারপর যা করার....


ঘরের বাইরে এসে দেখেন মালতী ঘরের কাজ করছে।  মুখটা বেশ খুশী খুশী।  দেখেই গা জ্বলে গেলো সুমিত্রার

" এই মালতী.... " সুমিত্রা ডেকে ওঠেন।

মালতী টেবিল মুছছিলো... ডাক শুনে ঘুরে তাকায়,  " কি হলো?  "

" বলছি.... আমি দুদিন থাকবো না,  তুই যা বাড়ি থেকে ঘুরে আয়। "

মালতীর ভ্রু কুঁচকে যায়,  " কোথায় যাবে?  "

সুমিত্রা তেঁতে ওঠেন, " তোকে সব জানাতে হবে নাকি?  আমি বোনের বাড়ি যাবো..... বৌমা ফিরলে আসিস। "

মালতী একটু চুপসে যায়।  মুখটা গম্ভীর করে বলে, " সকালের খাবারটা করে যাবো?  নাকি করবো না। "

" করেই যা.... খোকা আবার বেরোবে তো। "

মালতী গম্ভীর মুখে রান্না ঘরের দিকে চলে যায়।  সুমিত্রা ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকেন।  সুনেত্রা খারাপ কিছু বলে নি।  মালতীর বয়স মেরেকেটে সাতাশ আঠাস.... শরীরের বাঁধুনি ভালো,  কালো হলেও চেহারার মধ্যে একটা চাকচিক্য আছে।  এমন মেয়েকে কাজে না নিলেই ভালো হতো। বৌমা জানতে পারলে এই কথা কোথায় কতদূর যাবে কে জানে?  পাড়ায় মানসম্মান থাকবে না আর।


ঠিক এগারোটা বাজতে দশ মিনিট আগে পলাশ সুমিত্রার বাড়ির বেল বাজায়।  কাল রাতে সুমিত্রার কথায় পুরোপুরি অবৈধ সম্পর্কের আভাষ ছিলো। যদিও পলাশের এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা একেবারেই নেই,  তবুও সুমিত্রা কি চাইছে সেটা বুঝতে খুব একটা অসুবিধা হচ্ছেনা।  মাত্র দুই দিনে ওদের মধ্যে গোপনীয়তার দেওয়াল অনেকটাই ভেঙে গেছে।  কাল রাতে ও ভেবেছিলো আর আসবে না এখানে।  একটা বিকৃত যৌন সম্পর্ক তৈরী করার দরকার নেই।  এতোটা নীচে ও নামতে চায় না..... কাল যা হয়ে গেছে সেটা অনেক বাড়াবাড়ি।  ও বা সুমিত্রা দুজনের কেউই নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। তাই সুমিত্রার কাছে আর না।
কিন্তু সকাল হতেই  সুমিত্রার শরীর যেনো ওকে চুমবকের মত টানতে থাকে। সুমিত্রার নধর শরীরের আকর্ষন ও আর উপেক্ষা করতে পারলো না...... আসবো না না করেও শেষে চলেই আসে।

বেল বাজানোর একটু পরেই সুমিত্রা দরজা খুলে দেন। প্রতিদিন যেনো সুমিত্রাকে নতুন করে দেখছে ও। কাল এক ভাবে ছিলো..... আজ আর এক ভাবে।  পলাশ চোখ পড়তেই কিছু সময়ের জন্য থেমে গেলো....

আজ সুমিত্রার শরীরে শুধুই শাড়ী। ব্লাউজ বা পেটিকোটের কোন অস্তিত্ব নেই।  সাদা সরু পাড় সিল্কের শাড়ী পরা।  শাড়িটা অনেকটা স্বচ্ছ্ব।  বুকের উপর দিয়ে পিছনে ঘুরিয়ে কোমরের কাছে গোঁজা।  তাতে ওর স্তন আর স্তনের বোঁটা একেবারে স্পষ্টভাবে জেগে উঠেছে।  স্তনের উজ্জ্বল রঙও শাড়ির ভিতর দিয়ে বোঝা যাচ্ছে। বিশেষত বোঁটার চারপাশের গাঢ় রঙের সার্কেলটা।  উনি হাত তুলতেই ক্লীন শেভ বগল আর স্তনের পাশ বেরিয়ে পড়ে।  পলাশের শরীরে শিরশির করা শুরু হয়ে যায়।  উলঙ্গ অবস্থার থেকেও এমন অর্ধোলঙ্গ অবস্থা যেনো আরো বেশী কাম জাগিয়ে তোলে।   সুমিত্রার শররীর ওকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে....... আধা স্বচ্ছ কাপড়ের আড়ালে গোপন অঙ্গের হাতছানি.... পলাশের ইন্দ্রিয়গুলো সজাগ হয়ে ওঠে।


আজ সুমিত্রা আর হাসিমুখে অভ্য্র্থনা জানালেন না।  শুধু একটু গম্ভীর হয়ে বললেন,  " ভিতরে এসো। "

পলাশ ব্যাগ হাতে সোজা ওনার বেডরুমে এসে উপস্থিত হয়। বাড়িতে যে কেউ নেই সেটা বোঝাই যাচ্ছে।  পলাশ যেনো ভেবেই রেখেছে যে আজ ওদের পুরো আবরণ উঠে যাবে..... সুমিত্রা পুরোপুরি পলাশের কাছে নিজেকে সঁপে দেবেন।  এই বিশ্বাসেই ও আজ অনেকটা উজ্জীবিত..... আজ লজ্জাও অনেকটাই কম লাগছে,  শুধু অপেক্ষা কতক্ষণে সুমিত্রা ওর সামনে ওর শরীরের আবরণ উন্মচন করবেন।


সুমিত্রা ঘরে এসে দেখেন পলাশ নিজের জিনিসপত্র বের করছেন।  ওর মুখে বাঁকা হাসি খেলে যায়,  মনি খারাপ কিছু বলে নি,  এইসব ছেলেদের নিজে থেকে সঁপে দিলে এরা তার মর্ম বুঝবে না.... এদের ছিপে কর খেলাতে হবে।  সুমিত্রা যখন বন্ধুর মত মিশতে চেয়েছে তখন অহঙ্কার দেখিয়ে গেছে..... এবার গোলামের মতই করা উচিত.....

" চা খাবে পলাশ?  "

পলাশ চোখ উঁচিয়ে তাকায়,  " না.... আপনি রেডি?  "

সুমিত্রা ঠোঁটের কোনায় হাসি নিয়ে বলেন,  " হুঁ "

উনি আঁচলটা সরিয়ে গা আলগা করেন, তারপর শুয়ে পড়েন। কোমরের শাড়ী সেভাবেই থাকে।  পলাশ আগের দিন অনেক দূর এগিয়েছিলো..... আজকে ওর আর সেভাবে ভয় করছে না..... সুমিত্রার খোলা ঢেউ খেলানো পিঠ..... উত্তল নিতম্ব.... ওর অন্দরের কামনার প্রদীপে আগুন  লাগতে দেরী হয় না...

পিঠে মাসাজ দিতে দিতে ও নিচের দিকে নামতে থাকে।  সুমিত্রার শরীরেও ঝড় উঠে যাচ্ছে।  ইচ্ছা হচ্ছে সব খুলে ফেলে পলাশকে জড়িয়ে ধরেন,, কিন্তু অতি কষ্টে উনি নিজের ভাব প্রকাশ না করে শুয়ে থাকেন....


পলাশ গত দিনের মতই সুমিত্রার পাছার কাছে এসে ওর কাপড় সরিয়ে দেয়।  আগে থেকেই উত্তেজনায় কাঁপছিলো ও।  প্যান্টের ভিতরে ওর পুরুষাঙ্গ অপ্রতিরোধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে....

আজ আর অপেক্ষা না করেই সুমিত্রার নরম মাংসে কামড় বসায় ও.... দুই আঙুল ঢুকিয়ে দেয় সুমিত্রার যোনীর ভিতরে..... আজও হালকা রসে ভেজা।  একটা সুন্দর শব্দ করে আঙুলটা ভিতরে ঢুকে যায়,  পলাশের মনে হয় গরম কিছুর মধ্যে আঙুল দিলো ও....

কিন্তু ওকে অবাক করে দিয়ে সুমিত্রা এক ধাক্কা মেরে উঠে বসেন..... ওর চোখে মুখের ভাব একেবারেই আলাদা।  আগের দুই দিন সেখানে কাম,  বিহ্বলতা ছিলো.... আজকে যেনো সেখানে অন্যকিছু....

ও কিছুই বুঝতে না পেরে হতবাক হয়ে যায়...

" কি উদ্দেশ্য কি তোমার?  আমাকে ফিজিও থেরাপি দেওয়ার নামে এগুলো কি করছ তুমি? " সুমিত্রা চোখমুখের মধ্যে একটা তীব্র রাগ....

পলাশ সুমিত্রার এই আকস্মিক পরিবর্তনে হতবাক।  ও কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না।  ও অত্যন্ত অন্যায় করেছে এটা ঠিক,  কিন্তু সেটা সুমিত্রারই ইশারায়... এখন শুধু ওকে দোষ দিচ্ছে?  কি ফাঁসা ফেঁসে গেলো ও?  ভয়ে বুক শুকিয়ে আসে ওর। এই কথা বিদিশার কানে গেলে বা বাইরে গেলে পলাশের বারোটা বেজে যাবে...

ও আমতা আমতা করতে থাকে।

সুমিত্রা বুকের উপরে কাপড়টা জড়িয়ে উঠে দাঁড়ান।  তারপর ব্যাঙ্গ ভরা গলায় বলেন,  " কি ভাবো নিজেকে?  মহাপুরুষ? .... "

" না.... মানে,  কি বলছেন আপনি?  " পলাশও উঠে দাঁড়ায়....

সুমিত্রা বেশ মজা পাচ্ছেন পলাশকে দেখে।  এতোদিন খেলাটা একটু একঘেঁয়ে ছিলো,  আজ বেশ রোমাঞ্চকর লাগছে। ছেলেদের এমন অসহায়ের মত দেখার মধ্যে একটা আলাদা সুখ আছে।  এটা এতোদিন জানতেন না।

" কই দেখি?  কত বড়ো পুরুষ তুমি?  " উনি পলাশের প্যান্টের দিকে ইশারা করেন।

পলাশের কান মাথা ঝাঁ ঝাঁ করছে৷ ও তার মধ্যেই বলে,  " মানে?  "

" মানে তোমার সব খোলো..... জামা প্যান্ট সব....আমার অসহায়তার সুযোগ নিতে পারো আর আমি পারি না?  "

" প্লীজ ম্যাডাম.... আমি ভেবেছিলাম আপনিও এটাই চান। " পলাশ অসহায়ের মত বলে।

" তাই?  আমিও চাই?  আমার শরীর খেলনা?  এর কোন দাম নেই?  যখন ইচ্ছা আমার ওখানে হাত দিয়ে দেওয়া যায়?  যখন ইচ্ছা আমার পাছা নিয়ে খেলা করা যায়...?  "

" সরি ম্যাডাম..... আমি চলে যাচ্ছি, আর আসবো না। " পলাশ ব্যাগের দিকে হাত বাড়ায়।

" থামো,  আমি বললে তবে যাবে..... আগে জামা প্যান্ট খোলো.... নিজের পুরুষত্ত দেখাও। " সুমিত্রা ঝাঁঝিয়ে ওঠেন।

পলাশ তাও চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। এতোদিন ভালো থেকে সামান্য ভুলের বশে ও যে কি করে ফেললো সেটা ভেবেই পস্তাচ্ছে। 

" কি হলো? ..... চুপ করে থাকলে কিন্তু এর ফল ভালো হবে না..... আমি যা বলছি সেটা কর। " সুমিত্রা দাঁতে দাঁত চেপে বলেন।

অসহায়ের মত পলাশ নিজের জামার বোতামে হাত রাখে৷ উত্তেজনা সব কখন মরে গেছে। সুমিত্রা এক দৃষ্টে ওর বস্ত্রহরণ দেখছেন। জামা, স্যান্ডো গেঞ্জি, প্যান্টের পর জাঙিয়াটাও নামিয়ে আনে পলাশ।  একেবারে উলঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।  সুমিত্রার প্রবল হাসি পেলেও চুপ করে আছেন৷ পলাশের লিঙ্গ একেবারে নেংটি ইঁদুরের মত কুঁকড়ে আছে ভয়ে।  সেটা দেখে ওনার হাসি পাচ্ছে আরো।

সুমিত্রা এগিয়ে আসেন।  ডান হাত দিয়ে পলাশের নরম ছোট্ট লিঙ্গ হাতে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করেন...

" হা হা হা..... এই তোমার পুরুষত্ত্ব?  বিক্রম সব শেষ?  "

পলাশের লজ্জায় গাল লাল হয়ে আছে,  এভাবে অপমানিত হতে হবে সেটা ভাবে নি।  সুমিত্রা ওর একেবারে ছোট হয়ে আসা  লিঙ্গের চামড়া টেনে নাড়াচাড়া করছেন।  ওর কোমল হাতের স্পর্শেও জাগছে না ও।  শরীর দিয়ে আগুন বেরোচ্ছে...

সুমিত্রা ঘর কাঁপিয়ে হেসে ওঠেন।  তারপর একটু পিছনে সরে নিজের মোবাইল তুলে নেন।  পলাশ কিছু বোঝার আগেই ওর এই অবস্থার কয়েকটা ছবি তুলে নেন মোবাইলে।

পলাশ ঝাঁপিয়ে পড়ে ওর পায়ের কাছে,  " প্লীজ ম্যাডাম.... ছবি গুলো ডিলিট করে দিন....প্লীজ... "

একঘেঁয়ে জীবন কাটানো সুমিত্রা যেনো এক দারুণ এডভেঞ্চারের সুযোগ পেয়েছেন।  এতো মজা জানলে উনি আগেই এই মজা নিতেন.... উফফফফ.... কি যে ভালো লাগছে,  বেচারা পলাশ উলঙ্গ অসহায়ের মত ওর পায়ে ধরছে.....

সুমিত্রা মোবাইলটা বন্ধ করে বিছানায় ছুঁড়ে ফেলেন।  তারপর পলাশকে দুই হাতে তুলে দাঁড় করান.... মূহুর্তের মধ্যে নিজের মুখের ভাব পালটে ফেলেন,  কামঘন গলায় পলাশের দুই চোখের দিকে তাকিয়ে এক হাতে ওর শিথিল লিঙ্গ ধরে বলেন,

" ভয় পাচ্ছো কেনো?  আমি তো মজা করছিলাম..... মজাও বোঝ না?  "

পলাশের কিছু বিশ্বাস হচ্ছে না,  ও কাকুতি করে,  " সরি ম্যাডাম.... ভুল হয়ে গেছে,  এবার ছেড়ে দিন..... আপনার বাড়িতে আর আসবো না। "

সুমিত্রা পলাশের রোমশ বুকে মুখ ঘষেন,  ওর বুক পলাশের বুকের সাথে লাগিয়ে লিঙ্গটা শক্ত হাতে চেপে ধরে বলেন,  " ছি : এমন বলে না.... তুমি না আসলে আমার সাথে খেলবে কে?  তোমাকেই তো খেলতে হবে.... "

পলাশ তাও নিজের কথা বলেই যায়।  সুমিত্রা এবার ধমক দেন.... " আহহহ....চুপ করো তো,  এইটুকুতে কেঁদে কেটে ফেললে হবে?  আমি কাউকে কিছুই জানাচ্ছি না..... তোমার সাথে জাস্ট একটু মজা করছিলাম... "

সুমিত্রার হাবভাব পাল্টাতে দেখে পলাশ সামান্য স্বস্তি পেলেও এখনো পুরোপুরি বিশ্বাস করে উঠতে পারছে না সুমিত্রাকে.....

সুমিত্রা হেসে ফেলেন,  " বাবা এখনো তো ভয়ে কুঁকড়ে আছো... দাঁড়াও,  যাকে আমি ভয় পাইয়েছি, তাকে আমিই জাগাচ্ছি... "

পলাশের সামনে হাঁটু গেড়ে বসেন উনি। তারপর অবাক করে দিয়ে ওর নরম ছোট্ট লিঙ্গটা মুখে নিয়ে চুষতে থাকেন।  ভয় কেটে গিয়ে এবার পলাশেরও একটু একটু করে আবার শরীর গরম হতে শুরু করেছে।  উফফ.... সুমিত্রা যে এতো বড়ো মজা করবেন ওর সাথে একেবারেই ভাবে নি ও।  এখন ওকে দারুণ লাগছে..... পলাশের লিঙ্গ সুমিত্রার গরম লালায় উজ্জীবিত হয়ে উঠছে।  সুমিত্রা যে এইসব ব্যাপারে দারুণ অভিজ্ঞ সেটা ওর ব্লো জব এর ধরণ দেখেই বোঝা যাচ্ছে।  পলাশের লিঙ্গের গোড়া মুঠোতে চেপে ধরে অদ্ভুত কায়দায় ওর মুন্ডিটাকে চূষে আর চেটে দিচ্ছেন....


মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পলাশের ছোট্ট লিঙ্গটা ফুলে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি হয়ে যায়.... বেশ মোটাও ওরটা...

সুমিত্রা সেটাকে মুখ থেকে বের করে প্রশংশার চোখে দেখেন। একেবারে ওর বরের টার মতই... বেশ মোটা,  আর মাথাটা যেনো ছোট খাটো বলের মত.... সুমিত্রা ওর লিঙ্গের মাথায় চুক করে একটা চুমু খান...

পলাশের ইচ্ছা করছে সুমিত্রার মুখে ঠাপ দিতে,, নিজের সব মাল ওর মুখে ঢেলে দিতে,, কিন্তু নিজে থেকে আর এগোতে সাহস পাচ্ছে না,  আবার যদি সুমিত্রার মুড পালটে যায়?  


সুমিত্রা ওকে ছেড়ে দিয়ে উঠে বিছানায় গা এলিয়ে দেন। পলাশ কিছু না বুঝে ওই ভাবেই হাঁ করে দাঁড়িয়ে থাকে...

" কি হলো?  হাঁ করে আছো কেনো?  আমি একাই খাটবো আর তুমি সুখ নেবে? ..... " নিকের গায়ের থেকে কাপড় সরিয়ে নধর বাতাবি লেবুর মত স্তনজোড়া বের করেন....

পলাশ একটু দোনোমনো করে নগ্ন শরীরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে সুমিত্রার উপর৷ দুটো স্তন দুই হাতের থাবার ভরে গায়ের জোরে চাপতে থাকে... সুমিত্রা কঁকয়ে ওঠেন..

" উফফফ.... বাবাগো, এভাবে কেই করে?  একেবারে আনাড়ী তুমি..... থামো। "

পলাশ আবার চুপ করে যায়... উঠতে যাবে তখনি সুমিত্রা ওকে টেনে নিজের বুকে ফেলেন... " আমি যেমন জীভ দিতে তোমার নুনুকে আদর করলাম,  তুমিও তাই করো... " সুমিত্রার স্তনে মারাত্বক সেক্স।  পলাশ বুঝতে পেরে লজ্জা পায়।  সুমিত্রার স্তন নরম আর একটু শিথিল হয়ে গেছে।  কিন্তু তার গ্ল্যামার এখনো বজায় আছে।  শক্ত মটর দানার মত বোঁটা পলাশ মুখে নিয়ে জীভের ডগাতে ঘোরাতে থাকে,  অপর স্তনের বোঁটার চারিপাশে আঙুল দিয়ে বৃত্ত কাটে...


" এই তো শিখে গেছো দারুণ.... উফফফ.... আহহহ... " সুমিত্রা গলার স্বর চড়ান।

পলাশ একেবারে বাচ্চা ছেলের মায়ের দুধ খাওয়ার মত করে সুমিত্রার বোঁটা নিয়ে মেতে ওঠে খেলায়।  সুমিত্রা আরামের চীটে শীৎকার করছেন আর পলাশের মাথার চুলে বিলি কাটছেন।


পালটা পালটি করে সুমিত্রার দুটো স্তন নিয়েই দীর্ঘ সময় খেলা করে ও।  এদিকে ওর নিজের অবস্থা করুণ.... লিঙ্গ ফুঁসছে.... সুমিত্রা কি আজ সম্পূর্ণ সেক্স করবেন?  পলাশ ধন্দে আছে।  ওর নরম পিছল মাংসল যোনীতে না ঢুকতে পারলে ভালো লাগছে না.... আর কত অপেক্ষা করবে?  


পলাশ সুমিত্রার বুক থেকে পেটে নেমে আসে।  নরম পেটে নাভির চারিপাশে জীভ বোলায়.... চাটতে থাকে নাভির গর্ত..... কিন্তু লক্ষ্য ওর আরো নীচে.... দুই থাই এর মাঝখানে.... সর্পিল সুড়ঙ্গে...


ও বুঝতে পারছে যে সুমিত্রা এখন আর স্বজ্ঞানে নেই,  ও আলতো করে কোমরের কাপড়ের গিঁঠ খুলে ফেলে,  কাপড়টা এক পাশে সরিয়ে দিতেই ওর জানুসন্ধির ফর্সা ত্রিকোন স্বর্গ উন্মোচিত হয়।  সেখানে পাতলা হালকা বাদামী কেশ এ ঢাকা... একেবারে ফোলা ফোলা পাউরুটির মত যোনী... মাঝখানে গভীর চেরা দাগ.... কোন পঞ্চাশের মহিলার যোনী এর আগে দেখে নি ও, তবে বিদিশার থেকে অনেক রূপসী সুমিত্রার গোপন গুহা..


সুমিত্রা চুপ করে গোঙাচ্ছে দেখে ও নরম কেকে কামড় বসায়... উফফ... একটা নোনতা সোঁদা স্বাদ,  জীভে লাগতেই কেমন চনমনে লাগে...


সুমিত্রা দুই চোখ বুজে আছেন,  পলাশ ওর যোনীতে মুখ রাখতেই শীৎকার দিয়ে ওঠেন উনি।

" আহহহহহ.....মাগো... উফফ "

পলাশ মনের সুখে সুমিত্রার যোণিরস চেটে যায়,  সেই সাথে ওর ক্লিট আর পাপড়ি গুলোও দাঁতে কাটে...

দুই আঙুলে যোনীদ্বার ফাঁকা করতেই ভিতরে গনগনে আঁচ টের পায়,  গোলাপি অভ্যন্তরভাগ..... স্বচ্ছ আর সাদা রসে ভর্তি.... সুমিত্রা অনেকদিন সেক্স না করায় যোনীর টাইট ভাব অনেকটাই ফিরে এসেছে..

সুমিত্রা নিকের দুই পা ছড়িয়ে দ্বার খুলে দিয়েছেন.... কিন্তু পলাশের লক্ষ্য অন্যকিছু...

ও উপরে উঠে সুমিত্রার যোনীমুখে নিজের লৌহকঠিন লিঙ্গ বসাতে যেতেই ওকে বাধা দেন সুমিত্রা......

" সবে তো শুরু.... এতো তাড়া কিসের?  আরো অনেক কিছু শেখার আছে তোমার... "

এমন কঠিন সময়ে ওলে থামিয়ে দেওয়াতে পলাশ ক্ষুন্ন হলেও কিছু বলে না..... সুমিত্রা যে কি ডেঞ্জারাস জিনিস সেটা ও বুঝতে পারছে,  

সুমিত্রা উঠে বসেন... কাপড় দিয়ে নিজের যোনী মুছে নিয়ে পলাশকে জড়িয়ে ধরেন..... ওর মুখের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলেন,  " আমিও তো চাই....কিন্তু এখন না,  ধীরে ধীরে পাবে সব..... অপেক্ষা করো... তবে তো আসল মাধুর্য্য.... যাও বাথরুমে গিয়ে বের করে এসো... "


সুমিত্রার কি মাথায় ছিট আছে?  পলাশ বাথরুমে যায় না,  হতভম্বের মত হাত বাড়িয়ে নিজের পোষাক তুলে নেয়.. কি আজব পাগলাটে মহিলা,  মাঝপথে শেষ করে দিলো,  এখন এই জ্বালা কখন কমবে কে জানে?  

নিজের শরীরে অস্বস্তি হলেও সুমিত্রা আজ নিজের মত করে পলাশকে চালাতে পেরে খুশী.... এভাবেই পলাশের লাগাম নিজের হাতে ধরে রাখবে ও,  পলাশকে সব দেবে কিন্তু সইয়ে সইয়ে..... তবে না আসল খেলা জমবে.... ও সুমিত্রার জন্য পাগল হয়ে ছুটে আসবে.... হা হা হা...


রাস্তায় যখন নামে ঘড়িতে একটা বাজে।  এরপর আবার ওকে যেতে হবে আরো দুটো জায়গায়।  পলাশ জোরে হাঁটতে থাকে।  শরীরের মধ্যে একটা দারুণ অস্বস্তি হচ্ছে,  সুমিত্রার বাড়িতে পুরোটা হলো না..... এতোটা এগিয়ে বাথরুমে গিয়ে বের করাটা বেশ অসম্মান জনক.... পলাশ মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে,  এই মহিলার কাছে আজই শেষ,  আর আসবে না কোনদিন
Reply
#6

পর্ব - ৬



পলাশ বেরিয়ে যাওয়ার পরেই সুমিত্রা বোনকে ফোন করেন। সুনেত্রা তখন রূপচার্চায় ব্যাস্ত ছিলেন। বয়স হচ্ছে ওর,  এখন এসিবের পিছনে সময় না দিলে বাইরে বেরোলে লোকে বুড়ি বলবে আর সেটা সুনেত্রার একেবারে সহ্য হয় না। দিদির ফোন দেখেই বুঝতে পারলেন যে কিছু নিশ্চই ঘটিয়েছে,  তাই মুচকি হেসে ফোনটা তুলে নিলেন।  দীর্ঘ দশ বছর পর অভুক্ত বাঘ রক্তের স্বাদ পেয়েছে,  এটা নিয়ে যে সুমিত্রা এখন বেশ ব্যাস্ত থাকবে সেটা বলাই বাহুল্য...

" হুঁ....বল কি খবর?  '

ওপাশে সুমিত্রার গলায় উচ্ছ্বাস ধরা পড়ে।  একরকম গলা তুলেই বলেন,
" আজ ব্যাটাকে দারুণ বাগে এনেছি.... এতো ভয় পেয়ে গেছিল। "

" তাই?  একটু ডিটেলে বল" সুনেত্রা মুখে ক্রীম ঘষতে ঘষতে বলেন।

সুমিত্রা সবটুকু এক নিশ্বাসে বলে যায়।  ও থামতেই সুমেত্রা হাসিতে ফেটে পড়ে,
" এই তো দিদি,  তুই খেলা বুঝে গেছিস.... ওর সুড়োসুড়ি জাগিয়ে থেমে যা,  এবার দেখবি ব্যাটা তোর কাছে আসার জন্য পাগল হয়ে যাবে..... কবে তোর গুদে নিজের বাঁড়া ভরবে সেই চিন্তাতেই ঘুম হবে না.... তোর কেনা গোলাম হতেও রাজী হয়ে যাবে। "

সুমিত্রা হাসেন,  " তুই দারুণ বুদ্ধি দিয়েছিস.... "

সুনেত্রা ঠোঁট চেপে বলেন,  " হুঁ....তবে কদিন আর ওকে ডাকবি না,  এড়িয়ে যা..... দেখবি খেলা আরো জমে যাবে। "

" কিন্তু মনিরে,  আজ অনেক কষ্টে আমি সহ্য করেছি.... আমারও তো শরীর খাই খাই করছে,  সামনে এমন নধর কচি ছেলে... বেশী খেলাতে গিয়ে আবার হাত ফষ্কে যাবে না তো?  " সুমিত্রার গলায় উদ্বেগ।

" আরে না না..... বেশীদিন না,  এক সপ্তাহ চুপ করে থাক,  বেশী অস্থির লাগলে আঙুল দিয়ে করে নে... হি জি হি। "

সুমিত্রা লজ্জা পান,  " যাহ....এখন কি আর হাত দিয়ে ওসব করার বয়স?  "

ওরা দুজনাই হেসে ওঠেন।





বাড়িতে থাকা আর না থাকা পলাশের কাছে সমান।  কোন ব্যাপারেই ওর কোন মতামতকে কেউ গুরুত্ব দেয় না।  আজ প্রায় তিনদিন হয়ে গেলো সুমিত্রার বাড়ি থেকে ঘুরে এসেছে..... সত্যি বলতে,  আসার পর পর যতই ভাবুক যে আর ওই বাড়ি মুখো হবে না,  কিন্তু সেই চুম্বকের টান যেনো পরেরদিন সকালেই আবার ফিরে আসে।  সুমিত্রার নধর শরীরের মায়াজালে আটকে গেছে ও।

সেদিনও তাই,  পরের দিন সকালেই ফোন আসে সুমিত্রার থেকে,

" শোন.... আমি বাড়ি থাকছি না,  আর ব্যাথাটাও বেশ কম আছে,  তুমি কদিন পরেই আসো। "

পলাশের সব কিছু যেনো হঠাথ করে থেমে যায়।  আজ রণক্ষেত্রে নামার বিপুল উৎসাহ নিয়ে ও তৈরী হচ্ছিলো,  কিন্তু সুমিত্রার একটা কথায় ওর সব আশা আকাঙ্খায় জল ঢেলে গেলো।  আমতা আমতা করে বলে,

" আবার কবে যাবো?  "

সুমিত্রা মুচকি হাসেন,  বাহ....ওষুধে কাজ দিচ্ছে বেশ। উনি গলায় গাম্ভীর্য্য এনে বলেন,

" সে এখনি বলতে পারছি না.... পরে জানাবো। " পলাশকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই কলটা ডিস্কানেক্ট করে দেন। পলাশ হতবুদ্ধির মত ফোনটা হাতে নিয়ে বসে থাকে। নাহ.... কদিন সুমিত্রার কাছে গিয়ে শরীরে বেশ জোশ এসে গেছিল, আজ আবার কেমন ম্যাদামারা লাগছে।

" কি হলো,  ফোন হাতে নিয়ে সঙ এর মত বসে আছো কেনো?  " বিদিশার বাজখাঁই চেঁচানোতে ওর সম্বিৎ ফিরে আসে।  আসলে ওর সাথে বিদিশা কোন ভালো কথাও ভালো ভাবে বলে না।  লোকে চাকর বাকরের সাথে যতটা না তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে তার চেয়েও বেশী করে বিদিশা ওর সাথে। পলাশ ফোনটা রেখে উত্তর না দিয়ে বাথরুমের দিকে এগোয়...

" এই শোন..... কাল রাতে বাবা মায়ের বিবাহবার্ষিকির পার্টি আছে,  যদিও তুমি না গেলেও কোন ব্যাপার না.... কারণ কোন দায়িত্ব তো জীবনে নেবে না... তাও,  লোকে সাত কথা বলবে আড়ালে.... তাই একবার যাবে। "

পলাশ বুঝতে পারে যে এটা অনুরোধ বা উপদেশ না,  সরাসরি আদেশ..... এর অমান্য হলে কপালে দুক্ষ আছে।  ওর শ্বশুর বাড়ি বিশাল.... মানে বিশাল বড়লোক,  টাকা রাখার জায়গা নেই.... তাই মাঝে সাঝে লোক ডেকে নানা ছুতোয় খাইয়ে দাইয়ে টাকার ভার কমায়।  পলাশের মর্জাদা সেখানে চাকর বাকরের..... ও যায়,  দু একটা কাজ করে বেরিয়ে আসে।  সবাই দেখলো যে জামাই এসেছে.... বাস এইটুকুই।

বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখে বিদিশা তৈরী হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।  অন্যদিন এতো সকাল সকাল ও যায় না।  আজ কোথায় যাবে কে জানে?  জিজ্ঞাসা করার উপায় নেই।  করলে উত্তর তো পাওয়া যাবেই না,  উলটে রাজ্যের কথা শুনতে শুনতে সকাল্টাই মাটি হয়ে যাবে।

বিদিশা আজ একটা ফিটিংস ডেনিম জিন্স আর সাদা কুর্তি পরেছে।  ওর পাছায় মাংস জমে সেটা এতোটা বড়ো হয়েছে যে জিন্স একেবারে চেপে বসেছে। ঢলা কুর্তির জন্য ওর শরীরের অন্যান্য জায়গার চর্বিগুলো অদৃশ্য হয়ে আছে।  চেহারা যেমনই হোক নিজেকে সবসময় টিপটপ রাখার চেষ্টার কোন খামতি রাখে না ও।  আজও বেশ মেক আপ আর স্টাইল করেই বেরোচ্ছে।

বেরোনোর আগে ওকে বলার প্রয়োজনও বোধ করে না।  অবশ্য তাতে পলাশের আক্ষেপ নেই কোন।  বিদিশা বেরিয়ে যেতেই বাড়িতে ও একা। দরজাটা বন্ধ করে এসে বিছানায় গা এলিয়ে দেয়, আজ একটুও বেরোতে ইচ্ছা করছে না..... চোখ বুজে সুমিত্রার নগ্ন শরীরটা কল্পনা করে ও, কি সাংঘাতিক মহিলা.... আগের দিন পলাশকে একেবারে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলো। ও মাঝে মাঝে ভাবে,  মেয়েদের কাছে আসলেই ও এতো ভীতু কেনো হয়ে যায়?  বাড়িতে বিদিশা..... বাইরে সুমিত্রা... সেদিন বাসে ওই মহিলা..... পলাশের কেমন বুক কাঁপতে থাকে,  অথচ ও এমনিতে তেমন ভীতু প্রকৃতির ছেলে একেবারেই না।

সুমিত্রার কথা একটু ভাবতেই পলাশের প্যান্টের মধ্যে তাবু হয়ে গেছে।  উফফফ.... কি দারুণ অনুভূতি ছিলো,  সুমিত্রার নরম ঠোঁটের মধ্যে ওর লিঙ্গ,  গরম লালায় মাখামাখি..... পলাশে ইচ্ছা করছে সুমিত্রার ওই ফর্সা গোলাপি যোনিতে মুখ ডুবিয়ে দেয়,  নরম পিছল যোনী ভেদ করে ঢুকিয়ে দেয় ওর পুরুষ অঙ্গ..... সোজা ধাক্কা মারে সুমিত্রার জরায়ুর গায়ে।


নাহ..... এভাবে ঘরে বসে থাকলে এসব চিন্তা আসবে। তার চেয়ে কাজে বেরোন ভালো।  আজ অন্য একটা পেশেন্টের বাড়ি যেতে হবে।  বয়ষ্ক মানুষ,  স্টোক করে হাত পা প্যারালাইসিস হয়ে গেছে।  দ্রুত উঠে জামাকাপড় পড়ে নেয় ও।  নিকের ব্যাগটা নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে৷ ভালো না লাগলেও কাজের মধ্যে থাকলে আজে বাজে চিন্তা আসবে না....

আজকের অপর কাজটা কোন মতে সেরে বাইরে আসে পলাশ।  আকাশের অবস্থা ভালো না,  যে কোন সময়ে জোর বৃষ্টি নামতে পারে।  এখন আর চেম্বারে না গিয়ে সোজা বাড়ি যাবে নাকি সেটা ভাবছিলো।  সেটাও ইচ্ছা করছে না।  রাস্তার পাশে একটা চায়ের দোকানের বাইরে পাতা বেঞ্চে ব্যাগটা রেখে বসে ও।  এই দুপুরে তেমন কাস্টমার নেই... দোকানি বসে বসে মোবাইলে রিল দেখছিলো,  পলাশ বসতেই উঠে দাঁড়ায়,  " বসুন দাদা,  কি দেবো?  "


" দাদা একটা চা,  দুধ...হালকা মিষ্টি। "

দোকানী মাথা নাড়ে।  পলাশ একটা সিগারেট নিয়ে ঠোটে চেপে লাইটার জ্বালাতে যাবে এমন সময় পিছন থেকে কাঁধে হাত....

" কি চাঁদু, তোমার তো দেখাই পাওয়া যায় না.... ফোন টোনও করা ভুলে গেছো। "

পলাশ চমকে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে দাঁত ক্যালাচ্ছে ওর বাল্যবন্ধু সাম্য।  সাম্য আর পলাশ একই কলেজে পড়েছে।  কলেজেও।  বলতে গেলে স্কু*ল লাইফে ওরা দুইজন সব থেকে কাছের বন্ধু ছিলো।  কলেজ পাশ করার পর সাম্য কলকাতায় চলে আসে..... প্রাইভেট সেক্টরে জব শুরু করে।  বিয়েও করে।  কিন্তু টেকে নি।  তিন বছরের মাথায় ডিভীর্স হয়ে যায়।  কিন্তু সেটা নিয়ে মেঘনাদের কোন আক্ষেপ নেই।  ও বেশ বিন্দাস কাটাচ্ছে।

সাম্য পাশে বসে পলাশের প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট নিয়ে জ্বালায়,  " তা.... তুই এদিকে?  পেশেন্ট?  "

পলাশ মাথা নাড়ে।

" তারপর বল, বড়লোকের জামাই হয়ে কেমন কাটছে?  " সাম্য বড়ো করে ধোঁয়া ছাড়ে।

পলাশ উত্তর না দিয়ে একটা মুখভঙ্গী করে।  সেটা নজর এড়ায় না সাম্যর।  ও সিগাটের ছাই ঝেড়ে বলে,  " তোর চোখমুখ বলে দিচ্ছে ভালো নেই তুই? ..... কি ঠিক তো?  "

পলাশ উত্তর না দিয়ে মাথা নীচু করে।

এর মধ্যেই দোকানী চা দেয়।  সাম্য চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বলে,  " শোন বাঁড়া..... তোর বিয়ের আগেই আমি বলেছিলাম যে,  অতো বড়লোকের একটা মাত্র মেয়েকে বিয়ে করিস না.... তুই না বল্লেও এইসব মেয়েরা কেমন হয় সেটা আমি জানি। "

পলাশ চায়ে চুমুক মেরে বলে,  " ছাড়,, যা হওয়ার হয়ে গেছে.... এখন আর ভেবে লাভ কি?  "

" লাভ কি মানে?  তোর বাঁড়া এখনো তেত্রিশ পার হলো সবে, এখনি হাল ছেড়ে দিচ্ছিস?  শোন...... নিজের জীবন স্বাধীন আর ভালো ভাবে কাটানোর অধিকার সবার আছে বুঝলি?  " সাম্য  রাগত গলায় বলে।

এরপর একটু চাপা স্বরে বলে,  " একটা কথা বল তো,  তোদের মধ্যে ফিজিকাল রিলেশান হয়?  রেগুলার?  "

পলাশ এর কি উওত্তর দেব?  রেগুলার তো দূর, বছরে একবারও হয় না এখন।  ও চুপ করে থাকে।

সাম্য হেসে ওঠে,  " ছাড়.... আমি জানি,  উত্তরটা.... ব্যাপারটা একই,  আমিও বড়লোকের মেয়েকেই বিয়ে করেছিলাম....মানাতে পারি নি,  আসলে ওর পোষা কুত্তা হয়ে থাকার চেয়ে একবেলা খেয়ে স্বাধীন থাকা অনেক ভালো। "

" বাদ দে না ভাই..... অন্য কথা বল,  কি করছিস এখন?  আগের কোম্পানিতেই আছিস নাকি?  " পলাশ কথা ঘোরাতে চায়।

সাম্য শেষ টান দিয়ে সিগারেটটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বলে, " না নতুন একটায় আছি গত ছয় মাস..... আয় না আমার বাড়িতে আজ সন্ধ্যায়,  দুই বন্ধু একটু ফুর্তি করে কাটাই। "

" কোথায় থাকিস এখন?  "

" আরে কেষ্টপুরে..... ভি আই পি র কাছেই,  দুই কামরার ফ্লাট... একা মানুষ, চলে যায়। "

পলাশ ভাবলো,  অনেক দিন নিজের ঘনিষ্ঠ কারো সাথে বসে আড্ডা দেওয়া হয় নি।  নিজেকে ভালো রাখতে এগুলো দরকার।  এমনিতেও বিদিশা ফিরতে ফিরতে রাত এগারোটা..... সন্ধ্যার দিকে সাম্যর বাড়ি ঘন্টা দুয়েক কাটানোই যায়। আগে কতসময় ওরা একসাথে কাটিয়েছে তার ইয়ত্তা নেই।  আজ এতোদিন পর সাম্যর প্রাণখোলা আমন্ত্রন না রাখার কোন কারণ নেই। ওর সাথে বসে দুপেগ মাল গলায় ঢাললে ডিপ্রেসনটা অনেকটা কাটবে।

" ঠিক আছে,  আমি এখান থেকে চেম্বারে যাবো একবার,  তারপর সন্ধ্যার দিকে তোর ওখানে...... রেডি রাখিস,  অনেকদিন পেটে পড়ে না। "

পলাশের ইশারা বুঝে নেয় সাম্য।  ও হেসে বলে,  " চিন্তা নেই বস, ওসব স্টক আমার বাড়িতেই থাকে,  তোর জন্য একটা সারপ্রাইজ রাখবো... "

" কি?  " পলাশ জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকায়।

" আহা,  বললাম তো সারপ্রাইজ.... আগে আয়,  সব জানতে পারবি। " সাম্য মিচকে হাসি হাসে।




সাম্যর ফ্লাট চিনতে খুব বেশী বেগ পেতে হয় নি।  কেষ্টপুর বাসস্টপ থেকে মাত্র তিন মিনিট হাটতেই পেয়ে যায়।  পাঁচতলা ফ্লাটের তিনতলায় সাম্য থাকে।  বেল বাজিয়ে অপেক্ষা করে পলাশ।  কলেজ ছাড়ার পর আর সেভাবে ওদের আড্ডা মারা হয় নি।  অথচ কতই না গভীর বন্ধুত্ব ছিলো ওদের।  সাম্য বরাবর প্রবল কামুক।  মাঝে মাঝেই ওদের বাড়তে কেউ না থাকলে দুজন মিলে মদ খেতে বসতো,  সাথে পানু দেখা মাস্ট।

দুজনেই একসাথে পানু দেখে কত মাস্টারবেসন করেছে।  সেইসব ভাবলে এখন হাসি পায়।

দরজাটা খুলে যেতেই দেখে সামনে সাম্য দাঁড়িয়ে,  পরনে হাফ প্যান্ট আর গোল গলা টি শার্ট।  দরজা থেকে সরে দাঁড়ায় ও

" আয়..... আয়.... "

পলাশ জুতো খুলে ভিতরে ঢোকে,  ঢুকেই একটা মাঝারী সাইজের ডাইনিং।  পাশে একটা বেডরুম, একটা কিচেন আর বাথরুম।  ঘরে জিনিস্পত্র সেভাবে কিছুই নেই।  একটা সোফাসেট,  দেওয়ালে টিভি, একপাশে একটা কাঠের ওয়াড্রোব। সাম্য বলে,  " আয় পাশের ঘরে। "

পাশের ঘর মানে বেডরুম।  পলাশ সেখানে ঢুকতেই দেখে সব রেডি.... একটা ছোট টেবিলের উপর হুইস্কির বোতল, তিনটে কাঁচের গ্লাস, জলের বোতল, আর কিছু স্নাক্স এর প্যাকেট।

" বাহ.....সব রেডি,  তাহলে আর দেরী কেনো?  " পলাশ হেসে চেয়ারে গা এলিয়ে দেয়।

" আহা.... দাঁড়া,  আগে সারপ্রাইজ আসুক। " পলাশের মনে পড়ে যায় সকালে সাম্য সারপ্রাইজের কথা বলেছিলো।  কিন্তু সেটা কি জানে না।  এখনও তো তার কোন আভাষ পাওয়া যাচ্ছে না।

সাম্যর চোখ মুখ জ্বলজ্বল করছে। আদপে সারপ্রাইজটা কি সেটা বুঝতে পারছে না পলাশ।

" ট্রিং...... " কলিং বেল বেজে উঠতেই সাম্য লাফিয়ে ওঠে,  " এসে গেছে। "

পলাশ বাইরের ঘরের দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করে,  আর কেউ কি আসার কথা ছিলো?  কে জানে কে?

একটু বাদেই সাম্যর সাথে ঘরে যে ঢোকে তাকে পলাশ এর আগে দেখে নি।  বছর ত্রিশের এক মহিলা।  গায়ের রঙ বেশ ফর্সা।  মুখে গাড় মেক আপ।  ঠোঁটে লিপ্সটিক, পরনে একটা রঙিন শাড়ি।  ব্লাউজ স্লিভলেস,  তার গলা এতো বড়ো যে মহিলার বিশাল সাইজের স্তনের অর্ধেকটাই দেখা যাচ্ছে।  মহিলা এসে পলাশের পাশের চেয়ারে ধপ করে বসে পড়ে।

পলাশ সাম্যর দিকে তাকায়,  ও পলাশের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে।  কেস টা কি?  কে এ?  পলাশ পুরো ধন্দে।  মহিলাও পলাশে দিকে তাকিয়ে আছে,  মুখে হাসি।


সাম্য এবার মহিলার হাত ধরে তোলে।  ওর কোমর জড়িয়ে ধরে কাছে টেনে নেয়।  মহিলা হেসে ওঠে,  হাত দিয়ে ওর বুকে চাপড় মেরে বলে,  " ছাড়ো...., তুমি তো রোজই করো,  আজ তোমার বন্ধুকে সুযোগ দাও। "


এতক্ষণে যেনো পলাশের মাথায় ঢোকে গোটা ব্যাপারটা।  এই মহিলা আসলে এসকর্ট।  সাম্য একে ভাড়া করেছে।  পলাশের বুক দুরু দুরু করে ওঠে।  সুমিত্রার সাথে অনেক দূর এগিয়েছে এটা সত্যি,  কিন্তু আজ অবধি কোনো দিন কোন এসকর্ট কে ডাকেনি ও।

সাম্য জীভ দাঁতে কেটে বলে, " ইসসস....এটা তো ঠিক,  "

তারপর পলাশের দিকে তাকিয়ে দাঁত ক্যালায়, " তা পলুবাবু.... উঠে আসো,  ফিতে কাটো রেশমির। "

" ফিতে কাটো মানে?  " পলাশ অবাক।

" ধুর বাঁড়া.... এই দুদুভাত ছেলেকে নিয়ে জ্বালা,.... ক্যালানীর মত কি দেখছিস?  রেশমিকে ন্যাংটো কে করবে?  আমি না তুই?  "

সাম্যর কথায় রেশমি হেসে গড়িয়ে পড়ে।  পলাশ এর আগে এসব করে নি।  ওর সেভাবে ভালোও লাগছে না।  ও বলে,  " তুইই কর.... আমি বরং বোতলকে ন্যাংটো করি।  "

সাম্য হেসে ওঠে,  " শালা ভয় পাচ্ছে..... " সাম্য রেশমির শাড়ি ধরে এক টান দেয়। রেশ্মি ঘুরে যায়।  এক টানেই শাড়ি গা থেকে খুলে পলাশের হাতে চলে আসে।

রেশমিকে দেখতে খারাপ না।  তবে গায়ে একটু চর্বি আছে,  স্তনগুলো বেশ ঝুলে গেছে।  শাড়ি খুলে যেতেই ও শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ পড়ে... ব্লাউজটা ও নিজেই খুলে দেয়,  ভিতরে সাদা ব্রেসিয়ার।  খোলা পেটটায় চর্বি জমেছে।  পলাশ পেটিকোটের দড়ি ধরে টান দিতেই সেটা খুলে ওর পায়ের কাছে পড়ে... পলাশ হাঁ করে তাকিয়ে আছে।  ভিতরে একটা লাল প্যান্টি। রেশমি প্যান্টিটা নামিয়ে আনে... এরপর ব্রা টা খুলে ফেলে পুরো উলঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।  সাম্য রেশমির থলথলে পাছায় একটা চাপড় মেরে বলে,

" আজ কিন্তু তোমার পেছনটা একটু টেস্ট করবো ডার্লিং। "

" এই না না......" রেশমি খিলখিল করে হেঁসে ওঠে।  সাম্য রেশমির পাছাটা বেশ ভালো করে কচলে দেয়। রেশমি চেঁচিয়ে ওঠে, " উফফ....লাগে,  ছাড়ো.... এইদুটো থাকতে ওগুলো ক্কেনো?  " ও নিজের স্তনদুটো দেখায়।

সাম্য ওই একটা স্তন হাতে নিয়ে চেপে আবার ছেড়ে দেয়।

" আসো.... পেগ বানাও। " সাম্য চেয়ারে গা ছেড়ে দেয়।পলাশ থ হয়ে গেছে।  এমন অভিজ্ঞতা পলাশের প্রথম। ও একটু আড়ষ্ট হয়ে বসে। রেশমি ন্যাংটো হয়েই পলাশের কোলে বসে পড়ে।  পলাশ এর জন্য একেবারেই তৈরী ছিলো না  সুমিত্রাকে নগ্ন করার সময় উত্তেজনা তুঙ্গে উঠে যায়,, আর এদিকে রেশমি ওর কোলে বসে পলাশে একটা হাত নিয়ে নিজের স্তনে ধরিয়ে দেয়।  এই দেখে সাম্য খিকখিক করে হাসছে। পলাশের একটুও উত্তেজনা জাগছে না।  ও যেনো নিতান্ত বাধ্য হয়ে রেশমির দুধ চাপতে থাকে।

" না গো সামুদা.... তোমার বন্ধু আজ খায় নি, হাতে জোর নেই, তুমি হলে তো এতোক্ষণ ব্যাথা করে দিতে। " রেশমি আবার হেসে ওঠে।

তিনটে পেগ বানিয়ে একটা সাম্যকে এগিয়ে দেয়।  আর একটা নিয়ে পলাশের দিকে ঘুরে যায়। ওর চোখে ছেনালি হাসি।  পলাশের চোখের সামনে রেশমির বিশাল সাইজের ঝোলা স্তন।  বোঁটাটা কালো,  তার চারপাশে গাড় বাদামী সার্কেল।  ও একটা দুধ তুলে ধরে পলাশের মুখের কাছে, তারপর সেটার উপর গ্লাস থেকে হুইস্কি ঢালত্র থাকে,  সেই হুইস্কি ওর স্তন গড়িয়ে বোঁটা বেয়ে পলাশের মুখে পড়ছে।
" একি গো..... খাও,  এভাবে কে মাল খাওয়াবে গো?  তোমার বৌ?  হি হি হি... " পলাশ অনিচ্ছা সহকারে হাঁ করে। 

এদিকে সাম্য প্যান্ট নামিয়ে নিজের শক্ত লিঙ্গটা বের করে ওপর নীচ করছে। সাম্যর লিঙ্গের সাইজ পলাশের থেকে ছোট।  ও এবার চেঁচিয়ে ওঠে,  " রেশমি রানী.... এবার এটার দিকে নজর দাও।"

রেশমি ঘাড় ঘুরিয়ে সাম্যর খাড়া নুনুটা দেখে হিহি করে হাসে,  " দাঁড়াও গো.... ওটা তো পুরানো যন্ত্র... আগে নতুন টা দেখে নিই। "

কোল থেকে নেমে রেশমি পলাশের সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে।  পলাশের প্যান্টের হুকে হাত দেয়।  পলাশের সেভাবে ইচ্ছাও করছে না,  আবার ওরা ব্যাঙ্গ করবে বলে বাধাও দিতে পারছে না।  রেশমি টানাটানি করে পলাশের প্যান্ট খুলে দেয়।  জাঙিয়া নামাতেই পলাশের আধখাড়া লিঙ্গটা বেরিয়ে আসে।

রেশমি সেটাকে ডানহাতে একটু নাড়াচাড়া করে চোখ বড়ো করে,  " সামুদা..... তোমার টার থেকে বড়ো, কিন্তু এর তো খাড়াই হয় না গো। "

সামু নিজের লিঙ্গটার মুন্ডীটা বের করে সেটাতে আঙুল বোলাতে বোলাতে বলে,  " নতুন তো, লজ্জা পাচ্ছে.... ওর একটু লজ্জা কাটুক,  ততক্ষণ তুমি এটাকে একটু আদর করে যাও। "

রেশমি পলাশকে ছেড়ে নিজের গ্লাস থেকে একটা পেগ পুরো গলায় ঢেলে সাম্যর কাছে যায়।  সাম্য ওর যোনীতে দুটো আঙুল ঢুকিয়ে একটু নেড়ে আঙুলটা বের করে, ওর আঙুলে রেশমির রস লেগে.....

" ওহ...রেশমিরানিত গুদে আজ অনেক রস হয়েছে তো,  দারুণ লাগবে তোমার গুদ মারতে গো..... " সাম্য পুরো উদম হয়ে দুই পা দুদিকে ছড়িয়ে হেলান দিয়ে বসে।  রশমী সাম্যর খাড়া লিঙ্গটা মুখে ঢুকিয়ে একেবারে ললিপপ খাওয়ার মত করে চুষতে থাকে। পলাশ খুব আস্তে আস্তে নিজের লিঙ্গটা নাড়াচ্ছে।  রেশমি হাঁটুতে ভর দিয়ে সামনে ঝুঁকে চুষছে।  ওর পাছাটা পিছন থেকে আরো বড়ো লাগছে।  পলাশ সেদিকে তাকিয়ে নিজের মধ্যে উত্তেজনা আনার চেষ্টা করছে কিন্তু তাও সেভাবে আসছে না।


ও আরো দুটো পেগ বানিয়ে গলায় ঢালতেই নেশাটা আস্তে আস্তে ধরতে থাকে।  ওদিকে রেশমির চোষা শেষ.... এখন ও এদিকে ঘুরে সাম্যর খাড়া লিঙ্গের উপর বসে সেটাকে নিজের যোনীতে ঢোকাচ্ছে...... সাম্যর কোলে ওর পোঁদ।

পলাশ চুপ করে ওদের এই মৈথুন ক্রিয়া দেখেছে।  রেশমির যোনী পুরো ক্লীন শেভ। নীচের দিকটা কালো দাগ।  তলপেটের দিকে চোখ পড়তেই দেখে কুঁচকে যাওয়া চামড়া..... প্রেগ্ন্যান্সির চিহ্ন।  তলপেটে দুটো ভাঁজ আছে ওর। পলাশ একমনে সাম্যর লিঙ্গের রেশমির যোনিতে যাতায়াত দেখছে।

রেশমির লাফানোর তালে তালে ওর বিরাট ঝোলা স্তন দুটো লাফাচ্ছে।  ওদের দুজনার কারো আর কোনদিকে মন নেই।  রেশমির মৃদু শীৎকার আর পলাশের ভারী শ্বাসে ঘর সরগরম।  পলাশ কতটা পেগ খেয়ে ফেলেছে জানে না।  পেটের মধ্যে গুলিয়ে উঠছে...... ও তাকিয়ে আছে রেশমির যোনীর দিকে,  সেখান থেকে সাদা ফ্যানার মত বেরিয়ে সেটা গড়িয়ে পড়ছে। 

পলাশের আরো গা গোলাতে থাকে.... ও উঠে দাঁড়ায়, প্যান্ট হাঁটুর কাছে নামানো,  সেটাকে অয়া থেকে ঝেড়ে ফেলে ওই অবিস্থাতেই দৌড়ে যায় বাথরুমের দিকে।  বেসিনে দাঁড়াতেই হড়হড় করে বমি হয়ে যায়।  সারা শরীর যেনো অবশ হয়ে আসছে।  কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে চোখে মুখে জল দিয়ে একটু ধাতস্থ হয়ে বেরিয়ে আসে।  এসে দেখে সাম্যর সামনে হাঁটু মুড়ে বসে আছে রেশমি.... ওর সারা মুখে সাদা তরলে ভর্তি,  সাম্যর বীর্য্যে ভরে গেছে ওর মুখ.... সাম্য নিজের লিঙ্গ ঝাঁকিয়ে শেষ বিন্দু বীর্য্য রেশমির মুখে ফেলে দেয়।

পলাশের আর একটুও থাকতে ইচ্ছা করছে না এখানে।  ও প্যান্টটা পরে নিয়ে বলে,  " আমি বেরলাম.... কাজ আছে। "


তৃপ্ত মৈথুন শেষে চোখ বুজে গা এলিয়ে বসেছিলো সাম্য।  চোখ খুলে তেড়ে ওঠ্র,  " ধুর বাল.....লাগাবি না?  তোর জন্যই স্পেশাল আয়োজন। "

" না রে ভাই.....আমার শরীর ভালো লাগছে না। " পলাশ প্রায় দৌড়ে বেরিয়ে আসে।  রাস্তার এসে যেনো একটু স্বস্তির শ্বাস নেয়৷  রেশমির ফ্যাদামাখা মুখটা মনে পড়লেই বমি পাচ্ছে....... ও পাশের খোলা ড্রেন এ গলায় আঙুল দিয়ে একটু বমি করে। 

একটু দুরেই জমকমাট হলেও এই পাড়াটা বেশ নির্জন।  পলাশ এদিক ওদিক তাকায়,  একটা সিগারেটের দরকার।  কিন্তু কোন দোকান চোখে পড়ে না.........

" এই যে আপনি এখানে?  কি ব্যাপার?  "মেয়েলি গলায় ডাক শুনে পলাশ পিছনে তাকায়।  সেইদিনের সেই মহিলা দাঁড়িয়ে হাসছে।

" আরে আপনি?  কোথায় গেছিলেন? " পলাশ হাসে।

চন্দ্রিমা একটা ফ্লাটের দিকে আঙুল দিয়ে দেখায়।  ওইখানে... " আমার এক বান্ধবীর বাড়ি।  "

" ও..... আমিও বন্ধুর বাড়ি। " পলাশ সাম্যর বাড়ির দিকে দেখায়।

" সন্ধ্যা পার্টি?  " চন্দ্রিমা ঠোঁট টিপে হাসে।

" ইসসসস....বুঝে গেলেন?  খুব সেন্সিটিভ নাক আপনার। " পলাশ হেসে ফেলে।

" যা খেয়েছেন.... তাতে নাক না থাকলেও টের পাওয়া যাবে.... সুস্থ আছেন তো?  "

" হ্যাঁ... হ্যাঁ.... " পলাশ জোর করে নিজেকে সুস্থ দেখাতে চেষ্টা করে।  যদিও মাথাটা হালকা টাল খাচ্ছে। 

" চলুন আপনাকে ট্যাক্সিতে তুলে দিই " চন্দ্রিমা পলাশের কাছে আসে। 

চন্দ্রিমা খুব সুন্দর করে সেজেছে।  পতনে হলুদ শাড়ী,  কানে ঝোলা দুল,  চুল পিছনে বাঁধা,কাঁধে ব্যাগ..... রাতের আলো আঁধারে ওকে বেশ মোহময়ী লাগছে।  ইচ্ছা করছ্র চন্দ্রিমার প্রেমে পড়ে যেতে।  একটা সুন্দর মৃদু সুবাস আসছে ওর গা থেকে।

" কই চলুন " চন্দ্রিমা তাড়া দেয়৷
Reply
#7

(পর্ব-৭) 




শ্বশুর বাড়ির মেন গেট ক্রস করেই পলাশের হাত পা কেমন ঠান্ডা মেরে আসে।  পারতপক্ষে ও এখানে আসতে চায় না।  নিতান্ত এসে পড়লে এমনি হাত পা ঠান্ডা আর বুকের ভিতর গুড় গুড় করে। বিশাল জায়গার উপর তিনতলা বাংলো প্যাটার্ণের বাড়ি।  সামনে সবুজ লন আর বিশাল পার্কিং প্লেস। আজকে পার্কিং প্লেস এ গড়ীর গাদা।নিমন্ত্রিত অতিথিরা সবই কেউকেটা বা স্বচ্ছল নামজাদা ব্যাক্তি  সেটা গাড়ী দেখেই বোঝা যাচ্ছে। বিদিশা কাল রাতেই এখানে এসে গেছে।  পলাশ ঘড়ির দিকে তাকায়,  রাত ৯ টা বাজে।  কোনমতে ১ :ঘন্টা কাটিয়ে কেটে পড়তে হবে। ভিতর থেকে সাউন্ড সিস্টেমের হালকা আওয়াজ আসছে।  নিশ্চই মদের ফোয়ারা বইছে। 

পার্টিতে ঢুকে দেখে ইতিমধ্যে সেখানে প্রায় সব নিমন্ত্রিত উপস্থিত। পলাশ প্রায় চোরের মত এদিক ওদিক দেখে।  একজায়গায় একটা ডায়াস করা আছে,  ওর শ্বশুর আর শাশুড়ি সেখানে সেজেগুজে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে কগেকজন নিমন্ত্রিতর সাথে।  পলাশের চোখ বিদিশাকে খুঁজছিলো। একবার ওকে দেখা না দিলে সর্বনাশ।  ভীড়ের মধ্যে কোথায় বিদিশা? প্রায় মিনিয়খানেক খোঁজার পর একদিকে বিদিশাকে পেলো ও।  বিদিশাকে আজ চেনা দায়। স্টাইল করে বাঁধা চুল,  পরনে একটা স্লিভলেস ওয়ান পিস,  গলায় ডায়মন্ড নেকলেস,  আগের জন্মদিনে ওর বাবা ওকে গিফট করেছে...... দুটো অচেনা ছেলের সাথে কথা বলছে,  ওর ভাবভঙ্গী দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে ছেলেগুলো ওর খুবই পরিচিত। যদিও পলাশ এদের কাউকেই চেনে না।


ও এগিয়ে যায় বিদিশার দিকে।  কাছাকাছি আসতেই বিদিশার চোখ পড়ে ওর উপর।  মূহুর্তের মধ্যে মুখের হাসি মিলিয়ে চোয়াল শক্ত হয়ে যায়।  ছেলেগুলোকে কিছু একটা বলে ও এগিয়ে আসে।  পলাশের একেবারে কাছে এসে দাঁত চেপে বলে,  " এখন সময় হলো আসার?  তুমি শোধরাবে না?  এতো বড়ো অনুষ্ঠানে কোথায় আগে এসে সব সামলাবে... "

" তোমার বাবা তো সবই লোক দিয়েই করান... আমি আর কি করবো?  " পলাশ বলে।

" থামো, শুধু অজুহাত..... লোক দিয়ে করালেও সেগুলো দেখাশোনাটাও করতে হয়... ডিসগাস্টিং " বিদিশার চোখে আগুন জ্বলে।

" পিউ..... তোর বাবা ডাকছে তোকে,  " শাশুড়ির গলার আওয়াজে চমকে তাকায় পলাশ।  কখন এসে দাঁড়িয়েছেন পাশে খেয়াল করে নি।  বিদিশা পলাশের দিকে আগুন দৃষ্টিপাত করে ঘুরে চলে যায়।

" হ্যাপি এনিভার্সারী মা.... " পলাশ গলা নামিয়ে শাশুড়িকে অভিনন্দন জানায়।

ওর শাশুড়ি বন্দনার বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি।  যদিও আজ দেখে বোঝার উপায় নেই।  শহরের সেরা পার্লারের মেক আপে বয়স অনেকটাই চাপা দিয়েছেন।  আগে বেশ মোটা ছিলেন,  সম্প্রতি নানা ডায়েট আর কি সব ছাই পাশ করে ওজন অনেকটাই কমিয়েছেন। উনি পলাশের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট বেঁকিয়ে একটু হেসে বলেন,  " এই তো,  তোমার উইশের জন্যই অপেক্ষা করছিলাম.....না হলে পার্টিটাই ইনকমপ্লিট থেকে যেতো। "

পলাশ মুখ নীচু করে।  এরা কেউই সহজ ভাবে কিছু উত্তর দেয় না।  মা,  বাবা,  মেয়ে এক ধাতের।  পলাশ কি উত্তর দেবে ভেবে না পেয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে।

" হ্যাপ্পি এনিভার্সারী বন্দনা " একটা অতি পরিচিত মেয়েলি গলা শুনে পলাশ চমকে তাকায়। সাথে সাথে ওর  হার্ট বন্ধ হওয়ার যোগাড়।  ওর ঠিক পাশেই সুমিত্রা দাঁড়িয়ে,  হাতে একটা ফুলের বুকে। পরনে হালকা বেগুনি রঙের সিল্কের শাড়ি,  খুব বেশী সাজেননি কিন্তু সেই সাদা শাড়ির সুমিত্রার যেনো বিপরীত লাগছে।  মাত্র কদিনে কোন মানুষের এতো টা পরিবর্তন পলাশ এর আগে দেখেনি।

সুমিত্রাকে দেখেই বন্দনা অবাক হয়ে চেঁচিয়ে ওঠে,  " ওমা তুই এসেছিস?  বাব্বা..... এতো পুরো চেঞ্জ হয়ে গেছিস,  এর আগে কতবার ইনভাইট করেও আসিস নি.......এবারো আসবি ভাবিই নি। "

সুমিত্রার ঠোঁটের কোনায় মৃদু হাসি।  বুকেটা বন্দনার হাতে ধরিয়ে দিয়ে উইশ করে। বন্দনা হাসিমুকজে ওকে জড়িয়ে ধরে, 

" কি ব্যাপার রে?  একেবারে বিবাগী হয়ে গেছিলি,  আবার এই রূপ?......যাই বলিস তোর বয়স মনে হচ্ছে অনেক কমে গেছে। "

সুমিত্রা লজ্জার হাসি হাসেন,  " নারে.... অনেকেই বললো,  একটাই তো জীবন,  সবে তো পঞ্চাশও পেরোয় নি এখনি এমন কাটাচ্ছো?  আর কটা দিন আনন্দ করে নাও.....

" একদম ঠিক...... যার যাওয়ার সেতো গেছেই,  তুই সব ছেড়ে দিলে কি ফিরে আসবে?  "

সুমিত্রা কথা বলতে বলতে আড়চোখে পলাশের দিকে তাকাচ্ছেন আর হাসছেন। পলাশ পড়ে গেছে মহাধন্দে।  এ যে ওর শাশুড়ির বান্ধবি সেটা তো জানতো না..... মাল আবার সব উগড়ে দেবে নাতো?  কে জানে বাবা কপালে কি আছে?  তবে এতো বোকা মনে হয় সুমিত্রা না..... পলাশ সাহস আনার চেষ্টা করে।

কাল বাড়ি ফেরার সময় চন্দ্রিমাও ওকে বলেছে,  " এই আপনি এতো ভীতু কেনো বলুন তো?  "

" মানে?  কেনো?  ভীতুর কি করলাম?  " পলাশ ওর দিকে তাকায়।

" না.... সেদিম বাসে আপনাকে চড় মারার পর ভয়ে কেঁচো হয়ে গেছিলেন...... অন্য ছেলে হলে মেজাজ দিতো। " চন্দ্রিমা হাসে।

তা ঠিক..... পলাশের সবেই একটু ভয় বেশী।  বাড়িতে বিদিশার ভয়,  শ্বশুর বাড়িতে ভয়, সুমিত্রার ভয়,  সেদিন সাম্যর বাড়িতেও ভয়েই কাজ করতে পারে নি..... না হ.....এবার একটু সাহসী হতে হবে,  ভয় পেয়েও লাভ কিছু নেই, বিপদ এসেই যাচ্ছে.... তার থেকে একটু সাহসী হলে যা হবে দেখা যাবে।

বন্দনা সুমিত্রাকে হাত ধরে নিয়ে যায়।  পলাশ যে এখানে জলজ্যান্ত উপস্থিত সেটা একপ্রকার এড়িয়েই গেলো সুমিত্রা।  পলাশও সবার সামনে কিছু বলে না,  কিন্তু সেদিন বাড়িতে সুমিত্রা ওকে যেভাবে ঘোল খাইয়েছে সেটা ভেবে বেশ রাগ হচ্ছে। সুমিত্রাকে দেখেই পলাশের শরীরে উত্তেজনা শুরু হয়ে গেছে।  একটা সুক্ষ্ণ অনুভূতি জাগছে তলপেটে।  ও বুঝে গেছে যে সুমিত্রা ঘোড়েল মাল......একে বুদ্ধি করে বশে আনোট হবে।

পার্টতে মদের ঢালাও আয়োজন।  পলাশ পর পর দুটো পেগ গলায় ঢেলে নেয়।  ওর চোখ দূর থেকেও সুমিত্রাকে ফলো করছে।  এখন সুমিত্রা ওর শ্বশুরের সাথে হাসি ঠাট্টা করছে। একটা জমজমাট পার্টতে পলাশ একেবারে নিসঙ্গ হয়ে এককোনায় দাঁড়িয়ে মাল খেয়েই পেট ভরিয়ে ফেলে। বোধহয় পাঁচ পেগ চলে গেছে।  মাথাটা ঝিমঝিম করছে.....হাত উলটে দেখে নটা সাতান্ন বাজে।  তার মামে এক ঘন্টাও হয় নি ও এসেছে।

হঠাৎ দেখে সুমিত্রা পার্টি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। পলাশ ছুটে যায় দেখার জন্য..... না বেরিয়ে যাচ্ছে না,  কোন কাজে বোধহয় ওয়াশরুমে যাচ্ছে,  কারণ বেরোনোর গেট অন্যদিকে।

" এই শোন..... নীচে মার বেডরুমে আলমারীর লকারে একটা বক্স আছে নিয়ে এসো তো। " ঘুরে দেখে বিদিশা। পলাশের হাতে একটা চাবির গোছা ধরিয়ে দেয়।

বিদিশা ওকে বেশী রিকোয়েষ্ট করে না,  যা করে সেটাকে অর্ডার বলেই ধরতে হবে।  চাবির গোছা দিয়ে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে চলে যায় ওর বন্ধু বান্ধবের কাছে।


চাবির গোছা হাতে নিয়ে একটু সমস্যায় পড়ে পলাশ,  এই বাড়ির কোথায় কি আছে সেটা ও ঠিকমত জানে না।  জানার কোনদিন চেষ্টাও করে নি। কিন্তু এখন না গেলে বিদিশা ওর চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে দেবে। বাধ্য হয়ে পলাশ সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে আসে।  নীচে আসতেই হঠাৎ দেখে একটা ঘরে শাড়ী পরা কেউ ঢুকে গেলো..... চারিদিক ফাঁকা।  পলাশের মনে পড়লো সুমিত্রা এইমাত্র নীচে এসেছেন।  মনে পড়তেই ওর মধ্যে একটা শিহরণ খেলে গেলো।  পুরো ফ্লোর ফাঁকা..... শুধু ও আর সুমিত্রা,  এখন যদি চারিদিক অন্ধকার হয়ে যায় আর সেই সুযোগে কিছু হয়ে যায়..... মনে মনে উৎসাহিত হয়ে ওঠে ও.....এই একটা সুযোগ সেদিনের বদলা নেওয়ার।  মনে সাহস আনে ও।  এদিক ওদিক তাকিয়ে দেওয়ালের একপাশে মেন সুইচ দেখতে পায়। 


নিশব্দে এদিকে এগিয়ে মেন সুইচটা নামিয়ে দেয় ও।  মূহুর্তের মধ্যে চারিদিকে অন্ধকারে ডুবে যায়।  পলাশের বুক ধুকপুক করছে। ও অন্ধকারে কোনমতে আন্দাজ করে করে সুমিত্রা যেই ঘরর ঢুকেছে সেই ঘরে ঢোকে।  ঘরে অন্ধকার,  তবে পাশের জানালা দিয়ে বাইরের আলো কিছুটা ঢুকছে, সেই আলোয় আবছামত নারীমূর্তি দেখে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে আসছে।

পলাশ আর অপেক্ষা করে না..... সোজা ঝঁপিয়ে পড়ে সুমিত্রার উপর।  ও জানে যে সুমিত্রাকে একটু ঘাঁটলেই ও বশ হয়ে যাবে।  কিন্তু আচমকা চেঁচিয়ে ফেললে মুশকিল। পলাশ একহাতে সুমিত্রার মুখে চেপে অন্য হাতে ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে। সুমিত্রা আওয়াজ করার সুযোগই পায় না। পলাশ ওকে ঠেলে দেওয়ালের দিকে নিয়ে আসে।  সুমিত্রার শরীরকে নিজের শরীর দিয়ে চেপে ধরে যাতে  ছটফট না কর। এরপর পকেট থেকে রুমাল বের করে সেটা ওর মুখে ঢুকিয়ে দেয়।

ঘরটা ওর শ্বশুরের বেডরুম।  আবছা আলোয় ঘরের জিনিসপত্র ঠিক ঠাক দেখা যাচ্চ না।  পলাশ এক হাতের মধ্যে ওর দুই হাতের কবজি এক জায়গায় করে চেপে ধরে।  এদিকে সুমিত্রা গোঁ গোঁ করছে।  পলাশ পাত্তা না দিয়ে ওকে আরো জোরে দেওয়ালে চেপে ধরে,  ঘাড়ের কাছে পিঠের খোলা জায়গায় নাক রাখে,  সুন্দর গন্ধ আসছে... পলাশের উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়।  ও পিঠে মুখ ঘষতে থাকে। সেই সাথে একটা হাতে পেট রাখে,  নরম পেটে হাত বোলাতে বোলাতে পিঠে মুখ ঘষছে।  সুমিত্রা ছাড়া পেতে গোঁ গোঁ করছে, শরীর ঝাড়া দিচ্ছে কিন্তু পলাশের পুরুষালি হাতে বজ্র আঁটুনি থেকে মুক্তি পায় না।

পলাশ সুমিত্রার শাড়ী গুটয়ে তুলে আনে পাছার উপরে কোমরের কাছে ভিতরে একটা প্যান্টি,  সেটাকে টেনে নামিয়ে ভারী পাছাটা হাত দিয়ে ভালো করে ক্কচলে দেয়। ও দুই থাই এর মাঝখান দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেয়,  যোনীর চেরাটা হাতে পড়ে.... পুরো শুকনো।  একবারে গরম হয়ে আছে জায়গাটা।

অন্ধকারে ওরা কেউ কারো চেহারা  দেখতে পাচ্ছে না। ও ঘাড়ের কাছে হালকা দাঁত বসায়।  শুকনো যোনীর ঠোঁট ফাঁকা করে ক্লিট বরাবর আঙুল ঘষতে থাকে,  আঠা আঠা ভাব যোনীর ভিতরে,  একটু আগেই মুখে রুমাল গোঁজা সুমিত্রা গোঁ গোঁ করছিলো।  কিন্তু ক্লিট এ আঙুল পড়তেই থেমে যায়। পলাশ না থেমে আঙুল চালিয়ে যায়,, একটু একটু করে রস কাটা শুরু হচ্ছে,  ভিজে উঠছে যোনীর ভিতরটা..... এদিকে সুমিত্রার গায়ের রোমও খাড়া হয়ে গেছে সেটা ও টের পাচ্ছে।  পলাশের মধ্যেও যেনো আজ দানব ভর করেছে। আস্তে আস্তে যোনীর রসে ওর হাত ভিজে যাচ্ছে..... এতোক্ষোন দুই থাই ওর হাত চেপে ছিলো,  আস্তে আস্তে সেটা দুদিকে সরে গিয়ে আলগা করে দিচ্ছে।  পলাশ বুঝতে পারে যে সুমিত্রা উত্তেজিত হয়ে পড়েছে।  কিন্তু আজ ওকে কোন চান্স দিতে রাজী না ও। আগের দিন পলাশকে অনেক নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরিয়েছে,  আজ পলাশের পালা....


এবার ওর যোনীপথ পুরো পিছল,  পলাশের আঙুল সেখানে বিনা বাধায় ঢুকছে আর বেরোচ্ছে। নাক দিয়ে ঘন নিশ্বাস আর নাকি শীৎকার দিচ্ছে সুমিত্রা।  পা আগের থেকে অনেকটা ফাঁক করে দিয়েছে।

সুমিত্রা কি টের পাচ্ছে যে পলাশ ওকে এসব করছে?  বোধহয় না।  ওর চেহারা দেখে নি। পলাশ কথাও বলে নি।

এক ঝটিকায় প্যান্টের চেন খুলে নিজের ঠাঁটানো লিঙ্গ বের করে আনে ও।  সেটা একেবারে ইটের মত শক্ত হয়ে আছে।  পলাশ সুমিত্রা যোনীর রস হাত ঢুকিয়ে বের করে আনে।  সেটা ভালো করে নিজের পুরো লিঙ্গে মাখিয়ে নেয়।

পেছন থেকে দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিজের লীঙ্গ ঠেলে দেয় ভিতরে,  নরম পিছল যোনীদ্বার ভেদ করে ওর লিঙ্গ গরম যোনিতে ঢোকে..... সুমিত্রা নাক দিয়ে " উঁহ" করে ওঠেন।

সুমিত্রা একজন পুরো বশে চলে এসেছে।  পলাশ ওর হাত ছেড়ে দেয়। উনি দুই হাত দেওয়ালে ঠেলে পাছা উঁচু করে দাঁড়ান।  কাপড় কোমরের উপরে তোলা।  পুরো পাছা উদম।  পলাশ ওর কোমরের দুই পাশে হাত রেখে গায়ের জোরে কোমর দোলাতে থাকে।  সুমিত্রার থলথলে পোঁদের সাথে ও ধাক্কা খাচ্ছে আর তাতে থপ থপ আওয়াজ উঠছে।  প্রায় নিস্তব্ধ এখানে এই আওয়াজটাই ভারী শোনাচ্ছে।  পাত্তা না দিয়ে পলাশ আরো জোরে চালাতে থাকে।


সুমিত্রার যোনী একটু শিথিল, তবে ভিতরটা একেবারে আগুন আর কামড়টাও মারাত্বক.... পলাশ একেবারে বিনা বাধায় ঢুকছে আর বেরোচ্ছে।  পিছল যোনীতে যাতায়াতে শব্দ উঠছে ঘন ঘন।

এদিক সুমিত্রার নাকি শীৎকার বেড়েই চলেছে, ক্রমাগত,  " আঁ....আঁ.... আঁ.... " আওয়াজ কানে ভারী মধুর শোনাচ্ছে। 

সুমিত্রার যোনীর থেকে এতো রস বেরোচ্ছে যে সেটা পলাশের লিঙ্গ বেয়ে অন্ডকোষ বেয়ে গড়িয়ে মাটিতে পড়ছে। পলাশের মনে হচ্ছে স্বার্গসুখ পাচ্ছে ও।  বিদিশার যোনী কোনদিন এতো রস কাটে নি।  এ যেনো বান ডেকেছে।  একেবারে তালশ্বাস কাটলে যেমন রস বের হিয় ঠিক তেমন......, পঞ্চাশেও কোন মহিলা এতো রসালো হতে পারে সেটা এই অবস্থায় না পড়লে পলাশ বিশ্বাস করতো না।


কোমর ছেড়ে সুমিত্রার স্তন দ্বয় ব্লাউজের উপর দিয়েই চেপে ধরে ও।  অতো বড়ো স্তন একহাতে ধরা প্রায় অসম্ভব।  তবুও সেগুলো হাতের মধ্যে চাপতে থাকে। 

কোথায় কি কাজে এসেছিলো সব ভুলে গেছে ও।  রসালো যোনীর ভিতরে ও সব হারিয়ে ফেলেছে।  সুমিত্রার গোঙানী আর শিৎকার অনেক বেড়ে গেছে।  পাগলের মত গোঙাচ্ছে ও।  পলাশও সর্বশক্তি দিয়ে ঠাপিয়ে চলেছে। 

সুমিত্রা যে এই মৈথুনের পূর্ণ আনন্দ নিচ্ছে সেটা ওর ভাবপ্রকাশ ভঙ্গিই বলে দিচ্ছে। বাধা তো দিচ্ছেই না,  বরং পূর্ণ সহযোগীতা করছে।  পলাশ তবু চুপ করে আছে....এই অন্ধকারে কে ওকে করলো সেটা জানানো যাবে না।।

হঠাৎ কেঁপে ওঠে সুমিত্রা। অন্ধকারেও ওর তীব্র কম্পন টের পায় পলাশ।  ওর যোনীর কামড় টের পায় নিজের পুরুষাঙ্গে। পলাশও জোরে জোরে ঠাপিয়ে লিঙ্গ বাইরে বের করে আনে..... তীব্র বেগে ওর বীর্য্য সুমিত্রার পাছাকে ভাসিয়ে দিয়ে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে।  শান্ত হয় দুজনে। সুমিত্রা শাড়ীটা কোমর থেকে নামিয়ে পলাশকে সরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে চলে যায়। একবারও তাকায় না ওর দিকে।  যদিও তাকালেও বুঝতে পারতো কিনা কে জানে।  এতোদিন পরে নারী যোনী ভোগ করে চরম তৃপ্ত পলাশ।  বীর্য্যপাতের পরেও এখনো খাড়া হয়ে আছে।

ও খুব ধীরে ধীরে নিজের লিঙ্গ ভিতরে ঢোকাচ্ছে এমন সময় হঠাৎ লাইট জ্বলে ওঠে আর প্রায় সাথে সাথেই দরজা দিয়ে ঘরে ঢোকে বিদিশা।  পলাশ একেবারে হকচকিয়ে ওঠে।  ঘরের আলোতে মার্বেলের মেঝেতে ওর আর সুমিত্রার যৌনরস একেবারে চকচক করছে।  বিদিশা কিছুক্ষণ অবাক হয়ে পলাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। যেনো  পৃথিবীর অস্টম আশ্চর্য্য দেখছে.....

অবশ্য বিদিশার দেখার আগেই ও লিঙ্গ ঢুকিয়ে ফেলেছে।  বিদিসা একটু সন্দেহর চোখে দেখে বলে,  " তূমি কি করছো এখানে?  আর বক্স টাই বা নিয়ে গেলে না কেনো?  আমাকে আবার আসতে হলো..... যাও উপরে,  যত্তসব। "

বিদিশা মেঝের তরল খেয়াল করে নি।  তাড়াতাড়িতে আলমারী খুলে বক্সটা নিয়েই আবার দৌড়ায়।  পলাশ ওর পিছু পিছু উপরে আসে।  কিন্তু পার্টিতে ঢুকেই ও দেখে সুমিত্রা বিদিশার বাবা সহ তিনজনের সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছে।  হাতে জুসের গ্লাস।  তাতে জুস অনেকটাই কম। ওর ভাবভঙ্গী দেখে মনে হচ্ছে অনেক্ষণ থেকেই এখানে বসে আছে।  তবে এতোক্ষোন নীচে কে ছিলো?  কাকে সুমিত্রা ভেবে সেক্স করে আসলো ও।  পার্টিতে অনেক মহিলাই আছে যাদের চেহারা প্রায় সুমিত্রার মতই....., তাহলে কি সেটা অন্য কেউ?  পলাশ কিছুতেই বুঝতে পারে না।


পলাশ দেখে একটা ক্যাটারিং এর ছেলে জুসের গ্লাস বিলি করছে।  ও ছেলেটাকে ডাকে...

" এই ভাই শোন... "

ছেলেটা এগিয়ে আসে," বলুন স্যার। "

পলাশ সুমিত্রা দিকে দেখিয়ে বলে,  " উনি কতক্ষ্ণ আগে জুস নিয়েছেন?  "

ছেলেটা একটু ভেবে বলে,  তা প্রায় দশ বারো মিনিট আগে। "

পলাশের মাথায় বাজ পরে।  সুমিত্রা তার মানে  অনেক আগেই উপরে চলে এসেছে।  তাহলে নীচে কে ছিলো?  ও ছেলেটাকে বলে,  " আচ্ছা যাও ভাই।"

পলাশ ভালো করে ভাবে,  উত্তেজনার মূহুর্তে অত শত মনে পড়ে নি,  এখন বুঝতে পারছে যে সুমিত্রার শরীর আরো নরম।  আজকে যাকে করলো সেও ভালো তবে সুমিত্রা বেশী ভালো।


এর মধ্যে শুরু হলো কেক কাটার পর্ব।  ডায়াসে শ্বশুর,  শাশুড়ি, বিদিশা এবং আরো অনেক ঘনিষ্ঠের ভীড়।  পলাশকে কেউ ডাকার প্রয়োজনও বোধ করে না।  ও দূরে দাঁড়িয়ে দেখে...... মানুষের আদিখ্যেতা কোন পর্যায়ে যেতে পারে।  ওর শাশুড়ি বন্দনাকে বেশ খুশী খুশী লাগছে।

পলাশের মনে হলো অনেক হয়েছে এবার বিয়ায় হওয়া ভালো।  যাওয়ার আগে একবার মেয়েকে দেখে যেতে হবে।  ওর মেয়ে আরুষী সবে তিন বছরের।  এই ধরনের মদ্যপ পার্টিতে কেউই বাচ্চাদের আনে না।  বিদিশাও মেয়েকে উপরে আনে নি। মেয়ে একেবারে নীচের তলায় আয়ার কাছে আছে।  পলাশ সোজা নীচে নেমে আসে।  রাত প্রায় পৌনে এগারোটা।  মেয়ে ঘুমিয়ে গেছে।  আয়া একজন বয়ষ্ক মহিলা।  পলাশকে দেখেই বলে,  " আসুন...... দাদাবাবু,  মামনি এতোক্ষোন জেগে ছিলো,  সবে ঘুমালো। "

পলাশ ঘুমন্ত মেয়ের কপালে একটা চুমু খেয়ে বেরিয়ে আসে।  নিজের বুটিকের চক্করে বিদিশা প্রায় দিনই বাপের বাড়িতেই রেখে দেয়। এই নিয়ে পলাশ আপত্তি জানালেও ওকে পাত্তা দেয় নি কোনদিন।

গেটের বাইরে এসে দেখে ফাঁকা রাস্তাঘাট,  আকাশে বোধহয় মেঘ আছে।  দুই এক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে। এখান থেকে বাস বা অটো কিছুই পাওয়া যাবে না। তবে এখন না করে উপায় নেই।  ফোন এ এপ খুলে একটা র‍্যাপিডো ডাকে। বাইক আসতে মিনিট পাঁচেক লাগবে।  ও একটু এগিয়ে একটা গাছের পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরায়।  এই এলাকাটা সব উচ্চবিত্ত লোকের বাস।  রাস্তাঘাটে দোকানপাট কম। পলাশ যেখানে দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে শ্বশুর বাড়ির গেট দেখা যাচ্ছে।  একটা দুটো করে গাড়ী বেরিয়ে যাচ্ছে। 


হঠাৎ গেট দিয়ে একটা গাড়ী বেরিয়ে আসে।  সাদা রঙের ইন্ডিগো।  ওর সামনে দিয়ে যেতে গিয়ে গাড়িটা ব্রেক করে।  জানালার কাঁচ নেমে যায়।

" উঠে আসো... " সুমিত্রা গম্ভীর গলায় আদেশ করেন।

" না থাক.... আমি রাইড বুক করে নিয়েছি।"পলাশ এড়িয়ে যেতে চায়।

" আহহ....ক্যান্সেল করে দাও। " সুমিত্রার গলা শুনে আর কথা বাড়ায় না ও।  রাইড ক্যান্সেল করে গাড়ির পিছনে সুমিত্রার পাশে বসে।  একজন বুড়ো ড্রাইভার গাড়ি চালাচ্ছে। পলাশের একটু অস্বস্তি হচ্ছে।  একটু আগেই সুমিত্রা ভেবে কার সাথে করে আসলো ও সেটা ভেবে।  আজকের সাজে সুমিত্রাকে একেবারেই আলাদা লাগছে।  ফিটিংস প্যাডেড ব্রা পরেছেন বোধহয়,  স্তনগুলো যুবতী মেয়ের মত উঁচু হয়ে আছে। 

" শ্বশুর বাড়িতে তোমার সম্মান তো একেবারেই নেই " সুমিত্রা কটাক্ষের গলায় বলেন।

পলাশের লজ্জা লাগে।  কান ঝাঁ ঝাঁ করে ওঠে। ও কিছু না বলে বাইরের দিকে তাকায়।  বাড়িঘর দোকানপাট সরে যাচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে মুষলধারে।  প্রায় ফাঁকা জনমানবহীন রাস্তাঘাট..... জানালার কাঁচও মুহূরতের মধ্যেই ঝাপসা হয়ে আসে।  আর বাইরে কিছু দেখা যাচ্ছে না। 

পাশাপাশি বসে সুমিত্রার শরীরে শরীর ঠেকে আছে ওর।  আগোছালো ভাবে সুমিত্রা পলাশের থাইএর উপর হাত রাখে।  পলাশের শরীর কেঁপে ওঠে।  এতো ঘনিষ্ঠতা দেখিয়ে কি চাইছে এই মাগী?  পেটে পেটে বুদ্ধি এর.....

ড্রাইভার থাকায় সেভাবে কথার বিষয় ওরা খুঁজে পাচ্ছে না।  পলাশই বলে,  " আগে বলেন নি তো যে আপনি আর শাশুড়িত বান্ধবী?  "

" হা হা হা... " হেসে ওঠেন সুমিত্রা,  "বড্ড বোকা তুমি,  তোয়াম্র শাশূড়িই তো আমাকে তোমার নাম্বার দিয়েছিলো। "

পলাশ অবাক হয়ে তাকায়,  বিশ্বাস হয় না।  ওর কাজ নিয়ে শ্বশুর বাড়ির সবাই অসন্তুষ্ট সেটাই জেনে এসেছে। শাশূড়ি নিজে ওর নাম্বার দিয়েছে সুমিত্রাকে? 

সুমিত্রা ড্রাইভারের দিকে দেখে ওর আরো কাছে ঘেঁষে এসে চাপা গলায় বলেন,  " আজ সারাক্ষণ আমাকে ফলো করছিলে কেনো?  "

মাই গড,  মাগী এটাও খেয়াল করেছে?  পলাশ হতবুদ্ধি হয়ে বলে,  " এমনি। "

সুমিত্রা ওর থাই এ হাত বোলাতে বোলাতে বলে,  " আমি তো তোমার জন্যই নীচে গেলাম,  কিন্তু সেখানে এলে না..... হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার হওয়ায় ভয় পেয়ে আবার উপরে চলে আসি। "

পলাশ চুপ করে থাকে।  ও যে নীচে গেছিলো আর লাইটও ওই অফ করেছিলো সেটা আর ভাঙে না।  কিন্তু সুমিত্রার জায়গায় কে ছিলো সেখানে? 

পলাশ আড়ষ্ট হয়ে আছে।  সুমিত্রার হাত থাই থেকে ওর প্যান্টের জীপারের কাছে পৌছে গেছে।  পলাশ বাধাও দিতে পারছে না।  ড্রাইভাত বুঝে যাবে।  সুমিত্রা অন্যদিকে তাকিয়ে আছে কিন্তু ওর হাত প্যান্টের জীপার খুলে ফেলেছে,  ওর সরু আঙুল ভিতরে ঢুকে পলাশের পুরুষাঙ্গটা খুঁজে বেড়াচ্ছে।  একটু আগেই সব উগড়ে আসলেও পলাশের লিঙ্গ এই অযাচিত সুখ এড়াতে পারছে না।  সে তার খোলস ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। জাঙ্গিয়ার মধ্যে থেকে পলাশের আধখাড়া লিঙ্গটা টেনে নের করে সুমিত্রা।  পলাশের কাজ যেনো শুধু আরাম নেওয়া।  সুমিমত্রার হাতের মধ্যে চটকাচ্ছে সেটাকে.... আঙুলে টেনে চামড়াটা ছাড়িয়ে মাথায় আলতো আঙুল বোলাচ্ছে,  মূহুর্তের মধ্যে সেটা আবার শক্ত কাঠ। পলাশের শরীরে আবার জোয়ার বইছে। অদ্ভুত আরামে ও চোখ বুজে ফেলে।  সুমিত্রা যেনো একটা খেলার জিনিস পেয়েছে।  নিজের হাতে ইচ্ছামত দোমড়াচ্ছে,  নাড়াচ্ছে আবার আদর করছে পলাশের লিঙ্গটাকে। এমন অদ্ভুত মহিলা পলাশ এর আগে দেখেনি।  যখন যা ইচ্ছা করছে পলাশকে নিয়ে আর ও নিজেও কিছুতেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছে না।

পলাশের খুব ইচ্ছা করছে যে একটানে সুমিত্রার ব্লাউজ ছিঁড়ে ওই বিরাট পর্বতের মত স্তনগুলো বের করে আনে।  তারপর সেগুলোকে কামড়ে ফালাফালা করে দেয়।  কিন্তু  ড্রাইভারের গম্ভীর মুখ দেখে সেই সাহস হচ্ছে না। ও চুপচাপ সুমিত্রার হ্যান্ডজবের মজা নিতে থাকে। 

পাশে বসে পলাশ বুঝতে পারছে যে সুমিত্রা চুপ করে গেছে।  নাকের পাটা ফুলছে। শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুতো হচ্ছে।  ওর হাতের মুখো পলাশের লিঙ্গটকাকে এতো শক্ত করে ধরেছে যেনো গলা টিপে মারছে কাউকে। লিঙ্গের মাথাটা রক্ত জমে লাল টকটকে হয়ে গেছে। 

" বীরেন দা একটু দাঁড়ান না " হঠাৎ সুমিত্রা গলা তুলে বলে।  ড্রাইভার ব্রেক করে দাঁড়িয়ে যায়।  একটু দূরেই একটা পান বিড়ির দোকান।  সুমিত্রা ব্যাগ থেকে একটা একশ টাকার নোট বের করে ড্রাইভারের হাতে দেয়,  " একটা মিঠা পাতার পান নিয়ে আসুন না,  জর্দা ছাড়া। "

ড্রাইভার কোন কথা না বলে নোটটা নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যায়।

সুমিত্রা চাবুকের মত ঘুরে পলাশকে জড়িয়ে ধরে।  পলাশের একটা হাত টেনে নিজের দুই পায়ের মাঝে রাখে। ইশারা বুঝে নেয় পলাশ।  সুমিত্রার শাড়ি একটানে হাঁটুতে তুলে এনে নীচ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেয়।  সুমিত্রা দুই পা দুদিকে সরিয়ে জায়গা করে দেন।  সুমিত্রার কোন প্যান্টি নেই।  যোনীতে হাত দিতেই দেখে ভিজে একাকার।  পলাশের ঠোঁট্টে ঠোঁট ডুবিয়ে হিসহিস করে ওঠে। হাতের মুঠোয় জোরে জোরে নাড়তে থাকে পলাশের লিঙ্গোটাকে।

পলাশ সুমিত্রার ভেজা পিছল যোনীতে আঙুল পুরে দেয়।  রসে একেবারে জবজব করছে। হাতে বেশী সময় নেই।  ওর আঙ্গুল দ্রুতো বেগে মন্থন করে দিতে থাকে সুমিত্রার রসালো যোনী।  সুমিত্রা হাঁপড়ের মত হাঁফাচ্ছে।  বুক ফুলিয়ে যোণীর কামড় বসাচ্ছে ওর হাতে। 

বাইরে মুষল্ধারে বৃষ্টির আওয়াজের মাঝেও সুমিত্রার তীব্র শীৎকারে গাড়ির ভিতরের আবদ্ধ জায়গা কেঁপে উঠছে যেনো।  মাত্র দুই মিনিট....... পলাশের হাত দুই থাইয়ের মাঝে চেপে ধরে নিজের রাগমোচন করে সুমিত্রা। প্রায় পঞ্চাশের সুমিত্রার এই তড়িৎগতির তীব্র অর্গ্যাজমে পলাশ নিজেও বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে। 

" দিদি আপনার পান... " কখন যে ড্রাইভার ফিরে এসেছে ওরা খেয়াল করে নি।  সুমিত্রা তাড়াতাড়ি কাপড় নামিয়ে ঠিক করে বসে।  পলাশ জানালার দিকে সরে আসে।  নিজের হাতেই কয়েকটা স্ট্রোক মারে আড়াল করে,  থলথকে বীর্য্য ছিটকে বের হয়..... শরীরকে শান্ত করে দিয়ে। 


বাকি রাস্তা কেউ কথা বলে না।  ড্রাইভার কি দেখে ফেল্লো?  একটা শঙ্কা কাজ করছে ওর মনে। 

" তুমি এখানেই নামবে তো?  " সুমিত্রার কথায় ও মনযোগ ফেরায়।  ফরজা খুলে নেমে আসে গাড়ি থেকে।  মৃদু গলায় থয়াঙ্কস জানিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা ধরে।  গাড়ি সুমিত্রাকে নিয়ে চলে যায়।


নেশা অনেক্ষণ কেটে গেছে পলাশের।  মনটা বেশ ফুরফুরে লাগছে।  আজও বিদিশা ফিরবে না..... ঘরে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে ব্যালকনীতে আসে ও।  একটা সিগারেট ধরিয়ে আজ রাতের ঘটনাগুলোকে মন্থন করতে থাকে।  আজ সন্ধ্যাটা মনে রাখার মতো........এমন দিন বারবার আসে না।  

ফোনটা বেজে উঠেতেই তাকায় ও।  এতো রাতে আবার কে?  ডিস্প্লেতে শ্বশুরের নাম জ্বলজ্বল করছে।  ও সভয়ে ফোনটা রিসিভ করে।  কে জানে আবার কি বলে... জড়ানো গলা ভেসে আসে ওপার থেকে,  শ্বশুর মদে পুরো বেতাল হয়ে আছে।

" এই যে বাবাজী..... বন্ধুর ছেলে বলে অনেকদিন কিছু বলি নি তোমায়.... "

" মানে? .... কি হয়েছে বাবা?  " পলাশ একটু ভয় পায়।

" ধুর.... নিকুচি করেছি বাবার,  শোনো, পিউ ( বিদিশার ডাকনাম) আর থাকবে না তোমার সাথে.... এখন কদিন এখানেই থাকবে,  ডিভোর্স পর্যন্ত তুমি ওই বাড়িতে থাকো,  ডিভোর্স হলেই নিজের জায়গা দেখে নেবে.... বুঝলে?  "

পলাশের মাথায় যেনো বাজ পড়ে।  ও বলে,  " কিন্তু কেনো? আমি ডিভোর্স দেবো না। "

" বোকাচোদা.... তোর মরা বাপ দেবে.... শোন,  আমার কথা শেষ কথা,  বেশী বাড়াবাড়ি করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেল খাটাবো বাঞ্চোত। " ওর শ্বশুর ফোন কেটে দেয়।

পলাশ ফোন হাতে অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে,  কি হলো কিছুই মাথায় ঢুকছে না।
Reply
#8

পর্ব -৮




রাত কত হলো সেটা খেয়াল নেই চন্দ্রিমার।  কতক্ষণ হয়ে গেলো বাইরের ঝুল বারান্দায় বসে আছে সেটাও ভুলে গেছে।  দুই গালে নোনা জলের ধারা,  না কষ্টের না  তার চেয়েও বেশী অপমানের...... তীব্র অপমান.... আর আত্মমর্জাদায় আঘাত লাগলে মানুষের কোন কষ্ট হয় না,  হয় একটা অসহ্য যন্ত্রনা,  সেই যন্ত্রনায়  দুই চোখ ভেসে যায়।  চন্দ্রিমারও ভেসেছে..... বর্ষার নদীও যেমন একটা সময় ক্ষীনধারা হয়ে আসে,  চোখের জলের ক্ষেত্রেও তাই..... কতক্ষণ দুইচোখ ঝাপসা করে কেঁদেছিলো জানে না,  তবে কান্না বোধহয় যন্ত্রনা কমানোর মহাঔষধ.... তাই এখন দুই গালে জলের ধারার শুকনো দাগ ছাড়া আর কিছু নেই,  আর জল আসছে না চোখে...

নীচে রাস্তায় দুটো বস্তির স্বামী-স্ত্রীর গালিগালাজ চলছে।  স্বামী বোধহয় মদ্যপ হয়ে এসেছে ঘরে,  বৌ এর সাথে ঝামেলা করে বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।  এখন বৌ হাতে পায়ে ধরে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে।  লোকটা বৌটাকে গালাগালির সাথে ধাক্কাধাক্কিও করছে। বৌটা সেগুলো সহ্য করেই ওকে বোঝানোর চেষ্টা করছে।  এরা বেশ ভালো...... স্বামী যতই অন্যায় করুক স্বামীর হাতে পায়ে ধরে আবার ঘরে নেবে,  আবম্বার লাথি ঝাঁটা খাবে।  আবার ঝগড়া করবে।

ওদের মত ভদ্র লোকের সাথে ওদের পার্থক্য এটাই যে ওরা ঘরের কেচ্ছা রাস্তায় এনে সমাজের সামনে তুলে ধরে আর চন্দ্রিমার শ্বশুরবাড়ির মত ভদ্র লোকেরা ঘরের মধ্যেই লুকিয়ে কেচ্ছা করে.....


কিছুক্ষণ আগেই বৃষ্টি হয়ে গেছে খুব একচোট।  এখন আবার ঝিরিঝিরি করে পড়ছে।  বৃষ্টির ছাঁটে চন্দ্রিমার চুল,  মুখ,  ভিজে একাকার কিন্তু ওর ভ্রুক্ষেপ নেই তাতে।  বরং বেশ ভালো লাগছে।

গত তিনদিন বাপের বাড়ি ছিলো ও।  আজ সেখান থেকেই কলেজে গেছে।  ভেবেছিলো আর দুই দিন থেকে আসবে,  কিন্তু কলেজ থেকে বেরোতেই মনে হলো অতদূর আর জার্নি করতে পারবে না।  তার চেয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরাটাই ভালো।

সুমনাকে বিদায় দিয়ে চন্দ্রিমা বাসে উঠে বসে।  শ্বশুরবাড়ি যখন এসে পৌছায় তখন সন্ধ্যা পার হয়ে গেছে।  পুরো বাড়ি অন্ধকার।  হয়তো কেউ নেই, শোভনের সাথে সকালেও কথা হয়েছে।  ও অফিসে আছে,  শাশুড়ি নিশ্চই কোথাও গেছে।  লোহার গেট ঠেলে বাড়িতে ঢোকে।  দুইপাশে ছোট ফুলের বাগানের মাঝখান দিয়ে গার্ডেন টাইলস বসানো রাস্তা।  ওদের বাড়িটা প্রায় দেড় বিঘা জমির উপরে।  বাড়ির পিছনে নানা ফলের গাছ, আর সামনে ফুলের বাগান।  ওর শাশুড়ির আবার বাগানের প্রতি বেশ মোহ।  মুলত ওর নেশাতেই বাড়িটা বেশ সাজানো গোছানো হয়ে আছে।

সন্ধ্যা হয়ে গেলেও চারিদিকে আবছা আলো এখনো আছে। বেশ ভালোই দেখা যাচ্ছে।  চন্দ্রিমা ব্যাগ থেকে চাবি বের করে দরজা খোলে।  কিন্তু খটকা লাগে দরজায়া খোলার পরেই।  শু র‍্যাকে সযত্নে রাখা শোভনের অফিস শু।  ওর দুই জোড়া অফিস শু, আর দুই জোড়াই একেবারে জ্বলজ্বল করছে।

চন্দ্রিমা একটু থমকে দাঁড়ায়।  শোভন অফিসে যায় নি আজ?  নাকি তাড়াতাড়ি ফিরে এসেছে? ও ভিতর দিকে তাকায়,  ভিতরে হালকা একটা আলো জ্বলছে।  কোথাও কোন আওয়াজ নেই...... যদিও শাশুড়ি থাকে নীচে আর ওরা থাকে উপরে দোতলায়।  চন্দ্রিমা জুতো খুলে রেখে নি:শব্দে ঘরে ঢোকে,  মাঝখানে বিশাল ডায়নিং কাম লিভিং রুম..... সেখানেই আলো জ্বলছে।  একপাশে শাশুড়ির ঘর দরজা বন্ধ।  তার মানে উনি নেই।


ব্যাগটা সোফায় ছুঁড়ে ফেলে টেবিলে রাখা জগ থেকে জল খায় ও।  তারপর সিঁড়ি বেয়ে উপরের দিকে ওঠে।  মনে হয় শোভন ঘুমাচ্ছে।  তাই কোন সাড়াশব্দ নেই।  এদিকে যে সন্ধ্যা হয়ে গেছে,, বাড়ির আলোগুলোও জ্বালে নি।  একেবারে ভুতুড়ে বাড়ি হয়ে আছে।  কিন্তু দোতলায় পা রেখেই একটা হালকা চাপা হাসির শব্দ কানে আসে।  মেয়েলি হাসি।  যেনো কেউ খিলখিলিয়ে উঠলো।  একতলার মতই দোতলাটাও একই রকম। মাঝখানে ডায়নিং স্পেস আর তার দুই পাশে দুটো বেডরুম।  একটাতে শোভন আর চন্দ্রিমা থাকে।  অপরটা কোন অতিথি আসলে ব্যাবহার করে।

ওদের বেডরুমের দরজা খোলা,  আলো আসছে ভিতর থেকে,  পাতলা পর্দা লাগানো,  যার কাছে গেলে অস্পষ্ট ভাবে ওপারের জিনিস দেখা যায়।  ঘরে বোধহয় ফ্যান চলছে যার জন্য পর্দাটা বেশ দুলছে।  চন্দ্রিমার সন্দেহটা প্রায় সত্যে পরিনত হচ্ছে মনে হচ্ছে।  ও বুঝতে পারছে যে ওর হার্ট বীট বেড়ে গেছে,  গা ঘামছে...... শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুতো হচ্ছে। খুব সন্তর্পণে ও পর্দার আড়ালে দাঁড়ায়।  পাতলা পর্দার গায়ে চোখ রাখতেই ওপারে দুটি মানব মানবীর চেহারা ফুটে ওঠে।  মানবটা যে শোভন সেটা একপ্রকার নিশ্চিত.... কিন্তু মানবীটা কে?  বিছানায় দুটো শরীর,  সম্ভবত নিরাবরন.....

চন্দ্রিমার শরীর থরথর করে কাঁপছে,  মেয়েটা কে?  পর্দার এপারে থেকে সেটা বোঝার উপায় নেই।  ওরা চাপা স্বরে কথা বলছে আর হাসছে।

হঠাৎ করেই মেয়েলি গলাটা জোরে বলে ওঠে,  " আহহহ....লাগছে,  এভাবে না..... হিহিহি "

সাথে সাথে চন্দ্রিমার পায়ের তলা কেঁপে ওঠে।ওর মনে হলো যে ওর চারিপাশে বড় কোন ভুমিকম্প হয়ে গেলো।  এই আওয়াজ ওর অতি পরিচিত,  অতি বলতে অতিই..... মানুষ যে এতো নিকৃষ্ট হতে পারে সেটা ও একবারো ভাবে নি।  ছি ছি ছি..... এর নাম নাকি ভদ্র সমাজ!  চন্দ্রিমার মনে হলো দরজা খুলে দৌড়ে গিয়ে ওদের দুজনকে সপাটে চড় মারে..... তোমরা কি মানুষ?  নাকি পশু?  কিন্ত পারে না.... সেখানে দাঁড়িয়েই ও থরথর করে কাঁপে, চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে,  ওকি অজ্ঞান হয়ে যাবে?  না না.... চন্দ্রিমা অনেক কষ্টে নিজেকে ধরে রাখে।  কিছুক্ষণ চোখ বুজে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করে,  কিন্তু চাইলেই কি শান্ত হওয়া যায়? যায় না..... দেওয়ালের সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে কাঁপা হাতে পর্দার একটা প্রান্ত ধরে সামান্য ফাঁক করে... সাথে সাথে ওর দুই চোখ বিস্ফারিত হয়ে যায়।

ওর বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে আছে সুমিত্রার আদরের বোন সুনেত্রা।  গায়ে কোথাও পোষাকের চিহ্নমাত্র নেই।  বুকের নীচে বালিশ দেয়া।  এক হাতের কনুইতে ভর দিয়ে সামান্য কাত হয়ে আছেন।

আর ওর পাশেই আধশোয়া শোভন।  ওরও শরীরে কোন পোষাক নেই।  লিঙ্গটা একবারে তীক্ষ্ণ শলাকার মতো খাড়া হয়ে আছে শোভনের অবস্থান ঠিক সুমেত্রার নিতম্বের কাছে,  ও সুনেত্রার নিতম্বের উপর আঙুল দিয়ে দাগ কাটছে...... সেই আঙুল আবার ঢুকে যাচ্ছে ওর গুপ্ত গ্বহরে। আর তখনি সুনেত্রা খিলখিল করে উঠছেন।


শোভন আর সুনেত্রা সম্পর্কে মাসী বোনপো..... সুনেত্রা বয়সেও শোভনের থেকে কম করেও বারো তেরো বছরের  বড়ো।  এদের মধ্যে এই সম্পর্ক?  চন্দ্রিমা যেনো অবাক হওয়ারও আর জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না।

শোভনকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে ও চরম উত্তেজনায় রয়েছে।  লিঙ্গটা একেবারে কাঠের মত শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।  মাথার চামড়াটা অর্ধেক নেমে আছে।

শোভন সুনেত্রার একটা পাছা ডলে দিয়ে আর একটাতে কামড় বসায়।  সুনেত্রার পাছাটা একেবারে ওর শাশুড়ির মতই লদলদে।  একটু চাটি মারলেই কেঁপে ওঠে। শোভনের কামড়ে সুনেত্রা " আহহ" করে ওঠে।

" উফফ....কামড়াচ্ছিস কেনো?  চাট.... ভালো করে চাট..... পুরো ফুটোটাও চাটবি... " সুনেত্রা আদেশ করেন।

শোভন নিজের লীঙ্গ হাতের মুঠোয় নিয়ে সেটার মুখ সুনেত্রার ভারী নিতম্বের বিভাজিকাতে মাঝে একটু ডলে দিয়ে বলে,  " এবার তো দাও...... অনেক সহ্য করেছি,  এ তো আর পারছে না। "

খিলখিল করে হেসে ওঠেন সুমেত্রা,  " ইশ..... এটাই তোর শাস্তি, কাজের মেয়েকে লাগানোর সময় মনে ছিলো না?  ছি : শোভন..... তোর ওটা আমার মুখে নিতেই ঘেন্না করছে,  কোথায় কোন মালতীর গুদে ঢুকিয়েছিস। "


" আমার দোষ? ...... তুমিই তো ব্যাঙ্গালোরে যাওয়ার আগে আমাকে অন্য কাউকে চুস করে নিতে বলেছিলে মনে নেই?  " শোভন কথাটা বলেই সুমেত্রার নিতম্বের দুই বিভাজকা ফাঁকা করে গুহ্যদ্বারে জীভ দিয়ে চাটতে থাকে।

" তাই বলে বস্তির মেয়েকে?  তুই জানিস ওদের কত রোগ বালাই?  আর কজনকে দিয়ে লাগায় ওরা?  " সুনেত্রা ধমকের সুরে বলে।

" সেতো তুমিও কর..... " শোভন কথাটা বলেই চুপ করে যায়।

সুমেত্রা হরিনীর মত  গ্রীবা ঘুরিয়ে ওকে দেখে মুচকি হাসেন,  " আমি কি এতোই বোকা?  রিতিমত প্রোটেকসান নিয়েই করি..... কন্ডোম ছাড়া কেউ আমার গুদে চান্স পাবে না,  একমাত্র তুই ছাড়া..... তবে এখন তোকেও দেবো কিনা ভাবতে হবে......"

শোভন কথা না বলে একমনে সুমেত্রার পাছা চাটতে থাকে,  সুনেত্রা চোখ বুজে মন্থন করছেন সুখ।  ওকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে চরম উত্তেজনার শিখরে আছেন উনি।  দুই হাতে বালিশ শক্ত করে চেপে ধরা।

" সুনেত্রার শরীর বেশ ভালোই প্রশংশনীয়। যথেষ্ট মেইন্টেন করা।  এই বয়সে এটুকু মেদ না থাকলে মানায় না সেইটুকুই আছে ওর শরীরে।  যথেষ্ট আধুনিকা মহিলা।  মাথার চুল সব রঙ্ করা,  ঘাড়ের কাছে একটা ট্যাটু।  আর পাছার খাঁজ যেখান থেকে শুরু হয়েছে সেখানে একটা ট্যাটু।


সুনেত্রা হঠাৎ করে শোভনকে ঠেলে সরিয়ে চিৎ হয়ে যান,  তারপর নিজের দুই পা দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে হাঁটু মুড়ে শুয়ে পড়েন..... শোভনের চুলের মুটি ধরে নিজের হাঁ হয়ে থাকা যোনীতে চেপে ধরেন,

" সেই কুড়ি বছর বয়স থেকে মানুষ করছি তোকে,  আজও না বললে পারিস না..... নে,  আগে চেটে রস বের করতো। " সুনেত্রা ধমকের গলায় বলেন

শোভন যেনো ওর পোষা কুত্তা।  যেভাবে বলছে ও সেভাবেই সুমেত্রাকে করছে। এখন যেমন নেড়ি কুত্তার মত জীভ বের করে সুনেত্রার ফোলা ফোলা ফাঁপা যোনীকে লম্বা লম্বা করে চাটছে।  আর সুনেত্রা ঠোঁটে দাঁত চেপে আরাম নিচ্ছেন।

সুনেত্রার একেবারে নির্লোম কামানো যোনী। দুটো ভারী উরুর মাঝে নরমপাউরুটির মত যোনী..... চেরাটা একটু বেশী দীর্ঘ।  চিৎ হয়ে থাকায় ওর বুক দুটো দেখা যাচ্ছে,  শিথিল ও বিশাল দুতো স্তন বুকের দুই দিকে এলিয়ে পড়েছে।  বোঁটা দুটো ঠিক কাবুলী আঙুরের মত কালো,  সেগুলো উত্তেজনায় শক্ত হয়ে আছে সেটা এখান থেকেও চন্দ্রিমা বুঝতে পারছে।

" আচ্ছা, খোকা..... চন্দ্রিমার সাথে তোর বনিবনা হয় না কেনো রে?  " সুনেত্রা আবার জিজ্ঞাসা করেন।

শোভন যোনী থেকে মুখ তুলে নিয়ে বলে,  " ও ঠিক আমার টাইপের না..... তোমার মত রাফ সেক্স ও পারবে না..... "

" দেখ.... তোর বিয়েটা দিয়েছিলাম একটা বাচ্চার দরকার এই পরিবারে তাই,  তাতে দিদিও খুশী হতো আর আমাদের এই ব্যাপার স্যাপারও চাপা থাকতো..... কিন্তু তুই মনে হচ্ছে ওকে ঠিক বাগে আনতে পারছিস না তাই না?...... পারবিই বা কিভাবে?  কাজের মেয়ের সাথে লটঘট করবি। "

" আহহ..... ছাড়ো না,  বারবার এক কথা কেনো তুলছো?  " শোভন বিরক্ত হয়।

" আমি ছাড়লেও মালতী তোকে ছাড়বে?  তিন বছর ধরে ওর গুদের মধু খেলি..... আজ ছেড়ে দিবি?  মাগী বস্তির ছেলে এনে মারবে তোকে। " সুনেত্রা বলেন।

শোভন দুই আঙুলে ওর যোনিদ্বার ফাঁকা করে ক্লিটটা জিভের ডগা দিয়ে ঘষছিলো,  সেটা থামিয়ে হাসে, " তাতে কি?  আমার মেশোমশায় পুলিশের কর্তা.... সেটা কবে কাজে লাগবে?  "

সুনেত্রা হেসে ফেলেন,  " ওরে শয়তান,  মাসীকে লাগাবি আবার তার বরকে দিয়েই কাজ মেটাবি?  দারুণ বুদ্ধি তো তোর...... ঠিক আছে যা, মালতী মাগীটাকে একটা কেসে ফাঁসিয়ে ভয় দেখিয়ে তাড়াতে হবে.... কদিন সময় লাগবে......উফফফফ....মাগো,  হ্যাঁ হ্যাঁ..... জীভ ঢোকা,  ঢোকা..... আরো। "সুনেত্রা শীৎকার দিয়ে ওঠে।


সুনেত্রা দুই পা শূন্যে তুলে দিয়েছেন আর তার মাঝে শোভন ওর যোনী চেটে চলেছে অভুক্ত কুকুরের মতো।

"আহহ....অনেকদিন পর দারুণ আরাম দিলি,  আয় এবার তোকে একটু দেখি। " সুনেত্রা উঠে বসেন।

শোভন এবার চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ে।  সুনেত্রা দুই হাঁটু গেড়ে নিজের পাছা উঁচু করে মুখ নামিয়ে আনে শোভনের লৌহবৎ দণ্ডের উপরে,  একেবারে পাক্কা বেশ্যা মাগীদের কায়দায় শোভনের অন্ডকোষ থেকে লিঙ্গাগ্র চাটতে আর চুষতে থাকে।  ওর বিরাট থলথলে দুটো বুক শোভনের থাইয়ের উপরে.....শোভন দুই হাত বাড়িয়ে সুনেত্রার পাছা খামচে ধরে আছে আর সেগুলোকে চটকাচ্ছে।


এই অবধি দেখে চন্দ্রিমা পর্দা ছেড়ে শান্ত হয়ে দাঁড়ায়,  এখান থেকে কি চলে যাবে ও?  এদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে আজ থেকে না,  শোভনের যৌনতার হাতেখড়িই বোধ হয় সুমেত্রার কাছে।  আর মালতীর সাথেও শোভনের শারিরীক সম্পর্ক ছিলো?  চন্দ্রিমার মনে হলো ও স্বপ্ন দেখছে না তো?  বাস্তব এতোটা জঘন্য হতে পারে কোনদিন?  ও চলে যেতে চেয়েও যেতে পারছে  না..... ভিতরে ওদের কথপকথন চলছে সেই সাথে যৌনতা।

" শোন এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম,  আর মালতীর ওই নোংরা গুদে যদি গেছিস তাহলে আমাকে তো পাবিই না, উলটে তোর মালতীও হাতছাড়া হবে। "

চন্দ্রিমা আবার পর্দা সরায়।  এখন বিছানায় ডগি স্টাইল চলছে।  সুমেত্রা হামু দিয়ে পাছা উঁচু করে আছে আর শোভন ওর পিছন দিয়ে ঢোকাচ্ছে..... সুনেত্রা যে চরম ভাবে তৃপ্ত সেটা ওর মুখ নিসৃত হালকা শীৎকারেই ধরা পড়ছে।


থপ...থপ...থপ.... শোভনের ধাক্কায় সুনেত্রার লদলদে ভারী পাছা একেবারে জলতরঙ্গের মত কেঁপে উঠছে। সুনেত্রা কনুইতে ভর দিয়ে মাথা নীচু করে আছেন।

এই দুই বছরের বিবাহিত জীবনে শোভনকে কোনোদিন এমন প্যাশনেট সেক্স করতে দেখে নি চন্দ্রিমা।  যেনো ওর চোখের সামনে পর্ন ফিল্ম চলছে..... দুটো অসম বয়সী নারী পুরুষের নির্লজ্জ উদ্দাম যৌনতা সব সীমারেখা ছাড়িয়ে গেছে।


চন্দ্রিমা পা বাড়াতে গিয়েও আবার উঁকি মারে,  ভিতরে পজিশন প্লাটে গেছে।  সুনেত্রা এখন চিৎ হয়ে দুই পা দুই দিকে ছড়িয়ে আছে। ওর দুই হাতে বিশাল দুই স্তন একত্রে ঠেসে ধরে যেনো পিষে ফেলতে চাইছে।  শোভন অর্জুনের লক্ষ্যভেদের মত নিজের লিঙ্গ সুনেত্রার যোনীতে গেঁথে দিয়ে কোমর তুলে চাপ দেয়..... চাপের মাত্রা বোধহয় বেশীই ছিলো,  সুনেত্রা ' আঁক' করে ওঠেন।  মুখটা কুঁচকে গিয়ে আবার খুশীতে ভরে ওঠে।

" সত্যি খোকা...... যত দিন যাচ্ছে তুই তত ম্যাচুওর হচ্ছিস,  আজকের প্রথম ঠাপটা দারুণ ছিলো....... একেবারে জরায়ুতে ধাক্কা খেয়েছে.... উফফ.... " সুনেত্রার গলায় প্রশংশা।  শোভন যেনো সুনেত্রার প্রশংশায় দ্বিগুণ উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

ঘরের এসি বন্ধ।  শিলিং ফ্যান চলছে ফুল স্পীডে।  যদিও তেমন গরম নেই তাও ওরা দুজনে ঘেমে জল হয়ে গেছে।  শোভনের কপাল বুক থেকে জল পড়ছে টপ টপ করে।  আর সুনেত্রার মসৃণ শরীর ঘেমে আরো চকচক করছে.......


চন্দ্রিমার গা গুলিয়ে ওঠে।  শরীর খারাপ লাগছে।  ও সরে আসে..... ধীরে ধীরে পা ফেলে সিঁড়ি বেয়ে একতলায় নেমে এসে সোফায় গা এলিয়ে দেয়।  মাথা পিছনে হেলিয়ে চোখ বুজে ফেলে,  দূরে চলে আসলেও শোভন আর সুনেত্রার উদ্দাম সেক্স যেনো এখান থেকেই দেখতে পাচ্ছে। চোখ বুজলেই ওদের ঘর্মার্ত নগ্ন দুটি শরীরের উদ্দামতা ভাসছে..... কি অসহ্য! চন্দ্রিমা নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করে....... কতক্ষণ এভাবে বসেছিলো খেয়াল নেই,  হঠাৎ করে চোখে উজ্বল আলো পড়ায় চোখ খোলে.... ওর সামনেই সুনেত্রা দাঁড়িয়ে, চন্দ্রিমা চমকে ওঠে...

সুনেত্রার চোখে বিস্ময় আর কৌতুহল,  " একি চন্দ্রিমা,  তুমি কখন এলে?  "

" এ... এ.. এই তো,  শরীরটা খারাপ লাগছিলো তাই একটু বসেছিলাম। " চন্দ্রিমা তোতলায়।

সুনেত্রা একটু সন্দেহর চোখে দেখে ওকে,  যেনো নিশ্চিত জতে চায় যে ও কিছু দেখে নি।  তারপর ওর কপালে একেবারে আদরের ভঙ্গিতে হাত দিয়ে বলে,  " আহারে.... একেবারে ঘেমে গেছো..... খুব খারাপ লাগছে?  একটু জল খাবে?  "

চন্দ্রিমা অবাক হয়ে যায়,  এখন সুনেত্রাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে কিছুক্ষণ আগেই এই পরিপাটি পোষাক পরা নম্র ভদ্র মহিলা নগ্ন শরীরে উদ্দাম যৌনতায় মেতে ছিলেন।

সুনেত্রা টেবিলে রাখা কাঁচের গ্লাস এ জল ঢেলে চন্দ্রিমার কাছে নিয়ে আসেন,

" নাও....একটু জল খাও। "

চন্দ্রিমা প্রবল রাগ হলো প্রকাশ করতে পারছে না। ও গ্লাসটা নিয়ে একটু জল চুমুক দিয়ে আবার সেটা সুনেত্রার হাতে দেয়... শোভনকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। ও সুনেত্রার চোখের দিকে তাকাতে পারছে না,  যদি ও বুঝে ফেলে যে চন্দ্রিমা সব দেখেছে....

" আপনি কখন এলেন?  "

সুনেত্রা জলের গ্লাস টেবিলে রেখে ফিরে এসে চন্দ্রিমার পাশে বসে,  " এই তো একটু আগেই এলাম..... দিদি নেই, দেখে তোমাদের সাথে দেখা করবো বলে উপরে গেলাম....... দেখি খোকা একা শুয়ে আছে... "

চন্দ্রিমা উঠে দাঁড়ায়,  " আপনি কি বেরিয়ে যাবেন?  "

সুনেত্রা একবার ওর দিকে তাকিয়ে তাড়াতাড়ি বলেন, " হ্যাঁ গো..... আমাকে আবার একটা সোসাল ফাংশন এটেন্ড করতে হবে..... পরে আসবো... কেমন? "

চন্দ্রিমা মাথা নাড়ে।  সুনেত্রা ঘুরে যেতে গিয়েও আবার দাঁড়িয়ে পড়ে,  এক পা কাছে এগিয়ে বলে, " শোন..... বয়স তো বেশী না,  আই ভিএফ করে নাও.... আমার পরিচিত ক্লিনিক আছে, সাক্সেস রেটও ভালো.... খোকার যে এই সমস্যা দেখা দেবে কে জানে বলো?  "

উনি আর না দাঁড়িয়ে বেরিয়ে যান।  চন্দ্রিমা স্থির ভাবে তাকিয়ে থাকে ওর যাওয়ার পথের দিকে।




আজ ক্লাসে একেবারে মন বসছে না।  থার্ড পিরিওডের পর একটা অফ পিরিওড আছে।  চন্দ্রিমা অনেক কষ্টে তিনটে পিরিওড শেষ করে স্টাফরুমে এসে যেনো একটু শান্তি পায়।  এখন সেখানে দুই তিনজন বসে আছে।  যার মধ্যে রমাদি আর সুচরিতা দি বয়ষ্ক.... আর আছে রবীন দা।  রবীন দা একটু পরেই বেরিয়ে গেলে প্রায় সাথে সাথেই সুমনা এসে ঢোকে।

চন্দ্রিমার পাশে ধপ করে বসে পড়ে।  চন্দ্রিমা চুপ করে থাকে,  কথা বলার খুব বেশী ইচ্ছা করছে না আজ,  সুমনা গলায় ঠান্ডা জল ঢালতে ঢালতে আড়চোখে চন্দ্রিমার অবস্থা পড়ে নেয়।

" কি কেস রে? মরা লাউগাছের মত নেতিয়ে আছিস কেনো?  "

চন্দ্রিমা বিষণ্ণ হেসে আবার চুপ করে যায়।  সুমনা ওর হাতে একটা ছোট্ট চিমটি কাটে,  " কিরে?  কথা কানে যাচ্ছে না?  কি হয়েছে?  "

" কিছু না " সংক্ষিপ্ত উত্তরে দিয়ে টেবিলে মাথা নামায় ও।

সুমনা চাপা গলায় বল,  "ন্যাকামো ছাড়.... কি প্রবলেম সেটা বল তো বাল। "


চন্দ্রিমা চোখ তুলে তাকায়।  ওর চোখ লাল টকটকে।  জলের ধারা চোখ ভেদ করে বেরোবে বেরোবে করছে।  সেদিকে দেখেই সুমনা অবাক হয়ে যায়।

" এই দাঁড়া দাঁড়া..... কেস তো জটিল মনে হচ্ছে,  সারা রাত কেঁদেছিস নাকি?  একরাতে মুখে রাত্রি জাগার ছাপ পড়ে গেছে। "

চন্দ্রিমা রুমালে চোখ মুখে নাক টানে।

" থাক এখন ক্লাস টা আগে শেষ কর..... ছুটির পর বাইরে কোথাও বসবো,  একদ্ম পালাবি না। "


বর্ষকাল হলেও আজ আকাশ পুরো পরিষ্কার।  ঘন নীল আকাশ, মাঝে মাঝে সাদা তুলো তুলো মেঘ.... আকাশ আভাস দিচ্ছে যে শরৎ এসে গেছে।  সাড়ে চারটের পর রোদ একটু পড়ে এসেছে। একবারে ঝকঝকে রদ্দুর।  চন্দ্রিমার কলেজের কাছের এলাকাটা বেশ ভালো।  একবারে শান্ত শিষ্ট নিরিবিলি।  একটু এগিয়ে গিয়েই বাসস্টপ।  এইটুকু ওরা হেঁটেই যায়।  ছুটির পর সুমনা আর চন্দ্রিমা পাশাপাশি হাঁটতে থাকে।  এতক্ষণেও চন্দ্রিমা।একটাও কথা বলে নি।

সুমনা নিজের কনুই।দিয়ে ওকে খোঁচা মারে,  " কিরে মৌনব্রত ভাঙবি তো নাকি?  এবার কিন্তু বেশ বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। "

চন্দ্রিমা এদিক ওদিক তাকিয়ে বলে,  " চল না বাস্টপের পাশে একটা ক্যাফে আছে,  এখন ফাঁকাই আছে বোধহয়। "

সুমনা ঘড়িটা দেখে বলে,  " ওকে,  চল।"

ছোট্ট ক্যাফেটা পড়ন্ত বিকালে একেবারে ফাঁকা।  ফ্যাফের মালিক একজন বসে বসে রিলস দেখছিলো,  ওদের দেখে বলে,  " বসেন ম্যাডাম.... কি দেবো?  "

মাত্র চারটে টেবিল,  পাশে প্লাইএর পার্টিশন দেওয়া। সাধারণ প্লাস্টিকের চেয়ার টেবিল... ওরা একটা টেবিলে বসে।

" দুটো কফি আর চিকেন পকোড়া হবে?  "

দোকানি ঘাড় নাড়ে  লম্বা করে।

" আচ্ছা তাহলে এক প্লেট দেবেন। " সুমনা মন দেয় চন্দ্রিমার দিকে।  চন্দ্রিমা টেবিলে কনুই রেখে কপালে হাত টিপে বসে আছে।


" নে শুরু কর " সুমনা একটু ঝুঁকে আসে। চন্দ্রিমা সেই ভাবেই কিছুক্ষণ বসে থাকে।  তারপর ঠোঁট নাড়ায়,  " কিভাবে বলি বল তো?  "

" উফ.... ভাই তুইও না.... আচ্ছা সমস্যা কি শোভনদাকে নিয়ে?  "

চন্দ্রিমা মাথা নাড়ে।

" কি ব্যাপার?  কোন আফেয়ার্স আছে?  মেসেজ দেখেছিস?  মেয়েটা কে?  " সুমনা এক নিশ্বাসে বলে যায়।

" সেক্স করতে দেখেছি। "

" মানে?  " সুমনার মাথাতে যেনো বাজ পড়ে।

চন্দ্রিমা কালকের ঘটনা পুরোটা এক বারে বলে যায়।  কোথাও থামে না।  এর মধ্যেই কফি আর পকোড়া এসে গেছে।  সুমনা একটা পকোড়া তুলেও সেটাকে হাতে ধরেই হাঁ করে শুনে যাচ্ছে।

" তুই কিছু করলি না?  "

চন্দ্রিমা নাক টানে,  " কি করবো?  "

" পাড়ার লোক ডেকে ধরিয়ে দিয়ে একটু ক্যালানী তো খাওয়াতে পারতি.. " সুমনা ফেটে পড়ে।

হঠাৎ এতো কিছুর মধ্যেও চন্দ্রিমার হাসি পেয়ে যায়।  ও সুমনাকে বলে,  " আচ্ছা,  সাত্যকি দা যদি তোকে পাড়ার লোক ডেকে ক্যালানী খাওয়ায়? "

সুমনা সবে পকোড়া মুখে ঢুকিয়েছিল।  ওর কাশি উঠে যায়।  তাড়াতাড়ি জল খেয়ে ও চোখ গোল করে তাকায়,  " সত্যি রে চাঁদু,  ব্যাপারটা তো সেম,  তাই না?  এটা তো ভাবি নি। "

চন্দ্রিমা আবার মাথা নীচু করে।  সুমনা একটু চুপ করে থেকে বলে,  " দেখ ভাই,  তুই আর আমি এক না..... তুই একেবারে নিষ্কলঙ্ক লক্ষীপ্রতিমা...... তোর সাথে এটা করাটা অত্যন্ত অন্যায়,  আমি নিজেও মানি যে সাত্যকির কাছে আমিও অপরাধী.... তবুও। "


" দেখ চন্দ্রিমা, মানুষ দুই ধরনের হয়,  এক আমার মত,  যারা প্রেম অতো বোঝে না শুধু শরীরের চাহিদা পুরণ দরকার,  সে তার পছন্দের পার্টনার খুঁজে নেয়...... আর এক ধরন তোর মত,  যারা প্রেম ভালোবাসা করে তারপর শরীরের চাহিদা নিয়ে ভাবে.... বাস্তবে আমি আর শোভনদা একই ক্যাটাগোরির..... তুই সুন্দরী,  সেক্সি,  শিক্ষিতা.... কিন্তু শোভনদা সেটা চায় না,  ও চায় সেক্সি,  হর্নি মেয়ে..... ওর টাইপের সাথে ম্যাচ করবে। "

চন্দ্রিমা চুপ করে শুনছে।  সুমনা আবার বলে, " আমার মনে হয় তোর এতে ভেঙে পড়ার কিছু নেই, এমনিতেও শোভনিদা তোর টাইপের না, তুইও ওকে ভালোবাসিস না..... হুঁ, তোর ইগোতে অবশ্যই লাগার কথা,  কিন্তু সেটা বাদ দিলে এটা তোর কাছে সুযোগ ওকে ছেড়ে আসার। "

" ছেড়ে দেবো?  কি বলিছস?  " চন্দ্রিমা একটু অবাক হয়।

" হ্যাঁ দিবি..... তুই সুন্দরী ও শিক্ষিতা.... কেনো আদ্যিকালের মেয়েদের মত শত লাঞ্ছনা সহ্য করে শ্বশুর বাড়ি পড়ে থাকবি?  তোর টাইপের কাউকে খুঁজে নে..... লাইফটা উপভোগ কর.... দেখবি ভালো থাকবি। "

চন্দ্রিমার মাথায় সুমনার কথাটা আঘাত করে, " সত্যিই তো,  শোভনের প্রতি ওর কোন ভালোবাসা নেই,  না শোভন ওকে ভালোবাসে...... শুধু বড়লোক বাড়ির বৌ হয়ে থাকার জন্য এগুলো মেনে নিয়ে নিজের জীবনকে নষ্ট করার মানে নেই...... আসলে ভালোবাসা না,  কাল ওর কষ্টের কারণ ছিল ওর ইগো..... বরং শোভনকে ছেড়ে নতুন ভাবে জীবন শুরু করাটাই হয়তো বুদ্ধিমানের কাজ.....

চন্দ্রিমা সুমনার হাত নিজের হাতে নেয়,  " জানি না রে.....একটু সময় লাগবে ভাবতে.... সব কিছু আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। "


সুমনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চন্দ্রিমা বাসে ওঠে।  সত্যি বলতে শোভনের কাছ থেকে সরে যাওয়ার কথা ভাবতেই ওর মধ্যে সুন্দর একটা হালকা অনুভব হচ্ছে,  এতোদিন ওই পরিবারে একটা চাপা পরিবেশে থাকতো ও,  সেখানে যেনো কোন খোলা বাতাস ছিলো না...... আজ মনে হচ্ছে স্বাধীন ভাবে থাকার ভাবনাতেও দারুণ সুখ আছে......


বাসে আজ বেশ ভীড়।  চন্দ্রিমা ঠেলেঠুলে ভিতরে ঢোকে।  একটা সিটের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখে সেখানে পলাশ।  মানে টা কি?  লোকটার সাথে বারবার কেনো এভাবে দেখা হয়ে যাচ্ছে?  পলাশ বসে বসে ঝিমোচ্ছে।  ওলে দেখে নি।  ভীড়ের চোটে চন্দ্রিমার তলপেট পলাশের ডান বাহুতে স্পর্শ করছে,  চাপ লাগছে।  পলাশ চোখ খুলে উপরের দিকে তাকাতেই দেখে চন্দ্রিমা,  মুকজের মধ্যে কৌতুকের হাসি। ও ঝট করে উঠে দাঁড়ায়,  " আরে আপনি?  বসুন। "

" আরে না না..... আপনি বসুন.... আমি দাঁড়িয়েই যাই। " চন্দ্রিমা ওকে নিরস্ত করতে চায়।

" আরে বসুন তো...... শুধু কথা বাড়ান কেনো?  "

চন্দ্রিমা আর কিছু বলে না,  সিটে বসে যেতেই পলাশ ওর জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ে।  এতোক্ষণ চন্দ্রিমার তলপেট পলাশের শরীরে লাগছিলো,  ও বসতেই এমন চাপ আসে যে পলাশ সেঁটে যায় ওর ডান বাহুর সাথে।  পলাশের পুরুষাঙ্গের গোপন উপস্থিতি নিজের শরীরে উপলব্ধি করে চন্দ্রিমা।  পলাশ নিজেও বুঝতে পেরেছে,  তাই ও চেষ্টা করে  চন্দ্রিমা আর ওর মধ্যে যাতে একটু ফাঁক থাকে।

কিন্তু বাসের ক্রমবর্ধমান ভীড়ের চাপে সেই চেষ্টা খুব বেশী কাজ দেয় না..... একটা সময় চন্দ্রিমার শরীরের সাথে ওর নিম্নাঙ্গ প্রায় পিষে যায়। চন্দ্রিমারও পাশে সরার উপায় নেই,  ও সব বুঝেও না বোঝার ভান করেই বসে থাকে।

পলাশ চন্দ্রিমাকে মাথার উপর থেকে দেখতে পাচ্ছে।  আজ ও খুব বেশী সাজে নি।  একেবারেই প্রসাধনহীন।  তবুও ওর চেহারার উজ্জ্বলতা কোথাও কমতি নেই।  স্নিগ্ধ  উজ্জ্বল শ্যামলা শরীর.....ওর উদ্ধত যুবতী স্তনের উর্ধাংশ সামান্য দৃশ্যমান।  বক্ষ বিভাজিকা শুরু হয়েই গভীর অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।  পলাশ মুগ্ধ হতে থাকে।  সম্পূর্ণ অনাবৃত নারী শরীরের থেক এই আংশিক অনাবৃত যৌণ উঁকি যেনো অনেক অনেক বেশী উত্তজনাকর।  সম্পূর্ণ অনাবৃত মানে সেখানে কোন কল্পনা বা গোপনীয়তা নেই,  কিন্তু এখানে নিজের কল্পনাকে মিশিয়ে যেমন খুশী বানানো যায়......... পলাশ নিজের কল্পনায় চন্দ্রিমার আড়ালে থাকা বাকি টুকু ভেবে নিলো....

কি জ্বালা, এই ভাবনা যে ওকে বিব্রত করবে সেটা ভাবে নি একবারও।  চন্দ্রিমার শরীরে সেঁটে থাকা অবস্থাতেই ওর পুরুষ অঙ্গ সাড়া দিতে শুরু করে।  পলাশ দাঁত চেপে প্রানপনে নিজের ভাবনাকে অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করেও বিফল হচ্ছে।  চোখের সামনে ওই নিটোল বক্ষ বিভাজিকা ওকে কাবু করে ফেলেছে। 

পলাশ পিছন দিকে ঠেলে নিজেকে চন্দ্রিমার স্পর্শ থেকে দূরে নিয়ে যেতে চায়। 

" ও দাদা, এভাবে পোঁদ দিয়ে ঠেলছেন কেনো?  "

অসন্তুষ্ট আর শালীনতাহীন ভাষা শুনে পলাশ ঘুরে তাকায়,  একটা বেঁটে আর কালো লোক ওর ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে।  পলাশের কাঁধে নীচে ওর মাথা,  সে চোখ উঁচু করে পলাশকে দেখছে।

পলাশ গলা নামিয়ে ছেলেটার যতটা সম্ভব কাছে মুখ নিয়ে বলে,  " সামনে সিটে লেডিস। "

ছেলেটা খিক করে হেসে ফেলে,  " দাদার বান্টু কি গরম হয়ে গেছে নাকি?  "

পলাশের ইচ্ছা করে সাঁটিয়ে মারতে,  কিন্তু চুপ করে থাকে।  ছেলেটা ওর কাঁধের উপর দয়ে উঁকি মেরে লেডিস কে  দেখতে চায়।

" উরি বাবা..... সেই মাল তো দাদা,  আপনার দোষ নেই,  হি হিহি। " খুব চাপা স্বরে বলে বিচ্ছিরি ভাবে হাসে ও।


হঠাৎ বিকট আওয়াজ করে বাসটা দাঁড়িয়ে যায়,  একদিক সামান্য কাত হয়ে পড়ে।  লোকজন ভয় পেয়ে চেঁচামেচি জুড়ে দেয়।  কণ্ডাক্টআর তাড়াতাড়ি নেমে যায়, সাথে উৎসাহী কয়েকজন পাবলিক। 

" দাদা সবাইকে নামতে হবে..... টায়ার গেছে। " বাইরে থেকে কন্ডাকটারের আওয়াজ শুনে সবাই একে একে নেমে আসে।

" কি ভাই,  ঠিক হবে?  নাকি অন্য বাস দেখবো?  " পলাশ জিজ্ঞেস করে।

" হবে দাদা,  মিনিট দশ পনেরো লাগবে,  তাড়া থাকলে অন্য বাসে চলে যান। " কন্ডাকটার যন্ত্রপাতি বের করতে করতে বলে।  বেশীরভাগ লোকই অন্য গাড়ি দেখছে।  চন্দ্রিমাও নেমে এসেছে।

" কি করবেন?  " পলাশের দিকে তাকিয়ে বলে ও।

পলাশ এদিক ওদিক দেখে বলে,  " তাড়া যদি আপনার না থাকে দাঁড়িয়ে যান,  আবার অন্য বাসে ভীড় হবে। "

চন্দ্রিমা কিছু না বলে একটা দিকে তাকায়,  " চলুন,  একটু চা খেয়ে আসি। "

একটু দুরেই একটা গুমটি মত দোকান।  সামনে ত্রিপলের ছাউনি।  পলাশ বলে, " খারাপ না..... চলুন। "

ওদের দুজনের মধ্যে প্রাথমিক জড়তা অনেকটাই কেটে গেছে।  চন্দ্রিমা প্রায় পলাশের গা ঘেঁষেই হাঁটছে।  মাঝে মাঝে ওদের স্পর্শ হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যা প্রায় নেমে এসেছে।  দুটো চা নিয়ে ওরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই খাচ্ছে।  বসার জায়গা নেই এখানে।  কিন্তু কপাল খারাপ।  চায়ে দুটো চুমুক দিতেই ঝেঁপে বৃষ্টি নামে।  একেবারে মুষল ধারায়।  দোকানের সামনে ছোট্ট ছাউনির পক্ষে এই বৃষ্টি আটকানো সম্ভব না...... বলতে বলতেই ভিজে একসা হয়ে যায় দুজনে।  এর মধ্যে কাছাকাছি কোথাও সশব্দে বাজ পড়তেই কারেন্ট অফ হয়ে যায়।

তুমুল বৃষ্টির মাঝে ঘুটঘুটে অন্ধকার।  দোকানী মোমবাতি জ্বালাতে চাইলেও পারে না,  হাওয়ায় সেটা নিভে যায়।  এদিকে চন্দ্রিমা পলাশের হাত আঁকড়ে ধরেছে।  ওর বাম স্তন পলাশের হাতে চেপে আছে।  এই পরিস্থিতেও পলাশের শরীরে শিহরন জাগে।  স্তন না রাবারের বল?  সুমিত্রার স্তন ছিলো তুলতুলে নরম,  কিন্তু এগুলো একেবারে কঠিন অথচ নরম....... চন্দ্রিমা হয়তো চিন্তায় আছে বলে খেয়াল করছে না। 

" ইশ..... এবার কি করবেন?  বাস্টাও তো ঠিক হলো না। " চন্দ্রিমা করুন গলায় বলে। 

" হয়ে যাবে,  ভিজে তো গেছিই...... তা ছাড়া এই ঝটিকা বৃষ্টি এখনি থেমে যাবে।  চিন্তা করবেন না। "

চন্দ্রিমা কি বুঝলো কে জানে।  ও আরো শক্ত করে পলাশের হাত পেঁচিয়ে ধরে।  উচ্চতায় চন্দ্রিমা পলাশের থেকে ইঞ্চিতিনেক কম.....

এর মধ্যে দোকানী মোবাইলে লাইট জ্বালিয়ে বাড়িয়ে ধরে।  সেই আলোতে দেখে চন্দ্রিমার বৃষ্টিস্নাত স্নিগ্ধ রূপ....যেনো বৃষ্টিতে ভেজা গোলাপের মত,  ভেজা চুল বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে,  পাতলা ঠোঁটদুটো তিরতির করে কাঁপছে..... দুই চোখ মারাত্বক ভাবে নিস্পাপ আর মায়াবী।  শাড়ী ভিজে লেপ্টে গেছে ব্লাউজের সাথে... সেই ঈষৎ বক্ষ বিভাজিকা এখন অনেকটা দৃশ্যমান....


এই প্রথম পলাশের মনে হলো চন্দ্রিমা যদি ওর হতো তাহলে আর কাউকে চাইতো না ও। কাউকে না।
Reply
#9

পর্ব-৯


রাত আটটা নাগাদ পলাশ বাস থেকে নামে।  বাসস্টপে মুকুন্দদার চায়ের দোকান বেশ ফেমাস। পলাশ ওর বরাবরের খরিদ্দার।  বৃষ্টিতে ভিজে জামা প্যান্ট এখনো জ্যাব জ্যাব করছে।  চুল প্রায় শুকিয়ে এসেছে। ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা প্রবল।  তবুও পলাশের মন একটা হালকা খুশীতে ভরে আছে।  সুমিত্রার সাথে সেক্স এর পর ও ওর মন এতোটা প্রফুল্ল হয় নি যতটা আজ চন্দ্রিমার সংস্পর্শে এসে হয়েছে।  কাল রাতে শ্বশুরের হুমকির পর রাতটা বেশ অস্বস্তির মধ্যেই কেটেছে।  এই বিয়েটা যেনো গলার ফাঁস হয়ে গেছে।  বাবা মা আর মেয়ের মাঝে পড়ে ওর নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।  যদিও ডিভোর্সটা একটা মুক্তির পথ...... তবুও মেয়ের মুখ চেয়ে ওর ডিভীর্স এ মত নেই।  তাছাড়া ওর শ্বশুর বিজনেস্ম্যান..... খুব সহজে পলাশকে ছেড়ে দেবে সেটাও ভাবার কোন কারণ নেই।  বাবা মেয়ে মিলে কি ঘোঁট পাকাচ্ছে সেটা জানার উপায় নেই।

একটা প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে পলাশ বলে,  " মুকুন্দ একটা চা কড়া করে। "

মুকুন্দ ওকে দেখে বলে, " আরে দাদা, পুরো ভিজে গেছো,  দাঁড়াও একটু আদা দিয়ে চা বানিয়ে দিই। "

পলাশ কৃতজ্ঞতার চোখে তাকায়,  " দিবি?  দে তাহলে ভালো হয়। "

মুকুন্দ চা বানাতে বানাতে বলে,  " দাদা কি এখান থেকে চলে যাচ্ছো?  "

পলাশ একটু চমকে ওঠে,  " কেনো রে?  "

মুকুন্দ গামলায় একটু চা ফেলে বলে,  " না বিকালে বৌদি আর ওনার বাবা এসেছিল..... সাথে একজন খরিদ্দার। তাকে আমি চিনি.... আমার দোকানে বসে চা খেলো..... উনিই বলছিলো যে তোমাদের ফ্লাটটা কিনবে বলে দেখতে এসেছে..... আমি তো অবাক,  দাদা তো আমাকে কিছু বলে নি। "

পলাশ একটু চুপ করে থেকে বলে, " ফ্লাটটা তো আমার না.... আমি কি বলবো?  যাদের ফ্লাট তারা জানে। "

মুকুন্দ বুঝে যায় এর মধ্যে কোথাও গোলমাল আছে।  তাই ও আর কথা বাড়ায় না।  চা বানিয়ে পলাশের হাতে দেয়।  হাজার হোক,  কারো ব্যাক্তিগত পারিবারিক সমস্যা যেচে না বললে যে জিজ্ঞাসা করাটা শোভনীয় না সেটা মুকুন্দ জানে।  তাই চুপ করে যায়...

পলাশ একটু অবাক হয়।  এর মধ্যেই ওরা ফ্লাট বেচারও খরিদ্দার খুঁজছে?  তাহলে কি পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই হচ্ছে?  পলাশ জানতো না? এখন মনে হচ্ছে ওর চোখে ধুলো দিয়ে বাপ মেয় মিলে অনেক আগে থেকেই কোন খেলা খেলছে।  যার আভাষ ও ঘুনাক্ষরেও পায় নি।  না হলে হঠাৎ কাল ডিভোর্সের প্রসঙ্গ উঠলো কেনো? 

ও আর বসে না।  চাটা শেষ করে ব্যাগটা তুলে ফ্লাটের দিকে হাঁটতে থাকে।  ভেজা রাস্তায় দুটো কুকুর ঘুমানোর জায়গা খুঁজছে।  না পেয়ে পলাশের দিকে করুন দৃষ্টিতে তাকায়।  পলাশ মনে মনে ভাবে,  " তোদের মত আমারো আর থাকার জায়গা নেই...... আজকের পর এই ফ্লাটে আর থাকার কোন মানে নেই।

লিফট এ উঠতেই উপরের ফ্ল্যাটের মিসেস বোস এর সামনে পড়ে যায়। এই ফ্লাটে সব থেকে বেশী মেলামেশা ওদের সাথেই। রনজয় বোস সরকারী কলেজের প্রফেসার,  ওর স্ত্রী মিসেস শিউলি বোস..... খুবই খোলামেলা ধরনের মানুষ।  বয়স প্রায় চল্লিশ.... আধুনিকা হলেও পোষাক আশাক বেশ মার্জিত। সেই সাথে কথা বার্তাও খুবই ভালো।  বরাবর পলাশকে নাম ধরেই ডাকেন।  আজও তার ব্যাতিক্রম নেই,  ওকে দেখেই উনি ব্যাস্ত হয়ে বলেন,

" একি পলাশ, তোমরা নাকি এই ফ্লাট বিক্রি করে দেবে?  আমাকে সোনালী বললো,  ওকে বিদিশা বলেছে? "

শিউলির এই কৌতুহল নিবারন করতে গেলে অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। যার বিন্দুমাত্র ইচ্চাহ নেই। তাই ও সংক্ষেপে বলে,  " আসলে বিদিশার এতো দূর থেকে বুটিক দেখাশোনা করাটা সমস্যা হচ্ছে তো... "

শিউলি একটু চিন্তিত মুখে বলেন,  " হ্যাঁ সেটা তো ঠিক,  ছোট বাচ্চা...... দেখো,  তোমরা ছিলে ভালো লাগত।"

এর মধ্যেই লিফট পলাশের ফ্লোর এ দাঁড়াতেই ও বলে, " বৌদি,  পরে কথা হবে তাহলে..... আসি। "

" হ্যাঁ.... এস....." তারপর বলেন,  " বিদিশা তো নেই,  একা একা কি করবে?  এসো না ফ্রেশ হয়ে আমার ঘরে..... চা আর রাতের খাবার খেয়ে ফিরো,  তোমার দাদাও নেই আজ। " ওনার আমন্ত্রনে কোন কৃত্তিমতা নেই সেটা পলাশ জানে।  আসলে একাকী ফ্লাটে থাকতে থাকতে উনি বোর হয়ে যান,  একথা আগেও অনেকবার বলেছে।  কিন্তু এই মূহুর্তেএ ওনাকে সঙ্গ দেওয়ার মত মানসিক অবস্থা পলাশের নেই একেবারেই।

পলাশ শুকনো হাসে,  " আজ থাক বৌদি..... শরীরটা খুব টায়ার্ড। "

লিফট বন্ধ হয়ে যায়।  পলাশ ক্লান্ত পায়ে হেঁটে দরজা খোলে। বাঁদিকে হাত বাড়িয়ে সুইচ টিপে লাইট জ্বালায়।  জুতো খুলে ব্যাগটা রেখে সোফাতে বসে পড়ে। আজকেই শেষ রাত এই ফ্লাটে।  কাল একটা জায়গা খুঁজতে হবে।  না পেলে কদিন চেম্বারেই শোয়ার ব্যাবস্থা করে নেবে। তাও এখানে থাকবে না.... পুরো ফ্লাট জুড়ে বিদিশা আর ওর বাবার টাকার অহঙ্কারের দুর্গন্ধ.... ঘৃণা হচ্ছে পলাশের। 

শব্দ করে ওর ফোন বেজে ওঠে।   বিরক্তি নিয়ে পকেট থেকে ফোন বের করে।  স্ক্রীনে বিদিশার নাম।

" বলো। "

বিদিশা যেনো তৈরি হয়েই ফোন করেছে।  ধরার সাথে সাথেই ওপাশ থেকে সটান জিজ্ঞাসা, 

" কি ভেবেছো?  মিউচুয়ালে আসবে নাকি কোর্ট এ যাবে?  "

পলাশ গলায় অসন্তোষ নিয়ে বলে,  " আচ্ছা বিদিশা.... তোমরা কেনো এমন করছো বলতে পারো?  মেয়েটার কথা ভাববে না?  "

" এই শোন..... আমাকে জ্ঞান দিতে এসো না.... আমার বাবা অনেক আশা নিয়ে তোমাকে জামাই করেছিলো,  তুমি কোন দায়িত্ব পালন করেছো?  আর মেয়ের কথা ভাবতে হবে না তোমাকে....... মেয়ে বাবা মার কাছে খুব ভালো থাকে,  এমনিতেও তোমার সামর্থ্য নেই মেয়েকে মানুষ করার। " বিদিশা ঝাঁঝিয়ে ওঠে।

বিদিশার সাথে কথা বলাটাই ভুল, তবুও ও চেষ্টা করে" তাই বলে এভাবে ডিভোর্স করতে হবে?  ডিভোর্স না করেও তো তুমি নিজের মত থাকতে পারো....।"

" উফফ.... তোমাকে পুরোটা না বললে আর হচ্ছে না,  তাহলে শোন..... শান্তনু কে তুমি হয়তো চেনো না,  শান্তনু রিসেন্টলি বাবার কাজে এতো ভালো সাহায্য করছে আর ও আমাকে বিয়ে করে বাবার ব্যাবসায় নিজেকে পুরোপুরি ইনভলভ হতে চায়....... "

এতোক্ষণে পলাশের সামনে নাটকের পুরোটা যেনো মঞ্চস্থ হলো।  তার মানে এতোদিন ধরে বিদিশা আর শান্তনুর সম্পর্ক আড়ালে আবডালে শাখা প্রশাখা মেলেছে। এখন তারা পুর্ণ বৃক্ষের মর্জাদা চায়..... তাই জন্যেই এতোদিন ধরে একটু একটু করে প্রতিদিন অপমান করে করে পলাশকে একপ্রকার বিছিন্ন করেছে বিদিশা নিজের থেকে......

" তার মানে তুমি আবার বিয়ে করবে?  " একটা বিষণ্ণ হাসে ও।

" এতে অবাক হওয়ার কি আছে?  এই প্রথম কেউ দ্বিতীয় বিয়ে করছে নাকি?  তুমি চাইলেও করতে পারো,  তোমার পছন্দ মত কোন টিপিক্যাল বাঙালী বধু..... যে তোমার মতই হাঁ ঘরের হবে।"

সরাসরি বিদিশার এই কটাক্ষ এড়িয়ে যায় ও। বিদিশার সাথে তর্ক করা একেবারেই বৃথা।  প্রয়োজনহীন।

" আচ্ছা বিদিশা একটা কথা বলো তো, তোমার এই পরিকল্পনা কি আদৌ হঠাৎ?  নাকি অনেক দিন থেকেই এটা চলছে?  "

" তোমাকে এতো কিছু বলার প্রয়োজন আমি মনে করিনা পলাশ....... বাজে কথা ছেড়ে কাজের কথায় আসো। " বিদিশা রুক্ষ ভাবে বলে।

ও না বলতে চাইলেও এইটুকু জিনিস বোঝার সামর্থ্য পলাশের ভালোই আছে। বিদিশার বাবা যখন সব ভেবে নিয়েছেন তখন আর ওদের ডিভোর্স না হয়ে উপায় নেই।  ও গ্রাহ্যহীন ভাবে বলে,  " ঠিক আছে,  তোমার যা ইচ্ছা করো..... আমি বাধা দেবো না। "

" আর বাবা চাইছে তাড়াতাড়ি আমাদের ডিভোর্সটা হয়ে যাক,  দুই একদিনের মধ্যে বাবার উকিল তোমার কাছে যাবে,  সই টই গুলো করে দিও। "

পলাশ ফোন কেটে দেয়। যাক বিদিশার উদ্দেশ্যটা তাহলে বোঝা গেলো।  এই শান্তনু ছেলেটা কে?  ওকি আগে দেখেছে?  সেদিন পার্টিতে বিদিশা যে দুটো ছেলের সাথে কথা বলছিলো তাদের মধ্যে কেউ কি?  কে জানে?  খোঁজ নিতে হবে। ওদের বিয়ের আগে বিদিশার বাবা এমন কোন শর্ত রাখেন নি যাতে পলাশ স্বাধীন ভাবে তার মত কাজ করতে পারবে না, আজ সেই অজুহাতে ওরা পলাশের সংসার ভাঙছেন যে ও বিদিশার ইচ্ছামত চলছে না....


রাত একটা বাজে।  পলাশ বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলো।  ঘুম আসছে না একেবারেই।  মাথার মধ্যে নানা চিন্তা ভাবনা কলকাতার সন্ধ্যার ট্রাফিকের মত জট পাকিয়ে গেছে।  কোনটা ছাড়াতে গিয়ে কোনটাকে খুলে ফেলছে জানে না...... কতগুলো ঘটনা এই দুই দিনে ঘটে গেলো।  অপরিচিত কারো সাথে মিলন,  গাড়িতে সুমিত্রার সাথে উদ্দাম যৌনতা,  বিদিশার ডিভোর্স চেয়ে হুমকি,  আর চন্দ্রিমার সাথে বৃষ্টিস্নাত স্নিগ্ধ সন্ধ্যা.... সব জায়গায় যেনো ভালোমন্দ মেশানো.....কভি খুশী তো কভি গম....

বড়ো চার ব্লেডের শিলিং ফ্যানটা সজোরে ঘুরছে।  তার হাওয়া ঝাপটা মারছে।  বাড়িতে একা থাকলে এসি চালায় না ও।  আজ বৃষ্টির পর এই হাওয়াটাও ঠান্ডা লাগছে।  খালি গায়ে একটা শর্ট প্যান্ট পরে শুয়েছিলো ও।  মনে হচ্ছে গায়ে কিছু চাপাতে হবে।  হাত বাড়িয়ে বেডশীটিটা খুঁজতে যাবে ঠিক তখনই মেসেজের শব্দ। ফোনের ডিস্প্লে লাইটটা জ্বলে ওঠে। এতো রাতে আবার কে মেসেজ করলো? 

ফোনটা নিয়ে নোটিফিকেশান বার নামাতেই দেখে অচেনা নাম্বার।  ট্যাপ করতেই চ্যাট বক্স ওপেন হয়ে যায়।

মেসেজে শুধু লেখা,  " আবার কবে দেখা হবে?  "

পলাশ ডিপি টা ট্যাপ করে। একটা শাড়ী পরা মহিলা। পিছন ফিরে,  যার মুখ দেখা যাচ্ছে না।  খোলা চুল পিঠে ছড়িয়ে আছে। এভাবে কাউকে চেনা যায়?  ও টাইপ করে

" কে আপনি? "

ওপাশে হাসির ইমোজি,  "ভুলে গেলে এতো তাড়াতাড়ি?  "
এসব হেঁয়ালি পলাশের ভালো লাগছে না।  ও লেখে, " আমরা কি আগে মিট করছি?  আমি চিনতে পারছি না। "

এবার স্যাড ইমোজি আসে,  " আমাদের মিলন তো অনেক গভীর ভাবে হয়েছে..... মনে কর। "

" না মনে পড়ছে না.... আপনি বলুন,  না হলে আমি রাখলাম,  ঘুমাবো।"

" আমার ঘুম কেড়ে নিয়ে তুমি ঘুমাবে? ছি : এতো স্বার্থপর তো তুমি না পলাশ। "

মাঝ্রাতে এসব কি ন্যাকামো?  কেই বা করছে?  যেই করুক উদ্দেশ্য ভালো না।  ও বিরক্তি নিয়ে লেখে " উফফ..এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে "

" বাড়াবাড়ি কোথায় করলাম? শুধু বলছি একটা মেয়ে হয়ে সব বলতে হবে আমাকে?  তোমার কি কিছুই মনে নেই "

"না আমার কিছু মনে পড়ছে না.... হয় পরিচয় দিন,  না হলে রাখুন। "

হাসির ইমোজি ,  " আচ্ছা আচ্ছা..... সেদিন না চিনেও যাকে আদরে ভরিয়ে দিয়েছিলে,  সে কিন্তু তোমাকে চিনে ফেলে...... আর চেনে বলেই তোমার কাছে সে নিজেকে সঁপে দেয়..... যার শরীরকে তোমার ওই হামান দিস্তা দিয়ে দুরমুশ করলে.... আমিই.... "

হঠাৎই পলাশের হার্টবীট বেড়ে যায়।  বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে কপালে।  সেদিন বিদিশার বাবা মায়ের বিবাহবার্ষিকিতে সেই মায়াবিনী কামসঙ্গিনী,  যাকে সুমিত্রা ভেবে কামপিপাসা মেটায়..... সে জেনেশুনেই নিজেকে ওর হাতে সঁপে দিয়েছিলো? কিন্ত পলাশ কেনো তাকে চিনতে পারে নি?  আর ওর সব ঠিকানা ঠিকুজী জানা সেই রহস্যময়ীর পরিচয়ই বা কি?  পলাশের কিছুই মাথায় ঢুকছে না।

পলাশ নিজেকে শান্ত করে, " দেখুন,  সেদিন যেটা হয়েছে ভুল বোঝাবুঝি..... আমি অন্য কেউ ভেবে নিয়েছিলাম আপনাকে..... প্লীজ ভুলে যান,  আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। "

" কিন্তু আমি তো ভুলতে পারছি না পলাশ..... তোমার ওই কঠিন পুরুষ যন্ত্র আমার দুই পায়ের মাঝে এখনো নাড়া দিচ্ছে...... তাকে পেতে চাইছে যে। " মহিলার গলার স্বরে প্রবল কামার্ততার প্রকাশ।  এভাবে কাউকে কথা বলতে ও কোনদিন শোনে নি...... এই মধ্যরাতে কোনো এক রহস্যময়ী মায়াবিনীর ব্লাকমেলের স্বীকার হতে হবে সেটা ও একেবারেই ভাবে নি.....

পলাশ বুঝতে পারে যে ভালো ঘোঁট পেকে গেছে। ও তাও আবার বলে,  " আমি বুঝতে পারছি, কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি আপনাকে অন্য কেউ ভেবে নিয়েছিলাম,  অন্ধকারে আমি জেনেবুঝে কিছু  করি নি। " পলাশের কথাগুলো বানের জলে ভেসে যাওয়া অবস্থায় খড়কুটো ধরে বাঁচতে চাওয়ার মত শোনায়।  পলাশের নিজের কানেই নিজের কথাগুলো অদ্ভুত ভাবে অবিশ্বাস্য লাগে...

একটু চুপ করে থেকে বলেন " আচ্ছা আমার শরীর কি তোমার ভালো লাগে নি?  লেগেছে বলেই তো আমাকে নিয়ে মেতে উঠেছিলে বলো?..............  আমার সব তোমাকে দেবো পলাশ....... শুধু আমার শুকনো নদীতে যে জোয়ার এসেছে তাকে আটকাতে বলো না।

" এসব কি বলছেন আপনি?  এটা একেবারেই অসম্ভব। "পলাশ কাতর গলায় মিনতি করে।

" কেনো সম্ভব না?  শুধু আমি আর তুমিই সাক্ষী থাকবো এই গোপন অভিসারের.... আমায় বিশ্বাস করো পলাশ,  তোমার বীর্য্যে আমি আবার নিজেকে ভেজাতে চাই.....জানো কতদিন তোমার মত কারো বীর্য্যে ভেজে নি আমার নারী অঙ্গ?  "

" প্লীজ..... আপনি একটু বোঝার চেষ্টা করুন। " পলাশ যেনো ওকে থামাতে চায়।  যে প্রবল কামঝড়ের প্রবনতা দেখা যাচ্ছে তাকে এখনি না থামালে পলাশ উড়ে যাবে এতে। 

" না করবো না.....দেখো না এখন কতো রাত হয়েছে, অথচ আমার পিপাসার্ত শরীর তোমার কথা ভেবেই ঘুমাতে চাইছে না....আমার গোপন জায়গাগুলো তোমার ছোঁয়া চাইছে..... সেদিন জোর করে নিলে, আর আমি যেচে পথ খুলে দিয়েছি তাও ফিরিয়ে দেবে আমাকে?  "

পলাশের মনে হচ্ছে খাঁ খাঁ রদ্দুরে প্রবল তৃষ্ণার্ত কোন পথিক যেভাবে এক ফোঁটা জল ভিক্ষা চায়, সেভাবেই উনি ওর কাছে যৌনতার ভিক্ষা চাইছেন। 

" আচ্ছা.... আপনি নিজের নামটা কেনো বলছেন না?  আড়ালে থাকার মানে টা কি?  "

" কে বলল আমি আড়ালে থাকবো?  একবার তুমি আমাকে কাছে টেনেই দেখো না........ তবে তার আগে বলবো না..... "

" যদি না ডাকি?  কি করবেন?  ব্লাকমেল?  " পলাশ সোজাসুজি বলে।

একটু সময় ওপাশে নীরবতা।  বোধহয় ভাবছেন,  তারপর আবার typing.....

" না...... পলাশ,  আমি তোমাকে খুব কাছের থেকে জানি,  জানি তুমি খুব কষ্টে আছো..... আমি এতোটা খারাপ না...... আমি তোমার ভালোবাসা পেতে চাই, তোমার বন্ধু হতে চাই,  তোমাকে আমার সব সঁপে দিতে চাই..... কিন্তু প্রতিশোধ স্পৃহা যে আমার নেই যে.... "

এবার পলাশ ধাক্কা খায়।  এতোক্ষণ একে কোন এক রহস্যময়ী ভাবছিলো যে ওকে ব্লাকমেল করতে চাইছে..... কিন্তু এর কথাতে যেনো নিসঙ্গতার কোন এক করুন আর্তি ধরা পড়ছে,  সরাসরি একে প্রত্যাখ্যান করাটা অন্যায় হবে...... আর কিছু না হোক,  অন্তত বন্ধুত্বের মাধ্যমে তো একটা সূচনা করা যেতেই পারে।

" আচ্ছা..... আমি আপনার বন্ধু হতে চাই..... আপনার জীবনের নিসঙ্গতা কাটাতে চাই, কিন্তু বাকিটা.... "

" সত্যি! ...... এসো না তাই হোক,  আমার পিপাসার্ত মন আগে ভিজুক..... শরীর না হয় পরেই ভিজবে... কি বলো?  "

" এবার তো নাম বলা যায়?  "

" বলবো.....অপেক্ষা করো,  পর্দা ধীরে ধীরে উঠবে.... কথা দিলাম,  বেশীদিন রহস্যময়ী হয়ে থাকবো না... "


" আমি কি নামে চিনবো আপনাকে?  " পলাশ বলে।

" কুহেলী..... কেমন নামটা?  " হাসির ইমোজী।

" সত্যিই কুহেলী...... " পলাশ হাসির ইমোজী দেয়। 

" আচ্ছা তুমি ঘুমাও.....আমি না হয় তোমার কথা ভেবেই বাকি রাতটা কাটিয়ে দিই...... সেইদিনের সুখস্মৃতি রোমন্থন করি?  "

পলাশ কি বলবে ভেবে পায় না, " আচ্ছা রাখি, গুড নাইট.... "

" শুভরাত্রি...... "




সন্ধ্যার অনেক পরে বৃষ্টী থামলে সুমিত্রা ধীর পায়ে ছাদে এসে দাঁড়ান। একটা ভেজা বাতাস বইছে।  বেশ ঠান্ডা লাগছে তাতে।  বাগান সুমিত্রার প্রাণ। ছাদে প্রায় নিজের হাতেই একটা বাগান বানিয়েছেন।  সেখানে মরশুমি ফুল থেকে নানা ফলের গাছও আছে। নিজের ছেলেমেয়ের মিত ভালোবাসা আর আদরে এদের লালন করেন তিনি। আজ সন্ধ্যার বৃষ্টির পর গাছগুলো বেশ তাজা লাগছে।  সুমিত্রা আদর করে  ওদের পাতায় পাতায় হাত বুলিয়ে দিয়ে কার্নিশের ধারে এসে দাঁড়ান।  এখান থেকে বাড়ির মেন গেট দেখা যায়।  উনি দাঁড়ানোর কিছুক্ষণ পর চন্দ্রিমা ঢোকে গেট খুলে। উনি তাকিয়ে থাকেন ওর দিকে...... এতো রাত কোনদিন তো হয় না চন্দ্রিমার। 


মেয়েটা এখনো জানে না খোকার কির্তীর কথা।  জানলে আবার কি শুরু করবে কে জানে?  এমনিতেই শিক্ষিত মেয়ে,  তার উপর অতোটা নরম সরম না..... নাহ,  খোকাকে মালতীর থেকে দূরে রাখতে হবে।  মালতীকে এখনো কাজে আসতে বলেন নি,  আজকেও ফোন করেছিলো। ভাবছেন দুইমাসের মায়না এডভান্স দিয় বিদায় করে দেবেন। কিন্তু বাইরে যদি খোকার সাথে ওর সম্পর্ক তৈরি হয় তবে?  মনিটাও কি যে করছে কে জানে?  কোন কিছুই তো বলছে  না। 

সুমিত্রা অস্থির মনে একটু হাঁটাহাঁটি করেন। এখন রাতে বাড়িতে হাউজকোট পরেন।  নিজেকে আমূল বদলে ফেলতে চাইছেন।  গতকাল পার্লারে গিয়ে নিজের রূপচর্চা করে এসেছেন। স্কীন থেকে  শুরু করে হাত পায়ের নখ,  মাথার চুল সব কিছুই একেবারে পরিচর্যা করা..... এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে পার্লারে যেতে হবে।  এই আধুনিক সমাজে যৌবন ধরে রাখার কৌশল না নিলে বুড়ি হয়ে যাবেন...... ওর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, সেখানে ওর আগের জীবন অতীত।

কাল আয়নায় নিজেকে দেখে নিজেই অবাক হয়ে গেছিলেন।  হালকা ঢেউখেলানো একমাথা চুল,  তাতে হালকা রঙের ছোঁয়া।  গা আর মুখের ত্বক একেবারে মসৃণ, যেনো মাছি বসলে পিছলে যাবে... …কে বলবে উনি পঞ্চাশের দোর গোড়ায়?  পার্টিতে সবাই বেশ অবাক হয়েই গেছিলো ওর এই নতুন রূপ দেখে।

" দিদি.... ব্যাস্ত আছেন?  " পিছন থেকে গলার আওয়াজ শুনে চমকে তাকায় সুমিত্রা।  পিছনে বীরেন দাঁড়িয়ে।  গায়ে ঢোলা শার্ট, চোখে প্লাস পাওয়ারের চশমা, ঢোলা প্যান্ট আর চপ্পল পড়া।  মাথায় পাতলা চুল উলটে আঁচড়ানো। দাঁড়ানোর ভঙ্গীটা কেমন কুঁজো মতন।

" একি বীরেনদা বাড়ি যাননি এখনো?  "

বীরেন কাঠের পুতুলের মত মাথা নাড়ে। হাত দুটো দুই পাশে স্থির।  কেমন যেনো অসংলগ্ন লাগছে আজ বীরেনকে। বীরেন এই বাড়ির বহু পুরাবো ড্রাইভার।  সুমিত্রার বিয়ের আগে থেকেই ও এখানে কাজ করছে।  আগে ড্রাইভারীর সাথে বাজার ঘাট করা এসবও করতো,  আজকাল শুধু ড্রাইভারীই করে।  খোকা অনেকবার ওকে বিদায় করে নতুন ড্রাইভার নিতে বল্লেও সুমিত্রা রাজী হয় নি।  তার কারণ,  এক বীরেন অনেক দিনের পরিচিত আর বিশ্বাসী।  সেই সাথে মায়না বাড়ানোর খুব বেশী দাবী করে না।  এই বাজারেও দশ হাজারে দিব্যি সারা মাস কাজ করে।  কারন একা মানুষের আর খরচ কোথায়?  তাছাড়া এতো পুরানো মানুষকে হঠাৎ করে বয়স হয়েছে বলে তাড়ানোও তো যায় না।

" আপনি কি নেশা করেছেন?  " সুমিত্রা ভ্রু কুঁচকে বলে।

বীরেন জীভ বের করে সেটা দাঁতে কাটে। সেই সাথে মাথা দোলায় পেন্ডুলামের মতো করে, " ছি ছি.... দিদি,  নেশা না..... নেশা না.... এই একটুখানি দেশী, এক গেলাস.... হে হে। "

" বাড়ি যাও বীরেন না। " সুমিত্রা গম্ভীর স্বরে বলে। 

" কি হবে বাড়ি গিয়ে? ...... সেই হাত পুড়িয়ে সেদ্দ ভাত করো,  তারপর খেয়ে পোঁদ উলটে ঘুমাও। "বীরেন হাত উল্টায়।

সুমিত্রা এভাবে বীরেনকে কোনদিন কথা বলতে দেখে নি।  বরাবর চুপচাপ আর শান্তশিষ্ট ও।  আজ কি নেশার ঘোরে এসব বকছে? 

" ঠিক আছে, আমি দুশো টাকা দিচ্ছি,  বাইরে থেকে খেয়ে যাও। "

" লাগবে না দিদি.... টাকা আমার লাগবে না..... " ও আবার মাথা নাড়ায়। 

" তাহলে কি?  কিছু বলবে?  " সুমিত্রা অধৈর্য্য হয়ে পড়েন। কি জ্বালা এইসব বুড়োদের নিয়ে। কি চায় কে জানে? 

বীরেন একটু থামে। ঘাড় ঘুরিয়ে পিছনে দেখে।  তারপর পায়ে পায়ে এগিয়ে আসে সুমিত্রার দিকে৷ সুমিত্রার এক হাতের মধ্যে এসে দাঁড়ায়।  ওত গা থেকে দেশী মদের দূর্গন্ধ বেরোচ্ছে।  সুমিত্রার গা গুলিয়ে ওঠে। 

বীরেন সোজা সুমিত্রার দিকে তাকায়।  ওর চোখ দুটো অন্যরকম আজ। সেখানে প্রতিদিনের নীরবতা নেই।  যেনো কোন গভীর লালসা ঠিকরে বের হচ্ছে।

" কি হলো?  এতো কাছে আসলে কেনো?  দূর থেকে কথা বলো। " সুমিত্রা একটু জোরেই সাথেই বলেন।

বীরেন সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে বলে,  " জানো দিদি... সেই যেদিন তুমি এই বাড়ির বৌ হয়ে এলা..... আহা কি রূপ,  একেবারে স্বর্ণ প্রতিমা..... আমি তখন পঁয়ত্রিশের,  তোমার ওই সোনার রূপ,  কলসীর মত পাছা.....ডালিম ফলের মতো দুটো বুক.....  আহা দেখেই আমার মন ভরে যেতো..."

"এসব কি আজেবাজে বকছো বীরেন দা?  " সুমিত্রা অবাক হয়ে চেঁচিয়ে ওঠে।  এমন অসভ্যতামী ওর সাথে কোনদিন করেনি বীরেন,  আজ কি হলো?  সেই সাথে আপনি থেকে তুমিতে নেমে এসেছে।

বীরেন ওসবে পাত্তা না দিয়ে নিজের মত বলে চলে,  " কতদিন ভেবেছি...একদিন তোমার ন্যাংটো রূপ দেখবো,  তোমাকে সামনে বসিয়ে তোমাকে দেখে দেখে আমার শরীর কে শান্ত করবো....... কিন্তু সেই সুযোগ কোনদিন আসে নি.... "

" তুমি যাও এখান থেকে বীরেন দা। " সুমিত্রা অসহ্য ভাবে চেঁচিয়ে ওঠে।  লোকটাকে বেশী প্রশ্রয় দিয়ে ফেলেছে।  না হলে ওর সামনে মদ খেয়ে এসব অসভ্যতামী করার সাহস পায় কিভাবে?

বীরেন হাত তুলে সুমিত্রাকে থামতে ইশারা করে।  তারপর নিজের প্যান্টের পকেট হাতড়ে মোবাইল ফোন বের করে আনে।  কমদামী স্মার্ট ফোন।  যেটা গত বছর সুমিত্রাই ওকে কিনে দিয়েছিলো।  মালতী ওকে চালানো শিখিয়ে দেয়।  ফোনটা হাতে নিয়ে সেটাকে খুলে গ্যলারী থেকে একটা ভিডিও চালিয়ে সুমিত্রার সামনে ধরে....

সাথে সাথে সুমিত্রার হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে।  কান মাথা গরম..... মনে হচ্ছিলো ও মাথা ঘুরে পড়ে যাবে।  স্ক্রিনে কাল রাতে পলাশের সাথে উদ্দাম যৌনতার ছোট্ট ভিডিও।  জানালার কাঁচের আড়াল থেকে তোলা।  সুমিত্রা কাপড় গোটানো। দুই থাইএর মাঝে পলাশের হাত ওর যোনিকে মন্থন করছে.... আর সুমিত্রার শরীর উত্তল ঢেউ এর মত ফুলে ফুলে উঠছে।


বীরেন একটু হেসে মোবাইল পকেটে পোরে,  তারপর আবেগের গলায় বলে,  " আমি তিরিশ বছর ধরে তোমার এই নরম শরীরকে নিয়ে কত কিছু ভেবে গেলাম, আর আজ তুমি একটা পুঁচকে ছেলেকে দিয়ে দিলে?  কেনো দিদি?  বড়োবাবু যখন মরে গেলো তখনও আমার শরীরে অনেক জোর ছিলো,  আমি চেয়েছিলাম তুমি আমাকে ডাকবে. …......আর আজকে..... না গো আমার পাওনা আমি চাই... "

" এতোদিন আমাদের বাড়িতে পালিত হয়ে আজ আমাকে এভাবে ব্লাকমেল করছো তুমি ?  " সুমিত্রা কাঁপা কন্ঠস্বরে অবিশ্বাস।

" চুপ মাগী... " বীরেন হঠাৎ দাঁত মুখ খিঁচিয় ওঠে,  " পালিত? ..... তোর জন্য আমার জীবন শেষ.... "

" আমার জন্য?  " সুমিত্রা অবাক হয়ে তাকায়।

বীরেনের রাগ যেনো তুঙ্গে,  " হ্যাঁ হ্যাঁ..... শালী,  তোর ওই গতর দেখে আমি আর কিছু চাইতে পারলাম না,  ঠিক হওয়া বিয়েটাও ভেঙে দিলাম...... শুধু তোর গতরটা একদিন চাই বলে..... এই কম টাকার কাজ ছাড়তে পারলাম না...... শুধু তোর জন্য....আমার জীবনে কিচ্ছু হলো না...... আর তুই এই গতর ছেলের বয়সী ছেলেকে দিয়ে দিবি? .... "

সুমিত্রার হাত অয়া ঠক ঠক করে কাঁপছে।  একি বিপদে পড়া গেলো? 

" প্লীজ বীরেন দা তুমি যাও এখন, তুমি সুস্থ না। "

বীরন হঠাৎ আবার নরম হয়,  সুমিত্রার আরো কাছে এগিয়ে আসে,  " যাবো গো যাবো.... তার আগে আমার এতো দিনের সাধ পুরোন করবে না গো?  দেখো না আজও তোমার ডাকে কেমন সাড়া দেয় সে.... দেখো। "

বীরেন সুমিত্রার হাত ধরে টেনে আনে।  সুমিত্রা এতোক্ষোন আধা অন্ধকারে খেয়াল করে নি,  বীরেন প্যান্টের চেন খুলে নিজের লিঙ্গ বাইরে বের করর এনেছে।  সুমিত্রার হাতে ও নিজের লিঙ্গ ধরিয়ে দেয়।  সুমিত্রা যেনো ছ্যাঁকা খান।  একি! এযে অবিশ্বাস্য!!  রোগাসোগা বীরেনের এটা কি?  এ যে লৌহদণ্ড..... এতো কঠিন আর গরম হয়ে আছে..... সুমিত্রা কি করবেন সেই বোধবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন।  বীরেন ওর হাত দিয়ে সুমিত্রার হাতকে নিজের পুরুষাঙ্গের উপর চেপে রেখেছে।

একটা বোঁটকা গন্ধ বের হচ্ছে বীরেনের অপরিষ্কার লিঙ্গ থেকে। কিন্তু ভয় সুমিত্রা হাত সরাতে পারছেন না।

একদিকে দেশী মদের গন্ধ,  অন্যদিকে অপরিষ্কার লিঙ্গের গন্ধে সুমিত্রার বমি হওয়ার যোগাড়।  ও কোনমতে সহ্য করে যাচ্ছে। বীরেনকে যতটা দূর্বল ভেবেছিলো ততটাও না,  ব্যাটার হাতে মারাত্বক জোর।

" প্লীজ বীরেন দা...... আজ থাক,  আজ বাড়ি যাও তুমি। "সুমিত্রা কোনমতে বীরেনকে বাড়ি পাঠাতে চাইছে।  পরে বোনের সাথে আলোচনা করে একে টাইট দিতে হবে।  কিন্তু ও যেনো কোন কথা শুনবে না বলেই ঠিক ক্ক্রে এসেছে।

বীরেন নেশাগ্রস্ত, নাছোড়বান্দা...... সুমিত্রার প্রায় মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসে,  ওর গলার নীচে স্তনের খাঁজ এ নাক ডুবিয়ে গন্ধ নেয়,

" আহহ....কি সুন্দর গন্দ গো তোমার বুকে।"

সুমিত্রার গা আরো গোলাচ্ছে।  ওর হাতে এখনো ধরা বীরেনের পুরুষাঙ্গ,  তার মাথা থেকে পিছল রস বেরচ্ছে আর সেগুলো সুমিত্রার সদ্য ম্যানিকিওর করানো সুন্দর হাতে মাখছে.....

সুমিত্রা স্থানুর মত দাঁড়িয়ে।  জাঁদরেল সুমিত্রা যেনো হঠাৎ কাঠের পুতুলের মত হয়ে গেছে।  বীরেন ওর হাউজ কোটের ফিতা খুলে দিয়েছে,  সামনের দিক উন্মুক্ত।  ভিতরে ব্রা থাকলেও নেই প্যান্টি।  সুমিত্রা অনেকদিন প্যান্টি পরেন না।  

বীরেন বিভোর হয়ে সুমিত্রার নরম মাখনের মত পেট এ হাত বোলাচ্ছে।  শিরাজাগা হাতের শক্ত কড়া পড়া আঙুল যেনো কাঠের মত খসখসে।  সুমিত্রা অনুভব করে ওর হাতের আঙুলগুলো তলপেট বেয়ে নেমে যাচ্ছে জানুন্ধির ত্রিকোন ভূমিতে।  ওর পাতলা কেশ এ হাত বুলিয়ে আরো নীচে সুড়ঙ্গের মুকজে এসে স্থির হয়,  সুমিত্রা পা জোরা করে চেপে ধরেন।  যোনীমুখ বন্ধ.... বীরেনের কড়া পড়া আঙুল উপরের চেরাটা বরাবর ঘষছে,  সুমিত্রা এখন হাত সরিয়ে নিয়েছে,  কিন্তু বীরেন ওর আর এক হাত দিয়ে নরম।মাংসল পশ্চাৎদেশ খাবলে ধরেছে।

ওর গলায় ঘাড়ে নিজের মুখ ঘষছে ও।  ওর খোঁচা খোঁচা দাড়ি কাঁটার মত বিঁধছে সুমিত্রার শরীরে।  ওর কড়া পড়া আঙুল সুমিত্রার শুষ্ক যোনীর বোধহয় ছাল তুলে দেবে।  পাগলের মত ওর আঙুল ভিতরে যেতে চাইছে,  কিন্তু
সুমিত্রা দুই পা চেপে সে রাস্তা বন্ধ করে রেছেছেন।

বীরেন এবার বোধহয় বিরক্ত হয়ে ওঠে।  সুমিত্রার হাউজ কোট দুই পাশ দিয়ে নামিয়ে দিয়ে ব্রা ধরে টেনে নামায় নীচে।  

গলা থেকে ওর মুখ নেমে আসে সুমিত্রার স্তনে। দুই স্তনের  মাঝখানে নিজের মুখ ঘষে।  সুমিত্রা ছাড়া পেতে চাইছে কিন্তু এ যেনো ছোটখাটো অক্টপাশের মত ওকে পেঁচিয়ে ধরেছে....

ওর দুই থাই এর মাঝখানে সজোরে হাত ঢুকিয়ে দেয় বীরেন। যেনো সেগুলোকে খোলার জন্যই।  সুমিত্রা পা আলগা করে দিতেই আঙুল ঢুকে যায় ওর যোনীতে,  কিন্তু শুকনো যোনীতে ওর আঙুল ঢোকায় প্রবল যন্ত্রনা হতে থাকে......


এর। মধ্যেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে চাঁদ উঠে গেছে।  তার জ্যোৎস্নায় বীরেনকে পরিষ্কার দেখতে পায়।  বীরেন নিজের প্যান্ট কোমর থেকে নামিয়ে দিয়েছে।  সেটা অয়ায়ের কাছে গুটিয়ে পড়ে আছে। আর বীরেনের দীর্ঘ পুরুষাঙ্গ একেবারে সাপের মত মাথা দোলাচ্ছে।  

বীরেন হাত পেতে " থক " করে এক খাবলা থুথু হাতে নেয়,  তারপর সেটাকে নিজের লীঙ্গে মাখিয়ে লিঙ্গকে নিজের হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরে।  তারপর সেটা সুমিত্রার যোনীর খাঁজ বরাবর রেখে চাপ  দিতে থাকে।  সুমিত্রার মনে হলো মুগুর ঢোকানোর চেষ্টা করছে কেউ। এতোদিন ধরে কাজ করা বীরেনের মনে যে এইসব ছিলো সেটা ঘুণাক্ষরেও টের পান নি।  আজ একটা ভুলেই ও নিজের এতো বছরের আঁশ মেটানোর সুযোগ পেয়ে গেছে।

সুমিত্রা হাল ছেড়ে দিয়েছেন। ওর শরীর আর প্রতিরোধ করতে পারছে না।  বীরেন সর্বশক্তি দিয়ে ওর প্রায় শুকনো যোনীতেই পুরুষাঙ্গ ঢোকানোর বিফল চেষ্টা করে চলেছে।  সুমিত্রার মনে হচ্ছে ওর যোনীর ছাল উঠে যাবে..... জ্বালা করছে।

বীরেন শক্ত ভাবে ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কোমর দোলানোর চেষ্টা করছে।  সুমিত্রা বাধ্য হয়েই ওর দুই কাঁধ ধরে নিজের টাল সামলাচ্ছেন।  

" একী মা..... এসব কি হচ্ছে?  "

একটা আর্ত চিৎকারে ওরা দুজনেই চমকে ওঠে।  একটু দূরেই দাঁড়িয়ে আছে চন্দ্রিমা।  ওর দুই চোখ বিস্ফারিত।  যেনো নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে পিছন ঘুরে দৌড়ে নীচে নেমে যায় চন্দ্রিমা।  সুমিত্রা বুঝতে পারেন যে যা সর্বনাশ হওয়ার হয়ে গেছে।  আর পথ নেই।  এতোক্ষোন বীরেন মাথাব্যাথার কারণ ছিলো এখন চন্দ্রিমাও জুড়লো তার সাথে।

বীরেনও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়ে নিজের প্যান্ট তুলে কোমরে আঁটছে।  সুমিত্রা কোনমতে হাউজ কোটের ফিতা বাঁধতে বাঁধতে নীচের দিকে দৌড় দেন.......
Reply
#10

পর্ব-১০



চন্দ্রিমার ঘরের সামনে অনেক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করেও ব্যার্থ হয়ে একসময় হাল ছেড়ে দেয় সুমিত্রা।  এই মূহুর্তে চন্দ্রিমা ওর সাথে যে একেবারেই কথা বলতে চাইছে না সেটা বোঝাই যাচ্ছে।  কিন্তু যত তাড়াতাড়ি চন্দ্রিমাকে বশে আনা যাবে তত মঙ্গল। একবার বাইরের কাউকে জানিয়ে দিলে সর্বনাশ।  সুমিত্রার আশেপাশে একটা নাম আছে,  এই ঘটনা জানাজানি হলে ও যতই লুকানোর চেষ্টা করুক একটা বড়ো সম্মানহানি হবে।এমনিতেও খোকা আর মালতীর ব্যাপারটা নিয়ে ও টেনশনে আছে,  মালতী কাজের মেয়ে,  কাল ও চারিদিকে রটিয়ে বেড়াবে,  সেই সাথে সুমিত্রার এমন ঘটনাও যদি জানাজানি হয়ে যায়? ...... ভয়ে আর দুশ্চিন্তায় ওর হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে।  প্রায় ১০ মিনিট ধরে দরজা ধাক্কানোর পরেও চন্দ্রিমা সেটা খোলে না। বাধ্য হয়ে সুমিত্রা ঘুরে দাঁড়ান।

ঠিক তখনি উপর থেকে সিঁড়ি বেয়ে বীরেন নেমে আসে।  ওকে দেখেই গা জ্বলে যায় সুমিত্রার।  কিন্তু এই মূহুর্তে ওকে কটু কথা শোনালে হীতে বীপরিত হবে।  ওর কাছে যে ভিডিওটা আছে সেটা প্রচারিত হয়ে যাবে।  দাঁটে দাঁত চেপে সুমিত্রা বীরেনের দিকে তাকিয়ে থাকে।  বীরেন সোজা সুমিত্রার কাছে এসে দাঁড়ায়।

সুমিত্রা দেখে বীরেনের তাকানো পুরো চোরের মত। ইতিউতি চেয়ে সুমিত্রার কানের কাছে ফিস্ফিস করে বলে,  " ঘরে চলো,  বৌ তো জেনেই গেছে..... আমরাই বা বাকিটা ফেলে রাখি কেনো? " নিজের প্যান্টের কাছটা হাত দিয়ে কচলে কু ইশারা করে বীরেন।

সুমিত্রা একটা গালাগালি দিতে গিয়েও চুপ করে যায়।  রাগ শান্ত করে বলে, " প্লীজ বীরেন দা...... কাল চন্দ্রিমা বেরিয়ে গেলে এসো..... এভাবে আজ আর ভাল লাগছে না। "

বীরেন গদগদ হয়ে বলে,  " আহা,  তুমি যে নিযে থেকে আমাকে টাইম দিলে এতেই আমি খুশী গো...... আচ্ছা আজ থাক,  কাল টাইম মতো আসবো..... তুমি তৈরী থেকো "

সুমিত্রা লম্বা করে ঘাড় নাড়ে।  মনে মনে বলে, একবার বেরো এখান থেকে,  আজ রাতেই তোর ব্যাবস্থা করছি।

বীরেন যেতে গিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ায়,  " শোন..... কোন চালাকি কোরো না,  আমার সাথে চালাকি করলে ভিডিওটা মোড়ের মাথার ওই সাইবার ক্যাফের ছোঁড়াটাকে দিয়ে দেবো। "

নিজে দাঁট বের করে একটু হেসে বেরিয়ে যায়।  সুমিত্রা তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে ঢোকেন।  ফোন নিয়ে সুমেত্রাকে কল করেন....

সুনেত্রা তখন একটা পার্টি থেকে ফিরছেন।  গাড়িতে।  দিদির কল দেখে রিসিভ করেন। 

" কি ব্যাপার?  আবার কি সমস্যা?  "

সুমিত্রা খিঁচিয়ে ওঠেন,  " আবার মানে কি?  আগের সমস্যার কিছু হাল তুই এখনও বের করেছিস?  "

সুনেত্রা হাসেন,  " চাপ নিস না..... সব ঠিক হয়ে যাবে। "

" আর ঠিক.... এদিকে আবার নতুন বিপদ দেখা দিয়েছে। "সুমিত্রা কেঁদে ওঠেন।

" উফ.... তোর সময় ভালো যাচ্ছে না একেবারেই,  আবার কি হলো?  " সুনেত্রা সামনে ড্রাইভারের দিকে লক্ষ্য করে বলে।

সুমিত্রা বীরেনের ঘটনাটা পুরোটা বলে,  সব শুনে সুনেত্রা রিতীমত উত্তেজিত হয়ে পড়ে,  " বলিস কি দিদি?  ওই ড্রাইভারের এতো সাহস?  তোকে ব্লাকমেল করে?  জানে না তোর বোনের হাজবেন্ড ডি এস পি?  ওর হাল কি করতে পারে সেটা জানে ও?  "

সুমিত্রা বুকে বল পান,  " দেখ না মনি,  বিভাষকে বলে আজ রাতেই ওর ফোনটা কেড়ে নেওয়া যায় নাকি?  "

সুনেত্রা একটু ভেবে বলেন,  " দেখ বিভাষকে আমি কাজে লাগাতেই পারি,  কিন্তু তাতে তোর ওই কান্ডটাও বিভাষ জেনে যাবে...... অবশ্য তাতে সমস্যা নেই,  কিন্তু তুই এসব শুরু করেছিস জানলে বিভাষও তার ফায়দা নিতে চাইবে..... মানে ওর আবার তোর দিকে নজর আগে থেকেই কিনা,  তুই সাদা থান নেওয়াতে বেচারা এগোতে পারে নি.... "

" ছি: এসব কি বলছিস?  বিভাষ এমন ছেলে না। " সুমিত্রা লজ্জা পান।

সুনেত্রা শব্দ করে হেসে ওঠেন," আমার থেকে তুই ভালো চিনিস ওকে?  এই পুলিশের কর্তাগুলো মাঝে মাঝেই নতুন গতর না পেলে..."

সুমিত্রা ভয় পেয়ে বলেন,  " তাহলে কি হবে রে বোন?  তুই এসব এতোদিন তো বলিস নি?  "

সুনেত্রা এড়িয়ে গিয়ে বলেন,  " শোন আপাতত বিভাষকে বলতে হবে না, তুই বরং ওই গান্ডু পলাশকে বল যেভাবেই হোক বীরেনের কাছ থেকে আজ রাতেই প্রমান টা লোপাট করতে..... ও নিজেও তো আছে ভিডিওতে?  গরজ তোর একার হবে কেনো?  "

" কিন্তু ও কি পারবে?  যদি না পারে? এমনি তেমন মারকুটে ছেলে না " সুমিত্রা সন্দেহ প্রকাশ করেন।

সুনেত্রা আবার হাসেন,  " তাহলে আর কি?  বিভাষের সাথে শোওয়ার ব্যাবস্থা তোকে করতেই হবে। "

" এমা না না.....ও আমি পারবো না। " সুমিত্রা জীভ কাটেন।

" পারবি পারবি...... পারবো না বলে মেয়েদের কাছে কিছু নেই রে দিদি...... আমার বর তোর সাথে শুবে এটা যদি আমি মেনে নিতে পারি তাহলে তুই পারবি না শুতে?  " সুনেত্রা বলে।

" আচ্ছা আমি আগে পলাশকে বলে দেখি আগে.... না হলে দেখা যাবে। "

" শুধু বললেই হবে না..... ভয় দেখাবি,  যাতে কাজটা করে। "



সুমিত্রা পলাশকে ফোন করতে যাবেন এমন সময় বাইরে দরজা খোলার শব্দ হয়।  উনি ফোনটা বিছানায় রেখে উঁকি মারেন.... দেখেন চন্দ্রিমা দরজা খুলে বাইরে বেরোচ্ছে,  ওর হাতে একটা ভারী ট্রলি।  মানে চন্দ্রিমা বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে? সুমিত্রা দৌড়ে বের হন ঘর থেকে।  চন্দ্রিমা মেন ডোর এর কাছে চলে গেছিলো।  সুমিত্রা ওর ট্রলি টেনে ধরেন...

" একি তুমি এভাবে কাউকে না বলে কোথায় যাচ্ছো?  "

চন্দ্রিমা ঘুরে তাকায়,  ওর দুই চোখ লাল,  সেখানে ক্রোধ আর বিরক্তি সব একসাথে জমা হয়েছে। 

" ব্যাগটা ছাড়ুন.... কেনো যাচ্ছি জানেন না?  এটা বাড়ি না বেশ্যাখানা..... আর বেশ্যাখানায় ভদ্র মেয়েরা থাকে না। " চন্দ্রিমা চেঁচিয়ে ওঠে।

" দেখো বৌমা,  তুমি একটা জিনিস দেখেছো সেটা আমি মেনে নিচ্ছি,  কিন্তু তার পিছনে আসল সত্য না জেনে এভাবে বলবে না..... আমরা যথেষ্ট ভদ্র পরিবার।  " সুমিত্রা চাপা স্বরে বলেন।

চন্দ্রিমা ব্যাঙ্গের হাসি হাসে,  " কত ভদ্র সেটা দেখছি তো,  মাসী উলঙ্গ হয়ে বোনপোকে নিয়ে বিছানায় শুয়ে আছে আর মা ড্রাইভারের সাথে ছাদে..... ছি : "

সুমিত্রার মাথায় বাজ পড়ে,  " কি বলছো তুমি?  মাসী? .... বোনপো মানে?  "

চন্দ্রিমা ট্রলিটা রেখে দুই হাত মুড়ে ভ্রু উঁচিয়ে বলে, " আহা জানেন না মনে হচ্ছে?  আপনার বোন আর ছেলের কান্ড?  "

সুমিত্রা আঁতকে ওঠেন, " না সত্যি জানি না..... এসব কোথায় শুনলে তুমি?  "


" না শুনি নি কোথাও..... আমি শোনা কথায় বিশ্বাস করি না, নিজের চোখে দেখেছি...... বিশ্বাস না হয় আপনার বোনকে জিজ্ঞাসা করুন... …কারণ তার হাতেই তো যৌনতার হাতেখড়ি আপনার সুপুত্রের। "

সুমিত্রা থমকে যান,  চন্দ্রিমা বাজে কথার মেয়ে না,  এতো জোরের সাথে বলছে মানে সত্যি ঘটনাটা..... তার মানে ওর বোন এতোদিন ওর আড়ালে এই খেলা খেলে গেছে খোকার সাথে?  সুমিত্রা টেরও পায় নি?  কিন্তু সুমিত্রা নিজের ভাব প্রকাশ করেন না বাইরে,  " ছাড়ো ওসব,  তোমার মনগড়া কথা শোনার সময় নেই এখন..... আর তুমি এখন বাইরে যাবে না। "

চন্দ্রিমা ফোঁস করে ওঠেন,  " আপনি আমাকে বাধা দেওয়ার কে?  আমি এখনি যাবো। " চন্দ্রিমা আবার ট্রলিটা তুলে নেয় হাতে।

সুমিত্রা এসে ওর সামনে দাঁড়ান, " না যাবে না..... আগে খোকা আসুক,  সব কথা হবে তারপর চাইলে চলে যেও। "

চন্দ্রিমা পাশ কাটিয়ে বেরোতে বেরোতে বলে,  " সে আপনি আপনার ছেলের সাথে কথা বলুন,  যা হয় আমাকে জানাবেন..... এখানে আর ১ মিনিটও থাকবো না আমি। "

সুমিত্রা পড়েছেন মহা বিপদে।  চারিদিকে এতো জট পাকিয়ে গেছে।  শুধু ওর কেস হলেও হুতো,  কিন্তু এ খোকার সব কেচ্ছাও জেনে গেছে।  এরপর বাইরে সবাইকে জানাবে।  চারিদিকে পরিচিত মহলে ঢি ঢি পড়ে যাবে। যদিও এসব কেস এখন ঘরে ঘরে,  কিন্তু ওই যে,  চুরি করা পরম ধর্ম যদি ধরা না পড়ো " সুমিত্রা চুরি করে ধরা পড়ে গেছেন।  এখন উনি একাই চোর হবেন। এই জ্বালা সহ্য করবেন কিভাবে? সুমিত্রার নিজেকে পাগল মনে হচ্ছে। উনি বুঝতে পারছেন এই মূহুর্তে সমস্যা দুই জনকে নিয়ে,  এক বীরেন,  যার কাছে ওর আর পলাশের ভিডিও আছে।  আর দুই চন্দ্রিমা,  যে ওর পরিবারের সব কেচ্ছা জেনে গেছে। আর চন্দ্রিমা সোজা ভাবে শুনবে না।  খোকা থাকলে তাও জোর কর আটকানো যেতো।

সুমিত্রার সামনেই চন্দ্রিমা মেন দরজার ছিটকিনি খুলে দরজা টান দেয়।  ভারী শাল কাঠের পাল্লা নিশব্দে খুলে যায়।  সুমিত্রা বিস্ময় সহ দেখে বীরেন তখনো বাইরে দাঁড়িয়ে,  ব্যাটা এখনো বিদায় হয় নি।  যাক একদিকে ভালো হয়েছে..... সুমিত্রার ঠোঁটের কোনায় হাসি খেলে যায়।


বীরেন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে বিড়ি ফুঁকছিলো।  হঠাৎ এভাবে দরজা খুলে যেতে ও হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে।  জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে একবার সুমিত্রার দিকে তাকায়।  সুমিত্রা চোখের ঈশারা করে চন্দ্রিমাকে দেখিয়ে।  পোড় খাওয়া বীরেন এক ঈশারাতেই বুঝে যায়,  ও চন্দ্রিমার পথ আগলে দাঁড়ায়, 

" মা জননী,  এতো রাতে কেউ বাড়ি ছেড়ে যায়?  দাও মা ব্যাগটা আমার হাতে দাও...... কাল সকালে আমি তোমাকে বাপের বাড়ি ছেড়ে আসবো। "

" সরো এখান থেকে " চন্দ্রিমা সজোরে চেঁচিয়ে ওঠে।  এতো জোরে যে বীরেন চমকে ওঠে।  কিন্তু হাল ছাড়ে না।  চন্দ্রিমার হাত থেকে ব্যাগ কেড়ে নিতে যায়।  চন্দ্রিমাও নাছোড়বান্দা। ব্যাগ আঁকড়ে ধরে রাখে। 


বীরেন এবার ব্যাগ ছেড়ে চন্দ্রিমার হাত ধরে, বুড়ো বীরেনের গায়ে এখনো এতোটা জোর আছে যে চন্দ্রিমাকে ঘায়েল করতে পারে।  হাত মুচড়ে দিতেই চন্দ্রিমা যন্ত্রনায় কঁকিয়ে ওঠে।  সেই সুযোগে বীরেন ওর দুই হাত পিছুনে মূড়ে এক ধাক্কা মারে ঘরের দিকে।  চন্দ্রিমা ঘরের মেঝেতে এসে পড়ে।  বীরেন আবার দরজা বন্ধ করে সুমিত্রাকে বলে,  " শুধু তোমার জন্য আমি এর গায়ে হাত দিলাম...... আমার পাওনা যেনো পাই.... না হলে... "

সুমিত্রা দেখেন ভালো কাজ হয়েছে। ও বীরেনকে বলে,  " বৌমাকে ফাঁকা ঘরটাতে নিয়ে বন্ধ করে দাও, কাল খোকা আসুক তারপর ভাবা যাবে। "

চন্দ্রিমা মেঝেতে পড়ে কাতরাচ্ছিলো।  বীরেন সেই অবস্থাতেই ওকে টানতে টানতে নিয়ে যেতে থাকে। 

" বীরেন দা শোন.... " সুমিত্রার গলার  আওয়াজে বীরেন দাঁড়িয়ে পড়ে। 

" ওর সব জামাকাপড় খুলে নিয়ে আসবে। গায়ে যেনো কিচ্ছু না থাকে। পালাতে চাইলেও পারবে না। " সুমিত্রা একটা চেয়ারে বসে চন্দ্রিমার হেনস্থা বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে থাকেন। যাক আপাতত চিন্তা গেলো।

ওদের বাড়ির ঠাকুর ঘরের পাশে একটা ফাঁকা ঘর আছে, যেখানে পূজার সময় ভোগ রান্না করা হয়। বীরেন চন্দ্রিমাকে সেখানেই ঠেলে ঢোকায়।  একটা সাত বাই দশ ফুটের ঘর।  একটাই জানালা।  গ্রিল লাগানো।  আর একপাশে একটা নীচু দরজা।  ভোগ রান্নার সময় বাইরের ছোঁয়া বাঁচাতে এই ছোট দরজা দিয়ে বাইরে যাওয়ার ব্যাবস্থা আছে। 

চন্দ্রিমার হাতে মারাত্বক ভাবে লেগেছে।  মনে হচ্ছে হাতে কোন জোর নেই।  সেই সুযগটাই নিচ্ছে বীরেন। পুরো ফাঁকা ঘরে মার্বেলের মেঝেতে এনে ফেলে চন্দ্রিমাকে। বুড়ো হলেও আজও স্টিয়ারিং ধরা হাতে জোর কম নেই ওর। 

চন্দ্রিমাকে বলে,  " নাও মা জননী,  জামা কাপড় খুলে ফেলো দেখি। "

চন্দ্রিমা নিজের পরনের চুড়িদাড় আঁকড়ে ধরে,  " না কাকা,  এমন করবেন না। আমি কোথাও যাচ্ছি না। "

বীরেনের নেশা এখনো পুরো কাটে নি,  ও চন্দ্রিমার গালে হাত রাখে,  " না মা..... খোলো,  না হলে আবার দিদি রেগে যাবে.... আমার আশা পূর্ণ হবে না। "

" খোলো মা খোলো..... " বীরেন চন্দ্রিমার চুড়িদার ধরে টানে।

চন্দ্রিমার আতঙ্কে ঠোঁট কাঁপছে।  এতোদিন ওদের বাড়িতে ড্রাইভারী করা বীরেন যে একটা নররূপি পিশাচ তাতে কোন সন্দেহ নেই।  তার উপরে ও নেশাগ্রস্ত। এমন লোককে বুঝিয়ে পারা যায় না।  তবুও চন্দ্রিমা এক হাতেই ওকে থামানোর চেষ্টা করে।  কিন্তু বীরেনও ছাড়ার পাত্র না।  চন্দ্রিমার থাইচেপে তার উপর উঠে বসে। হাত দুটো দুই পাশে চেপে ধরে।  কিন্তু এভাবে ওর পোষাক কিভাবে খুলবে? 

বাধ্য হয়ে এক হাত ছেড়ে চুরিদার টেনে উপরে তুলতে থাকে।  এই সুযীগে চন্দ্রিমা বীরেনের কান লক্ষ্য করে একটা সজোরে মারে। মার খেয়ে কিছু সময়ের জন্য ওর মাথা ঘুরে যায়,  তারপরে ও একটা চড় কষায় চন্দ্রিমার কানের নীচে।  এক চড়েই চন্দ্রিমা চুপ করে যায়।  ওর কান গরম হয়ে গেছে,  মাথা শুদ্ধ যন্ত্রনা শুরু হয়ে যায়।  শরীরে আর শক্তি নেই,  সেই সুযীগে বীরেন ওর চুড়িদার খুলে দেয়।  সজোরে টান মেরে ছিঁড়ে ফেলে ব্রা।  চন্দ্রিমা শুধু স্থানুর মত পড়ে থাকে,  এখন বাধা দিতে গেলেই আবার মার জুটবে। 

চন্দ্রিমার অনাবৃত বক্ষ দেখে বীরেন অবাক হয়ে যায়।  যদিও মেয়ে শরীর ও খুব বেশী দেখে নি,  তাও চন্দ্রিমার বুকের আকার যেনো বিস্ময়কর ভাবে সুন্দর।  শুয়ে থেকেও একটুও টাল খায় নি,  একেবারে গম্বুজের মত সোজা হয়ে আছে। যে রক্ত মাংস না,  পাথরে কোঁদা কোন ভাষ্কর্য্য। 

বীরেন নিজের দুই হাত চন্দ্রিমার দুই উদ্ধত বক্ষে রাখে। হালকা চাপ দিতেই  হাতে চরম।সুখ অনুভূত হয়।  চন্দ্রিমা চোখ বোজা।  চোখের কোল দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু বীরেনের চোখে নারী মাংস ভক্ষণের লালসা।  একটু আগে সুমিত্রার সাথে অসমাপ্ত রয়ে গেছে ওর আকাঙ্খা।  সামনে এক নবযৌবন ছড়িয়ে পড়ে আছে।  বীরেনের পুংদণ্ড মাথা তুলতে সময় নেয় না। ওর ইচ্ছা করছে চন্দ্রিমার ওই উদ্ধত বক্ষযুগল পিষে,  কামড়ে সাধ মেটায়।

চন্দ্রিমা এখন একেবারেই প্রতিরোধহীন। অসাড়।  বীরেন ওর থাই এর উপর থেকে নেমে আসে।  মুক্ত হয়েও একটুও নড়ে না চন্দ্রিমা।  যেনো হাল ছড়ে দিয়েছে। বীরেন লোলুপ হাতে ওর পাজামা ধরে টেনে নামিয়ে দেয়।  চন্দ্রিমার চকচকে মসৃণ ভরাট উরুযুগল,  দুই উরুর সন্ধিস্থল ঢাকা কালো প্যান্টিতে।  সেটাও আর থাকে না।  প্রথমবারের মত এক যুবতী নারীর স্ত্রী অঙ্গ ওর সামনে। কালো পাতলা যৌনকেশ এ আবৃত উলটানো ঝিনুকের মত নারী অঙ্গ।  দুই থাই জোড়া,  যোনীর বন্ধ মুখ........বীরেন একবার চন্দ্রিমার বুক থেকে পেট হয়ে নিম্নাঙ্গ পর্যন্ত চোখ বোলায়।  যত দেখছে ওর লালসা তত বেড়ে যাচ্ছে।  আহা....যুবতী নারী শরীর এতো সুন্দর হয়?  মাঝে সাঝে কয়েকবার স্টেশনের পাশের পট্টিতে গেছে বীরেন,  একান্তই শরীরের জ্বালায়।  তাদের শরীরের দিকে তাকানো যায় না।  কোনমতে কাজ সেরে চলে আসা।  আর এ যেনো কোন রূপসী পরী..... সোজা স্বর্গ থেকে নেমে এসেছে।  শুধু গায়ের রংটাই যা একটু চাপা। 


চন্দ্রিমা প্রাথমিক আঘাত সামলে উঠে নিজের অসম্মানকে হজম করছে। এখন ওর চিন্তা বেশী হচ্ছে,  যে এরা আদৌ ওকে নিয়ে কি করবে?  মেরে টেরে ফেলবে নাতো?  খবরে প্রায়ই বধূ হত্যার খবর পাওয়া যায় আজকাল। এরা যে এতো নোংরা আর খারাপ পরিবার সেটা আগে ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারে নি।  এখন সত্যি সত্যি ভয় করছে।  এই মাতাল বীরেন আদৌ সুস্থ নেই,  যদি ওকে এখানেই মেরে ফেলে?  চন্দ্রিমা হাত পা শক্ত করে রাখে।  

বীরেন বিড়বিড় করে,  " কি গতর রে মা তোর,  এতোদিন সামনে সামনে ঘুরলি তাও বুঝলাম না...... "


চন্দ্রিমার পেট থেকে যোনীর উপর পর্যন্ত হাত বুলায়।  চন্দ্রিমার মনে হচ্ছে একটা খড়খড়ে কিছু ওর পেটের উপরদিয়ে কেউ বোলাচ্ছে।  

" উফ....আমার যে  সইছে না রে মা.... কি করি বলতো? কেনো এমন গতর বানালি যে আমি নিজেকে সামলাতে পারছি না?  "

ও পকেট থেকে নিজের মোবাইল বের করে আনে, " দাঁড়া,  তোর কটা ছবি নিই রে মা.....এই রূপ দেখে হাত মেরেও শান্তি..... " বীরেনের মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বলে ওঠে।  চন্দ্রিমার নগ্ন শরীর ওর ক্যামেরা বন্দী হয়ে যায়।  বীরেন সেগুলো দেখে খুশী হয়ে মাথা নাড়ে,  " কি যন্ত্র দিসে রে দিদি আমাকে,  আজ তার ফ্যামিলির কাজেই লাগছে....হি হি হি। "

ফোনটা পকেটস্থ করে বীরেন আবার হামলে পড়ে চন্দ্রিমার শরীরের উপরে।

চন্দ্রিমার চোখের সামনে বীরেন চেন খুলে ওর বীভৎস বড়ো লিঙ্গটা বের করে আনে।  চন্দ্রিমা আধখোলা চোকজে সেটার আকার দেখে ভয় পেয়ে যায়,  একী করছে? ...... শেষে ওর ওখানে ঢোকাবে নাকি ওটা?  ওর বুক দুরদুর কাঁপতে থাকে।  


লজ্জা,  ঘৃণা,  অপমানের থেকেও প্রাণে বাঁচবে কিনা সেটাই চন্দ্রিমার কাছে বড়ো চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  এদিকে বীরেন আবার ওর থাই এর উপর বসেছে চেপে.... চন্দ্রিমার পায়ে লাগছে,  তবুও ও চুপ করে থাকে।  না যতটা ভেবেছিলো বীরেন সেটা করে না....

ওর উরুতে বসে নিজের নিজের লিঙ্গ দুই হাতের মধ্যে ধরে ঝাঁকাতে থাকে।  চন্দ্রিমার মনে হয় ও হামান দিস্তা নাড়াচ্ছে।  নাড়াতে নাড়াতেই মাঝে মাঝে ওই বিশাল লিঙ দিয়ে বাড়ি দিতে থাকে চন্দ্রিমার যোনীর উপরে.... সে যে কি বীভৎস হস্তমৈথুন না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।  এই বয়সে এসেও বীরেন যথেষ্ঠ শক্তপোক্ত।  সেটা বাইরে থেকে ওকে দেখলে বোঝা যায় না।

চন্দ্রিমা দাঁতে দাঁচ চেপে পড়ে আছে।  ভাগ্য ভালো যে ওই মুগুরের মতো লিঙ্গ ওর ভিতরে প্রবেশ করায় নি।  কেনো করলো না সেটা ও জানে না,  কার ভয়ে?  সুমিত্রার?  নাকি ওর এতোটা করতে বিবেকে বাধলো?  যাই হোক চন্দ্রিমা রক্ষা পেয়েছে।  

হঠাৎ ভাতের মাড়ের মত গরম তরল ওর মুখে এসে পড়ে,  কিছুটা পড়ে ওর বুকে আর পেটে।  চন্দ্রিমার ঘৃণায় গা গুলিয়ে ওঠে কিন্তু কিছু করার নেই। ওর একটা চোখ গাল আর চিবুকে এসে পড়েছে।  বীরেন চোখ বুজে ঞ্জ্জের লিঙ্গ শক্ত করে ধরে উপরের দিকে মুখ করে তৃপ্তির স্বাদ নিচ্ছে।

চন্দ্রিমার এখন একটাই কাজ।  এখান থেকে পালানো।  এটাই সুবর্ণ সুযোগ।  বীরেনের কোন দিকে খেয়াল নেই।  ও দুই হাতে বীরেনের বুকে ধাক্কা দেয়।  টাল সামলাতে না পেরে বীরেন পড়ে যায় পিছনে চিৎ হয়ে।  চন্দ্রিমা সেই সুযোগে উঠে দাঁড়ায়,  বীরেনের অণ্ডকোষ লক্ষ্য করে একটা লাথি কষায়।  কোন আওয়াজ করতে পারে না ও। মুখ বিকৃত করে দুই হাতে নিজের লিঙ্গ চেপে কুঁকড়ে শুয়ে পড়ে।  

চন্দ্রিমা উঠে দাঁড়িয়ে ঝটাপট নিজের চুড়িদার আর প্যান্ট গলিয়ে নেয়।  বীরেনের মোবাইলটা ছিটকে পড়ে আছে।  ও সেটাকে তুলে নেয়।  বীরেন এখন আর কথা বলার অবস্থায় নেই।  মেঝেতে মুখ গুঁজে গোঙাচ্ছে।  

বাইরে এসে দেখে শাশুড়ি বহাল তবিয়তে চেয়ারে বসে কারো সাথে ফোনে কথা বলছে।  ওকে দেখে ভুত দেখার মত চমকে ওঠে।  বীরেনের হাত গলে ও পালাচ্ছে দেখে উনি উঠে আসেন।

" এই তুমি কোথাও যাবে না.... দাঁড়াও,  আগে খোকা ফিরুক। " সুমিত্রা চেঁচিয়ে ওঠেন।  চন্দ্রিমা যুবতী।  সুমিত্রার মত মহিলাকে ঘায়েল করা কোন ব্যাপারই না, ও  সুমিত্রার গালে সপাটে একটা চড় মারে।  সেই চড়েই সুমিত্রা আবার ধপ করে চেয়ারে বসে পড়ে।  চন্দ্রিমা ট্রলিটা তুলে তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসে।  এই বাড়িতে আর না...... আবার ফিরলে আর জীবন থাকবে না,৷ ওর লাশ বেরোবে এখান থেকে।  


রাস্তায় নেমেই চন্দ্রিমা টের পেলো আরেকটা ভয়।  রাতের  রাস্তাঘাট শুনশান।  কয়েকটা কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে।  দূরে দূটো মাতাল নাকি কে জানে গুলতানী মারছে।  এখন যাবে কোথায় ও?  

ওর মা হার্টের রুগী।  স্টেইন বসানো আছে।  ওকে এভাবে দেখলে আজকেই মরে যাবে। তখনি মনে পড়ে সুমনার কথা।  ফোন বের করে সুমনার নকম্বর ডায়াল করে......

বেশ কিছুক্ষোন রিং হওয়ার পর ওপাশে কল ধরে সুমনা।  গলা জড়ানো..... ওকি মদ খাচ্ছে নাকি?  সত্যি একটা মেয়ে বটে....

" হ্যালো ডার্লিং?  হোয়াট হ্যাপেন?  " সুমনার জড়ানো গলা।

" সুমনা শোন,  আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছি,  তোর ওখানে রাতে থাকা যাবে?  " চন্দ্রিমা বলে।

" কেনো ডার্লিং?  তুমি বাড়ি কেনো ছেড়েছো?  "

" প্লীজ সুমনা,  আমি খুব বিপদে..... এক্নার আসবি?  " চন্দ্রিমা আকুতির গলায় বলে।

" আহহ..... আস্তে ডার্লিং,  অতো বড়োটা এভাবে ঠেলো না..... আহহহ.... উফফফ মা। "

চন্দ্রিমার কেমন সন্দেহ হয়,  ও বলে তুই কোথায়  সুমনা?  তুই কি বাড়িতে?  

" আমি?  আমি? .... আহহহ.... আহহহ..... উফফফ.... মাগো..... আমি..... আহহহ.... বকখালি..... লাগাচ্ছি।" সুমনা যে অপ্রকিতিস্থ সেটা আর বুঝতে বাকি থাকে না চন্দ্রিমার।  ও কল কেটে দেয়। নিশ্চই কাউকে পেয়েছে,  সোজা নাইট ট্রিপে বকখালি চলে গেছে।  পারেও ও।

চন্দ্রিমা ট্রলি হাতে এগোতে থাকে।  এখানে থাকাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। মাতাল গুলো আর নেই।  একটা বাস স্টপে খালি বেঞ্চে বসে।  পাশে ট্রলিটা রেখে ফোনটা হাতে নিয়ে ভাবতে থাকে কাকে ফোন করা যায়?  ওর মুখে এখনো বীরেনের বীর্য্যের আঠালো চ্যাটচ্যাটানী রয়ে গেছে।  গা গুলিয়ে উঠছে এর জন্য।

ফোনটা ঘাঁটতে ঘাঁটতেই মনে পড়ে পলাশের কথা।  লোকটা খুবই সরল মনের।  ও কি একরাতের জন্য ওকে সাহায্য করবে না?  ঘড়িতে একটা বেজে দশ...... এতো রাতে একটা মেয়ে ট্রলি হাতে বাসস্টপে, যে কেউ দেখলেই সন্দেহ হবে। চন্দ্রিমার কাছে আর উপায় নেই।  জানে না পলাশের পরিবার কতটা হেল্পফুল.... তবুও একবার হেল্প চাইতে ক্ষতি কি?  

কয়েকবার রিং হতেই পলাশ ধরে,  " আরে এতো রাতে আপনি?  "

" খুব বিপদে পড়েছি জানেন?  একটু হেল্প করবেন?  একরাতের আশ্রয় চাই...." চন্দ্রিমা কাতর ভাবে বলে।

পলাশ চাবুকের মত সোজা হয়ে ওঠে,  " ওসব ছাড়ুন,  আপনি এখন কোথায়?  সাথে কেউ আছে না একা?  "

" একা "

" কি আশ্চর্য্য.... এভাবে কেউ একা রাতে রাস্তায় বের হয়?  আপনি কোথায় আছেন বলুন আমি আসছি। " পলাশ ব্যাস্ত হয়।

" আরে না না.... আমি ঠিক পৌছে যাবো,  আপনি লোকেশানটা পাঠান একটু। " চন্দ্রিমা বলে।

" চুপ করুন,  আমি লোকেশান পাঠাচ্ছি কিন্তু আপনি একেবারেই কল কাটবেন না,  আমার সাথে কানেক্ট থাকবেন। " পলাশ বলে।

" আচ্ছা.... ঠিক আছে। "

এর মধ্যেই একটা বোলেরো গাড়ি চন্দ্রিমার সামনে ব্রেক করে।  একজন অন ডিউটি অফিসার মুখ বের করে জানালা দিয়ে,  " একি এতো রাতে ব্যাগ হাতে একা কোথায় যাবেন আপনি?  "

চন্দ্রিমা এদিক ওদিম তাকিয়ে বলে,  " দেখুব না স্যার মাকে নিয়ে ভোরের ট্রেনে হায়দ্রাবাদ যাবো,  চিকিৎসার জন্য,  একটা কিছু পাচ্ছি না... "

" তা এতো রাতে বেরোলেন কেনো? ট্রেন কটায়?  " ইন্সপেক্টার ঘড়ি দেখেন।

" রাত তিনটে পঁয়ত্রিশে। " চন্দ্রিমা বলে।

" ও.... আপনার মা কই?  " ইন্সপেক্টার এদিক ওদিক দেখেন।  কিন্তু কেউ নেই।  

" আসলে মা ওর বাড়িতে, ওখান থেকেই যাবে। আমি মার বাড়ি যাবো তারপর ওখান থেকে স্টেশনে। " চন্দ্রিমা বলে।

" আচ্ছা উঠুন গাড়িতে,  আমি আপনাকে নামিয়ে দিচ্ছি,  ঠিকানাটা বলুন। "

চন্দ্রিমা মোবাইলে লোকেশান দেখায়।

" আচ্ছা বসুন। "

চন্দ্রিমা উঠতেই গাড়ি ছেড়ে দেয়। পলাশের বাড়ির একটু আগে ও দাঁড়িয়ে যায়।  গাড়ি থেকে নেমে ইন্সপেকটার কে বলে,  " থ্যাঙ্ক ইউ সার,  আপনি অনেক উপকার করলেন। "

" এমক্ন রাতে বেরলে এরপর আগে থেকে গাড়ি বলে রাখবেন.....যান,  গুড নাইট। " ইন্সপেক্টার হাসেন।

চন্দ্রিমা হেসে প্রত্যুত্তর দেয়। পুলিশের গাড়ি মিলিয়ে গেলে ও দেখ দূরে পলাশ আসছে।  কাছে এসে বলে,  " দারুন বুদ্ধি তো আপনার..... পলিশকে বোকা বানিয়্ব দিলেন?  "

চন্দ্রিমা পাশে হাঁটতে হাঁটতে বলে,  " মাঝরাতে অনেক বিরক্ত করলাম আপনাকে,  আপনার স্ত্রী নিশ্চই খুব রাগ করছেন?  "

পলাশ চুপ করে যায়,  তারপর আস্তে আস্তে বলে, " আমি ফ্লাটে একা, আমার বৌ বাপের বাড়ি?  "

চন্দ্রিমা থেমে যায়, " সেকি আগে বলেন নি কেনো?  না না এভাবে আমি গেলে আপনার প্রতিবেশীরা কি বলবেন?  আর আপনার স্ত্রী?  তার অনুপস্থিতিতে একজন মেয়ে হয়ে আমি আপনার সাথে ওখানে যেতে পারি না। "

চন্দ্রিমা ব্যাগ হাতে ঘুরে দাঁড়ায়।  পলাশ ওকে আটকায়,  " আরে আগে শুনুন,  আপনি একরাত ওখানে থাকলে কেউ কিছু বলবে না..... আর এমনিতেও আমার সাথে আমার স্ত্রীর ডিভোর্স ফাইনাল হয়ে গেছে। "

চন্দ্রিমা কি বলবে ভেবে পায় না।  এদিকে পলাশ ওর ট্রলি নিয়ে হাঁটা দিয়েছে।  বাধ্য হয়ে চন্দ্রিমাও ওকে অনুসরণ করে।
Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)