Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

সোশ্যাল মিডিয়ায় মা ছেলের প্রেম (By: Hotmom127)
#1

আমি  রাফি বয়স ২৫+  বাবা মায়ে একমাত্র সন্তান অস্ট্রেলিয়া  সিডনিতে থাকি চাকরি পড়াশুনো করি,  বাবা জামলা সাহেব সরকারি চাকরিজিবি ছিলিন   ৬০ বছর বয়সে মারা যান।  যাকে নিয়ে আমার গল্প তিনি হচ্ছেন আমার মা নামজা আক্তার   সরকরি কলেজে ইংরেজি শিক্ষক। বয়স ৪৩ বছর  দেখতে মনে হবে ৩০/৩২ বয়স  দেখতে সুন্দরী বল্লে ভুল হবে মহা সুন্দরী।  এখনো  মায়ে কাছে প্রেম বিয়ে  প্রস্তাব আসে। মায়ে শরীর গঠন দেখার মতো  ছিলো যেমন দুধ, তেমন পাছা, ঠোঁট দুইটা মুধ থেকে মিষ্টি, চুল পাছার খাচ পযর্ন্ত  আসে। 

আমার মা যেমন সুন্দর তেমন শিক্ষিত,  রান্নাবান্নায় সব জায়গা থেকে ১০০ তে ১০০।  আমার মা  আধুনিক যুগে সাথে তাল মিলিয়ে চলেন।  মোবাইল ব্যবহার ইন্টারনেট ব্যবহার, ফেসবুক, টিকটক সব ব্যবহার করেন।  টিকটক ভিডিও বানানো সব জানা তাঁর মেসেজারে চেটা করা,  ইনেস্ট্রাগ্রাম ছবি দেওয়া সব কিছু কম বয়সী মেয়ে মতো পটু। আমি প্রথম প্রথম মায়ে এইসব সোশ্যাল মিডিয়া  ব্যবহার বিষয় টা জানতাম না,  মা ওআমাকে সেই ভাবে কিছু বলি নি, যখন  বাবা মারা যাওয়ার পর  মায়ে একা কী জীবন শান্তনা দেওয়ার জন্য কথার মাঝে  তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া বিষয় জানতে পারি,  এরআগে মায়ে সাথে সব কিছু শেয়ার  করলেও মা এতো টা ফ্রি ছিলো না আমার সাথে।  আগে আমাদের মা ছেলে সম্পর্কে ছিলো ৮/১০ টা পরিবারের মা ছেলে মতো।  মা সব সময় আমার পড়াশোনা লাইফ নিয়ে চিন্তা থাকতো যখন আমি বিদেশে পারি জমায় তার পর থেকে মায়ে চিন্তা কিছুটা দূর হয়। এখন আমি নিজের খরচ নিজে বহন করি পড়াশোনা খরচ চালাতে পারি দেশে টাকা পাঠালে খুশি কারন পরিবারে অভাব নেই মাও শিক্ষত চাকরি করে বাবা রেখে যাওয়া বাড়ি আছে,  বাড়ি থেকে মাসিক লাখ খানিক আসে এতে চলে, এতে মায়ের চলে যাই আমার জন্য সব তুলে রাখেন।  আসলে আমার দাদা নানা পরিবার সবাই যার যার মতো আছে। মা একা একা বাড়ি ঘরে নিজের চাকরি সামলান,৷ এর মাঝে বিনোদন জন্য  সোশ্যাল মিডিয়া কে  বেছে নিয়েছেন, এরমাঝে আমার মায়ে প্রতি দুর্বলতা কাজ শুরু করে দে, আমি বিদেশি  কোন মেয়ে প্রতি নিজের দুর্বলতা খুজে পাই না যতটা না মায়ে প্রতি,  আমি মা কে নিয়ে  বাজে চিন্তা করা শুরু করি, ইন্টারনেট মা ছেলে সম্পর্কে চাটি পড়ে আর মায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে হাত মেরে পার করি ২/১.। এর মাঝে মা আমাকে দেশে এসে বিয়ে করানো জন্য উঠে পড়ে লাগে কিন্ত আমার মনে শুধু মা ছাড়া কোন মেয়ে কল্পনা কনতে পারি না।  আমি তাই পরিকল্পনা করে সাজাতে থাকি মাকে কী ভাবে আমার মনে কথা বলবো এবং মায়ের এই রসালো দেহ  ভোগ করবো।  

এতখন যা ছিলো গল্প উপসংহা এখন বিস্তারিত

বাবার মৃত্যু পর আমি আর মা দুইজন আরো একটু ক্লোজ হতে থাকি আমি চাইতাম মা যেন নিজেকে একা না ভাবে সে যেন ভালো থাকে কিন্তু  আমি যে মায়ে প্রতি দুর্বল হয়ে যাবো কখনো ভাবি নি।  আমাদের বেশি ভাগ সময় মেসেজিং করে কাটতো  মা ও আমার সাথে নিজে একা কী  সময় কাটতে..   আমাদের দুইজন মধ্যে ভালো বন্ধুত্ত হয়, মাকে অনেক ছেলে বিরক্ত মেসেজ,  টিকটিকে id তে,  মা আমার সাথে বিষয় গুলা শেয়ার করতে শুরু করে,  আমি ও মায়ে সাথে এই বিষয় নিয়ে মজা করাত 
নাজমা : রাফি দেখে না ছেলে টা আমাকে এই সব কী বলে?
Reply
#2

আমি: কই দেখি

এরপর দেখলাম ইমন নামে একটা ছেলে মাকে মেসেজ বিরক্ত করছে ভালোবাসা প্রস্তাব দিচ্ছে,  মাকে ছাড়া সে বাঁচবে না,  ছেলে টা দেখতে এতো সুন্দর না হইলেও লম্বা ছিলো..  ছেলেটা মায়ের কলেজের ছাত্র ছিলো এখন পড়াশোনা করে না..  রাজনীতি করে.. মেয়ে পিছনে পড়ছে অনেক আগে মাকে সরাসরি না বল্লো ও মায়ের সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ভিডিও তে কমেন্ট করে প্রতি নিয়তো।  ছেলেটা মতলব মা বুঝতে পারে তাই সবকিছু আমার কাছে খুলে বলে, প্রতিদিন কলেজ সামনে দাড়িয়ে থাকে বাইকে করে মায়ে পিছু পিছু বাসার সামনে পর্যন্ত আসে, সবকিছু শুনে আমার কাছে মনে হলো মা খুব মজা পাচ্ছে সব মেয়ে চাই ছেলে তাঁদের পিছনে ঘুরক।
মা: দেখ আমার কাছে কেমন জানি ভয় লাগছে ছেলেটা মতল খারাপ। তা না হলে মায়ে বয়সী একজনের নারী  কেউ পিছনে পড়ে.?

এখানে বলে রাখি আমরা মা ছেলে অনেক ফ্রি হয়েছিলাম এই কয়দিন   আমি মায়ে সব সোশ্যাল মিডিয়া add হয়েছিল এবং আমার ছবি নিচে মায়ে কমেন্ট আমিও মায়ে ছবি নিচে কমেন্ট করতাম,  দুইজনের ভালো বন্ধুত্ত হয়। এই কারন অনেক কিছু আমি ফ্রি মাইন্ডে বলতাম।

আমি: তা তোমার মতো একজন সুন্দরী মেডাম বলে কথা।  যে কেউ প্রেম পড়তে বাধ্য হা....হা....
(মনে মনে খুব রাগ ছেলেটা উপর)
মা: তোর মাথা কচু সুন্দর.  দিন দিন মোটা হচ্ছে  তুই বলিস সুন্দর..
( আসলে মাকে কেউ সুন্দর বা একটু প্রশংসা  করলে মা খুশি হয়)

আমি: আরে দূরো এখন কার ছেলেরা তো এটাই চাই..

মা: আচ্ছা  তুই ও তাহলে মোটা মেয়ে পছন্দ  তাই না?

আমি : হুম আমার ভালো লাগে।

মা: আচ্ছা রে আচ্ছা  তোরে খুব তাড়াতাড়ি মোটা দেখে বিয়ে দিতে হবে বুঝতে পারছি।

আমি: দূরো শুধু বিয়ে বিয়ে  করো কেন?

মা: ও মা তোর বয়স হয়েছে বিয়ে দিতে হবে না,

আমি: কোন বিয়ে সাদি এখন আমি করতে পারবো না বেছ...

মা: কেন কী  সমস্যা??  

আমি: কোন সমস্যা না মা আমার এখন বিয়ে করার ইচ্ছে নেই।

মা: ইচ্ছে নেই বলতে তোর সাথে সবাই বিয়ে সাদি করে ফেলছে তোর বন্ধুরা তো সবাই বিয়ে সাদি করে ফেলছে,  তাহলে তোর সমস্যা কোথায় ?

আমি: কোন সমস্যা নেই আমার।

মা: তাহলে তোর মামা একটা মেয়ে পছন্দ করেছে তোর জন্য ঐটা দেখ মেয়ে টা একটু মোটা আছে  তোর পছন্দ হবে।  ছবি দিচ্ছি দেখ

(৫ ঘন্টা পর)

মা: কীরে মেয়ে টা কেমন কিছু তো বল্লি না.... পছন্দ হয়েছে?

আমি: মেয়ে সুন্দর তবে তোমার মতো মতো না
মা: আমার মতো না মানে কী??
আমি: তোমার মতো না
মা: আমার মতো না মনে??  
আমি: তোমার মতো হট, সেক্সি সুন্দরী না


(আমি মাঝে মাঝে মায়ে টিকটক ভিডিও এবং ইনস্টাগ্রামের ছবি নিচে হট, সেক্সি, কমেন্ট করতাম মা প্রথম প্রথম বক দিতো কিন্তু পরে আমার মন্তব্য গুলা ভালোবাসা হিসাবে গ্রহন করতো সেই সুযোগ কাজি লাগিয়ো আমি মাকে অনেক সময় মুরে উপর হট সেক্সি  বলতাম,  একদিন তো মাল বলছি অনেক বকা শুনতে হয়েছে)

মা: দূরো তোর সব আজগবি কথা বার্তা।
আমি: মা সত্যি তোমার মতো কেউ কে পেলে চিন্তা করবো..
(আমি আসলে  চাইতাম মা'কে বুঝতে যে আমি তোমার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই, তোমাকে চুদতে চাই)

মা: হয়েছে হয়েছে তোর কে আর বিয়ে করতে হবে না।  আমি বুঝতে পারছি তোর মেয়ে পছন্দ হয়নি তাই উল্টা পাল্টা বকছিস....
আমি : মোটেও না আমি সত্যি বলছি তোমার মতো হলে চিন্তা করবো...
মা: হয়েছে আমাকে আর পাম দিতে হবে না।
আমি: সত্যি মা কচম
মা: কী কচম?
আমি: আল্লাহ কচম  তোমার সুন্দরী চাই
মা: হা.হা. হা পাগল একটা তুই

(আসল কথা হচ্ছে মাকে অন্য মেয়ে দের তুলনা করলে মা একটু লজ্জা পায় আর খুশি হয়)
আমি: পাগল তোমার প্রেম ❤️
মা: ও আমার পাগল প্রেমিক, মা সাথে ফাজলামি না বিয়ে সাদি কর।  
আমি: আমার মনে হচ্ছে তুমি আমাকে বিয়ে দিয়ে তুমি ও একটা বিয়ে করতে চাও বুঝি বুঝি

(মজা করে মাকে খোঁজা দিলাম আর সাথে মায়ের কিছু গোপন কিছু কথা জেনে নিলাম)

মা : বুডো বিষয় আবার বিয়ে  হাহা..  আমার মতো বুডি কে বিয়ে করবে।  

আমি: তুমি মোটেও বুড়ি না তুমি দিন দিন যে সুন্দর হচ্ছো কয়দিন পর  মানুষ বলবে ছেলে বিয়ে নিজে একটা বিয়ে করেন।  
মা: হা হা সত্যি অনেক কিন্তু বল যে জানমা মেডাম চাইলে আবার একটা বিয়ে করতে পারেন।  
আমি: সত্যি মা তুমি চাইলে আবার একটা বিয়ে করতে পার।  
এই কথা বলার পর মা আমার সাথে রাগ দেখাই
মা: আমি বিয়ে করলে তোকে কে দেখবে তোর জীবন নষ্ট করে আমি সুখে থাকতে পারো?  
আমি: ও আমি তোমাকে ধরে রেখেছি না।  তুমি তোমার সুখের জন্য  বিয়ে সাদি করো৷  
আমি মাকে একটু রাগানো জন্য অভিনোয় করলাম।

মা: অসম্ভব কোন দিন ও আমি তো ছাড়া এই সংসার ছেড়ে কোথায় যাবো না, আর এই এইসব কথা মুখে আনবি না।  

আমি: মা ইমন ছেলে টা কিন্তু তোমার পিছনে পড়েছে ও মনে হয় তোমাকে রাজি করিয়ে ছাড়বে হা হা হাহা...

মা: কত আসল গেলো  কত পাগল দেখলাম আমি এসব পাত্তা দিন ?
ঐছেলে আমার বয়স না জেনে পিছনে পড়ছে।

আমি: তুমি চাইলে কিন্তু ছেলে টা সাথে প্রেম করতে পারো।

মা: ছিছি মাথা খারাপ তোর আমি এখন বয়ষ্ক মহিলা আমার ছেলে আছে সংসার আছে  আমি এসব কেন করতে যাবো।  

আমি: আরে কেউ জানবে না লুকিয়ে লুকিয়ে করবে।
মা: লাথি খাবি শয়তান একটা নিজের কোন প্রেম বিয়ে খবর নেই এখন আমার প্রেম বিয়ে তিনি উঠে পড়ে লেগেছে।  

আমি: দূরো আমার প্রেম বিয়ে বাদ দাও তোমার কথায় আসো..  

মা: কেন?  তুই সারাজীবন বিয়ে ছাড়া থাকবি না কী?  
আমি: তা কেন হবে।
মা: তাহলে কিছু একটা কর তোকে তাড়াতাড়ি বিয়ে সাদি দিতে হবে তো..
আমি :  আমি করতে চাই কিন্ত..
মা: কিন্তু কী??  বল?

(আমি আসলে মাকে নিজে মনে কথা বলতে গিয়ে বলতে পারিন না ভয় কাজ করে যদি মা আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দে, যদি মা আমাকে খারাপ ভাবে..  আমি খারাপ কিন্তু মায়ে চোখে না,  আমার সবকিছু চাই মায়ে ভালোবাসা, মায়ে যৌবন ভরা দেহ টা, একবার যদি মাকে বুঝতে পারি মানাতে পারি তাহলে আমি সব পেয়ে যাবো আমি এটা জানাতে কারণ মায়ের বাকী জীবন আমি ছাড়া কেউ  নেই।)

আমি :না থাক হবে না।
মা: আরে কী হবে না...?
আমি : কিছু না বাদ দাও...
Reply
#3

*আমি:* না, থাক, হবে না।
*মা:* আরে, কী হবে না?
*আমি:* কিছু না, বাদ দাও।
*মা:* তুই আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছিস মনে হয়?
*আমি:* না, কী লুকাবো? তোমার সাথেই তো সময় কাটাই, সবকিছু বলি, শেয়ার করি।
*মা:* তা ঠিক, তবে আমার মনে হয় তুই কিছু বলতে চাস?
_(আমি মনে মনে বলি, বলতে চাই অনেক কিছু, কিন্তু তুমি কি সব শুনবে?)_
*আমি:* হুম, বলতে চাই...
*মা:* কী বল?
*আমি:* ইমন তোমার সাথে প্রেম করবে, সেটা নিয়ে ভাবছিলাম।
*মা:* আবার! এবার কিন্তু তুই আমার থাপ্পড় খাবি।
*আমি:* হা হা, এমন করো কেন? তোমাকে প্রেম করতে দেখতে ইচ্ছে করছে, কীভাবে আমার সুন্দরী মা প্রেম করে।
*মা:* আচ্ছা, তারপর... আমি যদি ইমনের সাথে প্রেম করি, তোর কষ্ট হবে না?
*আমি:* কেন হবে? তুমি প্রেম করবে, এটা তো আনন্দের বিষয়।
*মা:* খুব না... আমি যদি ওর সাথে প্রেম করি, তাহলে আমাকে তুই পাবি?
*আমি:* তোমাকে পাবো না মানে?
*মা:* আরে, আমি আমার প্রেমিকের সাথে প্রেম করব, তখন কি তোর সাথে কথা বলার সময় পাবো?
*আমি:* কেন, তোমার প্রেমিক কি আমার সাথে কথা বলতে নিষেধ করবে নাকি?
*মা:* করতেও পারে। ছেলেটা অনেক রাগী। যদি আমাকে পটিয়ে ফেলে, তখন কি তোর সাথে কথা বলা সম্ভব?
*আমি:* তার মানে তুমি ছেলেটার সাথে কথা বলো?
*মা:* হুম, বলি।
*আমি:* কী? সত্যি?
*মা:* হ্যাঁ, সত্যি। ছেলেটা অনেক দিন ধরে আমার পিছনে পড়ে আছে, তাই কয়দিন কথা বললাম।
*আমি:* কী কথা?
*মা:* কী আর, ওকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে এটা হয় না। তোমার বয়স, আমার বয়স দেখো, আমার স্বামী আছে, সন্তান আছে। এইসব আর কি।
*আমি:* ছেলেটা সব জানে, তারপরও তোমার পিছু ছাড়ছে না?
*মা:* না, বারবার মেসেজ দেয়, আমার ছবিতে কমেন্ট করে। ঐদিন রিকশা দাঁড় করিয়ে ফুল দিল, লাভ লেটার দিল।
*আমি:* আচ্ছা, তো কী লেখা ছিল?
*মা:* এই আর কি, ভালোবাসে আমাকে, প্রেম করতে চায়।
*আমি:* তুমি কি এখন চিন্তা করছো, প্রেমের ডাকে সাড়া দেবে? _(আমি জানতাম মা এই কাজ করবে না, তবুও মাকে বাজিয়ে দেখলাম)_
*মা:* তোর কী মনে হয়, আমি হ্যাঁ বলে দেব?
*আমি:* তোমার যদি মনে ফিলিংস আসে, দিতে পারো...
*মা:* তোর কষ্ট হবে না তো?
*আমি:* আমার কেন কষ্ট হবে?
*মা:* আমি প্রেম করব, ওকে বেশি সময় দেব, তোর সাথে তেমন কথা বলব না।
*আমি:* মা, সত্যি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে? _(ইমোশনাল হয়ে)_
*মা:* হা হা হা, কী কষ্ট পাচ্ছিস! দূর, তোর মা কি পাগল? আমি তোকে একা রেখে অন্য কারো কাছে যাবো, ভাবলি কীভাবে?
*আমি:* না, তুমি যেভাবে বলছো, মনে হলো তোমাদের মধ্যে কিছু হয়ে গেছে।
*মা:* তোর মাথা হয়েছে। ছেলেটা আমাকে মেসেজ করে, আমি তেমন কথা বলি না।
*আমি:* তোমার সাথে তাহলে মেসেজিং হয়?
*মা:* হ্যাঁ, হয় তো।
*আমি:* বুঝতে পারছি সব।
*মা:* কী?
*আমি:* তুমি আমার কাছে লুকাচ্ছো।
*মা:* কী লুকাবো?
*আমি:* না, তোমাদের মাঝে কিছু চলছে তাহলে।
*মা:* কী চলছে?
*আমি:* কী আর, থাক বলতে হবে না।
*মা:* রাফি, পাগল হয়ে গেলি?
*আমি:* বলতে হবে না।
*মা:* আচ্ছা, বলব না, তুই খুশি?
*আমি:* আমি খুশি হয়ে তোমার কী লাভ?
*মা:* তুই তো বললি আমি প্রেম করি... হ্যাঁ, করি তো।
*আমি:* তো কী...
*মা:* কিছু না।

_(মায়ের সাথে রাগ করে আমি কথা বলা বন্ধ করে দিলাম। এখানে আমার একটা মতলব ছিল, তাই ইচ্ছে করেই যোগাযোগ বন্ধ করে রাখলাম। মা আমাকে অনেক মেসেজ, কল দিচ্ছে, আমি ধরছি না। এক সপ্তাহ পার হয়ে গেল, আমি মায়ের সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ করছি না। হঠাৎ একদিন আমার মামা কল দিয়ে বলল, তোর মায়ের শরীর খারাপ, ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাচ্ছি। পরে জানতে পারি, মা অনেক টেনশন আর চিন্তার কারণে প্রেশার বেড়ে গেছে। ডাক্তার ওষুধ দিল, বলল ঠিক হয়ে যাবে, টেনশন না করতে, হাসিখুশি থাকতে। ঐদিন রাতে মাকে কল দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে মায়ের কাছে মাফ চাইলাম, দুজনেই কান্নাকাটি করলাম। পরে আবার সবকিছু আগের মতো চলতে শুরু করল। ইমনের সাথে মায়ের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেল। মায়ের সোশ্যাল মিডিয়ার সব অ্যাকাউন্ট থেকে ইমনকে ব্লক করে দিল। আমি সব পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলাম। অনেক ছেলে মাকে মেসেজ দিয়ে বিরক্ত করে, ভিডিওর নিচে খারাপ মন্তব্য করে, সবাইকে ধরে ধরে ব্লক দিলাম। মা এখন আগের মতো আমাকে বিয়ে নিয়ে চাপ দিতে শুরু করেছে। একদিন রাগের মাথায় মাকে বলে দিলাম যে আমি একজনকে ভালোবাসি। এরপর থেকে কাহিনি অন্য দিকে মোড় নিল...)_
Reply
#4

 [Image: 1789759553302.png]
[quote pid="6319158" dateline="1789839104"]

*মা:* তুই কোন মেয়েকে পছন্দ করেছিস বল... ছবি দে দেখি? কোথায় থাকে?
মায়ের জানার ইচ্ছে বেড়ে গেল।

*আমি:* আমি যাকে পছন্দ করি, সে কখনো আমার হবে না।

*মা:* মানে?

*আমি:* ওই মেয়ে রাজি হবে না কোনোদিন আমার প্রস্তাবে।

*মা:* দূর, মেয়েরা প্রথমে রাজি হয় না। একটু ভালোবাসা দেখাতে হয়।

*আমি:* জানি, সেই চেষ্টাই করছি, কিন্তু মনে হয় না সে রাজি হবে।

*মা:* কেন রাজি হবে না? আজকে না হলে কালকে হবে। দরকার পড়লে আমি নিজে গিয়ে তোর সাথে মেয়েটার বিয়ের ব্যবস্থা করব।

*আমি:* আহারে, মেয়েটাকে মনের কথা বলতে পারি নাই এতদিন, আর তুমি বলছো বিয়ের কথা।

*মা:* হ্যাঁ, তুই আমাকে মেয়ের ঠিকানা দে, আমি ওর বাবা-মার সাথে কথা বলব তোদের বিয়ের বিষয়ে।
_(মনে ভাবলাম আর হাসলাম, মা জানে না আমি তার কথা বলছি)_

*আমি:* সম্ভব না, সে কখনো রাজি হবে না।

*মা:* কেন? তোর মতো হ্যান্ডসাম, লম্বা ছেলেকে পাত্তা দেবে না কেন? কিসের কমতি আছে আমার ছেলের মাঝে? টাকা-পয়সা, গাড়ি, বাড়ি, পড়াশোনা। সাত রাজার ধন আমার ছেলে।

*আমি:* মেয়েটা রাগী অনেক, তবে মন নরম। _(আমি মূলত মাকে, মায়ের কথাই বলছি)_

*মা:* তা বুঝতে পারলাম। তুই যখন মেয়েটাকে ভালোবাসিস, কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিস?

*আমি:* কী সিদ্ধান্ত?

*মা:* মেয়েটাকে তোর মনের কথা বলার জন্য?

*আমি:* আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু বলতে পারি নাই। ভয় করে, মেয়েটা যদি রাগ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

*মা:* আরে দূর, একবার বলে দেখ না কী হয়।

*আমি:* আমি জানি, সে কোনোদিন রাজি হবে না, উল্টো কথা বলা বন্ধ করে দেবে।

*মা:* বাহ, এত দেমাক মেয়েটার! তুই চিন্তা করিস না, তোকে মেয়েটা ফেরাবে না, আমার বিশ্বাস।

*আমি:* তুমি কীভাবে জানো?

*মা:* মন বলছে। তুই চেষ্টা কর, সফল হবি।
_(আমি মনে মনে হাসলাম, আর সেই চেষ্টা করে যেতে হবে তাহলে)_

*আমি:* তুমি যেহেতু বলছো, চেষ্টা করব।

*মা:* মেয়েটার বাড়ি কোথায়, ছবি দে দেখি।

*আমি:* এত কিছু এখন দেওয়া যাবে না, আগে মেয়েটা রাজি হোক, তারপর সব জানতে পারবে।

*মা:* তাড়াতাড়ি কর, ওই মেয়ে যদি রাজি হয়, তাহলে ওর সাথেই তোর বিয়ে দেব।

*আমি:* হ্যাঁ মা, সত্যি?

*মা:* সত্যি মানে সত্যি।

এইভাবে আমার আর মায়ের কথাবার্তা চলছে। হঠাৎ একদিন মা মেয়েটার বিষয়ে জানতে চাইল, বলেছি কি না। ঐদিন রাগের মাথায় মাকে সত্যিটা বলে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ভয়, মা যদি কথা না বলে, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, আমাকে খারাপ ভাবে। তাহলে আমি তো থাকতে পারব না, মরা ছাড়া উপায় নেই... কিন্তু কতদিন পেটে এত বড় নিষিদ্ধ প্রেম, ভালোবাসা, দেহ পাওয়ার প্রেরণা মানতে পারব?

এর মাঝে মায়ের সাথে ইমন ছেলেটার দেখা হয়। ইমন মাকে হুমকি দেয়, মা যদি তার সাথে প্রেম করতে রাজি না হয়, মাকে তুলে নিয়ে যাবে। মা খুব ভয় পেয়ে যায়। বিষয়টা আমাকে বলে, কিন্তু লজ্জায় কাউকে শেয়ার করে নি।

আমি ঐদিন ইমনের ওপর চাপ দেই, মায়ের লাইফ থেকে শেষ করি। অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি ইমনকে কল দিই।

*ইমন:* হ্যালো, কে বলছেন?
*আমি:* আমি রাফি বলছি।
*ইমন:* কোন রাফি? চিনলাম না।
_(এখানে বলে রাখি, মায়ের যে ২৫ বছরের ছেলে আছে, সে যে অস্ট্রেলিয়াতে থাকে, এই বিষয় ইমন বা কলেজের কেউ জানত না। শুধু জানত নাজমা আক্তারের সংসার আছে, তাই সুযোগটা মিস করি নাই)_

*আমি:* নাজমাকে তুমি বিরক্ত করো কেন?
*ইমন:* মানে আপনি কে? নাজমা ম্যাডামের বিষয় আপনি কীভাবে জানেন?
*আমি:* আমি নাজমার হবু স্বামী, সামনে আমাদের বিয়ে।
*ইমন:* হা হা, মজা করেন? নাজমার তো স্বামী মারা গেছে...
*আমি:* তুমি সব জানো?
*ইমন:* মোটামুটি জানা আছে। আপনি আমাকে শাসন করতে এসেছেন? দেখে তো মনে হচ্ছে বয়স বেশি না।
*আমি:* রাখ তোর শাসন...
*ইমন:* তুই কে আমাকে হুমকি দিস...
*আমি:* আমি তোর বাপ, আমার বউয়ের দিকে নজর দিলে তোর খবর আছে।
*ইমন:* আচ্ছা তুই কে, তুই যে নাজমার নাগর, কী প্রমাণ আছে?
*আমি:* বিষয়টা বুঝতে পারি, তাই ঠান্ডা মাথায় গেম সাজাই, কারণ আমি যদি আমার মায়ের কোনো প্রমাণ দেখাই, তাহলে পরে মাকে সে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। আমি ইমনের বিষয়ে সব আগে খোঁজ নিয়ে নিয়েছি, সে রাজনীতি করে, ভালো ছেলে না।

*ইমন:* দেখ, তোর কথা আমি বিশ্বাস করি না, তোকে নাজমা ম্যাডাম পাঠিয়েছে।
*আমি:* হুম, আমি সব জানি, তুই আমার বউকে বিরক্ত করিস।
*ইমন:* আমার বিশ্বাস হলে প্রমাণ দে, তোদের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
*আমি:* তোকে কী প্রমাণ দেব, তোকে কীভাবে সোজা করতে হয় আমার জানা আছে, এই বলে গালি দিয়ে কল কেটে দিলাম।

এলাকার বড়দের বলি যে আমার বউকে ছেলেটা বিরক্ত করে, আমি টাকা দেব, ছেলেটাকে উচিত শিক্ষা দেন যাতে কোনোদিন আমার বউয়ের পিছনে না পড়ে। এলাকার এক বড় ভাই আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে, উনি ইমনকে ভালো করে চেনে, তাদের সাথে ইমনের ঝামেলা আরও আগে থেকে। আমি রাজি হয়ে ওনার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিলাম। ইমনকে তাদের দল রাস্তায় মুখে কাপড় বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছামতো মারে, হাত-পা, কোমর ভেঙে দেয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ব্যান্ডেজ, ওষুধসহ দিয়ে ইমনকে বাসায় দিয়ে আসে। প্রায় ৬/৮ মাসের মতো ইমন আর দাঁড়াতে পারবে না, কারণ কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। এটা পুরো পরিকল্পনা আমার ছিল। ইমন বুঝতে পারে না যে তাকে কে আক্রমণ করেছে। একদল তাকে মেরেছে, আরেক দল তাকেই বাঁচিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। আমার প্ল্যান ছিল অপারেশন করব, যাতে কেউ জানতে না পারে। ৬/৮ মাসের জন্য ইমনের প্যারা নিতে হবে না মায়ের।

[/quote]
Reply
#5

মাকে বিষয়টায় টানা যাবে না, কিন্তু মা জানতে পারে ইমনকে কারা যেন মেরে হাড্ডি ভেঙে দিয়েছে...
**মা:** আজকে একটা খবর পেলাম, ইমনকে কারা যেন মেরে হাড্ডি ভেঙে দিয়েছে।**আমি:** আলহামদুলিল্লাহ! মা, তোমাকে হুমকি দিচ্ছিল আর এখন দেখো আল্লাহর বিচার...**মা:** তা ঠিক, তবে খবরটা শুনে একটু খারাপ লাগছে ছেলেটার জন্য...
**আমি:** কেন, তোমার প্রেমিক মাইর খেয়েছে বলে?**মা:** ধুর! যাই হোক না কেন, আমাদের কলেজের ছাত্র তো, খারাপ তো লাগবেই।
[quote pid="6320436" dateline="1789973762"]
*(আমি মনে মনে হাসলাম)*
**আমি:** ভালো হয়েছে, না হলে তোমার ক্ষতি করত...
**মা:** আরে না, এত সহজ নাকি!
**আমি:** সহজ না হলে কেউ হুমকি দেয় না।
**মা:** হুমকি দিলেই কি আমি রাজি হব নাকি... এত সহজ না নাজমা আক্তারের ক্ষতি করা!
**আমি:** হুম, কিন্তু তোমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে যদি কিছু করে দিত?
**মা:** কী করবে একটা মায়ের বয়সী মহিলার সাথে?
**আমি:** অনেক কিছুই তো করতে পারে, যেহেতু প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে...
**মা:** বুঝি না, আজকালকার ছেলেরা এমন খারাপ কেন...
**আমি:** কেমন?
**মা:** এই যে বয়সে বড় মহিলাদের বিরক্ত করে, প্রেমের প্রস্তাব দেয়... বয়সটার কথা একবার চিন্তাও করে না!
**আমি:** ধুর, বাংলাদেশে তো কিছু না, এই দেশে অনেক ছেলে আছে যারা নিজেদের চেয়ে বড় বয়সের মেয়েদের সাথে সম্পর্ক করে বিয়ে করে... আর তাছাড়া তোমাকে দেখে কিন্তু বোঝার উপায় নেই যে তোমার বয়স হয়েছে। দেখতে এখনো ২৫/২৬ বছরের মেয়ের মতো মনে হয়।
**মা:** হুম কচু! দিন দিন মোটা হচ্ছি।
**আমি:** মোটা, মানে ভরাট শরীর তো আজকালকার ছেলেরা বেশি পছন্দ করে...
**মা:** বাবু, কোন যুগে আসলাম! ছেলেদের রুচি এত খারাপ?
**আমি:** খারাপ হতে যাবে কেন?
**মা:** এই যে তোদের ছেলেদের নজর এখন বড় মেয়েদের ওপর, বয়সটা চিন্তা করার কথা তো...
**আমি:** আমার কিন্তু ভালোই লাগে।
**মা:** কী?
**আমি:** এই যে স্বাস্থ্যবান মেয়ে...
**মা:** ও আচ্ছা... তাহলে তোর পছন্দের মেয়েটাও বুঝি এমন?
**আমি:** বলতে পারো তেমনই।
**মা:** ছবি তো দিলি না... কবে বলবি তোর মনের কথা আর কবে দেখাবি আমাকে? কবে করবি বিয়েশাদি?
**আমি:** বলব বলব, সময়ের অপেক্ষায় আছি...
**মা:** কোন সময় আর? সময়টা কবে আসবে?
**আমি:** এখন বলতে গেলে যদি যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়!
**মা:** আরে, বলে দে! বেশি সময় নিলে মেয়েটা অন্য কারও হাত ধরে চলে যাবে...
**আমি:** সে কখনো যাবে না, ওইটুকু বিশ্বাস আছে।
**মা:** বলা তো যায় না, বর্তমান যুগ! তোর আগে যদি কেউ পটিয়ে ফেলে...
**আমি:** আরে না! বললে আমি মেরে হাড্ডি ভেঙে দেব। ও শুধু আমার!
**মা:** হুম, তোর কথা সে জানলে তো বুঝতে পারবে।
**আমি:** আচ্ছা ধরো, আমি বলে দিলাম আর যদি কিছু হয়ে যায়, তখন তো আমার বেঁচে থাকাই কষ্টকর হয়ে যাবে।
**মা:** কী যা তা বলিস! কিছু হবে না। তোর যদি বলতে সমস্যা হয় আমাকে বল, আমি নিজে গিয়ে মেয়েটাকে বলে আসব, দরকার পড়লে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাব।
**আমি:** না, হবে না... রাজি হবে না।
**মা:** কেন? বারবার নিজের কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলছিস কেন? সব কিছু হবে, ওই মেয়েকে তোর বউ বানিয়ে ছাড়ব! তা ছাড়া আমাদের কিসের অভাব?
**আমি:** আচ্ছা মা, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
**মা:** হ্যাঁ বল... কী?
**আমি:** আচ্ছা, সত্যি করে বলবে?
**মা:** হ্যাঁ বলব, তোকে কি কোনো দিন মিথ্যা বলেছি?
**আমি:** না, তা ঠিক আছে, কোনো দিন বলোনি।
**মা:** হুম, তাহলে বল কী কথা।
**আমি:** আমি ছেলে হিসেবে কেমন? আমাকে নিজের ছেলে না ভেবে একজন অপরিচিত ছেলে ভেবে বলবে?
**মা:** তুই ছেলে হিসেবে অসাধারণ ভালো ছেলে, লক্ষ্মী ছেলে... আমার সাত রাজার ধন!
**আমি:** ধরো, তোমার ছেলে মনে না করে... ধরো একজন অপরিচিত ছেলে হিসেবে কেমন? দেখতে কেমন? মনে করো আমি তোমার ছেলে না, একজন মেয়ে হিসেবে ধরে নিয়ে বলো, কেমন লাগে আমাকে?
**মা:** সত্যি, তোকে হ্যান্ডসাম, সুন্দর বডি ফিগার... সবকিছু মিলিয়ে ১০০-তে ১০০! আমার ছেলে বলে কথা।
**আমি:** মা, হচ্ছে না তো! তুমি তো শুধু আমাকে ছেলে হিসেবে ভেবে বলছ। এখন মেয়ে হিসেবে তোমার মতামত দাও।
**মা:** মেয়ে হিসেবেই তো বলছি, তুই খুব হ্যান্ডসাম, সুদর্শন, বডি ফিগারও দেখার মতো। তোকে যে মেয়ে রিজেক্ট করবে, সে একটা পাগল!
*(আমি মনে ভেতরে সাহস পেলাম, তাই সুযোগ বুঝে মাকে বলে বসলাম)*
**আমি:** আচ্ছা, পাম দিচ্ছ!
**মা:** না, সত্যি বলছি।
**আমি:** আমার তো বিশ্বাস হচ্ছে না...
**মা:** কেন?
**আমি:** আমার মনে হচ্ছে তুমি আমার মন রাখতে বলছ।
**মা:** মন রাখতে না, যেটা সত্যি সেটাই বলছি।
**আমি:** আচ্ছা, আমি যদি তোমাকে মা হিসেবে না ভেবে অন্য মেয়ে হিসেবে ভেবে প্রেম করার প্রস্তাব দিয়ে বসি, তখন তুমি কি রাজি হবে?
**মা:** কেন? তোর কি আমাকে পছন্দ হয়েছে নাকি?
**আমি:** হ্যাঁ।
**মা:** হা হা! একটা বুড়িকে পছন্দ হলো বুঝি শেষ পর্যন্ত?
**আমি:** তুমি মোটেই বুড়ি নও, তুমি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী। তোমাকে এখনো দেখলে মনে হয় কলেজের ম্যাডাম না, কলেজের ছাত্রী!
**মা:** হুম, ওইটা পটানোর জন্য বলছিস! তুইও বলছিস...
**আমি:** সত্যি বলছি, আমি একটা ছেলে হিসেবে বলছি... I love you!
**মা:** I love you too, দুষ্টু ছেলে!
**আমি:** মা...
**মা:** হুম, কী?
**আমি:** সিরিয়াসলি!
**মা:** কী?
**আমি:** আমি সত্যি সত্যি তোমাকে ভালোবাসি।
**মা:** বুঝতে পারছি, আজকে ভালোবাসা উতলে উঠছে! তা আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, বাবা।
**আমি:** না মা, সত্যি...
**মা:** কী সত্যি আবার?
**আমি:** তুমি কি বুঝতে পারছ না আমি কী বলছি?
**মা:** হ্যাঁ, তুই আমাকে অনেক ভালোবাসিস...
**আমি:** না, এটা মা-ছেলের ভালোবাসা নয়। আমি তোমাকে প্রেমিকার মতো ভালোবাসি...
*(এরপর মায়ের একটা ছবি পাঠালাম। [Image: 1789958714728.png]
নিচে লিখে দিলাম—)*
> *"এই মিষ্টি হাসি আর চোখের মায়ায় আমি প্রতিদিন নতুন করে প্রেমে পড়ি। তুমি কি আমার জীবনের গল্পটার সবচাইতে সুন্দর অধ্যায় হবে? তোমার এই চশমা পরা রূপের প্রেমে হারিয়ে গেছি বহুদূর। সত্যি বলছি, বাকি জীবনটা শুধু তোমাকেই ভালোবেসে পাশে দেখতে চাই।"*
>
মা একদম চমকে গেল আমার মেসেজ দেখে।
**মা:** ছি রাফি! কী সব বাজে বকছিস? তোর মাথা ঠিক আছে? আমি তোর মা! আমাকে না বলে যাকে বলার কথা তাকে গিয়ে বল, দুষ্টু ছেলে!
*(মায়ের তখনো মনে হচ্ছিল আমি দুষ্টুমি করে বলছি)*
**আমি:** কাকে বলব?
**মা:** কেন, তুই যাকে ভালোবাসিস, মনের কথা বলতে পারছিস না, ওই মেয়েকে আবার কাকে!
*(আমি বুকে সাহস নিয়ে ভাবলাম, নিঃশ্বাস যেন ওঠানামা করছে... যেভাবেই হোক এতদূর পর্যন্ত এসে থামা যাবে না।)*
**আমি:** সত্যি বলতে, ওই মেয়েটা বাস্তবে নেই...
**মা:** মানে??
*(আমি চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে মুখে যা আসছিল বলে মোবাইল বন্ধ করে দিলাম... বুকের ভেতর দপ দপ করছে)*
**আমি:** সত্যি বলতে, মেয়েটা আর কেউ নয়... তুমি, নাজমা আক্তার! আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার প্রেমে পাগল! তোমার সাথে প্রেম করতে চাই, তোমাকে বিয়ে করতে চাই! তোমাকে ছাড়া আমি এক মুহূর্ত চিন্তা করতে পারি না... তুমি আমার সব! তোমাকে না পেলে আমি মরে যাব... তুমি আমার সব, মা!
১০ ঘণ্টা পর ভয়ে ভয়ে অনলাইনে ঢুকলাম, মায়ের কোনো মেসেজ এসেছে কি না হোয়াটসঅ্যাপে চেক করতে।
*(বলে রাখি, আমার আর মায়ের সব কথাবার্তা হোয়াটসঅ্যাপেই হতো)*
*(পরবর্তী পর্বে মা-ছেলের প্রেম শুরু হবে...)
[/quote]
Reply
#6

 
[quote pid="6323654" dateline="1790308527"]
১০ ঘণ্টা পর
ভয়ে ভয়ে অনলাইনে ঢুকলাম। মা কোনো মেসেজ দিয়েছে কি না, দেখার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ চেক করলাম।
যেটা ভেবেছিলাম, ঠিক সেটাই হলো।
মা: "কী বললি তুই?? কুত্তার বাচ্চা!"
এরপর অনেকগুলো কল আসে। আমি অনলাইনে না থাকায় কথা বলা হয়নি।
এর পর—
মা: "জানোয়ার! তোর মতো কুলাঙ্গার সন্তান জন্ম দেব, কখনো ভাবিনি। শেষ পর্যন্ত নিজের মায়ের দিকেই খারাপ নজর তোর? এসবের জন্যই কি তোকে ছোট থেকে মানুষ করে বড় করেছি? আমি আজকের পর থেকে তোর সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ রাখব না। তুই আমার ছেলে না।"
অনেক গালি, অভিমান আর অভিশাপ দিয়ে মেসেজ পাঠিয়ে আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করে দিল। এরপর সব সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও ব্লক করে দিল।
আমার মন ভেঙে গেল। কয়দিন পর পর মাকে কল দিলাম, কিন্তু মা ধরল না। আমি অনেকভাবে চেষ্টা করলাম, কিন্তু মায়ের সাথে কোনো যোগাযোগ হলো না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তো একটিভ নেই, অন্য আইডি দিয়ে দেখছি। নানা প্রশ্ন মাথায় আসছে—তাহলে কি মা আর আমার সাথে কথা বলবে না? কী করব, কীভাবে সব স্বাভাবিক করব, মাথায় আসছে না।
হঠাৎ একদিন মামা কল দিয়ে বলল—
(এখানে বলে রাখি, আমার মামা, মামি, খালা আর চাচা গল্পে মাঝে মাঝে আসবে, কিন্তু তাদের মূল কোনো ভূমিকা নেই।)
মামা: কীরে, কেমন আছিস?
আমি: মামা ভালো, তুমি কেমন আছো?
মামা: ভালো, তবে তোর মাকে নিয়ে চিন্তা হয়। কয়দিন পর পর অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, শুধু টেনশন করে।
আমি: আবার কী হলো?
মামা: কেন, জানিসই না?
(আমি ভয় ভয় জিজ্ঞেস করলাম)
আমি: না।
মামা: হঠাৎ কলেজে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে কলেজের ম্যাডামরা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। আমি আর তোর মামি আসলাম দেখতে।
আমি: কী হয়েছে এখন? কোথায়, কেমন আছে?
মামা: এখন ঠিক আছে, তবে তোর মায়ের শরীরে হরমোনের সমস্যা ধরা পড়েছে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আর টেনশন বেশি করছে।
(এখানে বলে রাখি, মায়ের হরমোনের বিষয়টি সাধারণ নয়। মায়ের শরীরের শারীরিক চাহিদা বাড়ছে, সাধারণত ৪২ বছর বয়সে এমন অনুভূতির পেছনে মূল হরমোন হলো টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের ওঠানামা। মেডিকেল ভাষায় ব্যখ্যা করে দেখলাম এটিই মূল কারণ। তবে এই হরমোন বাড়ার কারণ ডাক্তার আর মায়ের মাঝেই রইল। পরবর্তীতে আমি মায়ের মুখে শুনলাম, কিন্তু মামা-মামি শুধু জানে মানসিক চাপ, টেনশন আর হরমোনের সামান্য সমস্যার কারণে এমন হচ্ছে।)
আমি: তুমি কি আমাদের বাসায় এখন?
মামা: হ্যাঁ, তোমাদের বাসায়। তোর মায়ের সাথে কথা বলবি?
আমি: দাও দাও, আমি তো কিছু জানি না!
মামা: নাজমা, ধর, রাফি নে কথা বল।
ঐ দিক থেকে পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে—
মা বলছে: "এখন না ভাইজান, পরে কথা বলব। আপনি কথা বলেন।"
মামা: আচ্ছা, তোর মা ব্যস্ত আমরা এসেছি বলে।
আমি: না মামা, মাকে একটু দাও প্লিজ, আমি কথা বলব।
(মনে মনে বললাম, মা তো পরে কথা বলবে না, আমাকে এখনই মায়ের সাথে কথা বলতে হবে।)
মামা: নাজমা, আরে নাও, কথা বলো রাফির সাথে। তোর ছেলে তো শুনে পাগল হয়ে যাচ্ছে মায়ের সাথে কথা বলতে!
এই বলে মাকে মোবাইল দিয়ে মামা অন্য রুমে চলে গেল।
মা: হ্যালো?
আমি: আসসালামু আলাইকুম মা, কেমন আছো তুমি?
মা: হ্যাঁ, ভালো।
(মনে মনে রাগ জানি, কিন্তু কিছু বলতে পারছে না।)
আমি: মা, কোনো চিন্তা কোরো না, সব ঠিক হয়ে যাবে। তুমি সুস্থ হয়ে যাবে।
মা: কী ঠিক হবে? ঠিক থাকার মতো কিছু আছে?
আমি: মা, দুঃখিত। তোমার কাছে ক্ষমা চাই, আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার ভুল হয়ে গেছে।
মা: না, কোনো ক্ষমা নেই। তুই আমার ছেলে না! আমার ছেলে এমন হতে পারে না।
আমি: মা প্লিজ, ক্ষমা করে দাও। আমি বুঝতে পেরেছি তুমি আমার ওপর কতটা অভিমান করেছ।
মা: হুম, আচ্ছা। আমার কাজ আছে, পরে কথা হবে।
(আসলে মামি আসায় মায়ের সামনে মা বেশি কথা বলতে চায়নি।)
আমি: আচ্ছা মা, শোনো—
মা: বল তাড়াতাড়ি, আমার রান্না করতে হবে।
আমি: সরি মা, মাফ করে দাও। আর কোনো দিন এমন করব না।
মা: হুম!
(বলে কল কেটে দিল।)
২ দিন পর
মায়ের হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ১টি মেসেজ এলো—
মা: "রাফি, আমি কখনো ভাবিনি তুই আমার ছেলে হয়ে এত নিচে নামতে পারবি... তোকে ছোট থেকে চোখে চোখে রেখে মানুষ করেছি... আজকে তুই আমাকে এই মূল্য দিলি? তোর মুখে কীভাবে আসল, কীভাবে চিন্তা করলি এই রকম কথা? তোর থেকে এই ব্যবহার আমি আশা করিনি। ওই দিন আমি অনেক কান্না করেছি, অনেক টেনশনে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার মেনে নিতে কষ্ট হয় আমার রাফি এমন কথা আমাকে বলতে পারে! ছি ছি ছি... আমার খুব কষ্ট হচ্ছে, তোকে বোঝাতে পারব না..."
২ ঘণ্টা পর অনলাইনে এসে:
আমি: মা, আমাকে মাফ করে দাও। আর কখনো তোমাকে কষ্ট দিয়ে কথা বলব না, ক্ষমা করে দাও।
মা: তুই জানিস, আমি কতটা অভিমান করে তোর সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি?
আমি: হুম, জানি...
মা: তাহলে কথা দে, তুই কখনো এসব মুখে আনবি না। ভালো ছেলের মতো হয়ে যাবি।
(আমাদের এই কথাগুলো ফোনে সরাসরি কথা হয়।)
আমি: হুম।
মা: তুই একটা বিয়ে করে নে, এসব বাজে চিন্তা মাথায় আর আসবে না।
আমি: মা, সবকিছু ঠিক আছে, কিন্তু আমার বিয়ের বিষয়টাই কি আমার ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না?
মা: বিয়ে কর, আর কোনো কথা শুনব না। বিয়ে করলে এসব অদ্ভুত বাজে চিন্তা আর আসবে না।
আমি: আচ্ছা, তুমি যেটা ভালো মনে করো।
আমি আসলে বিষয়টিকে নিয়ে কথা বাড়াতে চাইনি। মায়ের আমার ওপর রাগ এখনো কিছুটা আছে, কারণ কথার মাঝে বুঝতে পেরেছি। তবে আমার মনে যে চিন্তা ৩–৪ বছর ধরে আছে, সেটা আমি মন থেকে ফেলতে পারছি না। আমি সত্যি মাকে মনে-প্রাণে ভালোবাসি। আমার চোখে একমাত্র নারী শুধু মা। কিন্তু মাকে রাজি করানো সহজ হবে না, তা আমি বুঝতে পেরেছি। তাই আরও কিছুদিন সময় দিতে চাই। মাথায় কোনো বুদ্ধি আসছে না, যেখানে মাকে ফাঁদে ফেলা যায়... ফাঁদে ফেলে রাজি করানো ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না।

এর চার মাস পার
আমার আর মায়ের মধ্যে আগের মতো সবকিছু চলতে থাকে। মা আমাকে বিভিন্ন মেয়ের ছবি আর বায়ো ডাটা দিতে থাকে, কিন্তু আমি রিজেক্ট করতে থাকি। আমার মনে তো মেয়ে একটাই—সেটা নাজমা আক্তার। কিন্তু কোনোভাবে মায়ের সাথে প্রেম বিনিময় করতে পারছি না।
হঠাৎ একটা বুদ্ধি মাথায় এলো—যেখানে মাকে ফাঁদে ফেলে প্রেম করতে বাধ্য করি।
বিয়ের কথা উঠলে আমি আবার বলি—
মা: তোকে এতগুলো মেয়ে দেখালাম, একটা মেয়েও তোর পছন্দ হচ্ছে না?
আমি: না, পছন্দ হচ্ছে না। আমার বিয়ের বিষয়টাই বাদ দাও তো!
মা: কেন বাদ দেব?
আমি: আমি বিয়ে করব আমার পছন্দের ভালোবাসার মানুষকে।
মা: রাফি, এসব বন্ধ কর! আমি তোর মা, তোর মাথায় এখন এসব বাজে চিন্তা আসে?
আমি: হ্যাঁ, কী বাজে? আমার ভালোবাসা বাজে হবে কেন? ভালোবাসা তো কোনো দোষ নয়!
মা: ভালোবাসা দোষ না, কিন্তু নিজের মাকে নিয়ে ভাবা দোষ। যেটা সমাজ ও ধর্মের দিক থেকে নিষিদ্ধ, কল্পনা করা তো দূরের কথা!
আমি: আমি কিছু জানি না! আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমি তোমাকেই চাই।
মা: তোকে বিশ্বাস করাটাই ভুল হয়েছে, তুই একটা জানোয়ার! জানোয়ার জন্ম দিয়েছি আমার পেটে...
(ইত্যাদি গালি দিয়ে আবার আগের মতো ব্লক করে দেয়, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।)
আমি এইবার বুদ্ধি খাটিয়ে একটা নাটক সাজাই।
সিডনিতে আমার বাসায় এক বন্ধু থাকত, নাম সজীব সাহা—*  ছেলে। ছেলেটার কথা মা জানে। আমি সজীবকে বলি—
আমি: আমার কিছু ভালো লাগছে না বন্ধু...
সজীব: কী হয়েছে?
আমি: একটা মেয়েকে পছন্দ করি, ভালোবাসি। কিন্তু মেয়েটা কোনোভাবে আমার ভালোবাসার প্রস্তাব মানছে না। আমি মেয়েটাকে না পেলে মরে যাব বন্ধু!
সজীব: কী বলিস তুই? তোর মতো ছেলেকে কোনো মেয়ে রিজেক্ট করে? আর তোর কিসের অভাব! তুই মেয়েটার প্রেমের প্রস্তাব নিয়ে আন্টিকে বল, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে পরিবারকে রাজি করা। নাকি মেয়েটা অন্য কোনো ছেলেকে পছন্দ করে?
আমি: না বন্ধু, মেয়েটার কারো সাথে সম্পর্ক নেই।
সজীব: তাহলে কী সমস্যা?
আমি: মেয়েটা আমার সাথে কোনো সম্পর্কে যেতে চায় না।
সজীব: ধুর! বিয়ের প্রস্তাব দিতি তাহলে...
আমি: আমি সব দিয়েছি, কিন্তু কোনো কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি সুইসাইড করব যদি মেয়েটাকে না পাই!
সজীব: ধুর পাগল! এসব কী বলিস!
আমি: না বন্ধু, সত্যি বলছি...


(এই বলে চার মাস ধরে জমানো ক্ষোভ নিয়ে হাতে ছুরি দিয়ে পোজ দিতে লাগলাম।)

সজীব: ধুর বলে পাগল হয়ে যাবি!
(এই বলে হাত থেকে ছুরিটা নিয়ে ফেলে আর বলে)
সজীব: তুই পাগল হয়েছিস নাকি! আমাকে বল, আমি কিছু করতে পারি কি না দেখি...
আমি: আমার একটা কাজ করবি?
সজীব: বল, কী করতে হবে?
আমি: আমার মাকে কল দিয়ে বলবি আমাকে মাফ করে দিতে। আমি সুইসাইড করার পর যেন না কাঁদে।
সজীব: তোর মাথা খারাপ? তুই কিছু করবি না, আমি আছি! আমি আন্টিকে বলতেছি মেয়েটার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে... তুই মেয়েটার ছবি আর ঠিকানা দে, আমি আন্টির সাথে কথা বলতেছি।
আমি: না, মেয়েটার বিষয়ে মা জানে।
সজীব: তাহলে তো ভালোই হলো! আন্টিকে বল মেয়েটার আর মেয়ের পরিবারের সাথে কথা বলতে।
আমি: মা রাজি হবে না।
সজীব: কেন? আন্টির কি মেয়ে পছন্দ না?
আমি: না, তেমন নয়। মা আমার জন্য অন্য মেয়ে ঠিক করতে চায়, কিন্তু আমি ওই মেয়েকে ছাড়া কাউকে চিন্তা করতে পারি না, বিশ্বাস কর... আমি সুইসাইড করব বন্ধু, আমি যদি ওকে না পাই!
সজীব: তুই বাজে বকিস না, আমি আন্টিকে রাজি করাব আর মেয়েটার সাথে তোর বিয়ের ব্যবস্থা করব।
আমি: না, তুই শুধু মাকে বলিস আমাকে মাফ করে দিতে।
(এতটুকু বলে রুম থেকে বাইরে চলে এলাম।)

১ ঘণ্টা পর
মায়ের কল এলো।
(তার মানে সজীব আর মায়ের কথা হয়েছে।)

(সজীব আর মায়ে কথবো কথন টা আমি লিখাম না এখন তাঁদের মাঝে কথা গুলা মায়ে মুখ থেকে শুনবো পারে)

(মা কাঁদতে কাঁদতে)

মা: রাফি রে বাবা! তুই এমন কেন করছিস? তোর কী হয়েছে আমাকে বল... আমি তোকে এভাবে হারাতে চাই না! আমার তুই ছাড়া কে আছে বল? তোর কিছু হলে আমি মরে যাব সোনা! আমাকে মাফ করে দে, আমি কোনো দিন তোর সাথে রাগ করব না, তবুও পাগলামি করিস না...

আমি: (কাঁদতে কাঁদতে) মা, আমি সত্যি আর পারছি না। আমি সুইসাইড করলে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
মা: (কাঁদতে কাঁদতে) পাগল হয়ে গেলি নাকি! আমার কথা শোন বাবা, আমি তোর মা। তুই যেটা চাইছিস, সেটা সম্ভব না। আমাদের সমাজ, ধর্মে এটা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। তুই যে দেশে থাকিস, তাদের সংস্কৃতিতে হয়তো থাকতে পারে, এটা আমাদের দেশে নেই বাবা... এত বড় পাপ করতে পারব না, একটু বোঝার চেষ্টা কর!
আমি: না, তোমাকে কিছু করতে হবে না...
(এই বলে হাত কাটার জন্য ছুরি আনি।)
(এখানে বলে রাখি, আমি কিন্তু তখন ভিডিও কলে কথা বলছি।)
চোখ বড় বড় করে মা তাকিয়ে বলল—

মা: এই রাফি! আল্লাহর দোহাই লাগে বাবা, এমন কিছু করিস না... মাফ চাই!
আমি: নিজেকে শেষ করে দেব, আমি এই জীবন রাখতে চাই না...
(বলে হাতের ওপর ছুরি দিয়ে দুটো পোঁচ দিয়ে দিলাম।

[Image: 3840px-Selfharmarm.jpg]

আমি জানি খুব কষ্ট হবে, একটু রক্ত যাবে, কিন্তু আমার প্ল্যান ছিল মাকে চাপ সৃষ্টি করে রাজি করানো... আর একটা পোঁচ দেওয়ার আগেই কাজ হয়ে গেল।)

মা: "রাফি!" বলে চিৎকার করে উঠল। তারপর বল্লো—
মা: তুই এসব বন্ধ কর, আমি আর নিতে পারছি না, আল্লাহর ওয়াস্তে...
(কান্নাভেজা চোখে দুজনের মাঝে অনেকক্ষণ কথা হয়, বেশিরভাগ আমিই কথা বলি মাকে পটাতে বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে।)
আমার হাতের মধ্যে ছুরি দিয়ে 'N+R' দিয়ে একটা সিগনেচার দিলাম, ওইটা মাকে দেখালাম।
মা: এটা কী, রাফি?
আমি: এটা আমাদের ভালোবাসার সিগনেচার। N-এ Najma আর R-এ Rafi.

[Image: 1790304195271.png]

মা: তোর মাথা পুরো গেছে!
আমি: আমি সত্যি বলছি, তোমাকে ছাড়া কিছু চিন্তা করতে পারি না। তুমি যদি আমাকে বারবার ফিরিয়ে দাও, দূরে ঠেলে দাও, আমি নিজেকে শেষ করে দেব তিলে তিলে...
(মা আমার কথাগুলো শুনছে আর চোখ বন্ধ করে কাঁদছে।)
আমি: আমি মরে যাব, তোমাকে আর এসব শুনতে হবে না আমার মুখে!
মা: চুপ কর, আমি আর নিতে পারছি না...
আমি: আমি মরে গেলে শান্তিতে থাকতে পারবে, আমি মরে যাই। আমি এখন বাসার ছাদ থেকে লাফ দেব...
(বলে মা-র কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মোবাইল কেটে দিলাম।)
আবার মা কল দিল। আমি তখন ছাদে। কল ধরলাম—
আমি: মা, আমাকে মাফ করে দাও। আজকের পর থেকে তুমি মুক্ত, তোমাকে আমার মতো জানোয়ারকে সহ্য করতে হবে না...
(বলে ছাদের কিনারে গেলাম।)
মা তখন আরও জোরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল—
মা: না না রাফি, বাবা সোনা! এমন পাগলামি  করিস না, তুই যা বলবি তাই হবে! প্লিজ প্লিজ বাবা, দূরে গিয়ে দাঁড়া!
আমি: না, আগে বলো তুমি আমাকে ভালোবাসবে? তুমি আমাকে প্রেমিকার মতো ভালোবাসা দেবে? তুমি আমাকে বিয়ে করবে?   স্বামীর মতো ভালোবাসা দেবে?
মা: (কাঁদতে কাঁদতে) তুই শান্ত হ! কী বলছিস এগুলো, বোঝার চেষ্টা কর বাবা...
আমি: না, আমি কিছু বুঝতে চাই না! আমি তোমাকে চাই। তোমাকে না পেলে জীবন রেখে লাভ কী?
(এই বলে আরও কাছে গেলাম ছাদের।)
মা তখন চোখ বন্ধ করে বলল—
মা: হ্যাঁ হ্যাঁ, আমি সব দেব! তার আগে তোকে এসব বন্ধ করতে হবে!
আমি: কী দেবে, মুখে বলো!
মা: তুই যা চাস তাই দেব...
আমি: না, মুখে বলো!
মা: তোকে আগের চেয়েও বেশি ভালোবাসা দেব।
আমি: না, শুধু ভালোবাসা না। আমি তোমাকে প্রেমিকার মতো চাই, ওইটা দেবে না? আর বিয়ে করবে না আমাকে?
মা: কেন বুঝতে পারছিস না, এটা নিষিদ্ধ আমাদের মধ্যে!
আমি: আমি কিছুই জানি না!
(বলে ছাদের আরও কাছে গেলাম। সবকিছু ভিডিও কলে।)
মা: ঠিক আছে দেব! তোর জন্য হলেও আমি এই নিষিদ্ধ সম্পর্কে রাজি হচ্ছি, কিন্তু কেউ জানলে আমার মরা মুখ দেখবি!

আমি: কেউ জানবে না, কাকপক্ষীও না! আমার আর তোমার মাঝেই থাকবে। আমি তোমাকে আমার কাছে নিয়ে আসব, না হয় অন্য কোথাও চলে যাব যেখানে আমাদের কেউ খুঁজে পাবে না।
মা: আগে তুই ছাদ থেকে নাম!
[/quote]
Reply
#7

আমি: কেউ জানবে না, কাকপক্ষীও না! আমার আর তোমার মাঝেই থাকবে। আমি তোমাকে আমার কাছে নিয়ে আসব, না হয় অন্য কোথাও চলে যাব যেখানে আমাদের কেউ খুঁজে পাবে না।
মা: আগে তুই ছাদ থেকে নাম!
আমি: না, আগে তুমি বলো। তোমাকে আমাকে কথা দিতে হবে, না হলে আমার বেঁচে থেকে লাভ নেই।
মা: হুম, তোর সব কিছু আমি দেব। তার আগে তুই ছাদ থেকে নাম, আমার খুব ভয় হচ্ছে প্লিজ রাফি।
আমি: আমার আগে জানতে হবে, তুমি আমাকে দূরে ঠেলে দেবে না তো? প্রেমিকার মতো ভালোবাসা দেবে তো? আমার প্রেমিকা হবে? স্বপ্নের রানী হবে?
মা: হুম, সব দেব... আগে তুই ছাদের কিনারা থেকে সরে দাঁড়া বাপ, আল্লাহর দোহাই লাগে।
আমি: কসম করে বলো, তুমি সব দেবে...
মা: হ্যাঁ হ্যাঁ, কসম করে বলছি দেব, তুই যা চাইবি।
আমি: বিয়ে করবে আমাকে?
মা: এটা সম্ভব না। তোর সাথে নিষিদ্ধ সম্পর্কে যাব, কিন্তু নিষিদ্ধ বিয়েশাদিতে যেতে পারব না বাপ।
আমি: আমি এত কিছু বুঝি না! আমি তোমাকে মা এবং বউ—দুই রূপেই চাই, যেখানে ভালোবাসার কোনো কমতি হবে না। দরকার পড়লে আমরা অন্য কোথাও চলে যাব, যেখানে এই সমাজের চোখ আমাদের খুঁজে পাবে না।
মা: তুই শান্ত হ, আমার কথা শোন বাবা।
আমি: না, তুমি যদি সবে রাজি না হও, আমি এখনই লাফ দেব!
এই কথা বলে ছাদের কিনারায় একটা পা ঝুলিয়ে দিতেই ভিডিও কলের অন্য পাশ থেকে কান্নাভেজা গলায় মা চোখ বন্ধ করে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন—
মা: হ্যাঁ হ্যাঁ, করব বিয়ে! তোর বউ হব! তুই যেভাবে চাস সেভাবেই পাবি আমাকে!
আমি: সত্যি রানী হবে আমার?
মা: হুম, হব।
আমি: বিশ্বাস নেই, তুমি পরে আমাকে দূরে ঠেলে দেবে।
মা: না, দেব না কখনো দূরে। তুই আমার সব, আগে বলেছি এখনও বলছি, তোর জন্যই আমি এখনো বেঁচে আছি। তোকে মা হিসেবে যেটা দেওয়া যায় না, আজকে তুই যখন চেয়েছিস সেটাও দিয়ে দেব। তবে আমার কিছু কথা বলার আছে।
আমি: কী, বলো?
মা: আমাকে কিছুদিন সময় দিতে হবে। আমি নিজের সাথে এখনো বুঝে উঠতে পারছি না যে নিজের সন্তানের সাথে সম্পর্কে যেতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—আমার আর তোর কথা যেন কেউ না জানে। জানলে আমি রাস্তার গাড়ির নিচে জীবনটা দিয়ে দেব।
(মায়ের সব কথা কান্নাভেজা গলায়)
আমি: কেউ জানবে না। সময় তুমি নাও, তবে বিয়ে আমি তোাকেই করব, এটা আমার শেষ কথা।
মা: বিয়ে করে আমাকে ভোগ করতে চাস? তাহলে বিয়ে কেন, বিয়ে ছাড়াই ভোগ কর!
আমি জানি মা রাগের মাথায় বলছেন, তাই আমি নরম না হয়ে শক্ত গলায় বললাম—
আমি: তুমি আমাকে কী মনে করো? দেহ ভোগের জন্য বিয়ে করতে চাইছি?
মা: তা নয়তো কী?
আমি: আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবে ভালোবাসি। মা হয়েছ তো কী হয়েছে? তোমারও তো স্বামীর ভালোবাসা পাওয়ার ক্ষমতা এখনো আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমি তোমাকে বিগত ৩-৪ বছর ধরে ভালোবেসে মনের সাথে যুদ্ধ করে এই পর্যন্ত এসেছি। এর মাঝে তুমি যদি ফিরিয়ে দাও, আমি এই মুহূর্তে লাফ দেব!
(মা ভয় পেয়ে গেলেন)
মা: রাফি সোনা, শোন আমার কথা! তুই ছাদ থেকে নাম আগে। আমি কথা দিচ্ছি তোর কথা শুনব বাবা, যা তোর বউ হয়ে থাকব... খুশি?
আমি: না, তোমাকে বিশ্বাস নেই, তুমি পল্টি নিতে পারো।
মা: কসম বলছি, তোর কথা মতোই সব হবে।
আমি: আই লাভ ইউ মা!
মা: হুম, আই লাভ ইউ টু।
এরপর ছাদের কিনারা থেকে সরে আসলাম। মা তখনো কাঁদছিলেন।



পরের আপডেট গুলাতে মা ছেলের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রেমে গল্প শুরু হবে৷

আপনারা যারা আমার লিখা গল্প টা পছন্দ করেছেন তাঁরা অবশ্যই মন্তব্য করে  জানাবেন সামনের কেমন আপডেট চান?? 



মা প্রেম করবে ছেলে সাথে  তখন ভিডিও কলের ছবি
Reply
#8

মা: কসম বলছি, তোর কথা মতোই সব হবে।
আমি: আই লাভ ইউ, মা!
মা: হুম, আই লাভ ইউ টু।
এরপর ছাদের কিনারা থেকে সরে এলাম। মা তখনো কাঁদছিলেন। ঘরে ফিরে মাকে বিদায় জানিয়ে কলটা কেটে দিলাম। তারপর আমার মনে হলো, আমার বুদ্ধিটা কাজ দিয়েছে। সজীবকে জড়িয়ে ধরে বললাম, "ধন্যবাদ, বন্ধু!" সজীব বিষয়টা কিছুই বুঝতে পারেনি; কারণ আমার মায়ের সাথে যখন কথা হয়, তখন সে অফিসে ছিল।
রাতে মায়ের মেসেজ ও কলের অপেক্ষায় রইলাম। কারণ, বাংলাদেশের সময়ের সাথে সিডনির সময়ের ৪ ঘণ্টার ব্যবধান। বাংলাদেশে সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা, আর সিডনিতে রাত ১০টা। সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু কোনো মেসেজ বা কল আসে না।
হঠাৎ ফেসবুকে একটি নোটিফিকেশন এলো—‘Friend Request: Najma Akhter’। আগে যে আইডি থেকে আমার সাথে যুক্ত ছিল এবং রাগের মাথায় আমাকে ব্লক করেছিল, সেই আইডি থেকেই আবার রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। তার মানে মা এখন অনলাইনে আছে। আমি রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলাম এবং মেসেজ দিলাম:
আমি: হাই!
মেসেজ দিলেও কোনো উত্তর এলো না। আমি আবার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলাম, কিন্তু সেখান থেকেও কোনো উত্তর পেলাম না। কিছুক্ষণ পর মেসেজের উত্তর এলো—
আমি: মেসেজ দিচ্ছি, উত্তর দিচ্ছ না কেন?
মা: না, তোর মামা কল দিয়েছিল, তাই উত্তর দিতে পারিনি।
আমি: মামা কেন কল দিল এই সময়ে?
মা: তোর জন্য একটা মেয়ে দেখেছে। সেই বিষয়ে বলল, বায়োডাটা দিল।
আমি: তুমি মামাকে বলো আমার জন্য মেয়ে না দেখতে। তোমাকে আমার হাতে তুলে দিতে বলো।
মা: চুপ কর, বেয়াদব!
আমি: কেন চুপ করব? যা সত্যি, তা-ই বলছি।
মা: আমি কিন্তু এখনই অনলাইন থেকে চলে যাব!
আমি: কেন?
মা: তুই আবার বেয়াদবি শুরু করেছিস। আমার শুনতে ইচ্ছে করছে না এগুলো এখন।
আমি: কেন? আমার ভালোবাসা কি মিথ্যা? আমার অনুভূতির কি কোনো দাম নেই?
মা: তোর কাছে আমি সময় চেয়েছি। আমাকে সময় দিবি না?
আমি: হুম, যত সময় তুমি চাও নিতে পারো। কিন্তু বিয়ে আমি তোমাকেই করব, নাজমা আক্তার!
মা: আমাকে তুই ব্ল্যাকমেল করেছিলি। তখন আমি বুঝতে পারিনি, এখন বুঝতে পারছি।
আমি: মোটেও না! আমি তোমাকে বোঝার চেষ্টা করছি। যা করেছি, সত্যি সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছি। তুমি 'না' বললে এখনই ছাদে গিয়ে লাফ দেব।
মা: না! ঐ কথা মুখে আনবি না কখনো!
আমি: তাহলে বলো, আমার ভালোবাসা সত্যি, এতে কোনো মিথ্যা নেই।
মা: হুম, সত্যি। কিন্তু আমাকে জোর করে তুই রাজি করিয়েছিস, মনে রাখিস।
আমি: মোটেও না! তুমি বলেছ আমার কথা শুনবে, মানবে, বউয়ের মতো থাকবে।
মা: রাফি, একবার চিন্তা করে দেখ তোর মায়ের বয়স আর তোর বয়স! তোর বাকি জীবন পড়ে আছে। আমি সব সময় এক থাকব না। বয়সের সাথে সাথে বুড়ি হয়ে যাব, তখন আমাকে তোর ভালো লাগবে না।
আমি: আমি অত সব বুঝি না! আমার তোমাকেই চাই, ব্যস! তুমি শুধু আমার। তোমার দিকে কেউ নজর দিলে তার চোখ তুলে ফেলব।
মা: তোর মাথা পুরো গেছে, ডাক্তার দেখাতে হবে!
আমি: হুম, তোমার জন্যই আমার মাথা নষ্ট।
মা: আমার উচিত ছিল তোর বাবা মারা যাওয়ার পর সবার কথা শুনে নতুনভাবে নিজের কথা চিন্তা করা, আর একটা বিয়ে করা। তা না হলে আজকে হয়তো এই দিন দেখতে হতো না।
আমি: কী বললে তুমি? আবার বিয়ে করতে তুমি?
মা: হ্যাঁ, আবার বিয়ে করার জন্য আমার ভাইবোন সবাই অনুরোধ করেছিল। কিন্তু আমি তোর দিকে তাকিয়ে রাজি হইনি। তোর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তোর বাবার সম্পদ ও টাকাপয়সায় যেন কারও নজর না পড়ে, সবকিছু চিন্তা করে আমি সামনে পা বাড়াইনি।
আমি: আমার কিছু লাগবে না! তুমি সবকিছু কাউকে দিয়ে দাও—সম্পদ, টাকাপয়সা। শুধু তুমি আমার সাথে থাকো। আমার কিছু লাগবে না, শুধু তোমার ভালোবাসা চাই।
মা: আমি এত সুন্দর নই। তুই আমার চেয়ে সুন্দর, রূপসী মেয়ে ডিজার্ভ করিস। আমার বয়স বেশি, তোর চেয়ে ১৮ বছরের বড়। কদিন পর বুড়ি হয়ে যাব, তখন ভালো লাগবে না।
আমি: এক কথা বারবার বলতে ইচ্ছে করে না আমার! তুমি মোটেও বুড়ি নও। তুমি নিজেকে আয়নার সামনে নিয়ে গিয়ে দেখো—তোমার শুধু বয়সের সংখ্যাটা বেড়েছে, তা না হলে তোমার যৌবন এখনো পরিপূর্ণ আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমি তোমাকেই ভালোবাসি।
মা: ভালোবাসি বললেই কি সব হয়? একটা মেয়েকে রাজি করাতে সুইসাইডের মতো সিদ্ধান্ত নিলেই শুধু হয় না। মন জয় করে নিতে হয়, মেয়েটাকে ভালোবাসার অনুভূতি দিতে হয়।
আমি: মন জয় করার সুযোগ দিলে আমি তোমার মন জয় করতে পারব।
মা: আমি তোকে ভালোবাসি সন্তান হিসেবে। কিন্তু তোর এই পাগলামির জন্য আমাকে নারী রূপে চিন্তা করতে হবে। আমাকে তুই একটা নিষিদ্ধ সম্পর্কের দিকে ঠেলে দিলি, যেখানে গেলে জাহান্নামেও জায়গা হবে না! পুরোপুরি ধ্বংস করে দিলি... কেন যে আমি রাজি হলাম! তোর জন্য, কারণ তুই আমার নাড়িছেঁড়া একমাত্র সন্তান।
আমি: আমি তোমাকে অনেক ব্যাখ্যা দিতে চাই, কিন্তু বলে লাভ নেই। আমি নিজের সাথে ৩-৪ বছর যুদ্ধ করে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমাকে মনের কথা বলে দেব। আমি জানি আমাদের সম্পর্কটা সমাজ ও দুনিয়ার চোখে নিষিদ্ধ, কিন্তু আমার মনের ভেতরটা অন্য কিছু বলছে।
মা: তোর মনে আমার জন্য এমন অনুভূতি এলো কবে থেকে? তুই তো এমন ছিলি না, বাবা!
আমি: অনেক আগে থেকে, মা। সত্যি বলতে, আমি অনলাইনে চটি গল্প পড়ে, তোমার সাথে কথা বলতে বলতে, তোমার ছবি দেখতে দেখতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমার ভিডিওতে নাচ দেখে কেমন যেন তোমার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি। এরপর স্বপ্নে শুধু তোমাকেই দেখি। বিশ্বাস করো মা, তুমি আমার স্বপ্নের রানি। প্রথম প্রথম নিজের ওপর অনেক রাগ হতো—নিজের মাকে নিয়ে এসব কী ভাবছি! নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি।
মা: চটি গল্প? এটা আবার কী?
আমি: মা, এটা হলো নিষিদ্ধ সম্পর্ক ও যৌনতার ওপর লেখা গল্প, যেখানে অনেক মা-ছেলের গল্প আছে। বিশেষ করে Xossipy Bangla Sex Story সাইটে এই মা-ছেলের সম্পর্কের চটি গল্প পাওয়া যায়।
এই কথা বলে মাকে লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর মা...
মা: ছি ছি ছি! কী সব বাজে লেখা এখানে! এগুলো পড়ে তোর মাথা গেছে! এগুলো পড়া বন্ধ কর!

আমি জানি, মাকে একবার এগুলোর ভেতরে ঢোকাতে পারলে কাহিনি অন্যদিকে মোড় নেবে। মায়ের মনেও আমার মতো লোভ জন্মাবে, আর এই নিষিদ্ধ সম্পর্কটা তখন আর নিষিদ্ধ থাকবে না...
Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)