Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (By: Panu Daa)
#1

বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (পর্ব - ১)
          
-
-
  রোহনের বোন ঋত্বিকা ছিল তার একমাত্র পরিবার। তাদের বাবা-মা মারা গিয়েছিল যখন তারা ছোট ছিল। রোহানকে তার ছোট বোনের যত্ন নিতে হয়েছিল, সে অনেক ভালোবেসে তার ছোট বোনকে মানুষ করেছে। সে সর্বদা তার জন্য সর্বোত্তম চেয়েছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যে সে সেরা কলেজ থেকে পাশ করে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, এবছর ঋত্বিকা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে আর মেডিক্যালে সরকারি কলেজে চান্স পেয়েছে। ভাগ্যের বিষয়, মেডিক্যাল কলেজ ওদের বাসার থেকে কাছেই ঋত্বিকা রোজ বাড়ি থেকেই যাতায়াত করতে পারে, আলাদা করে আর বোর্ডিং এ থাকতে হয়না। এদিকে ঋত্বিকাও খুশি, কারণ ও যদি বোর্ডিংএ থাকত তাহলে ওর অভিভাবক দাদাভাই রোহণ বাসায় একা হয়ে যেত। ওর দাদাভাই রোহণ এখন মাস্টার্সএ ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।

        ঋত্বিকার বন্ধুরা সবাই রোহানের উপর ক্রাশ খেয়েছিল। কারণ রোহণ ছিল অনেক হ্যান্ডসাম, লম্বা একদম সিনেমার হিরোদের মতো। ঋত্বিকার বন্ধুরা রোহণের সাথে রিলেশন করিয়ে দেবার জন্য পিড়াপিড়ি করত। ঋত্বিকার কাছে, রোহন ছিল তার নায়ক, তার রক্ষাকর্তা। কিন্তু যখনই সে তার বন্ধুদের তার সাথে ফ্লার্ট করতে দেখে তখন সে একটু ঈর্ষান্বিত বোধ করতে থাকে, সে মনে করে তার দাদাভাই শুধু তার একার, অন্য কারও হতে পারেনা।

            একদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। টাই ঋত্বিকা আর কলেজে যায়নি, আর এদিকে রোহণও ইউনিভারসিটি যায়নি। সেদিন সারাদিন দুই ভাইবোন বাড়িতেই ছিল। এর আগেও তারা দুইভাই ছুটির দিনে একসঙ্গে থেকেছে। কিন্তু ঋত্বিকার কাছে আজকের দিনটা ছিল অন্যরকম। এর আগে ঋত্বিকার মনে তার দাদাভাইকে নিয়ে অন্য রকম ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আজ তার কাছে তার দাদাভাই তার ক্রাশ। তার দাদাভাইকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সে এওজানে তার দাদাভাইয়ের তার জন্য বোন ছাড়া অন্যরকম ভাবনা নেই। সকাল থেকেই সে তার দাদাভাইয়ের উপর নজর রেখেছে। কাল ঋত্বিকার বন্ধু শমিতা ওকে একটা ভিডিও দেখিয়েছে। ভিডিওতে শমিতা তার দাদার লিঙ্গচুষে খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শমিতা হাঁ করে জিভ বের করে থাকলে ওর দাদার লিঙ্গ থেকে পিচকিরির ন্যায় প্রায় এক কাপ বীর্য ওর মুখের মধ্যে জিভে এসে পড়ে আর শমিতা তা তৃপ্তি ভরে খেয়ে নেয়। ব্যাপারটা দেখে ঋত্বিকার প্রথমে ঘৃণা লাগছিল।

          সে শমিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল ,”এই শমিতা, এটা তুই কি খেলি। তোর ঘৃণা লাগেনি।“

        শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ঘৃণা? কিসের ঘৃণা? আমারতো ভীষণ টেষ্টি লাগল।“
ঋত্বিকা আবার জিজ্ঞেস করে,”এটা কি কোন খাবার জিনিস? এটা খেলে তো শরীর খারাপ করতে পারে?”

          শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ধুর, কি যে বলিস। ওটা ছিল বীর্য, মানে বীজ। তুই খেয়াল করে দেখ এই পৃথিবীতে মাংসাশী প্রাণী ছাড়া সব প্রাণীই যা খেয়ে বেঁচে থাকে, তার বেশির ভাগই কোনও না কোনও গাছের বীজ, যেমন চাল, গম, ভুট্টা থেকেই আটা, ময়দা তৈরি হয়। তাছাড়া তুই যে কোন গাছের বীজ তুই খেতে পারিস, তাতে প্রোটিন, শর্করা থাকে, ক্ষতিকারক বস্তু খুব কমই থাকে।“
 
          ঋত্বিকা ফের জিজ্ঞেস করেছিল,”কিন্তু সেটা তো গাছের, উদ্ভিদের, কোন প্রাণীর না?”   

        শমিতা  বলে,” ঠিকই বলেছিস, কিন্তু সব প্রাণীর বীর্যেই কোন ক্ষতিকারক কিছু থাকেনা, উল্টে প্রোটিন, শর্করা, আইরন এইসব থাকে। তুই কি ভেবেছিস- ওই বীর্য থেকেই একটা প্রানের উদ্ভব হয়? সুতরাং বীর্যের মধ্যে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না।“ 

        “তারমানে তুই যে কারও বীর্য তৃপ্তি ভরে খেয়ে নিবি, তোর কোন ঘৃণা করবে না?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।

        “না সবার না, আমি যাদের খুব ভালবাসি কিংবা পছন্দ করি শুধু তাদের, যেমন আমার দাদা,বাবা।“ শমিতা বলে।

        “তারমানে তুই তোর বাবারও খেয়েছিস?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।

        “আরে না। আমার বাবাও আমার কাছে হিরো। বাবা খুব সৎ মানুষ, ভীষণ পরোপকারী। আমার মা ছাড়া অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকায়ই না, আমার দাদাও তাই। এইজন্যই আমি আমার দাদা আর বাবার প্রতি ক্রাশ খেয়ে বসে আছি। দেখিসনা আমি কিন্তু অন্য ছেলেদের দিকে তাকাইনা।“ শমিতা বলে।

          ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”এদিকে বলছিস তোর দাদা ভালো, আর সে তার বোনের সাথে এইসব করে বেড়াচ্ছে?”


চলবে ......
Reply
#2

(পর্ব - ২)

      শমিতা বলে,“আরে না! আমার দাদা কখনই আমার দিকে খারাপ নজর দেয়নি। আমিই তো প্রথমে ক্রাশ খাই। তারপর যখন ইনসেস্ট পর্ণএ দেখলাম যে বোন দাদার সাথে সেক্স করছে, বীর্য খাচ্ছে। সেদিন থেকে আমারও ইচ্ছে হয়। তারপর থেকেই আমি দাদার পিছনে লেগে যাই। সবসময় দাদার উপর নজর রাখি। দাদার নিজের রুমের সাথে অ্যাটাচ বাথরুম আছে। তাই দাদা যখন বাথরুমে ঢুকে তখন বেশিরভাগ সময়ই ছিটকিনি লাগায়না। আমি মাঝে মধ্যেই পড়া বোঝার জন্য ওর রুমে যেতাম। তখনও দেখতাম ও ছিটকিনি না লাগিয়েই বাথরুমে ঢুকে যায়। আসলে আমার ওপর বিশ্বাস ছিল যে আমি উঁকি দেবোনা। তাছাড়া আমি কোনোদিন ওর বাথরুম ইউজ করিনি। তাই এবার থেকে আমার ওর নজর রাখতে আরও বেশি সুবিধা হল। আমি ওর রুমে আরও বেশি করে যাওয়া শুরু করলাম পড়া বোঝবার অছিলায়। ও কিছুই বুঝতে পারেনি। ও যখনই বাথরুমে ঢুকত আমি বাথরুমের দরজা হাট করে খুলে ওর হিসু করা দেখতাম আর ভাবতাম কবে যে আমি ওর ওটাকে নিয়ে চুষব। এইভাবে আমার দাদাকে অনেকবার দাদাকে পেচ্ছাব, পায়খানা করতে দেখেছি, আমি তো লুকিয়ে ওকে না জানিয়ে আমার ফোনে ভিডিও করেও রেখেছি। কিন্তু একদিন ওর রুমে গিয়ে দেখি ও নেই। বাথরুমে গিয়ে দেখি ও মাস্টারবেট করছে। কিছুক্ষণপরে ওর পেনিস থেকে বীর্য ছিটকে গিয়ে বাথরুমের দেওয়ালে গিয়ে পড়ে। আমার ভীষণ রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এতটা বীর্য নষ্ট করার কি দরকার ছিল। আমার মুখে দিলেই তো পারত। আমার দাদার তখন ভীষণ রাগ হচ্ছিল। দেখলাম দাদা প্রথমে জল দিয়ে প্রথমে তার পেনিস ধুয়ে নিল, তারপরে দেখি মগে করে জল নিয়ে বাথরুমের দেওয়াল ধুতে যাচ্ছে। আমার তখনই মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। আমি চালাকি করে বাথরুমের দরজা থেকে একটু দূরে গিয়ে ওকে ডাক দিলাম,-দাদাভাই, তুই কোথায়? সঙ্গে সঙ্গে ও বাথরুম থেকে মুখ বের করে উত্তর দিল-আমি বাথরুমে। তুই এখানে কি করছিস? ফের আমি বলি-একটা অঙ্ক পারছিনা। সেই কখন থেকে এসে বসে আছি। তোর এতক্ষণ লাগে? বেরিয়ে আয় আমিও বাথরুমে যাবো। বলে একপ্রকার ওকে জোর করেই বাথরুম থেকে বের করে দিই যাতে ও দেওয়ালের ওর লেগে থাকা বীর্য ধুতে না পারে। দাদাও দেখি অসহায় হয়ে আমাকে কিছু বলতে পারেনা।“

       ঋত্বিকা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে,”এ তো বিশাল সাসপেন্স? বল বল আমার ভীষণ শুনতে করছে।“

      শমিতা বলে,”তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তাই তোকে বলছি। তাছাড়া তুই ভীষণ চাপা স্বভাবের। আমি জানি তুই কাউকে কিছু বলবিনা। আমি কিন্তু এই কথাগুলো কাউকে বলিনি। আর বলতে চাইও না। মান সম্মানের ব্যাপার।“

       ”তুই নিশ্চিন্তে থাক, আমি কাউকে বলবোনা।“ঋত্বিকা বলে।

        শমিতা বলতে শুরু করে,”তারপরে আমি বাথরুমে গিয়ে দেওয়াল থেকে দাদার বীর্য চেটে খাই। তুই বিশ্বাস করবিনা সে এক অপূর্ব স্বাদ-নোনতা, মিষ্টির মিশেল, সঙ্গে যেন দাদা নামক এক পুরুষ মানুষের বিশেষ ঘ্রান। আমার যেন একটা নেশা হয়ে গেল। আমার রোখ চেপে গেল, যে আমাকে দাদার বীর্য খেতেই হবে। ওর নষ্ট করতে দেওয়া যাবেনা। কিন্তু দাদাকে কনভিন্স করব কিভাবে সেটাই বুঝতে পারছিনা। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। আমার ঠাম্মা ঘুমের ওষুধ খায়, আর আমার দাদা রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ খায়, আমিও খাই। এটা আমাদের ছোট বেলার অভ্যাস। আর বেশিরভাগ দিনই আমি দাদাকে দুধটা দিয়ে আসি। আমি একদিন দাদার দুধে থাম্মার ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিই। আমার রুম আর দাদার রুম পাশাপাশি। আমরা ফার্স্ট ফ্লোরে থাকি আর বাবা-মা-ঠাম্মা  নিচের রুমে। তাই আমার সুবিধাই হয়েছিল। সেদিন দাদাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো দুধ খাইয়ে এসেছিলাম। রাত্রি একটার সময় আমি দাদার রুমে যাই। দাদা কোনোদিনই ভেতর থেকে দরজা লক করে ঘুমায়না। আমি দাদাকে প্রথমে ঠেলা দিয়ে ওকে জাগানর চেষ্টা করি। ও সাড়া দেয়না। বুঝলাম ও অঘোরে ঘুমোচ্ছে। আমি ধীরে ধীরে প্যান্টটা নামিয়ে দিই। তাতে আমার একটু কষ্টই হয়। দাদা যদি লুঙ্গি পড়ত আমার বেশ সুবিধাই হত। কিন্তু আমার দাদার রুচি একটু অন্যরকম। ও ঠিক করেছে সাড়াজীবন লুঙ্গি ইউজ করবেনা। এমনকি হাফপ্যান্ট, বারমুডা টাও পছন্দ করেনা। শুধু ফুটবল খেলার সময় ও হাফপ্যান্ট পড়ে। আমি আস্তে আস্তে দাদার বাঁড়া মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করি।“

       ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”বাঁড়া মানে?”

চলবে  ....
Reply
#3

(পর্ব - ৩)
-
-
      ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”বাঁড়া মানে?”
      শমিতা রেগে গিয়ে উত্তর দেয়,”তুই সত্যিই একটা গাধী। বাঁড়া মানে পেনিস।"
      ঋত্বিকা বলে,” তো তুই পেনিস বললেই তো পারিস?”
      “আরে গাধী, সেক্সের সময় স্ল্যাং লাঙ্গুএজ ইউজ করতে হয়। এসব ডাক্তারি টার্ম চলেনা। তাতে মজা আসেনা।“শমিতা বলে।
      “কিন্তু কেন?” ঋত্বিকা জানতে চায়।
      “মনে কর তোর বিয়ে হয়ে গেল। তুই কি ফার্স্ট নাইটে বরের সাথে ডাক্তারের মতো ব্যবহার করবি, না বউয়ের মতো। ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে বাসায় যাবার পরে আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত আমরা পেশায় আসলে কি। তখন ভাবতে হবে আমরা সংসারের কে। তাই সেক্স করার সময় আমাদের ভাবলে চলবেনা যে আমি কার মেয়ে, কার বউ, তখন শুধু ভাবতে হবে আমি একজন এইমুহূর্তে একজন চোদনখোর মাগী। শমিতা বলে।
        ঋত্বিকা জানতে চায়,”এই চোদনখোর মানে কি?”
        “তুই সত্যিই অজ্ঞ ! তুই কিছুই জানিস না দেখছি। সেক্স করাকে বলে চোদা। দাদা যদি আমার সাথে সেক্স করে তাহলে বুঝতে হবে দাদা আমাকে চুদছে, আর আমি চোদা খাচ্ছি। আর আমার যদি চোদা খেতে ভালোলাগে তখন আমি হলাম চোদনখোর মাগী। এগুলি সবই স্ল্যাং ল্যাঙ্গুয়েজ । এগুলো বাইরের মানুষের কাছে খবরদার বলবিনা। তাহলে তারা তোকে খারাপ ভাববে।“ শমিতা বলে।
        “তুই কত কি জানিস! এত কিছু জানলি কোথা থেকে?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
          “তুই আমাকে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করবি না আমার কাহিনী শুনবি? শমিতা সামান্য রেগে গিয়ে ঋত্বিকাকে বলে।
          ঋত্বিকা বলে,” আচ্ছা বেশ বেশ, তুই বল।
          “আমি কোথায় যেন ছিলাম?”শমিতা জানতে চায়।
            “তুই তোর দাদার বাঁড়া মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলি।“এই কথা বলেই ঋত্বিকা লজ্জায় নিজের জিভ কামড়ায়।
            ব্যাপারটা শমিতার নজর এড়ায়না। ঋত্বিকা ভাবতেই সেও এই নোংরা শব্দটা আবেগের বশে বলে ফেলবে। ওর নিজেকে এখন খারাপ মেয়ে মনে হতে লাগল। কিন্তু শমিতা ব্যাপারটা হালকা করবার চেষ্টা করে।
          শমিতা বলে,”থাক আর লজ্জা পেতে হবেনা। এর মধ্যে খারাপ কিছু নেই। বরং তোর জন্য এতাই মঙ্গল যে তুই তাড়াতাড়ি শিখে নিয়েছিস। তুই কি দেখেছিস যে মেয়েরা বেশি ধার্মিক তাদের বরেরাই বেশি পরকীয়া করে। কেন জানিস? কারণ ধার্মিক মেয়েরা ভীষণ শুচিবাই হয়। তারা নিজেদের বরের সামনে ঠিকঠাক মেলে ধরতে পারেনা। তারা অনেকেই বরের বাঁড়া চুষেনা। তারা সেক্সের সময় নোংরা শব্দ ব্যবহার করেনা। ফলে বরের শারীরিক ও মানসিক কোনরূপ সন্তুস্তিই হয়না। কিন্তু তোর ক্ষেত্রে সেরকম কিছু হবেনা আমি জানি। তুই সবকিছু তাড়াতাড়ি শিখতে পারিস।"
        ঋত্বিকা শমিতার মুখে নিজের প্রশংসা শুনে আহ্লাদে আটখানা হয়ে যায়। সে তার মাথা আবার লজ্জায় নিচু করে ফেলে।
          শমিতা বলে,”লজ্জা ফেলে মাথা তুলে আমার কথা শুনবি না আমি চলে যাবো?”
        “না না তুই বল।“ ঋত্বিকা বলে।
          এবার শমিতা ইচ্ছে করেই আবার জিজ্ঞেস করে,”কি যেন বলছিলাম আমি?”
          এবার ঋত্বিকা কিছু বলেনা । সে চুপ করে থাকে।
          তখন শমিতা জানতে চায়,”চুপ করে আছিস কেন? কিছু বলছিস  না কেন?”
          “ধ্যাত, আমার লজ্জা করে। তখন তো বললাম।“ ঋত্বিকা বলে।
            “আমি যতবার জিজ্ঞেস করব ততবার তোকে বলতে হবে। আর না বললে কিন্তু আমি আর কিছু বলব না। এখন তুই ঠিক কর বলবি কিনা?”শমিতা বলে।
            “শমিতা কেন এমণ করছিস?“ ঋত্বিকা বলে।
            “বা রে। আমি আমার জীবনের এমন রোমাঞ্চ কাহিনী তোকে বিশ্বাস করে শোনাব, আর বিনিময়ে একটু আবদার করতে পারবনা। আসলে তোর মতো একটা ইনোসেন্ট মেয়ের মুখ থেকে নোংরা কথা শুনতে আমার হেভি লাগে। শুধু আমি কেন সকলেরই ভালো লাগবে, সব ছেলেদেরও, আমি হলফ করে বলতে পারি।“ শমিতা বলে।
              “ধ্যাত, কি সব ফালতু বলিস তুই? “ঋত্বিকা বলে।
            “আমি কিন্তু প্রমাণ করে দিতে পারি।“ শমিতা বলে।
          “তোকে আর প্রমাণ করতে হবে না। তুই ছাড় এসব।“ ঋত্বিকা বলে।
          “একদিন তুই ঠিকই বুঝতে পাড়বি যে আমি মিথ্যে বলছিনা। নে এবার বল আমরা কোথায় ছিলাম।“ শমিতা বলে।
            “তুই তোর দাদার প্যান্ট খুলে তার বাঁড়া চুষতে শুরু করলি। ঠিক আছে?” ঋত্বিকা বলে।
চলবে ......
Reply
#4

(পর্ব - ৪)
-
-

      “হ্যাঁ, ঠিক আছে। এইরকম সোজাসুজি বলবি। কোন রাখঢাক করে বলবিনা। ওকে ? সমস্যা হচ্ছিল অন্ধকার। রুমে শুধু নাইট বাল্ব জ্বলছিল। তাতে আমার দাদার বাঁড়াটা ঠিকঠাক দেখতে পাচ্ছিলাম না। কোনও খাবার না দেখে খেলে কি মজা পাওয়া যায় ? কথায় বলে ঘ্রাণে আর দর্শনে অর্ধেক ভোজন। এদিকে ভয় হচ্ছিল লাইট জ্বাললে যদি দাদার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তারপরে ভাবলাম দাদাতো ওষুধ খেয়ে ঘুমোচ্ছে । কিন্তু আবার মনে হল লাইট জ্বাললে বাইরের লোক বুঝতে পারবে যে রাত্রি একটার সময় রুমের মধ্যে লাইট জ্বলছে। হয়তো বাবা মা ও বুঝে যেতে পারে। আর কাল সকালে যদি দাদাকে জিজ্ঞেস করে যে এট রাত্রে তার রুমে লাইট জ্বলছিল কেন, তাহলে সব কেঁচেগণ্ডূষ হয়ে যাবে। টাই একটা বুদ্ধি করলাম । সব দরজা জানলা বন্ধ করে পর্দা গুলো টেনে দিলাম যাতে ভেতরের লাইট বাইরে যেতে না পারে। এবার রুমের দুটো বড় লাইটই জ্বেলে দিলাম। দাদাকে আরও নাড়িয়ে দেখেনিলাম তার ঘুম কতটা গভীর।“

        এতটা শোনার পর ঋত্বিকার শরীর একটু মোচড় দিয়ে ওঠে। ঋত্বিকার বুকের নিপল দুটো টাটিয়ে ওঠে, আর যোনী রসসিক্ত হয়ে ওঠে। ও বুঝতে পারে ওর প্যাণ্টী ভিজে গেছে। ও যে বেঞ্চে বসে রয়েছে সেটাও ভিজে যাচ্ছে। ঋত্বিকা বাম হাত যোনী চেপে ধরে। ব্যাপারটা শমিতার বুঝতে একটুও দেরি হয়নি । শমিতা চায়নি ঋত্বিকা অস্বস্তিতে পড়ুক। শমিতা তার ব্যাগ থেকে কিছু টিস্যু বের করে ঋত্বিকার হাতে দেয়।

      তারপর শমিতা বলে,”যা বাথরুমে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আয়।“
ঋত্বিকা লজ্জা পায় এটা ভেবে যে ওর বন্ধু সব বুঝে গেছে।

        আবার শমিতা বলে,”এতে লজ্জা পাবার কিছু নেই । এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাড়াতাড়ি যা।“

          ঋত্বিকা লেডীস টয়লেটে গিয়ে পরিষ্কার হয়ে আসে । ঋত্বিকা আজ একটা লঙ্গ কুর্তি আর লেগীণশ পড়ে এসেছে। দুটোই ভিজে গেছে। এমনিতে ও বাগে একটা স্যানিটারি প্যাড সঙ্গে রাখে। কিন্তু আজ কোণও কারণে আনতে ভূলে গেছে। ভাগ্যিস আজ ও ণেভী ব্ল কালারের লঙ্গ কুর্তি পড়ে এসেছিল । ঋত্বিকা শুধু টিস্যু দিয়ে পাণ্টীর ভিতর ভেজা ভাবটা মূছে ণেয়। কিন্তু লেগীণশ আর পাণ্টী ভেজাই থেকে যায়।

          ঋত্বিকা ফীরে এলে শমিতা বলে,” চল আজ বাড়ী যাই।  আমার কাহিনী অন্যদিন বলব।“
ঋত্বিকা বলে,”না আজই শুনব। নাহলে আজ রাতে আমার ঘুম হবেনা।“

          “শোনার পড়েও তোর আজ রাতে তোর ঘুম হবেনা। এইটুকু শূনেই তুই তোর প্যাণ্টী ভিজিয়ে ফেলেছিস। এমনিতেই তোর বাসায় একটা হ্যান্ডসাম দাদা রয়েছে। তোর কিন্তু আজ রাতে তোর দাদার  ভীষণ চোদা খেতে ইচ্ছে করবে। তখন কি করবি।“ শমিতা বলেষ

          “সে তখন যা হয় কিছু একটা করব। তুই না ভীষণ অসভ্য ।“ ঋত্বিকা বলে।

            “এরপর কিন্তু তোর প্যান্ট আরও ভিজে যাবে। বাড়ি ফিরবি কিভাবে?” শমিতা মজা করে বলল।

            “তুই উল্টাপাল্টা কথা বলা ছাড়বি?” ঋত্বিকা বলে।

            “আচ্ছা ঠিক আছে, আমি তোকে আমার গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেবো।“ শমিতা বলে।

            এইবলে তারা দুজনে লেডিজ কমন রুমে গিয়ে পিছনের দিকে পাশাপাশি দুইটা সিটে বসে।  ঋত্বিকা যখন টয়লেটে গিয়েছিল তখন শমিতা বাইরে এক ঠেলা থেকে কিছু ভাজা বাদাম কিনে এনেছিল দুজনে কথা বলতে বলতে খাবে বলে। শমিতা বাদামের ঠোঙাটা খুলে সামনের হাই বেঞ্চে রাখে।

            তারপর শমিতা ঋত্বিকাকে জিজ্ঞেস করে,”আচ্ছা আমরা কোথায় ছিলাম বলতো ।“

            ঋত্বিকা বলে,” তুই পর্দা টেনে, লাইট জ্বেলে দাদাকে ঠেলা দিয়ে দেখলি তার ঘুম কতটা গভীর। “

*
চলবে .......
Reply
#5

(পর্ব - ৫)
-
-
-
      শমিতা বলে,” হ্যাঁ, মনে পড়েছে ।  এরপর আমি বাঁড়াটা হাতে নিয়ে নেড়ে চেড়ে দেখতে লাগলাম। এত কাছ থেকে এই প্রথম কোন ছেলের বাঁড়া দেখছি, সে যে কি রোমাঞ্চ ফিল হচ্ছিল সে তোকে বোঝাতে পারবনা। দাদার বাঁড়াটা তখন নেতিয়ে ছিল। বিশ্বাস করবিনা মনে হচ্ছিল এক ধেরে ইঁদুর দাদার কোলে ঘুমোচ্ছে । আমি যখন হাত দিয়ে দাদার বাঁড়াটা নাড়ছিলাম, যেন মনে হচ্ছিল, যেন কোন ছোট্ট একটা তুলতুলে গিনিপিগ নিয়ে নাড়াচড়া করছি। বিশ্বাস কর তখন আমার ভীষণ মজা হচ্ছিল।
      ঋত্বিকা এসব কথা শুনে আবার শিহরিত হয়ে ওঠে। ঋত্বিকার শরীর আবার মোচড় দিয়ে ওঠে। এতে অবশ্য ঋত্বিকার ভালোই। সে ব্যাপারটা এনজয় করতে থাকে। তার যোনিতে আবার রস কাটতে শুরু করে। শমিতার কথা শুনে সে অনেকটা অবাক হয়ে যায়। ফলে তার  মুখ খুলে গিয়ে হালকা হাঁ হয়ে যায়। তারা দুজনে একপ্রকার বাদাম ভাজা খেতে ভুলেই যায়।
    এদিকে শমিতা বলতে থাকে,”তারপর ধীরে ধীরে দাদার নরম তুলতুলে বাঁড়াটা ক্রমশ শক্ত হতে শুরু করে, আর আমার কৌতূহল বাড়তে শুরু করে। আমি খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করি। দেখলাম দাদার বাঁড়াটা বড় হয়ে একদম পর্ণস্টারদের মতো বড়ো হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে হল মেপে দেখি । দাদার পড়ার টেবিলেই ১২ ইঞ্চির একটা স্কেল ছিল, সেটা নিয়েই আমি মেপে দেখলাম প্রায় ৯ ইঞ্চি লম্বা দাদার বাঁড়া, আর অনেক মোটা । যখন ওটা নরম ছিল তখন বুঝতে পারিনি। প্রথমে অন্ধকারে যখন চুষছিলাম তখন ওটা নরম ছিল। তাই চুষতে কোন অসুবিধা হয়নি। কিন্তু এখন চুষতে গিয়ে দেখলাম, মুখে ঢুকতেই চাইছেনা।  আমার জেদ আরও চেপে গেল। চুষতে আমাকে হবেই। এত কষ্ট করে ম্যানেজ করেছি। এর আগে অনেক পর্ণ ভিডিও দেখেছি যেখানে মেয়েরা বড় লম্বা মোটা বাঁড়া কষ্ট করে হলেও চুষছে। নিজেকে প্রশ্ন করলাম- আমি কেন পারবোনা ? আমি আমার লালা দিয়ে আগে ভালো করে ভিজিয়ে নিলাম দাদার বাঁড়া। দেখলাম বেশ পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এবার চুষতে শুরু করলাম। এবার চুষতে আর অসুবিধা হচ্ছিলনা। তবে আমার মুখ সম্পূর্ণ ভরে গেছিল ।“
    শমিতা আবার বলতে থাকে,”একবার চুষছিলাম, আর একবার মনভরে দেখছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল আমার দাদার বাঁড়ার থেকে সুন্দর জিনিস আর পৃথিবীতে আর নেই। আমি আগেই দেখেছি পর্ণ মুভিতে মেয়েরা বাঁড়া চুষে তৃপ্তি ভরে বীর্য পান করছে। আমিও আজ সুযোগ পেয়েছি, আমিই বা ছেড়ে দেবো কেন? তাই আমিও আরও জোরে চুষতে লাগলাম দাদার বাঁড়া। আমার আর তর সইছিলনা। আমার এখুনি চাই। কিন্তু দাদার বীর্য তো কিছুতেই বেরোচ্ছেনা। তারপরে আমার মনে পড়ল, আরে বীর্য তো বাঁড়ার নীচে দুটো থলিতে জমা আছে। আমি তো দেখেছি মেয়েদের ওই থলিও চুষতে। কিন্তু আমি তো এতক্ষণ এটা মিস করে গেছি। এবার আমি দাদার বাঁড়ার নিচের বল দুটো চুষতে শুরু করলাম।  বিশ্বাস কর ঋত্বিকা আমার যা আর রোমাঞ্চ হচ্ছিলনা, পৃথিবীর কোন কিছুতেই তা নেই।“
চলবে ...
Reply
#6

(পর্ব-৬)
-
-
-

ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,"তাইবুঝি? তারপর কি হলো বল।"
শমিতা বলে,"দেখলাম দাদার মুখ দিয়ে আওয়াজ আসছে। ভয় পেলাম। ভাবলাম দাদা জেগে গেছে। তাই ছুটে গিয়ে খাটের আড়ালে লুকিয়ে পড়লাম। কিন্তু পরে বুঝলাম দাদা ঘুমিয়েই আছে। "
ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে, "তারপরে কি করলি সেটাই বল।"
শমিতা বলে,"এরপরে আমার মনে একটা জেদ চেপে গেল, এবার দাদা জেগে গেলেও আর ছাড়বো না। যাহোক সেটা পরে দেখা যাবে।"
ঋত্বিকা বলে,"হুঁ,বুঝলাম, তারপরে কি করলি সেটাই বল।"
শমিতা বলে," আমার দাদার উপর হালকা রাগ হচ্ছিলো, তাই আমি দাদার থাইয়ে জোরে চিমটি কাটলাম ওকে ব্যাথা দেবার জন্য, এতে দুটো ফায়দা, কতোটা গভীরে ঘুমোচ্ছে সেটা পরীক্ষা হয়ে যাবে, আর মনের রাগও মিটবে। কিন্তু কোথায় কি দাদারতো চেল-চেতনা নেই। আমি নিশ্চিন্ত হলাম, যাক ওর জেগে ওঠার আর ভয় থাকবে না। ভাবলাম নির্ভয়ে যখন দাদার বাঁড়া নিয়ে খেলার সুযোগ আছে,তাহলে আগে গুছিয়ে নিই। দাদার প্যান্ট তো আমি আগেই খুলে দিয়েছিলাম, ভাবলাম যে টিসার্ট পরে ও ঘুমোচ্ছে, সেটা খুলে নিই। কিন্ত শত চেষ্টা করেও পারলাম না। একটা ঘুমন্ত পুরুষ মানুষকে উল্টে পাল্টে পোশাক খোলা আমার মতো একা মেয়ে মানুষের পক্ষে কঠিন কাজ ছিলো। তাই হাল ছেড়ে দিলাম। শুধু টিসার্টটা উপর দিকে তুলে দিলাম। এখন ওকে ৮৫% নগ্ন দেখাচ্ছিল। তারপর ওর পায়ের দিকে আরামে শুয়ে বাঁড়া চোষা শুরু করলাম। এতক্ষনে ওর বাঁড়া নরম হয়েছোট গেছে। আমার চোষনে তা আবার ধীরে ধীরে দানবের রূপ নিলো।
    আমার মুখটা পুরো ভরে গেছে, একটু কষ্ট হচ্ছিলো, কিন্তু মজাও লাগছিলো। তারপরে জেদ চেপে গেছে। যতোটা পারলাম মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে নিলাম দাদার বাঁড়া।সে এক অদ্ভূত আনন্দ। আমি আরও জোরে চুষতে শুরু করলাম। আমার কিছুতেই যেন তৃপ্তি হচ্ছিলোনা। দেখলাম দাদা একটু কেঁপে উঠলো। আমি চোষা থামালাম না। দাদা তার দুই পা দিয়ে আমাকে আঁকড়ে চেপে ধরলো, আর হাত দিয়ে মাথা চেপে ধরলো। দাদার বাঁড়া আমার সম্পূর্ণ গলা ভেদ করে ভেতরে চলে গেলো। আমার দম বন্ধ হবার পরিস্থিতি হচ্ছিলো। তবুও আমি এনজয় করছিলাম। আমার একটা থ্রিল ফিল হচ্ছিলো যে দাদার এতো লম্বা আর মোটা বাঁড়া আমার গলার মধ্যে সম্পূর্ণ নিতে পেরেছি। গর্বে নিজেকে বিশ্বের সেরা নারী মনে হচ্ছিলো। আর সিনেমার ওই পর্নষ্টার মেয়েগুলোকে খুবই নগন্য মনে হচ্ছিলো। শালিরা কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নিয়ে পুরুষের বাঁড়ার অর্ধেকই মুখে নিতে পারেনা, আর আমি প্রথম বারেই দাদার বাঁড়া একদম মুখ ঠেলে পেটে নিয়েছি। ওদেরতো আমার কাছে চুনোপুটি মনে হচ্ছিলো।
    ঋত্বিকা অধর্য্যে বলে ওঠে,"ওঃ, ওসব পরে বলিস। দাদার সাথে কি হলো সেটা আগে বল।"
  "আচ্ছা তাই! আমার দাদার ব্যাপারে তোর এতো ইন্টারেস্ট কেন?" শমিতা জিজ্ঞেস করে।
"ও তু্ই বুঝবিনা।" ঋত্বিকা ছোট করে বলে।
"তু্ই কি আবার আমার দাদার প্রেমে টেমে পড়লি নাকি?" শমিতা জানতে চায়।
"আমার বুঝি দাদা নেই? যে তোর দাদার প্রেমে পড়তে যাবো।" ঋত্বিকা বলে।
*
চলবে,.......
Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)