10-14-2026, 09:07 AM
বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (পর্ব - ১)
-
-
রোহনের বোন ঋত্বিকা ছিল তার একমাত্র পরিবার। তাদের বাবা-মা মারা গিয়েছিল যখন তারা ছোট ছিল। রোহানকে তার ছোট বোনের যত্ন নিতে হয়েছিল, সে অনেক ভালোবেসে তার ছোট বোনকে মানুষ করেছে। সে সর্বদা তার জন্য সর্বোত্তম চেয়েছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যে সে সেরা কলেজ থেকে পাশ করে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, এবছর ঋত্বিকা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে আর মেডিক্যালে সরকারি কলেজে চান্স পেয়েছে। ভাগ্যের বিষয়, মেডিক্যাল কলেজ ওদের বাসার থেকে কাছেই ঋত্বিকা রোজ বাড়ি থেকেই যাতায়াত করতে পারে, আলাদা করে আর বোর্ডিং এ থাকতে হয়না। এদিকে ঋত্বিকাও খুশি, কারণ ও যদি বোর্ডিংএ থাকত তাহলে ওর অভিভাবক দাদাভাই রোহণ বাসায় একা হয়ে যেত। ওর দাদাভাই রোহণ এখন মাস্টার্সএ ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।
ঋত্বিকার বন্ধুরা সবাই রোহানের উপর ক্রাশ খেয়েছিল। কারণ রোহণ ছিল অনেক হ্যান্ডসাম, লম্বা একদম সিনেমার হিরোদের মতো। ঋত্বিকার বন্ধুরা রোহণের সাথে রিলেশন করিয়ে দেবার জন্য পিড়াপিড়ি করত। ঋত্বিকার কাছে, রোহন ছিল তার নায়ক, তার রক্ষাকর্তা। কিন্তু যখনই সে তার বন্ধুদের তার সাথে ফ্লার্ট করতে দেখে তখন সে একটু ঈর্ষান্বিত বোধ করতে থাকে, সে মনে করে তার দাদাভাই শুধু তার একার, অন্য কারও হতে পারেনা।
একদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। টাই ঋত্বিকা আর কলেজে যায়নি, আর এদিকে রোহণও ইউনিভারসিটি যায়নি। সেদিন সারাদিন দুই ভাইবোন বাড়িতেই ছিল। এর আগেও তারা দুইভাই ছুটির দিনে একসঙ্গে থেকেছে। কিন্তু ঋত্বিকার কাছে আজকের দিনটা ছিল অন্যরকম। এর আগে ঋত্বিকার মনে তার দাদাভাইকে নিয়ে অন্য রকম ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আজ তার কাছে তার দাদাভাই তার ক্রাশ। তার দাদাভাইকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সে এওজানে তার দাদাভাইয়ের তার জন্য বোন ছাড়া অন্যরকম ভাবনা নেই। সকাল থেকেই সে তার দাদাভাইয়ের উপর নজর রেখেছে। কাল ঋত্বিকার বন্ধু শমিতা ওকে একটা ভিডিও দেখিয়েছে। ভিডিওতে শমিতা তার দাদার লিঙ্গচুষে খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শমিতা হাঁ করে জিভ বের করে থাকলে ওর দাদার লিঙ্গ থেকে পিচকিরির ন্যায় প্রায় এক কাপ বীর্য ওর মুখের মধ্যে জিভে এসে পড়ে আর শমিতা তা তৃপ্তি ভরে খেয়ে নেয়। ব্যাপারটা দেখে ঋত্বিকার প্রথমে ঘৃণা লাগছিল।
সে শমিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল ,”এই শমিতা, এটা তুই কি খেলি। তোর ঘৃণা লাগেনি।“
শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ঘৃণা? কিসের ঘৃণা? আমারতো ভীষণ টেষ্টি লাগল।“
ঋত্বিকা আবার জিজ্ঞেস করে,”এটা কি কোন খাবার জিনিস? এটা খেলে তো শরীর খারাপ করতে পারে?”
শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ধুর, কি যে বলিস। ওটা ছিল বীর্য, মানে বীজ। তুই খেয়াল করে দেখ এই পৃথিবীতে মাংসাশী প্রাণী ছাড়া সব প্রাণীই যা খেয়ে বেঁচে থাকে, তার বেশির ভাগই কোনও না কোনও গাছের বীজ, যেমন চাল, গম, ভুট্টা থেকেই আটা, ময়দা তৈরি হয়। তাছাড়া তুই যে কোন গাছের বীজ তুই খেতে পারিস, তাতে প্রোটিন, শর্করা থাকে, ক্ষতিকারক বস্তু খুব কমই থাকে।“
ঋত্বিকা ফের জিজ্ঞেস করেছিল,”কিন্তু সেটা তো গাছের, উদ্ভিদের, কোন প্রাণীর না?”
শমিতা বলে,” ঠিকই বলেছিস, কিন্তু সব প্রাণীর বীর্যেই কোন ক্ষতিকারক কিছু থাকেনা, উল্টে প্রোটিন, শর্করা, আইরন এইসব থাকে। তুই কি ভেবেছিস- ওই বীর্য থেকেই একটা প্রানের উদ্ভব হয়? সুতরাং বীর্যের মধ্যে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না।“
“তারমানে তুই যে কারও বীর্য তৃপ্তি ভরে খেয়ে নিবি, তোর কোন ঘৃণা করবে না?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
“না সবার না, আমি যাদের খুব ভালবাসি কিংবা পছন্দ করি শুধু তাদের, যেমন আমার দাদা,বাবা।“ শমিতা বলে।
“তারমানে তুই তোর বাবারও খেয়েছিস?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
“আরে না। আমার বাবাও আমার কাছে হিরো। বাবা খুব সৎ মানুষ, ভীষণ পরোপকারী। আমার মা ছাড়া অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকায়ই না, আমার দাদাও তাই। এইজন্যই আমি আমার দাদা আর বাবার প্রতি ক্রাশ খেয়ে বসে আছি। দেখিসনা আমি কিন্তু অন্য ছেলেদের দিকে তাকাইনা।“ শমিতা বলে।
ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”এদিকে বলছিস তোর দাদা ভালো, আর সে তার বোনের সাথে এইসব করে বেড়াচ্ছে?”
চলবে ......
ঋত্বিকার বন্ধুরা সবাই রোহানের উপর ক্রাশ খেয়েছিল। কারণ রোহণ ছিল অনেক হ্যান্ডসাম, লম্বা একদম সিনেমার হিরোদের মতো। ঋত্বিকার বন্ধুরা রোহণের সাথে রিলেশন করিয়ে দেবার জন্য পিড়াপিড়ি করত। ঋত্বিকার কাছে, রোহন ছিল তার নায়ক, তার রক্ষাকর্তা। কিন্তু যখনই সে তার বন্ধুদের তার সাথে ফ্লার্ট করতে দেখে তখন সে একটু ঈর্ষান্বিত বোধ করতে থাকে, সে মনে করে তার দাদাভাই শুধু তার একার, অন্য কারও হতে পারেনা।
একদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। টাই ঋত্বিকা আর কলেজে যায়নি, আর এদিকে রোহণও ইউনিভারসিটি যায়নি। সেদিন সারাদিন দুই ভাইবোন বাড়িতেই ছিল। এর আগেও তারা দুইভাই ছুটির দিনে একসঙ্গে থেকেছে। কিন্তু ঋত্বিকার কাছে আজকের দিনটা ছিল অন্যরকম। এর আগে ঋত্বিকার মনে তার দাদাভাইকে নিয়ে অন্য রকম ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আজ তার কাছে তার দাদাভাই তার ক্রাশ। তার দাদাভাইকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সে এওজানে তার দাদাভাইয়ের তার জন্য বোন ছাড়া অন্যরকম ভাবনা নেই। সকাল থেকেই সে তার দাদাভাইয়ের উপর নজর রেখেছে। কাল ঋত্বিকার বন্ধু শমিতা ওকে একটা ভিডিও দেখিয়েছে। ভিডিওতে শমিতা তার দাদার লিঙ্গচুষে খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শমিতা হাঁ করে জিভ বের করে থাকলে ওর দাদার লিঙ্গ থেকে পিচকিরির ন্যায় প্রায় এক কাপ বীর্য ওর মুখের মধ্যে জিভে এসে পড়ে আর শমিতা তা তৃপ্তি ভরে খেয়ে নেয়। ব্যাপারটা দেখে ঋত্বিকার প্রথমে ঘৃণা লাগছিল।
সে শমিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল ,”এই শমিতা, এটা তুই কি খেলি। তোর ঘৃণা লাগেনি।“
শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ঘৃণা? কিসের ঘৃণা? আমারতো ভীষণ টেষ্টি লাগল।“
ঋত্বিকা আবার জিজ্ঞেস করে,”এটা কি কোন খাবার জিনিস? এটা খেলে তো শরীর খারাপ করতে পারে?”
শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ধুর, কি যে বলিস। ওটা ছিল বীর্য, মানে বীজ। তুই খেয়াল করে দেখ এই পৃথিবীতে মাংসাশী প্রাণী ছাড়া সব প্রাণীই যা খেয়ে বেঁচে থাকে, তার বেশির ভাগই কোনও না কোনও গাছের বীজ, যেমন চাল, গম, ভুট্টা থেকেই আটা, ময়দা তৈরি হয়। তাছাড়া তুই যে কোন গাছের বীজ তুই খেতে পারিস, তাতে প্রোটিন, শর্করা থাকে, ক্ষতিকারক বস্তু খুব কমই থাকে।“
ঋত্বিকা ফের জিজ্ঞেস করেছিল,”কিন্তু সেটা তো গাছের, উদ্ভিদের, কোন প্রাণীর না?”
শমিতা বলে,” ঠিকই বলেছিস, কিন্তু সব প্রাণীর বীর্যেই কোন ক্ষতিকারক কিছু থাকেনা, উল্টে প্রোটিন, শর্করা, আইরন এইসব থাকে। তুই কি ভেবেছিস- ওই বীর্য থেকেই একটা প্রানের উদ্ভব হয়? সুতরাং বীর্যের মধ্যে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না।“
“তারমানে তুই যে কারও বীর্য তৃপ্তি ভরে খেয়ে নিবি, তোর কোন ঘৃণা করবে না?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
“না সবার না, আমি যাদের খুব ভালবাসি কিংবা পছন্দ করি শুধু তাদের, যেমন আমার দাদা,বাবা।“ শমিতা বলে।
“তারমানে তুই তোর বাবারও খেয়েছিস?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।
“আরে না। আমার বাবাও আমার কাছে হিরো। বাবা খুব সৎ মানুষ, ভীষণ পরোপকারী। আমার মা ছাড়া অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকায়ই না, আমার দাদাও তাই। এইজন্যই আমি আমার দাদা আর বাবার প্রতি ক্রাশ খেয়ে বসে আছি। দেখিসনা আমি কিন্তু অন্য ছেলেদের দিকে তাকাইনা।“ শমিতা বলে।
ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”এদিকে বলছিস তোর দাদা ভালো, আর সে তার বোনের সাথে এইসব করে বেড়াচ্ছে?”
চলবে ......

