Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

ভাঙা দরজা (By:ladykiller007)
#1

This is my first attempt at writing a story. Everything that follows is pure fiction and fantasy. None of the characters, events, or situations have any basis in reality.


Chapter 1

শশী রান্না করছে, একহাতে কড়াই নাড়ছে, অন্যহাতে কাপড়ের আঁচল টেনে ধরেছে। কাঁচা হলুদ আর মরিচের গুঁড়ো তেলে ছড়িয়ে পড়তেই রান্নাঘর ভর্তি হয়ে গেল তীব্র গন্ধে। কপালের ঘাম একটু একটু করে গাল বেয়ে নেমে আসছে, কিন্তু তার হাত থামে না। দুপুর বারোটা, ডেলিভারির সময় হয়ে গেছে। টিফিন ক্যারিয়ার পাশে রাখা, লাল রঙের হাতে বোনা কাপড় দিয়ে ঢাকা। তার ওপর দিয়েই দেবের জন্য এক থালা ভাত আর ডাল রাখতে হবে, বেশি করে ভাজা, ছেলের খুব পছন্দ।
হঠাৎ সে দরজার দিকে ফিরে তাকাল। দেব দাঁড়িয়ে, হাতে মোবাইল, চোখ স্ক্রিনে আটকে। ওর মুখে কোনো ভাব নেই, শুধু একটা ফিকে হাসি টেনে টেনে উঠছে।
"কী রে, ডেলিভারি নিয়ে বেরোবি নাকি?" শশীর কণ্ঠে একটা অস্থিরতা।
"হ্যাঁ, মা, একটু পরেই। এই তো জামা পরছি।" দেব নিজের রুমে গিয়ে একটা গেঞ্জি পরে নিল। ও বেরিয়ে এসে টিফিন ক্যারিয়ার তুলে নিল।
"আজকে কি বেশি দেরি হবে?"
"না মা, সোজা যাব, টিউশনি করে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসবো।" দেব মাথা নেড়ে উত্তর দিল, কিন্তু চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে।
দেব চলে যাওয়ার পর শশী রান্নাঘরে ফিরে এল। কড়াইয়ে পড়ে থাকা ডালটা ফুটছে আস্তে আস্তে। ছেলের কথা ভাবলো সে " দেব ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু টাকার অভাবে কোন কোচিং দিতে পারেনি। নিজেই পড়তে হচ্ছে ওকে। ওর বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো কিছুটা হলেও সুবিধে হত। ওর বাবার মৃত্যুর পর থেকে সব দায়িত্ব ওর কাঁধে। কিন্তু দেবের বাবা নেই দেখে তাঁর জন্য ভাল হয়েছে। আজকাল খুব ভাল আছে। অন্তত দেবের বাবার অত্যাচার আর মারধোর থেকে মুক্তি পেয়েছে।" ভাবতে ভাবতে শশীর বিয়ে এর কথা মনে পরে গেল "ওই বিয়ে... কী ভয়ঙ্কর ছিল। ১৮ বছর বয়স, হাতে রাঙা মেহেদি, আর চোখে জল। সেই ৩৬ বছরের দ্বীন সরকারকে দেখে প্রথম দিন থেকেই ভয় পেয়েছিল ও। তার চোখে একটা অন্য রকম ক্ষুধা ছিল, যে ক্ষুধার কথা ও কাউকে বলতে পারেনি। রাতের অন্ধকারে সে ক্ষুধা নিঃশেষ করত তার শরীর। ও যতই না করত, ততই বেশী জোর করে চুদতো। আমার না শুনলে মারধোর করত। আমি তো প্রতি রাতে ধ-র্ষ-ণ হতাম নিজের স্বামীর হাতে। দ্বীনের মৃত্যুতে অনেকে সান্তনা দিতে এসেছিল, কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু যে ঋণ সে রেখে গেছে, সেই ঋণ আজও গলার কাঁটা হয়ে আছে। আর দেব... আমার দেব। ওকে নিয়েই আজ আমার সব। ও ইঞ্জিনিয়ার হবে, অনেক বড় হবে। ওর একটা ভাল চাকরি হবে। তাহলে আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমি আর এই রান্নাঘরে ঘেমে নেয়ে একাকার হতে হবে না।"
ওইদিকে দেব খাবার ডেলিভারি দিয়ে ২ টা টিউশনি করে বাড়ি ফিরছে। রাস্তার মাঝখানে ওর মোবাইলটা বেজে উঠল। ওর এক বন্ধু ফোন করেছে।
"হ্যাঁ হাঁসান, কেমন আছিস?"
"ভালো, তুই কেমন আছিস? ভর্তি প্রস্তুতি কেমন চলছে?"
"ভালোই। তোরা সবাই কোচিং এ ভর্তি হয়েছিস না? কেমন পড়াচ্ছে?"
"হুম, খুব ভালো। ক্লাস টেস্ট দিলাম, খুব ভালো হয়েছে। তোর কোচিং হচ্ছে না কেন? তোর তো ভালোই পড়াশোনা ছিল।"
হাঁসানের কথা শুনে দেবের মনটা খারাপ হয়ে গেল। "আমার মায়ের পক্ষে সম্ভব না। নিজেই পড়ছি।"
"ওহ। দেখ, তুই যদি ভালো করে পড়তে না পারিস, তাহলে সবাই তোকে পেছনে ফেলে দেবে। ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না। আমি তোকে আমার নোট দিবনে" হাঁসান বললো যেন সে খুব বড় উপকার করছে।
"দেখি," দেব বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ও জ্বলছিল। হাঁসানের কথাটা ওর মনে গেঁথে গেল। 'ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না।' ফোন কেটে ও বাসে উঠে পড়ল। বাসের জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল। কত শহুরে উন্নতি, কত বড় বড় বিল্ডিং, কত মানুষ। তাদের মতো সে কখনো হতে পারবে না। মায়ের অভাব, বাবার ঋণ—সব কিছু ওকে পিছিয়ে দিচ্ছে। ওর হাত শক্ত হয়ে গেল মোবাইলের ওপর। হাঁসানের কথাটা ওর কানে বাজছিল। ও ভাবল, 'আমি অন্যদের মতো নই। আমার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো আমার মায়ের স্বপ্ন, আমার নিজের ইচ্ছে। আমি হারতে পারি না। না পারি না।'
বাসা এর দিকে ঢুকে দেব দেখলো মা রান্নার কাজ করছে। মায়ের ঘামে ভেজা মুখ। মায়ের পেটের ভাঁজগুলো সালোয়ারের বাইরে দিয়ে ফুটে উঠছে। দেব জানে মা কত কষ্ট করে। ওর চোখে জল এল। কিন্তু দেব চেপে রাখল। ও মাকে দেখেছে বাবার হাতে নির্যাতিত হতে। সেই স্মৃতি আজও ওকে কাঁদায়। ও মাকে আর কষ্ট দিতে চায় না। ও ভাবল, 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবই হব। মাকে আর কোনোদিন কষ্ট দেব না। বাবার রেখে যাওয়া ঋণ শোধ করব। আমি এই ছোট ঘর থেকে বের হয়ে একদিন বড় ফ্ল্যাটে মাকে নিয়ে থাকব।'
ও ভেতরে ঢুকে মাকে ডাকল, "মা।"
শশী ফিরে তাকাল। ছেলের মুখে একটা ব্যথিত ভাব দেখে সে বুঝতে পারল কিছু একটা হয়েছে। "কী রে, এসে পড়েছিস? স্নান করেনে খেয়ে নে।"
দেব স্নানের জন্য বাথরুমের দরজা লাগেতে গেল আর সাথে সাথে দরজাটা খুলে গেল। বাথরুমের দরজা বারবার খুলে যাওয়ার বিষয়টা ওদের জন্য নতুন কিছু নয়, কিন্তু আজ দরজা পুরোটা ভেঙ্গে গেল।
দেবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। "মা! মা! এই তো দেখো, দরজাটা ভেঙে গেছে। এখন আমরা কী করব?"
শশী ছুটে এল। দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। দরজার উপরের অংশটা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। শুধু নিচের অংশটা ঝুলছে। "এটা কী হলো!"
"আমি তো শুধু লাগিয়েছিলাম," দেবের কণ্ঠ কাঁপছিল, "এটা এত সহজে ভাঙল কেন?"
"বুঝতে পারছি না," শশী বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে বুঝতে পারছিল। জং ধরা আর পুরনো হয়ে যাওয়ার জন্যই এমন হয়েছে। বাড়িওয়ালার মুখে চাপা ক্ষোভ জমতে লাগলো তার মনে। 'ও জানে আমাদের অভাব, তাই ভাড়া কম রেখেছে। কিন্তু এই ভেঙে যাওয়া দরজাটার কথা ভাবেনি। আমাদের এতটুকু গোপনীয়তা নেই। এখন আমরা কীভাবে স্নান করব? দেব একটা ছেলে, আমি একজন নারী। এটা কি ও বুঝতে পারবে না? ও কী ভাববে? ও কী ভাববে আমাকে দেখে? আমি কী ভাবব ওকে দেখে? কী এক অসহায় অবস্থা।'
দেবও একই কথা ভাবছিল। তারপর শশী বলল, " কি করব বল, বাড়ীওয়ালা দরজা ঠিক করে দিবে না। এখন এভাবেই চলতে হবে। আমরা বাদে আর কেউতো আসবে না"।
দেব চুপ করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, বাড়িওয়ালা এই ভাঙা দরজাটা ঠিক করতে চাইছে না এই আশায় যে, ওরা বাধ্য হয়ে বকেয়া ভাড়া দিয়ে দেবে। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব নয়। 'বাবা, তুমি কী করে গেলে! তোমার রেখে যাওয়া ঋণ আমাদের এত দুঃখ দিচ্ছে। আমি কী করব? মাকে কীভাবে এই অপমান থেকে বাঁচাব? এই ছোট ঘরে আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল, আর সেই আশ্রয়স্থলেই আমাদের গোপনীয়তা নেই। আমি কী মাকে বলব, সে যখন স্নান করবে তখন আমি বাইরে থাকব? নাকি মা বলবে, তুমি স্নান করো আমি বাইরে থাকব? আমি কী করে সেটা বলতে পারি? ' দেবের মনের মধ্যে এক ধরনের রাগ আর লজ্জা কাজ করছিল।
"ঠিক আছে," দেব বলল, কিন্তু তার মনের ভার কমছিল না। দরজা ছারাই দেব একটা ছোট জাঙ্গিয়া পরে লজ্জায় স্নান করতে লাগল। শশী দেখল দেব এর পিঠ আর পাছার দিক। দেবের শরীরে বয়স অনুযায়ী পেশী ফুটে উঠেছে। দেবের শরীরের দিকে তাকিয়ে শশী ভাবলো 'আমার ছেলে আর ছোট নেই, একজন পুরুষ হয়ে গেছে। যেকোনো মেয়ে দেখলেই প্রেমে পরে যাবে। আমার ছেলে কত সুন্দর দেখতে। কত সুন্দর শরীর। ওর বুকে কোনো লোম নেই, পেটে চর্বি নেই।' স্নান করার সময় দেবের সাথে মায়ের চোখাচোখি হল। আর দেব লজ্জা পেয়ে ভাবল 'মা কি আমার দিকে তাকাচ্ছে? আমি তো জাঙ্গিয়া পরে আছি।' শশী ছেলের লজ্জা পাওয়া দেখে হেঁসে দিল আর বলল "কিরে লজ্জা পাচ্ছিস? তোকে তো অনেক ছোট থেকে দেখেছি, তোর কাপড় খুলে গোসল করাতাম।" তারপর দুইজনে এক সাথে হেঁসে ফেলল।
হেঁসে ফেলার পর কিন্তু তাদের ভেতরে ভেতরে কী যেন একটা অস্বস্তিকর ভাব কাজ করছিল।
" তাড়াতাড়ি কর আমারও স্নান করতে হবে। তারপর একসাথে খেতে বসবো" শশী বলল।
দেব বলল, "হ্যাঁ মা"।
দেব স্নান সেরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল, তার শরীরে শুধু একটা গেঞ্জি আর হাঁফ প্যান্ট। গামছা দিয়ে চুল মুছছিল। এরপর শশী স্নান করতে ঢুকল, আর উল্টো দিকে ঘুরে তাঁর সালোয়ার কামিজ খুলে গামছাটা পেচিয়ে নিলো। দেব বাথরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখল মা কিভাবে তাঁর পিছনে ফিরে কাপড় খুলছে। আর ভাবতে থাকল মায়ের শরীরের গঠন নিয়ে "মায়ের শরীরটা কি আমি আগে কখনো ভেবে দেখেনি। মায়ের শরীরটা... কেমন যেন... আকর্ষণীয়... কোমরটা এত সরু, আর পেটে মেদ নেই তেমন। সালোয়ারের বাইরে দিয়েও যে ভাঁজ গুলো বোঝা যায় সেগুলো দেখে তো কোনো মেয়ের কাছেও হার মানবে না। আজকাল আধুনিক অফিসে যেসব মেয়েরা কাজ করে, তাদের শরীর দেখলে মনে হয় না এত সুন্দর। মায়ের শরীরে একটা অন্য রকমের মাধুর্য আছে। তার বয়স হলেও শরীরের গঠন দেখে তো মনে হয় না।" শশী যখন ঘুরে দাঁড়াল সে দেখল তাঁর ছেলে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে, শশী বলল "কি দেখছিস রে?"।
দেব ফাজলামি করে বলল "তোমাকে দেখছি, তুমি যেমন আমাকে স্নান করার সময় দেখে ছিল"।
শশী লাজুক হয়ে বলল "বোকা ছেলে"। তারপর শশী ফাজলামি করে একটু কামুকী অঙ্গী ভঙ্গী করতে থাকল। যা দেখে দেব ভাবল " মা এত sexy । মায়ের এই রূপ আমি আগে কখনো দেখিনি। মনে হচ্ছে, মাকে একদম অন্যভাবে চিনতে পারছি। উফফ... মায়ের ওই ভাঁজগুলো... ওই কোমর... ওই পেট... একদম অন্যরকম লাগছে আজকে।" এসব ভাবতে ভাবতে দেবের প্যান্টের ভিতর দিয়ে বাড়াটা দাড়িয়ে গেল।
শশী দেখল তাঁর ছেলে তাকে এই অবস্থায় দেখে বাড়া দাড়িয়ে গেছে, আর ভাবল 'এইটা তো হওয়ারই কথা ছিল। দেবের বয়স এখন উনিশ। এই বয়সে ছেলেদের শরীরে হরমোনের তোলপাড় চলে। কিন্তু তাকে দেখে দেবের মতন যুবকের এমন হল। তাঁর মানে এখনো তাঁর রূপ চলে যায়জায়ন' এই ভাবনায় শশীর শরীরে একধরনের কাঁপুনি দিল, তাঁর বগল আর কোমরের নিচে অদ্ভুত একটা গরম অনুভূতি হল। তখন শশী হেঁসে বলল "এই দুষ্টু ছেলে, অন্য দিকে তাকা"। দেব লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে তাকাল। তারপর শশী স্নান করে খাওয়া দাওয়া করতে বসল।
খাওয়ার সময় দেব বাথরুম ঘটনা ভেবে মাকে বলল "মা আমার ভুল হয়ে গেছে। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও"।
"কি ভুল রে?" শশী জিজ্ঞাসা করল।
"মানে... স্নান করার সময়... আমি..." দেব কথাটা শেষ করতে পারল না। লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কী বলতে যাচ্ছে। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমাকে দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার সেই দিকে তাকিয়ে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল? না, আমি পারব না। আমি আমার মাকে এসব বলতে পারি না। আমি একজন ছেলে, আর ও আমার মা। ও আমার মা।'
শশী ছেলের অস্বস্তি দেখে বুঝতে পারল যে সে কী বলতে চাইছে। তার মনে হল, এই সময় ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "ভুল? তোর কোনো ভুল হয়নি রে। তুই এখন আর ছোট না, পুরুষ হয়েছিস। এটা স্বাভাবিক।বাথরুমের দরজা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এভাবেই থাকতে হবে। আমরা দুজনেই এক রুমে থাকি, আমরা দুজনেই জানি আমাদের অভাব। তাই আমাদের সবকিছু নিয়েই চলতে হবে। আমি তোকে কখনো ভুল বুঝব না।"
দেব বলল "মা আর দেড় মাস পর আমার ভর্তি পরিক্ষা শুরু হবে, ভাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে পারলে, আমাদের অভাব আস্তে আস্তে দূর হবে। প্রথমে ইউনিভার্সিটি তে উঠে আর ও টিউশনি করাবো, তারপর পাস করে চাকরি করব। তখন দেখবে মা, আমরা নিজের ফ্ল্যাট নিবো, যেখানে বাথরুমের দরজা থাকবে, যেটা খুললে ভাঙবে না।"
দেবের কথা শুনে শশীর চোখ ছলছল করে উঠল। তার ছেলে কত বড় হয়েছে। কত দায়িত্ববান হয়েছে। সে তার ছেলের জন্য গর্বিত। শশী বলল, "আমি জানি রে দেব। তুই আমার গর্ব। আমি জানি তুই অনেক ভাল ইঞ্জিনিয়ার হবি। তারপর আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমাদের নিজের বাড়ি হবে।" তারপর শশী দেব খাওয়া শেষ করল। দেব পড়তে বসল আর শশী দেবের ফোন নিয়ে রীল দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরল।
একদিন সকালে শশী ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গেল পায়খান করতে। সে পায়খানা করতে বসেছে বাংলা স্টাইল কোমডে। তখনই দেব ঘুম থেকে উঠে দেখল মা বাথরুমে পায়খানা করছে, তাদের চোখাচোখি হয়ে গেল ঠিক তখনই শশী এর পাছা থেকে ধব ধব করে হাগু পরছে, সাথে পাদ লাগার শব্দ হচ্ছিল। দেব চমকে গেল, তার মনে হল একদম ভুল সময়ে উঠে গেছে। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে নিল, কিন্তু সে তার চোখ ফিরিয়ে নিতে পারল না। সে দেখল মায়ের পাছার দিক থেকে বেরিয়ে আসা ধবধবে হাগু আর পাদের শব্দ। তার মনে হল এটা দেখা উচিত হয়নি। একই সময়ে অদ্ভুত একটা ব্যাপার হলো তার মনে, সে এই দৃশ্যটা দেখে উত্তেজিত হয়ে গেল। তার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গেল। সে ভাবল, 'আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি? আমি কি আমার মায়ের পায়খানা করতে দেখে উত্তেজিত হচ্ছি? ' । শশী ছেলে কে দেখে লজ্জা পেল তারপর পায়খানা শেষ করে বের হয়ে দেবকে বলল, "সরি বাবা, আমি জানতাম না তুই উঠে গেছিস।" দেব মাথা নিচু করে বলল, "আমিও জানতাম না মা।" শশী লজ্জার চোটে ওর মুখ লাল হয়ে গেল, তবে একই সাথে ওর শরীরে এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ে।
কিছুদিন পর রাতে, দেব বাসা তে টেবিলে পড়ছিল, তখন শশী স্নানা করতে বাথরুমে ধুকলো। ওই দিনে বাথরুম ঘটনা এর মতন দেব মা কে দেখল। ও দেখতে লাগলো মা গামছা পেঁচিয়ে স্নান করছে। দেবের মনে হল যেন সে ওর মায়ের শরীরের প্রতিটা ভাঁজ, প্রতিটা বক্রতার সাক্ষী হচ্ছে। আজ শশীর চুলগুলো খোঁপা করে বেঁধেছেন, এতে ওর গলা, ঘাড় আর কাঁধের লাইন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেব ভাবল, 'কী অসাধারণ দেখাচ্ছে মাকে আজ। কেউ যদি দেখে, তাহলে বলবে, ও আমার মা না, কোন মডেল।' শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের দিকে তাকিয়ে দেখল যে ওর ছেলে ওকে দেখছে। শশী এক নিষিদ্ধ টানে কামদেবীর মতন এক হাত উপরে তুলল। দেব মায়ের বগলের দেখে দেবের শরীর গরম হয়ে উঠল। বাড়াটা আবার দাঁড়িয়ে গেল। শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের প্যান্টের দিকে তাকালো, দেব এই নিষিদ্ধ লালসায় লজ্জা পেল।শশী বাথরুমের ভেতরেই লজ্জায় হেসে ফেলল। দেব লজ্জায় মুখ না চেয়ে পড়তে শুরু করল। শশী স্নান শেষ করে খাটে বসে দেখল, তাঁর ছেলের বাড়াটা প্যান্টের ভিতরে এখনো দাড়িয়ে আছে। সে দেবের পাশে বসে জিজ্ঞেস করল, "কি ভাবছিস রে?" দেব বলল, "কিছু না মা।"
"কিছু না? তোর তো খুব কিছু একটা হয়েছে। তোর চেহারা দেখে মনে হচ্ছে," শশী বলল, তার গলায় একধরনের হালকা ঠাট্টা ছিল, তবে ভেতর থেকে একটা কৌতূহলও ছিল।
দেব কিছু বলল না, শুধু মাথা নিচু করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কিছু বলতে পারবে না। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমার নগ্ন দেহ দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার বগলের চুল দেখে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল যেটা এখনো দাড়িয়ে আছে ? না, আমি পারব না। এটা অন্যায়। ও আমার মা।' তার মনের ভেতর এক দ্বন্দ্ব শুরু হলো।
শশী ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, "তোর মুখ দেখে মনে হচ্ছে তোর মনে অনেক কিছু ঘোরাফেরা করছে। তুই বলতে পারস, আমি তোর মা। তোর কথা আমি বুঝব।" দেব বলে " মা সরি তোমার স্নান করা দেখে আমার ওইটা দাড়িয়ে গেছে, এখনো নামছে না। এটা না নামলে আমি পড়ায় মন বসাতে পারছি না। আর দুই দিন পর আমার পরীক্ষা।" দেবের কথা শুনে শশী বুঝতে পারল, যে কঠিন অবস্থায় তার ছেলে আছে। তার ছেলে আসলেই একজন ভালো ছেলে, সে লজ্জা পাচ্ছে আর নিজেকে দোষারোপ করছে। তার মনে হল এই মুহূর্তে ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "এটা তোর ভুল নয়, রে দেব। তোর শরীরে অনেক পরিবর্তন আসছে তাই এমন হচ্ছে। " দেব বলল, "তবুও মা। তুমি তো আমার মা। আমার এই ভাবনা ভুল। আমি তোমার মতো একজন মাকে নিয়ে এই ভাবনা করতে পারি না।" শশী বলল, "তুই ভুল ভাবছিস। আমিও তো একজন মানুষ, আর তোর মা। আমারও একটা শরীর আছে। আর হ্যাঁ, তোর সমস্যার জন্য তো একটা উপায় আছে। তুই নিজেই মিটিয়ে নিতে পারিস।" শশী বলে ফেলল। কথাটা বলার পর শশী নিজেই লজ্জা পেয়ে গেল। তার মুখ লাল হয়ে গেল।
দেব অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের কথা শুনে ওর মনের ভেতর একটা ঝড় উঠল। মা কী বলছেন? মা কি তাকে হস্তমৈথুন করার পরামর্শ দিচ্ছেন? "কিন্তু মা। আগে আমি বাথরুমে নিজের এই চাহিদা মিটাতাম। তোমার আড়ালে কিন্তু এখন বাথরুমে দরজা নেই"। শশী বলল, "তাহলে করিস এখানেই। আমি ফিরে থাকব।" দেব বলল, "তুমি থাকলে কিভাবে হবে?" শশী বলল, " তুই করে নে। আমি কিছু মনে করব না, তোর পরীক্ষা আছে, তোর মন বসাতে হবে। আর বাথরুমে তো জায়গাও নেই। আমি ফিরে থাকব।" শশীর কথার মধ্যে এক ধরনের দৃঢ়তা ছিল।
দেব চিন্তা করতে লাগল। তার মনে হল এটাই সঠিক সমাধান। তার বাড়া দাঁড়িয়ে থাকার কারণে সে পড়ায় মন দিতে পারছে না। আর দুই দিন পর তার ভর্তি পরীক্ষা। তার ভবিষ্যৎ এর উপর নির্ভর করছে এই পরীক্ষা। আর মা নিজে থেকেই বলছে। দেব অবশেষে রাজি হল। সে বলল, "ঠিক আছে মা।"
শশী বলল, "আমি একদম ফিরে থাকব।"
দেব লজ্জায় তার প্যান্টের জিপ খুলল। ওর বাড়া একদম ফুলে ফুঁপে উঠেছে। শশী ফিরে থাকল, কিন্তু ওর মনে এক বিচিত্র কৌতূহল জাগল। শশী শুনতে পাচ্ছে হাত মারার শব্দ। আর তার নিজের শরীরেও এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ছে। তার গুদে একটা চিড়িক মিড়িক অনুভূতি শুরু হলো। আসলে শশী কখন ভালবাসার সঙ্গম পায়নি। তাঁর মৃত স্বামী তাঁকে ধ-র্ষ-ণ করতো। তাঁই এই সমস্ত সংবেদনশীল অনুভূতি নতুন করে অনুভব করছে। তার নিজের শরীরের প্রতি নজর দিলে সে দেখল তার স্তনের বোঁটা ফুলে উঠেছে এবং সালোয়ারের ওপর দিয়ে দেখা যাচ্ছে। তার নিঃশ্বাস গরম হয়ে উঠছিল।
দেব দ্রুত নিজের কাজ সেরে ফেলল। আর বীর্য বের হতেই একটা আরাম অনুভূতি হল। তবুও মাকে পেছনে থাকতে দেখে লজ্জায় মনে হল। মা নিশ্চয়ই আমার শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তিনি কি ভাবছেন? আমি কি ভুল করলাম? এসব ভেবে তার মনে একধরনের অপরাধবোধ জন্ম নিল। সে নিজের প্যান্ট দিয়ে বীর্য মুছতে শুরু করল। শশী এবার ঘুরে দাঁড়ালো। দেবের দিকে তাকালো। দেখল দেব প্যান্টের উপর কিছু একটা মুছছে। শশী বুঝতে পারল সেটা কি। শশী বলল, "এই নে।" শশী বাথরুমে থেকে একটা কাপড় নিয়ে এসে দেবকে দিল। দেব কৃতজ্ঞতায় মাথা নিচু করে নিল। নিজেকে পরিষ্কার করে নিল। শশী বলল, "এবার পড়তে বস। তোর মন বসবে।"

Reply
#2

দেখতে দেখতে দেব এর ভর্তি পরীক্ষা চলে এল। পরীক্ষা রেজাল্ট ভাল হল। দেব রাজশাহী এর একটা সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। ঢাকা হলে ভাল হতো মায়ের সাথে থাকতে পারত, কিন্তু কোন কোচিং ছাড়া যেটা পেয়েছে এটা নিয়ে মা ছেলে দুই জনেই খুব খুশি।

রেজাল্ট এর দিন দেব মাকে বলল, "আজকে আমরা বাইরে খেতে যাব।"
শশী বলল, "কোথায় যাবি আমরা? আমাদের তো অনেক কষ্ট হয়। খরচ করা ঠিক হবে না।"
দেব বলল, "কি যে বলো মা! আমি এতদিন ধরে টিউশনি করে কিছু টাকা জমিয়েছি। আজকে আমি তোমাকে খুব ভাল একটা জায়গায় নিয়ে যাব। তুমি তৈরি হও।"
শশী মনে মনে খুব খুশি হলেন।

শশী দেব এর সামনে তৈরি হওয়া শুরু করল। শশী বাসায় পরা কামিজ খুলছে, আর দেব হা করে দেখছে। দেব ভাবছে তার মা কত সুন্দরী। তার শরীরের বাঁকানো ভাঁজ আর বগল দেখে দেবকে উত্তেজিত করতে শুরু করল। শশী একটা পুরন ব্রা পরে আছে, যাতে তার স্তনযুগল ফুলে উঠেছে। দেব বুঝতে পারল যে ব্রাটা আর ফিট করছে না। তার মায়ের স্তনের অর্ধেকটাই উঁকি দিচ্ছে। দেবের বাড়া ফুলে গেল।
শশী দেবের দিকে তাকিয়ে বলল, "কি দেখছিস?"
দেব লজ্জা পেয়ে বলল, "তোমাকে। তুমি অনেক সুন্দরী মা। তোমার শরীরটা অনেক সুন্দর।"
শশী হেসে বলল, "এসব কি বলছিস তুই? আমি তো তোর মা।"
দেব বলল, "মা তুমি অনেক সুন্দর।"
শশী লজ্জা পেয়ে হাসে।
দেব বলে " মা তোমার ব্রা অনেক পুরনো হয়ে গেছে, তোমাকে নতুন কিনে দিতে হবে"
শশী বলল "কিনে দেবি?"
দেব বলল "হ্যাঁ, টিউশনি করে যে টাকা দিয়ে।"
শশী মনে মনে খুশি হল। শশী হেঁসে বলে "এবার ওই দিকে ফিরে তাকা আমি সালওয়ার খুলব।"

দেব অন্য দিকে ফিরে তাকাল। শশী সালওয়ার খুলে একটা কালো সালওয়ার পরল। শশী শুধু সালওয়ার আর পুরনো ব্রা টা পরে আছে।
শশী দেব কে বলল "এখন ঘুরতে পারিস" দেব ঘুরে তাকাল। দেব দেখল মা এবার একটা নতুন সালোয়ার পরছে কিন্তু সেই পুরন ব্রা এখনো আছে। দেবের সামনে এজটা কামিজ পরল। তারপর তারা বের হল রেস্তোরা এর জন্য।গুগলে Hookah restaurant নামে একটা রেস্তোরা দেখে শশী বলল "চল এটায় যাই। গুগলে অনেক ভাল রিভিউ দেখেছি" দেব কিছু বলল রিকসা তে করে গেল। তারপর তারা দুই জনে ভেতরে ঢুকল। ভেতরে ঢুকে দেব আর শশী দুজনেই চমকে গেলেন। রেস্তোরাটা তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি আলোকিত ছিল। দেব ভাবল, 'এখানে খেতে হলে নিশ্চয়ই অনেক খরচ হবে।' শশীও ভাবল, 'আমার ছেলে কি করে এত খরচ করছে? ওর তো পড়ালেখা চলছে।' দুজনের মনেই একটা দ্বিধা জন্ম লাভ করল। কিন্তু যেহেতু বেরিয়ে পড়েছে, তাই ফিরে যাওয়া যাবে না।

একজন ওয়েটার তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন। সে তাদের দিকে তাকিয়ে অবাক হলো। "স্যার, ম্যাম, আমাদের রেস্তোরাঁয় শুধুমাত্র দম্পতিদের জন্য ব্যবস্থা আছে। আমাদের সিস্টেম অনুয়ায়ী, আমাদের প্রতিটি টেবিল একটি বন্ধ চেম্বারে থাকে, যাতে কোন দম্পতি ব্যক্তিগত সময় কাটাতে পারে। স্যার আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আমার সাথে আসুন" ওয়েটারের কথা শুনে দেব আর শশী দুজনেই হকচকিয়ে গেলেন।

তারা কি করবেন বুঝতে পারছিলেন না। শশী মনে মনে ভাবলেন, 'আমি আর আমার ছেলে? স্ত্রী-স্বামী? এ কী কাণ্ড! কী বলব এখন? কীভাবে সামলাব এই পরিস্থিতি? ফিরে যাই? নাকি এখানেই থেকে যাই?' দেবও বিব্রত হলো। 'এই অবস্থায় মাকে নিয়ে ফিরে যাওয়া মানে মুখ শুকিয়ে যাওয়া। আবার এখানে থাকলেও লজ্জা করছে। মাকে নিয়ে স্ত্রী সাজিয়ে কী করে বসব?' তার মনের মধ্যে একটা যুদ্ধ শুরু হলো। একদিকে লজ্জা, অন্যদিকে মাকে হতাশ করতে চাইছিল না। দেব মায়ের দিকে তাকাল। শশীও ছেলের দিকে তাকালেন। চোখাচোখি হতেই দুজনের মধ্যে একটা অলিখিত বোঝাপড়া হয়ে গেল। দেব ওয়েটারের দিকে তাকিয়ে একটু দ্বিধা করে বলল, "ঠিক আছে, আমরা যাচ্ছি।"

ওয়েটার তাদের একটি করিডোর দিয়ে নিয়ে গেল। করিডোরের দুপাশে ছোট ছোট কক্ষ, যার প্রতিটির দরজায় একটি করে ভেলভেট পর্দা ঝুলছিল। ওয়েটার একটি দরজার কাছে এসে থামল। সে পর্দা সরিয়ে দিল এবং ভেতরে যেতে বলল। ভেতরে ঢুকে তারা আরও অবাক হলেন। মাত্র একটি সোফা, একটি ছোট টেবিল আর একটি হুক্কা। সোফা এতই ছোট যে দুজন বসলে তাদের শরীরের গায়ে গায়ে লাগবে। মায়ের মনে হল, এই জায়গাটা বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে বসার জন্যই বানানো।ওয়েটার বলল, "স্যার, ম্যাম, আপনাদের জন্য আমাদের বিশেষ মেনু।" সে একটি মেনু কার্ড টেবিলে রেখে বিদায় নিল।
দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। বাইরের আলো আর শব্দ একেবারে কমে গেল। দেব আর শশী দুজনে কয়েক মুহূর্ত নীরব দাড়িয়ে রইলেন। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছিল না। শশী আর দেব বসল। এত ছোট জায়গা যে তাদের অনেক ঘনিষ্ঠ হয়ে পাশাপাশি বসতে হলো। দেব এর দান বাহু মায়ের বাম দুধে লাগল। সাথে সাথে তাঁর বাড়া দাড়িয়ে গেল প্যান্টের ভিতরে।

শশী বলল "আমি বুঝিনি এই জায়গাটা এমন। গুগলে ভাল রিভিউ দেখে এসেছি। এখন আর কি করার।" শশী দেবের দিকে আরো চেপে বসল। তাঁর বুকের স্তনদ্বয় দেবের বাহুতে চাপা পড়ল।
দেব মাকে আদর করে বলল, "চিন্তা করো না মা, আমি আছি তো।" বলতে বলতে দেব আরও কাছাকাছি হলেন। দেবের শ্বাসের উত্তাপ শশীর গালে লাগল। শশীর শরীরে কেমন যেন একটা শিহরণ খেলে গেল।
শশী বলল "খাবার অর্ডার করে ফেলি চল।"
দেব বলল "হ্যাঁ, মা" দেব মেনু কার্ডটা নিয়ে দেখতে শুরু করল।
দেব বলল "মা, তোমার কি খাওয়া ইচ্ছে?"

শশী মেনু কার্ডের দিকে তাকালেন। তিনি দেবের ওই হাতটা নিয়ে নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে নিলেন।
শশী বলল, "তুই যা খাবে বল, আমিও সেটাই খাব। তুই তো আমার সবকিছু জানিস।" দেবের মনে হল, মায়ের কথায় কেমন যেন একটা আলাদা অর্থ রয়েছে। দেবের বাড়া আরও শক্ত হতে লাগল।
দেব আড়ষ্টভাবে বলল, "তাহলে চিকেন বিরিয়ানি আর কাবাব দেওয়া যাক?" শশী মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলেন।

দেব কলিং বেল টিপে ডাকল ওয়েটারকে। ওয়েটার এসে অর্ডার নিয়ে চলে গেল। আবার চুপচাপ পরিবেশ। পাশের কেবিন থেকে একটি মেয়ের কথা ভেসে আসছে " সোনা আস্তে টিপো! আহ!"। শশীর মুখ লাল হয়ে গেল। দেবের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেল। দেবের বাড়া এখন তাঁর প্যান্টের উপর দিয়ে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। শশী তা দেখে ফিক করে হেসে ফেললেন।  "কিরে, লজ্জা করছে নাকি? ওইদিকে একটু তাকা তোর ওইটা আবার ফুলে গেছে," বললেন শশী।
দেব প্যান্টের দিকে তাকাল আর বলল, "মা, তুমি সুন্দর তাই..." বলতে বলতে থামল।
শশী কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, "তাই কি? নাকি পাশের কেবিনের কথা শুনে ?"
দেব লজ্জায় কিছু বলল না। শশী ছেলের অবস্থা দেখে হেঁসে দিলেন। একই সাথে এক ধরনের অদ্ভুত সুখ অনুভব করলেন।
শশী বলল, "আমার ছেলে আর ছোট নেই। বড় হয়েছে।"

তখনই পাশের কেবিন থেকে চুম্মাচাটির শব্দ আসল। এটা শুনে শশী দেবকে বলল "এখানে তো লোকজন আসে... এসব করতে।"
দেব হেঁসে জিজ্ঞেস করল "কি করতে?"
শশী বলল "আমি কি জানি। তবে তারা যা করছে তাতে মনে হচ্ছে তারা বেশ উপভোগ করছে। আমি বিয়ে করেও কখনও ভালোবাসা পাইনি।"
দেব বলল " কেন মা? বাবা কখনো তোমাকে..." বলে থেমে গেল লজ্জায়।
শশী বলল "তোর বাবা? ও আমাকে ভালোবাসত না। ও আমাকে জোর করে দেহ ভগ করত করত। কখনো আমার ইচ্ছার কথা ভাবত না। সবার কপালে এমন সুখ থাকেনা রে"
দেব এই কথা শুনে মায়ের দিকে তাকাল। শশীর চোখ ভিজে গিয়েছিল। দেব মায়ের চোখের জল মুছে দিল। "মা, কাঁদো না। আমি তো আছি," দেব বলল।
দেব মায়ের হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আস্তে করে চাপল। শশী বলল "তুই আছিস বটে, কিন্তু তোর তো নিজের জীবন আছে। তুই তো একদিন বিয়ে করবি, সংসার করবি। তখন আমি কি করব?"
দেব বলল "আমি বিয়ে করব না মা। আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।"
শশী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তারপর বলল "পাগল ছেলে, এসব কি বলিস।"
দেব বলল "আমি সত্যি বলছি মা। তুমি আমার জীবনের সব।"

দেব এবং শশী দুজনেই একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাদের মধ্যে দূরত্ব আর বলতে গেলে নেই বললেই চলে। দেবের ডান বাহু শশী আরো শক্ত করে চাপ দিলো যার ফলে বাম স্তনে লেপ্টে গেল। দেবের শ্বাসের গরম বাতাস শশীর নাকে লাগছে।
শশী বলল "তুই বুঝতে পারছিস না রে দেব। একদিন তোর একটা মেয়ে পছন্দ হবে। তুই তাকে ভালোবাসবি। তখন..."
দেব শশীর কথা কেটে দিয়ে বলল, "না মা। আমি কাউকে ভালোবাসব না। আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসব।"
দেবের এই কথা শুনে শশী তাঁর নাক দেবের নাকে লাগালো। শশী ফিস ফিস করে বলল "আমি জানি রে। তুই আমাকে ভালবাসিস। কিন্তু এ ভালবাসা... আর সেই ভালবাসা... দুটো এক নয়।"
শশী বলার সময় তাঁর নিচের ঠোঁট দেব এর নিচের ঠোঁটে হালকা করে স্পর্শ করল। ঠিক সেই সময় ওয়েটার এসে দরজায় টোকা দিল। দেব আর শশী দুজনেই চমকে আলাদা হলেন।

ওয়েটার ভেতরে এসে খাবার টেবিলে সাজিয়ে দিয়ে চলে গেল। দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে আবার সেই নীরবতা। দুজনেই খাবার খেতে শুরু করলেন, কিন্তু মন দিতে পারছিলেন না। দুজনের মধ্যেই এক ধরনের অজানা টান অনুভব করছিলেন, যা তারা আগে কখনও অনুভব করেননি। দেব একটা কাবাবের টুকরো তুলে শশীর মুখে তুলে দিল। শশী তাঁর ঠোঁট দিয়ে কাবাবটা নিয়ের সময় দেবের আঙুল একটু চুষে দিল। দেব কেঁপে উঠল।

শশী মুচকি হেসে বললেন, "তোর হাতের টা খুব মজা হয়েছে।"
দেব বলল, "তুমি খাও, আমি তোমাকে খাইয়ে দিব।" দেব আরও একটা টুকরো তুলে দিল।
দেব ফিসফিস করে বলল, "তোমার ঠোঁটে... কাবাবের রস লেগে আছে।"
দেব বলল, "আমি মুছে দিই?" দেব এর কথাটা শুনে শশী চোখ বড় করে তাকালেন। দেব এগিয়ে গিয়ে নিজের আঙুল দিয়ে শশীর ঠোঁটের কোণে থাকা রস মুছে দিল। তারপর সেই আঙুল নিজের মুখে নিয়ে চেটে নিল।
এটা দেখে শশী বললেন, "দুষ্টু ছেলে।"
শশী নিজেও একটা বিরিয়ানির মাংস তুলে দেবের মুখে দিলেন। খাওয়ার সময় দেবের ঠোঁট স্পর্শ করলেন তাঁর আঙুল।

খাওয়া শেষ হলে দুজনেই নিশ্চুপ বসে রইলেন। পাশের কেবিন থেকে এখনো আওয়াজ আসছিল, তবে সেটা আগের চেয়ে কিছুটা বেশি জোরে। শশী এবং দেব দুজনেই কেমন যেন গরম অনুভব করছিলেন। দেবের বাড়া এখনো খাড়া ছিল। শশী তা দেখে ফিসফিস করে বললেন, "এতক্ষণ ধরে এমন থাকলে ব্যথা করবে।"
দেব লজ্জায় মাথা ঝাঁকাল।
শশী বললেন, "বাথরুম আছে চেম্বারের বাইরে। যা তো ঠাণ্ডা করে আয়।"
দেব বলল "আমি এখন যেতে চাই না মা।"
শশী বলল "তাহলে কি করবি?"
দেব ফিসফিস করে বলল "এভাবেই থাক, বাসা গিয়ে ঠান্ডা করব। তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না"

দেব জানতো না যে তার এই কথা শুনে শশীর মনে কেমন লাগবে। দেবের কথাটা শুনে শশীর শরীরে বিদ্যুৎ চমকালো। দেবের ডান হাতের বাহুটা নিজের বাম স্তনে লেপটে নিয়ে একটা গ্লাসে দুইটা পাইপ দিয়ে বলল " চল একিই গ্লাসে কোক খাই"
দেব বলল "এইভাবে?"
শশী বললেন, "হুম, এভাবেই।"

দেব অন্য পাইপটা মুখে নিল। দুজনে একই গ্লাস থেকে কোক খেতে লাগলেন। পাশাপাশি বসার জন্য দেবের ডান গাল মায়ের বাম গালে লেগে আছে।একই গ্লাস থেকে কোক খাওয়ার সময় দেবের শ্বাস শশীর গালে লাগছিল। শশী কিছু কোক পাইপ দিয়ে মখে নিয়ে আবার লালা সহ কোক পাইপ দিয়ে কোকে দিলো। দেব সেই লালা যুক্ত কোকও খেল।

শশী এটা দেখে হেঁসে বলল " ছি! দুষ্টু ছেলে"
দেব হেঁসে বলল " তোমার মখেরটা মজা বেশী"।
শশী হাঁসতে হাঁসতে বলল "তাহলে আরো কিছু মজা চাস?"
দেব বলল "চাই"।
শশী বলল "তাহলে হা কর"

তারপর এক চুমুক কোক নিলেন শশী এবং মুখ ভর্তি করে দেবের মুখে ঢেলে দিলেন। দেব বিস্মিত হলেও সব খেয়ে নিল। দেবের মনে হল, মায়ের লালা মিশ্রিত কোকটা অন্য রকম একটা স্বাদ দিচ্ছিল, একই সাথে তার শরীরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। দেব নিজেও এক চুমুক কোক নিয়ে শশীর মুখে দিল। দেবের লালা মিশ্রিত কোক খেয়ে শশীও একই রকম অনুভব করলেন।
তারপর শশী বলল "কি রে? ভালো লাগল? মায়ের মুখের কোকের স্বাদ?"
দেব বলল "হুম। তোমার মুখের সবকিছুরই স্বাদ ভালো লাগে।"
দেব এই কথাটা বলতেই শশী কেঁপে উঠলেন। শশী বলল, "সবকিছুর? সবকিছুর স্বাদ কি জানিস তুই?"
দেব ফিসফিস করে বলল, "জানতে ইচ্ছে করছে।"
শশী বলে "তুই সত্যিই দুষ্টু হয়ে যাচ্ছিস।"
দেব হেঁসে বলল "তোমার জন্যই তো দুষ্টু হয়ে গেছি।"

এমন সময় ওই মেয়েটা বলে উঠল " আহ! আস্তে ঢোকাও ওইটা"। এটা শুনে শশী হেঁসে দিল আর বলল "মেয়েটা কত সুখী", বলে শশী এর মন খারাপ হয়ে গেল। তারপর শশী বলল চল এবার বাড়ি যাই। তারা বিল দিয়ে রিকসা নিয়ে বাসাতে চলে গেল।

Reply


Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)