<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums - Mature Stories 18%]]></title>
		<link>https://forum.xgossip.fun/</link>
		<description><![CDATA[Forums - https://forum.xgossip.fun]]></description>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2026 19:35:20 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[গর্ভধারন (যোনি গন্ধা)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=88</link>
			<pubDate>Wed, 28 Oct 2026 08:45:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=2">Bad Boy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=88</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">লেখিকা:যোনিগন্ধা<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">গর্ভাধান (১)<br />
<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">আমি সুহানি। সুহানি বন্দ্যোপাধ্যায়।<br />
<br />
‎<br />
‎সবাই বলে আমি নাকি খুব সুন্দরী। কথাটা যে একেবারে মিথ্যে নয়—তা আমি নিজেও জানি। আমার গায়ের রঙ দুধে আলতায় না হলেও বেশ ফর্সা আর লম্বা কালো চুল কোমর ছুঁয়ে যায়। ভারতীয় সমাজে এইটুক থাকলেই একটি মেয়েকে সুন্দর বলা হয়। আমি কলেজের করিডোরে হাঁটলে ছেলেদের চোখ আটকে যায়। ছেলেরা আমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে চোখে চোখ পড়ে গেলে খেই হারায়। আমি সেটা টের পাই, উপভোগও করি। সব মেয়েই করে—অস্বীকার করে কী লাভ?<br />
‎<br />
‎কেউ ফিসফিস করে বলে, “দেখ, শ্রদ্ধা কাপুরের মতো!” না-শোনার ভান করে আমি সামনে এগিয়ে যাই। কেউ আবার সাহস করে প্রস্তাব দেয়, “আজ প্লেজার হাটে?” <br />
‎<br />
‎'প্লেজার হাট' শহরের সব চেয়ে দামি কফি শপ। আমি শুধু হাসি। এসবের সময় নেই আমার। আমার লক্ষ্য অন্য—আমি শিক্ষিকা হতে চাই। আমার বাবাও ছিলেন কলেজশিক্ষক। আমি দশ বছরের ছিলাম, যখন এক রেল দুর্ঘটনায় তিনি চলে গেলেন। তারপর থেকে মা, আমি আর ছোট ভাই রাহুলকে নিয়ে তিনজনের সংসার। পেনশনের টাকায় সংসার চলে।<br />
‎<br />
‎বাবা মারা যাওয়ার সময় আমি সিক্সে পড়তাম, ও তখন ফোরে। সকালে নিজে তৈরি হতে হতে ওকে চান করিয়ে, জামা পরিয়ে কলেজের জন্য রেডি করতাম। রাতে পড়া বুঝিয়ে দিতাম। রাহুল আমার থেকে মাত্র দুই বছরের ছোট হলেও দুষ্টুমি করলে শাসন করতাম। ও আমাকে যেমন ভালো বাসত তেমনি ভয়ও পেত।<br />
‎<br />
‎এখন রাহুল ইলেভেনে। সতেরো বছর বয়স। এর মধ্যেই রীতিমতো পুরুষালি চেহারা। দারুণ হ্যান্ডসাম। ফুটবল খেলতে নামলে মাঠের সব চোখ ওর দিকেই। আমার বান্ধবীরা লজ্জা লজ্জা হাসি হেসে বলে, “তোর ভাইটা কিন্তু হিরো ম্যাটেরিয়াল।” <br />
‎<br />
‎আমি হাসি।  মনে মনে অবশ্য একটা গোপন গর্ব কাজ করে।<br />
‎<br />
‎আজ আমার বান্ধবী লুবনার দিদির বিয়ে। কলেজের কাছেই ওদের বাড়ি। ছুটির পর বান্ধবীরা সবাই মিলে যাব। রোজ কলেজে যাওয়ার সময় শুধু একটি টিপ ছাড়া আর কোনো সাজগোজ করিনা। কিন্তু আজ একটু সেজেছি। আমি ভালো খোঁপা বাঁধতে পারিনা।  আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ধরে খোঁপা বাঁধার চেষ্টা করছি, রাহুল আড় চোখে দেখে বলে,“দিদি, মনে হয় আজ বিউটি কনটেস্টে যাবে।”<br />
‎<br />
‎আমি ধমক দিই, “তুই নিজের চরকায় তেল দে।” <br />
‎<br />
‎ও হাসে, “এত সাজুগুজু করে গেলে কিন্তু ক্লাস থেকে বের করে দেবে।"<br />
‎<br />
‎আমি তেড়ে যাই,"তুই ভাগ এই ঘর থেকে।"<br />
‎<br />
‎ও হাসতে হাসতে পালিয়ে যায়।<br />
‎<br />
‎খুনসুটিতে ভরা, তর্কে-ঝগড়ায় রঙিন দিনগুলো এই ভাবে কেটে যায়।<br />
‎<br />
‎লুবনার দিদির বিয়ের সপ্তাহ খানেক পর কলেজের ক্যান্টিনে বান্ধবীদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছি, প্রিয়া হাসতে হাসতে বলল,“সুহানি, কাল আবার সুমিত ছুটির পর তোর জন্য অপেক্ষা করছিল।"<br />
‎<br />
‎আমি বললাম,"আমি তো ওকে অপেক্ষা করতে বলিনি।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি ছেলেটা তোর জন্য পাগল। তুই ওকে পাত্তা দিস না কেন রে?”<br />
‎<br />
‎আমি জানি শ্রুতি মজা করছে। সে নিজেও কম সুন্দরী নয়। তার পেছনেও অনেক ছেলের লাইন। আসলে ছেলেদের স্বভাবই মেয়েদের পেছনে লাইন দেওয়া। হেসে বললাম, “কি করি বল! ওরা সবাই একই কথা বলে। শুনতে শুনতে একঘেয়ে হয়ে গেছে। কেউ নতুন স্টাইলে কিছু বলে না।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি হাসে,"ছেলেদের কথায় বিশ্বাস করি না। ওরা বলবে "তোমার ঠোঁট যেন গোলাপের পাপড়ি নরম”, আর মনে মনে ভাববে, কখন ঢুকাবে গরম?”<br />
‎<br />
‎শ্রুতির কথায় সবাই হেসে উঠি।<br />
‎<br />
‎রূপালী এতক্ষণ চুপ করে আমাদের কথা শুনছিল। সে মুখ ঝামটা দিয়ে বলে,"রূপ থাকলে এরকম দেমাক দেখানো যায়। আমাদের ভাই রূপও নেই, দেমাকও নেই।"<br />
‎<br />
‎রূপালীর গায়ের রং কালো, সামনের দাঁত উঁচু বলে নিজের রূপ নিয়ে ওর মধ্যে একটা হীনমন্যতা কাজ করে। ওর কথার উত্তরে কী বলা যায় বুঝে উঠতে পারি না। তবুও ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে বলি,"কী করে তোদের বোঝাই যে আমার বিন্দুমাত্র দেমাক নেই। আমার ভালো লাগে শুধু একজনকে।"<br />
‎<br />
‎প্রিয়া চোখ বড় করে বলল, “কে সেই ভাগ্যবান? বল না!”<br />
‎আমার ক্রাশ আরিফ। আরিফ ইকবাল। কলেজের ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন। এমনিতে লাজুক কিন্তু খেলার মাঠে দুর্ধর্ষ বোলার। বল হাতে ওর ছুটে আসা দেখে মেয়েদের অর্গাজম হয়ে যায়। কিন্তু আমার ইচ্ছা আমার মনেই থাক। আমি জানি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে আরিফ '. আর আমি * । এখনই আমি সবাইকে এসব বলতে চাই না।<br />
‎<br />
‎বললাম,"এখন না, পরে একদিন বলব।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি বলে,"কলেজেরই কেউ নাকি?"<br />
‎<br />
‎আমি কিছু বলি না, শুধু হাসি।<br />
‎<br />
‎প্রিয়া বলল,"ওহ মাই গড! আমি তো তোকে গুডি গুডি গার্ল ভাবতাম রে! তাহলে তোকেও ফিদা করতে পারে এমন কেউ আছে কলেজে?"<br />
‎<br />
‎প্রিয়ার কথার উত্তর দেবার আগেই ক্যান্টিনে এসে ঢুকল সালমা।<br />
‎<br />
‎গোটা কলেজ জানে আমি আর সালমা অন্তরঙ্গ বন্ধু। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে যে একটা অদৃশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে তা কেউ জানে না। এই অদৃশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রে আছে আরিফ।  সালমা আরিফকে চায় এবং আরিফও সালমার প্রতি কিছুটা দুর্বল তা আমি জানি। কিন্তু আমি যে আরিফের প্রতি দুর্বল এটা শুধু সালমা জানে। কীভাবে জানে আমি জানি না তবে ওর হাবেভাবে বুঝতে পারি ও জানে। তবে আমার মনের ইচ্ছা আমি মনেই রেখেছি। কাউকে কিছু বলিনি, আরিফকেও না।<br />
‎<br />
‎সালমা লুবনাদের পাড়াতেই থাকে। দিদির বিয়ের পর থেকে লুবনা আসছে না। সালমাকে দেখে শ্রুতি ডাকে,"এই সালমা! আয় আয়, কোথায় ছিলি এতদিন? লুবনা কই? ওর দিদির বিয়ের পর তো  কলেজেই আসছে না!"<br />
‎<br />
‎সালমা ব্যাগ নামিয়ে বসতে বসতে বলে,"আর বলিস না। লুবনা তো এখন বাসায়ই আটকে আছে।"<br />
‎<br />
‎প্রিয়া চোখ বড় করে বলে,"কী হয়েছে? অসুস্থ নাকি?"<br />
‎<br />
‎সালমা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে,"না, ও নিজে না। ওর দিদি শবনম আপা... খুব খারাপ অবস্থা।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি চায়ের কাপ নামিয়ে উদ্বিগ্ন চোখে তাকায়,"কী হয়েছে আপার? বিয়ের দিন তো ভালোই ছিল!"<br />
‎<br />
‎সালমা গলা নামিয়ে বলে,"হ্যাঁ...বাসর রাতের কথা। দোলাভাই... মানে জামাইয়ের সাথে... যখন ফার্স্ট টাইম... তখন অনেক রক্তপাত হয়ে গেছে।,"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি চোখ কপালে তুলে বলে,"ও মাই গড? এতটা!সবাই তো একটু-আধটু ব্যথা পায়, কান্না করে... কিন্তু এত?<br />
‎<br />
‎সালমা মাথা নাড়ে,"শবনম আপা তো কাঁদছিলই, বলছিল ব্যথা করছে, থামতে। কিন্তু দোলাভাই... ছাড়েনি। ভেবেছে মেয়েরা প্রথমবার এমনই করে। শেষে রক্ত বন্ধই হচ্ছিল না। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে। সেলাই দিতে হয়েছে... ভেতরে।<br />
‎<br />
‎পুরুষ মানুষ বাসর রাতে ওটা ঢুকাবে এটা প্রকৃতির নিয়ম। প্রথমবার ঢুকলে ব্যথা করবে এটাও প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু লুবনার দোলা ভাইয়ের জিনিসটা নিশ্চয়ই অস্বাভাবিক রকমের বড়, না হলে এরকম হবার কথা নয়। আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে,"হে ভগবান! এখন কেমন আছে?"<br />
‎<br />
‎সালমা গম্ভীর মুখে বলে,"হ্যাঁ। রক্ত বন্ধ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারপর থেকে আপার অবস্থা একদম ঠিক নেই। মাঝে মাঝে হঠাৎ ঘাম ছুটে যায়, বুক ধড়ফড় করে, মাথা ঘোরে। ডাক্তার বলেছে ট্রমা আর শকের পরে এমন হয়। মানসিক চাপও আছে।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করে,"আর লুবনা?"<br />
‎<br />
‎সালমা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলে,"দোলাভাই নিজেই লুবনাকে নিয়ে গেছে। বলেছে শবনম আপাকে দেখাশোনা করতে।" <br />
‎<br />
</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">লেখিকা:যোনিগন্ধা<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">গর্ভাধান (১)<br />
<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">আমি সুহানি। সুহানি বন্দ্যোপাধ্যায়।<br />
<br />
‎<br />
‎সবাই বলে আমি নাকি খুব সুন্দরী। কথাটা যে একেবারে মিথ্যে নয়—তা আমি নিজেও জানি। আমার গায়ের রঙ দুধে আলতায় না হলেও বেশ ফর্সা আর লম্বা কালো চুল কোমর ছুঁয়ে যায়। ভারতীয় সমাজে এইটুক থাকলেই একটি মেয়েকে সুন্দর বলা হয়। আমি কলেজের করিডোরে হাঁটলে ছেলেদের চোখ আটকে যায়। ছেলেরা আমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে চোখে চোখ পড়ে গেলে খেই হারায়। আমি সেটা টের পাই, উপভোগও করি। সব মেয়েই করে—অস্বীকার করে কী লাভ?<br />
‎<br />
‎কেউ ফিসফিস করে বলে, “দেখ, শ্রদ্ধা কাপুরের মতো!” না-শোনার ভান করে আমি সামনে এগিয়ে যাই। কেউ আবার সাহস করে প্রস্তাব দেয়, “আজ প্লেজার হাটে?” <br />
‎<br />
‎'প্লেজার হাট' শহরের সব চেয়ে দামি কফি শপ। আমি শুধু হাসি। এসবের সময় নেই আমার। আমার লক্ষ্য অন্য—আমি শিক্ষিকা হতে চাই। আমার বাবাও ছিলেন কলেজশিক্ষক। আমি দশ বছরের ছিলাম, যখন এক রেল দুর্ঘটনায় তিনি চলে গেলেন। তারপর থেকে মা, আমি আর ছোট ভাই রাহুলকে নিয়ে তিনজনের সংসার। পেনশনের টাকায় সংসার চলে।<br />
‎<br />
‎বাবা মারা যাওয়ার সময় আমি সিক্সে পড়তাম, ও তখন ফোরে। সকালে নিজে তৈরি হতে হতে ওকে চান করিয়ে, জামা পরিয়ে কলেজের জন্য রেডি করতাম। রাতে পড়া বুঝিয়ে দিতাম। রাহুল আমার থেকে মাত্র দুই বছরের ছোট হলেও দুষ্টুমি করলে শাসন করতাম। ও আমাকে যেমন ভালো বাসত তেমনি ভয়ও পেত।<br />
‎<br />
‎এখন রাহুল ইলেভেনে। সতেরো বছর বয়স। এর মধ্যেই রীতিমতো পুরুষালি চেহারা। দারুণ হ্যান্ডসাম। ফুটবল খেলতে নামলে মাঠের সব চোখ ওর দিকেই। আমার বান্ধবীরা লজ্জা লজ্জা হাসি হেসে বলে, “তোর ভাইটা কিন্তু হিরো ম্যাটেরিয়াল।” <br />
‎<br />
‎আমি হাসি।  মনে মনে অবশ্য একটা গোপন গর্ব কাজ করে।<br />
‎<br />
‎আজ আমার বান্ধবী লুবনার দিদির বিয়ে। কলেজের কাছেই ওদের বাড়ি। ছুটির পর বান্ধবীরা সবাই মিলে যাব। রোজ কলেজে যাওয়ার সময় শুধু একটি টিপ ছাড়া আর কোনো সাজগোজ করিনা। কিন্তু আজ একটু সেজেছি। আমি ভালো খোঁপা বাঁধতে পারিনা।  আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ধরে খোঁপা বাঁধার চেষ্টা করছি, রাহুল আড় চোখে দেখে বলে,“দিদি, মনে হয় আজ বিউটি কনটেস্টে যাবে।”<br />
‎<br />
‎আমি ধমক দিই, “তুই নিজের চরকায় তেল দে।” <br />
‎<br />
‎ও হাসে, “এত সাজুগুজু করে গেলে কিন্তু ক্লাস থেকে বের করে দেবে।"<br />
‎<br />
‎আমি তেড়ে যাই,"তুই ভাগ এই ঘর থেকে।"<br />
‎<br />
‎ও হাসতে হাসতে পালিয়ে যায়।<br />
‎<br />
‎খুনসুটিতে ভরা, তর্কে-ঝগড়ায় রঙিন দিনগুলো এই ভাবে কেটে যায়।<br />
‎<br />
‎লুবনার দিদির বিয়ের সপ্তাহ খানেক পর কলেজের ক্যান্টিনে বান্ধবীদের সঙ্গে বসে চা খাচ্ছি, প্রিয়া হাসতে হাসতে বলল,“সুহানি, কাল আবার সুমিত ছুটির পর তোর জন্য অপেক্ষা করছিল।"<br />
‎<br />
‎আমি বললাম,"আমি তো ওকে অপেক্ষা করতে বলিনি।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি ছেলেটা তোর জন্য পাগল। তুই ওকে পাত্তা দিস না কেন রে?”<br />
‎<br />
‎আমি জানি শ্রুতি মজা করছে। সে নিজেও কম সুন্দরী নয়। তার পেছনেও অনেক ছেলের লাইন। আসলে ছেলেদের স্বভাবই মেয়েদের পেছনে লাইন দেওয়া। হেসে বললাম, “কি করি বল! ওরা সবাই একই কথা বলে। শুনতে শুনতে একঘেয়ে হয়ে গেছে। কেউ নতুন স্টাইলে কিছু বলে না।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি হাসে,"ছেলেদের কথায় বিশ্বাস করি না। ওরা বলবে "তোমার ঠোঁট যেন গোলাপের পাপড়ি নরম”, আর মনে মনে ভাববে, কখন ঢুকাবে গরম?”<br />
‎<br />
‎শ্রুতির কথায় সবাই হেসে উঠি।<br />
‎<br />
‎রূপালী এতক্ষণ চুপ করে আমাদের কথা শুনছিল। সে মুখ ঝামটা দিয়ে বলে,"রূপ থাকলে এরকম দেমাক দেখানো যায়। আমাদের ভাই রূপও নেই, দেমাকও নেই।"<br />
‎<br />
‎রূপালীর গায়ের রং কালো, সামনের দাঁত উঁচু বলে নিজের রূপ নিয়ে ওর মধ্যে একটা হীনমন্যতা কাজ করে। ওর কথার উত্তরে কী বলা যায় বুঝে উঠতে পারি না। তবুও ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে বলি,"কী করে তোদের বোঝাই যে আমার বিন্দুমাত্র দেমাক নেই। আমার ভালো লাগে শুধু একজনকে।"<br />
‎<br />
‎প্রিয়া চোখ বড় করে বলল, “কে সেই ভাগ্যবান? বল না!”<br />
‎আমার ক্রাশ আরিফ। আরিফ ইকবাল। কলেজের ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন। এমনিতে লাজুক কিন্তু খেলার মাঠে দুর্ধর্ষ বোলার। বল হাতে ওর ছুটে আসা দেখে মেয়েদের অর্গাজম হয়ে যায়। কিন্তু আমার ইচ্ছা আমার মনেই থাক। আমি জানি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারে আরিফ '. আর আমি * । এখনই আমি সবাইকে এসব বলতে চাই না।<br />
‎<br />
‎বললাম,"এখন না, পরে একদিন বলব।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি বলে,"কলেজেরই কেউ নাকি?"<br />
‎<br />
‎আমি কিছু বলি না, শুধু হাসি।<br />
‎<br />
‎প্রিয়া বলল,"ওহ মাই গড! আমি তো তোকে গুডি গুডি গার্ল ভাবতাম রে! তাহলে তোকেও ফিদা করতে পারে এমন কেউ আছে কলেজে?"<br />
‎<br />
‎প্রিয়ার কথার উত্তর দেবার আগেই ক্যান্টিনে এসে ঢুকল সালমা।<br />
‎<br />
‎গোটা কলেজ জানে আমি আর সালমা অন্তরঙ্গ বন্ধু। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে যে একটা অদৃশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে তা কেউ জানে না। এই অদৃশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রে আছে আরিফ।  সালমা আরিফকে চায় এবং আরিফও সালমার প্রতি কিছুটা দুর্বল তা আমি জানি। কিন্তু আমি যে আরিফের প্রতি দুর্বল এটা শুধু সালমা জানে। কীভাবে জানে আমি জানি না তবে ওর হাবেভাবে বুঝতে পারি ও জানে। তবে আমার মনের ইচ্ছা আমি মনেই রেখেছি। কাউকে কিছু বলিনি, আরিফকেও না।<br />
‎<br />
‎সালমা লুবনাদের পাড়াতেই থাকে। দিদির বিয়ের পর থেকে লুবনা আসছে না। সালমাকে দেখে শ্রুতি ডাকে,"এই সালমা! আয় আয়, কোথায় ছিলি এতদিন? লুবনা কই? ওর দিদির বিয়ের পর তো  কলেজেই আসছে না!"<br />
‎<br />
‎সালমা ব্যাগ নামিয়ে বসতে বসতে বলে,"আর বলিস না। লুবনা তো এখন বাসায়ই আটকে আছে।"<br />
‎<br />
‎প্রিয়া চোখ বড় করে বলে,"কী হয়েছে? অসুস্থ নাকি?"<br />
‎<br />
‎সালমা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে,"না, ও নিজে না। ওর দিদি শবনম আপা... খুব খারাপ অবস্থা।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি চায়ের কাপ নামিয়ে উদ্বিগ্ন চোখে তাকায়,"কী হয়েছে আপার? বিয়ের দিন তো ভালোই ছিল!"<br />
‎<br />
‎সালমা গলা নামিয়ে বলে,"হ্যাঁ...বাসর রাতের কথা। দোলাভাই... মানে জামাইয়ের সাথে... যখন ফার্স্ট টাইম... তখন অনেক রক্তপাত হয়ে গেছে।,"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি চোখ কপালে তুলে বলে,"ও মাই গড? এতটা!সবাই তো একটু-আধটু ব্যথা পায়, কান্না করে... কিন্তু এত?<br />
‎<br />
‎সালমা মাথা নাড়ে,"শবনম আপা তো কাঁদছিলই, বলছিল ব্যথা করছে, থামতে। কিন্তু দোলাভাই... ছাড়েনি। ভেবেছে মেয়েরা প্রথমবার এমনই করে। শেষে রক্ত বন্ধই হচ্ছিল না। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে। সেলাই দিতে হয়েছে... ভেতরে।<br />
‎<br />
‎পুরুষ মানুষ বাসর রাতে ওটা ঢুকাবে এটা প্রকৃতির নিয়ম। প্রথমবার ঢুকলে ব্যথা করবে এটাও প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু লুবনার দোলা ভাইয়ের জিনিসটা নিশ্চয়ই অস্বাভাবিক রকমের বড়, না হলে এরকম হবার কথা নয়। আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে,"হে ভগবান! এখন কেমন আছে?"<br />
‎<br />
‎সালমা গম্ভীর মুখে বলে,"হ্যাঁ। রক্ত বন্ধ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারপর থেকে আপার অবস্থা একদম ঠিক নেই। মাঝে মাঝে হঠাৎ ঘাম ছুটে যায়, বুক ধড়ফড় করে, মাথা ঘোরে। ডাক্তার বলেছে ট্রমা আর শকের পরে এমন হয়। মানসিক চাপও আছে।"<br />
‎<br />
‎শ্রুতি ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করে,"আর লুবনা?"<br />
‎<br />
‎সালমা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলে,"দোলাভাই নিজেই লুবনাকে নিয়ে গেছে। বলেছে শবনম আপাকে দেখাশোনা করতে।" <br />
‎<br />
</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আমার আম্মার অবস্থা(By:Bokachele)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=87</link>
			<pubDate>Tue, 20 Oct 2026 09:13:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=2">Bad Boy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=87</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আম্মা আর খালাম্মা রান্না ঘরে কথা বলছে। আমি সেদিকে যেতেই, খালাম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
খালাম্মা: কিরে বাবা, ঘুম ভাংসে.. আয় নাস্তা খা। আপা রনি রে ডিম ভাইজা দেই। <br />
আম্মা: হও, তুই বয় আমি করতাসি। আব্বা যা মুখ দুই আয়, আম্মা ডিম ভাজি দেই। পোস করি...<br />
আমি: জি দেন। <br />
<br />
আমি এর পরে বাথ রুমে গিয়ে দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে নাস্তা করতে এলাম। আমাদের ডাইনিং টেবিল আছে। কিন্তু আমরা ফ্লোরেই মাদুর পেতে খাবার খাই। দেখলাম একটা প্লেটে ৪/৫ টা রুটি আর অন্য ২ টা প্লেটে চিকন করে ভাজা আলু ভাজি আর ২ টা ডিম হাফ পোস্ করা। আমি খেতে বসলাম। আম্মা পাশেই জাফরান দেয়া এক গ্লাস দুধ রাখলেন। দেখি খালাম্মার খাওয়া শেষ। উনি ডাইনিং টেবিলের একটা চেয়ারে বসে আছে, আর আম্মা একটা মোড়ায় বসে আছে। আম্মা একটা কালো পড়ে লাল সবুজের ছাপা শাড়ি পরে আছে, আর কালো ব্লাউস। খালাম্মা হলুদ কালো ছাপা শাড়ি আর হলুদ ব্লাউজ। মোড়ায় বসায় আম্মার হাঁটু অব্দি শাড়ি উঠে আছে। সাদা মোটা মোটা দুই পা দেখা যাচ্ছে। আম্মা আমাকে তার দিকে তাকাতেই বললো...<br />
<br />
আম্মা: কিরে আব্বা আর কিসু দিমু নি...?<br />
আমি: নাহ্।<br />
<br />
হঠাৎ খালাম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
খালাম্মা: আপা গতবছর আপনারা যে বাড়িতে গেছিলেন, কোন বসে গেছিলেন।<br />
আম্মা: আমরা... ঢাকা এক্সপ্রেস এ গেসিলাম, কেনরে রনি...?<br />
আমি: না.. জনতা এক্সপ্রেস এ। ঐযে জুয়েল আমার বন্ধু ওদের নতুন বাস নামাইসেনা, ওই টাতে।<br />
আম্মা: ওহ্ হ... আরে বিউটি জানোস না, রনির <br />
বন্ধুর আব্বা নতুন বাস কোম্পানি খলসে আমাদের বাড়ির দিকে। গতবার আমরা ওই বসেই গেসিলাম। জানোসনা... কি সমাদর করসে আমাগো।<br />
<br />
আমার মনে পড়ে গেলো সেই গত একবছর আগে নানা বাড়ি যাবার কথা। সম্ভবত অক্টোবর মাস। অনেক শীত ছিল। আব্বা তখন ২ মাসের ছুটি শেষ করে সৌদি চলে গেছে। আমি তখন কলেজে ভর্তি হব। আব্বা আসার সময় একটা প্যানাসনিক ভিসিডি সেট নিয়া আসছে। আর নানা মুভির ক্যাসেট। আব্বা থাকার সময় বেশি দেখতে পারিনাই। দুই মাসের প্রায় দেড় মাস ই আব্বা আম্মাকে নিয়ে ঘরের মধ্যে দরজা লাগিয়ে থাকতো। আমি আমার ছোট বোন কে নিয়ে থাকতাম। আম্মা দেখতাম সারা দিন চোদা খেতো। একদিন আব্বা বাজারে গেলে আমি আম্মাকে বলি...<br />
<br />
আমি: আম্মা... একবার করবো... (আমার ধণ এ হাত দিয়ে খেঁচতে খেঁচতে আম্মার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললাম) আম্মা খাটের উপরে বসে ছিল।<br />
<br />
আম্মা: নারে আব্বা... দেখ করতে করতে আমার ঐখানে ব্যথা হয়ে গেছে বাবা... তোর আব্বা দিনে ৬/৭ বার করে, আর চুষতে চুষতে ঐখানের ছল উইঠা গেছে। তুই এই দিকে আয়, আম্মা মুখ দিয়া চুইষা দেই।<br />
<br />
আমি: আচ্ছা... বলেই আম্মার সামনে খাটে উঠে আমার ধণ লুঙ্গি উঠিয়ে ধরলাম। আম্মা খুব যত্ন করে চুষে দিতে লাগলো আর বিচি গুলি একটা হাত দিয়ে আস্তে আস্তে আদর করতে লাগলো।<br />
আমি আস্তে আস্তে আম্মার মুখে ঠাপ দিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আম্মা বললো...<br />
<br />
আম্মা: বাবা দুদ খাবি...?<br />
আমি: জ্বি খামু<br />
<br />
আম্মা ব্লাউজ থেকে একটা দুদ বের করে দিলো। আমি কাছে এসে দুদের বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম আর মিষ্টি দুদ খেতে লাগলাম। আমি প্রায় পাগল হয়ে গেলাম।<br />
<br />
আমি: আম্মা একবার ঢুকাই..<br />
আম্মা: হায়রে... নে ঢুকা...<br />
<br />
বলেই বালিশে শুয়ে দুই পা দুই দিকে ফাঁক করে কাপড় সরিয়ে ভোদা আমার মুখে সামনে মেলে ধরলো। আমি দেখলাম ভোদায় একটাও বাল নাই, আর ভোঁদার মুখটা লাল হয়ে আছে।<br />
<br />
আম্মা: (একটু হেসে) তোর আব্বা বাল পছন্দ করেনা। উনি যাক আবার রাখবো।<br />
<br />
আমি আর কিছু না বলে, ভোদায় একটা চুমু দিয়ে আমার ধোনটা ভোঁদার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম। আম্মা দেখলাম ওয়াহ.. করে একটা শব্দ করলো আর বল্লো...<br />
<br />
আম্মা: তোর আব্বার টা তোর থেকে ছোট, তাই চেটে চুটে আর নানা কায়দায় আমারে করে, যাতে আমি মজা পাই।<br />
আমি: আমি আস্তে আস্তে ঠাপ দিতে দিতে বললাম... আচ্ছা।<br />
<br />
এরকম কয়েক বার করেছি। তো, মূল কথায় আসি....<br />
<br />
আব্বা যাবার কয়েক দিন পরে একদিন কলেজে থেকে এসে দেখি আমাদের বাসায় তালা। পাশের ফ্ল্যাটে নক করতেই ওই বাসার আণ্টি (তুর্যের আম্মু) বলে...<br />
<br />
অ্যান্টি: রনি, তোমার আম্মা সোমা কে নিয়ে একটু হাসপাতে গেছে। তোমার আম্মুর শরীর খারাপতো তাই। তোমাদের বাসার চাবি দিয়ে গেছে। তুমি বাসায় গিয়ে হাত পা ধুয়ে খাবার খেয়ে নাও। রান্না করা আছে। বলেই আণ্টি আমাকে চাবি দিলো।<br />
<br />
আমি একটু আড় চোখে আন্টির দুদের দিকে তাকিয়ে চাবি নিলাম। এই মহিলা কে চোদার আমার অনেক শখ। কিন্তু বাগে আসেনা। যাই হোক... বাসায় গিয়ে চিন্তা করলাম কি হয়েছে আম্মার। রাতে করতে দেয়নাই, আবার এখন হাসপাতালে গেছে, কি হইসে..? যাইহোক প্রায় বিকাল এর দিকে আম্মা এলো। এসেই দেখি আম্মার মুখ অনেক কালো, আর মন খারাপ। আমার বোন সোমা তখন ঘুমায়। আমি আম্মার কোলথেকে সোমা কে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেই, আর আম্মাকে বলি...<br />
<br />
আমি: আম্মা কি হইসে, আপনি হাসপাতালে গেছিলেন কেন? কি হইসে?<br />
আম্মা: আরে সোমার জ্বর, তাই গেসিলাম ডাক্তার এর কাছে। ডাক্তার বলেছে সাইরা যাইবো ২/৩ দিনে। তুই ভাত খাসনাই?<br />
আমি: না আম্মা ভাত খাইতে মন চাইতাছে না।<br />
আম্মা: কেন কি হইসে তোর...?<br />
আমি: এই একটু জ্বর জ্বর লাগতাসে<br />
আম্মা: (খুব চিন্তিত হয়ে) কি... কস তোর ও জ্বর? দেখি এই দিকে আয়... বলেই আমাকে কাছে টেনে কপালে হাত দিয়ে জ্বর দেখে...<br />
<br />
আম্মা: হায় হায়... তোর তো অনেক জ্বর, একটা নাপা খা সামান্য ভাত খেয়ে।<br />
আমি: না আম্মা, একটু ঘাম দিলে জ্বর সাইরা যাইবো।<br />
আম্মা: ঘাম দিলে মনে?<br />
আমি: আপনে চলেন বিছনায়, একবার করতে ইচ্ছা করতাছে, আর করলে ঘাম দিলে জ্বর সাইরা যাইবো।<br />
আম্মা: কি কস... আবোল তাবোল, এই মাগরিবের আজান দিব এখন, আর এখন কি করবি. তুই নাপা ট্যাবলেট আছে, ২ টা এক সথে খা।<br />
আমি: না, আপনে আসেন.... বলেই অম্মাকে দুই হাতের নিচে জাপটিয়ে ধরে আমার বুকের কাছে নিয়ে এসে ঠোঁটে চুমু খেতে লাগলাম। আমার দুই হাত আম্মার দুই পাছার উপর নিয়ে পাছা টিপতে লাগলাম। আম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
আম্মা: আরে কি করস... আমি এখন নামায পরমু। ছাড়..<br />
<br />
আমি কোনো কথা না শুনে আস্তে আস্তে করে আম্মাকে নিয়ে আম্মার রুমে আমার ছোট বোনের পাশে শুইয়ে দিলাম। আমার লুঙ্গি পড়া ছিলো, আম্মার শাড়ি। আম্মা শাড়ি দুই পা দিয়ে আস্তে আস্তে আমার ডান হাত দিয়ে উঠিয়ে কোমর পর্যন্ত আনলাম। আম্মার দুই পাড়ে গোড়ালি থেকে পশম একেবারে ভোদা পর্যন্ত। আর ভোঁদায় তো অনেক বাল। একদিন আগে দেখছি, ভোঁদার কিছু বাল সাদা, সাথে মাথার কিছু চুল ও সাদা হয়েছে। আমি আর কিছু না বলে আমার সাত ইঞ্চি লম্বা ধোনটা আমার ডান হাতে ধরে ভোঁদার চেরায় ধোনের মাথা লাগিয়ে উপর নিচে ধণ ঘষতে লাগলাম। আম্মা শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে, আর অবাক হয়ে আস্তে করে বলছে...<br />
<br />
আম্মা: দেখ... পোলারে কই কি আর সে করে কি....<br />
আমি দেখি ভোদা দিয়ে পানি বেরিয়ে ভোঁদার মুখে পিছলা হয়ে যাচ্ছে। আমি আর কিছু না বলেই আম্মার চোখে চোখ রেখে ভরে দিলাম পুরো সাত ইঞ্চি ধণ আম্মার ভোঁদার ভিতরে। আম্মা "আঃ... করে উঠলো। আমি শুরু করলাম ঠাপ। একেবারে ধণ ভোদা থেকে পুরো বের করে, সাথে সাথে আবার ভরে দিলাম পুরো টা ভোঁদার ভেতরে। আম্মা প্রতি ঠাপে আঃ উঃ... আহ্... এ্যাই... বাবা একটি সয়ে ... আহ্ করতে লাগলো। আমি কোনো কোথায় কান না দিয়ে রোবটের মতো ঠাপিয়ে যাচ্ছি। <br />
<br />
জ্বরের ঘোরে আমার আগুনের মত গরম ধণ আম্মার গরম ভোদা দিয়ে যখন ঢুকছে, আমার কি যে আরাম লাগছে টা বলে বোঝানো যাবে না। একবার জ্বর নিয়ে করে দেখো, খুব আরাম লাগে।<br />
<br />
কতক্ষন ধরে চুদছি খেয়াল নাই। হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার বিচি আম্মার পাছায় গিয়ে প্রতি ঠাপে থপাস থপাস থপাস করে শব্দ করছে। আমিও এই শব্দে একটু থামলাম। আমার কপাল থেকে ঘাম বের হচ্ছে। আম্মা আমার দুই কাঁধে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে আর চোদার মজা নিচ্ছে । হঠাৎ আমি ভোঁদার ভেতরে ধণ ভরে রেখে থামলাম।<br />
<br />
আম্মা: কি রে... বাবা কি হইসে...?<br />
আমি: না... অনেক শব্দ হইতাসে, তাই থামলাম।<br />
আম্মা: আচ্ছা... বলেই আমার কপাল এর ঘাম তার শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে দিলো, আর বললো...<br />
আম্মা: আয়... তুই নিচে আয়, বলেই আমাকে উঠতে ইশারা করলো। আমি উঠে থাট থেকে নামলাম। আম্মা এর পরে খাট থেকে নেমে দাড়াল। আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম, আমার ধণ একেবারে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি আম্মাকে বললাম...<br />
<br />
আমি: আম্মা সব কাপড় খুলে আসেন<br />
আম্মা: একটা হাসি দিয়ে... তোর কি জ্বর সাইরা হইতাসে?<br />
আমি: হু আম্মা, দেখেন আর জ্বর নাই, কেমন ঘামতাসি।<br />
আম্মা আর কিছু না বলে শাড়ি, ছায়া আর ব্লাউজ খুলে উঠে আসলো খাটে। আমার ধনের উপর বসে তার ডান হাত দিয়ে আমার ধোনটা ধরে আস্তে আস্তে করে তার ভোঁদার ভেতরে ভরে উঠবস করতে লাগলো। আমি এবার দুই দুদ দুই হাতে নিয়ে টিপতে টিপতে একটা দুদের বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। মিষ্টি গরম দুদ আসতে লাগলো আমার মুখে। আমার ধণ ঢুকছে গরম ভোদায় আর মুখে আসছে গরম মিষ্টি দুদ। আহ্.... সে কি অনুভূতি। বিশ্বাস করাতে পারবো না। আমি আর থাকতে পারলাম না। আম্মার কোমড় ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিয়ে আমার ধোনটা আম্মার ভোঁদার ভিতরে ঢুকিয়ে একেবারে মাল আউট করে দিলাম। আম্মা আস্তে করে আমার উপরে শুয়ে পড়ল। আমি নিস্তেজ হয়ে মুখথেকে দুদ সরিয়ে আরামে ঘুমিয়ে পড়লাম।<br />
<br />
কতক্ষন এভাবে ছিলাম মনে নাই। হঠাৎ আমাদের ফোন বেজে উঠলো। আম্মা তার ভোদা থেকে আমার ধোনটা বের করে তার ছায়া বিয়ে ভোঁদার মুখে আমার ধনের মাল বিছানায় না ফেলে ছায়া দিয়ে মুঝতে লাগলো। তাড়াতাড়ি আম্মাই এক হাতে রিসিভারটা তার কানে লাগলো আর একহাত দিয়ে ভোদা মুছতে লাগলেন।<br />
<br />
আম্মা: হ্যালো... জ্বি কে বলছেন...? কে খলিল...? ওয়ালাইকুম সালাম, কি রে কি খবর? (খলিল আমার ছোট মামা) কি... কে... আব্বার... কি .... (একটা ধমক দিয়ে) আরে হারামী খুইলা বল.... <br />
<br />
আম্মা কান্তে লাগলো, ভোদা মোছা বন্ধ করে দিলো। আমি দেকলাম, ভোদা দিয়ে এখনও সাদা সাদা আমার মাল বেরুচ্ছে। আম্মার কান্নায় আমার বোন এর ঘুম ভেঙে গেলো। আমি আম্মার হাত থেকে রিসিভার নিয়ে বললাম...<br />
<br />
আমি: মামা আমি রনি, কি হইসে (দেখি আম্মা নেংটা হয়েই বিছানায় পরে গিয়ে কান্না শুরু করছে... ও বাবা গো... তুমি চইলা গেল গো)<br />
মামা: রনি তোর আম্মারে বল, তোর নানার শরীর টা খারাপ, উনি মারা যায় নাই। তোর রাত্রেই রওনাদে।<br />
আমি: আচ্ছা মামা, বলেই রিসিভার নামিয়ে রাখলাম। আম্মার কান্নায় আমার বোন ও কান্না শুরু করলো। আমি দেখলাম আমি নেংটা, আম্মাও নেংটা। ওনার গুটি মেরে শুয়ে থাকাতে ভোদা দিয়ে মাল গড়িয়ে এবার বিছানায় পড়বো। আমি সাথে সাথে ঐ ছায়া নিয়ে ভোদা মুছতে লাগলাম। তাড়াতাড়ি আমার লুঙ্গি তুলে পড়লাম। বোনকে একলাফে কোলে নিয়ে নিলাম। আম্মা চিল্লাইয়া চিল্লাইয়া কান্না শুরু করলো। আমি বুঝলাম এবার পাসের বাসার আণ্টি রা সবাই এসে যাবে আম্মার কান্নায় শব্দে। আমি বোনকে আবার বিছানায় শুইয়ে দিয়ে, আম্মার ভোদা ভোলো করে মুছে, আলনা থেকে আম্মার একটা মেক্সি নিয়ে খুব কষ্ট আম্মার হাত গলিয়ে পড়িয়ে দিলাম। আম্মা বিলাপ করে বলতে লাগলো... <br />
<br />
আম্মা: রনিরে, তোর বাবা নাই রে বাবা, আমি শেষ।<br />
আমি: আম্মা না, মামা বলসে নানা শুধু অসুস্থ। আমরা রাত্রেই রওনা হব। আপনে কাইদেন না । আমরা কথা বলতে না বলতেই শুনলাম কলিং বেলের শব্দ। বুঝলাম পাশের বাসার আণ্টিরা এসে গেছে। আমি আমার বোনকে নিয়ে চললাম দরোজা খুলতে। হঠাৎ মনে পড়ল, রুমে এতক্ষণ ধরে চোদার পর এখন শুধু মালের গন্ধ। আন্টির ঠিক মালের গন্ধ টের পাবে। আর আম্মার ওই মালে ভেজা ছায়া এখনও পরে আছে বিছানায়। আমি সরে আসলাম আবার রুমে। দেখি আম্মা মেক্সি আলুথালু করে পড়া, দৌড়ে গিয়ে উনার মেক্সি ঠিক করলাম। আর ওনার শাড়ী, বাউজ ফ্লোর থেকে নিয়ে, বিছানায় থেকে মালে ভরা ছায়া টা একসাথে নিয়ে বাথরুমের বালতিতে পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম। ড্রেসিং টেবিলের উপর থেকে পোন্ডোস টেলকম পাউডার টা নিয়ে আম্মার বিছানায় ছিটিয়ে দিলাম। তার পরে এক হাত দিয়ে পাউডার ভালো করে বিছানার চাদর এ মিশিয়ে দিলাম। ওদিকে কলিং বেল বেজে যাচ্ছে। আমি এরপর একটু সরে এসে দেখি সব ঠিক, এবার দরজা খোলা যায়। আমি ফ্ল্যাটের মাইন দরজা গিয়ে খুললাম। দরজা খুলেই দেখি পাশের ৩/৪ জন অ্যান্টি আর তাদের কয়েকটা বাচ্চা নিয়ে দাড়িয়ে আছে। আমাকে সবাই জিজ্ঞাস করল.... কি হয়েছে...?<br />
<br />
আমি এবার খেয়াল করলাম, আমার বোন আমার কোলে, আর আমি শুধু লুঙ্গি পরা, কিন্তু খালি গায়ে। আমি বললাম "ছোট মামা ফোন দিসে, নানা বাড়ি থেকে আমাদের টি এন্ড টি ফোনে, নানার ভীষণ অসুখ। আম্মকে দেখতে চায়। এই শুনে আম্মার তো অবস্থা খারাপ। কাদতে কাদতে কাহিল। আমি কি করবো"<br />
<br />
আন্টিরা সবাই একসাথে চলে গেল রুমের দিকে। এদিকে আমি দেখলাম তুর্যের আম্মু আমাকে তার চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছে। উনি হঠাৎ ঘুরে এসে আমাকে বলল "রনি, দাও সোমাকে আন্টির কোলে দাও" বলেই আমার দুই দুদের উপর তার বা হাত নিয়ে গিয়ে আমার বোন কে কোলে নিয়ে নিলো, আর আমাকে বলল "যাও বাবা একটা কিছু গায়ে দাও" বলেই আমার বোনকে নিয়ে চলে গেল পাছা দুলিয়ে দুলিয়ে আম্মার বেডরুমের দিকে। আমি তো পরাই থ.....</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আম্মা আর খালাম্মা রান্না ঘরে কথা বলছে। আমি সেদিকে যেতেই, খালাম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
খালাম্মা: কিরে বাবা, ঘুম ভাংসে.. আয় নাস্তা খা। আপা রনি রে ডিম ভাইজা দেই। <br />
আম্মা: হও, তুই বয় আমি করতাসি। আব্বা যা মুখ দুই আয়, আম্মা ডিম ভাজি দেই। পোস করি...<br />
আমি: জি দেন। <br />
<br />
আমি এর পরে বাথ রুমে গিয়ে দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে নাস্তা করতে এলাম। আমাদের ডাইনিং টেবিল আছে। কিন্তু আমরা ফ্লোরেই মাদুর পেতে খাবার খাই। দেখলাম একটা প্লেটে ৪/৫ টা রুটি আর অন্য ২ টা প্লেটে চিকন করে ভাজা আলু ভাজি আর ২ টা ডিম হাফ পোস্ করা। আমি খেতে বসলাম। আম্মা পাশেই জাফরান দেয়া এক গ্লাস দুধ রাখলেন। দেখি খালাম্মার খাওয়া শেষ। উনি ডাইনিং টেবিলের একটা চেয়ারে বসে আছে, আর আম্মা একটা মোড়ায় বসে আছে। আম্মা একটা কালো পড়ে লাল সবুজের ছাপা শাড়ি পরে আছে, আর কালো ব্লাউস। খালাম্মা হলুদ কালো ছাপা শাড়ি আর হলুদ ব্লাউজ। মোড়ায় বসায় আম্মার হাঁটু অব্দি শাড়ি উঠে আছে। সাদা মোটা মোটা দুই পা দেখা যাচ্ছে। আম্মা আমাকে তার দিকে তাকাতেই বললো...<br />
<br />
আম্মা: কিরে আব্বা আর কিসু দিমু নি...?<br />
আমি: নাহ্।<br />
<br />
হঠাৎ খালাম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
খালাম্মা: আপা গতবছর আপনারা যে বাড়িতে গেছিলেন, কোন বসে গেছিলেন।<br />
আম্মা: আমরা... ঢাকা এক্সপ্রেস এ গেসিলাম, কেনরে রনি...?<br />
আমি: না.. জনতা এক্সপ্রেস এ। ঐযে জুয়েল আমার বন্ধু ওদের নতুন বাস নামাইসেনা, ওই টাতে।<br />
আম্মা: ওহ্ হ... আরে বিউটি জানোস না, রনির <br />
বন্ধুর আব্বা নতুন বাস কোম্পানি খলসে আমাদের বাড়ির দিকে। গতবার আমরা ওই বসেই গেসিলাম। জানোসনা... কি সমাদর করসে আমাগো।<br />
<br />
আমার মনে পড়ে গেলো সেই গত একবছর আগে নানা বাড়ি যাবার কথা। সম্ভবত অক্টোবর মাস। অনেক শীত ছিল। আব্বা তখন ২ মাসের ছুটি শেষ করে সৌদি চলে গেছে। আমি তখন কলেজে ভর্তি হব। আব্বা আসার সময় একটা প্যানাসনিক ভিসিডি সেট নিয়া আসছে। আর নানা মুভির ক্যাসেট। আব্বা থাকার সময় বেশি দেখতে পারিনাই। দুই মাসের প্রায় দেড় মাস ই আব্বা আম্মাকে নিয়ে ঘরের মধ্যে দরজা লাগিয়ে থাকতো। আমি আমার ছোট বোন কে নিয়ে থাকতাম। আম্মা দেখতাম সারা দিন চোদা খেতো। একদিন আব্বা বাজারে গেলে আমি আম্মাকে বলি...<br />
<br />
আমি: আম্মা... একবার করবো... (আমার ধণ এ হাত দিয়ে খেঁচতে খেঁচতে আম্মার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললাম) আম্মা খাটের উপরে বসে ছিল।<br />
<br />
আম্মা: নারে আব্বা... দেখ করতে করতে আমার ঐখানে ব্যথা হয়ে গেছে বাবা... তোর আব্বা দিনে ৬/৭ বার করে, আর চুষতে চুষতে ঐখানের ছল উইঠা গেছে। তুই এই দিকে আয়, আম্মা মুখ দিয়া চুইষা দেই।<br />
<br />
আমি: আচ্ছা... বলেই আম্মার সামনে খাটে উঠে আমার ধণ লুঙ্গি উঠিয়ে ধরলাম। আম্মা খুব যত্ন করে চুষে দিতে লাগলো আর বিচি গুলি একটা হাত দিয়ে আস্তে আস্তে আদর করতে লাগলো।<br />
আমি আস্তে আস্তে আম্মার মুখে ঠাপ দিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আম্মা বললো...<br />
<br />
আম্মা: বাবা দুদ খাবি...?<br />
আমি: জ্বি খামু<br />
<br />
আম্মা ব্লাউজ থেকে একটা দুদ বের করে দিলো। আমি কাছে এসে দুদের বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম আর মিষ্টি দুদ খেতে লাগলাম। আমি প্রায় পাগল হয়ে গেলাম।<br />
<br />
আমি: আম্মা একবার ঢুকাই..<br />
আম্মা: হায়রে... নে ঢুকা...<br />
<br />
বলেই বালিশে শুয়ে দুই পা দুই দিকে ফাঁক করে কাপড় সরিয়ে ভোদা আমার মুখে সামনে মেলে ধরলো। আমি দেখলাম ভোদায় একটাও বাল নাই, আর ভোঁদার মুখটা লাল হয়ে আছে।<br />
<br />
আম্মা: (একটু হেসে) তোর আব্বা বাল পছন্দ করেনা। উনি যাক আবার রাখবো।<br />
<br />
আমি আর কিছু না বলে, ভোদায় একটা চুমু দিয়ে আমার ধোনটা ভোঁদার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম। আম্মা দেখলাম ওয়াহ.. করে একটা শব্দ করলো আর বল্লো...<br />
<br />
আম্মা: তোর আব্বার টা তোর থেকে ছোট, তাই চেটে চুটে আর নানা কায়দায় আমারে করে, যাতে আমি মজা পাই।<br />
আমি: আমি আস্তে আস্তে ঠাপ দিতে দিতে বললাম... আচ্ছা।<br />
<br />
এরকম কয়েক বার করেছি। তো, মূল কথায় আসি....<br />
<br />
আব্বা যাবার কয়েক দিন পরে একদিন কলেজে থেকে এসে দেখি আমাদের বাসায় তালা। পাশের ফ্ল্যাটে নক করতেই ওই বাসার আণ্টি (তুর্যের আম্মু) বলে...<br />
<br />
অ্যান্টি: রনি, তোমার আম্মা সোমা কে নিয়ে একটু হাসপাতে গেছে। তোমার আম্মুর শরীর খারাপতো তাই। তোমাদের বাসার চাবি দিয়ে গেছে। তুমি বাসায় গিয়ে হাত পা ধুয়ে খাবার খেয়ে নাও। রান্না করা আছে। বলেই আণ্টি আমাকে চাবি দিলো।<br />
<br />
আমি একটু আড় চোখে আন্টির দুদের দিকে তাকিয়ে চাবি নিলাম। এই মহিলা কে চোদার আমার অনেক শখ। কিন্তু বাগে আসেনা। যাই হোক... বাসায় গিয়ে চিন্তা করলাম কি হয়েছে আম্মার। রাতে করতে দেয়নাই, আবার এখন হাসপাতালে গেছে, কি হইসে..? যাইহোক প্রায় বিকাল এর দিকে আম্মা এলো। এসেই দেখি আম্মার মুখ অনেক কালো, আর মন খারাপ। আমার বোন সোমা তখন ঘুমায়। আমি আম্মার কোলথেকে সোমা কে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেই, আর আম্মাকে বলি...<br />
<br />
আমি: আম্মা কি হইসে, আপনি হাসপাতালে গেছিলেন কেন? কি হইসে?<br />
আম্মা: আরে সোমার জ্বর, তাই গেসিলাম ডাক্তার এর কাছে। ডাক্তার বলেছে সাইরা যাইবো ২/৩ দিনে। তুই ভাত খাসনাই?<br />
আমি: না আম্মা ভাত খাইতে মন চাইতাছে না।<br />
আম্মা: কেন কি হইসে তোর...?<br />
আমি: এই একটু জ্বর জ্বর লাগতাসে<br />
আম্মা: (খুব চিন্তিত হয়ে) কি... কস তোর ও জ্বর? দেখি এই দিকে আয়... বলেই আমাকে কাছে টেনে কপালে হাত দিয়ে জ্বর দেখে...<br />
<br />
আম্মা: হায় হায়... তোর তো অনেক জ্বর, একটা নাপা খা সামান্য ভাত খেয়ে।<br />
আমি: না আম্মা, একটু ঘাম দিলে জ্বর সাইরা যাইবো।<br />
আম্মা: ঘাম দিলে মনে?<br />
আমি: আপনে চলেন বিছনায়, একবার করতে ইচ্ছা করতাছে, আর করলে ঘাম দিলে জ্বর সাইরা যাইবো।<br />
আম্মা: কি কস... আবোল তাবোল, এই মাগরিবের আজান দিব এখন, আর এখন কি করবি. তুই নাপা ট্যাবলেট আছে, ২ টা এক সথে খা।<br />
আমি: না, আপনে আসেন.... বলেই অম্মাকে দুই হাতের নিচে জাপটিয়ে ধরে আমার বুকের কাছে নিয়ে এসে ঠোঁটে চুমু খেতে লাগলাম। আমার দুই হাত আম্মার দুই পাছার উপর নিয়ে পাছা টিপতে লাগলাম। আম্মা বলে উঠলো...<br />
<br />
আম্মা: আরে কি করস... আমি এখন নামায পরমু। ছাড়..<br />
<br />
আমি কোনো কথা না শুনে আস্তে আস্তে করে আম্মাকে নিয়ে আম্মার রুমে আমার ছোট বোনের পাশে শুইয়ে দিলাম। আমার লুঙ্গি পড়া ছিলো, আম্মার শাড়ি। আম্মা শাড়ি দুই পা দিয়ে আস্তে আস্তে আমার ডান হাত দিয়ে উঠিয়ে কোমর পর্যন্ত আনলাম। আম্মার দুই পাড়ে গোড়ালি থেকে পশম একেবারে ভোদা পর্যন্ত। আর ভোঁদায় তো অনেক বাল। একদিন আগে দেখছি, ভোঁদার কিছু বাল সাদা, সাথে মাথার কিছু চুল ও সাদা হয়েছে। আমি আর কিছু না বলে আমার সাত ইঞ্চি লম্বা ধোনটা আমার ডান হাতে ধরে ভোঁদার চেরায় ধোনের মাথা লাগিয়ে উপর নিচে ধণ ঘষতে লাগলাম। আম্মা শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে, আর অবাক হয়ে আস্তে করে বলছে...<br />
<br />
আম্মা: দেখ... পোলারে কই কি আর সে করে কি....<br />
আমি দেখি ভোদা দিয়ে পানি বেরিয়ে ভোঁদার মুখে পিছলা হয়ে যাচ্ছে। আমি আর কিছু না বলেই আম্মার চোখে চোখ রেখে ভরে দিলাম পুরো সাত ইঞ্চি ধণ আম্মার ভোঁদার ভিতরে। আম্মা "আঃ... করে উঠলো। আমি শুরু করলাম ঠাপ। একেবারে ধণ ভোদা থেকে পুরো বের করে, সাথে সাথে আবার ভরে দিলাম পুরো টা ভোঁদার ভেতরে। আম্মা প্রতি ঠাপে আঃ উঃ... আহ্... এ্যাই... বাবা একটি সয়ে ... আহ্ করতে লাগলো। আমি কোনো কোথায় কান না দিয়ে রোবটের মতো ঠাপিয়ে যাচ্ছি। <br />
<br />
জ্বরের ঘোরে আমার আগুনের মত গরম ধণ আম্মার গরম ভোদা দিয়ে যখন ঢুকছে, আমার কি যে আরাম লাগছে টা বলে বোঝানো যাবে না। একবার জ্বর নিয়ে করে দেখো, খুব আরাম লাগে।<br />
<br />
কতক্ষন ধরে চুদছি খেয়াল নাই। হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার বিচি আম্মার পাছায় গিয়ে প্রতি ঠাপে থপাস থপাস থপাস করে শব্দ করছে। আমিও এই শব্দে একটু থামলাম। আমার কপাল থেকে ঘাম বের হচ্ছে। আম্মা আমার দুই কাঁধে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে আর চোদার মজা নিচ্ছে । হঠাৎ আমি ভোঁদার ভেতরে ধণ ভরে রেখে থামলাম।<br />
<br />
আম্মা: কি রে... বাবা কি হইসে...?<br />
আমি: না... অনেক শব্দ হইতাসে, তাই থামলাম।<br />
আম্মা: আচ্ছা... বলেই আমার কপাল এর ঘাম তার শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে দিলো, আর বললো...<br />
আম্মা: আয়... তুই নিচে আয়, বলেই আমাকে উঠতে ইশারা করলো। আমি উঠে থাট থেকে নামলাম। আম্মা এর পরে খাট থেকে নেমে দাড়াল। আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম, আমার ধণ একেবারে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি আম্মাকে বললাম...<br />
<br />
আমি: আম্মা সব কাপড় খুলে আসেন<br />
আম্মা: একটা হাসি দিয়ে... তোর কি জ্বর সাইরা হইতাসে?<br />
আমি: হু আম্মা, দেখেন আর জ্বর নাই, কেমন ঘামতাসি।<br />
আম্মা আর কিছু না বলে শাড়ি, ছায়া আর ব্লাউজ খুলে উঠে আসলো খাটে। আমার ধনের উপর বসে তার ডান হাত দিয়ে আমার ধোনটা ধরে আস্তে আস্তে করে তার ভোঁদার ভেতরে ভরে উঠবস করতে লাগলো। আমি এবার দুই দুদ দুই হাতে নিয়ে টিপতে টিপতে একটা দুদের বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। মিষ্টি গরম দুদ আসতে লাগলো আমার মুখে। আমার ধণ ঢুকছে গরম ভোদায় আর মুখে আসছে গরম মিষ্টি দুদ। আহ্.... সে কি অনুভূতি। বিশ্বাস করাতে পারবো না। আমি আর থাকতে পারলাম না। আম্মার কোমড় ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিয়ে আমার ধোনটা আম্মার ভোঁদার ভিতরে ঢুকিয়ে একেবারে মাল আউট করে দিলাম। আম্মা আস্তে করে আমার উপরে শুয়ে পড়ল। আমি নিস্তেজ হয়ে মুখথেকে দুদ সরিয়ে আরামে ঘুমিয়ে পড়লাম।<br />
<br />
কতক্ষন এভাবে ছিলাম মনে নাই। হঠাৎ আমাদের ফোন বেজে উঠলো। আম্মা তার ভোদা থেকে আমার ধোনটা বের করে তার ছায়া বিয়ে ভোঁদার মুখে আমার ধনের মাল বিছানায় না ফেলে ছায়া দিয়ে মুঝতে লাগলো। তাড়াতাড়ি আম্মাই এক হাতে রিসিভারটা তার কানে লাগলো আর একহাত দিয়ে ভোদা মুছতে লাগলেন।<br />
<br />
আম্মা: হ্যালো... জ্বি কে বলছেন...? কে খলিল...? ওয়ালাইকুম সালাম, কি রে কি খবর? (খলিল আমার ছোট মামা) কি... কে... আব্বার... কি .... (একটা ধমক দিয়ে) আরে হারামী খুইলা বল.... <br />
<br />
আম্মা কান্তে লাগলো, ভোদা মোছা বন্ধ করে দিলো। আমি দেকলাম, ভোদা দিয়ে এখনও সাদা সাদা আমার মাল বেরুচ্ছে। আম্মার কান্নায় আমার বোন এর ঘুম ভেঙে গেলো। আমি আম্মার হাত থেকে রিসিভার নিয়ে বললাম...<br />
<br />
আমি: মামা আমি রনি, কি হইসে (দেখি আম্মা নেংটা হয়েই বিছানায় পরে গিয়ে কান্না শুরু করছে... ও বাবা গো... তুমি চইলা গেল গো)<br />
মামা: রনি তোর আম্মারে বল, তোর নানার শরীর টা খারাপ, উনি মারা যায় নাই। তোর রাত্রেই রওনাদে।<br />
আমি: আচ্ছা মামা, বলেই রিসিভার নামিয়ে রাখলাম। আম্মার কান্নায় আমার বোন ও কান্না শুরু করলো। আমি দেখলাম আমি নেংটা, আম্মাও নেংটা। ওনার গুটি মেরে শুয়ে থাকাতে ভোদা দিয়ে মাল গড়িয়ে এবার বিছানায় পড়বো। আমি সাথে সাথে ঐ ছায়া নিয়ে ভোদা মুছতে লাগলাম। তাড়াতাড়ি আমার লুঙ্গি তুলে পড়লাম। বোনকে একলাফে কোলে নিয়ে নিলাম। আম্মা চিল্লাইয়া চিল্লাইয়া কান্না শুরু করলো। আমি বুঝলাম এবার পাসের বাসার আণ্টি রা সবাই এসে যাবে আম্মার কান্নায় শব্দে। আমি বোনকে আবার বিছানায় শুইয়ে দিয়ে, আম্মার ভোদা ভোলো করে মুছে, আলনা থেকে আম্মার একটা মেক্সি নিয়ে খুব কষ্ট আম্মার হাত গলিয়ে পড়িয়ে দিলাম। আম্মা বিলাপ করে বলতে লাগলো... <br />
<br />
আম্মা: রনিরে, তোর বাবা নাই রে বাবা, আমি শেষ।<br />
আমি: আম্মা না, মামা বলসে নানা শুধু অসুস্থ। আমরা রাত্রেই রওনা হব। আপনে কাইদেন না । আমরা কথা বলতে না বলতেই শুনলাম কলিং বেলের শব্দ। বুঝলাম পাশের বাসার আণ্টিরা এসে গেছে। আমি আমার বোনকে নিয়ে চললাম দরোজা খুলতে। হঠাৎ মনে পড়ল, রুমে এতক্ষণ ধরে চোদার পর এখন শুধু মালের গন্ধ। আন্টির ঠিক মালের গন্ধ টের পাবে। আর আম্মার ওই মালে ভেজা ছায়া এখনও পরে আছে বিছানায়। আমি সরে আসলাম আবার রুমে। দেখি আম্মা মেক্সি আলুথালু করে পড়া, দৌড়ে গিয়ে উনার মেক্সি ঠিক করলাম। আর ওনার শাড়ী, বাউজ ফ্লোর থেকে নিয়ে, বিছানায় থেকে মালে ভরা ছায়া টা একসাথে নিয়ে বাথরুমের বালতিতে পানিতে ভিজিয়ে রাখলাম। ড্রেসিং টেবিলের উপর থেকে পোন্ডোস টেলকম পাউডার টা নিয়ে আম্মার বিছানায় ছিটিয়ে দিলাম। তার পরে এক হাত দিয়ে পাউডার ভালো করে বিছানার চাদর এ মিশিয়ে দিলাম। ওদিকে কলিং বেল বেজে যাচ্ছে। আমি এরপর একটু সরে এসে দেখি সব ঠিক, এবার দরজা খোলা যায়। আমি ফ্ল্যাটের মাইন দরজা গিয়ে খুললাম। দরজা খুলেই দেখি পাশের ৩/৪ জন অ্যান্টি আর তাদের কয়েকটা বাচ্চা নিয়ে দাড়িয়ে আছে। আমাকে সবাই জিজ্ঞাস করল.... কি হয়েছে...?<br />
<br />
আমি এবার খেয়াল করলাম, আমার বোন আমার কোলে, আর আমি শুধু লুঙ্গি পরা, কিন্তু খালি গায়ে। আমি বললাম "ছোট মামা ফোন দিসে, নানা বাড়ি থেকে আমাদের টি এন্ড টি ফোনে, নানার ভীষণ অসুখ। আম্মকে দেখতে চায়। এই শুনে আম্মার তো অবস্থা খারাপ। কাদতে কাদতে কাহিল। আমি কি করবো"<br />
<br />
আন্টিরা সবাই একসাথে চলে গেল রুমের দিকে। এদিকে আমি দেখলাম তুর্যের আম্মু আমাকে তার চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছে। উনি হঠাৎ ঘুরে এসে আমাকে বলল "রনি, দাও সোমাকে আন্টির কোলে দাও" বলেই আমার দুই দুদের উপর তার বা হাত নিয়ে গিয়ে আমার বোন কে কোলে নিয়ে নিলো, আর আমাকে বলল "যাও বাবা একটা কিছু গায়ে দাও" বলেই আমার বোনকে নিয়ে চলে গেল পাছা দুলিয়ে দুলিয়ে আম্মার বেডরুমের দিকে। আমি তো পরাই থ.....</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মা আর ছারপোকা (By:Bokachele)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=86</link>
			<pubDate>Tue, 20 Oct 2026 09:09:07 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=2">Bad Boy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=86</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
১. ছারপোকা আসছে:<br />
<br />
কমলাপুর রেল স্টেশনের পাবলিক বেঞ্চে বসে আছি কতক্ষণ হলো তার হিসাব নেই, অথচ ট্রেনের আসার কোনো নামগন্ধ নেই। শালা জীবনটাই একটা যন্ত্রণা। আবাসিক কলেজে বিছানায় ছারপোকার কামড়ে যেমন বিশ্রী জ্বালা হয়, ঠিক তেমনই একটা খিটখিটে যন্ত্রণা হচ্ছে মনের ভিতর।<br />
<br />
আমি রানা। নাখালপাড়ার একটা আবাসিক কলেজের একাদশ কেলাসের ছাত্র। আমি পড়ালেখায় খুব ভালো—তাই এই আবাসিকে থাকি, এ কথা ভাবলে কিন্তু ভুল করবেন। আসল কথা হলো, আমার আব্বা ক্লাস টেনে উঠে বখে গিয়েছিলেন। তাই আর মেট্রিক দেওয়া হয় নাই। সেই জেদের ঠেলায় উনি আমাকে নবম কেলাসে ওঠার পরই জোর করে এই ঢাকার আবাসিকে এনে রেখে গেছেন।<br />
<br />
তবে আজকের ব্যাপারটা অন্যরকম। পকেটে হাত দিয়ে দেখি বাড়ি যাওয়ার পর্যাপ্ত টাকা ভালোভাবে আছে। সালটা ২০১০, আমার হাতে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো এক বন্ধু দিয়ে যাওয়া একটা নোকিয়া E5 মোবাইল। আব্বা কুয়েত থেকে টাকা আর এই মোবাইলটা পাঠিয়েছিলেন বাড়ি যাওয়ার জন্য। সামনেই কোরবানির ঈদের ছুটি, কলেজ একেবারে ১৫ দিনের বন্ধ। অনেক দিন পর এই বন্দিশালার কড়া নিয়ম আর রুটিনের চাপ থেকে মুক্তি পেয়ে সোজা খুলনার গ্রামের বাড়ির দিকে যাচ্ছি।<br />
<br />
কোরবানির ঈদের ছুটির কারণে ট্রেনের ভেতরটা ছিল একেবারে গাদাগাদি মানুষে ঠাসা। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ের অসহ্য ভ্যাপসা গরম, তার ওপর কামরার ভেতর ফ্যান ঘুরলেও বের হচ্ছিল আগুনের মতো বাতাস। গায়ের জামাকাপড় ঘামে ভিজে একদম চটচটে হয়ে শরীরের সাথে সেঁটে ছিল। পকেটে হাত দিয়ে নোকিয়া E5 সেটটা বের করলাম। এর কোয়ার্টি কিপ্যাডে আঙুল চালিয়ে বারবার সময় দেখছিলাম আর স্নেক গেম খেলে মন ভুলানোর চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত গরমে মাথার রগ ফুলে যেন বমি আসার মতো অবস্থা হচ্ছিল।<br />
<br />
ট্রেনটা যখন ঈশ্বরদী জংশনে এসে অন্তত মিনিট ১৫-এর মতো থামল, তখন আর সহ্য করতে না পেরে একটু ফ্রেশ বাতাসের আশায় নোকিয়া E5-টা পকেটে পুরে ট্রেন থেকে নিচে নেমে এলাম। প্ল্যাটফর্মে নেমেই দেখি এক লোক খাঁচাভর্তি ডাব নিয়ে বসে আছে। গলার ছাতি একদম কাঠ হয়ে আসছিল। পকেট থেকে টাকা বের করে একটা ডাব কাটতে বললাম। ডাবওয়ালা দা দিয়ে কোপ মেরে কচি ডাবের পানিশুদ্ধ হাতে দিতেই এক নিঃশ্বাসে তা গিলে খেলাম। পেটের ভেতর ঠাণ্ডা পানিটা পৌঁছাতেই যেন শরীরে প্রাণ ফিরে এলো।<br />
<br />
তারপর ট্রেনে উঠে বাকি বিচ্ছিরি জার্নিটা কোনোমতে সহ্য করে অবশেষে যখন খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছালাম, তখন ক্লান্তি যেন ভেঙে পড়ছিল। ট্রেন থেকে নেমে হুলস্থুল ভিড় ঠেলে স্টেশন চত্বরে এসে পৌঁছালাম। প্ল্যাটফর্মে এসে পকেট থেকে নোকিয়া E5 বের করে মায়ের নম্বরে কল করলাম।<br />
ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে মায়ের হাঁপ ধরা গলায় বলে উঠলেন, "ও রানারে! নেমে গেছিস বাপ? আমার তো চিন্তা হতে হতে বুক শুকিয়ে যাচ্ছিল! কতবার যে তোর আব্বারে কুয়েতে ফোন দিয়ে বলতিছিলাম, ছেলেটা রওনা হলো কি না খোঁজ নাও! রাস্তাঘাটে ভিড় কেমন? কিছু খাইছিস বাপ?"<br />
মায়ের সেই একঘেয়ে চিন্তার ঝুড়ি খুলে বসা কথাগুলো শুনে বুকের ভেতরটা ভারী হয়ে এলো। আমি রিকশায় বসেই হাসিমুখে বললাম, "সব ঠিক আছে মা, ঈশ্বরদীতে নেমে ডাব খেয়েছিলাম, পেট ভরা আছে। তুমি ভাবিও না, আর আধা ঘণ্টার মধ্যে আমি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি।"<br />
ওপাশ থেকে মায়ের তৃপ্তির একটা দীর্ঘশ্বাস শোনা গেল, "আচ্ছা বাপ, সাবধানে আয়। তোর জন্য তোর পছন্দের হাঁসের মাংসটা আর গরম ভাত রান্না কইরা রাখছি। আসার সময় রাস্তার মোড় থেকে মিষ্টি বা অন্য কিছু কেনা লাগবে না, সোজা বাড়ি চলে আয়।"<br />
<br />
ফোনটা কেটে নোকিয়া E5-টা পকেটে রেখে স্টেশন পার হয়ে সোজা চলে এলাম নিরালার মোড়ে। নিরালার সামনে বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত রিকশা দাঁড়িয়ে ছিল। এক চালকের সাথে দরদাম করে একটা রিকশায় ব্যাগটা তুলে উঠে বসলাম। রিকশাটা যখন নিরালার পিচঢালা পথ ছাড়িয়ে গ্রামের মেঠো রাস্তা আর খালের ধার ঘেঁষে এগোতে লাগল, তখন সাঁঝের খোলা বাতাস সরাসরি এসে গায়ে লাগল। দুপাশের সবুজ ধানক্ষেত আর মেঠো গন্ধ পেরিয়ে রিকশা আমাকে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পকেটে রাখা নোকিয়া E5-এ কিছু ছবি তুলে রাখলাম এই সুন্দর প্রকৃতির। কানে হেডফোন লাগিয়ে গুরুর "তেরো নদী - সাত সমুদ্দুর" গান ছেড়ে দিয়ে শান্ত হয়ে বসলাম। ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নি পেছনে ফেলে অবশেষে নিজের গ্রামে পৌঁছানোর আনন্দটা যে কী, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।<br />
<br />
আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাবা, মা, আমি, ভাই আর বোনসহ মোট ৫ জন। আমি সবার বড়—নাম রানা। আমার চেয়ে ছোট ভাই রাজু, সে এখন গ্রামে ক্লাস ফোর এ পড়ে, আর সবার ছোট বোন রুমা, তার বয়স মাত্র দুই বছর। আমার আব্বুরা চার ভাই ও চার বোন, সবাই বিবাহিত। তবে আমি ছোটবেলা থেকে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে আসছি আমরা সবাই যার যার মতো আলাদা, একদম একক পরিবার। দাদা-দাদি দুজনই অনেক আগে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আমার বাবা ছিলেন দাদার ৬ নম্বর সন্তান।<br />
<br />
আমরা একই ভিটায় থাকি বটে, তবে চার ভাইয়ের সংসার সম্পূর্ণ আলাদা। উঠানটা একটাই হলেও চাল-ডাল আর হাঁড়ি-পাতিল একদম ভিন্ন। বাড়িতে মোট চারটে আলাদা রান্নাঘর। তবে গ্রামের মানুষগুলো এখনও বেশ সহজ-সরল আর ধার্মিক, আধুনিকতার হাওয়া আমাদের চালচলনে খুব একটা লাগেনি। আমাদের দাদার আমলের মূল বাড়িটি বেড়া আর দোতলা বিশিষ্ট টিনের চাল দিয়ে তৈরি। সেই ভিটার জমিটাই চার ভাগ করে একেকজন দুটো করে ঘর নিয়ে থাকেন।<br />
<br />
বাড়ির একদম সামনের দিকে থাকেন বড় জেঠা, তাঁর পরেই মেঝো জেঠা, তারপর সেজো জেঠা, আর সবার শেষে গিয়ে আমাদের বসতি। আমাদের ঘর আর রান্নাঘরটা ঠিক বাড়ির একদম শেষ সীমানায়, প্রায় বাঁশঝাড় আর ঘন জঙ্গলঘেঁষা জায়গায়। পেছনে জঙ্গল বলে দিনের বেলাতেও ওদিকটায় বেশ ঠাণ্ডা একধরনের ছায়া পড়ে থাকে। তবে আব্বার দূরদর্শিতায় আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে আমাদের অংশের সুবিধা অনেক। ঘরের সাথেই রয়েছে নিজস্ব চাপকল আর পাকা বাথরুম, ফলে রাতের বেলা বা দরকারের সময় বাড়ির বাইরে অন্ধকার জঙ্গলের দিকে বা অন্যের ভিটায় যেতে হয় না।<br />
<br />
আজ আমাদের এই গুছানো রূপটা কিন্তু একদিনে হয়নি। একসময় আব্বার দেশে যা আয় ছিল, তা দিয়ে সংসারের খরচ আর আমাদের পড়ালেখা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়েই আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে আব্বা কুয়েতের পথ ধরেন। বাবা যখন প্রথম বিদেশে যান, তখন আমার বয়স মাত্র ১১ বছর আর ছোট ভাই রাজুর বয়স ছিল ৪ বছর। সেই থেকে আব্বা টানা পরবাস খাটছেন—প্রতি দুই বছর পর পর মাত্র দুই মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন।<br />
<br />
বিদেশে আব্বার যেমন হাড়ভাঙা খাটুনি, ঠিক তেমনই দেশে তিনটে সন্তানকে একা হাতে সামলানো আর সংসার গুছিয়ে রাখার পেছনে মায়ের পরিশ্রমটাও কম ছিল না। আব্বা প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে মা একাই সংসারের সব ঝড়ঝাপটা সামলেছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাঁস-মুরগি পোষা, রান্নাবান্না, ছোট দুটো ভাই-বোনকে সামলানো আর আমার পড়াশোনার দেখভাল—সব মা এক হাতেই করে গেছেন। আব্বা কুয়েত থেকে যে টাকা পাঠাতেন, মা তা তিল তিল করে জমিয়ে আর হিসাব করে খরচ করে সংসারের রূপটাই বদলে দিয়েছেন।<br />
আজ আমাদের ঘরে যেটুকু স্বাচ্ছন্দ্য দেখছেন, তার সবটুকুই আব্বার গায়ের ঘাম রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই নিঃশব্দ ত্যাগের ফসল। কুয়েত থেকে পাঠানো টাকা দিয়ে মা নিজ তদারকিতে ঘরটা শক্তপোক্ত করিয়েছেন, সাথেই চাপকল আর বাথরুম বসিয়েছেন। এমনকি আমাদের বাড়িতে এখন সরকারি বিদ্যুৎ সংযোগও আছে। গ্রামের দিকে হরহামেশাই লোডশেডিং হয় বলে আব্বা দেশে এসে চালের ওপর একটা সুন্দর সৌর বিদ্যুতের (সোলার প্যানেল) ব্যাটারিসহ সেটআপও বসিয়ে দিয়ে গেছেন, যা মা প্রতিদিন পরম যত্নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখেন। ফলে কারেন্ট চলে গেলেও আমাদের ঘরে এমার্জেন্সি লাইট আর ফ্যান ঠিকই চলে, অন্ধকার নেমে আসে না।<br />
<br />
আজ এত বছর পর, সেই কুয়েতের রোজগারে কেনা নোকিয়া E5 মোবাইলটা পকেটে নিয়ে যখন নিরালার মোড় থেকে রিকশায় চেপে বাঁশবাগান আর মেঠো পথ ধরে বাড়ির দিকে এগোচ্ছি, তখন মনে হচ্ছিল—আব্বার দূরদেশের রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই পরম মমতাময় সংসার সামলানোর ত্যাগের কারণেই আজ আমি এমন একটা নিবিড়, আলোকিত ও শান্তির নীড়ে ফিরে যেতে পারছি।<br />
<br />
রিকশা থেকে বাড়ির উঠানে পা রাখতেই চারপাশের চেনা ঘ্রাণ আর মেঠো হাওয়া যেন আমাকে জড়িয়ে ধরল। কুয়েতের টাকা আর মায়ের পরিশ্রমে গড়ে তোলা আমাদের সেই ছোট্ট গুছানো ঘরের দাওয়ায় পা দিতেই মা দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। এতদিন পর মায়ের সেই পরম মমতাময় পরশ পেয়ে বুকের ভেতরের সব ক্লান্তি আর ঢাকার কড়া নিয়মের যন্ত্রণা এক লহমায় উধাও হয়ে গেল।<br />
<br />
পায়ের শব্দ শুনে ঘর থেকে ছুটে এলো ছোট ভাই রাজু আর পিছু পিছু হেঁটে এলো দুই বছরের ছোট বোন রুমা। রাজু ক্লাস টু-তে পড়ে, আমার এই হঠাৎ বাড়ি ফেরায় তার আনন্দের যেন সীমা নেই! সে একগাল হেসে ব্যাগ ধরে টানাটানি শুরু করে দিল। আর ছোট বোন রুমা প্রথমে একটু লাজুক চোখে দূরে মায়ের শাড়ি ধরে দাঁড়িয়ে তোতলা মুখে চেয়ে রইল—যেন ঢাকা থেকে কোনো নতুন অচেনা মেহমান এসেছে!<br />
<br />
হাত-মুখ ধুয়ে রান্নাঘরের পাশে গিয়ে বসতেই মা প্লেটে গরম ভাত আর আমার প্রিয় হাঁসের মাংস বেড়ে দিলেন। কতদিন পর যে এমন পেট পুরে তৃপ্তি নিয়ে খেলাম, তা বলে বোঝানো যাবে না। খাওয়ার সময় পাশে বসে রাজু একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিল—ঢাকা শহর কেমন, আবাসিক কলেজে কী খেলা হয়, আর তার জন্য কী এনেছি! রাজুর কথা শুনে রুমাও মিষ্টি হেসে তোতলা মুখে কী যেন বলার চেষ্টা করছিল।<br />
<br />
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে মা বললেন, "বাপ, এবার জেঠা-জেঠীদের সালাম করে আয়। বাড়ি ফিরেছিস, দেখা দিয়ে আসা ভালো।"<br />
<br />
মায়ের কথা মতো উঠান পার হয়ে একে একে বড় জেঠা, মেঝো জেঠা আর সেজো জেঠার ঘরে গেলাম। বড় জেঠা মাথায় হাত রেখে দোয়া করে দিলেন, জেঠীরাও খোঁজখবর নিলেন—পড়াশোনা কেমন চলছে, ঢাকার কড়া নিয়মে কোনো কষ্ট হচ্ছে কি না। সবার ঘর ঘুরে, সালাম ঠুকে আর কিছুক্ষণ টুকটাক কথা বলে আবার আমাদের ঘরের দিকে ফিরে এলাম। ঘরে ঢুকে খাটে পা ছড়িয়ে বসতেই রাজু আর রুমা আবার এসে আমাকে ঘিরে ধরল। রুমা সব লজ্জা ভুলে আমার কোলজুড়ে এসে বসল আর রাজু খাটে পা তুলে বসে বায়না ধরল গল্প শোনার। <br />
<br />
এবারে বাগ থেকে ওদের জন্যে আমার বন্ধুর নিয়ে আসা সব কিছু এক এক করে খুলে দিলাম। রাজুর জন্যে কয়েকটা জমা, রুমার জন্যেও। আর কিছু সাবান শ্যাম্পু, লোশন। মা বললো " তোর আব্বা ৫০ হাজার টাকা পথাইসে। ২০ হাজার কোরবানির জন্যে, তোর বড় জেঠারে দিয়ে দিসি। সংসারের হবে ১৫ হাজার আর তোদের সবার জন্যে ৫ হাজার করে ঈদের বাজার করতে বলসে।" আমি বললাম "তাইলে আপনের জন্যে?" মা একটা হাসি দিয়া বললো "আরে কুরবানির ঈদে আমি আর কি কিনমু?" আমি "না তাইলে আমিও কিছু কিনুম না", মা আবার হাসি দিয়া বললো "আচ্ছা দেখা যাক।" <br />
<br />
সন্ধ্যা নেমে আসতে আমাদের টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের আলোটা পুরো ঘরকে বেশ সুন্দর উজ্জ্বল করে তুলল। পকেট থেকে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো সেই নোকিয়া E5 সেটটা বের করে নকিয়ার গেমটা চালু করতেই রাজু আর রুমা দুজনই মন্ত্রমুগ্ধের মতো ফোনের রঙিন ডিসপ্লের দিকে চেয়ে রইল।<br />
বাঁশঝাড়ের পাশ থেকে ঠান্ডা বাতাস ঘরে আসছে। আব্বার দূরদেশের কষ্ট আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই শান্ত নীড়ে ছোট ভাই-বোনের এমন নিষ্পাপ হাসি দেখে মনে হলো—ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নির সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে গেল।<br />
<br />
আমি বোনকে কোলে তুলে নিলাম। দু’বছরের রুমা ছোট্ট নরম দুটো হাত দিয়ে আমার গলাটা জড়িয়ে ধরে কাঁধে গালটা ঠেকাল। এতক্ষণ যে অচেনা ভাবটা ছিল, আমার বুকের ওমে এসে সেটা যেন এক নিমেষে গলে জল হয়ে গেল। ওর গা থেকে একটা মিষ্টি ছোট বাচ্চার ঘ্রাণ আসছিল।<br />
আমি খাটে বসে রুমাকে কোলে চেপে ধরে একহাতে পকেট থেকে নোকিয়া E5 ফোনটা বের করলাম। লাল-নীল কোয়ার্টি কিপ্যাডের আলো জ্বলতেই রাজু কাছে সরে এসে আমার উরুতে চড়ে বসল।<br />
<br />
"ভাইয়া, এই মোবাইলটা আব্বা পাঠাইছে না? এতে কি গেম আছে?"—রাজুর চোখে যেন কৌতূহলের ফোয়ারা ফুটল।<br />
আমি ফোনের মেনু খুলে স্নেক গেমটা চালু করে রাজুর হাতে দিলাম। ৯ বছরের রাজু একদম মনোযোগ দিয়ে বাটন টিপে সাপটাকে খাবার খাওয়াতে লাগল, আর কোলে বসা রুমা ছোট ছোট আঙুল বাড়িয়ে ফোনের স্ক্রিনটা ছুঁতে গিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল।<br />
<br />
বাইরে তখন বাঁশঝাড় বেয়ে সাঁঝের অন্ধকার নেমে এসেছে। কিন্তু আমাদের ঘরে টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের ডাবল টিউবলাইটটা জ্বলতেই চারপাশটা আলোয় ঝলমল করে উঠল। গ্রামের অন্য সব ঘরে কারেন্ট চলে গেলে যখন অন্ধকার বা কুপি বাতি জ্বলত, তখন আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো টাকায় বসানো এই সোলার প্যানেলটার বদৌলতে আমাদের ঘরটা এমন উজ্জ্বল হয়ে থাকত।<br />
<br />
মা রান্নাঘর থেকে কাজ শেষ করে ঘরে ঢুকে এই দৃশ্য দেখে মৃদু হেসে বললেন, "তিন ভাই-বোনের মেলবন্ধন তো ভালোই জমেছে! রানা, সারাদিনের ধকলে তুই ক্লান্ত, ভাই-বোনকে নিয়ে বেশি রাত করিস নে, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়িস।"<br />
ছোট দুটি ভাই-বোনের এই অনাবিল আনন্দ আর সোলারের আলোয় আলোকিত শান্ত ঘরটার দিকে তাকিয়ে আমার মনটা এক গভীর তৃপ্তিতে ভরে গেল। মনে হলো—ঢাকার বন্দিশালা, ট্রেনের সেই দুর্বিসহ ধকল আর সারা রাস্তার সব ক্লান্তি যেন এই দুটি নিষ্পাপ মুখ আর ঘরের উষ্ণ আলোয় হারিয়ে গেল।<br />
<br />
রাতে আমরা সবাই এক খাটেই ঘুমালাম। মা দেখি একটু পাশ ফিরে বোনকে বুকের দুধ দিতেসে। মার শরীরটা বেশ হইসে। আমার মনে পড়ে গেল আমার তখন অল্প বয়স, আব্বা কুয়েতে কোলে গেছে মাত্র। তখনও রাজু মার দুধ খায়। এক রাতে আমি বায়না ধরি আমিও দুধ খামু। মা হাসতে হাসতে মরে গেলো। কিন্তু আমি ছিলাম নাছোড়... কান্নাকাটি করতে লাগলাম।</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
১. ছারপোকা আসছে:<br />
<br />
কমলাপুর রেল স্টেশনের পাবলিক বেঞ্চে বসে আছি কতক্ষণ হলো তার হিসাব নেই, অথচ ট্রেনের আসার কোনো নামগন্ধ নেই। শালা জীবনটাই একটা যন্ত্রণা। আবাসিক কলেজে বিছানায় ছারপোকার কামড়ে যেমন বিশ্রী জ্বালা হয়, ঠিক তেমনই একটা খিটখিটে যন্ত্রণা হচ্ছে মনের ভিতর।<br />
<br />
আমি রানা। নাখালপাড়ার একটা আবাসিক কলেজের একাদশ কেলাসের ছাত্র। আমি পড়ালেখায় খুব ভালো—তাই এই আবাসিকে থাকি, এ কথা ভাবলে কিন্তু ভুল করবেন। আসল কথা হলো, আমার আব্বা ক্লাস টেনে উঠে বখে গিয়েছিলেন। তাই আর মেট্রিক দেওয়া হয় নাই। সেই জেদের ঠেলায় উনি আমাকে নবম কেলাসে ওঠার পরই জোর করে এই ঢাকার আবাসিকে এনে রেখে গেছেন।<br />
<br />
তবে আজকের ব্যাপারটা অন্যরকম। পকেটে হাত দিয়ে দেখি বাড়ি যাওয়ার পর্যাপ্ত টাকা ভালোভাবে আছে। সালটা ২০১০, আমার হাতে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো এক বন্ধু দিয়ে যাওয়া একটা নোকিয়া E5 মোবাইল। আব্বা কুয়েত থেকে টাকা আর এই মোবাইলটা পাঠিয়েছিলেন বাড়ি যাওয়ার জন্য। সামনেই কোরবানির ঈদের ছুটি, কলেজ একেবারে ১৫ দিনের বন্ধ। অনেক দিন পর এই বন্দিশালার কড়া নিয়ম আর রুটিনের চাপ থেকে মুক্তি পেয়ে সোজা খুলনার গ্রামের বাড়ির দিকে যাচ্ছি।<br />
<br />
কোরবানির ঈদের ছুটির কারণে ট্রেনের ভেতরটা ছিল একেবারে গাদাগাদি মানুষে ঠাসা। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ের অসহ্য ভ্যাপসা গরম, তার ওপর কামরার ভেতর ফ্যান ঘুরলেও বের হচ্ছিল আগুনের মতো বাতাস। গায়ের জামাকাপড় ঘামে ভিজে একদম চটচটে হয়ে শরীরের সাথে সেঁটে ছিল। পকেটে হাত দিয়ে নোকিয়া E5 সেটটা বের করলাম। এর কোয়ার্টি কিপ্যাডে আঙুল চালিয়ে বারবার সময় দেখছিলাম আর স্নেক গেম খেলে মন ভুলানোর চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত গরমে মাথার রগ ফুলে যেন বমি আসার মতো অবস্থা হচ্ছিল।<br />
<br />
ট্রেনটা যখন ঈশ্বরদী জংশনে এসে অন্তত মিনিট ১৫-এর মতো থামল, তখন আর সহ্য করতে না পেরে একটু ফ্রেশ বাতাসের আশায় নোকিয়া E5-টা পকেটে পুরে ট্রেন থেকে নিচে নেমে এলাম। প্ল্যাটফর্মে নেমেই দেখি এক লোক খাঁচাভর্তি ডাব নিয়ে বসে আছে। গলার ছাতি একদম কাঠ হয়ে আসছিল। পকেট থেকে টাকা বের করে একটা ডাব কাটতে বললাম। ডাবওয়ালা দা দিয়ে কোপ মেরে কচি ডাবের পানিশুদ্ধ হাতে দিতেই এক নিঃশ্বাসে তা গিলে খেলাম। পেটের ভেতর ঠাণ্ডা পানিটা পৌঁছাতেই যেন শরীরে প্রাণ ফিরে এলো।<br />
<br />
তারপর ট্রেনে উঠে বাকি বিচ্ছিরি জার্নিটা কোনোমতে সহ্য করে অবশেষে যখন খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছালাম, তখন ক্লান্তি যেন ভেঙে পড়ছিল। ট্রেন থেকে নেমে হুলস্থুল ভিড় ঠেলে স্টেশন চত্বরে এসে পৌঁছালাম। প্ল্যাটফর্মে এসে পকেট থেকে নোকিয়া E5 বের করে মায়ের নম্বরে কল করলাম।<br />
ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে মায়ের হাঁপ ধরা গলায় বলে উঠলেন, "ও রানারে! নেমে গেছিস বাপ? আমার তো চিন্তা হতে হতে বুক শুকিয়ে যাচ্ছিল! কতবার যে তোর আব্বারে কুয়েতে ফোন দিয়ে বলতিছিলাম, ছেলেটা রওনা হলো কি না খোঁজ নাও! রাস্তাঘাটে ভিড় কেমন? কিছু খাইছিস বাপ?"<br />
মায়ের সেই একঘেয়ে চিন্তার ঝুড়ি খুলে বসা কথাগুলো শুনে বুকের ভেতরটা ভারী হয়ে এলো। আমি রিকশায় বসেই হাসিমুখে বললাম, "সব ঠিক আছে মা, ঈশ্বরদীতে নেমে ডাব খেয়েছিলাম, পেট ভরা আছে। তুমি ভাবিও না, আর আধা ঘণ্টার মধ্যে আমি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি।"<br />
ওপাশ থেকে মায়ের তৃপ্তির একটা দীর্ঘশ্বাস শোনা গেল, "আচ্ছা বাপ, সাবধানে আয়। তোর জন্য তোর পছন্দের হাঁসের মাংসটা আর গরম ভাত রান্না কইরা রাখছি। আসার সময় রাস্তার মোড় থেকে মিষ্টি বা অন্য কিছু কেনা লাগবে না, সোজা বাড়ি চলে আয়।"<br />
<br />
ফোনটা কেটে নোকিয়া E5-টা পকেটে রেখে স্টেশন পার হয়ে সোজা চলে এলাম নিরালার মোড়ে। নিরালার সামনে বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত রিকশা দাঁড়িয়ে ছিল। এক চালকের সাথে দরদাম করে একটা রিকশায় ব্যাগটা তুলে উঠে বসলাম। রিকশাটা যখন নিরালার পিচঢালা পথ ছাড়িয়ে গ্রামের মেঠো রাস্তা আর খালের ধার ঘেঁষে এগোতে লাগল, তখন সাঁঝের খোলা বাতাস সরাসরি এসে গায়ে লাগল। দুপাশের সবুজ ধানক্ষেত আর মেঠো গন্ধ পেরিয়ে রিকশা আমাকে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পকেটে রাখা নোকিয়া E5-এ কিছু ছবি তুলে রাখলাম এই সুন্দর প্রকৃতির। কানে হেডফোন লাগিয়ে গুরুর "তেরো নদী - সাত সমুদ্দুর" গান ছেড়ে দিয়ে শান্ত হয়ে বসলাম। ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নি পেছনে ফেলে অবশেষে নিজের গ্রামে পৌঁছানোর আনন্দটা যে কী, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।<br />
<br />
আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাবা, মা, আমি, ভাই আর বোনসহ মোট ৫ জন। আমি সবার বড়—নাম রানা। আমার চেয়ে ছোট ভাই রাজু, সে এখন গ্রামে ক্লাস ফোর এ পড়ে, আর সবার ছোট বোন রুমা, তার বয়স মাত্র দুই বছর। আমার আব্বুরা চার ভাই ও চার বোন, সবাই বিবাহিত। তবে আমি ছোটবেলা থেকে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে আসছি আমরা সবাই যার যার মতো আলাদা, একদম একক পরিবার। দাদা-দাদি দুজনই অনেক আগে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আমার বাবা ছিলেন দাদার ৬ নম্বর সন্তান।<br />
<br />
আমরা একই ভিটায় থাকি বটে, তবে চার ভাইয়ের সংসার সম্পূর্ণ আলাদা। উঠানটা একটাই হলেও চাল-ডাল আর হাঁড়ি-পাতিল একদম ভিন্ন। বাড়িতে মোট চারটে আলাদা রান্নাঘর। তবে গ্রামের মানুষগুলো এখনও বেশ সহজ-সরল আর ধার্মিক, আধুনিকতার হাওয়া আমাদের চালচলনে খুব একটা লাগেনি। আমাদের দাদার আমলের মূল বাড়িটি বেড়া আর দোতলা বিশিষ্ট টিনের চাল দিয়ে তৈরি। সেই ভিটার জমিটাই চার ভাগ করে একেকজন দুটো করে ঘর নিয়ে থাকেন।<br />
<br />
বাড়ির একদম সামনের দিকে থাকেন বড় জেঠা, তাঁর পরেই মেঝো জেঠা, তারপর সেজো জেঠা, আর সবার শেষে গিয়ে আমাদের বসতি। আমাদের ঘর আর রান্নাঘরটা ঠিক বাড়ির একদম শেষ সীমানায়, প্রায় বাঁশঝাড় আর ঘন জঙ্গলঘেঁষা জায়গায়। পেছনে জঙ্গল বলে দিনের বেলাতেও ওদিকটায় বেশ ঠাণ্ডা একধরনের ছায়া পড়ে থাকে। তবে আব্বার দূরদর্শিতায় আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে আমাদের অংশের সুবিধা অনেক। ঘরের সাথেই রয়েছে নিজস্ব চাপকল আর পাকা বাথরুম, ফলে রাতের বেলা বা দরকারের সময় বাড়ির বাইরে অন্ধকার জঙ্গলের দিকে বা অন্যের ভিটায় যেতে হয় না।<br />
<br />
আজ আমাদের এই গুছানো রূপটা কিন্তু একদিনে হয়নি। একসময় আব্বার দেশে যা আয় ছিল, তা দিয়ে সংসারের খরচ আর আমাদের পড়ালেখা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়েই আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে আব্বা কুয়েতের পথ ধরেন। বাবা যখন প্রথম বিদেশে যান, তখন আমার বয়স মাত্র ১১ বছর আর ছোট ভাই রাজুর বয়স ছিল ৪ বছর। সেই থেকে আব্বা টানা পরবাস খাটছেন—প্রতি দুই বছর পর পর মাত্র দুই মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন।<br />
<br />
বিদেশে আব্বার যেমন হাড়ভাঙা খাটুনি, ঠিক তেমনই দেশে তিনটে সন্তানকে একা হাতে সামলানো আর সংসার গুছিয়ে রাখার পেছনে মায়ের পরিশ্রমটাও কম ছিল না। আব্বা প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে মা একাই সংসারের সব ঝড়ঝাপটা সামলেছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাঁস-মুরগি পোষা, রান্নাবান্না, ছোট দুটো ভাই-বোনকে সামলানো আর আমার পড়াশোনার দেখভাল—সব মা এক হাতেই করে গেছেন। আব্বা কুয়েত থেকে যে টাকা পাঠাতেন, মা তা তিল তিল করে জমিয়ে আর হিসাব করে খরচ করে সংসারের রূপটাই বদলে দিয়েছেন।<br />
আজ আমাদের ঘরে যেটুকু স্বাচ্ছন্দ্য দেখছেন, তার সবটুকুই আব্বার গায়ের ঘাম রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই নিঃশব্দ ত্যাগের ফসল। কুয়েত থেকে পাঠানো টাকা দিয়ে মা নিজ তদারকিতে ঘরটা শক্তপোক্ত করিয়েছেন, সাথেই চাপকল আর বাথরুম বসিয়েছেন। এমনকি আমাদের বাড়িতে এখন সরকারি বিদ্যুৎ সংযোগও আছে। গ্রামের দিকে হরহামেশাই লোডশেডিং হয় বলে আব্বা দেশে এসে চালের ওপর একটা সুন্দর সৌর বিদ্যুতের (সোলার প্যানেল) ব্যাটারিসহ সেটআপও বসিয়ে দিয়ে গেছেন, যা মা প্রতিদিন পরম যত্নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখেন। ফলে কারেন্ট চলে গেলেও আমাদের ঘরে এমার্জেন্সি লাইট আর ফ্যান ঠিকই চলে, অন্ধকার নেমে আসে না।<br />
<br />
আজ এত বছর পর, সেই কুয়েতের রোজগারে কেনা নোকিয়া E5 মোবাইলটা পকেটে নিয়ে যখন নিরালার মোড় থেকে রিকশায় চেপে বাঁশবাগান আর মেঠো পথ ধরে বাড়ির দিকে এগোচ্ছি, তখন মনে হচ্ছিল—আব্বার দূরদেশের রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই পরম মমতাময় সংসার সামলানোর ত্যাগের কারণেই আজ আমি এমন একটা নিবিড়, আলোকিত ও শান্তির নীড়ে ফিরে যেতে পারছি।<br />
<br />
রিকশা থেকে বাড়ির উঠানে পা রাখতেই চারপাশের চেনা ঘ্রাণ আর মেঠো হাওয়া যেন আমাকে জড়িয়ে ধরল। কুয়েতের টাকা আর মায়ের পরিশ্রমে গড়ে তোলা আমাদের সেই ছোট্ট গুছানো ঘরের দাওয়ায় পা দিতেই মা দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। এতদিন পর মায়ের সেই পরম মমতাময় পরশ পেয়ে বুকের ভেতরের সব ক্লান্তি আর ঢাকার কড়া নিয়মের যন্ত্রণা এক লহমায় উধাও হয়ে গেল।<br />
<br />
পায়ের শব্দ শুনে ঘর থেকে ছুটে এলো ছোট ভাই রাজু আর পিছু পিছু হেঁটে এলো দুই বছরের ছোট বোন রুমা। রাজু ক্লাস টু-তে পড়ে, আমার এই হঠাৎ বাড়ি ফেরায় তার আনন্দের যেন সীমা নেই! সে একগাল হেসে ব্যাগ ধরে টানাটানি শুরু করে দিল। আর ছোট বোন রুমা প্রথমে একটু লাজুক চোখে দূরে মায়ের শাড়ি ধরে দাঁড়িয়ে তোতলা মুখে চেয়ে রইল—যেন ঢাকা থেকে কোনো নতুন অচেনা মেহমান এসেছে!<br />
<br />
হাত-মুখ ধুয়ে রান্নাঘরের পাশে গিয়ে বসতেই মা প্লেটে গরম ভাত আর আমার প্রিয় হাঁসের মাংস বেড়ে দিলেন। কতদিন পর যে এমন পেট পুরে তৃপ্তি নিয়ে খেলাম, তা বলে বোঝানো যাবে না। খাওয়ার সময় পাশে বসে রাজু একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিল—ঢাকা শহর কেমন, আবাসিক কলেজে কী খেলা হয়, আর তার জন্য কী এনেছি! রাজুর কথা শুনে রুমাও মিষ্টি হেসে তোতলা মুখে কী যেন বলার চেষ্টা করছিল।<br />
<br />
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে মা বললেন, "বাপ, এবার জেঠা-জেঠীদের সালাম করে আয়। বাড়ি ফিরেছিস, দেখা দিয়ে আসা ভালো।"<br />
<br />
মায়ের কথা মতো উঠান পার হয়ে একে একে বড় জেঠা, মেঝো জেঠা আর সেজো জেঠার ঘরে গেলাম। বড় জেঠা মাথায় হাত রেখে দোয়া করে দিলেন, জেঠীরাও খোঁজখবর নিলেন—পড়াশোনা কেমন চলছে, ঢাকার কড়া নিয়মে কোনো কষ্ট হচ্ছে কি না। সবার ঘর ঘুরে, সালাম ঠুকে আর কিছুক্ষণ টুকটাক কথা বলে আবার আমাদের ঘরের দিকে ফিরে এলাম। ঘরে ঢুকে খাটে পা ছড়িয়ে বসতেই রাজু আর রুমা আবার এসে আমাকে ঘিরে ধরল। রুমা সব লজ্জা ভুলে আমার কোলজুড়ে এসে বসল আর রাজু খাটে পা তুলে বসে বায়না ধরল গল্প শোনার। <br />
<br />
এবারে বাগ থেকে ওদের জন্যে আমার বন্ধুর নিয়ে আসা সব কিছু এক এক করে খুলে দিলাম। রাজুর জন্যে কয়েকটা জমা, রুমার জন্যেও। আর কিছু সাবান শ্যাম্পু, লোশন। মা বললো " তোর আব্বা ৫০ হাজার টাকা পথাইসে। ২০ হাজার কোরবানির জন্যে, তোর বড় জেঠারে দিয়ে দিসি। সংসারের হবে ১৫ হাজার আর তোদের সবার জন্যে ৫ হাজার করে ঈদের বাজার করতে বলসে।" আমি বললাম "তাইলে আপনের জন্যে?" মা একটা হাসি দিয়া বললো "আরে কুরবানির ঈদে আমি আর কি কিনমু?" আমি "না তাইলে আমিও কিছু কিনুম না", মা আবার হাসি দিয়া বললো "আচ্ছা দেখা যাক।" <br />
<br />
সন্ধ্যা নেমে আসতে আমাদের টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের আলোটা পুরো ঘরকে বেশ সুন্দর উজ্জ্বল করে তুলল। পকেট থেকে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো সেই নোকিয়া E5 সেটটা বের করে নকিয়ার গেমটা চালু করতেই রাজু আর রুমা দুজনই মন্ত্রমুগ্ধের মতো ফোনের রঙিন ডিসপ্লের দিকে চেয়ে রইল।<br />
বাঁশঝাড়ের পাশ থেকে ঠান্ডা বাতাস ঘরে আসছে। আব্বার দূরদেশের কষ্ট আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই শান্ত নীড়ে ছোট ভাই-বোনের এমন নিষ্পাপ হাসি দেখে মনে হলো—ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নির সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে গেল।<br />
<br />
আমি বোনকে কোলে তুলে নিলাম। দু’বছরের রুমা ছোট্ট নরম দুটো হাত দিয়ে আমার গলাটা জড়িয়ে ধরে কাঁধে গালটা ঠেকাল। এতক্ষণ যে অচেনা ভাবটা ছিল, আমার বুকের ওমে এসে সেটা যেন এক নিমেষে গলে জল হয়ে গেল। ওর গা থেকে একটা মিষ্টি ছোট বাচ্চার ঘ্রাণ আসছিল।<br />
আমি খাটে বসে রুমাকে কোলে চেপে ধরে একহাতে পকেট থেকে নোকিয়া E5 ফোনটা বের করলাম। লাল-নীল কোয়ার্টি কিপ্যাডের আলো জ্বলতেই রাজু কাছে সরে এসে আমার উরুতে চড়ে বসল।<br />
<br />
"ভাইয়া, এই মোবাইলটা আব্বা পাঠাইছে না? এতে কি গেম আছে?"—রাজুর চোখে যেন কৌতূহলের ফোয়ারা ফুটল।<br />
আমি ফোনের মেনু খুলে স্নেক গেমটা চালু করে রাজুর হাতে দিলাম। ৯ বছরের রাজু একদম মনোযোগ দিয়ে বাটন টিপে সাপটাকে খাবার খাওয়াতে লাগল, আর কোলে বসা রুমা ছোট ছোট আঙুল বাড়িয়ে ফোনের স্ক্রিনটা ছুঁতে গিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল।<br />
<br />
বাইরে তখন বাঁশঝাড় বেয়ে সাঁঝের অন্ধকার নেমে এসেছে। কিন্তু আমাদের ঘরে টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের ডাবল টিউবলাইটটা জ্বলতেই চারপাশটা আলোয় ঝলমল করে উঠল। গ্রামের অন্য সব ঘরে কারেন্ট চলে গেলে যখন অন্ধকার বা কুপি বাতি জ্বলত, তখন আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো টাকায় বসানো এই সোলার প্যানেলটার বদৌলতে আমাদের ঘরটা এমন উজ্জ্বল হয়ে থাকত।<br />
<br />
মা রান্নাঘর থেকে কাজ শেষ করে ঘরে ঢুকে এই দৃশ্য দেখে মৃদু হেসে বললেন, "তিন ভাই-বোনের মেলবন্ধন তো ভালোই জমেছে! রানা, সারাদিনের ধকলে তুই ক্লান্ত, ভাই-বোনকে নিয়ে বেশি রাত করিস নে, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়িস।"<br />
ছোট দুটি ভাই-বোনের এই অনাবিল আনন্দ আর সোলারের আলোয় আলোকিত শান্ত ঘরটার দিকে তাকিয়ে আমার মনটা এক গভীর তৃপ্তিতে ভরে গেল। মনে হলো—ঢাকার বন্দিশালা, ট্রেনের সেই দুর্বিসহ ধকল আর সারা রাস্তার সব ক্লান্তি যেন এই দুটি নিষ্পাপ মুখ আর ঘরের উষ্ণ আলোয় হারিয়ে গেল।<br />
<br />
রাতে আমরা সবাই এক খাটেই ঘুমালাম। মা দেখি একটু পাশ ফিরে বোনকে বুকের দুধ দিতেসে। মার শরীরটা বেশ হইসে। আমার মনে পড়ে গেল আমার তখন অল্প বয়স, আব্বা কুয়েতে কোলে গেছে মাত্র। তখনও রাজু মার দুধ খায়। এক রাতে আমি বায়না ধরি আমিও দুধ খামু। মা হাসতে হাসতে মরে গেলো। কিন্তু আমি ছিলাম নাছোড়... কান্নাকাটি করতে লাগলাম।</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মা ও মেয়ের যৌনগাথা (By: Milf Fantasy)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=79</link>
			<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 08:43:26 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=79</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">ভেজা তোয়ালেটা বিছানায় ছুঁড়ে কোনরকমে এসে বিছানায় এলিয়ে পরলো বিদিশা। রবিবার সকাল সকাল উঠতে কারই বা ভালো লাগে। নেহাতই সকালবেলায় হিসি পেয়ে গেছিল তাই নাহলে কেই বা উঠত! হিসি করতে গিয়ে ভাবলো একবারে ফ্রেশ হয়েই আবার নাহও একবার শুয়ে পরবে। বর অফিসের কাজে মুম্বাই গেছে। ৭দিন পর ফিরবে। একা শুয়ে থাকা ছাড়া আর সেরকম কাজ নেই। মেয়ে উঠল নাহয় কিছু রান্না করা যাবে। বিদিশা, অর্থাৎ আমাদের গল্পের মূল নায়িকা - বিদিশা মুখার্জী, একজন গৃহবধূ। যদিও কোন এককালে সে ছিল একজন নার্স। তবে বর্তমানে তার এই ৩৬ বছরের জীবনে এখন সে একজন গৃহবধূ। তার পেছনেও আছে বহু কাহিনী। আমরা এক এক করে সেই কাহিনী গুলোই জানবো। <br />
<br />
অনেক হলো ভূমিকা, এবার শুরু করা যাক বিদিশার যৌন অভিযান। <br />
<br />
বিছানায় শুয়ে শুয়ে ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখছিল। ইনস্টাতে বিদিশার ফলোয়ার নেহাত কম না। কম করেও হাজার খানেক। আসলে যারা বিদিশাকে ফলো করে তারা খুব ভালোভাবেই জানে, বিদিশা নিজের শরীর কীভাবে দেখাতে ভালোবাসে। এই অভ্যেস বিদিশার এখনকার না, বিদিশা যখন সদ্য যৌবনে পদার্পণ করেছিল তখন থেকেই তার কেন জানিনা নিজের শরীর দেখাতে বেশ উত্তেজনা বোধ হতো। <br />
<br />
আসলে বিদিশা প্রথম থেকেই প্রচণ্ড রকমের কামুকি। পুরুষদের উত্তেজিত করে সে নিজেও চরম পুলক লাভ করে। আজকেও ইন্সটাতে মেসেজ বারে গিয়ে এক অচেনা আইডি থেকে একটা মেসেজ বিদিশার নজর কাড়ে। মেসেজে লেখা - "আপনার কোমরের খাঁজটাতে একটা কোমর বিছা কিন্তু আপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। আর দয়া করে আপনার নাভিটার গর্তে একটা রিং পড়ুন।" এর বেশি একটা শব্দও লেখা নেই।<br />
<br />
লেখাটা পড়েই বিদিশার নাভিটা যেন নিজে থেকেই সুড়সুড়ি লেগে গেল। এক হাতে ফোনটা ধরে নিজের ৩৬ সাইজের নিতম্বদ্বয়কে ওপর দিকে তুলে উল্টে গেল বিদিশা। ইনস্টাতে মন না বসায় সে গেল WhatsApp এ। সেখানে তাদের বন্ধুদের একটা গ্রুপ আছে। যদিও সেই গ্রুপে সাধারণ কথাবার্তা থেকে বেশি কার বর কার সাথে কেমন লাগায়, কেমনভাবে চোদে সেইসব আলোচনায় বেশি হয়। আর থাকে কিছু porn video। আজ কেন জানিনা বিদিশাও ওই অচেনা অতিথির মেসেজ দেখে horny হয়েই ছিল। সে আজ নিজের থেকেই একটা ভিডিও খুলে দেখতে শুরু করলো। <br />
<br />
ভিডিওটা একটা শ্বেতাঙ্গ মহিলাকে দুইজন আফ্রিকান nigro রামচোদা দিচ্ছে একসাথে। দুজনের বাঁড়া প্রায় ৮/৯"! মেয়েটা যেন একই সাথে ব্যাথা আর চরম সুখ পাচ্ছে। ভিডিওতে একজন আফ্রিকান নিজের বাঁড়া ওই মহিলাটার পোদ থেকে বের করে ওই মহিলাটার মুখে গুঁজে দিল। এটা বিদিশার wild fantasy এর মধ্যে একটা। সে কত আশা করেছিল তার বর তাকে এরকম করবে। কিন্তু না, সে গুড়ে বালি। তার বর তার পোদ তো মারে ঠিকই, কিন্তু পোদ থেকে বের করে মুখে কখনো দেয়নি। এটা একটা আফসোস। <br />
<br />
যদিও তার বরের কাছে সুখ সে প্রচণ্ড পায়। কিন্তু তাতেও তার সাধ মেটে না। তার যেন আরও চায়।<br />
কোন এক মনীষী বলে গেছেন না "যতই দাও, ততই চাই! পোষায় আর না!!" যদিও বিদিশার বর পার্থ বেশ বড়সড়ো বাঁড়ার অধিকারী। নয় নয় করে পার্থরটা মোটামুটি ৭" লম্বা আর ৪" ঘের হবে। যখন পার্থ বিদিশাকে বিছানার ওপর ফেলে বিদিশার গুদের ভেতর ঢোকায় তখন বিদিশার সুখে শীতকার দিয়ে ওঠে এখনো। পার্থর সাথে বিদিশার বিয়েটা সবেমাত্র ৩ বছর হয়েছে। যদিও প্রেমটা আরও আগে, বিদিশার তৃতীয় বিবাহের ডিভোর্স চলাকালীন পার্থর সাথে আলাপ। অর্থাৎ, বোঝাই গেল, পার্থ হলেন বিদিশার চতুর্থ পতি। আসলে বিদিশার বিবাহ ভাগ্য মোটেও সুপ্রসন্ন না। কোন না কোন কারণে তার বিয়ে ঠিকই ভাঙে। সেগুলোও জানতে পারব। পার্থ বিদিশার থেকে ৮ বছরের ছোট, অর্থাৎ তার বয়স ২৮! গল্পের বিভিন্ন পার্টে আমরা জানতেই পারব বিদিশার প্রথম বিবাহ থেকে চতুর্থ বিবাহ অবধি যাত্রা। <br />
<br />
অনেক হলো বিদিশার কথা বলা। এবার বলা যাক বিদিশার ব্যক্তিগত কিছু তথ্য। এই যেমন বিদিশার একটি মেয়ে আছে, নাম সোমাশ্রী চ্যাটার্জী, ডাকনাম পূজা। যদিও আমরা তাকে সোমা নামেই জানবো বেশি। ও বলাই তো হয়নি আমাদের বিদিশা যেমন কামুকি, সোমা ম্যাডাম তার থেকেও বেশি কামুকি মাত্র ১৬ বছর বয়সেই! এবার আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, বিদিশা মুখার্জী আর তার মেয়ে চ্যাটার্জী কেন! আসলে সোমা হল বিদিশার প্রথম বরের মেয়ে। তাই সোমা চ্যাটার্জী, আর বিদিশা এখন তার পিতৃদত্ত পদবী ব্যবহার করে তাই বিদিশা মুখার্জী। <br />
তো যা বলছিলাম, সোমা বিদিশার বয়সে গিয়ে বিদিশাকেও কামুকি হবার প্রতিযোগিতায় গুনেগুনে ৫ গোল দেবে সে কথা বলাই বাহুল্য। যদিও সে এখনো ঘুমাচ্ছে সারারাত ফেসবুক ইনষ্টাতে নষ্টামি করে। তার কথা পরে নাহয় জানা যাবে। <br />
 </div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">ভেজা তোয়ালেটা বিছানায় ছুঁড়ে কোনরকমে এসে বিছানায় এলিয়ে পরলো বিদিশা। রবিবার সকাল সকাল উঠতে কারই বা ভালো লাগে। নেহাতই সকালবেলায় হিসি পেয়ে গেছিল তাই নাহলে কেই বা উঠত! হিসি করতে গিয়ে ভাবলো একবারে ফ্রেশ হয়েই আবার নাহও একবার শুয়ে পরবে। বর অফিসের কাজে মুম্বাই গেছে। ৭দিন পর ফিরবে। একা শুয়ে থাকা ছাড়া আর সেরকম কাজ নেই। মেয়ে উঠল নাহয় কিছু রান্না করা যাবে। বিদিশা, অর্থাৎ আমাদের গল্পের মূল নায়িকা - বিদিশা মুখার্জী, একজন গৃহবধূ। যদিও কোন এককালে সে ছিল একজন নার্স। তবে বর্তমানে তার এই ৩৬ বছরের জীবনে এখন সে একজন গৃহবধূ। তার পেছনেও আছে বহু কাহিনী। আমরা এক এক করে সেই কাহিনী গুলোই জানবো। <br />
<br />
অনেক হলো ভূমিকা, এবার শুরু করা যাক বিদিশার যৌন অভিযান। <br />
<br />
বিছানায় শুয়ে শুয়ে ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখছিল। ইনস্টাতে বিদিশার ফলোয়ার নেহাত কম না। কম করেও হাজার খানেক। আসলে যারা বিদিশাকে ফলো করে তারা খুব ভালোভাবেই জানে, বিদিশা নিজের শরীর কীভাবে দেখাতে ভালোবাসে। এই অভ্যেস বিদিশার এখনকার না, বিদিশা যখন সদ্য যৌবনে পদার্পণ করেছিল তখন থেকেই তার কেন জানিনা নিজের শরীর দেখাতে বেশ উত্তেজনা বোধ হতো। <br />
<br />
আসলে বিদিশা প্রথম থেকেই প্রচণ্ড রকমের কামুকি। পুরুষদের উত্তেজিত করে সে নিজেও চরম পুলক লাভ করে। আজকেও ইন্সটাতে মেসেজ বারে গিয়ে এক অচেনা আইডি থেকে একটা মেসেজ বিদিশার নজর কাড়ে। মেসেজে লেখা - "আপনার কোমরের খাঁজটাতে একটা কোমর বিছা কিন্তু আপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। আর দয়া করে আপনার নাভিটার গর্তে একটা রিং পড়ুন।" এর বেশি একটা শব্দও লেখা নেই।<br />
<br />
লেখাটা পড়েই বিদিশার নাভিটা যেন নিজে থেকেই সুড়সুড়ি লেগে গেল। এক হাতে ফোনটা ধরে নিজের ৩৬ সাইজের নিতম্বদ্বয়কে ওপর দিকে তুলে উল্টে গেল বিদিশা। ইনস্টাতে মন না বসায় সে গেল WhatsApp এ। সেখানে তাদের বন্ধুদের একটা গ্রুপ আছে। যদিও সেই গ্রুপে সাধারণ কথাবার্তা থেকে বেশি কার বর কার সাথে কেমন লাগায়, কেমনভাবে চোদে সেইসব আলোচনায় বেশি হয়। আর থাকে কিছু porn video। আজ কেন জানিনা বিদিশাও ওই অচেনা অতিথির মেসেজ দেখে horny হয়েই ছিল। সে আজ নিজের থেকেই একটা ভিডিও খুলে দেখতে শুরু করলো। <br />
<br />
ভিডিওটা একটা শ্বেতাঙ্গ মহিলাকে দুইজন আফ্রিকান nigro রামচোদা দিচ্ছে একসাথে। দুজনের বাঁড়া প্রায় ৮/৯"! মেয়েটা যেন একই সাথে ব্যাথা আর চরম সুখ পাচ্ছে। ভিডিওতে একজন আফ্রিকান নিজের বাঁড়া ওই মহিলাটার পোদ থেকে বের করে ওই মহিলাটার মুখে গুঁজে দিল। এটা বিদিশার wild fantasy এর মধ্যে একটা। সে কত আশা করেছিল তার বর তাকে এরকম করবে। কিন্তু না, সে গুড়ে বালি। তার বর তার পোদ তো মারে ঠিকই, কিন্তু পোদ থেকে বের করে মুখে কখনো দেয়নি। এটা একটা আফসোস। <br />
<br />
যদিও তার বরের কাছে সুখ সে প্রচণ্ড পায়। কিন্তু তাতেও তার সাধ মেটে না। তার যেন আরও চায়।<br />
কোন এক মনীষী বলে গেছেন না "যতই দাও, ততই চাই! পোষায় আর না!!" যদিও বিদিশার বর পার্থ বেশ বড়সড়ো বাঁড়ার অধিকারী। নয় নয় করে পার্থরটা মোটামুটি ৭" লম্বা আর ৪" ঘের হবে। যখন পার্থ বিদিশাকে বিছানার ওপর ফেলে বিদিশার গুদের ভেতর ঢোকায় তখন বিদিশার সুখে শীতকার দিয়ে ওঠে এখনো। পার্থর সাথে বিদিশার বিয়েটা সবেমাত্র ৩ বছর হয়েছে। যদিও প্রেমটা আরও আগে, বিদিশার তৃতীয় বিবাহের ডিভোর্স চলাকালীন পার্থর সাথে আলাপ। অর্থাৎ, বোঝাই গেল, পার্থ হলেন বিদিশার চতুর্থ পতি। আসলে বিদিশার বিবাহ ভাগ্য মোটেও সুপ্রসন্ন না। কোন না কোন কারণে তার বিয়ে ঠিকই ভাঙে। সেগুলোও জানতে পারব। পার্থ বিদিশার থেকে ৮ বছরের ছোট, অর্থাৎ তার বয়স ২৮! গল্পের বিভিন্ন পার্টে আমরা জানতেই পারব বিদিশার প্রথম বিবাহ থেকে চতুর্থ বিবাহ অবধি যাত্রা। <br />
<br />
অনেক হলো বিদিশার কথা বলা। এবার বলা যাক বিদিশার ব্যক্তিগত কিছু তথ্য। এই যেমন বিদিশার একটি মেয়ে আছে, নাম সোমাশ্রী চ্যাটার্জী, ডাকনাম পূজা। যদিও আমরা তাকে সোমা নামেই জানবো বেশি। ও বলাই তো হয়নি আমাদের বিদিশা যেমন কামুকি, সোমা ম্যাডাম তার থেকেও বেশি কামুকি মাত্র ১৬ বছর বয়সেই! এবার আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, বিদিশা মুখার্জী আর তার মেয়ে চ্যাটার্জী কেন! আসলে সোমা হল বিদিশার প্রথম বরের মেয়ে। তাই সোমা চ্যাটার্জী, আর বিদিশা এখন তার পিতৃদত্ত পদবী ব্যবহার করে তাই বিদিশা মুখার্জী। <br />
তো যা বলছিলাম, সোমা বিদিশার বয়সে গিয়ে বিদিশাকেও কামুকি হবার প্রতিযোগিতায় গুনেগুনে ৫ গোল দেবে সে কথা বলাই বাহুল্য। যদিও সে এখনো ঘুমাচ্ছে সারারাত ফেসবুক ইনষ্টাতে নষ্টামি করে। তার কথা পরে নাহয় জানা যাবে। <br />
 </div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নির্ভরতার ফাঁদ (By:Roktim suvro(]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=78</link>
			<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 09:05:47 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=78</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff851b;" class="mycode_color">গল্প:নির্ভরতার ফাঁদ</span></span></span></span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff851b;" class="mycode_color">By:Roktim suvro<br />
</span></span></span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হয়েছিল নারায়ণগঞ্জে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হওয়ার আগেই মাহবুব তিন্নিকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেল। গাড়িতে তিন্নি প্রায় পুরোটা সময় চুপচাপ বসেছিল। জানালার বাইরে তাকিয়েছিল, কিন্তু কিছুই দেখেনি। মাহবুব মাঝে মাঝে কথা বলার চেষ্টা করছিলো , কিন্তু তিন্নি শুধু মাথা নেড়ে গেছে আর এক-আধটা কথায় জবাব দিয়েছে।<br />
রাত প্রায় ৯টার দিকে মাহবুবের গাড়ি তার ঢাকা নিকুঞ্জের ফ্ল্যাটের সামনে পৌঁছাল। চার বেডের ফ্ল্যাট। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, নতুন করে সাজানো। বসার ঘরে হালকা আলো জ্বলছিল। শোবার ঘরের দরজা খোলা। পুরো ঘর আগে থেকেই ফুল দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।<br />
ফুলের সুবাশে ভরে গেছে পুরো ঘর। তিন্নিকে নিয়ে বাসর ঘরে বসানো হল।  ফুলের সুবাশ, হাল্কা আলো আর এয়ার কন্ডিশনের ঠান্ডা বাতাস ঘরকে আরামদায়ক করে তুলেছে।  তিন্নিকে বিছানার মাঝে নিয়ে বসালো হল। মাথা নিচু করে রাখল। মাথায় ঘোমটা টানা। মনে তীব্র ভয় নিয়ে দুরু দুরু বুকে স্বামীর অপেক্ষা করতে থকলো।<br />
<br />
মাহবুব পরিবার সদস্য আর বাকি আত্মীয়দের সাথে কথা বলছিল। তাদের বিদায় করে পা বাড়ালো বাসর ঘরের দিকে।<br />
ঘরে ঢুকে এক মুহুর্ত থমকে দাড়াল মাহবুব । সাদা চাদরের বিছানার উপর  লাল টুকটুকে শাড়িতে পুরো ঘরকে আলোকিত করে বসে আছে সে কে? নিজেকেই প্রশ্ন করলো মাহবুব, আমর কলমা পড়া বিয়ে করা বউ  উত্তরটাও নিজেই নিজের মনকে দিলো সে ।  মাহবুব তিন্নির পাশে গিয়ে বসলো। দুজনই চুপচাপ, মাহবুব কিভাবে শুরু করবে ভাবছে, তিন্নি আড়ষ্ট ভাবে বসে আছে। হাত বাড়িয়ে নতুন বউয়ে ঘুমটা তুলে দিলো মাহবুব।  <br />
"মাশাল্লাহ " বউয়ের সুশ্রী মুখমণ্ডল দেখে বলে উঠলো মাহবুব। অপুর্ব সুন্দর লাগছে তোমাকে।<br />
 জোর করে একটু হাসলো তিন্নি। মনে অস্বস্তি রয়ে গেলো।<br />
তোমার কি ক্ষুদা লেগেছে? জিজ্ঞেস করলো মাহবুব। মাথা নারলো নতুন বউ তিন্নি। মাহবুব হেসে বললো সেই কখোন খেয়েছো ক্ষুদা লাগে নি? আমার তো খুব খিদা পাচ্ছে। ভাতের ক্ষুধা বলে হাসলো মাহবুব। তিন্নির নারী মন ঠিকই বুঝতে পারলো তার স্বামী কি বুঝতে চাইছে। এখন ভাতের ক্ষুধা মেটাবে তারপর....। আর ভাবতে পারছে না সে। মেরুদন্ড দিয়ে এক ঠান্ডা শিহরণ বয়ে গেলো তার। মাহবুব খাবার আনতে চলে গেলো। মা শর্মিলী আক্তার, বাবা আনিসুর রহমান আর বড় ভাই খালেদ সবাই এক সাথে কথা বলছিলেন। বাবা মা বড় ভাইয়ের বাসায় থাকেন বেশির ভাগ। সেখানে নাতনি ফাইজাকে নিয়ে দিন কেটে যায় বেশ তাদের । মাকে ডেকে কিছু খাবার দিতে বলল মাহবুব। তার নিজেরও ক্ষুধা লেগেছে ভালোই। খাবার নিয়ে আবার বাসর ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো। খাবারের প্লেট একটি,  একটি বলে ভাত আর দুইটি বাটিতে মাংস আর সবজি। <br />
প্লেট তো একটি,  মানুষ আমরা দুজন, যে কোন এক জনকে তো খাইয়ে দিতে হবে। তুমি আমার হাতে খাবে না আমকে খাইয়ে দিবে, ভুরু নাচিয়ে জিজ্ঞেস করলো মাহবুব। <br />
 তিন্নি অস্বস্তিতে পরলো। সে নিজের হাতে অপরিচিত লোক কে খাওয়াতে পারবে না আবার তার হাতে খেতেও ইচ্ছা করছে না। <br />
আমার এখন খেতে ইচ্ছে করছে না। প্লিজ আপনি খেয়ে নেন। <br />
তা কিভাবে হয় একটু তো খেতে হবেই, নাহলে শরীর খারাপ করবে যে।<br />
বলেই ভাত মাখিয়ে তিন্নির মুখের সামনে ধরলো মাহবুব। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভাতের নলা মুখে নিয়ে খেতে শুরু করলো তিন্নি। তিন্নি খুব বেশি খেলো না বেশির ভাগ মাহবুব কেই খেতে হলো। খাওয়া শেষে মাহবুব পাঞ্জাবির বোতাম খুলে আলমারির ওপর রাখল। তারপর তিন্নির পাশে এসে বসল। একটু ফাঁক রেখে।<br />
কিছুক্ষণ কেউ কথা বলল না। বাইরে থেকে হালকা গাড়ির শব্দ ভেসে আসছিল। ফ্ল্যাটের ভেতরটা নিস্তব্ধ।<br />
মাহবুব আস্তে করে বলল, “তোমার কি ক্লান্ত লাগছে?”<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল। “একটু।”<br />
“আজকের দিনে তোমার উপর অনেক ধকল গেছে ক্লান্ত  লাগা খুব স্বাভাবিক।” মাহবুব থামল একটু। <br />
“আমি কাপড় পাল্টে আসি,” জিজ্ঞেস করে তিন্নি।<br />
“এখনি? আরেকটু দেখি তোমাকে। অনেক সুন্দর লাগছে তোমায়।" আবদার করলো মাহবুব।<br />
তিন্নি কিছুটা হতাশ হলো। সে ভেছিলো মাহবুব যেহেতু তার খেয়াল রাখছে তার কথা সে অবশ্যই মেনে নেবে।<br />
মাহবুব তিন্নির আরো কাছে সরে এলো। <br />
মাহবুব তিন্নির চোখে চোখ রেখে বললো “আজ রাতটা… আমাদের দুজনের।”<br />
তিন্নি আবার মাথা নিচু করে নিল। মাহবুব তার দিকে হাত বাড়াল। তিন্নির হাতটা ধরল আলতো করে। তিন্নি হাত সরাতে চাইল, কিন্তু সরাল না। মাহবুবের হাত গরম ছিল।<br />
“একটু কাছে আসবে?” মাহবুব বলল।<br />
তিন্নি নড়ল না। মাহবুব নিজেই সরে এসে তার কাঁধে হাত রাখল। তিন্নির শরীর কেঁপে উঠল। মাহবুব সেই কাঁধে আলতো চাপ দিল।<br />
“তুমি না চাইলে আমি কিছু করব না,” সে ফিসফিস করল। “শুধু… তোমাকে একটু ছুঁতে দাও।”<br />
সে তার মুখ তিন্নির দিকে নামাল। প্রথমে কপালে চুমু খেল। আস্তে। তারপর গালে। তিন্নি চোখ বন্ধ করে রাখল। মাহবুবের ঠোঁট তার গালের ওপর দিয়ে আস্তে আস্তে সরছিল। গলার কাছে এসে থামল। তিন্নির গলায় লকেট ঝুলছিল। মাহবুব লকেটটা সরিয়ে সেখানে চুমু খেল। তিন্নি কি করবে বুঝতে পারছে না। তবে সামনে কি হতে চলছে তা ঠিকই আন্দাজ করতে পারছে।<br />
মাহবুবের মনে হচ্ছিল তার বুকের ভেতরটা কেমন আগুন জ্বলে উঠেছে। তিন্নির গায়ের গন্ধ—হালকা পার্ফিওম আর ঘামের মিশেল—তার নাকে লাগছিল। শাড়ির উপর দিয়েই তার শরীরের উষ্ণতা সে অনুভব করতে পারছিল। তার বাকানো কোমরের ঠেউ মাহবুব কে পাগল করে দিচ্ছিলো। সে জানত এই ২১বছরের সুন্দরী ললনা তাকে চায় না। এর কারণ যে তাদের মধ্যেকার ১১ বছরের পার্থক্য নয় সেটাও জানতো। কারণটা মাহবুবের অজানা নয়। কারণ  টি হচ্ছে মেয়েটা অন্য আরেকজনের কথা ভাবছে, যা মাহবুব জানে কিন্তু এই রহস্য যে তার সামনে প্রকাশিত হয়েছে বিয়ের অনেক আগেই তিন্নি তা জানে না।  তবু তিন্নির শরীর দেখে তার নিজের শরীর সাড়া দিচ্ছিল। পুরুষাঙ্গটা পায়জামার ভেতর আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে উঠছিল।<br />
সে তিন্নির থুতনিতে আঙুল দিয়ে মুখটা তুলল। তিন্নি চোখ খুলল না। মাহবুব কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো। কি অপরুপ সুন্দর মুখখানি। তারপর আস্তে করে তার ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে হালকা। তিন্নি ঠোঁট বন্ধ করে রাখল। মাহবুব জিভ দিয়ে তার ঠোঁট আলতো করে চাপ দিল। তিন্নি একটু সরে গেল, কিন্তু মাহবুব তার মাথা আলতো করে ধরে রাখল। দ্বিতীয়বার চুমুখাতে গিয়ে তিন্নির ঠোঁট একটু ফাঁক হল। মাহবুব সেই ফাঁক দিয়ে জিভ ঢোকাল। তিন্নি একটা ছোটখাটো শব্দ করল—প্রতিবাদের মতো। কিন্তু মাহবুবকে ঠেলে সরাল না।<br />
চুমু ভাঙার পর মাহবুব তার কানে মুখ নিয়ে বলল, “তোমার ঠোঁট নরম… খুব নরম।”<br />
তিন্নি কিছু বলল না। তার গাল লাল হয়ে গিয়েছিল।<br />
মাহবুব এবার তার পিঠের দিকে হাত বাড়াল। কাধে হাত বুলাতে শুরু করলো। কাধ ধেকে পিঠে চলে গেলো হাত। আরেক হাত দিয়ে আচলের সেফটি পিন খুলে নিলো। মুখ ঘষতে শুরু করলো ঘাড়ে তারপর গলায়। আস্তে করে  শাড়ির আঁচল সরাল। বুকে হাত দিয়ে শাড়ির পতন রোধ করলো তিন্নি। হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিলো মাহবুব। আচল বিহিন বুকের স্তন গুলি খাড়া ভাবে ব্লাউজের মধ্যে দৃশ্যমান। নিজের লিংগ একটু করে চেপে ধরলো মাহবুব, যেন তার শিশ্নকে বলছে  একটু ধৈর্য ধরো, তোমার ইচ্ছা পুরণ হবে। ব্লাউজের হুকগুলো স্পর্শ করল সে। একটা হুক খুলল। তারপর আরেকটা। তিন্নি শক্ত হয়ে বসে রইল। তার দুই কাঁধ একটু উঁচু হয়ে গিয়েছিল। মাহবুব তৃতীয় হুকটা খুলল। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। সে আস্তে করে ব্লাউজটা কাঁধ থেকে নামিয়ে দিল। তিন্নির পিঠের চামড়া উন্মুক্ত হল—মসৃণ, হলদেটে ফর্সা রং।<br />
মাহবুব তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিল। আঙুলের ডগা দিয়ে মেরুদণ্ডের রেখা অনুসরণ করল। তিন্নি কেঁপে উঠল।<br />
“ঠান্ডা লাগছে?” মাহবুব জিজ্ঞেস করল।<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল। “না… শুধু…”<br />
“শুধু কী?”<br />
তিন্নি আর কিছু বলল না। মাহবুব তার পেটের দিকে হাত বাড়াল। শাড়ির নিচে হাত ঢোকিয়ে তিন্নির পেট স্পর্শ করলো, তিন্নির পেটের চামড়া গরম। সে আলতো করে নাভিতে আংগুল ঘষলো। তিন্নি হঠাৎ হাত দিয়ে তার হাতটা চেপে ধরল।<br />
“প্লিজ…  না…” তার গলা কাঁপছিল।<br />
মাহবুব থেমে গেল। হাত সরাল না, কিন্তু আর এগোলও না। “আমি থামব যদি তুমি বলো। কিন্তু তুমি কি সত্যিই আমাকে থামাতে চাও?”<br />
তিন্নি চুপ করে রইল। বেশি অনাগ্রহ দেখানো ঠিক হবে কিনা ভাবছে। তার হাতটা মাহবুবের হাতের ওপর ছিল, কিন্তু আর চাপ দিচ্ছিল না। মাহবুব আস্তে করে হাতটা আবার নড়াল। পেটের ওপর দিয়ে উপরে উঠল। ব্রার নিচ পর্যন্ত গেল। তিন্নির বুকের নিচের নরম অংশ স্পর্শ করল।<br />
সে ব্লাউজটা পুরোপুরি খুলে ফেলল। তিন্নি এখন শুধু ব্রা আর শাড়ির কাপড়ে ঢাকা। লাল ব্রা। ব্রার কাপ দুটোতে তার স্তনের আকার স্পষ্ট। ফর্সা দুই স্তনের ভাজ একসাথে  মিলে আছে, তারপর ব্রায়ের কাপে আবৃত দৃঢ় মাঝারি আকারের দুটি গোলক। মাহবুব একমুহূর্ত তাকিয়ে রইল। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। মনে মনে সে অনুভব করছে কীভাবে তার কামনা বেড়ে চলেছে। তিন্নির এই অসহায় ভঙ্গি, তার শরীরের উষ্ণতা, তার নিঃশ্বাসের গন্ধ—সব মিলিয়ে তার পুরুষাঙ্গ এখন পুরোপুরি শক্ত। পায়জামার কাপড় টানটান হয়ে উঠেছে।<br />
সে তিন্নির দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি খুব সুন্দর। আমি জানতাম, কিন্তু এত কাছ থেকে দেখে যে সুন্দর্য অবলোকন করছি তা আশা করিনি।”<br />
তিন্নি চোখ বন্ধ করে রাখল। তার দুই হাত বিছানার চাদর মুঠো করে ধরেছিল। মাহবুব তার কাঁধে চুমু খেল। তারপর গলার হাড়ে। তারপর ব্রার উপরের অংশে। তিন্নির বুক উঠানামা করছিল। মাহবুব একহাত দিয়ে তার পিঠে হাত রাখল, অন্যহাত দিয়ে ব্রার কাপের ওপর আলতো চাপ দিল। স্তনের নরম অনুভূতি তার হাতের তালুতে লাগল।<br />
তিন্নি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আর যে কিছু করার নেই তা মেনেই তার শরীর একটু নরম হয়ে এসেছে, যদিও মন এখনো প্রতিরোধ করছে। মাহবুব বুঝতে পারছে। সে জোর করছে না, কিন্তু থামছেও না। আস্তে আস্তে এগোচ্ছে।<br />
সে তিন্নির কানে মুখ নিয়ে বলল, “আমি শুধু দেখতে চাই। আর একটু। তুমি আমাকে দেখতে দিও।”<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল—না বোঝাতে। কিন্তু মাহবুবের হাত সরাল না। তিন্নির পিঠে নিজের মুখ ঘষতে শুরু করলো আবার। তারপর ঘাড থেকে চুমু খাওয়া শুরু করলো। আস্তে আস্তে পিঠে নেমে এলো চুমু, তারপর কমড়ে। চুমু নয় যেন ঠোঁট দিয়ে চুষে নিচ্ছে তিন্নির পিঠের সব রস।মাহবুব তার পিঠের দিকে হাত নিয়ে ব্রার হুক খুঁজল। একটা হুক খুলল। তিন্নি শক্ত হয়ে গেল। দ্বিতীয় হুক। ব্রা আলগা হয়ে গেল। মাহবুব আস্তে করে ব্রার ফালি দুটো সরিয়ে দিল। তিন্নির পিঠে আর কোন আবরণ নেই। মাহবুব এবার উঠে বসলো। কাধে হাত দিয়ে ব্রার ফিতেটা হাত দিয়ে নামিয়ে দিল। তিন্নি বুকে দুই  হাত দিয়ে রেখেছে। <br />
“প্লিজ.. আর না প্লিজ ” তিন্নি শেষ বারের মতো অনুরোধ করলো।<br />
মাহবুব করুন দৃষ্টিতে বউয়ের দিকে কামনা নিয়ে তাকালো। তিন্নি বুঝতে পারলো এই মিনতি অগ্রাহ্য করা ভুল হতে পারে তার জন্য। তাই মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। মাহবুব তার হাত দুটি  সরিয়ে দিলো। খুলে নিয়ে আসলো তার বুকের শেষ আবরণ। তিন্নি চোখ বন্ধ করে ফেললো।<br />
তিন্নির দুটি স্তন উন্মুক্ত হল।<br />
মাহবুব একমুহূর্ত শুধু তাকিয়ে রইল। তার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গিয়েছিল। তিন্নির স্তন দুটো গোল, শক্ত, বোঁটা দুটো একটু কালো ও উঁচু। সে মনে মনে অনুভব করছে তার শিশ্ন কীভাবে আরও টানটান হয়ে উঠছে। কামনার একটা তীব্র ঢেউ তার শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল। সে চাইছিল এখনই তিন্নিকে শুইয়ে দিতে, তার শরীরের প্রতিটি অংশ ছুঁতে। কিন্তু সে নিজেকে সংযত রাখল।<br />
সে আলতো করে একটা স্তন স্পর্শ করল। তিন্নি কেঁপে উঠল। মাহবুব তার বোঁটা আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষল। তিন্নির মুখ একটু কুঁচকে গেল—অস্বস্তির মতো। কিন্তু সে মাহবুবের হাত সরাল না।<br />
মাহবুব ফিসফিস করে বলল, “আমি জানি তুমি চাও না। আমি জানি। কিন্তু আজ রাতটা আমাদের। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। শুধু… একটু কাছে থাকতে দাও।”<br />
তিন্নি চোখ খুলে তাকাল। তার চোখে জলের দানা। সে ফিসফিস করে বলল, “আমি… পারবো না…”<br />
মাহবুব তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “পারবে। আমি আছি। আমি আস্তে করব।”<br />
সে তিন্নিকে আলতো করে বিছানায় শুইয়ে দিল। তিন্নি প্রতিরোধ করল না। শুধু চোখ বন্ধ করে রাখল। মাহবুব তার পাশে শুয়ে একহাত তার পেটের ওপর রাখল। অন্যহাত দিয়ে তার চুল আলতো করে সরাচ্ছিল। তিন্নির বুক উঠানামা করছিল। মাহবুবের হাত আস্তে আস্তে উপরে উঠল। স্তনের নিচ দিয়ে ঘষল। তারপর আবার স্তন চেপে ধরল।<br />
তার মনে হছে সে আর বেশিক্ষণ সংযত থাকতে পারবে না। তিন্নির উন্মুক্ত শরীর, তার নিঃশ্বাস, তার অসহায় ভঙ্গি—সবকিছু মিলিয়ে তার কামনা এখন সীমা ছাড়িয়ে যাছে। পুরুষাঙ্গটা পায়জামার কাপড়ে চাপ দিচ্ছিল। সে জানে এখনো পুরোপুরি এগোতে পারেনি। কিন্তু আজ রাতটা লম্বা। সে ধীরে ধীরে এগোবে।<br />
তিন্নি চুপচাপ শুয়ে রইল। তার শরীরে মাহবুবের হাতের স্পর্শ, যদিও মন এখনো অনেক দূরে পড়ে আছে। কিন্তু বাধা দিচ্ছিলো না।মাহবুব তার গলায় চুমু খেল। তারপর বুকের উপরের অংশে। তিন্নির একটা হাত মাহবুব তার কাঁধের উপর রাখলো। তিন্নিও মানা করলো না।<br />
ঘরের আলো হালকা। বাইরে রাত গভীর হয়ে আসছিল। মাহবুব তিন্নির কানে মুখ নিয়ে ফিসফিস করল,<br />
“আমি তোমাকে চাই। খুব চাই তোমাকে আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে। তুমি শুধু একটু সহ্য করো… বাকিটা আমি সামলাব।”<br />
তিন্নি কিছু বলল না। শুধু নিঃশ্বাস ফেলল। মাহবুবের হাত তার শরীরে ঘুরছিল—পেটে, পিঠে, স্তনে। আস্তে আস্তে। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। শুধু স্পর্শ আর চুমু আর নিশ্বাসের শব্দ।<!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<div style="padding:4px 0px;"><span class="inline-block vmiddle"><!-- start: attachment_icon -->
<img src="https://forum.xgossip.fun/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon --></span>
<a  class="vmiddle inline-block" href="attachment.php?aid=25" target="_blank">grok-1790384522442.jpg</a> <span class="smalltext float_right">Size: <span class="inline-block vmiddle">57.04 KB</span>&nbsp;&nbsp;Downloads: <span class="inline-block vmiddle">0</span></span>
</div>
<!-- end: postbit_attachments_attachment --></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff851b;" class="mycode_color">গল্প:নির্ভরতার ফাঁদ</span></span></span></span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff851b;" class="mycode_color">By:Roktim suvro<br />
</span></span></span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হয়েছিল নারায়ণগঞ্জে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হওয়ার আগেই মাহবুব তিন্নিকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেল। গাড়িতে তিন্নি প্রায় পুরোটা সময় চুপচাপ বসেছিল। জানালার বাইরে তাকিয়েছিল, কিন্তু কিছুই দেখেনি। মাহবুব মাঝে মাঝে কথা বলার চেষ্টা করছিলো , কিন্তু তিন্নি শুধু মাথা নেড়ে গেছে আর এক-আধটা কথায় জবাব দিয়েছে।<br />
রাত প্রায় ৯টার দিকে মাহবুবের গাড়ি তার ঢাকা নিকুঞ্জের ফ্ল্যাটের সামনে পৌঁছাল। চার বেডের ফ্ল্যাট। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, নতুন করে সাজানো। বসার ঘরে হালকা আলো জ্বলছিল। শোবার ঘরের দরজা খোলা। পুরো ঘর আগে থেকেই ফুল দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।<br />
ফুলের সুবাশে ভরে গেছে পুরো ঘর। তিন্নিকে নিয়ে বাসর ঘরে বসানো হল।  ফুলের সুবাশ, হাল্কা আলো আর এয়ার কন্ডিশনের ঠান্ডা বাতাস ঘরকে আরামদায়ক করে তুলেছে।  তিন্নিকে বিছানার মাঝে নিয়ে বসালো হল। মাথা নিচু করে রাখল। মাথায় ঘোমটা টানা। মনে তীব্র ভয় নিয়ে দুরু দুরু বুকে স্বামীর অপেক্ষা করতে থকলো।<br />
<br />
মাহবুব পরিবার সদস্য আর বাকি আত্মীয়দের সাথে কথা বলছিল। তাদের বিদায় করে পা বাড়ালো বাসর ঘরের দিকে।<br />
ঘরে ঢুকে এক মুহুর্ত থমকে দাড়াল মাহবুব । সাদা চাদরের বিছানার উপর  লাল টুকটুকে শাড়িতে পুরো ঘরকে আলোকিত করে বসে আছে সে কে? নিজেকেই প্রশ্ন করলো মাহবুব, আমর কলমা পড়া বিয়ে করা বউ  উত্তরটাও নিজেই নিজের মনকে দিলো সে ।  মাহবুব তিন্নির পাশে গিয়ে বসলো। দুজনই চুপচাপ, মাহবুব কিভাবে শুরু করবে ভাবছে, তিন্নি আড়ষ্ট ভাবে বসে আছে। হাত বাড়িয়ে নতুন বউয়ে ঘুমটা তুলে দিলো মাহবুব।  <br />
"মাশাল্লাহ " বউয়ের সুশ্রী মুখমণ্ডল দেখে বলে উঠলো মাহবুব। অপুর্ব সুন্দর লাগছে তোমাকে।<br />
 জোর করে একটু হাসলো তিন্নি। মনে অস্বস্তি রয়ে গেলো।<br />
তোমার কি ক্ষুদা লেগেছে? জিজ্ঞেস করলো মাহবুব। মাথা নারলো নতুন বউ তিন্নি। মাহবুব হেসে বললো সেই কখোন খেয়েছো ক্ষুদা লাগে নি? আমার তো খুব খিদা পাচ্ছে। ভাতের ক্ষুধা বলে হাসলো মাহবুব। তিন্নির নারী মন ঠিকই বুঝতে পারলো তার স্বামী কি বুঝতে চাইছে। এখন ভাতের ক্ষুধা মেটাবে তারপর....। আর ভাবতে পারছে না সে। মেরুদন্ড দিয়ে এক ঠান্ডা শিহরণ বয়ে গেলো তার। মাহবুব খাবার আনতে চলে গেলো। মা শর্মিলী আক্তার, বাবা আনিসুর রহমান আর বড় ভাই খালেদ সবাই এক সাথে কথা বলছিলেন। বাবা মা বড় ভাইয়ের বাসায় থাকেন বেশির ভাগ। সেখানে নাতনি ফাইজাকে নিয়ে দিন কেটে যায় বেশ তাদের । মাকে ডেকে কিছু খাবার দিতে বলল মাহবুব। তার নিজেরও ক্ষুধা লেগেছে ভালোই। খাবার নিয়ে আবার বাসর ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো। খাবারের প্লেট একটি,  একটি বলে ভাত আর দুইটি বাটিতে মাংস আর সবজি। <br />
প্লেট তো একটি,  মানুষ আমরা দুজন, যে কোন এক জনকে তো খাইয়ে দিতে হবে। তুমি আমার হাতে খাবে না আমকে খাইয়ে দিবে, ভুরু নাচিয়ে জিজ্ঞেস করলো মাহবুব। <br />
 তিন্নি অস্বস্তিতে পরলো। সে নিজের হাতে অপরিচিত লোক কে খাওয়াতে পারবে না আবার তার হাতে খেতেও ইচ্ছা করছে না। <br />
আমার এখন খেতে ইচ্ছে করছে না। প্লিজ আপনি খেয়ে নেন। <br />
তা কিভাবে হয় একটু তো খেতে হবেই, নাহলে শরীর খারাপ করবে যে।<br />
বলেই ভাত মাখিয়ে তিন্নির মুখের সামনে ধরলো মাহবুব। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভাতের নলা মুখে নিয়ে খেতে শুরু করলো তিন্নি। তিন্নি খুব বেশি খেলো না বেশির ভাগ মাহবুব কেই খেতে হলো। খাওয়া শেষে মাহবুব পাঞ্জাবির বোতাম খুলে আলমারির ওপর রাখল। তারপর তিন্নির পাশে এসে বসল। একটু ফাঁক রেখে।<br />
কিছুক্ষণ কেউ কথা বলল না। বাইরে থেকে হালকা গাড়ির শব্দ ভেসে আসছিল। ফ্ল্যাটের ভেতরটা নিস্তব্ধ।<br />
মাহবুব আস্তে করে বলল, “তোমার কি ক্লান্ত লাগছে?”<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল। “একটু।”<br />
“আজকের দিনে তোমার উপর অনেক ধকল গেছে ক্লান্ত  লাগা খুব স্বাভাবিক।” মাহবুব থামল একটু। <br />
“আমি কাপড় পাল্টে আসি,” জিজ্ঞেস করে তিন্নি।<br />
“এখনি? আরেকটু দেখি তোমাকে। অনেক সুন্দর লাগছে তোমায়।" আবদার করলো মাহবুব।<br />
তিন্নি কিছুটা হতাশ হলো। সে ভেছিলো মাহবুব যেহেতু তার খেয়াল রাখছে তার কথা সে অবশ্যই মেনে নেবে।<br />
মাহবুব তিন্নির আরো কাছে সরে এলো। <br />
মাহবুব তিন্নির চোখে চোখ রেখে বললো “আজ রাতটা… আমাদের দুজনের।”<br />
তিন্নি আবার মাথা নিচু করে নিল। মাহবুব তার দিকে হাত বাড়াল। তিন্নির হাতটা ধরল আলতো করে। তিন্নি হাত সরাতে চাইল, কিন্তু সরাল না। মাহবুবের হাত গরম ছিল।<br />
“একটু কাছে আসবে?” মাহবুব বলল।<br />
তিন্নি নড়ল না। মাহবুব নিজেই সরে এসে তার কাঁধে হাত রাখল। তিন্নির শরীর কেঁপে উঠল। মাহবুব সেই কাঁধে আলতো চাপ দিল।<br />
“তুমি না চাইলে আমি কিছু করব না,” সে ফিসফিস করল। “শুধু… তোমাকে একটু ছুঁতে দাও।”<br />
সে তার মুখ তিন্নির দিকে নামাল। প্রথমে কপালে চুমু খেল। আস্তে। তারপর গালে। তিন্নি চোখ বন্ধ করে রাখল। মাহবুবের ঠোঁট তার গালের ওপর দিয়ে আস্তে আস্তে সরছিল। গলার কাছে এসে থামল। তিন্নির গলায় লকেট ঝুলছিল। মাহবুব লকেটটা সরিয়ে সেখানে চুমু খেল। তিন্নি কি করবে বুঝতে পারছে না। তবে সামনে কি হতে চলছে তা ঠিকই আন্দাজ করতে পারছে।<br />
মাহবুবের মনে হচ্ছিল তার বুকের ভেতরটা কেমন আগুন জ্বলে উঠেছে। তিন্নির গায়ের গন্ধ—হালকা পার্ফিওম আর ঘামের মিশেল—তার নাকে লাগছিল। শাড়ির উপর দিয়েই তার শরীরের উষ্ণতা সে অনুভব করতে পারছিল। তার বাকানো কোমরের ঠেউ মাহবুব কে পাগল করে দিচ্ছিলো। সে জানত এই ২১বছরের সুন্দরী ললনা তাকে চায় না। এর কারণ যে তাদের মধ্যেকার ১১ বছরের পার্থক্য নয় সেটাও জানতো। কারণটা মাহবুবের অজানা নয়। কারণ  টি হচ্ছে মেয়েটা অন্য আরেকজনের কথা ভাবছে, যা মাহবুব জানে কিন্তু এই রহস্য যে তার সামনে প্রকাশিত হয়েছে বিয়ের অনেক আগেই তিন্নি তা জানে না।  তবু তিন্নির শরীর দেখে তার নিজের শরীর সাড়া দিচ্ছিল। পুরুষাঙ্গটা পায়জামার ভেতর আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে উঠছিল।<br />
সে তিন্নির থুতনিতে আঙুল দিয়ে মুখটা তুলল। তিন্নি চোখ খুলল না। মাহবুব কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো। কি অপরুপ সুন্দর মুখখানি। তারপর আস্তে করে তার ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে হালকা। তিন্নি ঠোঁট বন্ধ করে রাখল। মাহবুব জিভ দিয়ে তার ঠোঁট আলতো করে চাপ দিল। তিন্নি একটু সরে গেল, কিন্তু মাহবুব তার মাথা আলতো করে ধরে রাখল। দ্বিতীয়বার চুমুখাতে গিয়ে তিন্নির ঠোঁট একটু ফাঁক হল। মাহবুব সেই ফাঁক দিয়ে জিভ ঢোকাল। তিন্নি একটা ছোটখাটো শব্দ করল—প্রতিবাদের মতো। কিন্তু মাহবুবকে ঠেলে সরাল না।<br />
চুমু ভাঙার পর মাহবুব তার কানে মুখ নিয়ে বলল, “তোমার ঠোঁট নরম… খুব নরম।”<br />
তিন্নি কিছু বলল না। তার গাল লাল হয়ে গিয়েছিল।<br />
মাহবুব এবার তার পিঠের দিকে হাত বাড়াল। কাধে হাত বুলাতে শুরু করলো। কাধ ধেকে পিঠে চলে গেলো হাত। আরেক হাত দিয়ে আচলের সেফটি পিন খুলে নিলো। মুখ ঘষতে শুরু করলো ঘাড়ে তারপর গলায়। আস্তে করে  শাড়ির আঁচল সরাল। বুকে হাত দিয়ে শাড়ির পতন রোধ করলো তিন্নি। হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিলো মাহবুব। আচল বিহিন বুকের স্তন গুলি খাড়া ভাবে ব্লাউজের মধ্যে দৃশ্যমান। নিজের লিংগ একটু করে চেপে ধরলো মাহবুব, যেন তার শিশ্নকে বলছে  একটু ধৈর্য ধরো, তোমার ইচ্ছা পুরণ হবে। ব্লাউজের হুকগুলো স্পর্শ করল সে। একটা হুক খুলল। তারপর আরেকটা। তিন্নি শক্ত হয়ে বসে রইল। তার দুই কাঁধ একটু উঁচু হয়ে গিয়েছিল। মাহবুব তৃতীয় হুকটা খুলল। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। সে আস্তে করে ব্লাউজটা কাঁধ থেকে নামিয়ে দিল। তিন্নির পিঠের চামড়া উন্মুক্ত হল—মসৃণ, হলদেটে ফর্সা রং।<br />
মাহবুব তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিল। আঙুলের ডগা দিয়ে মেরুদণ্ডের রেখা অনুসরণ করল। তিন্নি কেঁপে উঠল।<br />
“ঠান্ডা লাগছে?” মাহবুব জিজ্ঞেস করল।<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল। “না… শুধু…”<br />
“শুধু কী?”<br />
তিন্নি আর কিছু বলল না। মাহবুব তার পেটের দিকে হাত বাড়াল। শাড়ির নিচে হাত ঢোকিয়ে তিন্নির পেট স্পর্শ করলো, তিন্নির পেটের চামড়া গরম। সে আলতো করে নাভিতে আংগুল ঘষলো। তিন্নি হঠাৎ হাত দিয়ে তার হাতটা চেপে ধরল।<br />
“প্লিজ…  না…” তার গলা কাঁপছিল।<br />
মাহবুব থেমে গেল। হাত সরাল না, কিন্তু আর এগোলও না। “আমি থামব যদি তুমি বলো। কিন্তু তুমি কি সত্যিই আমাকে থামাতে চাও?”<br />
তিন্নি চুপ করে রইল। বেশি অনাগ্রহ দেখানো ঠিক হবে কিনা ভাবছে। তার হাতটা মাহবুবের হাতের ওপর ছিল, কিন্তু আর চাপ দিচ্ছিল না। মাহবুব আস্তে করে হাতটা আবার নড়াল। পেটের ওপর দিয়ে উপরে উঠল। ব্রার নিচ পর্যন্ত গেল। তিন্নির বুকের নিচের নরম অংশ স্পর্শ করল।<br />
সে ব্লাউজটা পুরোপুরি খুলে ফেলল। তিন্নি এখন শুধু ব্রা আর শাড়ির কাপড়ে ঢাকা। লাল ব্রা। ব্রার কাপ দুটোতে তার স্তনের আকার স্পষ্ট। ফর্সা দুই স্তনের ভাজ একসাথে  মিলে আছে, তারপর ব্রায়ের কাপে আবৃত দৃঢ় মাঝারি আকারের দুটি গোলক। মাহবুব একমুহূর্ত তাকিয়ে রইল। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। মনে মনে সে অনুভব করছে কীভাবে তার কামনা বেড়ে চলেছে। তিন্নির এই অসহায় ভঙ্গি, তার শরীরের উষ্ণতা, তার নিঃশ্বাসের গন্ধ—সব মিলিয়ে তার পুরুষাঙ্গ এখন পুরোপুরি শক্ত। পায়জামার কাপড় টানটান হয়ে উঠেছে।<br />
সে তিন্নির দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি খুব সুন্দর। আমি জানতাম, কিন্তু এত কাছ থেকে দেখে যে সুন্দর্য অবলোকন করছি তা আশা করিনি।”<br />
তিন্নি চোখ বন্ধ করে রাখল। তার দুই হাত বিছানার চাদর মুঠো করে ধরেছিল। মাহবুব তার কাঁধে চুমু খেল। তারপর গলার হাড়ে। তারপর ব্রার উপরের অংশে। তিন্নির বুক উঠানামা করছিল। মাহবুব একহাত দিয়ে তার পিঠে হাত রাখল, অন্যহাত দিয়ে ব্রার কাপের ওপর আলতো চাপ দিল। স্তনের নরম অনুভূতি তার হাতের তালুতে লাগল।<br />
তিন্নি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আর যে কিছু করার নেই তা মেনেই তার শরীর একটু নরম হয়ে এসেছে, যদিও মন এখনো প্রতিরোধ করছে। মাহবুব বুঝতে পারছে। সে জোর করছে না, কিন্তু থামছেও না। আস্তে আস্তে এগোচ্ছে।<br />
সে তিন্নির কানে মুখ নিয়ে বলল, “আমি শুধু দেখতে চাই। আর একটু। তুমি আমাকে দেখতে দিও।”<br />
তিন্নি মাথা নাড়ল—না বোঝাতে। কিন্তু মাহবুবের হাত সরাল না। তিন্নির পিঠে নিজের মুখ ঘষতে শুরু করলো আবার। তারপর ঘাড থেকে চুমু খাওয়া শুরু করলো। আস্তে আস্তে পিঠে নেমে এলো চুমু, তারপর কমড়ে। চুমু নয় যেন ঠোঁট দিয়ে চুষে নিচ্ছে তিন্নির পিঠের সব রস।মাহবুব তার পিঠের দিকে হাত নিয়ে ব্রার হুক খুঁজল। একটা হুক খুলল। তিন্নি শক্ত হয়ে গেল। দ্বিতীয় হুক। ব্রা আলগা হয়ে গেল। মাহবুব আস্তে করে ব্রার ফালি দুটো সরিয়ে দিল। তিন্নির পিঠে আর কোন আবরণ নেই। মাহবুব এবার উঠে বসলো। কাধে হাত দিয়ে ব্রার ফিতেটা হাত দিয়ে নামিয়ে দিল। তিন্নি বুকে দুই  হাত দিয়ে রেখেছে। <br />
“প্লিজ.. আর না প্লিজ ” তিন্নি শেষ বারের মতো অনুরোধ করলো।<br />
মাহবুব করুন দৃষ্টিতে বউয়ের দিকে কামনা নিয়ে তাকালো। তিন্নি বুঝতে পারলো এই মিনতি অগ্রাহ্য করা ভুল হতে পারে তার জন্য। তাই মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। মাহবুব তার হাত দুটি  সরিয়ে দিলো। খুলে নিয়ে আসলো তার বুকের শেষ আবরণ। তিন্নি চোখ বন্ধ করে ফেললো।<br />
তিন্নির দুটি স্তন উন্মুক্ত হল।<br />
মাহবুব একমুহূর্ত শুধু তাকিয়ে রইল। তার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে গিয়েছিল। তিন্নির স্তন দুটো গোল, শক্ত, বোঁটা দুটো একটু কালো ও উঁচু। সে মনে মনে অনুভব করছে তার শিশ্ন কীভাবে আরও টানটান হয়ে উঠছে। কামনার একটা তীব্র ঢেউ তার শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল। সে চাইছিল এখনই তিন্নিকে শুইয়ে দিতে, তার শরীরের প্রতিটি অংশ ছুঁতে। কিন্তু সে নিজেকে সংযত রাখল।<br />
সে আলতো করে একটা স্তন স্পর্শ করল। তিন্নি কেঁপে উঠল। মাহবুব তার বোঁটা আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষল। তিন্নির মুখ একটু কুঁচকে গেল—অস্বস্তির মতো। কিন্তু সে মাহবুবের হাত সরাল না।<br />
মাহবুব ফিসফিস করে বলল, “আমি জানি তুমি চাও না। আমি জানি। কিন্তু আজ রাতটা আমাদের। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। শুধু… একটু কাছে থাকতে দাও।”<br />
তিন্নি চোখ খুলে তাকাল। তার চোখে জলের দানা। সে ফিসফিস করে বলল, “আমি… পারবো না…”<br />
মাহবুব তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “পারবে। আমি আছি। আমি আস্তে করব।”<br />
সে তিন্নিকে আলতো করে বিছানায় শুইয়ে দিল। তিন্নি প্রতিরোধ করল না। শুধু চোখ বন্ধ করে রাখল। মাহবুব তার পাশে শুয়ে একহাত তার পেটের ওপর রাখল। অন্যহাত দিয়ে তার চুল আলতো করে সরাচ্ছিল। তিন্নির বুক উঠানামা করছিল। মাহবুবের হাত আস্তে আস্তে উপরে উঠল। স্তনের নিচ দিয়ে ঘষল। তারপর আবার স্তন চেপে ধরল।<br />
তার মনে হছে সে আর বেশিক্ষণ সংযত থাকতে পারবে না। তিন্নির উন্মুক্ত শরীর, তার নিঃশ্বাস, তার অসহায় ভঙ্গি—সবকিছু মিলিয়ে তার কামনা এখন সীমা ছাড়িয়ে যাছে। পুরুষাঙ্গটা পায়জামার কাপড়ে চাপ দিচ্ছিল। সে জানে এখনো পুরোপুরি এগোতে পারেনি। কিন্তু আজ রাতটা লম্বা। সে ধীরে ধীরে এগোবে।<br />
তিন্নি চুপচাপ শুয়ে রইল। তার শরীরে মাহবুবের হাতের স্পর্শ, যদিও মন এখনো অনেক দূরে পড়ে আছে। কিন্তু বাধা দিচ্ছিলো না।মাহবুব তার গলায় চুমু খেল। তারপর বুকের উপরের অংশে। তিন্নির একটা হাত মাহবুব তার কাঁধের উপর রাখলো। তিন্নিও মানা করলো না।<br />
ঘরের আলো হালকা। বাইরে রাত গভীর হয়ে আসছিল। মাহবুব তিন্নির কানে মুখ নিয়ে ফিসফিস করল,<br />
“আমি তোমাকে চাই। খুব চাই তোমাকে আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে। তুমি শুধু একটু সহ্য করো… বাকিটা আমি সামলাব।”<br />
তিন্নি কিছু বলল না। শুধু নিঃশ্বাস ফেলল। মাহবুবের হাত তার শরীরে ঘুরছিল—পেটে, পিঠে, স্তনে। আস্তে আস্তে। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। শুধু স্পর্শ আর চুমু আর নিশ্বাসের শব্দ।<!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<div style="padding:4px 0px;"><span class="inline-block vmiddle"><!-- start: attachment_icon -->
<img src="https://forum.xgossip.fun/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon --></span>
<a  class="vmiddle inline-block" href="attachment.php?aid=25" target="_blank">grok-1790384522442.jpg</a> <span class="smalltext float_right">Size: <span class="inline-block vmiddle">57.04 KB</span>&nbsp;&nbsp;Downloads: <span class="inline-block vmiddle">0</span></span>
</div>
<!-- end: postbit_attachments_attachment --></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=77</link>
			<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 08:48:21 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=77</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><br />
                                          ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার <br />
<br />
<br />
<br />
<br />
আজকের যুগে প্রায় প্রত্যেক মহিলাই নিজের জীবনের স্বাধীনতা বা স্বেচ্ছাচারিতার কারণে নিজের রোজগারের পথ বেছে নেয়। কারোর স্বামীর যদি অত্যাধিক টাকাও থাকে তবুও নিজেকে সাবলম্বী প্রমান করার জন্য, ইগোর লড়াই করার জন্য বেছে নেয় রোজগারের পথ। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে এটাই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড়ো কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী, সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য থেকে তারা বঞ্চিত হয়। এই কারণে সংসার সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগেই সেখানে জন্ম নেই বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক। <br />
<br />
<br />
আমার এই গল্পটি আমার বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করে লেখা। যারা রোমান্টিক গল্প পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গল্পটি রইলো আমার তরফ থেকে। অনেক পাঠক বন্ধু আমার একঘেয়ে গল্প পড়ে পড়ে বিরক্ত হয়ে গেছেন। তাই একটু অন্য ভাবে গল্পটা লিখতে চলেছি। <br />
<br />
গল্পের শুরুতে আরো একবার বলে নিচ্ছি সেক্স সিনে কতটা ভিন্নতা আনতে পারবো জানি না। কারণে গল্পটা বাস্তব হলেও সেক্স সিনে কিছু কল্পনার জিনিস মেশানো থাকবে। তবে গল্পটা আপনাদের ভালো লাগবে এই আশা করি।<br />
<br />
তবে আরেকটা কথা গল্পটা কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে অবশ্যই কমেন্ট করবেন তবে দয়া করে কেউ পার্সোনাল অ্যাটাক করবেন না।<br />
<br />
<br />
</span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><br />
                                          ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার <br />
<br />
<br />
<br />
<br />
আজকের যুগে প্রায় প্রত্যেক মহিলাই নিজের জীবনের স্বাধীনতা বা স্বেচ্ছাচারিতার কারণে নিজের রোজগারের পথ বেছে নেয়। কারোর স্বামীর যদি অত্যাধিক টাকাও থাকে তবুও নিজেকে সাবলম্বী প্রমান করার জন্য, ইগোর লড়াই করার জন্য বেছে নেয় রোজগারের পথ। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে এটাই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড়ো কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী, সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য থেকে তারা বঞ্চিত হয়। এই কারণে সংসার সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগেই সেখানে জন্ম নেই বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক। <br />
<br />
<br />
আমার এই গল্পটি আমার বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করে লেখা। যারা রোমান্টিক গল্প পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গল্পটি রইলো আমার তরফ থেকে। অনেক পাঠক বন্ধু আমার একঘেয়ে গল্প পড়ে পড়ে বিরক্ত হয়ে গেছেন। তাই একটু অন্য ভাবে গল্পটা লিখতে চলেছি। <br />
<br />
গল্পের শুরুতে আরো একবার বলে নিচ্ছি সেক্স সিনে কতটা ভিন্নতা আনতে পারবো জানি না। কারণে গল্পটা বাস্তব হলেও সেক্স সিনে কিছু কল্পনার জিনিস মেশানো থাকবে। তবে গল্পটা আপনাদের ভালো লাগবে এই আশা করি।<br />
<br />
তবে আরেকটা কথা গল্পটা কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে অবশ্যই কমেন্ট করবেন তবে দয়া করে কেউ পার্সোনাল অ্যাটাক করবেন না।<br />
<br />
<br />
</span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (By: Panu Daa)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=76</link>
			<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 09:07:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=76</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (পর্ব - ১)</span><br />
          </div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">  রোহনের বোন ঋত্বিকা ছিল তার একমাত্র পরিবার। তাদের বাবা-মা মারা গিয়েছিল যখন তারা ছোট ছিল। রোহানকে তার ছোট বোনের যত্ন নিতে হয়েছিল, সে অনেক ভালোবেসে তার ছোট বোনকে মানুষ করেছে। সে সর্বদা তার জন্য সর্বোত্তম চেয়েছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যে সে সেরা কলেজ থেকে পাশ করে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, এবছর ঋত্বিকা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে আর মেডিক্যালে সরকারি কলেজে চান্স পেয়েছে। ভাগ্যের বিষয়, মেডিক্যাল কলেজ ওদের বাসার থেকে কাছেই ঋত্বিকা রোজ বাড়ি থেকেই যাতায়াত করতে পারে, আলাদা করে আর বোর্ডিং এ থাকতে হয়না। এদিকে ঋত্বিকাও খুশি, কারণ ও যদি বোর্ডিংএ থাকত তাহলে ওর অভিভাবক দাদাভাই রোহণ বাসায় একা হয়ে যেত। ওর দাদাভাই রোহণ এখন মাস্টার্সএ ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।<br />
<br />
        ঋত্বিকার বন্ধুরা সবাই রোহানের উপর ক্রাশ খেয়েছিল। কারণ রোহণ ছিল অনেক হ্যান্ডসাম, লম্বা একদম সিনেমার হিরোদের মতো। ঋত্বিকার বন্ধুরা রোহণের সাথে রিলেশন করিয়ে দেবার জন্য পিড়াপিড়ি করত। ঋত্বিকার কাছে, রোহন ছিল তার নায়ক, তার রক্ষাকর্তা। কিন্তু যখনই সে তার বন্ধুদের তার সাথে ফ্লার্ট করতে দেখে তখন সে একটু ঈর্ষান্বিত বোধ করতে থাকে, সে মনে করে তার দাদাভাই শুধু তার একার, অন্য কারও হতে পারেনা।<br />
<br />
            একদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। টাই ঋত্বিকা আর কলেজে যায়নি, আর এদিকে রোহণও ইউনিভারসিটি যায়নি। সেদিন সারাদিন দুই ভাইবোন বাড়িতেই ছিল। এর আগেও তারা দুইভাই ছুটির দিনে একসঙ্গে থেকেছে। কিন্তু ঋত্বিকার কাছে আজকের দিনটা ছিল অন্যরকম। এর আগে ঋত্বিকার মনে তার দাদাভাইকে নিয়ে অন্য রকম ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আজ তার কাছে তার দাদাভাই তার ক্রাশ। তার দাদাভাইকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সে এওজানে তার দাদাভাইয়ের তার জন্য বোন ছাড়া অন্যরকম ভাবনা নেই। সকাল থেকেই সে তার দাদাভাইয়ের উপর নজর রেখেছে। কাল ঋত্বিকার বন্ধু শমিতা ওকে একটা ভিডিও দেখিয়েছে। ভিডিওতে শমিতা তার দাদার লিঙ্গচুষে খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শমিতা হাঁ করে জিভ বের করে থাকলে ওর দাদার লিঙ্গ থেকে পিচকিরির ন্যায় প্রায় এক কাপ বীর্য ওর মুখের মধ্যে জিভে এসে পড়ে আর শমিতা তা তৃপ্তি ভরে খেয়ে নেয়। ব্যাপারটা দেখে ঋত্বিকার প্রথমে ঘৃণা লাগছিল।<br />
<br />
          সে শমিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল ,”এই শমিতা, এটা তুই কি খেলি। তোর ঘৃণা লাগেনি।“<br />
<br />
        শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ঘৃণা? কিসের ঘৃণা? আমারতো ভীষণ টেষ্টি লাগল।“ <br />
ঋত্বিকা আবার জিজ্ঞেস করে,”এটা কি কোন খাবার জিনিস? এটা খেলে তো শরীর খারাপ করতে পারে?”<br />
<br />
          শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ধুর, কি যে বলিস। ওটা ছিল বীর্য, মানে বীজ। তুই খেয়াল করে দেখ এই পৃথিবীতে মাংসাশী প্রাণী ছাড়া সব প্রাণীই যা খেয়ে বেঁচে থাকে, তার বেশির ভাগই কোনও না কোনও গাছের বীজ, যেমন চাল, গম, ভুট্টা থেকেই আটা, ময়দা তৈরি হয়। তাছাড়া তুই যে কোন গাছের বীজ তুই খেতে পারিস, তাতে প্রোটিন, শর্করা থাকে, ক্ষতিকারক বস্তু খুব কমই থাকে।“ <br />
  <br />
          ঋত্বিকা ফের জিজ্ঞেস করেছিল,”কিন্তু সেটা তো গাছের, উদ্ভিদের, কোন প্রাণীর না?”    <br />
<br />
        শমিতা  বলে,” ঠিকই বলেছিস, কিন্তু সব প্রাণীর বীর্যেই কোন ক্ষতিকারক কিছু থাকেনা, উল্টে প্রোটিন, শর্করা, আইরন এইসব থাকে। তুই কি ভেবেছিস- ওই বীর্য থেকেই একটা প্রানের উদ্ভব হয়? সুতরাং বীর্যের মধ্যে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না।“  <br />
<br />
        “তারমানে তুই যে কারও বীর্য তৃপ্তি ভরে খেয়ে নিবি, তোর কোন ঘৃণা করবে না?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।<br />
<br />
        “না সবার না, আমি যাদের খুব ভালবাসি কিংবা পছন্দ করি শুধু তাদের, যেমন আমার দাদা,বাবা।“ শমিতা বলে। <br />
<br />
        “তারমানে তুই তোর বাবারও খেয়েছিস?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।<br />
<br />
        “আরে না। আমার বাবাও আমার কাছে হিরো। বাবা খুব সৎ মানুষ, ভীষণ পরোপকারী। আমার মা ছাড়া অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকায়ই না, আমার দাদাও তাই। এইজন্যই আমি আমার দাদা আর বাবার প্রতি ক্রাশ খেয়ে বসে আছি। দেখিসনা আমি কিন্তু অন্য ছেলেদের দিকে তাকাইনা।“ শমিতা বলে।<br />
<br />
          ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”এদিকে বলছিস তোর দাদা ভালো, আর সে তার বোনের সাথে এইসব করে বেড়াচ্ছে?”<br />
<br />
<br />
চলবে ......</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">বোনের ভালবাসা – রোহন ও ঋত্বিকা (পর্ব - ১)</span><br />
          </div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">  রোহনের বোন ঋত্বিকা ছিল তার একমাত্র পরিবার। তাদের বাবা-মা মারা গিয়েছিল যখন তারা ছোট ছিল। রোহানকে তার ছোট বোনের যত্ন নিতে হয়েছিল, সে অনেক ভালোবেসে তার ছোট বোনকে মানুষ করেছে। সে সর্বদা তার জন্য সর্বোত্তম চেয়েছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যে সে সেরা কলেজ থেকে পাশ করে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, এবছর ঋত্বিকা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে আর মেডিক্যালে সরকারি কলেজে চান্স পেয়েছে। ভাগ্যের বিষয়, মেডিক্যাল কলেজ ওদের বাসার থেকে কাছেই ঋত্বিকা রোজ বাড়ি থেকেই যাতায়াত করতে পারে, আলাদা করে আর বোর্ডিং এ থাকতে হয়না। এদিকে ঋত্বিকাও খুশি, কারণ ও যদি বোর্ডিংএ থাকত তাহলে ওর অভিভাবক দাদাভাই রোহণ বাসায় একা হয়ে যেত। ওর দাদাভাই রোহণ এখন মাস্টার্সএ ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।<br />
<br />
        ঋত্বিকার বন্ধুরা সবাই রোহানের উপর ক্রাশ খেয়েছিল। কারণ রোহণ ছিল অনেক হ্যান্ডসাম, লম্বা একদম সিনেমার হিরোদের মতো। ঋত্বিকার বন্ধুরা রোহণের সাথে রিলেশন করিয়ে দেবার জন্য পিড়াপিড়ি করত। ঋত্বিকার কাছে, রোহন ছিল তার নায়ক, তার রক্ষাকর্তা। কিন্তু যখনই সে তার বন্ধুদের তার সাথে ফ্লার্ট করতে দেখে তখন সে একটু ঈর্ষান্বিত বোধ করতে থাকে, সে মনে করে তার দাদাভাই শুধু তার একার, অন্য কারও হতে পারেনা।<br />
<br />
            একদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। টাই ঋত্বিকা আর কলেজে যায়নি, আর এদিকে রোহণও ইউনিভারসিটি যায়নি। সেদিন সারাদিন দুই ভাইবোন বাড়িতেই ছিল। এর আগেও তারা দুইভাই ছুটির দিনে একসঙ্গে থেকেছে। কিন্তু ঋত্বিকার কাছে আজকের দিনটা ছিল অন্যরকম। এর আগে ঋত্বিকার মনে তার দাদাভাইকে নিয়ে অন্য রকম ভাবনা ছিলনা। কিন্তু আজ তার কাছে তার দাদাভাই তার ক্রাশ। তার দাদাভাইকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সে এওজানে তার দাদাভাইয়ের তার জন্য বোন ছাড়া অন্যরকম ভাবনা নেই। সকাল থেকেই সে তার দাদাভাইয়ের উপর নজর রেখেছে। কাল ঋত্বিকার বন্ধু শমিতা ওকে একটা ভিডিও দেখিয়েছে। ভিডিওতে শমিতা তার দাদার লিঙ্গচুষে খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর শমিতা হাঁ করে জিভ বের করে থাকলে ওর দাদার লিঙ্গ থেকে পিচকিরির ন্যায় প্রায় এক কাপ বীর্য ওর মুখের মধ্যে জিভে এসে পড়ে আর শমিতা তা তৃপ্তি ভরে খেয়ে নেয়। ব্যাপারটা দেখে ঋত্বিকার প্রথমে ঘৃণা লাগছিল।<br />
<br />
          সে শমিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল ,”এই শমিতা, এটা তুই কি খেলি। তোর ঘৃণা লাগেনি।“<br />
<br />
        শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ঘৃণা? কিসের ঘৃণা? আমারতো ভীষণ টেষ্টি লাগল।“ <br />
ঋত্বিকা আবার জিজ্ঞেস করে,”এটা কি কোন খাবার জিনিস? এটা খেলে তো শরীর খারাপ করতে পারে?”<br />
<br />
          শমিতা উত্তর দিয়েছিল,”ধুর, কি যে বলিস। ওটা ছিল বীর্য, মানে বীজ। তুই খেয়াল করে দেখ এই পৃথিবীতে মাংসাশী প্রাণী ছাড়া সব প্রাণীই যা খেয়ে বেঁচে থাকে, তার বেশির ভাগই কোনও না কোনও গাছের বীজ, যেমন চাল, গম, ভুট্টা থেকেই আটা, ময়দা তৈরি হয়। তাছাড়া তুই যে কোন গাছের বীজ তুই খেতে পারিস, তাতে প্রোটিন, শর্করা থাকে, ক্ষতিকারক বস্তু খুব কমই থাকে।“ <br />
  <br />
          ঋত্বিকা ফের জিজ্ঞেস করেছিল,”কিন্তু সেটা তো গাছের, উদ্ভিদের, কোন প্রাণীর না?”    <br />
<br />
        শমিতা  বলে,” ঠিকই বলেছিস, কিন্তু সব প্রাণীর বীর্যেই কোন ক্ষতিকারক কিছু থাকেনা, উল্টে প্রোটিন, শর্করা, আইরন এইসব থাকে। তুই কি ভেবেছিস- ওই বীর্য থেকেই একটা প্রানের উদ্ভব হয়? সুতরাং বীর্যের মধ্যে খারাপ কিছু থাকতেই পারে না।“  <br />
<br />
        “তারমানে তুই যে কারও বীর্য তৃপ্তি ভরে খেয়ে নিবি, তোর কোন ঘৃণা করবে না?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।<br />
<br />
        “না সবার না, আমি যাদের খুব ভালবাসি কিংবা পছন্দ করি শুধু তাদের, যেমন আমার দাদা,বাবা।“ শমিতা বলে। <br />
<br />
        “তারমানে তুই তোর বাবারও খেয়েছিস?” ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে।<br />
<br />
        “আরে না। আমার বাবাও আমার কাছে হিরো। বাবা খুব সৎ মানুষ, ভীষণ পরোপকারী। আমার মা ছাড়া অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকায়ই না, আমার দাদাও তাই। এইজন্যই আমি আমার দাদা আর বাবার প্রতি ক্রাশ খেয়ে বসে আছি। দেখিসনা আমি কিন্তু অন্য ছেলেদের দিকে তাকাইনা।“ শমিতা বলে।<br />
<br />
          ঋত্বিকা জিজ্ঞেস করে,”এদিকে বলছিস তোর দাদা ভালো, আর সে তার বোনের সাথে এইসব করে বেড়াচ্ছে?”<br />
<br />
<br />
চলবে ......</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কামুক শ্বশুর ও ভাসুর( By: Bengali Writer)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=75</link>
			<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 08:46:44 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=75</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">কামুক শ্বশুর ও ভাসুর<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">পর্ব - ১ : বার্ষিকী</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
আজ ঋত্বিকার বিবাহ বার্ষিকী।</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের মূখার্জী ম্যানসনটা আজ সকাল থেকেই আলোয় ঝলমল করছে। গেটের বাইরে সারি সারি গাড়ি। ভেতরে লন জুড়ে সাদা আর গোলাপি অর্কিডের ডেকোরেশন। কলকাতার বড় বড় বিজনেস হাউস থেকে মন্ত্রী-আমলা সবাই আমন্ত্রিত। কিন্তু যাকে ঘিরে এত আয়োজন, সে এখনও নিজের ঘরে আয়নার সামনে বসে।<br />
<br />
ঋত্বিকা মুখার্জী।<br />
<br />
চব্বিশ বছর বয়স। গায়ের রং যেন দুধে আলতা মেশানো, টিকালো নাক, টানা টানা চোখ। চোখ দুটোতে এক অদ্ভুত মায়া আছে, আবার তেজও আছে। বাবার আদরের দুলালী বলতে যা বোঝায়, ঋত্বিকা ঠিক তাই। কলকাতার অন্যতম ধনী প্রতিষ্ঠান, এবি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর কর্ণধার অরিন্দম মুখার্জীর একমাত্র মেয়ে।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জীকে কলকাতার বিজনেস সার্কেলে সবাই এক ডাকে চেনে। লোকে বলে, লোকটার মাথা বরফের মতো ঠান্ডা আর সিদ্ধান্ত ইস্পাতের মতো শক্ত। শূন্য থেকে আজকের এই সাম্রাজ্য বানিয়েছেন। স্টিল, সিমেন্ট, রিয়েল এস্টেট, আইটি - কোথায় নেই এবি গ্রুপ! এমন বাবার মেয়ে ঋত্বিকা, তার জন্য পাত্রের অভাব হওয়ার কথা নয়।<br />
<br />
সত্যি বলতে, অভাব হয়ও নি।<br />
<br />
ঋত্বিকা যখন সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে পড়ত, তখন থেকেই তার পেছনে লাইন লেগে থাকত। কলকাতার বড় বড় বাড়ির ছেলেরা তো ছিলই, দিল্লির এক রাজনৈতিক পরিবার থেকে, মুম্বাইয়ের এক নামকরা হীরে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেও সম্বন্ধ এসেছিল। অরিন্দম মুখার্জী চাইলেই মেয়েকে আরও বড় কোনো সাম্রাজ্যের সঙ্গে জুড়ে দিতে পারতেন। বিজনেস আরও দশগুণ বাড়ত।<br />
<br />
কিন্তু অরিন্দম সেটা করেন নি।<br />
<br />
একদিন সন্ধ্যায় ঋত্বিকা কলেজ থেকে ফিরে বাবার স্টাডি রুমে ঢুকেছিল। হাতে দুটো কফির কাপ। একটা বাবার জন্য, একটা নিজের।<br />
<br />
বাবা বললেন, "কি রে মা, কিছু বলবি?"<br />
<br />
ঋত্বিকা একটু ইতস্তত করে বলেছিল, "বাবা, আমার ক্লাসের একটা ছেলে আছে, দেবাশিস। ও... ও আমাকে খুব ভালোবাসে। আমিও..."<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন মেয়েকে থামান নি। বকেনও নি। শুধু চশমাটা খুলে টেবিলে রেখে বলেছিলেন, "ছেলেটাকে কাল সন্ধ্যায় বাড়িতে নিয়ে আয়। আমি কথা বলব।"<br />
<br />
পরের দিন দেবাশিস এসেছিল। একটা পুরনো কিন্তু ইস্ত্রি করা সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট। পায়ে ধুলো লাগা চটি। চোখে একরাশ ভয় আর সম্মান।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন দেবাশিসের বাবা কে, তার বংশ কি, তার কত টাকা আছে - একটা প্রশ্নও করেন নি। তিনি শুধু দেবাশিসকে নিয়ে লাইব্রেরিতে বসেছিলেন প্রায় দু'ঘন্টা। কখনও কোম্পানি ল নিয়ে প্রশ্ন, কখনও কনস্টিটিউশন নিয়ে তর্ক, কখনও একটা কাল্পনিক মার্ডার কেস দিয়ে বলেছেন - "এবার বলো, তুমি ডিফেন্স হলে কি করতে?"<br />
<br />
দেবাশিস ঘেমে-নেয়ে একাকার হয়ে গেলেও, একটাও প্রশ্নের উত্তর ফাঁকি দেয় নি। তার চোখ জ্বলজ্বল করছিল।<br />
<br />
দু'ঘন্টা পর অরিন্দম উঠে দাঁড়ালেন। দেবাশিসের কাঁধে হাত রেখে বললেন,<br />
<br />
"শোনো বাবা দেবাশিস, তোমার বাবা কি করে, তোমার মা কি করে, তোমার পূর্বপুরুষ কারা ছিল, আমি কিচ্ছু জানতে চাই না। আমার ওসবে কোনো ইন্টারেস্ট নেই। আমি শুধু আজ থেকে একটা জিনিস জানব - তুমি আমার মেয়ে ঋত্বিকার স্বামী। তোমার বংশ পরিচয় আজ থেকে আমারটা। তুমি আজ থেকে দেবাশিস মুখার্জী। আমার ছেলে।"<br />
<br />
দেবাশিসের গল্পটা যে খুব সহজ ছিল, তা নয়।<br />
<br />
সে ছিল বজবজের কাছে এক জেলে পাড়ার ছেলে। বাবা ভোরবেলা গঙ্গা থেকে মাছ ধরে এনে বাজারে বিক্রি করত, আর সন্ধ্যায় সেই টাকায় চোলাই খেয়ে বউকে পেটাতো। একটা দাদা আছে, সে বাবার সঙ্গেই মাছের ব্যবসায় ঢুকে গেছে। পাড়ার সবাই ভেবেছিল দেবাশিসও ওই একই লাইনে যাবে।<br />
<br />
কিন্তু দেবাশিস যায় নি।<br />
<br />
ছোটবেলা থেকে তার একটাই জেদ ছিল - পড়াশোনা। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়েছে, কলেজের মাস্টারমশাইদের কাছে বিনা পয়সায় বই চেয়ে এনেছে। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে তাক লাগানো রেজাল্ট করে সে কলকাতায় চলে আসে। হাজরা মোড়ে একটা ছোট্ট মেসে থাকত, সারাদিন কলেজ, আর সন্ধ্যায় দুটো টিউশনি। ওই টাকাতেই নিজের মেস ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া। কখনও কখনও রাতে না খেয়েও থেকেছে, কিন্তু বই ছাড়ে নি।<br />
<br />
আর আজ?<br />
<br />
আজ সেই জেলে পাড়ার ছেলেটাই ঋত্বিকার স্বামী।<br />
<br />
যে ঋত্বিকাকে পাওয়ার জন্য দিল্লি-মুম্বাইয়ের রাজপুত্ররা হত্যে দিয়ে পড়েছিল, সে আজ দেবাশিসের বুকে মাথা রেখে ঘুমায়। যে ঋত্বিকাকে এক ঝলক দেখার জন্য কলেজের ছেলেরা গেটের বাইরে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকত, সে আজ দেবাশিসের জন্য নিজের হাতে কফি বানায়।<br />
<br />
আর দেবাশিসের আরেকটা পরিচয় আছে, যেটা আজ কলকাতার কর্পোরেট মহলে সবাই সমীহ করে।<br />
<br />
সে আজ এবি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্টের হেড। বয়স তিরিশও পেরোয় নি, অথচ তার সই ছাড়া কোম্পানির একটা পাতাও নড়ে না। অরিন্দম মুখার্জী নিজে বলেন, "আমার কোম্পানির সবচেয়ে বড় অ্যাসেট আমার জামাই।"<br />
<br />
নিচ থেকে ঋত্বিকার নাম ধরে ডাক এল।<br />
<br />
ঋত্বিকা আয়নায় শেষবার নিজেকে দেখল। লাল বেনারসি, কপালে ছোট্ট টিপ, সিঁথিতে জ্বলজ্বল করছে সিঁদুর। আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে এই সিঁদুরটাই দেবাশিস তার সিঁথিতে পরিয়ে দিয়েছিল।<br />
<br />
সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে ঋত্বিকা দেখল, দেবাশিস নিচে দাঁড়িয়ে আছে। কালো পাঞ্জাবিতে ছেলেটাকে আজ রাজপুত্রের মতো লাগছে। ঋত্বিকাকে দেখে দেবাশিস হাসল। সেই হাসিতে কোনো জৌলুস নেই, কোনো অহংকার নেই, আছে শুধু একরাশ ভালোবাসা।<br />
<br />
ঋত্বিকা মনে মনে ভাবল, বাবা ঠিকই চিনেছিল মানুষটাকে।<br />
<br />
পর্ব ১ - দ্বিতীয় অংশ : ভোরের মাধুরী<br />
<br />
গত রাতের হই-হুল্লোড় থেমে গেছে অনেকক্ষণ।<br />
<br />
বালিগঞ্জের মুখার্জী ম্যানসনের ঝাড়বাতিগুলো এখন নেভানো। বাইরের লনে যে সাদা-গোলাপী অর্কিড দিয়ে সাজানো হয়েছিল, তার কিছু পাপড়ি এখন ঘাসের ওপর পড়ে আছে। ক্যাটারিং-এর লোকজন রাতেই চলে গেছে। পড়ে আছে শুধু কিছু ভাঙা প্লেট, এঁটো গ্লাস আর গোলাপজলের গন্ধ।<br />
<br />
দোতলার কর্নারের ঘরটা এখনও অন্ধকার।<br />
<br />
ঋত্বিকা আর দেবাশিস ঘুমাচ্ছে। গতকাল সারাদিনের ধকল, রাতভর অতিথি সামলানো - দুজনেই ক্লান্ত। ঋত্বিকার মাথাটা দেবাশিসের বুকে, দেবাশিসের একটা হাত ঋত্বিকার কোমরে। নিশ্চিন্ত, নির্ভার ঘুম। এই বাড়িতে ওদের ঘুম ভাঙানোর কেউ নেই।<br />
<br />
কিন্তু বাড়ির বাকি অংশ জেগে গেছে ভোর ছ'টাতেই।<br />
<br />
মাধুরী মুখার্জী।<br />
<br />
এই বাড়ির কর্ত্রী। অরিন্দম মুখার্জী অফিসে সবার বস হতে পারেন, বোর্ড মিটিং-এ তার এক ধমকে সবাই কেঁপে ওঠে, কিন্তু এই মুখার্জী ম্যানসনের চৌকাঠ পেরোলেই তার রাজত্ব শেষ। এখানে শেষ কথা বলেন মাধুরী।<br />
<br />
বয়স পঞ্চান্ন ছুঁই ছুঁই, কিন্তু দেখলে মনে হয় চল্লিশ। সবসময় পরিপাটি। ভোরবেলা স্নান সেরে একটা হালকা রঙের তাঁতের শাড়ি পরে ফেলেছেন। কপালে সিঁদুর, হাতে শাঁখা-পলা।<br />
<br />
তিনি এখন নিচে দাঁড়িয়ে সব তদারকি করছেন।<br />
<br />
"এই বিমলা, ফুলগুলো তুলে এক জায়গায় কর। ওগুলো গঙ্গায় দিয়ে আসতে হবে। আর শোন, দোতলায় যেন কোনো আওয়াজ না হয়। ছোট মেয়ে আর জামাই ঘুমাচ্ছে।"<br />
<br />
তাঁর গলায় কোনো চিৎকার নেই, কিন্তু একটা এমন ধীর স্থির আদেশ আছে, যেটা অমান্য করার সাহস বাড়ির পুরনো কাজের লোকেদেরও নেই। মাধুরী মুখার্জীকে এই বাড়ির সবাই শুধু ভয় পায় না, শ্রদ্ধাও করে। কারণ তিনি বকেন কম, আগলে রাখেন বেশি।<br />
<br />
আর মাধুরীর এই সকালের সব কাজের ছায়াসঙ্গী হয়ে পাশে পাশে ঘুরছে আরেকজন।<br />
<br />
গুনগুন মুখার্জী।<br />
<br />
বাড়ির বড় বউ। সৌরভ মুখার্জীর স্ত্রী।<br />
<br />
গুনগুনের বয়স আঠাশ। কিন্তু এই বয়সেই তার মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিণতমনস্কতা আছে। ফর্সা, ছিপছিপে গড়ন, চোখে সবসময় একটা শান্ত ভাব। সে সবসময় শাড়ি পরে। আর এমনভাবে শাড়ি পরে যে, তাকে দেখলেই মনে হয় - কথাটা বোধহয় তার জন্যই লেখা হয়েছিল, 'শাড়িতে নারী'। আজ পরেছে একটা হালকা হলুদ সুতির শাড়ি, আঁচলটা কোমরে গোঁজা।<br />
<br />
মাধুরী তাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসে। বরং মেয়ে ঋত্বিকার চেয়েও বেশি যেন ভরসা করে এই বড় বউয়ের ওপর।<br />
<br />
"গুনগুন, মা, ওই মিষ্টির হাঁড়িগুলো ফ্রিজে তুলে রাখ তো। নষ্ট হয়ে যাবে।"<br />
<br />
"হ্যাঁ মা, যাচ্ছি।"<br />
<br />
গুনগুনের জীবনের গল্পটা কিন্তু এই বাড়ির মতো মসৃণ ছিল না।<br />
<br />
গুনগুনের বাবা ছিলেন কলকাতার আরেক বিজনেস টাইকুন - শশাঙ্ক সেন। একসময় যার নামে কলকাতা কাঁপত। কিন্তু বছর তিনেক আগে একটা ঘটনা সব শেষ করে দেয়। এক নারী কর্মচারীকে রাগের মাথায় অফিসের মধ্যেই চড় মেরেছিলেন তিনি। কেউ একজন ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়। রাতারাতি ভাইরাল। মিডিয়া, ক্যানসেল কালচার, বিজনেস পার্টনাররা একে একে সরে যায়, শেয়ারের দাম পড়তে থাকে হু হু করে। ব্যাংক লোন শোধ করতে না পারায় ঋণখেলাপি ঘোষণা করা হয়। এখন তিনি পলাতক। কোথায় আছেন, কেউ জানে না।<br />
<br />
এই ঘটনার পর অনেকেই ভেবেছিল, মুখার্জী পরিবার হয়তো গুনগুনকে আর মানবে না। বড়লোক বাড়িতে তো এমনই হয়। কিন্তু না।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন সবাইকে ডেকে একটা কথাই বলেছিলেন, "গুনগুন আমার ছেলের বউ। তার বাবা কি করেছে, তার দায় তার নয়। ও এই বাড়ির লক্ষ্মী ছিল, লক্ষ্মীই থাকবে।"<br />
<br />
সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত শ্বশুরবাড়িতে কেউ কোনোদিন গুনগুনকে তার বাবার নাম তুলে একটা কথাও শোনায় নি। বরং মাধুরী তাকে আরও বেশি করে আগলে ধরেছেন।<br />
<br />
মাধুরী নিজে অত্যন্ত ধার্মিক মহিলা। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ধর্মীয় বই পড়েন। আর সেই গীতা পড়ে শোনান গুনগুনকে। গুনগুনও শিক্ষিতা, রবীন্দ্রভারতী থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছে, আবার ধর্মেও মতি আছে। শাশুড়ি-বউমার এই বন্ডিংটা এই বাড়ির সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যগুলোর একটা।<br />
<br />
মাধুরী প্রায়ই বলেন, "আমার দুটো মেয়ে। একটা ঋত্বিকা, যে আমাকে জ্বালায়। আর একটা গুনগুন, যে আমাকে শান্তি দেয়।"<br />
<br />
এমন সময় ওপর থেকে ছোট্ট পায়ের আওয়াজ।<br />
<br />
"ঠাম্মি!"<br />
<br />
চার বছরের প্রতীক মুখার্জী। সৌরভ আর গুনগুনের ছেলে। এই বাড়ির প্রাণ। ঘুম থেকে উঠেই এক দৌড়ে নিচে নেমে এসেছে। চোখে তখনও ঘুম লেগে আছে।<br />
<br />
গুনগুন ছুটে গিয়ে ছেলেকে কোলে তুলে নিল।<br />
<br />
সৌরভ মুখার্জী - বাড়ির বড় ছেলে। বয়স চৌত্রিশ। বাবার মতোই লম্বা-চওড়া, কিন্তু বাবার মতো কঠিন নয়। বরং নরম মনের মানুষ। এবি গ্রুপের ফিনান্সটা এখন সেই দেখে। বাবা-মায়ের বাধ্য ছেলে, আর গুনগুনের বাধ্য স্বামী। সৌরভের বিয়ে হয়েছে ছয় বছর হলো। ভালোবেসেই বিয়ে, কিন্তু দুই পরিবারের সম্মতিতে।<br />
<br />
প্রতীককে কোলে নিয়ে গুনগুন বলল, "আস্তে বাবা, পিসিমণি আর পিসেমশাই ঘুমাচ্ছে যে।"<br />
<br />
প্রতীক ফিসফিস করে বলল, "পিসিমণির বেবি কবে আসবে মা? আমার মতো?"<br />
<br />
এই প্রশ্ন শুনে মাধুরী আর গুনগুন দুজনেই হেসে ফেলল। রান্নাঘর থেকে চায়ের গন্ধ ভেসে আসছে। সকালের আলো এসে পড়েছে মুখার্জী ম্যানসনের উঠোনে।<br />
<br />
ওপরে দোতলার ঘরে তখনও দুজন মানুষ গভীর ঘুমে। তারা জানে না, নিচে তাদের জন্য একটা গোটা পরিবার কত যত্নে, কত ভালোবাসায় একটা সকালকে সাজিয়ে তুলছে।</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">কামুক শ্বশুর ও ভাসুর<br />
</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">পর্ব - ১ : বার্ষিকী</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
আজ ঋত্বিকার বিবাহ বার্ষিকী।</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের মূখার্জী ম্যানসনটা আজ সকাল থেকেই আলোয় ঝলমল করছে। গেটের বাইরে সারি সারি গাড়ি। ভেতরে লন জুড়ে সাদা আর গোলাপি অর্কিডের ডেকোরেশন। কলকাতার বড় বড় বিজনেস হাউস থেকে মন্ত্রী-আমলা সবাই আমন্ত্রিত। কিন্তু যাকে ঘিরে এত আয়োজন, সে এখনও নিজের ঘরে আয়নার সামনে বসে।<br />
<br />
ঋত্বিকা মুখার্জী।<br />
<br />
চব্বিশ বছর বয়স। গায়ের রং যেন দুধে আলতা মেশানো, টিকালো নাক, টানা টানা চোখ। চোখ দুটোতে এক অদ্ভুত মায়া আছে, আবার তেজও আছে। বাবার আদরের দুলালী বলতে যা বোঝায়, ঋত্বিকা ঠিক তাই। কলকাতার অন্যতম ধনী প্রতিষ্ঠান, এবি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর কর্ণধার অরিন্দম মুখার্জীর একমাত্র মেয়ে।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জীকে কলকাতার বিজনেস সার্কেলে সবাই এক ডাকে চেনে। লোকে বলে, লোকটার মাথা বরফের মতো ঠান্ডা আর সিদ্ধান্ত ইস্পাতের মতো শক্ত। শূন্য থেকে আজকের এই সাম্রাজ্য বানিয়েছেন। স্টিল, সিমেন্ট, রিয়েল এস্টেট, আইটি - কোথায় নেই এবি গ্রুপ! এমন বাবার মেয়ে ঋত্বিকা, তার জন্য পাত্রের অভাব হওয়ার কথা নয়।<br />
<br />
সত্যি বলতে, অভাব হয়ও নি।<br />
<br />
ঋত্বিকা যখন সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে পড়ত, তখন থেকেই তার পেছনে লাইন লেগে থাকত। কলকাতার বড় বড় বাড়ির ছেলেরা তো ছিলই, দিল্লির এক রাজনৈতিক পরিবার থেকে, মুম্বাইয়ের এক নামকরা হীরে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেও সম্বন্ধ এসেছিল। অরিন্দম মুখার্জী চাইলেই মেয়েকে আরও বড় কোনো সাম্রাজ্যের সঙ্গে জুড়ে দিতে পারতেন। বিজনেস আরও দশগুণ বাড়ত।<br />
<br />
কিন্তু অরিন্দম সেটা করেন নি।<br />
<br />
একদিন সন্ধ্যায় ঋত্বিকা কলেজ থেকে ফিরে বাবার স্টাডি রুমে ঢুকেছিল। হাতে দুটো কফির কাপ। একটা বাবার জন্য, একটা নিজের।<br />
<br />
বাবা বললেন, "কি রে মা, কিছু বলবি?"<br />
<br />
ঋত্বিকা একটু ইতস্তত করে বলেছিল, "বাবা, আমার ক্লাসের একটা ছেলে আছে, দেবাশিস। ও... ও আমাকে খুব ভালোবাসে। আমিও..."<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন মেয়েকে থামান নি। বকেনও নি। শুধু চশমাটা খুলে টেবিলে রেখে বলেছিলেন, "ছেলেটাকে কাল সন্ধ্যায় বাড়িতে নিয়ে আয়। আমি কথা বলব।"<br />
<br />
পরের দিন দেবাশিস এসেছিল। একটা পুরনো কিন্তু ইস্ত্রি করা সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট। পায়ে ধুলো লাগা চটি। চোখে একরাশ ভয় আর সম্মান।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন দেবাশিসের বাবা কে, তার বংশ কি, তার কত টাকা আছে - একটা প্রশ্নও করেন নি। তিনি শুধু দেবাশিসকে নিয়ে লাইব্রেরিতে বসেছিলেন প্রায় দু'ঘন্টা। কখনও কোম্পানি ল নিয়ে প্রশ্ন, কখনও কনস্টিটিউশন নিয়ে তর্ক, কখনও একটা কাল্পনিক মার্ডার কেস দিয়ে বলেছেন - "এবার বলো, তুমি ডিফেন্স হলে কি করতে?"<br />
<br />
দেবাশিস ঘেমে-নেয়ে একাকার হয়ে গেলেও, একটাও প্রশ্নের উত্তর ফাঁকি দেয় নি। তার চোখ জ্বলজ্বল করছিল।<br />
<br />
দু'ঘন্টা পর অরিন্দম উঠে দাঁড়ালেন। দেবাশিসের কাঁধে হাত রেখে বললেন,<br />
<br />
"শোনো বাবা দেবাশিস, তোমার বাবা কি করে, তোমার মা কি করে, তোমার পূর্বপুরুষ কারা ছিল, আমি কিচ্ছু জানতে চাই না। আমার ওসবে কোনো ইন্টারেস্ট নেই। আমি শুধু আজ থেকে একটা জিনিস জানব - তুমি আমার মেয়ে ঋত্বিকার স্বামী। তোমার বংশ পরিচয় আজ থেকে আমারটা। তুমি আজ থেকে দেবাশিস মুখার্জী। আমার ছেলে।"<br />
<br />
দেবাশিসের গল্পটা যে খুব সহজ ছিল, তা নয়।<br />
<br />
সে ছিল বজবজের কাছে এক জেলে পাড়ার ছেলে। বাবা ভোরবেলা গঙ্গা থেকে মাছ ধরে এনে বাজারে বিক্রি করত, আর সন্ধ্যায় সেই টাকায় চোলাই খেয়ে বউকে পেটাতো। একটা দাদা আছে, সে বাবার সঙ্গেই মাছের ব্যবসায় ঢুকে গেছে। পাড়ার সবাই ভেবেছিল দেবাশিসও ওই একই লাইনে যাবে।<br />
<br />
কিন্তু দেবাশিস যায় নি।<br />
<br />
ছোটবেলা থেকে তার একটাই জেদ ছিল - পড়াশোনা। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়েছে, কলেজের মাস্টারমশাইদের কাছে বিনা পয়সায় বই চেয়ে এনেছে। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে তাক লাগানো রেজাল্ট করে সে কলকাতায় চলে আসে। হাজরা মোড়ে একটা ছোট্ট মেসে থাকত, সারাদিন কলেজ, আর সন্ধ্যায় দুটো টিউশনি। ওই টাকাতেই নিজের মেস ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া। কখনও কখনও রাতে না খেয়েও থেকেছে, কিন্তু বই ছাড়ে নি।<br />
<br />
আর আজ?<br />
<br />
আজ সেই জেলে পাড়ার ছেলেটাই ঋত্বিকার স্বামী।<br />
<br />
যে ঋত্বিকাকে পাওয়ার জন্য দিল্লি-মুম্বাইয়ের রাজপুত্ররা হত্যে দিয়ে পড়েছিল, সে আজ দেবাশিসের বুকে মাথা রেখে ঘুমায়। যে ঋত্বিকাকে এক ঝলক দেখার জন্য কলেজের ছেলেরা গেটের বাইরে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকত, সে আজ দেবাশিসের জন্য নিজের হাতে কফি বানায়।<br />
<br />
আর দেবাশিসের আরেকটা পরিচয় আছে, যেটা আজ কলকাতার কর্পোরেট মহলে সবাই সমীহ করে।<br />
<br />
সে আজ এবি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্টের হেড। বয়স তিরিশও পেরোয় নি, অথচ তার সই ছাড়া কোম্পানির একটা পাতাও নড়ে না। অরিন্দম মুখার্জী নিজে বলেন, "আমার কোম্পানির সবচেয়ে বড় অ্যাসেট আমার জামাই।"<br />
<br />
নিচ থেকে ঋত্বিকার নাম ধরে ডাক এল।<br />
<br />
ঋত্বিকা আয়নায় শেষবার নিজেকে দেখল। লাল বেনারসি, কপালে ছোট্ট টিপ, সিঁথিতে জ্বলজ্বল করছে সিঁদুর। আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে এই সিঁদুরটাই দেবাশিস তার সিঁথিতে পরিয়ে দিয়েছিল।<br />
<br />
সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে ঋত্বিকা দেখল, দেবাশিস নিচে দাঁড়িয়ে আছে। কালো পাঞ্জাবিতে ছেলেটাকে আজ রাজপুত্রের মতো লাগছে। ঋত্বিকাকে দেখে দেবাশিস হাসল। সেই হাসিতে কোনো জৌলুস নেই, কোনো অহংকার নেই, আছে শুধু একরাশ ভালোবাসা।<br />
<br />
ঋত্বিকা মনে মনে ভাবল, বাবা ঠিকই চিনেছিল মানুষটাকে।<br />
<br />
পর্ব ১ - দ্বিতীয় অংশ : ভোরের মাধুরী<br />
<br />
গত রাতের হই-হুল্লোড় থেমে গেছে অনেকক্ষণ।<br />
<br />
বালিগঞ্জের মুখার্জী ম্যানসনের ঝাড়বাতিগুলো এখন নেভানো। বাইরের লনে যে সাদা-গোলাপী অর্কিড দিয়ে সাজানো হয়েছিল, তার কিছু পাপড়ি এখন ঘাসের ওপর পড়ে আছে। ক্যাটারিং-এর লোকজন রাতেই চলে গেছে। পড়ে আছে শুধু কিছু ভাঙা প্লেট, এঁটো গ্লাস আর গোলাপজলের গন্ধ।<br />
<br />
দোতলার কর্নারের ঘরটা এখনও অন্ধকার।<br />
<br />
ঋত্বিকা আর দেবাশিস ঘুমাচ্ছে। গতকাল সারাদিনের ধকল, রাতভর অতিথি সামলানো - দুজনেই ক্লান্ত। ঋত্বিকার মাথাটা দেবাশিসের বুকে, দেবাশিসের একটা হাত ঋত্বিকার কোমরে। নিশ্চিন্ত, নির্ভার ঘুম। এই বাড়িতে ওদের ঘুম ভাঙানোর কেউ নেই।<br />
<br />
কিন্তু বাড়ির বাকি অংশ জেগে গেছে ভোর ছ'টাতেই।<br />
<br />
মাধুরী মুখার্জী।<br />
<br />
এই বাড়ির কর্ত্রী। অরিন্দম মুখার্জী অফিসে সবার বস হতে পারেন, বোর্ড মিটিং-এ তার এক ধমকে সবাই কেঁপে ওঠে, কিন্তু এই মুখার্জী ম্যানসনের চৌকাঠ পেরোলেই তার রাজত্ব শেষ। এখানে শেষ কথা বলেন মাধুরী।<br />
<br />
বয়স পঞ্চান্ন ছুঁই ছুঁই, কিন্তু দেখলে মনে হয় চল্লিশ। সবসময় পরিপাটি। ভোরবেলা স্নান সেরে একটা হালকা রঙের তাঁতের শাড়ি পরে ফেলেছেন। কপালে সিঁদুর, হাতে শাঁখা-পলা।<br />
<br />
তিনি এখন নিচে দাঁড়িয়ে সব তদারকি করছেন।<br />
<br />
"এই বিমলা, ফুলগুলো তুলে এক জায়গায় কর। ওগুলো গঙ্গায় দিয়ে আসতে হবে। আর শোন, দোতলায় যেন কোনো আওয়াজ না হয়। ছোট মেয়ে আর জামাই ঘুমাচ্ছে।"<br />
<br />
তাঁর গলায় কোনো চিৎকার নেই, কিন্তু একটা এমন ধীর স্থির আদেশ আছে, যেটা অমান্য করার সাহস বাড়ির পুরনো কাজের লোকেদেরও নেই। মাধুরী মুখার্জীকে এই বাড়ির সবাই শুধু ভয় পায় না, শ্রদ্ধাও করে। কারণ তিনি বকেন কম, আগলে রাখেন বেশি।<br />
<br />
আর মাধুরীর এই সকালের সব কাজের ছায়াসঙ্গী হয়ে পাশে পাশে ঘুরছে আরেকজন।<br />
<br />
গুনগুন মুখার্জী।<br />
<br />
বাড়ির বড় বউ। সৌরভ মুখার্জীর স্ত্রী।<br />
<br />
গুনগুনের বয়স আঠাশ। কিন্তু এই বয়সেই তার মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিণতমনস্কতা আছে। ফর্সা, ছিপছিপে গড়ন, চোখে সবসময় একটা শান্ত ভাব। সে সবসময় শাড়ি পরে। আর এমনভাবে শাড়ি পরে যে, তাকে দেখলেই মনে হয় - কথাটা বোধহয় তার জন্যই লেখা হয়েছিল, 'শাড়িতে নারী'। আজ পরেছে একটা হালকা হলুদ সুতির শাড়ি, আঁচলটা কোমরে গোঁজা।<br />
<br />
মাধুরী তাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসে। বরং মেয়ে ঋত্বিকার চেয়েও বেশি যেন ভরসা করে এই বড় বউয়ের ওপর।<br />
<br />
"গুনগুন, মা, ওই মিষ্টির হাঁড়িগুলো ফ্রিজে তুলে রাখ তো। নষ্ট হয়ে যাবে।"<br />
<br />
"হ্যাঁ মা, যাচ্ছি।"<br />
<br />
গুনগুনের জীবনের গল্পটা কিন্তু এই বাড়ির মতো মসৃণ ছিল না।<br />
<br />
গুনগুনের বাবা ছিলেন কলকাতার আরেক বিজনেস টাইকুন - শশাঙ্ক সেন। একসময় যার নামে কলকাতা কাঁপত। কিন্তু বছর তিনেক আগে একটা ঘটনা সব শেষ করে দেয়। এক নারী কর্মচারীকে রাগের মাথায় অফিসের মধ্যেই চড় মেরেছিলেন তিনি। কেউ একজন ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়। রাতারাতি ভাইরাল। মিডিয়া, ক্যানসেল কালচার, বিজনেস পার্টনাররা একে একে সরে যায়, শেয়ারের দাম পড়তে থাকে হু হু করে। ব্যাংক লোন শোধ করতে না পারায় ঋণখেলাপি ঘোষণা করা হয়। এখন তিনি পলাতক। কোথায় আছেন, কেউ জানে না।<br />
<br />
এই ঘটনার পর অনেকেই ভেবেছিল, মুখার্জী পরিবার হয়তো গুনগুনকে আর মানবে না। বড়লোক বাড়িতে তো এমনই হয়। কিন্তু না।<br />
<br />
অরিন্দম মুখার্জী সেদিন সবাইকে ডেকে একটা কথাই বলেছিলেন, "গুনগুন আমার ছেলের বউ। তার বাবা কি করেছে, তার দায় তার নয়। ও এই বাড়ির লক্ষ্মী ছিল, লক্ষ্মীই থাকবে।"<br />
<br />
সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত শ্বশুরবাড়িতে কেউ কোনোদিন গুনগুনকে তার বাবার নাম তুলে একটা কথাও শোনায় নি। বরং মাধুরী তাকে আরও বেশি করে আগলে ধরেছেন।<br />
<br />
মাধুরী নিজে অত্যন্ত ধার্মিক মহিলা। প্রতিদিন সন্ধ্যায় ধর্মীয় বই পড়েন। আর সেই গীতা পড়ে শোনান গুনগুনকে। গুনগুনও শিক্ষিতা, রবীন্দ্রভারতী থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছে, আবার ধর্মেও মতি আছে। শাশুড়ি-বউমার এই বন্ডিংটা এই বাড়ির সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যগুলোর একটা।<br />
<br />
মাধুরী প্রায়ই বলেন, "আমার দুটো মেয়ে। একটা ঋত্বিকা, যে আমাকে জ্বালায়। আর একটা গুনগুন, যে আমাকে শান্তি দেয়।"<br />
<br />
এমন সময় ওপর থেকে ছোট্ট পায়ের আওয়াজ।<br />
<br />
"ঠাম্মি!"<br />
<br />
চার বছরের প্রতীক মুখার্জী। সৌরভ আর গুনগুনের ছেলে। এই বাড়ির প্রাণ। ঘুম থেকে উঠেই এক দৌড়ে নিচে নেমে এসেছে। চোখে তখনও ঘুম লেগে আছে।<br />
<br />
গুনগুন ছুটে গিয়ে ছেলেকে কোলে তুলে নিল।<br />
<br />
সৌরভ মুখার্জী - বাড়ির বড় ছেলে। বয়স চৌত্রিশ। বাবার মতোই লম্বা-চওড়া, কিন্তু বাবার মতো কঠিন নয়। বরং নরম মনের মানুষ। এবি গ্রুপের ফিনান্সটা এখন সেই দেখে। বাবা-মায়ের বাধ্য ছেলে, আর গুনগুনের বাধ্য স্বামী। সৌরভের বিয়ে হয়েছে ছয় বছর হলো। ভালোবেসেই বিয়ে, কিন্তু দুই পরিবারের সম্মতিতে।<br />
<br />
প্রতীককে কোলে নিয়ে গুনগুন বলল, "আস্তে বাবা, পিসিমণি আর পিসেমশাই ঘুমাচ্ছে যে।"<br />
<br />
প্রতীক ফিসফিস করে বলল, "পিসিমণির বেবি কবে আসবে মা? আমার মতো?"<br />
<br />
এই প্রশ্ন শুনে মাধুরী আর গুনগুন দুজনেই হেসে ফেলল। রান্নাঘর থেকে চায়ের গন্ধ ভেসে আসছে। সকালের আলো এসে পড়েছে মুখার্জী ম্যানসনের উঠোনে।<br />
<br />
ওপরে দোতলার ঘরে তখনও দুজন মানুষ গভীর ঘুমে। তারা জানে না, নিচে তাদের জন্য একটা গোটা পরিবার কত যত্নে, কত ভালোবাসায় একটা সকালকে সাজিয়ে তুলছে।</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঝড়ের রাত]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=74</link>
			<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 04:44:01 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=74</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ঢাকার উত্তরার একটি পুরনো ছয় তলা বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায়, একটি সাধারণ দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটে থাকত রাফি আর নুসরাত। ফ্ল্যাটটা খুব বড় না—একটা ছোট ড্রয়িং রুম, একটি ডাইনিং স্পেস, দুটো বেডরুম, আর একটা রান্নাঘর। দেয়ালের রং একসময় সাদা ছিল, এখন হালকা ময়লা হয়ে গেছে। জানালার পর্দা হালকা নীল, বাতাসে দুলছে। বাইরে উত্তরার রাস্তায় গাড়ির হর্ন আর রিকশাওয়ালার ডাক শোনা যায়।<br />
রাফি, বয়স বত্রিশ। চেহারা সাধারণ, চশমা পরে, শরীর একটু পাতলা। বনানীর একটি নামকরা সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ল্যাপটপ ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যা সাতটা-আটটার আগে ফেরে না। অফিসের ডেডলাইন, ক্লায়েন্ট কল, প্রজেক্ট প্রেশার—সবকিছু সে একাই সামলায়। বাসায় এসে ক্লান্ত শরীর নিয়ে সোফায় বসে যায়, মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে। সে ভদ্র, পরিশ্রমী, আর নুসরাতকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু তার মনের গভীরে একটা গোপন অন্ধকার ইচ্ছা লুকিয়ে আছে। সে চায় তার লাজুক, সরল স্ত্রীকে অন্য কোনো পুরুষের হাতে দেখতে—ব্যবহৃত, আকাঙ্ক্ষিত, অসহায়। এই চিন্তা তাকে রাতের অন্ধকারে উত্তেজিত করে, আবার লজ্জাও দেয়। সে কখনো কাউকে বলেনি।<br />
নুসরাত, বয়স আটাশ। কুমিল্লার এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে। পাঁচ বছর আগে রাফির সঙ্গে অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ হয়েছে। গায়ের রং ফর্সা, মুখখানা গোলগাল, চোখ দুটো বড় আর লাজুক। লম্বা কালো চুল প্রায় সময় খোঁপা করে বাঁধা থাকে। বাড়িতে সে সাধারণত সালোয়ার-কামিজ বা শাড়ি পরে। সে খুব সরল, ঘরকুনো, আর অতিরিক্ত লাজুক। স্বামীর সামনেও কখনো জোরে কথা বলে না। রাফি যখন তাকে প্রশংসা করে, সে মুখ লাল করে চোখ নিচু করে নেয়। তার জীবন ঘুরপাক খায় রান্নাঘর, কাপড় কাচা, ঘর পরিষ্কার আর বিকেলের টিভি সিরিয়াল নিয়ে। সে রাফিকে গভীরভাবে ভালোবাসে। স্বামীর সুখই তার সুখ।<br />
তাদের সংসার শান্ত। কোনো ঝগড়া নেই, কোনো বড় অভিযোগ নেই। কিন্তু রাফির মনের সেই গোপন ফ্যান্টাসি দিন দিন বড় হয়ে উঠছিল।<br />
এক গুমোট গরম সন্ধ্যায় আকাশ ভারী মেঘে ঢেকে গিয়েছিল। বাতাস বইছিল না। ঘরের ভিতর গরম। সিলিং ফ্যান ঘুরছিল ধীরে ধীরে, একটা অদ্ভুত শব্দ করছিল। কয়েকদিন ধরে বাড়ির ইলেকট্রিক লাইনে সমস্যা চলছিল। লাইট হঠাৎ জ্বলে উঠছে, আবার নিভে যাচ্ছে। বেডরুমের সুইচবোর্ড গরম হয়ে যাচ্ছে, ফ্যানও মাঝে মাঝে থেমে যাচ্ছে।<br />
রাফি রাতের খাবারের টেবিলে বসে ভাত মুখে দিয়ে বলল,<br />
“নুসরাত, কাল একটা ইলেকট্রিশিয়ান ডাকতে হবে। এই তারগুলো আর চলবে না। আবহাওয়া খারাপ দেখাচ্ছে, বৃষ্টি এলে আরও সমস্যা হবে।”<br />
নুসরাত চোখ নিচু করে মাথা নেড়ে বলল,<br />
“হ্যাঁ… বেডরুমের সুইচবোর্ডটাও আলগা হয়ে গেছে। আমি দেখব। চিন্তা কোরো না।”<br />
সে কথাগুলো বলার সময় তার গলা খুব আস্তে বেরিয়েছিল, যেন নিজেই লজ্জা পাচ্ছে।<br />
পরদিন সকাল। রাফি অফিস যাওয়ার আগে নুসরাতকে বলে গেল,<br />
“ইলেকট্রিশিয়ান এলে সাবধানে থেকো। দরজা খোলা রাখবে না।”<br />
নুসরাত মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল। রাফি চলে যাওয়ার পর সে রান্নাঘর পরিষ্কার করতে লাগল। সাদা কটন শাড়ি পরেছিল, চুল খোঁপা করে বাঁধা। গলায় কোনো গয়না নেই, হাতে শুধু একটা সাধারণ চুড়ি।<br />
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দরজায় জোরালো কড়া নাড়ার শব্দ হলো। নুসরাত দরজার কাছে গিয়ে চোখের কোণ দিয়ে দেখল। বাইরে দাঁড়িয়ে একজন পঞ্চাশ বছর বয়সী পুরুষ। কালো শক্ত চামড়া, মজবুত বুক ও হাত, চুলে পাক ধরেছে, কপালে ঘাম। হাতে টুলবক্স। চেহারায় কাজের ক্লান্তি আর অভিজ্ঞতার ছাপ। এলাকার পুরনো ইলেকট্রিশিয়ান রফিক। দশ বছর ধরে এই বিল্ডিংয়ের কাজ করে। কাছাকাছি একটা বস্তিতে থাকে।<br />
নুসরাত দরজা খুলল। রফিকের শরীর থেকে ঘাম আর পুরনো তার-কাজের গন্ধ ভেসে এল।<br />
“মেমসাহেব, তারের প্রবলেম? দাদা ফোন করেছিল,” গম্ভীর ভরা গলায় বলল রফিক। কপালের ঘাম হাতের পেছন দিয়ে মুছল।<br />
নুসরাত একটু পিছিয়ে দাঁড়াল। চোখ নিচু করে আস্তে বলল,<br />
“হ্যাঁ… লাইট ফ্লিকার করছে। বেডরুমের সুইচবোর্ডও ঢিলা। আসুন… দেখুন।”<br />
রফিক ভারী পদক্ষেপে ভেতরে ঢুকল। তার জুতার নিচে মেঝেতে শব্দ হচ্ছিল। নুসরাত একটু সরে দাঁড়াল। শাড়ির আঁচল হাত দিয়ে চেপে ধরল। বুকের ভিতর একটা অজানা অস্বস্তি কাজ করছিল। রফিকের চোখ একবার তার দিকে উঠল, তারপর দ্রুত সরিয়ে নিল।<br />
রফিক তার ভারী টুলবক্স হাতে নিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকল। জুতার নিচে মেঝেতে মৃদু কিন্তু ভারী শব্দ হচ্ছিল। সে প্রথমে ড্রয়িং রুমের সুইচবোর্ডগুলো পরীক্ষা করতে লাগল। আঙুল দিয়ে সুইচগুলো চেপে দেখছিল, তারপর স্ক্রু ড্রাইভার বের করে সুইচবোর্ডের কভার খুলল। ভেতরের তারগুলো দেখে মাথা নেড়ে বলল—<br />
“মেমসাহেব, এই বাড়ির তারগুলো অনেক পুরনো। অন্তত দশ-বারো বছরের পুরনো মনে হচ্ছে। অনেক জায়গায় ইনসুলেশন উঠে গেছে। মেইনটেন্যান্স হয়নি কখনো। এইভাবে চলতে থাকলে একদিন বড় কোনো শর্ট সার্কিট হবে। আগুনও লাগতে পারে।”<br />
তার কণ্ঠস্বর গম্ভীর, অভিজ্ঞ, একটু ভারী। রাফির পালিশ করা কর্পোরেট ইংরেজি আর নরম কথার থেকে একদম আলাদা। রফিকের কথায় একটা কাঁচা, মাটির গন্ধ ছিল—যেন সারাজীবন শুধু তার, বিদ্যুৎ আর ঘাম নিয়েই কেটেছে। তার শরীর থেকে ঘাম আর পুরনো টুলের গন্ধ মিশে একটা তীব্র গন্ধ ছড়াচ্ছিল ঘরজুড়ে।<br />
নুসরাত রান্নাঘরে গিয়ে দাঁড়াল। সে মাছ কাটার ছুরি হাতে নিয়েছিল, কিন্তু হাত কাঁপছিল। মাঝে মাঝে চোখ তুলে তাকাচ্ছিল। রফিক বেডরুমের সুইচবোর্ড খুলে কাজ করছিল। তার মজবুত হাত দুটো দ্রুত নড়ছিল। কালো শক্ত চামড়ার ওপর ঘাম চকচক করছিল। গলার কাছে শিরা ফুলে উঠেছিল। নুসরাত জানত না, এই সাধারণ মেরামতির কাজ তাদের শান্ত জীবনে ধীরে ধীরে একটা পরিবর্তন আনতে চলেছে। আর অনেক দূরে বনানীর অফিসের কিউবিকলে বসে রাফিরও কোনো ধারণা ছিল না যে, সে যে ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকেছে, সে তার গোপন চিন্তায় একদিন জায়গা করে নেবে।<br />
রফিক কাজ করছিল। সুইচবোর্ড খুলে তার মেরামতি করছিল, কিন্তু তার চোখ বারবার রান্নাঘরের দিকে চলে যাচ্ছিল। নুসরাত রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে মাছ কাটছিল। শাড়ির আঁচল কাঁধ থেকে সামান্য সরে গিয়েছিল। ফর্সা ঘাড়, কানের নিচের নরম অংশ, আর একটুখানি কাঁধের চামড়া মৃদু আলোয় দেখা যাচ্ছিল। রফিকের চোখে একটা লোভাতুর, ক্ষুধার্ত দৃষ্টি ফুটে উঠছিল। পঞ্চাশ বছরের এই মানুষটি অনেকদিন ধরে এমন সুন্দর, লাজুক, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গৃহিণী দেখেনি। এত সরল, এত অসহায় লাগা একটা বউ। তার শরীরের প্রতিটা নড়াচড়া রফিকের চোখে পড়ছিল।<br />
সে মাঝে মাঝে হাসি মুখে কথা বলছিল, গলা একটু নামিয়ে—<br />
“মেমসাহেব, আপনার হাতের রান্নার গন্ধ তো খুব ভালো লাগছে। মাছ ভাজার গন্ধ… আপনার স্বামী সত্যিই ভাগ্যবান।”<br />
নুসরাত অস্বস্তি বোধ করছিল। তার গলা শুকিয়ে আসছিল। সে চুপচাপ মাথা নিচু করে কাজ করে যাচ্ছিল। ছুরি দিয়ে মাছ কাটার সময় হাত কাঁপছিল। রফিকের কথাগুলো তার কানে বাজছিল, কিন্তু সে কোনো জবাব দিচ্ছিল না। শুধু একবার আস্তে করে বলল,<br />
“আপনি… কাজ শেষ করুন।”<br />
বাইরে আকাশ কালো হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ ঝড় উঠল। প্রবল বাতাস বইতে শুরু করল। জানালার পর্দা সজোরে উড়ে যাচ্ছিল। কাচের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটা আছড়ে পড়ছিল। তারপর শুরু হলো প্রচণ্ড বৃষ্টি। ছাদের ওপর পানির শব্দ যেন ঢোল বাজার মতো। রাস্তায় গাছের ডাল ভাঙার আওয়াজ, টিনের চালে বৃষ্টির তোড়। বিকেলের মধ্যেই আকাশ যেন রাত হয়ে গেল। ঘরের ভেতরটা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে এল। লাইটগুলো ফ্লিকার করতে করতে একসময় পুরোপুরি নিভে গেল।<br />
রফিক জানালার দিকে তাকিয়ে বলল, গলা একটু ভারী করে—<br />
“মেমসাহেব, এখন বেরোলে বিপদ। বৃষ্টির তোড় এত প্রবল যে রাস্তায় পা রাখা যাবে না। গাছ ভেঙে পড়ছে। একটু থাকতে হবে। আপনি ভয় পাবেন না।”<br />
নুসরাতের বুক জোরে জোরে কাঁপছিল। সে কী বলবে বুঝতে পারছিল না। শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। তার ভেতরটা অস্বস্তিতে ভরে উঠছিল। একা বাড়িতে একজন অচেনা বয়স্ক পুরুষ—এই চিন্তাটাই তাকে অস্থির করে তুলছিল।<br />
একটু পরে রাফির ফোন এল। নুসরাত কাঁপা হাতে ফোন ধরল। রাফির গলায় চিন্তার ছাপ আর একটু ক্লান্তি—<br />
“নুসরাত, অফিস থেকে বেরোতে পারছি না। রাস্তা জলে ভেসে গেছে, ট্রাফিকও ভয়ংকর। গাড়ি আটকে আছে। আমি খুব রাত করে ফিরব, হয়তো মাঝরাতের পর। তুমি ভয় পেয়ো না। রফিকদা যদি আটকে যায়, তাকে খেতে দিও। সে ভালো লোক, ভয়ের কিছু নেই। দরজা বন্ধ রেখো।”<br />
নুসরাত কাঁপা গলায় বলল,<br />
“কিন্তু রাফি… একা… আমি… ভয় করছে…”<br />
“আরে, চিন্তা কোরো না। আমি যত তাড়াতাড়ি পারি আসব। ফোন অন রাখো।” বলে ফোন কেটে দিল রাফি। তার মনে সেই গোপন ফ্যান্টাসি একটু একটু করে মাথা চাড়া দিচ্ছিল। অন্ধকার বাড়িতে তার লাজুক স্ত্রী আর একজন বয়স্ক পুরুষ—এই ছবিটা তার মাথায় ঘুরছিল, কিন্তু সে নিজেও স্বীকার করতে চাইছিল না।<br />
সন্ধ্যা নামতেই পুরো এলাকায় লোডশেডিং হয়ে গেল। চারদিক ঘন অন্ধকার। শুধু বাইরের ঝড়ের শব্দ আর বৃষ্টির তোড়। নুসরাত কাঁপা হাতে একটা মোমবাতি জ্বালাল। ঘরের মাঝখানে একটা ছোট টেবিলে মোমবাতিটা রাখল। মৃদু হলুদ আলোয় ঘরটা রহস্যময় আর একটু ভয়ংকর লাগছিল। দেয়ালে দুজনের ছায়া বড় হয়ে নড়ছিল। রফিক এখনো কাজ শেষ করেনি। সে সোফায় বসে টুলবক্স গুছোচ্ছিল। তার শরীর থেকে ঘামের গন্ধ এখনো আসছিল।<br />
“মেমসাহেব, এত অন্ধকারে ভয় লাগছে না?” রফিক হাসতে হাসতে বলল। সে কথা বলতে বলতে একটু কাছে সরে এল। সোফা থেকে উঠে এক পা এগোল। “আমি তো অনেক বাড়িতে কাজ করি। অনেক গল্প জানি। চলুন, গল্প করি। সময় কাটবে। একা একা বসে থাকলে ভয় আরও বাড়ে।”<br />
নুসরাত পিছিয়ে গেল। তার পিঠ রান্নাঘরের দেয়ালে লেগে গেল। ভয় করছিল। গলা শুকিয়ে আসছিল।<br />
“না… আমি রান্না করছি। আপনি বসুন। কাজ শেষ হলে চলে যাবেন।”<br />
রফিক উঠে দাঁড়াল। অন্ধকারে তার ছায়া দেয়ালে অনেক বড় হয়ে দেখাচ্ছিল। সে নুসরাতের কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল, গলা একটু নামিয়ে—<br />
“আপনি খুব লাজুক তো। এমন সুন্দর বউয়ের স্বামী অফিসে বসে থাকে, আর আপনি একা… এই অন্ধকারে… এই ঝড়ের রাতে…”<br />
বলতে বলতে তার হাতটা নুসরাতের কাঁধের কাছে চলে এল। আলতো করে ছুঁয়ে গেল শাড়ির কাপড়। শাড়ির পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে তার রুক্ষ, কাজের দাগযুক্ত আঙুলের স্পর্শ। নুসরাতের শরীর কেঁপে উঠল।<br />
নুসরাত চমকে উঠল। জোরে বলল—<br />
“এই! কী করছেন! দূরে থাকুন!”<br />
সে দ্রুত পিছিয়ে গেল। তার বুক দুরুদুরু করছিল, ভয়ে গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। মোমবাতির মৃদু আলোয় রফিকের চোখে সেই লোভাতুর দৃষ্টি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। তার ঠোঁটে একটা ধীর হাসি ফুটে উঠেছিল। বাইরে ঝড়ের আওয়াজ আরও বেড়ে উঠল। বৃষ্টির শব্দ যেন ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছিল। মোমবাতির শিখা দুলছিল।<br />
রফিক হেসে বলল, গলা আরও একটু নামিয়ে—<br />
“আরে ভয় কীসের মেমসাহেব? আমি তো শুধু সাহায্য করতে চাইছি। এই অন্ধকারে একা থাকা কি ভালো? চলুন, একটু কাছে বসুন। গল্প করি। আমি কোনো খারাপ কাজ করব না… যদি আপনি না চান।”<br />
বাড়ির বাইরে তুমুল বৃষ্টি পড়ছিল, আর ভিতরে একটা অস্বস্তিকর, উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল।<br />
<br />
</span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ঢাকার উত্তরার একটি পুরনো ছয় তলা বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায়, একটি সাধারণ দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটে থাকত রাফি আর নুসরাত। ফ্ল্যাটটা খুব বড় না—একটা ছোট ড্রয়িং রুম, একটি ডাইনিং স্পেস, দুটো বেডরুম, আর একটা রান্নাঘর। দেয়ালের রং একসময় সাদা ছিল, এখন হালকা ময়লা হয়ে গেছে। জানালার পর্দা হালকা নীল, বাতাসে দুলছে। বাইরে উত্তরার রাস্তায় গাড়ির হর্ন আর রিকশাওয়ালার ডাক শোনা যায়।<br />
রাফি, বয়স বত্রিশ। চেহারা সাধারণ, চশমা পরে, শরীর একটু পাতলা। বনানীর একটি নামকরা সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ল্যাপটপ ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যা সাতটা-আটটার আগে ফেরে না। অফিসের ডেডলাইন, ক্লায়েন্ট কল, প্রজেক্ট প্রেশার—সবকিছু সে একাই সামলায়। বাসায় এসে ক্লান্ত শরীর নিয়ে সোফায় বসে যায়, মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে। সে ভদ্র, পরিশ্রমী, আর নুসরাতকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু তার মনের গভীরে একটা গোপন অন্ধকার ইচ্ছা লুকিয়ে আছে। সে চায় তার লাজুক, সরল স্ত্রীকে অন্য কোনো পুরুষের হাতে দেখতে—ব্যবহৃত, আকাঙ্ক্ষিত, অসহায়। এই চিন্তা তাকে রাতের অন্ধকারে উত্তেজিত করে, আবার লজ্জাও দেয়। সে কখনো কাউকে বলেনি।<br />
নুসরাত, বয়স আটাশ। কুমিল্লার এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে। পাঁচ বছর আগে রাফির সঙ্গে অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ হয়েছে। গায়ের রং ফর্সা, মুখখানা গোলগাল, চোখ দুটো বড় আর লাজুক। লম্বা কালো চুল প্রায় সময় খোঁপা করে বাঁধা থাকে। বাড়িতে সে সাধারণত সালোয়ার-কামিজ বা শাড়ি পরে। সে খুব সরল, ঘরকুনো, আর অতিরিক্ত লাজুক। স্বামীর সামনেও কখনো জোরে কথা বলে না। রাফি যখন তাকে প্রশংসা করে, সে মুখ লাল করে চোখ নিচু করে নেয়। তার জীবন ঘুরপাক খায় রান্নাঘর, কাপড় কাচা, ঘর পরিষ্কার আর বিকেলের টিভি সিরিয়াল নিয়ে। সে রাফিকে গভীরভাবে ভালোবাসে। স্বামীর সুখই তার সুখ।<br />
তাদের সংসার শান্ত। কোনো ঝগড়া নেই, কোনো বড় অভিযোগ নেই। কিন্তু রাফির মনের সেই গোপন ফ্যান্টাসি দিন দিন বড় হয়ে উঠছিল।<br />
এক গুমোট গরম সন্ধ্যায় আকাশ ভারী মেঘে ঢেকে গিয়েছিল। বাতাস বইছিল না। ঘরের ভিতর গরম। সিলিং ফ্যান ঘুরছিল ধীরে ধীরে, একটা অদ্ভুত শব্দ করছিল। কয়েকদিন ধরে বাড়ির ইলেকট্রিক লাইনে সমস্যা চলছিল। লাইট হঠাৎ জ্বলে উঠছে, আবার নিভে যাচ্ছে। বেডরুমের সুইচবোর্ড গরম হয়ে যাচ্ছে, ফ্যানও মাঝে মাঝে থেমে যাচ্ছে।<br />
রাফি রাতের খাবারের টেবিলে বসে ভাত মুখে দিয়ে বলল,<br />
“নুসরাত, কাল একটা ইলেকট্রিশিয়ান ডাকতে হবে। এই তারগুলো আর চলবে না। আবহাওয়া খারাপ দেখাচ্ছে, বৃষ্টি এলে আরও সমস্যা হবে।”<br />
নুসরাত চোখ নিচু করে মাথা নেড়ে বলল,<br />
“হ্যাঁ… বেডরুমের সুইচবোর্ডটাও আলগা হয়ে গেছে। আমি দেখব। চিন্তা কোরো না।”<br />
সে কথাগুলো বলার সময় তার গলা খুব আস্তে বেরিয়েছিল, যেন নিজেই লজ্জা পাচ্ছে।<br />
পরদিন সকাল। রাফি অফিস যাওয়ার আগে নুসরাতকে বলে গেল,<br />
“ইলেকট্রিশিয়ান এলে সাবধানে থেকো। দরজা খোলা রাখবে না।”<br />
নুসরাত মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল। রাফি চলে যাওয়ার পর সে রান্নাঘর পরিষ্কার করতে লাগল। সাদা কটন শাড়ি পরেছিল, চুল খোঁপা করে বাঁধা। গলায় কোনো গয়না নেই, হাতে শুধু একটা সাধারণ চুড়ি।<br />
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দরজায় জোরালো কড়া নাড়ার শব্দ হলো। নুসরাত দরজার কাছে গিয়ে চোখের কোণ দিয়ে দেখল। বাইরে দাঁড়িয়ে একজন পঞ্চাশ বছর বয়সী পুরুষ। কালো শক্ত চামড়া, মজবুত বুক ও হাত, চুলে পাক ধরেছে, কপালে ঘাম। হাতে টুলবক্স। চেহারায় কাজের ক্লান্তি আর অভিজ্ঞতার ছাপ। এলাকার পুরনো ইলেকট্রিশিয়ান রফিক। দশ বছর ধরে এই বিল্ডিংয়ের কাজ করে। কাছাকাছি একটা বস্তিতে থাকে।<br />
নুসরাত দরজা খুলল। রফিকের শরীর থেকে ঘাম আর পুরনো তার-কাজের গন্ধ ভেসে এল।<br />
“মেমসাহেব, তারের প্রবলেম? দাদা ফোন করেছিল,” গম্ভীর ভরা গলায় বলল রফিক। কপালের ঘাম হাতের পেছন দিয়ে মুছল।<br />
নুসরাত একটু পিছিয়ে দাঁড়াল। চোখ নিচু করে আস্তে বলল,<br />
“হ্যাঁ… লাইট ফ্লিকার করছে। বেডরুমের সুইচবোর্ডও ঢিলা। আসুন… দেখুন।”<br />
রফিক ভারী পদক্ষেপে ভেতরে ঢুকল। তার জুতার নিচে মেঝেতে শব্দ হচ্ছিল। নুসরাত একটু সরে দাঁড়াল। শাড়ির আঁচল হাত দিয়ে চেপে ধরল। বুকের ভিতর একটা অজানা অস্বস্তি কাজ করছিল। রফিকের চোখ একবার তার দিকে উঠল, তারপর দ্রুত সরিয়ে নিল।<br />
রফিক তার ভারী টুলবক্স হাতে নিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকল। জুতার নিচে মেঝেতে মৃদু কিন্তু ভারী শব্দ হচ্ছিল। সে প্রথমে ড্রয়িং রুমের সুইচবোর্ডগুলো পরীক্ষা করতে লাগল। আঙুল দিয়ে সুইচগুলো চেপে দেখছিল, তারপর স্ক্রু ড্রাইভার বের করে সুইচবোর্ডের কভার খুলল। ভেতরের তারগুলো দেখে মাথা নেড়ে বলল—<br />
“মেমসাহেব, এই বাড়ির তারগুলো অনেক পুরনো। অন্তত দশ-বারো বছরের পুরনো মনে হচ্ছে। অনেক জায়গায় ইনসুলেশন উঠে গেছে। মেইনটেন্যান্স হয়নি কখনো। এইভাবে চলতে থাকলে একদিন বড় কোনো শর্ট সার্কিট হবে। আগুনও লাগতে পারে।”<br />
তার কণ্ঠস্বর গম্ভীর, অভিজ্ঞ, একটু ভারী। রাফির পালিশ করা কর্পোরেট ইংরেজি আর নরম কথার থেকে একদম আলাদা। রফিকের কথায় একটা কাঁচা, মাটির গন্ধ ছিল—যেন সারাজীবন শুধু তার, বিদ্যুৎ আর ঘাম নিয়েই কেটেছে। তার শরীর থেকে ঘাম আর পুরনো টুলের গন্ধ মিশে একটা তীব্র গন্ধ ছড়াচ্ছিল ঘরজুড়ে।<br />
নুসরাত রান্নাঘরে গিয়ে দাঁড়াল। সে মাছ কাটার ছুরি হাতে নিয়েছিল, কিন্তু হাত কাঁপছিল। মাঝে মাঝে চোখ তুলে তাকাচ্ছিল। রফিক বেডরুমের সুইচবোর্ড খুলে কাজ করছিল। তার মজবুত হাত দুটো দ্রুত নড়ছিল। কালো শক্ত চামড়ার ওপর ঘাম চকচক করছিল। গলার কাছে শিরা ফুলে উঠেছিল। নুসরাত জানত না, এই সাধারণ মেরামতির কাজ তাদের শান্ত জীবনে ধীরে ধীরে একটা পরিবর্তন আনতে চলেছে। আর অনেক দূরে বনানীর অফিসের কিউবিকলে বসে রাফিরও কোনো ধারণা ছিল না যে, সে যে ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকেছে, সে তার গোপন চিন্তায় একদিন জায়গা করে নেবে।<br />
রফিক কাজ করছিল। সুইচবোর্ড খুলে তার মেরামতি করছিল, কিন্তু তার চোখ বারবার রান্নাঘরের দিকে চলে যাচ্ছিল। নুসরাত রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে মাছ কাটছিল। শাড়ির আঁচল কাঁধ থেকে সামান্য সরে গিয়েছিল। ফর্সা ঘাড়, কানের নিচের নরম অংশ, আর একটুখানি কাঁধের চামড়া মৃদু আলোয় দেখা যাচ্ছিল। রফিকের চোখে একটা লোভাতুর, ক্ষুধার্ত দৃষ্টি ফুটে উঠছিল। পঞ্চাশ বছরের এই মানুষটি অনেকদিন ধরে এমন সুন্দর, লাজুক, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গৃহিণী দেখেনি। এত সরল, এত অসহায় লাগা একটা বউ। তার শরীরের প্রতিটা নড়াচড়া রফিকের চোখে পড়ছিল।<br />
সে মাঝে মাঝে হাসি মুখে কথা বলছিল, গলা একটু নামিয়ে—<br />
“মেমসাহেব, আপনার হাতের রান্নার গন্ধ তো খুব ভালো লাগছে। মাছ ভাজার গন্ধ… আপনার স্বামী সত্যিই ভাগ্যবান।”<br />
নুসরাত অস্বস্তি বোধ করছিল। তার গলা শুকিয়ে আসছিল। সে চুপচাপ মাথা নিচু করে কাজ করে যাচ্ছিল। ছুরি দিয়ে মাছ কাটার সময় হাত কাঁপছিল। রফিকের কথাগুলো তার কানে বাজছিল, কিন্তু সে কোনো জবাব দিচ্ছিল না। শুধু একবার আস্তে করে বলল,<br />
“আপনি… কাজ শেষ করুন।”<br />
বাইরে আকাশ কালো হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ ঝড় উঠল। প্রবল বাতাস বইতে শুরু করল। জানালার পর্দা সজোরে উড়ে যাচ্ছিল। কাচের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটা আছড়ে পড়ছিল। তারপর শুরু হলো প্রচণ্ড বৃষ্টি। ছাদের ওপর পানির শব্দ যেন ঢোল বাজার মতো। রাস্তায় গাছের ডাল ভাঙার আওয়াজ, টিনের চালে বৃষ্টির তোড়। বিকেলের মধ্যেই আকাশ যেন রাত হয়ে গেল। ঘরের ভেতরটা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে এল। লাইটগুলো ফ্লিকার করতে করতে একসময় পুরোপুরি নিভে গেল।<br />
রফিক জানালার দিকে তাকিয়ে বলল, গলা একটু ভারী করে—<br />
“মেমসাহেব, এখন বেরোলে বিপদ। বৃষ্টির তোড় এত প্রবল যে রাস্তায় পা রাখা যাবে না। গাছ ভেঙে পড়ছে। একটু থাকতে হবে। আপনি ভয় পাবেন না।”<br />
নুসরাতের বুক জোরে জোরে কাঁপছিল। সে কী বলবে বুঝতে পারছিল না। শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। তার ভেতরটা অস্বস্তিতে ভরে উঠছিল। একা বাড়িতে একজন অচেনা বয়স্ক পুরুষ—এই চিন্তাটাই তাকে অস্থির করে তুলছিল।<br />
একটু পরে রাফির ফোন এল। নুসরাত কাঁপা হাতে ফোন ধরল। রাফির গলায় চিন্তার ছাপ আর একটু ক্লান্তি—<br />
“নুসরাত, অফিস থেকে বেরোতে পারছি না। রাস্তা জলে ভেসে গেছে, ট্রাফিকও ভয়ংকর। গাড়ি আটকে আছে। আমি খুব রাত করে ফিরব, হয়তো মাঝরাতের পর। তুমি ভয় পেয়ো না। রফিকদা যদি আটকে যায়, তাকে খেতে দিও। সে ভালো লোক, ভয়ের কিছু নেই। দরজা বন্ধ রেখো।”<br />
নুসরাত কাঁপা গলায় বলল,<br />
“কিন্তু রাফি… একা… আমি… ভয় করছে…”<br />
“আরে, চিন্তা কোরো না। আমি যত তাড়াতাড়ি পারি আসব। ফোন অন রাখো।” বলে ফোন কেটে দিল রাফি। তার মনে সেই গোপন ফ্যান্টাসি একটু একটু করে মাথা চাড়া দিচ্ছিল। অন্ধকার বাড়িতে তার লাজুক স্ত্রী আর একজন বয়স্ক পুরুষ—এই ছবিটা তার মাথায় ঘুরছিল, কিন্তু সে নিজেও স্বীকার করতে চাইছিল না।<br />
সন্ধ্যা নামতেই পুরো এলাকায় লোডশেডিং হয়ে গেল। চারদিক ঘন অন্ধকার। শুধু বাইরের ঝড়ের শব্দ আর বৃষ্টির তোড়। নুসরাত কাঁপা হাতে একটা মোমবাতি জ্বালাল। ঘরের মাঝখানে একটা ছোট টেবিলে মোমবাতিটা রাখল। মৃদু হলুদ আলোয় ঘরটা রহস্যময় আর একটু ভয়ংকর লাগছিল। দেয়ালে দুজনের ছায়া বড় হয়ে নড়ছিল। রফিক এখনো কাজ শেষ করেনি। সে সোফায় বসে টুলবক্স গুছোচ্ছিল। তার শরীর থেকে ঘামের গন্ধ এখনো আসছিল।<br />
“মেমসাহেব, এত অন্ধকারে ভয় লাগছে না?” রফিক হাসতে হাসতে বলল। সে কথা বলতে বলতে একটু কাছে সরে এল। সোফা থেকে উঠে এক পা এগোল। “আমি তো অনেক বাড়িতে কাজ করি। অনেক গল্প জানি। চলুন, গল্প করি। সময় কাটবে। একা একা বসে থাকলে ভয় আরও বাড়ে।”<br />
নুসরাত পিছিয়ে গেল। তার পিঠ রান্নাঘরের দেয়ালে লেগে গেল। ভয় করছিল। গলা শুকিয়ে আসছিল।<br />
“না… আমি রান্না করছি। আপনি বসুন। কাজ শেষ হলে চলে যাবেন।”<br />
রফিক উঠে দাঁড়াল। অন্ধকারে তার ছায়া দেয়ালে অনেক বড় হয়ে দেখাচ্ছিল। সে নুসরাতের কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল, গলা একটু নামিয়ে—<br />
“আপনি খুব লাজুক তো। এমন সুন্দর বউয়ের স্বামী অফিসে বসে থাকে, আর আপনি একা… এই অন্ধকারে… এই ঝড়ের রাতে…”<br />
বলতে বলতে তার হাতটা নুসরাতের কাঁধের কাছে চলে এল। আলতো করে ছুঁয়ে গেল শাড়ির কাপড়। শাড়ির পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে তার রুক্ষ, কাজের দাগযুক্ত আঙুলের স্পর্শ। নুসরাতের শরীর কেঁপে উঠল।<br />
নুসরাত চমকে উঠল। জোরে বলল—<br />
“এই! কী করছেন! দূরে থাকুন!”<br />
সে দ্রুত পিছিয়ে গেল। তার বুক দুরুদুরু করছিল, ভয়ে গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। মোমবাতির মৃদু আলোয় রফিকের চোখে সেই লোভাতুর দৃষ্টি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। তার ঠোঁটে একটা ধীর হাসি ফুটে উঠেছিল। বাইরে ঝড়ের আওয়াজ আরও বেড়ে উঠল। বৃষ্টির শব্দ যেন ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছিল। মোমবাতির শিখা দুলছিল।<br />
রফিক হেসে বলল, গলা আরও একটু নামিয়ে—<br />
“আরে ভয় কীসের মেমসাহেব? আমি তো শুধু সাহায্য করতে চাইছি। এই অন্ধকারে একা থাকা কি ভালো? চলুন, একটু কাছে বসুন। গল্প করি। আমি কোনো খারাপ কাজ করব না… যদি আপনি না চান।”<br />
বাড়ির বাইরে তুমুল বৃষ্টি পড়ছিল, আর ভিতরে একটা অস্বস্তিকর, উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল।<br />
<br />
</span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=72</link>
			<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 04:36:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=72</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">দমদম এয়ারপোর্টের অটোমেটিক কাঁচের দরজাটা সরে যেতেই বাইরের ভ্যাপসা গরম আর পরিচিত আর্দ্রতা তিশাকে ঝাপটে ধরল। পুনের শুষ্ক, রুক্ষ আবহাওয়া থেকে এই আর্দ্রতা একদম আলাদা। এটা কলকাতার নিজস্ব গন্ধ—ধুলো, ঘাম আর পুরনো স্মৃতির এক অদ্ভুত মিশ্রণ। ট্রলিটা ঠেলতে ঠেলতে তিশা মনে হলো, এই শহরটা যেন তাকে ব্যঙ্গ করছে। মাত্র তিন বছর আগে এই এয়ারপোর্ট থেকেই সে নতুন জীবনের স্বপ্ন নিয়ে, হাতে লাল চুড়ি আর কপালে সিঁদুর নিয়ে বিদায় নিয়েছিল। আর আজ? আজ সে ফিরছে রিক্ত হাতে, ডিভোর্সের পেপারগুলো ব্যাগের এক কোণে মৃতপাপড়ির মতো পড়ে আছে।আশেপাশে মানুষের কোলাহল, ট্যাক্সি ড্রাইভারদের হাঁকডাক, ট্রলিব্যাগের চাকার ঘড়ঘড় শব্দ—সবকিছু মিলিয়ে এক যান্ত্রিক অর্কেস্ট্রা। কিন্তু সারার কানের সব শব্দই ঝাপসা। ওর মনের ভেতরটা এখন শ্মশানের মতো নিস্তব্ধ। আটাশ বছর বয়সেই জীবনটা যেন থমকে গেছে।<br />
ভিড়ের মাঝে চোখ বোলাতেই মানুষটাকে দেখতে পেল সারা। অভিজিৎ রায়। ওর আব্বু।<br />
প্রস্থানের গেটের কাছে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। পরনে ধবধবে সাদা লখনউই পাঞ্জাবি আর পাজামা। মুখে সেই চিরচেনা প্রশান্ত হাসি, কিন্তু চোখের কোণে উদ্বেগের ছায়া স্পষ্ট। পঞ্চান্ন বছর বয়স, কিন্তু কে বলবে? চুলে সামান্য সল্ট-এন্ড-পেপার ছোঁয়া লেগেছে ঠিকই, কিন্তু মেরুদণ্ড এখনো টানটান। ভিড়ের মধ্যেও তাকে আলাদা করে চেনা যায়। তার ব্যক্তিত্বের একটা নিজস্ব আভা আছে, যা আশেপাশের ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত মানুষগুলোর থেকে তাকে পৃথক করে রাখে।সারা থমকে দাঁড়াল। বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। গত তিন বছরে নিজের স্বামী নামের ওই অপদার্থ লোকটার সাথে থাকতে থাকতে সে ভুলেই গিয়েছিল পুরুষ মানুষ আসলে কেমন হয়। তার প্রাক্তন স্বামী ছিল ন্যালব্যলে, মেরুদণ্ডহীন, যে কি না সামান্য ঝগড়াতেই মায়ের আঁচলের তলায় লুকাত। আর সেখানে আব্বু?<br />
তিশা দেখল, আব্বু হাত নেড়ে তাকে ডাকছেন। পাঞ্জাবীর হাতাটা কনুই পর্যন্ত গোটানো, ফর্সা লোমশ হাতে ঘড়িটা চকচক করছে। এই বয়সেও মানুষটা কী ভীষণ সতেজ! তার চওড়া কাঁধ আর সুঠাম চেহারার দিকে তাকিয়ে সারার অবচেতন মনে একটা তুলনা ভেসে উঠল—অনিচ্ছাসত্ত্বেও। "আমার স্বামী তো একটা পুরুষ নামের কলঙ্ক ছিল, আর আব্বু... আব্বু এখনো যেন একটা বটগাছ।"<br />
“সারা, মা আমার!<br />
আব্বুর ব্যারিটোন গলার আওয়াজে তিশার চিন্তার সুতো ছিঁড়ল। সে দ্রুত পায়ে এগিয়ে গিয়ে আব্বুর বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। আব্বুর গায়ে সেই পরিচিত গন্ধ-দামী আতর আর তামাকের একটা হালকা মিশ্রণ। এই গন্ধটা ছোটবেলায় সারাকে নিরাপত্তা দিত, আর আজ এই মুহূর্তে এই গন্ধটাই তার একমাত্র আশ্রয়। "আমি খুব ক্লান্ত আব্বু... আমি হেরে গেছি,” তিশার গলা বুজে এল। কান্নাটা দলা পাকিয়ে গলায় আটকে আছে। অভিজিৎ চুলে হাত বুলিয়ে দিলেন। তার হাতের স্পর্শে একটা অদ্ভুত দৃঢ়তা আর উষ্ণতা। “তুই হারিসনি মা। তুই ফিরে এসেছিস, এটাই আসল। চল, গাড়ি রাখা আছে।" গাড়ির এসি-র ঠান্ডা বাতাসে তিশার শরীরটা জুড়িয়ে গেল, কিন্তু মনের জ্বালা কমল না। জানালার কাঁচের ওপারে কলকাতা সরে সরে যাচ্ছে। ইএম বাইপাসের দুপাশে আকাশচুম্বী আলো ঝলমলে বাড়ি, ফ্লাইওভারের নিয়ন আলো-শহরটা অনেক বদলে গেছে। কিন্তু পার্ক সার্কাসের দিকে মোড় নিতেই সেই পুরনো কলকাতা উঁকি দিল।<br />
পুরনো আমলের বাড়ি, রাস্তার ধারের দোকান, আর ট্রামের লাইন। অভিজিৎ গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিশা আড়চোখে বাবার দিকে তাকাল। স্টিয়ারিং ধরা আব্বুর হাতদুটো শক্ত, শিরাগুলো সামান্য ভেসে আছে। গিয়ার চেঞ্জ করার সময় তার পেশিগুলো যেভাবে নড়াচড়া করছে, তাতে এক ধরনের পৌরুষদীপ্ত ছন্দ আছে। সারা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার স্বামী অর্ক কখনো গাড়িই চালাতে জানত না, সব সময় ড্রাইভার বা উবারের ওপর ভরসা। পৌরুষ জিনিসটা যে শুধু শরীরে নয়, আচরণেও থাকে, সেটা অর্ক কোনোদিন বোঝেনি।<br />
<br />
“তোর মা থাকলে আজ খুব খুশি হতো, আবার খুব কাঁদতও,” অভিজিৎ  নীরবতা ভাঙলেন। তার গলায় একটা চাপা হাহাকার।<br />
তিশার মা মারা গেছেন পাঁচ বছর হলো। তারপর থেকে আব্বু একাই এই বিশাল ফ্ল্যাটে থাকেন। সারা ভেবেছিল আব্বু হয়তো ভেঙে পড়বেন, কিন্তু মানুষটা নিজেকে সামলে নিয়েছেন অদ্ভুত দক্ষতায়।<br />
<br />
“তুমি একা খুব কষ্ট পাও, তাই না আব্বু?" সারা ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।<br />
<br />
অভিজিৎ  সাহেব ম্লান হাসলেন। রিয়ার ভিউ মিররে মেয়ের চোখের দিকে তাকালেন। “একাকীত্ব তো মানুষের ছায়ার মতো রে মা। ওটা সঙ্গে থাকেই। কিন্তু এখন তুই এসেছিস, আর কষ্ট নেই।"<br />
<br />
গাড়িটা যখন পার্ক সার্কাসের পুরনো বনেদী অ্যাপার্টমেন্টের নিচে এসে থামল, তখন রাত দশটা। চারপাশটা শান্ত হয়ে এসেছে। লিফটে ওঠার সময় আব্বু তিশার ভারী সুটকেসটা এক হাতেই তুলে নিলেন। সারার মনে হলো, এই মানুষটার শক্তির কোনো ক্ষয় নেই। সে শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখল বাবার পিঠের পেশিগুলোর সংকোচন-প্রসারণ।<br />
ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই একটা গুমোট নিস্তব্ধতা ওদের স্বাগত জানাল। সাড়ে তিন হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল ফ্ল্যাট। দামী আসবাবপত্র, ঝাড়বাতি, পারশিয়ান কার্পেট —সবই আছে, নেই শুধু মায়ের গলার আওয়াজ। কিন্তু আব্বু বাড়িটাকে অযত্নে রাখেননি। প্রতিটি জিনিস পরিপাটি করে সাজানো।<br />
<br />
“তোর ঘরটা আমি কালই গুছিয়ে রেখেছি। যা, ফ্রেশ হয়ে নে। আমি খাবার গরম করছি,” আব্বু বললেন।<br />
<br />
তিশা নিজের ঘরে ঢুকল। সেই একই বিছানা, সেই একই ড্রেসিং টেবিল। কিন্তু আয়নায় যে মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে, সে আর আগের তিশা নেই। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি আর অভিজ্ঞতার ছাপ। শাড়িটা পাল্টে একটা হালকা সুতির নাইটি পরল সে। শরীরে এখন আর কোনো বাঁধন সহ্য হচ্ছে না।<br />
ডাইনিং টেবিলে যখন সে এল, দেখল আব্বু খাবার সাজিয়ে বসে আছেন। ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, সর্ষে ইলিশ আর কচি পাঁঠার ঝোল। গন্ধে তিশার পেটের খিদেটা মোচড় দিয়ে উঠল। গত কয়েক মাস সে ঠিকমতো খায়নি। পুনের ওই বিস্বাদ খাবার আর রোজকার অশান্তিতে তার রুচি চলে গিয়েছিল।<br />
<br />
তিশা চেয়ারে বসল। আব্বু তার উল্টোদিকে নয়, পাশের চেয়ারে বসলেন।<br />
<br />
“তোর হাত কাঁপছে সারা," আব্বু আলতো করে সারার ডান হাতটা ধরলেন। সারার হাত সত্যিই কাঁপছিল, দুর্বলতায় আর আবেগে।<br />
<br />
“আমি মেখে দিচ্ছি, ঠিক ছোটবেলার মতো,” আব্বু ভাতের থালাটা নিজের কাছে টেনে নিলেন। যত্ন করে ভাত মাখলেন, ইলিশ মাছের কাঁটা বেছে আলাদা করলেন। তার দীর্ঘ, ফর্সা আঙুলগুলো যখন ভাতের সাথে মশলা মাখাচ্ছিল, তখন সারার মনে হলো এই দৃশ্যটা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য।<br />
<br />
</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">দমদম এয়ারপোর্টের অটোমেটিক কাঁচের দরজাটা সরে যেতেই বাইরের ভ্যাপসা গরম আর পরিচিত আর্দ্রতা তিশাকে ঝাপটে ধরল। পুনের শুষ্ক, রুক্ষ আবহাওয়া থেকে এই আর্দ্রতা একদম আলাদা। এটা কলকাতার নিজস্ব গন্ধ—ধুলো, ঘাম আর পুরনো স্মৃতির এক অদ্ভুত মিশ্রণ। ট্রলিটা ঠেলতে ঠেলতে তিশা মনে হলো, এই শহরটা যেন তাকে ব্যঙ্গ করছে। মাত্র তিন বছর আগে এই এয়ারপোর্ট থেকেই সে নতুন জীবনের স্বপ্ন নিয়ে, হাতে লাল চুড়ি আর কপালে সিঁদুর নিয়ে বিদায় নিয়েছিল। আর আজ? আজ সে ফিরছে রিক্ত হাতে, ডিভোর্সের পেপারগুলো ব্যাগের এক কোণে মৃতপাপড়ির মতো পড়ে আছে।আশেপাশে মানুষের কোলাহল, ট্যাক্সি ড্রাইভারদের হাঁকডাক, ট্রলিব্যাগের চাকার ঘড়ঘড় শব্দ—সবকিছু মিলিয়ে এক যান্ত্রিক অর্কেস্ট্রা। কিন্তু সারার কানের সব শব্দই ঝাপসা। ওর মনের ভেতরটা এখন শ্মশানের মতো নিস্তব্ধ। আটাশ বছর বয়সেই জীবনটা যেন থমকে গেছে।<br />
ভিড়ের মাঝে চোখ বোলাতেই মানুষটাকে দেখতে পেল সারা। অভিজিৎ রায়। ওর আব্বু।<br />
প্রস্থানের গেটের কাছে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। পরনে ধবধবে সাদা লখনউই পাঞ্জাবি আর পাজামা। মুখে সেই চিরচেনা প্রশান্ত হাসি, কিন্তু চোখের কোণে উদ্বেগের ছায়া স্পষ্ট। পঞ্চান্ন বছর বয়স, কিন্তু কে বলবে? চুলে সামান্য সল্ট-এন্ড-পেপার ছোঁয়া লেগেছে ঠিকই, কিন্তু মেরুদণ্ড এখনো টানটান। ভিড়ের মধ্যেও তাকে আলাদা করে চেনা যায়। তার ব্যক্তিত্বের একটা নিজস্ব আভা আছে, যা আশেপাশের ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত মানুষগুলোর থেকে তাকে পৃথক করে রাখে।সারা থমকে দাঁড়াল। বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। গত তিন বছরে নিজের স্বামী নামের ওই অপদার্থ লোকটার সাথে থাকতে থাকতে সে ভুলেই গিয়েছিল পুরুষ মানুষ আসলে কেমন হয়। তার প্রাক্তন স্বামী ছিল ন্যালব্যলে, মেরুদণ্ডহীন, যে কি না সামান্য ঝগড়াতেই মায়ের আঁচলের তলায় লুকাত। আর সেখানে আব্বু?<br />
তিশা দেখল, আব্বু হাত নেড়ে তাকে ডাকছেন। পাঞ্জাবীর হাতাটা কনুই পর্যন্ত গোটানো, ফর্সা লোমশ হাতে ঘড়িটা চকচক করছে। এই বয়সেও মানুষটা কী ভীষণ সতেজ! তার চওড়া কাঁধ আর সুঠাম চেহারার দিকে তাকিয়ে সারার অবচেতন মনে একটা তুলনা ভেসে উঠল—অনিচ্ছাসত্ত্বেও। "আমার স্বামী তো একটা পুরুষ নামের কলঙ্ক ছিল, আর আব্বু... আব্বু এখনো যেন একটা বটগাছ।"<br />
“সারা, মা আমার!<br />
আব্বুর ব্যারিটোন গলার আওয়াজে তিশার চিন্তার সুতো ছিঁড়ল। সে দ্রুত পায়ে এগিয়ে গিয়ে আব্বুর বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। আব্বুর গায়ে সেই পরিচিত গন্ধ-দামী আতর আর তামাকের একটা হালকা মিশ্রণ। এই গন্ধটা ছোটবেলায় সারাকে নিরাপত্তা দিত, আর আজ এই মুহূর্তে এই গন্ধটাই তার একমাত্র আশ্রয়। "আমি খুব ক্লান্ত আব্বু... আমি হেরে গেছি,” তিশার গলা বুজে এল। কান্নাটা দলা পাকিয়ে গলায় আটকে আছে। অভিজিৎ চুলে হাত বুলিয়ে দিলেন। তার হাতের স্পর্শে একটা অদ্ভুত দৃঢ়তা আর উষ্ণতা। “তুই হারিসনি মা। তুই ফিরে এসেছিস, এটাই আসল। চল, গাড়ি রাখা আছে।" গাড়ির এসি-র ঠান্ডা বাতাসে তিশার শরীরটা জুড়িয়ে গেল, কিন্তু মনের জ্বালা কমল না। জানালার কাঁচের ওপারে কলকাতা সরে সরে যাচ্ছে। ইএম বাইপাসের দুপাশে আকাশচুম্বী আলো ঝলমলে বাড়ি, ফ্লাইওভারের নিয়ন আলো-শহরটা অনেক বদলে গেছে। কিন্তু পার্ক সার্কাসের দিকে মোড় নিতেই সেই পুরনো কলকাতা উঁকি দিল।<br />
পুরনো আমলের বাড়ি, রাস্তার ধারের দোকান, আর ট্রামের লাইন। অভিজিৎ গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিশা আড়চোখে বাবার দিকে তাকাল। স্টিয়ারিং ধরা আব্বুর হাতদুটো শক্ত, শিরাগুলো সামান্য ভেসে আছে। গিয়ার চেঞ্জ করার সময় তার পেশিগুলো যেভাবে নড়াচড়া করছে, তাতে এক ধরনের পৌরুষদীপ্ত ছন্দ আছে। সারা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার স্বামী অর্ক কখনো গাড়িই চালাতে জানত না, সব সময় ড্রাইভার বা উবারের ওপর ভরসা। পৌরুষ জিনিসটা যে শুধু শরীরে নয়, আচরণেও থাকে, সেটা অর্ক কোনোদিন বোঝেনি।<br />
<br />
“তোর মা থাকলে আজ খুব খুশি হতো, আবার খুব কাঁদতও,” অভিজিৎ  নীরবতা ভাঙলেন। তার গলায় একটা চাপা হাহাকার।<br />
তিশার মা মারা গেছেন পাঁচ বছর হলো। তারপর থেকে আব্বু একাই এই বিশাল ফ্ল্যাটে থাকেন। সারা ভেবেছিল আব্বু হয়তো ভেঙে পড়বেন, কিন্তু মানুষটা নিজেকে সামলে নিয়েছেন অদ্ভুত দক্ষতায়।<br />
<br />
“তুমি একা খুব কষ্ট পাও, তাই না আব্বু?" সারা ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।<br />
<br />
অভিজিৎ  সাহেব ম্লান হাসলেন। রিয়ার ভিউ মিররে মেয়ের চোখের দিকে তাকালেন। “একাকীত্ব তো মানুষের ছায়ার মতো রে মা। ওটা সঙ্গে থাকেই। কিন্তু এখন তুই এসেছিস, আর কষ্ট নেই।"<br />
<br />
গাড়িটা যখন পার্ক সার্কাসের পুরনো বনেদী অ্যাপার্টমেন্টের নিচে এসে থামল, তখন রাত দশটা। চারপাশটা শান্ত হয়ে এসেছে। লিফটে ওঠার সময় আব্বু তিশার ভারী সুটকেসটা এক হাতেই তুলে নিলেন। সারার মনে হলো, এই মানুষটার শক্তির কোনো ক্ষয় নেই। সে শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখল বাবার পিঠের পেশিগুলোর সংকোচন-প্রসারণ।<br />
ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই একটা গুমোট নিস্তব্ধতা ওদের স্বাগত জানাল। সাড়ে তিন হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল ফ্ল্যাট। দামী আসবাবপত্র, ঝাড়বাতি, পারশিয়ান কার্পেট —সবই আছে, নেই শুধু মায়ের গলার আওয়াজ। কিন্তু আব্বু বাড়িটাকে অযত্নে রাখেননি। প্রতিটি জিনিস পরিপাটি করে সাজানো।<br />
<br />
“তোর ঘরটা আমি কালই গুছিয়ে রেখেছি। যা, ফ্রেশ হয়ে নে। আমি খাবার গরম করছি,” আব্বু বললেন।<br />
<br />
তিশা নিজের ঘরে ঢুকল। সেই একই বিছানা, সেই একই ড্রেসিং টেবিল। কিন্তু আয়নায় যে মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে, সে আর আগের তিশা নেই। তার চোখে-মুখে ক্লান্তি আর অভিজ্ঞতার ছাপ। শাড়িটা পাল্টে একটা হালকা সুতির নাইটি পরল সে। শরীরে এখন আর কোনো বাঁধন সহ্য হচ্ছে না।<br />
ডাইনিং টেবিলে যখন সে এল, দেখল আব্বু খাবার সাজিয়ে বসে আছেন। ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, সর্ষে ইলিশ আর কচি পাঁঠার ঝোল। গন্ধে তিশার পেটের খিদেটা মোচড় দিয়ে উঠল। গত কয়েক মাস সে ঠিকমতো খায়নি। পুনের ওই বিস্বাদ খাবার আর রোজকার অশান্তিতে তার রুচি চলে গিয়েছিল।<br />
<br />
তিশা চেয়ারে বসল। আব্বু তার উল্টোদিকে নয়, পাশের চেয়ারে বসলেন।<br />
<br />
“তোর হাত কাঁপছে সারা," আব্বু আলতো করে সারার ডান হাতটা ধরলেন। সারার হাত সত্যিই কাঁপছিল, দুর্বলতায় আর আবেগে।<br />
<br />
“আমি মেখে দিচ্ছি, ঠিক ছোটবেলার মতো,” আব্বু ভাতের থালাটা নিজের কাছে টেনে নিলেন। যত্ন করে ভাত মাখলেন, ইলিশ মাছের কাঁটা বেছে আলাদা করলেন। তার দীর্ঘ, ফর্সা আঙুলগুলো যখন ভাতের সাথে মশলা মাখাচ্ছিল, তখন সারার মনে হলো এই দৃশ্যটা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য।<br />
<br />
</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ভাঙা দরজা (By:ladykiller007)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=71</link>
			<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 04:27:34 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=71</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
This is my first attempt at writing a story. Everything that follows is pure fiction and fantasy. None of the characters, events, or situations have any basis in reality.<br />
<br />
<br />
Chapter 1</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
শশী রান্না করছে, একহাতে কড়াই নাড়ছে, অন্যহাতে কাপড়ের আঁচল টেনে ধরেছে। কাঁচা হলুদ আর মরিচের গুঁড়ো তেলে ছড়িয়ে পড়তেই রান্নাঘর ভর্তি হয়ে গেল তীব্র গন্ধে। কপালের ঘাম একটু একটু করে গাল বেয়ে নেমে আসছে, কিন্তু তার হাত থামে না। দুপুর বারোটা, ডেলিভারির সময় হয়ে গেছে। টিফিন ক্যারিয়ার পাশে রাখা, লাল রঙের হাতে বোনা কাপড় দিয়ে ঢাকা। তার ওপর দিয়েই দেবের জন্য এক থালা ভাত আর ডাল রাখতে হবে, বেশি করে ভাজা, ছেলের খুব পছন্দ।<br />
হঠাৎ সে দরজার দিকে ফিরে তাকাল। দেব দাঁড়িয়ে, হাতে মোবাইল, চোখ স্ক্রিনে আটকে। ওর মুখে কোনো ভাব নেই, শুধু একটা ফিকে হাসি টেনে টেনে উঠছে।<br />
"কী রে, ডেলিভারি নিয়ে বেরোবি নাকি?" শশীর কণ্ঠে একটা অস্থিরতা।<br />
"হ্যাঁ, মা, একটু পরেই। এই তো জামা পরছি।" দেব নিজের রুমে গিয়ে একটা গেঞ্জি পরে নিল। ও বেরিয়ে এসে টিফিন ক্যারিয়ার তুলে নিল।<br />
"আজকে কি বেশি দেরি হবে?"<br />
"না মা, সোজা যাব, টিউশনি করে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসবো।" দেব মাথা নেড়ে উত্তর দিল, কিন্তু চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে।<br />
দেব চলে যাওয়ার পর শশী রান্নাঘরে ফিরে এল। কড়াইয়ে পড়ে থাকা ডালটা ফুটছে আস্তে আস্তে। ছেলের কথা ভাবলো সে " দেব ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু টাকার অভাবে কোন কোচিং দিতে পারেনি। নিজেই পড়তে হচ্ছে ওকে। ওর বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো কিছুটা হলেও সুবিধে হত। ওর বাবার মৃত্যুর পর থেকে সব দায়িত্ব ওর কাঁধে। কিন্তু দেবের বাবা নেই দেখে তাঁর জন্য ভাল হয়েছে। আজকাল খুব ভাল আছে। অন্তত দেবের বাবার অত্যাচার আর মারধোর থেকে মুক্তি পেয়েছে।" ভাবতে ভাবতে শশীর বিয়ে এর কথা মনে পরে গেল "ওই বিয়ে... কী ভয়ঙ্কর ছিল। ১৮ বছর বয়স, হাতে রাঙা মেহেদি, আর চোখে জল। সেই ৩৬ বছরের দ্বীন সরকারকে দেখে প্রথম দিন থেকেই ভয় পেয়েছিল ও। তার চোখে একটা অন্য রকম ক্ষুধা ছিল, যে ক্ষুধার কথা ও কাউকে বলতে পারেনি। রাতের অন্ধকারে সে ক্ষুধা নিঃশেষ করত তার শরীর। ও যতই না করত, ততই বেশী জোর করে চুদতো। আমার না শুনলে মারধোর করত। আমি তো প্রতি রাতে ধ-র্ষ-ণ হতাম নিজের স্বামীর হাতে। দ্বীনের মৃত্যুতে অনেকে সান্তনা দিতে এসেছিল, কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু যে ঋণ সে রেখে গেছে, সেই ঋণ আজও গলার কাঁটা হয়ে আছে। আর দেব... আমার দেব। ওকে নিয়েই আজ আমার সব। ও ইঞ্জিনিয়ার হবে, অনেক বড় হবে। ওর একটা ভাল চাকরি হবে। তাহলে আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমি আর এই রান্নাঘরে ঘেমে নেয়ে একাকার হতে হবে না।"<br />
ওইদিকে দেব খাবার ডেলিভারি দিয়ে ২ টা টিউশনি করে বাড়ি ফিরছে। রাস্তার মাঝখানে ওর মোবাইলটা বেজে উঠল। ওর এক বন্ধু ফোন করেছে।<br />
"হ্যাঁ হাঁসান, কেমন আছিস?"<br />
"ভালো, তুই কেমন আছিস? ভর্তি প্রস্তুতি কেমন চলছে?"<br />
"ভালোই। তোরা সবাই কোচিং এ ভর্তি হয়েছিস না? কেমন পড়াচ্ছে?"<br />
"হুম, খুব ভালো। ক্লাস টেস্ট দিলাম, খুব ভালো হয়েছে। তোর কোচিং হচ্ছে না কেন? তোর তো ভালোই পড়াশোনা ছিল।"<br />
হাঁসানের কথা শুনে দেবের মনটা খারাপ হয়ে গেল। "আমার মায়ের পক্ষে সম্ভব না। নিজেই পড়ছি।"<br />
"ওহ। দেখ, তুই যদি ভালো করে পড়তে না পারিস, তাহলে সবাই তোকে পেছনে ফেলে দেবে। ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না। আমি তোকে আমার নোট দিবনে" হাঁসান বললো যেন সে খুব বড় উপকার করছে।<br />
"দেখি," দেব বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ও জ্বলছিল। হাঁসানের কথাটা ওর মনে গেঁথে গেল। 'ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না।' ফোন কেটে ও বাসে উঠে পড়ল। বাসের জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল। কত শহুরে উন্নতি, কত বড় বড় বিল্ডিং, কত মানুষ। তাদের মতো সে কখনো হতে পারবে না। মায়ের অভাব, বাবার ঋণ—সব কিছু ওকে পিছিয়ে দিচ্ছে। ওর হাত শক্ত হয়ে গেল মোবাইলের ওপর। হাঁসানের কথাটা ওর কানে বাজছিল। ও ভাবল, 'আমি অন্যদের মতো নই। আমার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো আমার মায়ের স্বপ্ন, আমার নিজের ইচ্ছে। আমি হারতে পারি না। না পারি না।'<br />
বাসা এর দিকে ঢুকে দেব দেখলো মা রান্নার কাজ করছে। মায়ের ঘামে ভেজা মুখ। মায়ের পেটের ভাঁজগুলো সালোয়ারের বাইরে দিয়ে ফুটে উঠছে। দেব জানে মা কত কষ্ট করে। ওর চোখে জল এল। কিন্তু দেব চেপে রাখল। ও মাকে দেখেছে বাবার হাতে নির্যাতিত হতে। সেই স্মৃতি আজও ওকে কাঁদায়। ও মাকে আর কষ্ট দিতে চায় না। ও ভাবল, 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবই হব। মাকে আর কোনোদিন কষ্ট দেব না। বাবার রেখে যাওয়া ঋণ শোধ করব। আমি এই ছোট ঘর থেকে বের হয়ে একদিন বড় ফ্ল্যাটে মাকে নিয়ে থাকব।'<br />
ও ভেতরে ঢুকে মাকে ডাকল, "মা।"<br />
শশী ফিরে তাকাল। ছেলের মুখে একটা ব্যথিত ভাব দেখে সে বুঝতে পারল কিছু একটা হয়েছে। "কী রে, এসে পড়েছিস? স্নান করেনে খেয়ে নে।"<br />
দেব স্নানের জন্য বাথরুমের দরজা লাগেতে গেল আর সাথে সাথে দরজাটা খুলে গেল। বাথরুমের দরজা বারবার খুলে যাওয়ার বিষয়টা ওদের জন্য নতুন কিছু নয়, কিন্তু আজ দরজা পুরোটা ভেঙ্গে গেল।<br />
দেবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। "মা! মা! এই তো দেখো, দরজাটা ভেঙে গেছে। এখন আমরা কী করব?"<br />
শশী ছুটে এল। দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। দরজার উপরের অংশটা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। শুধু নিচের অংশটা ঝুলছে। "এটা কী হলো!"<br />
"আমি তো শুধু লাগিয়েছিলাম," দেবের কণ্ঠ কাঁপছিল, "এটা এত সহজে ভাঙল কেন?"<br />
"বুঝতে পারছি না," শশী বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে বুঝতে পারছিল। জং ধরা আর পুরনো হয়ে যাওয়ার জন্যই এমন হয়েছে। বাড়িওয়ালার মুখে চাপা ক্ষোভ জমতে লাগলো তার মনে। 'ও জানে আমাদের অভাব, তাই ভাড়া কম রেখেছে। কিন্তু এই ভেঙে যাওয়া দরজাটার কথা ভাবেনি। আমাদের এতটুকু গোপনীয়তা নেই। এখন আমরা কীভাবে স্নান করব? দেব একটা ছেলে, আমি একজন নারী। এটা কি ও বুঝতে পারবে না? ও কী ভাববে? ও কী ভাববে আমাকে দেখে? আমি কী ভাবব ওকে দেখে? কী এক অসহায় অবস্থা।'<br />
দেবও একই কথা ভাবছিল। তারপর শশী বলল, " কি করব বল, বাড়ীওয়ালা দরজা ঠিক করে দিবে না। এখন এভাবেই চলতে হবে। আমরা বাদে আর কেউতো আসবে না"।<br />
দেব চুপ করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, বাড়িওয়ালা এই ভাঙা দরজাটা ঠিক করতে চাইছে না এই আশায় যে, ওরা বাধ্য হয়ে বকেয়া ভাড়া দিয়ে দেবে। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব নয়। 'বাবা, তুমি কী করে গেলে! তোমার রেখে যাওয়া ঋণ আমাদের এত দুঃখ দিচ্ছে। আমি কী করব? মাকে কীভাবে এই অপমান থেকে বাঁচাব? এই ছোট ঘরে আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল, আর সেই আশ্রয়স্থলেই আমাদের গোপনীয়তা নেই। আমি কী মাকে বলব, সে যখন স্নান করবে তখন আমি বাইরে থাকব? নাকি মা বলবে, তুমি স্নান করো আমি বাইরে থাকব? আমি কী করে সেটা বলতে পারি? ' দেবের মনের মধ্যে এক ধরনের রাগ আর লজ্জা কাজ করছিল।<br />
"ঠিক আছে," দেব বলল, কিন্তু তার মনের ভার কমছিল না। দরজা ছারাই দেব একটা ছোট জাঙ্গিয়া পরে লজ্জায় স্নান করতে লাগল। শশী দেখল দেব এর পিঠ আর পাছার দিক। দেবের শরীরে বয়স অনুযায়ী পেশী ফুটে উঠেছে। দেবের শরীরের দিকে তাকিয়ে শশী ভাবলো 'আমার ছেলে আর ছোট নেই, একজন পুরুষ হয়ে গেছে। যেকোনো মেয়ে দেখলেই প্রেমে পরে যাবে। আমার ছেলে কত সুন্দর দেখতে। কত সুন্দর শরীর। ওর বুকে কোনো লোম নেই, পেটে চর্বি নেই।' স্নান করার সময় দেবের সাথে মায়ের চোখাচোখি হল। আর দেব লজ্জা পেয়ে ভাবল 'মা কি আমার দিকে তাকাচ্ছে? আমি তো জাঙ্গিয়া পরে আছি।' শশী ছেলের লজ্জা পাওয়া দেখে হেঁসে দিল আর বলল "কিরে লজ্জা পাচ্ছিস? তোকে তো অনেক ছোট থেকে দেখেছি, তোর কাপড় খুলে গোসল করাতাম।" তারপর দুইজনে এক সাথে হেঁসে ফেলল।<br />
হেঁসে ফেলার পর কিন্তু তাদের ভেতরে ভেতরে কী যেন একটা অস্বস্তিকর ভাব কাজ করছিল।<br />
" তাড়াতাড়ি কর আমারও স্নান করতে হবে। তারপর একসাথে খেতে বসবো" শশী বলল।<br />
দেব বলল, "হ্যাঁ মা"।<br />
দেব স্নান সেরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল, তার শরীরে শুধু একটা গেঞ্জি আর হাঁফ প্যান্ট। গামছা দিয়ে চুল মুছছিল। এরপর শশী স্নান করতে ঢুকল, আর উল্টো দিকে ঘুরে তাঁর সালোয়ার কামিজ খুলে গামছাটা পেচিয়ে নিলো। দেব বাথরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখল মা কিভাবে তাঁর পিছনে ফিরে কাপড় খুলছে। আর ভাবতে থাকল মায়ের শরীরের গঠন নিয়ে "মায়ের শরীরটা কি আমি আগে কখনো ভেবে দেখেনি। মায়ের শরীরটা... কেমন যেন... আকর্ষণীয়... কোমরটা এত সরু, আর পেটে মেদ নেই তেমন। সালোয়ারের বাইরে দিয়েও যে ভাঁজ গুলো বোঝা যায় সেগুলো দেখে তো কোনো মেয়ের কাছেও হার মানবে না। আজকাল আধুনিক অফিসে যেসব মেয়েরা কাজ করে, তাদের শরীর দেখলে মনে হয় না এত সুন্দর। মায়ের শরীরে একটা অন্য রকমের মাধুর্য আছে। তার বয়স হলেও শরীরের গঠন দেখে তো মনে হয় না।" শশী যখন ঘুরে দাঁড়াল সে দেখল তাঁর ছেলে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে, শশী বলল "কি দেখছিস রে?"।<br />
দেব ফাজলামি করে বলল "তোমাকে দেখছি, তুমি যেমন আমাকে স্নান করার সময় দেখে ছিল"।<br />
শশী লাজুক হয়ে বলল "বোকা ছেলে"। তারপর শশী ফাজলামি করে একটু কামুকী অঙ্গী ভঙ্গী করতে থাকল। যা দেখে দেব ভাবল " মা এত sexy । মায়ের এই রূপ আমি আগে কখনো দেখিনি। মনে হচ্ছে, মাকে একদম অন্যভাবে চিনতে পারছি। উফফ... মায়ের ওই ভাঁজগুলো... ওই কোমর... ওই পেট... একদম অন্যরকম লাগছে আজকে।" এসব ভাবতে ভাবতে দেবের প্যান্টের ভিতর দিয়ে বাড়াটা দাড়িয়ে গেল।<br />
শশী দেখল তাঁর ছেলে তাকে এই অবস্থায় দেখে বাড়া দাড়িয়ে গেছে, আর ভাবল 'এইটা তো হওয়ারই কথা ছিল। দেবের বয়স এখন উনিশ। এই বয়সে ছেলেদের শরীরে হরমোনের তোলপাড় চলে। কিন্তু তাকে দেখে দেবের মতন যুবকের এমন হল। তাঁর মানে এখনো তাঁর রূপ চলে যায়জায়ন' এই ভাবনায় শশীর শরীরে একধরনের কাঁপুনি দিল, তাঁর বগল আর কোমরের নিচে অদ্ভুত একটা গরম অনুভূতি হল। তখন শশী হেঁসে বলল "এই দুষ্টু ছেলে, অন্য দিকে তাকা"। দেব লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে তাকাল। তারপর শশী স্নান করে খাওয়া দাওয়া করতে বসল।<br />
খাওয়ার সময় দেব বাথরুম ঘটনা ভেবে মাকে বলল "মা আমার ভুল হয়ে গেছে। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও"।<br />
"কি ভুল রে?" শশী জিজ্ঞাসা করল।<br />
"মানে... স্নান করার সময়... আমি..." দেব কথাটা শেষ করতে পারল না। লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কী বলতে যাচ্ছে। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমাকে দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার সেই দিকে তাকিয়ে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল? না, আমি পারব না। আমি আমার মাকে এসব বলতে পারি না। আমি একজন ছেলে, আর ও আমার মা। ও আমার মা।'<br />
শশী ছেলের অস্বস্তি দেখে বুঝতে পারল যে সে কী বলতে চাইছে। তার মনে হল, এই সময় ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "ভুল? তোর কোনো ভুল হয়নি রে। তুই এখন আর ছোট না, পুরুষ হয়েছিস। এটা স্বাভাবিক।বাথরুমের দরজা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এভাবেই থাকতে হবে। আমরা দুজনেই এক রুমে থাকি, আমরা দুজনেই জানি আমাদের অভাব। তাই আমাদের সবকিছু নিয়েই চলতে হবে। আমি তোকে কখনো ভুল বুঝব না।"<br />
দেব বলল "মা আর দেড় মাস পর আমার ভর্তি পরিক্ষা শুরু হবে, ভাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে পারলে, আমাদের অভাব আস্তে আস্তে দূর হবে। প্রথমে ইউনিভার্সিটি তে উঠে আর ও টিউশনি করাবো, তারপর পাস করে চাকরি করব। তখন দেখবে মা, আমরা নিজের ফ্ল্যাট নিবো, যেখানে বাথরুমের দরজা থাকবে, যেটা খুললে ভাঙবে না।"<br />
দেবের কথা শুনে শশীর চোখ ছলছল করে উঠল। তার ছেলে কত বড় হয়েছে। কত দায়িত্ববান হয়েছে। সে তার ছেলের জন্য গর্বিত। শশী বলল, "আমি জানি রে দেব। তুই আমার গর্ব। আমি জানি তুই অনেক ভাল ইঞ্জিনিয়ার হবি। তারপর আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমাদের নিজের বাড়ি হবে।" তারপর শশী দেব খাওয়া শেষ করল। দেব পড়তে বসল আর শশী দেবের ফোন নিয়ে রীল দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরল।<br />
একদিন সকালে শশী ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গেল পায়খান করতে। সে পায়খানা করতে বসেছে বাংলা স্টাইল কোমডে। তখনই দেব ঘুম থেকে উঠে দেখল মা বাথরুমে পায়খানা করছে, তাদের চোখাচোখি হয়ে গেল ঠিক তখনই শশী এর পাছা থেকে ধব ধব করে হাগু পরছে, সাথে পাদ লাগার শব্দ হচ্ছিল। দেব চমকে গেল, তার মনে হল একদম ভুল সময়ে উঠে গেছে। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে নিল, কিন্তু সে তার চোখ ফিরিয়ে নিতে পারল না। সে দেখল মায়ের পাছার দিক থেকে বেরিয়ে আসা ধবধবে হাগু আর পাদের শব্দ। তার মনে হল এটা দেখা উচিত হয়নি। একই সময়ে অদ্ভুত একটা ব্যাপার হলো তার মনে, সে এই দৃশ্যটা দেখে উত্তেজিত হয়ে গেল। তার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গেল। সে ভাবল, 'আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি? আমি কি আমার মায়ের পায়খানা করতে দেখে উত্তেজিত হচ্ছি? ' । শশী ছেলে কে দেখে লজ্জা পেল তারপর পায়খানা শেষ করে বের হয়ে দেবকে বলল, "সরি বাবা, আমি জানতাম না তুই উঠে গেছিস।" দেব মাথা নিচু করে বলল, "আমিও জানতাম না মা।" শশী লজ্জার চোটে ওর মুখ লাল হয়ে গেল, তবে একই সাথে ওর শরীরে এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ে।<br />
কিছুদিন পর রাতে, দেব বাসা তে টেবিলে পড়ছিল, তখন শশী স্নানা করতে বাথরুমে ধুকলো। ওই দিনে বাথরুম ঘটনা এর মতন দেব মা কে দেখল। ও দেখতে লাগলো মা গামছা পেঁচিয়ে স্নান করছে। দেবের মনে হল যেন সে ওর মায়ের শরীরের প্রতিটা ভাঁজ, প্রতিটা বক্রতার সাক্ষী হচ্ছে। আজ শশীর চুলগুলো খোঁপা করে বেঁধেছেন, এতে ওর গলা, ঘাড় আর কাঁধের লাইন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেব ভাবল, 'কী অসাধারণ দেখাচ্ছে মাকে আজ। কেউ যদি দেখে, তাহলে বলবে, ও আমার মা না, কোন মডেল।' শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের দিকে তাকিয়ে দেখল যে ওর ছেলে ওকে দেখছে। শশী এক নিষিদ্ধ টানে কামদেবীর মতন এক হাত উপরে তুলল। দেব মায়ের বগলের দেখে দেবের শরীর গরম হয়ে উঠল। বাড়াটা আবার দাঁড়িয়ে গেল। শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের প্যান্টের দিকে তাকালো, দেব এই নিষিদ্ধ লালসায় লজ্জা পেল।শশী বাথরুমের ভেতরেই লজ্জায় হেসে ফেলল। দেব লজ্জায় মুখ না চেয়ে পড়তে শুরু করল। শশী স্নান শেষ করে খাটে বসে দেখল, তাঁর ছেলের বাড়াটা প্যান্টের ভিতরে এখনো দাড়িয়ে আছে। সে দেবের পাশে বসে জিজ্ঞেস করল, "কি ভাবছিস রে?" দেব বলল, "কিছু না মা।"<br />
"কিছু না? তোর তো খুব কিছু একটা হয়েছে। তোর চেহারা দেখে মনে হচ্ছে," শশী বলল, তার গলায় একধরনের হালকা ঠাট্টা ছিল, তবে ভেতর থেকে একটা কৌতূহলও ছিল।<br />
দেব কিছু বলল না, শুধু মাথা নিচু করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কিছু বলতে পারবে না। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমার নগ্ন দেহ দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার বগলের চুল দেখে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল যেটা এখনো দাড়িয়ে আছে ? না, আমি পারব না। এটা অন্যায়। ও আমার মা।' তার মনের ভেতর এক দ্বন্দ্ব শুরু হলো।<br />
শশী ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, "তোর মুখ দেখে মনে হচ্ছে তোর মনে অনেক কিছু ঘোরাফেরা করছে। তুই বলতে পারস, আমি তোর মা। তোর কথা আমি বুঝব।" দেব বলে " মা সরি তোমার স্নান করা দেখে আমার ওইটা দাড়িয়ে গেছে, এখনো নামছে না। এটা না নামলে আমি পড়ায় মন বসাতে পারছি না। আর দুই দিন পর আমার পরীক্ষা।" দেবের কথা শুনে শশী বুঝতে পারল, যে কঠিন অবস্থায় তার ছেলে আছে। তার ছেলে আসলেই একজন ভালো ছেলে, সে লজ্জা পাচ্ছে আর নিজেকে দোষারোপ করছে। তার মনে হল এই মুহূর্তে ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "এটা তোর ভুল নয়, রে দেব। তোর শরীরে অনেক পরিবর্তন আসছে তাই এমন হচ্ছে। " দেব বলল, "তবুও মা। তুমি তো আমার মা। আমার এই ভাবনা ভুল। আমি তোমার মতো একজন মাকে নিয়ে এই ভাবনা করতে পারি না।" শশী বলল, "তুই ভুল ভাবছিস। আমিও তো একজন মানুষ, আর তোর মা। আমারও একটা শরীর আছে। আর হ্যাঁ, তোর সমস্যার জন্য তো একটা উপায় আছে। তুই নিজেই মিটিয়ে নিতে পারিস।" শশী বলে ফেলল। কথাটা বলার পর শশী নিজেই লজ্জা পেয়ে গেল। তার মুখ লাল হয়ে গেল।<br />
দেব অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের কথা শুনে ওর মনের ভেতর একটা ঝড় উঠল। মা কী বলছেন? মা কি তাকে হস্তমৈথুন করার পরামর্শ দিচ্ছেন? "কিন্তু মা। আগে আমি বাথরুমে নিজের এই চাহিদা মিটাতাম। তোমার আড়ালে কিন্তু এখন বাথরুমে দরজা নেই"। শশী বলল, "তাহলে করিস এখানেই। আমি ফিরে থাকব।" দেব বলল, "তুমি থাকলে কিভাবে হবে?" শশী বলল, " তুই করে নে। আমি কিছু মনে করব না, তোর পরীক্ষা আছে, তোর মন বসাতে হবে। আর বাথরুমে তো জায়গাও নেই। আমি ফিরে থাকব।" শশীর কথার মধ্যে এক ধরনের দৃঢ়তা ছিল।<br />
দেব চিন্তা করতে লাগল। তার মনে হল এটাই সঠিক সমাধান। তার বাড়া দাঁড়িয়ে থাকার কারণে সে পড়ায় মন দিতে পারছে না। আর দুই দিন পর তার ভর্তি পরীক্ষা। তার ভবিষ্যৎ এর উপর নির্ভর করছে এই পরীক্ষা। আর মা নিজে থেকেই বলছে। দেব অবশেষে রাজি হল। সে বলল, "ঠিক আছে মা।"<br />
শশী বলল, "আমি একদম ফিরে থাকব।"<br />
দেব লজ্জায় তার প্যান্টের জিপ খুলল। ওর বাড়া একদম ফুলে ফুঁপে উঠেছে। শশী ফিরে থাকল, কিন্তু ওর মনে এক বিচিত্র কৌতূহল জাগল। শশী শুনতে পাচ্ছে হাত মারার শব্দ। আর তার নিজের শরীরেও এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ছে। তার গুদে একটা চিড়িক মিড়িক অনুভূতি শুরু হলো। আসলে শশী কখন ভালবাসার সঙ্গম পায়নি। তাঁর মৃত স্বামী তাঁকে ধ-র্ষ-ণ করতো। তাঁই এই সমস্ত সংবেদনশীল অনুভূতি নতুন করে অনুভব করছে। তার নিজের শরীরের প্রতি নজর দিলে সে দেখল তার স্তনের বোঁটা ফুলে উঠেছে এবং সালোয়ারের ওপর দিয়ে দেখা যাচ্ছে। তার নিঃশ্বাস গরম হয়ে উঠছিল।<br />
দেব দ্রুত নিজের কাজ সেরে ফেলল। আর বীর্য বের হতেই একটা আরাম অনুভূতি হল। তবুও মাকে পেছনে থাকতে দেখে লজ্জায় মনে হল। মা নিশ্চয়ই আমার শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তিনি কি ভাবছেন? আমি কি ভুল করলাম? এসব ভেবে তার মনে একধরনের অপরাধবোধ জন্ম নিল। সে নিজের প্যান্ট দিয়ে বীর্য মুছতে শুরু করল। শশী এবার ঘুরে দাঁড়ালো। দেবের দিকে তাকালো। দেখল দেব প্যান্টের উপর কিছু একটা মুছছে। শশী বুঝতে পারল সেটা কি। শশী বলল, "এই নে।" শশী বাথরুমে থেকে একটা কাপড় নিয়ে এসে দেবকে দিল। দেব কৃতজ্ঞতায় মাথা নিচু করে নিল। নিজেকে পরিষ্কার করে নিল। শশী বলল, "এবার পড়তে বস। তোর মন বসবে।"<br />
<br />
</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
This is my first attempt at writing a story. Everything that follows is pure fiction and fantasy. None of the characters, events, or situations have any basis in reality.<br />
<br />
<br />
Chapter 1</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
<br />
শশী রান্না করছে, একহাতে কড়াই নাড়ছে, অন্যহাতে কাপড়ের আঁচল টেনে ধরেছে। কাঁচা হলুদ আর মরিচের গুঁড়ো তেলে ছড়িয়ে পড়তেই রান্নাঘর ভর্তি হয়ে গেল তীব্র গন্ধে। কপালের ঘাম একটু একটু করে গাল বেয়ে নেমে আসছে, কিন্তু তার হাত থামে না। দুপুর বারোটা, ডেলিভারির সময় হয়ে গেছে। টিফিন ক্যারিয়ার পাশে রাখা, লাল রঙের হাতে বোনা কাপড় দিয়ে ঢাকা। তার ওপর দিয়েই দেবের জন্য এক থালা ভাত আর ডাল রাখতে হবে, বেশি করে ভাজা, ছেলের খুব পছন্দ।<br />
হঠাৎ সে দরজার দিকে ফিরে তাকাল। দেব দাঁড়িয়ে, হাতে মোবাইল, চোখ স্ক্রিনে আটকে। ওর মুখে কোনো ভাব নেই, শুধু একটা ফিকে হাসি টেনে টেনে উঠছে।<br />
"কী রে, ডেলিভারি নিয়ে বেরোবি নাকি?" শশীর কণ্ঠে একটা অস্থিরতা।<br />
"হ্যাঁ, মা, একটু পরেই। এই তো জামা পরছি।" দেব নিজের রুমে গিয়ে একটা গেঞ্জি পরে নিল। ও বেরিয়ে এসে টিফিন ক্যারিয়ার তুলে নিল।<br />
"আজকে কি বেশি দেরি হবে?"<br />
"না মা, সোজা যাব, টিউশনি করে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসবো।" দেব মাথা নেড়ে উত্তর দিল, কিন্তু চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে।<br />
দেব চলে যাওয়ার পর শশী রান্নাঘরে ফিরে এল। কড়াইয়ে পড়ে থাকা ডালটা ফুটছে আস্তে আস্তে। ছেলের কথা ভাবলো সে " দেব ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, কিন্তু টাকার অভাবে কোন কোচিং দিতে পারেনি। নিজেই পড়তে হচ্ছে ওকে। ওর বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো কিছুটা হলেও সুবিধে হত। ওর বাবার মৃত্যুর পর থেকে সব দায়িত্ব ওর কাঁধে। কিন্তু দেবের বাবা নেই দেখে তাঁর জন্য ভাল হয়েছে। আজকাল খুব ভাল আছে। অন্তত দেবের বাবার অত্যাচার আর মারধোর থেকে মুক্তি পেয়েছে।" ভাবতে ভাবতে শশীর বিয়ে এর কথা মনে পরে গেল "ওই বিয়ে... কী ভয়ঙ্কর ছিল। ১৮ বছর বয়স, হাতে রাঙা মেহেদি, আর চোখে জল। সেই ৩৬ বছরের দ্বীন সরকারকে দেখে প্রথম দিন থেকেই ভয় পেয়েছিল ও। তার চোখে একটা অন্য রকম ক্ষুধা ছিল, যে ক্ষুধার কথা ও কাউকে বলতে পারেনি। রাতের অন্ধকারে সে ক্ষুধা নিঃশেষ করত তার শরীর। ও যতই না করত, ততই বেশী জোর করে চুদতো। আমার না শুনলে মারধোর করত। আমি তো প্রতি রাতে ধ-র্ষ-ণ হতাম নিজের স্বামীর হাতে। দ্বীনের মৃত্যুতে অনেকে সান্তনা দিতে এসেছিল, কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু যে ঋণ সে রেখে গেছে, সেই ঋণ আজও গলার কাঁটা হয়ে আছে। আর দেব... আমার দেব। ওকে নিয়েই আজ আমার সব। ও ইঞ্জিনিয়ার হবে, অনেক বড় হবে। ওর একটা ভাল চাকরি হবে। তাহলে আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমি আর এই রান্নাঘরে ঘেমে নেয়ে একাকার হতে হবে না।"<br />
ওইদিকে দেব খাবার ডেলিভারি দিয়ে ২ টা টিউশনি করে বাড়ি ফিরছে। রাস্তার মাঝখানে ওর মোবাইলটা বেজে উঠল। ওর এক বন্ধু ফোন করেছে।<br />
"হ্যাঁ হাঁসান, কেমন আছিস?"<br />
"ভালো, তুই কেমন আছিস? ভর্তি প্রস্তুতি কেমন চলছে?"<br />
"ভালোই। তোরা সবাই কোচিং এ ভর্তি হয়েছিস না? কেমন পড়াচ্ছে?"<br />
"হুম, খুব ভালো। ক্লাস টেস্ট দিলাম, খুব ভালো হয়েছে। তোর কোচিং হচ্ছে না কেন? তোর তো ভালোই পড়াশোনা ছিল।"<br />
হাঁসানের কথা শুনে দেবের মনটা খারাপ হয়ে গেল। "আমার মায়ের পক্ষে সম্ভব না। নিজেই পড়ছি।"<br />
"ওহ। দেখ, তুই যদি ভালো করে পড়তে না পারিস, তাহলে সবাই তোকে পেছনে ফেলে দেবে। ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না। আমি তোকে আমার নোট দিবনে" হাঁসান বললো যেন সে খুব বড় উপকার করছে।<br />
"দেখি," দেব বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ও জ্বলছিল। হাঁসানের কথাটা ওর মনে গেঁথে গেল। 'ওসব কোচিং ছাড়া এখন আর ভালো রেজাল্ট করা যায় না।' ফোন কেটে ও বাসে উঠে পড়ল। বাসের জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল। কত শহুরে উন্নতি, কত বড় বড় বিল্ডিং, কত মানুষ। তাদের মতো সে কখনো হতে পারবে না। মায়ের অভাব, বাবার ঋণ—সব কিছু ওকে পিছিয়ে দিচ্ছে। ওর হাত শক্ত হয়ে গেল মোবাইলের ওপর। হাঁসানের কথাটা ওর কানে বাজছিল। ও ভাবল, 'আমি অন্যদের মতো নই। আমার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো আমার মায়ের স্বপ্ন, আমার নিজের ইচ্ছে। আমি হারতে পারি না। না পারি না।'<br />
বাসা এর দিকে ঢুকে দেব দেখলো মা রান্নার কাজ করছে। মায়ের ঘামে ভেজা মুখ। মায়ের পেটের ভাঁজগুলো সালোয়ারের বাইরে দিয়ে ফুটে উঠছে। দেব জানে মা কত কষ্ট করে। ওর চোখে জল এল। কিন্তু দেব চেপে রাখল। ও মাকে দেখেছে বাবার হাতে নির্যাতিত হতে। সেই স্মৃতি আজও ওকে কাঁদায়। ও মাকে আর কষ্ট দিতে চায় না। ও ভাবল, 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবই হব। মাকে আর কোনোদিন কষ্ট দেব না। বাবার রেখে যাওয়া ঋণ শোধ করব। আমি এই ছোট ঘর থেকে বের হয়ে একদিন বড় ফ্ল্যাটে মাকে নিয়ে থাকব।'<br />
ও ভেতরে ঢুকে মাকে ডাকল, "মা।"<br />
শশী ফিরে তাকাল। ছেলের মুখে একটা ব্যথিত ভাব দেখে সে বুঝতে পারল কিছু একটা হয়েছে। "কী রে, এসে পড়েছিস? স্নান করেনে খেয়ে নে।"<br />
দেব স্নানের জন্য বাথরুমের দরজা লাগেতে গেল আর সাথে সাথে দরজাটা খুলে গেল। বাথরুমের দরজা বারবার খুলে যাওয়ার বিষয়টা ওদের জন্য নতুন কিছু নয়, কিন্তু আজ দরজা পুরোটা ভেঙ্গে গেল।<br />
দেবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। "মা! মা! এই তো দেখো, দরজাটা ভেঙে গেছে। এখন আমরা কী করব?"<br />
শশী ছুটে এল। দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। দরজার উপরের অংশটা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। শুধু নিচের অংশটা ঝুলছে। "এটা কী হলো!"<br />
"আমি তো শুধু লাগিয়েছিলাম," দেবের কণ্ঠ কাঁপছিল, "এটা এত সহজে ভাঙল কেন?"<br />
"বুঝতে পারছি না," শশী বলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে বুঝতে পারছিল। জং ধরা আর পুরনো হয়ে যাওয়ার জন্যই এমন হয়েছে। বাড়িওয়ালার মুখে চাপা ক্ষোভ জমতে লাগলো তার মনে। 'ও জানে আমাদের অভাব, তাই ভাড়া কম রেখেছে। কিন্তু এই ভেঙে যাওয়া দরজাটার কথা ভাবেনি। আমাদের এতটুকু গোপনীয়তা নেই। এখন আমরা কীভাবে স্নান করব? দেব একটা ছেলে, আমি একজন নারী। এটা কি ও বুঝতে পারবে না? ও কী ভাববে? ও কী ভাববে আমাকে দেখে? আমি কী ভাবব ওকে দেখে? কী এক অসহায় অবস্থা।'<br />
দেবও একই কথা ভাবছিল। তারপর শশী বলল, " কি করব বল, বাড়ীওয়ালা দরজা ঠিক করে দিবে না। এখন এভাবেই চলতে হবে। আমরা বাদে আর কেউতো আসবে না"।<br />
দেব চুপ করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, বাড়িওয়ালা এই ভাঙা দরজাটা ঠিক করতে চাইছে না এই আশায় যে, ওরা বাধ্য হয়ে বকেয়া ভাড়া দিয়ে দেবে। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব নয়। 'বাবা, তুমি কী করে গেলে! তোমার রেখে যাওয়া ঋণ আমাদের এত দুঃখ দিচ্ছে। আমি কী করব? মাকে কীভাবে এই অপমান থেকে বাঁচাব? এই ছোট ঘরে আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল, আর সেই আশ্রয়স্থলেই আমাদের গোপনীয়তা নেই। আমি কী মাকে বলব, সে যখন স্নান করবে তখন আমি বাইরে থাকব? নাকি মা বলবে, তুমি স্নান করো আমি বাইরে থাকব? আমি কী করে সেটা বলতে পারি? ' দেবের মনের মধ্যে এক ধরনের রাগ আর লজ্জা কাজ করছিল।<br />
"ঠিক আছে," দেব বলল, কিন্তু তার মনের ভার কমছিল না। দরজা ছারাই দেব একটা ছোট জাঙ্গিয়া পরে লজ্জায় স্নান করতে লাগল। শশী দেখল দেব এর পিঠ আর পাছার দিক। দেবের শরীরে বয়স অনুযায়ী পেশী ফুটে উঠেছে। দেবের শরীরের দিকে তাকিয়ে শশী ভাবলো 'আমার ছেলে আর ছোট নেই, একজন পুরুষ হয়ে গেছে। যেকোনো মেয়ে দেখলেই প্রেমে পরে যাবে। আমার ছেলে কত সুন্দর দেখতে। কত সুন্দর শরীর। ওর বুকে কোনো লোম নেই, পেটে চর্বি নেই।' স্নান করার সময় দেবের সাথে মায়ের চোখাচোখি হল। আর দেব লজ্জা পেয়ে ভাবল 'মা কি আমার দিকে তাকাচ্ছে? আমি তো জাঙ্গিয়া পরে আছি।' শশী ছেলের লজ্জা পাওয়া দেখে হেঁসে দিল আর বলল "কিরে লজ্জা পাচ্ছিস? তোকে তো অনেক ছোট থেকে দেখেছি, তোর কাপড় খুলে গোসল করাতাম।" তারপর দুইজনে এক সাথে হেঁসে ফেলল।<br />
হেঁসে ফেলার পর কিন্তু তাদের ভেতরে ভেতরে কী যেন একটা অস্বস্তিকর ভাব কাজ করছিল।<br />
" তাড়াতাড়ি কর আমারও স্নান করতে হবে। তারপর একসাথে খেতে বসবো" শশী বলল।<br />
দেব বলল, "হ্যাঁ মা"।<br />
দেব স্নান সেরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল, তার শরীরে শুধু একটা গেঞ্জি আর হাঁফ প্যান্ট। গামছা দিয়ে চুল মুছছিল। এরপর শশী স্নান করতে ঢুকল, আর উল্টো দিকে ঘুরে তাঁর সালোয়ার কামিজ খুলে গামছাটা পেচিয়ে নিলো। দেব বাথরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখল মা কিভাবে তাঁর পিছনে ফিরে কাপড় খুলছে। আর ভাবতে থাকল মায়ের শরীরের গঠন নিয়ে "মায়ের শরীরটা কি আমি আগে কখনো ভেবে দেখেনি। মায়ের শরীরটা... কেমন যেন... আকর্ষণীয়... কোমরটা এত সরু, আর পেটে মেদ নেই তেমন। সালোয়ারের বাইরে দিয়েও যে ভাঁজ গুলো বোঝা যায় সেগুলো দেখে তো কোনো মেয়ের কাছেও হার মানবে না। আজকাল আধুনিক অফিসে যেসব মেয়েরা কাজ করে, তাদের শরীর দেখলে মনে হয় না এত সুন্দর। মায়ের শরীরে একটা অন্য রকমের মাধুর্য আছে। তার বয়স হলেও শরীরের গঠন দেখে তো মনে হয় না।" শশী যখন ঘুরে দাঁড়াল সে দেখল তাঁর ছেলে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে, শশী বলল "কি দেখছিস রে?"।<br />
দেব ফাজলামি করে বলল "তোমাকে দেখছি, তুমি যেমন আমাকে স্নান করার সময় দেখে ছিল"।<br />
শশী লাজুক হয়ে বলল "বোকা ছেলে"। তারপর শশী ফাজলামি করে একটু কামুকী অঙ্গী ভঙ্গী করতে থাকল। যা দেখে দেব ভাবল " মা এত sexy । মায়ের এই রূপ আমি আগে কখনো দেখিনি। মনে হচ্ছে, মাকে একদম অন্যভাবে চিনতে পারছি। উফফ... মায়ের ওই ভাঁজগুলো... ওই কোমর... ওই পেট... একদম অন্যরকম লাগছে আজকে।" এসব ভাবতে ভাবতে দেবের প্যান্টের ভিতর দিয়ে বাড়াটা দাড়িয়ে গেল।<br />
শশী দেখল তাঁর ছেলে তাকে এই অবস্থায় দেখে বাড়া দাড়িয়ে গেছে, আর ভাবল 'এইটা তো হওয়ারই কথা ছিল। দেবের বয়স এখন উনিশ। এই বয়সে ছেলেদের শরীরে হরমোনের তোলপাড় চলে। কিন্তু তাকে দেখে দেবের মতন যুবকের এমন হল। তাঁর মানে এখনো তাঁর রূপ চলে যায়জায়ন' এই ভাবনায় শশীর শরীরে একধরনের কাঁপুনি দিল, তাঁর বগল আর কোমরের নিচে অদ্ভুত একটা গরম অনুভূতি হল। তখন শশী হেঁসে বলল "এই দুষ্টু ছেলে, অন্য দিকে তাকা"। দেব লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে তাকাল। তারপর শশী স্নান করে খাওয়া দাওয়া করতে বসল।<br />
খাওয়ার সময় দেব বাথরুম ঘটনা ভেবে মাকে বলল "মা আমার ভুল হয়ে গেছে। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও"।<br />
"কি ভুল রে?" শশী জিজ্ঞাসা করল।<br />
"মানে... স্নান করার সময়... আমি..." দেব কথাটা শেষ করতে পারল না। লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে গেল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কী বলতে যাচ্ছে। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমাকে দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার সেই দিকে তাকিয়ে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল? না, আমি পারব না। আমি আমার মাকে এসব বলতে পারি না। আমি একজন ছেলে, আর ও আমার মা। ও আমার মা।'<br />
শশী ছেলের অস্বস্তি দেখে বুঝতে পারল যে সে কী বলতে চাইছে। তার মনে হল, এই সময় ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "ভুল? তোর কোনো ভুল হয়নি রে। তুই এখন আর ছোট না, পুরুষ হয়েছিস। এটা স্বাভাবিক।বাথরুমের দরজা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এভাবেই থাকতে হবে। আমরা দুজনেই এক রুমে থাকি, আমরা দুজনেই জানি আমাদের অভাব। তাই আমাদের সবকিছু নিয়েই চলতে হবে। আমি তোকে কখনো ভুল বুঝব না।"<br />
দেব বলল "মা আর দেড় মাস পর আমার ভর্তি পরিক্ষা শুরু হবে, ভাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে পারলে, আমাদের অভাব আস্তে আস্তে দূর হবে। প্রথমে ইউনিভার্সিটি তে উঠে আর ও টিউশনি করাবো, তারপর পাস করে চাকরি করব। তখন দেখবে মা, আমরা নিজের ফ্ল্যাট নিবো, যেখানে বাথরুমের দরজা থাকবে, যেটা খুললে ভাঙবে না।"<br />
দেবের কথা শুনে শশীর চোখ ছলছল করে উঠল। তার ছেলে কত বড় হয়েছে। কত দায়িত্ববান হয়েছে। সে তার ছেলের জন্য গর্বিত। শশী বলল, "আমি জানি রে দেব। তুই আমার গর্ব। আমি জানি তুই অনেক ভাল ইঞ্জিনিয়ার হবি। তারপর আমাদের আর এই অভাব থাকবে না। আমাদের নিজের বাড়ি হবে।" তারপর শশী দেব খাওয়া শেষ করল। দেব পড়তে বসল আর শশী দেবের ফোন নিয়ে রীল দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরল।<br />
একদিন সকালে শশী ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গেল পায়খান করতে। সে পায়খানা করতে বসেছে বাংলা স্টাইল কোমডে। তখনই দেব ঘুম থেকে উঠে দেখল মা বাথরুমে পায়খানা করছে, তাদের চোখাচোখি হয়ে গেল ঠিক তখনই শশী এর পাছা থেকে ধব ধব করে হাগু পরছে, সাথে পাদ লাগার শব্দ হচ্ছিল। দেব চমকে গেল, তার মনে হল একদম ভুল সময়ে উঠে গেছে। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে নিল, কিন্তু সে তার চোখ ফিরিয়ে নিতে পারল না। সে দেখল মায়ের পাছার দিক থেকে বেরিয়ে আসা ধবধবে হাগু আর পাদের শব্দ। তার মনে হল এটা দেখা উচিত হয়নি। একই সময়ে অদ্ভুত একটা ব্যাপার হলো তার মনে, সে এই দৃশ্যটা দেখে উত্তেজিত হয়ে গেল। তার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গেল। সে ভাবল, 'আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি? আমি কি আমার মায়ের পায়খানা করতে দেখে উত্তেজিত হচ্ছি? ' । শশী ছেলে কে দেখে লজ্জা পেল তারপর পায়খানা শেষ করে বের হয়ে দেবকে বলল, "সরি বাবা, আমি জানতাম না তুই উঠে গেছিস।" দেব মাথা নিচু করে বলল, "আমিও জানতাম না মা।" শশী লজ্জার চোটে ওর মুখ লাল হয়ে গেল, তবে একই সাথে ওর শরীরে এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ে।<br />
কিছুদিন পর রাতে, দেব বাসা তে টেবিলে পড়ছিল, তখন শশী স্নানা করতে বাথরুমে ধুকলো। ওই দিনে বাথরুম ঘটনা এর মতন দেব মা কে দেখল। ও দেখতে লাগলো মা গামছা পেঁচিয়ে স্নান করছে। দেবের মনে হল যেন সে ওর মায়ের শরীরের প্রতিটা ভাঁজ, প্রতিটা বক্রতার সাক্ষী হচ্ছে। আজ শশীর চুলগুলো খোঁপা করে বেঁধেছেন, এতে ওর গলা, ঘাড় আর কাঁধের লাইন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেব ভাবল, 'কী অসাধারণ দেখাচ্ছে মাকে আজ। কেউ যদি দেখে, তাহলে বলবে, ও আমার মা না, কোন মডেল।' শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের দিকে তাকিয়ে দেখল যে ওর ছেলে ওকে দেখছে। শশী এক নিষিদ্ধ টানে কামদেবীর মতন এক হাত উপরে তুলল। দেব মায়ের বগলের দেখে দেবের শরীর গরম হয়ে উঠল। বাড়াটা আবার দাঁড়িয়ে গেল। শশী বাথরুমের ভেতর থেকে দেবের প্যান্টের দিকে তাকালো, দেব এই নিষিদ্ধ লালসায় লজ্জা পেল।শশী বাথরুমের ভেতরেই লজ্জায় হেসে ফেলল। দেব লজ্জায় মুখ না চেয়ে পড়তে শুরু করল। শশী স্নান শেষ করে খাটে বসে দেখল, তাঁর ছেলের বাড়াটা প্যান্টের ভিতরে এখনো দাড়িয়ে আছে। সে দেবের পাশে বসে জিজ্ঞেস করল, "কি ভাবছিস রে?" দেব বলল, "কিছু না মা।"<br />
"কিছু না? তোর তো খুব কিছু একটা হয়েছে। তোর চেহারা দেখে মনে হচ্ছে," শশী বলল, তার গলায় একধরনের হালকা ঠাট্টা ছিল, তবে ভেতর থেকে একটা কৌতূহলও ছিল।<br />
দেব কিছু বলল না, শুধু মাথা নিচু করে রইল। তার মনে হচ্ছিল, সে তার মাকে কিছু বলতে পারবে না। 'আমি কি বলতে যাচ্ছি মাকে? আমি কি বলব যে আমি তোমার নগ্ন দেহ দেখে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম? আমি কি বলব যে তোমার বগলের চুল দেখে আমার বাড়াটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল যেটা এখনো দাড়িয়ে আছে ? না, আমি পারব না। এটা অন্যায়। ও আমার মা।' তার মনের ভেতর এক দ্বন্দ্ব শুরু হলো।<br />
শশী ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, "তোর মুখ দেখে মনে হচ্ছে তোর মনে অনেক কিছু ঘোরাফেরা করছে। তুই বলতে পারস, আমি তোর মা। তোর কথা আমি বুঝব।" দেব বলে " মা সরি তোমার স্নান করা দেখে আমার ওইটা দাড়িয়ে গেছে, এখনো নামছে না। এটা না নামলে আমি পড়ায় মন বসাতে পারছি না। আর দুই দিন পর আমার পরীক্ষা।" দেবের কথা শুনে শশী বুঝতে পারল, যে কঠিন অবস্থায় তার ছেলে আছে। তার ছেলে আসলেই একজন ভালো ছেলে, সে লজ্জা পাচ্ছে আর নিজেকে দোষারোপ করছে। তার মনে হল এই মুহূর্তে ওকে বোঝানো দরকার। তাই সে নরম সুরে বলল, "এটা তোর ভুল নয়, রে দেব। তোর শরীরে অনেক পরিবর্তন আসছে তাই এমন হচ্ছে। " দেব বলল, "তবুও মা। তুমি তো আমার মা। আমার এই ভাবনা ভুল। আমি তোমার মতো একজন মাকে নিয়ে এই ভাবনা করতে পারি না।" শশী বলল, "তুই ভুল ভাবছিস। আমিও তো একজন মানুষ, আর তোর মা। আমারও একটা শরীর আছে। আর হ্যাঁ, তোর সমস্যার জন্য তো একটা উপায় আছে। তুই নিজেই মিটিয়ে নিতে পারিস।" শশী বলে ফেলল। কথাটা বলার পর শশী নিজেই লজ্জা পেয়ে গেল। তার মুখ লাল হয়ে গেল।<br />
দেব অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের কথা শুনে ওর মনের ভেতর একটা ঝড় উঠল। মা কী বলছেন? মা কি তাকে হস্তমৈথুন করার পরামর্শ দিচ্ছেন? "কিন্তু মা। আগে আমি বাথরুমে নিজের এই চাহিদা মিটাতাম। তোমার আড়ালে কিন্তু এখন বাথরুমে দরজা নেই"। শশী বলল, "তাহলে করিস এখানেই। আমি ফিরে থাকব।" দেব বলল, "তুমি থাকলে কিভাবে হবে?" শশী বলল, " তুই করে নে। আমি কিছু মনে করব না, তোর পরীক্ষা আছে, তোর মন বসাতে হবে। আর বাথরুমে তো জায়গাও নেই। আমি ফিরে থাকব।" শশীর কথার মধ্যে এক ধরনের দৃঢ়তা ছিল।<br />
দেব চিন্তা করতে লাগল। তার মনে হল এটাই সঠিক সমাধান। তার বাড়া দাঁড়িয়ে থাকার কারণে সে পড়ায় মন দিতে পারছে না। আর দুই দিন পর তার ভর্তি পরীক্ষা। তার ভবিষ্যৎ এর উপর নির্ভর করছে এই পরীক্ষা। আর মা নিজে থেকেই বলছে। দেব অবশেষে রাজি হল। সে বলল, "ঠিক আছে মা।"<br />
শশী বলল, "আমি একদম ফিরে থাকব।"<br />
দেব লজ্জায় তার প্যান্টের জিপ খুলল। ওর বাড়া একদম ফুলে ফুঁপে উঠেছে। শশী ফিরে থাকল, কিন্তু ওর মনে এক বিচিত্র কৌতূহল জাগল। শশী শুনতে পাচ্ছে হাত মারার শব্দ। আর তার নিজের শরীরেও এক অদ্ভুত গরম ছড়িয়ে পড়ছে। তার গুদে একটা চিড়িক মিড়িক অনুভূতি শুরু হলো। আসলে শশী কখন ভালবাসার সঙ্গম পায়নি। তাঁর মৃত স্বামী তাঁকে ধ-র্ষ-ণ করতো। তাঁই এই সমস্ত সংবেদনশীল অনুভূতি নতুন করে অনুভব করছে। তার নিজের শরীরের প্রতি নজর দিলে সে দেখল তার স্তনের বোঁটা ফুলে উঠেছে এবং সালোয়ারের ওপর দিয়ে দেখা যাচ্ছে। তার নিঃশ্বাস গরম হয়ে উঠছিল।<br />
দেব দ্রুত নিজের কাজ সেরে ফেলল। আর বীর্য বের হতেই একটা আরাম অনুভূতি হল। তবুও মাকে পেছনে থাকতে দেখে লজ্জায় মনে হল। মা নিশ্চয়ই আমার শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তিনি কি ভাবছেন? আমি কি ভুল করলাম? এসব ভেবে তার মনে একধরনের অপরাধবোধ জন্ম নিল। সে নিজের প্যান্ট দিয়ে বীর্য মুছতে শুরু করল। শশী এবার ঘুরে দাঁড়ালো। দেবের দিকে তাকালো। দেখল দেব প্যান্টের উপর কিছু একটা মুছছে। শশী বুঝতে পারল সেটা কি। শশী বলল, "এই নে।" শশী বাথরুমে থেকে একটা কাপড় নিয়ে এসে দেবকে দিল। দেব কৃতজ্ঞতায় মাথা নিচু করে নিল। নিজেকে পরিষ্কার করে নিল। শশী বলল, "এবার পড়তে বস। তোর মন বসবে।"<br />
<br />
</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[স্বর্গ ভ্রমনের সুখ (By: Pagol Premi)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=70</link>
			<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:49:12 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=70</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
নমস্কার বন্ধুরা আজ আমি আর একটা নতুন INCEST গল্প লিখছি ।গল্পটা একটু বড় আর এটা আমার জীবনের ঘটে যাওয়া একদম বাস্তব ঘটনা। আমি গল্পে শুধু চরিত্রের নাম গুলো বদলে দিয়েছি আর বাকি সবটাই একদম সত্যি ।<br />
<br />
গল্পটা পড়ে অবশ্যই আপনাদের ভালো লাগবে। আপনাদের সবাইকে একটাই অনুরোধ গল্পটা একটু মন দিয়ে পড়বেন দেখবেন পড়ে খুব মজা পাবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
ধন্যবাদ</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
নমস্কার বন্ধুরা আজ আমি আর একটা নতুন INCEST গল্প লিখছি ।গল্পটা একটু বড় আর এটা আমার জীবনের ঘটে যাওয়া একদম বাস্তব ঘটনা। আমি গল্পে শুধু চরিত্রের নাম গুলো বদলে দিয়েছি আর বাকি সবটাই একদম সত্যি ।<br />
<br />
গল্পটা পড়ে অবশ্যই আপনাদের ভালো লাগবে। আপনাদের সবাইকে একটাই অনুরোধ গল্পটা একটু মন দিয়ে পড়বেন দেখবেন পড়ে খুব মজা পাবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
ধন্যবাদ</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অঘটনঘটন পটিয়সী (লেখক: কাদের সাইমুন)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=69</link>
			<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 06:03:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=69</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">পর্ব এর লিস্ট গুলো </div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-------</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">আপডেট:০১</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align">পর্ব এর লিস্ট গুলো </div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">-------</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">আপডেট:০১</div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন)]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68</link>
			<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 05:51:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><br />
ঢাকা পৃথিবীর অন্যতম বড় মহানগরী। প্রায় দুই কোটির উপর মানুষ বাস করে এই শহরে। এই শহরে মানুষের ভীড়ে লুকিয়ে আছে অজস্র কামের গল্প। এইজন্য এই সিরিজটা খুলছি। এটা আসলে কিছু বড় গল্পের সংকলন হবে। আগের অঘটন ঘটন পটীয়সী লিখতে গিয়ে টের পেয়েছি খুব বড় প্লটের গল্প লিখতে গেলে প্রচুর সময় দিতে হয়। তাই সেটা এড়িয়ে এখানে ছোট প্লটের বড় গল্প লিখছি। আর উপন্যাস হয়তো লিখব না। নানা কাজের ফাকে আর অঘটন ঘটন পটীয়সী লেখার মাঝে মাঝে এই গল্প গুলোর কিছু খসড়া করে রেখেছিলাম। এখন এই গল্প গুলোর খসড়া গুলো কে আস্তে আস্তে গল্পে পরিণত করব। ব্যস্ত ঢাকা শহরের পটভূমিতে এই গল্প গুলো গড়ে  উঠবে। সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত, নিন্মবিত্ত সবার গল্প আসবে এখানে। এই গল্প গুলোর প্লট আপনাদের পরিচিত। আপনাদের আসে পাশের মানুষদের নিয়ে লিখা। যে কোন মহানগরে বড় হলে বা বসবাস করলে এইসব মানুষদের আপনি দেখেছেন, তাদের সাথে গল্প করেছেন। কে জানে আপনি হয়তো তাদের একজন। এখন এই মানুষদের সাথে মিলে গল্পে যাত্রা শুরু করুন। পড়তে থাকুন ঢাকার প্রেমের এবং কামের গল্প। <br />
<br />
 <br />
<br />
<br />
 <br />
</span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">সূচনা লিস্ট </span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">----------------</span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">০১:<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=464#pid464" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">ধানী লংকা</a> </span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">(<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=464#pid464" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">০১</a>)(<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=465#pid465" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">০২</a>)</span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><br />
ঢাকা পৃথিবীর অন্যতম বড় মহানগরী। প্রায় দুই কোটির উপর মানুষ বাস করে এই শহরে। এই শহরে মানুষের ভীড়ে লুকিয়ে আছে অজস্র কামের গল্প। এইজন্য এই সিরিজটা খুলছি। এটা আসলে কিছু বড় গল্পের সংকলন হবে। আগের অঘটন ঘটন পটীয়সী লিখতে গিয়ে টের পেয়েছি খুব বড় প্লটের গল্প লিখতে গেলে প্রচুর সময় দিতে হয়। তাই সেটা এড়িয়ে এখানে ছোট প্লটের বড় গল্প লিখছি। আর উপন্যাস হয়তো লিখব না। নানা কাজের ফাকে আর অঘটন ঘটন পটীয়সী লেখার মাঝে মাঝে এই গল্প গুলোর কিছু খসড়া করে রেখেছিলাম। এখন এই গল্প গুলোর খসড়া গুলো কে আস্তে আস্তে গল্পে পরিণত করব। ব্যস্ত ঢাকা শহরের পটভূমিতে এই গল্প গুলো গড়ে  উঠবে। সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত, নিন্মবিত্ত সবার গল্প আসবে এখানে। এই গল্প গুলোর প্লট আপনাদের পরিচিত। আপনাদের আসে পাশের মানুষদের নিয়ে লিখা। যে কোন মহানগরে বড় হলে বা বসবাস করলে এইসব মানুষদের আপনি দেখেছেন, তাদের সাথে গল্প করেছেন। কে জানে আপনি হয়তো তাদের একজন। এখন এই মানুষদের সাথে মিলে গল্পে যাত্রা শুরু করুন। পড়তে থাকুন ঢাকার প্রেমের এবং কামের গল্প। <br />
<br />
 <br />
<br />
<br />
 <br />
</span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">সূচনা লিস্ট </span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">----------------</span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">০১:<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=464#pid464" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">ধানী লংকা</a> </span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">(<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=464#pid464" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">০১</a>)(<a href="https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=68&amp;pid=465#pid465" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">০২</a>)</span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নামাযী আম্মুকে চুদলো তার নাতিরা (By: Riyan )]]></title>
			<link>https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=67</link>
			<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 05:40:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="https://forum.xgossip.fun/member.php?action=profile&uid=3">Erotic Lovers</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">https://forum.xgossip.fun/showthread.php?tid=67</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">নামাযী</span> আম্মুকে চুদলো তার নাতিরা</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">riyan121</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
"হাই বন্ধুরা, কেমন আছো? আমার নাম আলামিন। আমার বয়স ১৮। আমার মায়ের নাম পারভীন বেগম। তার বয়স ৪২ বছর। তিনি নিয়মিত নামাজ-কালাম পড়েন। সব সময় * করে থাকেন। মায়ের বয়স হয়ে গেলেও তিনি এখনো অনেক লাজুক।"<br />
<br />
মা অনেক সময় ডাবল মিনি কথা বুঝতে পারে না। মা ছিল সহজ সরল মানুষ।এখনকার বাচ্চারা তো অনেক চালাক। মোবাইল ইন্টারনেটে ঢুকে অল্প বয়সের ছেলেরাও এখন পেকে গেছে। তারা এখন বয়স্ক আন্টিদের সাথে ডাবল মিনিং কথা বলে মজা নেয়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল আমার লজ্জাবতী মায়ের সাথে। ঘটনাটি ঘটেছিল আমার এক মামাতো বোনের বিয়েতে। বিয়ের দাওয়াত খেতে আমি আর আম্মু গিয়েছিলাম। মা নামাজ কালাম পড়লেও আজ বিয়েরদিনে সাধারন মেয়েদের সাজে সেজেছিল। মা যাওয়ার সময় ঠিকই তার নিত্যনৈমিত্তিক পোশাক * * হাতমোজা পা মোজা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু ওখানে যাওয়ার পরই ঘটে আসল ঘটনা। ছেলেরা সুযোগে থাকে কখন কোন মেয়েকে ফাঁদে ফেলে মজা নেওয়া যায়। মার বয়স যেহেতু 42 তার অনেক নাতি ছিল বিশেষ করে ছেলে নাতিগুলা এখনকার Gen Z।  বয়স্করা যেসব ডাবল মিনিং কথা বুঝতো না কিন্তু তারা ঠিকই বলে মজা নিত। যাওয়ার পর মা * * সব খুলে ফেলল।  মা তখন শাড়ি ব্লাউজ ছায়া এগুলো পড়া ছিল। গ্রামের বিয়ে বাড়িতে পানি খেলা রং খেলা শুরু হয়ে গেল। যারা দুষ্টু ছেলে তারা এই রং খেলার সময় কিন্তু সুযোগ নেয়। তারা হাসিমাখা মুখে মেয়েদের কোমল জায়গায় হাত দেয় অনেকে সেটা বুঝে অনেকে বুঝে না বা বুঝলেও করার কিছু থাকে না। মায়ের তিনজন নাতি ছিল তাদের নাম আব্দুল, কাদের এবং তাদের বন্ধু কৃষ্ণ। দুইজন হলেও তাদের একজন বন্ধু ছিল বিশেষ করে বন্ধুটাই ছিল বেশি দুষ্টু বলতে গেলে বালের গোদা। ওর কথায় বাকি দুজন উটতো বসত। ওদের বয়স 18-19 বছর হবে ক্লাস নাইনে পড়ে কিন্তু এরা ভিতরে ভিতরে সবকিছু বুঝতো। এরা ছিল হার বজ্জাত মা যেহেতু তাদের সম্পর্কে নানি হয় তাই নানীর সাথে নাতি একটু দুষ্টুমি করবে। এটা গ্রামে কমন একটা ব্যাপার তাই মায়ের সাথে ওরা দুষ্টুমি করলেও সেটা কেউ খারাপ ভাবে নেয়নি।<br />
<br />
মা * খুলে শাড়ি ছায়া পরে থাকলে ও রং খেলা শুধু বসে বসেই দেখছিল এর মাঝে মায়ের এক ভাবি তার নাম হাবীবা। হাবিবা আমার আম্মুর ছোট ভাইয়ের বউ। আম্মু সম্পর্কে তার আপা হয় তাই সে মজা করে বলল আপা আসেন আমরা রং খেলি। মা যেতে চাইছিল না কারণ আপনারা তো জানেন আমার মা অনেক *ী এবং নামাজ কালাম পড়ে আরো একটা কারণ আছে সেটা হল মায়ের ফিগার একটু ভারী। ভারী বলতে দুধ পাছা গুলো বড় বড় রং খেলে শরীর তো ভিজে যায় শরীর ভিজে গেলে দুধ পোদের আকার স্পষ্ট বোঝা যাবে। আম্মা এই ভয়ে যেতে চাচ্ছিল না কিন্তু মামির জোরাজুরিতে অবশেষে যেতেই হল। রং খেলা প্রথম দিকে ঠিকই ছিল মেয়েরা মেয়েরা খেলতেছিল কিন্তু একটু পরেই শুরু হয় আসল খেলা।<br />
<br />
<br />
আব্দুল আর কাদেরকে চেতালো কৃষ্ণ ওদেরকে বলল শুধু ছেলেরা রং খেলে মজা আছে। মেয়েদেরকে নিয়ে রং খেলতে হয় আমরা আমাদের অনুষ্ঠানে বৌদিদের কাকিমাদের অনেক রং লাগাই। তোরা যে কি করিস শুধু ছেলেরা রং খেলিস ওখানে তোদের নানীরা আছে ভাবীরা আছে ওদের একটু রং লাগা। যে ছেলেটার নাম কাদের ও একটু বোকা টাইপের ছিল উস্কানি কথা শুনে ওই প্রথমে এসে রং লাগালো ওর ছোট নানীকে মানে মামিকে। মামির ছিল বয়স কম ৩০ এর মত হবে। তখন মামির পতিসোধ নিতে তাদের সাথে দুষ্টুমিতে মেতে উঠলো। কাদেরকে রং লাগাতে  গিয়ে কৃষ্ণ এবং আব্দুল কে রং মাখিয়ে দিয়ে আসলো। তারপর সে ফিরে এসে বিজয়ের হাসি হাসলো। আম্মু দেখে একটু অবাক হলো আবার ভিতরে ভিতরে ঠিকই একটু মজা পেল।  একটু পরেই আব্দুল কাদের এবং কৃষ্ণ দল বেঁধে লাগাতে আসলো মানে রং লাগাতে আসলো তখন ছোট নানী মানে মামি  ভয়ে আম্মুর পিছনে লোকালো কিন্তু ওরা ছিল নাছোড়বান্দা আব্দুল, কাদের তিনজন একবারে বেপরোয়া হয়ে উঠলো। কিন্তু মা ছিল স্বাস্থ্যবতি পোদেলা মহিলা যার ছিল ৪০ সাইজের দুধ এবং ৪২ সাইজের পাছা। এর পিছনে লুকানো ওদের ছোট নানীকে তারা সুতেই পারছিল না। তাই দেখে ছোট নানী বা মামিওদের মজা নিচ্ছিল। তখন ওরা তেলে বেগুনে রেগে উঠলো এবং পুরো দমে দস্তাদস্তি শুরু করল। মা ওদের সামনে বাধা হওয়ায়  মাকে কৃষ্ণ বলল নানি তুমি সরে যাও। মারো এসব তেমন পছন্দ ছিল না তাই সে সরে যেতে চাইল। কিন্তু পিছন থেকে ছোট মামী মাকে যেতে দিচ্ছিল না মাকে টাইট করে জড়িয়ে ধরে পিছনে লুকিয়ে ছিল। তাই ওরা আর উপায় না দেখে ওদের নানি কে মানে আমার আম্মুকে সহ রং লাগানো শুরু করল। কৃষ্ণ কাছে ছিল রংয়ের বালতি সেই বালতি পুরোটা ঢেলে দিল ছোট মামীকে লক্ষ্য করে। কিন্তু বালতির পানি বেশিরভাগই মায়ের উপরে পড়ল এবং মায়ের শাড়ি সায়া ব্লাউজ পুরো ভিজে চটচট হয়ে গেল।  এতে তার বিশাল সাইজের দুধ এবং তরমুজের মতো পাছা স্পষ্ট হয়ে গেল। এগুলো নিয়ে তখন কেউ মাথা ব্যথা করছিল না কারণ সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল। আব্বু মামা এবং বাড়ির পুরুষ মানুষ বিয়ের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল তাই এই সুযোগে মহিলাদের সাথে মজা করছিল এই দুষ্টু ছেলেরা। মায়ের দুধ পোদ ভিজে একাকার হয়ে গেল মা তেমন একটা টের পেল না কিন্তু ছেলেগুলো দেখলাম কানে কানে কি যেন কথা বলছে। ছেলে কৃষ্ণ ওদেরকে জ্ঞান দিচ্ছে আমি বুঝলাম না কি নিয়ে ওরা আলোচনা করতেছে। কিন্তু আলোচনা করার সময় ওদের চোখ ছিল মায়ের উপরে কারণ ওদের বড় নানি মানে আমার মায়ের ছিল বড় নিতম্ব এবং বড় দুধের অধিকারীনি। ছোট নানী ছিল চিকন চাকন তাই ওদের টার্গেট ছিল আমার আম্মু। কৃষ্ণের কথামতো কৃষ্ণ ওদেরকে কি বুদ্ধি দিল তা বুঝতে পারলাম না। কিন্তু আব্দুল আর কাদের প্রথমে এসে মাকে বিভিন্ন ডাবল মিনি কথা বলতে লাগলো আর হাসতে লাগলো। যেমন<br />
১। নানি তোমাকে লাগালাম তুমিতো লাগাতে পারলে না <br />
২।আমার নানা কি তোমাকে লাগাবে না আজকে মানে বিয়ের একটা অনুষ্ঠান তোমাকে কি রং লাগবে না নানী। <br />
মা ওদের কথা বুঝতে না পেরে হাসতে লাগলো বলতো নানার কি আর সে বয়স আছে। তখন ওরা কৌশলে বলল তোমার এত বয়স হয়ে গেছে তুমি এখন আমাদের লাগাতে পারবে না মা তখন ওদের কথাটাকে চয়ালেন্স সহকারে নিল এবং বলল দেখ আমি পারি কি না পারি।<br />
 এই বলে মা ও এক বালতি রঙ এলে ওদের থেকে ঢেলে দিল এখন শুরু হয়ে গেল দুই  নানী  মানে আম্মু আর মামী এবং তিন নাতির রং খেলা। খেলি একবার ওরা এসে রং ছুড়ে পালায় আবার আমার আম্মু আর তার ভাইয়ের বউ দুজনে রং মেরে পালায়। মাঝে মাঝে রংয়ের বালতি আটকাতে নানি এবং নাতিদের মাঝে জরাজরি ও শুরু হয়। মা যেহেতু স্বাস্থ্যবতী তার শক্তি একটু বেশি ছিল তাই কাদের যখন রং মারতে এসেছিল মা তাকে ধরে ফেলেছিল।<br />
এটা দেখে কৃষ্ণ এবং আব্দুল দুজনে কাদেরকে ছাড়াতে ছুটে এলো। প্রথমে কাদের হাত ধরে টানলো কিন্তু মার কাছ থেকে সরাতে পারল না। তাই কৃষ্ণ এক দুষ্টু বুদ্ধি আটলো আব্দুল এর কানে কি সব বলে কৃষ্ণ একটু হারিয়ে গেল। <br />
<br />
একটু পরেই বোঝা গেল তাদের বুদ্ধি কি ছিল আব্দুল সামনে থেকে সরানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু কৃষ্ণ লুকিয়ে পিছন থেকে এসে মায়ের পিঠে বগলে কাতুকুতু দেয়া শুরু করল। এটা দেখে আমার ধন দাঁড়িয়ে গেল এবং আমি লুকিয়ে ধন চুলকাতে শুরু করলাম। প্রথমে একটু রাগী রাগি ভাব দেখাচ্ছে মা বলল কৃষ্ণ ছাড়ো এসব কি কৃষ্ণ চালাকি করে বলল নানি তোমাকে তো কাতুকুতু দিচ্ছি দেখি কত সময় ধরে রাখতে পারো। তখন মা কৃষ্ণর কথাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিল। মা আরো টাইট করে কাদেরকে ধরে ফেলল। কৃষ্ণ  তখন ছিল হাফ প্যান্ট পরা। দেখলাম কৃষ্ণর আকাটা ৭ ইঞ্চি  ধন দাঁড়িয়ে গেছে। মা সেটা খেয়াল করছে না কারন কৃষ্ণ ছিল মায়ের পিছনে।<br />
<br />
কাতুকুতু দেয়ার বাহানা করে কৃষ্ণ আমার আম্মুর দুধে হাত দিচ্ছিল। কিন্তু আমার সহজ সরল মা লজ্জা পেল কিছু বলছিল না। ওই পাশ দিয়ে কাদেরকে ও ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল তাই মা শুধু পিছনে খেয়াল করে রাখতে পারছিল না। এই সুযোগটা নিয়ে কৃষ্ণ খেলা দেখালো মাকে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। মা তখন ধরে রাখা কাদেরের উপরে পড়ল কৃষ্ণ ইচ্ছা করে মায়ের উপরে পড়ল।<br />
<br />
 মায়ের ছিল ৪২ সাইজের সরানো নিতম্ব।এই লদলদে পাছা ভিজা ছায়া আর শাড়িতে পানিতে ভিজে ছিল। তাই পাছাটা পুরো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। কৃষ্ণ তার খাড়া আঁকাটা ধন নিয়ে মায়ের পাছার উপরে পড়লো। নাটক করলো মাকে বলল নানী পড়ে গেছি। উঠতে পারছিনা তাই বলে তার বড় আকাটা ধোনটা মায়ের ছড়ানো পাছায় ডলতে লাগলো। মনে হলো আকাটা ধোন টা ধারমিক মায়ের দুই পোদের ফাকা জায়গায় ঢুকে গেল। মা তখন তার পাছায় কিছু টের পেল। মা বললো কৃষ্ক আমার পিছনে কি যেন লাগছে উঠ। মাতো আর টের পাইনি কৃষ্ণ তার ৭ ইন্চি আকাটা লেওড়া তার পোদে ডুবায় দিছে।  তারপর কৃষ্ণ  বলল নানি আমি ওঠার চেষ্টা করছি কিন্তু পিচ্ছিল তোমার জায়গা। মা বললো মানে তখন ও বললো মাটি পিছলা তো তাই। তাই আমার হাতটি তোমার পিছনে লাগছে ওঠার সময়। এই বলে বিষয়টাকে ধামাচাপা দিয়ে কৃষ্ণ উঠে গেল কিন্তু ওঠার পরে আমি খেয়াল করলাম। কৃষ্ণর খারা হয়ে যাওয়া ধোন এখন টের পাওয়া যাচ্ছে না। ধোনটা নেতিয়ে গেছে এবং তার পায়ে হাফ পেনের নিচ দিয়ে সাদা সাদা কি যেন পড়ছে। পাম দেয়ার জন্য কৃষ্ণ বলে গেল নানী তুমি জিতে গেছো আমরা হেরে গেলাম।<br />
<br />
<br />
কেমন হলো<br />
</div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">নামাযী</span> আম্মুকে চুদলো তার নাতিরা</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">riyan121</div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align">
"হাই বন্ধুরা, কেমন আছো? আমার নাম আলামিন। আমার বয়স ১৮। আমার মায়ের নাম পারভীন বেগম। তার বয়স ৪২ বছর। তিনি নিয়মিত নামাজ-কালাম পড়েন। সব সময় * করে থাকেন। মায়ের বয়স হয়ে গেলেও তিনি এখনো অনেক লাজুক।"<br />
<br />
মা অনেক সময় ডাবল মিনি কথা বুঝতে পারে না। মা ছিল সহজ সরল মানুষ।এখনকার বাচ্চারা তো অনেক চালাক। মোবাইল ইন্টারনেটে ঢুকে অল্প বয়সের ছেলেরাও এখন পেকে গেছে। তারা এখন বয়স্ক আন্টিদের সাথে ডাবল মিনিং কথা বলে মজা নেয়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল আমার লজ্জাবতী মায়ের সাথে। ঘটনাটি ঘটেছিল আমার এক মামাতো বোনের বিয়েতে। বিয়ের দাওয়াত খেতে আমি আর আম্মু গিয়েছিলাম। মা নামাজ কালাম পড়লেও আজ বিয়েরদিনে সাধারন মেয়েদের সাজে সেজেছিল। মা যাওয়ার সময় ঠিকই তার নিত্যনৈমিত্তিক পোশাক * * হাতমোজা পা মোজা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু ওখানে যাওয়ার পরই ঘটে আসল ঘটনা। ছেলেরা সুযোগে থাকে কখন কোন মেয়েকে ফাঁদে ফেলে মজা নেওয়া যায়। মার বয়স যেহেতু 42 তার অনেক নাতি ছিল বিশেষ করে ছেলে নাতিগুলা এখনকার Gen Z।  বয়স্করা যেসব ডাবল মিনিং কথা বুঝতো না কিন্তু তারা ঠিকই বলে মজা নিত। যাওয়ার পর মা * * সব খুলে ফেলল।  মা তখন শাড়ি ব্লাউজ ছায়া এগুলো পড়া ছিল। গ্রামের বিয়ে বাড়িতে পানি খেলা রং খেলা শুরু হয়ে গেল। যারা দুষ্টু ছেলে তারা এই রং খেলার সময় কিন্তু সুযোগ নেয়। তারা হাসিমাখা মুখে মেয়েদের কোমল জায়গায় হাত দেয় অনেকে সেটা বুঝে অনেকে বুঝে না বা বুঝলেও করার কিছু থাকে না। মায়ের তিনজন নাতি ছিল তাদের নাম আব্দুল, কাদের এবং তাদের বন্ধু কৃষ্ণ। দুইজন হলেও তাদের একজন বন্ধু ছিল বিশেষ করে বন্ধুটাই ছিল বেশি দুষ্টু বলতে গেলে বালের গোদা। ওর কথায় বাকি দুজন উটতো বসত। ওদের বয়স 18-19 বছর হবে ক্লাস নাইনে পড়ে কিন্তু এরা ভিতরে ভিতরে সবকিছু বুঝতো। এরা ছিল হার বজ্জাত মা যেহেতু তাদের সম্পর্কে নানি হয় তাই নানীর সাথে নাতি একটু দুষ্টুমি করবে। এটা গ্রামে কমন একটা ব্যাপার তাই মায়ের সাথে ওরা দুষ্টুমি করলেও সেটা কেউ খারাপ ভাবে নেয়নি।<br />
<br />
মা * খুলে শাড়ি ছায়া পরে থাকলে ও রং খেলা শুধু বসে বসেই দেখছিল এর মাঝে মায়ের এক ভাবি তার নাম হাবীবা। হাবিবা আমার আম্মুর ছোট ভাইয়ের বউ। আম্মু সম্পর্কে তার আপা হয় তাই সে মজা করে বলল আপা আসেন আমরা রং খেলি। মা যেতে চাইছিল না কারণ আপনারা তো জানেন আমার মা অনেক *ী এবং নামাজ কালাম পড়ে আরো একটা কারণ আছে সেটা হল মায়ের ফিগার একটু ভারী। ভারী বলতে দুধ পাছা গুলো বড় বড় রং খেলে শরীর তো ভিজে যায় শরীর ভিজে গেলে দুধ পোদের আকার স্পষ্ট বোঝা যাবে। আম্মা এই ভয়ে যেতে চাচ্ছিল না কিন্তু মামির জোরাজুরিতে অবশেষে যেতেই হল। রং খেলা প্রথম দিকে ঠিকই ছিল মেয়েরা মেয়েরা খেলতেছিল কিন্তু একটু পরেই শুরু হয় আসল খেলা।<br />
<br />
<br />
আব্দুল আর কাদেরকে চেতালো কৃষ্ণ ওদেরকে বলল শুধু ছেলেরা রং খেলে মজা আছে। মেয়েদেরকে নিয়ে রং খেলতে হয় আমরা আমাদের অনুষ্ঠানে বৌদিদের কাকিমাদের অনেক রং লাগাই। তোরা যে কি করিস শুধু ছেলেরা রং খেলিস ওখানে তোদের নানীরা আছে ভাবীরা আছে ওদের একটু রং লাগা। যে ছেলেটার নাম কাদের ও একটু বোকা টাইপের ছিল উস্কানি কথা শুনে ওই প্রথমে এসে রং লাগালো ওর ছোট নানীকে মানে মামিকে। মামির ছিল বয়স কম ৩০ এর মত হবে। তখন মামির পতিসোধ নিতে তাদের সাথে দুষ্টুমিতে মেতে উঠলো। কাদেরকে রং লাগাতে  গিয়ে কৃষ্ণ এবং আব্দুল কে রং মাখিয়ে দিয়ে আসলো। তারপর সে ফিরে এসে বিজয়ের হাসি হাসলো। আম্মু দেখে একটু অবাক হলো আবার ভিতরে ভিতরে ঠিকই একটু মজা পেল।  একটু পরেই আব্দুল কাদের এবং কৃষ্ণ দল বেঁধে লাগাতে আসলো মানে রং লাগাতে আসলো তখন ছোট নানী মানে মামি  ভয়ে আম্মুর পিছনে লোকালো কিন্তু ওরা ছিল নাছোড়বান্দা আব্দুল, কাদের তিনজন একবারে বেপরোয়া হয়ে উঠলো। কিন্তু মা ছিল স্বাস্থ্যবতি পোদেলা মহিলা যার ছিল ৪০ সাইজের দুধ এবং ৪২ সাইজের পাছা। এর পিছনে লুকানো ওদের ছোট নানীকে তারা সুতেই পারছিল না। তাই দেখে ছোট নানী বা মামিওদের মজা নিচ্ছিল। তখন ওরা তেলে বেগুনে রেগে উঠলো এবং পুরো দমে দস্তাদস্তি শুরু করল। মা ওদের সামনে বাধা হওয়ায়  মাকে কৃষ্ণ বলল নানি তুমি সরে যাও। মারো এসব তেমন পছন্দ ছিল না তাই সে সরে যেতে চাইল। কিন্তু পিছন থেকে ছোট মামী মাকে যেতে দিচ্ছিল না মাকে টাইট করে জড়িয়ে ধরে পিছনে লুকিয়ে ছিল। তাই ওরা আর উপায় না দেখে ওদের নানি কে মানে আমার আম্মুকে সহ রং লাগানো শুরু করল। কৃষ্ণ কাছে ছিল রংয়ের বালতি সেই বালতি পুরোটা ঢেলে দিল ছোট মামীকে লক্ষ্য করে। কিন্তু বালতির পানি বেশিরভাগই মায়ের উপরে পড়ল এবং মায়ের শাড়ি সায়া ব্লাউজ পুরো ভিজে চটচট হয়ে গেল।  এতে তার বিশাল সাইজের দুধ এবং তরমুজের মতো পাছা স্পষ্ট হয়ে গেল। এগুলো নিয়ে তখন কেউ মাথা ব্যথা করছিল না কারণ সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল। আব্বু মামা এবং বাড়ির পুরুষ মানুষ বিয়ের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিল তাই এই সুযোগে মহিলাদের সাথে মজা করছিল এই দুষ্টু ছেলেরা। মায়ের দুধ পোদ ভিজে একাকার হয়ে গেল মা তেমন একটা টের পেল না কিন্তু ছেলেগুলো দেখলাম কানে কানে কি যেন কথা বলছে। ছেলে কৃষ্ণ ওদেরকে জ্ঞান দিচ্ছে আমি বুঝলাম না কি নিয়ে ওরা আলোচনা করতেছে। কিন্তু আলোচনা করার সময় ওদের চোখ ছিল মায়ের উপরে কারণ ওদের বড় নানি মানে আমার মায়ের ছিল বড় নিতম্ব এবং বড় দুধের অধিকারীনি। ছোট নানী ছিল চিকন চাকন তাই ওদের টার্গেট ছিল আমার আম্মু। কৃষ্ণের কথামতো কৃষ্ণ ওদেরকে কি বুদ্ধি দিল তা বুঝতে পারলাম না। কিন্তু আব্দুল আর কাদের প্রথমে এসে মাকে বিভিন্ন ডাবল মিনি কথা বলতে লাগলো আর হাসতে লাগলো। যেমন<br />
১। নানি তোমাকে লাগালাম তুমিতো লাগাতে পারলে না <br />
২।আমার নানা কি তোমাকে লাগাবে না আজকে মানে বিয়ের একটা অনুষ্ঠান তোমাকে কি রং লাগবে না নানী। <br />
মা ওদের কথা বুঝতে না পেরে হাসতে লাগলো বলতো নানার কি আর সে বয়স আছে। তখন ওরা কৌশলে বলল তোমার এত বয়স হয়ে গেছে তুমি এখন আমাদের লাগাতে পারবে না মা তখন ওদের কথাটাকে চয়ালেন্স সহকারে নিল এবং বলল দেখ আমি পারি কি না পারি।<br />
 এই বলে মা ও এক বালতি রঙ এলে ওদের থেকে ঢেলে দিল এখন শুরু হয়ে গেল দুই  নানী  মানে আম্মু আর মামী এবং তিন নাতির রং খেলা। খেলি একবার ওরা এসে রং ছুড়ে পালায় আবার আমার আম্মু আর তার ভাইয়ের বউ দুজনে রং মেরে পালায়। মাঝে মাঝে রংয়ের বালতি আটকাতে নানি এবং নাতিদের মাঝে জরাজরি ও শুরু হয়। মা যেহেতু স্বাস্থ্যবতী তার শক্তি একটু বেশি ছিল তাই কাদের যখন রং মারতে এসেছিল মা তাকে ধরে ফেলেছিল।<br />
এটা দেখে কৃষ্ণ এবং আব্দুল দুজনে কাদেরকে ছাড়াতে ছুটে এলো। প্রথমে কাদের হাত ধরে টানলো কিন্তু মার কাছ থেকে সরাতে পারল না। তাই কৃষ্ণ এক দুষ্টু বুদ্ধি আটলো আব্দুল এর কানে কি সব বলে কৃষ্ণ একটু হারিয়ে গেল। <br />
<br />
একটু পরেই বোঝা গেল তাদের বুদ্ধি কি ছিল আব্দুল সামনে থেকে সরানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু কৃষ্ণ লুকিয়ে পিছন থেকে এসে মায়ের পিঠে বগলে কাতুকুতু দেয়া শুরু করল। এটা দেখে আমার ধন দাঁড়িয়ে গেল এবং আমি লুকিয়ে ধন চুলকাতে শুরু করলাম। প্রথমে একটু রাগী রাগি ভাব দেখাচ্ছে মা বলল কৃষ্ণ ছাড়ো এসব কি কৃষ্ণ চালাকি করে বলল নানি তোমাকে তো কাতুকুতু দিচ্ছি দেখি কত সময় ধরে রাখতে পারো। তখন মা কৃষ্ণর কথাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিল। মা আরো টাইট করে কাদেরকে ধরে ফেলল। কৃষ্ণ  তখন ছিল হাফ প্যান্ট পরা। দেখলাম কৃষ্ণর আকাটা ৭ ইঞ্চি  ধন দাঁড়িয়ে গেছে। মা সেটা খেয়াল করছে না কারন কৃষ্ণ ছিল মায়ের পিছনে।<br />
<br />
কাতুকুতু দেয়ার বাহানা করে কৃষ্ণ আমার আম্মুর দুধে হাত দিচ্ছিল। কিন্তু আমার সহজ সরল মা লজ্জা পেল কিছু বলছিল না। ওই পাশ দিয়ে কাদেরকে ও ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল তাই মা শুধু পিছনে খেয়াল করে রাখতে পারছিল না। এই সুযোগটা নিয়ে কৃষ্ণ খেলা দেখালো মাকে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। মা তখন ধরে রাখা কাদেরের উপরে পড়ল কৃষ্ণ ইচ্ছা করে মায়ের উপরে পড়ল।<br />
<br />
 মায়ের ছিল ৪২ সাইজের সরানো নিতম্ব।এই লদলদে পাছা ভিজা ছায়া আর শাড়িতে পানিতে ভিজে ছিল। তাই পাছাটা পুরো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। কৃষ্ণ তার খাড়া আঁকাটা ধন নিয়ে মায়ের পাছার উপরে পড়লো। নাটক করলো মাকে বলল নানী পড়ে গেছি। উঠতে পারছিনা তাই বলে তার বড় আকাটা ধোনটা মায়ের ছড়ানো পাছায় ডলতে লাগলো। মনে হলো আকাটা ধোন টা ধারমিক মায়ের দুই পোদের ফাকা জায়গায় ঢুকে গেল। মা তখন তার পাছায় কিছু টের পেল। মা বললো কৃষ্ক আমার পিছনে কি যেন লাগছে উঠ। মাতো আর টের পাইনি কৃষ্ণ তার ৭ ইন্চি আকাটা লেওড়া তার পোদে ডুবায় দিছে।  তারপর কৃষ্ণ  বলল নানি আমি ওঠার চেষ্টা করছি কিন্তু পিচ্ছিল তোমার জায়গা। মা বললো মানে তখন ও বললো মাটি পিছলা তো তাই। তাই আমার হাতটি তোমার পিছনে লাগছে ওঠার সময়। এই বলে বিষয়টাকে ধামাচাপা দিয়ে কৃষ্ণ উঠে গেল কিন্তু ওঠার পরে আমি খেয়াল করলাম। কৃষ্ণর খারা হয়ে যাওয়া ধোন এখন টের পাওয়া যাচ্ছে না। ধোনটা নেতিয়ে গেছে এবং তার পায়ে হাফ পেনের নিচ দিয়ে সাদা সাদা কি যেন পড়ছে। পাম দেয়ার জন্য কৃষ্ণ বলে গেল নানী তুমি জিতে গেছো আমরা হেরে গেলাম।<br />
<br />
<br />
কেমন হলো<br />
</div>]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>