Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

রাগি বউয়ের পরিণতি
#2

শিমু ঘরের মধ্যে সাজগোজ করছে। বান্ধবীর বিয়ের দাওয়াত। সন্ধ্যায় স্বামীর সাথে যেতে হবে।
ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এখনো শুধু লাল সায়া পরেছে। উপরটা খালি। অফ-হোয়াইট ব্রাটা হাতে নিয়ে পেছন ফিরে স্বামীকে ডাকল—
“তুমি এসো তো একটু। এটা আটকে দাও।”
মনিরুল বিছানা থেকে উঠে এল। শিমুর পেছনে দাঁড়াল। শিমুর দুটো বিশাল দুধ সামনের দিকে ঝুলে আছে। নিপল দুটো ঘন বাদামি। ব্রাটা তুলতে গিয়ে মনিরুলের হাত কাঁপছে। মনে মনে ভাবছে— এত ভারী দুধ। হাত দিয়ে ধরলেই যেন পুরোটা মুঠোয় আসে না। ওর গা থেকে হালকা গন্ধ আসছে।
মনিরুল হুক আটকাতে গিয়ে একটু সময় নিয়ে ফেলল। হাতটা দুধের গায়ে লেগে গেল। শিমু পেছন ফিরে তাকাল না। শুধু আদরের সুরে বলল—
“তাড়াতাড়ি করো তুমি। দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
মনিরুল আবার চেষ্টা করল। হুকটা একবার আটকাল, আবার খুলে গেল। শিমুর ধৈর্য্য চলে গেল।
শিমু সোজা পেছন ফিরে তাকিয়ে বলল—
“কী হচ্ছে তোমার? কোনো কাজই কি ঠিকমতো করতে পারো না? কামলার জাত। ক্ষেতের লোক। এতক্ষণ ধরে একটা হুক আটকাতে পারছ না?”
মনিরুল কিছু বলল না। মুখ বুজে আবার হুকটা ধরল। ভেতরে ভেতরে তার পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে উঠেছে। শিমুর এই রাগ, এই তুচ্ছতাচ্ছিল্য ওকে আরও বেশি উত্তেজিত করছে। মনে মনে বলছে— এই মেয়েটা আমাকে কামলা বলে গাল দিচ্ছে, অথচ এর দুধ দুটো আমার হাতের মধ্যে।
অবশেষে হুকটা আটকে গেল। শিমু ব্রা ঠিক করে নিল। তারপর বাসন্তি রঙের লং হাতা ব্লাউজটা পরল। গলার দিকটা একটু নিচু কাটা। দুধের উপরের সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছে। শিমু আঁচল দিয়ে সেটা ঢেকে দিল।
এবার লাল শাড়িটা জড়াতে শুরু করল। আধুনিক বাঙালি বউদের মতো— কোমরে শক্ত করে পেচিয়ে, পাছার উপর একটু উঁচু করে তুলে, আঁচলটা বাঁ কাঁধ দিয়ে সামনে এনে বুকের উপর আলতো করে ফেলল। কানে সোনালি দুল, হাতে চুড়ি, কালো ভ্যানিটি ব্যাগ টেবিলের উপর। মুখে হালকা মেকআপ। ঠোঁটে গাঢ় লাল লিপস্টিক। কপালে কালো টিপ।
শিমু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ঠিক করতে করতে বলল—
“তুমি গিয়ে শার্টটা পরে নাও। দেরি করো না।”
মনিরুল মাথা নেড়ে সরে গেল। পেছনে শিমুর লাল শাড়ির কাপড়ের শব্দটা তার কানে বাজছিল। শিমু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ঠিক করতে করতে হঠাৎ পেছন ফিরে বলল—
“তুমি এসো তো। এ ভাঁজটা আমার ঠিক হচ্ছে না। একটু ধরে দাও।”
মনিরুল বিছানার ধারে দাঁড়িয়ে শার্টের বোতাম আটকাচ্ছিল। শিমুর কথা শুনে থেমে গেল। একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“আমি তো কোনো কাজই পারি না। তুমি নিজে নিজেই করো।”
কথাটা শুনে শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গলাটা একটু চড়া করে বলল—
“কী বলছো তুমি? এসো এসো। তাড়াতাড়ি।”
মনিরুল আর কিছু না বলে এগিয়ে গেল। শিমুর পেছনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ধরল। কোমরের কাছ থেকে পাছার দিকটা টেনে একটু উঁচু করে দিল। হাতটা শিমুর কোমর আর পাছার গায়ে লেগে গেল। মনিরুলের মনে মনে আবার সেই উত্তেজনা চাপলো। এত নরম গা। শাড়ির নিচে লাল সায়া। আর তার নিচে ওর গোল পাছা। হাত দিয়ে একটু চাপ দিলেই যেন সব মুঠোয় চলে আসে।
শিমু আয়নায় তাকিয়ে দেখতে দেখতে বলল—
“আরও একটু টাইট করো। আলগা হয়ে আছে।”
মনিরুল আবার টেনে ধরল। এবার একটু বেশি জোরে। শিমুর শরীরটা সামনের দিকে হালকা ঝুঁকে গেল। দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে কেঁপে উঠল।
একটুক্ষণ পর শিমু আয়নায় নিজেকে দেখে না সন্তুষ্ট হয়ে বলল—
“এ কী করেছো? একদম বাঁকা হয়ে গেছে। হাত দিয়ে কাজ করার শক্তিটুকুও নেই তোমার। কামলার জাত। ক্ষেতের লোক। যাও, সরে যাও। তোমার হাতে পড়লে সব নষ্ট হয়ে যায়।”
মনিরুল চুপ করে হাত সরিয়ে নিল। কিছু বলল না। শুধু পেছনে সরে দাঁড়াল। মুখ বুজে সয়ে নিল।
যাইহোক সাজগোজ শেষ হলো।
শিমুর রূপ দেখলে এখন চোখ ফেরানো যায় না।
দীর্ঘ কালো চুল দু’কাঁধ বেয়ে ঢেউ খেয়ে নেমেছে। চুলগুলো ঘন, মসৃণ, একটু আলগা করে রাখা। হাওয়ায় উড়লেই গলা আর বুকের উপর ছড়িয়ে পড়ে। কপালের মাঝখানে একটা কালো টিপ গভীর করে বসানো। টিপটা তার ফর্সা কপালে আরও বেশি জ্বলজ্বল করছে।
মুখখানা ডিম্বাকৃতির। চোখ দুটো বড়, কালো, একটু টানা। চোখের পাতায় হালকা কাজল। ঠোঁট দুটো পাতলা নয়, মাঝারি মোটা আর রসালো। গাঢ় লাল লিপস্টিক লাগানো। লিপস্টিকটা এতটাই লাল যে দেখলেই মনে হয় ঠোঁট দুটো সদ্য কেউ চুষে খেয়েছে। হাসি দিলে দাঁতের সাদা দাগ দেখা যায়, কিন্তু সেই হাসিটাও যেন একটু কামুক।
গায়ে পরছে লাল শাড়ি। শাড়ির কাপড়টা পাতলা, সামান্য স্বচ্ছ। সোনালি ফুলের নকশা ছড়ানো আর কানায় সোনালি পাড়। শাড়িটা এমনভাবে জড়ানো যে ওর শরীরের ভাঁজগুলো স্পষ্ট। বিশেষ করে বুকের অংশ।
ব্লাউজটা বাসন্তি রঙের, হাতা ছোট। ব্লাউজটা এতটাই টাইট যে ওর ৩৬ কে কাপের দুধ দুটো যেন ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। দুধের ভাঁজ স্পষ্ট, ব্লাউজের নিচে অফ-হোয়াইট রঙের ব্রা। ব্রাটাও টাইট, দুধ দুটোর ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। নিচের দিকে লাল রঙের সায়া। সায়ার কাপড়টা শাড়ির সাথে মিলিয়ে লাল, কিন্তু একটু মোটা।  হাটার সময়  লাল সায়ার ভাঁজ দেখা যায়।
কোমরটা সরু। শাড়ির ভাঁজ দিয়ে কোমরের বাঁকটা পরিষ্কার বোঝা যায়। তারপর পাছার দিকে শাড়িটা একটু উঁচু হয়ে উঠেছে। পাছা দুটো গোল, ভারী, শাড়ির নিচেও তাদের আকার লুকানো যায়নি। হাঁটার সময় পাছা দুটো হালকা দুলতে থাকে।
শিমুর নাকে সোানার নাক ফুল, গলায় একটা সোনালি হার।। হারের দুলটা দুধের ফাঁকের ঠিক উপর পর্যন্ত নেমে এসেছে। হারটা প্রতিবার শ্বাস নিলেই দুধের উপর উঠানামা করে।
পুরো শরীরটা যেন যৌবনে ভরপুর। ফর্সা ত্বক, মসৃণ। রোদে একটু ঘামলেই গলা আর বুকের উপর ঘামের দানা জমবে। তখন শাড়ির আঁচল দিয়ে বুক মুছতে গেলে দুধ দুটো আরও বেশি কেঁপে ওঠেবে।

শিমু পুরোপুরি সাজগোজ শেষ করে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। কালো ভ্যানিটি ব্যাগ হাতে। মনিরুল শার্টের আস্তিন গুটিয়ে দরজা খুলে দিল।
নিচের তলায় নামতে নামতে সিঁড়ির আলোয় শিমুর লাল শাড়ি আরও জ্বলজ্বল করছিল। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো শাড়ির নিচে দুলছিল। বুকের ভারী দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে সামনে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। মনিরুল পেছন পেছন হাঁটছিল। তার চোখ বারবার শিমুর পেছনের দিকে যাচ্ছিল।
নিচের গেটে দারোয়ান আক্তার চাচা বসেছিল। বয়স আটষট্টি। সাদা চুল, কুঁজো হয়ে যাওয়া শরীর, চোখ দুটো গভীর কোটরে বসানো। শিমুকে দেখেই সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। মুখে একটা কৃত্রিম ভদ্র হাসি।
“আসসালামু আলাইকুম বউমা। এত সাজগোজ করে কোথায় যাচ্ছেন?”
শিমু সংক্ষেপে জবাব দিল, “একটা দাওয়াতে।”
আক্তার চাচা দরজা খুলে দিতে দিতে তার চোখ শিমুর বুকের দিকে গিয়ে আটকে গেল। মনে মনে বলল—
“শালার পুতের বউ। এত বড় দুধ নিয়ে বেরিয়েছে। ব্লাউজটা যেন ফেটে যাবে। এই বয়সেও এমন মাংস দেখলে লোভ হয়। শাড়ির নিচে পাছা দুটো যেন দুটো নরম বালিশ। একবার হাত দিয়ে চেপে দেখার ইচ্ছে হয়। এই বয়সেও লণ্ডভণ্ড করে দিতাম যদি সুযোগ পেতাম। শালা মনিরুলের কপাল ভালো। এমন জিনিস পেয়েছে।”
শিমু আর মনিরুল গেট পার হয়ে রাস্তায় নামল। আক্তার চাচা পেছন থেকে তাকিয়ে রইল যতক্ষণ না তারা মোড় ঘুরে গেল। তার পুরনো শরীরে একটা অদ্ভুত গরম অনুভূতি খেলে গেল।
রাস্তায় হাঁটতে শুরু করল। সন্ধ্যার আলোয় শিমুর লাল শাড়ি আরও বেশি চোখে পড়ছিল। দু’পাশে দোকান, চায়ের স্টল, রিকশাওয়ালা, হকার। প্রায় প্রত্যেকের চোখ শিমুর দিকে ঘুরে যাচ্ছিল।
একজন চায়ের দোকানের মালিক, বয়স পঁয়তাল্লিশের মতো, চুমুক দিতে দিতে মনে মনে বলল—
“ও মাগো, কী দুধ নিয়ে বেরিয়েছে মেয়েটা। ব্লাউজের ভেতর থেকে যেন টপকে পড়বে। শাড়িটা পাতলা, পাছার ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই রূপ দেখলে দিনের কাজকর্ম ভুলে যেতে হয়। একবার যদি রাতে পেতাম…”
পাশ দিয়ে যাওয়া এক যুবক রিকশাওয়ালা হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে মনে মনে গজরাল—
“শালীর দুধ দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। এত বড় বড়। হাঁটলেই দুলছে। পেছনের মালটাও কম না। শালা স্বামীটা পাশে হাঁটছে, কিছুই বুঝছে না। এই মেয়েটাকে একবার অন্ধকার গলিতে পাইলে…”
আরেকজন বয়স্ক ভদ্রলোক, হাতে ছাতা, চশমা ঠিক করতে করতে মনে মনে বলল—
“আজকালকার বউয়েরা এভাবে সাজে। লজ্জাশূন্য। এত মাংস প্রদর্শন করে হাঁটে। দুধের ফাঁকটা পর্যন্ত আঁচল দিয়েও ঢাকতে পারেনি পুরোপুরি। এই শরীর দেখে মনে হয় একেবারে ব্যবহারের জন্য তৈরি।”
মনিরুল সবকিছু টের পাচ্ছিল। লোকজনের চাপা চাপা দৃষ্টি, ফিসফিসানি। তার বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি— রাগ, অপমান, আর তার সঙ্গে এক ধরনের গোপন উত্তেজনা। শিমু কিন্তু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছিল না। সোজা হাঁটছিল। তার পায়ের প্রতিটি পদক্ষেপে পাছা দুটো দুলছিল, বুকের ভারী বোঝা সামনে সামনে নড়ছিল।
মেইন রোডে এসে তারা সিএনজির জন্য দাঁড়াল। রাস্তার ধারে কয়েকটা সিএনজি অপেক্ষা করছিল। চালকদের চোখ একসঙ্গে শিমুর দিকে ঘুরে গেল।
সবচেয়ে সামনের সিএনজির চালক, বয়স ত্রিশের কোঠায়, সিগারেটের শেষ টান দিয়ে মনে মনে বলল—
“ওরে বাপরে, কী জিনিস নামিয়েছে আজ। দুধ দুটো যেন দুটো বড় বড় নারকেল। ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। পাছা দেখে মনে হচ্ছে একবার চোদলে আর ছাড়তে ইচ্ছে করবে না। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে আছে, হাত পা গুটিয়ে। এই মেয়েটাকে যদি রাতে গাড়িতে তুলতে পারতাম…”
পাশের আরেক চালক, মোটা স্বাস্থ্য, গোঁফওয়ালা, জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে মনে মনে গালি দিল—
“শালী এত সাজগোজ করে বেরিয়েছে মানে রাতে কেউ না কেউ ব্যবহার করবে। এত বড় মাল পড়ে থাকবে না। লাল শাড়ি পরে আরও বেশি গরম লাগছে। নিপল দুটো ব্লাউজের উপর দিয়েই উঁচু হয়ে আছে মনে হচ্ছে। একবার মুখে নিয়ে চুষে দেখার ইচ্ছে হচ্ছে।”
তৃতীয় এক চালক, কমবয়সী, হেলমেট খুলে রেখে হাত দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে ভাবল—
“এই বউয়ের স্বামী নিশ্চয়ই নরম। নাহলে এত খোলাখুলি শরীর নিয়ে বেরোতে দিত না। দুধের ফাঁকটা দেখে ল্যাজ উঠে গেল। শাড়ির নিচে সায়া লাল, আরও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। একবার যদি এই শরীরটা বিছানায় পাই…”
মনিরুল সিএনজি ডাকতে ডাকতে শিমুর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তার কান লাল হয়ে গিয়েছিল। লোকজনের দৃষ্টি যেন শিমুর শরীরকে খুলে ফেলছে। শিমু কিন্তু শান্ত। শুধু একবার মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী হলো? সিএনজি ডাকো তো। দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
মনিরুল গলা পরিষ্কার করে একটা সিএনজি ডাকল। চালকটা গাড়ি এগিয়ে দিতে দিতে শিমুর বুকের দিকে আরেকবার তাকাল। মনে মনে বলল—
“উফফ… এত মাল। আজকের যাত্রাটা মনে থাকবে।”
শিমু সিএনজিতে উঠল। শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গেল। দুধের উপরের সাদা অংশ আরেকবার উঁকি দিল। চালকের চোখ আয়নায় সেই দৃশ্য ধরে রাখল।
মনিরুল পাশে বসল। জানালা দিয়ে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল। ভেতরে ভেতরে তার মনটা অদ্ভুতভাবে উত্তেজিত। শিমুর শরীর আজ সবার চোখে, সবার মনে। আর সে নিজে চুপ করে সব সহ্য করছে।
সিএনজি ছাড়ল। রাস্তার আলো আর অন্ধকারের মধ্যে শিমুর লাল শাড়ি আর বাসন্তি ব্লাউজের ছায়া গাড়ির ভেতরেও পড়ছিল। 










সিএনজি ছাড়ার পর চালকটা একটু পর পর ব্রেক কষতে শুরু করল। প্রথমে মনে হয়েছিল রাস্তার অবস্থা খারাপ। কিন্তু মনিরুল যখন আয়নায় চালকের চোখ দেখল, বুঝতে পারল ব্যাপারটা অন্যরকম।
চালকটা সামনের আয়নায় চোখ রেখেই গাড়ি চালাচ্ছে। প্রতিবার জোরে ব্রেক কষলে শিমুর শরীরটা সামনের দিকে ঝুঁকে যায়। তার ৩৬ কে কাপের ভারী দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে সজোরে দুলতে থাকে। উপরে উঠে আবার নেমে যায়। ব্লাউজের কাপড় টানটান হয়ে যায়। দুধের ভাঁজ আরও গভীর দেখায়।
চালক মনে মনে বলছিল—
“উফফ… কী দুধ নিয়ে বসে আছে মাগিটা। প্রতিবার ব্রেক দিলেই নাচছে। এত ভারী যে ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। শালা স্বামী পাশে বসে আছে, কিছুই করছে না। এই মাগির দুধ একবার মুঠোয় নিয়ে চেপে ধরতে পারলে…”
আবার জোরে ব্রেক। শিমুর শরীরটা আরেকবার সামনে ঝুঁকল। দুধ দুটো সজোরে দুলল। আঁচলটা একটু সরে গেল। দুধের উপরের সাদা অংশ আরও বেশি দেখা গেল।
চালক আয়নায় তাকিয়ে মনে মনে গজরাল—
“দেখ শালা, কীভাবে দুলছে। লাল শাড়ি পরে আরও গরম লাগছে। পাছাও নিশ্চয়ই কম না। এই শরীর নিয়ে বিয়ের দাওয়াতে যাচ্ছে? রাতে কেউ না কেউ তো চোদবেই। এত মাল পড়ে থাকবে না।”
মনিরুল পাশে বসে সবকিছু দেখছিল। তার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে কাজ করছিল। শিমু কিন্তু কোনো অভিযোগ করছিল না। শুধু একবার চালকের দিকে তাকিয়ে বলল—
“ভাই, একটু আস্তে চালাও। এত জোরে ব্রেক কষছ কেন?”
চালক মুখে বলল, “রাস্তা খারাপ আপা, মাফ করেন।”
কিন্তু আয়নায় চোখ রেখেই আবার ব্রেক কষল। শিমুর দুধ আবার নাচল। চালকের মনে মনে খিস্তি চলতে থাকল—
“মাগিটা কথা বলছে। গলাটাও নরম। এই গলায় যদি একবার ধরে চোদাই… দুধ দুটো মুখে নিয়ে চুষতে চুষতে। শালা স্বামীটা পাশে বসে শুধু তাকিয়ে আছে। নরম পুরুষ। এত খোলাখুলি বউ নিয়ে বেরিয়েছে।”
এভাবে প্রায় পনেরো-কুড়ি মিনিট চলল। চালক ইচ্ছে করেই বারবার ব্রেক কষছিল। প্রতিবার শিমুর ভারী বুক দুলছিল। ব্লাউজের নিচে অফ-হোয়াইট ব্রার চাপ স্পষ্ট হচ্ছিল। নিপলের উঁচু অংশ পর্যন্ত আঁচলের ফাঁক দিয়ে টের পাওয়া যাচ্ছিল।
শেষে চালক একটা বড় কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গাড়ি থামাল। সামনে বড় গেট, আলো-ঝলমলে হল। অনেক লোকজন ঢুকছে।
চালক আয়নায় শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“নামিয়ে দিলাম মাগিটাকে। এতক্ষণ দুধের নাচ দেখলাম। এখন অন্য কেউ দেখবে। এই শরীর নিয়ে হলে ঢুকলে চোখ ফেরানোর উপায় নেই। পাছা দুলিয়ে হাঁটবে। দুধ নিয়ে সবাইকে পাগল করে ছাড়বে। শালা স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত তাহলে এভাবে বউকে বেরোতে দিত না।”
শিমু নামতে গিয়ে শাড়ির আঁচল ঠিক করল। বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গেল। চালক আয়না দিয়ে সেই দৃশ্যটা শেষবারের মতো ধরে রাখল। মনে মনে শেষ খিস্তিটা দিল—
“যা শালী, যা। আজকের মতো দুধের নাচ দেখে তৃপ্ত হলাম। রাতে কেউ চোদলে যেন ভালো করে চোদে। এত মাল নষ্ট হওয়ার নয়।”
মনিরুল ভাড়া মেটাতে গিয়ে চালকের চোখের দিকে তাকাল। চালক মুখে ভদ্র হাসি হেসে বলল, “আসুন স্যার, ভালো থাকুন।”
কিন্তু তার চোখে অন্য কিছু ছিল।
শিমু আর মনিরুল কমিউনিটি সেন্টারের গেটের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছনে সিএনজিটা হর্ন দিয়ে চলে গেল। চালকটা শেষবারের মতো আয়নায় শিমুর পেছনের পাছা দুটোর দুলন দেখে নিল।কমিউনিটি সেন্টারের গেট দিয়ে ঢুকতেই ভেতরের আলো আর শব্দ এসে লাগল। হলঘর ভর্তি লোকজন। মেয়েরা রঙ-বেরঙের শাড়ি আর লেহেঙ্গায়, পুরুষেরা পাঞ্জাবি-পাজামায়। বিয়ের আমেজ।
শিমু সোজা হাঁটছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা একটু একটু করে সরে যাচ্ছিল হাওয়ায়। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো দুলছিল আর বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে নড়ছিল। মনিরুল পাশে পাশে হাঁটছিল। তার চোখ বারবার চারপাশের লোকজনের দিকে যাচ্ছিল।
হলের ভেতরে ঢোকার মুখেই কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল। একজন মনে মনে বলল—
“ও মাগো… কী দুধ নিয়ে এসেছে মেয়েটা। ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। লাল শাড়ি পরে আরও গরম লাগছে। পাছা দেখে মনে হয় একবার ধরলে ছাড়তে ইচ্ছে করবে না।”
আরেকজন চোখ না সরিয়ে ভাবল—
“স্বামীটা পাশে আছে। শালা নরম পুরুষ নিশ্চয়ই। এত খোলাখুলি বউ নিয়ে বিয়েবাড়িতে এসেছে। এই শরীর দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। ভুরু কুঁচকে একবার তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো?”
যুবকগুলো চুপ করে সরে গেল। কিন্তু তাদের চোখ পেছন থেকেও শিমুর পাছার দুলন অনুসরণ করছিল।
ভেতরে ঢুকে শিমু তার বান্ধবীকে খুঁজতে লাগল। মনিরুল পেছনে পেছনে যাচ্ছিল। হলের এক কোণে কয়েকজন বয়স্ক পুরুষ চেয়ারে বসে আড্ডা দিচ্ছিল। শিমুকে দেখে তাদের মধ্যে একজন, পঞ্চাশের কোঠার, সিগারেট হাতে নিয়ে মনে মনে গজরাল—
“এই বয়সেও এমন মাংস দেখিনি। দুধ দুটো যেন দুটো নরম বালিশ। হাঁটলেই দুলছে। শাড়ির নিচে পাছার ভাঁজ পর্যন্ত পরিষ্কার। এই মেয়েটাকে একবার রাতে পেলে…”
আরেকজন পাশ থেকে বলল মনে মনে—
“স্বামীটা পাশে হাঁটছে। মুখটা দেখে মনে হচ্ছে কিছুই বুঝছে না। অথবা বুঝেও চুপ করে আছে। এমন বউ পেয়েও নরম হয়ে আছে শালা।”
শিমু একটা খালি চেয়ার দেখে বসল। শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে গিয়ে বুকের দিকটা একটু খুলে গেল। সামনের কয়েকজন পুরুষের চোখ সেই ফাঁকে আটকে গেল।
মনিরুল পাশে বসল। তার কান লাল হয়ে গিয়েছিল। চারদিক থেকে চাপা চাপা দৃষ্টি আসছিল শিমুর শরীরের দিকে। কেউ কেউ ফিসফিস করে কথা বলছিল। শিমু কিন্তু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছিল না। শুধু একবার মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী হলো তোমার? এমন মুখ করে বসে আছো কেন? জল আনো তো একটু।”
মনিরুল উঠে জলের টেবিলের দিকে গেল। যেতে যেতে শুনতে পেল দুই যুবকের কথা—
“দেখেছো দুধ? এত বড়… একবার মুঠোয় নিয়ে চেপে ধরার ইচ্ছে হচ্ছে।”
“পাছাও কম না। লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। রাতে কেউ না কেউ তো ব্যবহার করবেই।”
মনিরুল জল নিয়ে ফিরে এল। শিমু হাত বাড়িয়ে গ্লাস নিল। তার বুকের দিকটা আবার একটু নড়ল। পাশের এক মধ্যবয়সী লোক চেয়ার থেকে উঠে যেতে যেতে মনে মনে বলল—
“উফ… কী জিনিস। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত তাহলে এভাবে ছাড়ত না।”
হঠাৎ শিমুর বান্ধবী এসে হাজির হল। দুজনে কোলাকুলি করল। বান্ধবী শিমুর সাজগোজ দেখে বলল—
“কী সুন্দর সাজগোজ করেছো তুমি! লাল শাড়িটা গায়ে খুব মানানসই হয়েছে।”
শিমু হাসল। কিন্তু তার হাসির ফাঁকেই চারপাশের পুরুষদের চোখ তার বুক আর পাছার দিকে ঘুরছিল।
মনিরুল চেয়ারে বসে শুধু দেখছিল। তার মনের ভেতর একটা অদ্ভুত অনুভূতি চাপছে— অপমান, রাগ, আর তার সঙ্গে এক ধরনের গোপন উত্তেজনা। শিমুর শরীর আজ সবার নজরে। আর সে নিজে চুপ করে সব সহ্য করছে।
Reply


Messages In This Thread
রাগি বউয়ের পরিণতি - by X Man - Yesterday, 06:06 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:39 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:40 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:47 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:52 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:55 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:57 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)