Yesterday, 08:40 AM
হলের ভেতরের ভিড় ক্রমেই বাড়ছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে এখনো সময় বাকি। লোকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছে, কেউ কেউ চেয়ারে বসে আড্ডা দিচ্ছে। শিমু তার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিল। মনিরুল একটু দূরে চেয়ারে বসেছিল।
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু ওয়াশরুমে যাচ্ছি।”
মনিরুলও উঠে পড়ল। শিমু হলের পাশের করিডোর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় সামান্য উড়ছিল। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো দুলছিল আর বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে নড়ছিল।
করিডোরে কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে ছিল। শিমুকে দেখে তাদের চোখ আটকে গেল। একজন মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, কীভাবে দুলিয়ে হাঁটছে। দুধ দুটো যেন আলাদা প্রাণ নিয়ে নাচছে। ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে এখনই।”
আরেকজন চোখ না সরিয়ে ভাবল—
“পাছাটাও কম না। লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। এই মাগিটাকে একবার পেছন থেকে ধরতে পারলে…”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। থেমে গিয়ে সোজা তাদের দিকে তাকাল। গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ ফাটিয়ে দেব এখন।”
যুবকগুলো চুপ করে সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন পেছন থেকে মনে মনে গজরাল—
“শালী মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। রাগি মাগি। এত রাগ থাকলে রাতে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়।”
মনিরুল পেছন পেছন যাচ্ছিল। শিমুর এই তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই অদ্ভুত উত্তেজনা চাপল। মেয়েটা কাউকে ছাড়ে না। অথচ তার শরীরটা সবার চোখে।
ওয়াশরুমের সামনে এসে শিমু থামল। মনিরুলকে বলল—
“তুমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকো। আমি এসেই যাচ্ছি।”
শিমু ভেতরে ঢুকে গেল। মনিরুল করিডোরে দাঁড়িয়ে রইল। একটু পর পাশের একটা দরজা দিয়ে কয়েকজন পুরুষ বেরিয়ে এল। তাদের মধ্যে একজন, বয়স চল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“এই যে মাগিটা ওয়াশরুমে ঢুকল। এত বড় দুধ নিয়ে। ভেতরে গিয়ে নিশ্চয়ই ব্লাউজ ঠিক করছে। একবার যদি দরজা খোলা পেতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“স্বামীটা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। শালা পাহারা দিচ্ছে। অথচ বউয়ের শরীর দেখে সবাই পাগল। এই মেয়েটাকে একবার বিছানায় পেলে ছাড়ত না।”
শিমু বেরিয়ে এল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আঁচলটা ঠিক করেছিল। বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গিয়েছিল। করিডোরের লোকজনের চোখ সেই দৃশ্য ধরে রাখল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
তারা আবার হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে কয়েকজনের চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“দেখ পাছা দুলিয়ে যাচ্ছে…”
“দুধের নাচ দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
“এই শরীর নিয়ে রাতে কেউ না কেউ তো মাল ফেলবেই…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলছিল না। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার তেজালো চোখ চারপাশের দৃষ্টিগুলোকে উপেক্ষা করছিল।
হলে ফিরে এসে শিমু আবার বান্ধবীর পাশে বসল। মনিরুল একটু দূরে গিয়ে দাঁড়াল। তার মনের ভেতর একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছিল—
এই মেয়েটা আজ সবার নজরে। সবাই তার শরীর দেখে পাগল হচ্ছে। আর আমি শুধু চুপ করে দেখছি। হলের ভেতর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগের ব্যস্ততা চলছিল। মঞ্চের দিকে লোকজন জড়ো হচ্ছিল। শিমু তার বান্ধবীর পাশে বসে কথা বলছিল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল।
একটু পর খাবার পরিবেশন শুরু হল। লোকজন লাইনে দাঁড়াতে লাগল। শিমু উঠে দাঁড়িয়ে মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, খাবার নাও।”
তারা লাইনের দিকে এগোল। ভিড়ের মধ্যে শিমুর শরীর বারবার অন্য পুরুষদের গায়ে ঠেকে যাচ্ছিল। প্রতিবার ঠেকা লাগলে তার বুকের ভারী দুধ দুটো সামান্য নড়ত। পাছার দিকটাও শাড়ির নিচে চাপ খেত।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক শিমুর পেছনে এসে দাঁড়াল। ইচ্ছে করেই একটু কাছাকাছি। তার বুক শিমুর পিঠে প্রায় লেগে যাচ্ছিল। মনে মনে বলছিল—
“উফ… কী নরম গা। পেছন থেকে দুধের চাপ অনুভব করা যাচ্ছে। একটু আর কাছে গেলেই মুঠোয় চলে আসবে। শালা স্বামী সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিছুই দেখছে না।”
শিমু হঠাৎ পেছন ফিরে তাকাল। যুবকটার মুখের দিকে তাকিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“একটু সরে দাঁড়াও। গায়ে গায়ে লেগে থাকার কী দরকার?”
যুবকটা ভদ্রতার ভান করে সরে গেল। কিন্তু মনে মনে গজরাল—
“শালী রাগি। মুখের ওপর ধমক দিচ্ছে। এত রাগ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়। এই মাগির দুধ একবার চেপে ধরতে পারলে ছাড়ত না।”
মনিরুল সামনে থেকে সবকিছু দেখছিল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমু আবার সোজা হয়ে দাঁড়াল। তার চোখে সেই পরিচিত তেজ।
খাবার নিয়ে তারা একটা টেবিলে বসল। শিমু খাচ্ছিল। প্রতিবার হাত বাড়ালে তার বুকের দিকটা নড়ছিল। পাশের টেবিল থেকে কয়েকজন পুরুষের চোখ আটকে ছিল।
একজন মধ্যবয়সী লোক মনে মনে বলছিল—
“দেখ কীভাবে খাচ্ছে। দুধ দুটো থালায় প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছে। এত বড় মাল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। পাছার ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে বসার সময়। রাতে কেউ না কেউ তো এই মাল ব্যবহার করবেই।”
শিমু হঠাৎ মাথা তুলে তাদের দিকে তাকাল। চোখ কুঁচকে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের কোনো লজ্জা নেই?”
লোকগুলো চুপ করে মুখ ঘুরিয়ে নিল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। এতক্ষণ পর মুখ খুলেছে। সাহস থাকলে রাতে দেখা যাক কে কাকে চোদে।”
মনিরুলের কান লাল হয়ে গিয়েছিল। সে চুপচাপ খাচ্ছিল। ভেতরে ভেতরে তার শরীরটা গরম হয়ে আসছিল। শিমুর এই তেজ, এই গালমন্দ— চারপাশের পুরুষদের আরও বেশি উত্তেজিত করছিল। আর সে নিজে শুধু দেখছিল।
খাবার শেষ করে শিমু উঠে দাঁড়াল। শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে গিয়ে বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গেল। চারপাশের কয়েকজনের চোখ সেই ফাঁকে আটকে রইল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, একটু বাইরে যাই। গরম লাগছে।”
তারা হলের পেছনের বারান্দার দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“যা শালী, যা… দুধ দুলিয়ে…”
“পাছা দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মনের ভেতর একটা কথা বারবার ঘুরছিল—
বারান্দায় এসে শিমু রেলিংয়ে হাত রেখে দাঁড়াল। সন্ধ্যার হাওয়া একটু একটু করে বইছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ে তার বুকের উপর দিয়ে সরে যাচ্ছিল। প্রতিবার হাওয়া লাগলেই দুধ দুটো সামান্য নড়ত।
মনিরুল পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরাল। তার চোখ বারবার শিমুর দিকে যাচ্ছিল। চারপাশে আরও কয়েকজন পুরুষ বারান্দায় এসে জড়ো হয়েছিল। কেউ কেউ সিগারেট খাচ্ছে, কেউ কথা বলছে।
একজন লম্বাচেঁচা যুবক শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, হাওয়ায় আঁচল উড়ছে। দুধের উপরের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছে। এত বড় মাল। একবার যদি হাত দিয়ে চেপে ধরতে পারতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছাটা রেলিংয়ের ওপর প্রায় বসানো। শাড়ির ভাঁজ দিয়ে গোলাকার অংশ স্পষ্ট। এই মাগিটাকে পেছন থেকে একবার ধরলে ছাড়ত না।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। পেছন ফিরে সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের পানি নেই নাকি? সরে যাও এখান থেকে।”
যুবকগুলো একটু সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী আবার গাল দিচ্ছে। রাগি বউ। এত রাগ দেখালে আরও ইচ্ছে হয় চোদার। এই দুধ একবার মুখে নিয়ে চুষতে পারলে…”
মনিরুল সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমুর তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই গোপন উত্তেজনা চাপছিল।
হঠাৎ বারান্দার অন্য প্রান্ত থেকে একজন লোক এগিয়ে এল। বয়স ত্রিশের কোঠায়। স্মার্ট পোশাক। মুখে ভদ্র হাসি। শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল—
“আপা, আপনি কি রুমানার বান্ধবী? আমি রুমানার ভাইয়ের বন্ধু। একটু কথা ছিল।”
শিমু সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী কথা? সংক্ষেপে বলুন।”
লোকটা একটু কাছাকাছি এসে বলল, “রুমানা আপনাকে খুঁজছিল। ভেতরে আসবেন?”
কথা বলতে বলতে তার চোখ শিমুর বুকের দিকে কয়েকবার গিয়ে পড়ল। মনিরুল সবকিছু দেখছিল। লোকটার চোখের দৃষ্টি লুকোনো যাচ্ছিল না।
শিমু একটু রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ তুলে কথা বলুন। বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলার দরকার নেই।”
লোকটা ভদ্রতার ভান করে হাসল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর ধমক। এত বড় দুধ নিয়ে এত রাগ। এই মাগিটাকে একবার বিছানায় পেলে রাগ গুঁড়িয়ে দিতাম।”
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো ভেতরে। এখানে দাঁড়িয়ে লাভ নেই। লোকজনের চোখের পানি নেই।”
তারা বারান্দা ছেড়ে হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে লোকটার চাপা মন্তব্য ভেসে এল—
“যা শালী… দুধ দুলিয়ে যা… পরে দেখা হবে।”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে জ্বলছিল। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার পাছা দুটো শাড়ির নিচে দুলছিল। চারপাশের পুরুষেরা আবার তাকিয়ে ছিল।
হলের ভেতরে ঢুকতেই শিমু থেমে গিয়ে মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকজনগুলো খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর একবার কেউ তাকালে আমি মুখের ওপর গালি দিয়ে ছাড়ব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু তার বান্ধবীর পাশে গিয়ে বসল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে রইল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষের দিকে। লোকজন আবার ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল।
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু গরম লাগছে। বাইরে হাওয়া খাব।”
মনিরুল আবার পেছন পেছন গেল। তারা হলের অন্য দিকের একটা খোলা জায়গায় এল। সেখানে কয়েকজন পুরুষ সিগারেট ধরিয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল।
একজন মোটাসোটা লোক, বয়স পঁয়তাল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“আবার এসেছে মাগিটা। দুধ দুটো আগের চেয়েও বেশি দুলছে মনে হচ্ছে। লাল শাড়ি পরে যেন আরও গরম হয়েছে।”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছা দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা পাছে পাছে ঘুরছে। শালা নরম পুরুষ।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। এবার আর চুপ রইল না। সোজা তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেন? মায়ের বোন লজ্জা নেই?”
লোকগুলো একটু অবাক হয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটা হাসতে হাসতে বলল—
“কী বলছেন আপনি? আমরা তো কিছু বলিনি।”
শিমু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ দিয়ে সব বলে দিচ্ছো। এই শরীর দেখে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে আছো। সরে যাও এখান থেকে। নাহলে এখনই চেঁচিয়ে সবাইকে ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। তার চোখে একটা ঠান্ডা দৃষ্টি এল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। এত বড় দুধ নিয়ে এত তেজ। এই মাগিটাকে একবার পেলে মুখ বন্ধ করে দিতাম।”
পাশের আরেকজন নিচু গলায় বলল—
“রাগি মাগি। এত রাগ দেখালে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়। এই শরীর একবার বিছানায় পেলে…”
মনিরুল সামনে এগিয়ে এসে শিমুর হাত ধরল। বলল, “চলো ভেতরে। এদের সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই।”
শিমু মনিরুলের হাত সরিয়ে দিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করো। আমি কাউকে ছাড়ব না। এই হারামজাদারা ।”
মোটাসোটা লোকটা সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে একটু হেলে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। ভুল হয়ে থাকলে মাফ করবেন। কিন্তু এত রেগে গেলে শরীর গরম হয়ে যায় জানেন তো?”
কথাটার অর্থ পরিষ্কার ছিল। শিমুর চোখ আরও রক্তবর্ণ ধারণ করল। সে এগিয়ে গিয়ে বলল—
“কী বললে? আবার বলো দেখি?”
মনিরুল তাড়াতাড়ি শিমুর হাত ধরে টানল। “চলো এখান থেকে। ঝামেলা হবে।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মতো লোকজনের জন্যই মেয়েদের বাইরে বেরোনো কঠিন। কুত্তার বাচ্চা।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার চোখে আর হাসি ছিল না। মনে মনে বলল—
“শালী গালি দিয়ে গেল। কুত্তার বাচ্চা পর্যন্ত বলল। এই মাগিটাকে একদিন শেখাতে হবে। এত তেজ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়।”
তারা হলের ভেতরে ঢুকল। মনিরুলের বুক দুরুদুরু করছিল। শিমুর এই তেজ আজ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। চারপাশের পুরুষদের চোখে যে দৃষ্টি, তাতে ভালো কিছু দেখাচ্ছিল না।
শিমু হলের ভেতরে ঢুকেই মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকগুলোকে আমি ছাড়ব না। আর একবার কেউ তাকালে দেখে নেব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
এই তেজ এখন শুধু গালমন্দে সীমাবদ্ধ নেই। এটা বড় বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু আর মনিরুল একটা কোণে দাঁড়াল। শিমুর মুখ এখনো রাগে লাল। মনিরুল বারবার চারপাশের দিকে তাকাচ্ছিল। সেই মোটাসোটা লোকটা আর তার সঙ্গীরা হলের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। মাঝে মাঝে তাদের চোখ শিমুর দিকে যাচ্ছিল।
একটু পর শিমু বান্ধবীর কাছে গিয়ে বলল, “আমি যাই তো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
বান্ধবী একটু অবাক হয়ে বলল, “এত তাড়াতাড়ি? এখনো গানবাজনা বাকি।”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “গরম লাগছে। আর লোকজনের চোখের পানি নেই।”
মনিরুল দরজার দিকে এগোতেই দেখল সেই মোটাসোটা লোকটা আর দুইজন তার সঙ্গে ধীরে ধীরে তাদের দিকেই আসছে। মনিরুলের বুক ধড়ফড় করে উঠল। সে শিমুর হাত ধরে একটু তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল।
বাইরের খোলা জায়গায় এসে শিমু থেমে গেল। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখল লোকগুলোও বাইরে বেরিয়ে এসেছে। মোটাসোটা লোকটা সিগারেট ধরিয়ে হাসছিল। তার চোখে সেই ঠান্ডা দৃষ্টি।
শিমু আর সহ্য করতে পারল না। এগিয়ে গিয়ে বলল—
“এখনো পেছন পেছন আসছো কেন? কী চাও?”
মোটাসোটা লোকটা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। গলা নিচু করে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। আপনার মুখের কথাগুলো একটু কড়া হয়ে গিয়েছিল। আমরা তো কিছু বলিনি। শুধু দেখেছি।”
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু ওয়াশরুমে যাচ্ছি।”
মনিরুলও উঠে পড়ল। শিমু হলের পাশের করিডোর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় সামান্য উড়ছিল। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো দুলছিল আর বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে নড়ছিল।
করিডোরে কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে ছিল। শিমুকে দেখে তাদের চোখ আটকে গেল। একজন মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, কীভাবে দুলিয়ে হাঁটছে। দুধ দুটো যেন আলাদা প্রাণ নিয়ে নাচছে। ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে এখনই।”
আরেকজন চোখ না সরিয়ে ভাবল—
“পাছাটাও কম না। লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। এই মাগিটাকে একবার পেছন থেকে ধরতে পারলে…”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। থেমে গিয়ে সোজা তাদের দিকে তাকাল। গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ ফাটিয়ে দেব এখন।”
যুবকগুলো চুপ করে সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন পেছন থেকে মনে মনে গজরাল—
“শালী মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। রাগি মাগি। এত রাগ থাকলে রাতে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়।”
মনিরুল পেছন পেছন যাচ্ছিল। শিমুর এই তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই অদ্ভুত উত্তেজনা চাপল। মেয়েটা কাউকে ছাড়ে না। অথচ তার শরীরটা সবার চোখে।
ওয়াশরুমের সামনে এসে শিমু থামল। মনিরুলকে বলল—
“তুমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকো। আমি এসেই যাচ্ছি।”
শিমু ভেতরে ঢুকে গেল। মনিরুল করিডোরে দাঁড়িয়ে রইল। একটু পর পাশের একটা দরজা দিয়ে কয়েকজন পুরুষ বেরিয়ে এল। তাদের মধ্যে একজন, বয়স চল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“এই যে মাগিটা ওয়াশরুমে ঢুকল। এত বড় দুধ নিয়ে। ভেতরে গিয়ে নিশ্চয়ই ব্লাউজ ঠিক করছে। একবার যদি দরজা খোলা পেতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“স্বামীটা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। শালা পাহারা দিচ্ছে। অথচ বউয়ের শরীর দেখে সবাই পাগল। এই মেয়েটাকে একবার বিছানায় পেলে ছাড়ত না।”
শিমু বেরিয়ে এল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আঁচলটা ঠিক করেছিল। বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গিয়েছিল। করিডোরের লোকজনের চোখ সেই দৃশ্য ধরে রাখল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
তারা আবার হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে কয়েকজনের চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“দেখ পাছা দুলিয়ে যাচ্ছে…”
“দুধের নাচ দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
“এই শরীর নিয়ে রাতে কেউ না কেউ তো মাল ফেলবেই…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলছিল না। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার তেজালো চোখ চারপাশের দৃষ্টিগুলোকে উপেক্ষা করছিল।
হলে ফিরে এসে শিমু আবার বান্ধবীর পাশে বসল। মনিরুল একটু দূরে গিয়ে দাঁড়াল। তার মনের ভেতর একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছিল—
এই মেয়েটা আজ সবার নজরে। সবাই তার শরীর দেখে পাগল হচ্ছে। আর আমি শুধু চুপ করে দেখছি। হলের ভেতর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগের ব্যস্ততা চলছিল। মঞ্চের দিকে লোকজন জড়ো হচ্ছিল। শিমু তার বান্ধবীর পাশে বসে কথা বলছিল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল।
একটু পর খাবার পরিবেশন শুরু হল। লোকজন লাইনে দাঁড়াতে লাগল। শিমু উঠে দাঁড়িয়ে মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, খাবার নাও।”
তারা লাইনের দিকে এগোল। ভিড়ের মধ্যে শিমুর শরীর বারবার অন্য পুরুষদের গায়ে ঠেকে যাচ্ছিল। প্রতিবার ঠেকা লাগলে তার বুকের ভারী দুধ দুটো সামান্য নড়ত। পাছার দিকটাও শাড়ির নিচে চাপ খেত।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক শিমুর পেছনে এসে দাঁড়াল। ইচ্ছে করেই একটু কাছাকাছি। তার বুক শিমুর পিঠে প্রায় লেগে যাচ্ছিল। মনে মনে বলছিল—
“উফ… কী নরম গা। পেছন থেকে দুধের চাপ অনুভব করা যাচ্ছে। একটু আর কাছে গেলেই মুঠোয় চলে আসবে। শালা স্বামী সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিছুই দেখছে না।”
শিমু হঠাৎ পেছন ফিরে তাকাল। যুবকটার মুখের দিকে তাকিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“একটু সরে দাঁড়াও। গায়ে গায়ে লেগে থাকার কী দরকার?”
যুবকটা ভদ্রতার ভান করে সরে গেল। কিন্তু মনে মনে গজরাল—
“শালী রাগি। মুখের ওপর ধমক দিচ্ছে। এত রাগ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়। এই মাগির দুধ একবার চেপে ধরতে পারলে ছাড়ত না।”
মনিরুল সামনে থেকে সবকিছু দেখছিল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমু আবার সোজা হয়ে দাঁড়াল। তার চোখে সেই পরিচিত তেজ।
খাবার নিয়ে তারা একটা টেবিলে বসল। শিমু খাচ্ছিল। প্রতিবার হাত বাড়ালে তার বুকের দিকটা নড়ছিল। পাশের টেবিল থেকে কয়েকজন পুরুষের চোখ আটকে ছিল।
একজন মধ্যবয়সী লোক মনে মনে বলছিল—
“দেখ কীভাবে খাচ্ছে। দুধ দুটো থালায় প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছে। এত বড় মাল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। পাছার ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে বসার সময়। রাতে কেউ না কেউ তো এই মাল ব্যবহার করবেই।”
শিমু হঠাৎ মাথা তুলে তাদের দিকে তাকাল। চোখ কুঁচকে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের কোনো লজ্জা নেই?”
লোকগুলো চুপ করে মুখ ঘুরিয়ে নিল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। এতক্ষণ পর মুখ খুলেছে। সাহস থাকলে রাতে দেখা যাক কে কাকে চোদে।”
মনিরুলের কান লাল হয়ে গিয়েছিল। সে চুপচাপ খাচ্ছিল। ভেতরে ভেতরে তার শরীরটা গরম হয়ে আসছিল। শিমুর এই তেজ, এই গালমন্দ— চারপাশের পুরুষদের আরও বেশি উত্তেজিত করছিল। আর সে নিজে শুধু দেখছিল।
খাবার শেষ করে শিমু উঠে দাঁড়াল। শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে গিয়ে বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গেল। চারপাশের কয়েকজনের চোখ সেই ফাঁকে আটকে রইল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, একটু বাইরে যাই। গরম লাগছে।”
তারা হলের পেছনের বারান্দার দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“যা শালী, যা… দুধ দুলিয়ে…”
“পাছা দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মনের ভেতর একটা কথা বারবার ঘুরছিল—
বারান্দায় এসে শিমু রেলিংয়ে হাত রেখে দাঁড়াল। সন্ধ্যার হাওয়া একটু একটু করে বইছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ে তার বুকের উপর দিয়ে সরে যাচ্ছিল। প্রতিবার হাওয়া লাগলেই দুধ দুটো সামান্য নড়ত।
মনিরুল পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরাল। তার চোখ বারবার শিমুর দিকে যাচ্ছিল। চারপাশে আরও কয়েকজন পুরুষ বারান্দায় এসে জড়ো হয়েছিল। কেউ কেউ সিগারেট খাচ্ছে, কেউ কথা বলছে।
একজন লম্বাচেঁচা যুবক শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, হাওয়ায় আঁচল উড়ছে। দুধের উপরের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছে। এত বড় মাল। একবার যদি হাত দিয়ে চেপে ধরতে পারতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছাটা রেলিংয়ের ওপর প্রায় বসানো। শাড়ির ভাঁজ দিয়ে গোলাকার অংশ স্পষ্ট। এই মাগিটাকে পেছন থেকে একবার ধরলে ছাড়ত না।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। পেছন ফিরে সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের পানি নেই নাকি? সরে যাও এখান থেকে।”
যুবকগুলো একটু সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী আবার গাল দিচ্ছে। রাগি বউ। এত রাগ দেখালে আরও ইচ্ছে হয় চোদার। এই দুধ একবার মুখে নিয়ে চুষতে পারলে…”
মনিরুল সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমুর তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই গোপন উত্তেজনা চাপছিল।
হঠাৎ বারান্দার অন্য প্রান্ত থেকে একজন লোক এগিয়ে এল। বয়স ত্রিশের কোঠায়। স্মার্ট পোশাক। মুখে ভদ্র হাসি। শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল—
“আপা, আপনি কি রুমানার বান্ধবী? আমি রুমানার ভাইয়ের বন্ধু। একটু কথা ছিল।”
শিমু সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী কথা? সংক্ষেপে বলুন।”
লোকটা একটু কাছাকাছি এসে বলল, “রুমানা আপনাকে খুঁজছিল। ভেতরে আসবেন?”
কথা বলতে বলতে তার চোখ শিমুর বুকের দিকে কয়েকবার গিয়ে পড়ল। মনিরুল সবকিছু দেখছিল। লোকটার চোখের দৃষ্টি লুকোনো যাচ্ছিল না।
শিমু একটু রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ তুলে কথা বলুন। বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলার দরকার নেই।”
লোকটা ভদ্রতার ভান করে হাসল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর ধমক। এত বড় দুধ নিয়ে এত রাগ। এই মাগিটাকে একবার বিছানায় পেলে রাগ গুঁড়িয়ে দিতাম।”
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো ভেতরে। এখানে দাঁড়িয়ে লাভ নেই। লোকজনের চোখের পানি নেই।”
তারা বারান্দা ছেড়ে হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে লোকটার চাপা মন্তব্য ভেসে এল—
“যা শালী… দুধ দুলিয়ে যা… পরে দেখা হবে।”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে জ্বলছিল। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার পাছা দুটো শাড়ির নিচে দুলছিল। চারপাশের পুরুষেরা আবার তাকিয়ে ছিল।
হলের ভেতরে ঢুকতেই শিমু থেমে গিয়ে মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকজনগুলো খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর একবার কেউ তাকালে আমি মুখের ওপর গালি দিয়ে ছাড়ব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু তার বান্ধবীর পাশে গিয়ে বসল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে রইল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষের দিকে। লোকজন আবার ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল।
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু গরম লাগছে। বাইরে হাওয়া খাব।”
মনিরুল আবার পেছন পেছন গেল। তারা হলের অন্য দিকের একটা খোলা জায়গায় এল। সেখানে কয়েকজন পুরুষ সিগারেট ধরিয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল।
একজন মোটাসোটা লোক, বয়স পঁয়তাল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“আবার এসেছে মাগিটা। দুধ দুটো আগের চেয়েও বেশি দুলছে মনে হচ্ছে। লাল শাড়ি পরে যেন আরও গরম হয়েছে।”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছা দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা পাছে পাছে ঘুরছে। শালা নরম পুরুষ।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। এবার আর চুপ রইল না। সোজা তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেন? মায়ের বোন লজ্জা নেই?”
লোকগুলো একটু অবাক হয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটা হাসতে হাসতে বলল—
“কী বলছেন আপনি? আমরা তো কিছু বলিনি।”
শিমু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ দিয়ে সব বলে দিচ্ছো। এই শরীর দেখে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে আছো। সরে যাও এখান থেকে। নাহলে এখনই চেঁচিয়ে সবাইকে ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। তার চোখে একটা ঠান্ডা দৃষ্টি এল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। এত বড় দুধ নিয়ে এত তেজ। এই মাগিটাকে একবার পেলে মুখ বন্ধ করে দিতাম।”
পাশের আরেকজন নিচু গলায় বলল—
“রাগি মাগি। এত রাগ দেখালে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়। এই শরীর একবার বিছানায় পেলে…”
মনিরুল সামনে এগিয়ে এসে শিমুর হাত ধরল। বলল, “চলো ভেতরে। এদের সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই।”
শিমু মনিরুলের হাত সরিয়ে দিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করো। আমি কাউকে ছাড়ব না। এই হারামজাদারা ।”
মোটাসোটা লোকটা সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে একটু হেলে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। ভুল হয়ে থাকলে মাফ করবেন। কিন্তু এত রেগে গেলে শরীর গরম হয়ে যায় জানেন তো?”
কথাটার অর্থ পরিষ্কার ছিল। শিমুর চোখ আরও রক্তবর্ণ ধারণ করল। সে এগিয়ে গিয়ে বলল—
“কী বললে? আবার বলো দেখি?”
মনিরুল তাড়াতাড়ি শিমুর হাত ধরে টানল। “চলো এখান থেকে। ঝামেলা হবে।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মতো লোকজনের জন্যই মেয়েদের বাইরে বেরোনো কঠিন। কুত্তার বাচ্চা।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার চোখে আর হাসি ছিল না। মনে মনে বলল—
“শালী গালি দিয়ে গেল। কুত্তার বাচ্চা পর্যন্ত বলল। এই মাগিটাকে একদিন শেখাতে হবে। এত তেজ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়।”
তারা হলের ভেতরে ঢুকল। মনিরুলের বুক দুরুদুরু করছিল। শিমুর এই তেজ আজ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। চারপাশের পুরুষদের চোখে যে দৃষ্টি, তাতে ভালো কিছু দেখাচ্ছিল না।
শিমু হলের ভেতরে ঢুকেই মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকগুলোকে আমি ছাড়ব না। আর একবার কেউ তাকালে দেখে নেব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
এই তেজ এখন শুধু গালমন্দে সীমাবদ্ধ নেই। এটা বড় বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু আর মনিরুল একটা কোণে দাঁড়াল। শিমুর মুখ এখনো রাগে লাল। মনিরুল বারবার চারপাশের দিকে তাকাচ্ছিল। সেই মোটাসোটা লোকটা আর তার সঙ্গীরা হলের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। মাঝে মাঝে তাদের চোখ শিমুর দিকে যাচ্ছিল।
একটু পর শিমু বান্ধবীর কাছে গিয়ে বলল, “আমি যাই তো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
বান্ধবী একটু অবাক হয়ে বলল, “এত তাড়াতাড়ি? এখনো গানবাজনা বাকি।”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “গরম লাগছে। আর লোকজনের চোখের পানি নেই।”
মনিরুল দরজার দিকে এগোতেই দেখল সেই মোটাসোটা লোকটা আর দুইজন তার সঙ্গে ধীরে ধীরে তাদের দিকেই আসছে। মনিরুলের বুক ধড়ফড় করে উঠল। সে শিমুর হাত ধরে একটু তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল।
বাইরের খোলা জায়গায় এসে শিমু থেমে গেল। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখল লোকগুলোও বাইরে বেরিয়ে এসেছে। মোটাসোটা লোকটা সিগারেট ধরিয়ে হাসছিল। তার চোখে সেই ঠান্ডা দৃষ্টি।
শিমু আর সহ্য করতে পারল না। এগিয়ে গিয়ে বলল—
“এখনো পেছন পেছন আসছো কেন? কী চাও?”
মোটাসোটা লোকটা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। গলা নিচু করে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। আপনার মুখের কথাগুলো একটু কড়া হয়ে গিয়েছিল। আমরা তো কিছু বলিনি। শুধু দেখেছি।”
শিমু গলা চড়া করে বলল—
“দেখারও লজ্জা নেই তোদের? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থেকে লোভী নজর দিচ্ছো। কুত্তার বাচ্চারা।”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের কয়েকজন লোক থেমে গিয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটার মুখ শক্ত হয়ে গেল। তার সঙ্গীরাও এগিয়ে এল।
মোটাসোটা লোকটা মনে মনে বলল—
“শালী আবার কুত্তার বাচ্চা বলল। এত লোকের সামনে। এই মাগিটাকে আজ শেখাতেই হবে। এত তেজ, এত গালমন্দ। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়াচ্ছে, আর মুখের ওপর গালি দিচ্ছে।”
তার এক সঙ্গী নিচু গলায় বলল—
“ভাই, একেবারে ছাড়ার মতো না। এত সাহস। রাতে যদি পাই…”
মনিরুল শিমুর হাত শক্ত করে ধরল। বলল, “চলো এখান থেকে। ঝামেলা বাধবে।”
শিমু হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করে থাকো। আমি কাউকে ভয় পাই না। এই হারামজাদারা…”
মোটাসোটা লোকটা হঠাৎ এক ধাপ এগিয়ে এসে শিমুর কথা কেটে বলল—
“আপা, একটু আস্তে কথা বলুন। এত গালিগালাজ ভালো লাগছে না। আপনার স্বামীও তো চুপ করে আছে। উনি কিছু বলছেন না দেখছেন?”
কথাটার মধ্যে একটা ইশারা ছিল। মনিরুলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। শিমু কিন্তু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“আমার স্বামীকে তুই টেনে আনছিস কেন? তোদের মতো লোকজনের সঙ্গে কথা বলার যোগ্যও না সে। তোরা সরে যা। নাহলে পুলিশ ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা অন্যরকম। মনে মনে বলল—
“পুলিশ ডাকবে? এত সাহস। এই মাগিটাকে আজ একটু অন্যভাবে শেখাতে হবে। দুধগুলো এত নাচাচ্ছে, আর মুখ দিয়ে গালি বেরোচ্ছে। একবার যদি সুযোগ পাই…”
আশেপাশে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেছিল। কেউ কেউ ফিসফিস করছিল। মনিরুল শিমুর হাত আবার ধরে জোরে টানল।
“চলো এখনই। আর নয়।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মুখ চিনে রাখলাম। দেখে নেব।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার সঙ্গীরাও। তাদের চোখে আর ভদ্রতার ছাপ ছিল না।
মনিরুল শিমুকে নিয়ে দ্রুত গেটের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে মোটাসোটা লোকটার গলা ভেসে এল—
“আপা, রাত এখনো বাকি। তাড়াহুড়ো করবেন না।”
মনিরুলের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। শিমু কিন্তু পেছন ফিরেও তাকাল না। তার পায়ের শব্দ জোরে জোরে বাজছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ছিল। বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে দুলছিল। গেটের দিকে হাঁটতে হাঁটতে মনিরুলের হাত শিমুর কবজিতে শক্ত হয়ে আটকে ছিল। শিমু একবার হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করল, পারল না।
“এত জোরে টানছ কেন?” শিমু বিরক্ত গলায় বলল। “আমি তো আর পালাচ্ছি না।”
মনিরুল পেছন ফিরে তাকাল। সেই মোটা লোকটা আর তার দুই সঙ্গী এখনো দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে তাদের দৃষ্টি অনুসরণ করছিল। মনিরুল গলা নিচু করে বলল,
“এখন কথা বলার সময় না। চলো বাইরে উঠি আগে।”
শিমু মুখ বেঁকিয়ে হাঁটতে লাগল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় একটু একটু করে সরে যাচ্ছিল। বুকের দিকটা আবার খোলাখুলি হয়ে উঠছিল, কিন্তু এখন আর কেউ ভদ্র ভদ্র তাকাচ্ছিল না। যে দৃষ্টিগুলো আসছিল, তাতে অন্য কিছু ছিল।
গেট পার হয়ে রাস্তায় নামতেই মনিরুল একটা সিএনজির দিকে হাত তুলল। গাড়িটা কাছে আসতেই পেছন থেকে ডাক শোনা গেল।
“আপা…”
মোটা লোকটা হেঁটে এগিয়ে আসছিল। তার দুই সঙ্গী পাশে। মনিরুল দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে শিমুকে ধাক্কা দিয়ে ওঠাতে চাইল। শিমু প্রতিবাদ করে বলল,
“কী করছো? আমি নিজে উঠতে পারি।”
মোটা লোকটা কাছে এসে গাড়ির সামনে দাঁড়াল। হাসি মুখে বলল,
“এত তাড়াহুড়ো কেন আপনার? রাত তো এখনো অনেক বাকি। একটু গল্প করা যায় না?”
শিমু জানালা দিয়ে মাথা বাড়িয়ে বলল,
“গল্প করার মতো লোক তোমাকে মনে হয় না। সরে যাও।”
লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা আগের চেয়েও ছোট। বলল,
“আপনার মুখের কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে আপনি খুব সাহসী। ভালো কথা। সাহসী মেয়েদের আমরা পছন্দ করি।”
তার এক সঙ্গী পাশ থেকে যোগ দিল,
“স্বামীসাহেব তো চুপচাপ। উনি কিছু বলছেন না দেখে।”
মনিরুল গাড়ির ভেতর থেকে বলল, “ভাই, আমাদের যেতে দিন। ঝামেলা করতে চাই না।”
মোটা লোকটা গাড়ির বনেটের উপর হাত রেখে বলল,
“ঝামেলা কে করছে? আমরা তো শুধু কথা বলছি। আপনার বউ তো খুব মুখর। একটু কথা শুনলে ক্ষতি কী?”
শিমু আর থাকতে না পেরে দরজা খুলে নামতে গেল। মনিরুল তাকে আটকাতে গিয়েও পারল না। শিমু রাস্তায় নেমে সোজা লোকটার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার মুখের কথা শুনতে এত ইচ্ছে হয় তোমার? তাহলে শোনো— তোদের মতো লোকজনের জন্যই রাস্তাঘাট অনিরাপদ। চোখের লোভ সামলাতে পারো না, তার ওপর কথা শোনার সাহস দেখাও। সরে যাও এখন।”
মোটা লোকটার চোখের পাতা একবারও কাঁপল না। সে ধীরে করে বলল,
“আপনি খুব গরম মেয়ে। গরম মেয়েদের একটু ঠান্ডা করতে হয় কখনো কখনো।”
কথাটার সঙ্গে সঙ্গে তার দুই সঙ্গী দু’দিক থেকে একটু কাছাকাছি এল। মনিরুল গাড়ি থেকে নেমে শিমুর সামনে এসে দাঁড়াল। গলা কাঁপিয়ে বলল,
“ভাই, প্লিজ… আমরা চলে যাই। কোনো ঝামেলা নয়।”
মোটা লোকটা মনিরুলের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল।
“আপনি খুব ভদ্র মানুষ। ভদ্র মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়ে।”
এই সময় রাস্তা দিয়ে আরও কয়েকটা লোক হেঁটে যাচ্ছিল। কেউ কেউ থেমে তাকিয়েছিল। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কেউ কাছে আসছিল না।
শিমু মনিরুলের হাত ধরে টানল।
“উঠো গাড়িতে। এদের সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করার দরকার নেই।”
তারা দুজন গাড়িতে উঠল। চালকটা ভয় পেয়ে দ্রুত গাড়ি ছাড়ল। পেছনে মোটা লোকটা হাত তুলে বিদায় জানাল। তার মুখে সেই একই হাসি।
গাড়ি মোড় ঘুরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মনিরুল পেছন ফিরে তাকিয়েছিল। লোকটা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গীরাও।
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“এদের সাহস দেখ। এত লোকের সামনে এভাবে কথা বলে। আমি যদি পুরুষ হতাম…”
মনিরুল চুপ করে বসে রইল। তার হাত কাঁপছিল। গাড়ির আয়নায় তার নিজের মুখটা ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল।
রাত তখনো পুরোপুরি নামেনি। রাস্তার দু’পাশে আলো জ্বলছিল। শিমুর লাল শাড়িটা গাড়ির জানালা দিয়ে একটু একটু করে উড়ছিল। বুকের দিকটা আবার হাওয়ায় খুলে যাচ্ছিল।
“দেখারও লজ্জা নেই তোদের? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থেকে লোভী নজর দিচ্ছো। কুত্তার বাচ্চারা।”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের কয়েকজন লোক থেমে গিয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটার মুখ শক্ত হয়ে গেল। তার সঙ্গীরাও এগিয়ে এল।
মোটাসোটা লোকটা মনে মনে বলল—
“শালী আবার কুত্তার বাচ্চা বলল। এত লোকের সামনে। এই মাগিটাকে আজ শেখাতেই হবে। এত তেজ, এত গালমন্দ। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়াচ্ছে, আর মুখের ওপর গালি দিচ্ছে।”
তার এক সঙ্গী নিচু গলায় বলল—
“ভাই, একেবারে ছাড়ার মতো না। এত সাহস। রাতে যদি পাই…”
মনিরুল শিমুর হাত শক্ত করে ধরল। বলল, “চলো এখান থেকে। ঝামেলা বাধবে।”
শিমু হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করে থাকো। আমি কাউকে ভয় পাই না। এই হারামজাদারা…”
মোটাসোটা লোকটা হঠাৎ এক ধাপ এগিয়ে এসে শিমুর কথা কেটে বলল—
“আপা, একটু আস্তে কথা বলুন। এত গালিগালাজ ভালো লাগছে না। আপনার স্বামীও তো চুপ করে আছে। উনি কিছু বলছেন না দেখছেন?”
কথাটার মধ্যে একটা ইশারা ছিল। মনিরুলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। শিমু কিন্তু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“আমার স্বামীকে তুই টেনে আনছিস কেন? তোদের মতো লোকজনের সঙ্গে কথা বলার যোগ্যও না সে। তোরা সরে যা। নাহলে পুলিশ ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা অন্যরকম। মনে মনে বলল—
“পুলিশ ডাকবে? এত সাহস। এই মাগিটাকে আজ একটু অন্যভাবে শেখাতে হবে। দুধগুলো এত নাচাচ্ছে, আর মুখ দিয়ে গালি বেরোচ্ছে। একবার যদি সুযোগ পাই…”
আশেপাশে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেছিল। কেউ কেউ ফিসফিস করছিল। মনিরুল শিমুর হাত আবার ধরে জোরে টানল।
“চলো এখনই। আর নয়।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মুখ চিনে রাখলাম। দেখে নেব।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার সঙ্গীরাও। তাদের চোখে আর ভদ্রতার ছাপ ছিল না।
মনিরুল শিমুকে নিয়ে দ্রুত গেটের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে মোটাসোটা লোকটার গলা ভেসে এল—
“আপা, রাত এখনো বাকি। তাড়াহুড়ো করবেন না।”
মনিরুলের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। শিমু কিন্তু পেছন ফিরেও তাকাল না। তার পায়ের শব্দ জোরে জোরে বাজছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ছিল। বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে দুলছিল। গেটের দিকে হাঁটতে হাঁটতে মনিরুলের হাত শিমুর কবজিতে শক্ত হয়ে আটকে ছিল। শিমু একবার হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করল, পারল না।
“এত জোরে টানছ কেন?” শিমু বিরক্ত গলায় বলল। “আমি তো আর পালাচ্ছি না।”
মনিরুল পেছন ফিরে তাকাল। সেই মোটা লোকটা আর তার দুই সঙ্গী এখনো দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে তাদের দৃষ্টি অনুসরণ করছিল। মনিরুল গলা নিচু করে বলল,
“এখন কথা বলার সময় না। চলো বাইরে উঠি আগে।”
শিমু মুখ বেঁকিয়ে হাঁটতে লাগল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় একটু একটু করে সরে যাচ্ছিল। বুকের দিকটা আবার খোলাখুলি হয়ে উঠছিল, কিন্তু এখন আর কেউ ভদ্র ভদ্র তাকাচ্ছিল না। যে দৃষ্টিগুলো আসছিল, তাতে অন্য কিছু ছিল।
গেট পার হয়ে রাস্তায় নামতেই মনিরুল একটা সিএনজির দিকে হাত তুলল। গাড়িটা কাছে আসতেই পেছন থেকে ডাক শোনা গেল।
“আপা…”
মোটা লোকটা হেঁটে এগিয়ে আসছিল। তার দুই সঙ্গী পাশে। মনিরুল দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে শিমুকে ধাক্কা দিয়ে ওঠাতে চাইল। শিমু প্রতিবাদ করে বলল,
“কী করছো? আমি নিজে উঠতে পারি।”
মোটা লোকটা কাছে এসে গাড়ির সামনে দাঁড়াল। হাসি মুখে বলল,
“এত তাড়াহুড়ো কেন আপনার? রাত তো এখনো অনেক বাকি। একটু গল্প করা যায় না?”
শিমু জানালা দিয়ে মাথা বাড়িয়ে বলল,
“গল্প করার মতো লোক তোমাকে মনে হয় না। সরে যাও।”
লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা আগের চেয়েও ছোট। বলল,
“আপনার মুখের কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে আপনি খুব সাহসী। ভালো কথা। সাহসী মেয়েদের আমরা পছন্দ করি।”
তার এক সঙ্গী পাশ থেকে যোগ দিল,
“স্বামীসাহেব তো চুপচাপ। উনি কিছু বলছেন না দেখে।”
মনিরুল গাড়ির ভেতর থেকে বলল, “ভাই, আমাদের যেতে দিন। ঝামেলা করতে চাই না।”
মোটা লোকটা গাড়ির বনেটের উপর হাত রেখে বলল,
“ঝামেলা কে করছে? আমরা তো শুধু কথা বলছি। আপনার বউ তো খুব মুখর। একটু কথা শুনলে ক্ষতি কী?”
শিমু আর থাকতে না পেরে দরজা খুলে নামতে গেল। মনিরুল তাকে আটকাতে গিয়েও পারল না। শিমু রাস্তায় নেমে সোজা লোকটার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার মুখের কথা শুনতে এত ইচ্ছে হয় তোমার? তাহলে শোনো— তোদের মতো লোকজনের জন্যই রাস্তাঘাট অনিরাপদ। চোখের লোভ সামলাতে পারো না, তার ওপর কথা শোনার সাহস দেখাও। সরে যাও এখন।”
মোটা লোকটার চোখের পাতা একবারও কাঁপল না। সে ধীরে করে বলল,
“আপনি খুব গরম মেয়ে। গরম মেয়েদের একটু ঠান্ডা করতে হয় কখনো কখনো।”
কথাটার সঙ্গে সঙ্গে তার দুই সঙ্গী দু’দিক থেকে একটু কাছাকাছি এল। মনিরুল গাড়ি থেকে নেমে শিমুর সামনে এসে দাঁড়াল। গলা কাঁপিয়ে বলল,
“ভাই, প্লিজ… আমরা চলে যাই। কোনো ঝামেলা নয়।”
মোটা লোকটা মনিরুলের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল।
“আপনি খুব ভদ্র মানুষ। ভদ্র মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়ে।”
এই সময় রাস্তা দিয়ে আরও কয়েকটা লোক হেঁটে যাচ্ছিল। কেউ কেউ থেমে তাকিয়েছিল। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কেউ কাছে আসছিল না।
শিমু মনিরুলের হাত ধরে টানল।
“উঠো গাড়িতে। এদের সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করার দরকার নেই।”
তারা দুজন গাড়িতে উঠল। চালকটা ভয় পেয়ে দ্রুত গাড়ি ছাড়ল। পেছনে মোটা লোকটা হাত তুলে বিদায় জানাল। তার মুখে সেই একই হাসি।
গাড়ি মোড় ঘুরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মনিরুল পেছন ফিরে তাকিয়েছিল। লোকটা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গীরাও।
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“এদের সাহস দেখ। এত লোকের সামনে এভাবে কথা বলে। আমি যদি পুরুষ হতাম…”
মনিরুল চুপ করে বসে রইল। তার হাত কাঁপছিল। গাড়ির আয়নায় তার নিজের মুখটা ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল।
রাত তখনো পুরোপুরি নামেনি। রাস্তার দু’পাশে আলো জ্বলছিল। শিমুর লাল শাড়িটা গাড়ির জানালা দিয়ে একটু একটু করে উড়ছিল। বুকের দিকটা আবার হাওয়ায় খুলে যাচ্ছিল।
সিএনজির ভেতরটা একটু অন্ধকার। চালক সামনে তাকিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে। শিমু জানালার দিকে মুখ করে বসে আছে। মনিরুল পাশে। দুজনের কেউই প্রথমে কথা বলছে না।
একটু পর শিমুই কথা খুলল।
“দেখেছো ওদের সাহস? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গল্প করতে চায়। লজ্জাশূন্য।”
মনিরুল সিগারেটের প্যাকেট বের করে আবার রেখে দিল। গলাটা একটু নিচু করে বলল,
“আর কথা বাড়াইয়ো না। ওরা খারাপ লোক মনে হচ্ছে। এখন বাড়ি যাই।”
শিমু পেছন ফিরে তাকাল।
“তুমি তো সবসময় এমনই। কেউ কিছু বললে চুপ করে সয়ে যাও। আমি পারিনা। চোখের সামনে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না।”
মনিরুল হালকা করে বলল,
“বললেই তো হয় না সবসময়। ওরা তো আর ভদ্রলোক না। তুমি গালি দিলে ওরা আরও খেপে যায়। আজকের মতো থাক।”
শিমু বিরক্ত হয়ে মুখ ঘোরাল।
“থাক মানে? আমি ভয় পাই না ওদের। কী করবে বলতো? রাস্তার মাঝখানে?”
মনিরুল জবাব দিল না। গাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের রাস্তা দেখছিল। মাঝে মাঝে পেছন ফিরে তাকাচ্ছিল, কেউ ফলো করছে কিনা। রাস্তা ভালোই ফাঁকা। তেমন কেউ নেই।
একটু পর শিমু আবার বলল,
“তুমি ওদের ভয় পাচ্ছো না কি? মুখ দেখে মনে হচ্ছে ভয় পেয়েছো।”
মনিরুল একটু বিরক্ত হয়েই বলল,
“ভয় না, বুদ্ধি। তোমার মতো মুখ খুলে গালি দিয়ে পার পাওয়া যায় না সবসময়। আজকে ওরা অনেকগুলো ছিল। আমি একা। তুমিও একা।”
শিমু চুপ করে গেল। কিছুক্ষণ পর আস্তে করে বলল,
“আমি জানি তুমি চিন্তা করছো। কিন্তু আমি সত্যিই সহ্য করতে পারিনা এসব নজর। আমার শরীর নিয়ে কী ভাবে ওরা…”
কথাটা শেষ না করেই থেমে গেল। মনিরুল তার দিকে তাকাল। শিমুর গাল একটু লাল। রাগ এখনো কাটেনি।
গাড়িটা তাদের বাসার দিকে মোড় নিল। মনিরুল চালককে ঠিকানা বলল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল,
“বাড়ি গিয়ে গোসল করে ঘুমাও। আজকের কথা আর মনে রেখো না। কালকে অফিস আছে আমার।”
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“আমি মনে রাখব। ওদের মুখ চিনে রেখেছি।”
মনিরুল আর কিছু বলল না। গাড়ি ধীরে ধীরে তাদের গলির মুখে এসে থামল।
নামার সময় মনিরুল আগে নামল। চারদিকটা একবার ভালো করে দেখল। কেউ নেই। তারপর শিমুকে নামতে দিল। শিমু শাড়ির আঁচলটা টেনে বুকের দিকটা ঢাকল। দুজনে গলির ভেতর ঢুকে গেল।
পেছনে সিএনজিটা হর্ন দিয়ে চলে গেল। রাস্তা আবার ফাঁকা হয়ে গেল। গেটের সামনে এসে দেখা গেল আক্তার চাচা চেয়ারে বসে আছে। হাতে চায়ের গ্লাস। শিমুকে দেখেই সে ধীরে করে উঠে দাঁড়াল।
… এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলেন বউমা?” আক্তার চাচার গলায় স্বাভাবিক ভদ্রতা। কিন্তু চোখ দুটো শিমুর বুক আর কোমরের দিকে একটু বেশিক্ষণ থেকে গেল।
শিমু সংক্ষেপে বলল, “হ্যাঁ, চাচা। গরম লাগছিল।”
আক্তার চাচা দরজা খুলে দিতে দিতে মনে মনে বলল—
“গরম লাগছিল বলে এত তাড়াতাড়ি? নাকি কোথাও গিয়ে ঝামেলায় পড়েছে? শাড়িটা তো আগের মতোই ফুলেফেঁপে আছে। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়ায়, আর মুখ দেখে মনে হয় কেউ কিছু বললেই গালি দেবে। এই বয়সেও এমন জিনিস দেখলে লোভ হয় ভাই।”
মনিরুল চাবি বের করতে করতে বলল, “রাত হয়ে গেছে চাচা। আপনিও উঠে যান।”
আক্তার চাচা হাসল।
“আমি তো আছিই। আপনারা উঠে যান।”
কথা বলতে বলতে তার চোখ আবার শিমুর পাছার দিকে গিয়ে পড়ল। শিমু সিঁড়ি দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। লাল শাড়ির ভাঁজটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে দুলছিল। আক্তার চাচা নিচু গলায় নিজের মনেই বলল—
“উফ… পাছাটাও তো কম যায় না। এই শরীর নিয়ে রাতের বেলা বেরোয়। স্বামীটা পাছে পাছে থাকে, অথচ চোখের নজর সামলাতে পারে না কেউ।”
মনিরুল পেছন ফিরে একবার তাকাল। আক্তার চাচা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। মুখে সেই ভদ্র হাসি, চোখে অন্য কিছু।
তারা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মনিরুল একবার থেমে পেছন ফিরে তাকাল। নিচের রাস্তায় কেউ ছিল না। তবুও তার বুকের ভেতর একটা অস্বস্তি রয়ে গেল।
শিমু চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলল। ভেতরে ঢুকে জুতো খুলতে খুলতে বলল,
“হাত-মুখ ধুয়ে আসো। চা বানাবো।”
মনিরুল দরজা বন্ধ করে কব্জা দিয়ে আটকাল। তারপর একটু দাঁড়িয়ে রইল। বাইরের দিকটা আবার একবার শুনল। কোনো শব্দ নেই।
শিমু রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলল,
“কী হলো? এখনো দাঁড়িয়ে আছো কেন?”
মনিরুল মাথা নাড়ল।
“কিছু না। যাও, চা বানাও।”
একটু পর শিমুই কথা খুলল।
“দেখেছো ওদের সাহস? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গল্প করতে চায়। লজ্জাশূন্য।”
মনিরুল সিগারেটের প্যাকেট বের করে আবার রেখে দিল। গলাটা একটু নিচু করে বলল,
“আর কথা বাড়াইয়ো না। ওরা খারাপ লোক মনে হচ্ছে। এখন বাড়ি যাই।”
শিমু পেছন ফিরে তাকাল।
“তুমি তো সবসময় এমনই। কেউ কিছু বললে চুপ করে সয়ে যাও। আমি পারিনা। চোখের সামনে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না।”
মনিরুল হালকা করে বলল,
“বললেই তো হয় না সবসময়। ওরা তো আর ভদ্রলোক না। তুমি গালি দিলে ওরা আরও খেপে যায়। আজকের মতো থাক।”
শিমু বিরক্ত হয়ে মুখ ঘোরাল।
“থাক মানে? আমি ভয় পাই না ওদের। কী করবে বলতো? রাস্তার মাঝখানে?”
মনিরুল জবাব দিল না। গাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের রাস্তা দেখছিল। মাঝে মাঝে পেছন ফিরে তাকাচ্ছিল, কেউ ফলো করছে কিনা। রাস্তা ভালোই ফাঁকা। তেমন কেউ নেই।
একটু পর শিমু আবার বলল,
“তুমি ওদের ভয় পাচ্ছো না কি? মুখ দেখে মনে হচ্ছে ভয় পেয়েছো।”
মনিরুল একটু বিরক্ত হয়েই বলল,
“ভয় না, বুদ্ধি। তোমার মতো মুখ খুলে গালি দিয়ে পার পাওয়া যায় না সবসময়। আজকে ওরা অনেকগুলো ছিল। আমি একা। তুমিও একা।”
শিমু চুপ করে গেল। কিছুক্ষণ পর আস্তে করে বলল,
“আমি জানি তুমি চিন্তা করছো। কিন্তু আমি সত্যিই সহ্য করতে পারিনা এসব নজর। আমার শরীর নিয়ে কী ভাবে ওরা…”
কথাটা শেষ না করেই থেমে গেল। মনিরুল তার দিকে তাকাল। শিমুর গাল একটু লাল। রাগ এখনো কাটেনি।
গাড়িটা তাদের বাসার দিকে মোড় নিল। মনিরুল চালককে ঠিকানা বলল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল,
“বাড়ি গিয়ে গোসল করে ঘুমাও। আজকের কথা আর মনে রেখো না। কালকে অফিস আছে আমার।”
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“আমি মনে রাখব। ওদের মুখ চিনে রেখেছি।”
মনিরুল আর কিছু বলল না। গাড়ি ধীরে ধীরে তাদের গলির মুখে এসে থামল।
নামার সময় মনিরুল আগে নামল। চারদিকটা একবার ভালো করে দেখল। কেউ নেই। তারপর শিমুকে নামতে দিল। শিমু শাড়ির আঁচলটা টেনে বুকের দিকটা ঢাকল। দুজনে গলির ভেতর ঢুকে গেল।
পেছনে সিএনজিটা হর্ন দিয়ে চলে গেল। রাস্তা আবার ফাঁকা হয়ে গেল। গেটের সামনে এসে দেখা গেল আক্তার চাচা চেয়ারে বসে আছে। হাতে চায়ের গ্লাস। শিমুকে দেখেই সে ধীরে করে উঠে দাঁড়াল।
… এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলেন বউমা?” আক্তার চাচার গলায় স্বাভাবিক ভদ্রতা। কিন্তু চোখ দুটো শিমুর বুক আর কোমরের দিকে একটু বেশিক্ষণ থেকে গেল।
শিমু সংক্ষেপে বলল, “হ্যাঁ, চাচা। গরম লাগছিল।”
আক্তার চাচা দরজা খুলে দিতে দিতে মনে মনে বলল—
“গরম লাগছিল বলে এত তাড়াতাড়ি? নাকি কোথাও গিয়ে ঝামেলায় পড়েছে? শাড়িটা তো আগের মতোই ফুলেফেঁপে আছে। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়ায়, আর মুখ দেখে মনে হয় কেউ কিছু বললেই গালি দেবে। এই বয়সেও এমন জিনিস দেখলে লোভ হয় ভাই।”
মনিরুল চাবি বের করতে করতে বলল, “রাত হয়ে গেছে চাচা। আপনিও উঠে যান।”
আক্তার চাচা হাসল।
“আমি তো আছিই। আপনারা উঠে যান।”
কথা বলতে বলতে তার চোখ আবার শিমুর পাছার দিকে গিয়ে পড়ল। শিমু সিঁড়ি দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। লাল শাড়ির ভাঁজটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে দুলছিল। আক্তার চাচা নিচু গলায় নিজের মনেই বলল—
“উফ… পাছাটাও তো কম যায় না। এই শরীর নিয়ে রাতের বেলা বেরোয়। স্বামীটা পাছে পাছে থাকে, অথচ চোখের নজর সামলাতে পারে না কেউ।”
মনিরুল পেছন ফিরে একবার তাকাল। আক্তার চাচা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। মুখে সেই ভদ্র হাসি, চোখে অন্য কিছু।
তারা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মনিরুল একবার থেমে পেছন ফিরে তাকাল। নিচের রাস্তায় কেউ ছিল না। তবুও তার বুকের ভেতর একটা অস্বস্তি রয়ে গেল।
শিমু চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলল। ভেতরে ঢুকে জুতো খুলতে খুলতে বলল,
“হাত-মুখ ধুয়ে আসো। চা বানাবো।”
মনিরুল দরজা বন্ধ করে কব্জা দিয়ে আটকাল। তারপর একটু দাঁড়িয়ে রইল। বাইরের দিকটা আবার একবার শুনল। কোনো শব্দ নেই।
শিমু রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলল,
“কী হলো? এখনো দাঁড়িয়ে আছো কেন?”
মনিরুল মাথা নাড়ল।
“কিছু না। যাও, চা বানাও।”
শিমু রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ থেমে গিয়ে পেছন ফিরে বলল—
“একটু অপেক্ষা করো। এই শাড়িটা খুলে ফেলি। গরম লাগছে খুব।”
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়েছিলাম। চাবিটা এখনো হাতে। শিমু বলার সঙ্গে সঙ্গেই আঁচলটা খুলে ফেলল। লাল কাপড়টা তার বাঁ কাঁধ থেকে সরে এসে হাতে মুঠো হয়ে গেল। ব্লাউজের উপরের অংশ পুরোপুরি খুলে গেল। বাসন্তি রঙের ব্লাউজটা এতটাই টাইট ছিল যে দুধ দুটোর ভাঁজ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। নিপলের উঁচু অংশ কাপড়ের উপর দিয়েই টের পাওয়া যাচ্ছিল।
শিমু কোমরের দিকে হাত নিয়ে শাড়ির পেটানো অংশ খুলতে লাগল। আঙুল দিয়ে কাপড়ের ভাঁজ খুঁজে বের করে একটু একটু করে আলগা করতে লাগল। শাড়ির কাপড়টা ধীরে ধীরে তার কোমর থেকে খুলে নিচে নামতে শুরু করল। প্রথমে কোমরের সরু অংশটা বেরিয়ে এল। তারপর লাল সায়ার উপর দিয়ে শাড়িটা নিচে নামতে লাগল। পাছার গোল অংশটা সায়ার কাপড়ের ভেতর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠল। শাড়িটা হাঁটু পর্যন্ত নেমে এলে শিমু একপাশে সরিয়ে রাখল।
এবার ব্লাউজের পেছনের হুক খুলতে হাত নিয়ে গেল। একটা… দুটো… তিনটে হুক। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। শিমু কাঁধ থেকে ব্লাউজটা টেনে খুলে ফেলল। সামনে থেকে খুলে গেল পুরোপুরি। অফ-হোয়াইট রঙের ব্রা এখনো লাগানো। ৩৬ কে কাপের দুধ দুটো ব্রার কাপ ভরে টানটান করে রেখেছিল। ব্রার উপরের অংশ দিয়ে দুধের সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছিল।
শিমু ব্রার পেছনের হুক খুলল। এক টানে খুলে গেল। ব্রাটা সামনে থেকে খুলে হাতে নিল। দুধ দুটো মুক্ত হয়ে সামনে ঝুলে পড়ল। ভারী। গোল। নিপল দুটো ঘন বাদামি, একটু শক্ত হয়ে উঠেছিল। হাঁটার সময় যেভাবে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে থাকলেও হালকা দুলছিল শ্বাসের সঙ্গে।
শিমু মেঝে থেকে একটা নীল গেঞ্জি তুলে নিল। ব্রা ছাড়াই গেঞ্জিটা মাথার উপর দিয়ে টেনে পরল। গেঞ্জিটা একটু ঢিলেঢালা। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে সামনের দিকটা টানটান হয়ে গেল। নিপলের দাগ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল নীল কাপড়ের উপর দিয়ে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল।
এবার সায়া খুলল। লাল কাপড়টা পায়ের কাছে পড়ে গেল। শিমু বাদামি রঙের পাজামাটা তুলে একপা একপা করে পরল। কোমরে দড়ি বেঁধে নিল।
শিমু এবার আয়নার সামনে একবার তাকাল। নীল গেঞ্জি আর বাদামি পাজামায় তার শরীর আরও বেশি খোলাখুলি লাগছিল। দুধ দুটো গেঞ্জির ভেতর থেকে সামনে বেরিয়ে থাকছিল। কোনো ব্রা নেই। কোনো শাড়ির আঁচল নেই।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এখন ভালো লাগছে। গরম কমছে। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো। চা বানাচ্ছি।”
আমি চুপ করে মাথা নাড়লাম। শিমু রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো দুলছিল। বাদামি পাজামার ভেতর পাছা দুটো হালকা নড়ছিল।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছিলাম। আজকের পুরো দিনের সব নজর, সব গালি, সব উত্তেজনা যেন এই মুহূর্তে ঘরের ভেতরে এসে জমা হয়েছে।
“একটু অপেক্ষা করো। এই শাড়িটা খুলে ফেলি। গরম লাগছে খুব।”
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়েছিলাম। চাবিটা এখনো হাতে। শিমু বলার সঙ্গে সঙ্গেই আঁচলটা খুলে ফেলল। লাল কাপড়টা তার বাঁ কাঁধ থেকে সরে এসে হাতে মুঠো হয়ে গেল। ব্লাউজের উপরের অংশ পুরোপুরি খুলে গেল। বাসন্তি রঙের ব্লাউজটা এতটাই টাইট ছিল যে দুধ দুটোর ভাঁজ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। নিপলের উঁচু অংশ কাপড়ের উপর দিয়েই টের পাওয়া যাচ্ছিল।
শিমু কোমরের দিকে হাত নিয়ে শাড়ির পেটানো অংশ খুলতে লাগল। আঙুল দিয়ে কাপড়ের ভাঁজ খুঁজে বের করে একটু একটু করে আলগা করতে লাগল। শাড়ির কাপড়টা ধীরে ধীরে তার কোমর থেকে খুলে নিচে নামতে শুরু করল। প্রথমে কোমরের সরু অংশটা বেরিয়ে এল। তারপর লাল সায়ার উপর দিয়ে শাড়িটা নিচে নামতে লাগল। পাছার গোল অংশটা সায়ার কাপড়ের ভেতর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠল। শাড়িটা হাঁটু পর্যন্ত নেমে এলে শিমু একপাশে সরিয়ে রাখল।
এবার ব্লাউজের পেছনের হুক খুলতে হাত নিয়ে গেল। একটা… দুটো… তিনটে হুক। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। শিমু কাঁধ থেকে ব্লাউজটা টেনে খুলে ফেলল। সামনে থেকে খুলে গেল পুরোপুরি। অফ-হোয়াইট রঙের ব্রা এখনো লাগানো। ৩৬ কে কাপের দুধ দুটো ব্রার কাপ ভরে টানটান করে রেখেছিল। ব্রার উপরের অংশ দিয়ে দুধের সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছিল।
শিমু ব্রার পেছনের হুক খুলল। এক টানে খুলে গেল। ব্রাটা সামনে থেকে খুলে হাতে নিল। দুধ দুটো মুক্ত হয়ে সামনে ঝুলে পড়ল। ভারী। গোল। নিপল দুটো ঘন বাদামি, একটু শক্ত হয়ে উঠেছিল। হাঁটার সময় যেভাবে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে থাকলেও হালকা দুলছিল শ্বাসের সঙ্গে।
শিমু মেঝে থেকে একটা নীল গেঞ্জি তুলে নিল। ব্রা ছাড়াই গেঞ্জিটা মাথার উপর দিয়ে টেনে পরল। গেঞ্জিটা একটু ঢিলেঢালা। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে সামনের দিকটা টানটান হয়ে গেল। নিপলের দাগ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল নীল কাপড়ের উপর দিয়ে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল।
এবার সায়া খুলল। লাল কাপড়টা পায়ের কাছে পড়ে গেল। শিমু বাদামি রঙের পাজামাটা তুলে একপা একপা করে পরল। কোমরে দড়ি বেঁধে নিল।
শিমু এবার আয়নার সামনে একবার তাকাল। নীল গেঞ্জি আর বাদামি পাজামায় তার শরীর আরও বেশি খোলাখুলি লাগছিল। দুধ দুটো গেঞ্জির ভেতর থেকে সামনে বেরিয়ে থাকছিল। কোনো ব্রা নেই। কোনো শাড়ির আঁচল নেই।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এখন ভালো লাগছে। গরম কমছে। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো। চা বানাচ্ছি।”
আমি চুপ করে মাথা নাড়লাম। শিমু রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো দুলছিল। বাদামি পাজামার ভেতর পাছা দুটো হালকা নড়ছিল।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছিলাম। আজকের পুরো দিনের সব নজর, সব গালি, সব উত্তেজনা যেন এই মুহূর্তে ঘরের ভেতরে এসে জমা হয়েছে।
শিমু রান্নাঘরে ঢুকে গেল। আমি এখনো দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। বাইরের তালাটা আবার একবার হাত দিয়ে চেপে দেখলাম। শক্ত আছে। তারপর ধীরে করে হাত-মুখ ধুতে গেলাম।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখি শিমু চুলার সামনে দাঁড়িয়ে। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এতটাই হালকা যে আলোর ছায়ায় দুধ দুটোর আকার স্পষ্ট। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে উঁচু হয়ে আছে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। বাদামি পাজামাটা কোমরে আলতো করে বাঁধা। পাছার উপর কাপড়টা টানটান।
শিমু চাপাতি চা বানাচ্ছিল। এক হাতে চিনি দিচ্ছিল, অন্য হাতে চামচ ঘোরাচ্ছিল। প্রতিবার হাত নাড়ালেই তার বুক দুটো নীল কাপড়ের ভেতর দুলছিল। কোনো ব্রা নেই। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। ভারী। নিচের দিকে ঝুলে আছে। হাঁটলে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে চা বানাতে গিয়েও হালকা নড়ছিল।
আমি চেয়ারে বসলাম। শিমু আমার দিকে তাকাল না। শুধু বলল—
“আজকের ওই লোকগুলোর সাহস দেখেছো? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে কথা বলে। লজ্জাশূন্য।”
আমি চুপ করে ছিলাম। শিমু চামচ ঘোরাতে ঘোরাতে আবার বলল—
“তুমি তো কিছুই বললে না। পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছিলে। আমি যদি না গালি দিতাম তাহলে ওরা আরও বেপরোয়া হয়ে যেত।”
কথাগুলো বলার সময় তার গলায় সেই পরিচিত তেজ। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে নিপল দুটো আরও একটু শক্ত হয়ে উঠেছে মনে হচ্ছিল। রাগে তার শরীর গরম হয়ে আছে।
আমি আস্তে করে বললাম, “ওরা খারাপ লোক ছিল শিমু। আর কথা বাড়াইও না। এখন রাত হয়েছে।”
শিমু চুলা থেকে কেটলি নামিয়ে চা ঢালতে ঢালতে বলল—
“খারাপ লোক হলেই চুপ করে থাকতে হবে? আমার শরীরের দিকে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না। আমি কাউকে ছাড়ি না।”
চায়ের কাপ দুটো হাতে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল। নীল গেঞ্জিটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের ভারে সামনে সামনে নড়ছিল। দুধ দুটো কাপড়ের ভেতর থেকে যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে। নিপলের দাগ এখন আরও স্পষ্ট।
কাপটা আমার হাতে দিয়ে শিমু আমার সামনেই দাঁড়িয়ে গেল। গেঞ্জির কাছ থেকে তার শরীরের গরম অনুভব করা যাচ্ছিল। দুধ দুটো আমার চোখের সামনে দুলছিল। কোনো আঁচল নেই, কোনো ব্লাউজ নেই, কোনো ব্রা নেই। শুধু পাতলা নীল কাপড়।
শিমু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি কি ওদের ভয় পেয়েছিলে?”
আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে নিচু দৃষ্টিতে বললাম, “ভয় না। বুদ্ধি। ওরা অনেকগুলো ছিল।”
শিমু একটু হাসল। সেই হাসিটা রাগের হাসি।
“বুদ্ধি। সবসময় বুদ্ধি। আমি পারিনা তোমার মতো চুপ করে সয়ে যেতে। আমার শরীর নিয়ে কেউ লোভী নজর দিলে আমি গালি দেবই। কে কী করে দেখি।”
কথা বলে শিমু আমার পাশের চেয়ারে বসল। পাজামায় তার পা দুটো ভাজ করে রাখল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের অংশ আরও খুলে গেল। দুধ দুটো এখন বসার অবস্থায় আরও ভারী হয়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। কাপড়টা প্রায় স্বচ্ছ মনে হচ্ছিল আলোর ছায়ায়।
আমি চা চুমুক দিলাম। গরম চা গলায় নামল। কিন্তু আমার শরীরের ভেতর অন্য একটা গরম চাপছিল। আজ সারাদিন যত নজর, যত মনের কথা, যত গালি— সবকিছু যেন এই নীল গেঞ্জির ভেতরের শরীরটার উপর এসে জমা হয়েছে। শিমু আমার সামনে বসে চা খাচ্ছে। ব্রা ছাড়া। কোনো সংকোচ নেই।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখি শিমু চুলার সামনে দাঁড়িয়ে। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এতটাই হালকা যে আলোর ছায়ায় দুধ দুটোর আকার স্পষ্ট। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে উঁচু হয়ে আছে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। বাদামি পাজামাটা কোমরে আলতো করে বাঁধা। পাছার উপর কাপড়টা টানটান।
শিমু চাপাতি চা বানাচ্ছিল। এক হাতে চিনি দিচ্ছিল, অন্য হাতে চামচ ঘোরাচ্ছিল। প্রতিবার হাত নাড়ালেই তার বুক দুটো নীল কাপড়ের ভেতর দুলছিল। কোনো ব্রা নেই। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। ভারী। নিচের দিকে ঝুলে আছে। হাঁটলে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে চা বানাতে গিয়েও হালকা নড়ছিল।
আমি চেয়ারে বসলাম। শিমু আমার দিকে তাকাল না। শুধু বলল—
“আজকের ওই লোকগুলোর সাহস দেখেছো? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে কথা বলে। লজ্জাশূন্য।”
আমি চুপ করে ছিলাম। শিমু চামচ ঘোরাতে ঘোরাতে আবার বলল—
“তুমি তো কিছুই বললে না। পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছিলে। আমি যদি না গালি দিতাম তাহলে ওরা আরও বেপরোয়া হয়ে যেত।”
কথাগুলো বলার সময় তার গলায় সেই পরিচিত তেজ। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে নিপল দুটো আরও একটু শক্ত হয়ে উঠেছে মনে হচ্ছিল। রাগে তার শরীর গরম হয়ে আছে।
আমি আস্তে করে বললাম, “ওরা খারাপ লোক ছিল শিমু। আর কথা বাড়াইও না। এখন রাত হয়েছে।”
শিমু চুলা থেকে কেটলি নামিয়ে চা ঢালতে ঢালতে বলল—
“খারাপ লোক হলেই চুপ করে থাকতে হবে? আমার শরীরের দিকে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না। আমি কাউকে ছাড়ি না।”
চায়ের কাপ দুটো হাতে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল। নীল গেঞ্জিটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের ভারে সামনে সামনে নড়ছিল। দুধ দুটো কাপড়ের ভেতর থেকে যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে। নিপলের দাগ এখন আরও স্পষ্ট।
কাপটা আমার হাতে দিয়ে শিমু আমার সামনেই দাঁড়িয়ে গেল। গেঞ্জির কাছ থেকে তার শরীরের গরম অনুভব করা যাচ্ছিল। দুধ দুটো আমার চোখের সামনে দুলছিল। কোনো আঁচল নেই, কোনো ব্লাউজ নেই, কোনো ব্রা নেই। শুধু পাতলা নীল কাপড়।
শিমু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি কি ওদের ভয় পেয়েছিলে?”
আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে নিচু দৃষ্টিতে বললাম, “ভয় না। বুদ্ধি। ওরা অনেকগুলো ছিল।”
শিমু একটু হাসল। সেই হাসিটা রাগের হাসি।
“বুদ্ধি। সবসময় বুদ্ধি। আমি পারিনা তোমার মতো চুপ করে সয়ে যেতে। আমার শরীর নিয়ে কেউ লোভী নজর দিলে আমি গালি দেবই। কে কী করে দেখি।”
কথা বলে শিমু আমার পাশের চেয়ারে বসল। পাজামায় তার পা দুটো ভাজ করে রাখল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের অংশ আরও খুলে গেল। দুধ দুটো এখন বসার অবস্থায় আরও ভারী হয়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। কাপড়টা প্রায় স্বচ্ছ মনে হচ্ছিল আলোর ছায়ায়।
আমি চা চুমুক দিলাম। গরম চা গলায় নামল। কিন্তু আমার শরীরের ভেতর অন্য একটা গরম চাপছিল। আজ সারাদিন যত নজর, যত মনের কথা, যত গালি— সবকিছু যেন এই নীল গেঞ্জির ভেতরের শরীরটার উপর এসে জমা হয়েছে। শিমু আমার সামনে বসে চা খাচ্ছে। ব্রা ছাড়া। কোনো সংকোচ নেই।
