Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

রাগি বউয়ের পরিণতি
#4

শিমু চায়ের কাপ হাতে নিয়ে এক চুমুক দিল। গেঞ্জির কাপড়টা তার বুকের উপর এতটাই হালকা যে নিপল দুটোর আকার স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। বসার অবস্থায় দুধ দুটো আরও ভারী হয়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। নীল কাপড়টা দুধের নিচের গোল অংশটুকু ঠিকমতো ঢাকতে পারছে না। একটু একটু করে সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছে।
আমি চা খাচ্ছিলাম। কিন্তু চোখ বারবার তার বুকের দিকে চলে যাচ্ছিল। শিমু টের পেল। ভুরু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো বারবার?”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই তার গলায় সেই তেজ চলে এল। আজ সারাদিন যত গালি দিয়েছে, ততটাই এখন ঘরের ভেতরেও সেই সুর।
আমি দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বললাম, “কিছু না। চা খাও।”
শিমু কাপটা টেবিলে রেখে বলল—
“কিছু না মানে? চোখ তো সরাচ্ছো না। আজকে বাইরে যারা তাকিয়েছিল, তারাও তো এমনই করছিল। তুমিও কি তাদের মতো?”
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমি চুপ করে গেলাম। শিমু আমার চুপ দেখে আরও একটু এগিয়ে এল। চেয়ারটা আমার দিকে সরাল। তার হাঁটু আমার হাঁটুর কাছে এসে লাগল। নীল গেঞ্জির ভেতর থেকে দুধ দুটো এখন আরও কাছে। শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাপড়টা উঠানামা করছে। নিপল দুটো স্পষ্ট উঁচু।
শিমু গলা নিচু করে বলল—
“বলো তো। তুমি কি ওদের মতো আমার শরীর দেখে উত্তেজিত হচ্ছো? সারাদিন সবাই তাকিয়েছিল। তুমিও কি তাকিয়েছিলে?”
আমি চায়ের কাপ নামিয়ে রেখেছিলাম। গলা শুকিয়ে আসছিল। বললাম, “শিমু, এখন রাত হয়েছে। এসব কথা বলে কী হবে?”
শিমু হাসল। সেই হাসিটা মিষ্টি নয়। রাগের হাসি।
“এসব কথা বলে কী হবে? আজকে আমি যত গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। তুমি পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখেছো। একবারও মুখ খুলোনি। এখন ঘরে এসেও চুপ?”
কথা বলতে বলতে শিমু উঠে দাঁড়াল। আমার সামনে দাঁড়িয়ে গেল। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এতটাই আঁটসাঁট হয়ে গেছে বুকের ভারে যে দুধ দুটোর ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে বাইরে বেরোতে চাইছে। বাদামি পাজামার কোমরের দড়ি একটু আলগা। পাজামার ভেতর দিয়ে পাছার গোল অংশ স্পষ্ট।
শিমু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি যদি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই লোকগুলোকে কিছু একটা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়ে গেছো। আর এখন আমার সামনে বসে আমার শরীর দেখছো।”
আমি উঠে দাঁড়াতে গেলাম। শিমু হাত বাড়িয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে আটকে দিল। তার হাতের ছোঁয়া গরম। গেঞ্জির ভেতর থেকে তার দুধ দুটো আমার বুকের কাছে এসে ঠেকছে প্রায়। কোনো দূরত্ব নেই।
শিমু গলা আরও নিচু করে বলল—
“বলো তো মনিরুল। তুমি কি চাও আমি ওদের মতো লোকের সামনে গালি দেওয়া বন্ধ করি? নাকি তুমিও চাও আমাকে এভাবে দেখতে?”
আমার গলা দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না। শিমুর দুধ দুটো নীল কাপড়ের ভেতর থেকে আমার চোখের সামনে দুলছিল। নিপলের উঁচু দাগ। সাদা মাংসের ভাঁজ। আর তার চোখে সেই পরিচিত তেজ।
শিমু আমার চুপ দেখে আরেকটু এগিয়ে এল। তার বুক প্রায় আমার বুকে লেগে গেল। গেঞ্জির কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার নিপলের শক্ত অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছিল।
সে আস্তে করে বলল—
“চুপ করে আছো কেন? বলো না কী চাও।”শিমুর বুক আমার বুকের প্রায় গায়ে লেগে গেছে। নীল গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটোর নরম আর ভারী অনুভূতি স্পষ্ট। নিপল দুটো শক্ত হয়ে আমার শার্টের উপর চাপ খেয়েছে। শিমু একটুও সরেনি। বরং আরও একটু এগিয়ে এসেছে।
আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেছে। নিচের দিকে একটা চাপ অনুভব করছিলাম। শিমু যেন টের পেয়ে গেল। তার চোখ আমার চোখ থেকে নামিয়ে নিচে নামল। একটুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আবার চোখ তুলে বলল—
“এই তো চাও তুমি।”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে তার গলায় একটা বিদ্রূপের সুর এল। সে হাত বাড়িয়ে আমার প্যান্টের উপর হালকা চাপ দিল। ঠিক সেই জায়গায় যেখানে আমার শরীর সাড়া দিয়ে উঠেছে।
আমি হাত সরিয়ে দিতে গেলাম। শিমু সরতে দিল না। বরং আঙুল দিয়ে আরেকটু চেপে ধরল।
“সারাদিন সবাই আমার শরীর দেখেছে। তুমি চুপ করে সয়েছো। এখন ঘরে এসে এই অবস্থা। লজ্জা নেই তোমার?”
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। কিন্তু তার হাত সরছে না। আমার প্যান্টের কাপড়ের উপর দিয়ে আঙুলগুলো আস্তে আস্তে নড়ছিল। আমি গলা দিয়ে কোনো কথা বের করতে পারছিলাম না। শুধু শ্বাস নিচ্ছিলাম দ্রুত।
শিমু হঠাৎ হাত সরিয়ে নিল। এক পা পেছনে সরে দাঁড়াল। নীল গেঞ্জিটা তার বুকের উপর টানটান। দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে উঠানামা করছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে স্পষ্ট উঁচু। বাদামি পাজামার কোমরের দড়ি আগের চেয়ে আরও আলগা হয়ে গেছে। পাজামার ভেতর দিয়ে কালো ত্রিভুজের আভাস পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।
সে দু’হাত বুকে আড়াআড়ি করে দাঁড়াল। বুকের উপর হাত রাখতেই দুধ দুটো আরও উপরে উঠে এল। গেঞ্জির কাপড়টা প্রায় ফেটে যাওয়ার জোগাড়।
“বলো তো মনিরুল,” শিমু বলল। “তুমি কি চাও আমি ওই লোকগুলোর সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি চাও ওরা আমাকে এভাবে দেখুক আর তুমি পাশে দাঁড়িয়ে মজা পাও?”
আমি দেয়ালে পিঠ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। গলা শুকনো। বললাম, “শিমু… এসব কী বলছো? আজকের কথা আর তোলো না।”
শিমু একটু হাসল। হাসিটা ঠান্ডা।
“আর তুলব না? আজকে আমি যতবার গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। আর তুমি? তুমি শুধু দেখেছো। এখন ঘরে এসে আমার গায়ে হাত বুলোতে চাও। লজ্জা করে না?”
কথা বলে সে আবার কাছে এল। এবার আর বুক ঠেকাল না। শুধু আমার খুব কাছে দাঁড়িয়ে গলা নিচু করে বলল—
“তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই মোটা লোকটাকে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে তোমার এই অবস্থা।”
তার চোখ আমার প্যান্টের দিকে আরেকবার নামল। তারপর আবার চোখ তুলে বলল—
“যাও, গোসল করে এসো। গরম লেগেছে তোমার। আর আমার গায়ে হাত দিয়ো না আজকে। মন নেই।”
কথা বলে শিমু পেছন ঘুরল। বাদামি পাজামার ভেতর দিয়ে তার পাছা দুটোর গোল আকার স্পষ্ট দুলছিল হাঁটার সঙ্গে। নীল গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল। সে রান্নাঘরের দিকে না গিয়ে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।
দরজার কাছে গিয়ে থেমে একবার পেছন ফিরে তাকাল। নীল গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো এখনো ভারী হয়ে দুলছিল।
“চা ঠান্ডা হয়ে যাবে,” সে বলল। “খেয়ে নিয়ো। আমি শুয়ে পড়ছি।”
এরপর দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। পুরোপুরি বন্ধ করল না। একটু ফাঁক রেখে দিল।
আমি চেয়ারে বসে পড়লাম। হাত দুটো পায়ে রাখলাম। নিচের দিকের চাপ এখনো যায়নি। নীল গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ দুটো, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল।

আমি চেয়ারে বসে রইলাম। চায়ের কাপটা টেবিলে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। ঘরের ভেতরটা নিস্তব্ধ। শুধু ফ্যানের শব্দ। বেডরুমের দরজাটা একটু ফাঁকা। ভেতর থেকে কোনো আওয়াজ আসছিল না।
আমি উঠলাম। ধীরে করে দরজার কাছে গেলাম। ফাঁক দিয়ে উঁকি মারলাম।
শিমু বিছানার উপর বসে আছে। নীল গেঞ্জিটা এখনো গায়ে। বাদামি পাজামা। সে চুল খুলে ফেলেছে। লম্বা কালো চুল দু’কাঁধ বেয়ে নেমেছে। এক হাতে চুল আঁচড়াচ্ছে। অন্য হাতে মোবাইল নিয়ে কিছু দেখছে।
গেঞ্জিটা বসার অবস্থায় আরও উপরে উঠে গেছে। পেটের সাদা অংশ পুরোপুরি বেরিয়ে আছে। দুধ দুটো নীল কাপড়ের ভেতর ভারী হয়ে ঝুলে আছে। নিপলের দাগ স্পষ্ট। চুল আঁচড়ানোর সময় হাত ওঠানামা করলেই বুক দুটো দুলছে। কোনো ব্রা নেই। কোনো সংকোচ নেই।
শিমু হঠাৎ মাথা তুলে আমার দিকে তাকাল। ফাঁক দিয়ে আমাকে দেখে ফেলল। ভুরু কুঁচকে গেল।
“কী চাও?” গলার সুরে বিরক্তি। “উঁকি মেরে কী দেখছো?”
আমি দরজাটা আরেকটু ঠেলে খুলে ভেতরে ঢুকলাম। বললাম, “কিছু না। দরজাটা খোলা ছিল বলে…”
শিমু মোবাইলটা পাশে রেখে দিল। চুলের আঁচড়টা হাতে নিয়ে আরেকবার চুলের মধ্যে দিয়ে টানল। গেঞ্জির ভেতর দিয়ে নিপল দুটো আরও একটু শক্ত হয়ে উঠেছে মনে হচ্ছিল।
“দরজা খোলা থাকলেই উঁকি মারতে হবে?” সে বলল। “আজকে সারাদিন যথেষ্ট দেখেছো। এখন আর কী দেখবে?”
আমি বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে রইলাম। শিমু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখে এখনো সেই তেজ। আজকের গালিগুলো, ওই মোটা লোকটার হাসি, রাস্তার সেই মুখোমুখি— সবকিছু যেন এখনো তার গলায় লেগে আছে।
শিমু হঠাৎ গেঞ্জির কাপড়টা একটু টেনে নিচের দিকে নামিয়ে দিল। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে কাপড়টা আবার উপরে উঠে এল। নিপলের উঁচু অংশ আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।
সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“বলো তো। তুমি কি সত্যিই চাও আমি ওদের সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি মজা পাও যখন ওরা আমার দিকে তাকায় আর আমি গালি দিই?”
আমি কোনো উত্তর দিতে পারলাম না। গলা শুকনো। নিচের দিকের চাপ আগের চেয়ে বেড়েছে।
শিমু বিছানা থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার সামনে এসে দাঁড়াল। এবার আর বুক ঠেকাল না। একটু দূরত্ব রেখেই বলল—
“তুমি যদি আজকে ওই লোকটাকে একটা কথাও বলতে, তাহলে আমি হয়তো এত রাগ করতাম না। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন এখানে দাঁড়িয়ে আমার গায়ে তাকিয়ে আছো।”
কথা বলে সে আমার শার্টের বোতামের দিকে হাত বাড়াল। একটা বোতাম খুলল। তারপর আরেকটা। হাতটা আমার বুকের উপর রাখল। গরম হাত।
“তুমি গরম,” সে বলল। “আমিও গরম। কিন্তু আজকে তোমার ছোঁয়া লাগবে না আমার গায়ে। মন নেই।”
হাত সরিয়ে নিল। পেছন ঘুরে আবার বিছানায় উঠে বসল। পাজামায় পা দুটো ভাজ করে নিল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে উরু পর্যন্ত সাদা চামড়া দেখা গেল। দুধ দুটো এখন বসার অবস্থায় দু’দিকে সামান্য সরে গেছে। কাপড়টা প্রায় স্বচ্ছ।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“যাও, অন্য ঘরে গিয়ে শোও। অথবা এখানেই শোও। কিন্তু গায়ে হাত দিয়ো না। আজকে নয়।”
আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। শিমু চুল আবার একবার আঁচড়ে নিল। তারপর লাইটটা কমিয়ে দিল। ঘরটা আধো অন্ধকার হয়ে গেল। শুধু জানালার বাইরের আলোতে তার নীল গেঞ্জির ভেতরের শরীরটার আদল দেখা যাচ্ছিল।
আমি ধীরে করে বিছানার অন্য পাশে গিয়ে বসলাম। শিমু পেছন ফিরে শুয়ে পড়ল। গেঞ্জির কাপড়টা পেছন দিক থেকে উঠে তার কোমরের উপরের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছিল। পাজামার ভেতর পাছা দুটোর গোল আকার অন্ধকারেও স্পষ্ট।
আমি শুয়ে পড়লাম। চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না। নীল গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কণ্ঠস্বর বারবার মনে পড়ছিল।


আমি পাশ ফিরে শিমুর দিকে তাকিয়েছিলাম। আধো অন্ধকারে তার শরীরের আদল স্পষ্ট। নীল গেঞ্জিটা পেছন দিক থেকে একটু উপরে উঠে গেছে। কোমরের সাদা চামড়া জানালার আলোয় ঝিলিক দিচ্ছিল। বাদামি পাজামাটা পাছার উপর টানটান হয়ে আছে। দুটো গোল অংশ আলাদা করে বোঝা যাচ্ছিল। শিমু পা দুটো একটু ভাজ করে শুয়েছিল। শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পিঠটা হালকা ওঠানামা করছিল।
আমার শরীর এখনো শান্ত হয়নি। নিচের দিকের চাপ কমেনি। শিমুর গা থেকে হালকা গন্ধ আসছিল— সাবান আর ঘামের মিশ্রণ। আজ সারাদিনের গরম, রাগ, আর লোকজনের নজর— সবকিছু যেন তার শরীরে লেগে আছে।
আমি একটু নড়লাম। বিছানাটা কর্কশ শব্দ করল। শিমু নড়ল না। মনে হচ্ছিল ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্তু একটু পর তার গলার ভেতর থেকে আস্তে করে কথা বেরোল—
“ঘুমাও। তাকিয়ে থেকে কী হবে?”
কণ্ঠস্বর ঘুমন্ত নয়। পরিষ্কার। বিরক্ত।
আমি চুপ করে গেলাম। শিমু পাশ ফিরে আমার দিকে তাকাল। অন্ধকারে তার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছিল। নীল গেঞ্জিটা সামনের দিকে সরে গেছে। একপাশের দুধটা কাপড়ের ভেতর থেকে প্রায় বেরিয়ে আসছিল। নিপলের উঁচু অংশ আলোর ছায়ায় স্পষ্ট।
সে আস্তে করে বলল—
“আজকে আর নয়। মন নেই। সারাদিনের গালিগালাজ আর লোকজনের চোখের নজর— সবকিছু মাথায় ঘুরছে। তোমার ছোঁয়া এখন সহ্য হবে না।”
কথা বলে সে আবার পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। এবার গেঞ্জিটা আরও একটু উপরে উঠে গেল। পিঠের নিচের দিকটা পুরোপুরি খুলে গেছে। পাজামার কোমরের দড়ি আলগা। পাছার উপরের দুটো গভীর ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল অন্ধকারে।
আমি হাঁটু ভাজ করে শুয়ে রইলাম। হাত দুটো বুকের উপর রাখলাম। শরীরটা গরম। শিমুর শরীরের গন্ধ নাকে আসছিল। তার শ্বাসকষ্টের আওয়াজও শোনা যাচ্ছিল— ধীর, গভীর।
একটু পর শিমু আবার নড়ল। পাজামাটা একটু টেনে নিচে নামিয়ে দিল। কোমর থেকে আরও একটু কাপড় সরে গেল। এবার তার পাছার উপরের অংশ পুরোপুরি খোলা। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের দিকটাও উঁকি দিচ্ছিল।
সে আস্তে করে বলল, ঘুমের ভান করে না—
“তুমি যদি আজকে ওই লোকগুলোর সামনে একটা কথাও বলতে… তাহলে হয়তো এখন অন্যরকম হত। কিন্তু তুমি চুপ করেছিলে। এখন আমার গায়ে হাত দিয়ে কী হবে?”
কথাগুলো শুনে আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন চাপল। অপমান আর উত্তেজনা একসঙ্গে। শিমুর পেছনের খোলা চামড়া, পাছার গোল অংশ, আর নীল গেঞ্জির ভেতরের ভারী বুক— সবকিছু চোখের সামনে।
আমি হাত বাড়িয়ে তার কোমরের দিকে নিয়ে গেলাম। ছোঁয়ার আগ মুহূর্তে শিমু সজোরে পাশ ফিরে আমার হাত ধরে আটকে দিল।
“না।” গলার সুর কঠিন। “আজকে না। সরিয়ে নাও হাত।”
আমি হাত সরিয়ে নিলাম। শিমু আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর আস্তে করে বলল—
“ঘুমাও। কালকে কথা হবে। আজকের মতো আর নয়।”
এরপর সে আবার পেছন ফিরে শুয়ে পড়ল। এবার আর নড়ল না। শ্বাস ধীর হয়ে এল। মনে হচ্ছিল সত্যিই ঘুমালোর চেষ্টা করছে।
আমি চোখ খোলা রেখে ছিলাম। জানালার বাইরের আলোতে তার শরীরের আদল দেখা যাচ্ছিল। নীল গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটোর ভারী অস্তিত্ব, পাজামার নিচে পাছার গোল রেখা, আর কোমরের খোলা সাদা চামড়া।
আজকের দিনের সব নজর, সব গালি, সব অপমান— সবকিছু এখন এই অন্ধকার ঘরটার ভেতর জমা হয়ে আছে। শিমু ঘুমাচ্ছে। আর আমি জেগে আছি।
শিমু একসময় সত্যিই ঘুমিয়ে পড়ল। তার শ্বাস ধীর ও নিয়মিত হয়ে এল। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে বুক ওঠানামা করছিল মৃদু ছন্দে। পাজামার উপর পাছা দুটোর গোল আকার অন্ধকারে স্থির হয়ে ছিল। আমি পাশে শুয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম অনেকক্ষণ।
হাত বাড়িয়ে তার কোমরে ছুঁতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু সে ঘুমাচ্ছে। আজকে স্পষ্ট বলেছে— না। মন নেই।
আমার ভেতরে একটা রাগ জন্মাল। ধীরে ধীরে।
সারাদিন আমি পাশে ছিলাম। ওই সব লোকজনের নজর সহ্য করেছি। শিমু গালি দিয়েছে, আমি চুপ করেছি। বাড়ি ফিরে এসেও সে আমাকে ছুঁতে দেয়নি। এখন ঘুমিয়ে পড়েছে। আর আমি জেগে থেকে তার শরীর দেখছি।
রাগটা বুকের ভেতর জমে উঠল। তার সঙ্গে উত্তেজনাও।
চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু অন্ধকারের ভেতরেই ভেসে উঠতে লাগল আজকের মুখগুলো।
সিএনজির চালক— যে বারবার ব্রেক কষে শিমুর দুধ দুটো নাচিয়েছিল।
কমিউনিটি সেন্টারের সেই যুবকরা— যারা করিডোরে দাঁড়িয়ে শিমুকে দেখে মনে মনে গজরাতে গজরাতে বলেছিল।
আর সেই মোটাসোটা লোকটা। তার ঠান্ডা হাসি। তার চোখের লোভ।
মনে মনে কল্পনাটা জন্মাল নিজেও বুঝতে না পেরে।
ওই মোটা লোকটা শিমুকে ওয়াশরুমে টেনে নিয়ে গেছে। দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। শিমু রাগে গালি দিচ্ছে— “হারামজাদা, ছাড়ো!” কিন্তু লোকটা তার দুই হাত চেপে ধরেছে। বাসন্তি রঙের ব্লাউজের উপর দিয়ে হাত বুলিয়েছে। তারপর ব্লাউজের নিচ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে অফ-হোয়াইট রঙের ব্রার কাপ সরিয়ে দিয়েছে। শিমুর ঝুলে থাকা ভারী দুধ দুটো বের করে এনেছে। দু’হাতে চেপে ধরেছে। শিমু গালি দিচ্ছে, কিন্তু লোকটা নিপল দুটো আঙুল দিয়ে চিপে ধরে আরও জোরে নিংড়েছে। “রাগি মাগি, এত তেজ…” বলে গজরাতে গজরাতে দুধ দুটো মুখে নিয়ে চুষেছে। শিমুর গালি আরও বাড়ছে, আর লোকটার হাত আরও নির্মম হচ্ছে।
কল্পনাটা এতটাই পরিষ্কার হয়ে উঠল যে আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। নিচের দিকটা শক্ত হয়ে উঠেছে।
আমি সাবধানে বিছানা থেকে উঠলাম। শিমু নড়ল না। ঘুমন্ত।
ধীরে করে বেডরুমের বাইরে এলাম। আলোটা জ্বাললাম না। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে আজকের পোশাকের স্তূপটা খুঁজে পেলাম। শিমুর অফ-হোয়াইট ব্রাটা হাতে এল। কাপ দুটো এখনো তার দুধের আকার ধরে আছে। একটু ভারী মনে হচ্ছিল।
আমি বাথরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করলাম। লাইট জ্বাললাম না। অন্ধকারেই বসলাম কমোডের উপর। ব্রাটা নাকে তুলে নিলাম। গভীর করে শ্বাস নিলাম। শিমুর গায়ের গন্ধ— হালকা ঘাম, সাবান, আর তার শরীরের নিজস্ব গন্ধ। ব্রার কাপের ভেতরটা এখনো সামান্য স্যাঁতসেঁতে।
আমার হাত নিজে নিজেই প্যান্টের ভেতর ঢুকে গেল। শক্ত হয়ে থাকা অংশটা বের করে হাতে নিলাম। ব্রাটা অন্য হাতে নাকে চেপে ধরে রেখেছিলাম। চোখ বন্ধ করে আবার সেই কল্পনায় ডুবে গেলাম।
ওয়াশরুমে শিমু। বাসন্তি ব্লাউজ খোলা। অফ-হোয়াইট ব্রা সরে গেছে। দুধ দুটো লোকটার হাতে। শিমু গালি দিচ্ছে—“কুত্তার বাচ্চা… ছাড়ো…” আর লোকটা আরও জোরে নিংড়েছে। অন্য লোকগুলোও এসে জড়ো হয়েছে। কেউ পাছা চেপে ধরছে, কেউ চুল ধরে মুখ নিচু করে দিচ্ছে। শিমুর তেজালো গালি আরও বাড়ছে, আর ওরা আরও হিংস্র হয়ে উঠছে।
আমার হাত দ্রুত কাজ করছিল। শ্বাস ফুলে উঠেছে। ব্রার গন্ধ নাকে নিয়ে আমি আরও জোরে নাড়লাম। একসময় সারা শরীরটা টানটান হয়ে গেল। তারপর একটানা ঢেউয়ের মতো বেরিয়ে এল সব। হাত ভিজে গেল। কমোডের মেঝেতে কিছুটা পড়ে গেল।
কয়েক মুহূর্ত আমি শুধু হাঁপাতে লাগলাম। ব্রাটা এখনো হাতে। গন্ধটা এখনো নাকে।
তারপর ধীরে ধীরে মাথাটা পরিষ্কার হতে শুরু করল।
আমি কী করলাম?
নিজের স্ত্রীর ব্রা হাতে নিয়ে… ওই সব লোকের সঙ্গে শিমুকে কল্পনা করে… মাল ফেললাম।
বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত লজ্জা আর ঘৃণা চাপল। এটা ঠিক হয়নি। শিমু আমার বউ। আজকে সে রাগে গালি দিয়েছে, কিন্তু সে তো আমারই। আমি কীভাবে এমন ভাবা শুরু করলাম?
ব্রাটা জায়গায় রেখে হাত ধুয়ে ফেললাম। অন্ধকারেই। তারপর বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম।
বেডরুমে ঢুকে আবার শিমুর পাশে শুয়ে পড়লাম। সে এখনো ঘুমোচ্ছে। নীল গেঞ্জির ভেতর তার বুক মৃদু ওঠানামা করছে।
আমি চোখ বন্ধ করলাম। লজ্জাটা বুকে চেপে আছে। কিন্তু কল্পনার ছবিগুলো এখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি।
ধীরে ধীরে ক্লান্তি এল। লজ্জার ভেতরেই ঘুম নামতে শুরু করল।

সকাল হয়ে এল ধীরে ধীরে। জানালার বাইরে হালকা আলো। আমি চোখ খুললাম। মাথাটা ভারী। রাতের ঘুম গভীর হয়নি। লজ্জা আর অদ্ভুত একটা অনুভূতি বুকে চেপে আছে এখনো।
পাশ ফিরে তাকালাম। শিমু এখনো ঘুমাচ্ছে। নীল গেঞ্জিটা রাতারাতি আরও একটু উপরে উঠে গেছে। একপাশের দুধটা কাপড়ের বাইরে প্রায় বেরিয়ে আছে। নিপলটা ঘুমের মধ্যে শিথিল। বাদামি পাজামাটা কোমর থেকে সরে একপাশের পাছাটা পর্যন্ত খুলে গেছে। সাদা চামড়া সকালের আলোয় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
আমি উঠে বসলাম। শরীরটা ভারী লাগছিল। রাতের কথা মনে পড়তেই বুকের ভেতর আবার সেই লজ্জাটা চাপল। বাথরুমে বসে শিমুর ব্রা হাতে নিয়ে যা করেছি… নিজের স্ত্রীর ব্যাপারে এমন কল্পনা… এটা ঠিক হয়নি। তবু সেই ছবিগুলো মাথা থেকে পুরোপুরি যায়নি।
শিমু নড়ল। চোখ খুলল। আমার দিকে তাকিয়ে একটুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর আস্তে করে বলল—
“কখন জাগলে?”
গলার সুর ঘুমঘুম। রাগ নেই। শুধু ক্লান্তি।
আমি বললাম, “একটু আগে।”
শিমু উঠে বসল। গেঞ্জিটা টেনে নিচে নামিয়ে নিল। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে কাপড়টা আবার জায়গায় ফিরে গেল না। নিপল দুটো সকালের আলোয় স্পষ্ট। সে চুল একটু আঁচড়ে নিল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“রাতের বেলা উঠে কোথায় গিয়েছিলে?”
আমার গলা শুকিয়ে গেল। বললাম, “বাথরুমে। একটু পানি খেতে।”
শিমু কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর মাথা নেড়ে বলল, “চা বানাবো। উঠে যাও।”
সে বিছানা থেকে নামল। পাজামাটা টেনে কোমরে বাঁধল। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এখনো আগের মতোই। কোনো ব্রা নেই। হাঁটার সময় দুধ দুটো সামনে সামনে দুলছিল। সকালের আলোয় কাপড়টা আরও পাতলা মনে হচ্ছিল।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। শিমু রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। আমি পায়খানায় গেলাম। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখ দেখলাম। চোখের নিচে কালো দাগ। মুখ ফ্যাকাশে। রাতের কথা আবার মনে পড়ল। লজ্জাটা নতুন করে চাপল।
হাত-মুখ ধুয়ে বেরিয়ে এলাম। রান্নাঘরে শিমু চা বানাচ্ছে। নীল গেঞ্জির পেছন দিকটা একটু উপরে উঠে আছে। কোমরের সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। পাজামার ভেতর পাছা দুটো হাঁটার সঙ্গে নড়ছিল।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“কালকের কথা আর মনে করো না। ওই লোকগুলো খারাপ ছিল। আমি গালি দিয়েছি ঠিকই করেছি। কিন্তু তুমি চুপ করে থাকো বলেই ওরা এত বেপরোয়া হয়েছিল।”
কথাটা বলার সময় তার গলায় আগের তেজটা নেই। শুধু একটা ক্লান্ত অভিযোগ। আমি চুপ করে মাথা নাড়লাম।
শিমু চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল। গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো কাছ থেকে আরও স্পষ্ট। নিপল দুটো কাপড়ের উপর ছোট ছোট দাগ হয়ে আছে। সে কাপটা আমার হাতে দিল। আঙুলগুলো আমার আঙুলে লাগল এক মুহূর্তের জন্য।
“খেয়ে নাও,” সে বলল। “অফিস যাবে তো?”
আমি মাথা নাড়লাম। চা চুমুক দিলাম। গরম চা গলায় নামল। কিন্তু বুকের ভেতরের অনুভূতিটা গরম চায়েও গলল না।
শিমু আমার পাশে দাঁড়িয়ে নিজেও চা খাচ্ছিল। নীল গেঞ্জি আর বাদামি পাজামায় তার শরীর সকালের আলোয় খোলাখুলি। আর আমি জানি— রাতের বেলা আমি কী ভেবেছি তার সম্পর্কে। কী করেছি তার ব্রা হাতে নিয়ে।
লজ্জাটা চুপচাপ বসে রইল বুকের ভেতর।

আমি তাড়াতাড়ি খেয়ে উঠে পড়লাম। শার্ট পরে, প্যান্ট পরে, টাই বাঁধতে বাঁধতে দেখি শিমু আমার পিছনে দাঁড়িয়ে। হাতে আমার অফিসের ব্যাগ।
সে ব্যাগটা আমার হাতে দিয়ে বলল—
“যাও। দেরি কোরো না। আর সন্ধ্যায় যেন তাড়াতাড়ি আসো। আজকে আমি ওই দোকানের ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করব— এত দামি দোকানে এত খারাপ কাপড় কেন?”
কথা বলে সে আমার দিকে একবার তাকাল। চোখে সেই পুরনো তেজ। তারপর রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল।  গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো দুলছিল।  পাছার গোল অংশ টানটান।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে একবার পেছন ফিরে তাকালাম। শিমু চুলার সামনে দাঁড়িয়ে বাসন মাজছে। গৃহিণীর মতো। যেন গতকাল রাতের কিছুই হয়নি। যেন সে শুধু একজন রাগি বউ, যে স্বামীর অফিস যাওয়ার আগে খাবার পরিবেশন করেছে।

আমি দরজা খুলে বেরিয়ে গেলাম। সকালের রোদ চোখে লাগল।

অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম। দরজা খুলে ঢুকতেই চোখে পড়ল শিমু।
সে ড্রয়িং রুমের মাঝখানে দাঁড়িয়ে। গোলাপি কুর্তি আর কালো লেগিংস পরে প্রস্তুত। কুর্তিটা এতটাই পাতলা আর টাইট যে নিচের গোলাপি ব্রার ফিতার সেপ পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে। কাঁধের উপর দিয়ে দুটো পাতলা গোলাপি স্ট্র্যাপ স্পষ্ট উঁকি দিচ্ছে। পিঠের দিকে তাকালে ব্রার হুক আর ক্রস ফিতা কুর্তির কাপড়ের উপর দিয়ে আঁকাবাকা দাগ হয়ে দেখা যাচ্ছে। বুকের অংশটা কুর্তির ভেতর থেকে প্রায় ফেটে বেরিয়ে আসার জোগাড়। ৩৬ কে সাইজের দুধ দুটো ভারী হয়ে সামনে ঝুলে আছে। নিপল দুটোর শক্ত উঁচু দাগ গোলাপি ব্রার কাপড় ভেদ করে কুর্তির উপর স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। শ্বাস নিলেই দুধ দুটো ওঠানামা করে, ব্রার ফিতা একটু একটু করে টান খায়।
কোমরের নিচে কালো লেগিংস এতটাই আঁটসাঁট যে পাছার দুটো গোল অংশ আলাদা করে বোঝা যায়। পাছার ভাঁজ পর্যন্ত কাপড় লেগে আছে। হাঁটলেই সেই দুটো নরম মাংসের গোলাকার অংশ দুলবে— এটা চোখে না দেখলেও বোঝা যায়। সামনে উরু পর্যন্ত লেগিংসের কাপড় টানটান। কুর্তির নিচ দিয়ে পেটের সাদা চামড়া একটু উঁকি দিচ্ছে। গলায় একটা হালকা গোলাপি উড়না ঝুলছে। উড়নাটা এতটাই পাতলা যে বুকের উপর দিয়ে পড়লেও নিচের দৃশ্য ঢাকে না। বরং উড়নার ফাঁক দিয়ে দুধের উপরের অংশ আরও বেশি চোখে পড়ে।
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এসো। দেরি কোরো না। ওই শালা দোকানদারকে আজকে জিজ্ঞেস করতে হবে কেন এত খারাপ কাপড় দিয়েছে।”
আমি শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে বললাম, “একটু হাত-মুখ ধুয়ে নিই।”
“তাড়াতাড়ি করো। আমি রেডি। তোমার জন্য অপেক্ষা করছি না।”
সে কথা বলে আয়নার সামনে গিয়ে উড়নাটা একটু ঠিক করল। উড়না সরাতেই বুকের উপর গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আরও খুলে গেল। দুধ দুটোর গভীর ভাঁজ স্পষ্ট। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে বাইরে বেরোতে চাইছে। পিঠ ফেরালে ব্রার হুক দুটো কুর্তির পাতলা কাপড়ের নিচে উঁচু হয়ে দেখা যাচ্ছে।
আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখি শিমু দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। হাতে কালো হ্যান্ডব্যাগ। লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ এতটাই টানটান যে হাঁটার আগে থেকেই দুলতে শুরু করেছে। কুর্তির কাঁধের স্ট্র্যাপ একটু সরে গেছে। গোলাপি ব্রার ফিতা আরও বেশি বেরিয়ে আছে।
রাস্তায় নামলাম। গেটের সামনে দারোয়ান আক্তার চাচা বসেছিল। বয়স আটষট্টি। সাদা চুল, কুঁজো শরীর। শিমুকে দেখেই সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। চোখ সরাসরি শিমুর বুকের উপর গিয়ে আটকে গেল।
“আসসালামু আলাইকুম বউমা। এত সাজগোজ করে কোথায় যাচ্ছেন?”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “দোকানে। একটু কাজ আছে।”
আব্দুল চাচার চোখ এখন শিমুর পিঠের দিকে। কুর্তির উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক আর ফিতা স্পষ্ট। তারপর দৃষ্টি নামল পাছার উপর। কালো লেগিংসের ভেতর দুটো গোল মাংস যেন হাত বাড়ালেই মুঠোয় চলে আসবে। সে মনে মনে গজরাল—
“শালার পুতের বউ। এত বড় দুধ নিয়ে বেরিয়েছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই বয়সেও এমন মাংস দেখলে লোভ হয়। একবার হাত দিয়ে চেপে দেখার ইচ্ছে হয়...”
আমরা গেট পার হয়ে রাস্তায় নামলাম। শিমু সোজা হেঁটে যাচ্ছে। প্রতি পদক্ষেপে তার পাছার দুটো গোল অংশ কালো লেগিংসের ভেতর দুলছে। বুকের ভারী ৩৬ কে দুধ দুটো গোলাপি কুর্তির ভেতর সামনে সামনে নড়ছে। উড়নাটা হাওয়ায় উড়লেই ব্রার ফিতা আর নিপলের উঁচু দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
রিকশা ডাকলাম। একটা রিকশা এসে থামল। চালকটা তিরিশের কোঠায়, শক্তপোক্ত শরীর। শিমুকে দেখেই চোখ বড় হয়ে গেল। সে হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে মনে মনে বলল—
“ওরে বাপরে... কী জিনিস নামিয়েছে আজ। দুধ দুটো যেন দুটো ভারী নারকেল। কুর্তির উপর দিয়ে ব্রার ফিতা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। নিপল উঁচু। পাছা দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে আছে...”
শিমু রিক্সায় উঠল। উঠতে গিয়ে কুর্তিটা একটু উপরে উঠে গেল। পেটের সাদা চামড়া আর লেগিংসের কোমরের অংশ দেখা গেল। বসার সময় পাছার গোল অংশ রিক্সার সিটে চেপে গেল। কালো কাপড় আরও টানটান হয়ে দুটো ভাঁজ স্পষ্ট করে দিল। উড়নাটা সামনে এনে বুক ঢাকতে গেল, কিন্তু গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আর নিপলের দাগ ঢাকল না।
আমি পাশে বসলাম। রিকশা ছাড়ল। চালক আয়নায় চোখ রেখেই চালাচ্ছে। প্রতিবার সামান্য ব্রেক বা মোড় ঘোরালে শিমুর শরীরটা একটু নড়ে যায়। তখন দুধ দুটো গোলাপি কুর্তির ভেতর সজোরে দোলে। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে একটু সরে যায়। পিঠের দিকে ব্রার হুক কুর্তির কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে ওঠে।
চালক মনে মনে গজরাচ্ছে—
“উফফ... কী দুধ নিয়ে বসে আছে। প্রতিবার নড়লেই নাচছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই শরীর নিয়ে দোকানে যাচ্ছে? রাতে কেউ না কেউ তো ব্যবহার করবেই...”
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি চুপচাপ বসে আছো কেন? ওই দোকানদারকে আজকে ভালো করে জিজ্ঞেস করব। এত দামি দোকানে এত বাজে কাপড় কেন দিয়েছে।”
আমি মাথা নাড়লাম। কথা বলতে পারলাম না। চোখ বারবার শিমুর বুকের দিকে যাচ্ছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে দুলছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ভেদ করে উঁচু। পিঠের দিকে ব্রার ফিতা স্পষ্ট। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ রিক্সার কম্পনে হালকা নড়ছে।
রিকশা এগোচ্ছে। রাস্তার দুপাশের লোকজনের চোখ শিমুর দিকে ঘুরে যাচ্ছে। কেউ কেউ থেমে তাকিয়ে আছে। শিমু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছে না। সোজা বসে আছে। উড়নাটা একটু সরিয়ে নিজের চুল ঠিক করছে। তাতে বুকের উপর আরও খুলে গেল। গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আর দুধের গভীর ভাঁজ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
আমার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে চাপছে। শিমু পাশে বসে আছে—  আর আমি চুপ করে সব সহ্য করছি।
Reply


Messages In This Thread
রাগি বউয়ের পরিণতি - by X Man - Yesterday, 06:06 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:39 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:40 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:47 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:52 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:55 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:57 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)