Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

রাগি বউয়ের পরিণতি
#5

রিকশা দোকানের সামনে এসে থামল। শিমু নামল। নামতে গিয়ে কুর্তিটা আবার একটু উপরে উঠে গেল। পেটের সাদা চামড়া আর কালো লেগিংসের কোমরবন্ধ স্পষ্ট দেখা গেল। পাছার গোল অংশ লেগিংসের ভেতর টানটান হয়ে দুলল একবার। উড়নাটা সামনে এনে বুক ঢাকতে গেল, কিন্তু গোলাপি ব্রার ফিতা আর নিপলের উঁচু দাগ ঢাকল না।
দোকানের ভেতরে ঢুকলাম। বেশ বড় শোরুম। এসি চলছে। কয়েকজন কর্মচারী কাউন্টারের কাছে দাঁড়িয়ে। পেছনে মালিক— চল্লিশাংকোর একজন, মোটা স্বাস্থ্য, চোখে লোভের ছাপ। শিমুকে দেখেই সবাইয়ের দৃষ্টি একসঙ্গে তার শরীরে গিয়ে আটকে গেল।
শিমু সোজা কাউন্টারের দিকে এগোল। প্রতি পদক্ষেপে কালো লেগিংসের ভেতর পাছার দুটো গোল মাংস দুলছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে সামনে নড়ছে। কাঁধের উপর গোলাপি ব্রার পাতলা ফিতা স্পষ্ট। পিঠ ফেরালে ব্রার হুক আর ক্রস ফিতা কুর্তির পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে আঁকাবাকা দাগ হয়ে দেখা যাচ্ছে।
সে কাউন্টারে হাত রেখে জোরে বলল—
“এই যে ! কালকে যে জামাটা দিয়েছিলেন, সেটা নিয়ে এসেছি। দেখুন।”
মালিক এগিয়ে এল। চোখ সরাসরি শিমুর বুকের উপর। গোলাপি কুর্তির ভেতর দুধ দুটোর ভাঁজ আর নিপলের শক্ত দাগ পরিষ্কার ফুটে আছে। সে গলা পরিষ্কার করে বলল—
“আপা, কী সমস্যা? দেখান তো।”
শিমু ব্যাগ থেকে জামাটা বের করে টেবিলে রাখল। জামাটা পুরোপুরি ভালো। কোনো সেলাই নষ্ট নেই, কাপড়ও ঠিক আছে। কিন্তু শিমু গলা উঁচু করে বলল—
“সমস্যা নেই? গলার কাজটা দেখুন। একদম বাঁকা। সোজা না। এত দামি দোকানে এমন বাঁকা গলার কাজ দিয়েছেন? লজ্জা করে না?”
কর্মচারীরা একসঙ্গে ঘিরে এল। সবার চোখ শিমুর শরীরে। কেউ কুর্তির উপর দিয়ে ব্রার ফিতা দেখছে, কেউ কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ। মালিক জামাটা হাতে নিয়ে না দেখেই বলল—
“আপা, একটু ভুল হয়ে থাকতে পারে... আমরা নতুন দিয়ে দিচ্ছি।”
শিমু দাঁড়িয়ে রইল। কুর্তিটা শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। দুধ দুটো গোলাপি ব্রার ভেতর ভারী হয়ে দুলছে। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু। উড়নাটা একটু সরে গেছে। বুকের উপরের সাদা অংশ আর ব্রার উপরের কাপড় স্পষ্ট।
সে জোরে বলল—
“নতুন দিয়ে দিলেই হবে? এত বাঁকা কাজ দিয়ে দোকানের বদনাম করছেন। লোকজন জানলে বলবে এই দোকান বাজে । আমি তো এখানে এসে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে পারি। গলার কাজ বাঁকা, সেলাই আলগা— সব বলব।”
মালিকের মুখ বিবর্ণ। কিন্তু চোখ সরছে না শিমুর বুক থেকে। এক কর্মচারী পেছন দিক থেকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“শালী কী দুধ নিয়ে এসেছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। পাছাও কম না। এই শরীর নিয়ে এত গালি দিচ্ছে...”
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করে দাঁড়িয়ে আছো কেন? কিছু বলো তো। এরা এত বাজে কাজ দিয়েছে।”
আমি গলা শুকিয়ে বললাম, “শিমু... জামাটা তো দেখে মনে হচ্ছে ঠিক আছে...”
শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গলা আরও চড়া করে বলল—
“ঠিক আছে? গলার কাজ বাঁকা দেখতে পাচ্ছো না? 
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে সে উড়নাটা একটু সরিয়ে দিল। ইচ্ছে করে। গোলাপি কুর্তির ভেতর দুধ দুটো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে টানটান। নিপলের উঁচু দাগ এতটাই পরিষ্কার যে কর্মচারীদের চোখ বড় হয়ে গেল।
মালিক তাড়াহুড়ো করে বলল—
“আপা, মাফ করবেন। আমরা এখনই নতুন জামা দিয়ে দিচ্ছি। আর কোনো অভিযোগ রাখবেন না।”
শিমু জামাটা হাতে নিয়ে না দেখেই ফেলে দিল।
“নতুন দিয়ে দাও। আর মনে রেখো— আবার এমন বাঁকা কাজ দিলে আমি এখানে এসে দোকানের বদনাম করে ছাড়ব। সবাইকে বলে বেড়াব এই দোকানে মেয়েদের জামা নষ্ট করে দেয়।”
মালিক নিজে হাতে নতুন জামা এনে দিল। শিমু সেটা নিয়ে ব্যাগে রাখল। তারপর সোজা আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো। কাজ শেষ।”
বেরোনোর সময় পিঠ ফেরাল। কুর্তির পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক আর ফিতা স্পষ্ট দেখা গেল। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলতে দুলতে দোকান থেকে বেরিয়ে গেল। কর্মচারীরা আর মালিক সবাই পেছন থেকে তাকিয়ে রইল। কেউ কেউ মনে মনে গজরাচ্ছে—
“এত বড় দুধ নিয়ে এত গালি। ব্রা দেখা যাচ্ছে, পাছা টানটান। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছে...”
রাস্তায় এসে শিমু আমার কানে কানে বলল—
“দেখলে? গলার কাজ বাঁকা না থাকলেও আমি বলেছি। ওরা ভয় পেয়ে গেছে। তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে ওদের সামনে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে  দেখছিলে। লজ্জা করে না?”
আমার গলা দিয়ে কোনো কথা বেরোল না। শিমু সোজা হেঁটে যাচ্ছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো দুলছে। ব্রার ফিতা স্পষ্ট। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ টানটান। আর আমি পাশে পাশে হাঁটছি— চুপ করে।
রিকশায় উঠলাম। শিমু আগে উঠল। উঠতে গিয়ে গোলাপি কুর্তিটা আবার একটু উপরে উঠে গেল। কালো লেগিংসের কোমরবন্ধ আর পেটের সাদা চামড়া দেখা গেল। বসার সময় পাছার গোল অংশ সিটে চেপে গেল। লেগিংসের কাপড় আরও টানটান হয়ে দুটো ভাঁজ স্পষ্ট করে দিল।
রিকশা ছাড়ল। চালক আয়নায় চোখ রেখেই চালাচ্ছে। প্রতিবার মোড় ঘোরালে শিমুর শরীর একটু নড়ে যায়। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো সজোরে দোলে। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে একটু সরে যায়। নিপলের উঁচু দাগ আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে।
বাসায় পৌঁছে গেটের সামনে নামলাম। আব্দুল চাচা আবার তাকিয়ে রইল। শিমুর পিঠের দিকে— কুর্তির উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক স্পষ্ট। পাছার দুলন দেখে তার চোখ গভীর হয়ে গেল।
দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। শিমু জুতা খুলে রেখে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।
“আমি কাপড় বদলাই,” সে বলল। “গরম লাগছে।”
আমি ড্রয়িং রুমে । একটু পর শিমু বেরিয়ে এল।
এবার গোলাপি কুর্তি নেই। কালো লেগিংস নেই। গায়ে একটা ছাপা গেঞ্জি— হালকা নীল রঙের উপর সাদা ফুলের ছাপ। কাপড়টা এতটাই পাতলা আর টাইট যে নিচের সবকিছু স্পষ্ট। কোনো ব্রা নেই। শিমু বাসায় সচরাচর ব্রা পরে না। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। ৩৬ কে সাইজের ভারী দুধ দুটো গেঞ্জির ভেতর থেকে সামনে ঝুলে আছে। নিপল দুটো শক্ত হয়ে কাপড় ঠেলে বাইরে বেরিয়ে আসার জোগাড়। গেঞ্জির পাতলা কাপড় নিপলের চারপাশের গাঢ় রঙ পর্যন্ত দেখিয়ে দিচ্ছে। শ্বাস নিলেই দুধ দুটো ওঠানামা করে, গেঞ্জির কাপড় টানটান হয়ে যায়। নিচের দিকে পেটের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছে।
নিচে কালো প্লাজো। কোমরে আলতো করে বাঁধা। প্লাজোর কাপড় পাছার উপর টানটান নয়, কিন্তু হাঁটলেই দুটো গোল অংশ আলাদা করে দোলে। প্লাজোর ভেতর দিয়ে পাছার ভাঁজ পর্যন্ত আভাস পাওয়া যায়। কোমরের দড়ি একটু আলগা। গেঞ্জির নিচ দিয়ে কোমরের সাদা চামড়া আর নাভির দিকটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
শিমু আয়নার সামনে একবার তাকাল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর তার শরীর আরও খোলাখুলি লাগছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। কোনো ব্রা নেই। কোনো সংকোচ নেই।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এখন ভালো লাগছে। গরম কমছে। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো। চা বানাচ্ছি।”
কথা বলে সে রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো দুলছিল— ভারী, নরম, সম্পূর্ণ মুক্ত। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে উঁচু। কালো প্লাজোর ভেতর পাছার গোল অংশ হালকা নড়ছিল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছিলাম। আজকের পুরো দিনের সব নজর, সব গালি, সব উত্তেজনা যেন এই মুহূর্তে ঘরের ভেতরে এসে জমা হয়েছে। শিমু ব্রা ছাড়া। শুধু পাতলা ছাপা গেঞ্জি আর কালো প্লাজো। আর আমি চুপ করে তাকিয়ে আছি

শিমু রান্নাঘর থেকে চা নিয়ে এল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো দুলছিল। কোনো ব্রা নেই। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শক্ত উঁচু। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি ঝুলে আছে। সে আমার সামনে কাপ রেখে বসল।

একটুক্ষণ চুপ করে চা চুমুক দিল। তারপর হঠাৎ গলা চড়া করে বলল—
। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমি যেভাবে কথা বলেছি, তাতে তোমার কী মনে হয়েছে?”

আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে নিচু দৃষ্টিতে বললাম, “শিমু, এখন রাত হয়েছে। এসব নিয়ে আর কথা বাড়াবার দরকার নেই।”

শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করতে লাগল।

“দরকার নেই? তুমি সবসময় এটাই বলো। আজকে অনুষ্ঠানে সেই মোটা লোকটা আমার বুকের দিকে তাকিয়ে হাসছিল। আমি গালি দিয়েছি। তুমি পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখেছো। একটা কথাও বলোনি।”

আমি চুপ করে গেলাম। শিমু কাপটা টেবিলে রেখে আমার দিকে আরও এগিয়ে এল। ছাপা গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর নিপল দুটো এখন আরও স্পষ্ট।

“আর দোকানে? আমি মালিকের সামনে গলার কাজ বাঁকা বলেছি। দোকানের বদনাম করেছি। তুমি তখনও চুপ। শুধু আমার বুক আর পাছার দিকে তাকিয়েছিলে। বলো তো— তুমি কি সত্যিই আমার স্বামী

কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমার গলা শুকিয়ে আসছিল। বললাম, “শিমু, তুমি অনেক কথা বলে ফেলো। লোকজনের সামনে এত তেজ দেখানো ঠিক না। পরে সমস্যা হয়।”

শিমু হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো প্রায় আমার বুকের কাছে এসে ঠেকল। কোনো দূরত্ব নেই। নিপল দুটোর শক্ত অনুভূতি পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।

“সমস্যা হয়? আমার শরীরের দিকে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি চুপ করে সয়ে যাব? তা হয় না। আমি কাউকে ছাড়ি না। তুমি যদি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে অনুষ্ঠানে সেই লোকটাকে একটা কথা বলতে। দোকানে মালিককে ধমকাতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়ে গেছো। 

আমি উঠে দাঁড়াতে গেলাম। শিমু হাত বাড়িয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে আটকে দিল। তার হাতের ছোঁয়া গরম। গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটোর নরম আর ভারী অনুভূতি স্পষ্ট।

“বলো তো মনিকুল,” সে গলা নিচু করে বলল। “তুমি কি চাও আমি লোকজনের সামনে চুপ করে থাকি?”

আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। নিচের দিকে একটা চাপ অনুভব করছিলাম। শিমু যেন টের পেয়ে গেল। তার চোখ আমার চোখ থেকে নামিয়ে নিচে নামল। একটুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আবার চোখ তুলে বলল—



কথা বলে সে হাত সরিয়ে নিল। এক পা পেছনে সরে দাঁড়াল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে স্পষ্ট উঁচু। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি আগের চেয়ে আরও আলগা। প্লাজোর ভেতর দিয়ে পাছার গোল আভাস পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।

সে দুহাত বুকে আড়াআড়ি করে দাঁড়াল। বুকের উপর হাত রাখতেই দুধ দুটো আরও উপরে উঠে এল। গেঞ্জির কাপড়টা প্রায় ফেটে যাওয়ার জোগাড়।

“বলো,” শিমু বলল। “তুমি কি চাও আমি ওই লোকগুলোর সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি চাও ওরা আমাকে এভাবে দেখুক আর তুমি পাশে দাঁড়িয়ে মজা পাও?”

আমি দেয়ালে পিঠ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। গলা শুকনো। বললাম, “শিমু... এসব কী বলছো? আজকের কথা আর তোলো না।”

শিমু একটু হাসল। হাসিটা ঠান্ডা।

“আর তুলব না? আজকে আমি যতবার গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। আর তুমি? তুমি শুধু দেখেছো। এখন ঘরে এসে আমার গায়ে হাত বুলাতে চাও। লজ্জা করে না?”

কথা বলে সে আবার কাছে এল। এবার আর বুক ঠেকাল না। শুধু আমার খুব কাছে দাঁড়িয়ে গলা নিচু করে বলল—

“তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই মোটা লোকটাকে একটা কথা বলতে। দোকানের মালিককে ধমকাতে। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে তোমার এই অবস্থা।”

তার চোখ আমার প্যান্টের দিকে আরেকবার নামল। তারপর আবার চোখ তুলে বলল—

“যাও, গোসল করে এসো। গরম লেগেছে তোমার। আর আমার গায়ে হাত দিয়ো না আজকে। মন নেই।”

কথা বলে শিমু পেছন ঘুরল। কালো প্লাজোর ভেতর দিয়ে তার পাছার দুটোর গোল আকার স্পষ্ট দুলছিল হাঁটার সঙ্গে। ছাপা গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল। সে রান্নাঘরের দিকে না গিয়ে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।

দরজার কাছে গিয়ে থেমে একবার পেছন ফিরে তাকাল। গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো এখনো ভারী হয়ে দুলছিল।

“চা ঠান্ডা হয়ে যাবে,” সে বলল। “খেয়ে নিয়ো। আমি শুয়ে পড়ছি।”

এরপর দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। পুরোপুরি বন্ধ করল না। একটু ফাঁক রেখে দিল। আমি চেয়ারে বসে পড়লাম। হাত দুটো পায়ে রাখলাম। নিচের দিকের চাপ এখনো যায়নি। ছাপা গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ দুটো, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল।
আমি চেয়ার থেকে উঠে বেডরুমের দরজাটা ঠেলে ঢুকলাম। শিমু বিছানার উপর শুয়ে। ছাপা গেঞ্জিটা এখনো গায়ে। কোনো ব্রা নেই। দুধ দুটো একপাশে হেলে পড়েছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শক্ত। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি আলগা হয়ে গেছে। 

আমি বিছানার পাশে বসলাম। আস্তে করে বললাম—

“শিমু, একটা কথা বলি। বাইরে লোকজনের সামনে এভাবে তেজ দেখিয়ো না। গালিগালাজ করো না। দোকানে মালিকের সামনে দোকানের বদনাম করো না। এসব ভালো দেখায় না। পরে সমস্যা হতে পারে। লোকজন ভুল বুঝবে। আমিও অপ্রস্তুত হই।”

শিমু চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল। চোখে ঘুম নেই। শুধু তেজ।

“অপ্রস্তুত হও? তুমি অপ্রস্তুত হও? আমি আমার শরীরের দিকে লোভী নজর সহ্য করতে পারি না বলে তুমি অপ্রস্তুত হও? তুমি তো পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখো। একটা কথাও বলো না। এখন এসে আমাকে নিষেধ করছো?”

আমি গলা নামিয়ে বললাম, “আমি বলছি তোমার ভালোয়। এভাবে রোজ রোজ লোকজনের সামনে গলাবাজি করলে সম্মান থাকে না। সংসারের কথাও ভাবো।”

শিমু হঠাৎ উঠে বসল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো সজোরে দুলল। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে উঠল। সে আমার দিকে আঙুল তুলে বলল—

“সংসারের কথা তুমি ভাবো? তুমি তো পুরুষই না। আজকে অনুষ্ঠানে সেই মোটা লোকটা আমার বুক দেখে হেসেছে, তুমি চুপ। দোকানে মালিক আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলেছে, তুমি চুপ। এখন এসে আমাকে বুঝাচ্ছো? তুমি আমার যোগ্য না, মনিকুল। তুমি শুধু আমার শরীর দেখার লোক। পুরুষ তুমি না।”

কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন চাপল। বললাম, “শিমু, এসব কথা বলো না। আমি তোমার স্বামী। তোমার ভালো চাই বলেই বলছি।”

শিমু হাসল। হাসিটা বিদ্রূপাত্মক।

“স্বামী? স্বামী হলে আজকে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়েছো। এখন বিছানায় এসে আমাকে নিষেধ করছো। যাও, অন্য ঘরে গিয়ে শোও। আমার মন নেই তোমার কথা শোনার।”

আমি উঠে দাঁড়ালাম। কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেলাম। শিমু পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। গেঞ্জির কাপড়টা পেছন দিক থেকে উঠে তার কোমরের উপরের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছিল। প্লাজোর ভেতর পাছার গোল অংশ অন্ধকারেও স্পষ্ট।

আমি অন্য বিছানার পাশে শুয়ে পড়লাম। চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না। শিমুর তেজালো কণ্ঠস্বর বারবার মনে পড়ছিল।

শিমু চোখ খোলা রেখে শুয়ে রইল। মনে মনে ভাবছিল—

“এই লোকটা আমার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন আমার শরীর দেখে, আমি গালি দিই, আর এ শুধু তাকিয়ে থাকে। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারে না। বিয়ের অনুষ্ঠানেও চুপ, দোকানেও চুপ। এখন এসে আমাকে নিষেধ করে। আমি কেন এমন লোকের সঙ্গে সংসার করি? আমার শরীর, আমার তেজ— এসব ওর ধার ধারে না। পুরুষ তো নয়।”

রাত গভীর হতে লাগল। শিমু পাশ ফিরে আমার দিকে তাকাল একবার। তারপর আবার পেছন ফিরল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো একপাশে হেলে পড়েছে। নিপল শক্ত। মনে মনে আরও ভাবছিল—

“কালকেও যদি কেউ আমার দিকে তাকায়, আমি আবার গালি দেব। এ লোকটা কিছুই করবে না। আমি একাই সামলাব। ও আমার যোগ্য না।”

রাত প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে শিমুর শ্বাস ধীর হয়ে এল। সে ঘুমিয়ে পড়ল। আমি তখনও জেগে ছিলাম। তার শরীরের আদল অন্ধকারে দেখা যাচ্ছিল— ছাপা গেঞ্জির ভেতর ভারী দুধ, কালো প্লাজোর নিচে পাছার গোল রেখা।

সকালে অ্যালার্ম বাজল। আমি উঠে পড়লাম। শিমু এখনও গভীর ঘুমে। গেঞ্জিটা আরও একটু উপরে উঠে গেছে। কোমরের সাদা চামড়া পুরোপুরি বেরিয়ে আছে। দুধ দুটো একপাশে চাপা পড়ে আছে। আমি চুপচাপ শার্ট-প্যান্ট পরে অফিসের ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেলাম। দরজা আস্তে করে বন্ধ করে দিলাম।

শিমু ঘুম থেকে উঠল দুপুর প্রায় দুটোর দিকে। রোদ জানালা দিয়ে ঢুকে পড়েছে। সে বিছানায় বসে একবার চারদিকে তাকাল। আমি নেই। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো স্বাভাবিকভাবে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই। সে আস্তে করে উঠল।
শিমু দুপুর দুটোর দিকে ঘুম থেকে উঠল। বিছানায় বসে একবার শরীর মোচড় দিল। ছাপা গেঞ্জিটা আরও উপরে উঠে গেছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত অবস্থায় একপাশে হেলে আছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শিথিল। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি খুলে গেছে প্রায়।

সে উঠে সোজা বাথরুমে গেল। গোসল করতে গিয়ে গেঞ্জি আর প্লাজো খুলে ফেলল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরটা একবার দেখল— ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই বলেই নিপল দুটো স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে আছে। পানি গায়ে পড়লে দুধ দুটো আরও চকচকে হয়ে উঠল।

গোসল শেষ করে তোয়ালে জড়িয়ে বেডরুমে এল। মোবাইল হাতে নিয়ে তার কলেজ জীবনের বান্ধবী এনির নাম্বারে কল দিল।

এনি কল তুলতেই শিমু বলল—

“এনি, কেমন আছিস? একটু কথা ছিল।”

এনি উৎসাহের সঙ্গে বলল, “বল না শিমু। কী হয়েছে?”

শিমু গেঞ্জির বদলে একটা পাতলা নাইটি গায়ে দিয়ে বলল—

“মনিকুলের কথা। গতকাল বিয়ের অনুষ্ঠানে আর দোকানে আমি তেজ দেখিয়েছি। লোকজন আমার শরীরের দিকে তাকিয়েছিল, আমি গালি দিয়েছি। রাতে এসে সে আমাকে নিষেধ করল। বলল বাইরে এভাবে কথা বলতে না। আমি ওকে বলে দিয়েছি— তুমি আমার যোগ্য না। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারো না।”

এনি একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—

“তুই ঠিকই বলেছিস। ওরকম নরম পুরুষের সঙ্গে থেকে কী হবে? কয়েকদিন বাড়িতে চলে যা। গিয়ে ঘুরে আয়। মনিকুলকে না জানিয়ে। একলা চলে যা। মনটা হালকা হবে।”

শিমু একটু ভেবে বলল, “একলা? ওকে না বলে?”

“হ্যাঁ। তুই  কয়েকদিন দূরে থাক। না হয় আমি আছি চলে আয়।”

কল কেটে শিমু একটুক্ষণ বিছানায় বসে রইল। মনে মনে ভাবছিল— মনিকুল সত্যিই তার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন তার দুধ আর পাছা দেখে, সে গালি দেয়, আর মনিকুল শুধু তাকিয়ে থাকে। এখন এনির কথাই ঠিক। কয়েকদিন দূরে থাকা দরকার।

সে ঘরের কাজ সেরে ফেলল। বাসন মাজা, রান্নাঘরে একটু গুছানো। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাগ বের করল। কয়েকটা কাপড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করল।

কাপড় বদলাতে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল। বেগুনি রঙের ব্রা পরল আগে। ব্রাটা টাইট। ৩৬ কে দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে বসেছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে উঁচু। তারপর কালো ছাপা লেডিস শার্ট পরল। শার্টটা একটু লুজ, কিন্তু বুকের অংশটা ব্রার উপর দিয়ে টানটান।   । নিচে জিন্স প্যান্ট। জিন্সটা আঁটসাঁট। পাছার গোল অংশ টানটান হয়ে ফুটে উঠেছে। হাঁটলেই দুলবে। গলায় একটা হালকা ওড়না দিল। ওড়নাটা বুকের উপর পড়লেও ব্রার রঙ আড়াল করছে না।

শিমু আয়নায় নিজেকে দেখল একবার। মনে মনে বলল— “মনিকুল যদি এখন দেখত, আবার চুপ করে তাকিয়ে থাকত। পুরুষ না সে।”

ব্যাগ হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। চাবি লুকিয়ে রাখল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে জিন্সের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলছিল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার উপর দুধ দুটো ভারী হয়ে নড়ছিল। রাস্তায় এসে একটা রিকশা ডাকল।

রিকশাওয়ালা তাকিয়ে রইল তার বুকের দিকে।  শিমু কোনো ভ্রুক্ষেপ করল না। রিক্সায় উঠে বসল। ঠিকানা দিল এনির বাসার।

রিকশা ছাড়ল। শিমু পেছন ফিরে একবার বার দিকে তাকাল। মনে মনে বলল— “কয়েকদিন থাকি। দেখি মনিকুল কী করে।”

শিমু দুপুর দুটোর দিকে ঘুম থেকে উঠল। বিছানায় বসে একবার শরীর মোচড় দিল। ছাপা গেঞ্জিটা আরও উপরে উঠে গেছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত অবস্থায় একপাশে হেলে আছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শিথিল। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি খুলে গেছে প্রায়।

সে উঠে সোজা বাথরুমে গেল। গোসল করতে গিয়ে গেঞ্জি আর প্লাজো খুলে ফেলল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরটা একবার দেখল— ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই বলেই নিপল দুটো স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে আছে। পানি গায়ে পড়লে দুধ দুটো আরও চকচকে হয়ে উঠল।

গোসল শেষ করে তোয়ালে জড়িয়ে বেডরুমে এল। মোবাইল হাতে নিয়ে তার কলেজ জীবনের বান্ধবী এনির নাম্বারে কল দিল।

এনি কল তুলতেই শিমু বলল—

“এনি, কেমন আছিস? একটু কথা ছিল।”

এনি উৎসাহের সঙ্গে বলল, “বল না শিমু। কী হয়েছে?”

শিমু গেঞ্জির বদলে একটা পাতলা নাইটি গায়ে দিয়ে বলল—

“মনিকুলের কথা। গতকাল বিয়ের অনুষ্ঠানে আর দোকানে আমি তেজ দেখিয়েছি। লোকজন আমার শরীরের দিকে তাকিয়েছিল, আমি গালি দিয়েছি। রাতে এসে সে আমাকে নিষেধ করল। বলল বাইরে এভাবে কথা বলতে না। আমি ওকে বলে দিয়েছি— তুমি আমার যোগ্য না। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারো না।”

এনি একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—

“তুই ঠিকই বলেছিস। ওরকম নরম পুরুষের সঙ্গে থেকে কী হবে? কয়েকদিন বাড়িতে চলে যা। গিয়ে ঘুরে আয়। মনিকুলকে না জানিয়ে। একলা চলে যা। মনটা হালকা হবে।”

শিমু একটু ভেবে বলল, “একলা? ওকে না বলে?”

“হ্যাঁ। তুই  কয়েকদিন দূরে থাক। না হয় আমি আছি চলে আয়।”

কল কেটে শিমু একটুক্ষণ বিছানায় বসে রইল। মনে মনে ভাবছিল— মনিকুল সত্যিই তার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন তার দুধ আর পাছা দেখে, সে গালি দেয়, আর মনিকুল শুধু তাকিয়ে থাকে। এখন এনির কথাই ঠিক। কয়েকদিন দূরে থাকা দরকার।

সে ঘরের কাজ সেরে ফেলল। বাসন মাজা, রান্নাঘরে একটু গুছানো। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাগ বের করল। কয়েকটা কাপড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করল।

কাপড় বদলাতে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল। বেগুনি রঙের ব্রা পরল আগে। ব্রাটা টাইট। ৩৬ কে দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে বসেছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে উঁচু। তারপর কালো ছাপা লেডিস শার্ট পরল। শার্টটা একটু লুজ, কিন্তু বুকের অংশটা ব্রার উপর দিয়ে টানটান।   । নিচে জিন্স প্যান্ট। জিন্সটা আঁটসাঁট। পাছার গোল অংশ টানটান হয়ে ফুটে উঠেছে। হাঁটলেই দুলবে। গলায় একটা হালকা ওড়না দিল। ওড়নাটা বুকের উপর পড়লেও ব্রার রঙ আড়াল করছে না।

শিমু আয়নায় নিজেকে দেখল একবার। মনে মনে বলল— “মনিকুল যদি এখন দেখত, আবার চুপ করে তাকিয়ে থাকত। পুরুষ না সে।”

ব্যাগ হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। চাবি লুকিয়ে রাখল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে জিন্সের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলছিল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার উপর দুধ দুটো ভারী হয়ে নড়ছিল। রাস্তায় এসে একটা রিকশা ডাকল।

রিকশাওয়ালা তাকিয়ে রইল তার বুকের দিকে।  শিমু কোনো ভ্রুক্ষেপ করল না। রিক্সায় উঠে বসল। ঠিকানা দিল এনির বাসার।

রিকশা ছাড়ল। শিমু পেছন ফিরে একবার বার দিকে তাকাল। মনে মনে বলল— “কয়েকদিন থাকি। দেখি মনিকুল কী করে।”
রিকশা এনির বাসার গলিতে ঢুকল। সন্ধ্যার আলো মিলিয়ে আসছে। শিমু নামল। জিন্সের ভেতর পাছার গোল অংশ একবার দুলল। কালো ছাপা শার্টের ফাঁক দিয়ে বেগুনি ব্রার উপরের অংশ উঁকি দিচ্ছে। ওড়নাটা কাঁধে আলতো করে রাখা।

এনির বাসা তৃতীয় তলায়। ব্যাচেলর মেয়েদের ফ্ল্যাট। দরজায় কলিং বেল চাপতেই এনি নিজে এসে খুলল। এনির বয়স ৩০। এখনও বিয়ে হয়নি। চাকরি করে। ফ্ল্যাটে আরও চারজন মেয়ে থাকে— সবাই চাকরিজীবী বা ছাত্রী।

এনি শিমুকে দেখেই জড়িয়ে ধরল।  
“আরে শিমু! এতদিন পর। চলে আয় ভেতরে।”

শিমু ব্যাগ নিয়ে ঢুকল। ফ্ল্যাটটা ছোট। দুটো বেডরুম, একটা হল, রান্নাঘর। হলে তিনজন মেয়ে বসে গল্প করছিল। সবাই শিমুর দিকে তাকাল। শিমুর জিন্স-আঁটসাঁট শার্ট আর বেগুনি ব্রার ফিতা চোখে পড়ল তাদের। কেউ কেউ চোখের কোণ দিয়ে দেখল।

এনি বলল, “এরা সবাই আমার রুমমেট। রুম একটা খালি আছে। তুই আমার সঙ্গে থাকবি।”

শিমু মাথা নাড়ল। মনে মনে ভাবল— এখানে গোলমাল বেশি। 


সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মনিরুল অফিস থেকে বাসায় ফিরল। দরজা খুলেই অদ্ভুত নীরবতা। সাধারণত শিমু রান্নাঘরে থাকে বা টিভি চালিয়ে রাখে। আজ কিছু নেই।

“শিমু?” ডাকল। কোনো সাড়া নেই।

বেডরুমে গেল। বিছানা এলোমেলো। শিমুর গেঞ্জি আর প্লাজো ফেলে রাখা। আলমারির দরজা খোলা। কিছু কাপড় নেই। ব্যাগও নেই।

মনিরুলের বুকটা ধক করে উঠল। মোবাইল বের করে শিমুর নাম্বারে কল দিল।

একবার... দুবার... তিনবার রিং দিয়ে শিমু কল তুলল।

“হ্যালো।” শিমুর গলা ঠান্ডা।

“শিমু? তুমি কোথায়? বাসায় নেই তো?”

“বান্ধবীর বাসায় এসেছি। এনির কাছে। কাল বাবার বাড়ি যাব। তুমি চিন্তা কোরো না।”

“এনি? কেন হঠাৎ? আমাকে না বলে?”

শিমু কেটে দিল।

মনিরুল আবার কল দিল। শিমু কেটে দিল। আবার দিল। ব্যস্ত ধ্বনি। আবার দিল— কেটে গেল। পাঁচ-ছয়বার চেষ্টা করল। শিমু আর ধরল না।

মনিরুল চেয়ারে বসে পড়ল। মাথায় হাজার কথা ঘুরতে লাগল। গতকাল রাতের ঝগড়া, শিমুর তেজালো কথা— “তুমি আমার যোগ্য না”— সব মনে পড়ছে। বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত খালি খালি অনুভূতি।



এনির ফ্ল্যাটে শিমু এনির রুমে ব্যাগ রাখল। রুমটা ছোট। দুটো সিঙ্গেল বেড। এনি একটা বেড ছেড়ে দিল।

“তুই আরাম কর। আমি রান্না করি। আজ তোর জন্য ডিম আর রুটি করাচ্ছি।”

শিমু জিন্স আর শার্ট পরেই বসে রইল। বেগুনি ব্রাটা শার্টের ভেতর চেপে আছে। দুধ দুটো ভারী। নিপলের দাগ শার্টের উপর দিয়ে হালকা ফুটে আছে। ওড়নাটা খুলে একপাশে রাখল।

হল থেকে অন্য মেয়েদের গল্পের আওয়াজ আসছে। কেউ গান গাইছে, কেউ মোবাইলে রিল দেখছে। শিমুর মনটা কেমন যেন অস্থির লাগছে। এখানে সবকিছু খোলামেলা। বাসায় মনিরুলের চুপচাপ উপস্থিতি যেমন বিরক্ত করত, এখানে মেয়েদের কলরবও ভালো লাগছে না।

এনি রান্নাঘর থেকে ডাকল, “শিমু, এদিকে আয়। চা খাবি?”

শিমু গেল। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা খেতে খেতে এনি বলল—

“মনিরুলকে বলেছিস তো?”

“একবার বলেছি। আর ফোন ধরছি না। ও আমাকে নিষেধ করতে এসেছিল গতকাল। আমি ওর কথা শুনব না।”

এনি হাসল। “ঠিক করেছিস। কয়েকদিন থাক। মন হালকা হবে।”


রাত নয়টা বাজে। ফ্ল্যাটে অন্য মেয়েরা কেউ কেউ বেরিয়ে গেছে। কেউ রুমে ঢুকে গেছে। এনি শিমুর পাশে বসে গল্প করছে।

শিমু জিন্স খুলে ফেলেছে। শার্টটা গায়ে। নিচে শুধু বেগুনি প্যান্টি। শার্টের নিচ দিয়ে উরুর সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। বেগুনি ব্রাটা এখনও গায়ে। দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে আছে, কিন্তু শার্টের পাতলা কাপড়ের জন্য আকার স্পষ্ট।

এনি বলল, “তোর শরীর তো আগের মতোই আছে। বরং আরও... টানটান।”

শিমু একটু হাসল। “সংসারের কাজ আর রাগ— এতেই শরীর টিকে আছে।”

হঠাৎ মোবাইল বাজল। মনিরুল। শিমু কেটে দিল। আবার বাজল। আবার কেটে দিল। তিনবার। চারবার। শিমু ফোনটা সাইলেন্ট করে রাখল।

এনি বলল, “ওরকম করলে ও পাগল হয়ে যাবে।”

“হোক। আমি এখন ওর কথা শুনব না। ও আমাকে বুঝতে পারে না।”

রাত দশটা বাজে। এনি চাকরির কথা বলতে বলতে ঘুমের ঘোরে চোখ বন্ধ করে ফেলল। শিমু জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার ফিতা কাঁধে চাপছে। দুধ দুটো ভারী। মনে মনে ভাবছে— এখানে ভালো লাগছে না ঠিক। মেয়েদের কলরব, ছোট রুম, অন্যদের চোখ। কিন্তু মনিকুলের বাসায় ফিরে গিয়ে আবার সেই চুপচাপ মুখ দেখে কী হবে? ও তো আমার যোগ্য না।

ফোনটা একবার দেখল। মনিরুলের মিসড কল— বারোবার। শিমু ফোনটা উল্টো করে রাখল। বিছানায় শুয়ে পড়ল। শার্টটা গায়ে। বেগুনি ব্রা খুলে ফেলল না।
Reply


Messages In This Thread
রাগি বউয়ের পরিণতি - by X Man - Yesterday, 06:06 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:39 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:40 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:47 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:52 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:55 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - Yesterday, 08:57 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)