Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

রাগি বউয়ের পরিণতি
#7

বাস রাতের অন্ধকার রাস্তায় এগিয়ে চলছিল।

ভেতরে আলো এতটাই ক্ষীণ যে মুখের অভিব্যক্তি পরিষ্কার বোঝা যায় না। শুধু শরীরের বড় আকৃতি, নড়াচড়া আর ছায়ার খেলা টের পাওয়া যায়। বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে পড়েছে। কেউ নাক ডাকছে, কেউ মাথা হেলান দিয়ে আছড়ে পড়ে আছে।
শিমু পেছনের টুল-এ বসেছিল। কাঠের টুল শক্ত।  পাছার দুটো গোল অংশ চাপ খেয়ে আরও ভারী মনে হচ্ছিল। জিন্সের আঁটসাঁট কাপড় টুলের উপর ঘষা খাচ্ছিল। শার্টের কাপড় বুকের উপর টানটান। আগের ঘটনার পর দুধ দুটো এখনও ব্যথাযুক্ত । প্রতিবার বাস একটু ঝাঁকুনি খেলেই ভারী বুকটা শার্টের ভেতর সামনে সামনে দুলত। কাপড় সেই দুলুনির সঙ্গে টান খেত।
পেছনের সিটের দুজন এখনও জেগে ছিল। মাঝবয়সীজন বাঁ পাশে, তরুণটা ডান পাশে। অন্ধকারে তাদের চোখ শিমুর দিকেই আটকে আছে। শিমু টের পাচ্ছিল। তাদের নীরব দৃষ্টি যেন তার পিঠের উপর, বুকের দুলুনির উপর, টুলের উপর চেপে থাকা পাছার উপর ঘষা খাচ্ছে।
বাস একটা ছোট গর্তে পড়ল। জোরে ঝাঁকুনি।

শিমুর শরীর সামনে ঝুঁকে গেল। ভারী বুকটা শার্টের ভেতর জোরে দুলল। টুলের উপর পাছা সরে গিয়ে একপাশে চাপ পড়ল। পেছনের মাঝবয়সী যাত্রীর হাঁটু “ভুল করে” শিমুর পিঠের নিচের দিকে লেগে গেল। একটু চাপ। শিমু টের পেল। শরীর একটু শক্ত হয়ে গেল। কিন্তু সে সরে গেল না। কোনো কথাও বলল না। শুধু ব্যাগটা কোলে আরও শক্ত করে চেপে ধরল।
মাঝবয়সীজন হাঁটু সরায়নি তৎক্ষণাৎ। এক মুহূর্ত রেখে দিল। তারপর আস্তে করে সরাল। পাশের তরুণটা চাপা গলায় বলল,
“সামনে সরে বসো না।”
মাঝবয়সীজন উত্তর দিল না। শুধু আবার তাকিয়ে রইল।
বাস আরেকটু এগোল। রাস্তা খারাপ। ঝাঁকুনি বারবার আসছে। প্রতিবারই শিমুর বুক শার্টের ভেতর দুলছে। কাপড় টানটান হয়ে বুকের আকৃতি আরও স্পষ্ট করে তুলছে। পেছন থেকে দুজনের চোখ সেই নড়াচড়া ধরে রেখেছে।
একটু পর আবার জোরে ঝাঁকুনি।

এবার তরুণটার হাঁটু শিমুর পিঠের মাঝখানে লেগে গেল। আগেরবারের চেয়ে একটু বেশি চাপ। শিমু টের পেল। গরম হাঁটুর ছোঁয়া কাপড়ের উপর দিয়ে। সে একটু সোজা হয়ে বসল, কিন্তু সরল না। চুপচাপ সহ্য করল। ভেতরে রাগ জ্বলছিল, কিন্তু মুখ খুলল না।
তরুণটা হাঁটু সরাল না। বরং বাসের ঝাঁকুনির অজুহাতে আরেকটু চাপ দিল। শিমুর পিঠের নিচের দিকে। জিন্সের উপর দিয়ে পাছার উপরের অংশে। শিমুর শরীর একটু শিউরে উঠল। ব্যথা আর অস্বস্তির মিশ্রণ। আগের রাতের ছাপ এখনও শরীরে আছে। এই নতুন স্পর্শ সেই ছাপকে জাগিয়ে দিচ্ছিল।
মাঝবয়সীজন নিচু গলায় বলল,
“এভাবে দুলছে দেখ…”
তরুণটা উত্তর দিল না। শুধু হাঁটু দিয়ে আরেকটু চাপ রাখল।
বাস একটা বাঁক নিল। শিমুর শরীর একপাশে কাত হল। এবার মাঝবয়সীজনের হাত “ভুল করে” শিমুর কোমরের দিকে চলে গেল। শার্টের উপর দিয়ে। আঙুলের ছোঁয়া। শিমু টের পেল। হাতটা এক মুহূর্তের জন্য কোমরে রইল। তারপর আস্তে করে সরল। কিন্তু পুরোপুরি সরল না। আঙুলের ডগা এখনও শার্টের কাপড়ে হালকা লাগা ছিল।
শিমু দাঁত কামড়ে বসে রইল। বুকের দুলুনি থামছিল না। প্রতিটা ঝাঁকুনিতে ভারী দুধ দুটো শার্টের ভেতর ধাক্কা খাচ্ছিল। পাছা টুলের উপর ঘষা খাচ্ছিল। আর পেছন থেকে এখন শুধু চোখ নয়—হাঁটু আর হাতের ছোঁয়াও যোগ হয়েছে।
আরও একটু সময় গেল। বাসের গতি একটু কমল। রাস্তা তুলনামূলক মসৃণ। তবু শিমুর শরীরের নড়াচড়া পুরোপুরি থামেনি।
এবার তরুণটা আরও সাহসী হল। বাসের একটা হালকা ঝাঁকুনির অজুহাতে হাত বাড়াল। শিমুর ডান কাঁধে হাত রাখল। শার্টের উপর দিয়ে। আঙুল দিয়ে একটু চাপ দিল। শিমুর শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে টের পাচ্ছিল—হাতটা কাঁধে, আঙুলগুলো ধীরে ধীরে নিচে নামছে। কাঁধ থেকে সামান্য নিচে, শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে।
মাঝবয়সীজনও হাত বাড়াল। এবার শিমুর বাঁ কোমরে। শার্টের উপর দিয়ে পুরো হাত রাখল। আঙুল দিয়ে কোমরের মাংসে হালকা চাপ দিল। শিমু চোখ বন্ধ করল এক মুহূর্তের জন্য। রাগ আর অসহায়ত্ব একসঙ্গে চাপছিল। কিন্তু সে কোনো শব্দ করল না। সরেও গেল না। শুধু ব্যাগটা আরও শক্ত করে কোলে চেপে ধরল। দুই হাত দিয়ে বুকের নিচ চেপে রাখল যাতে দুলুনি কম হয়।
তরুণটার হাত কাঁধ থেকে আরও একটু নিচে নামল। শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে পিঠের দিকে। আঙুল দিয়ে মেরুদণ্ডের পাশ ঘেঁষে নিচে নামছিল। মাঝবয়সীজনের হাত কোমর থেকে সামান্য সামনে এগোল। শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে পেটের দিকে। আঙুলের ডগা শার্টের নিচের অংশে হালকা চাপ দিচ্ছিল।
বাস আবার একটা গর্তে পড়ল। জোরে ঝাঁকুনি।

শিমুর শরীর সামনে ঝুঁকে গেল। ভারী বুকটা শার্টের ভেতর জোরে দুলল। পেছনের দুজনের হাত সেই ঝাঁকুনির সুযোগে আরও একটু চাপ দিল। তরুণটার হাত পিঠের মাঝখানে চলে গেল। মাঝবয়সীজনের হাত কোমর থেকে পাছার উপরের অংশে গিয়ে ছুঁল। জিন্সের কাপড়ের উপর দিয়ে।
শিমু সব টের পাচ্ছিল। প্রতিটা আঙুলের চাপ, প্রতিটা হাতের উষ্ণতা। আগের রাতের ব্যথা এই নতুন স্পর্শের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল। ভেতরে জ্বলছিল। কিন্তু বাইরে সে চুপ। শুধু শ্বাস একটু ভারী হয়ে গিয়েছিল।
পেছনের দুজন আর কথা বলছিল না। শুধু হাতের চাপ রাখছিল। বাসের ঝাঁকুনির অজুহাতে আঙুল একটু একটু করে নড়াচড়া করাচ্ছিল। শিমুর শরীর তাদের হাতের নিচে শক্ত হয়ে আছে। কিন্তু সে সরছে না। কোনো প্রতিবাদও করছে না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।

ভেতরে ক্ষীণ আলো। আর শিমুর টুলের চারপাশে এখন শুধু দৃষ্টি নয়—হাতের ছোঁয়াও জড়িয়ে ধরেছে।


বাস এগিয়ে চলছিল। রাত গভীর। ভেতরে ক্ষীণ আলো আর ইঞ্জিনের শব্দ। শিমু টুল-এ বসে আছে।
পেছনের দুজনের হাত একটু আগেও তার শরীরে ছিল। তরুণটার হাত পিঠে, মাঝবয়সীজনের হাত কোমর ও পাছার দিকে। কিন্তু এবার দুজনেই হাত সরিয়ে নিল। আস্তে করে। যেন কিছুই হয়নি। শিমুর শরীর থেকে ছোঁয়া উঠে গেল। শুধু তাদের উপস্থিতি আর নীরব দৃষ্টি রয়ে গেল।
শিমু টের পেল হাত সরার অনুভূতি। শরীর একটু হালকা হল, কিন্তু অস্বস্তি গেল না। পেছন থেকে এখন শুধু দুজোড়া চোখ তার দিকে আটকে আছে। বুকের দুলুনি, টুলের উপর পাছার চাপ—সবকিছুই তারা দেখছে।
একটু পর ফিসফিসানি শুরু হল। এতটাই নিচু গলায় যে শুধু শিমুর কানে যাচ্ছে।
তরুণটা প্রথম বলল,
“দেখছো কী ভারী বুক… প্রতিবার ঝাঁকুনিতে এভাবে দোলে। শার্টের ভেতর পুরো আলাদা করে নড়ছে। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখলাম, পাশটা কত নরম।”
মাঝবয়সীজন চাপা গলায় উত্তর দিল,
“হুম… আমি কোমরে হাত রেখেছিলাম। শার্টের উপর দিয়েই এত গরম লাগছিল। তারপর একটু নিচে নামিয়ে পাছার উপর চাপ দিয়েছি। জিন্সের কাপড়ের উপর দিয়েও এত গোল আর টানটান।”
তরুণটা আবার বলল,
“আমি তো পিঠের মাঝখান দিয়ে হাত নামিয়েছিলাম। কাঁধ থেকে শুরু করে নিচে পর্যন্ত। শরীরটা পুরো শক্ত করে ধরে রেখেছিল। কিন্তু সরল না। চুপ করে সহ্য করল।”
মাঝবয়সীজন হেসে ফিসফিস করল,
“পাছার উপর হাত দিয়ে মুঠো করার মতো চাপ দিয়েছিলাম। এত নরম আর গোল। একটু সামনে এগোলেই উরুর দিকে চলে যেত। এত রাতে একা বেরিয়েছে, শরীরটা যেন হাতের স্পর্শ চাইছিল।”
তরুণটা নিচু গলায় বলল,
“বুকের পাশটা ছুঁয়ে দেখলাম। শার্টের উপর দিয়েই বোঝা যায় কতখানি ভারী। আঙুল দিয়ে একটু চাপ দিয়েছিলাম, মাংস নরম হয়ে গিয়েছিল। যদি শার্টের ভেতর হাত ঢোকাতে পারতাম…”
মাঝবয়সীজন যোগ দিল,
“আমিও ভেবেছিলাম। কোমর থেকে সামনে হাত বাড়ালেই পেটের দিকে চলে যেত। শার্টের নিচ দিয়ে যদি একটু ঢুকিয়ে দিতাম… চুপ করে আছে বলেই তো এতটা ছুঁতে পেরেছি। যদি চিৎকার করত তাহলে অন্য কথা।”
তরুণটা আবার তাকিয়ে শিমুর দিকে। বুকের দুলুনি দেখতে দেখতে বলল,
“এত বড় দুধ নিয়ে টুল-এ বসে আছে। হাত দিয়ে চেপে ধরলে মুঠোয় আটকাবে না। শার্ট খুলে যদি একবার দেখতাম… নিশ্চয়ই দুধ দুটো আরও ভারী দেখায়।”
মাঝবয়সীজন চাপা গলায় বলল,
“পাছাটাও কম যায় না। টুলের উপর এভাবে চেপে আছে। জিন্স নামিয়ে যদি হাত দিয়ে সরাসরি ছুঁতাম… এত গোল পাছা হাতের মুঠোয় নিলে মজা লাগত। এতক্ষণ হাত রেখেও কিছু বলল না। শরীরটা তো পুরো গরম হয়ে গিয়েছিল।”
তরুণটা ফিসফিস করে হাসল,
“আমি পিঠে হাত দিয়েছিলাম, তুমি পাছায়। দুজনে মিলেই তো ছুঁয়ে দেখলাম। এত নরম শরীর। আগের কোনো লোক ভালো করে ব্যবহার করেনি মনে হয়। তাই এত রাতে একা বেরিয়ে শরীর দেখিয়ে বেড়াচ্ছে।”
মাঝবয়সীজন আরেকটু নিচু গলায় বলল,
“এখন হাত সরালেও মনে আছে কেমন লাগছিল। বুকের পাশ, কোমর, পাছা… সব জায়গাই নরম আর গরম। আবার যদি সুযোগ পাই…”
শিমু সব শুনছিল।

প্রতিটা কথা পরিষ্কার কানে বাজছিল। তারা নিজেদের মধ্যে বলে যাচ্ছিল—কে কোথায় হাত দিয়েছিল, কেমন লাগছিল, কী কী করতে চেয়েছিল। তাদের কণ্ঠে তৃপ্তি আর লোভ মিশে আছে।
শিমুর শরীর এখন আর কেউ ছুঁছে না। কিন্তু তাদের কথাগুলো যেন হাতের চেয়েও ভারী হয়ে তার উপর চেপে বসেছিল। বুকের দুলুনি থামছিল না। টুলের উপর পাছার চাপ লাগছিল। আর পেছন থেকে আসছিল শুধু ফিসফিসানি আর নোংরা মন্তব্য।
সে চুপচাপ বসে রইল। দাঁত কামড়ে। চোখ সামনের দিকে।

সব শুনেও কোনো জবাব দিল না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।

আর পেছনের দুজনের ফিসফিসানি শিমুর শরীরটাকে শব্দে শব্দে খুলে দিচ্ছিল।


বাস এগিয়ে চলছিল। পেছনের দুজনের ফিসফিসানি একটু কমল। মাঝে মাঝে এক-আধটা নোংরা কথা এখনও ভেসে আসছিল, কিন্তু শিমু আর সেদিকে মন দিল না।
চোখ সামনের দিকে রেখে বসে রইল। টুলের উপর পাছার চাপ, শার্টের ভেতর বুকের ভারী দুলুনি—সবকিছুই এখন পটভূমিতে চলে গেছে। মনের ভেতর অন্য একটা ছবি ভেসে উঠল।
মনিরুল।
এখন নিশ্চয় বাসায় ঘুমাচ্ছে। অফিস থেকে ফিরে বিছানায় কাত হয়ে পড়েছে। রাত গভীর। শিমু যখন বাসা থেকে বেরিয়েছিল, তখন সে অফিসে ছিল। বেরোনোর পর সে কয়েকবার ফোন দিয়েছিল। শিমু ধরেনি। এখন সব থেমে গেছে। সে একা ঘুমাচ্ছে।
শিমুর মনে পড়ল গত কয়েক মাসের কথা।

তার শরীর। এই ভারী বুক, এই গোল পাছা, এই সংবেদনশীল চামড়া। মনিরুল মুখে চায়। কথায় কথায় বলে। কিন্তু শরীরে জোর করে হাত দেয় না। কখনোই নিজে থেকে চেপে ধরে না। শিমু যদি নিজে না বলে, না ইঙ্গিত দেয়, তাহলে সে শুধু কাছে এসে শুয়ে থাকে। হাত দিয়ে বুকের উপর জোরালো চাপ দেয় না। পাছায় মুঠো করে ধরে না। যেন অপেক্ষা করে শিমু নিজেই সব খুলে দেবে।
শিমু চোখ বন্ধ করল।

মনে মনে বলল—আমি মুখে না বললেও তো বোঝার কথা। আমার শরীর তো বলে। এই দুধের ভার, এই পাছার টান, রাতে আমার শ্বাস… এগুলো দেখেও সে বোঝে না আমি কী চাই। সে শুধু মুখের কথায় থেমে থাকে। শরীরের ভাষা পড়ে না।
আর এখন?

এখন পেছনে দুজন অচেনা পুরুষ। একটু আগেই যারা হাত দিয়ে তার পিঠে, কোমরে, পাছায় ছুঁয়ে দেখেছে। যারা ফিসফিস করে বলছে তার শরীর কত নরম, কত ভারী, কত গোল। যারা তার চুপ থাকাকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। তারা মুখের অপেক্ষা করেনি। শরীর দেখেই হাত বাড়িয়েছে।
মনিরুল কি কখনো এমন করেছে?

না। সে কখনো রাতে হঠাৎ করে জাগিয়ে হাত দিয়ে বুক চেপে ধরেনি। কখনো জিন্সের উপর দিয়ে পাছায় জোরালো চাপ দেয়নি। শিমু যখন নিজে থেকে কাছে যেত, তখন সে সাড়া দিত বটে, কিন্তু নিজে থেকে কখনো সেই ক্ষিদে নিয়ে এগোত না। শিমুর মনের কথা বোঝার চেষ্টাও করত না। শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ থাকত।
শিমুর বুকের ভেতর একটা পরিচিত জ্বালা ছড়িয়ে পড়ল।

রাগ। অথচ এই রাগ এখন মনিরুলের দিকেই বেশি।
সে ভাবল—আমার শরীর তো আছে। এই দুধ, এই পাছা, এই উষ্ণ চামড়া। আমি চাই যে কেউ এগুলোকে ভালো করে ব্যবহার করুক। জোর করে হোক, আস্তে করে হোক, ক্ষিদে নিয়ে হোক। আমি চাই কেউ আমার শরীর দেখে পাগল হোক। হাত দিয়ে মুঠো ভর্তি করে চাপ দিক। কিন্তু মনিরুল… সে বোঝেই না আমি কী চাই। সে আমার শরীরের ভাষা পড়ে না। মুখে চায়, শরীরে দেয় না।
বাস একটু ঝাঁকুনি দিল। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর দুলল। টুলের উপর পাছা চাপ খেল। পেছন থেকে আবার একটা ফিসফিসানি ভেসে এল—কেউ তার বুকের দুলুনি নিয়ে কিছু বলল। শিমু শুনল। কিন্তু এবার মন অন্য জায়গায়।
মনিরুল এখন ঘুমাচ্ছে।

অফিস থেকে ফিরে একা বিছানায়। আর এখানে তার বউ অচেনা দুজনের নোংরা কথার মাঝে বসে আছে। যারা একটু আগেই তার শরীর ছুঁয়ে দেখেছে। যারা এখনও চোখ দিয়ে তার শরীর খুবলে খাচ্ছে।
শিমু চোখ খুলল। সামনের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল।

ভেতরে একটা শীতল উপলব্ধি জেগে উঠল। মনিরুল তাকে মুখে চায়। কিন্তু শরীরের যে চাওয়া, মনের যে ক্ষিদে—সেটা সে কখনো বোঝার চেষ্টা করেনি। আর সে নিজেও হয়তো আর সেই বোঝার অপেক্ষায় থাকবে না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।

আর শিমুর মনে মনিরুলের সীমাবদ্ধতা আরও পরিষ্কার হয়ে উঠছিল।


মনের ভেতর মনিরুলের ছবি আরও পরিষ্কার হয়ে উঠছিল।

শুধু তার মুখের কথা আর শরীরের উদাসীনতা নয়। বিছানার কথাও মনে পড়ছিল।
কতগুলো রাতের কথা।

মনিরুল যখন কাছে আসত। শিমু যদি নিজে থেকে শরীর খুলে দিত, তাহলে সে উত্তেজিত হত। মুখে বলত কত সুন্দর লাগছে। কিন্তু শরীরে হাত দিত তাড়াহুড়ো করে। তারপর নিজেই উপরে উঠে যেত।
পাঁচ মিনিটও টিকত না।
শিমু চোখ বন্ধ করল। মনে মনে হিসাব করল।

প্রবেশের পর দু-তিনটা জোরে ধাক্কা। তারপর আরও কয়েকটা দুর্বল। শ্বাস ভারী হয়ে উঠত তার। গলা দিয়ে একটা চাপা আওয়াজ বেরোত। আর তারপর… শেষ। গরম তরল বেরিয়ে যেত। সে ভারী হয়ে শিমুর উপর পড়ে থাকত এক-আধ মিনিট। তারপর সরে যেত।
শিমু তৃপ্তি পেত না।

শরীর উত্তেজিত হয়ে থাকত। ভেতরটা অপূর্ণ থেকে যেত। বুকের সংবেদনশীলতা জেগে থাকত, কিন্তু কেউ আর সাড়া দিত না। শরীরের ক্ষিদে নিয়ে শুয়ে থাকত। মনিরুল পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ত। শিমু তাকিয়ে থাকত ছাদের দিকে। তৃপ্তিহীন শরীর নিয়ে


শিমুর বুকের ভেতর জ্বালা তীব্র হল।

রাগ। শুধু রাগ। মনিরুলের প্রতি।
সে ভাবল—এত রাত আমি তার পাশে তৃপ্তিহীন শুয়ে থেকেছি। পাঁচ মিনিটের সেক্স দিয়ে সে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমার শরীর জেগে থেকেছে, আর সে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি মুখে না বললেও তো বোঝার কথা ছিল। কিন্তু সে বোঝেনি। কখনোই বোঝেনি।
আর এখন?

এখন পেছনে দুজন অচেনা পুরুষ। যারা একটু আগেই তার শরীর ছুঁয়ে দেখেছে। যারা ফিসফিস করে বলেছে তার বুক কত ভারী, পাছা কত গোল। আর মনিরুল… সে এখন বাসায় ঘুমাচ্ছে। অফিস থেকে ফিরে একা বিছানায়। যে বিছানায় সে শিমুকে পাঁচ মিনিটে শেষ করে দিয়েছে বারবার।
শিমুর দাঁত কামড়ে গেল।

রাগ আরও বেড়ে গেল। মনিরুলের প্রতি। তার তাড়াহুড়োর প্রতি। তার অক্ষমতার প্রতি। তার উদাসীনতার প্রতি।
বাস একটু ঝাঁকুনি দিল। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর দুলল। টুলের উপর পাছা চাপ খেল। শরীরের সেই পুরনো অপূর্ণতা আবার জেগে উঠল। যেন মনিরুলের পাঁচ মিনিটের ছাপ এখনও শরীরে লেগে আছে।
শিমু চোখ খুলল। সামনের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল।

ভেতরে শুধু রাগ জ্বলছিল। মনিরুলের প্রতি। যে কখনোই তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।
Reply


Messages In This Thread
রাগি বউয়ের পরিণতি - by X Man - 09-10-2026, 06:06 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:39 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:40 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:47 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:52 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:55 AM
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 08:57 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)