Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা
#2

পর্ব - ৩

বিছানায় শুয়ে শুয়ে মায়ের কথা ভাবছি, এমনসময় আমার পাশের ঘর থেকে বাবার গলার স্বর কানে এলো। আমাদের ৩ টা ঘর পাশাপাশি, প্রথমে আমার ঘর, মাঝে বাবার আর তার পাশেই শেষের ঘরটা লতার। এই নিস্তব্ধ নির্জন জ্যোৎস্নালোকিত রাতে একটা বাদুড়ের ডানা ঝাপটানোর আওয়াজও কানে তালা ধরায়, সেই তুলনায় বাবার গর্জন যেন এই রাতের অন্ধকারকে খান খান করে দিল!

- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি তাকিয়ে আছিস গাভী? এতো বড়ো দুধ নিয়ে ব্লাউজ পরে স্বামীর সামনে কি সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে দেবো নাকি তোকে? এদিকে আয়....!

আমি কান খাড়া করে বাবা মার ঘর থেকে আসা শব্দে কৌতুহলী হয়ে সজাগ হয়ে শুয়ে রইলাম চুপচাপ। হঠাৎ ফড় ফড় ফড় ফড় করে কিছু একটা ছেঁড়ার আওয়াজ এলো। সঙ্গে সঙ্গেই,

- আহ্....!

মায়ের আওয়াজ কানে এলো। বুঝলাম বাবা হয় মায়ের কাপড় ছিঁড়ছে বা ব্লাউজ!

মায়ের ব্লাউজের কথাটা মনে আসতেই স্তনের কল্পনায় গতকালের সেই অপরিসীম আনন্দের তীব্র অনুভূতিটা আমার সারা শরীরকে ধীরে ধীরে অবশ করে ফেললো! আমার পাপবোধ লুপ্ত হয়ে হাত উঠে এলো আমার পুরুষালি লিঙ্গের উপরে। ওপাশ থেকে ভেসে এলো বাবার কন্ঠস্বর,

- এতো বড়ো দুধ বানিয়েছিস যে হুক খুলতে গিয়ে ব্লাউজটাই ছিঁড়লো.... গাভী কোথাকার!

পাপবোধ, মায়ের প্রতি সন্তানের সামাজিক সম্পর্ক ও মাতৃপ্রেম মুছে গিয়ে আমার সারা শরীরকে এক অদম্য বন্য আদিম রিপু ধীরে ধীরে গ্রাস করা শুরু করলো....মায়ের শরীরী সৌন্দর্য্য আমায় হাতছানি দিলো.... গতকালের মায়ের সেই নরম স্তনের স্পর্শ আমার দেহমনে আগুন ধরিয়ে দিল! ওদিক থেকে ভেসে আসছে বাবার ভোগের শব্দ....!

- বেশ্যা মাগী....না মেয়েকে মানুষ করতে পারলি, না ছেলেকে বড়ো করতে পারলি....দুটোই আমার গলার কাঁটা.... নে....খা এবার....!

- আমার লাগছে ......ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্....!

- মাগী এই বড়ো বড়ো দুধ যে তোর হয়েছে....এগুলো টিপে টিপে তোকে না খেয়ে আমি তোকে ছাড়বো না....তুই আমার বাঁধা মাগী.... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....!

আমি এবার এই জগৎ থেকে হারিয়ে গিয়ে প্রবেশ করলাম এক অন্ধকারে ঢাকা নিষিদ্ধ জগতের রসসিক্ত নির্জন ঘরে, যে ঘরের প্রতিটি দেয়ালে পাশাপাশি সাজানো রয়েছে অসংখ্য আয়না.... যে আয়নাগুলোতে মায়ের অপরূপ দেহের প্রতিবিম্ব ফুটে উঠছে। তার দুই ডাগর চোখ, নরম পুরু ঠোঁট, চর্বিতে ভরা ভারী দুটো স্তন, চওড়া কোমর, উন্নত ফোলা নিতম্ব আমার শিরা উপশিরাতে ভালোবাসার রং ছড়িয়ে দিলো! আমি প্যান্ট খুলে হাতের মুঠোয় নিজের লিঙ্গ ধরে ঝাঁকুনি শুরু করলাম। আজ প্রথমবার আমি হস্তমৈথুন করবো... জীবনে প্রথমবার আমি জাগ্রত অবস্থায় বীর্যপাত করবো.... নিজের মায়ের স্বাদ কল্পনা করে!

ওদিক থেকে ভেসে এলো মায়ের স্বর,

- ওগো..... আসতে.....আমার লাগছে..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!

বাবার আওয়াজ,

- লাগবে সোনা....এত বড়ো দুধ বানায় যে মাগী....তাকে না ব্যাথা দিলে যে মনে সুখ আসেনা.... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!

সত্যিই, মায়ের স্তন....না মায়ের দুধ বেশ বড়ো বড়ো আর পাঁচজনের চেয়ে। দেহটা মোটাসোটা, একটু বেঁটের দিকেই, তার তুলনায় মায়ের দুধ দুটো খুব বড়ো, বুকের দুদিকে দুটো ঝুলছে। বেশ বড়ো আকারের এক একটা দুধ! ভাবতে ভাবতেই আমি আমার লিঙ্গ, না...আমার বাড়া ধরে তার চামড়া আগু পিছু করতে লাগলাম কল্পনায় মায়ের দুই বড়ো বড়ো দুধের দিকে চেয়ে! আহ্....মা আমার এতো বড়ো দুধের অধিকারী! আহ্....মা.....মা গো.....তোমার দুধে একটিবার স্পর্শ করতে দাও মা.....!

- ছেলেটাকে কি ভাতার বানিয়ে ফেলছিস নাকি? সব কথা ওর কাছে আজকাল বলছিস দেখছি....নে খা..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....!

- ওরকম কথা মুখেও আনতে নেই গো..... বোলো না....আমার যে মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করছে.....আমায় কি তুমি কোনো দিন বাঁচতে দেবে না....ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!

বাবার মুখে আমার সঙ্গে মায়ের ঘনিষ্ঠতার শব্দ কানে যেতেই আমার হাতের জোর বৃদ্ধি পেলো। আমার দেহে বাঘের শক্তি! মজবুত শক্ত হাতের মুঠোয় বাড়া ধরে জোরে জোরে মায়ের রসের কথা অবচেতনে কল্পনা করতে গিয়ে প্রি-কাম বেরোতে শুরু করলো বাড়ার মুন্ডির ছিদ্র দিয়ে। বাড়াটা আমার প্রায় ১০ ইঞ্চি লম্বা, ঘেরে চার ইঞ্চি মোটা.....! চোখ বন্ধ করলাম। চোখের কোনো প্রয়োজন নেই আর, কান ও মনেই সুখ নিংড়ে নেওয়া যায় এখন! যেন মায়ের হাত স্পর্শ করলো আমার বাড়ায়, মা আমার দিকে চেয়ে বললো,

- সোনা.... অনেক ধকল গেছে সারাদিন....আয় আমি তোকে খাইয়ে দিই...!

এমনসময় কাল রাতে মায়ের খাইয়ে দেওয়ার সময় মায়ের বাঁদিকের নরম লদলদে মোটা দুধ আমার হাতের কনুইয়ে স্পর্শের স্বাদে আমি চেপে চেপে আমার বাড়াটা উপর নিচ করতে থাকি। বাবা মার আওয়াজ আসতে থাকে,

- ওগো.... আস্তে গো.....আমার কেমন লাগছে..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্.....ভেতরটা কেমন করছে.......!

- আস্তে নয় মাগী, জোরে ভরবো তোকে....এতেই যে প্রকৃত সুখ....আমি বুড়ো হয়েছি....তোর এই যুবতী নধর শরীরের মধু আমি না পারি খেতে, না পারি তোকে সন্তুষ্ট করতে..... এতোক্ষণ ধরে ভরছি.....তবুও তুই রস ছাড়লি না....!

- না গো.....এমন কথা বোলো না....তোমার সবেতেই আমি সন্তুষ্ট..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্.....ওগো.....!

- মিথ্যা বলিসনা মাগী.....তোর শরীরে খিদে খুব....কি ভাবছিস.....বুড়ো হয়েছি? বাড়া বড়ো হলেও দম শেষ হয়ে গেছে.....তাই বলে আমি তোর খিদে টের পাইনা? আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্..... সেদিন যখন কেউ ছিলনা বাড়িতে, আমার চোখের সামনে ঘুরঘুর করছিলি....কি ভাবলি, আমি কিছু বুঝিনি.....? তোর গুদে যে রস কাটে সবসময়, ছেলেমেয়েদের সামনে বোঝাতে পারিসনা আমায়। যখনই ওরা ঘরের বাইরে গেল, অমনি আমার কাছে কাছে পোঁদ দুলিয়ে দুলিয়ে হাঁটা শুরু করলি? টানা ১ ঘন্টা ধরে অনেক কষ্টে তোকে ঠাপিয়েই গেলাম.....কই, কোথায় তোর রস? এখনও বল্ বলে দিচ্ছি.....তুই আমার ঠাপে সন্তুষ্ট নোস?

- ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্.....বিশ্বাস করো সেদিন আমি একটা কথা বলার জন্য তোমার কাছে বার বার‌ যাচ্ছিলাম....ওসবের জন্য নয়!

- তোর দুধ টিপে ফাটিয়ে দেবো আমি, সত্যি করে বল মাগী, তুই তোর ভাতারের কাছে সন্তুষ্ট নোস?

- তোমার সঙ্গে সহবাস করে তোমায় দুই সন্তান দিয়েছি.....তোমার বকুনি সহ্য করেও তোমার রাগ ভাঙাতে তোমারই কাছে নিজের দেহকে সঁপে দিয়েছি বারে বারে .....এখনও কি এই প্রশ্নের উত্তর পাওনি তুমি? তুমিই আমার সব গো..... ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....তুই ভালো মেয়েছেলে, তুই ভালো মা, তুই ভালো বউ, তুই সতী নারী..... স্বামীর সুখেই বাঁচতে চাস্...... কিন্তু তোর দেহের....আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....অসীম খিদে রে....হয়তো এখনও তুই বুঝিস নি......... আমি বুঝতে পারি মাগী..... যতই ঘোমটা টেনে ঘোর... শাড়ির ভেতরে যে গতরটা তোর ফুলে উঠেছে, তার রস যে কতখানি....তা কেবল যে চেখে দেখেছে সে-ই বলতে পারবে, যেমন আমি..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....!

- অমন কথা বোলোনা গো.....আমি যে আর শুনতে পারছি না!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....মাগী তুই আমার থেকে ২৩ বছরের ছোটো....আমায় বোকা বানাস না....তোর শরীরে এখন ভরা বান.... সেখানে আমার বয়স্ক বাড়া খড়কুটোর মতো ভেসে যাচ্ছে! 

- তুমিই আমার সব...... ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্..... উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্......

- দেখছিস..... দেখছিস মাগী..... আমার ছাড়ার সময় হয়ে এলো.... কিন্তু তোর গুদ এখনও জল ছাড়া শুরু করেনি...... উত্তর দে.....

- আমি কি করবো বলো......এখানেও আমার দোষ.....আমার ভুল.....তুমি কি আমায় শান্তি দেবে না গো.....?

- তোকে বলে রাখছি....যদি কাল থেকে দেখি ছেলের প্রতি তখনও আদর রয়েছে....তাহলে ছেলেটাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেবো.....মনে থাকবে?

-  এ কি কথা বলছো তুমি....?

- মনে থাকবে?

- সব মনে থাকবে গো....আমার....সব মনে থাকবে.....!

- তোর শরীরের খিদে মেটানো আর আমার হলো না রে মাগী.....তুই ভালো মেয়ে, তুই নিজেও জানিস না যে তোর ভেতরে কত খিদে জমা আছে.....হয়তো একদিন জানতে পারবি..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....ছাড়ছি আমি ছাড়ছি........ওহহহহহহহহহহহহহহহহহ্......আর যেদিন জানতে পারবি, সেদিন তুই অন্য কারোর হয়ে যাবি রে.........মাগী...... নে......নে......খিদে তো মিটবে না তোর......নে.......তোর আরও জোরে চায় না?......নে.......মাগী বেশ্যা কোথাকার.......গুদে বাড়া ঢুকিয়ে ঘা খাচ্ছে.....তারপরেও রস ছাড়ার নাম নেই...... স্বামীর দেহ দিয়ে খিদে মিটছে না মাগীর......নে....... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্।

- ওগো.....এমন কথা বোলো না গো..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!

সঙ্গমে লিপ্ত থাকা নিজের মায়ের কান্না ও আনন্দ ভেজানো গলার আওয়াজ শুনতে শুনতে আমার মোটা বাড়াটা মুঠোয় নিয়ে জোরে জোরে চাপ দিয়ে ভলকে ভলকে আমার বীর্যপাত ঘটলো। 

- মা........আমায় একটিবার জড়িয়ে ধরো মা.......তোমার ওই নরম নরম দুধ দুটোকে আমার হাত দিয়ে মুচড়ে মুচড়ে যে লাল করে দেবো মা....তোমার ওই ভরা দুধ দুটোকে যে মধুতে আরও ফুলিয়ে তুলবো মা.......তোমার ওই মোটা গতরের রসে যে আমি স্নান করবো মা......তোমার ওই ফোলা গুদের গর্তে যে আমি আমার বাড়া ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে তোমায় সুখ দেবো মা......তোমার রসালো ভারী পোঁদ দুহাতে টিপতে টিপতে তোমার দুধের বোঁটা চুষতে চুষতে তোমার গুদে আমার বীর্য ঢালবো মা........ও.........মা.................….... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্!!!!!!!!

প্রায় দু মিনিট ধরে ভলকে ভলকে আমার বাড়া থেকে বীর্য বেরিয়ে দূরে ছিটকে গিয়ে মেঝেতে ঝরে পড়তে লাগলো। আমি এমন এক আবেশের মধ্যে প্রবেশ করলাম, মনে হল এই সুখ জীবনের সমস্ত সুখের চাইতে অনেক বড়ো, অনেক মূল্যবান! মায়ের সঙ্গে রতি ক্রিয়ার কথায় আমার বাড়া এতো শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে মুন্ডিটার দিকটায় ব্যাথা করে টনটন করে উঠলো। এই তাহলে হস্তমৈথুন....এতে এতো সুখ! তাহলে সত্যিই যদি একটা দেহ পেয়ে যায়, তবে কত সুখ! আর তা যদি হয় নিজের মায়ের....চারুলতার? আর সেখানে যদি দেহের সঙ্গে হৃদয়ের সংমিশ্রণ ঘটে....যদি দেহের জন্যই দেহ নয়, প্রেমের পরিণতিতে দেহভোগ ঘটে....তবে? নিজের মনেই বলে উঠলাম,

- মা গো.....!

(ক্রমশ....)

পর্ব - ৪

পরের দিন থেকে আমার প্রতি মায়ের ব্যবহার সম্পূর্ণ বদলে গেল। সবই করে, রান্না করে, খেতে দেয়, ঘরও পরিস্কার করে দেয়, কিন্তু আমার মা যেন ঠিক আগের মতো আর নেই! এই দুঃখের সংসারে যতটুকু হাসি অবশিষ্ট ছিল, তাও যেন চলে গেল মায়ের মুখ থেকে। আমি কাছে গেলে, জড়িয়ে ধরলে বা সাধারণ কথা ছাড়া অন্য কোনো কথা বলতে গেলেই মা কথা ঘুরিয়ে সেখান থেকে নিঃশব্দে চলে যেতো। বুঝলাম কাল রাতের বাবার কথার প্রভাব। আমার সঙ্গে বেশি কথা বললে আমায় বাবা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নাকি বের করে দেবে, এই ভয়েই আমাকে হারিয়ে ফেলার চিন্তাতেই মা আমার থেকে দূরে দূরে থাকছে। এই ঘরের প্রতি আমার কোনো মোহ নেই, না লোভ আছে, শুধুমাত্র মায়ের কথা ভেবেই, মায়ের এই অসহায় সরল চোখদুটো দেখলেই মনটা কেমন হু হু করে ওঠে। আমি চলে গেলে মায়ের কষ্ট, মায়ের ওপর বাবা অত্যাচার, বোনের কথার আঘাত যে আরোও বেড়ে যাবে। এ আমি কিছুতেই হতে দেবো না! 

এই হল মায়ের জন্য চিন্তা, তার সঙ্গে এসে জুড়েছে আরেক চিন্তা! 

কাল রাতে আমি মায়ের গলার আওয়াজ শুনে, মায়ের উলঙ্গ দেহ কল্পনা করতে করতে আমি আমার জীবনের প্রথম বীর্যপাত করেছিলাম! কি করে ফেললাম আমি এটা! যে মাকে আমি নিজের প্রাণের চাইতেও বেশি ভালোবাসি, সম্মান করি, তার মাতৃত্বের প্রভাবে মাথা নত করি তার পায়ের কাছে, আজ সেই মায়ের কথা ভেবেই আমি বাড়ায় হাত দিলাম, সেই মায়ের শরীর কল্পনা করে আমি আমার থকথকে সাদা রস ছলকে ছলকে মেঝেতে ফেললাম? ছিঃ!

এমনসময় চোখ পড়লো মায়ের দিকে। তখন বাবা মাঠে, লতা নিজের ঘরে, আর মা উঠোনে দুটো গরুকে জল দেওয়ার জন্য একটা বড়ো পাত্রে জল ভরে গোরু দুটোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি বারান্দা থেকে দেখলাম মায়ের রূপ.....এটাও জীবনে প্রথমবারই ঘটলো! এর আগে মাকে কোনোদিন আমি এই দৃষ্টিতে দেখিনি, কিন্তু আজ....দেখলাম! মাতৃরূপে নয়, একজন নারী রূপে আমার মা চারুলতার দেহের সৌন্দর্য্যের স্বাদ নিলাম।

কি অপরূপ তার সৌন্দর্য্য! শ্যামাঙ্গিণী সে, এর জন্যেই যেন তাকে আরো বেশি সুন্দরী দেখাচ্ছে। তার মুখের লাবণ্য তার ঘন কালো চুল, দুই ডাগর চোখ ও নরম গোলাপী ঠোঁটের আভায় প্রকাশ পাচ্ছে! নজর পড়লো মায়ের বুকের কাছটায় যখন মা নীচু হয়ে গোরুগুলোকে জল দিচ্ছিল। মায়ের এতো বড়ো বড়ো দুধ....! দুধ দুটো ব্লাউজ ভেদ করে শাড়ির ওপর দিকেই উঁকি মেরে আমার সঙ্গে কথা বলছে গোপনে। যেমন বড়ো, তেমনি টাইট হয়ে বুকে এঁটে বসেছে। ভেতরে ব্রা গ্রামের মেয়েরা ভাবতেই পারে না। ব্রা ছাড়াই মায়ের দুই দুধ একটুও না ঝুলে বুকের সঙ্গেই জমাট বেঁধে আছে। মা নীচু হওয়ার সময় দেখলাম শাড়ির আঁচল বুক থেকে সরে গিয়ে ব্লাউজের উপরের দিক ফাঁক করে যেন বাইরে উপচে পড়তে চাইছে। এতো বড়ো....ও মা.....এতো বড়ো তোমার দুধ! যখন মা গোরুগুলোকে জল দিয়ে উঠোনের অন্যদিকে নতুন খড় আনতে গেল গোরুগুলোর জন্য তখন দেখতে পেলাম তার পোঁদ। এ কি মা! এতো ভারী? একেক দিকে এক একটা বড়ো কুমড়ো বসিয়ে দিলে যতোটা ফুলে ওঠে, তার চাইতেও বড়ো হয়ে ফুলে আছে মায়ের পেছনের শাড়ির তলায় পোঁদের দুই মাংসপিন্ড! মা যখন নতুন খড় নেওয়ার জন্য মাটিতে ঝুঁকলো, মায়ের পোঁদের মাংস আরও ফুলে গিয়ে বিরাট আকার ধারণ করেছে! তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াতেই আমার চোখ আটকে গেল আমার মায়ের পোঁদের দুই দাবনার মধ্যিখানের চেরায়। মায়ের শাড়ি সেখানকার গভীর চেরার অন্ধকারে ঢুকে গেছে। আহ্....এ কি অপরূপ দেহ মায়ের! এই ৩৫ বছরের বিবাহিত এক নারীর শরীরের আনাচে কানাচে কামনার নেশা ছুটে বেড়াচ্ছে যেন....তাকে ধরতে পারলেই কাজ হাসিল হবে!

হঠাৎ এমনসময় মা আমার দিকে তাকালো। আমি তৎক্ষণাৎ মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলাম। মা বোধহয় অত গুরুত্ব দিয়ে আমায় দেখেনি। সে আপনমনেই নিজের কাজ সারতে লাগলো। আর আমার‌ মনে সেই পাপবোধ আবার ঘুরে এলো। 

আমি এসব কি করছি? শুরু হয়েছিল মায়ের স্পর্শে একটা অনুভূতি দিয়ে, সেই অনুভুতিই বদলে গিয়ে কামের নেশায় মায়ের সঙ্গমরত আওয়াজ শুনে আমায় দিয়ে জীবনের বড়ো অপরাধ ঘটালো, আমার বীর্যপাত হলো, সেখানেও সে থেমে থাকলো না, আজ মায়ের শরীরে তার নিজের পেটের সন্তানের কু দৃষ্টি পড়লো! আমি কুনজরে মায়ের দেহ এই দুই চোখ দিয়েই যেন ভোগ করলাম। না , আর না। আমার জনম দুঃখী মা, আমার সরল মা, আমার অসহায় মা....সে আমার মা.... তাকে নিয়ে আর কোনো কুচিন্তা নয়....এই মুহূর্ত থেকে!

এরপর মাকে অনেকবার জিগ্যেস করেছি যে সে কেন আমার সঙ্গে কথা বলছে না, জানি আমি সবটাই, তবুও মায়ের মুখ থেকেই শুনতে চাইছিলাম, যাতে নিজের মুখে মা মনের কথা খুলে বলে নিজের মন হালকা করতে পারে। দেখলাম তাতেও মায়ের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হলো না! তারপর আমি আর এগোয়নি, কারণ এরপর এগোলে অর্থাৎ বাবা সেই রাতে মাকে কি বলেছিল, এটা যে আমি জানি, এটা বলে দিলে মা লজ্জায় পড়ে যাবে, কারণ বাবা এসব বলেছিল মায়ের সঙ্গে যৌন মিলনের সময়। তাই আর এই বিষয়ে কথা তুললাম না। 

দিন কাটতে লাগলো। মা যতটা না বললেই নয়, ততটাই কথা বলে এখন। যদিও মা এভাবেই কথা বলছে, মনে মনে বুঝতে পারি যে তার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে তার প্রাণের ছেলের সঙ্গে ভালোভাবে কথা না বলার যন্ত্রনায়। মায়ের চোখ দিয়ে কতবার আমি জল ঝরতে দেখেছি, কিন্তু কিছু বলতে গেলেই চোখ মুছে অন্যদিকে চলে যায়। এদিকে আমার ইন্টারভিউয়ের কোনো ফলাফলই পেলাম না আর। চাকরিটা আদৌ হবে কি না, তাও জানিনা, হয়তো আমায় বাদ দিয়ে তারা অন্য কারোকে নিয়ে নিয়েছে। চাকরিটা পোস্ট অফিসের কেরানির চাকরি। বেতন ভালো। কিন্তু বুঝলাম যে আমার ভাগ্যটা সত্যিই খারাপ! এদিকে চাকরির ব্যাপারেও নিশ্চিত নই, অন্যদিকে মাও কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে! এই দুই কারণে নিজের প্রতি রাগ হতে লাগলো। এই জীবনকে অর্থহীন মনে হতে লাগলো। এই অবস্থায় একজনের মনের জোর কমে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আমি চাকরির জন্য পড়াশোনা করা ছেড়ে দিলাম আর চাষের কাজে পুরোমাত্রায় লেগে পড়লাম।

একদিন সকালে মাঠে বেরোবো, বাবা ভোরেই চলে গেছে, দেখি বোন এসে আমার ঘরে ঢুকলো। কি ব্যাপার! ও তো কারণ ছাড়া আমার কাছে আসে না! কি কারণ হতে পারে? লতা আমার ঘরে ঢুকে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বিছানায় আমার পাশে এসে বসলো। আমি বললাম,

- কি রে, কিছু বলবি?

লতা একটু চাপা স্বভাবের। বাবা তাকে কলেজের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছে। ভয়ে সে বাবাকে কিছু বলতে পারেনি। সে আমাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না, তবুও আজ আমার কাছে এসেছে দেখে বুঝলাম খুব জরুরী কোনো ব্যাপার রয়েছে। সে একটু ফিসফিসিয়ে বললো,

- আমায় একটা সাহায্য কর দাদা।

- কি করতে হবে বল?

- সেই ছেলেটা, মানে যাকে আমি ভালোবাসি, তার নাম নিশীথ। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। তুই বাবার সঙ্গে কথা বলেওর সঙ্গে আমার বিয়ের ব্যবস্থা কর। নিশীথ চাষবাস করে। ওর মা বাবা নেই। ওই চাষবাসের উপার্জনে আমাদের দুজনের ভালোভাবে চলে যাবে। আজ রাতেই তুই কথা বলবি বাবার সঙ্গে। নয়তো এর পরিণাম খুব খারাপ হবে...এই বলে রাখলাম!

বলে সে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল। আমি উঠে বাইরে এসে দেখি মা রান্না চাপাচ্ছে। মায়ের কাছে গিয়ে বললাম, 

- মা, একটা কথা আছে।

মা কিছুক্ষন চুপ থেকে একটু শান্ত গলায় বললো,

- বল।

- লতার ব্যাপারে।

মা দেখলাম একটু চিন্তিত হলো, কিছুক্ষণ কি যেন ভাবলো, তারপর বললো,

- লতার ওই ছেলেটার ব্যাপারে?

বুঝলাম এর আগে লতা মাকেও এই ইঙ্গিত দিয়েছিল। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম,

- হ্যাঁ মা। ছেলেটার নাম নিশীথ। আমাদেরই মতো চাষী, মা বাবা নেই, একা থাকে। বিয়ে দিলেও কোনো সমস্যা নেই, ভালো থাকবে লতা।

- আমি কি বলবো চয়ন, তোর বাবাকে বলে দেখিস!

আমি বুঝলাম মা রাজি, কিন্তু বাবার কথাই শেষ কথা! তাই রাতে বাবার সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলবো ঠিক করে আর কিছু না ভেবে কাঁধে গামছা আর হাতে একটা কোদাল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে গেলাম। 

বাড়ি থেকে বেরোবার আগে দেখলাম....মায়ের সৌন্দর্য্য! কি অপরূপ সুন্দরী সে! কথা বন্ধ হওয়ার পর থেকে তার সৌন্দর্য্য যেন আমায় আরো বেশি করে আকর্ষণ করছে! যে যতদূরে ঠেলতে চায়, তার প্রতি মোহ তত বেশি বাড়ে! যত মা আমায় দূরে ঠেলার চেষ্টা করার অভিনয় করছে বাবার আদেশে, তত বেশি করে আমি যেন মায়ের লাবণ্যময়ী সৌন্দর্য্যের ঘোরে তার আরও কাছে চলে যাচ্ছি। সেই কুচিন্তাগুলো আসছে! আমি তাদের গুরুত্ব না দেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু ধীরে ধীরে তা গুরুত্ব পেয়েই যাচ্ছে....দিন দিন যেন তার প্রভাব বাড়ছে! 

যত বেশি ভাবি মায়ের নিয়ে এসব চিন্তা করবো না, এসব পাপ, এই সমাজে নিষিদ্ধ, তত বেশি করে এই পাপ কাজকেই ভালো লাগছে আমার! বারে বারে এই পাপে আমি লিপ্ত হচ্ছি, হয়ে চলেছি! যেন আমার মনে সেই 'পাপবোধ' শব্দের যে ক্ষমতা এতদিন ছিল, তা ক্রমে কমে আসছে আর মায়ের প্রতি এই অনুভূতির যে সূচনা হয়েছিল, তার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পেতে অসীমে গিয়ে ঠেকছে। আগে তো মায়ের দিকে তাকালে এই নিষিদ্ধ ভালো লাগার উদয় হলে একটু হলেও খারাপ লাগতো, কিন্তু এখন? এখন যে আর তাও লাগেনা.... শুধু এই নিষিদ্ধ অনুভূতির পুজো করে চলেছি গোপনে.... আমার মনের অন্তরালে...!

ধীরে ধীরে আমি এমন হয়ে যাচ্ছি যে নিজেকেই নিজে চিনতে পারি না মাঝে মাঝে!

এইতো কদিন আগেই সকালে মা উঠোনে বসে গোরুর দুধ দুইছিল একটা বালতিতে। দুহাতে দুটো বাঁট ধরে উপর থেকে নিচ অবধি নিংড়ে নিংড়ে দুধ বের করে বালতি ভরে তুলছিল। আমি ঘুম থেকে উঠে দাঁতন দিয়ে দাঁত পরিস্কার করছিলাম তার সামনেই। মা একমনে গোরুর দুধ দুইছে। আমি আড়চোখে তাকিয়ে দেখলাম মায়ের বুকের কাছটায় কাপড় সরে গিয়ে বড়ো বড়ো দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকেই দেখা যাচ্ছে। এমনসময় গোরুর দুধ দুইতে গিয়ে গোরুটা একটু নড়ে ওঠায় তার দুধের বাঁট থেকে পিচকিরির মতো দুধ গিয়ে মায়ের মুখ, হাত আর ব্লাউজের ওপরে ছিটকে পড়লো। আর এতেই আমি পাগল হয়ে গেলাম। ব্লাউজের ঠিক মাঝখানে যেখানে মায়ের দুধের বোঁটা রয়েছে, সেখানেই গোরুর দুধ ছিটকে লেগেছে আর তাতে ব্লাউজ ভিজে গিয়ে মায়ের দুটো দুধের বোঁটা ফুটে উঠল। কি দৃশ্য দেখালে আমায় মা! ফোলা ফোলা বড়ো বোঁটা মায়ের দুটো দুধের মধ্যিখানে স্পষ্ট হয়ে ব্লাউজ থেকে মুখ উঁচিয়ে ফুলে আছে বাইরের দিকে। মায়ের সেদিকে খেয়াল নেই। আমি দাঁতন ছেড়ে আরো কাছে এগিয়ে গিয়ে মাকে গোরুর দুধ দুইতে সাহায্য করার নাম করে গোরুটার পা দুটো শক্ত হাতে ধরলাম মায়ের বিপরীত দিকে মায়ের দুধের দিকে মুখ করে। মা তাকিয়ে আছে গোরুর দুধের বাঁটে, আমি তাকিয়ে আছি মায়ের দুধের বোঁটায়। মা যেভাবে দুধ দুইছে, আমি কল্পনা করতে লাগলাম আমিও একদিন ঠিক এইভাবেই তোমার ওই দুটো বড়ো ভারী নরম থলথলে দুধকে দুইবো মা! তোমায় হামাগুড়ি দিয়ে বসিয়ে তোমার দুধের পাশে বসে নিচে ছোটো হাঁড়ি রেখে প্রথমে তোমার বাঁদিকের বড়ো দুধটা দুইবো, তারপর সেখানকার দুধ শেষ হলে ডানদিকের দুধে হাত দেবো....ঠিক এইভাবেই। বালতি ধরে থাকতে থাকতে আমার বাড়া প্যান্টের ভেতরেই ফুলে উঠে দাঁড়িয়ে গেল। 

মা গোরুর দুধের বাঁট থেকে চোখ সরিয়ে যদি আমার দিকে একবারের জন্যেও চেয়ে দেখতো, তবে মা বুঝতে পারতো, তার নিজের পেটের ছেলে তাকে গোরুর দুধ দুইতে দেখে তার মায়ের বড়ো বড়ো দুধের বোঁটা দেখতে দেখতে কল্পনায় তার দুধ দোয়াবার কথা ভেবে ভেবে নিজের লম্বা বাড়া শক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু মা তাকায়নি আমার দিকে। মা ভাবতেও পারে না যে একথা! নিজের পেটের ছেলে হয়ে যে নিজের মায়ের নিয়ে এমন কুরুচিকর নোংরা চিন্তা করতে পারে, চারুলতা তা ভাবতেও পারেনা! 

আমি মাঝে মাঝে ভাবি, আমি যেমন মায়ের কথা শোনার জন্য ছটফট করছি, মাকে আগের রূপে দেখার জন্য যন্ত্রনা পাচ্ছি, মাকে আবার আগের মতো করে পাওয়ার জন্য আমার প্রাণ ওষ্ঠাগত, মায়েরও কি সেই অবস্থা হয়নি ভেতরে ভেতরে? বুঝতে পারিনা। নারীর মুখ আর মন দুই ভিন্ন ধাতু দিয়ে গড়া, ভেতরে ধ্বংসাত্মক ঝড়ে তোলপাড় চললেও মুখে মধ্যসমুদ্রের জলরাশির মতো শান্ত ভাব এরা তৈরি করতে জানে! এইজন্যই এরা নারী! এদের মনের কথা পড়া অসম্ভব!

সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এলাম বাবার একটু পরে। বাবা একটু আগেই ফিরে গেছে। আমি বাকি চাষীদের সঙ্গে কথাবার্তা শেষ করে মাঠের সব কাজ সেরে বাড়ি ঢুকলাম। তারপর ঘরে গিয়ে সারাদিনের ঘামে ভেজা জামাকাপড় ছেড়ে রেখে ভাবলাম পুকুরের জল এনে স্নান করবো , তাই গামছা হাতে  ঘর থেকে বেরোতে যাবো, দেখি মা লন্ঠন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার ঘরের বাইরে। মা এমন রোজ করে। আমি আর বাবা বাড়ি ফিরে এলে লন্ঠন হাতে করে পুকুরে আমাদের সঙ্গে যায় আলো দেখিয়ে। মায়ের মুখে তাকিয়ে দেখলাম। চোখের দিকে তাকিয়ে কিচ্ছু বোঝার উপায় নেই মা মনে মনে কি ভাবছে। আজ আমার ভয়ঙ্কর রাগ হলো মায়ের ওপর আর আমার ভেতরে একটা শুরু হলো প্রবল ঝড়....! তাই নিজের মনে মনেই মাকে বলে উঠলাম,

আমি কি দোষ করেছি যে তুমি আমার সঙ্গে কথা বন্ধ করে প্রতিনিয়ত আমার বুকে ছুরি মারছো? তুমি জানো যে ছোটো থেকেই তোমার সঙ্গে মন খুলে গল্প না করলে, তোমার হাতে না খেলে, তোমার সঙ্গে দুদন্ড বসে না থাকলে আমার কষ্ট হয়! তুমি জানো না বুঝি এগুলো? নাকি স্বামীর কথাই তোমার জীবনের সব? আমি কি তোমার কেউ নই? আমি কি সংসারের জন্য, তোমার জন্য কিছুই করিনি? 

এসব ভাবতে ভাবতে আমার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো, কাঁদলাম না, কিন্তু মায়ের কাছে দাঁড়িয়েও থাকতে পারলাম না আর। মুখে কড়াভাবেই মাকে বলে ফেললাম,

- দাও, তোমায় আমার সঙ্গে পুকুরে যেতে হবে না, তোমার স্বামীকে চা দাও গিয়ে।

এই কথাটা কি বললাম আমি! তোমার স্বামী? সে তো আমার বাবা হয়! এই কথাটা সাধারনভাবে শুনলে সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু অবস্থাবিশেষে কথার অর্থ বদলে যায়। আমি ঠিক ওই সাধারনভাবে এই কথা বলিনি। এই 'তোমার স্বামী' কথার মধ্যে লুকোনো ছিল বাবার প্রতি এক নারীর জন্য হিংসা, জ্বলন ও মায়ের জন্য অভিমান। জানিনা মা এর অর্থ কি বের করলো, কিন্তু আমি এই অর্থেই কথাটা বলেছিলাম মাকে। তারপর আর সেখানে দাঁড়ায়নি, মায়ের হাত থেকে একপ্রকার জোরেই লন্ঠন কেড়ে নিয়ে উঠোন থেকে একটা বালতি তুলে দ্রুতপদে পুকুরে চলে গেলাম। 

লন্ঠনটা নেওয়ার সময় মায়ের চোখের দিকে একবার চোখ পড়েছিল আমার, সেই অল্প মুহূর্তের জন্যেই দেখেছিলাম মায়ের দুই চোখে কষ্ট, যন্ত্রনা ও তার মনের তীব্র ছটফটানি....এক অসহ্য ব্যাথা যেন তার শরীর ও মনকে এফোঁড় ওফোঁড় করে এই রাতের অন্ধকারে হাহাকার করে উঠলো!


(ক্রমশ....)

পর্ব - ৫

রাতের খাওয়া শেষ করে আমি ভাবলাম এবার লতার কথাটা বলবো, দেখি বাবা রাজি হয় কিনা। বাবা বারান্দায় বসে একটা বিড়ি টানছিল। আমি কাছে যেতে একবার আমাকে দেখে আবার সামনের উঠোনের অন্ধকারে তাকিয়ে একমনে বিড়ি টানতে লাগলো। আমি বাবাকে বললাম,

- লতাকে নিয়ে কথা বলার আছে তোমার সঙ্গে।

বাবা ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষন। কিছু বললো না। তারপর আবার সামনে তাকিয়ে বিড়ি টানতে লাগলো। আমি বললাম,

- লতা যে ছেলেটাকে ভালোবাসে, তার নাম.....।

- চুপ। একটা কথাও আমি তোর মুখ থেকে শুনতে চাই না। বেরিয়ে যা এখান থেকে।

সবকিছুর একটা সীমা থাকে! মায়ের আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ, মাকে রোজ রোজ উঠতে বসতে অপমান, রাগে তার গায়ে হাত তোলা, আমার ওপর অকারণে ঝাঁঝিয়ে ওঠা, লতাকে ঘরে বন্ধ করে রাখা, এই সবকিছু মিলে আমার ভেতরে সবকিছু তোলপাড় হয়ে যাচ্ছিল। কন্ঠস্বর গম্ভীর করে শুধু বললাম,

- নিজের কথাকে সংযত করো বাবা। এই বাড়িতে আমার থাকার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, না তোমার সাথে থাকার ইচ্ছা আছে। নেহাৎ মাকে ছেড়ে যেতে পারবো না, নইলে আমি কবে চলে যেতাম।

বাবা এবার আমার দিকে ঘুরে বিকৃত মুখে নোংরা ভাষায় বললো,

- তা মা-টাকে সঙ্গে করেই বিদায় হ না এখান থেকে, গিয়ে একসাথে সংসার বাঁধ।

বলে মুখে এক অশ্লীল হাসি হেসে বিড়ি টানতে লাগলো। 

তার এই কথায় আমি এক নতুন জীবনের পথ আজ যেন দেখতে পেলাম....এতদিন যা অন্ধকারে ঢাকা পড়েছিল বা হয়তো আমি এই পথকে খুঁজতেই চাইনি কোনোদিন! এখান থেকে, এই নরক থেকে, এই নরপিশাচটার কাছ থেকে মাকে নিয়ে চলে যাবার চিন্তা আমার মাথায় এর আগে আসেনি। ভাবতাম রোজগার করে পয়সা আনবো, কিন্তু থাকবো এই ঘরেই এই লোকটার সঙ্গেই। কিন্তু এত গভীরে গিয়ে ভাবিনি যে, এই লোকটার সংস্পর্শে মাকে সুখে রাখা সম্ভব নয়, না আমি সুখে থাকবো। এই লোক যতদিন বাঁচবে, মাকে ততদিন খুবলে খুবলে খেয়ে যাবে! ভালো জীবন পেতে হলে এর থেকে নিষ্কৃতি চায় সবার আগে। আর তার শেষ কথাটা...? 'গিয়ে একসাথে সংসার বাঁধ ' মানে বাবা কি মাকে বিয়ে করে সংসার করার ইঙ্গিত দিলো নাকি স্রেফ মাকে নিয়ে অন্য জায়গায় বাঁচার? বেশি ভাবতে হল না, তার মুখের ওই অশ্লীল হাসিই বুঝিয়ে দিল মাকে বিয়ে করে সুখে রাখার কথাই আমাকে বাবা বলেছে। আমার ভেতরে এক সুপ্ত গোপন পবিত্র অনুভূতি নিজেকে যেন আনন্দে প্রকট করে আমায় বলতে লাগলো,

- যে মাকে এতো ভালোবাসিস, যে মায়ের মন ও শরীর - এই দুটোতেই তোর অদম্য আকাঙ্ক্ষা, তাকে বিয়ে করে নিজের স্ত্রী বানিয়ে জীবন কাটানো তো পরম সৌভাগ্যের বিষয় চয়ন....কেড়ে নে, তোর মাকে এই পশুটার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে চলে যা দূরে.... অনেক দূরে!

বাবার কথায় আগে হলে রাগ করতাম, কিন্তু এখন রাগের বদলে হেসে বললাম,

- ধন্যবাদ।

বাবা একটু অবাক হয়ে বললো,

- কিসের জন্য?

- কিছু না।

- তা যদি নিয়ে যাস ভালোই হবে, ওর খিদে আমি মেটাতে পারিনা....যা খিদে চারুর!

আমার বাড়ায় একটা সুড়সুড়ি লাগলো এই কথায়। চারুলতার খিদে! আমার মায়ের খিদে! কি সুন্দর -ই না লাগছে এই কথাটা আজ! হ্যাঁ মা...আমি তোমার খিদে মেটাবো....দেখবে একদিন তোমায় বিয়ে করে তোমায় আমার স্ত্রীর সম্মান দেবো আর তুমি...? তুমি আমার ঘর করবে!

এগুলো ভাবছিলাম, হঠাৎ পেছনে কান্নার আওয়াজ পেয়ে তাকিয়ে দেখি মা আমার সামনে বাবার এইরূপ কথা শুনে অপমানে ও লজ্জায় মুখে শাড়ির আঁচল ঢেকে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল ঘরের ভেতরে।

আজ এই মুহূর্তে আমার সামনে বসে থাকা মানুষটাকে ঠিক নিজের বাবা বলে মনে হচ্ছিল না, মনে হচ্ছিল একজন পুরুষ, আর তার নারীকে তার নিষ্ঠুর বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে ছিনিয়ে নিয়ে যাবো আমি। তাকে দেখে আমার কেবলই মনে হতে লাগলো, যেন আমার নারীর শরীরে ওর স্পর্শও আমি আর সহ্য করতে পারবো না! এই রাতের এই ক্ষণে আমি আমার মা চারুলতার সন্তান আর নই, আমি তার পুরুষ, আর সে আমার নারী!

পাশ থেকে এমনসময় দরজা ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে এলো লতা। এতক্ষনে আমি তার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তার কথা দিয়ে বাবার সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু মাঝে চারুলতার কথা, আমার নারীর কথা এসে পড়ায় লতার কথা মন থেকে কখন মুছে গেছে টেরই পাইনি। দেখলাম লতা বাবার কাছে এসে ক্রুদ্ধ গলায় গর্জে উঠলো,

- যদি তুমি আমার সঙ্গে নিশীথের বিয়ে না দাও, আমি এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো কালকেই। 

বাবা বিড়ি ফেলে উঠে দাঁড়িয়ে তার মুখের ওপর কথা বলার সাহস দেখাবার জন্য মেয়ের গালে সজোরে একটা চড় বসিয়ে দিল। লতা ঘুরে গিয়ে বারান্দার মেঝেতে আছড়ে পড়লো। বাবা তার কাছে গিয়ে তার‌ চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে তার ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে শেকল তুলে দিল। তারপর রাগে কাঁপতে কাঁপতে বিড়বিড় করে বললো,

- মাগীর গুদে সুড়সুড়ি জেগেছে....রাত কাটছে না তার নাগরের বাড়া ছাড়া...যা না, ওর গুদটা মেরে দিয়ে ওর খিদে মিটিয়ে দে না!

শেষের কথাগুলো বাবা আমায় উদ্দেশ্য করে বললো। আমার হাত উঠতে যাচ্ছিল, কিন্তু থামিয়ে নিলাম। মনে মনে বললাম,

- এই গোটা জগতে আমি শুধু একজন নারীর পুরুষ, সে হলো চারুলতা! আর তোমায় আমি এর জবাব দেবো....আজ? নাহ্ আজ নয়....আজ এই রজনীতে হয়নি সময়! 


(ক্রমশ....)
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা - by Bad Boy - Yesterday, 09:03 AM
RE: চারুলতা - by Bad Boy - Yesterday, 09:05 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)