09-19-2026, 09:02 AM
"ধুর, তুইও..." বলল মা, "বিয়ে তো নয়।"
"বিয়ে নয় মানে! অজয় বাবুর সামনে বসেছিস যখন, হা হা হা। দেখ, কেমন মিষ্টি লাগছে তোকে। অমন ফরসা মুখ, সিঁদুরটাও জ্বলজ্বল করছে।" বলল জয়া মাসি
মা আর কিছু বলল না। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
তারপর যা ঘটল, তা আমার চোখের সামনে আগাগোড়া ফুটে উঠল। কিন্তু বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। মা ধীরে ধীরে নিজের হাত দুটো নিজের ব্লাউজের দিকে নিয়ে গেল। আঙুলগুলো কাঁপছিল। একটা করে হুক খুলতে লাগল। টপ... টপ...
ব্লাউজটা ধীরে ধীরে আলগা হয়ে এল। মায়ের বুকের ফাঁকা জায়গাটা বেরিয়ে পড়ল—সেখানে কালো ব্রা-টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। 36C-র ওই স্তনযুগল খুব শক্ত করে আটকে রয়েছে কাপড়ের ভেতর। সাদা চামড়ার উপর কালো রঙটা যেন একটা বিদ্যুতের ছটাক এনে দিয়েছে।
জয়া মাসি আস্তে করে চেয়ারের দিকে সরে গিয়ে বসল। তার পা-দুটো ক্রস করা, শাড়ির নিচে হাঁটুর সাদা চামড়াটা সামান্য দৃশ্যমান।
চশমাটা ঠেলে বলল, "বেশ, সীমা। খুব সুন্দর। তুই তো অপরূপ। অজয় বাবু, বলেন কিছু।"
অজয় বাবু বললেন, "দেখতে পাচ্ছি। খুব সুন্দরী।"
মা আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। মার বুক ওঠানামা করছে। ব্রা-এর উপর থেকে বোঝা যাচ্ছে স্তনের বোঁটা দুটো জেগে উঠছে একটু একটু করে। ঘামের গন্ধটা ভেসে আসছে, পাউডার আর গরম চামড়ার মিষ্টি ঘ্রাণ।
জয়া মাসি আবার বলল, "এবার শাড়িটা একটু সরা, সীমা। ব্লাউজটা ফেল পুরো। দেখা না অজয় বাবুকে, কী চমৎকার গড়ন তোর।"
মায়ের ঠোঁট দুটো ফাঁক হল। দাঁতের ডগা দিয়ে নিচের ঠোঁট চাপল। আস্তে করে ব্লাউজটা পুরো খুলে ফেলল। পেটের নরম ভাঁজ, কোমড়ের বাঁক, কালো ব্রা-তে ঢাকা স্ফীত স্তন—সব একসঙ্গে ঘরের আবছা আলোয় ফুটে উঠল। তার নিঃশ্বাসের শব্দটাই যেন ঘরময় ছড়িয়ে পড়ছে।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বলল, "তোর জন্য এই প্রথম। বেশ তো? কতদিন বাদে একটু নিজেকে সময় দিচ্ছিস বল, নিজের জন্য বাঁচ। দেখ, অজয় বাবু কিন্তু তোর দিকেই তাকিয়ে, কেমন ধীর, কেমন স্থির।"
অজয় বাবু সত্যিই তাকিয়ে। তাঁর চোখ দুটো স্থির, গভীর। কোনও লালসা নয়, বরং এক ধরনের পূজার ভাব। ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি। সত্যি ভদ্রলোক যাকে বলে।
আমার নিজের অবস্থা তখন কাহিল। পা দুটো যেন পাথর। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠাণ্ডা জল গড়াচ্ছে। অথচ চোখ ফেরাতে পারছি না। দরজার ফাঁক দিয়ে পুরো ঘরটা যেন এক অন্য জগৎ, আর আমি তার বাইরে দাঁড়িয়ে এক অদৃশ্য দর্শক।
মা তার হাত দুটো কোলে জড়ো করে রাখল। তার নাভির ওপর পেটে একটা ছোট্ট তিল। সেটা এতদিন দেখিনি কখনও। অথচ এই লাজুক আলোয় তিলটা যেন টিপটিপ করে জ্বলছে।
আমার সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছিল। শিউরে উঠছিলাম বারবার। বুঝতে পারছিলাম, এই দৃশ্য দেখার অধিকার আমার নেই; অথচ চোখ সরানোর মতো শক্তিও আর শরীরে নেই। শুধু দেখছি আর দেখছি, আর ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে যাচ্ছি।
"বিয়ে নয় মানে! অজয় বাবুর সামনে বসেছিস যখন, হা হা হা। দেখ, কেমন মিষ্টি লাগছে তোকে। অমন ফরসা মুখ, সিঁদুরটাও জ্বলজ্বল করছে।" বলল জয়া মাসি
মা আর কিছু বলল না। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
তারপর যা ঘটল, তা আমার চোখের সামনে আগাগোড়া ফুটে উঠল। কিন্তু বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। মা ধীরে ধীরে নিজের হাত দুটো নিজের ব্লাউজের দিকে নিয়ে গেল। আঙুলগুলো কাঁপছিল। একটা করে হুক খুলতে লাগল। টপ... টপ...
ব্লাউজটা ধীরে ধীরে আলগা হয়ে এল। মায়ের বুকের ফাঁকা জায়গাটা বেরিয়ে পড়ল—সেখানে কালো ব্রা-টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। 36C-র ওই স্তনযুগল খুব শক্ত করে আটকে রয়েছে কাপড়ের ভেতর। সাদা চামড়ার উপর কালো রঙটা যেন একটা বিদ্যুতের ছটাক এনে দিয়েছে।
জয়া মাসি আস্তে করে চেয়ারের দিকে সরে গিয়ে বসল। তার পা-দুটো ক্রস করা, শাড়ির নিচে হাঁটুর সাদা চামড়াটা সামান্য দৃশ্যমান।
চশমাটা ঠেলে বলল, "বেশ, সীমা। খুব সুন্দর। তুই তো অপরূপ। অজয় বাবু, বলেন কিছু।"
অজয় বাবু বললেন, "দেখতে পাচ্ছি। খুব সুন্দরী।"
মা আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। মার বুক ওঠানামা করছে। ব্রা-এর উপর থেকে বোঝা যাচ্ছে স্তনের বোঁটা দুটো জেগে উঠছে একটু একটু করে। ঘামের গন্ধটা ভেসে আসছে, পাউডার আর গরম চামড়ার মিষ্টি ঘ্রাণ।
জয়া মাসি আবার বলল, "এবার শাড়িটা একটু সরা, সীমা। ব্লাউজটা ফেল পুরো। দেখা না অজয় বাবুকে, কী চমৎকার গড়ন তোর।"
মায়ের ঠোঁট দুটো ফাঁক হল। দাঁতের ডগা দিয়ে নিচের ঠোঁট চাপল। আস্তে করে ব্লাউজটা পুরো খুলে ফেলল। পেটের নরম ভাঁজ, কোমড়ের বাঁক, কালো ব্রা-তে ঢাকা স্ফীত স্তন—সব একসঙ্গে ঘরের আবছা আলোয় ফুটে উঠল। তার নিঃশ্বাসের শব্দটাই যেন ঘরময় ছড়িয়ে পড়ছে।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বলল, "তোর জন্য এই প্রথম। বেশ তো? কতদিন বাদে একটু নিজেকে সময় দিচ্ছিস বল, নিজের জন্য বাঁচ। দেখ, অজয় বাবু কিন্তু তোর দিকেই তাকিয়ে, কেমন ধীর, কেমন স্থির।"
অজয় বাবু সত্যিই তাকিয়ে। তাঁর চোখ দুটো স্থির, গভীর। কোনও লালসা নয়, বরং এক ধরনের পূজার ভাব। ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি। সত্যি ভদ্রলোক যাকে বলে।
আমার নিজের অবস্থা তখন কাহিল। পা দুটো যেন পাথর। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠাণ্ডা জল গড়াচ্ছে। অথচ চোখ ফেরাতে পারছি না। দরজার ফাঁক দিয়ে পুরো ঘরটা যেন এক অন্য জগৎ, আর আমি তার বাইরে দাঁড়িয়ে এক অদৃশ্য দর্শক।
মা তার হাত দুটো কোলে জড়ো করে রাখল। তার নাভির ওপর পেটে একটা ছোট্ট তিল। সেটা এতদিন দেখিনি কখনও। অথচ এই লাজুক আলোয় তিলটা যেন টিপটিপ করে জ্বলছে।
আমার সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছিল। শিউরে উঠছিলাম বারবার। বুঝতে পারছিলাম, এই দৃশ্য দেখার অধিকার আমার নেই; অথচ চোখ সরানোর মতো শক্তিও আর শরীরে নেই। শুধু দেখছি আর দেখছি, আর ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে যাচ্ছি।

