09-19-2026, 09:03 AM
অজয় বাবু এবার নিজের বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে মায়ের বোঁটা-ঢাকা ব্রা-র কাপটা ধরলেন। আস্তে করে টিপলেন - হাল্কা চিমটির মত... তারপর ছেড়ে দিলেন। আবার টিপলেন এবার একটু জোরে।
মায়ের কোমরটা একবার মোচড় খেল।
জয়া মাসি সোজা হয়ে বসলেন চেয়ারে। "অজয় বাবু, ও কিন্তু খুব সেনসিটিভ দেখছি। আপনি আস্তে আস্তে করুন। ও এই প্রথম কারও সঙ্গে এমন..."
অজয় বাবু ঘাড় নাড়লেন। "জানি। তাড়াহুড়ো নেই মোটেই।" বলেই ওঁর হাত সরিয়ে নিলেন একদম।
পিছু হটলেন। হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর পাশে বসা চেয়ারটায় গিয়ে বসলেন। মায়ের থেকে দূরত্ব তৈরি করলেন দু হাত মতো।
মা চোখ খুলল। যেন ভোজবাজি দেখল। ওই লোকটা এখন ওর থেকে দূরে বসে। ঠিক যেমনটা বিয়ের রাতে বর বসে থাকে কনের অপেক্ষায়, তেমনই এক ভঙ্গি।
"এখন তুমি আরাম করো খানিক," অজয় বাবু বললেন। "আমার কোনও তাড়া নেই। যতক্ষণ না তুমি নিজে থেকে চাও, আমি এক কদমও এগোব না।"
জয়া মাসি উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠলেন, "বাহ্! কী সুন্দর বললেন অজয় বাবু। সীমা, তোর ভাগ্য ভালো যে এমন মানুষ পেয়েছিস। তোর কথা ভাবছে, তোর আরামের কথা ভাবছে। নিজের কথা ভাবছে না কিছু।"
মা ওঁর দিকে তাকাল। চোখে ঠিক কী ভাবনা, বোঝা গেল না। কিন্তু ঠোঁটের কোণে সামান্য হাসি দেখা দিল। যতটুকু দেখা যায় সন্ধ্যার আঁধারে, ঠিক ততটুকুই।
মা তখনও পর্যন্ত একটা কথাও বলেনি। কিন্তু ওর শরীর যেভাবে ক্রমাগত নরম হয়ে আসছিল, গলার পেশিগুলো ঢিলে হয়ে আসছিল, তাতে বোঝা যাচ্ছিল, ভেতরে ভেতরে রাজি হয়ে গেছে। আর অজয় বাবুর এই থামা, এই বিশ্রাম দেওয়া - মাকে আরও বেশি করে নিশ্চিন্ত করছে।
জয়া মাসি বললেন, "এখন তোর ইচ্ছে কী সীমা? অজয় বাবুকে কি আরেকটু এগোতে দিবি? নাকি আরেকটু সময় চাস?"
মা চুপ করে রইল কয়েক সেকেন্ড। তারপর নিজের বাঁ হাতটা তুলে অজয় বাবুর দিকে বাড়িয়ে দিল। আঙুলগুলো একটু কাঁপছিল, কিন্তু হাত তোলার সিদ্ধান্তটা নিয়েছে নিজেই। এই প্রথম মা নিজে থেকে কিছু করল।
অজয় বাবু ওঁর উল্টোদিক থেকে নিজের হাত বাড়ালেন। ওঁর আঙুলগুলো মায়ের আঙুল ছুঁল; প্রথমে তর্জনী, তারপর মধ্যমা, তারপর অনামিকা, তারপর কড়ে আঙুল। আঙুলের পোরে পোর মিলে গেল। টুপ... টুপ... টুপ... টুপ... যেন পিয়ানোর কি-তে আঙুল পড়ছে একটার পর একটা।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বললেন, "এই তো। এই তো চাইছিলাম আমি। তোরাই তো চেয়েছিস। কেউ জোর করেনি।"
আমি দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম ওই দুটো হাতের মিলন। আলো-আঁধারির মধ্যে ওই আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল ধীরে ধীরে। অজয় বাবু কিছু বললেন না। মাও কিছু বলল না। শুধু হাতটা ধরে রইল অনেকক্ষণ।
মায়ের শ্বাসের গতি কমে আসছিল ধীরে ধীরে। অজয় বাবুর বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ মায়ের আঙুলের পিঠে গোল গোল ঘুরছিল --
একটু পর অজয় বাবু আবার উঠে এলেন। কিন্তু তখন আর ওঁকে অচেনা মনে হচ্ছে না। নিজের বাড়ির কেউ যেন বহুদিন বাদে ফিরেছে - সেই ভাব। ওঁর হাতটা ছাড়লেন না একবারও। হাঁটতে হাঁটতে আবার মায়ের সামনে এসে দাঁড়ালেন।
এবার মা নিজেই মুখ তুলে চাইল ওঁর দিকে।
মায়ের কোমরটা একবার মোচড় খেল।
জয়া মাসি সোজা হয়ে বসলেন চেয়ারে। "অজয় বাবু, ও কিন্তু খুব সেনসিটিভ দেখছি। আপনি আস্তে আস্তে করুন। ও এই প্রথম কারও সঙ্গে এমন..."
অজয় বাবু ঘাড় নাড়লেন। "জানি। তাড়াহুড়ো নেই মোটেই।" বলেই ওঁর হাত সরিয়ে নিলেন একদম।
পিছু হটলেন। হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর পাশে বসা চেয়ারটায় গিয়ে বসলেন। মায়ের থেকে দূরত্ব তৈরি করলেন দু হাত মতো।
মা চোখ খুলল। যেন ভোজবাজি দেখল। ওই লোকটা এখন ওর থেকে দূরে বসে। ঠিক যেমনটা বিয়ের রাতে বর বসে থাকে কনের অপেক্ষায়, তেমনই এক ভঙ্গি।
"এখন তুমি আরাম করো খানিক," অজয় বাবু বললেন। "আমার কোনও তাড়া নেই। যতক্ষণ না তুমি নিজে থেকে চাও, আমি এক কদমও এগোব না।"
জয়া মাসি উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠলেন, "বাহ্! কী সুন্দর বললেন অজয় বাবু। সীমা, তোর ভাগ্য ভালো যে এমন মানুষ পেয়েছিস। তোর কথা ভাবছে, তোর আরামের কথা ভাবছে। নিজের কথা ভাবছে না কিছু।"
মা ওঁর দিকে তাকাল। চোখে ঠিক কী ভাবনা, বোঝা গেল না। কিন্তু ঠোঁটের কোণে সামান্য হাসি দেখা দিল। যতটুকু দেখা যায় সন্ধ্যার আঁধারে, ঠিক ততটুকুই।
মা তখনও পর্যন্ত একটা কথাও বলেনি। কিন্তু ওর শরীর যেভাবে ক্রমাগত নরম হয়ে আসছিল, গলার পেশিগুলো ঢিলে হয়ে আসছিল, তাতে বোঝা যাচ্ছিল, ভেতরে ভেতরে রাজি হয়ে গেছে। আর অজয় বাবুর এই থামা, এই বিশ্রাম দেওয়া - মাকে আরও বেশি করে নিশ্চিন্ত করছে।
জয়া মাসি বললেন, "এখন তোর ইচ্ছে কী সীমা? অজয় বাবুকে কি আরেকটু এগোতে দিবি? নাকি আরেকটু সময় চাস?"
মা চুপ করে রইল কয়েক সেকেন্ড। তারপর নিজের বাঁ হাতটা তুলে অজয় বাবুর দিকে বাড়িয়ে দিল। আঙুলগুলো একটু কাঁপছিল, কিন্তু হাত তোলার সিদ্ধান্তটা নিয়েছে নিজেই। এই প্রথম মা নিজে থেকে কিছু করল।
অজয় বাবু ওঁর উল্টোদিক থেকে নিজের হাত বাড়ালেন। ওঁর আঙুলগুলো মায়ের আঙুল ছুঁল; প্রথমে তর্জনী, তারপর মধ্যমা, তারপর অনামিকা, তারপর কড়ে আঙুল। আঙুলের পোরে পোর মিলে গেল। টুপ... টুপ... টুপ... টুপ... যেন পিয়ানোর কি-তে আঙুল পড়ছে একটার পর একটা।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বললেন, "এই তো। এই তো চাইছিলাম আমি। তোরাই তো চেয়েছিস। কেউ জোর করেনি।"
আমি দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম ওই দুটো হাতের মিলন। আলো-আঁধারির মধ্যে ওই আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল ধীরে ধীরে। অজয় বাবু কিছু বললেন না। মাও কিছু বলল না। শুধু হাতটা ধরে রইল অনেকক্ষণ।
মায়ের শ্বাসের গতি কমে আসছিল ধীরে ধীরে। অজয় বাবুর বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ মায়ের আঙুলের পিঠে গোল গোল ঘুরছিল --
একটু পর অজয় বাবু আবার উঠে এলেন। কিন্তু তখন আর ওঁকে অচেনা মনে হচ্ছে না। নিজের বাড়ির কেউ যেন বহুদিন বাদে ফিরেছে - সেই ভাব। ওঁর হাতটা ছাড়লেন না একবারও। হাঁটতে হাঁটতে আবার মায়ের সামনে এসে দাঁড়ালেন।
এবার মা নিজেই মুখ তুলে চাইল ওঁর দিকে।

