Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

উপার্জন (By:Mymomindian)
#5

আমি দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছিলাম আর মনে হচ্ছিল চোখের পাতা পিটপিট করছে কি না, জানি না। বুকের ভেতরটা যেন কেউ শক্ত মুঠোয় চেপে ধরেছে। মা তখনও অজয় বাবুর দিকে তাকিয়ে। আর ওনার দৃষ্টি স্থির - মুখে সেই শান্ত হাসি, যেন পুজোর মণ্ডপে বসে আছেন প্রদীপ হাতে।

জয়া মাসি পা বদল করলেন। "অজয় বাবু, আপনি এবার যা করবেন, একটু গভীর করে করুন। ও একদম কাঁচা, কিন্তু শিখতে চাইছে দেখুন।"

অজয় বাবু ঘাড় কাত করলেন। ওঁর ডান হাতটা পিছলে এল মায়ের ঘাড়ের পেছনে। আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল চুলের গোড়ায়। তারপর ধীরে টান -- না, জোরে নয়, কিন্তু যথেষ্ট যাতে মায়ের মাথা পিছন দিকে হেলে যায় আর মুখটা ওপর দিকে ওঠে। ঠোঁট দুটো ফাঁক হয়ে গেল আপনাআপনি।

আর সেই ফাঁকা ঠোঁটের মাঝে অজয় বাবু নামিয়ে দিলেন নিজের ঠোঁট।

প্রথমে উপরের ঠোঁটে, তারপর নিচের ঠোঁটে। স্লুপ... স্লুপ .. তারপর পুরো মুখটা চেপে ধরলেন। প্রথমে বন্ধ ঠোঁটে চুমু, তারপর আস্তে করে ঠোঁট খুলে জিহ্বার ডগা দিয়ে মায়ের নিচের ঠোঁট টিপে ধরলেন। শ্লপ্পপ্পপ... ভিজে শব্দটা দরজার কাঠ ফুঁড়ে সোজা আমার কানে এল।

মায়ের গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোল— মম্উমমউউউ...

একটা গোঙানি। গভীর। ঘরের বাতাস কেঁপে উঠল যেন। মা দুহাতে অজয় বাবুর পাঞ্জাবির বুক চেপে ধরল। চাপল, তারপর ছেড়ে দিল, তারপর আবার চাপল। আঙুলগুলো কুঁকড়ে যাচ্ছিল আর খুলে যাচ্ছিল। যন্ত্রণায় নয়, বরং কী করা উচিত বুঝতে না পেরে।

ওনার জিভটা মায়ের মুখে ঢুকে পড়ল। আমি স্পষ্ট দেখলাম - মায়ের গাল ফুলে উঠছে, নড়ছে, যেন ভেতরে দুটো প্রাণী কুস্তি লড়ছে। মমউ... ম্মম্মম... মমমম... ওর ঠোঁট মায়ের ঠোঁট চুষে নিচ্ছে, ছাড়ছে, আবার চুষছে - ঠিক যেন পাকা আমের শাঁস চুষে খাওয়ার মতো।

আমার নিজের প্যান্টের ভেতর কী যেন শক্ত হয়ে উঠছিল। সেটা ঠেলে চেপে ধরলাম ডান হাতে। কিন্তু চোখ সরল না। লজ্জা পাচ্ছিলাম? পাচ্ছিলাম বইকি। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা—এই দৃশ্যটা দেখার মধ্যে একটা অদ্ভুত টান ছিল। মা যে এমনভাবে কাউকে কাছে পেতে পারে, এ আমি কোনওদিন ভাবিনি।

অজয় বাবু মাকে টেনে নিলেন আরও কাছে। ওনার বাঁ হাতটা মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরে পিঠে এসে পৌঁছল। ব্রা-র হুকের নিচে আঙুলগুলো থিরথির করছে। কিন্তু ওনার আসল চালাকিটা দেখলাম ডান হাতে।

মায়ের ডান স্তনের ওপর থেকে ব্রা-র কাপটা সরিয়ে দিলেন এক ঝটকায় ...  সট্... লেসের কাপড়টা এক পাশে সরে গেল, আর বেরিয়ে এল গোলাপী-ফরসা একটা স্তন। বোঁটাটা তামাটে রঙের, কুচকে আছে, অথচ একটু একটু ফুলে উঠছে বাতাসের ছোঁয়ায়। চারপাশের অ্যারিওলা বাদামি-গোলাপী মেশানো, ঠিক যেন চায়ের কাপে দুধ পড়ার আগের রঙ। স্তনের চামড়ায় নীল শিরা দেখা যাচ্ছে, সাপের জিভের মতো এঁকেবেঁকে নামছে নিচের দিকে। ওজনটা বোঝা যায় কাপ থেকে বেরোনো মাংসপিণ্ডের গোলাটা দেখে - নিচের দিকে নামছে অল্প, কিন্তু ঠিক যেন ঢালু পাহাড়ের মতো গড়ন।

অজয় বাবু চুমু খেতে খেতে একবার চোখ নামালেন ওই উন্মুক্ত স্তনের দিকে। তারপর একটা হাসি - বিজয়ীর হাসি। ঠোঁটের কোণে বিজলি চমকাল।

মা তৎক্ষণাৎ নিজের বাঁ হাত দিয়ে স্তনটা ঢাকতে গেল। কব্জিটা দ্রুত উঠে এল বুকের কাছে। অজয় বাবু ওর চুমু না ভেঙেই বাঁ হাতটা ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওই হাতের কব্জি চেপে ধরলেন শক্ত করে।

"না," উনি ফিসফিস করলেন ঠোঁট সরিয়ে।

একটা শব্দ। কিন্তু তার মানে -- এতক্ষণ সব ধীরে চলেছে, এবার নিয়ম বদলাবে। এবার তিনিই নেতৃত্ব দেবেন।

মা আর কোনও প্রতিবাদ করল না। ওর হাত অসাড় হয়ে পড়ে রইল অজয় বাবুর মুঠোয়। আর ওই একটা স্তন, আমার মায়ের ডান স্তন, টইটম্বুর হয়ে ঝুলছে বাইরে। বোঁটাটা আগের থেকে দ্বিগুণ ফুলে উঠেছে, কুচকানো ভাব গায়েব, এখন শক্ত। টানটান। যেন গরমে পাকা কুল।

জয়া মাসি পা বদল করলেন। চেয়ারের হাতল শক্ত করে ধরলেন। "বেশ, অজয় বাবু, আপনি তো জব্বর। কিন্তু আস্তে। ওকে কষ্ট দেবেন না যেন।"

অজয় বাবু কিছু বললেন না। উনি আবার মায়ের ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। কিন্তু এবার চুমু গভীরতর— মউউউ... শ্লপ... শ্ল্প... শ্লপ্পপ... জিভ দুটো ভিজে শব্দ তুলছে। ওনার লালা মায়ের ঠোঁটের কোণে জমা হচ্ছে। এক ফোঁটা গড়িয়ে নেমে আসছে থুতনিতে।

তারপর হঠাৎ করেই ঠোঁট সরিয়ে নিলেন। মা চোখ খুলল, দৃষ্টি ঝাপসা। বোঝা যাচ্ছে সে এখন অন্য এক জগতে। কেমন একটা মদের নেশার মতো।

অজয় বাবু নেমে গেলেন ঘাড়ে। চুমমম... চু্মম্ম... চুমম... ঘাড়ের কোমল জায়গায় চুমু ফোলাচ্ছেন যেন—ঠোঁট দিয়ে চামড়া টেনে ছেড়ে দিচ্ছেন। চ্মপ... চ্পপ... লাল দাগ পড়ছে চামড়ায়।

তারপর কলারবোনের হাড় বরাবর জিভ টেনে নামলেন। স্লর্ স্লপ... জিভের ডগা ভিজে পথ কাটছে। ওঁর লালায় চিকচিক করছে মায়ের চামড়া। বিদ্যুতের আলোয় যেমন নদী চকচক করে, তেমনই।

এবং শেষ পর্যন্ত ------ স্তনে।

ওঁর ঠোঁট এগিয়ে নামল বোঁটার ওপর। প্রথমে খুব হালকা চুমু — চুপসসস... যেন পরীক্ষা নিচ্ছেন প্রতিক্রিয়া কেমন হয়। মায়ের পেট ভেতরের দিকে ঢুকে গেল—শ্বাস টেনে নিল প্রচণ্ড জোরে। হুউউসসসউউ...

আবার চুমু। একটু জোরে। চুম্পসস... বোঁটাটা ঠোঁটের চাপে দেবে গেল আর উঠল। মায়ের কোমর মোচড় খেল — পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গেল শাড়ির নিচে।

অজয় বাবু জিভ দিয়ে পুরো অ্যারিওলাটা ঘিরে দিলেন একবার। স্লর্প্প... স্লর্প্প... জিভটা ঘুরছে গোল গোল, ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে। মায়ের স্তনটা জিভের সঙ্গে সঙ্গে নড়ছে, দুলছে। বোঁটার চারপাশে ছোট ছোট দানা জেগে উঠেছে আর অ্যারিওলা কুঁচকে যাচ্ছে জিভের ছোঁয়ায়। মায়ের ফরসা স্তনের চামড়া লাল হতে শুরু করেছে জিভের চাপে আর লালার উষ্ণতায়। ঠিক যেন সাদা ক্যানভাসে গোলাপী কালি ছড়িয়ে পড়ছে।

"আহ্হহ..." মায়ের গলা থেকে বেরোল। এই প্রথম সে নিজে থেকে শব্দ করল; না জয়া মাসির কথায়, না কারও চাপে। নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া কণ্ঠ পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে এল।

জয়া মাসি সোজা হয়ে বসলেন। "হুঁ... এই তো। এই তো চাই।"

অজয় বাবু ঠোঁটে পুরো বোঁটা নিয়ে নিলেন, তারপর চুষতে শুরু করলেন। শ্লকসস... শ্লকস... শ্লক... ওঁর গাল বসে যাচ্ছে ভেতরের দিকে। টানছেন যেন স্তন্যপান করছেন।

মায়ের মুখ কেমন হয়ে গেল তখন। চোখ দুটো আধবোজা, ঠোঁট ফাঁক, দাঁতের ফাঁকে জিভ দেখা যাচ্ছে। ভুরু দুটো কুঁচকে আছে—কিন্তু কষ্টের ভঙ্গি নয়, বরং কী যেন একটা চেনা অনুভূতি ফিরে পাওয়ার মতো। হাত দুটো আর প্রতিরোধ করছে না, বরং অজয় বাবুর মাথার পেছনে গিয়ে পৌঁছল ধীরে ধীরে। আঙুলগুলো ওঁর চুলে আটকে গেল।

আমি দেখলাম মায়ের ওই আঙুলগুলো - নখে টুকটুকে লাল রং, কালচে হয়ে আসছে একটু একটু। সেগুলো অজয় বাবুর চুল জড়িয়ে ধরে আছে। জড়িয়ে ধরে টানছে না, বরং ধরে রেখেছে। যেন এই মানুষটাই এখন তার একমাত্র ভরসা।

চুমসস... চুমস... চুম... অজয় বাবু চুমু বদল করছেন — কখনও বোঁটায়, কখনও স্তনের নিচের কোমল গোলা তে। প্রতিটা চুমু শব্দ করে বসছে, আর সেই শব্দ মায়ের স্তন থেকে উঠে এসে ঘরের বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছে।

মায়ের ফরসা স্তনের ওপর লাল লাল দাগ পড়েছে যেন ঠোঁটের ছাপ। কিছু জায়গায় জিভের ডগার গোল দাগ, কিছু জায়গায় চোষার দাগ। সাদা চামড়া আর গোলাপী-লাল ছোপের খেলা যেন এক অদ্ভুত শিল্প হয়ে ফুটে উঠেছে।

আর মা!! মা তখন সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছে। ওর নিঃশ্বাস চলছে ছোট ছোট ফাঁকে— হোঁসস... হোঁস... হোহ ... বুক ওঠানামা করছে দ্রুত। একটা স্তন অজয় বাবুর মুখে, আরেকটা এখনও কালো ব্রা-তে ঢাকা—সেটাও ফুলে উঠছে, টানটান হচ্ছে।

আমার নিজের পা দুটো কাঁপছিল। বাথরুম যাব? নাহ। কিন্তু শরীরের সমস্ত রক্ত যেন এক জায়গায় ছুটে যাচ্ছে। হাত দিয়ে দরজার ফ্রেম চেপে ধরলাম শক্ত করে।

ঠিক তখনই অজয় বাবু মুখ তুললেন। ঠোঁটে লালা লেগে আছে, চশমার কাচে কুয়াশা জমেছে। চোখ তুলে তাকালেন সোজা মায়ের দিকে।

"তোমার স্বাদ ঠিক যেন মধু," উনি ফিসফিস করলেন। "আর একটু পাব?"

মা চোখ মেলে তাকাল। ওর ঠোঁট কাঁপছে। তারপর আস্তে করে এত আস্তে যে কেউ শুনতে পাবে কি না সন্দেহ, মনে হল যেন বলল, "হ্যাঁ... হ্যাঁ, পাবেন।"

জয়া মাসি চেয়ার ছেড়ে উঠল ধীরে। আমি চমকে উঠে পিছু হটলাম।
Reply


Messages In This Thread
উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:01 AM
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:02 AM
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:03 AM
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:03 AM
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:04 AM
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) - by Bad Boy - 09-19-2026, 09:04 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)