Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#4

পর্ব - ৪

পরের দিন থেকে আমার প্রতি মায়ের ব্যবহার সম্পূর্ণ বদলে গেল। সবই করে, রান্না করে, খেতে দেয়, ঘরও পরিস্কার করে দেয়, কিন্তু আমার মা যেন ঠিক আগের মতো আর নেই! এই দুঃখের সংসারে যতটুকু হাসি অবশিষ্ট ছিল, তাও যেন চলে গেল মায়ের মুখ থেকে। আমি কাছে গেলে, জড়িয়ে ধরলে বা সাধারণ কথা ছাড়া অন্য কোনো কথা বলতে গেলেই মা কথা ঘুরিয়ে সেখান থেকে নিঃশব্দে চলে যেতো। বুঝলাম কাল রাতের বাবার কথার প্রভাব। আমার সঙ্গে বেশি কথা বললে আমায় বাবা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নাকি বের করে দেবে, এই ভয়েই আমাকে হারিয়ে ফেলার চিন্তাতেই মা আমার থেকে দূরে দূরে থাকছে। এই ঘরের প্রতি আমার কোনো মোহ নেই, না লোভ আছে, শুধুমাত্র মায়ের কথা ভেবেই, মায়ের এই অসহায় সরল চোখদুটো দেখলেই মনটা কেমন হু হু করে ওঠে। আমি চলে গেলে মায়ের কষ্ট, মায়ের ওপর বাবা অত্যাচার, বোনের কথার আঘাত যে আরোও বেড়ে যাবে। এ আমি কিছুতেই হতে দেবো না! 

এই হল মায়ের জন্য চিন্তা, তার সঙ্গে এসে জুড়েছে আরেক চিন্তা! 

কাল রাতে আমি মায়ের গলার আওয়াজ শুনে, মায়ের উলঙ্গ দেহ কল্পনা করতে করতে আমি আমার জীবনের প্রথম বীর্যপাত করেছিলাম! কি করে ফেললাম আমি এটা! যে মাকে আমি নিজের প্রাণের চাইতেও বেশি ভালোবাসি, সম্মান করি, তার মাতৃত্বের প্রভাবে মাথা নত করি তার পায়ের কাছে, আজ সেই মায়ের কথা ভেবেই আমি বাড়ায় হাত দিলাম, সেই মায়ের শরীর কল্পনা করে আমি আমার থকথকে সাদা রস ছলকে ছলকে মেঝেতে ফেললাম? ছিঃ!

এমনসময় চোখ পড়লো মায়ের দিকে। তখন বাবা মাঠে, লতা নিজের ঘরে, আর মা উঠোনে দুটো গরুকে জল দেওয়ার জন্য একটা বড়ো পাত্রে জল ভরে গোরু দুটোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি বারান্দা থেকে দেখলাম মায়ের রূপ.....এটাও জীবনে প্রথমবারই ঘটলো! এর আগে মাকে কোনোদিন আমি এই দৃষ্টিতে দেখিনি, কিন্তু আজ....দেখলাম! মাতৃরূপে নয়, একজন নারী রূপে আমার মা চারুলতার দেহের সৌন্দর্য্যের স্বাদ নিলাম।

কি অপরূপ তার সৌন্দর্য্য! শ্যামাঙ্গিণী সে, এর জন্যেই যেন তাকে আরো বেশি সুন্দরী দেখাচ্ছে। তার মুখের লাবণ্য তার ঘন কালো চুল, দুই ডাগর চোখ ও নরম গোলাপী ঠোঁটের আভায় প্রকাশ পাচ্ছে! নজর পড়লো মায়ের বুকের কাছটায় যখন মা নীচু হয়ে গোরুগুলোকে জল দিচ্ছিল। মায়ের এতো বড়ো বড়ো দুধ....! দুধ দুটো ব্লাউজ ভেদ করে শাড়ির ওপর দিকেই উঁকি মেরে আমার সঙ্গে কথা বলছে গোপনে। যেমন বড়ো, তেমনি টাইট হয়ে বুকে এঁটে বসেছে। ভেতরে ব্রা গ্রামের মেয়েরা ভাবতেই পারে না। ব্রা ছাড়াই মায়ের দুই দুধ একটুও না ঝুলে বুকের সঙ্গেই জমাট বেঁধে আছে। মা নীচু হওয়ার সময় দেখলাম শাড়ির আঁচল বুক থেকে সরে গিয়ে ব্লাউজের উপরের দিক ফাঁক করে যেন বাইরে উপচে পড়তে চাইছে। এতো বড়ো....ও মা.....এতো বড়ো তোমার দুধ! যখন মা গোরুগুলোকে জল দিয়ে উঠোনের অন্যদিকে নতুন খড় আনতে গেল গোরুগুলোর জন্য তখন দেখতে পেলাম তার পোঁদ। এ কি মা! এতো ভারী? একেক দিকে এক একটা বড়ো কুমড়ো বসিয়ে দিলে যতোটা ফুলে ওঠে, তার চাইতেও বড়ো হয়ে ফুলে আছে মায়ের পেছনের শাড়ির তলায় পোঁদের দুই মাংসপিন্ড! মা যখন নতুন খড় নেওয়ার জন্য মাটিতে ঝুঁকলো, মায়ের পোঁদের মাংস আরও ফুলে গিয়ে বিরাট আকার ধারণ করেছে! তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াতেই আমার চোখ আটকে গেল আমার মায়ের পোঁদের দুই দাবনার মধ্যিখানের চেরায়। মায়ের শাড়ি সেখানকার গভীর চেরার অন্ধকারে ঢুকে গেছে। আহ্....এ কি অপরূপ দেহ মায়ের! এই ৩৫ বছরের বিবাহিত এক নারীর শরীরের আনাচে কানাচে কামনার নেশা ছুটে বেড়াচ্ছে যেন....তাকে ধরতে পারলেই কাজ হাসিল হবে!

হঠাৎ এমনসময় মা আমার দিকে তাকালো। আমি তৎক্ষণাৎ মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলাম। মা বোধহয় অত গুরুত্ব দিয়ে আমায় দেখেনি। সে আপনমনেই নিজের কাজ সারতে লাগলো। আর আমার‌ মনে সেই পাপবোধ আবার ঘুরে এলো। 

আমি এসব কি করছি? শুরু হয়েছিল মায়ের স্পর্শে একটা অনুভূতি দিয়ে, সেই অনুভুতিই বদলে গিয়ে কামের নেশায় মায়ের সঙ্গমরত আওয়াজ শুনে আমায় দিয়ে জীবনের বড়ো অপরাধ ঘটালো, আমার বীর্যপাত হলো, সেখানেও সে থেমে থাকলো না, আজ মায়ের শরীরে তার নিজের পেটের সন্তানের কু দৃষ্টি পড়লো! আমি কুনজরে মায়ের দেহ এই দুই চোখ দিয়েই যেন ভোগ করলাম। না , আর না। আমার জনম দুঃখী মা, আমার সরল মা, আমার অসহায় মা....সে আমার মা.... তাকে নিয়ে আর কোনো কুচিন্তা নয়....এই মুহূর্ত থেকে!

এরপর মাকে অনেকবার জিগ্যেস করেছি যে সে কেন আমার সঙ্গে কথা বলছে না, জানি আমি সবটাই, তবুও মায়ের মুখ থেকেই শুনতে চাইছিলাম, যাতে নিজের মুখে মা মনের কথা খুলে বলে নিজের মন হালকা করতে পারে। দেখলাম তাতেও মায়ের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হলো না! তারপর আমি আর এগোয়নি, কারণ এরপর এগোলে অর্থাৎ বাবা সেই রাতে মাকে কি বলেছিল, এটা যে আমি জানি, এটা বলে দিলে মা লজ্জায় পড়ে যাবে, কারণ বাবা এসব বলেছিল মায়ের সঙ্গে যৌন মিলনের সময়। তাই আর এই বিষয়ে কথা তুললাম না। 

দিন কাটতে লাগলো। মা যতটা না বললেই নয়, ততটাই কথা বলে এখন। যদিও মা এভাবেই কথা বলছে, মনে মনে বুঝতে পারি যে তার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে তার প্রাণের ছেলের সঙ্গে ভালোভাবে কথা না বলার যন্ত্রনায়। মায়ের চোখ দিয়ে কতবার আমি জল ঝরতে দেখেছি, কিন্তু কিছু বলতে গেলেই চোখ মুছে অন্যদিকে চলে যায়। এদিকে আমার ইন্টারভিউয়ের কোনো ফলাফলই পেলাম না আর। চাকরিটা আদৌ হবে কি না, তাও জানিনা, হয়তো আমায় বাদ দিয়ে তারা অন্য কারোকে নিয়ে নিয়েছে। চাকরিটা পোস্ট অফিসের কেরানির চাকরি। বেতন ভালো। কিন্তু বুঝলাম যে আমার ভাগ্যটা সত্যিই খারাপ! এদিকে চাকরির ব্যাপারেও নিশ্চিত নই, অন্যদিকে মাও কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে! এই দুই কারণে নিজের প্রতি রাগ হতে লাগলো। এই জীবনকে অর্থহীন মনে হতে লাগলো। এই অবস্থায় একজনের মনের জোর কমে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আমি চাকরির জন্য পড়াশোনা করা ছেড়ে দিলাম আর চাষের কাজে পুরোমাত্রায় লেগে পড়লাম।

একদিন সকালে মাঠে বেরোবো, বাবা ভোরেই চলে গেছে, দেখি বোন এসে আমার ঘরে ঢুকলো। কি ব্যাপার! ও তো কারণ ছাড়া আমার কাছে আসে না! কি কারণ হতে পারে? লতা আমার ঘরে ঢুকে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বিছানায় আমার পাশে এসে বসলো। আমি বললাম,

- কি রে, কিছু বলবি?

লতা একটু চাপা স্বভাবের। বাবা তাকে কলেজের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছে। ভয়ে সে বাবাকে কিছু বলতে পারেনি। সে আমাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না, তবুও আজ আমার কাছে এসেছে দেখে বুঝলাম খুব জরুরী কোনো ব্যাপার রয়েছে। সে একটু ফিসফিসিয়ে বললো,

- আমায় একটা সাহায্য কর দাদা।

- কি করতে হবে বল?

- সেই ছেলেটা, মানে যাকে আমি ভালোবাসি, তার নাম নিশীথ। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। তুই বাবার সঙ্গে কথা বলেওর সঙ্গে আমার বিয়ের ব্যবস্থা কর। নিশীথ চাষবাস করে। ওর মা বাবা নেই। ওই চাষবাসের উপার্জনে আমাদের দুজনের ভালোভাবে চলে যাবে। আজ রাতেই তুই কথা বলবি বাবার সঙ্গে। নয়তো এর পরিণাম খুব খারাপ হবে...এই বলে রাখলাম!

বলে সে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল। আমি উঠে বাইরে এসে দেখি মা রান্না চাপাচ্ছে। মায়ের কাছে গিয়ে বললাম, 

- মা, একটা কথা আছে।

মা কিছুক্ষন চুপ থেকে একটু শান্ত গলায় বললো,

- বল।

- লতার ব্যাপারে।

মা দেখলাম একটু চিন্তিত হলো, কিছুক্ষণ কি যেন ভাবলো, তারপর বললো,

- লতার ওই ছেলেটার ব্যাপারে?

বুঝলাম এর আগে লতা মাকেও এই ইঙ্গিত দিয়েছিল। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম,

- হ্যাঁ মা। ছেলেটার নাম নিশীথ। আমাদেরই মতো চাষী, মা বাবা নেই, একা থাকে। বিয়ে দিলেও কোনো সমস্যা নেই, ভালো থাকবে লতা।

- আমি কি বলবো চয়ন, তোর বাবাকে বলে দেখিস!

আমি বুঝলাম মা রাজি, কিন্তু বাবার কথাই শেষ কথা! তাই রাতে বাবার সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলবো ঠিক করে আর কিছু না ভেবে কাঁধে গামছা আর হাতে একটা কোদাল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে গেলাম। 

বাড়ি থেকে বেরোবার আগে দেখলাম....মায়ের সৌন্দর্য্য! কি অপরূপ সুন্দরী সে! কথা বন্ধ হওয়ার পর থেকে তার সৌন্দর্য্য যেন আমায় আরো বেশি করে আকর্ষণ করছে! যে যতদূরে ঠেলতে চায়, তার প্রতি মোহ তত বেশি বাড়ে! যত মা আমায় দূরে ঠেলার চেষ্টা করার অভিনয় করছে বাবার আদেশে, তত বেশি করে আমি যেন মায়ের লাবণ্যময়ী সৌন্দর্য্যের ঘোরে তার আরও কাছে চলে যাচ্ছি। সেই কুচিন্তাগুলো আসছে! আমি তাদের গুরুত্ব না দেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু ধীরে ধীরে তা গুরুত্ব পেয়েই যাচ্ছে....দিন দিন যেন তার প্রভাব বাড়ছে! 

যত বেশি ভাবি মায়ের নিয়ে এসব চিন্তা করবো না, এসব পাপ, এই সমাজে নিষিদ্ধ, তত বেশি করে এই পাপ কাজকেই ভালো লাগছে আমার! বারে বারে এই পাপে আমি লিপ্ত হচ্ছি, হয়ে চলেছি! যেন আমার মনে সেই 'পাপবোধ' শব্দের যে ক্ষমতা এতদিন ছিল, তা ক্রমে কমে আসছে আর মায়ের প্রতি এই অনুভূতির যে সূচনা হয়েছিল, তার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পেতে অসীমে গিয়ে ঠেকছে। আগে তো মায়ের দিকে তাকালে এই নিষিদ্ধ ভালো লাগার উদয় হলে একটু হলেও খারাপ লাগতো, কিন্তু এখন? এখন যে আর তাও লাগেনা.... শুধু এই নিষিদ্ধ অনুভূতির পুজো করে চলেছি গোপনে.... আমার মনের অন্তরালে...!

ধীরে ধীরে আমি এমন হয়ে যাচ্ছি যে নিজেকেই নিজে চিনতে পারি না মাঝে মাঝে!

এইতো কদিন আগেই সকালে মা উঠোনে বসে গোরুর দুধ দুইছিল একটা বালতিতে। দুহাতে দুটো বাঁট ধরে উপর থেকে নিচ অবধি নিংড়ে নিংড়ে দুধ বের করে বালতি ভরে তুলছিল। আমি ঘুম থেকে উঠে দাঁতন দিয়ে দাঁত পরিস্কার করছিলাম তার সামনেই। মা একমনে গোরুর দুধ দুইছে। আমি আড়চোখে তাকিয়ে দেখলাম মায়ের বুকের কাছটায় কাপড় সরে গিয়ে বড়ো বড়ো দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকেই দেখা যাচ্ছে। এমনসময় গোরুর দুধ দুইতে গিয়ে গোরুটা একটু নড়ে ওঠায় তার দুধের বাঁট থেকে পিচকিরির মতো দুধ গিয়ে মায়ের মুখ, হাত আর ব্লাউজের ওপরে ছিটকে পড়লো। আর এতেই আমি পাগল হয়ে গেলাম। ব্লাউজের ঠিক মাঝখানে যেখানে মায়ের দুধের বোঁটা রয়েছে, সেখানেই গোরুর দুধ ছিটকে লেগেছে আর তাতে ব্লাউজ ভিজে গিয়ে মায়ের দুটো দুধের বোঁটা ফুটে উঠল। কি দৃশ্য দেখালে আমায় মা! ফোলা ফোলা বড়ো বোঁটা মায়ের দুটো দুধের মধ্যিখানে স্পষ্ট হয়ে ব্লাউজ থেকে মুখ উঁচিয়ে ফুলে আছে বাইরের দিকে। মায়ের সেদিকে খেয়াল নেই। আমি দাঁতন ছেড়ে আরো কাছে এগিয়ে গিয়ে মাকে গোরুর দুধ দুইতে সাহায্য করার নাম করে গোরুটার পা দুটো শক্ত হাতে ধরলাম মায়ের বিপরীত দিকে মায়ের দুধের দিকে মুখ করে। মা তাকিয়ে আছে গোরুর দুধের বাঁটে, আমি তাকিয়ে আছি মায়ের দুধের বোঁটায়। মা যেভাবে দুধ দুইছে, আমি কল্পনা করতে লাগলাম আমিও একদিন ঠিক এইভাবেই তোমার ওই দুটো বড়ো ভারী নরম থলথলে দুধকে দুইবো মা! তোমায় হামাগুড়ি দিয়ে বসিয়ে তোমার দুধের পাশে বসে নিচে ছোটো হাঁড়ি রেখে প্রথমে তোমার বাঁদিকের বড়ো দুধটা দুইবো, তারপর সেখানকার দুধ শেষ হলে ডানদিকের দুধে হাত দেবো....ঠিক এইভাবেই। বালতি ধরে থাকতে থাকতে আমার বাড়া প্যান্টের ভেতরেই ফুলে উঠে দাঁড়িয়ে গেল। 

মা গোরুর দুধের বাঁট থেকে চোখ সরিয়ে যদি আমার দিকে একবারের জন্যেও চেয়ে দেখতো, তবে মা বুঝতে পারতো, তার নিজের পেটের ছেলে তাকে গোরুর দুধ দুইতে দেখে তার মায়ের বড়ো বড়ো দুধের বোঁটা দেখতে দেখতে কল্পনায় তার দুধ দোয়াবার কথা ভেবে ভেবে নিজের লম্বা বাড়া শক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু মা তাকায়নি আমার দিকে। মা ভাবতেও পারে না যে একথা! নিজের পেটের ছেলে হয়ে যে নিজের মায়ের নিয়ে এমন কুরুচিকর নোংরা চিন্তা করতে পারে, চারুলতা তা ভাবতেও পারেনা! 

আমি মাঝে মাঝে ভাবি, আমি যেমন মায়ের কথা শোনার জন্য ছটফট করছি, মাকে আগের রূপে দেখার জন্য যন্ত্রনা পাচ্ছি, মাকে আবার আগের মতো করে পাওয়ার জন্য আমার প্রাণ ওষ্ঠাগত, মায়েরও কি সেই অবস্থা হয়নি ভেতরে ভেতরে? বুঝতে পারিনা। নারীর মুখ আর মন দুই ভিন্ন ধাতু দিয়ে গড়া, ভেতরে ধ্বংসাত্মক ঝড়ে তোলপাড় চললেও মুখে মধ্যসমুদ্রের জলরাশির মতো শান্ত ভাব এরা তৈরি করতে জানে! এইজন্যই এরা নারী! এদের মনের কথা পড়া অসম্ভব!

সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এলাম বাবার একটু পরে। বাবা একটু আগেই ফিরে গেছে। আমি বাকি চাষীদের সঙ্গে কথাবার্তা শেষ করে মাঠের সব কাজ সেরে বাড়ি ঢুকলাম। তারপর ঘরে গিয়ে সারাদিনের ঘামে ভেজা জামাকাপড় ছেড়ে রেখে ভাবলাম পুকুরের জল এনে স্নান করবো , তাই গামছা হাতে  ঘর থেকে বেরোতে যাবো, দেখি মা লন্ঠন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার ঘরের বাইরে। মা এমন রোজ করে। আমি আর বাবা বাড়ি ফিরে এলে লন্ঠন হাতে করে পুকুরে আমাদের সঙ্গে যায় আলো দেখিয়ে। মায়ের মুখে তাকিয়ে দেখলাম। চোখের দিকে তাকিয়ে কিচ্ছু বোঝার উপায় নেই মা মনে মনে কি ভাবছে। আজ আমার ভয়ঙ্কর রাগ হলো মায়ের ওপর আর আমার ভেতরে একটা শুরু হলো প্রবল ঝড়....! তাই নিজের মনে মনেই মাকে বলে উঠলাম,

আমি কি দোষ করেছি যে তুমি আমার সঙ্গে কথা বন্ধ করে প্রতিনিয়ত আমার বুকে ছুরি মারছো? তুমি জানো যে ছোটো থেকেই তোমার সঙ্গে মন খুলে গল্প না করলে, তোমার হাতে না খেলে, তোমার সঙ্গে দুদন্ড বসে না থাকলে আমার কষ্ট হয়! তুমি জানো না বুঝি এগুলো? নাকি স্বামীর কথাই তোমার জীবনের সব? আমি কি তোমার কেউ নই? আমি কি সংসারের জন্য, তোমার জন্য কিছুই করিনি? 

এসব ভাবতে ভাবতে আমার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো, কাঁদলাম না, কিন্তু মায়ের কাছে দাঁড়িয়েও থাকতে পারলাম না আর। মুখে কড়াভাবেই মাকে বলে ফেললাম,

- দাও, তোমায় আমার সঙ্গে পুকুরে যেতে হবে না, তোমার স্বামীকে চা দাও গিয়ে।

এই কথাটা কি বললাম আমি! তোমার স্বামী? সে তো আমার বাবা হয়! এই কথাটা সাধারনভাবে শুনলে সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু অবস্থাবিশেষে কথার অর্থ বদলে যায়। আমি ঠিক ওই সাধারনভাবে এই কথা বলিনি। এই 'তোমার স্বামী' কথার মধ্যে লুকোনো ছিল বাবার প্রতি এক নারীর জন্য হিংসা, জ্বলন ও মায়ের জন্য অভিমান। জানিনা মা এর অর্থ কি বের করলো, কিন্তু আমি এই অর্থেই কথাটা বলেছিলাম মাকে। তারপর আর সেখানে দাঁড়ায়নি, মায়ের হাত থেকে একপ্রকার জোরেই লন্ঠন কেড়ে নিয়ে উঠোন থেকে একটা বালতি তুলে দ্রুতপদে পুকুরে চলে গেলাম। 

লন্ঠনটা নেওয়ার সময় মায়ের চোখের দিকে একবার চোখ পড়েছিল আমার, সেই অল্প মুহূর্তের জন্যেই দেখেছিলাম মায়ের দুই চোখে কষ্ট, যন্ত্রনা ও তার মনের তীব্র ছটফটানি....এক অসহ্য ব্যাথা যেন তার শরীর ও মনকে এফোঁড় ওফোঁড় করে এই রাতের অন্ধকারে হাহাকার করে উঠলো!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 2 Guest(s)