Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#7

পর্ব - ৭

লতা যাবার আগে নিশীথের বাড়ির ঠিকানা আমায় দিয়ে গিয়েছিল। তাকে আমি বলেছিলাম আমি নিজে গিয়ে তোর বিয়ে দিয়ে আসবো। তাই এসেছি বনদুলিতে। এই গ্রাম বেশ সুন্দর ও নির্জন। নিশীথের বাড়িটা দেখলাম বেশ ছোটো, মাটির বাড়ি, খড়ের ছাউনি, মাত্র একটাই ঘর। পাঁচিল ঘেরা উঠোন নেই, তবে বাড়ির সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা আছে। 

সেখানে যখন ঢুকলাম, তখন দেখি নিশীথ সবকিছু আয়োজন করেই রেখেছিল আগে থেকে। আমি বাড়িতে ঢুকতেই লতা আমায় জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠলো। আমি তার মাথায় হাত বুলিয়ে পরম স্নেহে বললাম,

- কাঁদছিস কেন বোকা মেয়ে! বাবা এদিকে আসবেনা, মাকে আমি বুঝিয়ে দেবো, তুই নিশ্চিন্তে স্বামীর ঘর কর।

সে কেঁদে উঠে বললো,

- আমি সেজন্য কাঁদছি না রে দাদা, তোকে আমি কতবার কতভাবেই না কটু কথা শুনিয়ে এসেছি বলতো....আর আজ দ্যাখ তুই-ই আমায় আমার ভালোবাসাকে পাইয়ে দিলি....এই পৃথিবীতে সব মেয়েরা যেন তোর মতো দাদা পায়!

- ধুর পাগলী, তোর কটু কথাও যে আমার বেশ‌ লাগতো শুনতে, তুই যে আমার বোন রে, নিজের মায়ের পেটের বোন!

কথায় কথায় মায়ের কথা উঠে আসতে মায়ের মুখটা ভেসে উঠলো। কি জানি সে এখন কি করছে একলাটি! বাবাও বাড়িতে নেই, আমিও এখানে, মা বাড়ির কাজ করতে করতেই না জানি কত অশ্রু ঝরিয়ে চলেছে নিজের অজান্তেই! মায়ের এই কান্না ভরা মুখখানি দেখতে বড্ড কষ্ট হয়!

নিশীথের সঙ্গে পরিচয় হলো আজ ভালো করে। ও আমারই বয়সী, তবে দেহের গড়ন একটু রোগাটে। এর আগে ওর ব্যাপারে যতটা জেনেছিলাম, আজ জানলাম অন্যকিছু! তার বাড়িতে গ্রামের অনেকেই এসেছে নিমন্ত্রণ পেয়ে, গ্রামের দাদা বৌদি, কাকু কাকিমারা এসে বিয়ের তোড়জোড় করছে, সাহায্য করছে নিশীথ ও লতার বিয়ের আয়োজনে। একটা লতার বয়সীই মেয়েকে দেখলাম লতাকে একটা লাল শাড়ি পরিয়ে তার মুখে চন্দন ফোঁটা দিয়ে সাজাচ্ছে। লতা, আমার বোন, আজ পরের ঘরে এসেছে, সে এবার পরের হয়ে যাচ্ছে। এইসব ভাবতে ভাবতে আমি ভিড়ের জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এলাম।

বাইরে এসে দাঁড়াতেই একটা হাসির আওয়াজ পেলাম। বাড়ির পেছন দিক থেকে নিশীথের গলার আওয়াজ আসছে। সেদিকে নিঃশব্দে একটু এগিয়ে গিয়ে যা দেখলাম, তাতে আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল। 

দেখলাম নিশীথ গ্রামেরই এক মধ্যবয়সী ফর্সা ধবধবে কাকিমাকে জড়িয়ে ধরে ঝোপের মধ্যে ঢুকে বসে সেই কাকিমার শাড়ি ব্লাউজের ওপর দিয়েই তার দুটো দুধকে হাতের মুঠোয় নিয়ে টিপে চলেছে আর কাকিমাটা এলোপাথাড়ি নিশীথের গলায় ঘাড়ে মুখে ঠোঁটে চুমু খাচ্ছে। কাকিমার বয়স ৪০ এর কাছাকাছি হবে। দেখতে গৌরবর্ণা ও স্বাস্থ্যবতী হলেও মুখের মধ্যে সেই শ্রী-টা নেই, যা আমার মায়ের মুখে দেখেছি। তবে এনার মধ্যে একটা কামুকি ভাব উগ্র হয়ে ফুটে আছে দেখলাম, যেটা মায়ের মধ্যেও আছে, তবে এতো উগ্র নয়, সূক্ষ্ম। তবে মায়ের দুধগুলো এর থেকে বড়ো ভরাট, কিন্তু ঝোলেনি একফোঁটাও। কিন্তু এই কাকিমার দুধ তুলনামূলক ছোটো কিন্তু ঝুলে গেছে পেটের কাছে। এর মধ্যে একটা মাগী মাগী ভাব আছে। এর চোখে এমন নেশা, যা আমাদের পুরুষদের কাছে টানার জন্য উপযুক্ত। মায়ের কথা মনে পড়লো, মায়ের দুধ ও পোঁদের গড়ন এর থেকেও মায়াবী। কিন্তু সমগ্র পুরুষ জাতিকে টানার ছল তার চোখে নেই, সে যে চরিত্রহীন নয়! সেই টান কেবল আমিই অনুভব করি। এর দুধ দুটো দেখতে দেখতে মায়ের দুধ দুটো চোখের সামনে ভেসে উঠলো আর অনুভব করলাম আমার বাড়া শক্ত হয়ে প্যান্টের ভেতর থেকেই দাঁড়িয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

কাকিমাটা চোখ বুজে গুঙিয়ে উঠছে উত্তেজনায় আর নিশীথ তার দুধ টিপতে টিপতেই শাড়ি সরিয়ে ব্লাউজের ওপর থেকেই তার দুধ চাটছে পাগলের মতো। নিশীথ ও কাকিমাটার কামঘন কথোপকথন শুরু হলো এবার,

- নিশীথ, উফফফফফফ্....তোমার যে আজ বিয়ে! তুমি পরনারীর দেহ নিয়ে মজে আছো? 

- কথা বোলো না এখন, আজ সকাল থেকে অনেক খাটুনি গেছে, তেষ্টায় বুক ফেটে যাচ্ছে আমার, আমায় তোমার দুধ আকন্ঠ পান করতে দাও গো কাকিমা, তোমার দুধেই আমার তেষ্টা মেটাবো এখন!

- ইস্, আস্তে টেপো, ছিঁড়ে ফেলবে নাকি! তা বলি, তোমার বউ যে তোমার বাড়া নিজের টাইট গুদে নেওয়ার জন্য ছটফট করছে গো?

- আর ওর কথা বাদ দাও দেখি....লতার গুদ কি আমি কম মেরেছি নাকি! চুদে চুদে ওর পেট বাঁধিয়ে দিয়েছি বলেই তো মাগী তাড়া দিচ্ছিল বিয়ের জন্য। 

বলে কি নিশীথ! আমার বোন পোয়াতি? লতা কারোকে কিচ্ছু বলেনি এই ব্যাপারে। আর বললেও বা কি হতো, জুটতো কেবল বাবার হাতে মার। 

- কি বলছো....বিয়ের আগেই পোয়াতি..... উফফফফফফফফ্....আসতে টেপো সোনা....এই এই কি করছো... খুলতে দেবোনা....আজ খুলতে দেবোনা.... লক্ষীটি, কেউ এসে পড়বে।

আমি জীবনে প্রথমবার কোনো নারীকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখা শুরু করলাম আজ...এতো সৌন্দর্য্য নারীর এই শরীরে! 

নিশীথ কাকিমার ব্লাউজ খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে তার দুই দুধকে হাতের মুঠোয় নিয়ে ডানদিকের দুধে মুখ দিলো। তার দুধ কত নরম, অথচ জমাট বেঁধে শক্তভাব তৈরি করে রেখেছে। নিশীথ ঠোঁট বসালো এবার ডানদিকের দুধের বোঁটায়। বোঁটাটাকে ঘিরে রেখেছে একটা চকোলেট রঙের বলয়। নিশীথ যখন তার‌ ডানদিকের দুধের বোঁটা চুষছে, তখন তার বাঁ দিকের দুধটা ধরে নিশীথের খাবলানোর সময় দেখলাম কাকিমাটার দুধের বোঁটা দিয়ে চিরিক চিরিক করে দুধ ছিটকে এসে নিশীথের বুকের কাছের জামাটা ভিজিয়ে দিচ্ছে। কি দুধ ভরে আছে কাকিমার বুকে। এই দৃশ্য দেখে আমার বাড়া প্যান্টের ভেতরেই ছটফট করতে শুরু করলো। নিশীথ যত কাকিমার দুধ টিপছে, তত দুধ বেরিয়ে আসছে। 

আমি একদৃষ্টিতে কাকিমার বাঁ দিকের বুকটা থেকে বেরিয়ে আসা সাদা দুধের ঝর্নার দিকে তাকিয়ে আছি, এমনসময় হঠাৎ কাকিমার চোখের দিকে চোখ পড়ায় দেখি কাকিমা আমার দিকে চেয়ে হাসছেন। আমি লজ্জায় দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়লাম।

লতার কাছে বসে আছি। লতা পোয়াতি! বিয়ের আগেই পোয়াতি! তার মুখে খুশির ছটা দেখে আমি যতটা না খুশি হলাম, তার থেকেও বেশি দুঃখ পেলাম এটা ভেবে যে সে যাকে ভালোবাসে, সে এক দুঃশ্চরিত্র লম্পট। বিয়ের‌ দিনে যে বাড়ির‌ পেছনে ঝোপের অন্ধকারে বসে গ্রামের দুগ্ধবতী কাকিমার ব্লাউজ খুলে বুকের দুধ খায়, তাকে আর কিইবা বলা যায়! লতার চোখের দিকে চেয়ে বড়ো মায়া হল! বেচারি! আমি নিশীথকে ওই অবস্থায় দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম লতাকে সব জানিয়ে দেবো। কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, যদি নিশীথের সঙ্গে তার বিয়ে ভেঙে যায়, তবে লতার এই মুহূর্তে আর কোনো যাবার জায়গা থাকবে না। এখানেও থাকতে পারবে না, বাবাও এসব জানার পর আর তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেবে না। তাই কথাটা আর বললাম না লতাকে। শুধু নিজের মনে এই ভেবে সান্তনা পেলাম যে, হয়তো বিয়ের পরে স্ত্রীর স্পর্শে নিশীথ শুধরে যাবে। কিন্তু তখন কি জানতাম যে নিশীথ-ই কত বড়ো কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে আমার জীবনে....হায় রে কপাল.... যদি জানতাম তবে সেদিনই তাকে গ্রামের সকলের সামনে মাথার ওপর তুলে আছড়ে ফেলতাম মাটিতে। আমার এই তাগড়া শরীর তার ওই রোগাটে শরীরের সব হাড়কে মড়মড়িয়ে ভেঙে দিতো! 

রাত তখন প্রায় দশটা। আমি এখানে এসে আটকে পড়েছি। ওদিকে বাড়িতে মা কি করছে, কেমন আছে, বাবা তার ওপর কোনো অত্যাচার করছে কি না, এসব চিন্তা আমার ভেতরে ভেতরে চলতে লাগলো। কিন্তু বোনকে কথা দিয়েছিলাম ওর বিয়ে শেষ না করে যাবো না। তাই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর যখন ফুলসজ্জার আয়োজন শুরু হলো, আমি লতার কাছে গিয়ে তাকে বিদায় জানালাম। ও আমায় জড়িয়ে ধরে আমার বুকে মুখ গুঁজে কাঁদতে শুরু করলো। মেয়েরা এমনই হয়! আমি কোনোপ্রকার তাকে বুঝিয়ে তাকে রেখে এলাম শ্বশুরবাড়িতে। 

নিশীথের বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েকটা বাড়ি পাশাপাশি, তারপরেই মাটির রাস্তা চলে গেছে আরও দুটো গ্রাম পেরিয়ে গোবাদায়,আমাদের গ্রামের দিকে। সাইকেলে চড়ে কয়েকটা ঘর পেরিয়েছি মাত্র, পাশ থেকে খুব অল্প স্বরে একটা নারীকন্ঠ ভেসে এলো,

- এই যে, এদিকে....এই যে পালোয়ান।

আমি বাঁদিকে তাকিয়ে দেখি সেখানে একটা বাড়ির পাশের ফাঁকা গোয়ালঘরের মুখে অন্ধকারে একটা নারীমূর্তি দাঁড়িয়ে আমার দিকে চেয়ে হাসছে। আমি সাইকেল থেকে নেমে কাছে গেলাম। কাছে যেতেই চিনতে পারলাম তাকে...সকালে নিশীথের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা সেই কাকিমাটা। এই ফাঁকা নির্জন জায়গায় রাতের অন্ধকারে এইভাবে এক অচেনা মহিলার কাছে যেতে কেমন জানি একটা লাগলো আমার। তবুও গেলাম। কাছে গিয়ে দাঁড়াতে সে হেসে বললো,

- কি গো....তখন অমন করে দেখছিলে যে আমায়?

এই কথায় আমার এক অন্যরকম অনুভূতি মনে কাজ করা শুরু করলো। এ যেন আর পাঁচজন সাধারণ নারীর কন্ঠস্বর নয়, এই কন্ঠস্বর যেন এক কামিনীর, যার ডাকে দেহের অঙ্গে অঙ্গে কামের ঝড় শুরু হয়! আমি বললাম,

- আপনি এই গ্রামেই থাকেন?

কাকিমাটা আমার কোমরের নিচে বাড়ার কাছটায় একবার চোখ বুলিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো,

- আমার একটা নাম আছে, মালতী, আপনি আপনি করবে না আমায়। নাম ধরে ডাকবে। হ্যাঁ আমি এই গ্রামেই থাকি, এই বাড়িটাই আমার। তবে একা। বরটা মারা গেছে অনেক বছর।

যে বাড়ির এটা গোয়ালঘর, মালতীর হাতের ইশারায় বুঝলাম এই বাড়িটাই তার। তাহলে মালতী একজন বিধবা আর স্বামীর সোহাগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্যেই পরপুরুষের প্রতি আগ্রহ এতো তীব্র। এখন এর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার চাইতে মায়ের কাছে যাওয়া বেশি জরুরি, তাই বললাম,

- বুঝলাম। ভালো থাকবেন। আমি এবার যাই।

- কি বলছো চয়ন! এর মধ্যেই ফিরে যাবে? এখনো তো ফুলসজ্জাই শুরু হলো না.... মানে তোমার বোনের।

কথার ইঙ্গিত ভালো লাগলো না। নারীদেহের প্রতি আকর্ষণ আমার আছে, কিন্তু তা সব নারীদেহের জন্য নয়... শুধুমাত্র একজন নারীর জন্য...আর সে আমার চারুলতা!

- এসো, ভেতরে এসো...এই গ্রামে অতিথি এলে তাকে না খাইয়ে ফিরতে দেওয়া হয়না.... বুঝলে!

আমার কিছু বুঝে ওঠার আগেই মালতী আমার হাত ধরে গোয়ালঘরটা ছাড়িয়ে নিয়ে গেল তার বাড়ির ভেতরে, তারপর ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম,

- কি করছেন আপনি? আপনি একা থাকেন, এই রাতে আপনার ঘরে আমার প্রবেশ করা ঠিক নয়!

- একলা থাকলেই তো প্রবেশে সুবিধা হয় চয়ন!

- আপনার কথার মাথামুন্ডু কিছু বুঝতে পারছি না। আমার তাড়া আছে, আমি আসছি।

তার হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে পেছন ফিরে দরজা খুলতে যাবো এমনসময় পেছন থেকে মালতী আমায় দুহাতে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করলো,

- চয়ন, আমি বেশ্যা নই। আমি জানি তুমি আমায় তাই ভাবছো। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি বেশ্যা নই। আমি যে স্বামীহারা এক নিঃসঙ্গ স্ত্রী, যে তার এক সঙ্গীর আশায় বসে ছিল এতো কাল!

কথাগুলো শুনে মনটা উদাস হয়ে গেল। মালতী যেন আমার মনের কথা পড়তে পেরেছে। আমি তাকে বেশ্যাই ভেবেছিলাম। কিন্তু তার এই কথায় কেন জানি না মনে হলো সে মিথ্যা বলছে না! আমি তার বাহুবন্ধন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে পেছন ফিরে তার দিকে তাকিয়ে দাঁড়ালাম। মালতীর দুচোখ থেকে জল ঝরে পড়ছে, আমায় বললো,

- স্বামীটা ছেড়ে গেল পাঁচ বছর হলো। তারপর থেকেই একলা ঘুরে ঘুরে বেড়িয়েছি জানো। প্রথমে ভাবলাম একাই থাকবো। কিন্তু এই শরীর বাঁধ সাধল। এত ক্ষুধার্ত করে তুললো আমায়। আমার অবস্থাটা বোঝো, স্বামী নেই, ঘরে আর কোনো লোক নেই, এইভাবে একা একা কতদিন বাঁচতে পারে একটা মানুষ.... বিশেষ করে একজন মহিলা! আমি বেশ্যা তখনও থাকি নি, আজও নই। আমি নাগর খুঁজিনি, স্বামী খুঁজছিলাম। একজনকে পেয়েছিলাম জানো, পাশের গাঁয়ে থাকে, বয়সটা আমার চাইতে অনেকটা বেশি। কাছে এলো, কথা বললো, আমি ভাবলাম আমায় নিজের বুকে আশ্রয় দেবে। তারপর দেখলাম সবাই এক। এক রাতে ডেকে আমায় পোয়াতি বানিয়ে ছেড়ে দিল। ভাগ্য দেখো, মরা বাচ্চার জন্ম দিলাম। না পেলাম স্বামীর সুখ, না পেলাম সন্তান সুখ। কিছুই পেলাম না। শেষে এই নিশীথের সঙ্গে পরিচয় হলো। ও অনেকদিন থেকেই আমার দিকে এভাবে তাকাতো। শেষে ভেবে দেখলাম আমার ভাগ্যে বোধহয় আর স্বামীর ঘর জুটবে না। বুকে যন্ত্রনা নিয়ে আর কতদিন একজন মেয়ে বাঁচতে পারে বলো! তাই শেষে একদিন রাতে ঠিক করলাম, কিছুই তো পেলাম না, অন্তত দেহ সুখ পেয়েই জীবন কাটাবো আমি! সেদিন থেকেই নিশীথের সঙ্গে সঙ্গম শুরু করি। কিন্তু আজ....তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখো, বুঝবে যে আমি মিথ্যে বলছি না এক ফোঁটাও, আজ তোমায় দেখে, তোমার ওই বিশ্বস্ত মুখখানা দেখে আমার মনে আবার স্বামীর ঘর করার স্বপ্ন জাগলো, প্রেমের স্বপ্ন জাগলো। তাই....!

মালতী থামলো। আমি কিছু বলতে যাবো, তার সুযোগ না দিয়ে সে দ্রুত তার পোশাক খোলা শুরু করলো। তাকে আটকাতে গেলাম, পারলাম না। সে একাকীত্বের জ্বালায়, স্বামীর অভাবে আজ এই রাতে এক পাগলীতে পরিণত হয়েছে যেন...দেহরস না পেলে তার মুক্তি মিলবে না! মালতী একে একে তার শাড়ি, শায়া, ব্লাউজ খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেললো। তারপর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে আমার কাছে এগিয়ে এসে আমার বাঁ হাতটা ধরে তার ডান দুধের ওপর বসিয়ে দিল। আমি চোখ বন্ধ করলাম। হাত ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করলাম, কিন্তু মালতী আমার হাত ছাড়লো না। আমার হাত তার হাতের মুঠোয় ধরে চাপ দিয়ে তার ডানদিকের দুধের ওপর চেপে চেপে বসিয়ে দিল। তারপর মালতী আমার আরও কাছে এগিয়ে এসে দাঁড়ালো। আমি চোখ বন্ধ করেই আছি। এমনসময় মুখে চোখে একটা তরল পদার্থের স্পর্শ পাওয়ায় চোখ খুলে দেখি মালতী আমার সামনে দাঁড়িয়েই দুই হাতে তার ডানদিকের দুধ চেপে চেপে ধরে টিপছে, আর সেখান থেকেই ফিনকি দিয়ে তরল দুধ বেরিয়ে এসে আমার সারা মুখ ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। আমি পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। এমন ঘটনা আমার জীবনে এর আগে কখনও ঘটেনি, হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে পড়ে কি করতে হয় আমি ঠিক জানি না। মালতী একইভাবে দাঁড়িয়ে থেকে তার দুধ দিয়ে আমার মুখ চোখ ভিজিয়ে চলেছে। এমনসময় তার বুকের দুধ শেষ হয়ে এলো। আর সে আমায় অবাক করে দিয়ে আমার পায়ের কাছে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে আমার প্যান্টের চেইন টেনে নামিয়ে আমার শক্ত হয়ে থাকা বাড়াটাকে নিজের হাত দিয়ে প্যান্ট থেকে টেনে বের এনে আমার বাধা দেবার আগেই তার মুখে পুরে চুষতে শুরু করলো। আমার বাড়ায় তার জিভ লাগার সঙ্গে সঙ্গেই আমার সারা শরীরে জমে থাকা সুখ এসে যেন ওই বাড়ার ডগায় জমা হতে লাগলো।

এতো সুখ! আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.... মালতী.... তুমি থেমে যাও.....আমি  যে এটা করতে পারবো না তোমার সঙ্গে!!!

মালতীর হাতের মুঠোয় আমার বাড়া ধরছে না, ১০ ইঞ্চি লম্বা আর ৪ ইঞ্চি মোটা বাড়া যেকোনো নারীর পক্ষে ধরা সম্ভবও নয়। কিন্তু তাতেও সে কোনোভাবে তার দু হাত দিয়ে আমার বাড়াটাকে ধরে মুন্ডিটা মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে চুষতে লাগলো। 

আমি যে আর কিচ্ছু ভাবতে পারছিনা! এই গোটা জগৎ, এই গ্রাম, আমার বাড়ি, লতা, বিয়ে, মালতী সবকিছু অদৃশ্য হয়ে আমার চোখে ভেসে উঠলো চারুলতার মুখ। হ্যাঁ আমার মা চারুলতাই তো বসে রয়েছে আমার পায়ের কাছে। আমার মা আমার বাড়ার মুন্ডিটা সহ আরও অনেকটা নিজের মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে আমার বাড়ার রস চুষে চেটে খেতে লাগলো তৃষ্ণার্ত এক নারীর মতো। আমার বাড়ার গায়ে শিরাগুলো ফুলে উঠেছে যেন এই উত্তেজনা তার সীমা লঙ্ঘন করার চেষ্টা করছে। মা আমার বিচি দুটোকে হাতে নিয়ে তার নখ দিয়ে খুঁটতে খুঁটতে আমার কোমরের কাছে বসে আমার বাড়া একমনে চুষে যেতে লাগলো আমার চোখের দিকে তাকিয়েই।

আমি এবার আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। নীচু হয়ে মায়ের মুখ থেকে বাড়াটাকে বের করে নিয়ে মাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেলাম, তারপর দুহাতে ছুঁড়ে ফেললাম বিছানায়। আমিও ঝাঁপ দিলাম তার ওপরে। সে বিছানায় শুয়ে আমাকেই ইশারা করছিল, ডাকছিল আরও কাছে। আমি বুঝলাম মাগীর বড়ো খিদে...বাবা বলছিল না, এই মাগীর খিদে সে মেটাতে পারে না!  সত্যিই তাই, এর খিদে বড়ো বেশি! আমি তার বুকে উঠে তার দুটো বড়ো বড়ো দুধ ধরে টিপতে লাগলাম আমার পেশীবহুল শক্ত হাত দিয়ে। আমার তাগড়া শরীর তার নরম তুলতুলে শরীরকে চেপ্টে দিয়ে যেন বিছানায় ঠেসে রেখেছে। এতো জোরে তার দুধ টিপতে লাগলাম যে মা আমার জোরে জোরে চিৎকার শুরু করে দিয়েছে,

- কি করছো গো....আমায় কি মেরে ফেলবে আজ.....এতো জোরে টেপো না..... আহহহহহহহহহহ্ আহহহহহহ্ আহহহহহহ্ আহহহহহহ্..... আস্ত...... আস্তে....... উফফফফফফফফ্......মা.....গো......!!!!!

- মাগী এতো বড়ো দুধ তোর, এই দুধেই আমি আমার দেহকে পুষ্ট করবো। নে এবার...... ভালো লাগছে ????

- আহহহহহ্..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্......দুধ কিছুটা রেখে দিও গো.....সব শেষ করে দিওনা...!!!

মা এতো বড়ো দুধ বানিয়েছে যে দুহাত দিয়ে একটা দুধ ধরা যায়। দুহাতে তার বাঁ দুধটা ধরে এবার জোরে জোরে টিপতে লাগলাম, আর পিচকিরির মতো তরল দুধ এসে আমার ঠোঁট দিয়ে মুখে ঢুকতে লাগলো। আমি এবার মায়ের দুধে ঠোঁট বসিয়ে দিয়ে চুক চুক করে তার সব দুধ আকন্ঠ পান করা শুরু করলাম। কি মিষ্টি স্বাদ এই দুধের। মেয়েদের দুধ বুঝি এমনই হয়! কিছুক্ষনের মধ্যেই তার দুধ শেষ করে খালি দুধটা ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলাম তার মুখের ওপর। তারপর তাকে ভাবার সুযোগ না দিয়েই তার মুখে আমার মোটা লকলকে ১০ ইঞ্চির বাড়াটা ওক্ করে ঢুকিয়ে দিলাম। মাগীর চোখ উল্টে গেল। তার হাতদুটো দিয়ে আমার বাড়া মুখ থেকে বের করার চেষ্টা করেও পারলো না। শেষে আমার বুকে দুহাতে ঘুষি মারতে শুরু করলো। আমি তার মাথাটা আমার বাঁ হাতের থাবায় ধরে রেখে ডান হাত দিয়ে তার চুলের মুঠি ধরে তার মাথা উঠিয়ে উঠিয়ে আমার বাড়াটাকে তার মুখে পুরে দিতে লাগলাম। মাগী গুঙিয়ে উঠলো,

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....আর... ওক্.... পারছি..... ওক্.....না..... ওক্......!

আমি কোনো কথা শুনলাম না। মায়ের মুখে বাড়া আরও ভেতরে গলার মধ্যে ঠেসে ধরলাম। তার চোখ মুখ লাল হয়ে গেল। দম বন্ধ হয়ে আসছে যেন। প্রায় একঘন্টা ধরে তার মুখে আমার বড়ো মোটা লম্বা বাড়ার গাদন দিয়ে শেষে তার গলার ভেতরে আমার থকথকে সাদা বীর্য ঢেলে দিলাম। মুখ থেকে বাড়াটা ততক্ষণ বের করলাম না, যতক্ষণ না আমার মাল বেরোনো শেষ হচ্ছে। তার‌ গলায় বাড়া ঠেসে ধরায় সে আমার মাল গিলতে বাধ্য হলো। পুরো মাল মায়ের গলার গভীরে ঢেলে দিয়ে তার পাশেই শুয়ে পড়লাম।

- আহহহহহহহহহহহহহ্!

এতো আরাম! মায়ের ভেতরেই এতো সুখ! পাশে তাকালাম। 

- মালতী? তুমি?

- যাহ্, এতোক্ষণ সব দুধ খেয়ে গলায় মাল ঢেলে শেষে আমাকেই ভুলে গেলে যে? নাও এবার আমার খিদে আরো বেড়েছে.....আর যে পারছিনা সোনা....আমায় এবার গেঁথে দাও তোমার ওই জাদু কাঠি দিয়ে!

- না না না না.....! তুমি কিভাবে হবে! আমি তো মায়ের দুধ খেয়ে মায়ের গলায় আমার বীর্য ঢেলেছি....! 

- হ্যাঁ? তুমি নিজের মাকে ভেবে আমার সঙ্গে..... মানে তুমি নিজের মাকে....!

আমি উঠে পড়লাম তৎক্ষণাৎ। আর একটা কথা ভাবারও সময় নেই! আমার‌ মাথা আর কাজ করছে না। আমি একজন বাইরের মেয়ের সঙ্গে এগুলো কি করে বসলাম! ছিঃ! নিজের ওপরেই রাগে ঘৃণায় বাইরে এসে সাইকেলে চেপে রওনা দিলাম বাড়ির দিকে! মনে একটাই চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগলো,

- মা এখন কোন পরিস্থিতিতে আছে কে জানে!

তখনও পেছনের অন্ধকার থেকে ভেসে আসছে মালতীর অট্টহাসির শব্দ,

- তুমি নিজের মাকে ভেবে আমার দুধ খেলে....আমার মুখে.....হাঁ হাঁ হাঁ হাঁ....!!!

কন্ঠস্বরটা ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে এলো! এখনও অনেকটা পথ বাকি! তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁছানো দরকার!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)