Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#9

পর্ব - ৯

- কি রে চয়ন?

- মা....!

- বল চুষছিলি?

- আমি...!

- হুম বল....।

- আমার খুব ইচ্ছা হয়েছিল ছোটবেলার মতো করে আবার তোমার দুধ খেয়ে ঘুমোনোর....!

চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে আমি থামলাম। মায়ের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ার কথা যেন আমার বিশ্বাস হচ্ছে না এখনও। এত বোকামি করে ফেললাম আমি? এবার মা আমায় কোন চোখে দেখছে কে জানে? ভাবছে যে এমন ছেলের জন্ম সে দিয়েছে যে এই দূর্যোগের রাতে অন্ধকারে তার ঘুমোনোর সময় তারই পেটের ছেলে তারই ব্লাউজ খুলে তার দুধ খেয়েছে.... ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ....ছিঃ!

এমনসময় আবার বিকট শব্দে বাজ পড়লো, চারপাশে তার আলো ছড়িয়ে দিয়ে গেল সেকেন্ডের জন্য। ঝড়বৃষ্টির বেগ আরও বেড়ে উঠলো। মা বললো ,

- চয়ন একবার গোরুগুলোকে দেখে আয়...এই বাজ পড়ার শব্দে ওরা খুব ভয় পায়!

আমার এটা মাথাতেই নেই। দূর্যোগ শুরু হলে সবার আগে আমিই এই গরুগুলোর জন্য চিন্তা করি! কিন্তু আজ....আজ নিজের মায়ের উষ্ণ আলিঙ্গনে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম! কাঁথার তলায় আমার প্যান্ট হাঁটুর কাছে পড়ে আছে, সেটাকে তুলে মায়ের অজান্তেই কোনোভাবে পরে নিলাম। তারপর বিছানা থেকে নেমে দরজা খুলে বাইরে এলাম।

বাইরে যেন আজ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছে এই প্রকৃতি! প্রকৃতির এই রুদ্র রূপে গোরুগুলো গোয়ালঘরের ভেতর থেকে ডাকছে। বৃষ্টির শব্দে ‌তাদের ডাক অল্প শুনতে পাচ্ছি। বারান্দায় দাওয়ায় বৃষ্টির ছাঁট এসে ভিজিয়ে কাদা করে ফেলেছে। পাশে তাকিয়ে দেখলাম বাবার ঘরের দরজা বন্ধ, ঘুমোচ্ছে। আমি জামা প্যান্ট ছেড়ে গামছাটা পরে বারান্দা থেকে নেমে উঠোনে এসে দাঁড়ালাম। যেদিকে বড়ো গাছগুলো রয়েছে, ওর কাছেই গোয়ালঘর। 

গোয়ালঘরের টিনের পাতের দরজা ঝড়ের ঝাপটায় খুলে গেছে আর সেখান দিয়ে বৃষ্টি ঢুকছে আর ঝড়ের সন্ সন্ আওয়াজ আর বাজ পড়ার আওয়াজে গোরুগুলো ভয়ে ডাকছে। আমি দরজা বন্ধ করে তাদের কাছে গিয়ে দুটোকেই মাথায় গায়ে হাত বুলিয়ে দিলাম। একজন টান মেরে খুঁটি থেকে দড়ি খুলে ঘরের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দে ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছে। তার গায়ে ভালো করে হাত বুলিয়ে আবার তার দড়িটা খুঁটিতে বেঁধে দিলাম। তারপর দুজনকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললাম,

- আর ভয় নেই, ঝড় কমে যাবে তাড়াতাড়ি। লক্ষী সোনা আমার। আমি আসি, তোরা থাক্।

ওরা সব বুঝতে পারে! নিজের লোককে দেখে ওদের মন শান্ত হলো আর চুপচাপ বসে পড়ে আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল। বড্ড মায়া হল ওদের দেখে। ওদের একজনের নাম রিনু আর একজনের নাম মিনু। রিনুটা বড্ড ভীতু। দুটোকেই হাত বুলিয়ে বেরিয়ে এলাম বাইরে। তারপর বাইরে থেকে দরজাটা দড়ি দিয়ে ভালোভাবে বেঁধে দিলাম যাতে আর খুলে না যায়।

বারান্দায় এসে উঠলাম বৃষ্টি ভেজা সপসপে গায়ে। এখানে কেউ নেই। বাবা ঘুমোচ্ছে নিজের ঘরে, আর মা আমার ঘরে শুয়ে। তাই আমি গা মোছার জন্য গামছাটা খুলে নিয়ে উলঙ্গ হলাম আর ঠিক তক্ষুনি আমার ঘর থেকে মা বেরিয়ে এলো.... একইসঙ্গে প্রকৃতি বোধহয় আমার সঙ্গে রসিকতায় মেতে উঠলো... কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লো, আর তার আলোয় আমার উলঙ্গ শরীর মায়ের চোখে স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠল। হঠাৎ এই ঘটনায় আমি একরকম ভ্যাবলার মতো দাঁড়িয়ে রইলাম হাতে গামছা নিয়েই। মাকে দেখেও মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ আগের ঘনিষ্ঠতায় আমার বাড়া শক্ত হয়ে ফুলে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়েই ছিল, মা দেখলাম সেই বিদ্যুতের আলোর ওই কিছু সময়ের মধ্যেই আমার বাড়াটার দিকে একবার তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে অন্যদিকে তাকালো। আমি সঙ্গে সঙ্গে ভিজে গামছাটা আবার পরে নিলাম। তারপর মায়ের কাছে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ালাম। হাত দিয়ে তার কপাল ছুঁয়ে দেখলাম না জ্বর নেই। মাকে জিগ্যেস করলাম,

- তুমি কেন বেরোলে মা? রিনু দড়ি খুলে দিয়েছিল। ওর দড়ি বেঁধে আমি দরজাটা ভালো করে বেঁধে দিয়ে এসেছি। ঝড় দেখছো, ঝড়ের ঝাপটায় দরজা খুলে হা হয়েছিল। কিন্তু তুমি কেন উঠেছো আবার এই জ্বর অবস্থায়?

মা একটু ইতস্তত করতে লাগলো আমার কথায়। তারপর বললো,

- তুই ঘরে যা, গামছাটা খুলে জামা প্যান্ট পর, সর্দি বাঁধাবি নয়তো। আমি একটু বাইরে থেকে আসছি।

বুঝলাম মা পেচ্ছাপ করতে উঠেছে। আমাদের গ্রামে সেই সময় বাথরুম বলে কিছু ছিলোনা। পায়খানা করতে যেতে হতো ওই নদীর তীরেই জঙ্গলের মতো জায়গাটায়। পায়খানা সেরে সবাই নদীতে স্নান করে নিত। আর বাড়ির বাইরে গাছপালার ঝোঁপের মধ্যেই পেচ্ছাপ করতাম আমরা। তাই‌ মাকে এখন পেচ্ছাপ করতে হলে বাড়ির উঠোন পেরিয়ে বাইরে গিয়ে পেচ্ছাপ করতে হবে। কিন্তু মা যদি এই জ্বর গায়ে এই বৃষ্টিতে ভেজে, তাহলে মায়ের শরীর এতো অসুস্থ হয়ে উঠবে যে...আমি আর ভাবতে পারলাম না! মাকে বললাম,

- শোনো, এই বৃষ্টিতে তুমি ভিজবে না। এই দাওয়ার ওদিকটাতেই সেরে ফেলো, বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাবে।

অবাক হয়ে মা আমার দিকে চেয়ে আমার কথা শুনে লজ্জায় মাথা নিচু করে বললো,

- চয়ন....তুই ঘরে যা....তোর মুখে কিছুই আটকায় না!

- না মা, তুমি বাইরে যাবে না, আমি নিষেধ করছি।

- কিন্তু এইভাবে এইখানে এই বারান্দায় বসে আমি পে....ওটা করতে পারবো না....! একটু ভিজলে কিচ্ছু হবে না। আর যদি কিছু হয়...তুই তো আছিস আমার দেখভাল করার জন্য!

মায়ের মুখে একথা শুনে মনটা আমার ভরে উঠলো। একটু আগের ঘটা ঘটনা আমি বেমালুম ভুলে গিয়ে মনে হলো দুহাতে মাকে জড়িয়ে ধরে বুকের মধ্যে চেপে রাখি তার মুখটা। কিন্তু এসব স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে আমি মায়ের দুই কাঁধ ধরে তার মুখের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললাম,

- মা, আমি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তোমার সেবা করে যাবো...! তোমার কিছু হলে যে আমি সইতে পারি না গো....!

মা আমার ঠোঁট আঙুল দিয়ে চেপে ধরে বললো,

- এই কথা যদি আর কখনো বলিস, পরের দিন আমার মরা মুখ দেখবি তুই চয়ন.....!

বলে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো। আমার মা....! চারুলতা আমায় এতো ভালোবাসে! আমার চলে যাওয়া, আমার অভাব মা এতো অনুভব করে! মা....মাগো....এভাবেই যে আমি তোমার কাছে রয়ে যেতে চাই মা....তোমায় আমার বুকে চেপে ধরে! বলে মাকে আমি আমার দুই শক্ত হাতে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলাম আর মায়ের দুধ দুটো আমার বুকে ঠেসে গেল। মা আমার বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে কাঁদছে। আমি মায়ের মাথায় একটু চুমু খেলাম। আহ্....কি এক সুগন্ধি মায়ের চুল থেকে এসে আমায় পাগল করে তুলছে! আমার ভেতরের সন্তান সত্তাটা অদৃশ্য হয়ে পুরুষ সত্তার জাগরণ ঘটলো। আমি বাঁ হাতে মায়ের পিঠ ধরে রেখে ডান হাত ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে এনে মায়ের কোমরের উপরিভাগের নরম পেলব মাংসে হাত রাখলাম। তারপর মায়ের কোমরটা হাতের থাবায় একটু চেপে ধরলাম আমার শরীরে। মা আমার বুকে মুখ গুঁজেই একটু কেঁপে উঠলো যেন! মাকে আমার শরীরের সঙ্গে ওইভাবেই চেপে ধরে রেখে বললাম,

- তোমার অভাব যে আমি নিতে পারবো না মা...! আমি সবকিছু সইতে পারি, দুবেলা না খেয়ে খালি পেটেও ঘুমোতে যেতে পারি, কিন্তু মা, দুবেলা তোমার এই সুন্দর মুখখানি না দেখলে যে আমার মন ভরে ওঠে না মা....! তোমায় যে আমার খুব প্রয়োজন...!

মায়ের কান্না বেড়ে যায়। আমার বুক মায়ের চোখের জলে ভিজে উঠলো। মা কাঁদতে কাঁদতেই বললো,

- তোর বাবা আমায় সহ্য করতে পারে না, সবকিছুর জন্যই আমি দায়ী! আমি কি ভুল করেছি চয়ন....তুই বল?

- ভুল তোমার নয় মা, ভুল এই সমাজের...! যে সমাজ নারীদেরকে একটা খেলনা হিসেবে দেখে, তাকে যেকোনো অবস্থায় ভেঙে মুচড়ে তারা এক পৈশাচিক আনন্দ পায়। বাবা তোমায় ভালোবাসে না, বিয়ের পর থেকে তোমাকে শুধু ভোগ করেই এসেছে মা!

এই কথাগুলো আবেগের বশে বলে ফেলে ভাবলাম আমি মায়ের একটু বেশিই গোপন জায়গায় ঢুকে পড়লাম। ভোগ করার কথাটা না বললেই হতো! মা দেখলাম সেরকমভাবে কথাটা নিলনা। মা যে খুব সরল। জটিলতার ভিড়ে সে নিজেকে হারিয়ে ফেলে। মা আমার বুকের মধ্যে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বললো,

- কিন্তু আমি তো আমার দিক থেকে সবকিছু দিয়ে এসেছি....! একদিনের জন্যেও ওকে আমি কষ্ট দিইনি....!

আমার ভোলা মা! এই জগৎ যে তোমার এতো সারল্য ভরা হৃদয়টাকে এফোঁড় ওফোঁড় করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে গো....সুযোগ পেলেই তোমায় ব্যাথা দিতে ছাড়বে না! মায়ের কোমরটা ডান হাতের থাবায় আরও আমার শরীরে চেপে ধরলাম। বললাম,

- তুমি কষ্ট দাওনি, কারণ তুমি তুমি-ই, আর সে কষ্ট দেবে, কারণ সে সে-ই...! যার ভেতরটা যেরকম সে সবার সঙ্গে তেমনটাই করবে গো মা!

- তোর বোন আমায় কষ্ট দিয়ে এভাবে চলে যেতে পারলো? আমি কি না বলেছিলাম এই বিয়েতে....? শুধু তোর বাবার জন্য মুখ ফুটে কিছু বলতে পারি নি...! লতা ...আমার মেয়ে হয়ে এতো কষ্ট দিয়ে গেল আমায়! এখন সে কোথায় আছে....এই দূর্যোগের রাতে সে কি করছে!

আমি জানি সে কি করছে এখন! মুচকি হেসে মাকে এবার সবটা খুলে বললাম,

- মা...আমায় ক্ষমা কোরো, আমিই লতাকে বাড়ি থেকে পালাতে সাহায্য করেছিলাম....! নিজের ভালোবাসার মানুষটার কাছে তাকে যেতে দিয়েছিলাম...!

কিছুক্ষণ থেমে মায়ের কপালে একটা চুমু খেয়ে বললাম,

- নিজের ভালোবাসার মানুষটার কাছে না যেতে পাওয়ার কষ্ট কত যে হয়, তা আমি জানি!

এমনসময় মা দেখি মুখ তুলে একটু মায়ের সারল্য ভরা সহজ রসিকতায় মুচকি হেসে আমায় জিগ্যেস করলো,

- তুই বুঝি কারো প্রেমে পড়েছিস!

আমি বুঝলাম মা যেমন সরল, তেমনভাবেই সবকিছু দেখতে পায়। বুকের মধ্যে তাকে চেপে ধরে রেখে আনমনে বাইরের প্রবল ঝড় বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মায়ের কথার উত্তর দিলাম,

- হ্যাঁ মা....আমি একজনের প্রেমে পড়েছি....! শুধু দিন রাত তার চিন্তাই আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। তার দুঃখ যে আমি সইতে পারি না মা!

- বল আমায় সে কে... কিসের দুঃখ তার! 

- বলবো তোমায় একদিন... নিশ্চয়ই বলবো!

- আমি তোর মা। আমায় বলবি না তো কাকে বলবি তুই! আমার চোখের দিকে তাকা সোনা....বল সে কে?

আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। এমনসময় বিদ্যুতের ঝলকানি ও বিকট কান ফাটানো শব্দে চারপাশ কেঁপে উঠলো। মাও কেঁপে উঠে আমায় জড়িয়ে ধরলো আরও জোরে....! আমার বুকের মধ্যে তার মুখটা আরও ভেতরে গুঁজে দিলো ভয়ে... ! এতে মায়ের দুধ আমার বুকে আরও চেপে বসে লেপ্টে গেলো। আমি বাঁ হাতে তার পিঠ ধরে ডানহাত আরও নিচে নামিয়ে এনে মায়ের নরম তুলতুলে বড়ো পোঁদটাকে খাবলে ধরে আমার শরীরে তাকে মিশিয়ে দিলাম। এই ঝড় বৃষ্টির রাতে...এই ঘুটঘুটে অন্ধকারে...এই প্রকৃতির উন্মত্ত খেলায় দুই নরনারী একে অপরকে আলিঙ্গন করে দাঁড়িয়ে আছে একটি খড়ের ছাউনি দেওয়া মাটির বাড়ির বারান্দায়! মা এই প্রশ্নের উত্তর কি পেলো না? সে যে এখনও আমার চোখের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে! আমি মায়ের চোখের দিকে চেয়ে মনে মনে এই ঝড় বৃষ্টি অন্ধকারকে বিদীর্ণ করে চিৎকার করে বলে উঠলাম,

- তুমিই সেই নারী মা....তুমিই সেই নারী...!

আমি মুখে কিছু বললাম না। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কি বুঝলো, আমার কল্পনায় তা ধরতে পারলাম না। আমি যে নিজের মাকে এই রাতের অন্ধকারে এইভাবে জড়িয়ে ধরে রেখে বলতে পারি না,

- মা....আমি যে শুধুমাত্র তোমাকেই ভালোবাসি..... তোমাকেই আমার স্ত্রী রূপে পেয়ে ধন্য হতে চাই....আমার ঘর করবে মা???

মুখে বলতে না পারলেও এই শীতল রাতের অন্ধকারে দুই দেহ এক হয়ে এক হৃদয় থেকে অন্য হৃদয়ে কি বাক্য বিনিময় হলোনা? এই উত্তাল প্রকৃতি কি গোপনে আমার কথা, আমার মনের কথা আমার মায়ের মনে সঞ্চার করে করে দিলো না? জানি না, কিচ্ছু জানি না আমি। শুধু জানি মাকে এভাবেই জড়িয়ে ধরে রাখতে হবে! কোত্থাও যেতে দেবো না....! মনে‌ মনে হেসে মাকে বললাম,

- তোমায় আমি নিজের সঙ্গে বেঁধে নিলাম মা....আর‌ তোমায় আমি ছাড়ছি না!

মা তখনও আমার দিকেই চেয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার বুকের মধ্যে। আমি বিদ্যুতের আলোয় মায়ের স্নিগ্ধ মুখখানি হাতে করে তুলে আনলাম আমার মুখের কাছে। তারপর বললাম,

- বলবো....খুব শীঘ্রই! 

মা কি বুঝলো জানি না....! তারপর আমার দুই কাঁধে তার দুই হাত রেখে আমার বুকের ভেতর থেকেই বললো,

- লতা ভালো আছে?

- হ্যাঁ মা....আমি নিজে গিয়ে তার বিয়ে দিয়ে এসেছি। আজ যে তাদের ফুলসজ্জা!

মা লজ্জায় আমার চোখ থেকে চোখ নামিয়ে নিল। তারপর বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে দিয়ে বললো,

- ধুর বোকা ছেলে! মায়ের সামনে কি এমন কথা বলতে আছে!

আমি মাকে আরও চেপে ধরে মায়ের বড়ো বড়ো দুধ দুটোকে নিজের বুকে লেপ্টে দিয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে পুরুষালি কন্ঠে বললাম,

- ফুলসজ্জা তো পবিত্র বস্তু মা, বলতে বাধা কোথায়?

মা মুখ নিচু করে আমার বুকে মুখ গুঁজে বললো,

- সেইজন্য না, আমার যে লজ্জা করে নিজের ছেলের মুখে এমন কথা শুনে।

আমি মায়ের শরীরের উষ্ণতায় আর তার এই কথায় আরও উত্তেজিত হয়ে উঠলাম। ডান হাতে তার পোঁদের লদলদে মাংস খাবলে ধরে একবার টিপে দিয়ে বললাম,

- ভারী লাজুক মা আমার!

মা আবার কেঁদে ফেললো আমার বুকে মুখ গুঁজে। বললো,

- চয়ন...বাবু তুই খুব কষ্ট পেয়েছিস বল এই কটা দিন? তোর সঙ্গে আমি কথা বলিনি ভালো করে! আমি যে....আমি যে তোর বাবার কথায় এই কাজ করেছিলাম চয়ন....! যে ছেলে আমার কষ্ট দেখতে পারে না, যে ছেলে নিজের অসুস্থ মাকে সেবা করে, যে ছেলে নিজের মাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে আগলে রাখে....আমি যে সেই ছেলেকেই স্বামীর কথায় দূরে ঠেলে দিয়েছিলাম! আমি যে খুব নিষ্ঠুর রে....!

মায়ের কান্না ভরা চোখ দুটো মুছে মায়ের মুখটা আমার মুখের খুব কাছে নিয়ে এসে অল্প স্বরে ফিসফিসিয়ে বললাম,

- হ্যাঁ মা খুব কষ্ট পেয়েছি আমি! কিন্তু তুমি নিষ্ঠুর নও...তুমি যে করুনাময়ী ...আমার মা! তোমার চোখের এই জলই তার প্রমাণ! কিন্তু এত কিছু করেও বাবা কি তোমাকে আমার থেকে দূরে রাখতে পারলো?

এই কথায় মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বললো,

- আর তোকে আমি দূরে ঠেলে রাখবো না....এই জগৎ সংসার সাক্ষী রইল আজ!

আমি মায়ের কপালে নিজের কপালটা ঠেকিয়ে দিলাম। মায়ের নাকে আমার নাক লেগেছে। মায়ের ঠোঁটের এক আঙ্গুল দূরেই আমার কম্পিত ঠোঁট! বললাম,

- আমি যে আর দূরে যেতে পারবো না তোমাকে ছেড়ে!

ঝড়ের বেগ কমে বৃষ্টির বেগ আরও তীব্র হয়ে উঠলো। মা আমার এই কথায় আমার কপালে নিজের ছোট্ট কপাল ঘষে দিল। আর এতে আমরা দুজনেই অল্প হেসে উঠলাম। আহ্। কি আনন্দ পেলাম মায়ের এই কান্ডে! মায়েল কোমল কপালের ঘষা খেয়ে আমি যে আরও মায়ের শরীরে সেঁধিয়ে গেলাম। হঠাৎ মনে পড়লো মায়ের পেচ্ছাপ করার কথা। মায়ের ঠোঁটের কাছে ঠোঁট এনে বললাম ,

- তুমি সারবে না মা?

- কি সারবো?

বলেই পরক্ষণে মায়ের মনে পড়লো পেচ্ছাপ করতে সে বেরিয়েছিল কত সময় আগে! কিন্তু এই প্রকৃতির সান্নিধ্যে এই মা-ছেলে দুজন প্রেমিক-প্রেমিকার মতো একে অপরের আলিঙ্গনে নিজেদের সুখ দুঃখের কথা বলায় ও অঙ্গে অঙ্গের স্পর্শে এক আদিম বন্য খেলায় তারা মেতে উঠেছে.... ! সেখানে এই সামান্য বর্জ্য পদার্থ নিয়ে কে মাথা ঘামায়! মা আমার দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেয়ে বললো,

- তুই ঘরে যা।

আমি হাসতে হাসতে তাকে ছেড়ে, আমার মায়ের নধর অপরূপ শরীরটাকে আমার শরীর থেকে আলাদা করে, ঘরে ঢুকলাম। তারপর গামছা দিয়ে ভালোভাবে নিজের শরীরটা মুছতে লাগলাম। এমনসময় মনে হল দেখি মা কোথায় গেল...উঠোনের বাইরে নাকি আমার আদেশ মতো বারান্দার এক প্রান্তেই পেচ্ছাপ করতে বসলো!  ঘর থেকে মুখ বাড়ালাম, আর বিদ্যুতের আলোয় যা দেখলাম, তাতে আমার সারা দেহে এক রোমাঞ্চ ভরা শিহরণ বয়ে গেল! মা আমার আদেশ মতোই বারান্দার ওদিকটায় গিয়ে হাঁটু মুড়ে শাড়ি সায়া কোমরের উপর তুলে পেচ্ছাপ করছে আর এই বিদ্যুতের ঝলকানিতে আমি মায়ের লদলদে পোঁদটা পরিস্কার দেখতে পেলাম। আহ্! কি বড়ো মায়ের পোঁদ! মায়ের সবকিছুই বড়ো বড়ো...যেন সৃষ্টিকর্তা জগতের সব মধু মায়ের প্রতিটি অঙ্গে ভরে পরিপূর্ণ করে তাকে এই গোবাদার এই ছোট্ট বাড়িতে এক জননী রূপে পাঠিয়েছেন....তার সন্তানের তৃষ্ণা মেটাতে! আমি প্যান্ট তখনও পরি নি। বাড়া শক্ত হয়েই খাড়া হয়ে শূন্যে তার সঙ্গীনিকে অন্ধকারে হাতড়াচ্ছে। আমি বাড়ায় হাত দিয়ে ঘরের ভেতর থেকে মাথা বের করে মায়ের পোঁদের দিকে তাকিয়ে উত্তেজনায় বাড়ার চামড়া ধরে আগু পিছু করা শুরু করলাম। মা আমার দিকে পেছন ফিরে বসে তার তলপেটে জমে থাকা ঝাঁঝালো তরল পিচকিরির মতো সামনের বৃষ্টির জলে কাদা হয়ে যাওয়া উঠোনের ওপর ছেড়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে মাথা ঠিক থাকার কথা নয়। এক ছেলে মাঝরাতে অন্ধকার ঘরের ভেতর থেকে মুখ বাড়িয়ে দেখছে যে তার কমবয়সী যুবতী রসালো শান্ত সরল করুনাময়ী পবিত্র মা তার ঘরের বাইরেই বারান্দার ধারটায় বসে তার বড়ো লদকা পোঁদের ওপর শাড়ি তুলে ছরছর করে পেচ্ছাপ করছে আর তার বেগ এতো বেশি যে পেচ্ছাপ পিচকিরির মতো দূরে গিয়ে মাটির কাঁদায় গর্ত করে দিচ্ছে। আমার বাড়ার মুন্ডি কামরসে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পিচ্ছিল হয়ে উঠলো। আমি জোরে জোরে বাড়ার চামড়া আগু পিছু করতে লাগলাম।

আহ্ মাগো....এই পোঁদ নিয়েই তুমি আজ আমার বিছানায় আমার সঙ্গীনি হয়েছো? এই বড়ো পোঁদ যে সবাই পায় না মা! এই পোঁদ যে কেবল পরম সৌভাগ্যবতীর কপালেই জোটে গো...! তুমি যে সবদিক দিয়েই উপরে মা....! তুমি করুনাময়ী, তুমি সরল, তুমি অপরূপা, তুমিই তরল মধুর ভান্ডার বয়ে বেড়াচ্ছো এই দেহের আনাচে কানাচে ভরে নিয়ে। তোমার এই রূপ, এই মাধুর্য্য আমার অন্ধ চোখ কেন আগে দেখতে পেলো না মা! কেন তোমার প্রেমে আমি আগেই পড়িনি মা?

আমার বাড়ার শিরা উপশিরা শক্ত হয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে, যেন সে তার একাকীত্ব আর সহ্য না করতে পেরে চিৎকার করে গর্জে উঠলো,

- না না না....আজ আমি একা শোবো না....এক উষ্ণ মাংসের গহ্বরের গভীরে আজ আমার নিশ্চিত জায়গা হওয়া চায়!

মা পেচ্ছাপ সেরে উঠে শাড়ি সায়া নামিয়ে দিল। আমি ভেতরের অন্ধকারে সরে এসে গামছাটা আবার পরে নিলাম। মা আমার ঘরে ঢুকে বললো,

- তুই এখনও ওই ভিজে গামছা পরে দাঁড়িয়ে আছিস? এক্ষুনি ওটা খুলে জামা প্যান্ট পর। আমি বাইরে গিয়ে দাঁড়াচ্ছি।

আমি বললাম,

- না। তুমি ঘরে বিছানায় শুয়ে পড়ো। আমি বদলে নিচ্ছি।

মা কিছুটা লজ্জায় বিছানায় শুয়ে পড়ে কাঁথাটা গায়ে ঢাকা নিয়ে ওপাশ ফিরে শুলো যাতে সে আমার গামছা খোলার দৃশ্য দেখতে না পায়। আমি দরজাটা ভেতর থেকে ছিটকানি লাগিয়ে গামছার গিঁট খুলে ফেললাম। গামছাটা কোমর থেকে খসে মাটিতে পড়ে গেল। আমি উলঙ্গ দেহেই শক্ত লকলকে বাড়াটা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে মায়ের কাছে এগিয়ে গেলাম। এই প্রবল বৃষ্টির শব্দে তার কাছে আসার বা কাছ থেকে আমার নিঃশ্বাসের শব্দ মা পেলো না! মা বুঝলো না যে তারই পেটের ছেলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে তারই ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে তার শরীরটাকে নিজের কামার্ত চোখ দিয়ে গিলতে গিলতে শক্ত মোটা লম্বা লকলকে বাড়াটা ধরে আগু পিছু করছে। মায়ের সঙ্গে এতো কথাবার্তায় ততক্ষণে আমি মায়ের সঙ্গে অনেক স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলাম। এতদিন ধরে মায়ের থেকে দূরে থাকার কারণে মায়ের জন্য তৈরি হওয়া খিদে আজ মেটাবার জন্য আমি মরিয়া হয়ে উঠলাম। আমার সাহস বেড়ে গেল। বাইরে বিদ্যুতের সঙ্গে মুষলধারায় বৃষ্টি ঝরছে আর আমি মায়ের শায়িত কিন্তু জেগে থাকা দেহের ঠিক এক হাত দূরেই দাঁড়িয়ে মায়ের কাঁথা মোড়া শরীর ও মায়ের চুলের গন্ধ নাক দিয়ে টেনে নিতে নিতে নিজের শক্ত ১০ ইঞ্চি লম্বা ৪ ইঞ্চি মোটা বাড়াটা ধরে কচলাতে লাগলাম। অদ্ভূত অশ্লীল দৃশ্য! নোংরামির চরম পর্যায়ে পৌঁছালে এই ঘটনা এক ছেলে তার মায়ের সঙ্গে ঘটাতে পারে! বাড়া খিঁচতে খিঁচতে বাড়ার ডগায় মাল এসে গেছে, কিন্তু বেরোচ্ছে না। আমার যে আরও অনেক সময় চাই নিজেকে সম্পূর্ণ খালি করার জন্য! সাহসে ভর দিয়ে আমি এবার ঝুঁকে পড়ে পেছন দিক থেকেই মায়ের চুলের মধ্যে নিজের নাক ডুবিয়ে দিলাম। মা খোঁপা করে নি, খুলে রেখেছে চুল। চুল বালিশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে। আমি এতো কাছ থেকে মায়ের চুলের মিষ্টি সুগন্ধি তেলের ঘ্রাণ নিতে নিতেই বুঝলাম মায়ের অতি কাছে এসে পড়েছি। মাত্র পাঁচ আঙুল দূরেই মায়ের পিঠটা। আমি মায়ের কাছে, মায়ের আরো কাছে মুখটা এগিয়ে দিলাম....এগিয়ে একেবারে মায়ের ব্লাউজের উপরের দিকের খালি পিঠের গন্ধ শুঁকতে লাগলাম। আহ্....কি সুগন্ধ যে তোমার দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে মা, যদি তুমি জানতে! 

এমনসময় মা বলে উঠলো,

- চয়ন তোর হলো?

আমি নিজেকে বাধা দিলাম। নিজের উত্তেজনাকে সংযম করতে শিখে গেলাম আমি। নিঃশব্দে মায়ের পিঠ থেকে মুখ সরিয়ে এনে জামা প্যান্ট পরে বিছানায় উঠলাম, তারপর মায়ের পাশে শুয়ে কাঁথাটা দুজনের গায়ে বূক অবধি টেনে নিলাম। মনে মনে ভাবলাম,

- মায়ের দুধ খাওয়ার কথা কি মা ভুলেই গেলো? কই তারপর থেকে তো আর মা সেই বিষয়ে কথা বললো না...মায়ের আচরনেও আমার ওই কাজে দুঃখ পাওয়ার কোনো আভাস পেলাম না। তাহলে কি আমি তার দুধ ব্লাউজ থেকে বের করে খেয়েছি জেনেও মা কষ্ট পায়নি? তাই হবে! আর যদি তাই হয়, আমার দুধ খাওয়ায় যদি মায়ের কোনো আপত্তি সত্যিই না থাকে, তবে এরপর যে আমি কি করবো তা আমি নিজেও জানি না! মায়ের দুধ যে অতি পুষ্টিকর!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)