Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#10

পর্ব - ১০

রাত অনেক হয়েছে। বৃষ্টির ঝমঝম শব্দে চারপাশ ঢেকে গেছে। বাবা পাশের ঘরে ঘুমিয়ে রয়েছে। আমি তার স্ত্রীকে আমার ঘরে আমার বিছানায় আমার কাঁথার তলায় ঢুকিয়ে তার কোমরের কাছটায় ধরে আমার বুকে তার দুধ দুটোকে ঠেসে রেখেছি। এই প্রথমবার মনে হল বাবার কাছ থেকে তার নারীকে আমি আমার কাছে কিছুটা ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। ওই জানোয়ারটার দম্ভ ভেঙে চুরমার করে আমি জয়ের আনন্দে নিজের মাকে নিজের শরীরে চেপে ধরে রেখেছি। মুখের কাছে মুখ এনে কথা বলছি। মা আমার চোখের দিকে চেয়ে জিগ্যেস করলো,

- চয়ন....তুই আমার বুক টানতে ভালোবাসিস?

হঠাৎ মায়ের এইরকম প্রশ্নে আমি অবাক হয়ে মায়ের দিকে চেয়ে রইলাম। মায়ের দুধ যে আমার জীবনের অমৃত সুধা...ভালোবাসারও উর্ধ্বে ! মাকে কি বলে এই ভাব বোঝানো যায়, তা বুঝে উঠতে পারলাম না। মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে তাই সংক্ষেপে উত্তর দিলাম,

- হ্যাঁ মা।

মা একটু ভেবে বললো,

- কিন্তু এটা যে হয়না বাবু!

এবার শুরু হলো আমার ও মায়ের কথোপকথন, যেখানে আমি মায়ের দুধ খাওয়ার জন্য মাকে রাজি করাতে লাগলাম আমার কথার প্যাঁচে, আর আমার সরল মা সরল মনেই আমার জালে ধরা পড়তে লাগলো ধীরে ধীরে...!

- কেন হয়না মা....মায়ের দুধ তো সন্তানের প্রথম অধিকার?

- আমি জানি। কিন্তু তুই যে বড়ো হয়ে গেছিস এখন! এই ২০ বছরের দামড়া ছেলেকে কিভাবে বুক টানতে দেবো আমি?

- তুমিই তো বলো মা, সন্তানেরা সবসময়ই মায়ের কাছে ছোটোই থাকে! 

- তুই এখনও আমার কাছে ছোটো। কিন্তু তাই‌ বলে তোর এই আবদার কি ঠিক চয়ন?

- ঠিক মা। আমি তোমার ছেলে, তুমি আমার মা। ছেলে‌ যদি চায় তাহলে মা কেন তাকে নিজের দুধ হাতে করে ধরে তার ছেলের মুখে ভরে দেবেনা বলো?

- কিন্তু এ যে ঠিক নয় বাবু!

- কেন ঠিক নয় মা?

- এতো বড়ো ছেলেকে কোনো মা বুক চোষায়না!

- তুমি কোন বাড়িতে দেখতে গেছো মা? ঘরের মধ্যে বসে কোন মা তার ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে, তা আমরা এখানে বসে বুঝতে পারবো না।

- কিন্তু!

এবার আমি ব্রহ্মাস্ত্র ছুঁড়লাম....এতেই লক্ষ্যভেদ হবে!

- আর কোনো কিন্তু নয় মা। যদি তোমার মনে এখনও কোনো কিন্তু জেগে থাকে তাহলে এটা বুঝতে হবে যে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার ঘাটতি আছে.... যেটা সন্তান হয়ে আমি পূরণ করে উঠতে পারিনি!

মা আমার ঠোঁটে নিজের হাত চাপা দিয়ে আমার বুকে নিজের মুখ গুঁজে দিয়ে বলে উঠলো,

- এমন কথা বলিস না বাবু। আমাদের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই রে!

- আছে। আমি তোমার ভালোবাসা পাওয়ার হয়তো যোগ্য নই মা!

মা কেঁদে উঠলো আমার এই কথা শুনে! এতো সরল আমার মা! সন্তানের এই সামান্য কথায় এক মায়ের কেঁদে ওঠা ইঙ্গিত দিলো মায়ের ভেতরে ঠিক কতটা স্থান জুড়ে আমি বাস করছি, আর আমার মা কোনো কিছুর বিনিময়েই সেই স্থান থেকে আমায় সরাতে রাজি নয়! আমার এই কথায় মা আমার ঠোঁট থেকে নিজের হাত সরিয়ে এনে কাঁদতে কাঁদতে  বললো,

- আমায় তুই আর কত কষ্ট দিবি বাবু....? তুই আমার ভালোবাসার যোগ্য নোস্? তুই এই কথা বলতে পারলি তোর মাকে? ঠিক আছে, তোর প্রমাণ চাই না....নে প্রমাণ!!!!

বলে মা কাঁদতে কাঁদতেই নিজের দুহাত দিয়ে ব্লাউজের হুক খুলতে শুরু করলো। মায়ের দুধ এতো বড়ো বড়ো যে হুকগুলো খুলতে মায়েরও অসুবিধা হচ্ছিল। শেষে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে দুহাত দিয়ে নিজেই তার ব্লাউজের হুকগুলো পট পট করে ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে ব্লাউজের কাপড় তার বড়ো ভারী মোটা ছড়ানো দুধ দুটোর দুপাশে মেলে ধরে আমার মাথাটা ধরে তার ডানদিকের দুধের বোঁটায় চেপে ধরলো। তারপর কাঁদতে কাঁদতেই বললো,

- নে নে....এবার তুই প্রমাণ পেলি আমার ভালোবাসার??? পেলি প্রমাণ??? শান্তি হয়েছে তোর???

আমি দেখলাম, হ্যাঁ আমি দেখলাম মায়ের ব্লাউজ ছাড়া এই নগ্ন দুধের রূপ! এতো বড়ো? ব্লাউজের কাপড় পুরোটা খুলে দিতে আমি অন্ধকারের মধ্যেই মায়ের মোটা মোটা ডানদিকের বড়ো দুধের বোঁটায় মুখ ঢুকিয়ে চুষতে চুষতে চোখ মেলে মায়ের দুধের আকার এতো কাছ থেকে নগ্নাবস্থায় এই প্রথম উপলব্ধি করলাম। আমি নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না আজ! ব্লাউজের কাপড়ে দুধ যেভাবে চেপে জমাট বেঁধে থাকে, তার আবরণ সরে যেতেই মায়ের দুধ তার স্বরূপ ধারণ করলো। একেবারে ছড়িয়ে চারপাশে নিজেকে মেলে ধরলো ওই এক দলা মাংসপিন্ড! মা আমার ডান দিকে আমার দিকে মুখ করে ফিরে শোয়ায় তার ডানদুধটা আমি ডানপাশে তার দিকে ফিরে শুয়ে চুক চুক আওয়াজ করে চুষতে লাগলাম। মায়ের দুধ এতো বড়ো যে ডান দুধটা লদকে গিয়ে মায়ের ডানদিকের বুক থেকে বিছানায় গড়িয়ে পড়েছে। আর বাঁ দিকের দুধটা মায়ের পেটের নিচে বাঁ পাশে বিছানার সঙ্গে চেপে রয়েছে। যদি মায়ের এই এক দুধেই এতো জায়গা নেয়, তবে দুই দুধ নগ্ন রূপে একসাথে থাকলে কতটা জায়গা নেবে, আমি মনের মধ্যে সেই হিসাবনিকাশ করতে লাগলাম। মায়ের দুধ খেতে খেতেই মায়ের কথার জবাব দিলাম,

- মা....ও মা....আজ প্রমাণ পেয়েছি তোমার ভালোবাসার...কি শান্তি তোমার বুকে মাগো....!!!!

মা দেখি তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে উঠছে, ওভাবেই বললো,

- আর কখনো যদি আমায় এরকম বলিস, তাহলে.....!!!

আমি এক হাত তুলে মায়ের ঠোঁট চেপে ধরে বললাম,

- আমার মা....আমি যা খুশি বলতে পারি.... যা খুশি করতে পারি!!!

মায়ের মুখে এবার দেখি হাসি ফুটলো। কাঁদতে কাঁদতেই হেসে ফেললো মা। তারপর স্নেহভরে আমার মাথাটাকে তার দুহাত দিয়ে আরো কাছে টেনে নিয়ে বললো,

- পাগল একটা! মায়ের বুক তোর এই বয়সেও ভালো লাগে চয়ন?

মায়ের দুধের বোঁটায় জিভ বোলাতে বোলাতে মনে মনে মাকে বললাম,

- এখনই তো ছেলেদের মায়েদের দুধ ভালো লাগে মা!!! ছোটোতে তো প্রয়োজনে খেতে হতো, ভালো খারাপ বোঝার কিছু ছিলনা! আর এখন যে প্রয়োজন আর ভালো লাগা দুই-ই এসে মিশেছে গো মা! আমি যে তোমার দুধেই বাঁচতে চাই গো মা....এই নরম চর্বি ভরা দুই মাংসেই যে আমি আমার ঘর বানাতে চাই!

মনের‌ সব কথা কি নিজের মাকে মুখে বলা যায়! গেলেও এখনও সেই মুহুর্ত আমার‌ জীবনে আসেনি। তবে তা ধীরে ধীরে আসছে কাছে! মায়ের দুধের বোঁটায় এবার একটা দাঁত দিয়ে একটা ছোট্ট কামড় দিয়ে বললাম,

- হ্যাঁ মা....তোমার দুধ আমি খুব ভালোবাসি।

মেয়েদের কোনো কিছু নিয়ে প্রশংসা করলে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় তীব্র ভাবে, এটা জগতের চিরাচরিত নিয়ম। এই নিয়ম চলে এসেছে....চলছে....চলবে! এটাই মেয়েদের দূর্বলতা! আমি মায়ের এই দূর্বলতার সুযোগ নিলাম! আমি মায়ের দুধটা খাচ্ছি, আর মা তার দুধের বোঁটায় আমার দাঁতের কামড় খেয়ে চিৎকার করে উঠল,

- ও মাগো..... আস্তে বাবু....কামড়াস না....লাগছে চয়ন!!!

আমি মায়ের এই চিৎকারে আরও একবার মজা করে মায়ের দুধের বোঁটা কামড়ে দুই দাঁতের মাঝে চিপে ধরে রাখলাম। মা আবারো আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো,

- উফ্.... উফ্....ছেড়ে দে বাবু....ওটা ছেড়ে দে.... দাঁতটা বসে যাচ্ছে....ও মাগো....ছাড় রে বাবু....লাগছে তোর মায়ের!!!

মায়ের‌ কথা শুনে কেমন একটা লাগলো, কষ্ট হলো! ছেড়ে দিলাম মায়ের বোঁটা। তারপর ঠোঁট ডুবিয়ে মায়ের দুধ চুষতে লাগলাম প্রাণভরে। মা হেসে আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললো,

- জানিস বাবু, ছোটোবেলায় তুই আমার দুধ এতো ভালোবাসতিস যে আমি তোকে সাত বছর পর্যন্ত দুধ খাইয়ে এসেছি। এই গ্রামের বউয়েরা হাসতো তোর এই কান্ড দেখে, তোর বাবাও খুব বকতো আমায়! কিন্তু আমি কি করবো! আমার ছেলে যে মায়ের দুধ ভালোবাসে...!

এবার আমি আরও কিছুটা এগোলাম। এতোক্ষণ হাত স্পর্শ না করে শুধু মুখ ডুবিয়ে মায়ের ডান দুধটা খাচ্ছিলাম। এবার আমি মায়ের দুধ আমার হাত দিয়ে ধরার জন্য তার অনুমতি নিলাম। জানি এই মুহূর্তে মায়ের অনুমতির আর কোনো প্রয়োজন নেই। দুধে হাত বসিয়ে দিলে সরল মা আমার কিচ্ছুটি ভাববে না। তবুও তার মনে নিজেকে স্বচ্ছ রাখতেই এটা করলাম।

- মা, তোমার দুধটা হাতে করে ধরে দেখবো....কি নরম তোমার দুধ গো মা!!!!!

মা হেসে নিজে থেকে হাত বাড়িয়ে আমার বাঁ হাতটা তার ডানদিকের দুধটার ওপর বসিয়ে দিল। যেন আমার কথাটা সে শোনেইনি, এমন ভাবে সে ছেলেবেলার স্মৃতিতে ডুব দিলো। আর আমি মায়ের এই নগ্ন লদলদে বড়ো ডানদিকের দুধটায় বাঁ হাতে হালকা চাপ দিলাম। আহহহহহ্.....উফফফফ্......কি নরম ব্লাউজ ছাড়া মায়ের এই বড়ো দুধ! সাধারণ অবস্থায় শক্ত হয়ে জমাট বাঁধা, কিন্তু টিপলেই নরম। মেয়েরা সত্যিই অসাধারণ! আমার বাঁ হাতটা মায়ের দুধের পেলবতায় যেন ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে ধীরে ধীরে! আমি মায়ের দুধের বোঁটায় ঠোঁট ডুবিয়ে উপরে মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে মায়ের কথা শুনতে লাগলাম।

- ঠিক এভাবেই তুই হাত দিয়ে বুক ধরে আমার দুধ খেতিস! আমি মজা করে হাত ছাড়িয়ে নিলে, তুই আবার হাত দিয়ে আমার বুক ধরতিস।

- আবার একবার তেমন মজা করো না মা!

মা হেসে তার ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ হাতটাকে তার ডানদিকের দুধটা থেকে আলতো ভাবে ছাড়িয়ে নিয়ে তার কোমরের ওপর রাখলো। আমি তৎক্ষণাৎ আমার হাতটাকে আবার তার দুধের ওপর প্রতিস্থাপন করলাম। মা তার সুন্দর দাঁত বের করে অপরূপ ভঙ্গিমায় হাসতে লাগলো। এই ছোট্ট ঘটনাই আমার এই সরল গ্রাম্য মায়ের মনকে আনন্দে ভরে তুললো! সত্যিই কত সরল আমার মা টা....!

- আমি তোমার দুধ এতো ভালোবাসতাম মা?

- হ্যাঁ। তুই প্রথম থেকেই আমার দুধ অন্যান্য খাবারের চাইতে বেশি ভালোবাসতিস। একবার কি হয়েছিল তাহলে শোন। তখন তুই ১ বছরের, আমার তখন শরীর অসুস্থ কিছুদিন ধরে। আমার মা, মানে তোর দিদা আমায় বললো, এখন তোকে দুধ না দিতে, যাতে তোর শরীর খারাপ না হয়। কিন্তু তাহলে তুই খাবি কি! তখন পাশের বাড়ির নীলা দি, তোর নীলা কাকিমার বাচ্চা হয়েছে। তাকে আমার কথা বলতে সে তোকে দুধ খাওয়ানোই রাজি হয়ে যায়। কিন্তু তুই এতো দুষ্টু ছিলি যে ও যখনই তোর মুখ ওর বুকের কাছে নিয়ে যেতো, তুই ঠোঁট বন্ধ করে রেখে দিতিস। আমার মুখ না দেখলে তুই ওর বুক মুখে নিতিসই না। শেষে আমি কাছে গিয়ে দাঁড়াতে তুই মুখ খুলতিস আর নীলা তোকে খাইয়ে দিত। তুই প্রথম থেকেই আমার ছাড়া কারোর দুধ খেতিস না আর কান্নাকাটি করে আমায় রান্না পর্যন্ত করতে দিতিস না। আমার বুকেই সারাক্ষণ মুখ গুঁজে পড়ে থাকতিস তুই....দামড়া ছেলে একটা!

বাইরে বৃষ্টি তখন ধরে এসেছে। এখন ঝম ঝম করে নয়, ঝিরি ঝিরি করে ঝরছে। মায়ের ডানদিকের দুধটা চুষতে চুষতে আমার জিভের লালায় তার বোঁটা একেবারে পিচ্ছিল হয়ে গেলো। মায়ের দুধ খেতে খেতেই এই ঘটনাটা শুনে আমার বাড়াটা শক্ত হয়ে আমার দুপায়ের ফাঁকে ফোঁস ফোঁস করতে লাগলো। আমি ছোটো থেকেই মায়ের দুধকেই পছন্দ করতাম? মায়ের মুখ না দেখে হা করতাম না? মায়ের দুধ না পেলে কাঁদতাম? এই কথাগুলো ভাবতে ভাবতে আমার মন চিৎকার করে মাকে শোনাতে চাইলো,

- মা গো...আমি যে আজও তোমার দুধেই বেঁচে থাকতে চাই মা! আমি যে তোমার দুধ‌ ছাড়া আর অন্য কোনো মেয়ের দুধে‌ মুখ দিতে পারবো না মা! আমি যে এই দুটো দুধেই আমার প্রাণশক্তি খুঁজে পেয়েছি মা!!!

মায়ের দুধ বাঁ হাত দিয়ে মুঠো করে একটু চেপে ধরে দুধটা যতটা হা করে মুখে ঢোকানো যায়, ঢুকিয়ে নিলাম, এতে মা তার দুধটায় আমার দাঁতের খোঁচা পেয়ে চেঁচিয়ে উঠলো,

- চয়ন.... আস্তে বাবু....এতোটা ঢোকাস না, তোর কষ্ট হবে!!!!

- ও মা, তোমার এতো বড়ো দুধ যে আমার মুখে ঢুকছে না গো মা?

- আমার বুক প্রথম থেকেই বড়ো। ছোটোতে যখন তুই দুধ খেতিস, আমার বুকের নিচে তোর গোটা মাথাটা ঢাকা পড়তো। আমি ভয় পেতাম, যদি আমি তোর মুখে বেশি ঝুঁকে দুধ‌ দিই, তবে তোর নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। তাই আমাকে সবসময় পিঠ সোজা রেখে বসতে হতো আর হাতে করে বুকটা ধরে রাখতে হতো!

- তোমার বুকে দুধ নেই কেন মা?

- ধুর বোকা ছেলে, এখন কি‌ দুধ থাকে? যতদিন সন্তান দুধ টানে, ততদিন বুকে দুধ থাকে। তোর বেলায় আমার সাত বছর পর্যন্ত দুধ ছিল বুকে। এতো বছর বয়স পর্যন্ত এই গ্রামের কোনো ছেলে মেয়ে তার মায়ের দুধ খাইনি। তুই সবার উপরে। আমার দুধ তোর চিরকালের পছন্দের খাবার!

মা তার কথায় যতবার 'দুধ' কথাটা উল্লেখ করছে, ভালো করে লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, প্রত্যেকবারই মা কিন্তু 'দুধ' বলতে তরল দুধের কথা বলছে, যেখানে কোনো যৌনতার আবেদন নেই, শুধুমাত্র স্নেহ ও মমতার সীমারেখা রয়েছে। দুধকে দুইভাবে প্রকাশ করা যায়। যে ব্যক্তি 'দুধ‌' মানে তরল দুধকে বোঝায়, তার মনে কোনোপ্রকার যৌনতার আভাস নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি 'দুধ' মানে বুক বা স্তনকে বোঝায়, তার মনে যৌনতার আভাস পরিপূর্ণ। আমরা দুজনেই বলছি একই শব্দ, কিন্তু অর্থটা ভিন্ন ভিন্ন। মা যখন 'দুধ' -এর কথা বলছে, তখন তাকে স্রেফ তরল দুধ আর স্তনকে বুক বলে উল্লেখ করে নিজের মাতৃত্বকে সম্মান জানাচ্ছে, কারণ আমার মায়ের মন খুব সরল। মায়ের ভেতরেও যা, বাইরেও তাই। সরল মনেই সে তার ২০ বছরের জোয়ান ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে। কিন্তু আমি, আমি যে সরল নই! আমি যতবার 'দুধ' শব্দের উল্লেখ করছি, ততবারই মায়ের স্তনকে উল্লেখ করছি , সেখানে কেবল যৌন উত্তেজনারই সুড়সুড়ি বিদ্যমান! ভালোভাবে বললে, এখানে মা নিজের তাগড়া ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সরল মনে তার মাতৃত্ব ভরে আছে, মাতৃ সত্তাই তার মনকে ঘিরে রেখেছে। সেখানে আর অন্য কোনো অনুভূতির স্থান নেই! আর আমার দিক থেকে বললে, আমি মায়ের দুধ খাচ্ছি, এখানে আমার সন্তান সত্তা লুপ্ত হয়ে পুরুষ সত্তা জেগে উঠেছে এবং শুধুমাত্র কামের নেশাতেই আমি মায়ের দুধ টেনে চলেছি অবিরাম।

আমি বাঁ হাত দিয়ে মায়ের ডানদিকের দুধটা নিজের মুখে আরও ঢুকিয়ে নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা হতে লাগলো। আসলে এই ধরনের কথা মায়ের মুখ থেকে শুনতে শুনতে মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে মায়ের দুধ খেতে বেশ লাগছিল। বেচারি সরল সাদাসিধে এক গ্রাম্য বধূ....যে তার পবিত্র মনে নিজের জোয়ান ছেলের পাশে শুয়ে তাকে নিজের দুধ খাওয়াচ্ছে। সে বুঝতেই পারছে না তার নিজের পেটের ছেলে তার ডান দুধটা নিজের মুখে পুরে নিয়ে চুক চুক শব্দে নিজের মায়ের দুধের বোঁটা দিয়ে মায়ের দেহ রস পান করছে!

- তুই ছোটোতেও এমনভাবেই আমার দিকে চেয়ে চেয়ে আমার দুধ খেতিস, আজও খাচ্ছিস। তবে তখন দুধ খেতিস, এখন শুধু বুক চুষছিস।

- তাই মা?

- হ্যাঁ। বাবু আমায় কথা দে, তুই যে এই বয়সে নিজের মায়ের বুক টানছিস, এই কথা তুই কারোকে বলবি না!

- কেন মা? ছেলে হয়ে মায়ের দুধ খাবে, এটাই তো স্বাভাবিক! এতে লোকে জানলে কি হবে?

আমি সবই জানি কেন মা মানা করছে। যদি কেউ এই ঘটনা জেনে যায়, তবে সবাই মা ছেলের মধ্যে এক নিষিদ্ধ সম্পর্কের জাল বোনা শুরু করবে আর তাতে মায়ের মতো একজন সরল মেয়ের পক্ষে এই গ্রামে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়বে। তার ওপর বাবার অত্যাচার তো আছেই। তবুও মায়ের মুখের ওই পবিত্র সরল কথাগুলো শুনতে বেশ ভালো লাগছে। 

- না বাবু....এই কথা জানাজানি হয়ে গেলে মরা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না রে আমার!

আমি এই কথায় রেগে গিয়ে মায়ের বড়ো দুধের বোঁটা দাঁতে করে জোরে কামড়ে ধরলাম। এতো জোরে যে মা আমার চুলগুলো হাতের মুঠোয় নিয়ে শক্ত করে ধরে কেঁদে ফেললো,

- ও মাগো.......বাবু....আমার ভুল হয়ে গেছে....আর হবে না রে....আমি মরবো না রে....আমি বেঁচে থাকবো....আমি আর কখনো এরকম কথা বলবো না রে.....আমায় ছেড়ে দে....আমার কষ্ট হচ্ছে বাবু!!!

আমি মায়ের বোঁটা কামড়ে না ধরে মুখেও এই কথা বলতে পারতাম। কিন্তু কামড়ালাম এটা পরীক্ষা করতে, মা আমার ইশারা বুঝতে পারে কিনা দেখার জন্য! মা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলো। তাহলে শেষ পর্যন্ত মা আমার মুখের কথা ছাড়াও আমার ইশারাও বোঝা শুরু করে দিয়েছে! আমাদের মধ্যেকার ঘনিষ্টতা বাড়ছে! আমার যে আরও ঘনিষ্টতা চাই মা!

মায়ের দুধ ছেড়ে দিতেই মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে কোমল কন্ঠে স্নেহভরে জিগ্যেস করলো,

- হ্যাঁ রে....তুই আমায় এতো ভালোবাসিস?

বোধহয় রাত তখন প্রায় শেষের দিকে। বৃষ্টির ঝিরি ঝিরি শব্দে চারপাশ মুখর হয়ে উঠেছে। হঠাৎ কাছেই কোথাও আবার একটা বাজ পড়লো। আর তার শব্দে মা ভয় পেয়ে আমার মাথাটা তার ডানদিকের দুধের মাংসে ঠেসে ধরল। আমার দম বন্ধ হয়ে গেল। মায়ের এই একটা দুধের ভেতরেই আমার গোটা মাথাটা ডুবে অদৃশ্য হয়ে গেলো। মায়ের দুধ আমার মুখে ঠাসা থাকায় আমি আর মায়ের কথার উত্তর দিতে পারলাম না! এই ঠান্ডায় আমার ঘরের খাটে কাঁথার তলায় আমার নিজের মায়ের পাশে শুয়ে বাঁ হাত দিয়ে মায়ের ডান দুধটা মুখে নিয়ে মায়ের দিকে চেয়ে চেয়ে চুষে চললাম মায়ের বড়ো লদকা মাংসালো দুধটা....আর মায়ের দুধ চোষার শব্দে গোটা ঘর মেতে উঠলো,

- চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক..........।

এই দূর্যোগের রাতে গ্রামের একটি ঘরের অন্ধকারে এক সরল গ্রাম্য মা, চারুলতা, ছেলের ঘরের বিছানায় কাঁথার তলায় নিজের জোয়ান ছেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে শুয়ে ছেলেকে তার দুধ খাওয়াচ্ছে!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)