Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#12

পর্ব - ১২

তখন বিকেল। আজ আমাদের বাড়িতে এক খুশির জোয়ার। গরীবের সংসারে যখন ঘরের ছেলে বড়ো চাকরি পায়, আনন্দে তো মেতে উঠবেই সবাই! মা দুই বড়ো হাঁড়িতে চিনির রসে নারকেল গুঁড়ো ও সুগন্ধি এলাচ মিশিয়ে নাড়াচ্ছে। তার গন্ধ বাড়ির চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে ম ম করছে। মায়ের হাতের নারকেল নাড়ু এই গাঁয়ের সেরা। মায়ের হাতের সব রান্নাই সুস্বাদু, তবে নারকেল নাড়ু সবচাইতে বেশিই। এক একটা নাড়ু এতো তুলতুলে নরম, মুখের ভেতরে নিলেই ভেঙে গুঁড়িয়ে অদৃশ্য হয়ে যায় আর তার ফেলে রেখে যাওয়া মিষ্টি স্বাদ মনে থেকে যায় আজীবন। এই গাঁয়ের সকলেই নাম করে মায়ের হাতের নাড়ুর। 

আমার এই চাকরির খবর গাঁয়ে ছড়াতে বেশি সময় লাগলো না। রঘু কাকাই সবাইকে এই সুখবর জানিয়ে দিয়েছে। বাবার খারাপ ব্যবহার কেউ পছন্দ না করলেও মাকে আর আমাকে এই গাঁয়ের সকলেই খুব ভালোবাসে। তারা এই খবর পেয়ে দলে দলে আমাদের বাড়িতে আসতে লাগলো। মা কাকে ছেড়ে কার সঙ্গে কথা বলবে, এই ব্যস্ততার মধ্যে তা খুঁজে পেল না। মায়ের আনন্দ আজ দেখে কে! কিন্তু বাবার কানে এই খবর এখনও পৌঁছায়নি, সে এখনও মাঠে। বাড়ি ফিরুক, তারপর জানাবো। ওটাকে নিয়ে আমার তেমন মাথা ব্যাথা নেই।

আমি মায়ের পাশেই বসেছিলাম। মা এক প্রতিবেশী কাকিমা, মায়েরই বয়সী প্রায়, তার সঙ্গে নাড়ু বানাতে বানাতে হেসে কথা বলছে আর আমি মায়ের হাসি দেখছি। মায়ের ঠিক ডানপাশে ঘেঁষে বসাতে এই গরমে মায়ের ঘামে ভেজা গা থেকে একটা মিষ্টি গন্ধ নাকে আসলো আমার। মায়ের গায়ের ঘামের গন্ধ এতো মিষ্টি! কাকিমার উপস্থিতিতেও আমি বাঁ পাশে মায়ের দিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করে মায়ের এই ভরা দেহের গন্ধে মাতাল হয়ে পড়লাম। দেখলাম উনুনের আগুন কমে এসেছে, মায়ের সেদিকে খেয়াল পড়েনি এখনও। একটা অজুহাত পেলাম। মা কথা বলায় আর নাড়ু বানানোয় ব্যস্ত দেখে আমি উঠে পাশ থেকে একটা বড়ো চ্যালা কাঠ নিয়ে এসে মায়ের ডান বগলে নাক ঢুকিয়ে দিয়ে কাঠটা ধরে উনুনের তলায় গুঁজতে গুঁজতে বার বার মায়ের বগলে নাকটা ঠেকিয়ে ঠেকিয়ে মায়ের ঘামে ভরা ব্লাউজের ভেতর থেকে আসা মায়ের দেহের উগ্র ঝাঁঝালো সুবাস আমায় আজ পাগল করে তুললো। মা তখন কাকিমার সঙ্গে হাসতে হাসতে কথা বলছে, আমি মায়ের বগলে নাক ঢুকিয়ে উনুনের তলায় কাঠ গুঁজছি। কাঠ গুঁজতে এতো সময় লাগে না যদিও! আমার যে উদ্দেশ্যটা কাঠ গোঁজা নয়! পাশ থেকে কাকিমা মাকে জিগ্যেস করলো,

- বলি চারুদি, তোমার ছেলে তো এখন মাস্টারমশাই! তা কবে থেকে কাজ শুরু গো।

- দিদি সামনের সপ্তাহ থেকেই ওকে শুরু করে দিতে হবে বলেছে।

আমি মায়ের কথা শুনতে শুনতে ডান হাত দিয়ে কাঠ গুঁজতে গুঁজতে বাঁ হাত মায়ের‌ পেছন দিক দিয়ে ঘুরিয়ে ওপাশ থেকে আরেকটা কাঠ টানার অছিলায় চোখ বন্ধ করে মায়ের ডানদিকের বগলে নাকটা আরও গভীরে ঢুকিয়ে দিলাম। মা এবার বুঝতে পারলো। কিন্তু সরল মনেই আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বললো,

- তুই কি করছিস বাবু....? তুই ছাড়, আমি কাঠ নিয়ে নিচ্ছি।

- মা, তুমি তো এত কিছু করছোই, আমায় একটু সাহায্য তো করতে দাও মা। তোমার কষ্ট যে আমি দেখতে পারি না গো।

- দেখছো চারুদি, এখনও চাকরিতে জয়েন করলো না, ছেলে তোমার যত্ন শুরু করে দিয়েছে। 

- না দিদি, ও আজ নয়, প্রথম থেকেই এরকম। মায়ের কষ্ট দেখলেই এগিয়ে এসে হাত লাগাবে। কাল রাতে জ্বর এসেছিল আমার। কত রাত অবধি আমার কপালে জলপট্টি দিয়েছে জানো!

আমি বাঁ পাশের কাঠটা টানতে গিয়ে আর টাল সামলাতে না পেরে একেবারে মাকে নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পেছন দিকে পড়ে গেলাম। পড়লাম তো পড়লাম একেবারে মায়ের উপরেই। মা চিৎ হয়ে আর‌ আমি মায়ের উপরে চড়ে, মায়ের বাঁ দিকের দুধটা আমার মুখের ভেতরে ঢুকে গেছে তখন। মা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু বুঝতে পারলো না, তারপর যখন দেখলো ছেলেও পড়েছে, তার মনে দয়া ফুটে উঠলো। তার ব্লাউজ শাড়ির ওপর দিয়েই তার বাঁ দুধটার কিছুটা যে আমার মুখে ঢুকে রয়েছে, সেদিকে গুরুত্ব না দিয়েই আমার নীচে পড়ে থেকে আমার দিকে চেয়ে বললো,

- বাবু, তোর লাগেনি তো? কি যে করিস তুই! এসব রান্নার কাজ মেয়েদেরই সাজে। শুধু শুধু তুই কেন এরকম করিস বলতো? দেখলি লাগালি তো!

আমি কোনো কথা না বলে মায়ের বাঁ দিকের দুধটা মুখে নিয়েই তার বাঁ দিকের বগলে নাকটা ঢুকিয়ে মায়ের ওপরেই পড়ে রইলাম। মনে মনে মাতাল হয়ে মাকে বললাম,

- আহ্ , মা গো! তোমার এই বড়ো দুধটা থেকেও যে মাতাল করা গন্ধ বেরোচ্ছে মা! তোমার এই বগল থেকে যে গন্ধ আমার নাকে ঢুকছে, তা যে এই নারকেল নাড়ুর চাইতেও অনেক বেশি সুগন্ধি! এই বগলে আমায় হারিয়ে যেতে দাও মা! তোমার যে প্রতিটি অঙ্গেই মধু মাখানো! এতো সুন্দর তুমি মা?

ততক্ষণে কাকিমাটা এই দৃশ্য দেখে কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে। সে হয়তো মনে মনে ভাবছে, 

- এই দ্যাখো, মা রান্নাঘরের দাওয়ায় পড়ে আছে, আর তার ছেলে মায়ের ওপর পড়ে মায়ের বুক মুখে ভরে মায়ের বগলে নাক ডুবিয়ে কুকুরের মতো শুঁকছে। চয়ন যদি হঠাতই পড়ে গিয়ে থাকে, তবে তার মুখ হা হলো কখন আর সেই হা মুখে চারুর বুক ঢুকলো কিভাবে? জানি না বাপু, কি দিনকাল পড়েছে! হয়তো আমারই চোখ খারাপ হলো! ওরা পড়ে গিয়েছে, উঠতে সাহায্য করবো, তা না এসব খারাপ চিন্তা করছি!

এসব ভাবতে ভাবতেই বোধহয় কাকিমা এগিয়ে এসে আমার পিঠে হাত দিয়ে আমায় টেনে তুলতে লাগলো। মা এবার খেয়াল করলো তার বাঁ দিকের বড়ো দুধটার খানিকটা ছেলের মুখে ঢুকে গেছে। সে তার প্রতিবেশী দিদির কাছে লজ্জায় আমায় হাত দিয়ে ঠেলে ওঠাতে গেল, আর সামনে থেকে মায়ের ও পেছন থেকে কাকিমার হাতের ঠেলা-টানায় আমি আরও হড়কে গিয়ে কিছুটা উঠে আবার মাকে নিয়ে দাওয়ায় আছড়ে পড়লাম। এতে করে আমার মুখে মায়ের বাঁ দুধটা আরও ভেতরে ঢুকে গেলো আর মায়ের বগলে আমার নাকটা আরও ঠেসে গেল। মা বলে উঠলো,

- বাবু তোর কি লেগেছে? এই বাবু...ওভাবে পড়ে আছিস কেন চুপ হয়ে? তোর কি লেগেছে বাবু? ওঠ বাবু...কথা বল!

আমার কোথাও লাগেনি, তবে লেগেছে এক সুড়সুড়ি....তাও আমার বাড়ায়। আমি তখন মায়ের দুধ মুখে নিয়ে মায়ের বগলের মাতাল করা গন্ধে চোখ বন্ধ করে একপ্রকার ঘোরের মধ্যেই চলে গিয়েছিলাম। এমনসময় মায়ের কান্নার আওয়াজ ভেসে এলো,

- ও দিদি, ওকে ওঠাও। ওর বোধহয় কোমরে লেগেছে গো! ও বোধহয় ব্যাথায় অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে দিদি!

উপর থেকে কাকিমা তার সর্বশক্তি দিয়ে আমায় টানায় আর সামনে দিক থেকে মায়ের ঠেলায় আমাকে মায়ের থেকে শেষপর্যন্ত আলাদা করা গেল। আমায় ওঠানোর সাথে সাথে আমার মুখ থেকে মায়ের বাঁ দিকের দুধটা ফক্ করে বেরিয়ে মায়ের বুকে গিয়ে মাংসের দলাটা কাঁপতে কাঁপতে জমাট বেঁধে বসলো। তারপর মা আর কাকিমা আমায় দেয়ালে হেলান দিয়ে বসিয়ে মুখে চোখে জল ছেঁটাতে লাগলো, ভাবলো আমি নাকি কোমরের ব্যাথায় একটা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছি আর অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছি। আমার হাসি পেলো মায়ের এই ভয় দেখে। কিন্তু আমি তখন সত্যিই মায়ের বগলের ওই ঝাঁঝালো গন্ধে আর মায়ের লদলদে দুধ মুখে ভরে ঘোরের মধ্যেই কিছুক্ষণ ছিলাম। জলের ছাঁটে ঘোর কাটলো। একটু কোমরে হাত দিয়ে নাটক করলাম ব্যাথার। কাকিমা দেখলাম আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। মা আমার সারা গায়ে হাত বুলিয়ে ভেজা চোখেই বললো,

- বাবু, কতটা লেগেছে?

- বেশি না, অল্প। তবে কমে যাবে। 

বলে উঠে আমি উঠোনে নেমে এলাম।

- বাবু তুই এখন ঘরে গিয়ে একটু শুয়ে থাক, আজ আর কোথাও যাস না। নয়তো ব্যাথাটা বেড়ে যাবে।

- না মা, একটু হাঁটাহাঁটি করলে কমবে। দেখি একটু ঘুরে আসি বাইরেটা থেকে।

মা কাছে এলো, আমার জামা তুলে কোমরটা ভালো করে পরীক্ষা করতে লাগলো তার নরম আঙুল দিয়ে টিপে টিপে। 

- এইখানটায়....না এইখানটায়? বল বাবু লুকোস না আমার কাছে কিছু। আজ কত বড় শুভ দিন আমার জীবনে! আর তুই এসব করে বসলি? তোর কিছু হলে আমার যে ভালো লাগেনা বাবু!

আমি মায়ের ভেজা চোখ মুছিয়ে দিয়ে তার মায়া ভরা মুখটাকে আমার বুকে চেপে ধরলাম। যে মা ছেলের সামান্য কোমর ব্যাথা ভেবেও এত অশ্রু ঝরাতে পারে, সেই মায়ের হৃদয়ে তার ছেলে কতটা জায়গা জুড়ে বিরাজ করে, তা কেবল আমার মা চারুলতাই জানে! 

- আহ্, কি শান্তি যে পাই তোমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে মা! তোমায় আমি আমার কাছেই এভাবে আগলে রাখবো মা... সারাজীবন! 

এমনসময় বাবা ঢুকলো ঘরে একটা বিড়ি টানতে টানতে। ঢুকেই আমার বুকে মাকে জড়িয়ে রেখেছি দেখে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে ঝাঁঝিয়ে উঠলো,

- এই মাগী, বলেছি না ছেলেটার কাছে যাবি না!

- মুখ সামলে কথা বলো বাবা। মা আমার কাছেই থাকবে। তোমার কি করার আছে, করে নাও।

চাকরিটা পাওয়ার অপেক্ষাতেই ছিলাম। এবার বাবা আমার আসল রূপ দেখতে পাবে। তার এতো ভারী গর্জনকে আমি হুঙ্কার দিয়ে তার দম্ভকে প্রতিবেশী কাকিমার সামনেই মাকে বুকে জড়িয়ে ধরেই ভেঙে চুরমার করে দিলাম আমি। কাকিমা দেখলো এখন তার এখানে দাঁড়িয়ে থাকা ঠিক নয়, সে বাবাকে দেখে মাথায় ঘোমটা দিয়ে বেরিয়ে গেল। বাবা রেগে গিয়ে লাল চোখ করে আমার দিকে এগিয়ে এসে মায়ের চুলের মুঠি ধরে টানতে গেলো, আমার মাথায় তখন রক্ত উঠে গেছে, এই জানোয়ারটা আমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছে, মায়ের গায়ে হাত দিয়েছে, মাকে কষ্ট দিয়েছে, এখন আবার মায়ের গায়ে হাত? আমি আমার পেশিবহুল হাত দিয়ে তার হাতকে মায়ের চুল থেকে সরিয়ে দিয়ে মাকে ছেড়ে দিয়ে বাবার গালে কষিয়ে একটা চড় মারলাম। আর যে ইচ্ছাটা এতদিন আমার মনের গভীরে ছিলো, তা আজ পূরণ হলো...বাবার উপরের পাটির একটা দাঁত আমার চড় খেয়ে ভেঙে গিয়ে রক্ত সমেত উঠোনের মাটিতে ছিটকে পড়লো। বাবা গালে হাত দিয়ে একটু দূরে সরে গিয়ে আমার দিকে রক্তচক্ষু করে তাকিয়ে বুড়ো সিংহের মতো রাগে ফুঁসতে লাগলো। আমি শুধু হাসছিলাম তার দিকে চেয়ে। 

মা দেখলাম মাটিতে হাঁটু মুড়ে বসে বাবার দাঁতটা কুড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাবার কাছে এগিয়ে গিয়ে বাবার গালে হাত দিয়ে দেখতে লাগলো। এমনসময় মাকে কাছে পেয়ে বাবা আমার রাগ মায়ের ওপর ঝেড়ে ফেলতে তার ডান হাত তুলে মায়ের গালে মারতে যাবে, এমনসময় আমি কাছে গিয়ে তার হাতকে আমার মজবুত শক্ত হাত দিয়ে ধরে কব্জির কাছটায় মুচড়ে ঘুরিয়ে দিলাম। অনেক অত্যাচার করেছে জানোয়ারটা আমাদের ওপরে। ওর সময় শেষ হয়েছে এবার! বাবা ব্যাথায় কঁকিয়ে উঠে বসে পড়লো মাটিতে। আমি আর দাঁড়িয়ে না থেকে ঘরে ঢুকে আমার জয়েনিং লেটারটা নিয়ে বাইরে এসে বাবার মুখে ছুঁড়ে মারলাম। 

- আমি এখন আর তোমার কথামতো চলবো না বাবা, না মা তোমাকে ভয় পাবে। আমার চাকরি হয়ে গেছে।

তারপর হেসে মায়ের কাছে এগিয়ে গিয়ে মায়ের কোমরটা ধরে আমার বুকে চেপে ধরলাম বাবাকে দেখিয়ে দেখিয়েই। মা তখনও কাঁদছে। বাবার কাছে গিয়ে বসবে না ছেলের ভালবাসায় তার বুকেই আশ্রয় নেবে, তার মাথায় সব তালগোল পাকাচ্ছে। আমি মাকে বুকে জড়িয়ে রেখেই মায়ের মাথায় একটা চুমু খেয়ে বাবাকে বললাম,

- মা শুধু আমার। আমার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে যদি তার গায়ে একটা আঁচড়ও লাগে, মেরে গায়ের চামড়া উঠিয়ে দেবো তোমার। না মাকে আর তুমি গালাগাল করবে, না আমায় চোখ রাঙাবে। মনে থাকে যেন।

বলে মাকে তার চোখের সামনেই আরও খানিকটা চাপ দিয়ে মায়ের নরম শরীরটা আমার বুকে চেপে বসিয়ে রেখে মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে তার কপালে একটা চুমু খেলাম.... আমার ভালোবাসার ছোঁয়া এঁকে দিলাম তার তুলতুলে শরীরে। মা তখন আমার বুকে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)