Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#16

পর্ব - ১৬

সেই ঘটনার পর থেকে ঠিক এক মাস কাটল। চাকরিতে জয়েন করেছি। লতার শ্বশুড়বাড়ি বনদুলির স্কু/লে সহকারী ইতিহাস শিক্ষক হিসেবে ভালো পড়ানোর সুবাদে বেশ খ্যাতিও অর্জন করেছি এই ক'টা দিনে। বাচ্চা/রাও আমায় পেয়ে খুব খুশি। আসলে শুধু পড়িয়ে গেলেই তো হয়না, ইতিহাসের শিক্ষক আমি, রাজাদের হাবভাব, ব্রিটিশদের রাজত্বের কাহিনী আমি গল্পের মতো ওদের কাছে বলতাম, কারণ জানি গল্প সবাই মনে রাখে বেশিদিন। আর এভাবেই যেন আমি তাদের মন জয় করা শুরু করে দিলাম আমার অজান্তেই। আমার পড়ানো অধ্যায়গুলো থেকে ওদেরকে কিছু জিগ্যেস করলে ওরা অনায়াসেই সব তারিখ, সাল ও কাহিনীর সারসংক্ষেপ সুন্দরভাবে বলে দেয় কোনো ভুল ছাড়াই। বুঝলাম আমার গল্প বলার দক্ষতাই ওদের উন্নতির কারণ হতে চলেছে এবার।

সেদিন ভাবলাম স্কু/ল সেরে বাড়ি ফেরার পথে লতার সঙ্গেও দেখা করে আসবো, বিয়ের পর থেকে ওর বাড়ি গিয়েছি হাতে গোনা কয়েকবার। তবে ওর মুখে প্রথম প্রথম একটা খুশি ভাব থাকলেও শেষের দিকে কয়েকবার ওর মুখে এক অবসন্নতার ভাব লক্ষ্য করেছি। সে এখন চার মাসের পোয়াতি। পেট বেশ ফুলে উঠেছে। কেমন আছে কে জানে মেয়েটা! 


রাস্তায় দুই দিকে সারি দিয়ে গাছপালা আর পুকুর ছড়িয়ে। তার মাঝ দিয়ে মাটির রাস্তায় সাইকেলে প্যাডেল করতে করতে ভাবছিলাম মায়ের কথা! এখানে এই এক মাসের ঘটা কিছু ঘটনা উল্লেখ না করলে এর পরের ঘটনাগুলো ঠিক বোঝাতে পারবো না।

সেদিন কামেশ্বর বাবার ডেরা থেকে মায়ের পেছনে পেছনে বাড়ি ফিরে যখন এলাম তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে গিয়েছিল। ওই ডেরা থেকে বাড়ি এতো সময় লাগে না পায়ে হেঁটে ফিরতে, কিন্তু মা জঙ্গলে জন্তু জানোয়ারের ভয়ে ভয়ে হাঁটায় অনেক সময় নিয়ে নিয়েছিল। মায়ের বাড়ি ঢোকার কিছু পরে আমি ঢুকলাম। ঢুকেই মায়ের মুখে চেয়ে অদ্ভূত লাগলো! আগের দিনের মায়ের মুখে যে কষ্টের ছাপ দেখেছিলাম, তা আজ আর নেই, বদলে মুক্তির পথ খুঁজে পাওয়ার আনন্দ সুস্পষ্টভাবে ফুটে রয়েছে মায়ের দুই চোখে। মুখে হাসি রয়েছে, যেন মনের ভার লাঘব হয়েছে শেষে! 

রাতে যখন তিনজনে খাচ্ছি, তখন কথা হচ্ছিল। বাবার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা কেটে গেছে, বাবা কিছুটা এগিয়ে এসে আমার সঙ্গে আলাপ জুড়তে চেষ্টা করছে, অন্তত আমার সেটাই মনে হলো। কারণ বাড়িতে দুই কর্তা থাকলে একটু সমস্যা হয়। যেমন প্রতি পালে সিংহ একজন থাকে। সে তার সঙ্গীনি সিংহী ও সন্তানদের সুরক্ষা দেয় কিন্তু অন্য কোনো সিংহ সেখানে এসে পড়লে লড়াই বাঁধে। তেমনি এখানেও বাবা-ই এতদিন সংসার চালাচ্ছিল, সংসারের কর্তা হিসেবে এক দম্ভ তার অবচেতন মন ঘিরে বসবাস করতো, এবং তার জন্যেই তার মনে হতো সে সবাইকে সবকিছুই বলতেও পারে, করতেও পারে। কিন্তু আমার এই চাকরিটা পাওয়ার পর থেকেই তার সেই দম্ভে ভাঙন ধরলো। এখন সে জানে যে, সে যা বলবে তা তার স্ত্রী শুনলেও সন্তান পাত্তাই দেবে না। তাকে তার অবচেতনেই নিজের ক্ষমতা হারাবার ভয় পেয়ে বসলো। কোনো মানুষ কি নিজেকে দূর্বল ভাবতে চায়! না, কেউ চায় না। কিন্তু বয়স, শারীরিক ক্ষমতা ও অর্থ, এই তিন বস্তু অনেক কিছুকেই মেনে নিতে বাধ্য করে আমাদের। ঠিক তেমনটাই হলো আমার বাবা নয়নের সঙ্গে। সেদিন আমার চড় খেয়ে প্রথমে বুড়ো সিংহের মতো হুঙ্কার ছেড়েছিল ঠিকই, পরে কিন্তু অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিয়েছিল। দেখেছিল এখন এই ছেলেই তার বুড়ো বয়সের একমাত্র অবলম্বন। তাই ধীরে ধীরে আমার কাছে আসার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার একটা ব্যাপার এখনও যায়নি, তা হলো মাকে অকারণে বকা দেওয়া, অপমান করা, রাগ দেখানো, আর তার স্বামী সুলভ দম্ভ! এই দুটো তার ভেতরে থেকে গেল। তবে মুখের অশালীন ভাষা কমে গিয়েছিল অনেক! হয়তো অসহায়তাই তাকে এই শিক্ষা দিয়েছিল!

সেদিন রাতেই খেতে খেতে আলোচনা হচ্ছিল আমাদের তিনজনের মধ্যে।

- চারু, আজ তুই কোথায় গিয়েছিলি সকালে? আমায় না বলে এভাবে তো যাসনি এর আগে?

মা খেতে খেতে একটু থেমে উত্তর দিল। 

- আমার দিদির বাড়ি। কাল দুপুরে দিদির বাড়ি থেকে খবর এসেছিল তার শরীরটা ভালো নেই, তাই আজ সকালে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। কমলাকে তার বাবা গোরুর গাড়িতে পৌঁছে দেয়, আমাকেও ওখানে নামিয়ে দেয়।

নীলা কাকিমার মেয়ে কমলার শ্বশুরবাড়ি আর আমার মায়ের দিদির বাড়ি মানে আমার জ্যোৎস্না মাসির বাড়ি বনটুলিতে, বনদুলির পাশের গাঁ। মা সত্যিটা গোপন করলো খুব কষ্টে। কারণ মা এর আগে কোনোদিন সত্যি চাপা দেয়নি, না বাবার কাছে, না আমাদের কাছে। কিন্তু পরিস্থিতি এমনি, যে না করা কাজও আমাদের কিছু সময় করতে হয়! 

- অ, তুই সেইজন্যই কাল রাতে কিছু খেলি না দুঃখে। কি হয়েছে ওর?

- ওই একটু শরীর খারাপ।

- অ, তা তুই কাল আমায় ছেড়ে ওঘরটায় শুলি কেনে?

মায়ের মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেল, একইসঙ্গে একরাশ দুঃখ এসে তার গোটা মুখে ছড়িয়ে গেল। 

- আমার শরীরটা ভালো নেই গো....আমায় কিছুদিন সময় দেবে?

- কিসের সময়? তুই জানিস আমার একা ঘুমাতে ভালো লাগেনা।

আমি বাধা দিলাম এবার। মায়ের জন্য আমি সব করতে পারি! যদি মা কিছুদিন একা থেকে আর সাধুর কথা শুনে (জানিনা সাধু ও মার মধ্যে ঠিক কি কথা হয়েছে তখনও) মন থেকে সেই পাপবোধটা সরিয়ে ভালোভাবে আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারে, তাতে যদি মায়ের কিছুটা সময় দরকার হয়, নিক না। সে তো সারাজীবন এতো কিছু করলো এই সংসারের জন্য, নিজের জন্য খালি এই কটা দিন চেয়েছে মাত্র, তাও সে একা শোবে রাতে, এইটুকু আবদার, যদি আমরা পুরুষ হয়ে নারীদের এই সামান্য চাহিদা না পূরণ করতে পারি, তাহলে সেখানে ভালোবাসা আর নেই, এটাই ধরা যায়।

- মা একা শুতে চাইছে, তোমার কোনো সমস্যা আছে বাবা?

- না, ওই বলছিলাম....ঠিক...ঠিক আছে ...তুই একা শো....তবে ডাকলে আসবি!

বাবার এই মুখ, কিছুই আটকায় না, কার কাছে কি বলতে হয়, তাও না। ছেলের সামনে বউকে চোদার আহ্বান, এটাকে নিয়ে যে কি করি! আমি মাকে তারপর থেকে দুধ খাওয়ার কথাও একবারও বলিনি, আর এ বলছে সরাসরি গুদ মারার কথা। আসলে বাবাকে যতই দোষ দিই, দেখতে গেলে তার কিন্তু কোনো দোষ এক্ষেত্রে নেই, সে তো জানেই না আমার সাথে মায়ের কি কি ঘটেছে, আর মায়ের মনে কি তোলপাড় চলছিল যার জন্য মা নিজের পাপ ধুয়ে ফেলতে ছুটে গিয়েছিল সেই সাধুর কাছে।

- বাবা তুমি চুপ করো।

মা চুপচাপ খেলো, তবে তার মুখের হাসিটা কেটে গিয়ে একটা চিন্তার ভাব উদয় হলো। তা আসলে কি, তা কিছুক্ষণ পরেই জানতে পারলাম আমি।

রাতের খাওয়ার পর মা লতার ঘরে শুতে চলে গেল। আজও মা বাবার কাছে শোবে না। আমার দুধ‌ খাওয়ার কথা এখন বলার কোনো মানেই হয় না। মায়ের মনের ভাব স্পষ্টভাবে বুঝতে না পারার আগে অবধি আমি আমার দিক থেকে এগোবো না। কাল রাতে এতোটা এগিয়ে গিয়েছিলাম যে মাকে সারাদিন না খেয়ে থাকতে হয়েছিল কাল সারাদিন! না, ভেবেচিন্তে কাজ করতে হবে এবার। মা ঠিক কি ভাবছে, মায়ের মুখে সেই অনুশোচনার ভাব কেটে গিয়ে হাসির রেখা কেন ফুটলো, আর মা যখন আগের মতোই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে, তবে কেন বাবার ঘরে বাবার সঙ্গে শুতে গেলনা, এই সবকিছুর উত্তর আমায় ধীরে ধীরে বের করতে হবে মায়ের কাছ থেকে, ততদিন শান্তি নেই আমার! 

আজ আবার আকাশের পুবদিকটায় বিদ্যুতের ঝলকানি চোখে পড়লো। হাওয়ার গতি বেড়ে গিয়েছে। বোধহয় আজও ঝড়বৃষ্টি শুরু হবে। আমি জানালার দিকে তাকিয়েই শুয়েছিলাম। ঘুম একটু লেগেছিল চোখে, এমনসময় দরজায় টোকা পড়লো। কে এলো? উঠে দরজা খুলতেই অবাক হয়ে দেখলাম মা দাঁড়িয়ে আছে দরজার ওপাশে। তার চুলগুলো বারান্দার হাওয়ায় উড়ছে চোখে মুখে, শাড়ির আঁচলটা উড়ে এসে মুখটা ঢেকে দিচ্ছে। এই ঝড়বৃষ্টির পূর্বে, দূর্যোগের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে মা দাঁড়িয়ে আছে আমার দোরগোড়ায় এক মায়াবিনীর বেশে! যেন আমায় তার সঙ্গে নিয়ে যেতে এসেছে কোনো গোপন অভিসারে!

- মা! এসো ভেতরে এসো!

- না বাবু!!!

মায়ের গলায় এক দূর্বলতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে। চাই অথচ বলতে সংকোচ বোধ হচ্ছে....এমন একটা ভাব! তার ঠিক পরেই মা যা বলল তাতে আমি একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম।

- তুই আমার বুক চুষতে ভালোবাসিস....তাই না বাবু?

- হ্যাঁ মা। তবে তুমি যদি না দাও, আমি তোমার দুধ খাবো না! আরেকটা কথা....কাল আমি এক পাপ কাজ করে ফেলেছি মা! যদি পারো তো ক্ষমা করে দিও!

ঠিক এই পরিস্থিতিতে মায়ের ঠিক এই প্রশ্ন ঠিক মেলাতে পারলাম না আমি! গতরাতে যা ঘটেছিল, তার পরে মা আমার ঘরে এসেছে আমায় তার দুধ‌ খাওয়াতে? আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না এই ঘটনাগুলো! 

- আমি দিলে তুই খাবি? 

- হ্যাঁ মা, তুমি দিলে তোমার দুধ খাবো না কেন। মায়ের দুধ তো সন্তানের জন্যেই! 

- কিন্তু....!

- কিন্তু কি মা?

মা আমার হাতটা ধরলো‌।

- আয় আমার সঙ্গে!

মা আমার হাত ধরে নিয়ে চললো। ঘর থেকে বেরিয়ে উঠোন, উঠোন পেরিয়ে খোলা মাঠ, মাঠ পেরিয়ে একটা দীঘি! অন্ধকারে দীঘির পাড়ে মায়ের সঙ্গে এসে দাঁড়ালাম আমি!

- ওই দীঘির জল নিয়ে আয় দুহাতে যতটা ধরে, যা!

আমি কি করছি, কেন করছি, কি হবে এসবে, তা মায়ের ওপরেই ছেড়ে দিলাম। আর কতোই বা চিন্তা করবো, সব একসময় তো জানতেই পারবো।

যখন দীঘি থেকে দুই হাত এক করে তার ওপর জল নিয়ে ধীরপদে হেঁটে মায়ের কাছে এসে দাঁড়ালাম, তখন মায়ের শরীরের দিকে তাকিয়ে আমার বাড়াটা খাড়া হয়ে উঠলো। মা কোমরের উপরিভাগের সব কাপড়, ব্লাউজ, শাড়ি খুলে পাশে ঘাসের ওপর নামিয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন শরীরে আমার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার দুটো বড়ো বড়ো দুধ পেট অবধি জমাট বেঁধে আছে গোল হয়ে, চোখ উপরে পড়তেই দেখলাম মায়ের দুই চোখে আজ গতরাতের কামনা নেই, তার পরিবর্তে সেই দুই চোখে এক মাতৃত্বের ঝলক! এমনসময় বাজ পড়লো কোথাও। মা একটু কেঁপে উঠলো ভয়ে।

- এই জল আমার দুটো বুকে একটু ভালো করে মাখিয়ে দে।

আমি অবাক, কি বলছে মা এসব! আমি তাই করলাম। দীঘির জল মায়ের দুটো দুধের ওপর মাখিয়ে দিলাম, একটু বেশিই সময় নিলাম মাখাতে, মায়ের দুধ যে অতি বড়ো আর নরম! এই দুধে হাত পড়লে কি আর হাত সরানোর ইচ্ছা জাগে? 

- তোর দুই হাত আর আমার এই বুক শুদ্ধ হলো আজ! কারণ এখান থেকেই সব শুরু হয়েছিলো। এবার থেকে যা যা বলবো, তাই তুই করবি, আমায় কথা দে বাবু?

- তোমার কথা কি আমি কোনোদিন শুনিনি মা? বলো তুমি, যা বলবে করবো!

বুঝলাম মা ওই সাধুর কথা অনুযায়ী কিছু নিয়ম রীতি অনুসরন করে মানসিক পাপবোধ থেকে নিজেকে ও আমাকে মুক্ত করতে চাইছে। কিন্তু সে আর কি কি করবে, কিভাবে করবে, আর ভবিষ্যতে আমার জন্য কি কি ঘটনা অপেক্ষা করে আছে, তা আমার কল্পনারও বাইরে! 

আমি তখনও আমার দুহাত দিয়ে জল মাখাচ্ছিলাম মায়ের দুটো দুধে, জল যদিও শুষে নিয়েছে মায়ের দুধের মাংস এই ঝোড়ো হাওয়ায়, তবুও মায়ের দুটো দুধকে অল্প অল্প টিপছিলাম আরামে। এই দুধে আমি যতবারই হাত দিয়েছি, প্রত্যেকবারই নতুনত্বের স্বাদ পেয়েছি। মনে হচ্ছে মুখ ডুবিয়ে দিই ওই রসালো বোঁটা দুটোই, আর.... একটুখানি....দুই আঙুলে... মুচড়েও দিই.....!

ঝড় শুরু হলো এবার। বৃষ্টির দেখা নেই। কিন্তু বাজ পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের এই প্রবল বেগ আমাদের দুজনকে যেন শূন্যে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার এক পৈশাচিক খেলা শুরু করলো। আমরা দুজনে এই ঝড় বিদ্যুতের মধ্যে এত রাতে এই নির্জন দীঘির পাড়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তার মধ্যে নারীটি তার দুটো দুধ উন্মুক্ত করে দাঁড়িয়ে আছে আর তার ছেলে, তার আপন সন্তান মায়ের দুধ টিপে চলেছে।

- বাবু...!

- বলো মা!

- কাল আমি মা হয়ে যা করেছিলাম তোর সঙ্গে, তা অন্যায়! তা থেকে নিজেকে শোধনের জন্য কিছু করতে হবে আমাকে আজ! আর একইসঙ্গে তোর ভেতরেও যদি আমার প্রতি এতটুকু এমন চিন্তা থেকে থাকে, তার জন্য তোকেও আজ একটা কাজ করে সেই কর্ম থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে‌। আমাদের দুজনকেই আজ প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে....!

- প্রায়শ্চিত্ত?

- হ্যাঁ।

- কিন্তু কি?

- তার আগে বল আমি যা বলবো তুই তাই করবি, আর আমাদের মধ্যে যা কথা হচ্ছে, তা কেউ জানতে পারবে না?

আমি অবাক হলাম! মায়ের ডান দিকের দুধটা টিপতে টিপতেই বাঁ দিকের দুধটা ছেড়ে ডান হাত মায়ের মাথায় রাখলাম। আমি যে মায়ের দুধ টিপছি, মা সেটা এতক্ষনে বুঝলো। এর আগে বোধহয় মা চিন্তার ঘোরে থাকায় সেটা বুঝতে পারেনি।

- বেশ। কথা দিলাম তোমার মাথায় হাত রেখে, তুমি যা বলবে, শুনবো আর আমাদের মধ্যেকার কথা বাইরের কেউ জানতে পারবে না।

মা বোধহয় বুঝতে পারলো যে আমার মধ্যে কামভাব এসে গেছে, তাই সে আমার কথা শেষ হতেই তার ডান দুধটা থেকে আমার হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে নিজের হাতে ধরলো পরম স্নেহে।

- বাবু, আমাদের মধ্যে যা হয়েছে, তা নিষিদ্ধ, তা পাপ, তা নরক গমনের পথ। আমরা এই পথে হাঁটতে পারবো না। আমি কিছুতেই তোকে এই পথে যেতে দেবো না!

মায়ের গলা কেঁপে ওঠে, চোখদুটো জলে ভরে আসে। আমার হাত তার দুই নরম হাতের মুঠোয় তখনও ধরা আছে। আমি মায়ের গালে হাত বুলিয়ে বললাম,

- কি করতে হবে বলো মা?

- আমি এক সাধুর কাছে আজ গিয়েছিলাম।

এবার মা নিজে থেকেই আমার কাছে তার কথা খুলে বললো... কাঁদতে কাঁদতেই।

- তুই একটু আগেই বললি যে আমি যা বলবো, তুই তা করবি, তুই আমার মাথায় হাত দিয়ে কথা দিয়েছিস বাবু, অন্যথায় কিন্তু আমার মরা....!

আমি মায়ের মুখ চেপে ধরলাম।

- করবো, তুমি বলো।

- তুই প্যান্ট খোল বাবু...!

আমি আকাশ থেকে পড়লাম....!

- মানে? কি বলছো মা?

- যা বলছি, কর বাবু, আমার ওপর কি তোর ভরসা নেই?

- আছে মা, বরং তোমাকে ছাড়া আর কারোর ওপর ভরসা করতে পারি না যে!

আমি প্যান্টের বোতামে হাত দিলাম। পট্ করে বোতাম খুলে চেইনটা নামিয়ে সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা আমার মায়ের দিকে একবার তাকালাম। আমার মা আমায় প্যান্ট খুলতে বলছে! কিন্তু একটু আগেই মায়ের দুধ টেপার জন্য আমার বাড়া তো সম্পূর্ণ খাড়া হয়ে তার আসল রূপ ধারণ করে আছে! আমি কি করবো! আর কিছু উপায় না পেয়ে চোখ বন্ধ করে প্যান্টটা হাত থেকে ছেড়ে দিলাম। মাটিতে লুটিয়ে পড়লো আমার প্যান্ট। মা দেখলাম নিচে আমার খাড়া হয়ে থাকা বাড়াটা একবার দেখলো, তারপর আমার দিকে চাইল। মায়ের চোখে এক বিন্দুও আমি কামের ঘোর‌ পেলাম না। এবার মা যেটা করলো, তার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না, সত্যি বলতে আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। মা কোমরের সায়ার দড়িতে টান দিল আর সায়াটা মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। আমি তাকিয়ে দেখলাম মায়ের গুদের কাছটায় কালো কালো বালের জঙ্গলে পরিপূর্ণ, গুদ, গুদের চেরা, পাপড়ি কিছুই দৃষ্টিগোচর হলোনা, শুধু মায়ের সম্পূর্ণ নগ্ন শরীরটা আমার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

হঠাৎ কান ফাটানো শব্দে কাছেই বাজ পড়লো। আর সেই শব্দে মা ভয় পেয়ে আমায় দুহাতে আকড়ে ধরলো। ঝড় উঠেছে তখন প্রবল বেগে, বড়ো বড়ো গাছগুলো দীঘির পাড়ে মাথা নুইয়ে মাটি ছোঁয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে, দীঘির কালো জলে ঢেউ উঠেছে, ঝড়ের তীব্র প্রকোপে সন্ সন্ আওয়াজ চারপাশ মাতিয়ে তুললো। এই পরিবেশে দুটি সম্পূর্ণ উলঙ্গ নরনারী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছে নিঃশব্দে! আমার বাড়া শক্ত হয়ে খাড়া থাকায় আর মা আমার চাইতে কিছুটা বেঁটে হওয়ায় মায়ের আমাকে জড়িয়ে থাকার জন্য আমার বাড়া সরাসরি মায়ের নাভির গর্তে গিয়ে গেঁথে গেল। আমার বুকেই মা একটু গুঙিয়ে উঠলো।

- উফ্।

মায়ের নাভির গভীর গর্তের ভেতরের উষ্ণতায় আমার বাড়া যেন আরও শক্ত হয়ে নাভির পর্দা ভেদ করে পেটের ভেতরের মাংসে ঢুকে যেতে চাইল। তৎক্ষণাৎ মা নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আবার আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়লো। আমার খাড়া বাড়া তার নাভির গর্ত থেকে ফক্ করে বেরিয়ে এসে শূন্যে কাঁপতে লাগলো।

- আয় আমার সঙ্গে।

এবার আমার চমকাবার পালা! মা আমার হাত ধরে এই প্রবল ঝড়ের মধ্যেই সেই দীঘির জলের দিকে টেনে নিয়ে চললো। দীঘির জলের কাছে এসে আমরা দুই উলঙ্গ মা ছেলে, চারুলতা ও চয়ন, দাঁড়িয়ে পড়লাম। তারপর মা আমার দিকে তাকালো।

- এবার আমাদের আরও একটা জায়গা শুদ্ধ করতে হবে!

বুঝলাম মা আমার বাড়া আর তার গুদের কথা বলছে। এটাও ওই কামেশ্বর বাবার উপদেশ! তাকে মনে মনে কিছুটা ভক্তিভরে প্রণাম করলাম। উনি না থাকলে আমার হয়তো এই দিনটায় পৌঁছাতে আরও অনেকদিন সময় চলে যেত। মা আমার হাত ধরে দীঘির ঠান্ডা জলে টেনে এক কোমর জলে নিয়ে গিয়ে থামলো, আমার মুখোমুখি দাঁড়ালো। তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আমার কাছে সরে এলো। আরো কাছে, আরও কিছুটা.... হ্যাঁ....এবার মায়ের পেটে আমার বাড়া স্পর্শ করলো... আরো একটু.....এবার মা আমার বুকে নিজের বড়ো দুটো দুধ চেপে দাঁড়িয়ে পড়লো....আমার খাড়া বাড়া মায়ের পেটের ধাক্কায় উপরে দুধের দিকে উর্দ্ধমুখী হয়ে রইল আর মায়ের দুধের আকার অনেকটা বড়ো হওয়ায় মায়ের দুধ নাভি অবধি নেমে জমাট বেঁধে আছে, তাই আমার বাড়া উপরের দিকে উঠতে গিয়ে মায়ের দুধেই গেঁথে গেল। 

এবার মা যা করলো....তা....আমার.... কল্পনারও অতীত! 

মা আমার শক্ত ১০ ইঞ্চি লম্বা ৪ ইঞ্চি মোটা লকলকে বাড়াটা তার দুধের নিচের দিকে ঢাকা পড়া অবস্থা থেকে বের করে এনে তার ডান হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরলো....তারপর বাঁ হাতে আমার গলা ধরে ডান পা আমার কোমরে জড়িয়ে ধরে একটু নিজেকে জলের নিচের মাটি থেকে ওঠালো, তারপর তার গুদের ভেতরে আমার বাড়ার মুন্ডিটা এক ঝটকায় ঢুকিয়ে দিল। 

- ওক্....বাবু!

মায়ের গলা চিরে এই ডাক আর ফক্ করে গুদে মুন্ডি গাঁথার আওয়াজ অল্প ভেসে এলো আমার কানে। 

ঠিক এইসময় শুরু হল মুষলধারায় বৃষ্টি। সঙ্গে ঝড়ের বেগ দ্বিগুণ হয়ে গেল, আর তার সঙ্গে বাজের ডাক এই পরিবেশকে ভুতুড়ে বানিয়ে তুললো। এই চরম দূর্যোগের মধ্যে এক বড়ো দীঘির এক কোমর শীতল জলে আমি উলঙ্গ শরীরে বাঁহাতে মায়ের পা ও ডানহাতে কোমর ধরে আর মা উলঙ্গ শরীরে বাঁহাতে আমার গলা ও ডানহাতে আমার লোহার ডান্ডার মতো শক্ত হয়ে থাকা বাড়ার মুন্ডিটা নিজের গুদের ভেতরে ঢুকিয়ে আমার চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রইল চুপচাপ। মায়ের গুদে এই প্রথমবার আমার বাড়া প্রবেশ করলো। কি গরম মায়ের ভেতরটা....! কিন্তু আমি যে আরও গরম চাই! তাই আমি সামান্য ঠেলতে যাবো, মা আমায় বাধা দিলো আর আমার চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রইল।

- বাবু...!

- বলো মা!

- এবার আমার আর তোর গোপন স্থান শুদ্ধ হলো!

বলে মা ডানহাত দিয়ে বাড়ার মুন্ডিটা ফক্ করে তার গুদ থেকে বের করে আনলো আমার দিকে চেয়ে থেকেই। আমি হতভম্ব হয়ে ওই ঠান্ডা জলে দাঁড়িয়ে রইলাম। মা আমার হাত ধরে পাড়ে টেনে আনলো‌। তারপর চারপাশে একবার তাকিয়ে দেখলো মা। অঝোর ধারায় ঝরছে কোটি কোটি জলকণা ভূমির দিকে মুখ করে, পতন ঘটছে তাদের...ভূমির অভিকর্ষের টানে তারা ছুটে আসছে তার দিকেই! আমি মায়ের দিকে চাইলাম। এমনসময় বিদ্যুতের ঝলকানিতে চারপাশ আলোকিত হয়ে উঠলো কিছুক্ষনের জন্য আর আমি সেই কিছুক্ষনের জন্যেই দেখলাম এই বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপটে মায়ের লম্বা ভেজা চুল মায়ের মুখ, দুধ, পেট, পিঠ ও পোঁদের সঙ্গে লেপ্টে গেছে....আর মা আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে এই নগ্ন শরীরে। মায়ের এই নধর লদলদে মোহময়ী শরীর যেন আমায় জানান দিচ্ছে,

- আমি তোর মা নই, আমি এই জগৎ সংসারে পুরুষদের জাগরণ ঘটিয়ে এসেছি যুগ যুগ ধরে.... আমিই কামদেবী.... বোস...আমার কোমরের কাছে বসে পড়ে তোর মুখগহ্বরের ক্ষুধার্ত লকলকে সাপটাকে আমার অমৃতস্থলে ঢুকিয়ে দে....দে বলছি.... ঢুকিয়ে দে!!!

আমার সংযম হারিয়ে ফেলতে লাগলাম আমার ভালোবাসা, আমার প্রেমিকা, আমার প্রণয়িনী চারুলতার নগ্ন নধর শরীরের লোভনীয় আহ্বানে.... মনে মনে কে যেন বলে উঠলো...!

- এই শরীর তো ভোগের জন্যই....এই রাত আর আসবে না এই জীবনে....ভোগ কর চয়ন....ভোগ কর.....!!!!

আমি হয়তো এবার আমার সংযম সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলতাম, মা আমার হাতটা ধরে পাড়ের একটা বড়ো অশ্বত্থ গাছের তলায় নিয়ে গেল। সেখানে দুজনে মুখোমুখি দাঁড়ালাম। মা এবার আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে কিছু়ক্ষণ তাকিয়ে থাকলো। আমি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম ঠিকই, কিন্তু আমার শরীর আজ প্রকৃতির এই তান্ডব খেলায় যেন নিজেকেও মাতিয়ে তুলতে আমায় ডাক দিচ্ছে আজ...এই দীঘির পাড়ে...এই ঝড় বৃষ্টিতে তোলপাড় হওয়া...এই রাতে!

- বাবু, আমাদের দেহ শুদ্ধি ঘটেছে....এবার আমাদের মন শুদ্ধি ঘটা চায়!!!

আমি মায়ের এই শরীরের মোহে কেমন একটা পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিলাম।

- বলো মা, কিভাবে মনকে শুদ্ধ করবো, বলো...আমি যে তোমার মা, শুধু তোমার, যা বলবে করবো!

- আমার দিকে তাকা বাবু, আমার চোখের দিকে তাকা!

আমি কামের উগ্র ভাবে মায়ের দুধ ও পোঁদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম। মায়ের কথায় সম্বিত ফিরে মায়ের চোখের দিকে কোনোরকমে তাকালাম! 

- এবার যেটা বলছি, সেটাই একমাত্র উপায় আমাদের মনকে শুদ্ধ করার!

- বলো মা, বলো!

- বাবু.... আমাদের মিলন হবে আজ!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)