Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#20

পর্ব - ২০

মাকে নিজের ঘরে ঢুকিয়ে বিছানায় ফেলে দিলাম। মায়ের দুধ ছিটকে বেরিয়ে আমার জামা ভিজিয়ে দিল। আমি সেই ভেজা জামাতেই বিছানায় মায়ের ওপরে শুয়ে পড়লাম।

- বাবু....তোর মনে এখন যে ভাব এসেছে, তা যে পাপের পথ! 

- তোমার দুধ আমার সব পাপ  ধুয়ে দেবে মা।

বলে মায়ের ব্লাউজটা আমার দুই শক্ত হাতে ছিঁড়ে দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলাম। তারপর আমার দুগ্ধবতী গাভী মায়ের ডানদিকের বড়ো দুধটা মুখে পুরে একবার টিপলাম মাত্র। ছর ছর করে দুধ বেরিয়ে এসে আমার গোটা মুখ কয়েক সেকেন্ডেই ভরিয়ে দিলো। আমার গাভী মায়ের এতো দুধ তৈরি হচ্ছে?

- তোমার দুধ এলো কিভাবে মা?

মা ভেজা চোখেই অন্য দিকে তাকিয়ে বললো,

- জানিনা, বোধহয় সাধুবাবার আশীর্বাদে... বাবু....আমার একটা কথা শোন....তুই এইভাবে আমার বুকে মুখ দিসনা...আমি যা চেয়েছিলাম তা যে পূর্ণ হবে না রে!

আমার কামের ঘোর কিছুটা কাটলো মায়ের কথায়....আমি বুঝলাম যদি আমি এমনটা করে যায়, তবে মায়ের মনের পাপবোধ কাটবে না, আমি হয়তো মায়ের দেহ ভোগ করতে পারবো, কিন্তু মা আমার জন্য চিন্তায় কষ্ট পেতেই থাকবে! কিন্তু মায়ের কষ্ট আমি সহ্য করবো না! এমনসময় আমার মাথায় একটা কথা ভেসে এলো। একজন নারীর মন সবসময় সোজা পথে পাওয়া যায় না, কখনো কখনো ছলনারও দরকার হয়! 

- মা, আমি তোমার এই দুধ খাচ্ছি ছেলেবেলায় যেমন খেতাম, সেই ভাব নিয়েই।

পরক্ষণেই মায়ের মুখে আমার এই সামান্য কথার প্রভাব লক্ষ্য করলাম। মায়ের কান্না থামলো, ফোঁপানো থামলো, মুখের দুশ্চিন্তা কাটলো আর একইসঙ্গে ঠোঁটে স্নেহভরা হাসির রেখা ফুটলো। আমি বুঝলাম নারীদের মন বোঝা বোধহয় আমি কিছুটা রপ্ত করতে পারলাম আজ। আর এও বুঝলাম এবার আর ভোগে কোনো বাধা আসবে না।

- বাবু...তুই সত্যি সত্যিই এমন ভাব নিয়েই আমার দুধ টানছিস?

- হ্যাঁ মা.... প্রথম থেকেই!

আমার সরল মা! এই কথায় মা গলে গিয়ে আমার চুলে বাঁ হাত দিয়ে বিলি কাটতে কাটতে ডান হাত দিয়ে তার ডানদিকের দুধের থলি ধরে আমার মুখে বোঁটা পুরে দিয়ে নিজেই নিজের দুধ টিপতে লাগলো যাতে আমার মুখে দুধ আসে। আমার মা নিজের জোয়ান ছেলের মুখে দুধ পুরে দিয়ে তাকে নিজের মাতৃদুগ্ধ পান করাচ্ছে। 

মায়ের দুধ যে এতো সুস্বাদু তা আমি প্রথমবার অনুধাবন করতে পারলাম। হালকা মিষ্টি...একটু ঘন, গোরুর দুধের থেকে বেশিই ঘন, আর বেশ সুস্বাদু দুধ। আমি মায়ের ওপর শুয়ে দুধ খাচ্ছি। দুধ একদিকে হেলে থাকলে বেরোই বেশি, কিন্তু মা চিৎ হয়ে শুয়েছে, আমি শুয়েছি তার ওপরে, তাতেও মায়ের দুধের পরিমাণ বিন্দুমাত্র হ্রাস হলোনা। কিন্তু এভাবে ওপরে উঠে দুধ খেতে আমার একটু অসুবিধাই হচ্ছিল, মা সেটা আঁচ করতে পেরে আমায় নিয়ে বাঁ পাশ ফিরে শুল। আর আমি বাঁ দিকে শুয়ে মায়ের ডানদিকের দুধটা দুহাতে ধরে বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে জোরে টানছি আর মায়ের দুধ ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে এসে আমার পেট ভরিয়ে তুলছে। দেখলাম মায়ের বোঁটার ওপরে বিন্দু বিন্দু ছিদ্র দিয়ে ফোয়ারার মতো দুধ ঝরছে....! 

- মা, তুমি সেদিন শিল নোড়ায় কি গুঁড়ো করছিলে না?

- হ্যাঁ, সাধুবাবা যা দিয়েছিলেন!

- ওটা খেয়েই তোমার বুকে দুধ এসেছে!

এই কথায় মায়ের সাধুবাবার একটা কথা মনে পড়ে গেল, তিনি মাকে বলেছিলেন 'এতো বড়ো বুকে দুধ নেই?'....সেই কথাটা মায়ের মনে আসতেই মা পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পারলো। 

- হ্যাঁ বাবু, ঠিক বলেছিস। সাধুবাবা আমায় এটা বলেছিল সেদিন!

- কি বলেছিল মা?

আমি ইচ্ছা করেই জানতে চাইলাম, যদিও সেদিন আমি নিজের কানেই সব শুনেছি!

- এই বুকে দুধ নেই?

- শুধু এটুকুই বলেছিলেন সাধুবাবা?

- না।

- তবে বাকিটা বলো।

- এতো বড়ো দুধ যার, দুধ তো থাকতেই হবে!

- এটা বলেছিল সাধুবাবা তোমাকে?

- হ্যাঁ।

- তুমি কি বলেছিলে এটা শুনে?

- আমি কি বলবো? শুনলাম!

- তোমার দুধ যে বড়ো, সেটা নিয়ে একজন পরপুরুষ তোমাকে এই কথা বললো, তোমার লজ্জা লাগেনি?

- লেগেছিল, কিন্তু উনি সাধুবাবা, ওনার কথায় লাজ করলে চলে বাবু?

- তোমার যে বড়ো দুধ, এতো বড়ো কিভাবে হলো মা?

আমার এই কথায় মা খানিক লজ্জা পেলো। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে তার সরল হাসি হেসে বললো,

- আমার মায়েরও বুক বড়ো ছিলো, আমার দিদিমারও... আমাদের ঘরের মেয়েদের প্রত্যেকেরই বুক বড়ো।

- জ্যোৎস্না মাসিরও?

জ্যোৎস্না মাসি মায়ের দিদি, থাকে বনটুলিতে কমলার শ্বশুরবাড়ি যে গাঁয়ে, আগেই বলেছি একথা, তাকে সত্যি বলতে আমি কখনো দেখিনি। একথা শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, না সে আমাদের বাড়ি এসেছে কোনোদিন, না আমি তাদের বাড়ি গেছি, যদিও সামনেই, তবুও যাওয়া হয়নি। কিন্তু একটা উৎসাহ আছে যাওয়ার, তাকে দেখার!

- হ্যাঁ, দিদিরও বুক বড়ো, আমার থেকে যদিও একটু ছোটো!

- আমার মা, তুমি সব দিক থেকেই এগিয়ে গো!

- তোর দুধ খাওয়া হলো?

- তোমার এতো তাড়া কিসের মা?

- সাধুবাবার কথা ভুলে গেলি? আজ আমাদের দ্বিতীয়...মিলন।

এই কথা বলায় মা এতটুকু সংকোচ বোধ করলো না। সংকোচ হয় তাদের যাদের এই কথার পেছনের অর্থ অন্যরকম হয়, যৌনতা মেশানো। কিন্তু মায়ের সাদা মনে কাদা নেই। কত সহজে নিজের ছেলেকে বলে দিলো তার গুদ মারতে। মা এতো সরল! একথা কারোকে বললে হয়তো বিশ্বাস করবেনা যে এক মা সম্পূর্ণ সরল মনেই তার নিজের পেটের ছেলেকে আহ্বান জানাচ্ছে তাকে চোদার জন্য, কিন্তু সত্যি বলতে...আমার মা এতটাই সরল!

- না মা ভুলিনি। দাঁড়াও একটু পেচ্ছাপ করে আসি!

আমি মায়ের দুধ ছেড়ে উঠে দরজার কাছে গেছি, মা ডাকলো, তারপর একটু লজ্জা পেয়ে বললো,

- বাবু.....একটু দাঁড়া, ব্লাউজটা পরে নিই, আমিও যাবো।

মা আসলে এই রাতে একা বাইরে বেরোতে ভয় পায়, ভূতের। বাবার কাছে শুলে বাবাকে রাতে উঠিয়ে সঙ্গে নিয়ে পেচ্ছাপ করতে যায়, কিন্তু আজ আমার সঙ্গে শুয়েছে, তাই আমায় যেতে হবে। আমি বুঝলাম ভবিষ্যতে আমার কপালে অনেক দূর্ভোগ আছে, মাঝরাতে বউকে উঠিয়ে পেচ্ছাপ করতে নিয়ে যাওয়ার দূর্ভোগ। মনে মনে মাকে নিজের বউ ভেবে বেশ গর্ব অনুভব হচ্ছিলো। তাই একটু আদেশের মতো করেই বললাম,

- ব্লাউজ পরতে হবে না, এই রাতে কেউ তোমার দুধ দেখতে পাবে না, এসো।

আমি মায়ের হাত ধরে মাকে পেচ্ছাপ করাতে নিয়ে চললাম বাড়ির বাইরের ঝোপটায়। মা সাধারণত খুব লাজুক এই পেচ্ছাপের ব্যাপারে, মুখ ফুটে কিচ্ছু বলতে পারে না নিজের স্বামীকে ছাড়া, কিন্তু আমার সাথে কিছু সময়ে এতোটাই ঘনিষ্ট হয়ে পড়েছে যে এই পেচ্ছাপ করতে যাবার কথা মায়ের মুখে আমি প্রথমবার শুনতে পেলাম।

আকাশে মেঘ ভরে আছে, হালকা ঝড় অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা আজ নেই মনে হচ্ছে, শুধু ঝড় বইছে আজ। চারপাশ নিস্তব্ধ নির্জন। কেউ কোত্থাও নেই। শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার একঘেয়ে আওয়াজ ভেসে আসছে। উঠোনের খিড়কি খুলে বাইরে বেরিয়ে এলাম। আমাদের বাড়ির বাইরেটা অনেকটা ফাঁকা জায়গা, সেখানে একটা পোড়ো বাড়ি রয়েছে কিছুটা দূরে, আমি জানি মা ওটাকেই ভয় পায়। আর আমাদের বাড়ির সামনেটাতে অনেকটা জায়গা জুড়ে গাছপালা ছড়িয়ে আছে। মাকে নিয়ে ঢুকলাম ঝোপের মধ্যে। মা আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল। বুঝলাম পেচ্ছাপ করতে লজ্জা পাচ্ছে। 

- কি হলো, করো!

- তুই ওখানটায় গিয়ে দাঁড়া বাবু!

- কেন‌ এখানটায় দাঁড়ালে কি হবে?

- আমার হবে না তবে!

- একটু পরেই তো আমরা...!

- তুই যাবি বাবু?

- না, আমি পেছন ঘুরে দাঁড়াচ্ছি, তুমি করো।

- তুই এইরকম করিস না বাবু আমার সঙ্গে!

- আমি যা বলি তাই করি....আর যদি না করো তুমি, তবে আমি আজ তোমার গুদ মারবো না!

মা আমার মুখে 'গুদ মারা' কথাটা শুনে লজ্জায় তার মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করলো, কারণ সে এটাকে সেভাবে দেখছেই না! এটা তো স্বামী স্ত্রীর মধ্যেকার গোপন কথা‌। মা যে সন্তান রূপে আমায় নিজের ভেতরে প্রবেশ করাতে চায়! কিন্তু আমি এতোটা এগিয়ে গিয়েছি, যে এসব কথা বা এসব কাজ আর কোনো কঠিন কাজের মধ্যে আমার কাছে পড়ে না।

- বাবু!

- কি?

- তুই কি বললি?

- তোমার গুদ মারবো!

- বাবু!

- তুমিই তো বললে সাধুবাবা বলেছেন....?

- হ্যাঁ বলেছেন, কিন্তু সন্তান হিসেবে তুই আমার মধ্যে আসবি, ওটা স্বামী স্ত্রীর কথা...!

- কর্ম তো একই মা! শব্দে পড়ে থাকলে চলবে!

মা কিছুক্ষন ভাবলো আমার এই কথায়! বোধহয় আমার কথায় সে নিজেও সম্মতি জানালো!

- বেশ।

- কি বেশ?

- তুই যা বললি...!

- কি বললাম?

- বাবু...!!!

- আরে কি বললাম, সেটা তো বলো?

- ওই কথাটা!

- কোন কথাটা?

- যেটা বললি একটু আগে...বাবু তুই কি চাইছিস বলতো?

- আমি তোমার মুখে শুনতে চাই সেই শব্দটা!

- আমি পারবো না বাবু, ক্ষমা করে দে!

- মা, একটু আগেই তো আমার কথা স্বীকার করলে, লজ্জাটা কাটাতে হলে সেটা বারবার বলে ও বারবার করে অভ্যাস করতে হয়, তবেই লজ্জা কাটবে। আর এই লজ্জা কাটলেই মন শুদ্ধ হবে মা। আমি সাধুবাবা নই, কিন্তু পুঁথিগত বিদ্যা আমার অনেক। আমি কত বাচ্চা/দের শিক্ষাদান করি, আমি একজন শিক্ষক। আশা করি তুমি সেটা ভুলে যাওনি।

মা আমার এই কথায় সম্পূর্ণভাবে আমারই স্রোতে ভেসে গেল। এই কিছু সময়ের ঝড়ে, যা মায়ের মধ্যে দিয়ে বইছে, নিষিদ্ধ পাপ করা ও সেই পাপ থেকে মুক্তির জন্য কর্ম করা, এই চিন্তায় মা সারাদিন কাটিয়ে চলেছে, সেই চিন্তার ঘোরেই মা এটা ভুলে গিয়েছিল কিছুটা যে, তার নিজের ছেলে জ্ঞানী পন্ডিত... একজন শিক্ষক!আশেপাশের দশ গাঁ তার ছেলের গুনগান করে বেড়ায়। মায়ের গর্ব বোধ হলো আমার দিকে চেয়ে। ভরসা এলো আমার প্রতি, আমার কথায়। আর ঠিক তখনই বুঝলাম মা ও আমার মধ্যকার দূরত্ব আরও কিছুটা কমলো আজ...এই ক্ষণে!!!

- আমায় ক্ষমা করে দে বাবু, আমি তোকে দুঃখ দিতে সেকথা বলিনি।

মায়ের দুই চোখ জলে ভরে এলো। আমার অপমান, অসম্মান, কষ্ট, দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও অসুস্থতা মা কোনোদিন সহ্য করতে পারেনি, আজও পারলো না। মা আমার কাছে এগিয়ে এসে আমায় জড়িয়ে ধরলো! তারপর আমার বুকে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো!!!

- কি হলো মা, কাঁদছো যে!

- তোকে আমি ছোটো করেছি বাবু, তোর কথার গুরুত্ব দিইনি আমি, তুই যে এতো বড় পন্ডিত, তোর কথার মূল্য দিইনি রে...! আমি ইচ্ছা করে করিনি বাবু, বিশ্বাস কর।

- যে মা এই কথায় কেঁদে ওঠে, তাকে বিশ্বাস না করে পারা যায় মা...! তুমি যে আমার মা... তুমিই যে আমার জীবন!

মা আরো ভালোভাবে আমায় জড়িয়ে ধরলো। আমি মায়ের আরো ভেতরে, মনের গভীরে ঢুকে পড়ার জন্য, মায়ের লজ্জা কাটিয়ে মায়ের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য, মাকে সম্পূর্ণভাবে পেতে মায়ের মুখ ধরে আমার দিকে ঘোরালাম। আমি কিন্তু এমন নারী চাইনা, যে কথায় কথায় এইসব কামঘন ভাষা অনবরত বলে চলে, আমি শুধু মায়ের লজ্জা কাটাতেই এই কাজ করছি। আমি আমার ঠোঁটের কাছে তার ঠোঁট এনে স্থির করলাম।

- বলো এবার সেটা।

- কোনটা বাবু?

- ওই যেটা আমরা করতে চলেছি!

- বেশ।

- বলো....আমি কি করবো তোমার?

- তুই আমার গুদ মারবি আজ!

এক সারল্য ভরা পবিত্র সতী গ্রাম্য বধূ নিজের ছেলেকে নিজের গুদ মারার কথা বলছে , তা নিজের কানে শুনে আমার বাড়াটা মায়ের পেটে প্যান্টের ওপর থেকেই ধাক্কা দিলো। আমি মায়ের ডান হাতটা ধরে আমার প্যান্টের ওপর দিয়েই নিজের শক্ত ঠাঁটানো বাড়াটা ধরিয়ে দিলাম।

- এটাকে কি বলে?

- জানিনা আমি!

- তাকাও আমার দিকে...বলো...এটা তোমার ছেলের কি?

- বাবু...!

- কি?

- এটা আমার ছেলের বাড়া!

আহ্। মায়ের হাত আমার বাড়া ধরে আছে আর মায়ের মুখে বাড়া কথা শুনে আমার বাড়াটা আরও শক্ত হয়ে ফুঁসতে শুরু করলো। এবার আমি আরও একধাপ এগোলাম। যেন নিজের মাকে আমি নিজের সঙ্গীনি হওয়ার উপযুক্ত করে ফেলছি ধীরে ধীরে। আর এই সবকিছুর জন্য সেই কামেশ্বর বাবাকে আমার প্রণাম। তিনি যদি এই তিন বছর মাকে নিজের ছেলেকে দিয়ে চোদাবার জন্য রাজি না করাতেন, তাহলে এই দিন কবে আমি পেতাম, তা ভাবলেও ভেতরটা ছ্যাঁত করে ওঠে। আমি এবার একটু সাহস করে আরো এগিয়ে গেলাম। মায়ের ফোলা গুদটা আমার বাঁ হাত দিয়ে খামচে ধরে বললাম,

- এটা হলো তোমার গুদ... কি?

- জানি না!

- কি?

- বাবু...!

- আমার দিকে তাকাও...বলো....কি?

- গুদ।

- হ্যাঁ এই গুদ-ই আজ আমি মারবো। যাও এবার পেচ্ছাপ করে নাও তাড়াতাড়ি।

খানিকটা আদেশের সুরেই কথাটা বললাম। ধীরে ধীরে যেমন একজন পুরুষ তার নারীকে বশ করে নিজের কক্ষপথে ঘুরতে বাধ্য করে, ঠিক একইভাবে আমিও যেন সেই পথেই এগোলাম। নিজের ব্যাক্তিত্বের প্রভাবে নিজের নারীকে আমার কথার মূল্য শেখানো ও তা পালন করার অধ্যায়...মাকে পড়ানো ....আমি শুরু করলাম। 

মা আমার পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো কিছুটা দূরে। তারপর আমার দিকে চেয়ে একটু ইতস্তত করতে লাগলো। আমার তাকে দেখে বেশ হাসিই পেলো। 

- বসো ওখানটায়।

মা লজ্জা সত্ত্বেও আমার কথা মানলো। বসলো, কিন্তু কাপড় তুললো না, আমার দিকে চেয়ে রইল।

- কাপড় তোলো পোঁদের ওপরে!

তুললো না।

- তোলো বললাম না!

- তুই একটু ওদিকটায় তাকাতে পারবি বাবু?

- না, আমি তোমার দিকেই তাকিয়ে থাকবো।

মা চুপ করে বসে রইল।

- তোলো।

বলে আমি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। মায়ের একেবারে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে চাইলো।

- তোলো।

- বাবু...!

আমি আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না। আমি এগিয়ে গিয়ে ঝুঁকে তার শাড়ি ও সায়া কোমরের উপরে তুলে দিলাম। মা লজ্জায় মুখ ঢেকে দিলো।

- পেচ্ছাপ করো।

নিস্তব্ধ চারপাশ।

- করো।

ছর ছর‌ ছর ছর ছর ছর করে.....!!!!!!

মা হাত দিয়ে মুখ ঢেকে পেচ্ছাপ করতে লাগলো নিজের ছেলের সামনেই। আমি এই দৃশ্য মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করতে শুরু করলাম। মাটিতে শুকনো পাতার ওপর মায়ের পেচ্ছাপ ছর ছর করে পড়ে সেই জায়গাটায় গর্ত খুঁড়ে দিচ্ছে যেন! আর সেখান থেকে একটা ঝাঁঝালো উগ্র মায়ের পেচ্ছাপের গন্ধ এসে আমার নাকে ধাক্কা দিয়ে গেল। 

আমি কাম সাগরে ডুব দিলাম। মা মুখ ঢেকে রয়েছে। আমি আমার প্যান্টটা খুলে ফেললাম, আর তা মাটিতে লুটিয়ে পড়ার শব্দে মা সেদিকে চমকে তাকালো। আর তাকিয়েই তার মুখে আবার লজ্জা দেখা দিলো। যতই সে আমার সঙ্গে মাতৃ রূপে মিলিত হতে চাক, পর পর যা ঘটে চলেছে, তার কিছুটা তার নারীত্বে গিয়ে যেন হানা দিচ্ছে বারে বারে। আমার প্যান্টের দিকে তাকিয়েই উপরে মুখ ফেরাতেই আমার লকলকে ১০ ইঞ্চির খাড়া বাড়াটা দেখে মা কিছুক্ষন থমকে গেল, পেচ্ছাপের ছর ছর আওয়াজও বন্ধ হয়ে গেল, বুঝলাম মা কিছু ভাবছে, কি ভাবছে বুঝতে পারলাম না, আমার বোঝার সময়ও নেই। আমার বাড়া তখন এতোটাই শক্ত হয়ে উঠেছে যে এক্ষুনি কোনো নারীর গর্ত না পেলে সে ফুলতে ফুলতে ফেটেই যাবে! মা বসেই ছিল, পেচ্ছাপ চেপে রেখেই, আমি গিয়ে তাকে ধরে তুললাম, তারপর একটা গাছের সঙ্গে তাকে চেপে ধরলাম আমার দিকে মুখ করে।

- মা...!

- বাবু!

- আজ আমাদের মিলন হবে!

- হ্যাঁ বাবু।

- আজ তোমার গুদ মারবো মা! এদিকে তাকাও! মুখ ফেরাবে না... হ্যাঁ, এইভাবে। আজ আমি তোমার...!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)