Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#23

পর্ব - ২৩

মাকে নিয়ে ঢুকলাম হাটের কেন্দ্রে। সেখানে মা দুধে ভেজা শাড়ি ব্লাউজ পরে আমার হাত ধরে হাঁটছে সব দেখতে দেখতে। পুরুষের দল দেখলাম হা করে তাকিয়ে মাকে চোখ দিয়েই গিলে ফেলছে। মায়ের দুধ রাস্তায় পড়তে পড়তে চলেছে। আমি ভাবলাম মা আমাদের খুব বিপদে ফেলে দিলো। এরকম ভাবে দুধ বেরোতে থাকলে তো মায়ের বাইরে বেরোনোই মুশকিল হয়ে যাবে।

মাকে নিয়ে ঢুকলাম একটা শাড়ির দোকানে, সেখানে অনেক ধরনের শাড়ি, ব্লাউজ সব রয়েছে, আ ব্রা দেখলাম। মা এই ব্রা কখনো এর আগে দেখেনি।

- দাদা, ভালো কিছু শাড়ি, সায়া, ব্লাউজ দেখান দিকি।

দোকানদার অনেক রঙের শাড়ি এনে মায়ের সামনে রেখে দিলো। মায়ের মুখে হাসি ফুটে উঠলো। মাকে আমি একটা লাল রঙের শাড়ি
বেছে দিলাম। মা খুব খুশি হলো। তারপর দোকানদারকে সায়া ব্লাউজ বললাম দেখাতে শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে। তিনি একটা লাল সায়া আর হলুদ ব্লাউজ বের করে আনলেন। আমি মায়ের ব্লাউজ সায়া কিনছি দেখে মায়ের মুখ আমায় দেখে গর্বে ভরে উঠলো ঠিকই, কিন্তু লজ্জাও তাকে ঘিরে ধরলো। নিজের ছেলে মায়ের সায়া ব্লাউজ কিনছে দেখে মায়ের গালে লাল হয়ে গেল। কিন্তু দুঃখের বিষয় কোনো ব্লাউজের সাইজ মায়ের দুধে হলোনা। এতো বড়ো দুধ দোকানদার কল্পনা করেনি। সে মায়ের ভেজা বুক থেকে দুধ গড়িয়ে পড়া দেখতে দেখতে মায়ের দিকে তাকিয়ে হাসছে।

- দাদা, বৌদির বুক অনেক বড়ো, দর্জিকে দিয়ে বানান বুঝি? এই সাইজ তো দোকানে পাওয়া যায় না?

- হ্যাঁ, দর্জিকে দিয়েই বানানো হয়, এতো বড়ো দুধ, বাচ্চা হওয়ার পর আবার ফুলে উঠেছে।

দোকানদারের সামনে এই কথায় আর বাচ্চা হওয়া ও 'বৌদি' কথা শুনে মা লজ্জায় আমার দিকে চাইলো। আমি তাকে আমার ডান হাত দিয়ে বুকে জড়িয়ে রেখেছি। মা তাকাতে আমি তার হাতে একটা দুষ্টুমির চিমটি কেটে দিলাম।

- যা বলেছেন দাদা, দুধ কি সবসময়ই পড়ছে?

- হ্যাঁ, একটু আগেই ১৫ হাঁড়ি দুধ ফেললাম, তাতেও দেখছেন কি অবস্থা?

- তা তো দেখছিই দাদা, ফেললেন মানে?

- মানে ওদিকের ওই যে লস্যির দোকানটা, ওদের দুধ বিক্রি করে এলাম, যতজন লস্যি খাচ্ছে সব ওর দুধেরই লস্যি!

দোকানদারের সঙ্গে এমন আলোচনায় মা লজ্জায় আমার বুকে মুখ গুঁজে দিল।

- খুব মিষ্টি বুঝি?

- হ্যাঁ, ঘনও খুব।

- তাহলে তো খেতে খুব ভালো হবে?

- হ্যাঁ সে তো হবেই।

- কিন্তু আমার কি সৌভাগ্য আছে?

আমার মাথায় একটা ফন্দি এলো, ভাবলাম দেখি মা কি করে আমার এই কাজে!

- কেন থাকবেনা, আমার বউ, আমি যাকে বলবো, তাকেই দুধ খাওয়াবে।

- সত্যিই? তাহলে দাদা আমার জন্য বেশি না ওই দুই গ্লাস বৌদিকে বলুন দুধ দিয়ে যেতে, গলায় খুব কাশি হয়েছে, ডাক্তার বলেছে দুধ গরম করে খেতে, এখানে কোথায় পাবো বলুন? খক্ খক্!!!

এতক্ষণ একটাও তার মুখ দিয়ে কাশি বেরোয়নি, এখন তার কাশি হয়ে গেলো। বুঝলাম মায়ের দুধের ফল! এবার আমি যা করলাম তাতে দোকানদার প্রায় অজ্ঞান! আমি মাকে জড়িয়েই ধরেছিলাম, সেই হাত দিয়েই দোকানদারের সামনে মায়ের ডাধ‌ বুকটা জোরে টিপে দিতেই ছর ছর করে দুধ বেরিয়ে দোকানদারের মুখে গিয়ে পড়ল মায়ের দুধ। দোকানদার যেন স্বর্গে উঠে গেল! সে জিভ বের করে ঠোঁটের ওপরে লেগে থাকা মায়ের দুধ সুড়ুৎ করে চেটে খেয়ে নিল।

- দাদা, দুধ শুধু শুধু নষ্ট করছেন, পেছনেই আমার ছোটো তাঁবু আছে, একবার বৌদিকে আমায় দিন, আমি তাকে নিয়ে গিয়ে দু গ্লাস দুধ নিয়ে ফিরিয়ে দিয়ে যাচ্ছি!

- আমিও যায় চলুন!

- দাদা, আপনি গেলে লজ্জা করবে যে!

বাব্বা, আমার সামনে মায়ের দুধ খাবে বলছে, তাতে লজ্জা নেই, মাকে নিয়ে তাঁবুতে গিয়ে দুধ দুইবে, তাতেও লজ্জা নেই, আমার সামনে খেতেই লজ্জা। আমি ভাবলাম এই দুধের বদলে কি নেওয়া যায়, কারণ ফ্রিতে মায়ের দুধ দিলে মায়ের অসম্মান হবে। তাই বুদ্ধি করেই চাল চাললাম।

- দাদা, তবে এই শাড়ি আর সায়ার টাকাটা...!!!

- আরে আরে আরে আরে....কি বলছেন দাদা, বৌদির দুধের দাম যে এই শাড়ির থেকে অনেক বেশি! আপনাকে কোনো টাকা দিতে হবে না আপনি বৌদির জন্য নিয়ে যান, আমি খুশি হবো এতে।

বুঝলাম কাজ হয়েছে। এই একটু আগেই দেখলাম একজন কাকুর বয়সী লোক মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে পাশের দোকানদারকে কি বোঝানোর অছিলায় হাত উঠিয়ে মায়ের ডানদিকের দুধটা একটু টিপে দিয়ে চলে গেল, তাকে অনেকক্ষণ থেকে মায়ের দুধের দিকে নজর দিতে দেখেছি। আর তার টেপাতেই মায়ের দুধ বেরিয়ে আমার হাত ভিজিয়ে দিয়েছিল। এসময় মাথায় এলো , মায়ের দুধ আটকানোর জন্য কিছু চাই, নয়তো সব ব্লাউজ শাড়ি মা এভাবে ভিজিয়েই যাবে, কিন্তু কি! শেষে মাথায় এলো।

- দাদা তোয়ালে রাখেন তো?

- হ্যাঁ দাদা, আছে নরম তোয়ালে, দুধ শোষনের জন্য নিচ্ছেন তো?

- হ্যাঁ, ওইজন্যেই।

- বুঝেছি, এক কাজ করছি, বৌদিকে আমি নিয়ে যাচ্ছি, দু গ্লাস দুধ বের করে নিয়ে দুটো বড়ো নরম তোয়ালে ভাঁজ করে দুই বুকের বোঁটায় চেপে আপনার বউকে ব্লাউজ পরিয়ে দেবো, এতে দুধ বেরোলে শুধু তোয়ালে ভিজবে, বড়োজোর ব্লাউজের বোঁটার কাছটায়, মাঝেমধ্যে তোয়ালে বের করে নিংড়ে আবার দিয়ে দেবেন, কাজ চলে যাবে। আর একটা কথা দাদা..!

- বলুন।

- এই অবস্থায় বৌদিকে নিয়ে এখানে সেখানে যাবেন না, যা দুধ ছাড়ছে বৌদি, কখন কে মুখ দিয়ে দেবে!

- ঠিকই বলেছো, একে নিয়ে বেরোনো এখন মুশকিল! বাচ্চা দুধ খেয়ে শেষ করতে পারে না জানেন দাদা, আমায় খেতে হয়, আমিও শেষ করতে পারি না।

দোকানদার লোলুপ দৃষ্টিতে মায়ের দুধের দিকে তাকিয়ে রইল। মা তার চোখের দিকে তাকিয়ে আমার দিকে তাকালো।

- দাদা সামনে বাড়ি হলে আমিই চলে যেতাম... বৌদি, বলছি বুকে কি ব্যাথা করে? এতো দুধ জমিয়ে রেখেছেন থলিতে....করে ব্যাথা?

মা উত্তর দেবে কি আমার পেছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়লো।

- ও লজ্জা পাচ্ছে, বউটা আমার খুব লাজুক। এতো বড়ো দুধ, লোক তো তাকাবেই, টিপেও দেবে, মুখ-ও দেবে, কিন্তু ওর লজ্জা আর যাবে না।

দোকানদার দোকান থেকে বেরিয়ে এসে আমার পেছনে গিয়ে মায়ের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে ঝুঁকে পড়ে মায়ের দুটো দুধ দেখতে লাগলো বড়ো বড়ো চোখ করে। তারপর হাত বাড়িয়ে বাঁ দিকের বুকের মাংস চেপে ধরতেই দুধ বেরিয়ে তার গোটা হাত মুখ ভরিয়ে তুললো। দেখলাম চারপাশে তখন বেশ ভিড় জমে গেছে এই দৃশ্য দেখে। মা তার দুধ থেকে দোকানদারের হাত সরিয়ে আমার পিঠে মুখ গুঁজে দাঁড়িয়ে রইল। দোকানদার মায়ের হাতটা ধরলো, মা চমকে তার দিকে তাকালো।

- দাদা, এবার নিয়ে যায় একে?

- হ্যাঁ যাও, তবে তোয়ালে তোমায় দিতে হবে না, ওটা আমায় দেবে, আমি পরে পরিয়ে দেবো ওকে।

- আচ্ছা দাদা। তবে বউকে নিয়ে যাই?

- হ্যাঁ যাও।

বলে সে মায়ের হাত ধরে তার তাঁবুতে ঢুকিয়ে পর্দা টেনে দিলো। আমি দেখলাম ও শুধু মায়ের দুধ বের করবে না, খাবে টিপবে, সময় নেবে, আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। প্রায় ৩০ মিনিট পরে মাকে নিয়ে এলো আমার কাছে। মায়ের মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেছে, আমার পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো।

- দাদা, খাঁটি দুধ পেলাম আমার বউয়ের কাছ থেকে। আমি এক গামলা নিয়ে নিয়েছি, কিছু মনে করবেন না, এমনিতেই পড়ে নষ্ট হচ্ছিল।

- সে ঠিক আছে, কিন্তু তোয়ালে টা দিন।

- এই যে এই যে....এই.... এই নিন।

- কত দাম?

- আহা, বৌদির দুধের দাম এর থেকে অনেক বেশি দাদা। আবার আসবেন, আমি প্রতি মাসেই এইখানটাই বসি।

মাকে নিয়ে এগিয়ে গেলাম এবার বাসনের দোকানে, সেখানে সব রকমের বাসন ছড়ানো আছে আর মেয়েদের ভিড়। মা সামনে গিয়ে ঝুঁকে বাসন নেড়ে চেড়ে দেখতে লাগলো। মায়ের আনন্দ আর ধরে না। আমার দিকে মাঝে মাঝে তাকায় আর বাসন বাছতে থাকে।

- এই বাবু, দ্যাখ এই থালাগুলো কি সুন্দর! নেবো?

- হ্যাঁ মা, যেটা তোমার খুশি।

এই প্রথমবার মা নিজের ইচ্ছামত জিনিস কেনার স্বাধীনতা পেয়েছে, সে খুশি মনে কিনতে থাকে‌। আমি দেখলাম মা ঝুঁকে বাসন বাছার জন্য মায়ের বড়ো কুমড়োর মতো পোঁদটা আমার বাড়ার কাছটায় নড়ে নড়ে উঠছে। আমি আমার দুদিকে চেয়ে দেখলাম, চারপাশেই মেয়ের ভিড়। তারপর প্যান্ট থেকে বাড়াটা বের করে মায়ের পোঁদে তার শাড়ির ওপর দিয়েই গেঁথে দিলাম।

- ওক্।

মা গুঙিয়ে উঠে আমার দিকে লজ্জায় তাকালো। আমি হেসে তাকে বাসন দেখতে বললাম। মা মুচকি হেসে সামনে ঘুরে বাসন দেখছে আর আমি মায়ের পোঁদের গভীর চেরায় বাড়াটা ঢুকিয়ে দিয়ে সেই ভিড়ের মধ্যেই ঠাপ দিতে লাগলাম। আহ্, মায়ের নরম লদলদে পোঁদে কি সুখ। মায়ের পোঁদের কাপড় চেরার গর্তে ঢুকে গেছে। আমি মায়ের কোমর ধরে বাড়া ঢোকাচ্ছি মায়ের পোঁদে আর মা আমার বাড়ার ধাক্কায় দুলতে দুলতে বাসন কিনছে আর দোকানদারের সঙ্গে কথা বলছে।

- উফ্....এই কাঁসার থালাটা কতো দাম দাদা?

- বৌদি ওটা কম দামের, ভালো নয়, সস্তা, এটা দেখুন।

- ইস্ দিন দাদা.... আস্তে বাবু...!

শেষের কথাটা মা পেছন ফিরে আমায় বললো। তারপর আবার সামনে তাকিয়ে বাসন নিতে লাগলো। এমনসময় আমাদের পেছনে একদল দাদা বৌদি এসে ভিড় করে বাসন দেখতে শুরু করলো। এই দাদাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ভিড়ে মেয়েদের দুধ ধরে টানাটানি করে, পোঁদে বাড়া ঢুকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। পেলাম একজনকে। সে আমার বাবার বয়সী। আমার কাছে এমন ভাব করে এগিয়ে এলো যেন সে মায়ের স্বামী আর আমি একজন অপরিচিত লোক হয়ে তার স্ত্রীর পোঁদে বাড়া ঠেলছি। সে আমার বাড়াটা দেখলো, তারপর ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে রেগে তাকালো। বোঝালো,

- সরে দাঁড়ান, নয়তো খারাপ হবে।

আমি একটু নাটক করলাম, নিজের মায়ের পোঁদে বাড়া ঠেলছি, তবুও এমন ভাব করলাম যেন আমি দুঃখিত, ডান পাশে সরে গিয়ে একজন আমার বয়সী নববধূর পোঁদে আমার খোলা বাড়াটা গেঁথে দাঁড়িয়ে থাকলাম। এই মেয়েটি বাসন কেনায় ব্যস্ত, বুঝলো না যে তার পোঁদে একজন চুপিসারে খোলা বাড়া দিয়ে ঠাপ দিচ্ছে। আমার বাঁ পাশে তাকিয়ে দেখলাম সেই লোকটি মায়ের পোঁদের কাছে দাঁড়িয়ে তার ছোটো বাড়াটা বের করে এনে মায়ের পোঁদে গুঁজে দিল। আমি তো অবাক। মা যদি একবার তাকায়, তাহলেই বুঝে যাবে যে সেটা আমি নই, পরপুরুষ। মা আমার বাড়া ভেবে নিজের পোঁদে ঠাপ খেতে লাগলো। এদিকে আমি ঠিক মায়ের ডান পাশেই দাঁড়িয়ে আছি, এতে করে যদি মা তাকায় পেছন দিকে, তাতেও মা পেছনের লোকটাকে না দেখে আমাকেই ভাববে আমি তার পোঁদে বাড়া ঠেলছি। আর লোকটা ভাবছে যে এই মাগী পোঁদে তার বাড়ার ঠাপ খেয়ে কিছু বলছে না মানে সে এটা চায়, কিন্তু সে এটা বুঝলো না যে মা আমার বাড়ার ঠাপ খাচ্ছে ভেবে কিছু প্রতিক্রিয়া দেয়নি। হঠাৎ লোকটা দেখলাম মায়ের শাড়ি সায়া কোমর অবধি তুলে দিয়ে বাড়াটা মায়ের গুদে ঢুকিয়ে দিলো। মা চমকে উঠে পেছন ফিরে তাকায়, আমায় দেখতে পেয়ে লজ্জায় লাল হয়ে ওঠে, আমি ইশারায় পোঁদটা আমার দিকে মানে ওই লোকটার দিকে ঠেলতে বলি মাকে। মা দেখলাম তার বড়ো লদলদে পোঁদটা লোকটার কোমরে চেপে ধরলো আর লোকটা চোখ বন্ধ করে মায়ের নরম গরম পোঁদের উষ্ণতা অনুভব করতে করতে এক নাগাড়ে মায়ের গুদ মারতে লাগলো।

- উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্.....দাদা এটা ভালো হবে? ইস্ ইস্ ইস্ ইস্ ইস্ ইস্!!!

- হ্যাঁ বৌদি, এই হাঁড়িটা নিয়ে যান, অনেকটা দুধ ধরবে এতে।

লোকটা মায়ের দুধ পড়া দেখে হাসতে হাসতেই এই কথাগুলো বলে হাঁড়ি টা মায়ের দুধে চেপে দিল ইচ্ছা করেই। দেখলাম মায়ের দুধ খানিকটা ছলকে গিয়ে লোকটার হাত ও হাতের হাঁড়িতে কিছুটা পড়ে গেল। লোকটা হেসে ফেললো আর মায়ের দুধের দিকে তাকিয়ে নিজের বাড়াটা মাকে দেখিয়ে দেখিয়েই একবার চুলকে নিল। মা এদিকে পেছন থেকে ঠাপের সঙ্গে দুলতে দুলতে দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে চলেছে। দেখলাম চারপাশে যতজন মহিলা দাঁড়িয়ে, সবাই দুলছে, আর এটাও দেখলাম সবার পেছনেই একজন করে অপরিচিত লোক দাঁড়িয়ে, কারো কে তাদের স্বামী বলে মনে হলো না, স্বামীরা ঘরে তো ঠাপাবেই, এই ভিড়ে কেন শুধু শুধু ওরা এসব করতে যাবে, ভিড় তো এমন লোকেদের জন্য এক স্বর্গ!

- বাবু..... উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ......আমার হয়ে গেছে কেনা, এবার ছাড়..... আহ্...!!!

মায়ের চিৎকার বেরিয়ে এলো, লোকটা মায়ের কেনা হয়ে গেছে শুনে বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে ঠাপের আর এদিকে আমিও সেই নববধূর পোঁদ ঠাপিয়ে চলেছি, তবে শাড়ির ওপর দিয়েই। তবে আমি এখন মাল বের করবো না। আর একটা জোরে ঠাপ দিলাম মেয়েটাকে। মেয়েটা একেবারে বাসনের ওপরে গিয়ে পড়ে গেল। আমি পাশে সরে এসে দাঁড়ালাম। সে ভাবলো ভিড়ের ঠেলায় পড়ে গেছে। আমার পাশের লোকটার দিকে তাকালাম, সে এতক্ষনে মা ও আমার কথা শুনে বুঝে গেছে আমিই তার নিজের লোক, তাই তার মুখ থেকে রাগ সরে গিয়ে লজ্জা ফুটে উঠেছে, কিন্তু ঠাপাতে ছাড়েনি। আমি তার কানে কানে বললাম,

- হলো, এবার নিয়ে যাবো একে।

- আরেকটু দা.....দা...... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্......কি নরম আপনার বউটা........ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্..... ওহহহহহহহহহহহহহহহহহ্....!

রাম ঠাপ দিয়ে সে মায়ের গুদে মাল ছেড়ে দিল। তারপর প্যান্টের ভেতরে বাড়া ঢুকিয়ে আমার দিকে চেয়ে কৃতজ্ঞতার হাসি হেসে ভিড়ে অদৃশ্য হয়ে গেল।

এবার মাকে নিয়ে গেলাম একটা মিষ্টির দোকানে, এটা ওটা কেনার কাজ শেষ। মা আজ খুব খুশি, শাড়ি, সায়া, বাসন কোসন, এমনকি চুলের ফিতা ও ইমিটেশনের নাকছাবি ও কানের দুল পর্যন্ত তাকে আমি ভালোবেসে কিনে দিয়েছি। সে আমার দিকে তাকিয়ে কেবল হাসছে। তার খুশি আর ধরছে না।

- মা, এখান থেকে সামনেই জ্যোৎস্না মাসির বাড়ি, এখান থেকে বেরিয়েই সোজা মাসির বাড়ি চলে যাবো।

- আচ্ছা ঠিক আছে। কিন্তু তুই যে এতো কিছু কিনে দিলি, তোর অনেক টাকা আমি খরচা করে ফেললাম বল?

- তোমার টাকাতেই তো কিনলাম!

- আমি তোকে কখন টাকা দিলাম? আর আমার কাছে তো এমনিতেও কোনো টাকা থাকেনা, তোর বাবা দেয়ই না।

- কেন...দুধের দাম?

- ধূর বাবু.... ওরা বললো যে লস্যির দুধ শেষ, যদি আমি ওদের আমার দুধ দিই, তাই তো দিলাম!

মা যে কতটা সরল আমি যেন আমার জীবনে তা ধীরে ধীরে বুঝে উঠছি, হয়তো সারাজীবন বুঝে যেতে হবে একটু একটু করে। লস্যির দোকানদার, শাড়ির দোকানদার আরও কয়েক জায়গায় যে মায়ের দুধ নিয়ে খেলা চললো, এই খেলা মা কেবল দুধ নেওয়াতেই সীমাবদ্ধ রেখেছিল, কোনো বিকৃত চিন্তা মায়ের মাথায় আসেনি। আসলে যে যেমন, ঠিক তেমনভাবেই সে এই দুনিয়াটাকে দেখে।

মাকে ভালো ভালো মিষ্টি খাইয়ে মায়ের হাত ধরে আমরা এগিয়ে গেলাম জ্যোৎস্না মাসির বাড়ির দিকে! তখন শেষ দুপুরের আলো চারপাশে ছড়িয়ে সোনালী রঙে ভরে তুলেছে! মায়ের দুধ তখনো গড়াচ্ছে!

টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ টপ!!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)