Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#28

পর্ব - ২৮

কাল লতা আসছে আমাদের বাড়ি, ভাবলাম মাকে নিয়ে কিছু কেনাকাটা করে আসবো বাজার থেকে। এখান থেকে অনেকটা দূরে একটা গাঁয়ে বড়ো বাজার বসে, সবকিছুই পাওয়া যায় ওখানে। যেতে অনেক সময় লাগে। মাকে কাল রাতেই জানিয়েছি, মা বেশ খুশি যাওয়ার জন্য। মেয়ে পোয়াতি, তার সন্তান হতে চলেছে কিছুদিন পর, মায়ের খুশি দেখে কে। খুব ভোরেই মাকে নিয়ে হাটে বেরোবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম। বাবার জ্বর নেই আর। মা এর মধ্যেই বাবার জন্য দুপুরের খাবার বানিয়ে ফেলেছে। মা যখন রান্না করছিল, আমি চা খেতে খেতে তার আশেপাশেই ঘুরছিলাম আর মা আড়চোখে চেয়ে চেয়ে দেখে নিচ্ছিল আমায়। 

- সবসময় তাকাস কেন?

- নিজের জিনিস তো!!

- বয়েই গেছে আমার তোর হতে...!!!

মা মুখ ভেংচিয়ে দিলো আমায়। তার কাছে গিয়ে তার খোঁপায় নাকটা ডুবিয়ে ঘ্রাণ নিলাম প্রাণভরে। মা আবেশে চোখ বন্ধ করলো।

- ও চলে আসবে, সর্!!!

- এলে আসবে, নিজের প্রেমিকার কাছে আসবো, তাতে কার কি!

- কে বললো আমি তোর প্রেমিকা....আমি তো বলিনি?

- তোমার চোখ...চারু!!!

- ইস্....যাও তো....যা এখান থেকে!!!

মায়ের এই তুই আর তুমির সংমিশ্রণ বেশ মনে আনন্দ ছড়িয়ে যাচ্ছে আমার। আমি ইচ্ছা করেই হাতের কাপের চা টা একটু তার বুকের শাড়ির কাছে ঢেলে দিলাম এমনভাবে যেন হাত থেকে ভুল করে পড়ে গেল। 

- দেখলি তুই কি করলি বাবু....বেরোনোর তাড়া, তার ওপরে তুই শাড়িটাই নোংরা করে দিলি! আবার আমায় কাচতে হবে, পরে কাচলে এই দাগ ছাড়বে না! তুই কি করিস বল তো!

- না।

- কি না?

- কাচতে হবে না!

- আমার মোটে তিনটেই শাড়ি আছে...!!!

- না...!

- তুই কি বলছিস বল তো, কি না????

- আজ আমার প্রেমিকাকে আমি অনেকগুলো শাড়ি কিনে দেবো...সব পুরনো শাড়ি ফেলে দেবে এবার!

- সত্যি!!!!

মায়ের চোখমুখে খুশির ধারা বয়ে যায়। এইভাবে ভালোবেসে যে কেউ তাকে শাড়ি কিনে দেওয়ার কথা বলছে, এটা তার কাছে সম্পূর্ণ নতুন... এতোখানি ভালোবাসা যে সে এর আগে পায়নি কোনোদিন বাবার কাছ থেকে! আমি তার নাকে একটা চুমু খেয়ে বললাম,

- সত্যি চারু!

মায়ের হাসি দেখে কে! হাসিমুখে রান্না সেরে বাবার ঘরে চা দিয়ে এসে একটা ভালো টকটকে লাল রঙের শাড়ি পরে চুলে খোঁপা করে সিঁথিতে সিঁদুর আর কপালে বড়ো একটা টিপ পরে বেরিয়ে এলো মা। আহা! আমার চারুলতা! কি লাগছে গো আজ তোমাকে! আমি যে চোখ-ই সরাতে পারছি না। এই শাড়ি পরাতে মায়ের শরীরের আনাচে কানাচে যৌবনের জোয়ার আছড়ে পড়ছে তার বন্য গতিতে! মা যুবতী, আমার থেকে মাত্র ১৫ বছরের বড়ো, তার সঙ্গে প্রেম করছি, তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছি, এটা ভাবতেই আমার বুক গর্বে ভরে এলো। 

আমি তার হাত ধরে আমার ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিলাম। মা ভয় ও লজ্জায় আমার দিকে চেয়ে আছে। আমি তাকে দরজায় চেপে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছি।

- অপরূপ লাগছে আমার....!!

- তোর...?

- কি বললে চারু?

- তোমার?

- আমার....!

- তোমার....?

- আমার বউটা-কে!

অমনি মায়ের ঝটপটানি শুরু হলো, আমার হাত থেকে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করলো, যখন দেখলো আমার শক্তির সঙ্গে পেরে উঠবে না, চোখ বন্ধ করে দিল। যেমন নতুন প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাছে প্রেমের কথা শুনে তার শক্তির কাছে হেরে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তার বুকে মুখ গুঁজে দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি আমার মা, চারুলতা, লজ্জায় চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল নিঃশব্দে। তার বুকের দিকে তাকালাম, এতো জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে মা, যে তার দুটো দুধ ফুলে ফুলে উঠছে। আমি আরও কাছে এগিয়ে গেলাম, তার দুধের ওপর নিজের বুক স্পর্শ করে দাঁড়ালাম। মা তার দুই হাত আমার বুকে চেপে আমায় দূরে ঠেলার চেষ্টা করছে, মেয়েদের স্বাভাবিক লজ্জা। সেই হাত ঠেলা খেয়ে আমার হাসিই পেলো! এইতো এইটুকু জোর এই আমার মা-টার শরীরে, তাতেই এতো লম্ফঝম্ফ! তার চোখ বন্ধ, ঠোঁট দুটো কাঁপছে, পাছে এই বুঝি তার পেটের সন্তান তার ঠোঁটদুটো কামড়ে ধরে! না, আমি কামড়ে ধরলাম না। আমি তার ঠোঁটের খুব কাছে নিজের ঠোঁট নিয়ে গেলাম। আমার নাকের গরম প্রশ্বাস তার ঠোঁটে ছাড়লাম, সে এই উষ্ণতার স্পর্শে বোধহয় কিছুটা গললো, এগিয়ে আনলো তার কোমল ঠোঁট দুখানি আমার ঠোঁটের কাছে। আমি নিজেকে সংযত করে রাখলাম, এখন নয়। মা তার ঠোঁট আরও খানিক এগিয়ে দিলো। আমার ঠোঁটে এবার মায়ের ঠোঁট স্পর্শ হলো। কিন্তু আমি সাড়া দিলাম না, ঠোঁট স্থির রেখে তার চোখের দিকে চেয়ে দেখতে লাগলাম। সে এতক্ষন চোখ বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল আমার প্রতিক্রিয়ার, শেষে কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে সে চোখ মেলে আমার দিকে চাইলো। আমি তার চোখে চেয়ে যেন নিজের ভেতরটা কাঁচের মতো স্বচ্ছ দেখতে পেলাম। কত কথা লুকিয়ে আছে ওই দুটো চোখের মনিতে। যেন আমায় বলছে,

- থেমে গেলে যে? আসবে না আমার কাছে ? এসো...আমি যে অপেক্ষা করে আছি!!!!

আমি ঠোঁট সরিয়ে নিলাম। আর তক্ষুনি মায়ের চোখে জল ভরে এলো। মা আমার চুম্বন না পেয়ে কাঁদছে! একজন নারী যখন তার পুরুষকে কিছু দিতে চায়, যদি তা অসম্পূর্ণ হয়, সে ভেঙে যায়, তেমনি মা ভেতর থেকে ভেঙে গেলো.... চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে ছড়িয়ে গেল আমার বুকের উষ্ণতায়, কারণ সে যেকোনো পুরুষ নয়, সে তার পুরুষ, শুধুমাত্র তার-ই! এই প্রথমবার মায়ের মধ্যে আমার প্রতি প্রেম এবং একইসঙ্গে আমার অভাব আমি অনুভব করলাম, এটা দেখার জন্যেই আমি তাকে চুম্বন না করে সরে এসেছিলাম! এবার এই প্রেম দেখে আমি উপলব্ধি করলাম....মা....আমার হয়ে গেছে!

- বাবু...!!!

- বলো চারু!

- কিছু না!!!

বলে মা আবার চোখ বন্ধ করে দিল। সে যে আর পারছে না! কিভাবে নিজের গর্ভে ধারণ করা ছেলেকে বলবে,

- এসো, আমায় গ্রহণ করো....এই প্রথমবার যে কেউ ভালোবাসে আমায় কাছে ডেকেছে....এর আগে তো ভোগ ছাড়া কিছুই পাইনি! তুমি কেন এইভাবে আমায় কষ্ট দিচ্ছো? তোমার আমায় কষ্ট দিতে ভালো লাগে?

মায়ের ভেজা চোখদুটো বন্ধ, ঠোঁটদুটো কাঁপছে, আমি আর পারছি না, কিন্তু তবুও আমায় ধৈর্য্য রাখতে হবে। আমি সঠিক সময় না এলে এগিয়ে যাবো না!

আমি তার চুলের খোঁপা খুলে দিলাম। মা চোখ খুলে অবাক হয়ে তাকালো।

- কেন করলে এটা?

- কোনটা?

- এটা খুললে কেন?

- আমার খোঁপা পছন্দ নয়, চুল খোলা রাখলে তোমায় দেবীর মতো দেখায় যে চারু!

- তোমার খোঁপা পছন্দ নয়?

- না।

- কিন্তু সেদিন যে খোঁপা করতে বলেছিলে, সেইজন্যই তো খোঁপা করেছি!

- সেদিন এমনি বলেছিলাম এটা দেখতে যে খোঁপায় তোমাকে কেমন লাগে?

- কি দেখলে?

- ভালো, কিন্তু সেরা নয়, এই সেরাটা কেবল তোমার খোলা চুলেই লুকিয়ে!!!

- এবার থেকে...!!!

- বলো...!

- এবার থেকে কি তবে বাড়িতেও খোলা রাখবো?

আমার ভেতরটা গলে গেল! আমার মা জানতে চাইছে আমি তাকে কি রূপে দেখতে চাই, আর আমি যেমনটি চাইবো, মা তেমনটিই থাকতে বাধ্য! প্রেম শুরু হয়ে গেছে!

- আমি যখন কলেজে থাকবো তখন তোমার কাজ করতে সুবিধা হলে খোঁপা করতে পারো, কিন্তু...!

- বুঝে গেছি...তুমি বাড়িতে থাকলে খোলা চুলে দেখবে আমায়! বেশ! তোকে একটা কথা বলবো?

- আবার!

- তোমায় একটা কথা বলবো?

- একটাই বলবে, একটার বেশি বলবে না?

- উফ্ আমার ভালো লাগে না.... শুনবে?

- সব শুনবো!

বলে তার মুখটা ধরে কাছে এনে তার কপালে একটা চুমু খেলাম।

- শোনো....তুমি কিন্তু ওর সামনে আগের সপ্তাহে আমাকে ভুল করে 'তুমি' বলে ফেলেছিলে!

- তোমার স্বামী অত বোঝেনা!

- বোঝে....আর গত মাসেও একবার ভুল করে ওর সামনে আমাকে 'চারুলতা' বলে ফেলেছিলে!

- তোমাকে তোমার নামে ডাকবো না তো, কার নামে ডাকবো?

- উফ্...আমি চলে যাবো.... ছাড়ো আমার হাত....!!

- আচ্ছা এবার বুঝে শুনে কথা বলবো!

- আর বলছি যে....!

- তুমি কি আমাকে এভাবেই আটকে রাখবে, মানে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরেই রেখেছো, প্রথমে তো ঠেলছিলে, এখন দেখো দুহাতে আমাকে তোমার বুকে চেপে রেখেছো!!!

মা দেখলো সত্যিই সে এখন আমাকে নিজের বুকে দুহাতে চেপে জড়িয়ে ধরে রেখেছে, আমার কথায় হাত দুটো আলগা করে দিলো, কিন্তু আমি তার বুক থেকে সরে এলাম না। তার গাল টিপে বললাম,

- তুমি এই বলছি বলছি করে কত কথা শোনাবে একটু বলবে? আমাদের বেরোতে হবে না? কটা বাজে দেখেছো? আমায় পেলে এখন দেখি তোমার কথার তালিকাই আর শেষ হয়না!

মা এবার সেই যে চোখ বন্ধ করলো, আর খুললো না লজ্জায়। এর আগে তার কথা মনোযোগ দিয়ে আর যে কেউ...তাই আজ সে নিজের মনের মানুষটিকে কাছে পেয়ে যেন কোনো অজুহাতেই আর তাকে হারাতে চাইছে না!

আমি যে আর অপেক্ষা করতে পারছি না! এই মাকে কাছে পাবার জন্য কত পথ অতিক্রম করে এলাম! কত ঠিক , কত ভুল এই জীবনে সংঘটিত হল! তারপরে শেষে গিয়ে মাকে আমি পেলাম...!! এই ক্ষণ-কে আমি আমার জীবন থেকে হারাতে চাইনা আর! আমি যা কিছু করি কালকের জন্য ফেলে রাখিনা, মাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম অনেক চিন্তা করে ভেবে ভেবে অনেক বছর অপেক্ষা করে নয়, যখন ভেবেছিলাম তখনি। কারণ জানি, যে আসার সে আসবে। তাহলে সময় ব্যয় করে কি লাভ? বরং আগে থেকে করে রাখা সবকিছু ভালো, সময়টা বেঁচে যায়। আর সত্যিই তাই হল! মাকে তো আমি পেলাম শেষ পর্যন্ত! আজও আমি ঠিক তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, কালকে করবো বলে নয়, আজই করবো একটা কাজ! মাকে আজ আমি বিয়ে করবো....না মন্দিরে গিয়ে অনুষ্ঠান করে নয়, সেটা পরে, আপাতত মাকে সিঁদুর পরিয়ে মাকে চিরদিনের জন্য আমার করে নেবো! মায়ের মতো এক সতী সাবিত্রী গৃহিণীর কাছে এক সিঁথি সিঁদুর জীবন মরণের সমান। মাকে আমি আজ এক্ষুনি নিজের করে নেবো!!!

- চারু, এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকো, চোখ বন্ধ করে, আমি আসছি!

মাকে আমার ঘরে রেখে বাবার ঘরে গিয়ে তাক থেকে মায়ের সিঁদুরের কৌটাটা নিয়ে এলাম, বাবা ঘুমোচ্ছিল তখন। সে বুঝলোও না তারই অজান্তে তার নিজের ছেলে তার বউয়ের সিঁথিতে সিঁদুর পরাতে চলেছে! আমি আমার ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিলাম আবার। মা তখনও চোখ বন্ধ করেই আছে।

- আমরা বেরোবো না বাবু? দেরি হয়ে যাচ.....!!!!

কথাটা শেষ হলোনা মায়ের, তার সিঁথি আমি রাঙিয়ে তুললাম আমার আঙুলের লাল টকটকে সিঁদুর দিয়ে। মা চোখ খুলে আমার দিকে চাইল, চোখ দুটো ভেজাই ছিল, আরও ভিজিয়ে দিয়ে এবার সে কান্না শুরু করে দিল আর তার দুটো কোমল হাতের মুঠো দিয়ে আমার শক্ত বুকে ঘুষি মারতে লাগলো। আমি এতো দ্রুত মাকে সিঁদুর পরিয়েছি যে মায়ের নাক ও দুই গালে পর্যন্ত সিঁদুর ছড়িয়ে পড়েছে। যেন মায়ের সিঁদুর দান শেষ হলো এইমাত্র!!! এই মাটিকে সাক্ষী রেখে লাল টকটকে শাড়িতে সিঁথিতে লাল সিঁদুরের ছোঁয়ায় আজ এক মা তার ছেলের স্ত্রী হলো। মায়ের কান্না দেখে আমার মন ভরে গেলো, তাকে জড়িয়ে ধরলাম আবেশে, আর সে আমার পিঠে কিল মারতে লাগলো তার কোমল দুটি হাতের মুঠো দিয়ে....সেই কিলে প্রেম জাগে, ব্যাথা নয়!

- বাবু!!!!!!!!! তুই কি করলি এটা? একজন নারী দুইজনের সিঁদুর একসাথে ধারণ করতে পারে না রে....!!! তুই কি করলি বাবু.....তুই কি করলি!!!!!!!!!!!!

মা কেঁদে আমার বুক ভাসালো আর আমি তার মাথাটা আমার বুকে চেপে ধরে রইলাম। আজ আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হলো।

- চারু....আজ এই মাটি, এই বাতাস, এই গোবাদা, এই ভোরের কুয়াশাকে সাক্ষী রেখে তোমায় আমার স্ত্রী রূপে গ্রহণ করলাম...!! আজ থেকে তুমি আমার মা-ও, আবার বউ-ও। 

- আমায় ছেড়ে দে তুই....কি ভাবছিস তুই নিজেকে? ছাড় আমায়..... উফ্.... আমি আজ দিদি বাড়ি চলে যাবো!!!!

- তোমায় কোত্থাও যেতে দেবো না চারু....আজ যে আমাদের ফুলসজ্জা হবে!!!

- বাবু...!!!!!! তুই ছাড় আমায়....!!!

- না...!

- তবে?

- তোমায় ছাড়বো না!!!

- কেন???

মায়ের কোমল ঠোঁটের এই কথায় আমার হৃদয়ে এক শিহরণ বয়ে গেল! 

- কারণ তোমায় যে এবার আমার ঘর করতে হবে!

- বাবু!!!!

- আমাকে সন্তান দিতে হবে!!!

- বাবু!!!!!!!!

- বলো চারু!

- তুই পারবি নিজের মায়ের কাছ থেকে সন্তান নিতে?

- যে ভালোবাসে, সে সবই যে পারে চারু!!! নিজের মাকে বউ বানাতে পেরেছি যখন, এটাও পারবো!

- আর তোর বাবা?

আমি থামলাম! এর উত্তর আমিও জানি না! তাকে এই বুড়ো বয়সে ছেড়ে মাকে নিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়, আবার তার সঙ্গে থেকে আমি আমার স্ত্রী, আমার মা কে নিয়ে ঘর বাঁধবো, এটাও সম্ভব নয়! সবকিছু যে একসাথে পাওয়া যায় না! আমি চুপ থাকলাম, আমার চারুকে আরও শক্ত করে চেপে ধরলাম আমার বুকে।

- আমি জানি না চারু! তবে এটুকু জানি আমি তোমার সঙ্গে সংসার শুরু করলাম আজ!

- বাবু!!!!!! আমি কোন নদীতে ভাসলাম তুমি বলো!!! আমি যে ভেসে চলেছি ....কোনো কূল খুঁজে পাচ্ছি না যে....!!!!

আমি মায়ের কান্না থামাতে আমার সদ্য বিয়ে করা মায়ের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলাম। মা কাঁদতে কাঁদতেই আমার ঠোঁটের স্পর্শ পেলো। কিন্তু সাড়া দিলো না। আমি মায়ের মুখটা দুহাতে ধরে তার ঠোঁট কামড়ে ধরলাম। মা এবার ভেজা চোখে আমার দিকে তাকালো। তার দুই চোখে নতুন বিয়ের স্বপ্ন দেখলাম আজ, নতুনভাবে ঘর বাঁধার স্বপ্ন, নতুন স্বামীকে আলিঙ্গন করার স্বপ্ন!!! মা আমার ঠোঁটে মৃদু কামড় বসালো। শুরু হলো দুজোড়া ঠোঁটের মিলনক্রিয়া!!! একজন যেন আরেকজনের থেকে সব প্রাণশক্তি শুষে নিয়ে নিজেকে পূর্ণ করতে ছুটে চললো। আমি জিভটা মায়ের মুখে ঢুকিয়ে দিলাম। মা তার জিভ দিয়ে তার মুখগহ্বরে আমার জিভকে আহ্বান জানালো আর মেতে উঠলো পিচ্ছিল লালা রসের বন্য খেলায়। একে অপরের স্বাদ নেওয়া থেকে এই দুই নরনারীকে আজ কেউ আটকাতে পারবে না! আহ্!!! মায়ের এই ভোরের জিভের স্বাদ কি অপূর্ব! একটা মিষ্টি গন্ধ মায়ের মুখের ভেতরে ম ম করছে। আমার মনে হলো যুগ যুগ ধরে এই অতল গহ্বরে হারিয়ে গেলেও মন্দ হয় না! আজ এই খুশির দিনে, আমার স্বপ্নপূরণের ক্ষণে আমি আমার বিয়ে করা মাকে বুকের মধ্যে আলিঙ্গন করে তার মুখের ভেতরে জিভ ঢুকিয়ে তার লালা রস আকন্ঠ পান করতে লাগলাম। কতদিন আমি শুষ্ক মরুভূমির বুকে হেঁটে চলেছি এই তরলের সন্ধানে.... এতোদিন পরে সেই তরল খুঁজে পেয়ে নিজের দেহের প্রতিটি কোষকে আজ আমি সেই সুগন্ধি তরল দিয়ে স্নান করাবো! আহ্...! মা....গো....আমার চারুলতা!!!

তখন বেলা অনেক। বাজারে ভিড় আজ অনেক বেশি। মা আমার হাত ধরে আমার গায়ে গা লাগিয়ে হাঁটছে। যেমন সদ্য বিয়ে করা বউ তার বরের সঙ্গে প্রথম বাইরের জগতে এসে দাঁড়ায়, তেমনি!

- বলো চারু, কি খাবে?

- জানি না!

বুঝলাম আমাকেই ঠিক করতে হবে।

- আচ্ছা এদিকে চলো।

একটা কচুরীর দোকানে আমরা দুজনে ঢুকলাম। এটা ছোট্ট গাঁ, তবে বাজার বড়ো এর। পোশাকের দোকান, খাবার দোকান, বাড়ির আসবাবপত্র, রান্নার জিনিস, সবই বেশ ভালো মানের পাওয়া যায় এখানে। মা খুব লাজুক, গাঁয়ের মেয়ে তো, নয়তো শহরেই যেতাম তাকে নিয়ে এগুলো কিনতে। আমার কাছে টাকা আছে ভালোই। দোকানের বাইরেই একটা কাঠের বেঞ্চি পাতা রয়েছে, সেখানেই বউকে নিয়ে বসলাম।

- ভাই চারটা করে কচুরী...দুই জায়গাই!!

- হ্যাঁ দাদা....! 

বলে দোকানদার ভাই আমার কাছে একটু ঘুরঘুর করতে লাগলো, বুঝলাম কিছু বলতে চায়!

- কিছু বলবে ভাই! এদিকে তো আজ প্রথম না, আগেও এসেছি, তোমার সাথে পরিচয়ও আছে, লজ্জা পাচ্ছো কেন, বলো!

- বলি দাদা, ইনি বৌদি বুঝি?

- হ্যাঁ। এই সবে বিয়ে করেছি!

মা লজ্জায় মাটিতে মিশে যায়। আমার দিকে একবার চেয়ে আমার হাতের বাহুর কাছটায় খামচে ধরলো! আহা! নতুন বউয়ের লাজ.... প্রাণটা জুড়িয়ে গেল আমার!

- একটা কথা বলবো?

- বলো না ভাই...!!

- বৌদিকে দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর... আপনার সঙ্গে খুব মানিয়েছে!!!

মাকে, আমার চারুলতাকে আমার কাছে আরো চেপে ধরলাম।

- হ্যাঁ, আমি ভাগ্য করে এমন অপরূপার সন্ধান পেয়েছি! যাও তুমি কচুরী নিয়ে এসো।

- হ্যাঁ দাদা!

দেখলাম মায়ের পাশে একজন বুড়ো মতো লোক বসলো মায়ের দিকে তাকিয়ে থেকেই। বুঝতে পারলাম উদ্দেশ্য ভালো নয়। তারপর দেখলাম সে চা খাওয়ার অছিলায় মায়ের ডানদিকের দুধে হাতের কনুই ছোঁয়াবার জন্য এগিয়ে এলো, আমি মাকে আমার আরো কাছে টেনে নিলাম। তারপর লোকটার দিকে একটু ক্রুদ্ধ নজরে তাকিয়ে থাকতেই লোকটা উঠে চলে গেল। আর দেখি মা আমার দিকে গর্ব ও অহংকারের দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছে। ফিসফিসিয়ে বললাম,

- আমি আছি!!!

কচুরী, ডিম ভাজা ও চা শেষ করে এ দোকান ও দোকান ঘুরেও ভালো শাড়ির দোকান পেলাম না। এদিকে আমি প্রায়ই আসি জিনিস কিনতে, সবকিছুই চেনা। দেখলাম বাজারের শেষ দিকটায় একটা নতুন পোশাকের দোকান খুলেছে। মেয়েদের শাড়ি, সায়া, ব্লাউজ, ছেলেদের জামা, প্যান্ট, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া সবই পাওয়া যায়। আমি মাকে নিয়ে ঢুকলাম। দোকানী ভদ্রলোক আমাদের দেখে হাসতে হাসতে এগিয়ে এসে বললো,

- বলুন কি লাগবে দাদা! আমরা নতুন খুলেছি এই দোকান, তাই বিভিন্ন ভ্যারাইটির পোশাক রেখেছি। বৌদির কি শাড়ি দেখাবো?

আমি চারদিকে তাকিয়ে দেখছিলাম, মা চুপ করে আমার দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি বললাম,

- হ্যাঁ দেখান।

সে পাঁচটা শাড়ি এনে আমাদের সামনে নামিয়ে দিলো। মা খুশিতে আমার দিকে চাইলো। আমিও তার দিকে তাকালাম। আমার বিয়ে করা বউকে এই প্রথমবার শাড়ি কিনে দিচ্ছি আমি! কথায় আছে বিয়ে করলে বউয়ের ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নিতে হয়, কাপড়ের দায়িত্বটা নিয়ে নিলাম!

- বলো তোমার কোনটা পছন্দ!

মা আমার দিকে তাকিয়ে রইল, যেন পছন্দটা আমায় ঠিক করে দিতে হবে। কারণ এর আগে বাবা কোনোদিন তাকে নিয়ে গিয়ে কিছু কিনে দেয়নি, সে এনে দিয়েছে, মা পরেছে। তাই মায়ের নিজে পছন্দ করে কিছু নেওয়ার অভ্যাসই নেই। আমার সরল বউটা! কি মিষ্টি চোখে আমার দিকে চেয়ে আছে যেন আমার পছন্দের কথা শুনতে তার আর তর সইছে না!

- এই হালকা নীল টা পছন্দ চারু?

মা কোনো কথা বললো না, শুধু ঘাড় নেড়ে সায় দিল। 

- এই গোলাপী টা?

- আবার ঘাড় নাড়লো, এটাও পছন্দ!

- এই সবুজ টা, পাড় কিন্তু সোনালী... পছন্দ?

- হ্যাঁ!!!

- এই হালকা হলুদ টা?

- হুমম। 

- এই ঘিয়ে রঙের টা?

- হুমম।

- দাদা, এই সবগুলোই প্যাক করে দিন।

মা আমার হাতটা খামচে ধরলো। অর্থাৎ এতো টাকা খরচা কেন করছি! তার জন্য যে বেশি টাকা খরচা করা যায়, সে যে এতোটা মূল্যবান, বাবা তাকে এই কথা এতদিন ভাবতেই দেয়নি! কিন্তু তার বর্তমান স্বামী তাকে এখন থেকে মূল্যবান করেই রাখবে নিজের বুকে! আমি তার দিকে চেয়ে হাসলাম। ফিসফিসিয়ে বললাম,

- এখনও তো আসলটাই কেনা হয়নি!

মা কৌতূহল নিয়ে আমার চোখে তাকিয়ে থাকে। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললাম,

- আজ যে আমাদের ফুলসজ্জা! তোমার শাড়িটা কিনতে হবে না!

মায়ের মুখ লজ্জায় রাঙা হয়ে উঠলো। আমার চোখ থেকে চোখ ফিরিয়ে শাড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। আমি আমার নতুন বউয়ের এই সৌন্দর্য্য দেখে আবেগে তার নরম কোমরটা একটু খামচে ধরলাম!

- দাদা, আজ আমাদের ফুলসজ্জা...একটা ভালো বেনারসি দেখান দেখি!

একজন পরপুরুষের সামনে তার ফুলসজ্জার কথা শুনে মা কুঁকড়ে গিয়ে চোখ বন্ধ করে বসে থাকলো। দোকানদার দাদাও বিষয়টা বুঝে হাসলেন। আমি হেসে আমার বউটাকে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। সে দোকানদারের সামনে আমার জড়িয়ে ধরা দেখে আমার থেকে দূরে যাওয়ার চেষ্টা করলো, আমি হেসে তাকে আরও কাছে টেনে নিলাম। এই তো তার কোমল দেহের জোর... বড্ড মিষ্টি লাগে একে দেখতে! দোকানদার বেশ ভালো হাসাতে পারে, মায়ের লজ্জা দেখে হেসে বললো,

- দাদা, আমি যখন বিয়ে করেছিলাম, তখন আমার বউ আমাকে এমনই লজ্জা পেতো....আর এখন বাড়িতে ঢুকলেই মুখে বালতি ছুঁড়ে মারে! কি করবো বলুন, এই ভয়ে দোকানেই বেশি সময় কাটায়...বউয়ের দিকে তাকিয়ে ভাবি কি ছিল আর কি হলো!

তার কথায় আমি আর মা দুজনেই হেসে উঠলাম। আমি একবার মায়ের দিকে তাকালাম, মা আমার দিকে চেয়ে হাসছে, তার দাঁতের ঝিলিকে আমি যে মাতাল হয়ে যাবো এবার! এই ঠোঁটের ভেতরে সুসজ্জিত সুন্দর দাঁতগুলো মায়ের মুখের সৌন্দর্য্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে! রূপ তো ছিলোই, এখন অপরূপা লাগছে!

- কিন্তু আমার বউ টি এমন নয় দাদা.... বড্ড শান্ত!

- আপনাদের ঈশ্বর মঙ্গল করুন... আপনাদের বিবাহিত জীবন সুখের হোক!

একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত ব্যাক্তির কাছ থেকে এমন কথা শুনে আমার চোখদুটো ভরে উঠলো জলে, দেখলাম মায়েরও চোখ ভিজে উঠেছে।

- এই নিন দাদা এই এলাকার সবথেকে দামী বেনারসি...১০০ ভাগ খাঁটি মালবেরি রেশম আর খাঁটি সোনা ও রুপার তৈরি আসল জরি...এই শাড়ি বড়ো শহরেই পাওয়া যায় খালি...এতো দাম দিয়ে বড়োলোক ছাড়া কেউ কেনে না! আমি নতুন দোকান বলে এনে রেখেছিলাম। কাপড় নিয়ে ভাববেন না, আপনাদের যদি মেয়ে হয়, তারও বিয়ে অবধি এমনই নতুন থাকবে!

এই সন্তানের কথা শুনে মা এই প্রথমবার কথা বলে উঠলো,

- প্রার্থনা করুন, যেন মেয়েই হয়!!!

মা এই প্রথম কথা বললো, এর চেয়েও আশ্চর্য হলো মা আমার কাছ থেকে একটি কন্যা সন্তান চায়! মা আমার কাছ থেকে সন্তান চায়??? আজ আমি এটা কি শুনলাম! এই আনন্দ আমি আর কার সঙ্গে ভাগ করবো!!! আমার তো হৃদয় একটাই, এই একটা হৃদয়েই আর কত খুশির স্থান হবে! আমি মায়ের দিকে চাইলাম, মাও আমার দিকেই চেয়ে আছে! কিন্তু মা কেন বললো তার কন্যা চায়, পুত্র কেন নয়? এই প্রশ্নের উত্তর মা আমায় রাতে দিয়েছিল... ফুলসজ্জার সময়!

- হ্যাঁ বৌদি... ঈশ্বর আপনার কোল আলো করে কন্যা সন্তানই পাঠাবে! ওরাই তো ঘরের লক্ষী! আর আমরা ছেলেরা হলাম গিয়ে সব কুলাঙ্গার!!!

আবার সবাই হেসে উঠলাম হো হো করে। এই দোকানদারটিকে বেশ ভালো লেগে গেলো আমার! বেনারসিটা লাল টকটকে, বেশ ভারী... সত্যিই খাঁটি মালবেরি রেশম আর তার জরি খাঁটি সোনা ও রুপার তৈরি! আমার বেশ পছন্দ, মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম মা আমার দিকেই চেয়ে আছে, যেন মনে মনে বলে উঠলো,

- আজ রাতে তুমি যে শাড়িতেই দেখতে চাও আমায়, আমি সেই শাড়িতেই আসবো তোমার কাছে!!! তোমার পছন্দই শেষ কথা!

- দাদা এটাই প্যাক করে দিন! দাম কত বললেন?

- ১০০ টাকা।

তখনকার, অর্থাৎ সেই ১৯৬০ এর সময়ে ১০০ টাকার শাড়ি এখনকার বাজারে প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকার সমান। কারণ ওতে শুধু খাঁটি মালবেরি রেশম নেই, খাঁটি জরি রয়েছে যা সোনা ও রূপো দিয়ে তৈরি! আমার বেতন তখন ১৫০ টাকা, তার তুলনায় ১০০ টাকার বেনারসি অনেকটাই বেশি! কিন্তু আমার মা যে এর‌ থেকেও বেশি মূল্যবান আমার কাছে! শাড়িটা নিয়ে নিলাম। মায়ের চোখে লজ্জা ছাড়া আর কিছু দেখতে পেলাম না কারণ আজ রাতে তাকে এই শাড়ি পরেই আসতে হবে আমার বুকে!

শাড়ি ব্লাউজ সায়া ছাড়াও আমার একটা বিয়ের পাঞ্জাবী নিলাম, মা-ই পছন্দ করলো। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে ঘরের অনেক জিনিস কিনে আমরা বাড়ি ফিরে এলাম। 

গোরুর গাড়ি করে ফেরার সময় মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম সারাক্ষণ! অনেক কষ্ট করে পেয়েছি যে তাকে! মা আর কোনো কথা বলেনি রাস্তায়, কিভাবে বলবে, আজ যে তার নিজের পেটের ছেলে তাকে বিয়ে করেছে, আজ যে তার ছেলের সঙ্গে ফুলসজ্জা!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)