Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#30

পর্ব - ৩০

রাত ১২ টা বাজলো। শেষ বর্ষার মেঘে ঘনিয়ে আছে পুরো আকাশ। বৃষ্টি নেই, ঝড় শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই। আমি নিজের ঘরে জানালার পাশে আমার নববধূর আগমনের অপেক্ষায় বসে রয়েছি। ঝড়ের শীতল ঝাপটা আমার সারা দেহে নতুন জীবনের স্পর্শ বুলিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। 

আজ এই দিনটাকে সত্যি বলে মনে হচ্ছে না! মনে হচ্ছে খুব বাস্তব একটা স্বপ্ন দেখছি আমি এখনও! এমনও হয় নাকি! মায়ের সঙ্গে প্রেম, মাকে বিয়ে করা...এসব তো আমি এই জগতে দেখিনি! কিন্তু না দেখলেও তাতে কিছু এসে যায় না! মা ও ছেলের প্রেমের গল্প সত্যিই! তার জলজ্যান্ত সাক্ষী আমি নিজে....তার জলজ্যান্ত সাক্ষী চারুলতা স্বয়ং!

এইসব কথা ভাবছিলাম আমার ঘরের দরজাটা খুলে গেল শব্দ করে! একটা মোমবাতি হাতে আমার মা, আমার বিয়ে করা বউ, আমার চারুলতা এসে ঢুকলো লাল বেনারসি পরে! মোমবাতির হলদে আলোয় মনে হল আমি ফিরে গেছি কোনো রাজতন্ত্রের সময়ে! যেন এক রাজার শয়ন কক্ষে তার সদ্য বিয়ে করা একমাত্র রানীর পদার্পণ ঘটলো ফুলসজ্জার রাতে আর ওই ঝড়ে উড়ে আসা শুকনো পাতাগুলো হল সেই রানীর সখির দল....তারা হাসতে হাসতে রানীকে রাজার সোনা ছড়ানো ফুল বিছানো বিছানায় তাকে রাখতে এসেছে....কারণ আজ যে....আজ যে তার দেহে রাজার গমন ঘটবে!

আমি উঠে এগিয়ে গেলাম আমার মা চারুলতার কাছে। সে লজ্জায় তখন বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে পড়েছে। আমি কাছে গিয়ে তার হাতের মোমবাতিটা ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দিলাম। চারুর চোখ বুজে গেল সেই বাতাসের ধাক্কায়! আমি মোমবাতি রেখে তাকে দুহাতে কোলে তুলে আমার বিছানায় বসিয়ে দিলাম! 

বিছানাটা আমি সাজিয়ে রেখেছিলাম ফুল দিয়ে। বাজার থেকে আসার সময় ফুল, মায়ের জন্য কাজল, টিপ, নতুন সিঁদুরের কৌটা, সোনার হার, সবই কিনে এনেছিলাম। 

আমার মায়ের মুখখানা তুলে ধরলাম আমার দিকে। মা চোখ বন্ধ করে রেখেছে। তার কাজল পরা চোখ দুটো আমার গায়ে এক সুখের পরশ বুলিয়ে দিয়ে গেল। পরণে লাল বেনারসি, গলায় সোনার হার, কপালে লাল টিপ, কিন্তু সিঁথি ফাঁকা.... বোধহয় স্নানের জলে পুরনো সিঁদুর মুছে আমার হাতের সিঁদুর নিয়ে আমার ঘর বাঁধবে বলে! মায়ের মুখ দেখে আমি মুগ্ধ! এতো রূপ মায়ের! 

এই মায়াবিনীই আমাকে তার জালে ফেলেছিল একদিন, আজ তোমার নিস্তার নেই! 

- চারুলতা!

কোনো সাড়া নেই! চোখ বন্ধ মায়ের!

- চারুলতা!

না, এবারো লজ্জায় মা চোখ বন্ধ করেই রইল। আজ নিজের পেটের ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার সিঁথিতে সিঁদুর পরে, আজ নিজের সন্তানের সঙ্গে তার ফুলসজ্জা....এই জগতে কোন মা এই অবস্থায় চোখ মেলতে পারে শুনি! 

- চারুলতা....তাকাবে না স্বামীর দিকে!

না, চোখ বন্ধ!

- চারুলতা....আমি যে আর থাকতে পারছি না!

চোখ খুললো, আর সেই খোলাতে আমার দেহ মন জুড়িয়ে গেল। কাজল পরা দুই বড়ো বড়ো চোখ আমার সর্বাঙ্গে যেন কামাগ্নি জ্বালিয়ে দিয়ে গেল আজ! আজ আমার মায়ের সঙ্গে ফুলসজ্জা হতে চলেছে...এই নারীকে আমার স্ত্রী রূপে গ্রহণ করেছি....এই নারী আমার ঘর করা শুরু করলো....এই নারী আমায় সন্তান দিতে চলেছে....এই নারীই আমার মা.... চারুলতা!!!

- চারু...তুমি সুখী তো?

মায়ের দুই চোখ জলে ভরে এলো। এগিয়ে এসে আমার বুকে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করলো। বুঝলাম এই হতভাগীনি আজ তার জীবনে বোধহয় প্রথমবার ভালোবাসা পেলো...প্রথমবার কারোর সম্মান পেলো... প্রথমবার কারোর বুকে জায়গা পেলো...!!! আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো,

- ও মা....!

- না...!

- না?

- না!

- তবে?

- চারুলতা!!!!

আমি আরও কাছে টেনে নিলাম মাকে। মা কাঁদছে! তার এতো সুখ আজ সে কিভাবে ধরে রাখবে.... কেউ যে তাকে এভাবে ভালোবাসেনি এর আগে! আমার বুকে মায়ের গরম শ্বাস আমার বাড়ায় আগুন ধরিয়ে দিল।

- আমি সুখী....তোমায় বিয়ে করে!!!

- সত্যি চারু?

- সত্যিই!

- সেই কথাটা কেন বলেছিলে?

- কোনটা?

- কন্যা সন্তান...!

মা চুপ করে বসে রইল। লজ্জায় তার মুখ দিয়ে কোনো কথা বেরোলো না।

- বলো চারু...কেন পুত্র নয়, কন্যাই কেন?

- কারণ...!

- কারণ?

- কারণ আমার পুত্র যে শুধু তুমিই!!!

- মাগো....!!!

- চারু বলে ডাকবে আমায়!!

- তুমি কন্যা নেবে? 

- হুমম।

- এখনই?

- জানি না....!

বলে লজ্জায় আবার আমার বুকে মুখ গুঁজে দিল।

আমি আর থাকতে পারলাম না। আজ এই দিনটাকে কাছে পাওয়ার জন্য কত স্বপ্ন দেখেছি আমি, কত নিদ্রাহীন রাত কাটিয়ে দিয়েছি এই জানালার পাশে বসে, আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো, আমার বুকে আমার মাকে জড়িয়ে ধরে তার সঙ্গে ফুলসজ্জা করছি আমি!

আমি হাত দিয়ে মায়ের মুখ তুলে ধরলাম।

- চারু!

চোখ বন্ধ রাখলো, কোনো শব্দ নেই মুখে। আমি বুঝলাম মা চাইছে আমিই যেন প্রথমে এগিয়ে যাই। 

আমি তার মুখ ধরে তার কোমল ঠোঁটে আমার ঠোঁট ডুবিয়ে দিলাম সম্পূর্ণভাবে! আহ্!!! কি উষ্ণ শক্ত অথচ তুলোর মতো কোমল মায়ের ঠোঁট! তার ঠোঁটদুটো চুষে চুষে মায়ের সব মধু আমি আজ ছিনিয়ে নিতে চাইলাম! তার ঠোঁট একটু কামড়ে ধরলাম!

- উফ্!!!

মায়ের মুখের এই শব্দ আমায় জাগিয়ে তুললো সম্পূর্ণরূপে! দুহাতে মায়ের দুটো দুধ ধরে টিপতে শুরু করলাম আলতো ভাবে! 

- আস্তে বাবু!

মায়ের দুটো বড়ো বড়ো মোটা মোটা লদলদে দুধ টেপা ছেড়ে মায়ের ঠোঁটের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। আমার পুরুষত্ব জেগে উঠেছে এবার! মাকে শুইয়ে দিয়ে তার মুখের ভেতরে আমার লালা মেশানো জিভটা ঢুকিয়ে দিলাম। চারু সাড়া দিলোনা প্রথমটায়, কিন্তু তার দুধের বোঁটা ধরে মুচড়ে দিতেই তার জিভ আমার জিভে স্পর্শ করলো। দুই জিভ এবার আদিম কামলীলায় মেতে উঠলো একে অপরের সান্নিধ্যে! রাতের খাবারের সুগন্ধ এখনো মায়ের মুখে ছড়িয়ে আছে। আহ্! কি মিষ্টি গন্ধ আমার মায়ের মুখে! আমি জিভ দিয়ে তার জিভ ও তার মুখের ভেতরের সব জায়গা গুলো চেটে চেটে খেতে লাগলাম। মা এতো বেশি লালা ঝরাচ্ছে আর তা এতো ঘন চটচটে যে আমার মনে হলো আমার জিভ বুঝি তার মুখের ভেতরেই আটকে যাবে! নিজের পুরুষটির কাছে শরীর সঁপে দিলে বুঝি নারীদের শরীরে এমনই পরিবর্তন আসে! আমি মায়ের মুখের সব থুতু কফ শুষে নিতে লাগলাম আমার মুখ গহ্বরে, এমনকি রাতের খাওয়া কয়েকটা ভাতের টুকরোও আমি জিভ দিয়ে মায়ের মুখ থেকে নিজের মুখে টেনে নিলাম। আজ কিচ্ছু মায়ের মধ্যে ফেলে রাখা যাবে না, সব....আমার চাই!

মায়ের মুখের ভেতরটা শুকনো করে দিয়ে আমি নেমে এলাম মায়ের গলায়। আহ্! কি গন্ধ মায়ের গলা থেকে বেরোচ্ছে ভুর ভুর করে! কি মিষ্টি সেই সুবাস! আমি গলা চাটতে শুরু করলাম! মা ছটফট করা শুরু করলো এবার। গলার যেদিকটায় জিভ বোলাচ্ছি, সেইদিকেই মুখ ঘুরিয়ে আমায় বাধা দিচ্ছে, বোধহয় সুড়সুড়ি আর যৌনতা মিশলে মেয়েরা এমনই করে! গলায় লেগে থাকা নোনতা ঘাম চেটে চেটে মায়ের গলাটাকে আমি আমার লালা রস দিয়ে স্নান করিয়ে দিলাম। 

মা তখন প্রেম রোগে এতই আবিষ্ট, যে আমার মাথাটা ধরে নিজের দুধের মাংসে ডুবিয়ে দিলো।

- তুমি কি পাগল করে দেবে???

পাগল আমি ছিলাম না, কিন্তু মায়ের এই ডাকে আমি পাগল হয়ে গেলাম!

মায়ের লদলদে দুটো দুধকে হাতে ধরে টিপতে শুরু করলাম শাড়ি আর ব্লাউজের ওপর দিয়েই। শাড়ির আঁচল সরতেই মায়ের ব্লাউজের ওপরের ফাঁক দিয়ে দুধ উপচে পড়ছে। আমি ব্লাউজের ওপর দিয়েই মায়ের সারা দুধকে চেটে ভিজিয়ে দিলাম! যেখানেই মুখ দিচ্ছি, মায়ের দুধ এতো নরম যে আমার মুখ ডুবে যাচ্ছে মায়ের বড়ো বড়ো মোটা মোটা দুটো দুধের মাংসে! 

- চারু.... ব্লাউজ খোলো.... তোমার স্বামী তোমার দুধ খাবে এবার!!!

মা 'স্বামী' কথাটা শুনে চোখ বন্ধ করে উঠে বসে তার বড়ো বড়ো দুধের ওপর এঁটে বসে থাকা ব্লাউজটার হুক খুলতে লাগলো।

- খুব টাইট...!!!

- যা দুধ তোমার, টাইট তো হবেই চারু!!!

আমার কথায় মা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে হুক খুলতে লাগলো। এই ব্লাউজের হুক পেছন দিকে।

- ওদিকটায় ঘোরো।

মা ওদিকে ঘুরতে দেখলাম কি অবস্থা! মায়ের দুধ এতো বড়ো যে মা  ব্লাউজ পরতে গিয়ে পেছনের সব হুকগুলো লাগাতে পর্যন্ত পারেনি, চারটার মধ্যে একটা লেগেছে, তিনটা খোলা। ওই মাত্র একটা হুক-ই মায়ের এতো বড়ো ভারী দুধের ভার বইছিল এতোক্ষণ...আমার হুকটার ওপরে মায়া হল! কাছে গিয়ে হুকটা খুলে দিতেই ব্লাউজটা আসে পড়লো মায়ের কোলে। তারপর তার দুই নরম তুলতুলে হাত আমার শক্ত হাতে ধরে আমার দিকে ঘোরালাম তাকে! 

- উফ্ চারু...এতো বড়ো দুধ তোমার....আমার কন্যা সন্তানের দম বন্ধ হয়ে যাবে যে...!

- তুমি চুপ করো....!

মায়ের আমার লজ্জা লেগেছে নিজের দুধের বর্ণনা শুনে! আমি এগিয়ে গিয়ে ডাধ হাতে মায়ের বাঁ দিকের দুধটা ধরে তুললাম, আমার হাতের বাইরেও মায়ের দুধের মাংসের ভারে আমার হাতের কব্জি ঢেকে গিয়েছে! আমি বাঁ হাত লাগালাম, এতেও মায়ের বাঁ দুধটা ধরলো না, দুহাতের বাইরেও আঙুলের ফাঁক ফোকর দিয়ে মাংস বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়তে চাইছে! আমি আর অপেক্ষা করলাম না। দুহাতে যতটা জোর দেওয়া যায়, সর্বশক্তি দিয়ে মায়ের বাঁদিকের দুধটা টিপে ধরলাম! 

- ইস্ বাবু......!!!! লাগছে!

আরো জোরে এবার....দুহাতের মুঠোয় মায়ের বাঁদিকের বড়ো দুধটা ধেবড়ে গেল!

- ওগো ....!!!!

হাত ছেড়ে দেখলাম মায়ের বাঁ দিকের বড় দুধটার ওপরে আমার ১০ আঙুলের দাগ বসে গেছে। এবার ডানদিকের দুধটা ধরে তুললাম। এতো বড়ো দুধ, ওজনও অনেক হবে! এই দুধটাকেও গায়ের সর্বশক্তি দিয়ে টিপে চললাম দু হাতের মুঠোয় ধরে। 

- উফফফফফফফফফফফফ্....আমার লাগেনা বুঝি!!!

মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তার দুচোখে জল, এতো জোরে দুধ টেপার জন্য তার ব্যাথায় চোখ ফেটে জল গড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু ফুলসজ্জায় নারীদের ব্যাথা পাওয়া অবশ্যম্ভাবী! 

- এটা তো তোমাকে সহ্য করতে হবে মা! এ যে স্বামীর সোহাগ!!!

- আচ্ছা!

মায়ের ভেজা চোখেই স্বামীর আদেশ শুনে হাসি ফুটে উঠলো। তার এই কান্না ভরা হাসিমুখ দেখে তার শরীরের প্রতিটা অংশে আমার চিহ্ন বসিয়ে দেওয়ার কামনাও জেগে উঠলো! আমি এবার তার দুটো দুধকে দুহাতে নিয়ে টিপতে লাগলাম জোরে জোরে আর সঙ্গে তার মুখে আমার জিভ ঢুকিয়ে দিলাম। জিভ দিয়ে তার জিভ চাটতে চাটতে তার দুটো দুধকে দলাই মালাই করতে লাগলাম চেপে চেপে। মা পাগলের মতো আমার মুখটা ধরে আমার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে রেখেছে!

আমি মায়ের দুধের বোঁটায় মোচড় দিয়ে দিলাম।

- ও গো....!!!!

- কি হলো চারু....???

মায়ের দুটো মোটা মোটা দুধের দুটো বোঁটা আঙুলের মধ্যে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুচড়ে দিচ্ছি মায়ের জিভ চাটতে চাটতে।

- আমার কেমন করছে.... উফ্...!!!

বুঝলাম মা এবার গুদ দিয়ে রস ছাড়বে....! মায়ের দুধের বোঁটায় এতো দূর্বলতা! আরো জোরে জোরে মায়ের দুটো বোঁটা ধরে মুচড়ে দিলাম।

- উফফফ্...........বাবু.....!!

- বলো সোনা...!!!!

- আমার কি হচ্ছে ভেতরে... বুঝতে পারছি না!!!!

- তোমার তরল ছাড়বে এবার সোনা...!!!

- বাবু...!!!!

- ছাড়ো সোনা, আমি ধরে আছি তোমায়, তোমার কোনো চিন্তা নেই....তুমি নিশ্চিন্তে ছাড়া শুরু করো....!!!

- বাবু....!!!!

মা এবার আমায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে আমার পিঠে তার নখ বসিয়ে দিলো আর কোমর উঠিয়ে উঠিয়ে গুদ দিয়ে রস ছাড়া শুরু করলো...!!!

- বাবু.............কেমন হচ্ছে আমার.....!

- আস্তে মা....ও ঘরে বাবা রয়েছে....!!!

- আমায়..... ইস্ ইস্.....মা .... উফ্ উফ্ উফ্.....নয়..... উফ্.....চারু বলে ডাকবে তুমি...... ইসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসস্ উফফফফফফফফফফফফ্...........ও মা গো........... উহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ্........!!!!!!!!!!!!!

প্রায় তিন মিনিট ধরে কোমর ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে মা গুদ থেকে রস ছাড়লো হড় হড় করে। আমি গুদের ওপরে শাড়িটা হাত দিয়ে বুঝলাম সব ভিজিয়ে ফেলেছে মা! 

আমি বোঁটা মোচড়ানো থামালাম না। এবার একটা বোঁটা চুষতে চুষতে আরেকটা বোঁটা মোচড়াতে লাগলাম জোরে জোরে। 

- আবার কেমন করছে বাবু...!!!!!

- আমি আছি তো চারু, তুমি ছাড়ো....!!!!

দুধের বোঁটা মায়ের এতো শক্ত অথচ থলথলে নরম যে মুখের মধ্যে নিয়ে চুষতে আর কামড়াতে আমার মন ভরে উঠছিল বারে বারে! আমি মায়ের বাঁদিকের দুধটা টিপছি আর বাঁদিকেরটা খাচ্ছি....। এখন আর বুকে দুধ নেই। সেই ভন্ড সাধুর দেওয়া গুঁড়ো খাওয়া বন্ধ করতেই পরের মাস থেকেই দুধ আসা বন্ধ হয়ে গেছে মায়ের। আমি মায়ের বোঁটা চুষতে চুষতে ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম যেন, হঠাৎ মায়ের শীৎকারে ঘোর কাটলো আমার!

- বাবু রে..... উফফফফফফফফফফফফফফফফ্.....ইসসসসসসসসসসসসসসস্...... আহহহহহহহহহহহহহ্.......কেমন করছে আমার!!!!

আমি মায়ের দুধ মোচড়াতে মোচড়াতে মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি। মায়ের চোখ মুখ তখন ঘামে ভিজে উঠেছে, আর তার গোটা শরীর কাঁপছে থর থর করে। আমি মায়ের দুধ চুষতে চুষতে আর তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললাম,

- ছাড়ো মা ছাড়ো....কোমরটা আরেকটু ঝাঁকাও....সব বেরিয়ে যেতে দাও.... অনেকদিন তোমার জমা হয়ে আছে.....আরো জোরে ঝাঁকাও মা....গুদটা ওপরে ওঠাও.... হ্যাঁ হ্যাঁ.... এইভাবেই!!!

আবার তিন মিনিট ধরে মা রস ছাড়লো, তারপর শুয়ে থেকেই হাঁপাতে লাগলো আমার দিকে চেয়ে। তার ঘামে ভেজা মুখখানায় তৃপ্তির ছোঁয়া লেগেছে আজ! এরইমধ্যে মা দুবার গুদ থেকে রস ছাড়লো। এখনো আমি শুরুই করিনি তার গুদ মারা। 

এবার করলাম....এবার আমার মাকে নিজের বউ করে আজ এই ফুলসজ্জার পুণ্য লগ্নে মায়ের গুদ মারতে চলেছি!!!

- চারু, উঠে বসো...ওঠো...ওঠো.... হ্যাঁ, শাড়িটা খোলো.... পুরোটা.... হ্যাঁ... লজ্জা কি....আমি তো তোমার স্বামী চারু.... শুয়ে পড়ো... হ্যাঁ...গুদটা আমার মুখের কাছে দাও.... হ্যাঁ ঠিক আছে এখন....এবার তোমার মধু খাবো চারু...সব ভিজিয়ে ফেলেছো তুমি!

মা আমার মুখের কাছে গুদ মেলে ধরে শুয়ে শুয়ে দুবার রস ছাড়ার ক্লান্তিতে হাঁপাতে লাগলো, আর সেই হাঁপানির তালে তালে মায়ের দুধ দুটো উঠছে ও নামছে। গুদ থেকে দুবার হড়হড়িয়ে রস ছাড়ার জন্য মায়ের সায়া ভিজে মায়ের থাইয়ের সঙ্গে লেপ্টে গিয়েছিল। আমি সেই সায়াটার মধ্যে মাথাটা ঢুকিয়ে দিয়ে সায়ার নিচে নিজেকে ঢেকে নিয়ে বাবার পাশের ঘরেই মায়ের গুদ চাটতে শুরু করলাম...!!!

- চারু কি করেছো তুমি....এতো ভিজেছো? ঠান্ডা লেগে যাবে যে!

- তুমি....আর ওখানটায় মুখ দিও না....বাবু...!!!

আমি মায়ের সায়ার নিচে নিজেকে লুকিয়ে ফেলে মায়ের গুদের পাঁপড়িটা দাঁত দিয়ে খুঁটে দিলাম আর মা কাঁটা মুরগির মতো তার দুই হাত দিয়ে আমার মুখটা তার গুদে চেপে ঠেসে ধরলো। এতে মায়ের গুদের রসে আমার নাক, চোখ, গাল ও ঠোঁট ভিজে চ্যাটচ্যাটে হয়ে গেল। গুদের পাঁপড়ি এতো পাতলা! যেন একটু টানলেই ছিঁড়ে যাবে! এবার মায়ের গুদের পাঁপড়ি চাটা শুরু করলাম আর একইসঙ্গে আমার ডান হাতের একটা আঙ্গুল মায়ের গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। 

- বাবু..... উফ্...!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)