Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#31

পর্ব - ৩১ 

আমি মায়ের সায়ার নিচে নিজেকে লুকিয়ে ফেলে মায়ের গুদের পাঁপড়িটা দাঁত দিয়ে খুঁটে দিলাম আর মা কাঁটা মুরগির মতো তার দুই হাত দিয়ে আমার মুখটা তার গুদে চেপে ঠেসে ধরলো। এতে মায়ের গুদের রসে আমার নাক, চোখ, গাল ও ঠোঁট ভিজে চ্যাটচ্যাটে হয়ে গেল। গুদের পাঁপড়ি এতো পাতলা! যেন একটু টানলেই ছিঁড়ে যাবে! এবার মায়ের গুদের পাঁপড়ি চাটা শুরু করলাম আর একইসঙ্গে আমার ডান হাতের একটা আঙ্গুল মায়ের গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। 

- বাবু..... উফ্...!!!

- কি হলো মা...???

- আমায় চারু বলো...!!!

- কি হলো চারু.... লাগলো?

- না, লাগেনি...তবে কেমন করছে আবার!!!

মা কি আবার রস ছাড়বে!!!এই তো দুবার ছাড়লো! আমি এবার মায়ের গুদের পাঁপড়ি চাটতে চাটতে তার গুদে আঙুল চালানো শুরু করলাম। একটা আঙুল গুদে ঢুকছে, তাতেই আঙুলটা মায়ের গুদের ভেতরের মাংসে চেপে বসে গেছে। আমি আরও একটা আঙুল ঢুকিয়ে মায়ের গুদ খেঁচা শুরু করে দিলাম। 

- ইস্ বাবু.... এমনি কোরোনা তুমি.....ওগো....!!!

- কি হচ্ছে চারু?

- আমার বুকটা ধড়ফড় করছে!!!

- আবার কি ছাড়বে???

বলে এবার তিনটা আঙুল গুদে ঢুকিয়ে দিয়ে খেঁচে দিতে লাগলাম মায়ের গুদ। এতো জোরে খেঁচছি যে মায়ের গুদের রস ছিটকে বাইরে বেরিয়ে এসে গুদের পাঁপড়ি চাটতে থাকা আমার চোখ মুখ ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে! 

- ও মা গো.... আস্তে ঢোকাও....!!!

- কি ঢোকাবো চারু???

- জানি না...... ইস্ ইস্ ইস্ ইস্.....উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্........!!!!

- কি ঢোকাবো বলো???

- তোমার....!

- আমার?

- তোমার ওই.....!

- আমার ওই...???

- তোমার ওই আঙুলগুলো!!!!

- আস্তে না জোরে?

- আস্তে.... ইসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসস্....... উফফফফফফফফফফফফ্....আমাকে ধরো......আমাকে ধরো.......উফফফফফফফফফফফফফফফফফফফফফফহফ্!!!!!!!!

আমার মুখটা দুহাত দিয়ে মা তার গুদে চেপে ধরে আমার মুখের ভেতরেই তার তৃতীয়বারের মতো রস ছাড়লো হড় হড় করে...! এতো রস ভেতরে জমা আছে মায়ের! বেরোচ্ছে তো বেরিয়েই যাচ্ছে! উফ্! নোনতা নোনতা স্বাদ আমার মায়ের গুদের রসের! মা গুদ থেকে রস ছাড়ছে আর আমি মায়ের পুরো গুদটায় মুখে পুরে নেওয়ায় মায়ের সব রস আমি ঢক্ ঢক্ করে গিলতে লাগলাম। পাকস্থলী ভরে যাচ্ছে তবুও মায়ের ছাড়ার শেষ হচ্ছে না। এই সরল সতী গৃহিণী নিজের ভেতরে এত মধু সঞ্চয় করে রেখেছিলো!

মা নেতিয়ে পড়লো, কিন্তু আমি এই গরম হলাম। মায়ের চুল ধরে উঠিয়ে তার মুখে আমার পাঞ্জাবি খুলে আমার ১০ ইঞ্চি লম্বা আর ৪ ইঞ্চি মোটা লকলকে বাড়াটা মায়ের মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে তার মুখটা দুহাতে ধরে তার মুখ চোদন শুরু করলাম।

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....!!!

- আর ভেতরে ঢোকাবো চারু?

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....না.... ওক্ ওক্ ওক্....আমার দম বন্ধ...... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....হয়ে..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....আসছে....!!!!

ফুলসজ্জার রাতে এইটুকু কষ্ট যে তোমায় সহ্য করতে হবে চারু! বলে আমার গোটা বাড়াটায় এবার তার গলার গভীরে ঢুকিয়ে দিলাম। এতক্ষন অর্ধেকের একটু বেশি ঢুকছিল, এখন পুরোটাই। মুখের মধ্যে ১০ ইঞ্চি লম্বা কিছু ঢুকলে গলার ভেতরে কতদূর যায়, তা আমরা কল্পনা করতে পারিনা, যেটা আমার মা এখন অভিজ্ঞতা করছে বাস্তবে! তার মাথাটা ধরে এবার মুখ চোদা বন্ধ করে আমার বাড়াটা পুরোটা ঢুকিয়ে চেপে রাখলাম। মা আমার কোমর দুহাত দিয়ে সরিয়ে দিতে লাগলো! পুরো বাড়াটা আমি গলার ভেতর অবধি ঢুকিয়ে দিয়ে তার মুখটাকে আমার কোমরের সঙ্গে চেপে বসিয়ে রাখায় তার দম আটকে আসছিল।

- আ...মি....নি... শ্বাস....নিতে...!!!

মা অজ্ঞান হয়ে গেল। আমি তার মুখ থেকে বাড়াটা বের করে এনে তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে নিচে নেমে জল নিয়ে তার মুখে ছেটাতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পরে মা চোখ খুললো... আমার দিকে তাকালো। তার চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে। তারপর তার মুখের ভেতরে আবার বাড়াটা ঢুকিয়ে গলা অবধি ঢুকিয়ে দিয়ে ঠাপাতে লাগলাম। 

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....আর নেবে ভেতরে.... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্...!!!

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....আমি নিঃশ্বাস..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....নিতে পারছি না...... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!!!!

বাড়াটা আবার পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে কোমরের সঙ্গে তার মুখটাকে চেপে বসিয়ে রাখলাম, মা চোখ উল্টিয়ে দিয়েছে, এমনসময় মুখ থেকে বাড়াটা বের করে আনলাম। তারপর তাকে চিৎ করে শুইয়ে দিয়ে তার গুদে আমার ১০ ইঞ্চি বাড়াটা পুরোটাই এক ঠাপে ঢুকিয়ে দিলাম। 

- ও মা গো......!!!!!!!!!

মা আমার পিঠের চামড়ায় নখ ঢুকিয়ে দিয়েছে বুঝতে পারলাম, জ্বালা করছে ওখানটায়। আমি সেই রাগে এবার মায়ের গুদ মারা শুরু করলাম....পুরো বাড়াটা বের করে এনে আবার পড় পড় করে ঢুকিয়ে দিচ্ছি মায়ের গুদের গভীরে। গুদের ভেতরে মাংস ভেদ করে আমার মোটা ও লম্বা বাড়াটা সমূলে গেঁথে যাচ্ছে মায়ের গর্তে!

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....বাবু..... আস্তে দে.....খুব ব্যাথা..... উফ্ উফ্ উফ্..... করছে.........!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.... ফুলসজ্জায় এটুকু মেয়েদের সহ্য করতে হবে চারুলতা.... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্!!!

এতো জোরে বাড়া ঢোকাচ্ছি মায়ের গুদে যে, মা জানালার দিকের দেয়ালের সঙ্গে আমার প্রতিটা ধাক্কায় গিয়ে আছড়ে পড়ছে আর মায়ের বড়ো বড়ো দুধ, পেট ও থাইয়ের মাংসে ঢেউ খেলে যাচ্ছে!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....তোমার ভেতরটা এতো গরম....আমার বাড়া যে গলে যাবে গো....!!!!

মায়ের গুদের ভেতর থেকে যেন গরম ভাপ বেরিয়ে আসছে, আর সেই উষ্ণতায় আমার বাড়া যেন নিজের প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বার বার ভেতরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে! মা চিরকালই এমন করে এসেছে যে যখন দেখে সামনে থেকে তাকে আঘাত দিচ্ছে, তখন সে তাকে কিছু না বলে নিজের দিকে থেকে যা করা যায় সেই ব্যাথা কমাবার জন্য, তাই করে। আজ মা দেখছে আমার ধাক্কা কমাবো না, তাই মা এই প্রথমবার তার গুদ দিয়ে আমার বাড়াটাকে কামড়ে ধরা শুরু করলো যাতে করে আমার বীর্যপাত হয়ে যায়! 

নারী সত্যিই মায়াবিনী! 

- কামড়াবে না...!!!

- আমার লাগছে বাবু....!!!

- তবুও...!!!

মা কামড়ানো বন্ধ করলো। তারপর হাঁপাতে হাঁপাতে আমার চোদন খেতে লাগলো একনাগাড়ে। মায়ের থাইদুটো এবার আমি আমার কাঁধে তুলে নিলাম, তারপর গুদ মারতে লাগলাম মায়ের। মায়ের গুদ কচি, খুব টাইট, আর এই দুটো পা উপরে তুলে দেওয়ায় যেন আরও টাইট হয়ে গেল। মায়ের গুদের মাংস ফাঁড়তে ফাঁড়তে আমি বাড়াটাকে মায়ের গুদের ভেতরে সমূলে গেঁথে যাচ্ছি।

- বাবু.....আমার কেমন..... ইসসসসস্....করছে ..... উফ্ উফ্ উফ্....গো.....!!!

বুঝলাম মা আবার ছাড়বে! কিন্তু এখন রস ছাড়লে যে তা নষ্ট হয়ে যাবে। আমি গুদ মারা ছেড়ে মায়ের নোনতা তরল খেতে পারবোনা! মা কোমর উঁচিয়ে উঁচিয়ে আমার বাড়াটার সঙ্গে নিজের গুদ ঠেসে ঠেসে চতুর্থবারের মতো রস ছাড়া শুরু করলো হড়হড় করে। আমি মায়ের এই রসের স্বাদ থেকে নিজেকে বঞ্চিত না রেখে মায়ের গুদ মারা থামিয়ে গুদটা মুখে পুরে নিলাম।

- বাবু....আমার মাথা ঘুরছে..... ইসসসসসসসসসসসসসসস্.....উফফফফফফফফফফফফ্.......বাবু.........!!!!!

এবার প্রায় চার মিনিট ধরে মা গুদ থেকে হড়হড়িয়ে থকথকে নোনতা রস বের করে আমার পেট ভরিয়ে দিল। 

আমি এবার মাকে হামাগুড়ি দিয়ে জানালার দিকে মুখ করে বসিয়ে মায়ের পেছনে হাঁটু মুড়ে বসে তার গুদে বাড়াটা ঢুকিয়ে দিলাম। মা চারবার রস ছেড়ে হাঁপাতে লাগলো। আমি মায়ের পিঠের ওপর চড়ে তার খোলা চুল ঘোড়ার লাগামের মতো করে শক্ত হাতে ধরে ঘোড়া ছোটাতে লাগলাম। 

- ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্!

সারা ঘর মায়ের গুদে আমার বাড়ার বারবার ধাক্কায় গুদ ও বাড়ার রস মিশে প্রকান্ড শব্দ ছড়িয়ে পড়ছে। আর তার সঙ্গে দুজনের ঘাম ও মায়ের গুদের রসের মিশ্রিত মিষ্টি গন্ধে ম ম করছে। একহাতে মায়ের চুলটা আরও টেনে ধরে অন্যহাতে মায়ের লদকা পোঁদটা ধরে সজোরে গুদ মেরে চলেছি সদ্য বিয়ে করা আমার মায়ের! 

- বাবু....চুল টা ছাড় রে... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....!!!

ঝড় চলছিলোই, এবার মুষলধারায় বৃষ্টি নামলো আর সেই সঙ্গে আকাশের বুক চিরে বিদ্যুতের ঝলকানিতে দেখা গেল মাটির বাড়ির একটি ঘরে এক নধর মা হামাগুড়ি দিয়ে বসে জানালার গ্রিল ধরে আছে আর তার লদলদে পোঁদের কাছে তার নিজের পেটের ছেলে বসে বসে তার চুলের মুঠি টেনে ধরে তাকে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে তার গুদ মেরে তাদের ফুলসজ্জার রাতকে স্মরনীয় করে তুলছে। মা আমার বাড়ার ধাক্কার যন্ত্রনায় জানালার গ্রিল দুটো আঁকড়ে ধরে রয়েছে যাতে পড়ে না যায়। এইসময় বৃষ্টির ছাটে তার সারা মুখ ভিজতে শুরু করলো। ছেলের বাড়া দিয়ে গুদ মারাতে মারাতেই ধাক্কা খেতে খেতেই সে জানালা বন্ধ করতে গেল, কিন্তু তার দুটো হাত আমি শক্ত করে ধরে মুচড়িয়ে পেছনে এনে তার পোঁদের ওপর চেপে ধরে রেখে তার গুদ মারতে লাগলাম জোরে জোরে।

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....আমি.... ভিজে যাচ্ছি...... বাবু....!!!

- আজ চারু তোমার ভেজার-ই দিন গো!!!!

বৃষ্টির ছাঁট ঘরে ঢুকে বিছানা সহ মা আর আমাকে একেবারে ভিজিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু আমি মাকে ছাড়লাম না। ফুলসজ্জার রাতে মাথার ওপর বাজ পড়লেও কেউ বউকে ছাড়ে? নাহ! নেহাত নপুংসক ছাড়া কেউ ছাড়ে না! 

এবার আমি হঠাৎ তার গুদ থেকে বাড়া বের করে তাকে জানালার সাথে ঠেসে ধরে সোজা দাঁড় করিয়ে দিলাম, তারপর তার পেছনে দাঁড়িয়ে তার ডান পা জানালায় তুলে দিয়ে নিচ থেকে বাড়াটা মায়ের গুদে ঢুকিয়ে গুদ মারতে লাগলাম আর একইসঙ্গে মায়ের ঘাড়ের মাংস জোরে কামড়ে ধরে বাঁ হাত দিয়ে মায়ের বাঁ দিকের বড়ো মোটা দুধের ও ডান হাত দিয়ে বড়ো মোটা ডান দিকের দুধের বোঁটা ধরে মুচড়ে দিতে লাগলাম। মা জানালায় এক পা তুলে দাঁড়িয়ে ছটফট করতে লাগলো। আমি এবার আরো জোরে জোরে মায়ের গুদ মারা শুরু করলাম।

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....বাবু..... আস্তে.... জানালাটা বন্ধ..... উফ্....করে দিই.... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!!!

- আজ সব খোলা থাক মা....সব খোলা থাক।

মা চোখ উল্টিয়ে জানালার গ্রিল ধরে কাঁপতে লাগলো, বুঝলাম দুধের বোঁটা মোচড়ানো, গুদে ঠাপ ও ঘাড়ে কামড় খেয়ে মা এবার পঞ্চমবারের মতো রস ছাড়তে শুরু করলো। এবার প্রায় ৫ মিনিট ধরে এতো থকথকে রসে ছাড়তে লাগলো যে আমার বাড়া দিয়ে তা ঝরে পড়তে পড়তে আমার কোমর থাই হাঁটু পর্যন্ত ভিজিয়ে দিলো। আমি এবার ঘাড়ে জোরে কামড়ে ধরলাম, বোধহয় দাঁত বসে গিয়ে থাকবে, আর বাঁ দিকের দুধের বোঁটাটা জোরে পেঁচিয়ে দিয়ে এতো জোরে গুদ মারা শুরু করলাম যে মা গ্রিলে মাথা ঠেকিয়ে পোঁদটা আমার বাড়ায় চেপে চেপে গুদ দিয়ে রস হড়হড়িয়ে ছাড়তে ছাড়তেই মা পেচ্ছাপ করে দিলো! উপর থেকে মা পেচ্ছাপ ও গুদের রস ছাড়ছে, আর নিচ থেকে উপরের দিকে আমার বাড়া তার গুদে ঢুকে তার গুদটে এফোঁড় ওফোঁড় করে দিচ্ছ আর এই গুদ ও বাড়ার  মিলনস্থলের ধাক্কায় মায়ের পেচ্ছাপ ও রস গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে যাচ্ছে, যেমন ঝর্ণার জল উপর থেকে নিচে পাথরের ওপর পড়ে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যায়, তেমনি। মা তার গুদের রস ও পেচ্ছাপ শেষ করে বোধহয় গ্রিলেই নেতিয়ে পড়েছিল, পড়ে যেত মাটিতে, আমি তাকে ধরে দাঁড় করিয়ে গুদ মারতেই লাগলাম, আজ ছাড়া যাবে না, না বিশ্রাম, আজ গুদ মারা চলবে....কারণ আজ আমার মায়ের সঙ্গে আমার ফুলসজ্জা! 

- বাবু.... আমি আর..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....পারছি না রে.....আমায় ছাড়বে একটু...!!!

- না চারু....ছাড়বো না...!!

ছাড়লাম তো না-ই, গুদ মারার গতি বাড়িয়ে দিলাম। 

- বাবু..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.... আস্তে ঢোকাও....... ইস্ ইস্ ইস্ ইস্ ইস্ ইস্...!!!!

ওই অবস্থাতেই মায়ের গুদে বাড়া ঢোকাতে ঢোকাতেই মায়ের গুদ মারতে মারতেই ঘরের দরজা খুলে বাইরে বারান্দার দাওয়ায় নিয়ে এলাম মাকে ওভাবে জাপটে ধরেই। মায়ের বড়ো বড়ো দুধ দুটো লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। বারান্দার দাওয়ায় যেখানটায় রান্না করে মা, সেই উনুনটার উপরে মাকে উপুড় করিয়ে শুইয়ে মায়ের পিঠে চড়ে মায়ের গুদ মারতে লাগলাম জোরে জোরে। এখানটায় বৃষ্টির ছাঁট এসে আমাদের দুজনকেই ভিজিয়ে দিচ্ছে। এই মুষলধারায় বৃষ্টির মধ্যে এই বারান্দায় রান্না করার উনুনের ওপরে মাকে উপুড় করিয়ে শুইয়ে মায়ের গুদ মেরে চলেছি আমি।

- বাবু....এই জায়গায় রান্না হয়..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.... এখানটায় করা.....ঠিক নয় গো...!!!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....স্বামীর গাদন খাবে.... যেখানেই খাবে....সেখানটাই পবিত্র হয়ে যাবে...মুখ চুপ রেখে খেয়ে যাও চুপচাপ....আমাকে আমার কাজ করতে দাও!!!

হঠাৎ এমনসময় বিদ্যুতের ঝলকানিতে মা মাথা নীচু করে ফেললো, আমি তার কানের লতি কামড়ে ধরে তার পিঠের ওপর আমার পুরো ভরটা দিয়ে জোরে জোরে তার গুদে বাড়াটা দিয়ে গর্ত খুঁড়তে লাগলাম।

এইসময় বৃষ্টির আওয়াজ ছাপিয়ে আরেকটা আওয়াজ কানে ভেসে এলো, যা মা আর আমি দুজনেই শুনতে পেলাম। একটা কান্নার আওয়াজ....বাবার কান্না....বাবা কাঁদছে! এই মধ্যরাতে এক বয়স্ক লোক তার স্ত্রীর অভাবে শুধু নয়, তার স্ত্রী তারই ছেলেকে বিয়ে করে তার ঘরের বাইরেই থাকে দিয়ে নিজের গুদ মারাচ্ছে, এই কষ্ট কোনো পুরুষই নিতে পারে না। বাবার কান্নার রোল এই দুর্যোগের মধ্যে কেমন যেমন বিভীষিকার মতো শোনাচ্ছে! 

- বাবু....তোর বাবা... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!!!

- কর্মফল মা.... কর্মফল....ভোগ করতে দাও....আজ থেকে আমি তোমার স্বামী....আমি ছাড়া অন্য কোনো পুরুষ আজ থেকে যেন তোমার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারে....এটা আমার আদেশ....মনে রেখো!!!

- বেশ....!!!

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্!!

আমি গুদ মারা থামায়নি, বাড়িয়ে দিলাম আরো। 

- বাবু....আমার..... ইসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসস্...!!!

ষষ্ঠবারের মতো মা হড়হড়িয়ে গুদ থেকে রস ছেড়ে এই রান্নার জায়গাটা পুরো ভাসিয়ে দিলো। 

এবার আমি মাকে দাঁড় করিয়ে পেছন থেকে তার গুদ মারতে মারতেই খোলা উঠোনে নেমে এলাম। বৃষ্টির অঝোর ধারা আমাদের দুজনের চামড়ায় যেন সূচ ফুটিয়ে যাচ্ছে। আমি মাকে আমার দিকে ঘুরিয়ে তাকে আমার কোলে তুলে নিলাম আর মা তার দুটো মোটা মোটা পা দিয়ে আমার কোমর জড়িয়ে ধরলো জোরে। এবার আমি শুরু করলাম রাম ঠাপ। এই খোলা উঠোনে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঝড় ও বিদ্যুতের তোয়াক্কা না করে মাকে কোলে নিয়ে বুকের মধ্যে তার দুটো বড়ো বড়ো দুধকে চেপ্টে জড়িয়ে ধরে তার দুধ খেতে খেতে তল থেকে তার গুদে বাড়া ঢুকিয়ে তার গুদ ফাটিয়ে দিতে শুরু করলাম আর একইসঙ্গে ওভাবেই গুদ মারতে মারতে তাকে গোটা উঠোনে ঘোরাতে লাগলাম!

- বাবু..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্....পড়ে যাবো....একটু আস্তে হাঁটো বাবু..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!!!!

এই ভয়ঙ্কর দূর্যোগের রাতে মুষলধারার বৃষ্টির মধ্যেই শব্দ তুলে চারপাশে ছড়িয়ে যাচ্ছে চারুলতার ফুলসজ্জার মুহূর্তগুলো....যেন বলে যাচ্ছে এক মা ও ছেলের শুভ মিলনের কাহিনী....এই বৃষ্টির মধ্যেই তার শব্দ অল্প অল্প ভেসে আসছে....!

- বাবু...... আস্তে..... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!!!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)