Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#32

পর্ব - ৩২

আজ স্কু/লে অনেক চাপ ছিল। ক্লাস সারার পরেও প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মিটিংয়ে সময় গেছে অনেক। বাড়ি ফিরতে ফিরতে রাত আটটা। বাড়ি ফিরে দেখি বাড়িতে মেলা বসেছে। মায়ের কথা বাড়ির বাইরে থেকেই শোনা যাচ্ছে। আমি উঠোনে সাইকেল রাখছি লতা এসে দাঁড়ালো আমার কাছে। তার মুখে বেশ একটা তৃপ্তির হাসি।

- এতো দেরি হলো দাদা আজ বাড়ি ফিরতে?

- আর বলিসনা, কাজ সারতে সারতেই নাজেহাল, নইলে বাড়ি আসার জন্য কি কম ছটফট করছিলাম নাকি! এবার বল দেখি তুই কেমন আছিস?

যদিও বাড়ি ফেরার ছটফটানিটা ঠিক লতা আমাদের বাড়ি এসেছে বলে নয়, বাড়ি ফিরে আমার সদ্য বিয়ে করা বউয়ের সঙ্গে মিলিত হবো বলে। নতুন বিয়ে করলে এরকমটা হয় প্রত্যেকের সঙ্গেই!

- আমি তো ভালোই....এই দ্যাখ, সাত মাস হলো....পেটে লাথি মারছেন বাবু সোনা!!!

দেখলাম সত্যি লতার পেট সাত মাসে বেজায় ফুলে উঠেছে! যমজ সন্তান হবে না তো আবার...হলে লতার খুব কষ্ট হতে চলেছে! আমি তার ফোলা পেটে হাত বুলিয়ে বললাম,

- তা কে আসছেন শুনি... ভাগ্নে না ভাগ্নি!

- তা কি জানি! তোকে বলে রাখছি , আমি কিন্তু সেই বাচ্চা হলেই তবে আবার শ্বশুরবাড়ি ফিরবো... ততদিন এখানেই থাকবো!

হয়ে গেছে! ও থাকলে তো মায়ের সঙ্গে একঘরে শোয়া বন্ধ হয়ে যাবে আমার! তার ওপরে সারা দিনরাত যে মাকে ঘাঁটাঘাঁটি করা, তাও শেষ! কিন্তু লতার এই অবস্থা দেখলে মায়াও হয়। বা/চ্চা হতে এখনও দুমাস, তারপর আরও দু-তিনমাস থাকবে....তার মানে এখনও প্রায় পাঁচ মাস আমার কষ্ট যাবে! তবুও মুখে হাসি এনে বললাম,

- অবশ্যই! আমার‌ বোনটাকে আমি ছাড়বো কেন? এই প্রথমবার মা হবি, বাপের বাড়িতেই তো থাকবি!

লতার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই বারান্দার কাছে এসে দাঁড়ালাম। আর আমার ভেতরটা একটু কেঁপে উঠল একজনকে দেখে.... নিশীথ মায়ের পাশে বসে তার সঙ্গে গল্প করছে, আর নিশীথের পাশে বসে আছে মালতী। মালতী এসেছে এখানে? 

- কাকিমা?

- হ্যাঁ....আমি এসেছি....তোমাদের মা ছেলের নিয়ে অনেক শুনেছি... লতার মুখে , ভাবলাম একবার দেখেই আসি!

কথাটার অর্থ বুঝতে পারলাম। ঠিক লাগলো না তার এই কথাটা। মনের গভীরে কোথাও অনুভব করতে লাগলাম যেন কিছু ঘটতে চলেছে কিছু দিনের মধ্যেই!

- বাবু এসেছিস, দে, ব্যাগটা দে আমায়....এই নে গামছা, তুই স্নান সেরে নে, আমি খাবার দিচ্ছি!

মা আমাকে দেখে এর মধ্যেই কখন ঘরে ঢুকে গামছা এনে দাঁড়িয়েছে খেয়ালই করিনি মালতীর চিন্তায়। মায়ের হাসিমুখ আর চোখের দৃষ্টি দেখে মনে হচ্ছে মা তার স্বামীর স্কু/ল থেকে ফেরার জন্যই অপেক্ষা করছিল এতক্ষন, আমি ফিরতে আনন্দের ঝিলিক খেলে যাচ্ছে তার চোখে! 

- দাদা ভালো আছেন?

নিশীথ জিগ্যেস করলো মুখ তুলে। তার‌ গলায় একটা রুক্ষ ভাব খেয়াল করলাম। যেন করতে হয় তাই জিগ্যেস করছে!

- হ্যাঁ বেশ ভালো। তুমি? তোমার তো এখন খুশি থাকা উচিত, বাড়িতে নতুন অতিথি আসছে!

- ও নিয়ে আমার আনন্দ নেই, লতাকে পেলেই হলো।

বুঝলাম যার যেমন উদ্দেশ্য! গুদ মারতে পারলেই কাজ শেষ! তার চোখের চাউনি ভালো লাগলো না, মায়ের দুধের দিকে তাকাচ্ছে মাঝে মাঝে সে। মা কিছুই বুঝতে পারলো না। মালতী আমায় বলে উঠলো,

- তোমার সারা গায়ে ঘাম যে, যাও স্নান সেরে এসো...!

তার এই কথায় একটা সূক্ষ্ম যৌন ভাব ফুটে উঠলো। আমি এর আগে তার সঙ্গে সঙ্গম করেছি, তার ভেতরে প্রবেশ করেছি, জানি সে কেমন! আমার এই নিশীথ আর মালতীকে ঠিক ভালো লাগলো না আজ আমাদের ঘরে বসে থাকতে দেখে। চিন্তাটা আমার‌ নিয়ে নয়, মাকে নিয়ে। ওরা যদি কিছু খারাপ ঘটায়, মা-ই কষ্ট পাবে। তাই ঠিক করলাম মায়ের যত্ন আমায় আরো বাড়াতে হবে। আমি তো পারলে বউকে স্কু/লেও নিয়ে চলে যাবো, পাশে বসিয়ে ক্লাস করবো, কিন্তু সেটা তো আর শোভা পায় না!

এতক্ষন বাবাকে দেখলাম না, এদিক ওদিক মুখ ঘোরাতে দেখি নিজের ঘরে বসে বসে বিড়ি টানছে। কিছু ভাবছে নিশ্চয়ই! কি ভাবছে সেটা আমি ভালোভাবেই জানি! শুধু খারাপ ভাবলো এই ভেবে যে বাবার যেকোনো সমস্যা হলে আমি সমাধান করে দিতে পারবো, কিন্তু বাবার শুধুমাত্র এই ইচ্ছাটা, অর্থাৎ স্ত্রীর অভাব, আমি পূরণ করতে পারবো না কোনোদিন। মা এখন থেকে আমারই ঘর করবে!

- মা লন্ঠনটা নিয়ে এসো, পুকুরে যাবো জল আনতে!

- বাবু, আমি তোর স্নানের জল এনে রেখেছি ওই দ্যাখ ওখানটায়, তোকে আর জল আনতে হবে না। তুই কি ভাবলি তুই এত কাজ সেরে বাড়ি ফিরবি আর আমি তোর এটুকু খেয়াল রাখতে পারবো না?

মায়ের কথায় সদ্য বিবাহিত বউয়ের তার বরের প্রতি শ্রদ্ধা, যত্ন ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটলো... গোপনে। মা রোজকার মতো যে বালতিতে জল আগে থেকেই পুকুর থেকে নিয়ে এসে ভরে রেখেছে আমার স্নানের জন্য, তা আমি সাইকেল রাখার সময়েই দেখে নিয়েছিলাম, তবুও মাকে পুকুরপাড়ের অন্ধকারে ডাকছিলাম একটু ঘাঁটার জন্য। কিন্তু আমার সরল মা সেটা বুঝতে না পেরে আমার মুখের দিকে মায়াবী দৃষ্টি রেখে আমার উত্তরের আশায় দাঁড়িয়ে রইল।

- না, অনেকক্ষণ আগের জল, নোংরা পড়ে থাকবে, নতুন জল আনবো!

- না বাবু, এইমাত্র এনে রাখলাম।

মা কি কিছুই বোঝে না! উফ্। এখন বাড়িতে এতো লোকজন, তাকে যে একটু চটকাবো, সেই উপায়ও নেই। আর‌ এদিক থেকে মা হয়েছে এমন, কিচ্ছু বুঝতে পারে না।

- দিদি আমি যাচ্ছি চয়নকে নিয়ে, লন্ঠনটা আমায় দিন, পুকুরপাড়ে সাপ অনেক, আমার অন্ধকারে আবার অসুবিধা হবে খুঁজতে!

মালতী বলে ওঠে। সে মায়ের বদলে আমার সঙ্গে আসতে চায়। উদ্দেশ্য জানা আমার। আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। 

- কি খুঁজবে মালতী?

মায়ের সরল প্রশ্নে মালতী পাকা বেশ্যার মতো হেসে উঠলো খিলখিলিয়ে!

- সেকি, তুমি তো কিছুই জানো না দেখছি বৌদি! এদিকে গোবাদায় নাকি লম্বা লম্বা মোটা সাপ অনেক দেখা যায়....ও বাবা....আমার শুনেই কেমন করছে নিচটা! দাও.... দাও দেখি লন্ঠনটা আমায়!

- না কাকিমা....তুমি বসো, এতোটা পথ এসেছো... অনেক ক্লান্ত!

- সে কি চয়ন... এখনও আমি কয়েক ঘন্টা পরিশ্রম করতে পারি, তাতেও ক্লান্তি আসবে না!

আমি ও লতা পরিস্কার তার কথা বুঝতে পারলাম সে কোন্ পরিশ্রমের কথা বলছে! 

- মালতী যখন বলছে, নিয়ে যা না  চয়ন!

মায়ের এই কথায় আমি তার সরল চোখদুটোর দিকে তাকিয়ে হা করে দাঁড়িয়ে রইলাম। তার স্বামীর সঙ্গে সে মিলিত হওয়ার জন্যেই যে মালতী যেতে চাইছে, আমার নিরীহ বউ চারুলতাকে কে বোঝাবে এখন। আমি দৃঢ় গলায় বললাম,

- না মা, তোমাকেই চাই... কাকিমা ক্লান্ত এখন!

মালতী আমার কথার অর্থ বুঝে হাসতে থাকে বেশ্যা মেয়ের মতো। আর আমার এই 'তোমাকেই চাই' কথাটায় মা যেন আমার উদ্দেশ্য খানিক আঁচ করতে পারলো! তারপর খালি গায়ে গামছা পরে বালতি আর লন্ঠন হাতে আমার সঙ্গে মাকে নিয়ে চললাম বাড়ির পেছনের পুকুরের ঘাটের দিকে.... অন্ধকারে!

উঠোন পেরিয়ে পুকুরের পাড়ে আসতেই মাকে জড়িয়ে ধরলাম। 

- ওরা চলে আসবে....তুমি ছাড়ো আমায়!

- তোমায় ছাড়ার জন্য তো এখানে নিয়ে আসিনি মা।

- লতা যদি চলে আসে, তাহলে আমি আর কারোর কাছে মুখ দেখাতে পারবো না বাবু...তুমি এখন ছাড়ো, রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি তোমার কাছে আসবো!

আহ্! মায়ের এই কথায় প্রাণটা জুড়িয়ে গেল আমার! সবাই ঘুমিয়ে গেলে মা আমার কাছে আসবে....আমার সারাদিনের পরিশ্রম থেকে উদ্ধার করতে....আমার খিদে মেটাতে....নিজের স্বামীর রাতের জ্বালা মেটাতে! আমার চারু!

- তখন তো আসতেই হবে... কিন্তু এখনও যে আমার শক্ত হয়ে গেছে মা!

- তোমায় বলেছি সবসময় চারু বলে ডাকতে!

- ওদের সামনেও?

- জানি না, ছাড়ো!

মায়ের ছটফট করা লদকা শরীরটা দুহাতে জাপটে ধরে পাশের ঝোপটায় টেনে নিয়ে গিয়ে দুজনে ঢুকে গেলাম।

- আহ্.... উফ্.... কাঁটার ঝোঁপ এটা....আমার গায়ে কাঁটা ফুটে যাচ্ছে যে....তুমি আমায় বাঁচতে দেবে না?

- না চারু.... স্বামীর সোহাগে যে স্ত্রীদের বারে বারে মরতে হবে যুগ যুগ ধরে!!!

- লতা এসে যাবে এখানে দেরি করছি দেখলে!

- আচ্ছা....লতা তবে এখন আমার কে হবে? বোন.....নাকি মেয়ে?

মায়ের ব্লাউজটা তার বড়ো ডবকা দুধের উপরে তুলে দিয়ে বাঁদিকের বড়ো দুধটা হা করে মুখে ঢুকিয়ে নিলাম আর মা আমার এই কথায় লজ্জা পেয়ে লাল হয়ে গেল।

- জানি না আমি!!!

- চুক্ চুক্ চুক্ চুক্.... তুমি জানো চারু....কি হবে বলো?

- ইস্ ইস্ ইস্..... উফফ্....মেয়ে....!!!

- তাহলে ওকে মেয়ের চোখেই দেখবো এবার থেকে?

- ইসসসসস্....তোমার যেমন ইচ্ছা গো....ও এসে পড়বে তাড়াতাড়ি খাও!!!

এতক্ষন যাবার জন্য ছটফট করছিলো মা, আর দুধের বোঁটায় স্বামী মুখ দিতেই আমার মুখ দুহাত দিয়ে নিজের দুধের মধ্যে চেপে ডুবিয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি খেতে বলছে মা! আহা! নারীরা বুঝি এমনই! ছেড়ে যাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে, কিন্তু সুযোগ বুঝে তার দূর্বল জায়গায় একবার যদি জোরে আগাত করা যায়, দুহাত দিয়ে নিজের দুধের মধ্যে তোমাকে ডুবিয়ে মেরে ফেলবে!

- ও গো.... তাড়াতাড়ি খাও....আমার কেমন করছে....গো...... উফ্ উফ্ উফ্ উফ্...!!!

বুঝলাম মা গুদের রস ছাড়বে কিছুক্ষণের মধ্যেই...কারণ তার বাঁদিকের দুধটা চুষতে চুষতেই তার ডানদিকের দুধের বোঁটা ধরে মোচড়ানো....আমি ততক্ষনে শুরু করে দিয়েছি! আর একইসঙ্গে তার শাড়ি সায়া পরা গুদের ওপর দিয়েই আমার শক্ত ফুলে ওঠা বাড়াটাকে প্যান্টের ওপর দিয়েই সজোরে ঘষে চলেছি। এবার বোঁটাটা ধরে জোরে ঘুরিয়ে দিলাম!

- ও মা গো...... ইসসসসসসসস্.....বাবু....লাগছে গো..... উফফফফফফফফফফফফ্.....ইইইইইইইইইইইইই......এএএএএএএএএএএএএএএ...!!!!!

বলে গুদটা উপরে আমার বাড়ার সঙ্গে উঠিয়ে চেপে চেপে গুদের রস খসানো শুরু করলো আমার মা-বউ। আমি তার মুখ চেপে ধরলাম। এত চিৎকার করছে মা, সবাই দৌড়ে এসে যাবে তার কোনো বিপদ হলো কিনা দেখতে! এতক্ষন সবার ভয়ে আমার কাছ থেকে চলে যেতে চাইছিল, আর এখন চিৎকার করে লোক ডাকছে মা কামের ঘোরে! যখন এক নারীর শরীরে কাম জাগ্রত হয়, তখন তারা সবকিছু ভুলে যেতে পারে....নিজের স্বামীকেও, সন্তানকেও....এই জগতকেও....!!!

মা আমার বাড়ায় নিজের ফোলা গুদটা চেপে চেপে রস ছাড়তে লাগলো হড় হড় করে। আমি এই রস খাওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারলাম না। মায়ের দুধ ছেড়ে কোমরের কাছে এসে শাড়ি সায়ার নিচে ঢুকে পড়লাম, আর মায়ের ফোলা গোবদা গুদটা মুখে পুরে নিয়ে ঢক ঢক করে মায়ের গুদের রস আকন্ঠ পান করতে লাগলাম।

- মা....কি হলো গো তোমার!

লতার গলা, সে এসে গেছে! সে মায়ের চিৎকার শুনে পুকুর পাড়ে এসে তার ফোলা পেট নিয়ে দাঁড়িয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে চেঁচিয়ে উঠলো। এদিকে মা তখন দুহাতে আমার মুখ তার গুদের সঙ্গে ঠেসে ধরে রস ছেড়ে যাচ্ছে একনাগাড়ে। বুঝলাম কাল ফুলসজ্জার রাতে মোট ১২ বার মায়ের রস খসিয়েছিলাম। তারপর থেকে আজ সারাদিন মায়ের গুদে রস জমতে দিয়েছিলাম, সেটাই বের করে খাচ্ছি এখন। সকালে স্কু/লে যাওয়ার আগে কেবল আমার ঘরে মায়ের দুধ টিপতে টিপতে মুখে জিভ ঢুকিয়ে তার লালা রস পান করে গিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম গুদে সারাদিন রস জমুক, এসে খাবো....এখন খাচ্ছি! 

- কই মা, তোমরা কোথায়?

মা শীৎকার ছেড়েই যাচ্ছে....তার রস এখনো পুরোটা বেরোয়নি!

- ইসসসসস্.....বাবু.......আরো ভালো করে.....ও মা গো........ইসসসসসসসসসসসসসসসসস্!!!!

রস শেষ হলো, আমার মুখ, নাক, চোখ, গলা মায়ের গুদের চটচটে  রসে মাখামাখি হয়ে গেল। 

- উফ্....লতা... এসেছিস?

হাঁফ ছেড়ে তৃপ্তির হাসি নিয়ে মা একটু উঠে বসে বললো। আমার ততক্ষণে রস খাওয়া শেষ পুরোটা হয়নি। মা রস ছাড়া শেষ করেছে ঠিকই, কিন্তু মেয়েরা রস ছাড়ার পরেও মেয়েদের অজান্তেই তাদের গুদে রস গড়াতে থাকে আরো কিছুক্ষন, সেই বাড়তি রসটাই তখন মায়ের গুদের মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছি আমি।

- ইসসসস্ বাবু...!!!

আমার মুখে কোনো কথা নেই, মায়ের গুদ খাচ্ছি তখন। লতা উদভ্রান্তের মতো মায়ের গলার আওয়াজ শুনে এদিকে ঝোঁপের দিকটায় তাকিয়ে রইল।

- ও মা, তোমরা ওখানে কি করছো?

লন্ঠনের মৃদু আলোয় দূরে ঘন ঝোঁপের মধ্যে আমাদের স্পষ্ট দেখতে পাওয়া পুকুরপাড় থেকে সম্ভব নয়। লতাও দেখতে পেলো না।  মা তার গুদের রস ছেড়ে দিয়েছে বলে আবার তাড়া শুরু করলো যাওয়ার জন্য। আমার হাসিই পেলো তাকে দেখে। তার গুদ থেকে আমার মুখটা দুহাতে ধরে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করতে লাগলো। আমায় কানের কাছে ফিসফিস করে বললো,

- বাবু দয়া কর্....ওখান থেকে মুখটা সরা...কিরকম চেপে ধরেছিস আমায় বলতো....উফ্....ছাড়াতেও পারছি না....ও যদি জানতে পেরে যায় আমার মরা ছাড়া আর পথ থাকবে না রে!!!! 

আর লতাকে জোরে বললো,

- এই যে লতা, তোর দাদা আমাকে নিয়ে এসেছে!

ব্যস্, পরিস্কার সত্যিটা বলে দিলো! এটাও বলে দাও যে তোমার গুদ চাটছি এখন! রেগে গেলাম। একটু অভিনয় পর্যন্ত করতে পারে না মা! আমি তাদের কথায় কান না দিয়ে গুদ থেকে রস এখন গড়িয়ে আসছে দেখে দুই আঙুলে মায়ের গুদের পাঁপড়ি দুটো দুদিকে সরিয়ে ভেতরের গোলাপী মাংসের ভেতরে জিভটা যতটা যায় ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে খেতে লাগলাম মায়ের গুদ শাড়ি সায়ার তলায় নিজেকে ঢেকে রেখে!

- কিন্তু তোমরা কোথায়, দেখতেই তো পাচ্ছি না?

- দাঁড়া মা, এইখানেই আছি....তোর দাদা ছাড়ছে না!

- কিন্তু দাদা কি করছে?

- ও....ও....আমি জানিনা....তুই একটু ঘরে যাবি মা...ওর শেষ হলেই আমি আসছি....!

বিপদের সময় বিপদ বাড়ে, কমে না! মালতী ও নিশীথ এসে দাঁড়ালো লতার পেছনে। মা ফিসফিসিয়ে আমায় বললো,

- বাবু......জামাই চলে এসেছে....আমি মরে যাবো গো....আমার আর বাঁচার কোনো পথ নেই!

নিশীথ এদিকে ঝোঁপটার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে থেকে বললো,

- মা কোথায় আপনি?

মা কেঁদে ফেলেছে এবার আমার কাছে, কিন্তু ওদের কাছে কান্না চেপে বললো,

- এই যে বাবা আসছি, তোমরা ঘরে গিয়ে বসো বাবা একটু, আমি খাবার দিচ্ছি!

- কিন্তু আপনার ছেলে কোথায়?

নিশীথ লন্ঠন উঁচিয়ে ধরলো। আমরা খুব দূরে থাকায় ঝোঁপের মধ্যে খুব অল্প আলোয় সে মাকে দেখতে পেলো ঝোঁপের মধ্যে দু পা ছড়িয়ে বসে থাকতে, কিন্তু আমি মায়ের শাড়ি সায়ার তলায় ঢুকে মায়ের গুদ খাওয়ায় সে আমাকে দেখতে পেলো না।

- চয়ন দা কোথায় গেল মা? আপনাকে তো দেখতে পাচ্ছি একটু একটু, কিন্তু দাদাকে তো পাচ্ছি না! দাদা তুমি কোথায়???

আমি তখন মায়ের শাড়ির তলায় ঢুকে মায়ের গুদ চাটছি। মা অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে আমার মুখটা তার গুদ থেকে ঠেলে ঠেলে বের করে উঠে দাঁড়াতে চাইলো, কিন্তু তার গুদ এই এতো লোকের ভিড়েও রস ছাড়া বন্ধ না করায় আমি তাকে উঠতে দিলাম না, তার বড়ো হয়ে ফুলে থাকা লদলদে পোঁদটাকে খাবলে ধরে আমার মুখের দিকে টেনে তার গুদের ভেতরে আরো গভীরে জিভ ঢুকিয়ে দিলাম।

- ইস্....তুই ছাড় বাবু..... উফ্.....সবাই দাঁড়িয়ে দেখছে....একটু বোঝো....মুখটা বের করো!!!!

আমি তখন মায়ের এই সারল্য দেখে রেগে গিয়ে জোরে জোরে তার গুদ খেতে লাগলাম। কারোর পরোয়া করিনা আমি। নিজের বাপের কাছ থেকে মাকে ছিনিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছি, ফুলসজ্জা করেছি, নিজের টাকায় খায়, নিজের বউকে কোথায় নিয়ে গিয়ে কি করবো, সেটা কি অন্যজনের অনুমতি নিতে হবে নাকি! যেখানে খুশি নিজের মায়ের গুদ খাবো....যে আসছে আসুক! এবার বেশ্যা মালতীর কৌতুক ভরা কন্ঠ ভেসে এলো,

- দিদি.... আপনার শাড়ির ওখানটা কেমন জানি ফুলে রয়েছে...কিছু ঢুকেছে বোধহয়!

আমি যে মায়ের শাড়ি সায়ার তলায় ঢুকে মায়ের গুদ খাচ্ছি, এটা কিভাবে মা ওদেরকে বলবে! আর আমার ঢুকে থাকাতেই মায়ের কোমরের নিচের শাড়ি ফুলে রয়েছে খুব বেশি, দৃষ্টিগোচর হওয়া অস্বাভাবিক নয়। মেয়ে জামাইয়ের সামনে একজন অপরিচিত মহিলা মাকে যখন এই কথা বললো আর মা দেখলো তার নিজের শাড়ি সায়ার তলায় তার ছেলে, তার বর্তমান স্বামী ঢুকে তার গুদ চাটছে, মা লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে লাগলো! মা না পারছে আমার যত্ন নিতে, আর না পারছে আমায় ছেড়ে যেতে! মা কান্নাটা চেপে আমার মুখ তার গুদ থেকে ঠেলে বের করতে করতেই তাদের অনুরোধ করলো,

- তোমরা দয়া করে ভেতরে যাও নিশীথ....তোমার দাদার হয়ে গেলেই আসছি!

মায়ের এক একটা উত্তর আমাদের বিপদ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। নিশীথ আরো এগিয়ে এসে বললো,

- কিন্তু মা আপনার শাড়িটা ফুলে রয়েছে কেন? দেখো লতা, দেখতে পাচ্ছো....দেখো মায়ের কোমরের নিচের শাড়ির কাছটা ফুলে রয়েছে না? ওই যে, ওই যে....নড়ছে মনে হলো!!!

লতাও সেটা দেখতে পেয়ে বললো,

- হ্যাঁ মা, আমিও দেখতে পাচ্ছি....কি ঢুকেছে গো....তুমি ভালো করে দেখো....তাকাও.... হ্যাঁ ওইখানেই!

মা লজ্জায় শেষ হয়ে গেল, এবার আরো জোর লাগালো, তারপর আমার মাথা ঠেলে সরিয়ে দিয়ে উঠে লতার কাছে চলে গেলো। হঠাৎ শাড়ির তলা থেকে মায়ের গুদের রসে ভেজা মুখটা বেরিয়ে যাওয়ায়, আমি কিছুটা থতমত খেয়ে গেলাম, ওইভাবেই উপুড় হয়ে ঝোঁপের মধ্যে শুয়ে রইলাম। মায়ের শাড়ির তলায় ঢুকে তার গুদের মিষ্টি রসের স্বাদে কিছুটা ঘোর লেগেছিল আমার। কিছুটা ধাতস্থ হতেই উঠে ঝোঁপের বাইরে বেরিয়ে এলাম।

তাকিয়ে দেখলাম মায়ের কোমরের নিচে গুদের কাছটায় শাড়ি সায়া মায়ের গুদের রসে ভিজে গিয়ে একেবারে সাদা ফেনা ফেনা হয়ে মায়ের থাইয়ের সঙ্গে লেপ্টে আছে। নিশীথ সেইদিকেই লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে মায়ের গুদের কাছটায় নিয়ে গিয়ে ইশারা করে মাকে বললো,

- মা, আপনার এখানটায় ভিজলো কিভাবে?

মায়ের মনে হলো যেন এক্ষুনি এখান থেকে ছুটে চলে যায় অন্য কোথাও, এই লজ্জা তার আর সহ্য হচ্ছে না যে! একটার পর একটা বিপদ! মা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। একটা খারাপ পরিস্থিতিকে কিভাবে সামলাতে হয় মা জানে না। সরল মা আমার! আমাকেই এবার এগিয়ে আসতে হলো,

- পুকুরে নামার সময় মা পড়ে গিয়েছিল, তাই কাপড় ভিজে গেছে। কোমরে ব্যাথা, কোমরের হাড় ভেঙেছে কিনা সেটাই আমি ওখানে চেক করছিলাম।

নিশীথ আর মালতী ততক্ষণে সবই বুঝে গেছে যে ঝোঁপের মধ্যে ঢুকে আমি মায়ের কি পরীক্ষা করছিলাম এতক্ষণ। এই দুটোই ঘোড়েল মাল! মুখ দিয়ে কথা বেরোবার আগেই মনে কি চিন্তা করছি, তাও তারা পড়ে ফেলতে পারে, আর এখানে মা ঝোঁপের মধ্যে বসে ছিল, আর কোমরের নিচের শাড়ি ফুলে ছিল, এটা দেখে ওদের মতো চরিত্রহীনদের এটা বোঝা শক্ত নয় যে ছেলে নিজের মায়ের শাড়ির তলায় ঢুকে মায়ের গুদ চাটছিল আর সরল মা লজ্জায় ও উত্তেজনায় বসে বসে ছেলের গুদ খাওয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা করছিল। বুঝলো না কেবল লতা। আর ভয়টা এখানেই! নিশীথ যে এখন লতার সামনেই মালতীর গুদ মারে। তাই এরা একরকম স্বামী-স্ত্রীই, লতাকে এক্ষেত্রে বলা যায় মালতীর সতীন। লতা তা ভালোভাবে বোঝেও। আর এই নিশীথ আর মালতী দুজনে মিলে কোনো দূর্ঘটনা ঘটাবে কিনা, সে বিষয়েও এখন থেকে কিছু বলা যায় না। লতাকে আমাদের মা ছেলের সত্যিটা তারা বলে দিলে লতা নিজের স্বামীর কথাকে নেহাৎ উড়িয়ে তো দেবে না! তাই শুধু অপেক্ষা... কতক্ষন পর্যন্ত লতার কানে কথাটা না পৌঁছায়! আমি প্রমাদ গোনা শুরু করলাম।

রাতের খাবার খাচ্ছি। তখনকার গাঁয়ের দিকে এটা স্বাভাবিক চল ছিল যে মেয়েরা ছেলেদের খাইয়ে তারপর খেতে বসবে। মা আমার কথায় আমাদের সঙ্গে আগে খেলেও আজ লতা ও মালতীকে ফেলে আমাদের সঙ্গে খাবে, এটা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। নিশীথকে দেখেও মনে হয় খাওয়ার সময়ে লতাকে পাখা করানো, পিঠে আরাম দিয়ে দেওয়া, এসব করায় বাড়িতে।

আমি, বাবা ও নিশীথ খাচ্ছি, মা আমায়, লতা নিশীথকে আর মালতী বাবাকে পাখা করছে! কথা তো চলছেই। তবে সবথেকে বেশি কড়া কথা, অর্থাৎ যৌনতার স্বাদ মেশানো কথাবার্তা শুনতে পেলাম মালতীর কাছ থেকেই! সে বাবাকে পাখা করতে করতে বাবার উদ্দেশ্যে বলছে,

- আহা গো....দাদার শরীর বেশ রোগা তো....এই প্রথমবার দেখছি... লতা তোমার বাবা কি প্রথম থেকেই এমন রোগা পটকা?

লতা মালতীকে হাড়ে হাড়ে চেনে। সেদিন আমার সঙ্গে মালতীকে সঙ্গমরত অবস্থায় দেখেছিল, মালতীর আসল রূপ তার কাছে ধরা পড়েছিল। লতার তাকে এখানে আনার ইচ্ছা না থাকলেও নিশীথের আদেশেই যে মালতী এখানে এসেছে তার রক্ষিতা হয়ে, তা আমি ভালোভাবেই জানি। আর এতদিনে এটাও বুঝে গেছি যে, নিশীথ মালতীকে তার ঘরেই এখন রাখে আর লতার সামনেই তাকে চোদে রোজ।  লতা চোখ দিয়ে জল ফেলা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। প্রেম করে বিয়ে করেছিল নিশীথকে, তার প্রেমের মানুষটা আজ তারই সামনে অন্য মহিলার সাথে মিলিত হচ্ছে জেনেও তার মন ভাঙে, কিন্তু মুখ ফোটে না। সে জানে যে তার এখন আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। মেয়েরা বিয়ের পরে স্বামীর সম্পত্তি হয়ে যায়। স্বামী যেমনভাবে রাখবে, তাকে তেমনভাবেই থাকতে হবে। তাই সে মুখ বুজে সব সহ্য করে যাচ্ছে। বিয়ের আগে লতার মেজাজি রূপ দেখলেও বিয়ের পর স্বামীর মেজাজ দেখে ভয়ে কুঁকড়ে গেছে। যতই হোক সে চারুলতার মেয়ে, চারুলতার মুখ বুজে সব অত্যাচার সহ্য করার গুণ সে জন্মের সময়েই পেয়ে গিয়েছিল, শুধু প্রকাশটা বিয়ের পরেই ঘটেছে! লতা মালতীর প্রশ্নের উত্তর দিলো,

- হ্যাঁ কাকিমা, বাবা এমনই!

- আমার তো বাপু কেমন সন্দেহ হচ্ছে, বৌদি মানে তোমার মা ঠিকঠাক খেতে দেয় স্বামীকে?

মালতীর এই কথায় বাবা একবার আমার দিকে তাকালো। তার দৃষ্টিতে আমি রাগ, দুঃখ বা আফসোস, কোনোটাই দেখতে পেলাম না, পেলাম মালতীর এই কথায় আঘাত পাওয়ার আভাস! সে মালতীকে উদ্দেশ্য করে লতাকে বলল,

- লতা, একে মানা কর আমায় পাখা করতে। আমার জ্বর জ্বর ভাব এসেছে!

মালতী হলো খাঁটি বেশ্যা। সে জানে এসব কড়া কথায় তার গুদ ভিজবে না। তার খিদে মেটানোর জন্য নাগর চায় শুধু সবসময়! হেসে বাবার পিঠে নিজের দুধ ঠেকিয়ে হি হি করে উঠলো,

- কি বলছেন দাদা...গা গরম আছে? গরমে নরম কিছু চায় মরদ-দের, তা বৌদি তো আজ রাতে যাবে গো তোমার কাছে, তখন সব গরম নামিয়ে দেবে!

মালতীর এই নির্লজ্জ কথায় মায়ের পাখা করতে থাকা হাত থেমে গেল। পেছন ফিরে দেখলাম মা আমার দিকে তাকিয়ে দেখছে। চোখে তার লজ্জা ও ভয়ের ছাপ মেশানো! এই সময় নিশীথ আগুনে ঘি ঢাললো,

- হ্যাঁ মা তো বাবার কাছেই শোবে, ছেলের সাথে কি ঘুমোবে নাকি, কি যে বলো মালতী!

যৌন মিলন নিয়ে কত সহজে এরা কথাবার্তা চালাচ্ছে এতজনের মাঝে....যেন কিছুই না...এটাই স্বাভাবিক! নিশীথের এই কথায় বাবা রেগে গিয়ে খাবার ছেড়ে উঠে পড়ে হাত ধুতে চলে গেল উঠোনে! কষ্টে মায়ের ঠোঁট কেঁপে উঠলো। বাবাকে বলে উঠলো, 

- ও গো.... খেয়ে নাও...! তোমার একেই শরীরটা ভালো নেই!

বাবার ব্যবহারে এক অদ্ভূত পরিবর্তন আমি লক্ষ্য করছি কাল রাত থেকে। অন্যসময় তার বিরুদ্ধে কোনো কথা হলেই সে রাগে গজগজ করত, কিন্তু এখন শান্ত মুখে উঠে সেই জায়গা ছেড়ে চলে গেল। না কারোকে কিছু বললো, না আর নতুন কিছু শোনার অপেক্ষা করলো। মালতী তা দেখে খিলখিল করে হেসে উঠলো বেশ্যার মতো। নিশীথ মায়ের উদ্দেশ্যে হঠাৎ বললো,

- মা!

- বলো বাবা!

- আপনি বাবার সাথেই শোবেন তো?

বাবা তখন হাত ধুয়ে নিজের ঘরে ঢুকছিল, এই কথায় একবার মায়ের দিকে তাকিয়ে শান্ত মুখে ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিল। আমি দেখলাম , আমার চোখের ভুলও হতে পারে, দরজা বন্ধের সময় বাবার চোখ থেকে দুফোঁটা জল ঝরে পড়লো। মা জামাইয়ের এই কথার কি উত্তর দেবে, তা ভেবে পাচ্ছিল না, লজ্জায় চুপ করে আমার দিকে চেয়েছিল, যেন‌ অপেক্ষা করছিল তাকে সাহায্য করার, এই খাদ থেকে তাকে টেনে তোলার। সে যে খুব সরল! জটিল চরিত্রহীন মানুষদের কথার সঙ্গে পেরে ওঠা আমার নিরীহ মা-টার পক্ষে যে সম্ভব নয়! আমি এতক্ষন থেমে ছিলাম শুধুমাত্র আমার বোন লতার কথা ভেবে আর একইসঙ্গে নিশীথ বা মালতী কেউই সেভাবে মাকে কথায় আক্রমণ না করার জন্য, এবার‌ তারা মায়ের ওপর হামলা শুরু করেছে, আমিও যুদ্ধ ঘোষণা করলাম! আর আমার গর্জনে এই ঘরের শান্ত পরিবেশ ঝন ঝন করে উঠলো!

- নিশীথ........!!!!!

তারপর ধীরে ধীরে তাদের একটু নরম স্বরে বুঝিয়ে দিলাম এমনভাবে যে তারা সবই বুঝলো, এবং একইসঙ্গে থেমেও গেল। এমন এমন কথা হয়না, যেখানে একজনকে ভেতর থেকে গুঁড়িয়ে দূর্বল করে দেওয়া যায়, ঠিক তেমনভাবেই ওদের দুজনকে ভেতর থেকে শেষ করে দিলাম আমি!

- নিশীথ আর কাকিমা, লতার বাপের বাড়ি প্রথমবার এলে, খাও দাও, চুপচাপ ঘুমোও। এর বাইরে যে আসতে নেই! এ বাবা নিশীথ তোমার মাছের কাঁটা ছাড়াও নি, গলায় কাঁটা ফুটে এখনই কথা বন্ধ হয়ে যাবে যে তোমার। তুমি না থাকলে লতার কি হবে, এ বাবা!

আমার এই চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলার অর্থ বেশ ভালোভাবেই নিশীথ ও মালতী দুজনেই বুঝতে পারলো, আর তা শুনে নিশীথ ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে একবার আমার দিকে চাইল, তার চোখে এক ঝলক আগুন দেখলাম কিছুক্ষনের জন্য, কিসের আগুন তখন বুঝিনি, কিছুদিন পরে বুঝেছিলাম, আর তারপরেই সেই আগুন নিভিয়ে সে হেসে ফেললো। আর মালতীও দেখলাম সবার আড়ালে নিশীথের পিঠে হাত দিয়ে ইশারায় তাকে কিছু একটা বোঝালো, বোধহয় মনে মনে নিশীথকে বললো,

- এখন না, এই তো এলাম...রয়ে সয়ে খেতে যে আমরা দুজনেই খুব ভালোবাসি....আর একটু অপেক্ষা করে যাও...এই সংসারটাকে ধ্বংস করে দেবো আমরা.....হি হি হি হি!!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)