Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#35

পর্ব - ৩৫

সকালে ঘুম থেকে উঠলাম আমিই আগে। তখন ভোরের আলো সবে ফুটেছে। দেখি মা আমার পাশে আমায় আঁকড়ে ধরে শুয়ে আছে। আমরা দুজনেই উলঙ্গ সম্পূর্ণ। আর গোটা বিছানায় কাল রাতে মায়ের করা পায়খানা আর তার গন্ধে চারপাশ ম ম করছে। মা চোখ বুজে ঘুমোচ্ছে। তার মুখের দিকে চেয়ে মায়া হলো ভারি! আহা! কাল রাতে আমার সঙ্গে মিলিত হয়ে আজ কেমন আমার বুকে বাচ্চা মেয়ের মতো ঘুমোচ্ছে দেখো! 

এই সকালে মায়ের মুখ দেখে আমার বাড়াটা শক্ত হয়েই ছিল। তার বড়ো বড়ো দুধ দুটো আমার বুকে লেপ্টে রয়েছে। আমি তার বাঁদিকের দুধটা টিপে ধরলাম। দুধে চাপ পড়তেই মায়ের ঘুম ভেঙ্গে গিয়ে আমার দিকে তাকালো।

- বাবু...!!

- চারু!

- আমার খুব ব্যাথা করছে ওখানটায়!

বুঝলাম মায়ের পোঁদে ব্যাথা করছে। কাল সারারাত মায়ের পোঁদ মারায় বুঝলাম ব্যাথা তো থাকবেই। তার ঠোঁটদুটো মুখে পুরে চুষতে লাগলাম আমি। 

- উমমম...বাবু....উমমম....আমার লাগছে কি করবো...?

মা ঠোঁট ছাড়িয়ে একথা বললো। আমি আবার তার ঠোঁট চুষতে লাগলাম।

- ব্যাথা থাকবে কিছুদিন। চলতেও কষ্ট হবে, পায়খানা করতেও কষ্ট হবে।

ঠিক এমনসময় মেঝের দিকে যেখানে কাল রাতে মালতীর শাড়ি সায়া ব্লাউজ পড়েছিল, সেদিকে চোখ পড়তেই চমকে গেলাম। সেগুলো আর সেখানে নেই। তার মানে? মালতী এসে সেগুলো নিয়ে গেছে? কখন নিয়ে গেল? আমাদের ঘুমোনোর সময়ে? আর সে আমাদের দুজনকে এইভাবে দেখে ফেলেছে? ফেলেছে তো ফেলেছে, যা করার করে নিক্। ভেবে নিজের ঘরে নিজের মাকে আদরে ভরিয়ে তুললাম।

- ছাড়ো আমায়.... বিছানাটা একেবারে নোংরা করে ফেলেছো...সবার ওঠার আগে কেচে তারপর ঘরটা পরিস্কার না করলে...!!!

- আমি নোংরা করেছি?

- জানি না...আমায় ছাড়ো তো!

আমি তার মুখে জিভ ঢুকিয়ে তার বাসি মুখের সুগন্ধ ও লালা রস চেটেপুটে খেয়ে তাকে ছেড়ে দিলাম। সে উঠে বসতে যাবে, এমনসময় আবার তার হাত ধরে আমার দিকে টেনে নিতেই সে আমার কোমরের কাছে হুমড়ি খেয়ে পড়লো আর আমি আমার লকলকে খাড়া বাড়াটা ওদিকেই তাক করেছিলাম, মা পড়তেই তার কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার মুখে আমার পুরো বাড়াটা ঢুকে গেল।

- ওক্।

- চোষো চারু....এই সকালে দেখছো কিভাবে ও রাগ করে ফুঁসছে তোমার ভেতরে যাবার জন্য!

- ওক্ ওক্ ওক্....আমার কাজ‌ আছে... ওক্ ওক্ ওক্......ছাড়ো.... ওক্ ওক্ ওক্ ওক্!

- সকালে খালি পেটে থাকতে নেই যে.....তোমায় আগে খাইয়ে দিই কিছু, তারপর ছেড়ে দেবো.... আহ্ চারু.... তোমায় বিয়ে করে আমি ধন্য!!!!

এই কথায় মায়ের‌ মুখে একটা তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। যেন তার যত্নে আমি সুখের সাগরে ভাসছি, সে স্ত্রীর দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করতে পারছে! একজন গ্রাম্য সরল গৃহিণীর কাছে এর থেকে বড়ো প্রাপ্তি আর কিছু নেই! আমি তার মাথাটা ধরে তার মুখ আমার বাড়াটা দিয়ে ঠাপাতে শুরু করলাম।

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....!!!

কমপক্ষে ৩০ মিনিট মায়ের মুখ চুদে মায়ের গলার গভীরে আমার বাড়াটাকে ঢুকিয়ে দিয়ে তার খাদ্য নালিতে আমার  মাল উগরে উগরে ঢেলে দিলাম।

- আহহহহহহহহহহ্..... চারু.... সবটা খেয়ে নাও!!!!

মায়ের গলার এতো গভীরে আমার‌ মাল ছেড়েছি যে মা নেহাৎ বমি না করে ফেললে মুখ দিয়ে থু দিয়ে সেই মাল বের‌ করতে পারবে না। মা ঢোক গিলে আমার সব মাল পেটে ভরে নিল। তারপর তাকে ছেড়ে দিলাম।

এভাবেই দিনে রাতে মাকে সবার আড়ালে নিয়ে এসে তাকে আদরে সোহাগে ভরিয়ে তুলতে লাগলাম। 

দিন কাটছিল। বাবা এখন মাকে আমার সঙ্গে দেখে বেশ খুশি হয়। বাবার এই পরিবর্তন আমার বেশ ভালো লাগলো। এদিকে নিশীথ আর মালতীও লতার সঙ্গেই আমাদের বাড়িতে রয়ে গেল আর রোজ কোনো না কোনো ঘটনা আমাদের বাড়িতে, বিশেষ করে আমার মাকে কেন্দ্র করে তারা ঘটাতেই থাকলো। এতদিন তারা আমার সঙ্গে মাকে নিয়ে কিছুটা কল্পনা করতো ও ছোটোখাটো দৃশ্য দেখে নিষিদ্ধ সম্পর্কের গল্প বানাতো নিজেদের মনে, কিন্তু সেদিন রাতে মালতী নিজের শাড়ি সায়া ব্লাউজ নিতে এসে আমার ঘরে আমাজের দুজনকে ওইভাবে দেখে হাতেনাতে প্রমাণ পেয়ে গেল যে আমাদের মধ্যে নিষিদ্ধ সম্পর্ক রয়েছে। এখনও পর্যন্ত লতার কাছে বা বাইরের লোকের কাছে তারা আমাদের মা ছেলের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেনি, কিন্তু তারা যে কি করতে চলেছে, তা আমি এখনও জানি না! ধীরে ধীরে এটা বুঝে গিয়েছিলাম যে লতা চোখ বন্ধ করে নিশীথকে ভালোবাসে। নিশীথের সব কথাই তার কাছে অমৃতের সমান। আর মালতী বাবাকে তার আকর্ষণে নিজের দিকে টানার চেষ্টা করে চলেছে অবিরাম। কিন্তু বাবা অনড় হয়ে রয়েছে। আমি বুঝলাম বাবা অন্য কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হতে পারছে না। মা গেছে তো বাবার শরীর থেকে যৌন আকর্ষণ-ও কেড়ে নিয়ে গেছে তার সঙ্গে!

লতার প্রসবের সময় এসে গেছে। এমনই একদিন সন্ধ্যায় আমি স্কু/ল থেকে ফিরে উঠোনে সাইকেল রাখছি, বাবা আমার কাছে ছুটে এসে বললো,

- ব্যাটা, তোর বউকে মালতী নীলার ঘরে নিয়ে গিয়েছে, নিশীথ-ও সঙ্গে গেছে। আমি তখন মাঠে ছিলাম, আমি বাড়িতে থাকলে নিয়ে যেতে দিতাম না। লতা সরল, ও কিছু বোঝেনি, ও বাড়িতেই আছে।

বুঝলাম এটা নিশীথ আর মালতীর চাল। নীলা কাকিমাকে আমি চিনি। সেও যে ওদের সঙ্গে হাত মেলাবে, এটা অস্বাভাবিক নয়। আর আমার বাবার ওপর এখন ভরসা এসে গেছে পুরোপুরি, আমার স্কু/লে থাকাকালীন বাবার উপস্থিতিতে মায়ের সঙ্গে কোনো অঘটন ঘটবে না, বাবা তার বউমাকে রক্ষা করবে। কিন্তু লতা বড্ড স্বামী ভক্ত, স্বামী যা বলবে, সে তাই মেনে নেবে অন্ধের মতো। 

মায়ের সঙ্গে ওখানে কি ঘটছে কে জানে! 

সাইকেল রেখে আমি ছুটে গেলাম নীলার ঘরে। আমাদের পাশেই বাড়ি হওয়ায় নীলা কাকিমার ঘরের সব খুঁটিনাটি আমি জানি। তাই ঘরে না ঢুকে ঘরের পেছনে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে জানালা দিয়ে তাদের ঘরে উঁকি দিলাম আর দেখতে পেলাম সেখানে মা বিছানায় বসে রয়েছে আর নীলা, মালতী ও নিশীথ দাঁড়িয়ে যা করছে, তার পেছনের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে আমার মাথায় রক্ত উঠে গেল।

নীলা কাকিমা দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মালতী নীলা কাকিমার একটা দুধ বের করে মায়ের সামনেই চুষছে আর নিশীথ তার খাড়া বাড়াটা মাকে দেখিয়ে দেখিয়েই নীলা কাকিমার গুদের কাছটায় শাড়ির ওপর দিয়ে ঘষছে। মা লজ্জায় মাথা নিচু করে বসে আছে বিছানায়। আমি ওদের কথাবার্তা ও হাসির আওয়াজ স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি। 

নিশীথ তার বাড়াটা হাতে ধরে মাকে উদ্দেশ্য করে বলছে,

- মা, নীলা কাকিমা যা বললো, এরপর কি করা যায় বলুনতো?

মা চুপ। নীলা কি বলেছে? এবার নীলার হাসির আওয়াজ কানে এলো,

- হা হা হা হা, দিদি কি বলবে, ও তো....ছাড়ো ওসব...আমার দুধটা কেমন করছে...তোমাদের বললাম না আমার শরীরে কি রোগ বাসা বেঁধেছে, ডাক্তার বলেছে কারোকে দিয়ে চুলকে নিতে পারলেই ঠিক হবে, তাই তো তোমাদের ডেকেছি। দেখো চারুদি, মালতী আমার দুধটা কি সুন্দর খুঁটে খুঁটে দিচ্ছে দাঁতে করে, বোধহয় আমার শরীর এবার সেরে উঠবে।

মালতী নীলার দুধ চুষতে চুষতেই হেসে বললো,

- কি যে বলো, অন্যের সাহায্য করাই তো মানব জন্মের উদ্দেশ্য! তোমার জন্য এইটুকু করতে পেরে আমরা খুবই খুশি গো দিদি! কি বৌদি, ঠিক বললাম তো?

শেষের কথাটা মালতী বিছানায় বসে থাকা আমার মায়ের উদ্দেশ্যে বললো। সবার কথা শুনে আমি এই পুরো ঘটনার সার বুঝতে পারলাম। নিশীথ ও মালতী মাকে এখানে নিয়ে এসেছে নীলা কাকিমার সঙ্গে ওরা যৌন আনন্দ করবে তা দেখাবার জন্য, আর শুধু দেখানোতেই তারা সীমাবদ্ধ থাকবে না, ওদের মতোই মাকে চরিত্রহীন বানানোই ওদের প্রধান উদ্দেশ্য।

- মা, কথা বলুন। কাকিমার দুধ আর গুদে চুলকানি হয়েছে, ডাক্তারের কথামত না চললে যে তার ক্ষতি হয়ে যাবে! আপনি এখনও চুপ করে বসে থাকবেন? পাশের বাড়ির বোনকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন না?

- না, আমি কি করবো? তোমরা করো....আমি....আমি বাড়ি যাচ্ছি.....বাবু বোধহয় স্কু/ল থেকে ফিরে গেছে...ওকে খাবার দিই গিয়ে!

আমার সরল মা ওদের এই জটিল মনস্তত্ত্ব বুঝতে পারেনি, শুধু এটুকু বুঝেছে যে এই পরিবেশ তার জন্য নয়। সে লজ্জা পেয়ে নিজের বাড়ি যেতে চাইছে! এমনসময় মালতী তার বেশ্যা হাসি হেসে বলল,

- সে কি বৌদি... শুধু ছেলেকে খাওয়ালেই হবে...এই যে নিশীথ তার বাড়া হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার কি খিদে পায়না?

নিশীথ বাড়াটা মাকে দেখিয়ে দেখিয়ে নাড়াতে লাগলো। মা তার দিকে না তাকিয়েই মাথা নিচু করে বসে রইল। মা এটুকুও বুঝলো না যে মালতী নিশীথের কোন্ খিদের কথা বলছে। সে সরল মনেই মাথা নিচু রেখেই বললো,

- আমি....আমি দেবো.... নিশীথ...বাবা তুমি চলো....আমি তোমাকেও খেতে দেবো।

- মা, মুখ তুলুন.... দেখুন কত খিদে পেয়েছে আমার!

বলে নিশীথ খোলা বাড়াটা ধরে নাড়াতে নাড়াতে মায়ের দিকে একটু এগিয়ে এলো মাকে দেখিয়ে দেখিয়েই, কিন্তু মা লজ্জায় সেদিকে না তাকিয়েই বসে রইল মাথা নিচু করেই। নিশীথ বোধহয় বুঝলো যে মাকে ওদের মতোই চরিত্রহীন করতে হলে কাম উত্তেজনা জাগাতে হবে তার শাশুড়ির গুদে, তবেই সম্ভব! তাই সে এবার নীলার গুদের কাছটায় বসে শাড়ি সায়া কোমরের উপর তুলে দিয়ে গুদটা মুখে ঢুকিয়ে নিল। 

- আহ্ নিশীথ....চোষো সোনা.... জিভটা ভেতরে দাও...!!

মায়ের কাছে এটাও স্বাভাবিক লাগছে। সে ভাবছে ডাক্তার যখন বলেছে, তখন নীলাকে এভাবেই সুস্থ করে তুলতে হবে, শুধু নিজের লজ্জর জন্য চুপ করে রয়েছে। মায়ের কাছে যৌন মিলনটাও স্বাভাবিক। তা না হলে মা এক ভন্ড সাধুর কথা শুনে মন শুদ্ধির জন্য নিজের ছেলের সঙ্গে মিলিত হয়! মা এতোটাই সরল তাকে যে কেউ যেকোনো কিছু বুঝিয়ে দেবে, আর মা তা মেনে নেবে। আমার মায়ের ওপর রাগই হচ্ছিল। এতো সরল এই যুগে কেউ কিভাবে হয়...আর যদি হয়, তবে তো তার পদে পদে বিপদ!

মালতী একটু হেসে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল,

- ও বৌদি, দিদির গুদে যে নিশীথের বাড়াটা ঢোকাতে হবে গো, তুমি নিশীথের বাড়াটা চুষে দাও....বসে বসে ভাবলে হবে...ও তোমার ছেলেরই মতো যে!

- না....আমি....আমি কিভাবে....আমি বাড়ি যাই....বাবু এসে পড়বে...!!!

- সবসময় বাবু আর বাবু....মা এতো ছেলে ছেলে করবেন না তো.... আসুন আমার বাড়াটা চুষে দিন, দেখছেন না কেমন খাড়া হয়ে আছে আপনার মুখে ঢোকার জন্য.... তাকিয়ে দেখুন কাকিমা কষ্ট পাচ্ছে.... তাড়াতাড়ি ওর গুদে না ভরলে বিপদ হয়ে যাবে...!!!

মা নীলার দিকে চোখ তুলে তাকালো, তার চোখে লজ্জা সুস্পষ্টভাবে ফুটে রয়েছে।

- ও দিদি....তোমার মধ্যে কি এতটুকু দয়ামায়া নেই গো....আমার গুদ টা যে যন্ত্রনায় ছটফট করছে....তুমি তোমার জামাইয়ের বাড়াটা চুষে না দিলে আমার গুদে ও ঢোকাবে কি করে গো....তুমি এতো নিষ্ঠুর আমি জানতাম না....যখন চয়ন হয়, তখন তুমি আমার কাছেই ছুটে এসেছিলে বিপদে পড়ে তাকে আমার দুধ দেওয়ার জন্য, আমি কি না করেছিলাম? আজ আমি যখন  বিপদে ছটফট করছি, তুমি বসে বসে দেখছো???

মা উঠলো বিছানা থেকে, তারপর ধীর পায়ে এগিয়ে গেল নিশীথের কাছে মাথা নিচু করে লজ্জায়। 

- এইতো বৌদি মায়া জেগেছে....এই মালতী....তোর বৌদির কাপড়টা খোল্...যা.... তারপর আমার দুধ টানিস...!!

- কেন....কেন...আমার কাপড় খুলতে হবে কেন?

- সে কি মা, আপনার কাপড় খুলে আপনার দুধ না চুষলে আমার বাড়া মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে কি করে, আর আমার বাড়া না দাঁড়ালে আমি কাকিমার গুদ মারবো কি করে?

- কিন্তু.....আমার...আমার যে...!!!

- লজ্জা করছে.... তাই তো আমার শাশুড়ি মা...?

- হ্যাঁ....আমি পারবো না!

- পারতে তো আপনাকে হবেই মা....জামাই দুধ চেয়েছে যখন, তখন শাশুড়ি তাকে দুধ না খাইয়ে কি পারে? বলুন...!

- না বাবা....আমি তোমাকে...!

- কি মা....আমাকে?

- তোমাকে...!

- আমাকে?

- খাওয়াতে পারবো না!!!

- আমাকে দুধ খাওয়াতে পারবেন না?

- হুমম।

- তবে কে খাবে আপনার দুধ?

মা চুপ হয়ে গেল।

- আচ্ছা ঠিক আছে, বাড়া টা চুষতে হবে কিন্তু...!

- আরে চারু দি কি করছো....ওরকম ৮ ইঞ্চি লম্বা বাড়া দেখে দূরে থাকো কি করে আমি বাপু বুঝি না....মুখে পুরে চোষো...আমার গুদ কিন্তু রস ছাড়ছে....!!!

- মা, কি হলো.... বাড়াটা হাতে নিয়ে দেখবেন?

- না...!!!!

- সে কি....এই বাড়া দিয়ে গেঁথে গেঁথেই আপনার মেয়েকে আমি পোয়াতি করেছি.... আপনি চাইলে আপনাকেও...!!!

- বাবা.... ওরকম বোলো না!!!!

- কেন মা.... আপনি আমার সন্তানের মা হতে চান না?

- বাবা....চুপ করো...!!!

- আপনার গুদ কি ভিজে যায়নি এই কথা শুনে? একবার হাত দিয়ে দেখুন নিজের গুদ!

- চুপ করো!!!

- আপনি যদি চান আমি এখনই আপনাকে মা বানাতে পারি....চান মা...চান?

- বাবা!!!!

- ও নিশীথ... আমার গুদটা কেমন কুটকুট করছে গো....তোমার বাড়াটা চারুদির হাতে দাও....ওর চোষা হলে তবেই তো আমার গুদ মারবে তুমি!!!

- না....আমি বাড়ি যাবো...!!!

- মা....এই যে বললেন আমার লম্বা বাড়াটা চুষে খাড়া করে দেবেন আপনার নীলাদির কথা ভেবে?

- না মানে!!!

- বসুন তো এবার.... মুখটা হা করুন....বাড়াটা ঢোকাই....বসুন বসুন.... হ্যাঁ এইতো আমার লক্ষী শাশুড়ি কিভাবে বসেছে জামাইয়ের বাড়া চুষবে বলে.... এবার হা করুন দেখি!!!

আমার হাত পা কাঁপতে লাগলো। এই নিশীথ, মালতী আর নীলা সবাই মিলে ছক কষে মায়ের চরিত্র নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু আমি তা হতে দেবো না। এতক্ষন সব দেখলাম, বুঝলাম, এবার কিছু করার পালা!

দড়াম্!!!

দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়লাম আমি। মা আমাকে এখানে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে ছুটে এসে আমার হাতটা ধরে ফেললো। বললো,

- বাবু...তোর কাকিমার কি হয়েছে দ্যাখ্....কি কষ্ট পাচ্ছে দিদি...!

মা কত সরল মনে কথাগুলো বলে গেল। আমি তাকিয়ে একবার ওদের তিনজনকে দেখলাম। ওরা আমার দিকে তাকিয়ে নিষ্ঠুর হাসি হাসছে। ওই শয়তানদের দিকে তাকাতেও আমার ঘৃণা করছে। শুধু লতার কথা ভেবে থেমে গেলাম। মাকে নিজের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে বললাম,

- মা, চলো....।

- হ্যাঁ যাও....যাও....আর দিদি.... তোমার বাবুকে একটু বেশি করে খাওয়াও.... ওকে একটু পুষ্টিকর খাবার দাও...ছেলের কোলে বসে ছেলেকে খাওয়াবে...কেমন...!!

- হ্যাঁ দিদি...আমি....!!!

মায়ের কথা শেষ হলো না, নীলার শয়তানি কথার উত্তর তাকে না দিতে দিয়েই আমি তাকে বাড়ি নিয়ে চললাম। আর এখানে এক মুহূর্তও নয়!

- কি রে দাদা, মাকে নিয়ে এলি কেন?

বাড়িতে মাকে নিয়ে ঢুকতেই বারান্দায় ফোলা পেট নিয়ে বসে থাকা লতা প্রশ্নটা করলো একটু অবাক হয়ে!

- মাকে নিয়ে আসবো না মানে?

- আরে ও যে বলল নীলা কাকিমার কি হয়েছে, মাকে লাগবে, আসতে দেরি হবে...!!

যেমন সরল মা, তার তেমন সরল মেয়ে! এরা কি কিছুই বুঝতে পারে না! 

- লতা, নিশীথ আর মালতীর সঙ্গে মাকে আর কোথাও পাঠাবি না আমার আর বাবার অনুপস্থিতিতে...মনে রাখিস!

- কেন দাদা?

- তোকে যেটা বললাম, শুধু সেটাই কর্...অত জানতে হবে না তোকে!

লতা বাচ্চার মা হতে চলেছে। এই মুহূর্তে তাকে সব সত্যি বলে দিলে তার চিন্তা বাড়বে, যেটা এই পোয়াতি অবস্থায় ওর জন্য অত্যন্ত খারাপ। তাই জন্য লতাকে আর কিছু বললাম না।

- ঠিক আছে দাদা।

মনে মনে ভাবলাম, 

- তোর বাচ্চাটা হোক, তারপর তোকে সব খুলে বলবো একদিন। তার আগে আর কিছুদিন এই নিশীথ আর মালতীর গোপন ষড়যন্ত্র তোর কাছে গোপন-ই থাক। আমি মায়ের খেয়াল রাখতে পারবো!

মাকে ভাবলাম সব খুলে বলে দেবো। কিন্তু মায়ের মুখের সারল্য দেখলেই আর তার মায়াবী দৃষ্টি চোখে পড়লেই আমার মনের রাগ উধাও হয়ে যায়। ভাবলাম মাকে অনেক বকবো আর নিশীথ ও মালতীর রহস্যটা প্রকাশ করে দেবো, কিন্তু ভেবে দেখলাম, যদি আমি তা করি, তবে নিজের মেয়ে লতার কথা ভেবে মা খুব কষ্ট পাবে... বিশেষ করে এখন যেহেতু লতার প্রসবের সময়কাল চলছে! বাচ্চাটা হয়ে গেলে পর বলা যেতে পারে সব! তাই আর কিছু সময়ের অপেক্ষা করবো ঠিক করলাম।

একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাবা মাঠে চলে গেছে, লতা আর মা বারান্দার দাওয়ায় চা খাচ্ছে গল্প করতে করতে, আর নিশীথ ও মালতী ঘরে ঘুমোচ্ছে। কাল সারা রাত মাকে পাইনি। কাল লতা বাবার ঘরে মায়ের সঙ্গে শুয়েছিল বিছানায়, আর বাবা মেঝেতে। লতার পেট ব্যাথা করছিল, তাই এই সময়টায় মায়ের সঙ্গে থাকতে সব মেয়েই চায়। আমিও লতার এই অবস্থা দেখে মাকে আর জোর করিনি রাতে আমার ঘরে আসতে। এরকম সপ্তাহে দুই কি তিনদিন হয় মাকে আমি রাতে পাইনা লতা আসার পর থেকে। কি আর করা যাবে, আর ক'টা মাস অপেক্ষা করা ছাড়া! 

কাল সারারাত মাকে আদর না করার জন্য এই সকালে ঘুম থেকে উঠে খিদে পেলো খুব। ভাবলাম মাকে একটু না ঘেঁটে স্কু/লে যাবো না আজ। যেমন ভাবা, অমনি কাজ। মাকে ডাকলাম আমার ঘরে।

- মা, একবার আমার ঘরে এসো তো!

মা আমার ঘরে এসে ঢুকলো। আমি দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে মাকে ঠেসে ধরলাম দেয়ালে। 

- আজ আমার বউ কি রান্না করবে?

- আজ খাসির ঝোল করবো...তোমার পছন্দের... আর চর্বিগুলো তোমার জন্য আলাদা রেখে দেবো...রাতে ফিরে খাবে!!

- আমার যে খাসির চর্বি চায়না চারু!

মাকে নিজের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে তার বড়ো বড়ো লদলদে দুধের মাংসে মুখটা ডুবিয়ে দিলাম। আমার নাক থেকে কান পর্যন্ত মায়ের দুধে ডুবে গেল। তারপর ওইভাবেই আমি তার দুধের গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে মুখ ঘষতে লাগলাম।

- আমি যে রাখবো ভাবলাম তোমার জন্য? তুমি যে ভালোবাসতে আগে? খাবে না তুমি?

- না!

- আমি কি কিছু ভুল করেছি?

- হ্যাঁ।

- আমার রান্না কি খারাপ হয়ে যাচ্ছে গো আস্তে আস্তে?

মা কেঁদে ফেললো নিজের ভুল কল্পনা করে, আমি কিন্তু তাকে কিছুই বলিনি। সে জীবন দিয়ে চেষ্টা করছে নিজের স্বামীর যত্ন নেওয়ার, দৈহিক ও মানসিক সব, কিন্তু তাতেও যদি কিছু ভুল হয়ে গিয়ে থাকে, তা-ই মা মনে মনে খুঁজতে লাগলো সে কি ভুল‌ করেছে। আমি এই মা টাকে খুব ভালোবাসি। এত সরল আমার মা, আমার কাছে একটু বকা খেলেই, বা সে কোনো ভুল করেছে এটা তাকে জানিয়ে দিলেই সে কেঁদে ফেলে।

- ও মা গো!

হঠাৎ মা কঁকিয়ে উঠলো। আমি মায়ের কান্না চলাকালীন মায়ের শাড়ির নিচে হাত ঢুকিয়ে তার গুদে আমার দুটো আঙুল গেঁথে দিলাম...! 

- কি করছো তুমি?

- কি করছি আমি....তুমি বলো চারু?

বলে মায়ের গুদ খেঁচা শুরু করলাম। প্রথমে আস্তে আস্তে, তারপর গতি বাড়ালাম।

- ইইইইইইইইইইইইইই.... .লতা.....উউউউউউউ....বাইরেই বসে গো....ছেড়ে দাও... আঙুল বের করো...!!!

- আমার....!

- তোমার....? উউউউউউউউউ.....!!!!

- আমার খাসির চর্বি চায়না....। আমার....!

- ইইইইইইইইইইইইইইইইইই......তোমার?

- আমার তোমার চর্বি চাই গো.....!!!!

- ইসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসস্.......ও মা গো........!!!

- মা, তোমার কি হলো?

লতা বাইরে থেকে মায়ের শীৎকার শুনে ডাক দিলো।

প্রায় আধঘন্টা ধরে মায়ের গুদ দুই আঙুল ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে খেঁচে চলেছি, ফেনা তৈরি হয়ে গেছে গুদের পাঁপড়ি ও বেদী সহ থাইয়ের উপরের দিকটায়। আমি গুদ খেঁচার গতি আরও তীব্র করে দিলাম।

- লতা, তুই চা খা....বাবুর হলেই আমি আসছি.....ও এখুনি স্কু/লে বেরিয়ে যাবে.....ইইইইইইইইইই..........উউউউউউউউউ....... আমি....আমি.....!!!

আমি আবার মায়ের সঙ্গে কথা শুরু করলাম।

- তুমি....কি মা....!!!

- আমি কি তবে...ইইইইইইইই?

- তুমি কি তবে....?

- উউউউউউউউউউ আমি কি তবে তোমার জন্য.....!

- তুমি কি তবে আমার জন্য?

গুদ‌ খেঁচেই চলেছি। সঙ্গে এবার মায়ের একটা দুধের বোঁটা চুষতে চুষতে আরেকটা দুধের বোঁটা আঙুল দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুচড়ে দিচ্ছি...!

- ও গো.....উউউউউউউউউউউ.......!

- বললে না....?

- ইইইউউউউউউউউউউ....আমি কি তবে তোমার জন্য খাসির চর্বি রাখবো না আজ?

- রাখবে চারু.... তোমার রান্না যে অতুলনীয়!

এই চরম অবস্থার মধ্যেও আমার এই কথা শুনে মায়ের মুখে তৃপ্তির হাসি ভরে উঠলো। পরক্ষণেই চোখ বন্ধ করে আমার মাথাটাকে দুহাতে ধরে নিজের দুধে আরো ডুবিয়ে দিলো। তারপর দেখলাম মা কাঁপতে শুরু করলো। থর থর করে কাঁপছে মা আমার।

- বাবু..... ইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই.....!!!!!!

মা আমাকে জাপটে ধরে গুদ ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে ছর ছর করে মেঝের ওপর গুদের রস ছাড়তে লাগলো। আমি আর দেরি না করে গুদ থেকে আঙ্গুল বের করে মায়ের গুদটা মুখে পুরে নিলাম। আর ঠিক এইসময় লতার কান্নার আওয়াজ বাইরে থেকে ভেসে এলো। 

- ও মা গো.....মা তুমি কোথায়....দাদা তুই কোথায়....আমার হবে... আমার হবে....জোর মোচড় দিচ্ছে তলপেটে....আমি মরে যাবো....আমি বাঁচবো না আর....এতো যন্ত্রনা!!!!! 

আমি কিছুক্ষন আগে থেকেই লতার যন্ত্রণাকাতর আওয়াজ পাচ্ছিলাম, ‌এইসময় মেয়েরা প্রায়ই একটু যন্ত্রনা বোধ করে, আমি ভেবেছিলাম তেমনি কিছু একটা, কিন্তু লতার এই গলার স্বর পেয়ে বুঝলাম তার জল ভাঙতে শুরু করেছে...!!!

এদিকে মায়েরও গুদ রস ছাড়ছে...! ওদিকে মেয়ের জল ভাঙার আওয়াজের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে মা নিজের গুদ থেকে রস উগরে উগরে বের করে দিচ্ছে গুদ তুলে তুলে...!

- বাবু......... ইইইইইইইইইইইইইইইইইই....উউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ.....সব বেরিয়ে গেল গো.......…......!!!!!!!

যৌন উত্তেজনা যখন তীব্র হয়, তখন আশেপাশের গোটা জগৎ আমাদের চেতনায় অদৃশ্য হয়ে গিয়ে কেবল উত্তেজনাটুকু পড়ে থাকে। মা নিজের মেয়ের জল ভাঙার আওয়াজ শুনতে পেলো না, গুদ দিয়ে হড়হড়িয়ে রস ছাড়তে লাগলো আমার মুখের ভেতরে গুদ কাঁপিয়ে কাঁপিয়ে। রস শেষ হতে মায়ের কানে গেল মেয়ের জল ভাঙার তীব্র আর্তনাদ।

- ও মা গো.... মেয়েটা আমার কষ্ট পাচ্ছে গো...!

বলে শাড়ি সায়া নামিয়ে দৌড়ে চলে গেল বাইরে। আমি মায়ের গুদের রস মুখে নিয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে রইলাম।

তখনকার সময় বাড়িতেই মেয়েরা বাচ্চার জন্ম দিতো, তাই মায়েরা জানতো প্রকৃত যন্ত্রনা কাকে বলে। ধাইমাকে আগে থেকেই বলা ছিলো। এক বৃদ্ধা ধাইমা, সে প্রায়ই এসে দেখে যেতো লতার পেটের অবস্থা‌। কিছুক্ষণের মধ্যেই ধাইমা লতার বাচ্চা বের করে আনলো, যমজ নয়, একটাই হয়েছে, ছেলে। বেশ মোটাসোটা হয়েছে, তাই তার পেট এতখানি ফুলে ছিল। যাইহোক , শেষ পর্যন্ত লতা সুস্থ অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিল। বাবার ঘরটাকেই আঁতুড়ঘর বানানো হয়েছিল। সেখানেই তাকে রাখা হলো তার সন্তান সমেত। 

আর আমাদের বাড়িটা নতুন অতিথির আগমনে আনন্দে ভরে উঠলো সেদিন....! কিন্তু আমি কি জানতাম আমার অদৃষ্ট...না আমার নয়....মায়ের অদৃষ্ট কি রচনা করে চলেছে মায়ের অজান্তেই...না, জানতাম না, জানলে হয়তো কিছু করতে পারতাম......!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)