Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#37

পর্ব - ৩৭

সকালে ৯ টার দিকে ঘুম ভাঙ্গলো। দেখি মা পাশে নেই। বুঝলাম সমুদ্রে গেছে। আমিও গেলাম। দেখি মা একটা বড়ো পাথরের ওপর বসে সমুদ্রের দিকে চেয়ে রয়েছে। ভাটার জন্য জলরাশি তীর ছেড়ে অনেকটা দূরে চলে গিয়েছে। মা সেদিকেই একমনে তাকিয়ে কি ভাবছে!

- কখন এসেছো?

- এই তো একটু আগেই।

- কাল ঘুম হয়েছিল?

মা লজ্জায় আমার দিকে তাকালো! তারপর ধীরে ধীরে বললো,

- তুমি ঘুমোতে দিয়েছিলে?

- এখানে তো ঘুমোতে আসিনি চারু....!

- তবে...!

- বিন্দি তো জাগরণের দেশ!

মা আমার দিকে সরল দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে এর অর্থ বোঝার চেষ্টা করলো।

- চলো চারু....বালির উপর দিয়ে একটু হাঁটি....এই সকালের বাতাসটা খুব ভালো!

আমরা সমুদ্রের ধার দিয়ে বালির উপরে হাঁটতে শুরু করলাম।

- কাল তোমায় হারাবার ভয়ে আমি বুঝতে পেরেছিলাম তোমায় ছাড়া আমার একাকীত্ব কতখানি...আমার জাগরণ ঘটেছিল কাল!

মা বোধহয় কালকের মতো আজ আমাকে আর দুঃখী দেখতে চায় না, তাই কথাটা এড়াতে বললো,

- এই সমুদ্র কোথায় শেষ হয়েছে?

- অনেক দূরে...অন্য দেশে!

- আমাদের পুকুর তো দেখা যায় এদিক ওদিক...!

তার এই কথায় আমার হাসি পেলো। তার বলার ভঙ্গিমায় তাকে জড়িয়ে ধরলাম।

- এদিক ওদিক দেখা যায়.... এদিক ওদিক দেখা যায়....!

বলে তাকে জড়িয়ে ধরে টেনে নিয়ে চললাম সমুদ্রে...আজ আমাদের সমুদ্র-স্নান!

তীরের কাছেই এক কোমর জলে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। আমি মায়ের গায়ে জল ছেটাচ্ছি আর মা দুচোখে হাত আড়াল করে আমার হামলা থেকে নিজেকে বাঁচাবার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে। তাকে জড়িয়ে ধরলাম। 

- চারু...!

- বলো!

- এসো...!

বলে তার দুটো ঠোঁট চুষতে শুরু করলাম। ঢেউয়ের ধাক্কায় টাল সামলাতে মা আমায় ধরে রেখেছে শক্ত করে। আমি তার মুখের ভেতরে জিভটা ঢুকিয়ে দিলাম। সমুদ্রের নোনতা জলের স্বাদ পাচ্ছি মায়ের মুখের ভেতরে। তার জিভটা চুষতে চুষতেই মায়ের দুটৌ বড়ো বড়ো মোটা মোটা দুধ দুহাতে তুলে ধরে টিপতে লাগলাম। মায়ের শাড়ি, সায়া, ব্লাউজ গায়ের সঙ্গে ভিজে লেপ্টে রয়েছে। বোঁটা দুটো ব্লাউজের বাইরে থেকেই এই ভিজে কাপড়ে পরিস্কার দেখা যাচ্ছে। আমি তার ব্লাউজের ওপর দিয়েই বাঁ দিকের দুধের বোঁটা মুখের মধ্যে নিয়ে চুষতে লাগলাম আর ডান দিকের দুধটা জোরে জোরে টিপতে লাগলাম। মায়ের শাড়ি ও সায়া জলের মধ্যে ভেসে কোমরের উপরে উঠে গেছে আর আমার খাড়া বাড়াটা প্যান্টের ওপর দিয়েই তার খোলা গুদে ঘষা খাচ্ছে।

- বাবু....তীরে চলো..... এখানে পড়ে যাবো..!

বুঝলাম মায়ের মোটা শরীর ও উত্তেজনা এই ঢেউয়ের মাঝে আমার বাহুবন্ধনেও মাকে আছড়ে ফেলতে চাইছে জলের ওপর। কিন্তু আমার যে মাকে এখন চাই! আমি তার ব্লাউজ খুলে ফেললাম। তার লদলদে দুটো বড়ো বড়ো দুধ বেরিয়ে এলো। সমুদ্রের ঢেউয়ের ধাক্কায় দুলতে দুলতেই আমি তার দুধ মুখে পুরে নিলাম।

- ইস্...!

মায়ের শীৎকার সমুদ্রের গর্জনে আমার কান অবধি পৌঁছালো না, কিন্তু তার শিহরণ আমার শক্ত খাড়া বাড়া দিয়ে বয়ে গেল। আমি প্যান্টটা নিচে নামিয়ে আমার ১০ ইঞ্চি লম্বা খাড়া বাড়াটা মায়ের গুদে ঘষতে লাগলাম।

- বাবু...!!!

- বলো চারু...!!!

এমনসময় প্রচন্ড এক ঢেউয়ের ধাক্কায় আমরা মা ছেলে তীরে আছড়ে পড়লাম আর আছড়ে এমনভাবে পড়লাম যে মা উপুড় হয়ে পড়লো আর আমি খোলা বাড়া নিয়ে মায়ের পিঠের ওপরে। জলের মধ্যে মায়ের শাড়ি কোমরের উপরে ভেসে উঠেছিল, তাই পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মায়ের পাকা পোঁদের ভেতরে আমার বাড়াটা ডুবে গেল আর আমি বুঝলাম বাড়াটা পোঁদের ফুটো দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেছে।

- ওক্!!!!

মা চিৎকার করে উঠল।

- এখনও ব্যাথা আছে সেদিনের পর থেকে....আজ কোরো না !!!

আমরা বালির ওপরে একে অপরের ওপরে লেপ্টে পড়ে আছি আর মা তার পোঁদে আমার বাড়া গাঁথা অবস্থায় দুহাত দিয়ে বালির ওপরে ভর দিয়ে তীরে ওঠার চেষ্টা করছে আর ঢেউগুলো আমাদের গায়ে এসে আছড়ে পড়ায় তার ধাক্কায় আমি আরও মায়ের পিঠের উপর দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ায় বাড়াটা মায়ের পাকা পোঁদে আরও গেঁথে গেল।

- ও মা গো.....বের করো....গো....ওওওওওওও...!!

নোনতা জল চোখে মুখে লাগায় চোখ বন্ধ করে মায়ের ভেতরের গরম স্পর্শে আমার বাড়াটা তার থলথলে পোঁদের ফুটোয় আরও গভীরে ঢুকিয়ে দিলাম।

- আহ্ মা....!!!!

- আমার....আমার ওখানটায় জ্বলছে...!!!

এইসময় বউয়ের কথায় কান দিতে নেই। আমি মায়ের পোঁদে বাড়ার ঠাপ শুরু করলাম। 

- ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্ ফচ্...!!!

- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ উ....বের করো গো!!!

- চুপ দিয়ে শুয়ে থাকো।

রোদ উঠেছে। সমুদ্রের তীরে জলের মধ্যে দুটো প্রাণী একে অপরের উপরে শুয়ে আছে আর উপরের প্রাণীটি নিচের প্রাণীটির কোমরে ধাক্কা দিয়ে চলেছে সমুদ্রের ঢেউয়ে স্নান করতে করতে। এর আগে আমি মাত্র একবারই মায়ের পোঁদ মেরেছিলাম আর আজ দ্বিতীয়বার।

ঢেউ আমাদের মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে তীরের কাছে আমাদের শুয়ে থাকার জন্য। একহাতে মায়ের গলাটা পেঁচিয়ে ধরে অন্যহাত তার তলায় নিয়ে গিয়ে তার দুধের বোঁটা ধরে মুচড়ে দিতে লাগলাম। মা কেঁপে উঠলো।

- ও ও ও ও ও ও ও....এমন কোরোনা...আমার কেমন করছে গো...!

- কেমন তো করবেই চারু.... স্বামী হামলা করেছে যে....! স্বামী হামলা করলে সব স্ত্রীর-ই কেমন কেমন করে!

বাড়ার ঠাপ বাড়িয়ে দিলাম। গদাম গদাম করে মায়ের পোঁদ ফেঁড়ে দিয়ে আমি তার পোঁদ মারতে লাগলাম সমুদ্র সৈকতে! ঢেউগুলো আমায় তীরের দিকে ধাক্কা দিয়ে বাড়াটাকে মায়ের পোঁদের গভীরে আরও ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে সাহায্য করে যাচ্ছে। মায়ের গলা পেঁচিয়ে ধরায় তার কথা বেরোচ্ছে না, গোঁ গোঁ করছে, কোনোমতে বললো,

- ও গো.... ওক্ ওক্ ওক্....আমায় ধরো.....!!!!

বুঝলাম আমার মা, আমার বউ তার তরল ছেড়ে এই সমুদ্রের জলে সাক্ষী রেখে দিয়ে যাবে.... একদিন এই সৈকতেই এক ছেলে তার মায়ের পোঁদ মেরেছিল। মা খিঁচুনি রোগীর মতো শরীর টান টান করে গুদ দিয়ে হড়হড় করে রস খসাতে লাগলো দুহাত দিয়ে আমার সেই হাতটা ধরে যে হাতটা তার গলায় পেঁচানো ছিল আর তার পোঁদটা আমার বাড়ায় আরও ঠেসে ধরলো। আমি রাম ঠাপ দিতে শুরু করলাম। না এখন মাল ফেলবো না, আজ মাকে জঙ্গলের মধ্যে পোয়াতি বানাবো। মাল মজুত রেখে কেবল ঠাপিয়ে যাচ্ছি অবিরাম।

- ইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই.....বাবু........ উউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ......ইইইইইউউউউউউউউউউউউউউ.....!!!!

মা ছেড়ে দিল....আর ছেড়ে দিয়ে বালির ওপরেই পড়ে থাকলো। সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জনে মায়ের ওপরে এভাবে পড়ে থাকতে বেশ একটা রোমাঞ্চ অনুভব করতে লাগলাম।

দুপুরে খেয়ে আমাদের ছোট্ট কুঁড়েঘরের মধ্যে খাটের ওপরে মাকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিলাম। দরজা খোলা, সেই খোলা দরজা দিয়ে সমুদ্রের নীল জলরাশি আর তার ঢেউগুলোর সাদা সাদা ফেনা চোখে পড়ছে। তার একটানা গর্জনে আমরা দুজন আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি। আমরা দুজনেই সম্পূর্ণ উলঙ্গ শুয়ে আছি। এখানে আমাদের দেখার মতো কেউ নেই। মা কাপড় পরতে চেয়েছিল, কিন্তু আমার জোর করাতে সেই ইচ্ছে পরিত্যাগ করলো।

মা আমার দিকে পেছন ফিরে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে শুয়ে আছে, আমি পেছন থেকে আমার বাড়াটা বের করে মায়ের পাকা পোঁদের চেরায় ঢুকিয়ে দিয়ে মায়ের ঘাড় চাটতে চাটতে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আছি।

- চারু, এবার জঙ্গলে যাবো।

- আমি চলতে পারবো না যে আজ...!

- কেন?

মা চুপ থাকলো। আমার খেয়ালই থাকেনি কিছুক্ষণ আগেই সমুদ্রে মায়ের পোঁদ মেরেছিলাম। খেয়াল হতেই আমি হেসে তার কানের লতি কামড়ে ধরে বললাম,

- তোমায় কোলে করে নিয়ে যাবো!

- তোমায় বলেছি আমার ব্যাথা হয়, তাও তুমি...!!!

- স্বামীর দেওয়া ব্যাথা যে নিতে হবেই চারু...! 

- আমি কি নিইনি গো...?

- নিয়েছো...তুমি যে আমার বউ!

- এখন আর করবে না তো...?

- করবো তো... জঙ্গলে ঢুকে...!

- আবার...?

- হ্যাঁ আবার! চলো বেরোই...!

- দাঁড়াও শাড়িটা পরে নিই!

- শাড়ি?

- হ্যাঁ!

- আমরা আজ থেকে এখানে যতদিন থাকবো, পোশাক ছাড়াই থাকবো....!

- না না না না না....আমি পারবো না গো...!

- আমার কথাই শেষ কথা!

- দয়া করো....কেউ দেখে ফেলবে!

বউয়ের কথা আর শুনতে নেই। এক কথা একশোবার বললেও ওরা ভাবে এখনো কথা শুরু করেনি। তাই হাত ধরে উলঙ্গ অবস্থাতেই তাকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম আমি।

সবুজ জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে আমরা দুই উলঙ্গ নরনারী হেঁটে চলেছি একে অপরের হাত ধরে। আমার মনে হচ্ছে আমরা ফিরে গেছি সেই সভ্যতায় যখন পোশাক কি বস্তু, তা মানুষের কল্পনাতেই থাকেনি। উলঙ্গ-ই থাকতো তারা। মানবসভ্যতা, কোলাহল ও জগৎ সংসারকে পেছনে ফেলে আমরা এতো দূরে এই প্রকৃতির নির্জন প্রান্তরে এসে পড়েছি যে, এমন ভাবাটাও বেশ সত্য মনে হতে লাগলো। 

দুপাশে যেদিকেই চোখ যায় শুধু বড়ো বড়ো বনস্পতি ছড়িয়ে রয়েছে। এই জঙ্গল পাতলা, ঝোপঝাড় তেমন নেই, শুধু বড় গাছ সারি সারি দাঁড়িয়ে আকাশ ছুঁয়েছে। শুনেছিলাম এই জঙ্গলে নাকি হরিণ আছে অনেক। তবে বাঘ ভাল্লুক বা হাতি, এই জাতীয় কোনো বিপজ্জনক জন্তু এখানে নেই। তাই নিশ্চিন্তে আমরা দুই স্বামী স্ত্রী ঘুরে বেড়াতে লাগলাম জঙ্গলের আনাচে কানাচে।

এক জায়গায় একটা বড়ো গুহা দেখতে পেলাম। আমরা এগিয়ে গেলাম। মা চলছে, কিন্তু খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তাকে দেখে আমার কষ্ট হলো, পিঠ ও হাঁটুর নিচে ধরে কোলে তুলে নিলাম।

- পড়ে যাবো...ছাড়ো!

তাকে কোলে করে নিয়ে এনে গুহার মুখটায় নামালাম। এই জঙ্গল সমতল নয়, পাহাড়ি। এখানে ওখানে অনেক গুহা আগেও চোখে পড়েছে, আর ঝর্ণা তো চারপাশে ছড়িয়ে আছে। গুহায় উঁকি দিয়ে দেখি পাথরের গা দিয়ে জল চুইয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে গুহার ভেতরে অন্ধকারে। মাকে নিয়ে ঢুকলাম গুহার ভেতরে। পায়ের তলায় জলের ধারা বয়ে চলেছে। সেই জল অনুসরণ করে অনেকটা ভেতরে চলে গেলাম। ফাঁক ফোকর দিয়ে সূর্যের আলো এসে চারপাশ আলোকিত করে রেখেছে। দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল না।

- এখান থেকে চলো আমরা যাই!

মা ভয় পেয়ে আমায় বললো। মেয়েদের ভয় সাজে, আমাদের কাছে তা লজ্জার। তাকে দুহাতে আঁকড়ে ধরে চলতে লাগলাম। এই নির্জন জঙ্গলের মধ্যে এক নিরালা গুহার অভ্যন্তরে আমরা অন্ধকারে হেঁটে চলেছি এক অজানা রহস্যের সন্ধানে। কেন হাঁটছি জানিনা, মনের গভীরে থাকা কোনো এক রহস্যসন্ধানী এই হাঁটার অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তুলছে, এইটুকু কেবল জানি। জলের ধারা শেষ হলো একজায়গায়। দেখলাম এখানটায় নিচের একটা গহ্বরে জলের ধারা ঢুকে গেছে। সেটা কতটা গভীর বোঝা গেল না। এইখানেই গুহা শেষ। 

গহ্বর থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে চারপাশে তাকিয়ে দেখতে লাগলাম। চোখে পড়লো গুহার পাথরের দেয়ালে অনেক রকমের চিহ্ন আঁকা রয়েছে! একজায়গায় একটা ম্যামথের ছবি লাল রং দিয়ে আঁকা, অন্যটা বুনো ষাঁড়ের, আরেক জায়গায় দেখলাম একটা চিত্র যেখানে একটা মানুষ একটা বৃহদাকার সিংহের শিকার করছে। এগুলোকে শিলাচিত্র বলা হয়। প্রায় ৪০ হাজার বছর আগে মানুষ এই ছবি এঁকে তাদের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে দিয়ে গেছে সেইসময় এই পৃথিবী কেমন ছিল। এই লাল রং তারা তৈরি করতো লৌহ সমৃদ্ধ মাটি থেকে। ইতিহাসের শিক্ষক হওয়ায় বুঝলাম আমি পৃথিবী ও তার মধ্যেকার জীবন সম্মন্ধে অনেক কিছুই জানি। মনটা যেন ফিরে গেল সেই সময়ে। পাশে তাকিয়ে দেখলাম মা আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। সে কি এসবের অর্থ বুঝলো! বোধহয় না...! আমার সরল মা টা আমার দিকে কৌতুহলী হয়ে তাকিয়ে রয়েছে দেখে আমি তাকে এসবের অর্থ বোঝালাম। সে মাথা নেড়ে নেড়ে সব বুঝলো, তার কাছে যে সবই নতুন! 

- যাবে এবার?

মায়ের দিকে তাকালাম। এত অপূর্ব ভঙ্গিমায় মা বললো যে তাকে এখন আদর না করলে আমার জীবন সার্থক হতে পারে না! তাকে জড়িয়ে ধরলাম।

- বাইরে চলো, আমার ভয় লাগছে গো...!

- আমার চারুর ভয় লাগছে?

- হুমম।

তাকে আবার আগের মতো করেই কোলে তুলে নিয়ে তার ঠোঁট দুটো মুখে পুরে নিলাম। আহ্। কি মিষ্টি মায়ের ঠোঁটদুটো! তাকে কোলে করেই গুহার মুখের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে মায়ের ঠোঁটের মধু পান করতে লাগলাম। মা চোখ বন্ধ করে তার জিভ আমার মুখে ঠেলে দিলো। এই জায়গায় কত কত বছর আগের সেই মানব সভ্যতা তাদের চিহ্ন খোদাই করে গিয়েছে.... বোধহয় আমার মতোই এমনি করে তারাও তাদের সঙ্গীনিকে কোলে করে এই গুহা থেকে একসময় বেরিয়ে এসেছিল মিলনের পূর্ব ক্ষণে! মায়ের জিভ মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে চুষে চুষে তার লালা রস নিজের মুখে টেনে নিয়ে আমি আরও প্রাণশক্তিতে ভরপুর হয়ে উঠতে লাগলাম। 

হাঁটতে হাঁটতে মায়ের সঙ্গে জিভের খেলা খেলতে খেলতে কখন গুহার মুখে এসে দাঁড়িয়েছি খেয়াল করিনি, খেয়াল হতেই পা দুটো স্থির হয়ে গেল আমার। তাকিয়ে দেখি গুহার ঠিক মুখেই একদল সাম্বার হরিণ চরে বেড়াচ্ছে। আমি ও মা তাদের দেখে মুগ্ধ হয়ে তাদের দিকেই তাকিয়ে রইলাম। পুরুষ ও মাদি সাম্বার তাদের সন্তান সমেত এদিকটায় চরে বেড়াচ্ছে। কি অপূর্ব দৃশ্য!

- আচ্ছা এদের মধ্যে পুরুষ কারা?

বুঝলাম মায়ের প্রশ্ন আসতেই থাকবে এবার...সে যে এর আগে কখনও হরিণ দেখেইনি। আমাদের গোবাদার জঙ্গলে হরিণ রয়েছে, তবে চিতল হরিণ, সাম্বার নেই। কিন্তু চিতল থাকা সত্ত্বেও মা কোনোদিন দেখেনি। তাই আজ‌ প্রথমবার হরিণ দেখে মা আমার কোল থেকে নেমে দাঁড়ালো। আমার হাতটা জড়িয়ে ধরে গুহার মুখটায় তাকিয়ে অবাক হয়ে ওদের হেঁটে বেড়ানো দেখতে লাগলো।

- ওই যে যাদের শিং রয়েছে, ওরা পুরুষ, আর যাদের শিং নেই, ওরা মাদি। 

গাঢ় বাদামী বর্ণের এই সাম্বার হরিণ দেখতে ভারি সুন্দর। ঘাড়ের কাছে লম্বা ঘন কেশরের আবরণে তাদের দেখতে আরও সুন্দর দেখায়। পুরুষদের শিং ১ মিটারেরও বেশি লম্বা, আর তাদের দেহ মাদি গুলোর চাইতে অনেক বড়ো ও ভারি। তারা ঘাস পাতা কুড়িয়ে খাচ্ছে আপন মনে। এই বনভূমি তাদের নির্জন জীবনযাত্রার সাক্ষী বহন করে বেড়াচ্ছে। আজ এরা আছে, কিন্তু কাল মানুষের ভিড়ে এরা লুপ্ত হবে চিরতরে...! এটাই ঘটে এসেছে, এটাই ঘটবে আবার! মানুষের চাহিদায় জঙ্গলের পরিমাণ কমে এসে এদের একমাত্র বাসস্থান ভেঙে উজাড় হয়ে চলেছে ক্রমে ক্রমে। আহা! এই জগৎ কত বিচিত্র প্রাণের মিলনস্থল....আজ এই মুহূর্তে তার এই মুগ্ধ রূপে মোহিত হয়ে মায়ের হাতটা শক্ত করে নিজের মুঠোয় চেপে ধরলাম। 

আমরা দুই উলঙ্গ মানব মানবী এক গুহার ভেতরে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখতে দেখতে মনে হলো আমরা ফিরে গেছি সেই সভ্যতায় যখন মানুষ সামনে হরিণের পাল দেখে তীর ধনুক নিয়ে লুকিয়ে থাকতো গুহার অন্ধকারে। গুহার মুখে হরিণ এসে দাঁড়ালেই তীর বিদ্ধ করে তাকে শিকার করতো‌। ঠিক একইভাবে যেন আমরাও অপেক্ষা করে আছি এই গুহার অন্ধকারে তাদের শিকারের জন্য! কিন্তু ওদের শিকার করলাম না, নিজের মায়ের দিকে তাকালাম মুগ্ধ চিত্তে।

- চারু...!

ফিসফিসিয়ে মাকে বললাম। মা আমার দিকে চেয়ে আছে। আমি তার ঠোঁট দুটো নিজের ঠোঁটে চেপে ধরলাম। এই বন্য জীবনধারা যেন আমার মনে ঘর বেঁধে ফেলেছে। মনে হলো আর ফিরে যাবো না মানুষের ভিড়ে। এইখানেই আমরা সুখে বন্য খেলায় মেতে উঠবো দিনে রাতে! মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে দেবো বাকি জীবনটা!

গুহার বাইরে প্রায় ৩০ টা হরিণ আপনমনে চরে বেড়াচ্ছে, আর গুহার ভেতরে আমি মায়ের ডানদিকের বড়ো দুধটা হাতের মুঠোয় টিপে টিপে বোঁটা চুষে চলেছি। 

- বাবু....!!!

- হ্যাঁ গো....এবার তোমায় পূর্ণ করতে চলেছি আমি!

তার দুটো দুধ হাতের মুঠোয় নিয়ে জোরে জোরে চেপে চেপে টিপতে লাগলাম সর্বশক্তি দিয়ে আর একইসঙ্গে দুধের শক্ত বোঁটা ধরে মুচড়ে দিতে লাগলাম। 

- উহহহহহহহহহহ্... বাবু....!!!

গুহার দেয়ালে মাকে ঠেসিয়ে ধরে তার কোমরের কাছে বসে পড়লাম দুধের বোঁটা মোচড়াতে মোচড়াতেই আর বসে পড়ে তার ফোলা গুদটা মুখে পুরে নিলাম। গুদের পাঁপড়ি চেটে ভেতরের লাল মাংসে জিভটা ঢুকিয়ে দিয়ে গুদের ভেতরের রস সমেত তার দেয়ালগুলো চাটতে লাগলাম। মা আমার মাথাটা তার গুদের ওপর চেপে ধরলো সজোরে আর তার শরীর ঝাঁকানো শুরু করলো।

- ইইইইইইইইইইইইইই.......বাবু.....কেমন করছে গো....!

মায়ের মৃদু আওয়াজে কয়েকটা হরিণ এদিকে তাকালো, অন্ধকারে কিছু দেখতে না পেয়ে আবার ঘাস খেতে লাগলো। বুঝলাম মা গুদ থেকে রস ছাড়বে এবার। বোঁটায় মোচড় বাড়িয়ে দিলাম। আর গুদে মুখটা চেপে ধরে গুদের মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে ঘোরাতে লাগলাম।

- কি মিষ্টি তোমার গুদ মা!!!

- চারু বলো আমায়....উউউউউ.... ইইইইইই....!

- চারু....তোমার গুদ ভারি মিষ্টি....আমি যে তৃষ্ণার্ত....জল ছাড়ো চারু....জল ছাড়ো...!!

মা আমার মাথার চুল দুহাতে ধরে নিজের গুদে আমার মাথাটা আরও চেপে গুদটা আমার মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দিল পোঁদ নাড়িয়ে নাড়িয়ে। আমি বোঁটায় মোচড় বাড়িয়ে দিলাম আর জিভ আরও গভীরে নিয়ে গিয়ে রস ছাড়ার পূর্ব মুহূর্তে গড়িয়ে আসা নোনতা তরল চেটে চেটে খেতে লাগলাম। এবার শুরু হলো মায়ের পাগলামি আর সেই পাগলামিতে ঘটলো বিপর্যয়!

- বাবু........ ইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই...... উউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ......এএএএএএএএএএএএএএএ......!!!!!

গুদকে আমার মুখে তুলে তুলে কাঁপিয়ে কাঁপিয়ে মা হড়হড়িয়ে রস ছাড়তে লাগলো আমার মুখের ভেতরে আর মায়ের এই ভয়ঙ্কর আওয়াজে কয়েকটা পুরুষ হরিণ খাওয়া ছেড়ে এদিকটায় তাকালো কান খাড়া করে। তাদের ঘাড়ের কেশর খাড়া হয়ে গেল ভয়ে। তারা সামনের পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করতে করতে লেজ নাড়ালো তাদের পেছনে মাদি ও সন্তানদের এই বিপদে সতর্ক করতে, তারপর মুখে বাক্ বাক্ আওয়াজ তুলে সবাই দিলো চার পায়ে দৌড়। কয়েক সেকেন্ডেই এতগুলো হরিণ কোথায় হারিয়ে গেল দেখা গেল না। মায়ের জল ছাড়া শেষ হলো। 

আমি চেটেপুটে মায়ের গুদ খেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে তাকে নিজের কোলে তুলে নিলাম। সে দুপা দুদিকে করে আমার কোমরটাকে শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরলো আর আমি আমার শক্ত বাড়াটা তার রসে ভরা হড়হড়ে গুদে ঢুকিয়ে মায়ের গুদ‌ মারা শুরু করলাম। তাকে ঠাপাতে ঠাপাতেই গুহা থেকে বেরিয়ে এসে একটা গাছের নিচে দাঁড়ালাম তাকে গাছের সঙ্গে ঠেসিয়ে ধরে। চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম হরিণগুলো আর নেই। চারপাশ আবার নির্জনতায় ভরে উঠেছে। 

- চারু....তুমি এ কি বিপর্যয় আনলে বলো দেখি!

- কি করলাম আমি?

- তোমার চিৎকারে হরিণগুলো পালিয়ে গেছে চারু.... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্...!!!

- ওরা কেন চলে গেল?

- তুমি যে জোরে চিৎকার করে গুদ থেকে রস ছাড়ছিলে!

- আমার মুখ চেপে ধরতে পারতে!

- না, তোমার আওয়াজ যে আমার কাছে খুব মূল্যবান চারু!

মা গাছেই পিঠ রেখে আমার কোলের ওপর বসে আছে আর আমি তার গুদ মারতে মারতে তাকে সেই গাছটার গায়ে ধাক্কা দিতে লাগলাম। 

- আস্তে করো...পিঠে লাগছে!

- চারু....আমরা ফিরে গেছি সেই আদিম সভ্যতায়...এখন সবকিছুই আদিম রূপেই ঘটবে....বন্য মিলন হবে আমাদের চারু!

ঠাপ বাড়িয়ে দিলাম। মাকে এতো জোরে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে চুদছি যে গাছের উপরের দিকের পাতাগুলো অল্প অল্প দুলে উঠলো। 

- ও ও ও ও ও ও ও ও ও ও ও......ই ই ই ই ই ই ই ই ই ই ই.....আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ আ..... আস্তে গো.....!!!!

মায়ের গুদ‌ মারছি আমি। এই গভীর অরণ্যের মাঝে এই বিকেলের সূর্যের পড়ন্ত সোনালী আলোয় সবুজ বনভূমির বুকে দাঁড়িয়ে মায়ের গুদ আমি মেরেই চলেছি।

- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....চারু......তোমার ভেতরটা খুব টাইট চারু......!!!!

- ও ও ও ও ও ও ও ও.... আস্তে গো....আমার পিঠের চামড়া উঠে গেছে বোধহয়.... জ্বলছে..... আস্তে....!!!!

তাকে গাছ থেকে নামিয়ে এনে মাটিতে পড়ে থাকা একটা শ্যাওলা ধরা পুরনো গাছের কান্ডের ওপরে উপুড় করিয়ে শুইয়ে পেছন থেকে তার গুদে বাড়াটা পুরে দিলাম। 

- ও মা গো...!!!

মা কঁকিয়ে উঠলো। আমি কোনোদিকে ধ্যান না দিয়ে গুদ মেরে চললাম মায়ের। তার পিঠের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সত্যিই তার পিঠের চামড়া কয়েক জায়গায় ছিঁড়ে গেছে। আমি সেখানে হাত দিতেই,

- ও মা গো.....হাত দিও না গো.... জ্বলছে....!!!

আমি হাত সরিয়ে নিলাম আর তার গুদ জোরে জোরে মারতে লাগলাম। 

এমনসময় মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি খেলা করলো। মাকে গুদ মারতে মারতেই উঠে দাঁড় করিয়ে তার পেছন দিক থেকে তার গুদ মারতে মারতেই তাকে হাঁটিয়ে জঙ্গলে ঘোরাতে লাগলাম। এই গহন অরণ্যে এক পুরুষ তার মাদি-কে পেছন থেকে গুদে ঠাপ দিতে দিতে উলঙ্গ হয়ে গোটা জঙ্গল ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আর দুজনের মুখ থেকে চিৎকার বেরিয়ে এসে এই গাছগাছালির ফাঁকে তা বিলীন হয়ে যাচ্ছে! এই দৃশ্য খুব বিরল!

- আহ্ আহ্ আহ্.....আজ আমি তোমায় পোয়াতি বানাবো মা...আজ আমি তোমায় আমার বাচ্চার মা বানাতে চলেছি.... আমাদের প্রথম সন্তান এবার আসবে!!!

- ও গো...... আস্তে দাও.... আস্তে দাও.....আমার কেমন করছে!!!!!!
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)