Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট)
#39

পর্ব - ৩৯

বাড়ি ফিরে দেখি বড়ো বিপদ ঘটে গেছে!

দুপুরে বাড়ি ফিরলাম আমরা। বারান্দার দাওয়ায় এক প্রান্তে হাঁটু মুড়ে উবু হয়ে বসে বাবা কাশছে। আমরা ছুটে গেলাম তার কাছে। দেখলাম তার কাছে কেউ নেই। লতা ছেলেকে নিয়ে নিজের ঘরে শুয়ে আছে। নিশীথ ও মালতী কোথাও নেই। বাবা কাশতে কাশতে বমি করে ফেলেছে। 

- কি হয়েছে বাবা!

আমি কাছে গিয়ে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম, চোখে মুখে জল ছেটালাম। হঠাৎ দেখি কাশিতে রক্ত, থকথকে রক্ত বেরিয়ে আসছে। মা কেঁদে উঠলো রক্ত দেখে। কিছুক্ষণ পর কাশি থামলো। বাবা দাওয়ায় হেলান দিয়ে বসে পড়ে হাঁপাতে লাগলো। তারপর একটা বিড়ি ধরিয়ে টানতে শুরু করলো।

- বাবা, তোমার রক্ত বেরিয়ে এসেছে বমিতে...!

- ব্যাটা কদিন থেকেই এরকম হচ্ছে। বুকটা ব্যাথা হয়ে গেছে আমার কেশে কেশে। 

- বাকিরা কোথায়?

- তুই কিছুই জানিস না ব্যাটা কি ঘটে গেছে এখানে!

আমি চমকে গেলাম। মা বাবার কাছে এক গ্লাস জল নিয়ে এসে ধরলো। বাবা জল দিয়ে মুখ কুলকুচি করে ফেলে বাকিটা খেয়ে একটু দম নিলো।

- কি হয়েছে বাবা?

- ব্যাটা, লতাকে আমরা যা ভেবেছিলাম, তা নয় রে! ও একদম বদলে গেছে।

আমার‌ মাথায় সব তালগোল পাকিয়ে উঠলো। কিচ্ছু বুঝতে পারছি না বাবা কি বলতে চাইছে!

- তুমি দয়া করে একটু খুলে বলবে সব?

- লতা ঘরে মরদ ডেকে আনা শুরু করেছে। রোজ নতুন নতুন পুরুষমানুষ আসে আমাদের ঘরে। লতা বেশ্যা হয়ে গেছে!

- কি বলছো তুমি!!!!!

মা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো। আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিলো। লতা, আমার বোন, সে বেশ্যা হয়ে গেছে? কিভাবে? কবে থেকে? কেন?

- আমি কিছু বুঝতে পারছি না বাবা, নিশীথ আর মালতী কোথায়?

- বুঝবি বুঝবি, সব বুঝে যাবি। মালতী কিছুদিন থেকেই নিখোঁজ আর নিশীথ লতার জন্য মরদ ডাকতে গেছে! যে ঘর তোরা যাবার সময় দেখেছিলি, এখন সেই ঘর আর নেই রে!

মা কেঁদে বললো,

- তুমি কি বলছো...লতা এমন হতে পারে না!

- চারু...আমি ওর বাপ, নিজের মেয়েকে কুকথা বলেছি জীবনে অনেক! কিন্তু দিনের শেষে সবার ভালোই চেয়েছি। আজ যখন ওর এই রূপ দেখি, নিজের মেয়েকেই চিনতে পারি না আমি আর! এই ঘরটাকে ওরা দুজনে বেশ্যাঘর বানিয়ে ফেলেছে।

- তোমার রক্ত বেরোচ্ছে কতদিন বাবা?

- অনেকদিন! তোরা যাওয়ার আগে থেকেই। আমি কারোকে বলিনি।

- তুমি বসো, আমি ডাক্তার নিয়ে আসছি।

- না ব্যাটা। আমি ঠিক আছে। বেশি কাশি হলে রক্ত মাঝে মাঝে সবারই পড়ে....আর...!

বাবার কথা থেমে গেল। আমি তাকিয়ে দেখলাম উঠোনে নিশীথ একটা লোককে সাথে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। লোকটা আমাদের গাঁয়েরই, ভোম্বল কাকা। সে লতার সাথে এসব করবে বলে এসেছে?

- নিশীথ!!!!

গর্জে উঠলাম আমি! 

- এসব কি হচ্ছে আমাদের বাড়িতে?

নিশীথ শান্ত ও গম্ভীর স্বরে বললো,

- আমি কি করবো বলো দাদা তোমার বোন যদি পোঁদ মারাতে চায়?

- নিশীথ!!!!!

আমি ছুটে গেলাম লতার কাছে। দরজা খুলে দেখি লতা তার ছেলেকে নিয়ে শুয়ে রয়েছে। আমাকে দেখে হাসতে থাকে....। কিন্তু সেই হাসিতে আর আগের মতো স্নেহ ছিলো না!

- দাদা, এসেছিস? তা এতোদিন মায়ের গুদ মেরেছিস তো ভালো করে? মাগীটার যা খিদে, ছেলের বাড়াও ঢুকিয়ে নিলো গুদে!

- চুপ। একদম চুপ থাক্ তুই! এসব কি শুরু করেছিস তুই?

- কেন...তুই দিনরাত মায়ের গুদে বাড়া গুঁজে পড়ে থাকবি, আর আমার বুঝি খিদে নেই? 

- তুই চুপ কর লতা। তুই....তুই কিভাবে এতো বদলে গেলি রে?

- যেমনভাবে মা বদলে গেছে, তেমনভাবেই। আমার গুদটা কেমন সুড়সুড় করছে। তোর বাড়াটা খুব মোটা রে, একটু গেঁথে দিবি আমার এখানে?

বলে লতা শাড়ি, সায়া কোমরের উপরে তুলে দিয়ে তার গুদটা আমার চোখের সামনে খুলে ইশারা করলো। আমি মুখ ঘুরিয়ে নিলাম অন্য দিকে। 

- দয়া করে এসব বন্ধ কর তুই লতা! ছিঃ!!!

- কেন দাদা, মায়ের কাছে এমন কি আছে যেটা আমার কাছে নেই?

- তুই ঢাকা দে ওখানটা!!!

- দ্যাখ না তাকিয়ে একবার দ্যাখ, বাল কেটে নিয়েছি, পরিস্কার গুদ। একটু চেটে দিবি দাদা?

আমি ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। ওর কথাগুলো আমি সহ্য করতে পারছি না। আর সঙ্গে সঙ্গেই দেখলাম নিশীথ ভোম্বল কাকাকে নিয়ে লতার ঘরটায় গিয়ে ঢুকে দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিল ‌। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হলো সঙ্গমের তীব্র শীৎকার। এই দিনদুপুরে এই ছোট্ট গাঁয়ের মধ্যে যদি কোনো বাড়ি থেকে রতি ক্রিয়ার এতো পরিমাণ শব্দ বেরিয়ে আসে, তবে সেই বাড়ি আর তখন ভদ্রলোকের বাড়ি বলে গন্য করা হয় না। 

এই অধঃপতন!!!

আমার ভেতরটা হু হু করে উঠলো। মা ওদিকে দাওয়ায় বসে মাথায় হাত রেখে কাঁদছে। বাবা বিড়ি টানছে। আর আমি লতার ঘরের দরজার দিকে তাকিয়ে আছি কখন সেই দরজার দুটো কপাট খুলে ভেতরে থেকে তৃপ্ত সেই খদ্দের ভোম্বল কাকা হাসিমুখে বেরিয়ে আসবে। ছিঃ! 

রোজ একজন করে খদ্দের আসতে লাগলো লতাকে চুদতে, তার স্বামীই নিয়ে আসে। কিছু বলতে গেলেই লতা বলে,

- এই ঘরে তোর যেমন অধিকার আছে, আমারও আছে। আর আমি নিজের দেহ বিক্রি করছি টাকার জন্য, তোর কি?

এর উত্তর আমার কাছে নেই। বাবা চাইলে ওকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারে। কিন্ত বাবার শরীরের যা হাল হয়ে গেছে, তার কথা ওরা কেউ গুরুত্বই দেয় না এখন আর।

একদিন সন্ধ্যাবেলায় আমি চারুকে সাথে নিয়ে বারান্দায় বসে আছি, বাবা ওদিকে বসে বিড়ি টানছে। তার কাশি মাঝে মাঝেই হচ্ছে, কখনো রক্ত পড়ছে, কখনো পড়ছে না। বাবাকে ডাক্তারের কথা বলেছি, কিন্তু বাবা আমার কথা উড়িয়ে দিয়েছে।

লতা নিশীথের পাশে বসে রান্না করছে। ওরা আলাদা খায়। ওদের রান্না হলে চারু রান্না শুরু করে। লতার দিকে তাকাতে পারছি না আমরা তিনজনে। লতা ব্লাউজ খুলে শাড়িটা কোমরে গুঁজে রেখেছে, এতে তার কোমরের উপরের অংশ পুরো খোলা। নিজের বাবা, মা ও দাদার কাছে এভাবে সে বসে আছে, আমার তা ভাবতেও খারাপ লাগছে। লতার এই পরিবর্তন কখন থেকে শুরু হলো!

- আমি যখন যাই মাকে নিয়ে, তখন তো তুই এমন ছিলি না লতা?

মনে মনে নিজেকে প্রশ্ন করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, শেষে প্রশ্নটা করেই ফেললাম।

- আমিওতো মাকে এমনটা দেখে যাইনি যখন শশুরবাড়ি যাই....দাদা!

নিশীথের সামনে এসব কথা বলা আমার একদম পছন্দ হচ্ছে না।

- নিশীথ আমায় শরীরের চাহিদা বুঝতে শিখিয়েছে, তার জন্যেই আমি এতো উন্নতি করতে পেরেছি।

- উন্নতি....তুই এটাকে উন্নতি বলছিস?

- আমার শরীরের খিদে মেটাকেই আমি উন্নতি বলি। তোকে আমি বলে রাখলাম, যদি দেখি আমার কাজে কোনো বাধা আসে তোদের দিক থেকে, আমি কিন্তু তোর আর মায়ের কথা এই গোটা গাঁয়ে জানিয়ে দেবো।

সোজাসুজি আমাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিল লতা...। এটা আমার বোন!

- তুই কি ভেবেছিস, সেদিন পুকুরপাড়ে মায়ের গুদ চাটছিলি, আমি বুঝতে পারিনি?

চারু লজ্জায় আমার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ফেললো কাঁদতে কাঁদতে। আমি অবাক হলাম লতার এই কথা শুনে। লতা এসব কিছু জানতো? আর জেনেও না জানার অভিনয় করছিল? এরপর লতা বাবার উদ্দেশ্যে যা বললো, আমার লজ্জায় মাথা কাটা গেল।

- ও বাবা, বলছি দাদা তো মায়ের গুদ‌ মারছে, মাঝখান থেকে তুমিই একা পড়ে গেলে। তুমি আসবে আমার ঘরে? আমার গুদটা মেরে দাও না বাবা...! তোমার এই কষ্ট যে আমি আর‌ দেখতে পারছি না গো...! 

- লতা...!!

বাবা গর্জে উঠলো। লতা একইভাবে বেশ্যার মতো হাসতে লাগলো।

- যদিও বিড়ি খেয়ে তোমার দম চলে গেছে, তবুও যতটুকু পারো তোমার মেয়েকে চুদতে...! চুদবে বাবা আমায়?

বাবা উঠে গিয়ে তার গালে চড় মারতে গেল আর লতা ঠিক তক্ষুনি নিজের দুধ টিপে ধরলো, আর ফিনকি দিয়ে বাবার সারা মুখ ভিজে গেল নিজের মেয়ের দুধে। বাবা মুখ মুছে আবার দাওয়ায় এসে বসে গজগজ করতে লাগলো রাগে। 

- কি করবো বাবা, রতন দুধ-ই খাচ্ছে না জানো....তাই তো সবাইকে ডেকে ডেকে খাওয়াতে হয়...! তুমি খাবে বাবা? এসো না এসো....কোলে শুয়ে পড়ো! আমি মাথায় হাত বুলিয়ে তোমায় দুধ খাওয়াবো।

আমি লতার দিকে তাকিয়ে জিগ্যেস করলাম,

- লতা, মালতী কোথায়?

- কেন সেদিনের মতো ওর গুদ মারবি নাকি?

এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমার ঘর থেকে চারুর কান্নার আওয়াজ কিছুক্ষনের জন্য থেমে গেল। তারপর আবার তার ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠার আওয়াজ পেলাম। চারু শুনতে পেয়ে গেছে। আর সে কষ্ট পাচ্ছে এটা শুনে। এমনসময় নীলা কাকিমা এসে দাঁড়ালো আমাদের উঠোনে হাসতে হাসতে। যখন বিপদে আসে, সব দিক থেকে আসে।

- কি রে লতা, দুধ বের করে বসে আছিস....। আজ কয়জন হলো রে?

- একজনকে পেলাম কাকিমা..। সে আবার পোঁদ চুদে গেল। তোমার কেউ জুটলো?

- হ্যাঁ। দুজন। ভালোরকম মেরে গেছে আমার। গুদে পোঁদে সবেই ব্যাথা। তা চয়ন, বলি আজ কি একটু গুদ মারবে নাকি আমার সেই রাতের মতো? কি যে সুখ দিয়েছিলে তুমি। আমার কিন্তু মাঝেমধ্যে রাগ হয় চয়ন। তোমার মা কত সৌভাগ্যবতী যে এমন একখানা বাড়া  পেয়েছে। তোমার মা খুব সুখ পায় বলো?

এই কথায় চারুর কান্না এবার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। এর আগে আমি এই দুজনের সঙ্গে মিলিত হয়ে এসেছিলাম। আজ সব চারু জেনে ফেললো। কথায় আছে না পাপ বাপকেও ছাড়ে না। কর্মফল যে ভোগ করতেই হবে আমায়! কিন্তু পাপ একবার করা আর জীবনভর করে যাওয়া - এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে অনেক। যে একবার ভুল করে বুঝতে পারে এবং তা করা বন্ধ করে দেয়, সে পাপী নয়। আর যে ভুল বুঝতে পেরেও তা করে যায় আমৃত্যু, সে-ই আসল পাপী। আমি ভুল করেছিলাম, আমি তা অস্বীকার করছি না। কিন্তু এটাও আমি জানি আমি সেই ভুল কাজ তখনই থামিয়ে দিয়েছিলাম। মাকে সত্যিকার ভালোবাসতে পেরেছিলাম। তারপর থেকে কোনো মেয়ের দিকে আমি তাকাইনি আর। চারু জেনেছে ভালো হয়েছে। কিছু লুকিয়ে তার সঙ্গে জীবন কাটাতে আমিও চাইছিলাম না। এই ভুলের বোঝা মাথায় নিয়ে আমায় বয়ে বেড়াতে হচ্ছিল, আজ সেই বোঝা আমার মাথা থেকে নেমে গেল। আমি শান্তি পেলাম। যাই, এবার চারুকে গিয়ে সব সত্যিটা বলে দিই। আমি  একজন চরিত্রবান মানুষ, তা আমি নিজে জানি। আমি উঠে আমার ঘরে গিয়ে ঢুকলাম। বাইরে থেকে লতার গলার আওয়াজ ভেসে এলো,

- দেখো আবার মায়ের গুদ মারতে ঢুকে গেল। আমাদেরকে এসেছে চরিত্রের পাঠ শেখাতে.... হুঁ!

তারপর নিশীথ একটা কথা বলে উঠলো, যার প্রতিক্রিয়া আমি ওকে তখন দিলাম না। কিন্তু সে কি করবে, তা বোঝার জন্য গভীর চিন্তায় ডুবে গেলাম। নিশীথের কথাটা খানিকটা এমন ছিল,

- ওর মাকে আমি বেশ্যা বানিয়ে ছাড়বো, দেখে নিও তোমরা।

আর এই কথা শুনে লতা আর নীলা দুজনেই হি হি করে হেসে উঠলো। 

নিশীথ আমার মাকে বেশ্যা বানাবে? আমার উপস্থিতিতে? কিন্তু কিভাবে? কারণ আমার উপস্থিতিতে মাকে ছুঁতে এলেও তার হাত ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবো আমি, তবে? সে বোকা ছেলে নয়, সে অত্যন্ত কৌশলে সব কাজ হাসিল করতে পারে! তবে সে মাকে কিভাবে বেশ্যা বানাতে চাইছে? সে কি করতে চলেছে?
Reply


Messages In This Thread
চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:21 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:23 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:30 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:31 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:47 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:55 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:56 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:57 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-23-2026, 05:58 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:16 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:17 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:18 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:22 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:24 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:25 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:26 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:27 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:28 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:29 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:48 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:49 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:53 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) - by Erotic Lovers - 09-26-2026, 10:54 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)