Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin)
#18

১৮
আমি আনিকার দুই স্তনের মাঝখানের যে গভীর গিরিখাতেআমার নাক আর মুখ ঘষতে শুরু করলাম। শরীরের উত্তাপ তখন আমার মুখে লাগছে। বিভাজিকা বেয়ে আমার জিভ নেমে এল উনার সমতল পেটের ওপর। পেট চাতার সময় আনিকা হঠাৎ করে হাসতে শুরু করলেন, আবার পরক্ষণেই সেই হাসি উহু আহায় রূপ নিল। সুড়সুড়ি আর উত্তেজনার এক অদ্ভুত খেলা। আমি উনার পেটের পেশিগুলোর ওপর আমার জিভ দিয়ে নকশা আঁকতে লাগলাম। এরপর এলাম উনার নাভির কাছে। উনার নাভির সেই গভীর কুয়োর ভেতর আমি আমার জিভ ঢুকিয়ে দিয়ে ঘোরাতে লাগলাম।

"আহহহ... রাশেদ... কী করছ তুমি..." আনিকা বিছানায় মোচড়াতে মোচড়াতে বললেন। উনার দুই পা তখন এলোমেলোভাবে নড়ছে। উনার নাভি চাতার সময় উনার পুরো শরীরটা যেন একটা তরঙ্গের মতো আছড়ে পড়ছিল। আমি থামলাম না। আমি আরও নিচে নামলাম। উনার সেই ফর্সা, মসৃণ উরু। উরুর ভেতরের দিকের নরম চামড়ার ওপর যখন আমার জিভের স্পর্শ লাগল, আনিকা উনার দুই পা দিয়ে আমার মাথাটা চেপে ধরলেন উনার শরীরের সাথে। উনার উরুর পেশিগুলো থরথর করে কাঁপছে। আমি উনার হাঁটু, পায়ের নলি হয়ে সোজা নেমে গেলাম উনার পায়ের পাতায়।

আমি উনার পায়ের পাতা আর আঙুলগুলো আমার মুখের ভেতর নিয়ে চাটতে শুরু করলাম। অনেকে এটাকে বিকৃতি মনে করতে পারে, কিন্তু আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনো দেবীর চরণে পূজা দিচ্ছি। আনিকা এই সময় পুরোপুরি নিস্তেজ হয়ে বিছানায় পড়ে রইলেন, কেবল উনার নিশ্বাস নেওয়ার শব্দটা শোনা যাচ্ছিল। উনার পায়ের আঙুলগুলো উত্তেজনায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল। আমি উনার সারা শরীর আমার জিভ দিয়ে ভিজিয়ে দিলাম। উনার শরীরের প্রতিটি কোণ, প্রতিটি ভাঁজ আমার চেনা হয়ে গেল। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, আমি সব জায়গায় মুখ দিলেও, উনার শরীরের সেই সবচেয়ে গোপন জায়গা— উনার যোনি বা মধুভান্ডারে একবারের জন্যও মুখ দিলাম না। আমি ইচ্ছে করেই ওই জায়গাটা এড়িয়ে যাচ্ছিলাম।

আমি আবার উনার বুকের ওপর উঠে এলাম, কিন্তু আমার মুখ রইল উনার নাভির কাছে। আনিকা এখন চরম উত্তেজনার এক চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনার শরীর ঘামে ভিজে গেছে। উনার দুই হাত বিছানার চাদর খামচে ধরে আছে। উনার দুই পায়ের মাঝখানের সেই মধুভান্ডার এখন তৃষ্ণায় হাহাকার করছে। "রাশেদ... আর পারছি না আমি... আর পারছি না..." আনিকা খুব ভাঙা এবং কাতর গলায় বললেন। উনার চোখ দুটো এখন আধবোজা, কপালে ঘামের বিন্দু। আমি খুব নির্বোধ এবং বোকা সাজার ভান করে মুখ তুলে উনার দিকে তাকালাম। আমার মুখে একটা দুষ্টুমির হাসি।

"কেন? কী হয়েছে আনিকা? আর কী করব বলেন?" আমি খুব নিরীহ গলায় জিজ্ঞেস করলাম।

আনিকা উনার মাথাটা এদিক-ওদিক নাড়তে লাগলেন। উনার ভেতরের সমস্ত বাঁধ যেন ভেঙে গেছে। উনার মতো একজন অহংকারী এবং অভিজাত নারী এখন আমার সামনে পুরোপুরি অসহায়। "তুমি জানো আমি কী চাইছি... প্লিজ রাশেদ... আমার ওইখানে মুখ দাও... আমার মধুভাণ্ডারে তোমার জিভ ছোঁয়াও। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি... প্লিজ..." আনিকা প্রায় কান্নার সুরে অনুনয় করতে লাগলেন। 

আমি তবুও ভাবলেশহীন। আমি উনার উরুর ওপর হাত রেখে বললাম, "বুঝতে পারছি না তো আপনি কীসের কথা বলছেন। আমি তো আপনার সারা শরীরেই আদর করলাম।"

"না! তুমি ওই জায়গাটা বাদ দিচ্ছ... ইচ্ছে করে বাদ দিচ্ছ। তুমি জানো না আমার কেমন লাগছে? আমার ভেতরে যেন আগুন জ্বলছে। রাশেদ, তুমি কি চাও আমি মরে যাই? প্লিজ ওখানে মুখ দাও..." 

আনিকা উনার কোমরটা সামান্য উঁচু করে উনার সেই গোপন অরণ্য আমার মুখের দিকে এগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। উনার মধুভাণ্ডার এখন কামনার রসে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে আছে। আমি উনার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকালাম। উনার চোখে এখন কেবল আত্মসমর্পণ। আমি বুঝতে পারলাম, সময় হয়ে গেছে। আমার অনুবাদক মস্তিষ্ক এখন এই পরিস্থিতির চূড়ান্ত দখল নিতে চাইল। আমি খুব ধীর গলায় বললাম, "আমি ওখানে মুখ দিতে পারি আনিকা। কিন্তু তার আগে আপনাকে আমার কিছু শুনতে হবে, আপনাকে একই কথা বলতে হবে।"

"কী কথা? আমি সব বলব... তুমি যা চাও আমি তাই বলব। শুধু তুমি আমাকে শান্তি দাও..." আনিকা ছটফট করতে করতে বললেন। 

"বলেন— আমি আজ থেকে আমার শরীরের সমস্ত অধিকার রাশেদকে দিলাম।"

আনিকা এক মুহূর্তও দেরি করলেন না। উনার গলা দিয়ে সেই কথাগুলো বেরিয়ে এল যেন উনার আত্মার গভীর থেকে আসছে— "আমি... আমি আজ থেকে আমার শরীরের সব অধিকার রাশেদকে দিলাম। সব... সব তোমার..." 

আমি হাসলাম। কিন্তু আমার দাবি এখনো শেষ হয়নি। আমি চাইছিলাম উনার ভেতরের সেই লন্ডনপ্রবাসী লেখিকার ইগোটাকে পুরোপুরি ধুলোয় মিশিয়ে দিতে। আমি উনার দুই উরুর মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসলাম। উনার সেই উন্মুক্ত মধুভাণ্ডার এখন আমার চোখের একদম সামনে। সেখান থেকে এক তীব্র, আদিম নারীত্বের ঘ্রাণ ভেসে আসছে।

আমি বললাম, "বলেন— আজ এই মুহূর্ত থেকে রাশেদ আমার একমাত্র পুরুষ, আমার স্বামী, আমার প্রভু।" 

আনিকা নাওহার, যিনি লন্ডনের অভিজাত মহলে বিচরণ করেন, যিনি শব্দের কারিগর— তিনি এখন এক সামান্য অনুবাদকের দাসী হয়ে গেছেন। উনি উনার দুই হাত বাড়িয়ে আমার কোমর জড়িয়ে ধরলেন। উনার গলার স্বর কাঁপছে, কিন্তু উনার উচ্চারণে কোনো দ্বিধা নেই। "আজ... আজ এই মুহূর্ত থেকে রাশেদ আমার একমাত্র পুরুষ। রাশেদ আমার স্বামী... রাশেদ আমার প্রভু। আমি তোমার দাসী রাশেদ... এখন আমাকে মুক্তি দাও... প্লিজ..."

উনার এই জবানবন্দি শোনার পর আমার শরীরের ভেতর এক চরম বিজয়ের আনন্দ বয়ে গেল।আজ এক পরম রূপবতী এবং বিদুষী নারীকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে জয় করে ফেলেছি। আমি আর দেরি করলাম না।

আমি আমার মাথা নিচু করলাম। উনার সেই উত্তপ্ত, ভেজা এবং কামনার রসে টইটম্বুর মধুভাণ্ডারের ওপর আমি আমার মুখ নামিয়ে আনলাম। উনার শরীরের সেই সুমিষ্ট এবং বন্য ঘ্রাণ আমার নাসারন্ধ্রে আঘাত করল। খুব ধীরে, খুব পরম আদরে আমি আমার জিভ উনার সেই সংবেদনশীল মধুভাণ্ডারের কেন্দ্রে স্থাপন করলাম।

"আহহহহহহ!"

আনিকা একটা দীর্ঘ, তীক্ষ্ণ এবং স্বর্গীয় চিৎকার দিয়ে উঠলেন। উনার পুরো শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। উনার হাত দুটো আমার চুলে শক্ত করে বিলি কাটতে শুরু করল। আমার জিভ এখন উনার সেই ভিজে থাকা গহ্বরের ভেতরে তার জাদুকরী খেলা শুরু করেছে। উনার মধুভাণ্ডারের সেই উষ্ণতা আর পিচ্ছিলতা আমার জিভে এক অবর্ণনীয় স্বাদের জন্ম দিচ্ছিল। আমি যেন পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র অমৃত পান করছি। উনার ভেতরের সেই রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা কামনার রসগুলো আমি আমার জিভ দিয়ে শুষে নিতে লাগলাম।

আনিকা এখন আর কোনো কথা বলতে পারছেন না। উনার মুখ দিয়ে কেবল একটা একটানা গোঙানি বেরিয়ে আসছে— 'উমমমম... উমমমম...'। উনার প্রতিটি পেশি, প্রতিটি কোষ এখন আমার জিভের শাসনের নিচে। এই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের নিস্তব্ধ বেডরুমে এখন কেবল দুটি নগ্ন দেহের ঘর্ষণ, ভারী দীর্ঘশ্বাস আর আমার জিভের সেই ভেজা শব্দের রাজত্ব। মানুষের আদিম প্রবৃত্তিগুলো যখন জাগ্রত হয়, তখন তার ভেতরের আধুনিক সভ্যতা, ভব্যতা আর মেকি ভদ্রতার দেয়ালগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। এই ভাষা ঠোঁটের নয়, এ ভাষা শরীরের। এই ভাষার কোনো ডিকশনারি নেই, কোনো ব্যাকরণ নেই; আছে শুধু এক তীব্র হাহাকার আর সেই হাহাকার মেটানোর এক সর্বগ্রাসী তৃষ্ণা।

আনিকার মধুভাণ্ডারের ওপর যখন আমি আমার মুখ নামিয়ে আনলাম, তখন আমার মনে হলো আমি এক নিষিদ্ধ অরণ্যে প্রবেশ করেছি। সেখান থেকে এক তীব্র, আদিম এবং মাদকতাময় নারীত্বের ঘ্রাণ আমার মস্তিষ্ককে অবশ করে দিচ্ছিল। আমি আমার জিভ দিয়ে উনার সেই রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা কামনার রসগুলো আস্বাদন করতে শুরু করলাম। উনার মধুভাণ্ডার এখন কামনার জোয়ারে টইটম্বুর। আমি খুব ধীর লয়ে আমার জিভ উনার সেই সংবেদনশীল কেন্দ্রের চারপাশে ঘোরাতে লাগলাম। উনার মধুভাণ্ডারের উপরিভাগের সেই ছোট্ট অঙ্কুরটি যখন আমার জিভের স্পর্শ পেল, আনিকা যেন আক্ষরিক অর্থেই বিছানা থেকে ছিটকে উঠতে চাইলেন। উনার দুই হাত আমার চুলে এমনভাবে বিলি কাটছে যে মনে হচ্ছে উনি আমাকে উনার শরীরের ভেতরে টেনে নিতে চাইছেন।

"আহহহ... রাশেদ... উমমম..."

উনার গলা দিয়ে যে গোঙানি বের হচ্ছিল, তা কোনো মানুষের গলার শব্দ বলে মনে হচ্ছিল না। ওটা ছিল এক তৃষ্ণার্ত বন্য প্রাণীর আর্তনাদ। আমি আমার জিভ দিয়ে উনার সেই মধুভাণ্ডারের গভীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করলাম। উনার শরীরের ভেতরের উষ্ণতা আর সেই পিচ্ছিল রসের স্বাদ আমাকে এক অন্য জগতে নিয়ে গেল। আমি উনার সেই কামনার গুহার প্রতিটি কোণ আমার জিভ দিয়ে লেহন করতে লাগলাম। উনার উরু দুটো এখন আমার মাথার দুপাশে প্রবল শক্তিতে চেপে বসেছে। উনি ছটফট করছেন। উনার শরীরটা বিছানার সাদা চাদরের ওপর এক অদ্ভুত ছন্দে মোচড়াচ্ছে। আমার জিভের প্রতিটা আঘাতে উনার শরীর দিয়ে যেন বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিল। আমি কখনো খুব দ্রুত, কখনো খুব ধীর লয়ে আমার জিভের জাদু চালিয়ে যাচ্ছিলাম। উনার মধুভাণ্ডার থেকে কামনার রস এখন ঝরনার মতো ঝরছে, যা আমার চিবুক আর ঠোঁট ভিজিয়ে দিচ্ছিল।

বেশ কিছুক্ষণ ধরে আমি উনার সেই মধুভাণ্ডারে আমার জিভের খেলা চালিয়ে গেলাম। আনিকা এখন চরম উন্মাদনার এক শিখরে পৌঁছে গেছেন। উনার চোখ দুটো উল্টে গেছে, মুখটা হাঁ হয়ে আছে, আর উনার নিশ্বাস এখন কামারের হাপরের মতো শব্দ করছে। ঠিক সেই মুহূর্তেই, যখন উনি এক চরম বিস্ফোরণের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে, হঠাৎ উনার ভেতরের সেই দর্পিত লন্ডনপ্রবাসী নারীটি যেন এক অদ্ভুত বন্যতায় জেগে উঠল। উনি হঠাৎ আমার চুল মুঠো করে ধরলেন এবং প্রবল আক্রোশে চিৎকার করে বলে উঠলেন— "কুত্তার বাচ্চা! আর কত খেলবি? আর কতক্ষণ তড়পাবি আমাকে? এবার আসল খেলা শুরু কর! আমি আর পারছি না! আমাকে শেষ করে দে!"

আমি মুহূর্তের মধ্যে আমার জিভ সরিয়ে নিলাম। আমি হাঁটু গেড়ে বসে উনার দুই উরুর মাঝখান থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে নিলাম।  আনিকা মুহূর্তের মধ্যে বুঝতে পারলেন উনি কী ভুল করেছেন। উনার সেই চরম উত্তেজনার স্রোত মাঝপথে থেমে যাওয়ায় উনি এক ভয়ংকর শূন্যতায় পড়ে গেছেন। উনি তাকিয়ে দেখলেন আমি উনার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে শান্ত হয়ে বসে আছি। উনার চোখে এখন এক প্রবল আতঙ্ক। উনি বুঝতে পারলেন, উনি উনার মালিককে অপমান করেছেন। "প্রভু... ওহ প্রভু... আমি... আমি দুঃখিত..." আনিকা প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে আমার কাছে এগিয়ে এলেন। উনার নগ্ন শরীরটা তখনো কামনার তাপে কাঁপছে। উনি উনার দুই হাত দিয়ে আমার পা জড়িয়ে ধরলেন।

"সরি... প্রভু, সরি! আমার মাথা ঠিক ছিল না। আমি পাগল হয়ে গেছিলাম। আমি কিছু চাই না... আপনি যা ইচ্ছা করুন। আমাকে যেভাবে খুশি সাজা দিন। শুধু আমাকে ছেড়ে যাবেন না। আমাকে এই যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে রাখবেন না প্রভু... প্লিজ!" 

আমি কোনো কথা বললাম না। আমি শুধু উনার দিকে এক শীতল, কঠোর দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আনিকা উনার মাথা আমার পায়ের ওপর রাখলেন। উনার কান্নার শব্দে ঘরটা ভারী হয়ে উঠল। উনার দর্প, উনার আভিজাত্য, উনার শিক্ষা— সবকিছু আজ এক সামান্য অনুবাদকের পায়ের নিচে লুটোপুটি খাচ্ছে।

"ক্ষমা করুন প্রভু... আর কখনো হবে না। আমি আপনার দাসী। আপনি যা বলবেন আমি তাই করব। শুধু আমাকে একটু দয়া করুন..." আনিকার শরীর এখন চরম তৃষ্ণায় নীল হয়ে যাচ্ছে।

আমি কিছুক্ষণ পর উনার চিবুক ধরে উনার মুখটা ওপরে তুললাম। উনার চোখের মণি দুটো এখন কামনায় আর অনুতাপে টলমল করছে। আমি বললাম। "এবার শুয়ে পড়ুন।" আনিকা এক বাধ্য পুতুলের মতো বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পড়লেন। উনার দুই পা উনার বুকের কাছে টেনে নিয়ে উনার সেই মধুভাণ্ডার সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দিলেন আমার জন্য। আমি আমার সেই কুতুব মিনারের মতো দণ্ডায়মান, পাথরের মতো শক্ত হয়ে থাকা পুরুষাঙ্গটি বের করলাম। ওটা এখন চরম উত্তেজনায় কাঁপছে। কিন্তু আমি সরাসরি উনার ভেতরে প্রবেশ করলাম না। আমি শুরু করলাম এক নতুন মনস্তাত্ত্বিক খেলা।

আমি আমার পুরুষাঙ্গটি উনার মধুভাণ্ডারের চারপাশের নরম চামড়ার ওপর দিয়ে ঘষতে শুরু করলাম। উনার জঘনের ওপর দিয়ে, উরুর ভাঁজ দিয়ে আমি আমার পৌরুষকে স্লাইড করালাম। উনার মধুভাণ্ডারের প্রবেশপথে আমার পুরুষাঙ্গের শীর্ষদেশ বা টিপটা বারবার ছুঁয়ে দিচ্ছিলাম, কিন্তু ভেতরে ঢোকাচ্ছিলাম না। আনিকা উনার কোমর বারবার ওপরের দিকে তুলছেন। উনি চাইছেন আমি উনার ভেতরে প্রবেশ করি। কিন্তু আমি প্রতিবারই উনাকে ফাঁকি দিচ্ছিলাম।

"প্রভু... ওহ স্বামী... মালিক আমার... আর আমাকে তড়পাবেন না। আমি মরে যাব... প্লিজ আমাকে আপনার ভেতরে নিন... প্লিজ!" আনিকা ছটফট করতে করতে বিছানার চাদর ছিঁড়ে ফেলার উপক্রম করলেন।

উনার মধুভাণ্ডার এখন কামনার রসে পিচ্ছিল হয়ে আছে। আমি আমার পুরুষাঙ্গের টিপটা উনার প্রবেশপথে রেখে আলতো করে ভেতরে এক ইঞ্চি ঢুকিয়ে আবার বের করে আনলাম। আনিকা একটা তীক্ষ্ণ শব্দ করে উনার কোমর উঁচিয়ে ধরলেন, কিন্তু আমি ততক্ষণে আবার বাইরে চলে এসেছি। 

"বলেন— আমি কে?" আমি উনার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম। "আপনি... আপনি আমার মালিক... আপনি আমার সব কিছু। রাশেদ... আমাকে দয়া কর প্রভু..." আনিকা প্রলাপ বকতে শুরু করলেন।

আমি বুঝতে পারলাম, উনার ধৈর্যের শেষ সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে। এবার আসল খেলার সময়। আমি আমার দুই হাত দিয়ে উনার কোমর শক্ত করে ধরলাম। উনার পা দুটো আমার কাঁধের ওপর তুলে নিলাম। তারপর খুব ধীরে, অত্যন্ত পরম আদরে আমি আমার পুরুষাঙ্গের শীর্ষদেশ উনার মধুভাণ্ডারের প্রবেশপথে স্থাপন করলাম। এবং তারপর শুরু হলো আমাদের সেই মহাজাগতিক যাত্রা। আমি খুব ধীর গতিতে চাপ দিতে শুরু করলাম। উনার মধুভাণ্ডারের পেশিগুলো প্রথমে একটু বাধা দিচ্ছিল, যেন তারা তাদের দীর্ঘদিনের অবরোধ ভাঙতে চাইছে না। কিন্তু আমার পৌরুষের কাঠিন্যের কাছে তারা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হলো। আমি উনার ভেতরে মাত্র তিন ইঞ্চি প্রবেশ করলাম। আনিকা এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে উনার পিঠ বিছানা থেকে ওপরে তুললেন। আমি অনুভব করলাম উনার ভেতরের সেই অদ্ভুত উষ্ণতা। উনার পিচ্ছিল রস আমার প্রবেশকে সহজ করে দিচ্ছিল।

আমি আমার গতি অপরিবর্তিত রেখে আরও একটু ভেতরে ঢুকলাম। এবার আমি উনার অর্ধেকের বেশি দখল করে নিয়েছি। আনিকার চোখ দুটো বন্ধ, ঠোঁট কামড়ে ধরে উনি সেই তীব্র অনুভূতির স্বাদ নিচ্ছেন। আমি বুঝতে পারছি উনার ভেতরের প্রতিটি দেওয়াল আমাকে স্বাগত জানাচ্ছে। এক অদ্ভুত ঘর্ষণ, এক অদ্ভুত শিহরণ। আমি আমার কোমর স্থির রেখে উনার মধুভাণ্ডারের ভেতরের সঙ্কোচন অনুভব করার চেষ্টা করলাম।

এক ধাক্কায় আমি আমার সমস্ত পৌরুষ উনার মধুভাণ্ডারের একদম তলদেশ পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিলাম। উনার জরায়ুমুখের সাথে আমার পুরুষাঙ্গের শীর্ষের সেই প্রথম সংঘর্ষ। আনিকা এক তীক্ষ্ণ চিৎকার দিয়ে আমার পিঠ জড়িয়ে ধরলেন। উনার নখগুলো আমার চামড়ায় বসে গেল। আমার মনে হলো, আমি যেন এক বিশাল শূন্যতা পূর্ণ করেছি। উনার ভেতরটা আমাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল। আমরা দুজন এখন এক শরীর, এক প্রাণ।

আমি খুব ধীর লয়ে আমার শরীরটাকে সামনে-পেছনে করতে শুরু করলাম। বাইরে এসির ঠান্ডা, কিন্তু আমাদের শরীরের ঘর্ষণে এখন এক দাবানল তৈরি হয়েছে। আমার প্রতিটা চলনে উনার ভেতরের পিচ্ছিল রসের সেই ভেজা শব্দ 'চপ চপ' করে বাজছিল। আমি উনার চোখের দিকে তাকালাম। সেখানে এক অবর্ণনীয় সুখের আভা। আমি উনার ঠোঁটে এক গভীর চুমু খেয়ে আমার গতি সামান্য বাড়ালাম।

আমি এবার উনার ভেতরে ছোট ছোট কিন্তু দ্রুত ধাক্কা দিতে শুরু করলাম। উনার শরীরটা আমার প্রতিটা ধাক্কায় বিছানার ওপর ছিটকে ছিটকে উঠছিল। উনার সেই ভরাট স্তনযুগল এখন বুনো ছন্দে দুলছে। আমি উনার স্তনদুটো হাত দিয়ে খামচে ধরলাম। উনার মধুভাণ্ডারের পেশিগুলো প্রতিবার আমাকে প্রবল শক্তিতে চিপে ধরছিল, যেন তারা আমাকে আর বাইরে যেতে দিতে চায় না। আনিকা এখন অনর্গল গোঙাচ্ছেন— "রাশেদ... প্রভু... আরও... আরও..."

আমার অনুবাদক মস্তিষ্ক এখন পুরোপুরি শাটডাউন হয়ে গেছে। আমি এখন এক আদিম পশু। আমি উনার ভেতরে দীর্ঘ এবং সজোরে থাপ্পড় দিতে শুরু করলাম। উনার কোমরটা আমি দুই হাতে শক্ত করে ধরে এমনভাবে আছড়ে পড়ছিলাম যেন আমি কোনো পাহাড় ভাঙছি। আমাদের শরীরের ঘর্ষণে বিছানাটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করে কাঁপছিল। ঘরটা এখন আমাদের ভারী নিশ্বাস আর কামনার গোঙানিতে ভরে গেছে। আনিকার ঘাম আমার বুকে লাগছে। আমি আমার গতির চরমে পৌঁছে গেলাম। আমি উনার মধুভাণ্ডারের একদম গভীরতম কোণগুলো আমার পুরুষাঙ্গ দিয়ে তন্নতন্ন করে খুঁজছিলাম। উনার ভেতরের পেশিগুলো এখন এক অদ্ভুত ছন্দে কাঁপছে। আমি বুঝতে পারলাম, উনি খাদের একদম কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছেন। উনার পা দুটো আমার কোমর জড়িয়ে ধরল প্রবল শক্তিতে। উনার মাথা এদিক-ওদিক দুলছে। আমি উনার কানে কামড় দিয়ে আরও জোরে আমার ধাক্কাগুলো চালিয়ে গেলাম।

হঠাৎ আনিকার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। উনার ভেতরের পেশিগুলো আমাকে এমন এক প্রবল শক্তিতে আঁকড়ে ধরল যে আমার মনে হলো আমি আর নড়াচড়া করতে পারব না। উনি এক দীর্ঘ, তীক্ষ্ণ এবং স্বর্গীয় চিৎকার দিয়ে উঠলেন। উনার সারা শরীর থরথর করে কাঁপতে শুরু করল। উনার চরম মুহূর্তটা এসে গেছে। উনি উনার সমস্ত রস আমার ওপরে ঢেলে দিলেন। উনার সেই বন্য কাঁপুনি আমাকেও পাগল করে দিল। আনিকার সেই কাঁপুনি আর উনার মধুভাণ্ডারের সেই তীব্র সঙ্কোচন আমার ভেতরের শেষ বাঁধটুকুও চুরমার করে দিল। আমার তলপেটের নিচ থেকে এক গরম লাভার স্রোত আগ্নেয়গিরির মুখ ফুঁড়ে বেরিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত হলো। আমি উনার বুকের ওপর আমার সমস্ত ওজন দিয়ে ঝাপিয়ে পড়লাম। আমার মুখ দিয়ে এক পশুর মতো হুঙ্কার বেরিয়ে এল। এবং সেই মুহূর্তেই, এক প্রচণ্ড, মহাজাগতিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে আমার সমস্ত জমানো উত্তেজনা, সমস্ত তৃষ্ণা, সমস্ত পবিত্র বীর্য উনার মধুভাণ্ডারের একদম গভীরে প্রবল বেগে আছড়ে পড়ল।

আমি যেন এক অনন্ত অন্ধকারের ভেতর দিয়ে নক্ষত্রের মতো ছুটে গিয়ে এক প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়লাম। বিস্ফোরণের সেই কয়েক সেকেন্ড আমার চেতনা যেন হারিয়ে গিয়েছিল। কোনো চিন্তা ছিল না, কোনো অভাব ছিল না। শুধু এক অপার্থিব সুখ। আস্তে আস্তে উত্তেজনা থিতিয়ে এল। আমি নিস্তেজ হয়ে আনিকার শরীরের ওপর লুটিয়ে পড়লাম। আমার হৃৎপিণ্ডটা তখনো উনার বুকের খাঁচার সাথে পাল্লা দিয়ে ধুকপুক করছে। আমরা দুজনেই হাঁপাচ্ছি। ঘরটা নিস্তব্ধ, শুধু আমাদের দীর্ঘশ্বাসের শব্দ ছাড়া।

আনিকার সেই ৩৬-২৮-৩৬ জ্যামিতি এখন আমার নিচে পিষ্ট হয়ে আছে। উনার ফর্সা শরীরটা এখন আমাদের দুজনের ঘামে আর কামনার রসে ভিজে একাকার। উনার হাত দুটো এখনো আলতো করে আমার চুল জড়িয়ে আছে। আমি উনার ঘাড়ের কাছে আমার মুখ গুঁজে দিয়ে বড় বড় শ্বাস নিতে লাগলাম। উনার শরীরের সেই শ্যাম্পু আর ঘামের মিশ্রিত ঘ্রাণ আমাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দিচ্ছিল। আমরা এভাবেই লেপ্টে রইলাম। কতক্ষণ জানি না। সময় হয়তো আবার তার ফ্ল্যাট সার্কেলে ফিরে গেছে। কিন্তু এই মুহূর্তটা চিরকালের জন্য আমাদের দুই শরীরের কোষে কোষে খোদাই হয়ে রইল।

রাত তখন কটা বাজে? দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকানোর মতো মানসিক বা শারীরিক অবস্থা আমার নেই। তবে আমার ভেতরের বায়োলজিক্যাল ঘড়ি বলছে, রাত হয়তো একটা কি দেড়টা হবে। কিংবা দুইটাও বাজতে পারে। বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকরা বলেন, চরম শারীরিক মিলনের পর মানুষের মন সাধারণত এক ধরনের দার্শনিক শূন্যতায় ভোগে। কিন্তু আমি এবং আনিকা নাওহার এখন কোনো শূন্যতায় ভুগছি না। শাওয়ারের নিচে সেই প্রথম বন্যতা, আর তারপর বিছানার ওপর সেই দীর্ঘ, মহাজাগতিক তৃপ্তির পর আমরা দুজনেই এখন যেন এক অদ্ভুত স্ফূর্তির বাগানে শুয়ে আছি।

বেডরুমের মায়াবী স্পটলাইটের আলোয় আনিকার নগ্ন, ঘর্মাক্ত শরীরটা আমার পাশেই এলিয়ে আছে। উনার মাথাটা আমার বুকের ওপর। উনার চুল থেকে এখনো একটা মিষ্টি শ্যাম্পুর ঘ্রাণ আসছে, যার সাথে মিশে আছে আমাদের দুজনের কামনার আদিম নোনতা গন্ধ। উনার নিশ্বাস আমার বুকের লোমগুলোর ওপর আছড়ে পড়ছে। এক অদ্ভুত, অপার্থিব প্রশান্তি। মনে হচ্ছে, পৃথিবীর সমস্ত যুদ্ধ, সমস্ত অভাব, সমস্ত কোলাহল এই বেডরুমের দরজার ওপাশে চিরকালের জন্য থেমে গেছে।

কিন্তু মানুষের শরীর বড়ই বেইমান একটা যন্ত্র। আপনি যতই আধ্যাত্মিকতার চূড়ায় বসে থাকুন না কেন, আপনার শরীরের ভেতরে থাকা নিরেট বায়োলজিক্যাল ইঞ্জিনটা যখন তার জ্বালানি চাইবে, তখন পৃথিবীর কোনো দর্শনই কাজে আসবে না। হঠাৎ করে এই পিনপতন নিস্তব্ধতার মাঝে খুব মৃদু  কিন্তু অদ্ভুত, বেমানান শব্দ হলো। গুড়গুড়... গ্রররর... শব্দটা আনিকার পেট থেকে এল।

আমি চমকে উনার দিকে তাকালাম। আনিকাও একটু অপ্রস্তুত হয়ে মাথা তুলে আমার দিকে তাকালেন। তারপর হঠাৎ করেই আমরা দুজনে হো হো করে হেসে উঠলাম। রোমান্টিক সিনেমা বা উপন্যাসে এই ব্যাপারটা কখনো দেখানো হয় না। নায়ক-নায়িকা যখন চরম প্রেম আর শরীর বিনিময়ের পর বিছানায় শুয়ে থাকে, তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে খুব সুন্দর একটা সেতার বা বাঁশির সুর বাজে। কিন্তু বাস্তবে, এতক্ষণ ধরে শরীরের ওপর দিয়ে যে রোলারকোস্টার যায়, তার ফলে পেটের ভেতর রীতিমতো একটা দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যায়।

"রাশেদ," আনিকা হাসতে হাসতেই বললেন, "আমার তো মনে হচ্ছে পেটের ভেতর ইঁদুর দৌড়াচ্ছে। প্রচণ্ড ক্ষুধা পেয়েছে।" 

"পাওয়ারই কথা," আমি উনার ফর্সা, মসৃণ কাঁধে একটা চুমু খেয়ে বললাম। 

"যে পরিমাণ ক্যালরি বার্ন হয়েছে গত দুই ঘণ্টায়, তাতে ক্ষুধা না লাগলে আপনাকে চেকআপ করাতে হতো। আমার নিজেরও মনে হচ্ছে আস্ত একটা গরু খেয়ে ফেলতে পারব।"

আনিকা বিছানায় উঠে বসলেন। উনার নগ্ন, ভরাট শরীরটা আলো-আঁধারিতে একটা মাস্টারপিস পেইন্টিংয়ের মতো দেখাচ্ছে। "চলো, ফুডপান্ডায় কিছু অর্ডার করি। কাচ্চি বা পিজ্জা টাইপ কিছু," আনিকা উনার ফোনটা হাতড়াতে হাতড়াতে বললেন। 

"দাঁড়ান দাঁড়ান!" আমি ধড়ফড় করে উঠে বসলাম। "ফুডপান্ডা অর্ডার করবেন? রাত এখন কয়টা বাজে খেয়াল করেছেন? দুইটা বাজে!"

"তো কী হয়েছে? ঢাকা শহরে এখন অনেক রেস্টুরেন্ট সারারাত খোলা থাকে।"

"রেস্টুরেন্ট খোলা থাকে আমি জানি। কিন্তু আপনার এই ষোলো তলা বিল্ডিংয়ের সিকিউরিটি সিস্টেমের কথা একটু ভাবুন। নিচে মেইন গেট, তারপর কোলাপসিবল গেট, তারপর কেঁচি গেট। এগুলো সব তো দশটা-এগারোটার দিকেই তালা মেরে দেয়। এখন ফুডপান্ডার ছেলে এলে তো দারোয়ানকে ডেকে তুলতে হবে।"

আনিকা একটু থমকালেন। "তা অবশ্য ঠিক।"

"দারোয়ানকে ডাকতে হলে হয় আপনাকে ইন্টারকমে কল দিতে হবে, নয়তো নিচে যেতে হবে," আমি লজিক দেওয়া শুরু করলাম। "দারোয়ান বেচারা ঘুম থেকে উঠে বিরক্ত হবে। রাত দুইটার সময় একটা ছেলে আপনার ফ্ল্যাটে খাবার দিয়ে যাবে, আর দারোয়ান ঘাড় চুলকাতে চুলকাতে ভাববে— 'ম্যাডাম তো একাই থাকে, এত রাতে ম্যাডাম এত খাবার অর্ডার করল কেন?' আর যদি কোনোভাবে দারোয়ান টের পায় যে এই ফ্ল্যাটে আমি আছি, তাহলে তো কাল সকালেই পুরা বিল্ডিংয়ে মাইকিং হয়ে যাবে। আমরা দুজনেই এই গভীর রাতে কোনো সিন ক্রিয়েট করে আশেপাশের মানুষের নজর কাড়তে চাই না, তাই না?"

আনিকা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মোবাইলটা রেখে দিলেন। "ইউ আর রাইট। ঢাকা শহরে একা থাকা নারীদের পদে পদে আতশ কাঁচের নিচ দিয়ে হাঁটতে হয়। কিন্তু রাশেদ, আমার তো খুব ক্ষুধা লেগেছে। আমি তো ক্ষুধার জ্বালায় ঘুমাতে পারব না।" আমি হাসলাম। "রান্নাঘরে কিছু নেই?"

"রান্নাঘর তো আমি ওভাবে ইউজই করি না। চা-কফি আর হয়তো কয়েক প্যাকেট ম্যাগি নুডলস থাকতে পারে। বেলাল লাস্ট বার যখন এসেছিল, তখন নিয়ে এসেছিল। ওগুলো তো আর এক্সপায়ার হয়ে যায়নি মনে হয়।"

"ম্যাগি নুডলস! আলহামদুলিল্লাহ!" আমি যেন হাতে চাঁদ পেলাম। "রাত দুইটার সময় ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে এক বাটি গরম নুডলস স্বর্গের খাবারের চেয়ে কোনো অংশে কম না। চলুন, আজকে শেফ রাশেদ আহমেদের হাতের স্পেশাল নুডলস আপনাকে খাওয়াব।"
Reply


Messages In This Thread
দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:51 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:52 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:52 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:53 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:54 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:54 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:26 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:27 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:28 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:56 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:57 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 08:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 08:59 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:00 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:01 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:02 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:03 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:06 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:07 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:08 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:08 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:09 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:10 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:12 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:13 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:14 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:16 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:17 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:17 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:18 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:20 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:22 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:23 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:25 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:25 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:26 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)